সুনানে ইবনে মাজাহ > ঈমানদার মুসলমানের হত্যাকারীর তওবা কবুল হবে কি?

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬২১

حدثنا محمد بن الصباح، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمار الدهني، عن سالم بن أبي الجعد، قال سئل ابن عباس عمن قتل مؤمنا متعمدا ثم تاب وآمن وعمل صالحا ثم اهتدى ‏.‏ قال ويحه وأنى له الهدى سمعت نبيكم صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ يجيء القاتل والمقتول يوم القيامة متعلق برأس صاحبه يقول رب سل هذا لم قتلني ‏"‏ ‏.‏ والله لقد أنزلها الله عز وجل على نبيكم ثم ما نسخها بعد ما أنزلها ‏.‏

সালিম বিন আবুল জা‘দ থেকে বর্নিতঃ

ইবনু আব্বাস (রাঃ) কে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো যে কোন ঈমানদার মুসলমানকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করলো, অতঃপর তওবা করলো, ঈমান আনলো (ইসলাম গ্রহন করলো), সৎকাজ করলো, অতঃপর হেদায়েত মত চললো। তিনি বলেন, আফসোস তার জন্য! কোথায় তার জন্য হেদায়েত? আমি তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ কিয়ামতের দিন হত্যাকারী তার মাথার সাথে নিহত ব্যক্তির মাথা লটকানো অবস্থায় উপস্থিত হবে। নিহত ব্যক্তি বলবে, হে প্রভু! তাকে জিজ্ঞেস করুন, সে কেন আমাকে হত্যা করেছে? আল্লাহর শপথ! অবশ্যি আল্লাহ্ তাআলা তোমাদের নবীর উপর এ কথা নাযিল করেছেন এবং অতঃপর এমন কিছু নাযিল করেননি যা উক্ত কথাকে রহিত করতে পারে। [২৬২১]

সালিম বিন আবুল জা‘দ থেকে বর্নিতঃ

ইবনু আব্বাস (রাঃ) কে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো যে কোন ঈমানদার মুসলমানকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করলো, অতঃপর তওবা করলো, ঈমান আনলো (ইসলাম গ্রহন করলো), সৎকাজ করলো, অতঃপর হেদায়েত মত চললো। তিনি বলেন, আফসোস তার জন্য! কোথায় তার জন্য হেদায়েত? আমি তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ কিয়ামতের দিন হত্যাকারী তার মাথার সাথে নিহত ব্যক্তির মাথা লটকানো অবস্থায় উপস্থিত হবে। নিহত ব্যক্তি বলবে, হে প্রভু! তাকে জিজ্ঞেস করুন, সে কেন আমাকে হত্যা করেছে? আল্লাহর শপথ! অবশ্যি আল্লাহ্ তাআলা তোমাদের নবীর উপর এ কথা নাযিল করেছেন এবং অতঃপর এমন কিছু নাযিল করেননি যা উক্ত কথাকে রহিত করতে পারে। [২৬২১]

حدثنا محمد بن الصباح، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمار الدهني، عن سالم بن أبي الجعد، قال سئل ابن عباس عمن قتل مؤمنا متعمدا ثم تاب وآمن وعمل صالحا ثم اهتدى ‏.‏ قال ويحه وأنى له الهدى سمعت نبيكم صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ يجيء القاتل والمقتول يوم القيامة متعلق برأس صاحبه يقول رب سل هذا لم قتلني ‏"‏ ‏.‏ والله لقد أنزلها الله عز وجل على نبيكم ثم ما نسخها بعد ما أنزلها ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬২২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا يزيد بن هارون أنبأنا همام بن يحيى عن قتادة عن أبي الصديق الناجي عن أبي سعيد الخدري قال ألا أخبركم بما سمعت من في رسول الله صلى الله عليه وسلم سمعته أذناي ووعاه قلبي إن عبدا قتل تسعة وتسعين نفسا ثم عرضت له التوبة فسأل عن أعلم أهل الأرض فدل على رجل فأتاه فقال إني قتلت تسعة وتسعين نفسا فهل لي من توبة قال بعد تسعة وتسعين نفسا قال فانتضى سيفه فقتله فأكمل به المائة ثم عرضت له التوبة فسأل عن أعلم أهل الأرض فدل على رجل فأتاه فقال إني قتلت مائة نفس فهل لي من توبة فقال ويحك ومن يحول بينك وبين التوبة اخرج من القرية الخبيثة التي أنت فيها إلى القرية الصالحة قرية كذا وكذا فاعبد ربك فيها فخرج يريد القرية الصالحة فعرض له أجله في الطريق فاختصمت فيه ملائكة الرحمة وملائكة العذاب قال إبليس أنا أولى به إنه لم يعصني ساعة قط قال فقالت ملائكة الرحمة إنه خرج تائبا قال همام فحدثني حميد الطويل عن بكر بن عبد الله عن أبي رافع قال فبعث الله عز وجل ملكا فاختصموا إليه ثم رجعوا فقال انظروا أي القريتين كانت أقرب فألحقوه بأهلها قال قتادة فحدثنا الحسن قال لما حضره الموت احتفز بنفسه فقرب من القرية الصالحة وباعد منه القرية الخبيثة فألحقوه بأهل القرية الصالحة حدثنا أبو العباس بن عبد الله بن إسمعيل البغدادي حدثنا عفان حدثنا همام فذكر نحوه

