সুনানে ইবনে মাজাহ > ওসিয়াতের মধ্যে জুলুম করা

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭০৩

حدثنا سويد بن سعيد، حدثنا عبد الرحيم بن زيد العمي، عن أبيه، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من فر من ميراث وارثه قطع الله ميراثه من الجنة يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি তার ওয়ারিসকে মীরাস দেয়া থেকে পশ্চাদপসরণ করে, কিয়ামাতের দিন আল্লাহ তাকে জান্নাতের অংশীদার হওয়া থেকে বঞ্চিত করবেন। [২৭০৩] তাহকীক আলবানী: দঈফ।

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি তার ওয়ারিসকে মীরাস দেয়া থেকে পশ্চাদপসরণ করে, কিয়ামাতের দিন আল্লাহ তাকে জান্নাতের অংশীদার হওয়া থেকে বঞ্চিত করবেন। [২৭০৩] তাহকীক আলবানী: দঈফ।

حدثنا سويد بن سعيد، حدثنا عبد الرحيم بن زيد العمي، عن أبيه، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من فر من ميراث وارثه قطع الله ميراثه من الجنة يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭০৫

حدثنا يحيى بن عثمان بن سعيد بن كثير بن دينار الحمصي، حدثنا بقية، عن أبي حلبس، عن خليد بن أبي خليد، عن معاوية بن قرة، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من حضرته الوفاة فأوصى وكانت وصيته على كتاب الله كانت كفارة لما ترك من زكاته في حياته ‏"‏ ‏.‏

কুররাহ বিন ইয়াস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ অন্তিমকালে আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী ওসিয়াত করলে, সে তার জীবনে যে যাকাত দেয়নি এটা তার কাফফারাস্বরূপ। [২৭০৫] তাহকীক আলবানী: দঈফ।

কুররাহ বিন ইয়াস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ অন্তিমকালে আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী ওসিয়াত করলে, সে তার জীবনে যে যাকাত দেয়নি এটা তার কাফফারাস্বরূপ। [২৭০৫] তাহকীক আলবানী: দঈফ।

حدثنا يحيى بن عثمان بن سعيد بن كثير بن دينار الحمصي، حدثنا بقية، عن أبي حلبس، عن خليد بن أبي خليد، عن معاوية بن قرة، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من حضرته الوفاة فأوصى وكانت وصيته على كتاب الله كانت كفارة لما ترك من زكاته في حياته ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭০৪

