সুনানে ইবনে মাজাহ > বায়তুল্লাহর চারপাশে তাওয়াফের সময় রমল করা

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৫০

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أحمد بن بشير، ح وحدثنا علي بن محمد، حدثنا محمد بن عبيد، قالا حدثنا عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان إذا طاف بالبيت الطواف الأول رمل ثلاثة ومشى أربعة من الحجر إلى الحجر وكان ابن عمر يفعله ‏.‏

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বাইতুল্লাহ তাওয়াফ শুরু করতেন তখন প্রথম তিন চক্করে (তাওয়াফে) রামল করতেন (বাহু দুলিয়ে বীরদর্পে প্রদক্ষিণ করতেন) এবং চার চক্করে সাধারণভাবে হেঁটে তাওয়াফ করতেন- হাজরে আসওয়াদ থেকে তাওয়াফ (প্রদক্ষিণ) শুরু করে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত। ইবনু উমার (রাঃ) ও তাই করতেন। [২৯৫০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বাইতুল্লাহ তাওয়াফ শুরু করতেন তখন প্রথম তিন চক্করে (তাওয়াফে) রামল করতেন (বাহু দুলিয়ে বীরদর্পে প্রদক্ষিণ করতেন) এবং চার চক্করে সাধারণভাবে হেঁটে তাওয়াফ করতেন- হাজরে আসওয়াদ থেকে তাওয়াফ (প্রদক্ষিণ) শুরু করে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত। ইবনু উমার (রাঃ) ও তাই করতেন। [২৯৫০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أحمد بن بشير، ح وحدثنا علي بن محمد، حدثنا محمد بن عبيد، قالا حدثنا عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان إذا طاف بالبيت الطواف الأول رمل ثلاثة ومشى أربعة من الحجر إلى الحجر وكان ابن عمر يفعله ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৫১

حدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو الحسين العكلي، عن مالك بن أنس، عن جعفر بن محمد، عن أبيه، عن جابر، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ رمل من الحجر إلى الحجر ثلاثا ومشى أربعا ‏.‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজরে আসওয়াদ থেকে শুরু করে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত তিনবার রামল করতেন এবং চারবার সাধারণ গতিতে তাওয়াফ করতেন। [২৯৫১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজরে আসওয়াদ থেকে শুরু করে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত তিনবার রামল করতেন এবং চারবার সাধারণ গতিতে তাওয়াফ করতেন। [২৯৫১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو الحسين العكلي، عن مالك بن أنس، عن جعفر بن محمد، عن أبيه، عن جابر، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ رمل من الحجر إلى الحجر ثلاثا ومشى أربعا ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৫২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا جعفر بن عون، عن هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، قال سمعت عمر، يقول فيم الرملان الآن وقد أطأ الله الإسلام ونفى الكفر وأهله وايم الله ما ندع شيئا كنا نفعله على عهد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏

উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এখন এই দু’ রামলের মধ্যে কী ফায়দা আছে? এখন তো আল্লাহ তাআলা ইসলামকে শক্তিশালী করেছেন এবং কুফর ও তার অনুসারীদের নিশ্চিহ্ন করেছেন। আল্লাহর শপথ! আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে যেসব আমল করেছি তার কিছুই ত্যাগ করব না। [২৯৫২] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এখন এই দু’ রামলের মধ্যে কী ফায়দা আছে? এখন তো আল্লাহ তাআলা ইসলামকে শক্তিশালী করেছেন এবং কুফর ও তার অনুসারীদের নিশ্চিহ্ন করেছেন। আল্লাহর শপথ! আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে যেসব আমল করেছি তার কিছুই ত্যাগ করব না। [২৯৫২] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا جعفر بن عون، عن هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، قال سمعت عمر، يقول فيم الرملان الآن وقد أطأ الله الإسلام ونفى الكفر وأهله وايم الله ما ندع شيئا كنا نفعله على عهد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৫২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا جعفر بن عون، عن هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، قال سمعت عمر، يقول فيم الرملان الآن وقد أطأ الله الإسلام ونفى الكفر وأهله وايم الله ما ندع شيئا كنا نفعله على عهد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏

উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এখন এই দু’ রামলের মধ্যে কী ফায়দা আছে? এখন তো আল্লাহ তাআলা ইসলামকে শক্তিশালী করেছেন এবং কুফর ও তার অনুসারীদের নিশ্চিহ্ন করেছেন। আল্লাহর শপথ! আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে যেসব আমল করেছি তার কিছুই ত্যাগ করব না। [২৯৫২] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এখন এই দু’ রামলের মধ্যে কী ফায়দা আছে? এখন তো আল্লাহ তাআলা ইসলামকে শক্তিশালী করেছেন এবং কুফর ও তার অনুসারীদের নিশ্চিহ্ন করেছেন। আল্লাহর শপথ! আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে যেসব আমল করেছি তার কিছুই ত্যাগ করব না। [২৯৫২] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا جعفر بن عون، عن هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، قال سمعت عمر، يقول فيم الرملان الآن وقد أطأ الله الإسلام ونفى الكفر وأهله وايم الله ما ندع شيئا كنا نفعله على عهد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৫২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا جعفر بن عون، عن هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، قال سمعت عمر، يقول فيم الرملان الآن وقد أطأ الله الإسلام ونفى الكفر وأهله وايم الله ما ندع شيئا كنا نفعله على عهد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏

উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এখন এই দু’ রামলের মধ্যে কী ফায়দা আছে? এখন তো আল্লাহ তাআলা ইসলামকে শক্তিশালী করেছেন এবং কুফর ও তার অনুসারীদের নিশ্চিহ্ন করেছেন। আল্লাহর শপথ! আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে যেসব আমল করেছি তার কিছুই ত্যাগ করব না। [২৯৫২] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এখন এই দু’ রামলের মধ্যে কী ফায়দা আছে? এখন তো আল্লাহ তাআলা ইসলামকে শক্তিশালী করেছেন এবং কুফর ও তার অনুসারীদের নিশ্চিহ্ন করেছেন। আল্লাহর শপথ! আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে যেসব আমল করেছি তার কিছুই ত্যাগ করব না। [২৯৫২] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا جعفر بن عون، عن هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، قال سمعت عمر، يقول فيم الرملان الآن وقد أطأ الله الإسلام ونفى الكفر وأهله وايم الله ما ندع شيئا كنا نفعله على عهد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৫৩

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا عبد الرزاق، أنبأنا معمر، عن ابن خثيم، عن أبي الطفيل، عن ابن عباس، قال قال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ لأصحابه حين أرادوا دخول مكة في عمرته بعد الحديبية ‏ "‏ إن قومكم غدا سيرونكم فليرونكم جلدا ‏"‏ ‏.‏ فلما دخلوا المسجد استلموا الركن ورملوا والنبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ معهم حتى إذا بلغوا الركن اليماني مشوا إلى الركن الأسود ثم رملوا حتى بلغوا الركن اليماني ثم مشوا إلى الركن الأسود ففعل ذلك ثلاث مرات ثم مشى الأربع ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুদায়বিয়ার ঘটনার পরবর্তী বছরে উমরা পালনকালে মক্কায় প্রবেশের প্রাক্কালে তাঁর সাহাবীগণকে বলেনঃ অচিরেই তোমাদের সম্প্রদায় আগামীকাল তোমাদের দেখতে পাবে। অতএব তারা যেন তোমাদের সতেজ ও চালাক চতুর দেখতে পায়। তারা মসজিদে প্রবেশ করে রুকন (পাথর) চুম্বন করেন এবং রামল করেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের সাথে ছিলেন। তারা রুকনে ইয়ামানীতে পৌঁছে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত স্বাভাবিক গতিতে অগ্রসর হন। তারা পুনরায় রামল করে রুকনে ইয়ামানীতে পৌঁছান; অতঃপর রুকনুল আসওয়াদ পর্যন্ত স্বাভাবিক গতিতে চলেন। তারা তিনবার রামল করেন ও চারবার স্বাভাবিক গতিতে হাঁটেন। [২৯৫৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুদায়বিয়ার ঘটনার পরবর্তী বছরে উমরা পালনকালে মক্কায় প্রবেশের প্রাক্কালে তাঁর সাহাবীগণকে বলেনঃ অচিরেই তোমাদের সম্প্রদায় আগামীকাল তোমাদের দেখতে পাবে। অতএব তারা যেন তোমাদের সতেজ ও চালাক চতুর দেখতে পায়। তারা মসজিদে প্রবেশ করে রুকন (পাথর) চুম্বন করেন এবং রামল করেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের সাথে ছিলেন। তারা রুকনে ইয়ামানীতে পৌঁছে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত স্বাভাবিক গতিতে অগ্রসর হন। তারা পুনরায় রামল করে রুকনে ইয়ামানীতে পৌঁছান; অতঃপর রুকনুল আসওয়াদ পর্যন্ত স্বাভাবিক গতিতে চলেন। তারা তিনবার রামল করেন ও চারবার স্বাভাবিক গতিতে হাঁটেন। [২৯৫৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا عبد الرزاق، أنبأنا معمر، عن ابن خثيم، عن أبي الطفيل، عن ابن عباس، قال قال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ لأصحابه حين أرادوا دخول مكة في عمرته بعد الحديبية ‏ "‏ إن قومكم غدا سيرونكم فليرونكم جلدا ‏"‏ ‏.‏ فلما دخلوا المسجد استلموا الركن ورملوا والنبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ معهم حتى إذا بلغوا الركن اليماني مشوا إلى الركن الأسود ثم رملوا حتى بلغوا الركن اليماني ثم مشوا إلى الركن الأسود ففعل ذلك ثلاث مرات ثم مشى الأربع ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > ইদতিবা’ (বিশেষ পদ্ধতিতে চাদর পরিধান)