আবূ রাফি‘ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (আবূ সাঈদ খুদরী) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মুখে শুনেছি এবং যা আমার দু’ কান শুনেছে এবং আমার অন্তর যা সংরক্ষণ করেছে তা কি তোমাদের অবহিত করবো না? এক বান্দা নিরানব্বই ব্যক্তিকে হত্যা করেছিল। এরপর তার তওবা করার খেয়াল হলে সে জানতে চাইলো যে, পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় আলেম কে? তাকে একটি লোক সম্পর্কে অবহিত করা হলো। সে তার কাছে এসে বললো, আমি নিরানব্বই ব্যক্তি কে হত্যা করেছি, আমার জন্য কি তওবার কোন সুযোগ আছে? লোকটি বললো, নিরানব্বই ব্যক্তিকে হত্যা করার পর (এখন আবার তওবা)! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তখন সে তার তরবারি কোষমুক্ত করে তাকে হত্যা করলো এবং তার দ্বারা এক শতজন পূর্ণ করলো। পুনরায় তার তওবার খেয়াল হলে সে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আলেম ব্যক্তি সম্পর্কে জানতে চাইলো। তাকে এক লোক সম্পর্কে বলা হলে সে তার নিকট গিয়ে বললো, আমি একশত ব্যক্তি কে হত্যা করেছি, আমার জন্য কি তওবার কোন সুযোগ আছে? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সেই লোকটি বললো, তোমার জন্য আফসোস! তোমার এবং তওবার মধ্যে কে প্রতিবন্ধক হতে পারে? তুমি যে নিকৃষ্ট জনপদে আছো সেখান থেকে রওয়ানা হয়ে উত্তম জনপদে, অমুক অমুক জনপদে যাও। সেখানে গিয়ে তোমার রবের ইবাদত করো। অতঃপর সে সেই উত্তম জনপদের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলো। পথিমধ্যে তার মৃত্যু এসে উপস্থিত হলো। তখন তার ব্যাপারে রহমাতের ফেরেশতা ও আযাবের ফেরেশতা বিবাদে লিপ্ত হলো। ইবলীস বললো, আমিই তার উপযুক্ত হকদার। সে মুহূর্তের জন্যও আমার অবাধ্য হয়নি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, রহমাতের ফেরেশতা বললেন, সে অনুতপ্ত হয়ে যাত্রা করেছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তখন মহামহিম আল্লাহ একজন ফেরেশতা পাঠান। উভয় ফেরেশতা তার কাছে মামলা রুজু করলেন। মীমাংসাকারী ফেরেশতা বললেন, তোমরা দেখো, উভয় জনপদের যেটি তার নিকটবর্তী তাকে সেই জনপদের অন্তর্ভুক্ত করো। কাতাদা (রাঃ) বলেন, হাসান (রাঃ) আমাদের নিকট একথাও বর্ণনা করেছেন যে, তার মৃত্যু এসে গেলে সে হামাগুরি দিয়ে উত্তম জনপদের নিকটবর্তী হয়ে গেল এবং নিকৃষ্ট জনপদের থেকে দূরে সরে গেলো। তাই ফেরেশতাগণ তাকে উত্তম জনপদের বাসিন্দাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। [২৬২২] ৩/২৬২২(১). <আবুল আব্বাস বিন আব্দুল্লাহ বিন ইসমাঈল আল-বাগদাদী><আফ্ফান><হাম্মাম><কাতাদাহ><আবুস সিদ্দীক আন-নাজী><আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ)><আবুল আব্বাস বিন আবদুল্লাহ বিন ইসমাঈল আল-বাগদাদী><আফ্ফান><হাম্মাম বিন ইয়াহইয়া><হুমায়দ আত-তাবীল><বাকর বিন আবদুল্লাহ><আবূ রাফি (রাঃ)> [২৬২২] তাহকীক আলবানীঃ “তার মৃত্যু এসে গেলে সে হামাগুড়ি দিয়ে উত্তম জনপদের নিকটবর্তী হয়ে গেলো এবং নিকৃষ্ট জনপদ থেকে দূরে সরে গেলো। তাই ফেরেস্তাগণ তাকে উত্তম জনপদের বাসিন্দাদের অন্তর্ভুক্ত করেন।” এ বাক্য ব্যতীত সহীহ। কারণ, বাক্যটি হাসান।

