সুনানে ইবনে মাজাহ > হজ্জের ইহরাম ভঙ্গ করা
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৮০
حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم الدمشقي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، عن عطاء، عن جابر بن عبد الله، قال أهللنا مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بالحج خالصا لا نخلطه بعمرة فقدمنا مكة لأربع ليال خلون من ذي الحجة فلما طفنا بالبيت وسعينا بين الصفا والمروة أمرنا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ أن نجعلها عمرة وأن نحل إلى النساء . فقلنا ما بيننا ليس بيننا وبين عرفة إلا خمس فنخرج إليها ومذاكيرنا تقطر منيا فقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إني لأبركم وأصدقكم ولولا الهدى لأحللت " . فقال سراقة بن مالك أمتعتنا هذه لعامنا هذا أم لأبد فقال " لا بل لأبد الأبد " .
জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা কেবল হজ্জের নিয়তে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে ইহরাম বাঁধলাম, এর সাথে উমরার নিয়ত করিনি। যিলহজ্জ মাসের চারদিন অতিবাহিত হওয়ার পর আমরা মক্কায় উপনীত হলাম। আমরা বায়তুল্লাহ তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ সমাপ্ত করলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে ইহরাম (ভঙ্গ করে) উমরার ইহরামে পরিনত করার নির্দেশ দেন এবং স্ত্রীদের সাথে মেলামেশার অনুমতি দেন। আমরা আরয করলাম, আমাদের লজ্জাস্থান থেকে বীর্য নির্গত হওয়ার পরপরই আরাফতের দিকে অগ্রসর হবো। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক সৎকর্মশীল ও সর্বাধিক সত্যবাদী। আমার সাথে কোরবানির পশু না থাকলে আমিও ইহরাম খুলে ফেলতাম। সুরাকা বিন মালিক (রাঃ) জিজ্ঞেস করেন, এ সুযোগ কি আমাদের এ বছরের জন্য, না চিরকালের জন্য? তিনি বলেনঃ না, চিরকালের জন্য। [২৯৮০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা কেবল হজ্জের নিয়তে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে ইহরাম বাঁধলাম, এর সাথে উমরার নিয়ত করিনি। যিলহজ্জ মাসের চারদিন অতিবাহিত হওয়ার পর আমরা মক্কায় উপনীত হলাম। আমরা বায়তুল্লাহ তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ সমাপ্ত করলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে ইহরাম (ভঙ্গ করে) উমরার ইহরামে পরিনত করার নির্দেশ দেন এবং স্ত্রীদের সাথে মেলামেশার অনুমতি দেন। আমরা আরয করলাম, আমাদের লজ্জাস্থান থেকে বীর্য নির্গত হওয়ার পরপরই আরাফতের দিকে অগ্রসর হবো। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক সৎকর্মশীল ও সর্বাধিক সত্যবাদী। আমার সাথে কোরবানির পশু না থাকলে আমিও ইহরাম খুলে ফেলতাম। সুরাকা বিন মালিক (রাঃ) জিজ্ঞেস করেন, এ সুযোগ কি আমাদের এ বছরের জন্য, না চিরকালের জন্য? তিনি বলেনঃ না, চিরকালের জন্য। [২৯৮০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم الدمشقي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، عن عطاء، عن جابر بن عبد الله، قال أهللنا مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بالحج خالصا لا نخلطه بعمرة فقدمنا مكة لأربع ليال خلون من ذي الحجة فلما طفنا بالبيت وسعينا بين الصفا والمروة أمرنا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ أن نجعلها عمرة وأن نحل إلى النساء . فقلنا ما بيننا ليس بيننا وبين عرفة إلا خمس فنخرج إليها ومذاكيرنا تقطر منيا فقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إني لأبركم وأصدقكم ولولا الهدى لأحللت " . فقال سراقة بن مالك أمتعتنا هذه لعامنا هذا أم لأبد فقال " لا بل لأبد الأبد " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৮১
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، عن يحيى بن سعيد، عن عمرة، عن عائشة، قالت خرجنا مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ لخمس بقين من ذي القعدة لا نرى إلا الحج حتى إذا قدمنا ودنونا أمر رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ من لم يكن معه هدى أن يحل فحل الناس كلهم إلا من كان معه هدى فلما كان يوم النحر دخل علينا بلحم بقر فقيل ذبح رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ عن أزواجه .
