সুনানে ইবনে মাজাহ > কোরবানীর দিনের ভাষণ
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৫৫
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وهناد بن السري، قالا حدثنا أبو الأحوص، عن شبيب بن غرقدة، عن سليمان بن عمرو بن الأحوص، عن أبيه، قال سمعت النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول في حجة الوداع " يا أيها الناس ألا أى يوم أحرم " . ثلاث مرات قالوا يوم الحج الأكبر . قال " فإن دماءكم وأموالكم وأعراضكم بينكم حرام كحرمة يومكم هذا في شهركم هذا في بلدكم هذا ألا لا يجني جان إلا على نفسه ولا يجني والد على ولده ولا مولود على والده . ألا إن الشيطان قد أيس أن يعبد في بلدكم هذا أبدا ولكن سيكون له طاعة في بعض ما تحتقرون من أعمالكم فيرضى بها ألا وكل دم من دماء الجاهلية موضوع وأول ما أضع منها دم الحارث بن عبد المطلب - كان مسترضعا في بني ليث فقتلته هذيل - ألا وإن كل ربا من ربا الجاهلية موضوع لكم رءوس أموالكم لا تظلمون ولا تظلمون ألا يا أمتاه هل بلغت " . ثلاث مرات قالوا نعم . قال " اللهم اشهد " . ثلاث مرات .
আমর ইবনুল আহ্ওয়াস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বিদায় হজ্জে বলতে শুনেছিঃ হে লোকসকল! কোন্ দিনটি সর্বাধিক সম্মানিত? তিনি তিনবার এ কথা বলেন। তারা বলেন, হজ্জের বড় দিন। তিনি বলেনঃ তোমাদের রক্ত (জীবন) , তোমাদের সম্পদ, তোমাদের মান-সম্ভ্রম তোমাদের পরস্পরের জন্য (তাতে হস্তক্ষেপ করা) হারাম, যেভাবে তোমাদের এ দিনে, এই মাসে এবং এই শহরে হারাম। সাবধান! কেউ অপরাধ করলে সেজন্য তাকেই গ্রেপ্তার করা হবে। পিতার অপরাধের জন্য পুত্রকে দায়ী করা যাবে না এবং পুত্রের অপরাধের জন্য পিতাকে দায়ী করা যাবে না। জেনে রাখো ! তোমাদের এই শহরে শয়তান নিজের জন্য ইবাদাত পাওয়া থেকে চিরকালের জন্য নিরাশ হয়ে গেছে। কিন্তু কতগুলো কাজ যা তোমরা তুচ্ছজ্ঞানে করতে গিয়ে শয়তানের আনুগত্য করো এবং তাতে সে খুশি হয়ে যায়। সাবধান! জাহিলী যুগের সকল রক্তের (হত্যার) দাবি রহিত হলো। এসব দাবির মধ্যে আমি সর্ব প্রথম আল-হারিস বিন আবদুল মুত্তালিবের রক্তের দাবি রহিত করছি, সে লাইস গোত্রে প্রতিপালিত হওয়াকালে হুযাইল গোত্রের লোকেরা তাকে হত্যা করে। সাবধান! জাহিলী যুগের সমস্ত সূদের দাবি রহিত হলো। তবে তোমরা মূলধন ফেরত পাবে, তোমরাও জুলুম করবে না এবং জুলুমের শিকারও হবে না। শোনো হে আমার উম্মাত! আমি কি পৌঁছে দিয়েছি? একথা তিনি তিনবার জিজ্ঞেস করেন। তারা বলেন, হাঁ। তিনি বলেন, হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন। একথাও তিনি তিনবার বলেন। [৩০৫৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আমর ইবনুল আহ্ওয়াস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বিদায় হজ্জে বলতে শুনেছিঃ হে লোকসকল! কোন্ দিনটি সর্বাধিক সম্মানিত? তিনি তিনবার এ কথা