সুনানে ইবনে মাজাহ > রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি ওসিয়াত করেছিলেন?

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬৯৫

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي وأبو معاوية ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا أبو معاوية، - قال أبو بكر وعبد الله بن نمير - عن الأعمش، عن شقيق، عن مسروق، عن عائشة، قالت ما ترك رسول الله صلى الله عليه وسلم دينارا ولا درهما ولا شاة ولا بعيرا ولا أوصى بشىء ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দীনার-দিরহাম (নগদ অর্থ) বা উট-ছাগল কিছুই রেখে যাননি এবং তিনি কোন কিছুর ওসিয়াতও করেননি। [২৬৯৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দীনার-দিরহাম (নগদ অর্থ) বা উট-ছাগল কিছুই রেখে যাননি এবং তিনি কোন কিছুর ওসিয়াতও করেননি। [২৬৯৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي وأبو معاوية ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا أبو معاوية، - قال أبو بكر وعبد الله بن نمير - عن الأعمش، عن شقيق، عن مسروق، عن عائشة، قالت ما ترك رسول الله صلى الله عليه وسلم دينارا ولا درهما ولا شاة ولا بعيرا ولا أوصى بشىء ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬৯৭

حدثنا أحمد بن المقدام، حدثنا المعتمر بن سليمان، سمعت أبي يحدث، عن قتادة، عن أنس بن مالك، قال كانت عامة وصية رسول الله صلى الله عليه وسلم حين حضرته الوفاة وهو يغرغر بنفسه ‏ "‏ الصلاة وما ملكت أيمانكم ‏"‏ ‏.‏

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অন্তিম মুহূর্তে তাঁর শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তার ওসিয়াত এই ছিল যে, “নামায পড়বে এবং তোমাদের দাস-দাসীর সাথে সদ্ব্যবহার করবে”। [২৬৯৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অন্তিম মুহূর্তে তাঁর শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তার ওসিয়াত এই ছিল যে, “নামায পড়বে এবং তোমাদের দাস-দাসীর সাথে সদ্ব্যবহার করবে”। [২৬৯৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا أحمد بن المقدام، حدثنا المعتمر بن سليمان، سمعت أبي يحدث، عن قتادة، عن أنس بن مالك، قال كانت عامة وصية رسول الله صلى الله عليه وسلم حين حضرته الوفاة وهو يغرغر بنفسه ‏ "‏ الصلاة وما ملكت أيمانكم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬৯৮

حدثنا سهل بن أبي سهل، حدثنا محمد بن فضيل، عن مغيرة، عن أم موسى، عن علي بن أبي طالب، قال كان آخر كلام النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الصلاة وما ملكت أيمانكم ‏"‏ ‏.‏

আলী বিন আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর শেষ কথা ছিলঃ “নামায পড়বে এবং তোমাদের দাস-দাসীর সাথে সদাচার করবে”। [২৬৯৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আলী বিন আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর শেষ কথা ছিলঃ “নামায পড়বে এবং তোমাদের দাস-দাসীর সাথে সদাচার করবে”। [২৬৯৮] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا سهل بن أبي سهل، حدثنا محمد بن فضيل، عن مغيرة، عن أم موسى، عن علي بن أبي طالب، قال كان آخر كلام النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الصلاة وما ملكت أيمانكم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬৯৬

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن مالك بن مغول، عن طلحة بن مصرف، قال قلت لعبد الله بن أبي أوفى أوصى رسول الله صلى الله عليه وسلم بشىء قال لا ‏.‏ قلت فكيف أمر المسلمين بالوصية قال أوصى بكتاب الله ‏.‏ قال مالك وقال طلحة بن مصرف قال الهزيل بن شرحبيل أبو بكر كان يتأمر على وصي رسول الله صلى الله عليه وسلم ود أبو بكر أنه وجد من رسول الله صلى الله عليه وسلم عهدا فخزم أنفه بخزام ‏.‏