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যিলকাদ মাসের পাঁচ দিন বাকি থাকতে আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে রওনা হলাম। হজ্জ করাই ছিল আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য। আমরা গন্তব্যে (মক্কায়) বা তার কাছাকাছি পৌঁছলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দেন, যার সাথে কোরবানির পশু নেই সে যেন ইহরাম খুলে ফেলে। অতএব যাদের সাথে কোরবানির পশু ছিল তারা ব্যতীত আর সকলেই ইহরাম খুলে ফেলেন। কোরবানির দিন আমাদের জন্য গরুর গোশত নিয়ে আসা হল এবং বলা হল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর স্ত্রীদের পক্ষ থেকে কোরবানি করেছেন। [২৯৮১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যিলকাদ মাসের পাঁচ দিন বাকি থাকতে আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে রওনা হলাম। হজ্জ করাই ছিল আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য। আমরা গন্তব্যে (মক্কায়) বা তার কাছাকাছি পৌঁছলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দেন, যার সাথে কোরবানির পশু নেই সে যেন ইহরাম খুলে ফেলে। অতএব যাদের সাথে কোরবানির পশু ছিল তারা ব্যতীত আর সকলেই ইহরাম খুলে ফেলেন। কোরবানির দিন আমাদের জন্য গরুর গোশত নিয়ে আসা হল এবং বলা হল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর স্ত্রীদের পক্ষ থেকে কোরবানি করেছেন। [২৯৮১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، عن يحيى بن سعيد، عن عمرة، عن عائشة، قالت خرجنا مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ لخمس بقين من ذي القعدة لا نرى إلا الحج حتى إذا قدمنا ودنونا أمر رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ من لم يكن معه هدى أن يحل فحل الناس كلهم إلا من كان معه هدى فلما كان يوم النحر دخل علينا بلحم بقر فقيل ذبح رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ عن أزواجه .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৮২
حدثنا محمد بن الصباح، حدثنا أبو بكر بن عياش، عن أبي إسحاق، عن البراء بن عازب، قال خرج رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وأصحابه فأحرمنا بالحج فلما قدمنا مكة قال " اجعلوا حجكم عمرة " . فقال الناس يا رسول الله قد أحرمنا بالحج فكيف نجعلها عمرة قال " انظروا ما آمركم به فافعلوا " . فردوا عليه القول فغضب فانطلق حتى دخل على عائشة غضبان فرأت الغضب في وجهه فقالت من أغضبك أغضبه الله قال " ومالي لا أغضب وأنا آمر أمرا فلا أتبع " .
আল-বারা বিন আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তার সাহাবীগণ রওনা হলেন। আমরা হজ্জের ইহরাম বাঁধলাম। আমরা মক্কায় পৌঁছলে তিনি বলেনঃ তোমাদের হজ্জকে উমরায় পরিণত করো। লোকেরা বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ ! আমরা তো হজ্জের নিয়তে ইহরাম বেঁধেছি, তা কিরুপে উমরায় পরিনত করবো? তিনি বলেনঃ লক্ষ্য কর, আমি তোমাদের যা নির্দেশ করি তা করো। তারা তাদের কথার পুনরাবৃত্তি করলে তিনি অসন্তুষ্ট হয়ে স্থান ত্যাগ করেন এবং এই অবস্থায় আয়িশাহ (রাঃ) -র নিকট যান। তিনি তাঁর চেহারায় অসন্তোষের ভাব লক্ষ্য করে বলেন, আপনাকে কে অসন্তুষ্ট করেছে, আল্লাহ তাকে অসন্তুষ্ট করুন? তিনি বলেনঃ আমি কীভাবে অসন্তুষ্ট না হয়ে পারি, আমি কোনো কাজের হুকুম করি, অথচ তা মান্য করা হবে না? [২৯৮২] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
