সুনানে ইবনে মাজাহ > কেউ নিজ স্ত্রীর ক্রীতদাসীর সাথে যেনা করলে

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৫৫১

حدثنا حميد بن مسعدة، حدثنا خالد بن الحارث، أنبأنا سعيد، عن قتادة، عن حبيب بن سالم، قال أتي النعمان بن بشير برجل غشى جارية امرأته فقال لا أقضي فيها إلا بقضاء رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال إن كانت أحلتها له جلدته مائة وإن لم تكن أذنت له رجمته ‏.‏

নু‘মান বিন বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(হাবীব বিন সালিম) বলেন, নু‘মান বিন বাশীর (রাঃ) এর নিকট এক ব্যক্তিকে হাযির করা হলো, যে তার স্ত্রীর ক্রীতদাসীর সাথে যেনা করেছিল। তিনি বলেন, আমি এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ফয়সালার অনুরূপ ফয়সালাই করবো। তিনি বলেন, যদি তার স্ত্রীর ক্রীতদাসীকে তার জন্য হালাল করে দিয়ে থাকে, তবে এ যেনাকারীকে একশত বেত্রাঘাত করবো। আর যদি তার স্ত্রী তাকে অনুমতি না দিয়ে থাকে, তবে তাকে আমি রজম করবো। [২৫৫১] তাহকীক আলবানীঃ দঈফ তা‘লীক ইবনু মাজাহ।

নু‘মান বিন বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(হাবীব বিন সালিম) বলেন, নু‘মান বিন বাশীর (রাঃ) এর নিকট এক ব্যক্তিকে হাযির করা হলো, যে তার স্ত্রীর ক্রীতদাসীর সাথে যেনা করেছিল। তিনি বলেন, আমি এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ফয়সালার অনুরূপ ফয়সালাই করবো। তিনি বলেন, যদি তার স্ত্রীর ক্রীতদাসীকে তার জন্য হালাল করে দিয়ে থাকে, তবে এ যেনাকারীকে একশত বেত্রাঘাত করবো। আর যদি তার স্ত্রী তাকে অনুমতি না দিয়ে থাকে, তবে তাকে আমি রজম করবো। [২৫৫১] তাহকীক আলবানীঃ দঈফ তা‘লীক ইবনু মাজাহ।

حدثنا حميد بن مسعدة، حدثنا خالد بن الحارث، أنبأنا سعيد، عن قتادة، عن حبيب بن سالم، قال أتي النعمان بن بشير برجل غشى جارية امرأته فقال لا أقضي فيها إلا بقضاء رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال إن كانت أحلتها له جلدته مائة وإن لم تكن أذنت له رجمته ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৫৫২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد السلام بن حرب، عن هشام بن حسان، عن الحسن، عن سلمة بن المحبق، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رفع إليه رجل وطئ جارية امرأته فلم يحده ‏.‏

সালামাহ ইবনুল মুহাব্বিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এক ব্যক্তিকে উপস্থিত করা হলো যে তার স্ত্রীর ক্রীতদাসীর সাথে যেনা করেছিল। তিনি তার উপর হদ্দ কার্যকর করেননি। [২৫৫২] তাহকীক আলবানীঃ দঈফ তা’লীক ইবনু মাজাহ।

সালামাহ ইবনুল মুহাব্বিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এক ব্যক্তিকে উপস্থিত করা হলো যে তার স্ত্রীর ক্রীতদাসীর সাথে যেনা করেছিল। তিনি তার উপর হদ্দ কার্যকর করেননি। [২৫৫২] তাহকীক আলবানীঃ দঈফ তা’লীক ইবনু মাজাহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد السلام بن حرب، عن هشام بن حسان، عن الحسن، عن سلمة بن المحبق، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رفع إليه رجل وطئ جارية امرأته فلم يحده ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > রজম করা

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৫৫৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن الصباح، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عباس، قال قال عمر بن الخطاب لقد خشيت أن يطول، بالناس زمان حتى يقول قائل ما أجد الرجم في كتاب الله فيضلوا بترك فريضة من فرائض الله ألا وإن الرجم حق إذا أحصن الرجل وقامت البينة أو كان حمل أو اعتراف وقد قرأتها الشيخ والشيخة إذا زنيا فارجموهما البتة ‏.‏ رجم رسول الله صلى الله عليه وسلم ورجمنا بعده ‏.‏

উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আশঙ্কা করছি যে, দীর্ঘকাল অতিবাহিত হওয়ার পর কেউ বলে বসবে, আমি আল্লাহর কিতাবে রজমের কথা পাচ্ছি না। ফলে সে আল্লাহর ফরযসমূহের মধ্যকার একটি ফরয ত্যাগ করার কারণে পথভ্রষ্ট হবে। সাবধান! রজম (প্রস্তরাঘাতে হত্যা) করা বাধ্যতামূলক- অপরাধী বিবাহিত হলে এবং সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে অথবা গর্ভসঞ্চার হলে অথবা স্বীকারোক্তি করলে। অতঃপর আমি রজমের এ আয়াত পাঠ করিঃ “বৃদ্ধ ও বৃদ্ধা যেনায় লিপ্ত হলে তোমরা তাদের উভয়কে রজম করো”। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রজম করেছেন এবং তাঁর পরে আমরাও রজম করেছি। [২৫৫৩]

উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আশঙ্কা করছি যে, দীর্ঘকাল অতিবাহিত হওয়ার পর কেউ বলে বসবে, আমি আল্লাহর কিতাবে রজমের কথা পাচ্ছি না। ফলে সে আল্লাহর ফরযসমূহের মধ্যকার একটি ফরয ত্যাগ করার কারণে পথভ্রষ্ট হবে। সাবধান! রজম (প্রস্তরাঘাতে হত্যা) করা বাধ্যতামূলক- অপরাধী বিবাহিত হলে এবং সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে অথবা গর্ভসঞ্চার হলে অথবা স্বীকারোক্তি করলে। অতঃপর আমি রজমের এ আয়াত পাঠ করিঃ “বৃদ্ধ ও বৃদ্ধা যেনায় লিপ্ত হলে তোমরা তাদের উভয়কে রজম করো”। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রজম করেছেন এবং তাঁর পরে আমরাও রজম করেছি। [২৫৫৩]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن الصباح، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عباس، قال قال عمر بن الخطاب لقد خشيت أن يطول، بالناس زمان حتى يقول قائل ما أجد الرجم في كتاب الله فيضلوا بترك فريضة من فرائض الله ألا وإن الرجم حق إذا أحصن الرجل وقامت البينة أو كان حمل أو اعتراف وقد قرأتها الشيخ والشيخة إذا زنيا فارجموهما البتة ‏.‏ رجم رسول الله صلى الله عليه وسلم ورجمنا بعده ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৫৫৫

حدثنا العباس بن عثمان الدمشقي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا أبو عمرو، حدثني يحيى بن أبي كثير، عن أبي قلابة، عن أبي المهاجر، عن عمران بن الحصين، أن امرأة، أتت النبي صلى الله عليه وسلم فاعترفت بالزنا فأمر بها فشكت عليها ثيابها ثم رجمها ثم صلى عليها ‏.‏

ইমরান ইবনুল হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক নারী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে যেনার স্বীকারোক্তি করলো। তিনি তার দেহে তার পরিধেয় বস্ত্র শক্ত করে পেঁচিয়ে তাকে রজম করার নির্দেশ দিলেন। অতঃপর তিনি তার জানাযার নামায পড়লেন। [২৫৫৫]

ইমরান ইবনুল হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক নারী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে যেনার স্বীকারোক্তি করলো। তিনি তার দেহে তার পরিধেয় বস্ত্র শক্ত করে পেঁচিয়ে তাকে রজম করার নির্দেশ দিলেন। অতঃপর তিনি তার জানাযার নামায পড়লেন। [২৫৫৫]

حدثنا العباس بن عثمان الدمشقي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا أبو عمرو، حدثني يحيى بن أبي كثير، عن أبي قلابة، عن أبي المهاجر، عن عمران بن الحصين، أن امرأة، أتت النبي صلى الله عليه وسلم فاعترفت بالزنا فأمر بها فشكت عليها ثيابها ثم رجمها ثم صلى عليها ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৫৫৪

