সুনানে ইবনে মাজাহ > আল্লাহর রাস্তায় পাহারা দেয়ার ফযীলাত
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭৬৬
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا عبد الرحمن بن زيد بن أسلم، عن أبيه، عن مصعب بن ثابت، عن عبد الله بن الزبير، قال خطب عثمان بن عفان الناس فقال يا أيها الناس إني سمعت حديثا من رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يمنعني أن أحدثكم به إلا الضن بكم وبصحابتكم فليختر مختار لنفسه أو ليدع سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من رابط ليلة في سبيل الله سبحانه كانت كألف ليلة صيامها وقيامها " .
আবদুল্লাহ ইবনুয যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উসমান বিন আফ্ফান (রাঃ) লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। তিনি বলেন, হে জনগণ! আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট একটি হাদীস শুনেছি। সেটি তোমাদের নিকট বর্ণনা করা থেকে আমাকে বিরত রেখেছে তোমাদের সাহচর্যের প্রতি আমার কৃপণতা। অতএব কেউ চাইলে তা নিজের জন্য গ্রহণ করতে পারে অথবা পরিহারও করতে পারে। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলার রাস্তায় এক রাত সীমান্ত অঞ্চলে পাহারা দেয়, তা এক হাজার দিন সিয়াম রাখা এবং এক হাজার রাত জেগে নামায পড়ার সমতুল্য। [২৭৬৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবদুল্লাহ ইবনুয যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উসমান বিন আফ্ফান (রাঃ) লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। তিনি বলেন, হে জনগণ! আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট একটি হাদীস শুনেছি। সেটি তোমাদের নিকট বর্ণনা করা থেকে আমাকে বিরত রেখেছে তোমাদের সাহচর্যের প্রতি আমার কৃপণতা। অতএব কেউ চাইলে তা নিজের জন্য গ্রহণ করতে পারে অথবা পরিহারও করতে পারে। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলার রাস্তায় এক রাত সীমান্ত অঞ্চলে পাহারা দেয়, তা এক হাজার দিন সিয়াম রাখা এবং এক হাজার রাত জেগে নামায পড়ার সমতুল্য। [২৭৬৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا عبد الرحمن بن زيد بن أسلم، عن أبيه، عن مصعب بن ثابت، عن عبد الله بن الزبير، قال خطب عثمان بن عفان الناس فقال يا أيها الناس إني سمعت حديثا من رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يمنعني أن أحدثكم به إلا الضن بكم وبصحابتكم فليختر مختار لنفسه أو ليدع سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من رابط ليلة في سبيل الله سبحانه كانت كألف ليلة صيامها وقيامها " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭৬৭
حدثنا يونس بن عبد الأعلى، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني الليث، عن زهرة بن معبد، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من مات مرابطا في سبيل الله أجرى عليه أجر عمله الصالح الذي كان يعمل وأجرى عليه رزقه وأمن من الفتان وبعثه الله يوم القيامة آمنا من الفزع " .
