সুনানে ইবনে মাজাহ > লাঠির সাহায্যে রুকন (হাজরে আসওয়াদ) কে চুমা দেওয়া

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৪৭

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا يونس بن بكير، حدثنا محمد بن إسحاق، عن محمد بن جعفر بن الزبير، عن عبيد الله بن عبد الله بن أبي ثور، عن صفية بنت شيبة، قالت لما اطمأن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ عام الفتح طاف على بعيره يستلم الركن بمحجن بيده ثم دخل الكعبة فوجد فيها حمامة عيدان فكسرها ثم قام على باب الكعبة فرمى بها وأنا أنظره ‏.‏

শায়বাহ’র কন্যা সাফিয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের বছর যখন নিশ্চিত (নিরাপদ) হলেন তখন তিনি স্বীয় উটে আরোহণ করে (বাইতুল্লাহ) তাওয়াফ করেন এবং নিজের হাতের লাঠির সাহাস্যে রুকন (হাজরে আসওয়াদ) কে চুম্বন করেন। অতঃপর তিনি কাবার অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন এবং তথায় কাঠের তৈরী একটি কবুতর দেখতে পান। তিনি তা ভেঙ্গে ফেলেন এবং অতঃপর তা কাবার দরজায় দাঁড়িয়ে বাইরে নিক্ষেপ করেন। আমি তা দেখেছিলাম। [২৯৪৭] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

শায়বাহ’র কন্যা সাফিয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের বছর যখন নিশ্চিত (নিরাপদ) হলেন তখন তিনি স্বীয় উটে আরোহণ করে (বাইতুল্লাহ) তাওয়াফ করেন এবং নিজের হাতের লাঠির সাহাস্যে রুকন (হাজরে আসওয়াদ) কে চুম্বন করেন। অতঃপর তিনি কাবার অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন এবং তথায় কাঠের তৈরী একটি কবুতর দেখতে পান। তিনি তা ভেঙ্গে ফেলেন এবং অতঃপর তা কাবার দরজায় দাঁড়িয়ে বাইরে নিক্ষেপ করেন। আমি তা দেখেছিলাম। [২৯৪৭] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا يونس بن بكير، حدثنا محمد بن إسحاق، عن محمد بن جعفر بن الزبير، عن عبيد الله بن عبد الله بن أبي ثور، عن صفية بنت شيبة، قالت لما اطمأن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ عام الفتح طاف على بعيره يستلم الركن بمحجن بيده ثم دخل الكعبة فوجد فيها حمامة عيدان فكسرها ثم قام على باب الكعبة فرمى بها وأنا أنظره ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৪৮

حدثنا أحمد بن عمرو بن السرح، أنبأنا عبد الله بن وهب، عن يونس، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله، عن ابن عباس، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ طاف في حجة الوداع على بعير يستلم الركن بمحجن ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হজ্জে একটি উটে আরোহণ করে তাওয়াফ করেন এবং একটি লাঠির সাহায্যে (ইশারায়) রুকনকে চুম্বন করেন। [২৯৪৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হজ্জে একটি উটে আরোহণ করে তাওয়াফ করেন এবং একটি লাঠির সাহায্যে (ইশারায়) রুকনকে চুম্বন করেন। [২৯৪৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أحمد بن عمرو بن السرح، أنبأنا عبد الله بن وهب، عن يونس، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله، عن ابن عباس، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ طاف في حجة الوداع على بعير يستلم الركن بمحجن ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৪৯

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، ح وحدثنا هدية بن عبد الوهاب، حدثنا الفضل بن موسى، قالا حدثنا معروف بن خربوذ المكي، قال سمعت أبا الطفيل، عامر بن واثلة قال رأيت النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يطوف بالبيت على راحلته يستلم الركن بمحجنه ويقبل المحجن ‏.‏

