সুনানে ইবনে মাজাহ > হজ্জের অনুষ্ঠানাদিতে অগ্রপশ্চাৎ করা
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৪৯
حدثنا علي بن محمد، حدثنا سفيان بن عيينة، عن أيوب، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال ما سئل رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ عمن قدم شيئا قبل شىء إلا يلقي بيديه كلتيهما " لا حرج " .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
হজ্জের অনুষ্ঠানাদিতে অগ্র-পশ্চাৎ হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি দু’হাতের ইশারায় বলেনঃ কোন ক্ষতি নেই। [৩০৪৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
হজ্জের অনুষ্ঠানাদিতে অগ্র-পশ্চাৎ হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি দু’হাতের ইশারায় বলেনঃ কোন ক্ষতি নেই। [৩০৪৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا علي بن محمد، حدثنا سفيان بن عيينة، عن أيوب، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال ما سئل رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ عمن قدم شيئا قبل شىء إلا يلقي بيديه كلتيهما " لا حرج " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৫০
حدثنا أبو بشر، بكر بن خلف حدثنا يزيد بن زريع، عن خالد الحذاء، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يسأل يوم منى فيقول " لا حرج لا حرج " . فأتاه رجل فقال حلقت قبل أن أذبح قال " لا حرج " . قال رميت بعد ما أمسيت قال " لا حرج " .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
, মিনার দিবসে লোকেরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেতেন, কোন দোষ নেই, কোন ক্ষতি নেই। অতএব এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বললো, কোরবানীর পূর্বে আমি মাথা মুণ্ডন করিয়েছি। তিনি বলেনঃ কোন দোষ নেই। আরেকজন বললো, আমি সন্ধ্যায় কাঁকর নিক্ষেপ করেছি। তিনি বললেন, কোন ক্ষতি নেই। [৩০৫০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
, মিনার দিবসে লোকেরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেতেন, কোন দোষ নেই, কোন ক্ষতি নেই। অতএব এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বললো, কোরবানীর পূর্বে আমি মাথা মুণ্ডন করিয়েছি। তিনি বলেনঃ কোন দোষ নেই। আরেকজন বললো, আমি সন্ধ্যায় কাঁকর নিক্ষেপ করেছি। তিনি বললেন, কোন ক্ষতি নেই। [৩০৫০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو بشر، بكر بن خلف حدثنا يزيد بن زريع، عن خالد الحذاء، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يسأل يوم منى فيقول " لا حرج لا حرج " . فأتاه رجل فقال حلقت قبل أن أذبح قال " لا حرج " . قال رميت بعد ما أمسيت قال " لا حرج " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৫১
حدثنا علي بن محمد، حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن عيسى بن طلحة، عن عبد الله بن عمرو، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ سئل عمن ذبح قبل أن يحلق أو حلق قبل أن يذبح قال " لا حرج " .
আবদুল্লাহ বিন ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট মাসাআলা জানতে চাওয়া হলো যে, কোন ব্যক্তি মাথা মুণ্ডনের পূর্বে কোরবানী করেছে অথবা কোন ব্যক্তি কোরবানীর পূর্বে কামিয়েছে। তিনি বলেনঃ তাতে কোন দোষ নেই। [৩০৫১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবদুল্লাহ বিন ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট মাসাআলা জানতে চাওয়া হলো যে, কোন ব্যক্তি মাথা মুণ্ডনের পূর্বে কোরবানী করেছে অথবা কোন ব্যক্তি কোরবানীর পূর্বে কামিয়েছে। তিনি বলেনঃ তাতে কোন দোষ নেই। [৩০৫১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا علي بن محمد، حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن عيسى بن طلحة، عن عبد الله بن عمرو، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ سئل عمن ذبح قبل أن يحلق أو حلق قبل أن يذبح قال " لا حرج " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৫২
حدثنا هارون بن سعيد المصري، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني أسامة بن زيد، حدثني عطاء بن أبي رباح، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول قعد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بمنى يوم النحر للناس فجاءه رجل فقال يا رسول الله إني حلقت قبل أن أذبح قال " لا حرج " . ثم جاءه آخر فقال يا رسول الله إني نحرت قبل أن أرمي قال " لا حرج " . فما سئل يومئذ عن شىء قدم قبل شىء إلا قال " لا حرج " .
জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোরবানীর দিন লোকেদের উদ্দেশে মিনায় বসলেন। এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কোরবানী করার পূর্বে মাথা মুণ্ডন করেয়েছি। তিনি বলেনঃ কোন দোষ নেই। অপর এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি কংকর নিক্ষেপের পূর্বে কোরবানী করেছি। তিনি বলেনঃ কোন দোষ নেই। সেদিন কোন অনুষ্ঠান কোন অনুষ্ঠানের আগে বা পরে সম্পন্ন করার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ কোন দোষ নেই। [৩০৫২] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোরবানীর দিন লোকেদের উদ্দেশে মিনায় বসলেন। এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কোরবানী করার পূর্বে মাথা মুণ্ডন করেয়েছি। তিনি বলেনঃ কোন দোষ নেই। অপর এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি কংকর নিক্ষেপের পূর্বে কোরবানী করেছি। তিনি বলেনঃ কোন দোষ নেই। সেদিন কোন অনুষ্ঠান কোন অনুষ্ঠানের আগে বা পরে সম্পন্ন করার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ কোন দোষ নেই। [৩০৫২] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
حدثنا هارون بن سعيد المصري، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني أسامة بن زيد، حدثني عطاء بن أبي رباح، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول قعد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بمنى يوم النحر للناس فجاءه رجل فقال يا رسول الله إني حلقت قبل أن أذبح قال " لا حرج " . ثم جاءه آخر فقال يا رسول الله إني نحرت قبل أن أرمي قال " لا حرج " . فما سئل يومئذ عن شىء قدم قبل شىء إلا قال " لا حرج " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৫২
حدثنا هارون بن سعيد المصري، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني أسامة بن زيد، حدثني عطاء بن أبي رباح، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول قعد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بمنى يوم النحر للناس فجاءه رجل فقال يا رسول الله إني حلقت قبل أن أذبح قال " لا حرج " . ثم جاءه آخر فقال يا رسول الله إني نحرت قبل أن أرمي قال " لا حرج " . فما سئل يومئذ عن شىء قدم قبل شىء إلا قال " لا حرج " .
জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোরবানীর দিন লোকেদের উদ্দেশে মিনায় বসলেন। এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কোরবানী করার পূর্বে মাথা মুণ্ডন করেয়েছি। তিনি বলেনঃ কোন দোষ নেই। অপর এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি কংকর নিক্ষেপের পূর্বে কোরবানী করেছি। তিনি বলেনঃ কোন দোষ নেই। সেদিন কোন অনুষ্ঠান কোন অনুষ্ঠানের আগে বা পরে সম্পন্ন করার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ কোন দোষ নেই। [৩০৫২] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোরবানীর দিন লোকেদের উদ্দেশে মিনায় বসলেন। এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কোরবানী করার পূর্বে মাথা মুণ্ডন করেয়েছি। তিনি বলেনঃ কোন দোষ নেই। অপর এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি কংকর নিক্ষেপের পূর্বে কোরবানী করেছি। তিনি বলেনঃ কোন দোষ নেই। সেদিন কোন অনুষ্ঠান কোন অনুষ্ঠানের আগে বা পরে সম্পন্ন করার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ কোন দোষ নেই। [৩০৫২] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
حدثنا هارون بن سعيد المصري، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني أسامة بن زيد، حدثني عطاء بن أبي رباح، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول قعد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بمنى يوم النحر للناس فجاءه رجل فقال يا رسول الله إني حلقت قبل أن أذبح قال " لا حرج " . ثم جاءه آخر فقال يا رسول الله إني نحرت قبل أن أرمي قال " لا حرج " . فما سئل يومئذ عن شىء قدم قبل شىء إلا قال " لا حرج " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৫২
حدثنا هارون بن سعيد المصري، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني أسامة بن زيد، حدثني عطاء بن أبي رباح، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول قعد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بمنى يوم النحر للناس فجاءه رجل فقال يا رسول الله إني حلقت قبل أن أذبح قال " لا حرج " . ثم جاءه آخر فقال يا رسول الله إني نحرت قبل أن أرمي قال " لا حرج " . فما سئل يومئذ عن شىء قدم قبل شىء إلا قال " لا حرج " .
জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোরবানীর দিন লোকেদের উদ্দেশে মিনায় বসলেন। এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কোরবানী করার পূর্বে মাথা মুণ্ডন করেয়েছি। তিনি বলেনঃ কোন দোষ নেই। অপর এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি কংকর নিক্ষেপের পূর্বে কোরবানী করেছি। তিনি বলেনঃ কোন দোষ নেই। সেদিন কোন অনুষ্ঠান কোন অনুষ্ঠানের আগে বা পরে সম্পন্ন করার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ কোন দোষ নেই। [৩০৫২] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোরবানীর দিন লোকেদের উদ্দেশে মিনায় বসলেন। এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কোরবানী করার পূর্বে মাথা মুণ্ডন করেয়েছি। তিনি বলেনঃ কোন দোষ নেই। অপর এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি কংকর নিক্ষেপের পূর্বে কোরবানী করেছি। তিনি বলেনঃ কোন দোষ নেই। সেদিন কোন অনুষ্ঠান কোন অনুষ্ঠানের আগে বা পরে সম্পন্ন করার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ কোন দোষ নেই। [৩০৫২] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
حدثنا هارون بن سعيد المصري، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني أسامة بن زيد، حدثني عطاء بن أبي رباح، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول قعد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بمنى يوم النحر للناس فجاءه رجل فقال يا رسول الله إني حلقت قبل أن أذبح قال " لا حرج " . ثم جاءه آخر فقال يا رسول الله إني نحرت قبل أن أرمي قال " لا حرج " . فما سئل يومئذ عن شىء قدم قبل شىء إلا قال " لا حرج " .
সুনানে ইবনে মাজাহ > তাশরীকের দিনসমূহে (১১-১২-১৩ যিলহজ্জ) জামরায় কংকর নিক্ষেপ করা
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৫৩
حدثنا حرملة بن يحيى المصري، حدثنا عبد الله بن وهب، حدثنا ابن جريج، عن أبي الزبير، عن جابر، قال رأيت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ رمى جمرة العقبة ضحى وأما بعد ذلك فبعد زوال الشمس .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জামরাতুল আকাবায় পূর্বাহ্ণে পাথর নিক্ষেপ করতে দেখেছি। তিনি এরপরের (দিনগুলোতে) পাথর নিক্ষেপ করেন অপরাহ্ণে। [৩০৫৩] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জামরাতুল আকাবায় পূর্বাহ্ণে পাথর নিক্ষেপ করতে দেখেছি। তিনি এরপরের (দিনগুলোতে) পাথর নিক্ষেপ করেন অপরাহ্ণে। [৩০৫৩] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
حدثنا حرملة بن يحيى المصري، حدثنا عبد الله بن وهب، حدثنا ابن جريج، عن أبي الزبير، عن جابر، قال رأيت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ رمى جمرة العقبة ضحى وأما بعد ذلك فبعد زوال الشمس .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৫৩
حدثنا حرملة بن يحيى المصري، حدثنا عبد الله بن وهب، حدثنا ابن جريج، عن أبي الزبير، عن جابر، قال رأيت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ رمى جمرة العقبة ضحى وأما بعد ذلك فبعد زوال الشمس .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জামরাতুল আকাবায় পূর্বাহ্ণে পাথর নিক্ষেপ করতে দেখেছি। তিনি এরপরের (দিনগুলোতে) পাথর নিক্ষেপ করেন অপরাহ্ণে। [৩০৫৩] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জামরাতুল আকাবায় পূর্বাহ্ণে পাথর নিক্ষেপ করতে দেখেছি। তিনি এরপরের (দিনগুলোতে) পাথর নিক্ষেপ করেন অপরাহ্ণে। [৩০৫৩] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
حدثنا حرملة بن يحيى المصري، حدثنا عبد الله بن وهب، حدثنا ابن جريج، عن أبي الزبير، عن جابر، قال رأيت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ رمى جمرة العقبة ضحى وأما بعد ذلك فبعد زوال الشمس .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৫৩