আবু হুরায়রাহ(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় সীমান্ত অঞ্চল পাহারাদানরত অবস্থায় মারা গেলে আল্লাহ তার জন্য সেইসব নেক আমলের সওয়াব প্রদান অব্যাহত রাখবেন যা সে করতো, জান্নাতে তাকে রিযিক দান করবেন, কবরের বিপর্যয়কর অবস্থা থেকে নিরাপদ রাখবেন এবং কিয়ামতের ভয়ভীতি থেকে মুক্ত অবস্থায় উঠাবেন। [২৭৬৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবু হুরায়রাহ(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় সীমান্ত অঞ্চল পাহারাদানরত অবস্থায় মারা গেলে আল্লাহ তার জন্য সেইসব নেক আমলের সওয়াব প্রদান অব্যাহত রাখবেন যা সে করতো, জান্নাতে তাকে রিযিক দান করবেন, কবরের বিপর্যয়কর অবস্থা থেকে নিরাপদ রাখবেন এবং কিয়ামতের ভয়ভীতি থেকে মুক্ত অবস্থায় উঠাবেন। [২৭৬৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا يونس بن عبد الأعلى، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني الليث، عن زهرة بن معبد، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من مات مرابطا في سبيل الله أجرى عليه أجر عمله الصالح الذي كان يعمل وأجرى عليه رزقه وأمن من الفتان وبعثه الله يوم القيامة آمنا من الفزع " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭৬৮
حدثنا محمد بن إسماعيل بن سمرة، حدثنا محمد بن يعلى السلمي، حدثنا عمر بن صبح، عن عبد الرحمن بن عمرو، عن مكحول، عن أبى بن كعب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لرباط يوم في سبيل الله من وراء عورة المسلمين محتسبا من غير شهر رمضان أعظم أجرا من عبادة مائة سنة صيامها وقيامها ورباط يوم في سبيل الله من وراء عورة المسلمين محتسبا من شهر رمضان أفضل عند الله وأعظم أجرا - أراه قال - من عبادة ألف سنة صيامها وقيامها فإن رده الله إلى أهله سالما لم تكتب عليه سيئة ألف سنة وتكتب له الحسنات ويجرى له أجر الرباط إلى يوم القيامة " .
উবায় বিন কা‘ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রমাদান মাস ব্যতীত অন্য মাসে সওয়াবের আশায় মুসলমানদের জন্য আল্লাহর রাস্তায় সীমান্ত চৌকিতে একদিন পাহারা দেয়া একশত বছরের ইবাদত, সিয়াম ও (নফল) নামায অপেক্ষা অধিক সওয়াবের কাজ। আর রমাদান মাসে সওয়াবের আশায় আল্লাহর রাস্তায় মুসলমানদের নিরাপত্তার জন্য এক দিন পাহারা দেয়া আল্লাহর নিকট এক হাজার বছরের বছরের ইবাদত, সিয়াম ও নামায অপেক্ষা অধিক সওয়াবের কাজ। আল্লাহ যদি তাকে নিরাপদে তার পরিবার-পরিজনের নিকট ফিরিয়ে আনেন তবে এক হাজার বছর পর্যন্ত তার কোন গুনাহ লেখা হবে না, তার জন্য নেকী লেখা হবে এবং কিয়ামত পর্যন্ত তার জন্য সীমান্ত চৌকিতে পাহারাদানের সওয়াব অব্যাহতভাবে লিপিবদ্ধ হতে থাকবে। [২৭৬৮] তাহকীক আলবানীঃ বানোয়াট।
উবায় বিন কা‘ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রমাদান মাস ব্যতীত অন্য মাসে সওয়াবের আশায় মুসলমানদের জন্য আল্লাহর রাস্তায় সীমান্ত চৌকিতে একদিন পাহারা দেয়া একশত বছরের ইবাদত, সিয়াম ও (নফল) নামায অপেক্ষা অধিক সওয়াবের কাজ। আর রমাদান মাসে সওয়াবের আশায় আল্লাহর রাস্তায় মুসলমানদের নিরাপত্তার জন্য এক দিন পাহারা দেয়া আল্লাহর নিকট এক হাজার বছরের বছরের ইবাদত, সিয়াম ও নামায অপেক্ষা অধিক সওয়াবের কাজ। আল্লাহ যদি তাকে নিরাপদে তার পরিবার-পরিজনের নিকট ফিরিয়ে আনেন তবে এক হাজার বছর পর্যন্ত তার কোন গুনাহ লেখা হবে না, তার জন্য নেকী লেখা হবে এবং কিয়ামত পর্যন্ত তার জন্য সীমান্ত চৌকিতে পাহারাদানের সওয়াব অব্যাহতভাবে লিপিবদ্ধ হতে থাকবে। [২৭৬৮] তাহকীক আলবানীঃ বানোয়াট।
حدثنا محمد بن إسماعيل بن سمرة، حدثنا محمد بن يعلى السلمي، حدثنا عمر بن صبح، عن عبد الرحمن بن عمرو، عن مكحول، عن أبى بن كعب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لرباط يوم في سبيل الله من وراء عورة المسلمين محتسبا من غير شهر رمضان أعظم أجرا من عبادة مائة سنة صيامها وقيامها ورباط يوم في سبيل الله من وراء عورة المسلمين محتسبا من شهر رمضان أفضل عند الله وأعظم أجرا - أراه قال - من عبادة ألف سنة صيامها وقيامها فإن رده الله إلى أهله سالما لم تكتب عليه سيئة ألف سنة وتكتب له الحسنات ويجرى له أجر الرباط إلى يوم القيامة " .