حدثنا أحمد بن الأزهر، حدثنا عبد الرزاق بن همام، أنبأنا معمر، عن أشعث بن عبد الله، عن شهر بن حوشب، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن الرجل ليعمل بعمل أهل الخير سبعين سنة فإذا أوصى حاف في وصيته فيختم له بشر عمله فيدخل النار وإن الرجل ليعمل بعمل أهل الشر سبعين سنة فيعدل في وصيته فيختم له بخير عمله فيدخل الجنة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو هريرة واقرءوا إن شئتم ‏{تلك حدود الله}‏ إلى قوله {عذاب مهين}‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন ব্যক্তি একাধারে সত্তর বছর যাবত উত্তম কাজ করলো, অতঃপর ওসিয়াতের মাধ্যমে যুলুম করলো, ফলে খারাপ কাজের দ্বারা তার জীবনের সমাপ্তি হলো, সে জাহান্নামে যাবে। আবার কোন লোক একাধারে সত্তর বছর ধরে খারাপ কাজ করলো, অতঃপর ওসিয়াতের মাধ্যমে ন্যায়সঙ্গত কাজ করলো, ফলে ভালো কাজের দ্বারা তার জীবনের সমাপ্তি হলো, সে জান্নাতে যাবে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, তোমরা ইচ্ছা করলে (কুরআনের এ আয়াত) পড়তে পারো (অনুবাদ) : “এসব আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করলে আল্লাহ তাকে জান্নাতে দাখিল করবেন, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত। সেখানে তারা স্থায়ী হবে। এটা এক মহাসাফল্য। আর কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্য হলে এবং তাঁর নির্ধারিত সীমা লংঘন করলে তিনি তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন। সেখানে সে স্থায়ী হবে, তার জন্য রয়েছে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি”। (সূরা নিসা: ১৩-১৪)। [২৭০৪] তাহকীক আলবানী: দঈফ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন ব্যক্তি একাধারে সত্তর বছর যাবত উত্তম কাজ করলো, অতঃপর ওসিয়াতের মাধ্যমে যুলুম করলো, ফলে খারাপ কাজের দ্বারা তার জীবনের সমাপ্তি হলো, সে জাহান্নামে যাবে। আবার কোন লোক একাধারে সত্তর বছর ধরে খারাপ কাজ করলো, অতঃপর ওসিয়াতের মাধ্যমে ন্যায়সঙ্গত কাজ করলো, ফলে ভালো কাজের দ্বারা তার জীবনের সমাপ্তি হলো, সে জান্নাতে যাবে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, তোমরা ইচ্ছা করলে (কুরআনের এ আয়াত) পড়তে পারো (অনুবাদ) : “এসব আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করলে আল্লাহ তাকে জান্নাতে দাখিল করবেন, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত। সেখানে তারা স্থায়ী হবে। এটা এক মহাসাফল্য। আর কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্য হলে এবং তাঁর নির্ধারিত সীমা লংঘন করলে তিনি তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন। সেখানে সে স্থায়ী হবে, তার জন্য রয়েছে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি”। (সূরা নিসা: ১৩-১৪)। [২৭০৪] তাহকীক আলবানী: দঈফ।

حدثنا أحمد بن الأزهر، حدثنا عبد الرزاق بن همام، أنبأنا معمر، عن أشعث بن عبد الله، عن شهر بن حوشب، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن الرجل ليعمل بعمل أهل الخير سبعين سنة فإذا أوصى حاف في وصيته فيختم له بشر عمله فيدخل النار وإن الرجل ليعمل بعمل أهل الشر سبعين سنة فيعدل في وصيته فيختم له بخير عمله فيدخل الجنة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو هريرة واقرءوا إن شئتم ‏{تلك حدود الله}‏ إلى قوله {عذاب مهين}‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > জীবিতকালে কৃপণতা এবং মরণকালে অযাচিত অপব্যয় নিষিদ্ধ

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭০৭

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا حريز بن عثمان، حدثني عبد الرحمن بن ميسرة، عن جبير بن نفير، عن بسر بن جحاش القرشي، قال بزق النبي صلى الله عليه وسلم في كفه ثم وضع أصبعه السبابة وقال ‏ "‏ يقول الله عز وجل أنى تعجزني ابن آدم وقد خلقتك من مثل هذه فإذا بلغت نفسك هذه - وأشار إلى حلقه - قلت أتصدق وأنى أوان الصدقة ‏"‏ ‏.‏

বুস্র বিন জাহ্হাশ আল-কুরাশী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হাতের তালুতে থুতু ফেলে তার অপর তাঁর হাতের শাহাদাত আঙ্গুল রেখে বলেন, মহামহিম আল্লাহ বলেন, আদম-সন্তান আমাকে কিভাবে অক্ষম করবে, অথচ আমি তোমাকে সৃষ্টি করেছি এর অনুরূপ জিনিস থেকে। অতঃপর তোমার জান যখন এ পর্যন্ত পৌছবে, তিনি তাঁর কণ্ঠনালীর দিকে ইশারা করলেন, তখন তুমি বলবে, আমি দান করবো। অথচ তখন দান-খয়রাত করার সুযোগ কোথায়? [২৭০৭] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

