সুনানে ইবনে মাজাহ > গণীমতের মাল থেকে পুরস্কারস্বরূপ কিছু দান করা

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৮৫১

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا وكيع، عن سفيان، عن يزيد بن يزيد بن جابر، عن مكحول، عن زيد بن جارية، عن حبيب بن مسلمة، أن النبي صلى الله عليه وسلم نفل الثلث بعد الخمس ‏

হাবীব বিন মাসলামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক পঞ্চমাংশ নেয়ার পর অবশিষ্ট মালের এক তৃ্তীয়াংশ থেকে নফল (পুরস্কার) দিয়েছেন। [২৮৫১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

হাবীব বিন মাসলামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক পঞ্চমাংশ নেয়ার পর অবশিষ্ট মালের এক তৃ্তীয়াংশ থেকে নফল (পুরস্কার) দিয়েছেন। [২৮৫১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا وكيع، عن سفيان، عن يزيد بن يزيد بن جابر، عن مكحول، عن زيد بن جارية، عن حبيب بن مسلمة، أن النبي صلى الله عليه وسلم نفل الثلث بعد الخمس ‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৮৫২

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن عبد الرحمن بن الحارث الزرقي، عن سليمان بن موسى، عن مكحول، عن أبي سلام الأعرج، عن أبي أمامة، عن عبادة بن الصامت، أن النبي صلى الله عليه وسلم نفل في البدأة الربع وفي الرجعة الثلث ‏.‏

উবাদাহ ইউনুস সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধের প্রথমভাগের গণীমতের মালের এক-চতুর্থাংশ এবং ফিরতি যুদ্ধে এক-তৃতীয়াংশ থেকে (পুরস্কারস্বরূপ) অতিরিক্ত দেন। [২৮৫২] তাহকীক আলবানীঃ সানদটি দুর্বল।

উবাদাহ ইউনুস সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধের প্রথমভাগের গণীমতের মালের এক-চতুর্থাংশ এবং ফিরতি যুদ্ধে এক-তৃতীয়াংশ থেকে (পুরস্কারস্বরূপ) অতিরিক্ত দেন। [২৮৫২] তাহকীক আলবানীঃ সানদটি দুর্বল।

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن عبد الرحمن بن الحارث الزرقي، عن سليمان بن موسى، عن مكحول، عن أبي سلام الأعرج، عن أبي أمامة، عن عبادة بن الصامت، أن النبي صلى الله عليه وسلم نفل في البدأة الربع وفي الرجعة الثلث ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৮৫৩

حدثنا علي بن محمد حدثنا أبو الحسين أنبأنا رجاء بن أبي سلمة حدثنا عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده قال لا نفل بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم يرد المسلمون قويهم على ضعيفهم قال رجاء فسمعت سليمان بن موسى يقول له حدثني مكحول عن حبيب بن مسلمة أن النبي صلى الله عليه وسلم نفل في البدأة الربع وحين قفل الثلث فقال عمرو أحدثك عن أبي عن جدي وتحدثني عن مكحول

আবদুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এর পর আর কোন নফল (অতিরিক্ত) দেওয়া যাবে না। শক্তিশালী মুসলামানগণ দুর্বল মুসলমানকে গণীমতের মাল ফেরত দিবে। রাবী রাজা (রাঃ) বলেন, আমি সুলায়মান বিন মূসাকে বলতে শুনেছি, মাকহূল আমাকে হাবীব বিন মাসলামা্র সূ্ত্রে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধের প্রথমভাগের অর্জিত গণীমতের মালের এক-চতুর্থাংশ এবং শেষভাগে অর্জিত গনীমতের এক-তৃ্তীয়াংশ পুরস্কারস্বরূপ দিতেন। আমর (রাঃ) বলেন, আমি যেখানে তোমাকে আমার পিতা ও দাদার সূ্ত্রে হাদীস শুনাচ্ছি, সেখানে তুমি আমাকে মাকহূ্লের সূ্ত্রে হাদীস শুনাচ্ছো। [২৮৫৩] তাহকীক আলবানীঃ আমর থেকে মাওকূফ ব্যতীত সহীহ।

আবদুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এর পর আর কোন নফল (অতিরিক্ত) দেওয়া যাবে না। শক্তিশালী মুসলামানগণ দুর্বল মুসলমানকে গণীমতের মাল ফেরত দিবে। রাবী রাজা (রাঃ) বলেন, আমি সুলায়মান বিন মূসাকে বলতে শুনেছি, মাকহূল আমাকে হাবীব বিন মাসলামা্র সূ্ত্রে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধের প্রথমভাগের অর্জিত গণীমতের মালের এক-চতুর্থাংশ এবং শেষভাগে অর্জিত গনীমতের এক-তৃ্তীয়াংশ পুরস্কারস্বরূপ দিতেন। আমর (রাঃ) বলেন, আমি যেখানে তোমাকে আমার পিতা ও দাদার সূ্ত্রে হাদীস শুনাচ্ছি, সেখানে তুমি আমাকে মাকহূ্লের সূ্ত্রে হাদীস শুনাচ্ছো। [২৮৫৩] তাহকীক আলবানীঃ আমর থেকে মাওকূফ ব্যতীত সহীহ।

حدثنا علي بن محمد حدثنا أبو الحسين أنبأنا رجاء بن أبي سلمة حدثنا عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده قال لا نفل بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم يرد المسلمون قويهم على ضعيفهم قال رجاء فسمعت سليمان بن موسى يقول له حدثني مكحول عن حبيب بن مسلمة أن النبي صلى الله عليه وسلم نفل في البدأة الربع وحين قفل الثلث فقال عمرو أحدثك عن أبي عن جدي وتحدثني عن مكحول


সুনানে ইবনে মাজাহ > গণীমতের মাল বন্টন

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৮৫৪

حدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو معاوية، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، أن النبي صلى الله عليه وسلم أسهم يوم خيبر للفارس ثلاثة أسهم للفرس سهمان وللرجل سهم ‏.‏

ইবনূ উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বারের যুদ্ধের দিন গনীমতের মাল বন্টন করে অশ্বারোহীর জন্য তিনভাগঃ ঘোড়ার জন্য দু’ভাগ এবং পদাতিকের জন্য একভাগ। [২৮৫৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

ইবনূ উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বারের যুদ্ধের দিন গনীমতের মাল বন্টন করে অশ্বারোহীর জন্য তিনভাগঃ ঘোড়ার জন্য দু’ভাগ এবং পদাতিকের জন্য একভাগ। [২৮৫৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو معاوية، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، أن النبي صلى الله عليه وسلم أسهم يوم خيبر للفارس ثلاثة أسهم للفرس سهمان وللرجل سهم ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > গোলাম ও মহিলারা মুসলমানদের সাথে যুদ্ধে শরীক হলে

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৮৫৫

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا هشام بن سعد، عن محمد بن زيد بن مهاجر بن قنفذ، قال سمعت عميرا، مولى آبي اللحم - قال وكيع كان لا يأكل اللحم - قال غزوت مع مولاى يوم خيبر وأنا مملوك فلم يقسم لي من الغنيمة وأعطيت من خرثي المتاع سيفا فكنت أجره إذا تقلدته ‏.‏

ওয়াকী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবুল লাহম (রাঃ) গোশত খেতেন না। উমাইর (রাঃ) বলেন, আমি গোলাম অবস্থায় আমার মনিবের সাথে খায়বারের দিন যুদ্ধ করেছিলাম। গনীমতের মালে আমাকে ভাগ দেওয়া হয়নি। আমাকে ঘরের আসবাবপত্র থেকে একখানি তরবারি দেয়া হয়। আমি তা কোমরে বেঁধে মাটিতে হেঁচরিয়ে নিয়ে যেতাম। [২৮৫৫] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

