সুনানে ইবনে মাজাহ > দিয়াত আকিলার উপর ধার্য হবে। আকিলা না থাকলে তা রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে পরিশোধযোগ্য হবে

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬৩৩

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا أبي، عن منصور، عن إبراهيم، عن عبيد بن نضلة، عن المغيرة بن شعبة، قال قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم بالدية على العاقلة ‏.‏

মুগীরাহ বিন শু‘বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আকিলার উপর দিয়াত ধার্য করেছেন। [২৬৩৩]

মুগীরাহ বিন শু‘বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আকিলার উপর দিয়াত ধার্য করেছেন। [২৬৩৩]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا أبي، عن منصور، عن إبراهيم، عن عبيد بن نضلة، عن المغيرة بن شعبة، قال قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم بالدية على العاقلة ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬৩৪

حدثنا يحيى بن درست، حدثنا حماد بن زيد، عن بديل بن ميسرة، عن علي بن أبي طلحة، عن راشد بن سعد، عن أبي عامر الهوزني، عن المقدام الشامي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أنا وارث من لا وارث له أعقل عنه وأرثه والخال وارث من لا وارث له يعقل عنه ويرثه ‏"‏ ‏.‏

মিকদাম আশ-শামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যার ওয়ারিস নেই আমি তার ওয়ারিস। আমি তার দিয়াতও পরিশোধ করবো এবং তার পরিত্যক্ত সম্পদের ওয়ারিসও হবো। যার কোন ওয়ারিস নেই (তার) মামা তার ওয়ারিস। সে তার পক্ষ থেকে দিয়াতও পরিশোধ করবে এবং তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির ওয়ারিসও হবে। [২৬৩৪]

মিকদাম আশ-শামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যার ওয়ারিস নেই আমি তার ওয়ারিস। আমি তার দিয়াতও পরিশোধ করবো এবং তার পরিত্যক্ত সম্পদের ওয়ারিসও হবো। যার কোন ওয়ারিস নেই (তার) মামা তার ওয়ারিস। সে তার পক্ষ থেকে দিয়াতও পরিশোধ করবে এবং তার পরিত্যক্ত সম্পত্তির ওয়ারিসও হবে। [২৬৩৪]

حدثنا يحيى بن درست، حدثنا حماد بن زيد، عن بديل بن ميسرة، عن علي بن أبي طلحة، عن راشد بن سعد، عن أبي عامر الهوزني، عن المقدام الشامي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أنا وارث من لا وارث له أعقل عنه وأرثه والخال وارث من لا وارث له يعقل عنه ويرثه ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > যে ব্যক্তি নিহতের ওয়ারিসগণকে কিসাস অথবা দিয়াতের মধ্যে যে কোন একটি গ্রহনে বাধা দেয়

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬৩৫

حدثنا محمد بن معمر، حدثنا محمد بن كثير، حدثنا سليمان بن كثير، عن عمرو بن دينار، عن طاوس، عن ابن عباس، رفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من قتل في عمية أو عصبية بحجر أو سوط أو عصا فعليه عقل الخطإ ومن قتل عمدا فهو قود ومن حال بينه وبينه فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين لا يقبل منه صرف ولا عدل ‏"‏ ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে ব্যাক্তি অন্ধ বিদ্বেষ অথবা গোত্রীয় বিদ্বেষের বশবর্তী হয়ে পাথর, চাবুক অথবা লাঠির আঘাতে হত্যাকাণ্ড ঘটায় তার উপর কতলে খাতার দিয়াত ধার্য হবে। আর যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করবে তার উপর কিসাস বাধ্যকর হবে। আর যে ব্যক্তি হত্যাকারী ও নিহত ব্যাক্তির ওয়ারসগণের মধ্যে প্রতিবন্ধক হবে তার উপর আল্লাহর, ফেরেশতাকুলের এবং মানবজাতির অভিসম্পাত। তার নফল অথবা ফরয কোন ইবাদতই কবুল হবে না। [২৬৩৫]