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عباد بن العوام، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال جاء ماعز بن مالك إلى النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال إني قد زنيت ‏.‏ فأعرض عنه ثم قال إني قد زنيت فأعرض عنه ‏.‏ ثم قال إني زنيت ‏.‏ فأعرض عنه ‏.‏ ثم قال قد زنيت ‏.‏ فأعرض عنه حتى أقر أربع مرات فأمر به أن يرجم ‏.‏ فلما أصابته الحجارة أدبر يشتد فلقيه رجل بيده لحى جمل فضربه فصرعه فذكر للنبي صلى الله عليه وسلم فراره حين مسته الحجارة قال ‏ "‏ فهلا تركتموه ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মাইয বিন মালিক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললোঃ আমি যেনা করেছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। আবার সে বললো, আমি যেনা করেছি। তিনি এবারও তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। সে আবার বললো, আমি যেনা করেছি। এবারও তিনি তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। সে আবার বললো, আমি যেনা করেছি। তিনি তার থেকে আবারও মুখ ফিরিয়ে নিলেন। এমনিভাবে সে চারবার স্বীকারোক্তি করলো। অতঃপর তিনি তাকে রজম করার নির্দেশ দিলেন। তার দেহে পাথর নিক্ষিপ্ত হতে থাকলে সে দ্রুত পালাতে তৎপর হলো। এক ব্যক্তি তার নাগাল পেয়ে গেলো। তার হাতে ছিল উটের চোয়ালের হাড়। সে তাকে আঘাত করে ভূপাতিত করলো। তার গায়ে পাথর নিক্ষিপ্ত হওয়ায় তার পলায়নের কথা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উল্লেখ করা হলে তিনি বলেনঃ তোমরা কেন তাকে ছেড়ে দিলে না। [২৫৫৪]

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মাইয বিন মালিক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললোঃ আমি যেনা করেছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। আবার সে বললো, আমি যেনা করেছি। তিনি এবারও তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। সে আবার বললো, আমি যেনা করেছি। এবারও তিনি তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। সে আবার বললো, আমি যেনা করেছি। তিনি তার থেকে আবারও মুখ ফিরিয়ে নিলেন। এমনিভাবে সে চারবার স্বীকারোক্তি করলো। অতঃপর তিনি তাকে রজম করার নির্দেশ দিলেন। তার দেহে পাথর নিক্ষিপ্ত হতে থাকলে সে দ্রুত পালাতে তৎপর হলো। এক ব্যক্তি তার নাগাল পেয়ে গেলো। তার হাতে ছিল উটের চোয়ালের হাড়। সে তাকে আঘাত করে ভূপাতিত করলো। তার গায়ে পাথর নিক্ষিপ্ত হওয়ায় তার পলায়নের কথা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উল্লেখ করা হলে তিনি বলেনঃ তোমরা কেন তাকে ছেড়ে দিলে না। [২৫৫৪]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عباد بن العوام، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال جاء ماعز بن مالك إلى النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال إني قد زنيت ‏.‏ فأعرض عنه ثم قال إني قد زنيت فأعرض عنه ‏.‏ ثم قال إني زنيت ‏.‏ فأعرض عنه ‏.‏ ثم قال قد زنيت ‏.‏ فأعرض عنه حتى أقر أربع مرات فأمر به أن يرجم ‏.‏ فلما أصابته الحجارة أدبر يشتد فلقيه رجل بيده لحى جمل فضربه فصرعه فذكر للنبي صلى الله عليه وسلم فراره حين مسته الحجارة قال ‏ "‏ فهلا تركتموه ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৫৫৪

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عباد بن العوام، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال جاء ماعز بن مالك إلى النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال إني قد زنيت ‏.‏ فأعرض عنه ثم قال إني قد زنيت فأعرض عنه ‏.‏ ثم قال إني زنيت ‏.‏ فأعرض عنه ‏.‏ ثم قال قد زنيت ‏.‏ فأعرض عنه حتى أقر أربع مرات فأمر به أن يرجم ‏.‏ فلما أصابته الحجارة أدبر يشتد فلقيه رجل بيده لحى جمل فضربه فصرعه فذكر للنبي صلى الله عليه وسلم فراره حين مسته الحجارة قال ‏ "‏ فهلا تركتموه ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মাইয বিন মালিক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললোঃ আমি যেনা করেছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। আবার সে বললো, আমি যেনা করেছি। তিনি এবারও তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। সে আবার বললো, আমি যেনা করেছি। এবারও তিনি তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। সে আবার বললো, আমি যেনা করেছি। তিনি তার থেকে আবারও মুখ ফিরিয়ে নিলেন। এমনিভাবে সে চারবার স্বীকারোক্তি করলো। অতঃপর তিনি তাকে রজম করার নির্দেশ দিলেন। তার দেহে পাথর নিক্ষিপ্ত হতে থাকলে সে দ্রুত পালাতে তৎপর হলো। এক ব্যক্তি তার নাগাল পেয়ে গেলো। তার হাতে ছিল উটের চোয়ালের হাড়। সে তাকে আঘাত করে ভূপাতিত করলো। তার গায়ে পাথর নিক্ষিপ্ত হওয়ায় তার পলায়নের কথা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উল্লেখ করা হলে তিনি বলেনঃ তোমরা কেন তাকে ছেড়ে দিলে না। [২৫৫৪]