আবূ রাফি‘ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (আবূ সাঈদ খুদরী) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মুখে শুনেছি এবং যা আমার দু’ কান শুনেছে এবং আমার অন্তর যা সংরক্ষণ করেছে তা কি তোমাদের অবহিত করবো না? এক বান্দা নিরানব্বই ব্যক্তিকে হত্যা করেছিল। এরপর তার তওবা করার খেয়াল হলে সে জানতে চাইলো যে, পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় আলেম কে? তাকে একটি লোক সম্পর্কে অবহিত করা হলো। সে তার কাছে এসে বললো, আমি নিরানব্বই ব্যক্তি কে হত্যা করেছি, আমার জন্য কি তওবার কোন সুযোগ আছে? লোকটি বললো, নিরানব্বই ব্যক্তিকে হত্যা করার পর (এখন আবার তওবা)! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তখন সে তার তরবারি কোষমুক্ত করে তাকে হত্যা করলো এবং তার দ্বারা এক শতজন পূর্ণ করলো। পুনরায় তার তওবার খেয়াল হলে সে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আলেম ব্যক্তি সম্পর্কে জানতে চাইলো। তাকে এক লোক সম্পর্কে বলা হলে সে তার নিকট গিয়ে বললো, আমি একশত ব্যক্তি কে হত্যা করেছি, আমার জন্য কি তওবার কোন সুযোগ আছে? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সেই লোকটি বললো, তোমার জন্য আফসোস! তোমার এবং তওবার মধ্যে কে প্রতিবন্ধক হতে পারে? তুমি যে নিকৃষ্ট জনপদে আছো সেখান থেকে রওয়ানা হয়ে উত্তম জনপদে, অমুক অমুক জনপদে যাও। সেখানে গিয়ে তোমার রবের ইবাদত করো। অতঃপর সে সেই উত্তম জনপদের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলো। পথিমধ্যে তার মৃত্যু এসে উপস্থিত হলো। তখন তার ব্যাপারে রহমাতের ফেরেশতা ও আযাবের ফেরেশতা বিবাদে লিপ্ত হলো। ইবলীস বললো, আমিই তার উপযুক্ত হকদার। সে মুহূর্তের জন্যও আমার অবাধ্য হয়নি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, রহমাতের ফেরেশতা বললেন, সে অনুতপ্ত হয়ে যাত্রা করেছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তখন মহামহিম আল্লাহ একজন ফেরেশতা পাঠান। উভয় ফেরেশতা তার কাছে মামলা রুজু করলেন। মীমাংসাকারী ফেরেশতা বললেন, তোমরা দেখো, উভয় জনপদের যেটি তার নিকটবর্তী তাকে সেই জনপদের অন্তর্ভুক্ত করো। কাতাদা (রাঃ) বলেন, হাসান (রাঃ) আমাদের নিকট একথাও বর্ণনা করেছেন যে, তার মৃত্যু এসে গেলে সে