আল-বারা বিন আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তার সাহাবীগণ রওনা হলেন। আমরা হজ্জের ইহরাম বাঁধলাম। আমরা মক্কায় পৌঁছলে তিনি বলেনঃ তোমাদের হজ্জকে উমরায় পরিণত করো। লোকেরা বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ ! আমরা তো হজ্জের নিয়তে ইহরাম বেঁধেছি, তা কিরুপে উমরায় পরিনত করবো? তিনি বলেনঃ লক্ষ্য কর, আমি তোমাদের যা নির্দেশ করি তা করো। তারা তাদের কথার পুনরাবৃত্তি করলে তিনি অসন্তুষ্ট হয়ে স্থান ত্যাগ করেন এবং এই অবস্থায় আয়িশাহ (রাঃ) -র নিকট যান। তিনি তাঁর চেহারায় অসন্তোষের ভাব লক্ষ্য করে বলেন, আপনাকে কে অসন্তুষ্ট করেছে, আল্লাহ তাকে অসন্তুষ্ট করুন? তিনি বলেনঃ আমি কীভাবে অসন্তুষ্ট না হয়ে পারি, আমি কোনো কাজের হুকুম করি, অথচ তা মান্য করা হবে না? [২৯৮২] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
حدثنا محمد بن الصباح، حدثنا أبو بكر بن عياش، عن أبي إسحاق، عن البراء بن عازب، قال خرج رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وأصحابه فأحرمنا بالحج فلما قدمنا مكة قال " اجعلوا حجكم عمرة " . فقال الناس يا رسول الله قد أحرمنا بالحج فكيف نجعلها عمرة قال " انظروا ما آمركم به فافعلوا " . فردوا عليه القول فغضب فانطلق حتى دخل على عائشة غضبان فرأت الغضب في وجهه فقالت من أغضبك أغضبه الله قال " ومالي لا أغضب وأنا آمر أمرا فلا أتبع " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৮৩
حدثنا بكر بن خلف أبو بشر، حدثنا أبو عاصم، أنبأنا ابن جريج، أخبرني منصور بن عبد الرحمن، عن أمه، صفية عن أسماء بنت أبي بكر، قالت خرجنا مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ محرمين فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ " من كان معه هدى فليقم على إحرامه ومن لم يكن معه هدى فليحلل " . قالت ولم يكن معي هدى فأحللت وكان مع الزبير هدى فلم يحل فلبست ثيابي وجئت إلى الزبير فقال قومي عني . فقلت أتخشى أن أثب عليك .
আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা ইহরাম অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে রওনা হলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যাদের সাথে কোরবানির পশু আছে তারা যেন ইহরাম অবস্থায় থাকে। আর যাদের সাথে কোরবানির পশু নেই তারা যেন ইহরাম ভঙ্গ করে। রাবী বলেন, আমার সাথে কোরবানির পশু না থাকায় আমিও ইহরাম ভঙ্গ করলাম, কিন্তু (আমার স্বামী) যুবাইর (রাঃ) -র সাথে কোরবানির পশু থাকায় তিনি ইহরাম ভঙ্গ করতে পারেননি। আমি আমার পরিধেয় বস্ত্র পরে যুবাইর (রাঃ) -র নিকট আসলে তিনি বলেন, তুমি আমার নিকট থেকে উঠে যাও। আমি বললাম, আপনি কি আশঙ্কা করছেন যে, আমি আপনার উপর ঝাঁপিয়ে পড়বো? [২৯৮৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা ইহরাম অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে রওনা হলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যাদের সাথে কোরবানির পশু আছে তারা যেন ইহরাম অবস্থায় থাকে। আর যাদের সাথে কোরবানির পশু নেই তারা যেন ইহরাম ভঙ্গ করে। রাবী বলেন, আমার সাথে কোরবানির পশু না থাকায় আমিও ইহরাম ভঙ্গ করলাম, কিন্তু (আমার স্বামী) যুবাইর (রাঃ) -র সাথে কোরবানির পশু থাকায় তিনি ইহরাম ভঙ্গ করতে পারেননি। আমি আমার পরিধেয় বস্ত্র পরে যুবাইর (রাঃ) -র নিকট আসলে তিনি বলেন, তুমি আমার নিকট থেকে উঠে যাও। আমি বললাম, আপনি কি আশঙ্কা করছেন যে, আমি আপনার উপর ঝাঁপিয়ে পড়বো? [২৯৮৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا بكر بن خلف أبو بشر، حدثنا أبو عاصم، أنبأنا ابن جريج، أخبرني منصور بن عبد الرحمن، عن أمه، صفية عن أسماء بنت أبي بكر، قالت خرجنا مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ محرمين فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ " من كان معه هدى فليقم على إحرامه ومن لم يكن معه هدى فليحلل " . قالت ولم يكن معي هدى فأحللت وكان مع الزبير هدى فلم يحل فلبست ثيابي وجئت إلى الزبير فقال قومي عني . فقلت أتخشى أن أثب عليك .