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মাইয বিন মালিক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললোঃ আমি যেনা করেছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। আবার সে বললো, আমি যেনা করেছি। তিনি এবারও তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। সে আবার বললো, আমি যেনা করেছি। এবারও তিনি তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। সে আবার বললো, আমি যেনা করেছি। তিনি তার থেকে আবারও মুখ ফিরিয়ে নিলেন। এমনিভাবে সে চারবার স্বীকারোক্তি করলো। অতঃপর তিনি তাকে রজম করার নির্দেশ দিলেন। তার দেহে পাথর নিক্ষিপ্ত হতে থাকলে সে দ্রুত পালাতে তৎপর হলো। এক ব্যক্তি তার নাগাল পেয়ে গেলো। তার হাতে ছিল উটের চোয়ালের হাড়। সে তাকে আঘাত করে ভূপাতিত করলো। তার গায়ে পাথর নিক্ষিপ্ত হওয়ায় তার পলায়নের কথা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উল্লেখ করা হলে তিনি বলেনঃ তোমরা কেন তাকে ছেড়ে দিলে না। [২৫৫৪]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عباد بن العوام، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال جاء ماعز بن مالك إلى النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال إني قد زنيت ‏.‏ فأعرض عنه ثم قال إني قد زنيت فأعرض عنه ‏.‏ ثم قال إني زنيت ‏.‏ فأعرض عنه ‏.‏ ثم قال قد زنيت ‏.‏ فأعرض عنه حتى أقر أربع مرات فأمر به أن يرجم ‏.‏ فلما أصابته الحجارة أدبر يشتد فلقيه رجل بيده لحى جمل فضربه فصرعه فذكر للنبي صلى الله عليه وسلم فراره حين مسته الحجارة قال ‏ "‏ فهلا تركتموه ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৫৫৪

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عباد بن العوام، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال جاء ماعز بن مالك إلى النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال إني قد زنيت ‏.‏ فأعرض عنه ثم قال إني قد زنيت فأعرض عنه ‏.‏ ثم قال إني زنيت ‏.‏ فأعرض عنه ‏.‏ ثم قال قد زنيت ‏.‏ فأعرض عنه حتى أقر أربع مرات فأمر به أن يرجم ‏.‏ فلما أصابته الحجارة أدبر يشتد فلقيه رجل بيده لحى جمل فضربه فصرعه فذكر للنبي صلى الله عليه وسلم فراره حين مسته الحجارة قال ‏ "‏ فهلا تركتموه ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মাইয বিন মালিক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললোঃ আমি যেনা করেছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। আবার সে বললো, আমি যেনা করেছি। তিনি এবারও তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। সে আবার বললো, আমি যেনা করেছি। এবারও তিনি তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। সে আবার বললো, আমি যেনা করেছি। তিনি তার থেকে আবারও মুখ ফিরিয়ে নিলেন। এমনিভাবে সে চারবার স্বীকারোক্তি করলো। অতঃপর তিনি তাকে রজম করার নির্দেশ দিলেন। তার দেহে পাথর নিক্ষিপ্ত হতে থাকলে সে দ্রুত পালাতে তৎপর হলো। এক ব্যক্তি তার নাগাল পেয়ে গেলো। তার হাতে ছিল উটের চোয়ালের হাড়। সে তাকে আঘাত করে ভূপাতিত করলো। তার গায়ে পাথর নিক্ষিপ্ত হওয়ায় তার পলায়নের কথা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উল্লেখ করা হলে তিনি বলেনঃ তোমরা কেন তাকে ছেড়ে দিলে না। [২৫৫৪]