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে ব্যাক্তি অন্ধ বিদ্বেষ অথবা গোত্রীয় বিদ্বেষের বশবর্তী হয়ে পাথর, চাবুক অথবা লাঠির আঘাতে হত্যাকাণ্ড ঘটায় তার উপর কতলে খাতার দিয়াত ধার্য হবে। আর যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করবে তার উপর কিসাস বাধ্যকর হবে। আর যে ব্যক্তি হত্যাকারী ও নিহত ব্যাক্তির ওয়ারসগণের মধ্যে প্রতিবন্ধক হবে তার উপর আল্লাহর, ফেরেশতাকুলের এবং মানবজাতির অভিসম্পাত। তার নফল অথবা ফরয কোন ইবাদতই কবুল হবে না। [২৬৩৫]

حدثنا محمد بن معمر، حدثنا محمد بن كثير، حدثنا سليمان بن كثير، عن عمرو بن دينار، عن طاوس، عن ابن عباس، رفعه إلى النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من قتل في عمية أو عصبية بحجر أو سوط أو عصا فعليه عقل الخطإ ومن قتل عمدا فهو قود ومن حال بينه وبينه فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين لا يقبل منه صرف ولا عدل ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > যে সব অপরাধের ক্ষেত্রে কিসাস বাধ্যকর হয় না

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬৩৭

حدثنا أبو كريب، حدثنا رشدين بن سعد، عن معاوية بن صالح، عن معاذ بن محمد الأنصاري، عن ابن صهبان، عن العباس بن عبد المطلب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا قود في المأمومة ولا الجائفة ولا المنقلة ‏"‏ ‏.‏

আব্বাস বিন আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মস্তিস্কের মূলে (আঘাত) না পৌঁছালে, পেটের অভ্যন্তরে (আঘাত) না পৌঁছালে এবং হাড় ভেঙ্গে স্থানচ্যুত না হলে তাতে কিসাস নেই। [২৬৩৭]

আব্বাস বিন আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মস্তিস্কের মূলে (আঘাত) না পৌঁছালে, পেটের অভ্যন্তরে (আঘাত) না পৌঁছালে এবং হাড় ভেঙ্গে স্থানচ্যুত না হলে তাতে কিসাস নেই। [২৬৩৭]

حدثنا أبو كريب، حدثنا رشدين بن سعد، عن معاوية بن صالح، عن معاذ بن محمد الأنصاري، عن ابن صهبان، عن العباس بن عبد المطلب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا قود في المأمومة ولا الجائفة ولا المنقلة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬৩৬

حدثنا محمد بن الصباح، وعمار بن خالد الواسطي، حدثنا أبو بكر بن عياش، عن دهثم بن قران، حدثني نمران بن جارية، عن أبيه، أن رجلا، ضرب رجلا على ساعده بالسيف فقطعها من غير مفصل فاستعدى عليه النبي صلى الله عليه وسلم فأمر له بالدية فقال يا رسول الله إني أريد القصاص ‏.‏ فقال ‏ "‏ خذ الدية بارك الله لك فيها ‏"‏ ‏.‏ ولم يقض له بالقصاص ‏.‏

জারিয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যাক্তি অপর ব্যাক্তির বাহুতে তরবারি দ্বারা আঘাত করে তা গ্রন্থির বাইরে থেকে কেটে ফেলে। আহত ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট মামলা রুজু করলো। তিনি তাকে দিয়াত প্রদানের নির্দেশ দিলেন। সে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কিসাস দাবী করছি। তিনি বলেনঃ তুমি দিয়াত গ্রহন করো, আল্লাহ এতে তোমায় বরকত দান করুন। তিনি তার পক্ষে কিসাসের রায় দেননি। [২৬৩৬]