সুনানে ইবনে মাজাহ > আল্লাহর রাস্তায় পাহারাদান ও তাকবীর ধ্বনির ফযীলাত
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭৬৯
حدثنا محمد بن الصباح، أنبأنا عبد العزيز بن محمد، عن صالح بن محمد بن زائدة، عن عمر بن عبد العزيز، عن عقبة بن عامر الجهني، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " رحم الله حارس الحرس " .
উকবাহ বিন আমির আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তায়ালা নিরাপত্তামূলক পাহারাদানকারীদের উপর রহমত বর্ষণ করুন। [২৭৬৯] তাহকীক আলবানীঃ দইফ।
উকবাহ বিন আমির আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তায়ালা নিরাপত্তামূলক পাহারাদানকারীদের উপর রহমত বর্ষণ করুন। [২৭৬৯] তাহকীক আলবানীঃ দইফ।
حدثنا محمد بن الصباح، أنبأنا عبد العزيز بن محمد، عن صالح بن محمد بن زائدة، عن عمر بن عبد العزيز، عن عقبة بن عامر الجهني، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " رحم الله حارس الحرس " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭৭১
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن أسامة بن زيد، عن سعيد المقبري، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لرجل " أوصيك بتقوى الله والتكبير على كل شرف "
আবূ হুরায়রাহ(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে বলেনঃ আল্লাহভীতি অবলম্বনের এবং প্রতিটি উঁচু স্থানে আরোহণকালে তাকবীর ধ্বনি করার জন্য আমি তোমাকে উপদেশ দিচ্ছি। [২৭৭১] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
আবূ হুরায়রাহ(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে বলেনঃ আল্লাহভীতি অবলম্বনের এবং প্রতিটি উঁচু স্থানে আরোহণকালে তাকবীর ধ্বনি করার জন্য আমি তোমাকে উপদেশ দিচ্ছি। [২৭৭১] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن أسامة بن زيد، عن سعيد المقبري، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لرجل " أوصيك بتقوى الله والتكبير على كل شرف "
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭৭০
حدثنا عيسى بن يونس الرملي، حدثنا محمد بن شعيب بن شابور، عن سعيد بن خالد بن أبي الطويل، قال سمعت أنس بن مالك، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " حرس ليلة في سبيل الله أفضل من صيام رجل وقيامه في أهله ألف سنة السنة ثلاثمائة وستون يوما واليوم كألف سنة " .
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহর রাস্তায় একরাত পাহারা দেয়া কোন লোকের নিজ পরিবারে অবস্থানরত থেকে এক হাজার বছর সিয়াম রাখা ও নামাজ পড়ার চেয়ে অধিক উত্তম। এক বছর হলো তিন শত ষাট দিনে, যার প্রতিটি দিন এক হাজার বছরের সমান। [২৭৭০] তাহকীক আলবানীঃ বানোয়াট।
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহর রাস্তায় একরাত পাহারা দেয়া কোন লোকের নিজ পরিবারে অবস্থানরত থেকে এক হাজার বছর সিয়াম রাখা ও নামাজ পড়ার চেয়ে অধিক উত্তম। এক বছর হলো তিন শত ষাট দিনে, যার প্রতিটি দিন এক হাজার বছরের সমান। [২৭৭০] তাহকীক আলবানীঃ বানোয়াট।
حدثنا عيسى بن يونس الرملي، حدثنا محمد بن شعيب بن شابور، عن سعيد بن خالد بن أبي الطويل، قال سمعت أنس بن مالك، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " حرس ليلة في سبيل الله أفضل من صيام رجل وقيامه في أهله ألف سنة السنة ثلاثمائة وستون يوما واليوم كألف سنة " .