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মাইয বিন মালিক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললোঃ আমি যেনা করেছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। আবার সে বললো, আমি যেনা করেছি। তিনি এবারও তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। সে আবার বললো, আমি যেনা করেছি। এবারও তিনি তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। সে আবার বললো, আমি যেনা করেছি। তিনি তার থেকে আবারও মুখ ফিরিয়ে নিলেন। এমনিভাবে সে চারবার স্বীকারোক্তি করলো। অতঃপর তিনি তাকে রজম করার নির্দেশ দিলেন। তার দেহে পাথর নিক্ষিপ্ত হতে থাকলে সে দ্রুত পালাতে তৎপর হলো। এক ব্যক্তি তার নাগাল পেয়ে গেলো। তার হাতে ছিল উটের চোয়ালের হাড়। সে তাকে আঘাত করে ভূপাতিত করলো। তার গায়ে পাথর নিক্ষিপ্ত হওয়ায় তার পলায়নের কথা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উল্লেখ করা হলে তিনি বলেনঃ তোমরা কেন তাকে ছেড়ে দিলে না। [২৫৫৪]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عباد بن العوام، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال جاء ماعز بن مالك إلى النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال إني قد زنيت ‏.‏ فأعرض عنه ثم قال إني قد زنيت فأعرض عنه ‏.‏ ثم قال إني زنيت ‏.‏ فأعرض عنه ‏.‏ ثم قال قد زنيت ‏.‏ فأعرض عنه حتى أقر أربع مرات فأمر به أن يرجم ‏.‏ فلما أصابته الحجارة أدبر يشتد فلقيه رجل بيده لحى جمل فضربه فصرعه فذكر للنبي صلى الله عليه وسلم فراره حين مسته الحجارة قال ‏ "‏ فهلا تركتموه ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > ইহূদী পুরুষ ও নারীকে রজম করা

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৫৫৬

حدثنا علي بن محمد، حدثنا عبد الله بن نمير، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، أن النبي صلى الله عليه وسلم رجم يهوديين أنا فيمن رجمهما فلقد رأيته وإنه يسترها من الحجارة ‏.‏

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ইয়াহূদীকে রজম করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আমিও রজমকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। আমি পুরুষ লোকটিকে দেখেছি যে, সে নারীটিকে পাথর থেকে আড়াল করছে। [২৫৫৬]

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ইয়াহূদীকে রজম করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আমিও রজমকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। আমি পুরুষ লোকটিকে দেখেছি যে, সে নারীটিকে পাথর থেকে আড়াল করছে। [২৫৫৬]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا عبد الله بن نمير، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، أن النبي صلى الله عليه وسلم رجم يهوديين أنا فيمن رجمهما فلقد رأيته وإنه يسترها من الحجارة ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৫৫৭

حدثنا إسماعيل بن موسى، حدثنا شريك، عن سماك بن حرب، عن جابر بن سمرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم رجم يهوديا ويهودية ‏.‏

জাবীর বিন সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একজোড়া ইহূদী নারী-পুরুষকে রজম করেছিলেন। [২৫৫৭]

জাবীর বিন সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একজোড়া ইহূদী নারী-পুরুষকে রজম করেছিলেন। [২৫৫৭]

حدثنا إسماعيل بن موسى، حدثنا شريك، عن سماك بن حرب، عن جابر بن سمرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم رجم يهوديا ويهودية ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৫৫৮

حدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن البراء بن عازب، قال مر النبي بيهودي محمم مجلود فدعاهم فقال ‏"‏ هكذا تجدون في كتابكم حد الزاني ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم ‏.‏ فدعا رجلا من علمائهم فقال ‏"‏ أنشدك بالله الذي أنزل التوراة على موسى أهكذا تجدون حد الزاني قال لا ولولا أنك نشدتني لم أخبرك نجد حد الزاني في كتابنا الرجم ولكنه كثر في أشرافنا فكنا إذا أخذنا الشريف تركناه وكنا إذا أخذنا الضعيف أقمنا عليه الحد ‏.‏ فقلنا تعالوا فلنجتمع على شىء نقيمه على الشريف والوضيع فاجتمعنا على التحميم والجلد مكان الرجم ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم اللهم إني أول من أحيا أمرك إذ أماتوه ‏"‏ ‏.‏ وأمر به فرجم ‏.‏