ওয়াকী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবুল লাহম (রাঃ) গোশত খেতেন না। উমাইর (রাঃ) বলেন, আমি গোলাম অবস্থায় আমার মনিবের সাথে খায়বারের দিন যুদ্ধ করেছিলাম। গনীমতের মালে আমাকে ভাগ দেওয়া হয়নি। আমাকে ঘরের আসবাবপত্র থেকে একখানি তরবারি দেয়া হয়। আমি তা কোমরে বেঁধে মাটিতে হেঁচরিয়ে নিয়ে যেতাম। [২৮৫৫] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا هشام بن سعد، عن محمد بن زيد بن مهاجر بن قنفذ، قال سمعت عميرا، مولى آبي اللحم - قال وكيع كان لا يأكل اللحم - قال غزوت مع مولاى يوم خيبر وأنا مملوك فلم يقسم لي من الغنيمة وأعطيت من خرثي المتاع سيفا فكنت أجره إذا تقلدته ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৮৫৬

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الرحيم بن سليمان، عن هشام، عن حفصة بنت سيرين، عن أم عطية الأنصارية، قالت غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم سبع غزوات أخلفهم في رحالهم وأصنع لهم الطعام وأداوي الجرحى وأقوم على المرضى ‏.‏

উম্মু আতিয়্যাহ আল আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সাতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। আমি তাদের সওয়ারী ও মালপত্র রক্ষানাবেক্ষণের জন্য পশ্চাতে থাকতাম, তাদের খাবার তৈ্রী করতাম, আহতদের চিকিৎসা করতাম এবং রোগীদের দেখাশোনা করতাম। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

উম্মু আতিয়্যাহ আল আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সাতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। আমি তাদের সওয়ারী ও মালপত্র রক্ষানাবেক্ষণের জন্য পশ্চাতে থাকতাম, তাদের খাবার তৈ্রী করতাম, আহতদের চিকিৎসা করতাম এবং রোগীদের দেখাশোনা করতাম। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الرحيم بن سليمان، عن هشام، عن حفصة بنت سيرين، عن أم عطية الأنصارية، قالت غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم سبع غزوات أخلفهم في رحالهم وأصنع لهم الطعام وأداوي الجرحى وأقوم على المرضى ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > ইমামের উপদেশ

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৮৫৭

حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا أبو أسامة، حدثني عطية بن الحارث أبو روق الهمداني، حدثني أبو الغريف، عبيد الله بن خليفة عن صفوان بن عسال، قال بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في سرية فقال ‏ "‏ سيروا باسم الله وفي سبيل الله قاتلوا من كفر بالله ولا تمثلوا ولا تغدروا ولا تغلوا ولا تقتلوا وليدا ‏"‏ ‏.‏

সফওয়ান বিন আসসাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূ্লূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে একটি ক্ষুদ্র সামরিক অভিযানে পাঠান, তিনি বলেনঃ তোমারা আল্লাহর নামে আল্লাহর রাস্তায় রওয়ানা হয়ে যাও, যারা আল্লাহর সাথে কুফরী করে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো, লাশ (নাক-কান কেটে) বিকৃ্ত করো না, বিশ্বাসঘাতকতা করো না, গণীমতের মাল আত্মসাৎ করো না এবং শিশুদের হত্যা করো না। [২৮৫৭] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

সফওয়ান বিন আসসাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূ্লূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে একটি ক্ষুদ্র সামরিক অভিযানে পাঠান, তিনি বলেনঃ তোমারা আল্লাহর নামে আল্লাহর রাস্তায় রওয়ানা হয়ে যাও, যারা আল্লাহর সাথে কুফরী করে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো, লাশ (নাক-কান কেটে) বিকৃ্ত করো না, বিশ্বাসঘাতকতা করো না, গণীমতের মাল আত্মসাৎ করো না এবং শিশুদের হত্যা করো না। [২৮৫৭] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا أبو أسامة، حدثني عطية بن الحارث أبو روق الهمداني، حدثني أبو الغريف، عبيد الله بن خليفة عن صفوان بن عسال، قال بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في سرية فقال ‏ "‏ سيروا باسم الله وفي سبيل الله قاتلوا من كفر بالله ولا تمثلوا ولا تغدروا ولا تغلوا ولا تقتلوا وليدا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৮৫৭

حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا أبو أسامة، حدثني عطية بن الحارث أبو روق الهمداني، حدثني أبو الغريف، عبيد الله بن خليفة عن صفوان بن عسال، قال بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في سرية فقال ‏ "‏ سيروا باسم الله وفي سبيل الله قاتلوا من كفر بالله ولا تمثلوا ولا تغدروا ولا تغلوا ولا تقتلوا وليدا ‏"‏ ‏.‏