সুনানে ইবনে মাজাহ > যারা বলেন, হজ্জের ইহরাম ভঙ্গ করা সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে সীমিত (খাস) ছিল
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৮৪
حدثنا أبو مصعب، حدثنا عبد العزيز بن محمد الدراوردي، عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن، عن الحارث بن بلال بن الحارث، عن أبيه، قال قلت يا رسول الله أرأيت فسخ الحج في العمرة لنا خاصة أم للناس عامة فقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " بل لنا خاصة " .
বিলাল ইবনুল হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ ! হজ্জের ইহরাম ভঙ্গ করে উমরা করার সুযোগ কি কেবল আমাদের পর্যন্তই সীমিত, না সাধারণভাবে সব লোকের জন্য উন্মুক্ত? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ বরং আমাদের জন্যই সীমিত। [২৯৮৪] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
বিলাল ইবনুল হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ ! হজ্জের ইহরাম ভঙ্গ করে উমরা করার সুযোগ কি কেবল আমাদের পর্যন্তই সীমিত, না সাধারণভাবে সব লোকের জন্য উন্মুক্ত? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ বরং আমাদের জন্যই সীমিত। [২৯৮৪] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
حدثنا أبو مصعب، حدثنا عبد العزيز بن محمد الدراوردي، عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن، عن الحارث بن بلال بن الحارث، عن أبيه، قال قلت يا رسول الله أرأيت فسخ الحج في العمرة لنا خاصة أم للناس عامة فقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " بل لنا خاصة " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৮৫
حدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي ذر، قال كانت المتعة في الحج لأصحاب محمد ـ صلى الله عليه وسلم ـ خاصة .
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
হজ্জের ইহরাম ভঙ্গ করার সুযোগ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীগণের মধ্যে সীমিত ছিল। [২৯৮৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
হজ্জের ইহরাম ভঙ্গ করার সুযোগ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীগণের মধ্যে সীমিত ছিল। [২৯৮৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ
حدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن أبي ذر، قال كانت المتعة في الحج لأصحاب محمد ـ صلى الله عليه وسلم ـ خاصة .
সুনানে ইবনে মাজাহ > সাফা ও মারওয়া পাহাড়দ্বয়ের মাঝে সাঈ করা (দৌড়ানো)
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৮৭
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا وكيع، حدثنا هشام الدستوائي، عن بديل بن ميسرة، عن صفية بنت شيبة، عن أم ولد، شيبة قالت رأيت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يسعى بين الصفا والمروة وهو يقول " لا يقطع الأبطح إلا شدا " .
শায়বার উম্মু ওয়ালাদ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করতে দেখেছি এবং তিনি তখন বলছিলেনঃ আল-আবতাহ্ উপত্যকা অতিক্রম করতে হবে। [২৯৮৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
শায়বার উম্মু ওয়ালাদ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করতে দেখেছি এবং তিনি তখন বলছিলেনঃ আল-আবতাহ্ উপত্যকা অতিক্রম করতে হবে। [২৯৮৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا وكيع، حدثنا هشام الدستوائي، عن بديل بن ميسرة، عن صفية بنت شيبة، عن أم ولد، شيبة قالت رأيت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يسعى بين الصفا والمروة وهو يقول " لا يقطع الأبطح إلا شدا " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৮৮
حدثنا علي بن محمد، وعمرو بن عبد الله، قالا حدثنا وكيع، حدثنا أبي، عن عطاء بن السائب، عن كثير بن جمهان، عن ابن عمر، قال إن أسع بين الصفا والمروة فقد رأيت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يسعى وإن أمش فقد رأيت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يمشي وأنا شيخ كبير .