বুস্র বিন জাহ্হাশ আল-কুরাশী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হাতের তালুতে থুতু ফেলে তার অপর তাঁর হাতের শাহাদাত আঙ্গুল রেখে বলেন, মহামহিম আল্লাহ বলেন, আদম-সন্তান আমাকে কিভাবে অক্ষম করবে, অথচ আমি তোমাকে সৃষ্টি করেছি এর অনুরূপ জিনিস থেকে। অতঃপর তোমার জান যখন এ পর্যন্ত পৌছবে, তিনি তাঁর কণ্ঠনালীর দিকে ইশারা করলেন, তখন তুমি বলবে, আমি দান করবো। অথচ তখন দান-খয়রাত করার সুযোগ কোথায়? [২৭০৭] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا حريز بن عثمان، حدثني عبد الرحمن بن ميسرة، عن جبير بن نفير، عن بسر بن جحاش القرشي، قال بزق النبي صلى الله عليه وسلم في كفه ثم وضع أصبعه السبابة وقال ‏ "‏ يقول الله عز وجل أنى تعجزني ابن آدم وقد خلقتك من مثل هذه فإذا بلغت نفسك هذه - وأشار إلى حلقه - قلت أتصدق وأنى أوان الصدقة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭০৬

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شريك، عن عمارة بن القعقاع، وابن، شبرمة عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله نبئني بأحق الناس مني بحسن الصحبة فقال ‏"‏ نعم وأبيك لتنبأن أمك ‏"‏ ‏.‏ قال ثم من قال ‏"‏ ثم أمك ‏"‏ ‏.‏ قال ثم من قال ‏"‏ ثم أمك ‏"‏ ‏.‏ قال ثم من قال ‏"‏ ثم أبوك ‏"‏ ‏.‏ قال نبئني يا رسول الله عن مالي كيف أتصدق فيه قال ‏"‏ نعم والله لتنبأن أن تصدق وأنت صحيح شحيح تأمل العيش وتخاف الفقر ولا تمهل حتى إذا بلغت نفسك هاهنا قلت مالي لفلان ومالي لفلان وهو لهم وإن كرهت ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাকে অবহিত করুন যে, লোকের মধ্যে কে আমার উত্তম সাহচর্যের অধিক দাবিদার। তিনি বলেনঃ হাঁ, তোমার পিতার শপথ! তোমাকে অবশ্যই অবহিত করা হবে, তোমার মা। সে বললো, তারপর কে? তিনি বলেনঃ তারপর তোমার মা। সে বললো, তারপর কে? তিনি বলেনঃ তারপর তোমার মা। সে বললো, তারপর কে? তিনি বলেনঃ তারপর তোমার পিতা। লোকটি বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাকে অবহিত করুন যে, আমার মাল থেকে আমি কিভাবে দান-খয়রাত করবো? তিনি বলেন: হাঁ, আল্লাহর শপথ! তোমাকে অবশ্যই বলা হবে। তুমি সুস্থ অবস্থায়, সম্পদের প্রতি তোমার আকর্ষণ থাকতে, উত্তমরূপে জীবন যাপনের আশা রেখে এবং দারিদ্রের আশঙ্কা জাগ্রত রেখে দান-খয়রাত করো, কিন্তু বিলম্ব করো না। শেষে যখন তোমার জান এখানে (কন্ঠনালীতে) এসে পৌঁছবে তখন তুমি বলবে আমার এই মাল অমুকের জন্য, আমার এই মাল অমুকের জন্য। অথচ তখন তা তাদের (ওয়ারিসদের) জন্য হয়েই গেছে, যদিও তুমি তা অপছন্দ করো। [২৭০৬] তাহকীক আলবানী : সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাকে অবহিত করুন যে, লোকের মধ্যে কে আমার উত্তম সাহচর্যের অধিক দাবিদার। তিনি বলেনঃ হাঁ, তোমার পিতার শপথ! তোমাকে অবশ্যই অবহিত করা হবে, তোমার মা। সে বললো, তারপর কে? তিনি বলেনঃ তারপর তোমার মা। সে বললো, তারপর কে? তিনি বলেনঃ তারপর তোমার মা। সে বললো, তারপর কে? তিনি বলেনঃ তারপর তোমার পিতা। লোকটি বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাকে অবহিত করুন যে, আমার মাল থেকে আমি কিভাবে দান-খয়রাত করবো? তিনি বলেন: হাঁ, আল্লাহর শপথ! তোমাকে অবশ্যই বলা হবে। তুমি সুস্থ অবস্থায়, সম্পদের প্রতি তোমার আকর্ষণ থাকতে, উত্তমরূপে জীবন যাপনের আশা রেখে এবং দারিদ্রের আশঙ্কা জাগ্রত রেখে দান-খয়রাত করো, কিন্তু বিলম্ব করো না। শেষে যখন তোমার জান এখানে (কন্ঠনালীতে) এসে পৌঁছবে তখন তুমি বলবে আমার এই মাল অমুকের জন্য, আমার এই মাল অমুকের জন্য। অথচ তখন তা তাদের (ওয়ারিসদের) জন্য হয়েই গেছে, যদিও তুমি তা অপছন্দ করো। [২৭০৬] তাহকীক আলবানী : সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شريك، عن عمارة بن القعقاع، وابن، شبرمة عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله نبئني بأحق الناس مني بحسن الصحبة فقال ‏"‏ نعم وأبيك لتنبأن أمك ‏"‏ ‏.‏ قال ثم من قال ‏"‏ ثم أمك ‏"‏ ‏.‏ قال ثم من قال ‏"‏ ثم أمك ‏"‏ ‏.‏ قال ثم من قال ‏"‏ ثم أبوك ‏"‏ ‏.‏ قال نبئني يا رسول الله عن مالي كيف أتصدق فيه قال ‏"‏ نعم والله لتنبأن أن تصدق وأنت صحيح شحيح تأمل العيش وتخاف الفقر ولا تمهل حتى إذا بلغت نفسك هاهنا قلت مالي لفلان ومالي لفلان وهو لهم وإن كرهت ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > এক-তৃতীয়াংশ সম্পদে ওসিয়াত করা

