সুনানে ইবনে মাজাহ > লিআন ( অভিশাপযুক্ত শপথ )।

সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৬৯

حدثنا أحمد بن سنان حدثنا عبد الرحمن بن مهدي عن مالك بن أنس عن نافع عن ابن عمر أن رجلا لاعن امرأته وانتفى من ولدها ففرق رسول الله صلى الله عليه وسلم بينهما وألحق الولد بالمرأة

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে লিআন করায় এবং তার গর্ভের সন্তানকে অস্বীকার করে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের দু’জনের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দেন এবং সন্তানটি উক্ত নারীর সাথে যুক্ত করেন। [২০৬৯]

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে লিআন করায় এবং তার গর্ভের সন্তানকে অস্বীকার করে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের দু’জনের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দেন এবং সন্তানটি উক্ত নারীর সাথে যুক্ত করেন। [২০৬৯]

حدثنا أحمد بن سنان حدثنا عبد الرحمن بن مهدي عن مالك بن أنس عن نافع عن ابن عمر أن رجلا لاعن امرأته وانتفى من ولدها ففرق رسول الله صلى الله عليه وسلم بينهما وألحق الولد بالمرأة


সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৭০

- حدثنا علي بن سلمة النيسابوري حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد حدثنا أبي عن ابن إسحق قال ذكر طلحة بن نافع عن سعيد بن جبير عن ابن عباس قال تزوج رجل من الأنصار امرأة من بلعجلان فدخل بها فبات عندها فلما أصبح قال ما وجدتها عذراء فرفع شأنها إلى النبي صلى الله عليه وسلم فدعا الجارية فسألها فقالت بلى قد كنت عذراء فأمر بهما فتلاعنا وأعطاها المهر

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আনসার সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি বালইজলান গোত্রের এক নারীকে বিবাহ করে। অতঃপর সে তার ঘরে প্রবেশ করে তার সাথে রাত কাটায়। ভোর হলে সে বললো, আমি তাকে কুমারী পাইনি। তার বিষয়টি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরবারে পেশ করা হলে তিনি যুবতীকে ডেকে পাঠান। তিনি তাকে জিজ্ঞেশ করলে সে বললো, হাঁ, অবশ্যই আমি কুমারী ছিলাম। তিনি তাদেরকে নির্দেশ দিলে তারা উভয়ে লিআন করে। তিনি তাকে মোহরানা প্রদানের ব্যবস্থা করেন। [২০৭০]

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আনসার সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি বালইজলান গোত্রের এক নারীকে বিবাহ করে। অতঃপর সে তার ঘরে প্রবেশ করে তার সাথে রাত কাটায়। ভোর হলে সে বললো, আমি তাকে কুমারী পাইনি। তার বিষয়টি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দরবারে পেশ করা হলে তিনি যুবতীকে ডেকে পাঠান। তিনি তাকে জিজ্ঞেশ করলে সে বললো, হাঁ, অবশ্যই আমি কুমারী ছিলাম। তিনি তাদেরকে নির্দেশ দিলে তারা উভয়ে লিআন করে। তিনি তাকে মোহরানা প্রদানের ব্যবস্থা করেন। [২০৭০]

- حدثنا علي بن سلمة النيسابوري حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد حدثنا أبي عن ابن إسحق قال ذكر طلحة بن نافع عن سعيد بن جبير عن ابن عباس قال تزوج رجل من الأنصار امرأة من بلعجلان فدخل بها فبات عندها فلما أصبح قال ما وجدتها عذراء فرفع شأنها إلى النبي صلى الله عليه وسلم فدعا الجارية فسألها فقالت بلى قد كنت عذراء فأمر بهما فتلاعنا وأعطاها المهر


সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৭১

حدثنا محمد بن يحيى حدثنا حيوة بن شريح الحضرمي عن ضمرة بن ربيعة عن ابن عطاء عن أبيه عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده أن النبي صلى الله عليه وسلم قال أربع من النساء لا ملاعنة بينهن النصرانية تحت المسلم واليهودية تحت المسلم والحرة تحت المملوك والمملوكة تحت الحر

আবদুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, চার ধরণের দম্পতির মধ্যে লিআনের বিধান প্রযোজ্য নয়ঃ মুসলিম ব্যক্তির বিবাহাধীন খ্রিস্টান নারী, মুসলিম ব্যক্তির বিবাহাধীন ইহূদী নারী, ক্রিতদাসের বিবাহাধীন স্বাধীনা নারী এবং স্বাধীন পুরুষের বিবাহাধীন ক্রীতদাসী। [২০৭১]

আবদুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, চার ধরণের দম্পতির মধ্যে লিআনের বিধান প্রযোজ্য নয়ঃ মুসলিম ব্যক্তির বিবাহাধীন খ্রিস্টান নারী, মুসলিম ব্যক্তির বিবাহাধীন ইহূদী নারী, ক্রিতদাসের বিবাহাধীন স্বাধীনা নারী এবং স্বাধীন পুরুষের বিবাহাধীন ক্রীতদাসী। [২০৭১]

حدثنا محمد بن يحيى حدثنا حيوة بن شريح الحضرمي عن ضمرة بن ربيعة عن ابن عطاء عن أبيه عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده أن النبي صلى الله عليه وسلم قال أربع من النساء لا ملاعنة بينهن النصرانية تحت المسلم واليهودية تحت المسلم والحرة تحت المملوك والمملوكة تحت الحر


সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৬৭

حدثنا محمد بن بشار حدثنا ابن أبي عدي أنبأنا هشام بن حسان حدثنا عكرمة عن ابن عباس أن هلال بن أمية قذف امرأته عند النبي صلى الله عليه وسلم بشريك ابن سحماء فقال النبي صلى الله عليه وسلم البينة أو حد في ظهرك فقال هلال بن أمية والذي بعثك بالحق إني لصادق ولينزلن الله في أمري ما يبرئ ظهري قال فنزلت {والذين يرمون أزواجهم ولم يكن لهم شهداء إلا أنفسهم حتى بلغ والخامسة أن غضب الله عليها إن كان من الصادقين} فانصرف النبي صلى الله عليه وسلم فأرسل إليهما فجاءا فقام هلال بن أمية فشهد والنبي صلى الله عليه وسلم يقول إن الله يعلم أن أحدكما كاذب فهل من تائب ثم قامت فشهدت فلما كان عند الخامسة {أن غضب الله عليها إن كان من الصادقين} قالوا لها إنها لموجبة قال ابن عباس فتلكأت ونكصت حتى ظننا أنها سترجع فقالت والله لا أفضح قومي سائر اليوم فقال النبي صلى الله عليه وسلم انظروها فإن جاءت به أكحل العينين سابغ الأليتين خدلج الساقين فهو لشريك ابن سحماء فجاءت به كذلك فقال النبي صلى الله عليه وسلم لولا ما مضى من كتاب الله عز وجل لكان لي ولها شأن

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হিলাল বিন উমাইয়্যা (রাঃ) তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট শরীক বিন সাহমার সাথে যেনায় লিপ্ত হওয়ার অভিযোগ দায়ের করেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ প্রমাণ পেশ করো অন্যথায় তোমার পিঠে হদ্দ কার্যকর হবে। হেলাল বিন উমাইয়্যা (রাঃ) বলেন, সেই সত্তার শপথ, যিনি আপনাকে সত্য দীনসহ পাঠিয়েছেন। আমি অবশ্যই সত্যবাদী এবং আল্লাহ্‌ আমার অভিযোগের ব্যাপারে এমন বিধান নাযিল করবেন, যা আমার পিঠকে হদ্দ থেকে রক্ষা করবে। তখন এই আয়াত নাযিল হলো (অনুবাদ) “ আর যারা নিজেদের স্ত্রীর প্রতি যেনার অপবাদ আরোপ করে অথচ নিজেরা ব্যতীত তাদের কোন সাক্ষী নাই, তাদের প্রত্যেকের সাক্ষ্য এই হবে যে, সে আল্লাহ্‌র নামে চারবার শপথ করে বলবে যে, সে অবশ্যই সত্যবাদী এবং পঞ্চমবারে বলবে, সে মিথ্যাবাদী হলে তার উপর নেমে আসবে আল্লাহ্‌র লানত” (সূরা নূরঃ ৬৭)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুখ ফিরিয়ে তাদের দু’জনকে ডেকে পাঠান। তারা উপস্থিত হলে প্রথমে হেলাল বিন উমাইয়্যা (রাঃ) দাড়িয়ে শপথ করেন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ অবশ্যই জানেন যে, তোমাদের মধ্যে একজন মিথ্যাবাদী। অতএব কেও তওবা করবে কি? অতঃপর স্ত্রীলোক দাঁড়িয়ে সাক্ষ্য দিলো। পঞ্চমবারে সে যখন বলতে যাচ্ছিল যে, সে (স্বামী) সত্যবাদী হলে তার নিজের উপর আল্লাহ্‌র গযব পতিত হোক, তখন লোকেরা তাকে বলল, এটি কিন্তু অবধারিতকারী বাক্য। বিন আব্বাস (রাঃ) বলেন, সেই নারী তখন আর কিছু না বলে থেমে গিয়ে পিছনে হটে গেলো। শেষে আমরা মনে করলাম সে হয়তো ফিরে যাবে (বিরত থাকবে)। কিন্তু সে বললো, আল্লাহ্‌র শপথ! আমি আমার সম্প্রদায়কে চিরদিনের জন্য কালিমালিপ্ত করতে পারি না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমরা তার প্রতি লক্ষ্য রেখো। সে যদি সুরমাদীপ্ত চোখ, মাংসল নিতম্ব ও মাংসল পদযুগলবিশিষ্ট সন্তান প্রসব করে তবে এটি শরীক বিন সাহমার। অতঃপর সে এই ধরণের সন্তানই প্রসব করলো। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ্‌র কিতাবে আগেই যদি (লিআনকারীর) বিধান না দেয়া থাকতো, তাহলে তার ও আমার মধ্যে কিছু একটা ঘটে যেতো (তাকে শাস্তি দিতাম)। [২০৬৭]