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি যদি সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করে দৌড়াই তবে তা এজন্য যে, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে সাঈ করতে দেখেছি। আমি যদি তা হেঁটে অতিক্রম করি তবে তা এজন্য যে, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে তা হেঁটে অতিক্রম করতে দেখেছি। আমি তো একজন অতি বৃদ্ধ। [২৯৮৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি যদি সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করে দৌড়াই তবে তা এজন্য যে, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে সাঈ করতে দেখেছি। আমি যদি তা হেঁটে অতিক্রম করি তবে তা এজন্য যে, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে তা হেঁটে অতিক্রম করতে দেখেছি। আমি তো একজন অতি বৃদ্ধ। [২৯৮৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا علي بن محمد، وعمرو بن عبد الله، قالا حدثنا وكيع، حدثنا أبي، عن عطاء بن السائب، عن كثير بن جمهان، عن ابن عمر، قال إن أسع بين الصفا والمروة فقد رأيت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يسعى وإن أمش فقد رأيت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يمشي وأنا شيخ كبير .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৮৬
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن هشام بن عروة، قال أخبرني أبي قال، قلت لعائشة ما أرى على جناحا أن لا أطوف بين الصفا والمروة . قالت إن الله يقول {إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما} ولو كان كما تقول لكان فلا جناح عليه أن لا يطوف بهما . إنما أنزل هذا في ناس من الأنصار كانوا إذا أهلوا أهلوا لمناة فلا يحل لهم أن يطوفوا بين الصفا والمروة فلما قدموا مع النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ في الحج ذكروا ذلك له فأنزلها الله فلعمري ما أتم الله عز وجل حج من لم يطف بين الصفا والمروة .
হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে বর্নিতঃ
আমার পিতা আমাকে অবহিত করে বলেছেন, আমি আয়িশাহ (রাঃ) – কে বললাম, আমি যদি সাফা ও মারওয়ার মাঝে সাঈ না করি তবে তা আমার জন্য দূষণীয় মনে করি না। তিনি বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ বলেছেনঃ “সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত। অতএব যে কেউ কাবা ঘরের হজ্জ অথবা উমরাহ সম্পন্ন করে, এই দু’টির মাঝে সাঈ করলে তার কোনো পাপ নেই” (সূরা বাকারাঃ ১৫৮)। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তুমি যেরূপ বুঝেছ যদি তাই হত তবে এভাবে বলা হতঃ “তবে এ দু’টির মাঝে সাঈ না করলে তার কোনো গুনাহ নেই”। উপরোক্ত আয়াত আনসার সম্প্রদায়ের কতক লোকের সম্পর্কে নাযিল হয়েছে। তারা যখন ইহরাম বাঁধতো (জাহিলী যুগে) মানাত দেবতার উদ্দেশ্যে বাঁধতো। তাই সাফা ও মারওয়ার মাঝে সাঈ করা (তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী) তাদের জন্য হালাল ছিলো না। তারা (ইসলামোত্তর যুগে) মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে হজ্জ করতে এসে বিষয়টি তাঁর সামনে উত্থাপন করলে তখন আল্লাহ তাআলা উপরোক্ত আয়াত নাযিল করেন। (আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমার জীবনের শপথ! যে ব্যক্তি হজ্জ করতে এসে সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করবে না মহান আল্লাহ তার হজ্জ পূর্ণ করবেন না। [২৯৮৬]
হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে বর্নিতঃ