বারা’ বিন আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন এক ইহূদীকে অতিক্রম করে যাচ্ছিলেন, যার মুখে কালি মাখিয়ে বেত্রাঘাত করা হয়েছিল। তিনি তাদেরকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কি তোমাদের কিতাবে যেনাকারীর এরূপ শাস্তি পেয়েছো? তারা বললো, হাঁ। তিনি তাদের আলেমদের মধ্যকার একজনকে ডেকে বলেনঃ আমি তোমাকে সেই সত্তার শপথ দিয়ে বলছি যিনি মূসা (আঃ)-এর উপর তাওরাত কিতাব নাযিল করেছেন! তোমরা কি যেনাকারীর এরূপ শাস্তিই পেয়েছো? সে বললো, না। আপনি যদি আমাকে শপথ দিয়ে জিজ্ঞেস না করতেন তবে আমি আপনাকে এ কথা বলতাম না। আমরা আমাদের কিতাবে যেনাকারীর শাস্তি পেয়েছি রজম করা। কিন্তু আমাদের সম্ভ্রান্ত লোকদের মধ্যে রজমের (যেনার) অপরাধ বেড়ে গেলো। এমতাবস্থায় আমরা সম্ভ্রান্ত লোককে (এ অপরাধে) গ্রেপ্তার করলে তাকে ছেড়ে দিতাম এবং আমাদের দুর্বল ও অসহায় লোককে (একইরূপ অপরাধে) গ্রেপ্তার করলে তার উপর হদ্দ কার্যকর করতাম। (এক পর্যায়ে) আমরা বললাম এসো আমরা একটা বিষয়ে একমত হই, যা আমরা সম্ভ্রান্ত ও দুর্বল সকলের উপর কার্যকর করতে পারি। তখন থেকে আমরা (শাস্তি লাঘব করে) রজমের পরিবর্তে মুখমন্ডলে কালি মেখে বেত্রাঘাতের শাস্তি কার্যকর করতে একমত হই। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ইয়া আল্লাহ! আমিই প্রথম ব্যক্তি যে তাদের ধ্বংস করা তোমার হুকুমকে জীবিত করেছে। অতঃপর তাঁর নির্দেশে ঐ ইহূদীকে রজম করা হয়। [২৫৫৮]

বারা’ বিন আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন এক ইহূদীকে অতিক্রম করে যাচ্ছিলেন, যার মুখে কালি মাখিয়ে বেত্রাঘাত করা হয়েছিল। তিনি তাদেরকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কি তোমাদের কিতাবে যেনাকারীর এরূপ শাস্তি পেয়েছো? তারা বললো, হাঁ। তিনি তাদের আলেমদের মধ্যকার একজনকে ডেকে বলেনঃ আমি তোমাকে সেই সত্তার শপথ দিয়ে বলছি যিনি মূসা (আঃ)-এর উপর তাওরাত কিতাব নাযিল করেছেন! তোমরা কি যেনাকারীর এরূপ শাস্তিই পেয়েছো? সে বললো, না। আপনি যদি আমাকে শপথ দিয়ে জিজ্ঞেস না করতেন তবে আমি আপনাকে এ কথা বলতাম না। আমরা আমাদের কিতাবে যেনাকারীর শাস্তি পেয়েছি রজম করা। কিন্তু আমাদের সম্ভ্রান্ত লোকদের মধ্যে রজমের (যেনার) অপরাধ বেড়ে গেলো। এমতাবস্থায় আমরা সম্ভ্রান্ত লোককে (এ অপরাধে) গ্রেপ্তার করলে তাকে ছেড়ে দিতাম এবং আমাদের দুর্বল ও অসহায় লোককে (একইরূপ অপরাধে) গ্রেপ্তার করলে তার উপর হদ্দ কার্যকর করতাম। (এক পর্যায়ে) আমরা বললাম এসো আমরা একটা বিষয়ে একমত হই, যা আমরা সম্ভ্রান্ত ও দুর্বল সকলের উপর কার্যকর করতে পারি। তখন থেকে আমরা (শাস্তি লাঘব করে) রজমের পরিবর্তে মুখমন্ডলে কালি মেখে বেত্রাঘাতের শাস্তি কার্যকর করতে একমত হই। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ইয়া আল্লাহ! আমিই প্রথম ব্যক্তি যে তাদের ধ্বংস করা তোমার হুকুমকে জীবিত করেছে। অতঃপর তাঁর নির্দেশে ঐ ইহূদীকে রজম করা হয়। [২৫৫৮]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن البراء بن عازب، قال مر النبي بيهودي محمم مجلود فدعاهم فقال ‏"‏ هكذا تجدون في كتابكم حد الزاني ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم ‏.‏ فدعا رجلا من علمائهم فقال ‏"‏ أنشدك بالله الذي أنزل التوراة على موسى أهكذا تجدون حد الزاني قال لا ولولا أنك نشدتني لم أخبرك نجد حد الزاني في كتابنا الرجم ولكنه كثر في أشرافنا فكنا إذا أخذنا الشريف تركناه وكنا إذا أخذنا الضعيف أقمنا عليه الحد ‏.‏ فقلنا تعالوا فلنجتمع على شىء نقيمه على الشريف والوضيع فاجتمعنا على التحميم والجلد مكان الرجم ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم اللهم إني أول من أحيا أمرك إذ أماتوه ‏"‏ ‏.‏ وأمر به فرجم ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > যে ব্যক্তি প্রকাশ্যে অশ্লীল কর্ম (যেনা) করে