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হিলাল বিন উমাইয়্যা (রাঃ) তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট শরীক বিন সাহমার সাথে যেনায় লিপ্ত হওয়ার অভিযোগ দায়ের করেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ প্রমাণ পেশ করো অন্যথায় তোমার পিঠে হদ্দ কার্যকর হবে। হেলাল বিন উমাইয়্যা (রাঃ) বলেন, সেই সত্তার শপথ, যিনি আপনাকে সত্য দীনসহ পাঠিয়েছেন। আমি অবশ্যই সত্যবাদী এবং আল্লাহ্‌ আমার অভিযোগের ব্যাপারে এমন বিধান নাযিল করবেন, যা আমার পিঠকে হদ্দ থেকে রক্ষা করবে। তখন এই আয়াত নাযিল হলো (অনুবাদ) “ আর যারা নিজেদের স্ত্রীর প্রতি যেনার অপবাদ আরোপ করে অথচ নিজেরা ব্যতীত তাদের কোন সাক্ষী নাই, তাদের প্রত্যেকের সাক্ষ্য এই হবে যে, সে আল্লাহ্‌র নামে চারবার শপথ করে বলবে যে, সে অবশ্যই সত্যবাদী এবং পঞ্চমবারে বলবে, সে মিথ্যাবাদী হলে তার উপর নেমে আসবে আল্লাহ্‌র লানত” (সূরা নূরঃ ৬৭)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুখ ফিরিয়ে তাদের দু’জনকে ডেকে পাঠান। তারা উপস্থিত হলে প্রথমে হেলাল বিন উমাইয়্যা (রাঃ) দাড়িয়ে শপথ করেন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ অবশ্যই জানেন যে, তোমাদের মধ্যে একজন মিথ্যাবাদী। অতএব কেও তওবা করবে কি? অতঃপর স্ত্রীলোক দাঁড়িয়ে সাক্ষ্য দিলো। পঞ্চমবারে সে যখন বলতে যাচ্ছিল যে, সে (স্বামী) সত্যবাদী হলে তার নিজের উপর আল্লাহ্‌র গযব পতিত হোক, তখন লোকেরা তাকে বলল, এটি কিন্তু অবধারিতকারী বাক্য। বিন আব্বাস (রাঃ) বলেন, সেই নারী তখন আর কিছু না বলে থেমে গিয়ে পিছনে হটে গেলো। শেষে আমরা মনে করলাম সে হয়তো ফিরে যাবে (বিরত থাকবে)। কিন্তু সে বললো, আল্লাহ্‌র শপথ! আমি আমার সম্প্রদায়কে চিরদিনের জন্য কালিমালিপ্ত করতে পারি না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমরা তার প্রতি লক্ষ্য রেখো। সে যদি সুরমাদীপ্ত চোখ, মাংসল নিতম্ব ও মাংসল পদযুগলবিশিষ্ট সন্তান প্রসব করে তবে এটি শরীক বিন সাহমার। অতঃপর সে এই ধরণের সন্তানই প্রসব করলো। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ্‌র কিতাবে আগেই যদি (লিআনকারীর) বিধান না দেয়া থাকতো, তাহলে তার ও আমার মধ্যে কিছু একটা ঘটে যেতো (তাকে শাস্তি দিতাম)। [২০৬৭]

حدثنا محمد بن بشار حدثنا ابن أبي عدي أنبأنا هشام بن حسان حدثنا عكرمة عن ابن عباس أن هلال بن أمية قذف امرأته عند النبي صلى الله عليه وسلم بشريك ابن سحماء فقال النبي صلى الله عليه وسلم البينة أو حد في ظهرك فقال هلال بن أمية والذي بعثك بالحق إني لصادق ولينزلن الله في أمري ما يبرئ ظهري قال فنزلت {والذين يرمون أزواجهم ولم يكن لهم شهداء إلا أنفسهم حتى بلغ والخامسة أن غضب الله عليها إن كان من الصادقين} فانصرف النبي صلى الله عليه وسلم فأرسل إليهما فجاءا فقام هلال بن أمية فشهد والنبي صلى الله عليه وسلم يقول إن الله يعلم أن أحدكما كاذب فهل من تائب ثم قامت فشهدت فلما كان عند الخامسة {أن غضب الله عليها إن كان من الصادقين} قالوا لها إنها لموجبة قال ابن عباس فتلكأت ونكصت حتى ظننا أنها سترجع فقالت والله لا أفضح قومي سائر اليوم فقال النبي صلى الله عليه وسلم انظروها فإن جاءت به أكحل العينين سابغ الأليتين خدلج الساقين فهو لشريك ابن سحماء فجاءت به كذلك فقال النبي صلى الله عليه وسلم لولا ما مضى من كتاب الله عز وجل لكان لي ولها شأن


সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৬৮

حدثنا أبو بكر بن خلاد الباهلي وإسحق بن إبراهيم بن حبيب قالا حدثنا عبدة بن سليمان عن الأعمش عن إبراهيم عن علقمة عن عبد الله قال كنا في المسجد ليلة الجمعة فقال رجل لو أن رجلا وجد مع امرأته رجلا فقتله قتلتموه وإن تكلم جلدتموه والله لأذكرن ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فذكره للنبي صلى الله عليه وسلم فأنزل الله عز وجل آيات اللعان ثم جاء الرجل بعد ذلك يقذف امرأته فلاعن النبي صلى الله عليه وسلم بينهما وقال عسى أن تجيء به أسود فجاءت به أسود جعدا

আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা জুমুআহর রাতে মাসজিদে অবস্থানরত ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি বললো, কোন ব্যক্তি যদি তার স্ত্রীর সাথে অপর কোন ব্যক্তিকে (অপকর্মে লিপ্ত) পেয়ে তাকে হত্যা করে, তাহলে তোমরা তাকে হত্যা করবে! আর যদি যেনার অপবাদ দেয়, তাহলে তোমরা তাকে অবশ্যি বেত্রাঘাতে জর্জরিত করবে। আল্লাহ্‌র শপথ! আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সামনে বিষয়টি তুলে ধরবো। অতএব সে তা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সামনে পেশ করলে আল্লাহ তাআলা লিআন সংক্রান্ত আয়াত নাযিল করেন। অতঃপর লোকটি তার স্ত্রীর প্রতি যেনার অপবাদসহ হাযির হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের উভয়কে লিআন করান এবং সাথে সাথে আরও বলেনঃ হয়তো সে একটি কৃষ্ণকায় সন্তান প্রসব করবে। পরে সে একটি কৃষ্ণকায় ও কোঁকড়ানো চুলবিশিষ্ট একটি বাচ্চা প্রসব করে। [২০৬৮]

আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা জুমুআহর রাতে মাসজিদে অবস্থানরত ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি বললো, কোন ব্যক্তি যদি তার স্ত্রীর সাথে অপর কোন ব্যক্তিকে (অপকর্মে লিপ্ত) পেয়ে তাকে হত্যা করে, তাহলে তোমরা তাকে হত্যা করবে! আর যদি যেনার অপবাদ দেয়, তাহলে তোমরা তাকে অবশ্যি বেত্রাঘাতে জর্জরিত করবে। আল্লাহ্‌র শপথ! আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সামনে বিষয়টি তুলে ধরবো। অতএব সে তা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সামনে পেশ করলে আল্লাহ তাআলা লিআন সংক্রান্ত আয়াত নাযিল করেন। অতঃপর লোকটি তার স্ত্রীর প্রতি যেনার অপবাদসহ হাযির হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের উভয়কে লিআন করান এবং সাথে সাথে আরও বলেনঃ হয়তো সে একটি কৃষ্ণকায় সন্তান প্রসব করবে। পরে সে একটি কৃষ্ণকায় ও কোঁকড়ানো চুলবিশিষ্ট একটি বাচ্চা প্রসব করে। [২০৬৮]

حدثنا أبو بكر بن خلاد الباهلي وإسحق بن إبراهيم بن حبيب قالا حدثنا عبدة بن سليمان عن الأعمش عن إبراهيم عن علقمة عن عبد الله قال كنا في المسجد ليلة الجمعة فقال رجل لو أن رجلا وجد مع امرأته رجلا فقتله قتلتموه وإن تكلم جلدتموه والله لأذكرن ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فذكره للنبي صلى الله عليه وسلم فأنزل الله عز وجل آيات اللعان ثم جاء الرجل بعد ذلك يقذف امرأته فلاعن النبي صلى الله عليه وسلم بينهما وقال عسى أن تجيء به أسود فجاءت به أسود جعدا


সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৬৬

حدثنا أبو مروان العثماني محمد بن عثمان حدثنا إبراهيم بن سعد عن ابن شهاب عن سهل بن سعد الساعدي قال جاء عويمر إلى عاصم بن عدي فقال سل لي رسول الله صلى الله عليه وسلم أرأيت رجلا وجد مع امرأته رجلا فقتله أيقتل به أم كيف يصنع فسأل عاصم رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فعاب رسول الله صلى الله عليه وسلم المسائل ثم لقيه عويمر فسأله فقال ما صنعت فقال صنعت أنك لم تأتني بخير سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم فعاب المسائل فقال عويمر والله لآتين رسول الله صلى الله عليه وسلم ولأسألنه فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فوجده وقد أنزل عليه فيهما فلاعن بينهما قال عويمر والله لئن انطلقت بها يا رسول الله لقد كذبت عليها قال ففارقها قبل أن يأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم فصارت سنة في المتلاعنين ثم قال النبي صلى الله عليه وسلم انظروها فإن جاءت به أسحم أدعج العينين عظيم الأليتين فلا أراه إلا قد صدق عليها وإن جاءت به أحيمر كأنه وحرة فلا أراه إلا كاذبا قال فجاءت به على النعت المكروه

উয়ায়মির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উয়ায়মির (রাঃ), আসিম বিন আদী (রাঃ)-এর নিকট এসে বলেন, আপনি আমার পক্ষ থেকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞেস করুন যে, কোন ব্যক্তি যদি তার স্ত্রীর সাথে অপর কোন পুরুষ লোককে পেয়ে তাঁকে হত্যা করে, তাহলে কি এই প্রতিশোধে তাকেও হত্যা করা হবে অথবা কী করা হবে? আসিম (রাঃ) এ ব্যাপারে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞেস করেন। কিন্তু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রশ্নকারির প্রশ্ন অপছন্দ করেন। উয়াইমির (রাঃ) আসিম (রাঃ) এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, আপনি কি করেছেন? আসিম (রাঃ) বলেন, আমি জিজ্ঞেস করেছি। তুমি কোন শুভ বিষয় আমার নিকট পৌছাওনি। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞেস করলে তিনি তা অপছন্দ করেন। উয়াইমির (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্‌র শপথ! আমি অবশ্যই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত হয়ে বিষয়টি সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞেস করবো। অতএব তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট পৌছে দেখেন যে, এইমাত্র তাদের ব্যাপারে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর ওহি নাযিল হয়েছে। তিনি তাদের উভয়কে লিআন করান। উয়াইমির (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্‌র শপথ, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি যদি তাঁকে নিয়ে (স্ত্রী হিসেবে) বাড়ি যাই, তাহলে আমি তার ওপর যেনার মিথ্যা অভিযোগ আরোপকারী সাব্যস্ত হব। এই বলে তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নির্দেশ দানের আগেই তাকে তালাক দেন। পরবর্তীতে লিআনকারীদ্বয়ের ব্যাপারে এটাই বিধানরূপে ধার্য হয়। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমরা এই নারীর প্রতি লক্ষ্য রাখো। সে যদি কৃষ্ণকায়, বড় চোখবিশিষ্ট ও মোটা নিতম্ববিশিষ্ট সন্তান প্রসব করে, তবে আমি মনে করবো যে, উয়াইমির সত্যবাদী। আর যদি সে এমন লাল বর্ণের সন্তান প্রসব করে, যা মনে হয় লাল রঙের কীট, তবে আমি মনে করবো যে, উয়াইমির মিথ্যাবাদী। রাবী বলেন, সেই নারী একটি কৃষ্ণকায় সন্তান প্রসব করেছিল।[২০৬৬]