হামাগুরি দিয়ে উত্তম জনপদের নিকটবর্তী হয়ে গেল এবং নিকৃষ্ট জনপদের থেকে দূরে সরে গেলো। তাই ফেরেশতাগণ তাকে উত্তম জনপদের বাসিন্দাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। [২৬২২] ৩/২৬২২(১). <আবুল আব্বাস বিন আব্দুল্লাহ বিন ইসমাঈল আল-বাগদাদী><আফ্ফান><হাম্মাম><কাতাদাহ><আবুস সিদ্দীক আন-নাজী><আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ)><আবুল আব্বাস বিন আবদুল্লাহ বিন ইসমাঈল আল-বাগদাদী><আফ্ফান><হাম্মাম বিন ইয়াহইয়া><হুমায়দ আত-তাবীল><বাকর বিন আবদুল্লাহ><আবূ রাফি (রাঃ)> [২৬২২] তাহকীক আলবানীঃ “তার মৃত্যু এসে গেলে সে হামাগুড়ি দিয়ে উত্তম জনপদের নিকটবর্তী হয়ে গেলো এবং নিকৃষ্ট জনপদ থেকে দূরে সরে গেলো। তাই ফেরেস্তাগণ তাকে উত্তম জনপদের বাসিন্দাদের অন্তর্ভুক্ত করেন।” এ বাক্য ব্যতীত সহীহ। কারণ, বাক্যটি হাসান।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا يزيد بن هارون أنبأنا همام بن يحيى عن قتادة عن أبي الصديق الناجي عن أبي سعيد الخدري قال ألا أخبركم بما سمعت من في رسول الله صلى الله عليه وسلم سمعته أذناي ووعاه قلبي إن عبدا قتل تسعة وتسعين نفسا ثم عرضت له التوبة فسأل عن أعلم أهل الأرض فدل على رجل فأتاه فقال إني قتلت تسعة وتسعين نفسا فهل لي من توبة قال بعد تسعة وتسعين نفسا قال فانتضى سيفه فقتله فأكمل به المائة ثم عرضت له التوبة فسأل عن أعلم أهل الأرض فدل على رجل فأتاه فقال إني قتلت مائة نفس فهل لي من توبة فقال ويحك ومن يحول بينك وبين التوبة اخرج من القرية الخبيثة التي أنت فيها إلى القرية الصالحة قرية كذا وكذا فاعبد ربك فيها فخرج يريد القرية الصالحة فعرض له أجله في الطريق فاختصمت فيه ملائكة الرحمة وملائكة العذاب قال إبليس أنا أولى به إنه لم يعصني ساعة قط قال فقالت ملائكة الرحمة إنه خرج تائبا قال همام فحدثني حميد الطويل عن بكر بن عبد الله عن أبي رافع قال فبعث الله عز وجل ملكا فاختصموا إليه ثم رجعوا فقال انظروا أي القريتين كانت أقرب فألحقوه بأهلها قال قتادة فحدثنا الحسن قال لما حضره الموت احتفز بنفسه فقرب من القرية الصالحة وباعد منه القرية الخبيثة فألحقوه بأهل القرية الصالحة حدثنا أبو العباس بن عبد الله بن إسمعيل البغدادي حدثنا عفان حدثنا همام فذكر نحوه