জারিয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যাক্তি অপর ব্যাক্তির বাহুতে তরবারি দ্বারা আঘাত করে তা গ্রন্থির বাইরে থেকে কেটে ফেলে। আহত ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট মামলা রুজু করলো। তিনি তাকে দিয়াত প্রদানের নির্দেশ দিলেন। সে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কিসাস দাবী করছি। তিনি বলেনঃ তুমি দিয়াত গ্রহন করো, আল্লাহ এতে তোমায় বরকত দান করুন। তিনি তার পক্ষে কিসাসের রায় দেননি। [২৬৩৬]

حدثنا محمد بن الصباح، وعمار بن خالد الواسطي، حدثنا أبو بكر بن عياش، عن دهثم بن قران، حدثني نمران بن جارية، عن أبيه، أن رجلا، ضرب رجلا على ساعده بالسيف فقطعها من غير مفصل فاستعدى عليه النبي صلى الله عليه وسلم فأمر له بالدية فقال يا رسول الله إني أريد القصاص ‏.‏ فقال ‏ "‏ خذ الدية بارك الله لك فيها ‏"‏ ‏.‏ ولم يقض له بالقصاص ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > জখমকারী কিসাসের পরিবর্তে ফিদ্‌য়া দিলে

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬৩৮

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا عبد الرزاق، أنبأنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث أبا جهم بن حذيفة مصدقا فلاجه رجل في صدقته فضربه أبو جهم فشجه فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا القود يا رسول الله ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لكم كذا وكذا ‏"‏ ‏.‏ فلم يرضوا فقال ‏"‏ لكم كذا وكذا ‏"‏ ‏.‏ فرضوا فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إني خاطب على الناس ومخبرهم برضاكم ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم ‏.‏ فخطب النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ إن هؤلاء الليثيين أتوني يريدون القود فعرضت عليهم كذا وكذا أرضيتم ‏"‏ ‏.‏ قالوا لا ‏.‏ فهم بهم المهاجرون فأمر النبي صلى الله عليه وسلم أن يكفوا فكفوا ثم دعاهم فزادهم فقال ‏"‏ أرضيتم ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم ‏.‏ قال ‏"‏ إني خاطب على الناس ومخبرهم برضاكم ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم ‏.‏ فخطب النبي صلى الله عليه وسلم ثم قال ‏"‏ أرضيتم ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم ‏.‏ قال ابن ماجه سمعت محمد بن يحيى يقول تفرد بهذا معمر لا أعلم رواه غيره ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ জাহম বিন হুযায়ফা (রাঃ) কে যাকাত আদায়কারী নিয়োগ করে পাঠান। এক ব্যক্তি তার যাকাতের ব্যাপারে তার সাথে বিবাদে লিপ্ত হয়। আবূ জাহম (রাঃ) তাকে আঘাত করলে তার মাথা ফেটে যায়। সেই গোত্রের লোকজন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা কিসাস দাবী করছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা এতো এতো পরিমান মাল পাবে। কিন্তু তারা তাতে রাজী হলো না। তিনি বলেনঃ তোমরা এতো এতো পরিমান মাল পাবে। এবার তারা রাযী হয়ে গেল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি কি লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে তোমাদের রাজী হওয়ার বিষয়টি জানিয়ে দিবো? তারা বললো, হাঁ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভাষণ দেন এবং বলেনঃ এই লাইস গোত্রের লোকজন আমার নিকট কিসাসের দাবী নিয়ে এসেছে। আমি তাদেরকে এতো এতো পরিমান মাল প্রদানের প্রস্তাব করে জিজ্ঞেস করলামঃ তোমরা কি সম্মত হলে? তারা বললো, না। এতে মুহাজিরগণ ক্ষিপ্ত হয়ে তাদেরকে শাস্তি দিতে উদ্যত হলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বিরত হতে নির্দেশ দিলে তারা বিরত হন। তিনি মালের পরিমান আরো বাড়িয়ে তাদেরকে পুনরায় প্রস্তাব দিয়ে বলেনঃ তোমরা কি সম্মত হলে? তারা বললো, হাঁ। তিনি বলেন, আমি কি লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে তাদেরকে তোমাদের সম্মত হওয়ার বিষয়টি জানিয়ে দিবো? তারা বললো, হাঁ। অতএব নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভাষণ দিলেন, অতঃপর জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কি সম্মত হয়েছ? তারা বললো, হাঁ। ইমাম ইবনু মাজা (রহঃ) বলেন, আমি মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি, এ হাদীসটি বর্ণনার ক্ষেত্রে মা‘মার নিঃসঙ্গ। তিনি ছাড়া অপর কেউ এটি রিওয়ায়াত করেছেন কিনা তা আমার জানা নেই। [২৬৩৮]