সফওয়ান বিন আসসাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূ্লূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে একটি ক্ষুদ্র সামরিক অভিযানে পাঠান, তিনি বলেনঃ তোমারা আল্লাহর নামে আল্লাহর রাস্তায় রওয়ানা হয়ে যাও, যারা আল্লাহর সাথে কুফরী করে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো, লাশ (নাক-কান কেটে) বিকৃ্ত করো না, বিশ্বাসঘাতকতা করো না, গণীমতের মাল আত্মসাৎ করো না এবং শিশুদের হত্যা করো না। [২৮৫৭] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

সফওয়ান বিন আসসাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূ্লূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে একটি ক্ষুদ্র সামরিক অভিযানে পাঠান, তিনি বলেনঃ তোমারা আল্লাহর নামে আল্লাহর রাস্তায় রওয়ানা হয়ে যাও, যারা আল্লাহর সাথে কুফরী করে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো, লাশ (নাক-কান কেটে) বিকৃ্ত করো না, বিশ্বাসঘাতকতা করো না, গণীমতের মাল আত্মসাৎ করো না এবং শিশুদের হত্যা করো না। [২৮৫৭] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا أبو أسامة، حدثني عطية بن الحارث أبو روق الهمداني، حدثني أبو الغريف، عبيد الله بن خليفة عن صفوان بن عسال، قال بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في سرية فقال ‏ "‏ سيروا باسم الله وفي سبيل الله قاتلوا من كفر بالله ولا تمثلوا ولا تغدروا ولا تغلوا ولا تقتلوا وليدا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৮৫৭

حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا أبو أسامة، حدثني عطية بن الحارث أبو روق الهمداني، حدثني أبو الغريف، عبيد الله بن خليفة عن صفوان بن عسال، قال بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في سرية فقال ‏ "‏ سيروا باسم الله وفي سبيل الله قاتلوا من كفر بالله ولا تمثلوا ولا تغدروا ولا تغلوا ولا تقتلوا وليدا ‏"‏ ‏.‏

সফওয়ান বিন আসসাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূ্লূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে একটি ক্ষুদ্র সামরিক অভিযানে পাঠান, তিনি বলেনঃ তোমারা আল্লাহর নামে আল্লাহর রাস্তায় রওয়ানা হয়ে যাও, যারা আল্লাহর সাথে কুফরী করে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো, লাশ (নাক-কান কেটে) বিকৃ্ত করো না, বিশ্বাসঘাতকতা করো না, গণীমতের মাল আত্মসাৎ করো না এবং শিশুদের হত্যা করো না। [২৮৫৭] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

সফওয়ান বিন আসসাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূ্লূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে একটি ক্ষুদ্র সামরিক অভিযানে পাঠান, তিনি বলেনঃ তোমারা আল্লাহর নামে আল্লাহর রাস্তায় রওয়ানা হয়ে যাও, যারা আল্লাহর সাথে কুফরী করে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো, লাশ (নাক-কান কেটে) বিকৃ্ত করো না, বিশ্বাসঘাতকতা করো না, গণীমতের মাল আত্মসাৎ করো না এবং শিশুদের হত্যা করো না। [২৮৫৭] তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।

حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا أبو أسامة، حدثني عطية بن الحارث أبو روق الهمداني، حدثني أبو الغريف، عبيد الله بن خليفة عن صفوان بن عسال، قال بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في سرية فقال ‏ "‏ سيروا باسم الله وفي سبيل الله قاتلوا من كفر بالله ولا تمثلوا ولا تغدروا ولا تغلوا ولا تقتلوا وليدا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৮৫৮