সুনানে ইবনে মাজাহ > নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসগণের তিনটি বিকল্প ব্যবস্থার যে কোন একটি গ্রহণ করার এখতিয়ার থাকবে।

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬২৩

حدثنا عثمان، وأبو بكر ابنا أبي شيبة قالا حدثنا أبو خالد الأحمر، ح وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، قال حدثنا جرير، وعبد الرحيم بن سليمان، جميعا عن محمد بن إسحاق، عن الحارث بن فضيل، أظنه عن ابن أبي العوجاء، واسمه، سفيان عن أبي شريح الخزاعي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من أصيب بدم أو خبل - والخبل الجرح - فهو بالخيار بين إحدى ثلاث فإن أراد الرابعة فخذوا على يديه أن يقتل أو يعفو أو يأخذ الدية فمن فعل شيئا من ذلك فعاد فإن له نار جهنم خالدا مخلدا فيها أبدا ‏"‏ ‏.‏

আবূ শুরায়হ আল-খুযাঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যার কেউ নিহত হয় অথবা যাকে আহত করা হয় তার তিনটি বিকল্প বিষয়ের যেকোন একটি গ্রহন করার এখতিয়ার আছে। সে চতুর্থটি গ্রহন করতে চাইলে তোমরা তার উভয় হাত ধরে রাখো (তাকে বাধা দাও)। সে হত্যাকারীকে হয় হত্যা করবে অথবা ক্ষমা করবে অথবা দিয়াত (আর্থিক ক্ষতিপূরন) গ্রহন করবে। যে ব্যক্তি এই (তিনটি বিকল্পের) যেকোন একটি গ্রহন করার পর আরও কিছু (অতিরিক্ত) দাবি করবে তার জন্য রয়েছে জাহান্নামের আগুন, সেখানে সে স্থায়ী হবে। [২৬২৩]

আবূ শুরায়হ আল-খুযাঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যার কেউ নিহত হয় অথবা যাকে আহত করা হয় তার তিনটি বিকল্প বিষয়ের যেকোন একটি গ্রহন করার এখতিয়ার আছে। সে চতুর্থটি গ্রহন করতে চাইলে তোমরা তার উভয় হাত ধরে রাখো (তাকে বাধা দাও)। সে হত্যাকারীকে হয় হত্যা করবে অথবা ক্ষমা করবে অথবা দিয়াত (আর্থিক ক্ষতিপূরন) গ্রহন করবে। যে ব্যক্তি এই (তিনটি বিকল্পের) যেকোন একটি গ্রহন করার পর আরও কিছু (অতিরিক্ত) দাবি করবে তার জন্য রয়েছে জাহান্নামের আগুন, সেখানে সে স্থায়ী হবে। [২৬২৩]

حدثنا عثمان، وأبو بكر ابنا أبي شيبة قالا حدثنا أبو خالد الأحمر، ح وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، قال حدثنا جرير، وعبد الرحيم بن سليمان، جميعا عن محمد بن إسحاق، عن الحارث بن فضيل، أظنه عن ابن أبي العوجاء، واسمه، سفيان عن أبي شريح الخزاعي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من أصيب بدم أو خبل - والخبل الجرح - فهو بالخيار بين إحدى ثلاث فإن أراد الرابعة فخذوا على يديه أن يقتل أو يعفو أو يأخذ الدية فمن فعل شيئا من ذلك فعاد فإن له نار جهنم خالدا مخلدا فيها أبدا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬২৪

حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم الدمشقي، حدثنا الوليد، حدثنا الأوزاعي، حدثني يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من قتل له قتيل فهو بخير النظرين إما أن يقتل وإما أن يفدى ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যার কেউ নিহত হয় তার দুটি বিকল্প ব্যবস্থার যে কোন একটি গ্রহনের এখতিয়ার রয়েছে। (হত্যাকারীকে কিসাসস্বরূপ) হত্যা করা হবে অথবা ফিদয়া (দিয়াত) আদায় করা হবে। [২৬২৪]

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যার কেউ নিহত হয় তার দুটি বিকল্প ব্যবস্থার যে কোন একটি গ্রহনের এখতিয়ার রয়েছে। (হত্যাকারীকে কিসাসস্বরূপ) হত্যা করা হবে অথবা ফিদয়া (দিয়াত) আদায় করা হবে। [২৬২৪]

حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم الدمشقي، حدثنا الوليد، حدثنا الأوزاعي، حدثني يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من قتل له قتيل فهو بخير النظرين إما أن يقتل وإما أن يفدى ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > যাকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করা হয়েছে তার ওয়ারিসগন দিয়াত গ্রহণে সম্মত হলে

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬২৬

حدثنا محمود بن خالد الدمشقي، حدثنا أبي، حدثنا محمد بن راشد، عن سليمان بن موسى، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من قتل عمدا دفع إلى أولياء القتيل فإن شاءوا قتلوا وإن شاءوا أخذوا الدية وذلك ثلاثون حقة وثلاثون جذعة وأربعون خلفة وذلك عقل العمد ما صولحوا عليه فهو لهم وذلك تشديد العقل ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি (কাউকে) ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করলে তাকে নিহত ব্যক্তির অভিভাবকদের নিকট সোপর্দ করা হবে। তারা ইচ্ছা করলে তাকে হত্যা করবে অথবা ইচ্ছা করলে দিয়াত গ্রহণ করবে। আর দিয়াত হলো তিরিশটি হিক্কা (চার বছরের উট), তিরিশটি জাযাআ (পাঁচ বছরের উট), এবং চল্লিশটি খালিফা (গর্ভধাত্রী উষ্ট্রী)। এটাই হলো ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যার দিয়াত। উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা (সোলেহ)-ও হতে পারে। আর এটা হলো কঠোর দিয়াত। [২৬২৬]

আবদুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি (কাউকে) ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করলে তাকে নিহত ব্যক্তির অভিভাবকদের নিকট সোপর্দ করা হবে। তারা ইচ্ছা করলে তাকে হত্যা করবে অথবা ইচ্ছা করলে দিয়াত গ্রহণ করবে। আর দিয়াত হলো তিরিশটি হিক্কা (চার বছরের উট), তিরিশটি জাযাআ (পাঁচ বছরের উট), এবং চল্লিশটি খালিফা (গর্ভধাত্রী উষ্ট্রী)। এটাই হলো ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যার দিয়াত। উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা (সোলেহ)-ও হতে পারে। আর এটা হলো কঠোর দিয়াত। [২৬২৬]

حدثنا محمود بن خالد الدمشقي، حدثنا أبي، حدثنا محمد بن راشد، عن سليمان بن موسى، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من قتل عمدا دفع إلى أولياء القتيل فإن شاءوا قتلوا وإن شاءوا أخذوا الدية وذلك ثلاثون حقة وثلاثون جذعة وأربعون خلفة وذلك عقل العمد ما صولحوا عليه فهو لهم وذلك تشديد العقل ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬২৫

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو خالد الأحمر، عن محمد بن إسحاق، حدثني محمد بن جعفر، عن زيد بن ضميرة، حدثني أبي وعمي، وكانا، شهدا حنينا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم قالا صلى النبي صلى الله عليه وسلم الظهر ثم جلس تحت شجرة فقام إليه الأقرع بن حابس - وهو سيد خندف يرد - عن دم محلم بن جثامة وقام عيينة بن حصن يطلب بدم عامر بن الأضبط وكان أشجعيا فقال لهم النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ تقبلون الدية ‏"‏ ‏.‏ فأبوا فقام رجل من بني ليث يقال له مكيتل فقال يا رسول الله والله ما شبهت هذا القتيل في غرة الإسلام إلا كغنم وردت فرميت فنفر آخرها ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لكم خمسون في سفرنا وخمسون إذا رجعنا ‏"‏ ‏.‏ فقبلوا الدية ‏.‏

যায়দ বিন দুমায়রাহ থেকে বর্নিতঃ

আমার পিতা ও আমার চাচা আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন এবং তারা উভয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে হুনায়নের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তারা উভয়ে বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের নামায পড়ার পর একটি গাছের নিচে বসলেন। তখন আকরা‘ বিন হারিস তাঁর সামনে দাঁড়ালেন। তিনি ছিলেন খিনদিফ গোত্রের নেতা। তিনি (নিহত) মুহাল্লিম বিন জাসসামার কিসাসের দাবি উত্থাপন করলেন। অপরদিকে উয়াইনা বিন হিসনও দাঁড়িয়ে আমের বিন আদবাত আল-আশজাঈর কিসাসের দাবি উত্থাপন করেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা দিয়াত গ্রহণ করো। তারা তা অস্বীকার করলো। তখন লাইছ গোত্রের মুকাইতিল নামক এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আল্লাহর শপথ, ইসলামের বিজয় যুগে এ হত্যার দৃষ্টান্ত হলো সেই মেষ পালের মতো যা পানি পান করতে আসলে তার প্রতি তীর নিক্ষিপ্ত হলো এবং ভয়ে শেষের মেষটি পর্যন্ত পলায়ন করলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমাদের সফরে থাকা অবস্থায় (এখানে) তোমরা পঞ্চাশটি উট পাবে এবং (মদীনায়) প্রত্যাবর্তনের পর পঞ্চাশটি উট পাবে। অতএব তারা দিয়াত গ্রহণ করলো। [২৬২৫]