আমার পিতা আমাকে অবহিত করে বলেছেন, আমি আয়িশাহ (রাঃ) – কে বললাম, আমি যদি সাফা ও মারওয়ার মাঝে সাঈ না করি তবে তা আমার জন্য দূষণীয় মনে করি না। তিনি বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ বলেছেনঃ “সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত। অতএব যে কেউ কাবা ঘরের হজ্জ অথবা উমরাহ সম্পন্ন করে, এই দু’টির মাঝে সাঈ করলে তার কোনো পাপ নেই” (সূরা বাকারাঃ ১৫৮)। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তুমি যেরূপ বুঝেছ যদি তাই হত তবে এভাবে বলা হতঃ “তবে এ দু’টির মাঝে সাঈ না করলে তার কোনো গুনাহ নেই”। উপরোক্ত আয়াত আনসার সম্প্রদায়ের কতক লোকের সম্পর্কে নাযিল হয়েছে। তারা যখন ইহরাম বাঁধতো (জাহিলী যুগে) মানাত দেবতার উদ্দেশ্যে বাঁধতো। তাই সাফা ও মারওয়ার মাঝে সাঈ করা (তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী) তাদের জন্য হালাল ছিলো না। তারা (ইসলামোত্তর যুগে) মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে হজ্জ করতে এসে বিষয়টি তাঁর সামনে উত্থাপন করলে তখন আল্লাহ তাআলা উপরোক্ত আয়াত নাযিল করেন। (আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমার জীবনের শপথ! যে ব্যক্তি হজ্জ করতে এসে সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করবে না মহান আল্লাহ তার হজ্জ পূর্ণ করবেন না। [২৯৮৬]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن هشام بن عروة، قال أخبرني أبي قال، قلت لعائشة ما أرى على جناحا أن لا أطوف بين الصفا والمروة . قالت إن الله يقول {إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما} ولو كان كما تقول لكان فلا جناح عليه أن لا يطوف بهما . إنما أنزل هذا في ناس من الأنصار كانوا إذا أهلوا أهلوا لمناة فلا يحل لهم أن يطوفوا بين الصفا والمروة فلما قدموا مع النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ في الحج ذكروا ذلك له فأنزلها الله فلعمري ما أتم الله عز وجل حج من لم يطف بين الصفا والمروة .
সুনানে ইবনে মাজাহ > উমরার বর্ণনা
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৮৯
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا الحسن بن يحيى الخشني، حدثنا عمر بن قيس، أخبرني طلحة بن يحيى، عن عمه، إسحاق بن طلحة عن طلحة بن عبيد الله، أنه سمع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " الحج جهاد والعمرة تطوع " .
তালহাহ বিন উবায়দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেনঃ হাজ্জ হলো জিহাদ এবং উমরা হলো নফল। [২৯৮৯] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
তালহাহ বিন উবায়দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেনঃ হাজ্জ হলো জিহাদ এবং উমরা হলো নফল। [২৯৮৯] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا الحسن بن يحيى الخشني، حدثنا عمر بن قيس، أخبرني طلحة بن يحيى، عن عمه، إسحاق بن طلحة عن طلحة بن عبيد الله، أنه سمع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " الحج جهاد والعمرة تطوع " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৯০
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا يعلى، حدثنا إسماعيل، سمعت عبد الله بن أبي أوفى، يقول كنا مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ حين اعتمر فطاف وطفنا معه وصلى وصلينا معه وكنا نستره من أهل مكة لا يصيبه أحد بشىء .
আবদুল্লাহ বিন আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সাথে ছিলাম। তিনি উমরা করা কালে (বাইতুল্লাহ) তাওয়াফ করেন, আমরাও তাঁর সাথে তাওয়াফ করি, তিনি সলাত আদায় করেন এবং আমরাও তাঁর সাথে সলাত আদায় করি। আমরা তাঁকে মক্কাবাসীদের থেকে আড়াল করে রাখতাম যাতে কেউ তাঁর কোনরূপ ক্ষতি করার সুযোগ না পায়। [২৯৯০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবদুল্লাহ বিন আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সাথে ছিলাম। তিনি উমরা করা কালে (বাইতুল্লাহ) তাওয়াফ করেন, আমরাও তাঁর সাথে তাওয়াফ করি, তিনি সলাত আদায় করেন এবং আমরাও তাঁর সাথে সলাত আদায় করি। আমরা তাঁকে মক্কাবাসীদের থেকে আড়াল করে রাখতাম যাতে কেউ তাঁর কোনরূপ ক্ষতি করার সুযোগ না পায়। [২৯৯০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا يعلى، حدثنا إسماعيل، سمعت عبد الله بن أبي أوفى، يقول كنا مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ حين اعتمر فطاف وطفنا معه وصلى وصلينا معه وكنا نستره من أهل مكة لا يصيبه أحد بشىء .