তালহাহ বিন মুসাররিফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আবদুল্লাহ বিন আবূ আওফা (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি ওসিয়াত করেছিলেন? তিনি বলেন, না। আমি জিজ্ঞেস করলাম, তাহলে তিনি মুসলমানদের কিভাবে ওসিয়াতের নির্দেশ দিলেন? তিনি বলেন, তিনি আল্লাহর কিতাব অনুসারে ওসিয়াত করেছেন। হুযাইল বিন শরাহবীল বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ওসিয়াতকৃত ব্যক্তির (ওসী) উপর কর্তৃত্ব করার ক্ষমতা আবূ বাকর (রাঃ)-এর ছিল না। আবূ বাকর (রাঃ)-র অবস্থা এই ছিল যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নির্দেশ পেলে অনুগত উটের ন্যায় নিজের নাকে লাগাম পরিয়ে দিতেন। [২৬৯৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

তালহাহ বিন মুসাররিফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আবদুল্লাহ বিন আবূ আওফা (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি ওসিয়াত করেছিলেন? তিনি বলেন, না। আমি জিজ্ঞেস করলাম, তাহলে তিনি মুসলমানদের কিভাবে ওসিয়াতের নির্দেশ দিলেন? তিনি বলেন, তিনি আল্লাহর কিতাব অনুসারে ওসিয়াত করেছেন। হুযাইল বিন শরাহবীল বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ওসিয়াতকৃত ব্যক্তির (ওসী) উপর কর্তৃত্ব করার ক্ষমতা আবূ বাকর (রাঃ)-এর ছিল না। আবূ বাকর (রাঃ)-র অবস্থা এই ছিল যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নির্দেশ পেলে অনুগত উটের ন্যায় নিজের নাকে লাগাম পরিয়ে দিতেন। [২৬৯৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن مالك بن مغول، عن طلحة بن مصرف، قال قلت لعبد الله بن أبي أوفى أوصى رسول الله صلى الله عليه وسلم بشىء قال لا ‏.‏ قلت فكيف أمر المسلمين بالوصية قال أوصى بكتاب الله ‏.‏ قال مالك وقال طلحة بن مصرف قال الهزيل بن شرحبيل أبو بكر كان يتأمر على وصي رسول الله صلى الله عليه وسلم ود أبو بكر أنه وجد من رسول الله صلى الله عليه وسلم عهدا فخزم أنفه بخزام ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > ওসিয়াত করতে উৎসাহিত করা

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬৯৯

حدثنا علي بن محمد، حدثنا عبد الله بن نمير، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ما حق امرئ مسلم أن يبيت ليلتين وله شىء يوصي فيه إلا ووصيته مكتوبة عنده ‏"‏ ‏.‏

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন মুসলমানের নিকট ওসিয়াত করার মত জিনিস থাকলে তার ওসিয়াতনামা তার নিকট লিপিবদ্ধ আকারে না রেখে দু’টি রাতও অতিবাহিত করা তার জন্য বৈধ নয়। [২৬৯৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন মুসলমানের নিকট ওসিয়াত করার মত জিনিস থাকলে তার ওসিয়াতনামা তার নিকট লিপিবদ্ধ আকারে না রেখে দু’টি রাতও অতিবাহিত করা তার জন্য বৈধ নয়। [২৬৯৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا علي بن محمد، حدثنا عبد الله بن نمير، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ما حق امرئ مسلم أن يبيت ليلتين وله شىء يوصي فيه إلا ووصيته مكتوبة عنده ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭০০

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا درست بن زياد، حدثنا يزيد الرقاشي، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ المحروم من حرم وصيته ‏"‏ ‏.‏

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: বঞ্চিত সেই ব্যক্তি যে ওসিয়াত করা থেকে বঞ্চিত থাকে। [২৭০০] তাহকীক আলবানী: দঈফ।

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: বঞ্চিত সেই ব্যক্তি যে ওসিয়াত করা থেকে বঞ্চিত থাকে। [২৭০০] তাহকীক আলবানী: দঈফ।