আবূ তোফায়েল আমর বিন ওয়াসেলাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে দেখেছি তিনি তাঁর সওয়ারীতে আরোহণ করে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করেন, নিজ লাঠির সাহায্যে রুকন স্পর্শ করেন এবং লাঠিতে চুমা দেন। [২৯৪৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ তোফায়েল আমর বিন ওয়াসেলাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে দেখেছি তিনি তাঁর সওয়ারীতে আরোহণ করে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করেন, নিজ লাঠির সাহায্যে রুকন স্পর্শ করেন এবং লাঠিতে চুমা দেন। [২৯৪৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، ح وحدثنا هدية بن عبد الوهاب، حدثنا الفضل بن موسى، قالا حدثنا معروف بن خربوذ المكي، قال سمعت أبا الطفيل، عامر بن واثلة قال رأيت النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يطوف بالبيت على راحلته يستلم الركن بمحجنه ويقبل المحجن ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > বায়তুল্লাহর চারপাশে তাওয়াফের সময় রমল করা

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৫০

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أحمد بن بشير، ح وحدثنا علي بن محمد، حدثنا محمد بن عبيد، قالا حدثنا عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان إذا طاف بالبيت الطواف الأول رمل ثلاثة ومشى أربعة من الحجر إلى الحجر وكان ابن عمر يفعله ‏.‏

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বাইতুল্লাহ তাওয়াফ শুরু করতেন তখন প্রথম তিন চক্করে (তাওয়াফে) রামল করতেন (বাহু দুলিয়ে বীরদর্পে প্রদক্ষিণ করতেন) এবং চার চক্করে সাধারণভাবে হেঁটে তাওয়াফ করতেন- হাজরে আসওয়াদ থেকে তাওয়াফ (প্রদক্ষিণ) শুরু করে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত। ইবনু উমার (রাঃ) ও তাই করতেন। [২৯৫০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বাইতুল্লাহ তাওয়াফ শুরু করতেন তখন প্রথম তিন চক্করে (তাওয়াফে) রামল করতেন (বাহু দুলিয়ে বীরদর্পে প্রদক্ষিণ করতেন) এবং চার চক্করে সাধারণভাবে হেঁটে তাওয়াফ করতেন- হাজরে আসওয়াদ থেকে তাওয়াফ (প্রদক্ষিণ) শুরু করে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত। ইবনু উমার (রাঃ) ও তাই করতেন। [২৯৫০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أحمد بن بشير، ح وحدثنا علي بن محمد، حدثنا محمد بن عبيد، قالا حدثنا عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان إذا طاف بالبيت الطواف الأول رمل ثلاثة ومشى أربعة من الحجر إلى الحجر وكان ابن عمر يفعله ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৫১

حدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو الحسين العكلي، عن مالك بن أنس، عن جعفر بن محمد، عن أبيه، عن جابر، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ رمل من الحجر إلى الحجر ثلاثا ومشى أربعا ‏.‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজরে আসওয়াদ থেকে শুরু করে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত তিনবার রামল করতেন এবং চারবার সাধারণ গতিতে তাওয়াফ করতেন। [২৯৫১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজরে আসওয়াদ থেকে শুরু করে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত তিনবার রামল করতেন এবং চারবার সাধারণ গতিতে তাওয়াফ করতেন। [২৯৫১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو الحسين العكلي، عن مالك بن أنس، عن جعفر بن محمد، عن أبيه، عن جابر، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ رمل من الحجر إلى الحجر ثلاثا ومشى أربعا ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৫২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا جعفر بن عون، عن هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، قال سمعت عمر، يقول فيم الرملان الآن وقد أطأ الله الإسلام ونفى الكفر وأهله وايم الله ما ندع شيئا كنا نفعله على عهد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏

উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এখন এই দু’ রামলের মধ্যে কী ফায়দা আছে? এখন তো আল্লাহ তাআলা ইসলামকে শক্তিশালী করেছেন এবং কুফর ও তার অনুসারীদের নিশ্চিহ্ন করেছেন। আল্লাহর শপথ! আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে যেসব আমল করেছি তার কিছুই ত্যাগ করব না। [২৯৫২] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এখন এই দু’ রামলের মধ্যে কী ফায়দা আছে? এখন তো আল্লাহ তাআলা ইসলামকে শক্তিশালী করেছেন এবং কুফর ও তার অনুসারীদের নিশ্চিহ্ন করেছেন। আল্লাহর শপথ! আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে যেসব আমল করেছি তার কিছুই ত্যাগ করব না। [২৯৫২] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا جعفر بن عون، عن هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، قال سمعت عمر، يقول فيم الرملان الآن وقد أطأ الله الإسلام ونفى الكفر وأهله وايم الله ما ندع شيئا كنا نفعله على عهد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৫২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا جعفر بن عون، عن هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، قال سمعت عمر، يقول فيم الرملان الآن وقد أطأ الله الإسلام ونفى الكفر وأهله وايم الله ما ندع شيئا كنا نفعله على عهد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏

উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এখন এই দু’ রামলের মধ্যে কী ফায়দা আছে? এখন তো আল্লাহ তাআলা ইসলামকে শক্তিশালী করেছেন এবং কুফর ও তার অনুসারীদের নিশ্চিহ্ন করেছেন। আল্লাহর শপথ! আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে যেসব আমল করেছি তার কিছুই ত্যাগ করব না। [২৯৫২] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এখন এই দু’ রামলের মধ্যে কী ফায়দা আছে? এখন তো আল্লাহ তাআলা ইসলামকে শক্তিশালী করেছেন এবং কুফর ও তার অনুসারীদের নিশ্চিহ্ন করেছেন। আল্লাহর শপথ! আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে যেসব আমল করেছি তার কিছুই ত্যাগ করব না। [২৯৫২] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا جعفر بن عون، عن هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، قال سمعت عمر، يقول فيم الرملان الآن وقد أطأ الله الإسلام ونفى الكفر وأهله وايم الله ما ندع شيئا كنا نفعله على عهد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৫২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا جعفر بن عون، عن هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، قال سمعت عمر، يقول فيم الرملان الآن وقد أطأ الله الإسلام ونفى الكفر وأهله وايم الله ما ندع شيئا كنا نفعله على عهد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏

উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এখন এই দু’ রামলের মধ্যে কী ফায়দা আছে? এখন তো আল্লাহ তাআলা ইসলামকে শক্তিশালী করেছেন এবং কুফর ও তার অনুসারীদের নিশ্চিহ্ন করেছেন। আল্লাহর শপথ! আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে যেসব আমল করেছি তার কিছুই ত্যাগ করব না। [২৯৫২] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এখন এই দু’ রামলের মধ্যে কী ফায়দা আছে? এখন তো আল্লাহ তাআলা ইসলামকে শক্তিশালী করেছেন এবং কুফর ও তার অনুসারীদের নিশ্চিহ্ন করেছেন। আল্লাহর শপথ! আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে যেসব আমল করেছি তার কিছুই ত্যাগ করব না। [২৯৫২] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا جعفر بن عون، عن هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، قال سمعت عمر، يقول فيم الرملان الآن وقد أطأ الله الإسلام ونفى الكفر وأهله وايم الله ما ندع شيئا كنا نفعله على عهد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৫৩