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭০৯

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن طلحة بن عمرو، عن عطاء، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن الله تصدق عليكم عند وفاتكم بثلث أموالكم زيادة لكم في أعمالكم ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের মৃত্যুর সময়ও তোমাদের মাল থেকে আল্লাহ তাআলা এক-তৃতীয়াংশ ওসিয়াত করার অধিকার প্রদান করে তোমাদের নেক আমলের পরিমাণ আরো বাড়ানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। [২৭০৯] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের মৃত্যুর সময়ও তোমাদের মাল থেকে আল্লাহ তাআলা এক-তৃতীয়াংশ ওসিয়াত করার অধিকার প্রদান করে তোমাদের নেক আমলের পরিমাণ আরো বাড়ানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। [২৭০৯] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن طلحة بن عمرو، عن عطاء، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن الله تصدق عليكم عند وفاتكم بثلث أموالكم زيادة لكم في أعمالكم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭১০

حدثنا صالح بن محمد بن يحيى بن سعيد القطان، حدثنا عبيد الله بن موسى، أنبأنا مبارك بن حسان، عن نافع، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يا ابن آدم اثنتان لم تكن لك واحدة منهما جعلت لك نصيبا من مالك حين أخذت بكظمك لأطهرك به وأزكيك وصلاة عبادي عليك بعد انقضاء أجلك ‏"‏ ‏.‏

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলা বলেন, হে আদম সন্তান! দু’টি জিনিস তোমার পাওনা ছিলো না। তার একটি এই যে, তোমার মৃত্যুর সময় তোমার মাল থেকে একটি অংশ (দান-খয়রাতের জন্য) নির্দিষ্ট করে দিয়েছি, যাতে তুমি (গুনাহ থেকে) পাকসাফ হতে পারো। আর অপরটি হলো তোমার মৃত্যুর পর তোমার জন্য আমার বান্দাদের দোয়া। [২৭১০] তাহকীক আলবানীঃ দঈফ।