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا محمد بن يوسف الفريابي، حدثنا سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن ابن بريدة، عن أبيه، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أمر رجلا على سرية أوصاه في خاصة نفسه بتقوى الله ومن معه من المسلمين خيرا فقال ‏ "‏ اغزوا باسم الله وفي سبيل الله قاتلوا من كفر بالله اغزوا ولا تغدروا ولا تغلوا ولا تمثلوا ولا تقتلوا وليدا وإذا أنت لقيت عدوك من المشركين فادعهم إلى إحدى ثلاث خلال أو خصال فأيتهن أجابوك إليها فاقبل منهم وكف عنهم ادعهم إلى الإسلام فإن أجابوك فاقبل منهم وكف عنهم ثم ادعهم إلى التحول من دارهم إلى دار المهاجرين وأخبرهم إن هم فعلوا ذلك أن لهم ما للمهاجرين وأن عليهم ما على المهاجرين وإن أبوا فأخبرهم أنهم يكونون كأعراب المسلمين يجري عليهم حكم الله الذي يجري على المؤمنين ولا يكون لهم في الفىء والغنيمة شىء إلا أن يجاهدوا مع المسلمين فإن هم أبوا أن يدخلوا في الإسلام فسلهم إعطاء الجزية فإن فعلوا فاقبل منهم وكف عنهم فإن هم أبوا فاستعن بالله عليهم وقاتلهم وإن حاصرت حصنا فأرادوك أن تجعل لهم ذمة الله وذمة نبيك فلا تجعل لهم ذمة الله ولا ذمة نبيك ولكن اجعل لهم ذمتك وذمة أبيك وذمة أصحابك فإنكم إن تخفروا ذمتكم وذمة آبائكم أهون عليكم من أن تخفروا ذمة الله وذمة رسوله وإن حاصرت حصنا فأرادوك أن ينزلوا على حكم الله فلا تنزلهم على حكم الله ولكن أنزلهم على حكمك فإنك لا تدري أتصيب فيهم حكم الله أم لا ‏"‏ ‏.‏ قال علقمة فحدثت به، مقاتل بن حيان فقال حدثني مسلم بن هيصم، عن النعمان بن مقرن، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثل ذلك ‏.‏

বুরায়দাহ(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন ব্যক্তিকে ক্ষুদ্র সেনা-অভিযানে অধিনায়ক করে পাঠানোর সময় বিশেষভাবে তার জন্য আল্লাহভীতি অবলম্বনের এবং তার সহ যোদ্ধাদের সাথে উত্তম ব্যবহারের উপদেশ দিতেন। তিনি বলতেনঃ তোমারা আল্লাহর নামে এবং আল্লাহর পথে যুদ্ধ করো,যারা আল্লাহর সাথে কুফরী করে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো। তোমরা জিহাদ করো, বিশ্বাসঘাতকতা করো না, চুরি করো না, কারো অঙ্গহানি বা অঙ্গ বিকৃ্ত করো না এবং শিশুদের হত্যা করো না। যখন তুমি শত্রুপক্ষের মুশরিকদের বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধে অবতীর্ণ হবে, তখন তাদেরকে তিনটি বিষয়ের প্রতি আহবান জানাবে। তারা সেগুলোর যেকোন একটির প্রতি সাড়া দিলে তুমি তাদের থেকে তা কবুল করো এবং তাদেরকে আক্রমণ করা থেকে বিরত থাকো। (১) তুমি তাদেরকে ইসলামের দাওয়াত দাও। তারা যদি তা কবুল করে তবে তাদের পক্ষ থেকে তা মেনে নাও এবং তাদেরকে আক্রমণ করা থেকে বিরত থাকো, অতঃপর তাদেরকে স্বদেশ ছেড়ে মুহাজিরদের দেশে চলে আসার আহবান জানাও এবং তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, তারা যদি এ কাজ করে তবে যেসব সুযোগ সুবিধা মুহাজিরগণ পাবে তারাও তা পাবে এবং মুহাজিরদের উপর যেসম দায়দায়িত্ব বর্তাবে তা তাদের উপরও বর্তাবে। তারা যদি (স্বদেশ ত্যাগ করতে) অসম্মত হয় তবে তাদের জানিয়ে দাও যে, তারা বেদুইন মুসলমানদের সমান মর্যাদা পাবে, তাদের উপর আল্লাহর সেইসব হুকুম জারি হবে যা মুমিন মুসলমানদের উপর জারি হয় এবং তারা গণীমত ও ফাই-এর কিছুই পাবে না, তবে তারা মুসলমানদের সাথে মিলে জিহাদ করতে পারবে। (২) তারা যদি ইসলামে দাখিল হতে অস্বীকার করে তবে তাদেরকে জিযয়া দিতে বলো। তারা যদি তা দেয় তবে তাদের নিকট থেকে তা গ্রহণ করো এবং তাদেরকে আক্রমণ করা থেকে বিরত থাকো। (৩) তারা যদি জিযয়া দিতেও অস্বীকার করে, তবে তুমি তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থণা করো এবং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো। আর তুমি কোন দুর্গ অবরোধ করলে পর তারা তোমার নিকট আল্লাহর যিম্মাদারি আর তোমার নবীর যিম্মাদারি লাভের আশা করলে তুমি তাদের জন্য আল্লাহর যিম্মাদারি এবং তোমার নবীর যিম্মাদারি দান করো। কারণ তোমাদের নিজেদের এবং তোমাদের পিতৃপুরুষদের যিম্মাদারি ভঙ্গ করা আল্লাহ ও তাঁর রাসূ্লের যিম্মাদারি ভঙ্গ করার চেয়ে তোমাদের জন্য অধিকতর সহজ। আর তুমি কোন দুর্গ অবরোধ করলে পর তারা তোমার নিকট আল্লাহর হুকুমে দূ্র্গ থেকে বেরিয়ে আসার আবেদন করলে তুমি তাদেরকে আল্লাহর হুকুমে বেরিয়ে আসার অনুমতি দিও না, বরং তাদেরকে তোমার নিজের হুকুমে বেরিয়ে আশার অনুমতি দাও। কারণ তোমার জানা নেই যে, তাদের ব্যাপারে তুমি আল্লাহর হুকুম কার্যকর করতে পারবে কি না। নু’মান বিন মুকাররিন (রাঃ) , সূ্ত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আমার কাছে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।। [২৮৫৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

