সুনানে ইবনে মাজাহ > কেউ দাসীকে দু’ তালাক দেয়ার পর তাকে ক্রয় করলে।
সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৮২
حدثنا محمد بن عبد الملك بن زنجويه أبو بكر حدثنا عبد الرزاق حدثنا معمر عن يحيى بن أبي كثير عن عمر بن معتب عن أبي الحسن مولى بني نوفل قال سئل ابن عباس عن عبد «طلق امرأته تطليقتين ثم أعتقا يتزوجها قال نعم فقيل له عمن قال قضى بذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم». قال عبد الرزاق قال عبد الله بن المبارك لقد تحمل أبو الحسن هذا صخرة عظيمة على عنقه.
বানূ নাওফালের মুক্ত দাস আবূল হাসান (মাকবুল) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু আব্বাস (রাঃ) কে একটি গোলাম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল যে, সে তার স্ত্রীকে দু’তালাক দিয়েছে, পরে তাদের উভয়কে দাসত্বমুক্ত করা হয়েছে, সে কি তাকে বিবাহ করতে পারে? তিনি বলেন, হাঁ। অতঃপর তাকে জিজ্ঞেস করা হল আপনি কার বরাতে বলছেন? তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুরূপ ফয়সালা দিয়েছেন। আব্দুর রাযযাক বলেন, আবদুল্লাহ বিন মুবারাক বলেছেন, আবুল হাসান যে মস্তবড় পাথর তার গর্দানে চাপিয়ে নিয়েছে। [২০৮২]
বানূ নাওফালের মুক্ত দাস আবূল হাসান (মাকবুল) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু আব্বাস (রাঃ) কে একটি গোলাম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল যে, সে তার স্ত্রীকে দু’তালাক দিয়েছে, পরে তাদের উভয়কে দাসত্বমুক্ত করা হয়েছে, সে কি তাকে বিবাহ করতে পারে? তিনি বলেন, হাঁ। অতঃপর তাকে জিজ্ঞেস করা হল আপনি কার বরাতে বলছেন? তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুরূপ ফয়সালা দিয়েছেন। আব্দুর রাযযাক বলেন, আবদুল্লাহ বিন মুবারাক বলেছেন, আবুল হাসান যে মস্তবড় পাথর তার গর্দানে চাপিয়ে নিয়েছে। [২০৮২]
حدثنا محمد بن عبد الملك بن زنجويه أبو بكر حدثنا عبد الرزاق حدثنا معمر عن يحيى بن أبي كثير عن عمر بن معتب عن أبي الحسن مولى بني نوفل قال سئل ابن عباس عن عبد «طلق امرأته تطليقتين ثم أعتقا يتزوجها قال نعم فقيل له عمن قال قضى بذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم». قال عبد الرزاق قال عبد الله بن المبارك لقد تحمل أبو الحسن هذا صخرة عظيمة على عنقه.
সুনানে ইবনে মাজাহ > উম্মুল ওয়ালাদ এর উদ্দাত।
সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৮৩
حدثنا علي بن محمد حدثنا وكيع عن سعيد بن أبي عروبة عن مطر الوراق عن رجاء بن حيوة عن قبيصة بن ذؤيب عن عمرو بن العاص قال لا تفسدوا علينا سنة نبينا محمد صلى الله عليه وسلم عدة أم الولد أربعة أشهر وعشرا
আমর ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তোমরা আমাদের সামনে আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুহাম্মাদ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সুন্নাতকে বিপর্যস্ত করো না। উম্মুল ওয়ালাদের ইদ্দত চারমাস দশ দিন। [২০৮৩]
আমর ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তোমরা আমাদের সামনে আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুহাম্মাদ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সুন্নাতকে বিপর্যস্ত করো না। উম্মুল ওয়ালাদের ইদ্দত চারমাস দশ দিন। [২০৮৩]
حدثنا علي بن محمد حدثنا وكيع عن سعيد بن أبي عروبة عن مطر الوراق عن رجاء بن حيوة عن قبيصة بن ذؤيب عن عمرو بن العاص قال لا تفسدوا علينا سنة نبينا محمد صلى الله عليه وسلم عدة أم الولد أربعة أشهر وعشرا
সুনানে ইবনে মাজাহ > যে মহিলার স্বামী মারা গেছে ইদ্দাত চলাকালে তার রূপচর্চা করা মাকরূহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৮৪
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا يزيد بن هارون أنبأنا يحيى بن سعيد عن حميد بن نافع أنه سمع زينب ابنة أم سلمة تحدث أنها سمعت أم سلمة وأم حبيبة تذكران أن امرأة أتت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت إن ابنة لها توفي عنها زوجها فاشتكت عينها فهي تريد أن تكحلها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم قد كانت إحداكن ترمي بالبعرة عند رأس الحول وإنما هي أربعة أشهر وعشرا
যায়নাব বিনতু উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি উম্মু সালামাহ ও উম্মু হাবিবা (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন, এক স্ত্রীলোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বলল, আমার মেয়ের স্বামী মারা গেছে। এখন তার চোখে অসুখ দেখা দিয়েছে, তাই সে তার চোখে সুরমা লাগাতে চায়। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের অবস্থা এরূপ ছিল যে, কোন নারী এক বছর পূর্ণ হলে পর গোবর ছিটিয়ে ইদ্দত সমাপ্ত করতো। এখন তা কেবল চার মাস দশ দিন। [২০৮৪]
যায়নাব বিনতু উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি উম্মু সালামাহ ও উম্মু হাবিবা (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন, এক স্ত্রীলোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বলল, আমার মেয়ের স্বামী মারা গেছে। এখন তার চোখে অসুখ দেখা দিয়েছে, তাই সে তার চোখে সুরমা লাগাতে চায়। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের অবস্থা এরূপ ছিল যে, কোন নারী এক বছর পূর্ণ হলে পর গোবর ছিটিয়ে ইদ্দত সমাপ্ত করতো। এখন তা কেবল চার মাস দশ দিন। [২০৮৪]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا يزيد بن هارون أنبأنا يحيى بن سعيد عن حميد بن نافع أنه سمع زينب ابنة أم سلمة تحدث أنها سمعت أم سلمة وأم حبيبة تذكران أن امرأة أتت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت إن ابنة لها توفي عنها زوجها فاشتكت عينها فهي تريد أن تكحلها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم قد كانت إحداكن ترمي بالبعرة عند رأس الحول وإنما هي أربعة أشهر وعشرا
সুনানে ইবনে মাজাহ > স্বামী ব্যতীত অপরের মৃত্যুতে কি মহিলারা রূপচর্চা বর্জন করবে?
সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৮৬
حدثنا هناد بن السري حدثنا أبو الأحوص عن يحيى بن سعيد عن نافع عن صفية بنت أبي عبيد عن حفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر أن تحد على ميت فوق ثلاث إلا على زوج
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী হাফসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে নারী আল্লাহ ও আখিরাতের দিনের উপর ঈমান রাখে, তার জন্য স্বামী ব্যতীত অন্য কারো মৃত্যুতে তিন দিনের অধিক রূপচর্চা বর্জন করা (বা শোক পালন করা) বৈধ নয়। [২০৮৬]
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী হাফসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে নারী আল্লাহ ও আখিরাতের দিনের উপর ঈমান রাখে, তার জন্য স্বামী ব্যতীত অন্য কারো মৃত্যুতে তিন দিনের অধিক রূপচর্চা বর্জন করা (বা শোক পালন করা) বৈধ নয়। [২০৮৬]
حدثنا هناد بن السري حدثنا أبو الأحوص عن يحيى بن سعيد عن نافع عن صفية بنت أبي عبيد عن حفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر أن تحد على ميت فوق ثلاث إلا على زوج
সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৮৭
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا عبد الله بن نمير عن هشام بن حسان عن حفصة عن أم عطية قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم «لا تحد على ميت فوق ثلاث إلا امرأة تحد على زوجها أربعة أشهر وعشرا ولا تلبس ثوبا مصبوغا إلا ثوب عصب ولا تكتحل ولا تطيب إلا عند أدنى طهرها بنبذة من قسط أو أظفار
উম্মু আতিয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন নারী মৃত ব্যক্তির জন্য তিন দিনের অধিক শোক পালন করবে না। তবে স্বামীর মৃত্যুতে স্ত্রী চার মাস দশ দিন শোক পালন করবে। সে রঙ্গিন বস্ত্র পরিধান করবে না, তবে ইয়ামানের বিশেষ ধরনের রঙ্গীন চাদর পরতে পারবে। সুরমা ও সুগন্ধি ব্যবহার করবে না, তবে হায়িদ থেকে পবিত্র হওয়ার সময় গোসলের বেলায় সামান্য কস্তূরী ও চন্দন ব্যবহার করতে পারবে। [২০৮৭]
উম্মু আতিয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন নারী মৃত ব্যক্তির জন্য তিন দিনের অধিক শোক পালন করবে না। তবে স্বামীর মৃত্যুতে স্ত্রী চার মাস দশ দিন শোক পালন করবে। সে রঙ্গিন বস্ত্র পরিধান করবে না, তবে ইয়ামানের বিশেষ ধরনের রঙ্গীন চাদর পরতে পারবে। সুরমা ও সুগন্ধি ব্যবহার করবে না, তবে হায়িদ থেকে পবিত্র হওয়ার সময় গোসলের বেলায় সামান্য কস্তূরী ও চন্দন ব্যবহার করতে পারবে। [২০৮৭]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا عبد الله بن نمير عن هشام بن حسان عن حفصة عن أم عطية قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم «لا تحد على ميت فوق ثلاث إلا امرأة تحد على زوجها أربعة أشهر وعشرا ولا تلبس ثوبا مصبوغا إلا ثوب عصب ولا تكتحل ولا تطيب إلا عند أدنى طهرها بنبذة من قسط أو أظفار
সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৮৫
- حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا سفيان بن عيينة عن الزهري عن عروة عن عائشة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا يحل لامرأة أن تحد على ميت فوق ثلاث إلا على زوج
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কোন নারীর জন্য স্বামী ব্যতীত অপর কারো মৃত্যুতে তিন দিনের অধিক রূপচর্চা বর্জন (বা শোক পালন) করা বৈধ নয়। [২০৮৫]
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কোন নারীর জন্য স্বামী ব্যতীত অপর কারো মৃত্যুতে তিন দিনের অধিক রূপচর্চা বর্জন (বা শোক পালন) করা বৈধ নয়। [২০৮৫]
- حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا سفيان بن عيينة عن الزهري عن عروة عن عائشة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا يحل لامرأة أن تحد على ميت فوق ثلاث إلا على زوج