সুনানে ইবনে মাজাহ > সামরিক বাহিনীর সাথে যুদ্ধে রওয়ানা হওয়া
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭৭৩
حدثنا أحمد بن عبد الرحمن بن بكار بن عبد الملك بن الوليد بن بسر بن أبي أرطاة، حدثنا الوليد، حدثني شيبان، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا استنفرتم فانفروا " .
ইবনু আব্বাস(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদেরকে জিহাদে যোগদানের আহবান জানানো হলে তোমরা বেরিয়ে পড়বে। [২৭৭৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
ইবনু আব্বাস(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদেরকে জিহাদে যোগদানের আহবান জানানো হলে তোমরা বেরিয়ে পড়বে। [২৭৭৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أحمد بن عبد الرحمن بن بكار بن عبد الملك بن الوليد بن بسر بن أبي أرطاة، حدثنا الوليد، حدثني شيبان، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا استنفرتم فانفروا " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭৭৪
حدثنا يعقوب بن حميد بن كاسب، حدثنا سفيان بن عيينة، عن محمد بن عبد الرحمن، - مولى آل طلحة - عن عيسى بن طلحة، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا يجتمع غبار في سبيل الله ودخان جهنم في جوف عبد مسلم " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহর পথে ধুলা এবং জাহান্নামের ধোঁয়া কোনো মুসলমান বান্দার পেটে একত্র হতে পারবে না। [২৭৭৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহর পথে ধুলা এবং জাহান্নামের ধোঁয়া কোনো মুসলমান বান্দার পেটে একত্র হতে পারবে না। [২৭৭৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا يعقوب بن حميد بن كاسب، حدثنا سفيان بن عيينة، عن محمد بن عبد الرحمن، - مولى آل طلحة - عن عيسى بن طلحة، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا يجتمع غبار في سبيل الله ودخان جهنم في جوف عبد مسلم " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭৭৫
حدثنا محمد بن سعيد بن يزيد بن إبراهيم التستري، حدثنا أبو عاصم، عن شبيب، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من راح روحة في سبيل الله كان له بمثل ما أصابه من الغبار مسكا يوم القيامة " .
আনাস বিন মালিক(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে একটি বিকাল চললো, তাতে সে যতোটা ধূলিমলিন হলো, তা কিয়ামতের দিন তার জন্য এর সমপরিমাণ কস্তরীতে পরিণত হবে। [২৭৭৫] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
আনাস বিন মালিক(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে একটি বিকাল চললো, তাতে সে যতোটা ধূলিমলিন হলো, তা কিয়ামতের দিন তার জন্য এর সমপরিমাণ কস্তরীতে পরিণত হবে। [২৭৭৫] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
حدثنا محمد بن سعيد بن يزيد بن إبراهيم التستري، حدثنا أبو عاصم، عن شبيب، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من راح روحة في سبيل الله كان له بمثل ما أصابه من الغبار مسكا يوم القيامة " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭৭২
حدثنا أحمد بن عبدة، أنبأنا حماد بن زيد، عن ثابت، عن أنس بن مالك، قال ذكر النبي صلى الله عليه وسلم فقال كان أحسن الناس وكان أجود الناس وكان أشجع الناس ولقد فزع أهل المدينة ليلة فانطلقوا قبل الصوت فتلقاهم رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد سبقهم إلى الصوت وهو على فرس لأبي طلحة عرى ما عليه سرج في عنقه السيف وهو يقول " يا أيها الناس لن تراعوا " . يردهم ثم قال للفرس " وجدناه بحرا " . أو " إنه لبحر " . قال حماد وحدثني ثابت أو غيره قال كان فرسا لأبي طلحة يبطأ فما سبق بعد ذلك اليوم .
