সুনানে ইবনে মাজাহ > যে সব অপরাধের ক্ষেত্রে কিসাস বাধ্যকর হয় না
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬৩৭
حدثنا أبو كريب، حدثنا رشدين بن سعد، عن معاوية بن صالح، عن معاذ بن محمد الأنصاري، عن ابن صهبان، عن العباس بن عبد المطلب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا قود في المأمومة ولا الجائفة ولا المنقلة " .
আব্বাস বিন আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মস্তিস্কের মূলে (আঘাত) না পৌঁছালে, পেটের অভ্যন্তরে (আঘাত) না পৌঁছালে এবং হাড় ভেঙ্গে স্থানচ্যুত না হলে তাতে কিসাস নেই। [২৬৩৭]
আব্বাস বিন আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মস্তিস্কের মূলে (আঘাত) না পৌঁছালে, পেটের অভ্যন্তরে (আঘাত) না পৌঁছালে এবং হাড় ভেঙ্গে স্থানচ্যুত না হলে তাতে কিসাস নেই। [২৬৩৭]
حدثنا أبو كريب، حدثنا رشدين بن سعد، عن معاوية بن صالح، عن معاذ بن محمد الأنصاري، عن ابن صهبان، عن العباس بن عبد المطلب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا قود في المأمومة ولا الجائفة ولا المنقلة " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬৩৬
حدثنا محمد بن الصباح، وعمار بن خالد الواسطي، حدثنا أبو بكر بن عياش، عن دهثم بن قران، حدثني نمران بن جارية، عن أبيه، أن رجلا، ضرب رجلا على ساعده بالسيف فقطعها من غير مفصل فاستعدى عليه النبي صلى الله عليه وسلم فأمر له بالدية فقال يا رسول الله إني أريد القصاص . فقال " خذ الدية بارك الله لك فيها " . ولم يقض له بالقصاص .
জারিয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যাক্তি অপর ব্যাক্তির বাহুতে তরবারি দ্বারা আঘাত করে তা গ্রন্থির বাইরে থেকে কেটে ফেলে। আহত ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট মামলা রুজু করলো। তিনি তাকে দিয়াত প্রদানের নির্দেশ দিলেন। সে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কিসাস দাবী করছি। তিনি বলেনঃ তুমি দিয়াত গ্রহন করো, আল্লাহ এতে তোমায় বরকত দান করুন। তিনি তার পক্ষে কিসাসের রায় দেননি। [২৬৩৬]
জারিয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যাক্তি অপর ব্যাক্তির বাহুতে তরবারি দ্বারা আঘাত করে তা গ্রন্থির বাইরে থেকে কেটে ফেলে। আহত ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট মামলা রুজু করলো। তিনি তাকে দিয়াত প্রদানের নির্দেশ দিলেন। সে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কিসাস দাবী করছি। তিনি বলেনঃ তুমি দিয়াত গ্রহন করো, আল্লাহ এতে তোমায় বরকত দান করুন। তিনি তার পক্ষে কিসাসের রায় দেননি। [২৬৩৬]
حدثنا محمد بن الصباح، وعمار بن خالد الواسطي، حدثنا أبو بكر بن عياش، عن دهثم بن قران، حدثني نمران بن جارية، عن أبيه، أن رجلا، ضرب رجلا على ساعده بالسيف فقطعها من غير مفصل فاستعدى عليه النبي صلى الله عليه وسلم فأمر له بالدية فقال يا رسول الله إني أريد القصاص . فقال " خذ الدية بارك الله لك فيها " . ولم يقض له بالقصاص .
সুনানে ইবনে মাজাহ > জখমকারী কিসাসের পরিবর্তে ফিদ্য়া দিলে
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬৩৮
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا عبد الرزاق، أنبأنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث أبا جهم بن حذيفة مصدقا فلاجه رجل في صدقته فضربه أبو جهم فشجه فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا القود يا رسول الله . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لكم كذا وكذا " . فلم يرضوا فقال " لكم كذا وكذا " . فرضوا فقال النبي صلى الله عليه وسلم " إني خاطب على الناس ومخبرهم برضاكم " . قالوا نعم . فخطب النبي صلى الله عليه وسلم فقال " إن هؤلاء الليثيين أتوني يريدون القود فعرضت عليهم كذا وكذا أرضيتم " . قالوا لا . فهم بهم المهاجرون فأمر النبي صلى الله عليه وسلم أن يكفوا فكفوا ثم دعاهم فزادهم فقال " أرضيتم " . قالوا نعم . قال " إني خاطب على الناس ومخبرهم برضاكم " . قالوا نعم . فخطب النبي صلى الله عليه وسلم ثم قال " أرضيتم " . قالوا نعم . قال ابن ماجه سمعت محمد بن يحيى يقول تفرد بهذا معمر لا أعلم رواه غيره .