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا عبد الرزاق، أنبأنا معمر، عن ابن خثيم، عن أبي الطفيل، عن ابن عباس، قال قال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ لأصحابه حين أرادوا دخول مكة في عمرته بعد الحديبية ‏ "‏ إن قومكم غدا سيرونكم فليرونكم جلدا ‏"‏ ‏.‏ فلما دخلوا المسجد استلموا الركن ورملوا والنبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ معهم حتى إذا بلغوا الركن اليماني مشوا إلى الركن الأسود ثم رملوا حتى بلغوا الركن اليماني ثم مشوا إلى الركن الأسود ففعل ذلك ثلاث مرات ثم مشى الأربع ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুদায়বিয়ার ঘটনার পরবর্তী বছরে উমরা পালনকালে মক্কায় প্রবেশের প্রাক্কালে তাঁর সাহাবীগণকে বলেনঃ অচিরেই তোমাদের সম্প্রদায় আগামীকাল তোমাদের দেখতে পাবে। অতএব তারা যেন তোমাদের সতেজ ও চালাক চতুর দেখতে পায়। তারা মসজিদে প্রবেশ করে রুকন (পাথর) চুম্বন করেন এবং রামল করেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের সাথে ছিলেন। তারা রুকনে ইয়ামানীতে পৌঁছে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত স্বাভাবিক গতিতে অগ্রসর হন। তারা পুনরায় রামল করে রুকনে ইয়ামানীতে পৌঁছান; অতঃপর রুকনুল আসওয়াদ পর্যন্ত স্বাভাবিক গতিতে চলেন। তারা তিনবার রামল করেন ও চারবার স্বাভাবিক গতিতে হাঁটেন। [২৯৫৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুদায়বিয়ার ঘটনার পরবর্তী বছরে উমরা পালনকালে মক্কায় প্রবেশের প্রাক্কালে তাঁর সাহাবীগণকে বলেনঃ অচিরেই তোমাদের সম্প্রদায় আগামীকাল তোমাদের দেখতে পাবে। অতএব তারা যেন তোমাদের সতেজ ও চালাক চতুর দেখতে পায়। তারা মসজিদে প্রবেশ করে রুকন (পাথর) চুম্বন করেন এবং রামল করেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের সাথে ছিলেন। তারা রুকনে ইয়ামানীতে পৌঁছে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত স্বাভাবিক গতিতে অগ্রসর হন। তারা পুনরায় রামল করে রুকনে ইয়ামানীতে পৌঁছান; অতঃপর রুকনুল আসওয়াদ পর্যন্ত স্বাভাবিক গতিতে চলেন। তারা তিনবার রামল করেন ও চারবার স্বাভাবিক গতিতে হাঁটেন। [২৯৫৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا عبد الرزاق، أنبأنا معمر، عن ابن خثيم، عن أبي الطفيل، عن ابن عباس، قال قال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ لأصحابه حين أرادوا دخول مكة في عمرته بعد الحديبية ‏ "‏ إن قومكم غدا سيرونكم فليرونكم جلدا ‏"‏ ‏.‏ فلما دخلوا المسجد استلموا الركن ورملوا والنبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ معهم حتى إذا بلغوا الركن اليماني مشوا إلى الركن الأسود ثم رملوا حتى بلغوا الركن اليماني ثم مشوا إلى الركن الأسود ففعل ذلك ثلاث مرات ثم مشى الأربع ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > ইদতিবা’ (বিশেষ পদ্ধতিতে চাদর পরিধান)

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৫৪

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا محمد بن يوسف، وقبيصة، قالا حدثنا سفيان، عن ابن جريج، عن عبد الحميد، عن ابن يعلى بن أمية، عن أبيه، يعلى أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ طاف مضطبعا ‏.‏ قال قبيصة وعليه برد ‏.‏

ইয়া’লা বিন উমায়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ডান কাঁধ খোলা রেখে এবং বাম কাঁধের উপর চাদরের উভয় কোণ একত্রে লটকিয়ে তাওয়াফ করেন। কাবীসা (রাঃ) বলেন, তাঁর পরিধানে ছিল একটি চাদর। [২৯৫৪] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

ইয়া’লা বিন উমায়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ডান কাঁধ খোলা রেখে এবং বাম কাঁধের উপর চাদরের উভয় কোণ একত্রে লটকিয়ে তাওয়াফ করেন। কাবীসা (রাঃ) বলেন, তাঁর পরিধানে ছিল একটি চাদর। [২৯৫৪] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا محمد بن يوسف، وقبيصة، قالا حدثنا سفيان، عن ابن جريج، عن عبد الحميد، عن ابن يعلى بن أمية، عن أبيه، يعلى أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ طاف مضطبعا ‏.‏ قال قبيصة وعليه برد ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > হাতীমও তাওয়াফের অন্তর্ভূক্ত।

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৯৫৫

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبيد الله بن موسى، حدثنا شيبان، عن أشعث بن أبي الشعثاء، عن الأسود بن يزيد، عن عائشة، قالت سألت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ عن الحجر ‏.‏ فقال ‏"‏ هو من البيت ‏"‏ ‏.‏ قلت ما منعهم أن يدخلوه فيه قال ‏"‏ عجزت بهم النفقة ‏"‏ ‏.‏ قلت فما شأن بابه مرتفعا لا يصعد إليه إلا بسلم قال ‏"‏ ذلك فعل قومك ليدخلوه من شاءوا ويمنعوه من شاءوا ولولا أن قومك حديث عهد بكفر مخافة أن تنفر قلوبهم لنظرت هل أغيره فأدخل فيه ما انتقص منه وجعلت بابه بالأرض ‏"‏ ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট হিজর (হাতীম) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বলেনঃ তা বাইতুল্লার অন্তর্ভূক্ত। আমি বললাম, তাকে কা’বার অন্তর্ভূক্ত করতে কোন জিনিস তাদের বাধা দিলো? তিনি বলেনঃ অর্থাভাব তাদের অপারগ করে দিয়েছিল। আমি বললাম, তার দরজা এতো উঁচুতে স্থাপিত হওয়ার কারণ কী যে, তাতে সিঁড়ি ব্যতীত উঠা যায় না? তিনি বলেনঃ তা তোমার সম্প্রদায়ের কান্ড। তাদের মর্জি হলে কেউ তাতে প্রবেশ করতে পারতো, আর যাদেরকে ইচ্ছা তাতে প্রবেশে বাধা দিতো। তোমার সম্প্রদায়ের কুফরী ত্যাগের যুগ যদি অতি নিকট না হতো এবং (কাবা ঘর ভাঙার কারণে) তাদের মধ্যে বিতৃষ্ণার উদ্রেক হওয়ার আশঙ্কা না থাকতো, তাহলে তুমি দেখতে পেতে আমি কিভাবে তা পরিবর্তন করতাম! তা থেকে যা বাদ দেওয়া হয়েছিল আমি পুনরায় তা এর অন্তর্ভূক্ত করতাম আবং তার দরজা ভূমি বরাবর স্থাপন করতাম। [২৯৫৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট হিজর (হাতীম) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বলেনঃ তা বাইতুল্লার অন্তর্ভূক্ত। আমি বললাম, তাকে কা’বার অন্তর্ভূক্ত করতে কোন জিনিস তাদের বাধা দিলো? তিনি বলেনঃ অর্থাভাব তাদের অপারগ করে দিয়েছিল। আমি বললাম, তার দরজা এতো উঁচুতে স্থাপিত হওয়ার কারণ কী যে, তাতে সিঁড়ি ব্যতীত উঠা যায় না? তিনি বলেনঃ তা তোমার সম্প্রদায়ের কান্ড। তাদের মর্জি হলে কেউ তাতে প্রবেশ করতে পারতো, আর যাদেরকে ইচ্ছা তাতে প্রবেশে বাধা দিতো। তোমার সম্প্রদায়ের কুফরী ত্যাগের যুগ যদি অতি নিকট না হতো এবং (কাবা ঘর ভাঙার কারণে) তাদের মধ্যে বিতৃষ্ণার উদ্রেক হওয়ার আশঙ্কা না থাকতো, তাহলে তুমি দেখতে পেতে আমি কিভাবে তা পরিবর্তন করতাম! তা থেকে যা বাদ দেওয়া হয়েছিল আমি পুনরায় তা এর অন্তর্ভূক্ত করতাম আবং তার দরজা ভূমি বরাবর স্থাপন করতাম। [২৯৫৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبيد الله بن موسى، حدثنا شيبان، عن أشعث بن أبي الشعثاء، عن الأسود بن يزيد، عن عائشة، قالت سألت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ عن الحجر ‏.‏ فقال ‏"‏ هو من البيت ‏"‏ ‏.‏ قلت ما منعهم أن يدخلوه فيه قال ‏"‏ عجزت بهم النفقة ‏"‏ ‏.‏ قلت فما شأن بابه مرتفعا لا يصعد إليه إلا بسلم قال ‏"‏ ذلك فعل قومك ليدخلوه من شاءوا ويمنعوه من شاءوا ولولا أن قومك حديث عهد بكفر مخافة أن تنفر قلوبهم لنظرت هل أغيره فأدخل فيه ما انتقص منه وجعلت بابه بالأرض ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00