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا درست بن زياد، حدثنا يزيد الرقاشي، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ المحروم من حرم وصيته ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭০১

حدثنا محمد بن المصفى الحمصي، حدثنا بقية بن الوليد، عن يزيد بن عوف، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من مات على وصية مات على سبيل وسنة ومات على تقى وشهادة ومات مغفورا له ‏"‏ ‏.‏

জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ওসিয়াত করে মারা গেলো সে সঠিক পথে ও সুন্নাতের উপরই মারা গেলো, তাকওয়া ও শহীদী দরজা পেয়ে মারা গেলো এবং গুনাহ মাফ পেয়ে মারা গেলো। [২৭০১] তাহকীক আলবানীঃ দঈফ।

জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ওসিয়াত করে মারা গেলো সে সঠিক পথে ও সুন্নাতের উপরই মারা গেলো, তাকওয়া ও শহীদী দরজা পেয়ে মারা গেলো এবং গুনাহ মাফ পেয়ে মারা গেলো। [২৭০১] তাহকীক আলবানীঃ দঈফ।

حدثنا محمد بن المصفى الحمصي، حدثنا بقية بن الوليد، عن يزيد بن عوف، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من مات على وصية مات على سبيل وسنة ومات على تقى وشهادة ومات مغفورا له ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭০২

حدثنا محمد بن معمر، حدثنا روح بن عوف، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ما حق امرئ مسلم يبيت ليلتين وله شىء يوصي به إلا ووصيته مكتوبة عنده ‏"‏ ‏.‏

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কোন মুসলমানের নিকট ওসিয়াতযোগ্য জিনিস থাকা সত্ত্বেও তার ওয়াসিয়াতনামা তার কাছে লিখিত আকারে না রেখে দু’টি রাতও অতিবাহিত করার অধিকার তার নাই। [২৭০২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কোন মুসলমানের নিকট ওসিয়াতযোগ্য জিনিস থাকা সত্ত্বেও তার ওয়াসিয়াতনামা তার কাছে লিখিত আকারে না রেখে দু’টি রাতও অতিবাহিত করার অধিকার তার নাই। [২৭০২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا محمد بن معمر، حدثنا روح بن عوف، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ما حق امرئ مسلم يبيت ليلتين وله شىء يوصي به إلا ووصيته مكتوبة عنده ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > ওসিয়াতের মধ্যে জুলুম করা

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭০৩

حدثنا سويد بن سعيد، حدثنا عبد الرحيم بن زيد العمي، عن أبيه، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من فر من ميراث وارثه قطع الله ميراثه من الجنة يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি তার ওয়ারিসকে মীরাস দেয়া থেকে পশ্চাদপসরণ করে, কিয়ামাতের দিন আল্লাহ তাকে জান্নাতের অংশীদার হওয়া থেকে বঞ্চিত করবেন। [২৭০৩] তাহকীক আলবানী: দঈফ।

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি তার ওয়ারিসকে মীরাস দেয়া থেকে পশ্চাদপসরণ করে, কিয়ামাতের দিন আল্লাহ তাকে জান্নাতের অংশীদার হওয়া থেকে বঞ্চিত করবেন। [২৭০৩] তাহকীক আলবানী: দঈফ।

حدثنا سويد بن سعيد، حدثنا عبد الرحيم بن زيد العمي، عن أبيه، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من فر من ميراث وارثه قطع الله ميراثه من الجنة يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭০৫

حدثنا يحيى بن عثمان بن سعيد بن كثير بن دينار الحمصي، حدثنا بقية، عن أبي حلبس، عن خليد بن أبي خليد، عن معاوية بن قرة، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من حضرته الوفاة فأوصى وكانت وصيته على كتاب الله كانت كفارة لما ترك من زكاته في حياته ‏"‏ ‏.‏

কুররাহ বিন ইয়াস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ অন্তিমকালে আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী ওসিয়াত করলে, সে তার জীবনে যে যাকাত দেয়নি এটা তার কাফফারাস্বরূপ। [২৭০৫] তাহকীক আলবানী: দঈফ।