আনাস বিন মালিক(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হলে তিনি বলেন, তিনি ছিলেন মানুষের মধ্যে সর্বাধিক সুন্দর, সর্বাধিক দানশীল এবং সর্বাধিক সাহসী বীর পুরুষ। এক রাতে মদীনাবাসী সন্ত্রস্ত হয়ে পড়লো। তারা একটি বিকট শব্দ শুনে সেদিকে ছুটলো। পথিমধ্যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের সাথে মিলিত হলেন। অবশ্য তিনি তাদের আগেই সেই বিকট শব্দের কারণ অনুসন্ধানে গিয়েছিলেন। তিনি আবূ তালহা(রাঃ) -র ঘোড়ার গদিহীন খালি পিঠে সওয়ার ছিলেন। তাঁর ঘাড়ে তরবারি ঝুলানো ছিল। তিনি বলছিলেনঃ হে জনগণ! তোমরা সন্ত্রস্ত হয়ো না। এই বলে তিনি তাদের ফিরিয়ে আনছিলেন। অতঃপর তিনি ঘোড়া সম্পর্কে মন্তব্য করেনঃ আমি এটিকে সমুদ্রের ন্যায় পেয়েছি অথবা এটি যেন একটি সমুদ্র। রাবী হাম্মাদ (রহঃ) বলেন, সাবিত (রহঃ) বা অপর কেউ আমাকে বলেছেন যে, আবূ তালহা (রাঃ) -র ঘোড়াটি ছিল মন্থর গতিসম্পন্ন। কিন্তু এ দিনের পর থেকে কোন ঘোড়াই দৌড় প্রতিযোগিতায় একে অতিক্রম করতে পারেনি। [২৭৭২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আনাস বিন মালিক(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হলে তিনি বলেন, তিনি ছিলেন মানুষের মধ্যে সর্বাধিক সুন্দর, সর্বাধিক দানশীল এবং সর্বাধিক সাহসী বীর পুরুষ। এক রাতে মদীনাবাসী সন্ত্রস্ত হয়ে পড়লো। তারা একটি বিকট শব্দ শুনে সেদিকে ছুটলো। পথিমধ্যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের সাথে মিলিত হলেন। অবশ্য তিনি তাদের আগেই সেই বিকট শব্দের কারণ অনুসন্ধানে গিয়েছিলেন। তিনি আবূ তালহা(রাঃ) -র ঘোড়ার গদিহীন খালি পিঠে সওয়ার ছিলেন। তাঁর ঘাড়ে তরবারি ঝুলানো ছিল। তিনি বলছিলেনঃ হে জনগণ! তোমরা সন্ত্রস্ত হয়ো না। এই বলে তিনি তাদের ফিরিয়ে আনছিলেন। অতঃপর তিনি ঘোড়া সম্পর্কে মন্তব্য করেনঃ আমি এটিকে সমুদ্রের ন্যায় পেয়েছি অথবা এটি যেন একটি সমুদ্র। রাবী হাম্মাদ (রহঃ) বলেন, সাবিত (রহঃ) বা অপর কেউ আমাকে বলেছেন যে, আবূ তালহা (রাঃ) -র ঘোড়াটি ছিল মন্থর গতিসম্পন্ন। কিন্তু এ দিনের পর থেকে কোন ঘোড়াই দৌড় প্রতিযোগিতায় একে অতিক্রম করতে পারেনি। [২৭৭২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا أحمد بن عبدة، أنبأنا حماد بن زيد، عن ثابت، عن أنس بن مالك، قال ذكر النبي صلى الله عليه وسلم فقال كان أحسن الناس وكان أجود الناس وكان أشجع الناس ولقد فزع أهل المدينة ليلة فانطلقوا قبل الصوت فتلقاهم رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد سبقهم إلى الصوت وهو على فرس لأبي طلحة عرى ما عليه سرج في عنقه السيف وهو يقول " يا أيها الناس لن تراعوا " . يردهم ثم قال للفرس " وجدناه بحرا " . أو " إنه لبحر " . قال حماد وحدثني ثابت أو غيره قال كان فرسا لأبي طلحة يبطأ فما سبق بعد ذلك اليوم .