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৫৪

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا محمد بن يوسف، وقبيصة، قالا حدثنا سفيان، عن ابن جريج، عن عبد الحميد، عن ابن يعلى بن أمية، عن أبيه، يعلى أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ طاف مضطبعا ‏.‏ قال قبيصة وعليه برد ‏.‏

ইয়া’লা বিন উমায়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ডান কাঁধ খোলা রেখে এবং বাম কাঁধের উপর চাদরের উভয় কোণ একত্রে লটকিয়ে তাওয়াফ করেন। কাবীসা (রাঃ) বলেন, তাঁর পরিধানে ছিল একটি চাদর। [২৯৫৪] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

ইয়া’লা বিন উমায়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ডান কাঁধ খোলা রেখে এবং বাম কাঁধের উপর চাদরের উভয় কোণ একত্রে লটকিয়ে তাওয়াফ করেন। কাবীসা (রাঃ) বলেন, তাঁর পরিধানে ছিল একটি চাদর। [২৯৫৪] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا محمد بن يوسف، وقبيصة، قالا حدثنا سفيان، عن ابن جريج، عن عبد الحميد، عن ابن يعلى بن أمية، عن أبيه، يعلى أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ طاف مضطبعا ‏.‏ قال قبيصة وعليه برد ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > হাতীমও তাওয়াফের অন্তর্ভূক্ত।