حدثنا حرملة بن يحيى المصري، حدثنا عبد الله بن وهب، حدثنا ابن جريج، عن أبي الزبير، عن جابر، قال رأيت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ رمى جمرة العقبة ضحى وأما بعد ذلك فبعد زوال الشمس .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জামরাতুল আকাবায় পূর্বাহ্ণে পাথর নিক্ষেপ করতে দেখেছি। তিনি এরপরের (দিনগুলোতে) পাথর নিক্ষেপ করেন অপরাহ্ণে। [৩০৫৩] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জামরাতুল আকাবায় পূর্বাহ্ণে পাথর নিক্ষেপ করতে দেখেছি। তিনি এরপরের (দিনগুলোতে) পাথর নিক্ষেপ করেন অপরাহ্ণে। [৩০৫৩] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
حدثنا حرملة بن يحيى المصري، حدثنا عبد الله بن وهب، حدثنا ابن جريج، عن أبي الزبير، عن جابر، قال رأيت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ رمى جمرة العقبة ضحى وأما بعد ذلك فبعد زوال الشمس .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৫৪
حدثنا جبارة بن المغلس، حدثنا إبراهيم بن عثمان بن أبي شيبة أبو شيبة، عن الحكم، عن مقسم، عن ابن عباس، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان يرمي الجمار إذا زالت الشمس قدر ما إذا فرغ من رميه صلى الظهر .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (অপরাহ্ণে) সূর্য ঢলে যাওয়ার পর জামরায় কাঁকর নিক্ষেপ করতেন, কাঁকর নিক্ষেপের পর তাঁর নামায পরার সময় হয়ে যেতো। [৩০৫৪] তাহকীক আলবানীঃ সানাদটি দুর্বল।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (অপরাহ্ণে) সূর্য ঢলে যাওয়ার পর জামরায় কাঁকর নিক্ষেপ করতেন, কাঁকর নিক্ষেপের পর তাঁর নামায পরার সময় হয়ে যেতো। [৩০৫৪] তাহকীক আলবানীঃ সানাদটি দুর্বল।
حدثنا جبارة بن المغلس، حدثنا إبراهيم بن عثمان بن أبي شيبة أبو شيبة، عن الحكم، عن مقسم، عن ابن عباس، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان يرمي الجمار إذا زالت الشمس قدر ما إذا فرغ من رميه صلى الظهر .
সুনানে ইবনে মাজাহ > কোরবানীর দিনের ভাষণ
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৫৫
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وهناد بن السري، قالا حدثنا أبو الأحوص، عن شبيب بن غرقدة، عن سليمان بن عمرو بن الأحوص، عن أبيه، قال سمعت النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول في حجة الوداع " يا أيها الناس ألا أى يوم أحرم " . ثلاث مرات قالوا يوم الحج الأكبر . قال " فإن دماءكم وأموالكم وأعراضكم بينكم حرام كحرمة يومكم هذا في شهركم هذا في بلدكم هذا ألا لا يجني جان إلا على نفسه ولا يجني والد على ولده ولا مولود على والده . ألا إن الشيطان قد أيس أن يعبد في بلدكم هذا أبدا ولكن سيكون له طاعة في بعض ما تحتقرون من أعمالكم فيرضى بها ألا وكل دم من دماء الجاهلية موضوع وأول ما أضع منها دم الحارث بن عبد المطلب - كان مسترضعا في بني ليث فقتلته هذيل - ألا وإن كل ربا من ربا الجاهلية موضوع لكم رءوس أموالكم لا تظلمون ولا تظلمون ألا يا أمتاه هل بلغت " . ثلاث مرات قالوا نعم . قال " اللهم اشهد " . ثلاث مرات .
আমর ইবনুল আহ্ওয়াস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বিদায় হজ্জে বলতে শুনেছিঃ হে লোকসকল! কোন্ দিনটি সর্বাধিক সম্মানিত? তিনি তিনবার এ কথা বলেন। তারা বলেন, হজ্জের বড় দিন। তিনি বলেনঃ তোমাদের রক্ত (জীবন) , তোমাদের সম্পদ, তোমাদের মান-সম্ভ্রম তোমাদের পরস্পরের জন্য (তাতে হস্তক্ষেপ করা) হারাম, যেভাবে তোমাদের এ দিনে, এই মাসে এবং এই শহরে হারাম। সাবধান! কেউ অপরাধ করলে সেজন্য তাকেই গ্রেপ্তার করা হবে। পিতার অপরাধের জন্য পুত্রকে দায়ী করা যাবে না এবং পুত্রের অপরাধের জন্য পিতাকে দায়ী করা যাবে না। জেনে রাখো ! তোমাদের এই শহরে শয়তান নিজের জন্য ইবাদাত পাওয়া থেকে চিরকালের