যায়দ বিন দুমায়রাহ থেকে বর্নিতঃ

আমার পিতা ও আমার চাচা আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন এবং তারা উভয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে হুনায়নের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তারা উভয়ে বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের নামায পড়ার পর একটি গাছের নিচে বসলেন। তখন আকরা‘ বিন হারিস তাঁর সামনে দাঁড়ালেন। তিনি ছিলেন খিনদিফ গোত্রের নেতা। তিনি (নিহত) মুহাল্লিম বিন জাসসামার কিসাসের দাবি উত্থাপন করলেন। অপরদিকে উয়াইনা বিন হিসনও দাঁড়িয়ে আমের বিন আদবাত আল-আশজাঈর কিসাসের দাবি উত্থাপন করেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা দিয়াত গ্রহণ করো। তারা তা অস্বীকার করলো। তখন লাইছ গোত্রের মুকাইতিল নামক এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আল্লাহর শপথ, ইসলামের বিজয় যুগে এ হত্যার দৃষ্টান্ত হলো সেই মেষ পালের মতো যা পানি পান করতে আসলে তার প্রতি তীর নিক্ষিপ্ত হলো এবং ভয়ে শেষের মেষটি পর্যন্ত পলায়ন করলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমাদের সফরে থাকা অবস্থায় (এখানে) তোমরা পঞ্চাশটি উট পাবে এবং (মদীনায়) প্রত্যাবর্তনের পর পঞ্চাশটি উট পাবে। অতএব তারা দিয়াত গ্রহণ করলো। [২৬২৫]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو خالد الأحمر، عن محمد بن إسحاق، حدثني محمد بن جعفر، عن زيد بن ضميرة، حدثني أبي وعمي، وكانا، شهدا حنينا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم قالا صلى النبي صلى الله عليه وسلم الظهر ثم جلس تحت شجرة فقام إليه الأقرع بن حابس - وهو سيد خندف يرد - عن دم محلم بن جثامة وقام عيينة بن حصن يطلب بدم عامر بن الأضبط وكان أشجعيا فقال لهم النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ تقبلون الدية ‏"‏ ‏.‏ فأبوا فقام رجل من بني ليث يقال له مكيتل فقال يا رسول الله والله ما شبهت هذا القتيل في غرة الإسلام إلا كغنم وردت فرميت فنفر آخرها ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لكم خمسون في سفرنا وخمسون إذا رجعنا ‏"‏ ‏.‏ فقبلوا الدية ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > কতলে শিবহে আমদ-এর ক্ষেত্রেও কঠোর দিয়াত প্রযোজ্য

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬২৮

حدثنا عبد الله بن محمد الزهري، حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابن جدعان، سمعه من القاسم بن ربيعة، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قام يوم فتح مكة وهو على درج الكعبة فحمد الله وأثنى عليه فقال ‏ "‏ الحمد لله الذي صدق وعده ونصر عبده وهزم الأحزاب وحده ألا إن قتيل الخطإ قتيل السوط والعصا فيه مائة من الإبل منها أربعون خلفة في بطونها أولادها ألا إن كل مأثرة كانت في الجاهلية ودم تحت قدمى هاتين إلا ما كان من سدانة البيت وسقاية الحاج ألا إني قد أمضيتهما لأهلهما كما كانا ‏"‏ ‏.‏

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের দিন কাবা ঘরের সিঁড়ির উপর দাঁড়িয়ে আল্লাহর প্রশংসা ও গুনগান করলেন, অতঃপর বললেনঃ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর যিনি নিজ প্রতিশ্রুতি সত্যে পরিণত করেছেন, তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং একাই সম্মিলিত বাহিনীকে পরাভূত করেছেন। জেনে রাখো, চাবুক বা লাঠির আঘাতে নিহত হলে তা কতলে খাতা (ভুলবশত হত্যা) এর দিয়ত একশত উষ্ট্রী, যার চল্লিশটি হতে হবে গর্ভবতী। জেনে রাখো, জাহিলী যুগের সকল রীতিনীতি এবং রক্তপাত (হত্যার প্রতিশোধ) আমার এই দু’ পায়ের নিচে। তবে বায়তুল্লাহর সেবা এবং হাজীদের পানি পান করানোর যে প্রথা প্রচলিত ছিল তা বহাল থাকবে। জেনে রাখো, এ দু’টি বিষয়কে আমি পূর্ববৎ তার সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিবর্গের দায়িত্বে বহাল রাখলাম। [২৬২৮]