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ জাহম বিন হুযায়ফা (রাঃ) কে যাকাত আদায়কারী নিয়োগ করে পাঠান। এক ব্যক্তি তার যাকাতের ব্যাপারে তার সাথে বিবাদে লিপ্ত হয়। আবূ জাহম (রাঃ) তাকে আঘাত করলে তার মাথা ফেটে যায়। সেই গোত্রের লোকজন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা কিসাস দাবী করছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা এতো এতো পরিমান মাল পাবে। কিন্তু তারা তাতে রাজী হলো না। তিনি বলেনঃ তোমরা এতো এতো পরিমান মাল পাবে। এবার তারা রাযী হয়ে গেল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি কি লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে তোমাদের রাজী হওয়ার বিষয়টি জানিয়ে দিবো? তারা বললো, হাঁ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভাষণ দেন এবং বলেনঃ এই লাইস গোত্রের লোকজন আমার নিকট কিসাসের দাবী নিয়ে এসেছে। আমি তাদেরকে এতো এতো পরিমান মাল প্রদানের প্রস্তাব করে জিজ্ঞেস করলামঃ তোমরা কি সম্মত হলে? তারা বললো, না। এতে মুহাজিরগণ ক্ষিপ্ত হয়ে তাদেরকে শাস্তি দিতে উদ্যত হলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বিরত হতে নির্দেশ দিলে তারা বিরত হন। তিনি মালের পরিমান আরো বাড়িয়ে তাদেরকে পুনরায় প্রস্তাব দিয়ে বলেনঃ তোমরা কি সম্মত হলে? তারা বললো, হাঁ। তিনি বলেন, আমি কি লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে তাদেরকে তোমাদের সম্মত হওয়ার বিষয়টি জানিয়ে দিবো? তারা বললো, হাঁ। অতএব নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভাষণ দিলেন, অতঃপর জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কি সম্মত হয়েছ? তারা বললো, হাঁ। ইমাম ইবনু মাজা (রহঃ) বলেন, আমি মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি, এ হাদীসটি বর্ণনার ক্ষেত্রে মা‘মার নিঃসঙ্গ। তিনি ছাড়া অপর কেউ এটি রিওয়ায়াত করেছেন কিনা তা আমার জানা নেই। [২৬৩৮]

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا عبد الرزاق، أنبأنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث أبا جهم بن حذيفة مصدقا فلاجه رجل في صدقته فضربه أبو جهم فشجه فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا القود يا رسول الله ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لكم كذا وكذا ‏"‏ ‏.‏ فلم يرضوا فقال ‏"‏ لكم كذا وكذا ‏"‏ ‏.‏ فرضوا فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إني خاطب على الناس ومخبرهم برضاكم ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم ‏.‏ فخطب النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ إن هؤلاء الليثيين أتوني يريدون القود فعرضت عليهم كذا وكذا أرضيتم ‏"‏ ‏.‏ قالوا لا ‏.‏ فهم بهم المهاجرون فأمر النبي صلى الله عليه وسلم أن يكفوا فكفوا ثم دعاهم فزادهم فقال ‏"‏ أرضيتم ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم ‏.‏ قال ‏"‏ إني خاطب على الناس ومخبرهم برضاكم ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم ‏.‏ فخطب النبي صلى الله عليه وسلم ثم قال ‏"‏ أرضيتم ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم ‏.‏ قال ابن ماجه سمعت محمد بن يحيى يقول تفرد بهذا معمر لا أعلم رواه غيره ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00