জন্য নিরাশ হয়ে গেছে। কিন্তু কতগুলো কাজ যা তোমরা তুচ্ছজ্ঞানে করতে গিয়ে শয়তানের আনুগত্য করো এবং তাতে সে খুশি হয়ে যায়। সাবধান! জাহিলী যুগের সকল রক্তের (হত্যার) দাবি রহিত হলো। এসব দাবির মধ্যে আমি সর্ব প্রথম আল-হারিস বিন আবদুল মুত্তালিবের রক্তের দাবি রহিত করছি, সে লাইস গোত্রে প্রতিপালিত হওয়াকালে হুযাইল গোত্রের লোকেরা তাকে হত্যা করে। সাবধান! জাহিলী যুগের সমস্ত সূদের দাবি রহিত হলো। তবে তোমরা মূলধন ফেরত পাবে, তোমরাও জুলুম করবে না এবং জুলুমের শিকারও হবে না। শোনো হে আমার উম্মাত! আমি কি পৌঁছে দিয়েছি? একথা তিনি তিনবার জিজ্ঞেস করেন। তারা বলেন, হাঁ। তিনি বলেন, হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন। একথাও তিনি তিনবার বলেন। [৩০৫৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আমর ইবনুল আহ্ওয়াস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বিদায় হজ্জে বলতে শুনেছিঃ হে লোকসকল! কোন্ দিনটি সর্বাধিক সম্মানিত? তিনি তিনবার এ কথা বলেন। তারা বলেন, হজ্জের বড় দিন। তিনি বলেনঃ তোমাদের রক্ত (জীবন) , তোমাদের সম্পদ, তোমাদের মান-সম্ভ্রম তোমাদের পরস্পরের জন্য (তাতে হস্তক্ষেপ করা) হারাম, যেভাবে তোমাদের এ দিনে, এই মাসে এবং এই শহরে হারাম। সাবধান! কেউ অপরাধ করলে সেজন্য তাকেই গ্রেপ্তার করা হবে। পিতার অপরাধের জন্য পুত্রকে দায়ী করা যাবে না এবং পুত্রের অপরাধের জন্য পিতাকে দায়ী করা যাবে না। জেনে রাখো ! তোমাদের এই শহরে শয়তান নিজের জন্য ইবাদাত পাওয়া থেকে চিরকালের জন্য নিরাশ হয়ে গেছে। কিন্তু কতগুলো কাজ যা তোমরা তুচ্ছজ্ঞানে করতে গিয়ে শয়তানের আনুগত্য করো এবং তাতে সে খুশি হয়ে যায়। সাবধান! জাহিলী যুগের সকল রক্তের (হত্যার) দাবি রহিত হলো। এসব দাবির মধ্যে আমি সর্ব প্রথম আল-হারিস বিন আবদুল মুত্তালিবের রক্তের দাবি রহিত করছি, সে লাইস গোত্রে প্রতিপালিত হওয়াকালে হুযাইল গোত্রের লোকেরা তাকে হত্যা করে। সাবধান! জাহিলী যুগের সমস্ত সূদের দাবি রহিত হলো। তবে তোমরা মূলধন ফেরত পাবে, তোমরাও জুলুম করবে না এবং জুলুমের শিকারও হবে না। শোনো হে আমার উম্মাত! আমি কি পৌঁছে দিয়েছি? একথা তিনি তিনবার জিজ্ঞেস করেন। তারা বলেন, হাঁ। তিনি বলেন, হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন। একথাও তিনি তিনবার বলেন। [৩০৫৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وهناد بن السري، قالا حدثنا أبو الأحوص، عن شبيب بن غرقدة، عن سليمان بن عمرو بن الأحوص، عن أبيه، قال سمعت النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول في حجة الوداع " يا أيها الناس ألا أى يوم أحرم " . ثلاث مرات قالوا يوم الحج الأكبر . قال " فإن دماءكم وأموالكم وأعراضكم بينكم حرام كحرمة يومكم هذا في شهركم هذا في بلدكم هذا ألا لا يجني جان إلا على نفسه ولا يجني والد على ولده ولا مولود على والده . ألا إن الشيطان قد أيس أن يعبد في بلدكم هذا أبدا ولكن سيكون له طاعة في بعض ما تحتقرون من أعمالكم فيرضى بها ألا وكل دم من دماء الجاهلية موضوع وأول ما أضع منها دم الحارث بن عبد المطلب - كان مسترضعا في بني ليث فقتلته هذيل - ألا وإن كل ربا من ربا الجاهلية موضوع لكم رءوس أموالكم لا تظلمون ولا تظلمون ألا يا أمتاه هل بلغت " . ثلاث مرات قالوا نعم . قال " اللهم اشهد " . ثلاث مرات .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৫৬
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، عن محمد بن إسحاق، عن عبد السلام، عن الزهري، عن محمد بن جبير بن مطعم، عن أبيه، قال قام رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بالخيف من منى فقال " نضر الله امرأ سمع مقالتي فبلغها فرب حامل فقه غير فقيه ورب حامل فقه إلى من هو أفقه منه ثلاث لا يغل عليهن قلب مؤمن إخلاص العمل لله والنصيحة لولاة المسلمين ولزوم جماعتهم فإن دعوتهم تحيط من ورائهم " .