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৫৫

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبيد الله بن موسى، حدثنا شيبان، عن أشعث بن أبي الشعثاء، عن الأسود بن يزيد، عن عائشة، قالت سألت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ عن الحجر ‏.‏ فقال ‏"‏ هو من البيت ‏"‏ ‏.‏ قلت ما منعهم أن يدخلوه فيه قال ‏"‏ عجزت بهم النفقة ‏"‏ ‏.‏ قلت فما شأن بابه مرتفعا لا يصعد إليه إلا بسلم قال ‏"‏ ذلك فعل قومك ليدخلوه من شاءوا ويمنعوه من شاءوا ولولا أن قومك حديث عهد بكفر مخافة أن تنفر قلوبهم لنظرت هل أغيره فأدخل فيه ما انتقص منه وجعلت بابه بالأرض ‏"‏ ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট হিজর (হাতীম) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বলেনঃ তা বাইতুল্লার অন্তর্ভূক্ত। আমি বললাম, তাকে কা’বার অন্তর্ভূক্ত করতে কোন জিনিস তাদের বাধা দিলো? তিনি বলেনঃ অর্থাভাব তাদের অপারগ করে দিয়েছিল। আমি বললাম, তার দরজা এতো উঁচুতে স্থাপিত হওয়ার কারণ কী যে, তাতে সিঁড়ি ব্যতীত উঠা যায় না? তিনি বলেনঃ তা তোমার সম্প্রদায়ের কান্ড। তাদের মর্জি হলে কেউ তাতে প্রবেশ করতে পারতো, আর যাদেরকে ইচ্ছা তাতে প্রবেশে বাধা দিতো। তোমার সম্প্রদায়ের কুফরী ত্যাগের যুগ যদি অতি নিকট না হতো এবং (কাবা ঘর ভাঙার কারণে) তাদের মধ্যে বিতৃষ্ণার উদ্রেক হওয়ার আশঙ্কা না থাকতো, তাহলে তুমি দেখতে পেতে আমি কিভাবে তা পরিবর্তন করতাম! তা থেকে যা বাদ দেওয়া হয়েছিল আমি পুনরায় তা এর অন্তর্ভূক্ত করতাম আবং তার দরজা ভূমি বরাবর স্থাপন করতাম। [২৯৫৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট হিজর (হাতীম) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বলেনঃ তা বাইতুল্লার অন্তর্ভূক্ত। আমি বললাম, তাকে কা’বার অন্তর্ভূক্ত করতে কোন জিনিস তাদের বাধা দিলো? তিনি বলেনঃ অর্থাভাব তাদের অপারগ করে দিয়েছিল। আমি বললাম, তার দরজা এতো উঁচুতে স্থাপিত হওয়ার কারণ কী যে, তাতে সিঁড়ি ব্যতীত উঠা যায় না? তিনি বলেনঃ তা তোমার সম্প্রদায়ের কান্ড। তাদের মর্জি হলে কেউ তাতে প্রবেশ করতে পারতো, আর যাদেরকে ইচ্ছা তাতে প্রবেশে বাধা দিতো। তোমার সম্প্রদায়ের কুফরী ত্যাগের যুগ যদি অতি নিকট না হতো এবং (কাবা ঘর ভাঙার কারণে) তাদের মধ্যে বিতৃষ্ণার উদ্রেক হওয়ার আশঙ্কা না থাকতো, তাহলে তুমি দেখতে পেতে আমি কিভাবে তা পরিবর্তন করতাম! তা থেকে যা বাদ দেওয়া হয়েছিল আমি পুনরায় তা এর অন্তর্ভূক্ত করতাম আবং তার দরজা ভূমি বরাবর স্থাপন করতাম। [২৯৫৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبيد الله بن موسى، حدثنا شيبان، عن أشعث بن أبي الشعثاء، عن الأسود بن يزيد، عن عائشة، قالت سألت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ عن الحجر ‏.‏ فقال ‏"‏ هو من البيت ‏"‏ ‏.‏ قلت ما منعهم أن يدخلوه فيه قال ‏"‏ عجزت بهم النفقة ‏"‏ ‏.‏ قلت فما شأن بابه مرتفعا لا يصعد إليه إلا بسلم قال ‏"‏ ذلك فعل قومك ليدخلوه من شاءوا ويمنعوه من شاءوا ولولا أن قومك حديث عهد بكفر مخافة أن تنفر قلوبهم لنظرت هل أغيره فأدخل فيه ما انتقص منه وجعلت بابه بالأرض ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > তাওয়াফের ফযীলত।

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৫৬

حدثنا علي بن محمد، حدثنا محمد بن الفضيل، عن العلاء بن المسيب، عن عطاء، عن عبد الله بن عمر، قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏ "‏ من طاف بالبيت وصلى ركعتين كان كعتق رقبة ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করলো এবং দু’ রাকাআত নামায পড়লো, তা একটি ক্রীতদাসকে দাসত্বমুক্ত করার সমতুল্য। [২৯৫৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করলো এবং দু’ রাকাআত নামায পড়লো, তা একটি ক্রীতদাসকে দাসত্বমুক্ত করার সমতুল্য। [২৯৫৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا علي بن محمد، حدثنا محمد بن الفضيل، عن العلاء بن المسيب، عن عطاء، عن عبد الله بن عمر، قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏ "‏ من طاف بالبيت وصلى ركعتين كان كعتق رقبة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৫৭