বলেন। তারা বলেন, হজ্জের বড় দিন। তিনি বলেনঃ তোমাদের রক্ত (জীবন) , তোমাদের সম্পদ, তোমাদের মান-সম্ভ্রম তোমাদের পরস্পরের জন্য (তাতে হস্তক্ষেপ করা) হারাম, যেভাবে তোমাদের এ দিনে, এই মাসে এবং এই শহরে হারাম। সাবধান! কেউ অপরাধ করলে সেজন্য তাকেই গ্রেপ্তার করা হবে। পিতার অপরাধের জন্য পুত্রকে দায়ী করা যাবে না এবং পুত্রের অপরাধের জন্য পিতাকে দায়ী করা যাবে না। জেনে রাখো ! তোমাদের এই শহরে শয়তান নিজের জন্য ইবাদাত পাওয়া থেকে চিরকালের জন্য নিরাশ হয়ে গেছে। কিন্তু কতগুলো কাজ যা তোমরা তুচ্ছজ্ঞানে করতে গিয়ে শয়তানের আনুগত্য করো এবং তাতে সে খুশি হয়ে যায়। সাবধান! জাহিলী যুগের সকল রক্তের (হত্যার) দাবি রহিত হলো। এসব দাবির মধ্যে আমি সর্ব প্রথম আল-হারিস বিন আবদুল মুত্তালিবের রক্তের দাবি রহিত করছি, সে লাইস গোত্রে প্রতিপালিত হওয়াকালে হুযাইল গোত্রের লোকেরা তাকে হত্যা করে। সাবধান! জাহিলী যুগের সমস্ত সূদের দাবি রহিত হলো। তবে তোমরা মূলধন ফেরত পাবে, তোমরাও জুলুম করবে না এবং জুলুমের শিকারও হবে না। শোনো হে আমার উম্মাত! আমি কি পৌঁছে দিয়েছি? একথা তিনি তিনবার জিজ্ঞেস করেন। তারা বলেন, হাঁ। তিনি বলেন, হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন। একথাও তিনি তিনবার বলেন। [৩০৫৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وهناد بن السري، قالا حدثنا أبو الأحوص، عن شبيب بن غرقدة، عن سليمان بن عمرو بن الأحوص، عن أبيه، قال سمعت النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول في حجة الوداع " يا أيها الناس ألا أى يوم أحرم " . ثلاث مرات قالوا يوم الحج الأكبر . قال " فإن دماءكم وأموالكم وأعراضكم بينكم حرام كحرمة يومكم هذا في شهركم هذا في بلدكم هذا ألا لا يجني جان إلا على نفسه ولا يجني والد على ولده ولا مولود على والده . ألا إن الشيطان قد أيس أن يعبد في بلدكم هذا أبدا ولكن سيكون له طاعة في بعض ما تحتقرون من أعمالكم فيرضى بها ألا وكل دم من دماء الجاهلية موضوع وأول ما أضع منها دم الحارث بن عبد المطلب - كان مسترضعا في بني ليث فقتلته هذيل - ألا وإن كل ربا من ربا الجاهلية موضوع لكم رءوس أموالكم لا تظلمون ولا تظلمون ألا يا أمتاه هل بلغت " . ثلاث مرات قالوا نعم . قال " اللهم اشهد " . ثلاث مرات .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৫৬
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، عن محمد بن إسحاق، عن عبد السلام، عن الزهري، عن محمد بن جبير بن مطعم، عن أبيه، قال قام رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بالخيف من منى فقال " نضر الله امرأ سمع مقالتي فبلغها فرب حامل فقه غير فقيه ورب حامل فقه إلى من هو أفقه منه ثلاث لا يغل عليهن قلب مؤمن إخلاص العمل لله والنصيحة لولاة المسلمين ولزوم جماعتهم فإن دعوتهم تحيط من ورائهم " .