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলা বলেন, হে আদম সন্তান! দু’টি জিনিস তোমার পাওনা ছিলো না। তার একটি এই যে, তোমার মৃত্যুর সময় তোমার মাল থেকে একটি অংশ (দান-খয়রাতের জন্য) নির্দিষ্ট করে দিয়েছি, যাতে তুমি (গুনাহ থেকে) পাকসাফ হতে পারো। আর অপরটি হলো তোমার মৃত্যুর পর তোমার জন্য আমার বান্দাদের দোয়া। [২৭১০] তাহকীক আলবানীঃ দঈফ।

حدثنا صالح بن محمد بن يحيى بن سعيد القطان، حدثنا عبيد الله بن موسى، أنبأنا مبارك بن حسان، عن نافع، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يا ابن آدم اثنتان لم تكن لك واحدة منهما جعلت لك نصيبا من مالك حين أخذت بكظمك لأطهرك به وأزكيك وصلاة عبادي عليك بعد انقضاء أجلك ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭১১

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن ابن عباس، قال وددت أن الناس، غضوا من الثلث إلى الربع لأن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الثلث كبير - أو كثير - ‏"‏ ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আশা করি যে, লোকেরা (তাদের ওসিয়াতের পরিমাণ) এক-তৃতীয়াংশ থেকে এক-চতুর্থাংশে কমিয়ে আনুক। কেননা, রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এক-তৃতীয়াংশও বেশী বা পর্যাপ্ত হয়ে যায়। [২৭১১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আশা করি যে, লোকেরা (তাদের ওসিয়াতের পরিমাণ) এক-তৃতীয়াংশ থেকে এক-চতুর্থাংশে কমিয়ে আনুক। কেননা, রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এক-তৃতীয়াংশও বেশী বা পর্যাপ্ত হয়ে যায়। [২৭১১] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن ابن عباس، قال وددت أن الناس، غضوا من الثلث إلى الربع لأن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الثلث كبير - أو كثير - ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭০৮

حدثنا هشام بن عمار، والحسين بن الحسن المروزي، وسهل، قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن عامر بن سعد، عن أبيه، قال مرضت عام الفتح حتى أشفيت على الموت فعادني رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت أى رسول الله إن لي مالا كثيرا وليس يرثني إلا ابنتي أفأتصدق بثلثى مالي قال ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ قلت فالشطر قال ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ قلت فالثلث قال ‏"‏ الثلث والثلث كثير إنك أن تترك ورثتك أغنياء خير من أن تتركهم عالة يتكففون الناس ‏"‏ ‏.‏

সা‘দ বিন আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মক্কা বিজয়ের বছর আমি অসুস্থ হয়ে পরলাম, এমনকি আমি মুমূর্ষু অবস্থায় উপনীত হলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখতে এলে আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমার প্রচুর মাল আছে। একটি মাত্র কন্যা ব্যতীত আমার কোন ওয়ারিস নেই। আমি কি আমার দুই-তৃতীয়াংশ সম্পদ দান-খয়রাত করবো? তিনি বলেনঃ না। আমি বললাম, তাহলে অর্ধেক? তিনি বললেনঃ না। আমি বললাম, তাহলে এক-তৃতীয়াংশ? তিনি বলেনঃ এক-তৃতীয়াংশ করতে পারো, তবে এক-তৃতীয়াংশও অধিক। তুমি তোমার ওয়ারিসদেরকে সচ্ছল অবস্থায় রেখে যাবে, সেটা তাদেরকে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ানোর মত নিঃস্ব অবস্থায় রেখে যাওয়ার তুলনায় অধিক উত্তম। [২৭০৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