উয়ায়মির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উয়ায়মির (রাঃ), আসিম বিন আদী (রাঃ)-এর নিকট এসে বলেন, আপনি আমার পক্ষ থেকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞেস করুন যে, কোন ব্যক্তি যদি তার স্ত্রীর সাথে অপর কোন পুরুষ লোককে পেয়ে তাঁকে হত্যা করে, তাহলে কি এই প্রতিশোধে তাকেও হত্যা করা হবে অথবা কী করা হবে? আসিম (রাঃ) এ ব্যাপারে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞেস করেন। কিন্তু রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রশ্নকারির প্রশ্ন অপছন্দ করেন। উয়াইমির (রাঃ) আসিম (রাঃ) এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, আপনি কি করেছেন? আসিম (রাঃ) বলেন, আমি জিজ্ঞেস করেছি। তুমি কোন শুভ বিষয় আমার নিকট পৌছাওনি। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞেস করলে তিনি তা অপছন্দ করেন। উয়াইমির (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্‌র শপথ! আমি অবশ্যই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত হয়ে বিষয়টি সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞেস করবো। অতএব তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট পৌছে দেখেন যে, এইমাত্র তাদের ব্যাপারে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর ওহি নাযিল হয়েছে। তিনি তাদের উভয়কে লিআন করান। উয়াইমির (রাঃ) বলেন, আল্লাহ্‌র শপথ, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি যদি তাঁকে নিয়ে (স্ত্রী হিসেবে) বাড়ি যাই, তাহলে আমি তার ওপর যেনার মিথ্যা অভিযোগ আরোপকারী সাব্যস্ত হব। এই বলে তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নির্দেশ দানের আগেই তাকে তালাক দেন। পরবর্তীতে লিআনকারীদ্বয়ের ব্যাপারে এটাই বিধানরূপে ধার্য হয়। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমরা এই নারীর প্রতি লক্ষ্য রাখো। সে যদি কৃষ্ণকায়, বড় চোখবিশিষ্ট ও মোটা নিতম্ববিশিষ্ট সন্তান প্রসব করে, তবে আমি মনে করবো যে, উয়াইমির সত্যবাদী। আর যদি সে এমন লাল বর্ণের সন্তান প্রসব করে, যা মনে হয় লাল রঙের কীট, তবে আমি মনে করবো যে, উয়াইমির মিথ্যাবাদী। রাবী বলেন, সেই নারী একটি কৃষ্ণকায় সন্তান প্রসব করেছিল।[২০৬৬]

حدثنا أبو مروان العثماني محمد بن عثمان حدثنا إبراهيم بن سعد عن ابن شهاب عن سهل بن سعد الساعدي قال جاء عويمر إلى عاصم بن عدي فقال سل لي رسول الله صلى الله عليه وسلم أرأيت رجلا وجد مع امرأته رجلا فقتله أيقتل به أم كيف يصنع فسأل عاصم رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فعاب رسول الله صلى الله عليه وسلم المسائل ثم لقيه عويمر فسأله فقال ما صنعت فقال صنعت أنك لم تأتني بخير سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم فعاب المسائل فقال عويمر والله لآتين رسول الله صلى الله عليه وسلم ولأسألنه فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فوجده وقد أنزل عليه فيهما فلاعن بينهما قال عويمر والله لئن انطلقت بها يا رسول الله لقد كذبت عليها قال ففارقها قبل أن يأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم فصارت سنة في المتلاعنين ثم قال النبي صلى الله عليه وسلم انظروها فإن جاءت به أسحم أدعج العينين عظيم الأليتين فلا أراه إلا قد صدق عليها وإن جاءت به أحيمر كأنه وحرة فلا أراه إلا كاذبا قال فجاءت به على النعت المكروه


সুনানে ইবনে মাজাহ > কোন বৈধ বিষয় হারাম করা সম্পর্কে।

সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৭৩

حدثنا محمد بن يحيى حدثنا وهب بن جرير حدثنا هشام الدستوائي عن يحيى بن أبي كثير عن يعلى بن حكيم عن سعيد بن جبير قال قال ابن عباس في الحرام يمين وكان ابن عباس يقول {لقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة}.

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হালাল বস্তু (নিজের উপর) হারাম করা শপথরূপে গণ্য হবে। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলতেনঃ “তোমাদের জন্য আল্লাহ্‌র রসূলের মধ্যে রয়েছে অনুসরণীয় আদর্শ “(সূরা আহযাবঃ ২১)। [২০৭৩]

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হালাল বস্তু (নিজের উপর) হারাম করা শপথরূপে গণ্য হবে। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলতেনঃ “তোমাদের জন্য আল্লাহ্‌র রসূলের মধ্যে রয়েছে অনুসরণীয় আদর্শ “(সূরা আহযাবঃ ২১)। [২০৭৩]

حدثنا محمد بن يحيى حدثنا وهب بن جرير حدثنا هشام الدستوائي عن يحيى بن أبي كثير عن يعلى بن حكيم عن سعيد بن جبير قال قال ابن عباس في الحرام يمين وكان ابن عباس يقول {لقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة}.


সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৭২

حدثنا الحسن بن قزعة حدثنا مسلمة بن علقمة حدثنا داود بن أبي هند عن عامر عن مسروق عن عائشة قالت آلى رسول الله صلى الله عليه وسلم من نسائه وحرم فجعل الحلال حراما وجعل في اليمين كفارة

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর স্ত্রীদের সংস্পর্শে না আসার শপথ (ঈলা) করে হালালকে হারাম করেন। ফলে তিনি (তাঁর জন্য) হালাল বিষয়টি হারাম করলেন এবং শপথ ভঙ্গের জন্য কাফফারা প্রদানের ব্যবস্থা করেন। [২০৭২]

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর স্ত্রীদের সংস্পর্শে না আসার শপথ (ঈলা) করে হালালকে হারাম করেন। ফলে তিনি (তাঁর জন্য) হালাল বিষয়টি হারাম করলেন এবং শপথ ভঙ্গের জন্য কাফফারা প্রদানের ব্যবস্থা করেন। [২০৭২]

حدثنا الحسن بن قزعة حدثنا مسلمة بن علقمة حدثنا داود بن أبي هند عن عامر عن مسروق عن عائشة قالت آلى رسول الله صلى الله عليه وسلم من نسائه وحرم فجعل الحلال حراما وجعل في اليمين كفارة


সুনানে ইবনে মাজাহ > দাসী দাসত্বমুক্ত হওয়ার সাথে সাথে বিবাহ রদের এখতিয়ার লাভ করে।

সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৭৪

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا حفص بن غياث عن الأعمش عن إبراهيم عن الأسود بن يزيد عن عائشة أنها أعتقت بريرة فخيرها رسول الله صلى الله عليه وسلم وكان لها زوج حر

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বারীরাকে দাসত্বমুক্ত করে দিলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে (তার বিবাহ বন্ধন রাখা বা না রাখার) এখতিয়ার দেন। তার স্বামী ছিল স্বাধীন পুরুষ। [২০৭৪] তাহকীক আলবানীঃ স্বাধীন শব্দ ব্যতীত সহীহ, কিন্তু আবদ বা দাস শব্দে মাহফূয।

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বারীরাকে দাসত্বমুক্ত করে দিলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে (তার বিবাহ বন্ধন রাখা বা না রাখার) এখতিয়ার দেন। তার স্বামী ছিল স্বাধীন পুরুষ। [২০৭৪] তাহকীক আলবানীঃ স্বাধীন শব্দ ব্যতীত সহীহ, কিন্তু আবদ বা দাস শব্দে মাহফূয।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا حفص بن غياث عن الأعمش عن إبراهيم عن الأسود بن يزيد عن عائشة أنها أعتقت بريرة فخيرها رسول الله صلى الله عليه وسلم وكان لها زوج حر


সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৭৫

حدثنا محمد بن المثنى ومحمد بن خلاد الباهلي قالا حدثنا عبد الوهاب الثقفي حدثنا خالد الحذاء عن عكرمة عن ابن عباس قال كان زوج بريرة عبدا يقال له مغيث كأني أنظر إليه يطوف خلفها ويبكي ودموعه تسيل على خده فقال النبي صلى الله عليه وسلم للعباس يا عباس ألا تعجب من حب مغيث بريرة ومن بغض بريرة مغيثا فقال لها النبي صلى الله عليه وسلم لو راجعتيه فإنه أبو ولدك قالت يا رسول الله تأمرني قال إنما أشفع قالت لا حاجة لي فيه

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বারীরার স্বামী মুগীস ছিল ক্রীতদাস। আমি যেন তাকে দেখছি যে, সে বারীরার পিছে ছুটছে আর কাঁদছে এবং তার অশ্রু তার গাল বেয়ে পড়ছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আব্বাস (রাঃ) কে বলেনঃ হে আব্বাস! বারীরার প্রতি মুগীছের ভালবাসা এবং মুগীছের প্রতি বারীরার ঘৃণাতে কি আপনি আশ্চার্যান্বিত হচ্ছেন না! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারীরাকে বললেনঃ তুমি যদি তার কাছে ফিরে যেতে। কেননা সে তোমার সন্তানের পিতা। সে বললো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি কি আমাকে নির্দেশ করছেন? তিনি বলেনঃ আমি কেবল সুপারিশ করছি। সে বলল, তাকে আমার প্রয়োজন নাই। [২০৭৫]

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বারীরার স্বামী মুগীস ছিল ক্রীতদাস। আমি যেন তাকে দেখছি যে, সে বারীরার পিছে ছুটছে আর কাঁদছে এবং তার অশ্রু তার গাল বেয়ে পড়ছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আব্বাস (রাঃ) কে বলেনঃ হে আব্বাস! বারীরার প্রতি মুগীছের ভালবাসা এবং মুগীছের প্রতি বারীরার ঘৃণাতে কি আপনি আশ্চার্যান্বিত হচ্ছেন না! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারীরাকে বললেনঃ তুমি যদি তার কাছে ফিরে যেতে। কেননা সে তোমার সন্তানের পিতা। সে বললো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি কি আমাকে নির্দেশ করছেন? তিনি বলেনঃ আমি কেবল সুপারিশ করছি। সে বলল, তাকে আমার প্রয়োজন নাই। [২০৭৫]

حدثنا محمد بن المثنى ومحمد بن خلاد الباهلي قالا حدثنا عبد الوهاب الثقفي حدثنا خالد الحذاء عن عكرمة عن ابن عباس قال كان زوج بريرة عبدا يقال له مغيث كأني أنظر إليه يطوف خلفها ويبكي ودموعه تسيل على خده فقال النبي صلى الله عليه وسلم للعباس يا عباس ألا تعجب من حب مغيث بريرة ومن بغض بريرة مغيثا فقال لها النبي صلى الله عليه وسلم لو راجعتيه فإنه أبو ولدك قالت يا رسول الله تأمرني قال إنما أشفع قالت لا حاجة لي فيه


সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৭৭

حدثنا علي بن محمد حدثنا وكيع عن سفيان عن منصور عن إبراهيم عن الأسود عن عائشة قالت أمرت بريرة أن تعتد بثلاث حيض

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বারীরাকে তিন হায়িদকাল ইদ্দাত পালনের নির্দেশ দেয়া হয়। [২০৭৭]

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বারীরাকে তিন হায়িদকাল ইদ্দাত পালনের নির্দেশ দেয়া হয়। [২০৭৭]

حدثنا علي بن محمد حدثنا وكيع عن سفيان عن منصور عن إبراهيم عن الأسود عن عائشة قالت أمرت بريرة أن تعتد بثلاث حيض


সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৭৮

حدثنا إسمعيل بن توبة حدثنا عباد بن العوام عن يحيى بن أبي إسحق عن عبد الرحمن بن أذينة عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خير بريرة

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারীরাকে (বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল রাখা বা না রাখার) ইখতিয়ার প্রদান করেন। [২০৭৮]

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারীরাকে (বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল রাখা বা না রাখার) ইখতিয়ার প্রদান করেন। [২০৭৮]

حدثنا إسمعيل بن توبة حدثنا عباد بن العوام عن يحيى بن أبي إسحق عن عبد الرحمن بن أذينة عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خير بريرة


সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৭৬

حدثنا علي بن محمد حدثنا وكيع عن أسامة بن زيد عن القاسم بن محمد عن عائشة قالت مضى في بريرة ثلاث سنن خيرت حين أعتقت وكان زوجها مملوكا وكانوا يتصدقون عليها فتهدي إلى النبي صلى الله عليه وسلم فيقول هو عليها صدقة وهو لنا هدية وقال الولاء لمن أعتق

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বারীরার প্রসঙ্গ থেকে শরীয়াতের তিনটি বিধান জারী হয়েছে। তাকে দাসত্বমুক্ত করার পর তাকে তার ক্রীতদাস স্বামীর বিবাহাধীনে থাকা বা না থাকার এখতিয়ার দেয়া হয়। লোকেরা তাকে পর্যাপ্ত দান-খয়রাত করতো। সে তা থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে উপঢৌকন দিতো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ তা তার জন্য সদাকা (দান) কিন্তু আমাদের বেলায় উপঢৌকন। তার প্রসঙ্গে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আযাদকারী ব্যক্তিই ওয়ালাআর (অভিভাবকত্বের) অধিকারী। [২০৭৬]

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বারীরার প্রসঙ্গ থেকে শরীয়াতের তিনটি বিধান জারী হয়েছে। তাকে দাসত্বমুক্ত করার পর তাকে তার ক্রীতদাস স্বামীর বিবাহাধীনে থাকা বা না থাকার এখতিয়ার দেয়া হয়। লোকেরা তাকে পর্যাপ্ত দান-খয়রাত করতো। সে তা থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে উপঢৌকন দিতো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ তা তার জন্য সদাকা (দান) কিন্তু আমাদের বেলায় উপঢৌকন। তার প্রসঙ্গে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আযাদকারী ব্যক্তিই ওয়ালাআর (অভিভাবকত্বের) অধিকারী। [২০৭৬]

حدثنا علي بن محمد حدثنا وكيع عن أسامة بن زيد عن القاسم بن محمد عن عائشة قالت مضى في بريرة ثلاث سنن خيرت حين أعتقت وكان زوجها مملوكا وكانوا يتصدقون عليها فتهدي إلى النبي صلى الله عليه وسلم فيقول هو عليها صدقة وهو لنا هدية وقال الولاء لمن أعتق


সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৭৬

حدثنا علي بن محمد حدثنا وكيع عن أسامة بن زيد عن القاسم بن محمد عن عائشة قالت مضى في بريرة ثلاث سنن خيرت حين أعتقت وكان زوجها مملوكا وكانوا يتصدقون عليها فتهدي إلى النبي صلى الله عليه وسلم فيقول هو عليها صدقة وهو لنا هدية وقال الولاء لمن أعتق

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বারীরার প্রসঙ্গ থেকে শরীয়াতের তিনটি বিধান জারী হয়েছে। তাকে দাসত্বমুক্ত করার পর তাকে তার ক্রীতদাস স্বামীর বিবাহাধীনে থাকা বা না থাকার এখতিয়ার দেয়া হয়। লোকেরা তাকে পর্যাপ্ত দান-খয়রাত করতো। সে তা থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে উপঢৌকন দিতো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ তা তার জন্য সদাকা (দান) কিন্তু আমাদের বেলায় উপঢৌকন। তার প্রসঙ্গে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আযাদকারী ব্যক্তিই ওয়ালাআর (অভিভাবকত্বের) অধিকারী। [২০৭৬]

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বারীরার প্রসঙ্গ থেকে শরীয়াতের তিনটি বিধান জারী হয়েছে। তাকে দাসত্বমুক্ত করার পর তাকে তার ক্রীতদাস স্বামীর বিবাহাধীনে থাকা বা না থাকার এখতিয়ার দেয়া হয়। লোকেরা তাকে পর্যাপ্ত দান-খয়রাত করতো। সে তা থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে উপঢৌকন দিতো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ তা তার জন্য সদাকা (দান) কিন্তু আমাদের বেলায় উপঢৌকন। তার প্রসঙ্গে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আযাদকারী ব্যক্তিই ওয়ালাআর (অভিভাবকত্বের) অধিকারী। [২০৭৬]