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের দিন কাবা ঘরের সিঁড়ির উপর দাঁড়িয়ে আল্লাহর প্রশংসা ও গুনগান করলেন, অতঃপর বললেনঃ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর যিনি নিজ প্রতিশ্রুতি সত্যে পরিণত করেছেন, তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং একাই সম্মিলিত বাহিনীকে পরাভূত করেছেন। জেনে রাখো, চাবুক বা লাঠির আঘাতে নিহত হলে তা কতলে খাতা (ভুলবশত হত্যা) এর দিয়ত একশত উষ্ট্রী, যার চল্লিশটি হতে হবে গর্ভবতী। জেনে রাখো, জাহিলী যুগের সকল রীতিনীতি এবং রক্তপাত (হত্যার প্রতিশোধ) আমার এই দু’ পায়ের নিচে। তবে বায়তুল্লাহর সেবা এবং হাজীদের পানি পান করানোর যে প্রথা প্রচলিত ছিল তা বহাল থাকবে। জেনে রাখো, এ দু’টি বিষয়কে আমি পূর্ববৎ তার সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিবর্গের দায়িত্বে বহাল রাখলাম। [২৬২৮]

حدثنا عبد الله بن محمد الزهري، حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابن جدعان، سمعه من القاسم بن ربيعة، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قام يوم فتح مكة وهو على درج الكعبة فحمد الله وأثنى عليه فقال ‏ "‏ الحمد لله الذي صدق وعده ونصر عبده وهزم الأحزاب وحده ألا إن قتيل الخطإ قتيل السوط والعصا فيه مائة من الإبل منها أربعون خلفة في بطونها أولادها ألا إن كل مأثرة كانت في الجاهلية ودم تحت قدمى هاتين إلا ما كان من سدانة البيت وسقاية الحاج ألا إني قد أمضيتهما لأهلهما كما كانا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬২৭

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، ومحمد بن جعفر، قالا حدثنا شعبة، عن أيوب، سمعت القاسم بن ربيعة، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ قتيل الخطإ شبه العمد قتيل السوط والعصا مائة من الإبل أربعون منها خلفة في بطونها أولادها ‏"‏ ‏.‏ حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن زيد، عن خالد الحذاء، عن القاسم بن ربيعة، عن عقبة بن أوس، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه ‏.‏

আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ভুলবশত হত্যা (কাতলে খাতা) হলো শিবহে আমদ-এর অন্তর্ভুক্ত। যেমন চাবুক বা লাঠির আঘাতে মৃত্যু। এতে এক শত উট (দিয়াতস্বরূপ) দিতে হবে। তার মধ্যে চল্লিশটি হতে হবে গর্ভবতী। [২৬২৭] [উপরোক্ত হাদীসে মোট ৩টি সানাদের ২টি বর্ণিত রয়েছে, অপর সানাদটি হলোঃ] ২/২৬২৭(১). আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ), নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে। [২৬২৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ভুলবশত হত্যা (কাতলে খাতা) হলো শিবহে আমদ-এর অন্তর্ভুক্ত। যেমন চাবুক বা লাঠির আঘাতে মৃত্যু। এতে এক শত উট (দিয়াতস্বরূপ) দিতে হবে। তার মধ্যে চল্লিশটি হতে হবে গর্ভবতী। [২৬২৭] [উপরোক্ত হাদীসে মোট ৩টি সানাদের ২টি বর্ণিত রয়েছে, অপর সানাদটি হলোঃ] ২/২৬২৭(১). আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ), নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে। [২৬২৭] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، ومحمد بن جعفر، قالا حدثنا شعبة، عن أيوب، سمعت القاسم بن ربيعة، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ قتيل الخطإ شبه العمد قتيل السوط والعصا مائة من الإبل أربعون منها خلفة في بطونها أولادها ‏"‏ ‏.‏ حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن زيد، عن خالد الحذاء، عن القاسم بن ربيعة، عن عقبة بن أوس، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00