সা‘দ বিন আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মক্কা বিজয়ের বছর আমি অসুস্থ হয়ে পরলাম, এমনকি আমি মুমূর্ষু অবস্থায় উপনীত হলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখতে এলে আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমার প্রচুর মাল আছে। একটি মাত্র কন্যা ব্যতীত আমার কোন ওয়ারিস নেই। আমি কি আমার দুই-তৃতীয়াংশ সম্পদ দান-খয়রাত করবো? তিনি বলেনঃ না। আমি বললাম, তাহলে অর্ধেক? তিনি বললেনঃ না। আমি বললাম, তাহলে এক-তৃতীয়াংশ? তিনি বলেনঃ এক-তৃতীয়াংশ করতে পারো, তবে এক-তৃতীয়াংশও অধিক। তুমি তোমার ওয়ারিসদেরকে সচ্ছল অবস্থায় রেখে যাবে, সেটা তাদেরকে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ানোর মত নিঃস্ব অবস্থায় রেখে যাওয়ার তুলনায় অধিক উত্তম। [২৭০৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا هشام بن عمار، والحسين بن الحسن المروزي، وسهل، قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن عامر بن سعد، عن أبيه، قال مرضت عام الفتح حتى أشفيت على الموت فعادني رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت أى رسول الله إن لي مالا كثيرا وليس يرثني إلا ابنتي أفأتصدق بثلثى مالي قال ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ قلت فالشطر قال ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ قلت فالثلث قال ‏"‏ الثلث والثلث كثير إنك أن تترك ورثتك أغنياء خير من أن تتركهم عالة يتكففون الناس ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > ওয়ারিসের অনুকূলে ওসিয়াত করা যাবে না

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭১৩

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا إسماعيل بن عياش، حدثنا شرحبيل بن مسلم الخولاني، سمعت أبا أمامة الباهلي، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول في خطبته عام حجة الوداع ‏ "‏ إن الله قد أعطى كل ذي حق حقه فلا وصية لوارث ‏"‏ ‏.‏

আবূ উমামা আল-বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বিদায় হজ্জের দিন তাঁর খুতবায় বলতে শুনেছিঃ নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক প্রাপকের প্রাপ্য অংশ নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। অতএব কোন ওয়ারিসের অনুকূলে ওসিয়াত করা যাবে না। [২৭১৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবূ উমামা আল-বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বিদায় হজ্জের দিন তাঁর খুতবায় বলতে শুনেছিঃ নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক প্রাপকের প্রাপ্য অংশ নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। অতএব কোন ওয়ারিসের অনুকূলে ওসিয়াত করা যাবে না। [২৭১৩] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا إسماعيل بن عياش، حدثنا شرحبيل بن مسلم الخولاني، سمعت أبا أمامة الباهلي، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول في خطبته عام حجة الوداع ‏ "‏ إن الله قد أعطى كل ذي حق حقه فلا وصية لوارث ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭১৪

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا محمد بن شعيب بن شابور، حدثنا عبد الرحمن بن يزيد بن جابر، عن سعيد بن أبي سعيد، أنه حدثه عن أنس بن مالك، قال إني لتحت ناقة رسول الله صلى الله عليه وسلم يسيل على لعابها فسمعته يقول ‏ "‏ إن الله قد أعطى كل ذي حق حقه ألا لا وصية لوارث ‏"‏ ‏.‏