জুবায়র বিন মুতইম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিনার মসজিদুল খায়ফ-এ দাঁড়িয়ে বলেনঃ আল্লাহ তাআলা সেই ব্যক্তিকে সজীব ও আলোকোজ্জ্বল করে রাখুন যে আমার কথা শোনে, অতঃপর তা (অন্যদের নিকট) পৌঁছে দেয়। জ্ঞানের অনেক বাহক মূলত জ্ঞানী নয়। কোন কোন জ্ঞানের বাহক যার নিকট জ্ঞান বয়ে নিয়ে যায়, সে তার চেয়ে অধিক জ্ঞানী। তিনটি বিষয়ে মুমিন ব্যক্তির অন্তর প্রতারণা করতে পারে না। (১) একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর (সন্তোষ লাভের) জন্য ‘আমাল (কাজ) করা, (২) মুসলিম শাসকবর্গকে সদুপদেশ প্রদানে এবং (৩) মুসলিম জামা’আতের (সমাজের) সাথে সংঘবদ্ধ থাকার ব্যপারে। কারণ মুসলমানদের দুআ’ তাদেরকে পেছন থেকে পরিবেষ্টন করে রাখে। [৩০৫৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
জুবায়র বিন মুতইম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিনার মসজিদুল খায়ফ-এ দাঁড়িয়ে বলেনঃ আল্লাহ তাআলা সেই ব্যক্তিকে সজীব ও আলোকোজ্জ্বল করে রাখুন যে আমার কথা শোনে, অতঃপর তা (অন্যদের নিকট) পৌঁছে দেয়। জ্ঞানের অনেক বাহক মূলত জ্ঞানী নয়। কোন কোন জ্ঞানের বাহক যার নিকট জ্ঞান বয়ে নিয়ে যায়, সে তার চেয়ে অধিক জ্ঞানী। তিনটি বিষয়ে মুমিন ব্যক্তির অন্তর প্রতারণা করতে পারে না। (১) একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর (সন্তোষ লাভের) জন্য ‘আমাল (কাজ) করা, (২) মুসলিম শাসকবর্গকে সদুপদেশ প্রদানে এবং (৩) মুসলিম জামা’আতের (সমাজের) সাথে সংঘবদ্ধ থাকার ব্যপারে। কারণ মুসলমানদের দুআ’ তাদেরকে পেছন থেকে পরিবেষ্টন করে রাখে। [৩০৫৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، عن محمد بن إسحاق، عن عبد السلام، عن الزهري، عن محمد بن جبير بن مطعم، عن أبيه، قال قام رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بالخيف من منى فقال " نضر الله امرأ سمع مقالتي فبلغها فرب حامل فقه غير فقيه ورب حامل فقه إلى من هو أفقه منه ثلاث لا يغل عليهن قلب مؤمن إخلاص العمل لله والنصيحة لولاة المسلمين ولزوم جماعتهم فإن دعوتهم تحيط من ورائهم " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৫৭
حدثنا إسماعيل بن توبة، حدثنا زافر بن سليمان، عن أبي سنان، عن عمرو بن مرة، عن مرة، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وهو على ناقته المخضرمة بعرفات فقال " أتدرون أى يوم هذا وأى شهر هذا وأى بلد هذا " . قالوا هذا بلد حرام وشهر حرام ويوم حرام . قال " ألا وإن أموالكم ودماءكم عليكم حرام كحرمة شهركم هذا في بلدكم هذا في يومكم هذا ألا وإني فرطكم على الحوض وأكاثر بكم الأمم فلا تسودوا وجهي ألا وإني مستنقذ أناسا ومستنقذ مني أناس فأقول يا رب أصيحابي . فيقول إنك لا تدري ما أحدثوا بعدك " .
আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরাফাতের ময়দানে তাঁর স্বীয় উষ্ট্রীতে আরোহিত অবস্হায় বলেনঃ তোমরা কি জানো আজ কোন দিন, এটা কোন মাস এবং এটা কোন শহর? তারা বলেন, এটা (মক্কা) সন্মানিত শহর , সন্মানিত মাস ও সন্মানিত দিন। তিনি আরো বলেনঃ সাবধান ! তোমাদের সম্পদ ও তোমাদের রক্ত তোমাদের পরস্পরের প্রতি তেমনি হারাম যেমনি তোমাদের এই মাসের সন্মান রয়েছে তোমাদের এই শহরে তোমাদের এই দিনে। শুনে রাখো ! আমি তোমাদের আগেই হাওযে কাওসারে উপস্থিত থাকবো। অন্যান্য উম্মাতের তুলনায় তোমাদের সংখ্যাধিক্য নিয়ে আমি গৌরব করবো। তোমরা যেন আমার চেহারা কালিমালিপ্ত না করো। সাবধান! কিছু লোককে আমি মুক্ত করতে পারবো। আর কিছু লোককে আমার নিকট থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হবে। তখন আমি বলবো , হে আল্লাহ ! এরা তো আমার সাহাবী ! তিনি বলবেনঃ তোমার পরে এরা কী বিদআতী কাজ করেছে, তা তুমি জানো না। [৩০৫৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরাফাতের ময়দানে তাঁর স্বীয় উষ্ট্রীতে আরোহিত অবস্হায় বলেনঃ তোমরা কি জানো আজ কোন দিন, এটা কোন মাস এবং এটা কোন শহর? তারা বলেন, এটা (মক্কা) সন্মানিত শহর , সন্মানিত মাস ও সন্মানিত দিন। তিনি আরো বলেনঃ সাবধান ! তোমাদের সম্পদ ও তোমাদের রক্ত তোমাদের পরস্পরের প্রতি তেমনি হারাম যেমনি তোমাদের এই মাসের সন্মান রয়েছে তোমাদের এই শহরে তোমাদের এই দিনে। শুনে রাখো ! আমি তোমাদের আগেই হাওযে কাওসারে উপস্থিত থাকবো। অন্যান্য উম্মাতের তুলনায় তোমাদের সংখ্যাধিক্য নিয়ে আমি গৌরব করবো। তোমরা যেন আমার চেহারা কালিমালিপ্ত না করো। সাবধান! কিছু লোককে আমি মুক্ত করতে পারবো। আর কিছু লোককে আমার নিকট থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হবে। তখন আমি বলবো , হে আল্লাহ ! এরা তো আমার সাহাবী ! তিনি বলবেনঃ তোমার পরে এরা কী বিদআতী কাজ করেছে, তা তুমি জানো না। [৩০৫৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا إسماعيل بن توبة، حدثنا زافر بن سليمان، عن أبي سنان، عن عمرو بن مرة، عن مرة، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وهو على ناقته المخضرمة بعرفات فقال " أتدرون أى يوم هذا وأى شهر هذا وأى بلد هذا " . قالوا هذا بلد حرام وشهر حرام ويوم حرام . قال " ألا وإن أموالكم ودماءكم عليكم حرام كحرمة شهركم هذا في بلدكم هذا في يومكم هذا ألا وإني فرطكم على الحوض وأكاثر بكم الأمم فلا تسودوا وجهي ألا وإني مستنقذ أناسا ومستنقذ مني أناس فأقول يا رب أصيحابي . فيقول إنك لا تدري ما أحدثوا بعدك " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৫৮
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا صدقة بن خالد، حدثنا هشام بن الغاز، قال سمعت نافعا، يحدث عن ابن عمر، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وقف يوم النحر بين الجمرات في الحجة التي حج فيها فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ " أى يوم هذا " . قالوا يوم النحر . قال " فأى بلد هذا " . قالوا هذا بلد الله الحرام . قال " فأى شهر هذا " . قالوا شهر الله الحرام . قال " هذا يوم الحج الأكبر ودماؤكم وأموالكم وأعراضكم عليكم حرام كحرمة هذا البلد في هذا الشهر في هذا اليوم " . ثم قال " هل بلغت " . قالوا نعم . فطفق النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " اللهم اشهد " . ثم ودع الناس فقالوا هذه حجة الوداع .
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে বছর হজ্জ করেন, সেই বছর কোরবানির দিন জামরাসমূহের মধ্যস্থলে দাঁড়ালেন এবং জিজ্ঞাসা করলেনঃ আজ কোন দিন? সাহাবীগণ বললেন, কোরবানীর দিন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ এটা কোন শহর? তারা বললেন, এটা আল্লাহর সন্মানিত শহর। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, এটি কোন মাস? তারা বললেন, আল্লাহর সন্মানিত মাস। তিনি বললেনঃ এটি হজ্জের বড় দিন। তোমাদের রক্ত , তোমাদের সম্পদ ও তোমাদের মান-সম্ভ্রম ( প্রভৃতির উপর হস্তক্ষেপ ) তোমাদের জন্য হারাম , যেমন এই শহরের হুরমাত ( সন্মান) এই মাসে এবং এই দিনে। তিনি পুনরায় বলেনঃ আমি কি পৌছে দিয়েছি? তারা বলেন, হ্যাঁ। তখন তিনি বলতে শুরু করলেনঃ হে আল্লাহ! সাক্ষী থাকুন। অতঃপর তিনি লোকেদের বিদায় দেন। তখন তারা বলেন, এটা বিদায় হজ্জ। [৩০৫৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে বছর হজ্জ করেন, সেই বছর কোরবানির দিন জামরাসমূহের মধ্যস্থলে দাঁড়ালেন এবং জিজ্ঞাসা করলেনঃ আজ কোন দিন? সাহাবীগণ বললেন, কোরবানীর দিন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ এটা কোন শহর? তারা বললেন, এটা আল্লাহর সন্মানিত শহর। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, এটি কোন মাস? তারা বললেন, আল্লাহর সন্মানিত মাস। তিনি বললেনঃ এটি হজ্জের বড় দিন। তোমাদের রক্ত , তোমাদের সম্পদ ও তোমাদের মান-সম্ভ্রম ( প্রভৃতির উপর হস্তক্ষেপ ) তোমাদের জন্য হারাম , যেমন এই শহরের হুরমাত ( সন্মান) এই মাসে এবং এই দিনে। তিনি পুনরায় বলেনঃ আমি কি পৌছে দিয়েছি? তারা বলেন, হ্যাঁ। তখন তিনি বলতে শুরু করলেনঃ হে আল্লাহ! সাক্ষী থাকুন। অতঃপর তিনি লোকেদের বিদায় দেন। তখন তারা বলেন, এটা বিদায় হজ্জ। [৩০৫৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا صدقة بن خالد، حدثنا هشام بن الغاز، قال سمعت نافعا، يحدث عن ابن عمر، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وقف يوم النحر بين الجمرات في الحجة التي حج فيها فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ " أى يوم هذا " . قالوا يوم النحر . قال " فأى بلد هذا " . قالوا هذا بلد الله الحرام . قال " فأى شهر هذا " . قالوا شهر الله الحرام . قال " هذا يوم الحج الأكبر ودماؤكم وأموالكم وأعراضكم عليكم حرام كحرمة هذا البلد في هذا الشهر في هذا اليوم " . ثم قال " هل بلغت " . قالوا نعم . فطفق النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " اللهم اشهد " . ثم ودع الناس فقالوا هذه حجة الوداع .
সুনানে ইবনে মাজাহ > বাইতুল্লাহ যিয়ারত
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৫৯
حدثنا بكر بن خلف أبو بشر، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا سفيان، حدثني محمد بن طارق، عن طاوس، وأبو الزبير، عن عائشة، وابن، عباس أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ أخر طواف الزيارة إلى الليل .
আয়িশাহ (রাঃ) ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত পর্যন্ত তাওয়াফে যিয়ারত বিলম্ব করেন। [৩০৫৯] তাহকীক আলবানীঃ শায।
আয়িশাহ (রাঃ) ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত পর্যন্ত তাওয়াফে যিয়ারত বিলম্ব করেন। [৩০৫৯] তাহকীক আলবানীঃ শায।
حدثنا بكر بن خلف أبو بشر، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا سفيان، حدثني محمد بن طارق، عن طاوس، وأبو الزبير، عن عائشة، وابن، عباس أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ أخر طواف الزيارة إلى الليل .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৬০
حدثنا حرملة بن يحيى، حدثنا ابن وهب، أنبأنا ابن جريج، عن عطاء، عن عبد الله بن عباس، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ لم يرمل في السبع الذي أفاض فيه . قال عطاء ولا رمل فيه .
আবদুল্লাহ বিন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাওয়াফে যিয়ারতের সাত চক্করে রমল ( বাহু দুলিয়ে বীরত্বপূর্ণ পদক্ষেপ) করেননি। আতা (রহঃ) বলেন, তাওয়াফে যিয়ারতে রমল করতে হয় না। [৩০৬০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবদুল্লাহ বিন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাওয়াফে যিয়ারতের সাত চক্করে রমল ( বাহু দুলিয়ে বীরত্বপূর্ণ পদক্ষেপ) করেননি। আতা (রহঃ) বলেন, তাওয়াফে যিয়ারতে রমল করতে হয় না। [৩০৬০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا حرملة بن يحيى، حدثنا ابن وهب، أنبأنا ابن جريج، عن عطاء، عن عبد الله بن عباس، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ لم يرمل في السبع الذي أفاض فيه . قال عطاء ولا رمل فيه .
সুনানে ইবনে মাজাহ > যমযমের পানি পান করা
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৬২
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا الوليد بن مسلم، قال قال عبد الله بن المؤمل إنه سمع أبا الزبير، يقول سمعت جابر بن عبد الله، يقول سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " ماء زمزم لما شرب له " .
জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, যমযমের পানি যে উপকার লাভের আশায় পান করা হবে , তা অর্জিত হবে। [৩০৬২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, যমযমের পানি যে উপকার লাভের আশায় পান করা হবে , তা অর্জিত হবে। [৩০৬২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا الوليد بن مسلم، قال قال عبد الله بن المؤمل إنه سمع أبا الزبير، يقول سمعت جابر بن عبد الله، يقول سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " ماء زمزم لما شرب له " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৬১
حدثنا علي بن محمد، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن عثمان بن الأسود، عن محمد بن عبد الرحمن بن أبي بكر، قال كنت عند ابن عباس جالسا فجاءه رجل فقال من أين جئت قال من زمزم . قال فشربت منها كما ينبغي قال وكيف قال إذا شربت منها فاستقبل الكعبة واذكر اسم الله وتنفس ثلاثا وتضلع منها فإذا فرغت فاحمد الله عز وجل فإن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال " إن آية ما بيننا وبين المنافقين أنهم لا يتضلعون من زمزم " .
মুহাম্মাদ বিন আবদুর রহমান বিন আবূ বাকর (মাকবুল) থেকে বর্নিতঃ
আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ) এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। এক ব্যাক্তি তাঁর নিকট এলে তিনি জিজ্ঞেস করনে, তুমি কোথা থেকে এসেছো? সে বললো যমযমের নিকট থেকে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন , তুমি কি তা থেকে প্রয়োজনমত পান করেছ? সে বললো ,তা কিরুপে? তিনি বললেন , তুমি তা থেকে পান করার সময় কিবলামুখী হবে , আল্লাহর নাম স্মরন করবে , তিনবার নিঃশ্বাস নিবে এবং তৃপ্তি সহকারে পান করবে। পানি পান শেষে তুমি মহামহিম আল্লাহর প্রশংসা করবে। কারন , রাসুলাল্লাহ ( (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ) বলেছেনঃ আমাদের ও মুনাফিকদের মধ্যে নিদর্শন এই যে, তারা তৃপ্তি সহকারে যমযমের পানি পান করে না। [৩০৬১] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
মুহাম্মাদ বিন আবদুর রহমান বিন আবূ বাকর (মাকবুল) থেকে বর্নিতঃ
আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ) এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। এক ব্যাক্তি তাঁর নিকট এলে তিনি জিজ্ঞেস করনে, তুমি কোথা থেকে এসেছো? সে বললো যমযমের নিকট থেকে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন , তুমি কি তা থেকে প্রয়োজনমত পান করেছ? সে বললো ,তা কিরুপে? তিনি বললেন , তুমি তা থেকে পান করার সময় কিবলামুখী হবে , আল্লাহর নাম স্মরন করবে , তিনবার নিঃশ্বাস নিবে এবং তৃপ্তি সহকারে পান করবে। পানি পান শেষে তুমি মহামহিম আল্লাহর প্রশংসা করবে। কারন , রাসুলাল্লাহ ( (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ) বলেছেনঃ আমাদের ও মুনাফিকদের মধ্যে নিদর্শন এই যে, তারা তৃপ্তি সহকারে যমযমের পানি পান করে না। [৩০৬১] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
حدثنا علي بن محمد، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن عثمان بن الأسود، عن محمد بن عبد الرحمن بن أبي بكر، قال كنت عند ابن عباس جالسا فجاءه رجل فقال من أين جئت قال من زمزم . قال فشربت منها كما ينبغي قال وكيف قال إذا شربت منها فاستقبل الكعبة واذكر اسم الله وتنفس ثلاثا وتضلع منها فإذا فرغت فاحمد الله عز وجل فإن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال " إن آية ما بيننا وبين المنافقين أنهم لا يتضلعون من زمزم " .
সুনানে ইবনে মাজাহ > কা’বা ঘরের অভ্যন্তরভাগে প্রবেশ করা
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৬৪
حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا إسماعيل بن عبد الملك، عن ابن أبي مليكة، عن عائشة، قالت خرج النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ من عندي وهو قرير العين طيب النفس ثم رجع إلى وهو حزين فقلت يا رسول الله خرجت من عندي وأنت قرير العين ورجعت وأنت حزين . فقال " إني دخلت الكعبة ووددت أني لم أكن فعلت إني أخاف أن أكون أتعبت أمتي من بعدي " .