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ জাহম বিন হুযায়ফা (রাঃ) কে যাকাত আদায়কারী নিয়োগ করে পাঠান। এক ব্যক্তি তার যাকাতের ব্যাপারে তার সাথে বিবাদে লিপ্ত হয়। আবূ জাহম (রাঃ) তাকে আঘাত করলে তার মাথা ফেটে যায়। সেই গোত্রের লোকজন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা কিসাস দাবী করছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা এতো এতো পরিমান মাল পাবে। কিন্তু তারা তাতে রাজী হলো না। তিনি বলেনঃ তোমরা এতো এতো পরিমান মাল পাবে। এবার তারা রাযী হয়ে গেল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি কি লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে তোমাদের রাজী হওয়ার বিষয়টি জানিয়ে দিবো? তারা বললো, হাঁ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভাষণ দেন এবং বলেনঃ এই লাইস গোত্রের লোকজন আমার নিকট কিসাসের দাবী নিয়ে এসেছে। আমি তাদেরকে এতো এতো পরিমান মাল প্রদানের প্রস্তাব করে জিজ্ঞেস করলামঃ তোমরা কি সম্মত হলে? তারা বললো, না। এতে মুহাজিরগণ ক্ষিপ্ত হয়ে তাদেরকে শাস্তি দিতে উদ্যত হলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বিরত হতে নির্দেশ দিলে তারা বিরত হন। তিনি মালের পরিমান আরো বাড়িয়ে তাদেরকে পুনরায় প্রস্তাব দিয়ে বলেনঃ তোমরা কি সম্মত হলে? তারা বললো, হাঁ। তিনি বলেন, আমি কি লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে তাদেরকে তোমাদের সম্মত হওয়ার বিষয়টি জানিয়ে দিবো? তারা বললো, হাঁ। অতএব নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভাষণ দিলেন, অতঃপর জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কি সম্মত হয়েছ? তারা বললো, হাঁ। ইমাম ইবনু মাজা (রহঃ) বলেন, আমি মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি, এ হাদীসটি বর্ণনার ক্ষেত্রে মা‘মার নিঃসঙ্গ। তিনি ছাড়া অপর কেউ এটি রিওয়ায়াত করেছেন কিনা তা আমার জানা নেই। [২৬৩৮]
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ জাহম বিন হুযায়ফা (রাঃ) কে যাকাত আদায়কারী নিয়োগ করে পাঠান। এক ব্যক্তি তার যাকাতের ব্যাপারে তার সাথে বিবাদে লিপ্ত হয়। আবূ জাহম (রাঃ) তাকে আঘাত করলে তার মাথা ফেটে যায়। সেই গোত্রের লোকজন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা কিসাস দাবী করছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা এতো এতো পরিমান মাল পাবে। কিন্তু তারা তাতে রাজী হলো না। তিনি বলেনঃ তোমরা এতো এতো পরিমান মাল পাবে। এবার তারা রাযী হয়ে গেল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি কি লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে তোমাদের রাজী হওয়ার বিষয়টি জানিয়ে দিবো? তারা বললো, হাঁ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভাষণ দেন এবং বলেনঃ এই লাইস গোত্রের লোকজন আমার নিকট কিসাসের দাবী নিয়ে এসেছে। আমি তাদেরকে এতো এতো পরিমান মাল প্রদানের প্রস্তাব করে জিজ্ঞেস করলামঃ তোমরা কি সম্মত হলে? তারা বললো, না। এতে মুহাজিরগণ ক্ষিপ্ত হয়ে তাদেরকে শাস্তি দিতে উদ্যত হলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বিরত হতে নির্দেশ দিলে তারা বিরত হন। তিনি মালের পরিমান আরো বাড়িয়ে তাদেরকে পুনরায় প্রস্তাব দিয়ে বলেনঃ তোমরা কি সম্মত হলে? তারা বললো, হাঁ। তিনি বলেন, আমি কি লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে তাদেরকে তোমাদের সম্মত হওয়ার বিষয়টি জানিয়ে দিবো? তারা বললো, হাঁ। অতএব নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভাষণ দিলেন, অতঃপর জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কি সম্মত হয়েছ? তারা বললো, হাঁ। ইমাম ইবনু মাজা (রহঃ) বলেন, আমি মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি, এ হাদীসটি বর্ণনার ক্ষেত্রে মা‘মার নিঃসঙ্গ। তিনি ছাড়া অপর কেউ এটি রিওয়ায়াত করেছেন কিনা তা আমার জানা নেই। [২৬৩৮]