জুবায়র বিন মুতইম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিনার মসজিদুল খায়ফ-এ দাঁড়িয়ে বলেনঃ আল্লাহ তাআলা সেই ব্যক্তিকে সজীব ও আলোকোজ্জ্বল করে রাখুন যে আমার কথা শোনে, অতঃপর তা (অন্যদের নিকট) পৌঁছে দেয়। জ্ঞানের অনেক বাহক মূলত জ্ঞানী নয়। কোন কোন জ্ঞানের বাহক যার নিকট জ্ঞান বয়ে নিয়ে যায়, সে তার চেয়ে অধিক জ্ঞানী। তিনটি বিষয়ে মুমিন ব্যক্তির অন্তর প্রতারণা করতে পারে না। (১) একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর (সন্তোষ লাভের) জন্য ‘আমাল (কাজ) করা, (২) মুসলিম শাসকবর্গকে সদুপদেশ প্রদানে এবং (৩) মুসলিম জামা’আতের (সমাজের) সাথে সংঘবদ্ধ থাকার ব্যপারে। কারণ মুসলমানদের দুআ’ তাদেরকে পেছন থেকে পরিবেষ্টন করে রাখে। [৩০৫৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
জুবায়র বিন মুতইম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিনার মসজিদুল খায়ফ-এ দাঁড়িয়ে বলেনঃ আল্লাহ তাআলা সেই ব্যক্তিকে সজীব ও আলোকোজ্জ্বল করে রাখুন যে আমার কথা শোনে, অতঃপর তা (অন্যদের নিকট) পৌঁছে দেয়। জ্ঞানের অনেক বাহক মূলত জ্ঞানী নয়। কোন কোন জ্ঞানের বাহক যার নিকট জ্ঞান বয়ে নিয়ে যায়, সে তার চেয়ে অধিক জ্ঞানী। তিনটি বিষয়ে মুমিন ব্যক্তির অন্তর প্রতারণা করতে পারে না। (১) একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর (সন্তোষ লাভের) জন্য ‘আমাল (কাজ) করা, (২) মুসলিম শাসকবর্গকে সদুপদেশ প্রদানে এবং (৩) মুসলিম জামা’আতের (সমাজের) সাথে সংঘবদ্ধ থাকার ব্যপারে। কারণ মুসলমানদের দুআ’ তাদেরকে পেছন থেকে পরিবেষ্টন করে রাখে। [৩০৫৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، عن محمد بن إسحاق، عن عبد السلام، عن الزهري، عن محمد بن جبير بن مطعم، عن أبيه، قال قام رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بالخيف من منى فقال " نضر الله امرأ سمع مقالتي فبلغها فرب حامل فقه غير فقيه ورب حامل فقه إلى من هو أفقه منه ثلاث لا يغل عليهن قلب مؤمن إخلاص العمل لله والنصيحة لولاة المسلمين ولزوم جماعتهم فإن دعوتهم تحيط من ورائهم " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৫৭
حدثنا إسماعيل بن توبة، حدثنا زافر بن سليمان، عن أبي سنان، عن عمرو بن مرة، عن مرة، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وهو على ناقته المخضرمة بعرفات فقال " أتدرون أى يوم هذا وأى شهر هذا وأى بلد هذا " . قالوا هذا بلد حرام وشهر حرام ويوم حرام . قال " ألا وإن أموالكم ودماءكم عليكم حرام كحرمة شهركم هذا في بلدكم هذا في يومكم هذا ألا وإني فرطكم على الحوض وأكاثر بكم الأمم فلا تسودوا وجهي ألا وإني مستنقذ أناسا ومستنقذ مني أناس فأقول يا رب أصيحابي . فيقول إنك لا تدري ما أحدثوا بعدك " .
আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরাফাতের ময়দানে তাঁর স্বীয় উষ্ট্রীতে আরোহিত অবস্হায় বলেনঃ তোমরা কি জানো আজ কোন দিন, এটা কোন মাস এবং এটা কোন শহর? তারা বলেন, এটা (মক্কা) সন্মানিত শহর , সন্মানিত মাস ও সন্মানিত দিন। তিনি আরো বলেনঃ সাবধান ! তোমাদের সম্পদ ও তোমাদের রক্ত তোমাদের পরস্পরের প্রতি তেমনি হারাম যেমনি তোমাদের এই মাসের সন্মান রয়েছে তোমাদের এই শহরে তোমাদের এই দিনে। শুনে রাখো ! আমি তোমাদের আগেই হাওযে কাওসারে উপস্থিত থাকবো। অন্যান্য উম্মাতের তুলনায় তোমাদের সংখ্যাধিক্য নিয়ে আমি গৌরব করবো। তোমরা যেন আমার চেহারা কালিমালিপ্ত না করো। সাবধান! কিছু লোককে আমি মুক্ত করতে পারবো। আর কিছু লোককে আমার নিকট থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হবে। তখন আমি বলবো , হে আল্লাহ ! এরা তো আমার সাহাবী ! তিনি বলবেনঃ তোমার পরে এরা কী বিদআতী কাজ করেছে, তা তুমি জানো না। [৩০৫৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবদুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরাফাতের ময়দানে তাঁর স্বীয় উষ্ট্রীতে আরোহিত অবস্হায় বলেনঃ তোমরা কি জানো আজ কোন দিন, এটা কোন মাস এবং এটা কোন শহর? তারা বলেন, এটা (মক্কা) সন্মানিত শহর , সন্মানিত মাস ও সন্মানিত দিন। তিনি আরো বলেনঃ সাবধান ! তোমাদের সম্পদ ও তোমাদের রক্ত তোমাদের পরস্পরের প্রতি তেমনি হারাম যেমনি তোমাদের এই মাসের সন্মান রয়েছে তোমাদের এই শহরে তোমাদের এই দিনে। শুনে রাখো ! আমি তোমাদের আগেই হাওযে কাওসারে উপস্থিত থাকবো। অন্যান্য উম্মাতের তুলনায় তোমাদের সংখ্যাধিক্য নিয়ে আমি গৌরব করবো। তোমরা যেন আমার চেহারা কালিমালিপ্ত না করো। সাবধান! কিছু লোককে আমি মুক্ত করতে পারবো। আর কিছু লোককে আমার নিকট থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হবে। তখন আমি বলবো , হে আল্লাহ ! এরা তো আমার সাহাবী ! তিনি বলবেনঃ তোমার পরে এরা কী বিদআতী কাজ করেছে, তা তুমি জানো না। [৩০৫৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا إسماعيل بن توبة، حدثنا زافر بن سليمان، عن أبي سنان، عن عمرو بن مرة، عن مرة، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وهو على ناقته المخضرمة بعرفات فقال " أتدرون أى يوم هذا وأى شهر هذا وأى بلد هذا " . قالوا هذا بلد حرام وشهر حرام ويوم حرام . قال " ألا وإن أموالكم ودماءكم عليكم حرام كحرمة شهركم هذا في بلدكم هذا في يومكم هذا ألا وإني فرطكم على الحوض وأكاثر بكم الأمم فلا تسودوا وجهي ألا وإني مستنقذ أناسا ومستنقذ مني أناس فأقول يا رب أصيحابي . فيقول إنك لا تدري ما أحدثوا بعدك " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৫৮
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا صدقة بن خالد، حدثنا هشام بن الغاز، قال سمعت نافعا، يحدث عن ابن عمر، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وقف يوم النحر بين الجمرات في الحجة التي حج فيها فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ " أى يوم هذا " . قالوا يوم النحر . قال " فأى بلد هذا " . قالوا هذا بلد الله الحرام . قال " فأى شهر هذا " . قالوا شهر الله الحرام . قال " هذا يوم الحج الأكبر ودماؤكم وأموالكم وأعراضكم عليكم حرام كحرمة هذا البلد في هذا الشهر في هذا اليوم " . ثم قال " هل بلغت " . قالوا نعم . فطفق النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " اللهم اشهد " . ثم ودع الناس فقالوا هذه حجة الوداع .