সুনানে ইবনে মাজাহ > নৌযুদ্ধের ফযীলাত
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭৭৭
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا بقية، عن معاوية بن يحيى، عن ليث بن أبي سليم، عن يحيى بن عباد، عن أم الدرداء، عن أبي الدرداء، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " غزوة في البحر مثل عشر غزوات في البر والذي يسدر في البحر كالمتشحط في دمه في سبيل الله سبحانه " .
আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, একটি নৌযুদ্ধ দশটি স্থলযুদ্ধের সমতুল্য। আর সমুদ্রে যার মাথাঘুরানি হবে সে মহান আল্লাহর রাস্তায় রক্তে রঞ্জিত (নিহত) ব্যক্তির সমতুল্য। [২৭৭৭] তাহকীক আলবানীঃ দইফ।
আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, একটি নৌযুদ্ধ দশটি স্থলযুদ্ধের সমতুল্য। আর সমুদ্রে যার মাথাঘুরানি হবে সে মহান আল্লাহর রাস্তায় রক্তে রঞ্জিত (নিহত) ব্যক্তির সমতুল্য। [২৭৭৭] তাহকীক আলবানীঃ দইফ।
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا بقية، عن معاوية بن يحيى، عن ليث بن أبي سليم، عن يحيى بن عباد، عن أم الدرداء، عن أبي الدرداء، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " غزوة في البحر مثل عشر غزوات في البر والذي يسدر في البحر كالمتشحط في دمه في سبيل الله سبحانه " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭৭৬
حدثنا محمد بن رمح، أنبأنا الليث بن سعد، عن يحيى بن سعيد، عن ابن حبان، - هو محمد بن يحيى بن حبان - عن أنس بن مالك، عن خالته أم حرام بنت ملحان، أنها قالت نام رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما قريبا مني ثم استيقظ يبتسم فقلت يا رسول الله ما أضحكك قال " ناس من أمتي عرضوا على يركبون ظهر هذا البحر كالملوك على الأسرة " . قالت فادع الله أن يجعلني منهم . قال فدعا لها ثم نام الثانية ففعل مثلها ثم قالت مثل قولها فأجابها مثل جوابه الأول . قالت فادع الله أن يجعلني منهم قال " أنت من الأولين " . قال فخرجت مع زوجها عبادة بن الصامت غازية أول ما ركب المسلمون البحر مع معاوية بن أبي سفيان فلما انصرفوا من غزاتهم قافلين فنزلوا الشام فقربت إليها دابة لتركب فصرعتها فماتت .