বুরায়দাহ(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন ব্যক্তিকে ক্ষুদ্র সেনা-অভিযানে অধিনায়ক করে পাঠানোর সময় বিশেষভাবে তার জন্য আল্লাহভীতি অবলম্বনের এবং তার সহ যোদ্ধাদের সাথে উত্তম ব্যবহারের উপদেশ দিতেন। তিনি বলতেনঃ তোমারা আল্লাহর নামে এবং আল্লাহর পথে যুদ্ধ করো,যারা আল্লাহর সাথে কুফরী করে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো। তোমরা জিহাদ করো, বিশ্বাসঘাতকতা করো না, চুরি করো না, কারো অঙ্গহানি বা অঙ্গ বিকৃ্ত করো না এবং শিশুদের হত্যা করো না। যখন তুমি শত্রুপক্ষের মুশরিকদের বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধে অবতীর্ণ হবে, তখন তাদেরকে তিনটি বিষয়ের প্রতি আহবান জানাবে। তারা সেগুলোর যেকোন একটির প্রতি সাড়া দিলে তুমি তাদের থেকে তা কবুল করো এবং তাদেরকে আক্রমণ করা থেকে বিরত থাকো। (১) তুমি তাদেরকে ইসলামের দাওয়াত দাও। তারা যদি তা কবুল করে তবে তাদের পক্ষ থেকে তা মেনে নাও এবং তাদেরকে আক্রমণ করা থেকে বিরত থাকো, অতঃপর তাদেরকে স্বদেশ ছেড়ে মুহাজিরদের দেশে চলে আসার আহবান জানাও এবং তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, তারা যদি এ কাজ করে তবে যেসব সুযোগ সুবিধা মুহাজিরগণ পাবে তারাও তা পাবে এবং মুহাজিরদের উপর যেসম দায়দায়িত্ব বর্তাবে তা তাদের উপরও বর্তাবে। তারা যদি (স্বদেশ ত্যাগ করতে) অসম্মত হয় তবে তাদের জানিয়ে দাও যে, তারা বেদুইন মুসলমানদের সমান মর্যাদা পাবে, তাদের উপর আল্লাহর সেইসব হুকুম জারি হবে যা মুমিন মুসলমানদের উপর জারি হয় এবং তারা গণীমত ও ফাই-এর কিছুই পাবে না, তবে তারা মুসলমানদের সাথে মিলে জিহাদ করতে পারবে। (২) তারা যদি ইসলামে দাখিল হতে অস্বীকার করে তবে তাদেরকে জিযয়া দিতে বলো। তারা যদি তা দেয় তবে তাদের নিকট থেকে তা গ্রহণ করো এবং তাদেরকে আক্রমণ করা থেকে বিরত থাকো। (৩) তারা যদি জিযয়া দিতেও অস্বীকার করে, তবে তুমি তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থণা করো এবং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো। আর তুমি কোন দুর্গ অবরোধ করলে পর তারা তোমার নিকট আল্লাহর যিম্মাদারি আর তোমার নবীর যিম্মাদারি লাভের আশা করলে তুমি তাদের জন্য আল্লাহর যিম্মাদারি এবং তোমার নবীর যিম্মাদারি দান করো। কারণ তোমাদের নিজেদের এবং তোমাদের পিতৃপুরুষদের যিম্মাদারি ভঙ্গ করা আল্লাহ ও তাঁর রাসূ্লের যিম্মাদারি ভঙ্গ করার চেয়ে তোমাদের জন্য অধিকতর সহজ। আর তুমি কোন দুর্গ অবরোধ করলে পর তারা তোমার নিকট আল্লাহর হুকুমে দূ্র্গ থেকে বেরিয়ে আসার আবেদন করলে তুমি তাদেরকে আল্লাহর হুকুমে বেরিয়ে আসার অনুমতি দিও না, বরং তাদেরকে তোমার নিজের হুকুমে বেরিয়ে আশার অনুমতি দাও। কারণ তোমার জানা নেই যে, তাদের ব্যাপারে তুমি আল্লাহর হুকুম কার্যকর করতে পারবে কি না। নু’মান বিন মুকাররিন (রাঃ) , সূ্ত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আমার কাছে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।। [২৮৫৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا محمد بن يوسف الفريابي، حدثنا سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن ابن بريدة، عن أبيه، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أمر رجلا على سرية أوصاه في خاصة نفسه بتقوى الله ومن معه من المسلمين خيرا فقال ‏ "‏ اغزوا باسم الله وفي سبيل الله قاتلوا من كفر بالله اغزوا ولا تغدروا ولا تغلوا ولا تمثلوا ولا تقتلوا وليدا وإذا أنت لقيت عدوك من المشركين فادعهم إلى إحدى ثلاث خلال أو خصال فأيتهن أجابوك إليها فاقبل منهم وكف عنهم ادعهم إلى الإسلام فإن أجابوك فاقبل منهم وكف عنهم ثم ادعهم إلى التحول من دارهم إلى دار المهاجرين وأخبرهم إن هم فعلوا ذلك أن لهم ما للمهاجرين وأن عليهم ما على المهاجرين وإن أبوا فأخبرهم أنهم يكونون كأعراب المسلمين يجري عليهم حكم الله الذي يجري على المؤمنين ولا يكون لهم في الفىء والغنيمة شىء إلا أن يجاهدوا مع المسلمين فإن هم أبوا أن يدخلوا في الإسلام فسلهم إعطاء الجزية فإن فعلوا فاقبل منهم وكف عنهم فإن هم أبوا فاستعن بالله عليهم وقاتلهم وإن حاصرت حصنا فأرادوك أن تجعل لهم ذمة الله وذمة نبيك فلا تجعل لهم ذمة الله ولا ذمة نبيك ولكن اجعل لهم ذمتك وذمة أبيك وذمة أصحابك فإنكم إن تخفروا ذمتكم وذمة آبائكم أهون عليكم من أن تخفروا ذمة الله وذمة رسوله وإن حاصرت حصنا فأرادوك أن ينزلوا على حكم الله فلا تنزلهم على حكم الله ولكن أنزلهم على حكمك فإنك لا تدري أتصيب فيهم حكم الله أم لا ‏"‏ ‏.‏ قال علقمة فحدثت به، مقاتل بن حيان فقال حدثني مسلم بن هيصم، عن النعمان بن مقرن، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثل ذلك ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00