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৫৫৯

حدثنا العباس بن الوليد الدمشقي، حدثنا زيد بن يحيى بن عبيد، حدثنا الليث بن سعد، عن عبيد الله بن أبي جعفر، عن أبي الأسود، عن عروة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لو كنت راجما أحدا بغير بينة لرجمت فلانة فقد ظهر فيها الريبة في منطقها وهيئتها ومن يدخل عليها ‏"‏ ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি যদি কাউকে সাক্ষ্য প্রমাণ ছাড়া রজম করতাম, তবে অবশ্যই অমুক নারীকে রজম করতাম। কেননা তার কথাবার্তায় ও দৈহিক বেশভূষায় এবং যারা তার কাছে যাতায়াত করে তাদের থেকে অশ্লীলতা প্রকাশ পেয়েছে। [২৫৫৯]

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি যদি কাউকে সাক্ষ্য প্রমাণ ছাড়া রজম করতাম, তবে অবশ্যই অমুক নারীকে রজম করতাম। কেননা তার কথাবার্তায় ও দৈহিক বেশভূষায় এবং যারা তার কাছে যাতায়াত করে তাদের থেকে অশ্লীলতা প্রকাশ পেয়েছে। [২৫৫৯]

حدثنا العباس بن الوليد الدمشقي، حدثنا زيد بن يحيى بن عبيد، حدثنا الليث بن سعد، عن عبيد الله بن أبي جعفر، عن أبي الأسود، عن عروة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لو كنت راجما أحدا بغير بينة لرجمت فلانة فقد ظهر فيها الريبة في منطقها وهيئتها ومن يدخل عليها ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৫৬০

حدثنا أبو بكر بن خلاد الباهلي، حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن القاسم بن محمد، قال ذكر ابن عباس المتلاعنين ‏.‏ فقال له ابن شداد هي التي قال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لو كنت راجما أحدا بغير بينة لرجمتها ‏"‏ ‏.‏ فقال ابن عباس تلك امرأة أعلنت ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

দু’ লিআনকারীর কথা উল্লেখ করলেন। ইবনু শাদ্দাদ (রাঃ) তাকে বললেন, এই সেই নারী যার সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেনঃ আমি যদি কাউকে সাক্ষ্য-প্রমাণ ছাড়াই রজম করতাম, তবে অবশ্যই তাকে রজম করতাম। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, সেই নারী তো প্রকাশ্যে অশ্লীল কাজ করেছে। [২৫৬০]

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

দু’ লিআনকারীর কথা উল্লেখ করলেন। ইবনু শাদ্দাদ (রাঃ) তাকে বললেন, এই সেই নারী যার সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেনঃ আমি যদি কাউকে সাক্ষ্য-প্রমাণ ছাড়াই রজম করতাম, তবে অবশ্যই তাকে রজম করতাম। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, সেই নারী তো প্রকাশ্যে অশ্লীল কাজ করেছে। [২৫৬০]

حدثنا أبو بكر بن خلاد الباهلي، حدثنا سفيان، عن أبي الزناد، عن القاسم بن محمد، قال ذكر ابن عباس المتلاعنين ‏.‏ فقال له ابن شداد هي التي قال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لو كنت راجما أحدا بغير بينة لرجمتها ‏"‏ ‏.‏ فقال ابن عباس تلك امرأة أعلنت ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00