উম্মু হারাম বিনতু মিলহান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক দিন আমার ঘরে ঘুমালেন। তিনি হাসতে হাসতে জাগ্রত হলেন। আমি বললাম ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনাকে কে হাসালো? তিনি বলেনঃ আমার উম্মতের কতক লোককে সমুদ্রপৃষ্ঠে উপবিষ্ট অবস্থায় আমার সামনে পেশ করা হয়েছে, যেভাবে বাদশাহ সিংহাসনে উপবিষ্ট থাকে। উম্মু হারাম(রাঃ) বলেন, আপনি আল্লাহর নিকট দোয়া করুন যাতে তিনি আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। আনাস(রাঃ) বলেন, তিনি তার জন্য দোয়া করলেন। তিনি পুনরায় ঘুমিয়ে পড়লেন, অতঃপর পূর্বের ন্যায় জাগ্রত হলেন। উম্মু হারাম(রাঃ) জিজ্ঞাসা করলে রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পূর্বানুরুপ জবাব দেন। থাকে। উম্মু হারাম(রাঃ) বলেন, আপনি আল্লাহর নিকট দোয়া করুন যাতে তিনি আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তুমি প্রথম দলের অন্তর্ভুক্ত থাকবে। আনাস(রাঃ) বলেন, মুসলমানগণ মুআবিয়া বিন আবূ সুফিয়ান (রাঃ) -র নেতৃত্বে সর্বপ্রথম নৌযুদ্ধে রওয়ানা হলে উম্মু হারাম (রাঃ) ও তার স্বামী উবাদা ইবনুস সামিত (রাঃ) -এর সাথে জিহাদে রওয়ানা হলেন। তারা জিহাদ থেকে ফিরে এসে সিরিয়ায় অবতরণ করেন। আরোহণের জন্য তার নিকট একটি জন্তুযান আনা হলো। জন্তুটি তাকে ছুড়ে ফেলে দিলে তিনি তাতে নিহত হন। [২৭৭৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
উম্মু হারাম বিনতু মিলহান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক দিন আমার ঘরে ঘুমালেন। তিনি হাসতে হাসতে জাগ্রত হলেন। আমি বললাম ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনাকে কে হাসালো? তিনি বলেনঃ আমার উম্মতের কতক লোককে সমুদ্রপৃষ্ঠে উপবিষ্ট অবস্থায় আমার সামনে পেশ করা হয়েছে, যেভাবে বাদশাহ সিংহাসনে উপবিষ্ট থাকে। উম্মু হারাম(রাঃ) বলেন, আপনি আল্লাহর নিকট দোয়া করুন যাতে তিনি আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। আনাস(রাঃ) বলেন, তিনি তার জন্য দোয়া করলেন। তিনি পুনরায় ঘুমিয়ে পড়লেন, অতঃপর পূর্বের ন্যায় জাগ্রত হলেন। উম্মু হারাম(রাঃ) জিজ্ঞাসা করলে রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পূর্বানুরুপ জবাব দেন। থাকে। উম্মু হারাম(রাঃ) বলেন, আপনি আল্লাহর নিকট দোয়া করুন যাতে তিনি আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তুমি প্রথম দলের অন্তর্ভুক্ত থাকবে। আনাস(রাঃ) বলেন, মুসলমানগণ মুআবিয়া বিন আবূ সুফিয়ান (রাঃ) -র নেতৃত্বে সর্বপ্রথম নৌযুদ্ধে রওয়ানা হলে উম্মু হারাম (রাঃ) ও তার স্বামী উবাদা ইবনুস সামিত (রাঃ) -এর সাথে জিহাদে রওয়ানা হলেন। তারা জিহাদ থেকে ফিরে এসে সিরিয়ায় অবতরণ করেন। আরোহণের জন্য তার নিকট একটি জন্তুযান আনা হলো। জন্তুটি তাকে ছুড়ে ফেলে দিলে তিনি তাতে নিহত হন। [২৭৭৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حدثنا محمد بن رمح، أنبأنا الليث بن سعد، عن يحيى بن سعيد، عن ابن حبان، - هو محمد بن يحيى بن حبان - عن أنس بن مالك، عن خالته أم حرام بنت ملحان، أنها قالت نام رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما قريبا مني ثم استيقظ يبتسم فقلت يا رسول الله ما أضحكك قال " ناس من أمتي عرضوا على يركبون ظهر هذا البحر كالملوك على الأسرة " . قالت فادع الله أن يجعلني منهم . قال فدعا لها ثم نام الثانية ففعل مثلها ثم قالت مثل قولها فأجابها مثل جوابه الأول . قالت فادع الله أن يجعلني منهم قال " أنت من الأولين " . قال فخرجت مع زوجها عبادة بن الصامت غازية أول ما ركب المسلمون البحر مع معاوية بن أبي سفيان فلما انصرفوا من غزاتهم قافلين فنزلوا الشام فقربت إليها دابة لتركب فصرعتها فماتت .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭৭৮
حدثنا عبيد الله بن يوسف الجبيري، حدثنا قيس بن محمد الكندي، حدثنا عفير بن معدان الشامي، عن سليم بن عامر، قال سمعت أبا أمامة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " شهيد البحر مثل شهيدى البر والمائد في البحر كالمتشحط في دمه في البر وما بين الموجتين كقاطع الدنيا في طاعة الله وإن الله عز وجل وكل ملك الموت بقبض الأرواح إلا شهيد البحر فإنه يتولى قبض أرواحهم ويغفر لشهيد البر الذنوب كلها إلا الدين ولشهيد البحر الذنوب والدين " .
আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি; একজন শহীদ নৌযোদ্ধার মর্যাদা দু’জন শহীদ স্থলযোদ্ধার সমান। আর নৌ-পথে যার মাথাঘুরানি হয়, তার মর্যাদা স্থলযুদ্ধে শহীদের মর্যাদার সমান। আর দু’টি ঢেউয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব অতিক্রমকারীর মর্যাদা আল্লাহ্র আনুগত্যে সারা দুনিয়া সফরকারীর সমান। আল্লাহ তাআলা মৃত্যুদূতকে নৌযোদ্ধা ব্যতীত সকলের রূহ হরণ করার দায়িত্ব দিয়েছেন। স্বয়ং আল্লাহ নৌযোদ্ধার রূহ নিয়ে নেন। তিনি যুদ্ধে শহীদের সকল গুনাহ মাফ করেন তার ঋণ ব্যতিত, কিন্তু নৌ-যুদ্ধে শহীদের সকল গুনাহ এবং ঋণও মাফ করেন। [২৭৭৮] তাহকীক আলবানীঃ খুবই দুর্বল।
আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি; একজন শহীদ নৌযোদ্ধার মর্যাদা দু’জন শহীদ স্থলযোদ্ধার সমান। আর নৌ-পথে যার মাথাঘুরানি হয়, তার মর্যাদা স্থলযুদ্ধে শহীদের মর্যাদার সমান। আর দু’টি ঢেউয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব অতিক্রমকারীর মর্যাদা আল্লাহ্র আনুগত্যে সারা দুনিয়া সফরকারীর সমান। আল্লাহ তাআলা মৃত্যুদূতকে নৌযোদ্ধা ব্যতীত সকলের রূহ হরণ করার দায়িত্ব দিয়েছেন। স্বয়ং আল্লাহ নৌযোদ্ধার রূহ নিয়ে নেন। তিনি যুদ্ধে শহীদের সকল গুনাহ মাফ করেন তার ঋণ ব্যতিত, কিন্তু নৌ-যুদ্ধে শহীদের সকল গুনাহ এবং ঋণও মাফ করেন। [২৭৭৮] তাহকীক আলবানীঃ খুবই দুর্বল।
حدثنا عبيد الله بن يوسف الجبيري، حدثنا قيس بن محمد الكندي، حدثنا عفير بن معدان الشامي، عن سليم بن عامر، قال سمعت أبا أمامة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " شهيد البحر مثل شهيدى البر والمائد في البحر كالمتشحط في دمه في البر وما بين الموجتين كقاطع الدنيا في طاعة الله وإن الله عز وجل وكل ملك الموت بقبض الأرواح إلا شهيد البحر فإنه يتولى قبض أرواحهم ويغفر لشهيد البر الذنوب كلها إلا الدين ولشهيد البحر الذنوب والدين " .