কুররাহ বিন ইয়াস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ অন্তিমকালে আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী ওসিয়াত করলে, সে তার জীবনে যে যাকাত দেয়নি এটা তার কাফফারাস্বরূপ। [২৭০৫] তাহকীক আলবানী: দঈফ।

حدثنا يحيى بن عثمان بن سعيد بن كثير بن دينار الحمصي، حدثنا بقية، عن أبي حلبس، عن خليد بن أبي خليد، عن معاوية بن قرة، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من حضرته الوفاة فأوصى وكانت وصيته على كتاب الله كانت كفارة لما ترك من زكاته في حياته ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭০৪

حدثنا أحمد بن الأزهر، حدثنا عبد الرزاق بن همام، أنبأنا معمر، عن أشعث بن عبد الله، عن شهر بن حوشب، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن الرجل ليعمل بعمل أهل الخير سبعين سنة فإذا أوصى حاف في وصيته فيختم له بشر عمله فيدخل النار وإن الرجل ليعمل بعمل أهل الشر سبعين سنة فيعدل في وصيته فيختم له بخير عمله فيدخل الجنة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو هريرة واقرءوا إن شئتم ‏{تلك حدود الله}‏ إلى قوله {عذاب مهين}‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন ব্যক্তি একাধারে সত্তর বছর যাবত উত্তম কাজ করলো, অতঃপর ওসিয়াতের মাধ্যমে যুলুম করলো, ফলে খারাপ কাজের দ্বারা তার জীবনের সমাপ্তি হলো, সে জাহান্নামে যাবে। আবার কোন লোক একাধারে সত্তর বছর ধরে খারাপ কাজ করলো, অতঃপর ওসিয়াতের মাধ্যমে ন্যায়সঙ্গত কাজ করলো, ফলে ভালো কাজের দ্বারা তার জীবনের সমাপ্তি হলো, সে জান্নাতে যাবে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, তোমরা ইচ্ছা করলে (কুরআনের এ আয়াত) পড়তে পারো (অনুবাদ) : “এসব আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করলে আল্লাহ তাকে জান্নাতে দাখিল করবেন, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত। সেখানে তারা স্থায়ী হবে। এটা এক মহাসাফল্য। আর কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্য হলে এবং তাঁর নির্ধারিত সীমা লংঘন করলে তিনি তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন। সেখানে সে স্থায়ী হবে, তার জন্য রয়েছে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি”। (সূরা নিসা: ১৩-১৪)। [২৭০৪] তাহকীক আলবানী: দঈফ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন ব্যক্তি একাধারে সত্তর বছর যাবত উত্তম কাজ করলো, অতঃপর ওসিয়াতের মাধ্যমে যুলুম করলো, ফলে খারাপ কাজের দ্বারা তার জীবনের সমাপ্তি হলো, সে জাহান্নামে যাবে। আবার কোন লোক একাধারে সত্তর বছর ধরে খারাপ কাজ করলো, অতঃপর ওসিয়াতের মাধ্যমে ন্যায়সঙ্গত কাজ করলো, ফলে ভালো কাজের দ্বারা তার জীবনের সমাপ্তি হলো, সে জান্নাতে যাবে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, তোমরা ইচ্ছা করলে (কুরআনের এ আয়াত) পড়তে পারো (অনুবাদ) : “এসব আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করলে আল্লাহ তাকে জান্নাতে দাখিল করবেন, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত। সেখানে তারা স্থায়ী হবে। এটা এক মহাসাফল্য। আর কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্য হলে এবং তাঁর নির্ধারিত সীমা লংঘন করলে তিনি তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন। সেখানে সে স্থায়ী হবে, তার জন্য রয়েছে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি”। (সূরা নিসা: ১৩-১৪)। [২৭০৪] তাহকীক আলবানী: দঈফ।