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে বছর হজ্জ করেন, সেই বছর কোরবানির দিন জামরাসমূহের মধ্যস্থলে দাঁড়ালেন এবং জিজ্ঞাসা করলেনঃ আজ কোন দিন? সাহাবীগণ বললেন, কোরবানীর দিন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ এটা কোন শহর? তারা বললেন, এটা আল্লাহর সন্মানিত শহর। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, এটি কোন মাস? তারা বললেন, আল্লাহর সন্মানিত মাস। তিনি বললেনঃ এটি হজ্জের বড় দিন। তোমাদের রক্ত , তোমাদের সম্পদ ও তোমাদের মান-সম্ভ্রম ( প্রভৃতির উপর হস্তক্ষেপ ) তোমাদের জন্য হারাম , যেমন এই শহরের হুরমাত ( সন্মান) এই মাসে এবং এই দিনে। তিনি পুনরায় বলেনঃ আমি কি পৌছে দিয়েছি? তারা বলেন, হ্যাঁ। তখন তিনি বলতে শুরু করলেনঃ হে আল্লাহ! সাক্ষী থাকুন। অতঃপর তিনি লোকেদের বিদায় দেন। তখন তারা বলেন, এটা বিদায় হজ্জ। [৩০৫৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে বছর হজ্জ করেন, সেই বছর কোরবানির দিন জামরাসমূহের মধ্যস্থলে দাঁড়ালেন এবং জিজ্ঞাসা করলেনঃ আজ কোন দিন? সাহাবীগণ বললেন, কোরবানীর দিন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ এটা কোন শহর? তারা বললেন, এটা আল্লাহর সন্মানিত শহর। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, এটি কোন মাস? তারা বললেন, আল্লাহর সন্মানিত মাস। তিনি বললেনঃ এটি হজ্জের বড় দিন। তোমাদের রক্ত , তোমাদের সম্পদ ও তোমাদের মান-সম্ভ্রম ( প্রভৃতির উপর হস্তক্ষেপ ) তোমাদের জন্য হারাম , যেমন এই শহরের হুরমাত ( সন্মান) এই মাসে এবং এই দিনে। তিনি পুনরায় বলেনঃ আমি কি পৌছে দিয়েছি? তারা বলেন, হ্যাঁ। তখন তিনি বলতে শুরু করলেনঃ হে আল্লাহ! সাক্ষী থাকুন। অতঃপর তিনি লোকেদের বিদায় দেন। তখন তারা বলেন, এটা বিদায় হজ্জ। [৩০৫৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا صدقة بن خالد، حدثنا هشام بن الغاز، قال سمعت نافعا، يحدث عن ابن عمر، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وقف يوم النحر بين الجمرات في الحجة التي حج فيها فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ " أى يوم هذا " . قالوا يوم النحر . قال " فأى بلد هذا " . قالوا هذا بلد الله الحرام . قال " فأى شهر هذا " . قالوا شهر الله الحرام . قال " هذا يوم الحج الأكبر ودماؤكم وأموالكم وأعراضكم عليكم حرام كحرمة هذا البلد في هذا الشهر في هذا اليوم " . ثم قال " هل بلغت " . قالوا نعم . فطفق النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " اللهم اشهد " . ثم ودع الناس فقالوا هذه حجة الوداع .
সুনানে ইবনে মাজাহ > বাইতুল্লাহ যিয়ারত
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৫৯
حدثنا بكر بن خلف أبو بشر، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا سفيان، حدثني محمد بن طارق، عن طاوس، وأبو الزبير، عن عائشة، وابن، عباس أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ أخر طواف الزيارة إلى الليل .
আয়িশাহ (রাঃ) ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত পর্যন্ত তাওয়াফে যিয়ারত বিলম্ব করেন। [৩০৫৯] তাহকীক আলবানীঃ শায।
আয়িশাহ (রাঃ) ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত পর্যন্ত তাওয়াফে যিয়ারত বিলম্ব করেন। [৩০৫৯] তাহকীক আলবানীঃ শায।
حدثنا بكر بن خلف أبو بشر، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا سفيان، حدثني محمد بن طارق، عن طاوس، وأبو الزبير، عن عائشة، وابن، عباس أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ أخر طواف الزيارة إلى الليل .
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩০৬০
حدثنا حرملة بن يحيى، حدثنا ابن وهب، أنبأنا ابن جريج، عن عطاء، عن عبد الله بن عباس، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ لم يرمل في السبع الذي أفاض فيه . قال عطاء ولا رمل فيه .
আবদুল্লাহ বিন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাওয়াফে যিয়ারতের সাত চক্করে রমল ( বাহু দুলিয়ে বীরত্বপূর্ণ পদক্ষেপ) করেননি। আতা (রহঃ) বলেন, তাওয়াফে যিয়ারতে রমল করতে হয় না। [৩০৬০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবদুল্লাহ বিন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাওয়াফে যিয়ারতের সাত চক্করে রমল ( বাহু দুলিয়ে বীরত্বপূর্ণ পদক্ষেপ) করেননি। আতা (রহঃ) বলেন, তাওয়াফে যিয়ারতে রমল করতে হয় না। [৩০৬০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا حرملة بن يحيى، حدثنا ابن وهب، أنبأنا ابن جريج، عن عطاء، عن عبد الله بن عباس، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ لم يرمل في السبع الذي أفاض فيه . قال عطاء ولا رمل فيه .