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا إسماعيل بن عياش، حدثنا حميد بن أبي سوية، قال سمعت ابن هشام، يسأل عطاء بن أبي رباح عن الركن اليماني، وهو يطوف بالبيت فقال عطاء حدثني أبو هريرة أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏"‏ وكل به سبعون ملكا فمن قال اللهم إني أسألك العفو والعافية في الدنيا والآخرة ربنا آتنا في الدنيا حسنة وفي الآخرة حسنة وقنا عذاب النار - قالوا آمين ‏"‏ ‏.‏ فلما بلغ الركن الأسود قال يا أبا محمد ما بلغك في هذا الركن الأسود فقال عطاء حدثني أبو هريرة أنه سمع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏"‏ من فاوضه فإنما يفاوض يد الرحمن ‏"‏ ‏.‏ قال له ابن هشام يا أبا محمد فالطواف قال عطاء حدثني أبو هريرة أنه سمع النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏"‏ من طاف بالبيت سبعا ولا يتكلم إلا بسبحان الله والحمد لله ولا إله إلا الله والله أكبر ولا حول ولاقوة إلا بالله محيت عنه عشر سيئات وكتبت له عشر حسنات ورفع له بها عشر درجات ومن طاف فتكلم وهو في تلك الحال خاض في الرحمة برجليه كخائض الماء برجليه ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ইবনে হিশামকে রকনে ইয়ামানী সম্পর্কে আ’তা বিন আবূ রাবাহ (রাঃ) এর নিকট জিজ্ঞেস করতে শুনেছি। তিনি তখন বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করছিলেন। আতা (রাঃ) বলেন, আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ (রুকনে ইয়ামানীতে) সত্তরজন ফেরেশতা মোতায়েন আছেন। অতএব যে ব্যক্তি বলে, “আল্লাহুম্মা ইন্নী আসয়ালুকাল আফওয়া, ওয়াল-আফিয়াতা ফিদ-দুনয়া ওয়াল-আখিরাতে রব্বানা আতিনা ফিদ-দুনয়া হাসানাতান ওয়াফিল-আখিরাতে হাসানাতান ওয়াকিনা আযাবান-নার,” তখন ফেরেশতাগণ বলেন, আমীন। (“হে আল্লাহ আমি আপনার নিকট ক্ষমা ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করি দুনিয়া ও আখিরাতের। হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের দুনিয়ার কল্যাণ দান করুন, আখেরাতেরও কল্যাণ দান করুন এবং আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন”)। আতা’ বিন আবূ রাবাহ (রাঃ) রুকনুল-আসওয়াদ (হাজরে আসওয়াদ) পৌঁছালে ইবনু হিশাম (রাঃ) বলেন, হে আবূ মুহাম্মদ! এই রুকনল আসওয়াদ সম্পর্কে আপনি কী জানতে পেরেছেন? আতা (রাঃ) বলেন, আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেনঃ “যে কেউ তার সামনা-সামনি হলো, সে যেন দয়াময় আল্লাহর হাতের সামনাসামনি হলো। ইবনু হিশাম পুনরায় তাকে জিজ্ঞেস করেন, হে আবূ মুহাম্মদ! তাওয়াফ সম্পর্কে কী এসেছে? আতা (রাঃ) বলেন, আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেনঃ “যে ব্যক্তি সাতবার বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করে এবং কোন কথা না বলে নিম্নোক্ত দোয়া পড়ে, ‘সুবহানাল্লাহ ওয়াল-হামদুলিল্লাহ ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার ওয়া লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ’, তার দশটি গুনাহ মুছে যাবে, তার জন্য দশটি নেকি লেখা হবে এবং তার মর্যাদা দশগুণ বৃদ্ধি করা হবে। আর যে ব্যক্তি তাওয়াফরত অবস্থায় কথা বলে, সে তার পদদ্বয় কেবল রহমাতের মধ্যে ডুবিয়ে রাখে, যেমন কারো পদদ্বয় পানিতে ডুবে থাকে।” [২৯৫৭] তাহকীক আলবানীঃ দূর্বল।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ইবনে হিশামকে রকনে ইয়ামানী সম্পর্কে আ’তা বিন আবূ রাবাহ (রাঃ) এর নিকট জিজ্ঞেস করতে শুনেছি। তিনি তখন বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করছিলেন। আতা (রাঃ) বলেন, আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ (রুকনে ইয়ামানীতে) সত্তরজন ফেরেশতা মোতায়েন আছেন। অতএব যে ব্যক্তি বলে, “আল্লাহুম্মা ইন্নী আসয়ালুকাল আফওয়া, ওয়াল-আফিয়াতা ফিদ-দুনয়া ওয়াল-আখিরাতে রব্বানা আতিনা ফিদ-দুনয়া হাসানাতান ওয়াফিল-আখিরাতে হাসানাতান ওয়াকিনা আযাবান-নার,” তখন ফেরেশতাগণ বলেন, আমীন। (“হে আল্লাহ আমি আপনার নিকট ক্ষমা ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করি দুনিয়া ও আখিরাতের। হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের দুনিয়ার কল্যাণ দান করুন, আখেরাতেরও কল্যাণ দান করুন এবং আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন”)। আতা’ বিন আবূ রাবাহ (রাঃ) রুকনুল-আসওয়াদ (হাজরে আসওয়াদ) পৌঁছালে ইবনু হিশাম (রাঃ) বলেন, হে আবূ মুহাম্মদ! এই রুকনল আসওয়াদ সম্পর্কে আপনি কী জানতে পেরেছেন? আতা (রাঃ) বলেন, আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেনঃ “যে কেউ তার সামনা-সামনি হলো, সে যেন দয়াময় আল্লাহর হাতের সামনাসামনি হলো। ইবনু হিশাম পুনরায় তাকে জিজ্ঞেস করেন, হে আবূ মুহাম্মদ! তাওয়াফ সম্পর্কে কী এসেছে? আতা (রাঃ) বলেন, আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেনঃ “যে ব্যক্তি সাতবার বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করে এবং কোন কথা না বলে নিম্নোক্ত দোয়া পড়ে, ‘সুবহানাল্লাহ ওয়াল-হামদুলিল্লাহ ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার ওয়া লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ’, তার দশটি গুনাহ মুছে যাবে, তার জন্য দশটি নেকি লেখা হবে এবং তার মর্যাদা দশগুণ বৃদ্ধি করা হবে। আর যে ব্যক্তি তাওয়াফরত অবস্থায় কথা বলে, সে তার পদদ্বয় কেবল রহমাতের মধ্যে ডুবিয়ে রাখে, যেমন কারো পদদ্বয় পানিতে ডুবে থাকে।” [২৯৫৭] তাহকীক আলবানীঃ দূর্বল।

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا إسماعيل بن عياش، حدثنا حميد بن أبي سوية، قال سمعت ابن هشام، يسأل عطاء بن أبي رباح عن الركن اليماني، وهو يطوف بالبيت فقال عطاء حدثني أبو هريرة أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏"‏ وكل به سبعون ملكا فمن قال اللهم إني أسألك العفو والعافية في الدنيا والآخرة ربنا آتنا في الدنيا حسنة وفي الآخرة حسنة وقنا عذاب النار - قالوا آمين ‏"‏ ‏.‏ فلما بلغ الركن الأسود قال يا أبا محمد ما بلغك في هذا الركن الأسود فقال عطاء حدثني أبو هريرة أنه سمع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏"‏ من فاوضه فإنما يفاوض يد الرحمن ‏"‏ ‏.‏ قال له ابن هشام يا أبا محمد فالطواف قال عطاء حدثني أبو هريرة أنه سمع النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏"‏ من طاف بالبيت سبعا ولا يتكلم إلا بسبحان الله والحمد لله ولا إله إلا الله والله أكبر ولا حول ولاقوة إلا بالله محيت عنه عشر سيئات وكتبت له عشر حسنات ورفع له بها عشر درجات ومن طاف فتكلم وهو في تلك الحال خاض في الرحمة برجليه كخائض الماء برجليه ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00