حدثنا أحمد بن الأزهر، حدثنا عبد الرزاق بن همام، أنبأنا معمر، عن أشعث بن عبد الله، عن شهر بن حوشب، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن الرجل ليعمل بعمل أهل الخير سبعين سنة فإذا أوصى حاف في وصيته فيختم له بشر عمله فيدخل النار وإن الرجل ليعمل بعمل أهل الشر سبعين سنة فيعدل في وصيته فيختم له بخير عمله فيدخل الجنة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو هريرة واقرءوا إن شئتم ‏{تلك حدود الله}‏ إلى قوله {عذاب مهين}‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > জীবিতকালে কৃপণতা এবং মরণকালে অযাচিত অপব্যয় নিষিদ্ধ

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭০৭

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا حريز بن عثمان، حدثني عبد الرحمن بن ميسرة، عن جبير بن نفير، عن بسر بن جحاش القرشي، قال بزق النبي صلى الله عليه وسلم في كفه ثم وضع أصبعه السبابة وقال ‏ "‏ يقول الله عز وجل أنى تعجزني ابن آدم وقد خلقتك من مثل هذه فإذا بلغت نفسك هذه - وأشار إلى حلقه - قلت أتصدق وأنى أوان الصدقة ‏"‏ ‏.‏

বুস্র বিন জাহ্হাশ আল-কুরাশী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হাতের তালুতে থুতু ফেলে তার অপর তাঁর হাতের শাহাদাত আঙ্গুল রেখে বলেন, মহামহিম আল্লাহ বলেন, আদম-সন্তান আমাকে কিভাবে অক্ষম করবে, অথচ আমি তোমাকে সৃষ্টি করেছি এর অনুরূপ জিনিস থেকে। অতঃপর তোমার জান যখন এ পর্যন্ত পৌছবে, তিনি তাঁর কণ্ঠনালীর দিকে ইশারা করলেন, তখন তুমি বলবে, আমি দান করবো। অথচ তখন দান-খয়রাত করার সুযোগ কোথায়? [২৭০৭] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

বুস্র বিন জাহ্হাশ আল-কুরাশী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর হাতের তালুতে থুতু ফেলে তার অপর তাঁর হাতের শাহাদাত আঙ্গুল রেখে বলেন, মহামহিম আল্লাহ বলেন, আদম-সন্তান আমাকে কিভাবে অক্ষম করবে, অথচ আমি তোমাকে সৃষ্টি করেছি এর অনুরূপ জিনিস থেকে। অতঃপর তোমার জান যখন এ পর্যন্ত পৌছবে, তিনি তাঁর কণ্ঠনালীর দিকে ইশারা করলেন, তখন তুমি বলবে, আমি দান করবো। অথচ তখন দান-খয়রাত করার সুযোগ কোথায়? [২৭০৭] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا حريز بن عثمان، حدثني عبد الرحمن بن ميسرة، عن جبير بن نفير، عن بسر بن جحاش القرشي، قال بزق النبي صلى الله عليه وسلم في كفه ثم وضع أصبعه السبابة وقال ‏ "‏ يقول الله عز وجل أنى تعجزني ابن آدم وقد خلقتك من مثل هذه فإذا بلغت نفسك هذه - وأشار إلى حلقه - قلت أتصدق وأنى أوان الصدقة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৭০৬