حدثنا علي بن محمد حدثنا وكيع عن أسامة بن زيد عن القاسم بن محمد عن عائشة قالت مضى في بريرة ثلاث سنن خيرت حين أعتقت وكان زوجها مملوكا وكانوا يتصدقون عليها فتهدي إلى النبي صلى الله عليه وسلم فيقول هو عليها صدقة وهو لنا هدية وقال الولاء لمن أعتق


সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৭৬

حدثنا علي بن محمد حدثنا وكيع عن أسامة بن زيد عن القاسم بن محمد عن عائشة قالت مضى في بريرة ثلاث سنن خيرت حين أعتقت وكان زوجها مملوكا وكانوا يتصدقون عليها فتهدي إلى النبي صلى الله عليه وسلم فيقول هو عليها صدقة وهو لنا هدية وقال الولاء لمن أعتق

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বারীরার প্রসঙ্গ থেকে শরীয়াতের তিনটি বিধান জারী হয়েছে। তাকে দাসত্বমুক্ত করার পর তাকে তার ক্রীতদাস স্বামীর বিবাহাধীনে থাকা বা না থাকার এখতিয়ার দেয়া হয়। লোকেরা তাকে পর্যাপ্ত দান-খয়রাত করতো। সে তা থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে উপঢৌকন দিতো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ তা তার জন্য সদাকা (দান) কিন্তু আমাদের বেলায় উপঢৌকন। তার প্রসঙ্গে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আযাদকারী ব্যক্তিই ওয়ালাআর (অভিভাবকত্বের) অধিকারী। [২০৭৬]

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বারীরার প্রসঙ্গ থেকে শরীয়াতের তিনটি বিধান জারী হয়েছে। তাকে দাসত্বমুক্ত করার পর তাকে তার ক্রীতদাস স্বামীর বিবাহাধীনে থাকা বা না থাকার এখতিয়ার দেয়া হয়। লোকেরা তাকে পর্যাপ্ত দান-খয়রাত করতো। সে তা থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে উপঢৌকন দিতো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ তা তার জন্য সদাকা (দান) কিন্তু আমাদের বেলায় উপঢৌকন। তার প্রসঙ্গে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আযাদকারী ব্যক্তিই ওয়ালাআর (অভিভাবকত্বের) অধিকারী। [২০৭৬]

حدثنا علي بن محمد حدثنا وكيع عن أسامة بن زيد عن القاسم بن محمد عن عائشة قالت مضى في بريرة ثلاث سنن خيرت حين أعتقت وكان زوجها مملوكا وكانوا يتصدقون عليها فتهدي إلى النبي صلى الله عليه وسلم فيقول هو عليها صدقة وهو لنا هدية وقال الولاء لمن أعتق


সুনানে ইবনে মাজাহ > দাসীর তালাক ও তার ইদ্দতকাল।

সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৭৯

حدثنا محمد بن طريف وإبراهيم بن سعيد الجوهري قالا حدثنا عمر بن شبيب المسلي عن عبد الله بن عيسى عن عطية عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم طلاق الأمة اثنتان وعدتها حيضتان

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্রীতদাসীর তালাক হচ্ছে দু’বার এবং তার ইদ্দাতকাল দু’হায়িদকাল। [২০৭৯]

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্রীতদাসীর তালাক হচ্ছে দু’বার এবং তার ইদ্দাতকাল দু’হায়িদকাল। [২০৭৯]

حدثنا محمد بن طريف وإبراهيم بن سعيد الجوهري قالا حدثنا عمر بن شبيب المسلي عن عبد الله بن عيسى عن عطية عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم طلاق الأمة اثنتان وعدتها حيضتان


সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৮০

حدثنا محمد بن بشار حدثنا أبو عاصم حدثنا ابن جريج عن مظاهر بن أسلم عن القاسم عن عائشة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال طلاق الأمة تطليقتان وقرؤها حيضتان قال أبو عاصم فذكرته لمظاهر فقلت حدثني كما حدثت ابن جريج فأخبرني عن القاسم عن عائشة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال طلاق الأمة تطليقتان وقرؤها حيضتان

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন, “দাসীর তালাক হলো দু’টি এবং তার ইদ্দাত কাল দু’ হায়িদ”। [উপরোক্ত হাদীসে মোট ২টি সানাদের ১টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সানাদটি হলঃ] ২/২০৮০(১). আয়িশা (রাঃ), তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ক্রীতদাসীর তালাক হচ্ছে দুটি এবং তার ইদ্দাত দু’ হায়িদকাল। [২০৮০] তাহকীক আলবানীঃ দঈফ।

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন, “দাসীর তালাক হলো দু’টি এবং তার ইদ্দাত কাল দু’ হায়িদ”। [উপরোক্ত হাদীসে মোট ২টি সানাদের ১টি বর্ণিত হয়েছে, অপর সানাদটি হলঃ] ২/২০৮০(১). আয়িশা (রাঃ), তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ক্রীতদাসীর তালাক হচ্ছে দুটি এবং তার ইদ্দাত দু’ হায়িদকাল। [২০৮০] তাহকীক আলবানীঃ দঈফ।

حدثنا محمد بن بشار حدثنا أبو عاصم حدثنا ابن جريج عن مظاهر بن أسلم عن القاسم عن عائشة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال طلاق الأمة تطليقتان وقرؤها حيضتان قال أبو عاصم فذكرته لمظاهر فقلت حدثني كما حدثت ابن جريج فأخبرني عن القاسم عن عائشة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال طلاق الأمة تطليقتان وقرؤها حيضتان


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00