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট থেকে আনন্দিত চোখে ও উৎফুল্ল চিত্তে বেরিয়ে গেলেন, কিন্তু বিষণ্ণ অবস্হায় ফিরে এলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমার নিকট থেকে চক্ষু শীতল অবস্থায় বেরিয়ে গেলেন, অথচ দুশ্চিন্তাযুক্ত অবস্হায় ফিরে এলেন। তিনি বলেনঃ আমি কা’বা ঘরে প্রবেশ করার পর ভাবলাম, আমি যদি এটা না করতাম! আমার আশঙ্কা হচ্ছে যে, আমার উম্মাতের কষ্ট হবে। [৩০৬৪] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট থেকে আনন্দিত চোখে ও উৎফুল্ল চিত্তে বেরিয়ে গেলেন, কিন্তু বিষণ্ণ অবস্হায় ফিরে এলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমার নিকট থেকে চক্ষু শীতল অবস্থায় বেরিয়ে গেলেন, অথচ দুশ্চিন্তাযুক্ত অবস্হায় ফিরে এলেন। তিনি বলেনঃ আমি কা’বা ঘরে প্রবেশ করার পর ভাবলাম, আমি যদি এটা না করতাম! আমার আশঙ্কা হচ্ছে যে, আমার উম্মাতের কষ্ট হবে। [৩০৬৪] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا إسماعيل بن عبد الملك، عن ابن أبي مليكة، عن عائشة، قالت خرج النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ من عندي وهو قرير العين طيب النفس ثم رجع إلى وهو حزين فقلت يا رسول الله خرجت من عندي وأنت قرير العين ورجعت وأنت حزين . فقال " إني دخلت الكعبة ووددت أني لم أكن فعلت إني أخاف أن أكون أتعبت أمتي من بعدي " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৬৩
حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم الدمشقي، حدثنا عمر بن عبد الواحد، عن الأوزاعي، حدثني حسان بن عطية، حدثني نافع، عن ابن عمر، قال دخل رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يوم الفتح الكعبة ومعه بلال وعثمان بن شيبة فأغلقوها عليهم من داخل فلما خرجوا سألت بلالا أين صلى رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فأخبرني أنه صلى على وجهه حين دخل بين العمودين عن يمينه ثم لمت نفسي أن لا أكون سألته كم صلى رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ .
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের দিন কাবা ঘরে প্রবেশ করেন। তাঁর সাথে ছিলেন বিলাল ও উসমান বিন শায়বাহ (রাঃ)। তাঁরা ভিতর থেকে দরজা বন্ধ করে দিলেন। তাঁরা বেরিয়ে এলে আমি বিলালাকে জিজ্ঞেস করলাম, রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন স্হানে নামায পড়েছেন? তিনি আমাকে অবহিত করেন যে, তিনি ভিতরে প্রবেশ করে ডান দিকের দু’স্তম্ভের মাঝখানে দাড়িয়ে তার দিকে মুখ করে সলাত আদায় করেন। অতপর আমি নিজেকে তিরস্কার করলাম যে, আমি কেন জিজ্ঞেস করলাম না যে, রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কত রাকাত নামায পরেছেন। [৩০৬৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের দিন কাবা ঘরে প্রবেশ করেন। তাঁর সাথে ছিলেন বিলাল ও উসমান বিন শায়বাহ (রাঃ)। তাঁরা ভিতর থেকে দরজা বন্ধ করে দিলেন। তাঁরা বেরিয়ে এলে আমি বিলালাকে জিজ্ঞেস করলাম, রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন স্হানে নামায পড়েছেন? তিনি আমাকে অবহিত করেন যে, তিনি ভিতরে প্রবেশ করে ডান দিকের দু’স্তম্ভের মাঝখানে দাড়িয়ে তার দিকে মুখ করে সলাত আদায় করেন। অতপর আমি নিজেকে তিরস্কার করলাম যে, আমি কেন জিজ্ঞেস করলাম না যে, রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কত রাকাত নামায পরেছেন। [৩০৬৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم الدمشقي، حدثنا عمر بن عبد الواحد، عن الأوزاعي، حدثني حسان بن عطية، حدثني نافع، عن ابن عمر، قال دخل رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يوم الفتح الكعبة ومعه بلال وعثمان بن شيبة فأغلقوها عليهم من داخل فلما خرجوا سألت بلالا أين صلى رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فأخبرني أنه صلى على وجهه حين دخل بين العمودين عن يمينه ثم لمت نفسي أن لا أكون سألته كم صلى رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ .