সুনানে ইবনে মাজাহ > হজ্জের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়া

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৮৮৩

حدثنا علي بن محمد، وعمرو بن عبد الله، قالا حدثنا وكيع، حدثنا إسماعيل أبو إسرائيل، عن فضيل بن عمرو، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، عن الفضل، - أو أحدهما عن الآخر، - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من أراد الحج فليتعجل فإنه قد يمرض المريض وتضل الضالة وتعرض الحاجة ‏"‏ ‏.‏

ইবনুল আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি হজ্জের সংকল্প করে সে যেন অবিলম্বে তা আদায় করে। কারণ মানুষ কখনও আসুস্থ হয়ে যায়, কখনও প্রয়োজনীয় জিনিস বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং কখনও অপরিহার্য প্রয়োজন সামনে এসে যায়। [২৮৮৩] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

ইবনুল আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি হজ্জের সংকল্প করে সে যেন অবিলম্বে তা আদায় করে। কারণ মানুষ কখনও আসুস্থ হয়ে যায়, কখনও প্রয়োজনীয় জিনিস বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং কখনও অপরিহার্য প্রয়োজন সামনে এসে যায়। [২৮৮৩] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

حدثنا علي بن محمد، وعمرو بن عبد الله، قالا حدثنا وكيع، حدثنا إسماعيل أبو إسرائيل، عن فضيل بن عمرو، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، عن الفضل، - أو أحدهما عن الآخر، - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من أراد الحج فليتعجل فإنه قد يمرض المريض وتضل الضالة وتعرض الحاجة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৮৮২

حدثنا هشام بن عمار، وأبو مصعب الزهري وسويد بن سعيد قالوا حدثنا مالك بن أنس، عن سمى، مولى أبي بكر بن عبد الرحمن عن أبي صالح السمان، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ السفر قطعة من العذاب يمنع أحدكم نومه وطعامه وشرابه فإذا قضى أحدكم نهمته من سفره فليعجل الرجوع إلى أهله ‏"‏ ‏.‏ حدثنا يعقوب بن حميد بن كاسب، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحوه ‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সফর শাস্তিরই একটি টুকরা। তা তোমাদের যে কোন ব্যক্তির ঘুম ও পানাহারকে বাধাগ্রস্ত করে। তোমাদের যে কেউ সফরে নিজ প্রয়োজন পূরণ হওয়ার সাথে সাথে যেন অবিলম্বে বাড়ি ফিরে আসে। [উপরোক্ত হাদীসে মোট ৪টি সানাদের ৩টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সানাদটি হলো:] ২/২৮৮২ (১) . আবূ হুরায়রা (রাঃ) , নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত আছে। [২৮৮২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সফর শাস্তিরই একটি টুকরা। তা তোমাদের যে কোন ব্যক্তির ঘুম ও পানাহারকে বাধাগ্রস্ত করে। তোমাদের যে কেউ সফরে নিজ প্রয়োজন পূরণ হওয়ার সাথে সাথে যেন অবিলম্বে বাড়ি ফিরে আসে। [উপরোক্ত হাদীসে মোট ৪টি সানাদের ৩টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সানাদটি হলো:] ২/২৮৮২ (১) . আবূ হুরায়রা (রাঃ) , নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত আছে। [২৮৮২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا هشام بن عمار، وأبو مصعب الزهري وسويد بن سعيد قالوا حدثنا مالك بن أنس، عن سمى، مولى أبي بكر بن عبد الرحمن عن أبي صالح السمان، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ السفر قطعة من العذاب يمنع أحدكم نومه وطعامه وشرابه فإذا قضى أحدكم نهمته من سفره فليعجل الرجوع إلى أهله ‏"‏ ‏.‏ حدثنا يعقوب بن حميد بن كاسب، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحوه ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > হজ্জ ফারদ হওয়ার বিবরণ

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৮৮৪

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وعلي بن محمد، قالا حدثنا منصور بن وردان، حدثنا علي بن عبد الأعلى، عن أبيه، عن أبي البختري، عن علي، قال لما نزلت ‏{‏ولله على الناس حج البيت من استطاع إليه سبيلا‏}‏‏.‏ قالوا يا رسول الله الحج في كل عام فسكت ثم قالوا أفي كل عام فقال ‏"‏ لا ولو قلت نعم لوجبت ‏"‏ ‏.‏ فنزلت ‏{‏يا أيها الذين آمنوا لا تسألوا عن أشياء إن تبد لكم تسؤكم ‏}‏‏.‏

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যখন এ আয়াত নাযিল হলো (অনুবাদ) : “মানুষের মধ্যে যার সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য আছে, আল্লাহর উদ্দেশ্যে ঐ ঘরের হজ্জ করা তার অবশ্য কর্তব্য” (সূরা আল ইমরান : ৯৭) , তখন সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রাসূল! প্রতি বছরই কি হজ্জ ফারদ? তিনি নিরুত্তর থাকলেন। পুনরায় তারা বলেন, প্রতি বছরই কি? তিনি বলেন, না। কিন্তু আমি যদি বলতাম, হাঁ, তবে তদ্রুপই ওয়াজিব হতো। অতঃপর নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল হয় (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! তোমরা এমন বিষয়ে প্রশ্ন করো না যা প্রকাশিত হলে তোমরা দুঃখিত হবে...” (সুরা মাইদাহ: ১০১)। [২৮৮৪] তাহকীক আলবানীঃ দঈফ।

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যখন এ আয়াত নাযিল হলো (অনুবাদ) : “মানুষের মধ্যে যার সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য আছে, আল্লাহর উদ্দেশ্যে ঐ ঘরের হজ্জ করা তার অবশ্য কর্তব্য” (সূরা আল ইমরান : ৯৭) , তখন সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রাসূল! প্রতি বছরই কি হজ্জ ফারদ? তিনি নিরুত্তর থাকলেন। পুনরায় তারা বলেন, প্রতি বছরই কি? তিনি বলেন, না। কিন্তু আমি যদি বলতাম, হাঁ, তবে তদ্রুপই ওয়াজিব হতো। অতঃপর নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল হয় (অনুবাদ) : “হে ঈমানদারগণ! তোমরা এমন বিষয়ে প্রশ্ন করো না যা প্রকাশিত হলে তোমরা দুঃখিত হবে...” (সুরা মাইদাহ: ১০১)। [২৮৮৪] তাহকীক আলবানীঃ দঈফ।

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وعلي بن محمد، قالا حدثنا منصور بن وردان، حدثنا علي بن عبد الأعلى، عن أبيه، عن أبي البختري، عن علي، قال لما نزلت ‏{‏ولله على الناس حج البيت من استطاع إليه سبيلا‏}‏‏.‏ قالوا يا رسول الله الحج في كل عام فسكت ثم قالوا أفي كل عام فقال ‏"‏ لا ولو قلت نعم لوجبت ‏"‏ ‏.‏ فنزلت ‏{‏يا أيها الذين آمنوا لا تسألوا عن أشياء إن تبد لكم تسؤكم ‏}‏‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৮৮৫

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا محمد بن أبي عبيدة، عن أبيه، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن أنس بن مالك، قال قالوا يا رسول الله الحج في كل عام قال ‏ "‏ لو قلت نعم لوجبت ولو وجبت لم تقوموا بها ولو لم تقوموا بها عذبتم ‏"‏ ‏.‏

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করেন, হে আলাহর রাসূল! প্রতি বছরই কি হজ্জ ফারদ? তিনি বলেনঃ আমি যদি বলি হাঁ, তবে তা অবশ্যই ওয়াজিব (ফারদ) হতো। আর যদি তা ওয়াজিব হতো তবে তোমরা তা আদায় করতে অক্ষম হয়ে পড়তে। আর তোমরা যদি তা আদায় করতে না পারতে তবে তোমাদের শাস্তি দেয়া হতো। [২৮৮৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করেন, হে আলাহর রাসূল! প্রতি বছরই কি হজ্জ ফারদ? তিনি বলেনঃ আমি যদি বলি হাঁ, তবে তা অবশ্যই ওয়াজিব (ফারদ) হতো। আর যদি তা ওয়াজিব হতো তবে তোমরা তা আদায় করতে অক্ষম হয়ে পড়তে। আর তোমরা যদি তা আদায় করতে না পারতে তবে তোমাদের শাস্তি দেয়া হতো। [২৮৮৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا محمد بن أبي عبيدة، عن أبيه، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن أنس بن مالك، قال قالوا يا رسول الله الحج في كل عام قال ‏ "‏ لو قلت نعم لوجبت ولو وجبت لم تقوموا بها ولو لم تقوموا بها عذبتم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৮৮৬

حدثنا يعقوب بن إبراهيم الدورقي، حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا سفيان بن حسين، عن الزهري، عن أبي سنان، عن ابن عباس، أن الأقرع بن حابس، سأل النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله الحج في كل سنة أو مرة واحدة قال ‏ "‏ بل مرة واحدة فمن استطاع فتطوع ‏"‏ ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল-আকরা’ বিন হাসিব (রাঃ) মহানবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রাসূল! হজ্জ কি প্রতি বছর, না মাত্র একবার? তিনি বলেনঃ বরং একবার মাত্র। অতঃপর এর অধিক করার কারো সামর্থ্য থাকলে তা নফল। [২৮৮৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল-আকরা’ বিন হাসিব (রাঃ) মহানবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রাসূল! হজ্জ কি প্রতি বছর, না মাত্র একবার? তিনি বলেনঃ বরং একবার মাত্র। অতঃপর এর অধিক করার কারো সামর্থ্য থাকলে তা নফল। [২৮৮৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا يعقوب بن إبراهيم الدورقي، حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا سفيان بن حسين، عن الزهري، عن أبي سنان، عن ابن عباس، أن الأقرع بن حابس، سأل النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله الحج في كل سنة أو مرة واحدة قال ‏ "‏ بل مرة واحدة فمن استطاع فتطوع ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > হজ্জ ও ‘উমরার ফযিলত

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৮৮৭

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عاصم بن عبيد الله، عن عبد الله بن عامر، عن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ تابعوا بين الحج والعمرة فإن المتابعة بينهما تنفي الفقر والذنوب كما ينفي الكير خبث الحديد ‏"‏ ‏.‏ حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن بشر، حدثنا عبيد الله بن عمر، عن عاصم بن عبيد الله، عن عبد الله بن عامر بن ربيعة، عن أبيه، عن عمر بن الخطاب، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ نحوه ‏.‏

উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মহানবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা ধারাবাহিকভাবে হজ্জ ও উমরাহ আদায় করো। কেননা এ দু’টি ধারাবাহিকভাবে আদায় করলে তা দারিদ্র ও গুনাহ দূরীভুত করে, যেমন হাপর লোহার মরিচা দূর করে। [উপরোক্ত হাদীসে মোট ২টি সানাদের ১টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সানাদটি হলোঃ] ২/২৮৮৭ (১) . উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) , মহানবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে। [২৮৮৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মহানবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা ধারাবাহিকভাবে হজ্জ ও উমরাহ আদায় করো। কেননা এ দু’টি ধারাবাহিকভাবে আদায় করলে তা দারিদ্র ও গুনাহ দূরীভুত করে, যেমন হাপর লোহার মরিচা দূর করে। [উপরোক্ত হাদীসে মোট ২টি সানাদের ১টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সানাদটি হলোঃ] ২/২৮৮৭ (১) . উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) , মহানবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে। [২৮৮৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عاصم بن عبيد الله، عن عبد الله بن عامر، عن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ تابعوا بين الحج والعمرة فإن المتابعة بينهما تنفي الفقر والذنوب كما ينفي الكير خبث الحديد ‏"‏ ‏.‏ حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن بشر، حدثنا عبيد الله بن عمر، عن عاصم بن عبيد الله، عن عبد الله بن عامر بن ربيعة، عن أبيه، عن عمر بن الخطاب، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ نحوه ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৮৮৮

حدثنا أبو مصعب، حدثنا مالك بن أنس، عن سمى، - مولى أبي بكر بن عبد الرحمن - عن أبي صالح السمان، عن أبي هريرة، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ العمرة إلى العمرة كفارة ما بينهما والحج المبرور ليس له جزاء إلا الجنة ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এক উমরাহ থেকে অপর উমরাহ মাঝখানের সময়ের জন্য কাফ্‌ফারাস্বরূপ এবং জান্নাতই হলো মাবরূর (ত্রুটিমুক্ত) হজ্জের প্রতিদান। [২৮৮৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এক উমরাহ থেকে অপর উমরাহ মাঝখানের সময়ের জন্য কাফ্‌ফারাস্বরূপ এবং জান্নাতই হলো মাবরূর (ত্রুটিমুক্ত) হজ্জের প্রতিদান। [২৮৮৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو مصعب، حدثنا مالك بن أنس، عن سمى، - مولى أبي بكر بن عبد الرحمن - عن أبي صالح السمان، عن أبي هريرة، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ العمرة إلى العمرة كفارة ما بينهما والحج المبرور ليس له جزاء إلا الجنة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৮৮৯

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن مسعر، وسفيان، عن منصور، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ من حج هذا البيت فلم يرفث ولم يفسق رجع كما ولدته أمه ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এই ঘরের হজ্জ করেছে এবং তাতে অশালীন কথাবার্তা বা আচরণ করেনি, সে এমন অবস্থায় প্রত্যাবর্তন করবে যেমন তার মা তাকে (নিষ্পাপ) প্রসব করেছে। [২৮৮৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এই ঘরের হজ্জ করেছে এবং তাতে অশালীন কথাবার্তা বা আচরণ করেনি, সে এমন অবস্থায় প্রত্যাবর্তন করবে যেমন তার মা তাকে (নিষ্পাপ) প্রসব করেছে। [২৮৮৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن مسعر، وسفيان، عن منصور، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ من حج هذا البيت فلم يرفث ولم يفسق رجع كما ولدته أمه ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > যানবাহনে চড়ে হজ্জ আদায় করা

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৮৯০

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن الربيع بن صبيح، عن يزيد بن أبان، عن أنس بن مالك، قال حج النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ على رحل رث وقطيفة تساوي أربعة دراهم أو لا تساوي ثم قال ‏ "‏ اللهم حجة لا رياء فيها ولا سمعة ‏"‏ ‏.‏

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (উটের পিঠে) একটি পুরাতন জিন ও পালানে উপবিষ্ট অবস্থায় হজ্জ করেন। তাঁর পরিধানে ছিল একটি চাদর যার মূল্য চার দিরহাম বা তারও কম। অতঃপর তিনি বলেনঃ হে আল্লাহ! এ এমন হজ্জ, যাতে কোন প্রদর্শনেচ্ছা বা প্রচারেচ্ছা নেই। [২৮৯০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (উটের পিঠে) একটি পুরাতন জিন ও পালানে উপবিষ্ট অবস্থায় হজ্জ করেন। তাঁর পরিধানে ছিল একটি চাদর যার মূল্য চার দিরহাম বা তারও কম। অতঃপর তিনি বলেনঃ হে আল্লাহ! এ এমন হজ্জ, যাতে কোন প্রদর্শনেচ্ছা বা প্রচারেচ্ছা নেই। [২৮৯০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن الربيع بن صبيح، عن يزيد بن أبان، عن أنس بن مالك، قال حج النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ على رحل رث وقطيفة تساوي أربعة دراهم أو لا تساوي ثم قال ‏ "‏ اللهم حجة لا رياء فيها ولا سمعة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৮৯১

حدثنا أبو بشر، بكر بن خلف حدثنا ابن أبي عدي، عن داود بن أبي هند، عن أبي العالية، عن ابن عباس، قال كنا مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بين مكة والمدينة فمررنا بواد فقال ‏"‏ أى واد هذا ‏"‏ ‏.‏ قالوا وادي الأزرق ‏.‏ قال ‏"‏ كأني أنظر إلى موسى ـ صلى الله عليه وسلم ـ - فذكر من طول شعره شيئا لا يحفظه داود - واضعا إصبعيه في أذنيه له جؤار إلى الله بالتلبية مارا بهذا الوادي ‏"‏ ‏.‏ قال ثم سرنا حتى أتينا على ثنية فقال ‏"‏ أى ثنية هذه ‏"‏ ‏.‏ قالوا ثنية هرشى أو لفت ‏.‏ قال ‏"‏ كأني أنظر إلى يونس على ناقة حمراء عليه جبة صوف وخطام ناقته خلبة مارا بهذا الوادي ملبيا ‏"‏ ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে মক্কা ও মদীনার মাঝপথে ছিলাম। আমরা একটি উপত্যকা অতিক্রম করাকালে তিনি বলেনঃ এটা কোন্‌ উপত্যকা? সাহাবীগণ বলেন, আল-আযরাক উপত্যকা। তিনি বলেনঃ আমি মূসা (আঃ) -কে দেখতে পাচ্ছি। অতঃপর তিনি নিজের দু’ আংগুল কর্ণদ্বয়ে স্থাপন করে তাঁর দীর্ঘ কেশের কিছুটা বর্ণনা দেন, যা রাবী দাউদ পূর্ণ মনে রাখতে পারেননি। তিনি উচ্চৈঃস্বরে আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করতে করতে তালবিয়া পাঠরত অবস্থায় এ উপত্যকা অতিক্রম করেন। রাবী বলেন, অতঃপর আমরা পথ অতিক্রম করে একটি টিলার উপর আসলাম। তিনি বলেন, এটা কোন টিলা? সাহাবীগণ বলেন, এটা হারশা অথবা লিফাত (লাফ্‌ত) নামীয় টিলা। তিনি বলেন, আমি যেন ইউনুস (আঃ) -কে একটি লাল বর্ণের উষ্ট্রীর উপর পশমী জুব্বা পরিহিত অবস্থায় দেখতে পাচ্ছি, যার নাসারন্ধ্রের রমি ছিল খেজুর পাতার তৈরী এবং তিনি তালবিয়া পাঠরত অবস্থায় এ উপত্যকা অতিক্রম করেন। [২৮৯১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে মক্কা ও মদীনার মাঝপথে ছিলাম। আমরা একটি উপত্যকা অতিক্রম করাকালে তিনি বলেনঃ এটা কোন্‌ উপত্যকা? সাহাবীগণ বলেন, আল-আযরাক উপত্যকা। তিনি বলেনঃ আমি মূসা (আঃ) -কে দেখতে পাচ্ছি। অতঃপর তিনি নিজের দু’ আংগুল কর্ণদ্বয়ে স্থাপন করে তাঁর দীর্ঘ কেশের কিছুটা বর্ণনা দেন, যা রাবী দাউদ পূর্ণ মনে রাখতে পারেননি। তিনি উচ্চৈঃস্বরে আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করতে করতে তালবিয়া পাঠরত অবস্থায় এ উপত্যকা অতিক্রম করেন। রাবী বলেন, অতঃপর আমরা পথ অতিক্রম করে একটি টিলার উপর আসলাম। তিনি বলেন, এটা কোন টিলা? সাহাবীগণ বলেন, এটা হারশা অথবা লিফাত (লাফ্‌ত) নামীয় টিলা। তিনি বলেন, আমি যেন ইউনুস (আঃ) -কে একটি লাল বর্ণের উষ্ট্রীর উপর পশমী জুব্বা পরিহিত অবস্থায় দেখতে পাচ্ছি, যার নাসারন্ধ্রের রমি ছিল খেজুর পাতার তৈরী এবং তিনি তালবিয়া পাঠরত অবস্থায় এ উপত্যকা অতিক্রম করেন। [২৮৯১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بشر، بكر بن خلف حدثنا ابن أبي عدي، عن داود بن أبي هند، عن أبي العالية، عن ابن عباس، قال كنا مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بين مكة والمدينة فمررنا بواد فقال ‏"‏ أى واد هذا ‏"‏ ‏.‏ قالوا وادي الأزرق ‏.‏ قال ‏"‏ كأني أنظر إلى موسى ـ صلى الله عليه وسلم ـ - فذكر من طول شعره شيئا لا يحفظه داود - واضعا إصبعيه في أذنيه له جؤار إلى الله بالتلبية مارا بهذا الوادي ‏"‏ ‏.‏ قال ثم سرنا حتى أتينا على ثنية فقال ‏"‏ أى ثنية هذه ‏"‏ ‏.‏ قالوا ثنية هرشى أو لفت ‏.‏ قال ‏"‏ كأني أنظر إلى يونس على ناقة حمراء عليه جبة صوف وخطام ناقته خلبة مارا بهذا الوادي ملبيا ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00