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا عبد الرزاق، أنبأنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث أبا جهم بن حذيفة مصدقا فلاجه رجل في صدقته فضربه أبو جهم فشجه فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا القود يا رسول الله . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لكم كذا وكذا " . فلم يرضوا فقال " لكم كذا وكذا " . فرضوا فقال النبي صلى الله عليه وسلم " إني خاطب على الناس ومخبرهم برضاكم " . قالوا نعم . فخطب النبي صلى الله عليه وسلم فقال " إن هؤلاء الليثيين أتوني يريدون القود فعرضت عليهم كذا وكذا أرضيتم " . قالوا لا . فهم بهم المهاجرون فأمر النبي صلى الله عليه وسلم أن يكفوا فكفوا ثم دعاهم فزادهم فقال " أرضيتم " . قالوا نعم . قال " إني خاطب على الناس ومخبرهم برضاكم " . قالوا نعم . فخطب النبي صلى الله عليه وسلم ثم قال " أرضيتم " . قالوا نعم . قال ابن ماجه سمعت محمد بن يحيى يقول تفرد بهذا معمر لا أعلم رواه غيره .
সুনানে ইবনে মাজাহ > গর্ভস্থ ভ্রুণের দিয়াত
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬৩৯
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن بشر، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم في الجنين بغرة عبد أو أمة فقال الذي قضي عليه أنعقل من لا شرب ولا أكل ولا صاح ولا استهل ومثل ذلك يطل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن هذا ليقول بقول شاعر فيه غرة عبد أو أمة " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গর্ভস্থ ভ্রুণের দিয়াত বাবত একটি ক্রীতদাস অথবা একটি ক্রীতদাসী নির্ধারণ করেন। তিনি যার উপর দিয়াত ধার্য করেন সে বললো, আমরা কি এমন মানুষের দিয়াত দিব যে না পান করেছে, না চীৎকার করেছে আর না শব্দ করে কেঁদেছে? এর রক্ত (দিয়াত) তো বাতিল, অর্থহীন! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, লোকটি তো কবিসুলভ কথা বলছে। ভ্রুণের জন্য একটি ক্রীতদাস অথবা একটি ক্রীতদাসী দিয়াতস্বরূপ দিতে হবে। [২৬৩৯]
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গর্ভস্থ ভ্রুণের দিয়াত বাবত একটি ক্রীতদাস অথবা একটি ক্রীতদাসী নির্ধারণ করেন। তিনি যার উপর দিয়াত ধার্য করেন সে বললো, আমরা কি এমন মানুষের দিয়াত দিব যে না পান করেছে, না চীৎকার করেছে আর না শব্দ করে কেঁদেছে? এর রক্ত (দিয়াত) তো বাতিল, অর্থহীন! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, লোকটি তো কবিসুলভ কথা বলছে। ভ্রুণের জন্য একটি ক্রীতদাস অথবা একটি ক্রীতদাসী দিয়াতস্বরূপ দিতে হবে। [২৬৩৯]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن بشر، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم في الجنين بغرة عبد أو أمة فقال الذي قضي عليه أنعقل من لا شرب ولا أكل ولا صاح ولا استهل ومثل ذلك يطل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن هذا ليقول بقول شاعر فيه غرة عبد أو أمة " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬৪০
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا وكيع، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن المسور بن مخرمة، قال استشار عمر بن الخطاب الناس في إملاص المرأة يعني سقطها فقال المغيرة بن شعبة شهدت رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى فيه بغرة عبد أو أمة . فقال عمر ائتني بمن يشهد معك . فشهد معه محمد بن مسلمة .