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شريك، عن عمارة بن القعقاع، وابن، شبرمة عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله نبئني بأحق الناس مني بحسن الصحبة فقال ‏"‏ نعم وأبيك لتنبأن أمك ‏"‏ ‏.‏ قال ثم من قال ‏"‏ ثم أمك ‏"‏ ‏.‏ قال ثم من قال ‏"‏ ثم أمك ‏"‏ ‏.‏ قال ثم من قال ‏"‏ ثم أبوك ‏"‏ ‏.‏ قال نبئني يا رسول الله عن مالي كيف أتصدق فيه قال ‏"‏ نعم والله لتنبأن أن تصدق وأنت صحيح شحيح تأمل العيش وتخاف الفقر ولا تمهل حتى إذا بلغت نفسك هاهنا قلت مالي لفلان ومالي لفلان وهو لهم وإن كرهت ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাকে অবহিত করুন যে, লোকের মধ্যে কে আমার উত্তম সাহচর্যের অধিক দাবিদার। তিনি বলেনঃ হাঁ, তোমার পিতার শপথ! তোমাকে অবশ্যই অবহিত করা হবে, তোমার মা। সে বললো, তারপর কে? তিনি বলেনঃ তারপর তোমার মা। সে বললো, তারপর কে? তিনি বলেনঃ তারপর তোমার মা। সে বললো, তারপর কে? তিনি বলেনঃ তারপর তোমার পিতা। লোকটি বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাকে অবহিত করুন যে, আমার মাল থেকে আমি কিভাবে দান-খয়রাত করবো? তিনি বলেন: হাঁ, আল্লাহর শপথ! তোমাকে অবশ্যই বলা হবে। তুমি সুস্থ অবস্থায়, সম্পদের প্রতি তোমার আকর্ষণ থাকতে, উত্তমরূপে জীবন যাপনের আশা রেখে এবং দারিদ্রের আশঙ্কা জাগ্রত রেখে দান-খয়রাত করো, কিন্তু বিলম্ব করো না। শেষে যখন তোমার জান এখানে (কন্ঠনালীতে) এসে পৌঁছবে তখন তুমি বলবে আমার এই মাল অমুকের জন্য, আমার এই মাল অমুকের জন্য। অথচ তখন তা তাদের (ওয়ারিসদের) জন্য হয়েই গেছে, যদিও তুমি তা অপছন্দ করো। [২৭০৬] তাহকীক আলবানী : সহীহ।

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাকে অবহিত করুন যে, লোকের মধ্যে কে আমার উত্তম সাহচর্যের অধিক দাবিদার। তিনি বলেনঃ হাঁ, তোমার পিতার শপথ! তোমাকে অবশ্যই অবহিত করা হবে, তোমার মা। সে বললো, তারপর কে? তিনি বলেনঃ তারপর তোমার মা। সে বললো, তারপর কে? তিনি বলেনঃ তারপর তোমার মা। সে বললো, তারপর কে? তিনি বলেনঃ তারপর তোমার পিতা। লোকটি বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাকে অবহিত করুন যে, আমার মাল থেকে আমি কিভাবে দান-খয়রাত করবো? তিনি বলেন: হাঁ, আল্লাহর শপথ! তোমাকে অবশ্যই বলা হবে। তুমি সুস্থ অবস্থায়, সম্পদের প্রতি তোমার আকর্ষণ থাকতে, উত্তমরূপে জীবন যাপনের আশা রেখে এবং দারিদ্রের আশঙ্কা জাগ্রত রেখে দান-খয়রাত করো, কিন্তু বিলম্ব করো না। শেষে যখন তোমার জান এখানে (কন্ঠনালীতে) এসে পৌঁছবে তখন তুমি বলবে আমার এই মাল অমুকের জন্য, আমার এই মাল অমুকের জন্য। অথচ তখন তা তাদের (ওয়ারিসদের) জন্য হয়েই গেছে, যদিও তুমি তা অপছন্দ করো। [২৭০৬] তাহকীক আলবানী : সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شريك، عن عمارة بن القعقاع، وابن، شبرمة عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله نبئني بأحق الناس مني بحسن الصحبة فقال ‏"‏ نعم وأبيك لتنبأن أمك ‏"‏ ‏.‏ قال ثم من قال ‏"‏ ثم أمك ‏"‏ ‏.‏ قال ثم من قال ‏"‏ ثم أمك ‏"‏ ‏.‏ قال ثم من قال ‏"‏ ثم أبوك ‏"‏ ‏.‏ قال نبئني يا رسول الله عن مالي كيف أتصدق فيه قال ‏"‏ نعم والله لتنبأن أن تصدق وأنت صحيح شحيح تأمل العيش وتخاف الفقر ولا تمهل حتى إذا بلغت نفسك هاهنا قلت مالي لفلان ومالي لفلان وهو لهم وإن كرهت ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00