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উষ্ট্রীর নিচে ছিলাম এবং এর মুখের লালা আমার গায়ে পড়ছিল। এমতাবস্থায় আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ নিশ্চয় আল্লাহ প্রত্যেক প্রাপকের প্রাপ্য অংশ নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। সাবধান! ওয়ারিসের অনুকূলে ওসিয়াত করা যাবেনা। [২৭১৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উষ্ট্রীর নিচে ছিলাম এবং এর মুখের লালা আমার গায়ে পড়ছিল। এমতাবস্থায় আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ নিশ্চয় আল্লাহ প্রত্যেক প্রাপকের প্রাপ্য অংশ নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। সাবধান! ওয়ারিসের অনুকূলে ওসিয়াত করা যাবেনা। [২৭১৪] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا محمد بن شعيب بن شابور، حدثنا عبد الرحمن بن يزيد بن جابر، عن سعيد بن أبي سعيد، أنه حدثه عن أنس بن مالك، قال إني لتحت ناقة رسول الله صلى الله عليه وسلم يسيل على لعابها فسمعته يقول ‏ "‏ إن الله قد أعطى كل ذي حق حقه ألا لا وصية لوارث ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭১২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن شهر بن حوشب، عن عبد الرحمن بن غنم، عن عمرو بن خارجة، أن النبي صلى الله عليه وسلم خطبهم وهو على راحلته وإن راحلته لتقصع بجرتها وإن لغامها ليسيل بين كتفى قال ‏"‏ إن الله قسم لكل وارث نصيبه من الميراث فلا يجوز لوارث وصية الولد للفراش وللعاهر الحجر ومن ادعى إلى غير أبيه أو تولى غير مواليه فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين لا يقبل منه صرف ولا عدل ‏"‏ ‏.‏ أو قال ‏"‏ عدل ولا صرف ‏"‏ ‏.‏

আমর বিন খারিজাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর জন্ত্তযানে আরোহিত অবস্থায় তাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। জন্ত্তটি তখন জাবর কাটছিল এবং মুখের লালা আমার উভয় কাঁধের মাঝখান দিয়ে পড়ছিল। তিনি বলেনঃ আল্লাহ তাআলা (মৃতের) পরিত্যক্ত মালে প্রত্যেক ওয়ারিসের অংশ নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। তাই কোন ওয়ারিসের অনুকূলে ওসিয়াত করা জায়েয নয়। সন্তান যার অধীন সন্তানের মালিকানা তার, যেনাকারীর জন্য রয়েছে পাথর। যে ব্যক্তি তার পিতাকে বাদ দিয়ে অন্যের সন্তান বলে পরিচয় দেয় অথবা নিজের মনিবকে ত্যাগ ক‘রে অপরকে মনিব বলে পরিচয় দেয়, তার উপর আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাকুল এবং সকল মানুষের অভিশাপ। তার নফল বা ফরয কোন ইবাদাতই কবুল করা হবেনা। [২৭১২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আমর বিন খারিজাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর জন্ত্তযানে আরোহিত অবস্থায় তাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। জন্ত্তটি তখন জাবর কাটছিল এবং মুখের লালা আমার উভয় কাঁধের মাঝখান দিয়ে পড়ছিল। তিনি বলেনঃ আল্লাহ তাআলা (মৃতের) পরিত্যক্ত মালে প্রত্যেক ওয়ারিসের অংশ নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। তাই কোন ওয়ারিসের অনুকূলে ওসিয়াত করা জায়েয নয়। সন্তান যার অধীন সন্তানের মালিকানা তার, যেনাকারীর জন্য রয়েছে পাথর। যে ব্যক্তি তার পিতাকে বাদ দিয়ে অন্যের সন্তান বলে পরিচয় দেয় অথবা নিজের মনিবকে ত্যাগ ক‘রে অপরকে মনিব বলে পরিচয় দেয়, তার উপর আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাকুল এবং সকল মানুষের অভিশাপ। তার নফল বা ফরয কোন ইবাদাতই কবুল করা হবেনা। [২৭১২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن شهر بن حوشب، عن عبد الرحمن بن غنم، عن عمرو بن خارجة، أن النبي صلى الله عليه وسلم خطبهم وهو على راحلته وإن راحلته لتقصع بجرتها وإن لغامها ليسيل بين كتفى قال ‏"‏ إن الله قسم لكل وارث نصيبه من الميراث فلا يجوز لوارث وصية الولد للفراش وللعاهر الحجر ومن ادعى إلى غير أبيه أو تولى غير مواليه فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين لا يقبل منه صرف ولا عدل ‏"‏ ‏.‏ أو قال ‏"‏ عدل ولا صرف ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00