মুগীরাহ বিন শু‘বাহ ও মুহাম্মাদ বিন মাসলামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(মিসওয়ার) বলেন, আঘাতের কারণে কোন নারীর গর্ভপাত হলে তার ব্যাপারে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) লোকজনের পরামর্শ তলব করলেন। মুগীরা বিন শো‘বা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত থাকা অবস্থায় তিনি এ ক্ষেত্রে একটি ক্রীতদাস অথবা একটি ক্রীতদাসী দিয়াতস্বরূপ ধার্য করেছেন। উমার (রাঃ) বলেন, তোমার কথার একজন সমর্থক উপস্থিত কর। তখন মুহাম্মাদ বিন মাসলামা (রাঃ) তার কথা সমর্থন করলেন। [২৬৪০]
মুগীরাহ বিন শু‘বাহ ও মুহাম্মাদ বিন মাসলামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(মিসওয়ার) বলেন, আঘাতের কারণে কোন নারীর গর্ভপাত হলে তার ব্যাপারে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) লোকজনের পরামর্শ তলব করলেন। মুগীরা বিন শো‘বা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত থাকা অবস্থায় তিনি এ ক্ষেত্রে একটি ক্রীতদাস অথবা একটি ক্রীতদাসী দিয়াতস্বরূপ ধার্য করেছেন। উমার (রাঃ) বলেন, তোমার কথার একজন সমর্থক উপস্থিত কর। তখন মুহাম্মাদ বিন মাসলামা (রাঃ) তার কথা সমর্থন করলেন। [২৬৪০]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا وكيع، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن المسور بن مخرمة، قال استشار عمر بن الخطاب الناس في إملاص المرأة يعني سقطها فقال المغيرة بن شعبة شهدت رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى فيه بغرة عبد أو أمة . فقال عمر ائتني بمن يشهد معك . فشهد معه محمد بن مسلمة .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬৪১
حدثنا أحمد بن سعيد الدارمي، حدثنا أبو عاصم، أخبرني ابن جريج، حدثني عمرو بن دينار، أنه سمع طاوسا، عن ابن عباس، عن عمر بن الخطاب، أنه نشد الناس قضاء النبي صلى الله عليه وسلم في ذلك يعني في الجنين فقام حمل بن مالك بن النابغة فقال كنت بين امرأتين لي فضربت إحداهما الأخرى بمسطح فقتلتها وقتلت جنينها فقضى رسول الله صلى الله عليه وسلم في الجنين بغرة عبد وأن تقتل بها .
হামল বিন মালিক বিন নাবিগাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উমার (রাঃ) লোকজনের নিকট গর্ভস্থ ভ্রুণের (দিয়াতের) ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ফয়সালা জানতে চাইলেন। তখন হামল বিন মালিক বিন নাবিগাহ (রাঃ) উঠে দাঁড়িয়ে বলেন, আমি আমার দু’ স্ত্রীর মাঝখানে ছিলাম। তাদের একজন তাঁবুর কিলক দ্বারা অপরজনকে আঘাত করে তার গর্ভস্থ ভ্রুণসহ তাকে হত্যা করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে হত্যা করার এবং গর্ভস্থ ভ্রুণের দিয়াতস্বরূপ একটি ক্রীতদাস প্রদানের নির্দেশ দেন। [২৬৪১]
হামল বিন মালিক বিন নাবিগাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উমার (রাঃ) লোকজনের নিকট গর্ভস্থ ভ্রুণের (দিয়াতের) ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ফয়সালা জানতে চাইলেন। তখন হামল বিন মালিক বিন নাবিগাহ (রাঃ) উঠে দাঁড়িয়ে বলেন, আমি আমার দু’ স্ত্রীর মাঝখানে ছিলাম। তাদের একজন তাঁবুর কিলক দ্বারা অপরজনকে আঘাত করে তার গর্ভস্থ ভ্রুণসহ তাকে হত্যা করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে হত্যা করার এবং গর্ভস্থ ভ্রুণের দিয়াতস্বরূপ একটি ক্রীতদাস প্রদানের নির্দেশ দেন। [২৬৪১]
حدثنا أحمد بن سعيد الدارمي، حدثنا أبو عاصم، أخبرني ابن جريج، حدثني عمرو بن دينار، أنه سمع طاوسا، عن ابن عباس، عن عمر بن الخطاب، أنه نشد الناس قضاء النبي صلى الله عليه وسلم في ذلك يعني في الجنين فقام حمل بن مالك بن النابغة فقال كنت بين امرأتين لي فضربت إحداهما الأخرى بمسطح فقتلتها وقتلت جنينها فقضى رسول الله صلى الله عليه وسلم في الجنين بغرة عبد وأن تقتل بها .
সুনানে ইবনে মাজাহ > দিয়াতে উত্তরাধিকার স্বত্ব বর্তাবে
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬৪৩
حدثنا عبد ربه بن خالد النميري، حدثنا الفضيل بن سليمان، حدثنا موسى بن عقبة، عن إسحاق بن يحيى بن الوليد، عن عبادة بن الصامت، أن النبي صلى الله عليه وسلم قضى لحمل بن مالك الهذلي اللحياني بميراثه من امرأته التي قتلتها امرأته الأخرى .
উবাদাহ ইবনুস সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হামল বিন মালিক আল হুযালী আল-লিহয়ানীকে তার স্ত্রীর দিয়াত থেকে ওয়ারিসী স্বত্ব দান করেন, যাকে তার অপর স্ত্রী হত্যা করেছিল। [২৬৪৩]
উবাদাহ ইবনুস সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হামল বিন মালিক আল হুযালী আল-লিহয়ানীকে তার স্ত্রীর দিয়াত থেকে ওয়ারিসী স্বত্ব দান করেন, যাকে তার অপর স্ত্রী হত্যা করেছিল। [২৬৪৩]
حدثنا عبد ربه بن خالد النميري، حدثنا الفضيل بن سليمان، حدثنا موسى بن عقبة، عن إسحاق بن يحيى بن الوليد، عن عبادة بن الصامت، أن النبي صلى الله عليه وسلم قضى لحمل بن مالك الهذلي اللحياني بميراثه من امرأته التي قتلتها امرأته الأخرى .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬৪২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، أن عمر، كان يقول الدية للعاقلة ولا ترث المرأة من دية زوجها شيئا حتى كتب إليه الضحاك بن سفيان أن النبي صلى الله عليه وسلم ورث امرأة أشيم الضبابي من دية زوجها .
আদ-দাহহাক বিন সুফইয়ান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(সাঈদ ইবনুল মুসায়্যাব) বলেন, উমার (রাঃ) বলতেন, দিয়াত আকিলার প্রাপ্য এবং স্ত্রী উত্তরাধিকার সূত্রে তার স্বামীর দিয়াত থেকে কিছুই পাবে না। (তার এ রায়ের কথা জানতে পেরে) আদ-দাহহাক বিন সুফইয়ান (রাঃ) তাকে লিখে পাঠান যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আশয়াম আদ-দিবাবীর স্ত্রীকে তার স্বামীর দিয়াত থেকে উত্তরাধিকার স্বত্ব দান করেছেন। [২৬৪২]
আদ-দাহহাক বিন সুফইয়ান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(সাঈদ ইবনুল মুসায়্যাব) বলেন, উমার (রাঃ) বলতেন, দিয়াত আকিলার প্রাপ্য এবং স্ত্রী উত্তরাধিকার সূত্রে তার স্বামীর দিয়াত থেকে কিছুই পাবে না। (তার এ রায়ের কথা জানতে পেরে) আদ-দাহহাক বিন সুফইয়ান (রাঃ) তাকে লিখে পাঠান যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আশয়াম আদ-দিবাবীর স্ত্রীকে তার স্বামীর দিয়াত থেকে উত্তরাধিকার স্বত্ব দান করেছেন। [২৬৪২]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، أن عمر، كان يقول الدية للعاقلة ولا ترث المرأة من دية زوجها شيئا حتى كتب إليه الضحاك بن سفيان أن النبي صلى الله عليه وسلم ورث امرأة أشيم الضبابي من دية زوجها .