সুনানে ইবনে মাজাহ > বিধবা স্ত্রী যেখানে ইদ্দাত পালন করবে।
সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৩১
- حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا أبو خالد الأحمر سليمان بن حيان عن سعد بن إسحق بن كعب بن عجرة عن زينب بنت كعب بن عجرة وكانت تحت أبي سعيد الخدري أن أخته الفريعة بنت مالك قالت خرج زوجي في طلب أعلاج له فأدركهم بطرف القدوم فقتلوه فجاء نعي زوجي وأنا في دار من دور الأنصار شاسعة عن دار أهلي فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله جاء نعي زوجي وأنا في دار شاسعة عن دار أهلي ودار إخوتي ولم يدع مالا ينفق علي ولا مالا ورثته ولا دارا يملكها فإن رأيت أن تأذن لي فألحق بدار أهلي ودار إخوتي فإنه أحب إلي وأجمع لي في بعض أمري قال فافعلي إن شئت قالت فخرجت قريرة عيني لما قضى الله لي على لسان رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى إذا كنت في المسجد أو في بعض الحجرة دعاني فقال كيف زعمت قالت فقصصت عليه فقال امكثي في بيتك الذي جاء فيه نعي زوجك حتى يبلغ الكتاب أجله قالت فاعتددت فيه أربعة أشهر وعشرا
ফুরায়আহ বিনতু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার স্বামী তার (পলাতক) গোলামের খোঁজে রওয়ানা হয়ে কাদুম নামক স্থানে তাদের ধরে ফেলেন। তারা আমার স্বামীকে হত্যা করে। যখন আমার স্বামীর মৃত্যুসংবাদ আসে, তখন আমি আমার পরিবার-পরিজন থেকে অনেক দূরে আনসারদের বসতিতে অবস্থান করছিলাম। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! যখন আমার স্বামীর মৃত্যুর সংবাদ এলো তখন আমি আমার পরিজন ও ভাইদের বাড়ি থেকে দূরে বসবাস করছিলাম। তিনি আমার ভরণপোষনের জন্যে কোন মাল রেখে যাননি এবং তার এমন কোন মালও নেই, আমি যার ওয়ারিস হতে পারি, এমনকি তার মালিকানাভুক্ত কোন ঘরও নেই। আপনি আমাকে অনুমতি দিলে আমি আমার পরিবার ও ভাইদের বাড়িতে উঠতে পারি। আর এটা আমার জন্যে অধিক প্রিয় এবং বিভিন্ন দিক দিয়ে সুবিধাজনক। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তুমি চাইলে তা করতে পারো। মহিলাটি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মুখে আমার জন্যে আল্লাহর এই ফায়সালা শুনে খুশি মনে ফিরে যেতে লাগলাম। আমি মাসজিদে অথবা তাঁর কোন এক হুজরার নিকট পৌঁছতেই ,তিনি আমাকে ডেকে বলেনঃ তুমি জানি কি বলেছিলে? মহিলাটি বললো, আমি পুনরায় তাকে আমার বিবরণ শুনালাম। তিনি বলেনঃ তুমি ঐ ঘরেই অবস্থান করো, যেখানে তোমার স্বামীর মৃত্যুসংবাদ পেয়েছো, যতক্ষণ না তোমার ইদ্দাত পূর্ণ হয়। ফুরায়আহ (রাঃ) বলেন, এরপর আমি সেখানেই চার মাস দশ দিন ইদ্দাত পালন করলাম।[২০৩১]
ফুরায়আহ বিনতু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার স্বামী তার (পলাতক) গোলামের খোঁজে রওয়ানা হয়ে কাদুম নামক স্থানে তাদের ধরে ফেলেন। তারা আমার স্বামীকে হত্যা করে। যখন আমার স্বামীর মৃত্যুসংবাদ আসে, তখন আমি আমার পরিবার-পরিজন থেকে অনেক দূরে আনসারদের বসতিতে অবস্থান করছিলাম। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! যখন আমার স্বামীর মৃত্যুর সংবাদ এলো তখন আমি আমার পরিজন ও ভাইদের বাড়ি থেকে দূরে বসবাস করছিলাম। তিনি আমার ভরণপোষনের জন্যে কোন মাল রেখে যাননি এবং তার এমন কোন মালও নেই, আমি যার ওয়ারিস হতে পারি, এমনকি তার মালিকানাভুক্ত কোন ঘরও নেই। আপনি আমাকে অনুমতি দিলে আমি আমার পরিবার ও ভাইদের বাড়িতে উঠতে পারি। আর এটা আমার জন্যে অধিক প্রিয় এবং বিভিন্ন দিক দিয়ে সুবিধাজনক। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তুমি চাইলে তা করতে পারো। মহিলাটি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মুখে আমার জন্যে আল্লাহর এই ফায়সালা শুনে খুশি মনে ফিরে যেতে লাগলাম। আমি মাসজিদে অথবা তাঁর কোন এক হুজরার নিকট পৌঁছতেই ,তিনি আমাকে ডেকে বলেনঃ তুমি জানি কি বলেছিলে? মহিলাটি বললো, আমি পুনরায় তাকে আমার বিবরণ শুনালাম। তিনি বলেনঃ তুমি ঐ ঘরেই অবস্থান করো, যেখানে তোমার স্বামীর মৃত্যুসংবাদ পেয়েছো, যতক্ষণ না তোমার ইদ্দাত পূর্ণ হয়। ফুরায়আহ (রাঃ) বলেন, এরপর আমি সেখানেই চার মাস দশ দিন ইদ্দাত পালন করলাম।[২০৩১]
- حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا أبو خالد الأحمر سليمان بن حيان عن سعد بن إسحق بن كعب بن عجرة عن زينب بنت كعب بن عجرة وكانت تحت أبي سعيد الخدري أن أخته الفريعة بنت مالك قالت خرج زوجي في طلب أعلاج له فأدركهم بطرف القدوم فقتلوه فجاء نعي زوجي وأنا في دار من دور الأنصار شاسعة عن دار أهلي فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله جاء نعي زوجي وأنا في دار شاسعة عن دار أهلي ودار إخوتي ولم يدع مالا ينفق علي ولا مالا ورثته ولا دارا يملكها فإن رأيت أن تأذن لي فألحق بدار أهلي ودار إخوتي فإنه أحب إلي وأجمع لي في بعض أمري قال فافعلي إن شئت قالت فخرجت قريرة عيني لما قضى الله لي على لسان رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى إذا كنت في المسجد أو في بعض الحجرة دعاني فقال كيف زعمت قالت فقصصت عليه فقال امكثي في بيتك الذي جاء فيه نعي زوجك حتى يبلغ الكتاب أجله قالت فاعتددت فيه أربعة أشهر وعشرا
সুনানে ইবনে মাজাহ > ইদ্দাত পালনরত অবস্থায় নারীরা কি বাইরে যেতে পারে?
সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৩৩
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا حفص بن غياث عن هشام بن عروة عن أبيه قالت فاطمة بنت قيس يا رسول الله إني أخاف أن يقتحم علي فأمرها أن تتحول
ফাতিমাহ বিনতু কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমার আশংকা হয় যে, কেউ হয়তো আমার ঘরে জোরপূর্বক ঢূকে আমার ক্ষতি করবে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে অন্য স্থানে চলে যাওয়ার অনুমতি দেন। [২০৩৩]
ফাতিমাহ বিনতু কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমার আশংকা হয় যে, কেউ হয়তো আমার ঘরে জোরপূর্বক ঢূকে আমার ক্ষতি করবে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে অন্য স্থানে চলে যাওয়ার অনুমতি দেন। [২০৩৩]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا حفص بن غياث عن هشام بن عروة عن أبيه قالت فاطمة بنت قيس يا رسول الله إني أخاف أن يقتحم علي فأمرها أن تتحول
সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৩৪
حدثنا سفيان بن وكيع حدثنا روح ح و حدثنا أحمد بن منصور حدثنا حجاج بن محمد جميعا عن ابن جريج أخبرني أبو الزبير عن جابر بن عبد الله قال طلقت خالتي فأرادت أن تجد نخلها فزجرها رجل أن تخرج إليه فأتت النبي صلى الله عليه وسلم فقال بلى فجدي نخلك فإنك عسى أن تصدقي أو تفعلي معروفا
জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার খালা তালাকপ্রাপ্তা হওয়ার পর তিনি তার খেজুর বাগানে গিয়ে ফল কাটতে চেয়েছিলেন। এক ব্যক্তি তাকে এই উদ্দ্যেশ্যে বের হতে কঠোরভাবে নিষেধ করে। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আসলে তিনি বলেন, হ্যাঁ তুমি তোমার বাগানের খেজুর সংগ্রহ করো। হয়তো তুমি দান-খয়রাত করবে অথবা অন্য কোন সৎকাজ করবে। [২০৩৪]
জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার খালা তালাকপ্রাপ্তা হওয়ার পর তিনি তার খেজুর বাগানে গিয়ে ফল কাটতে চেয়েছিলেন। এক ব্যক্তি তাকে এই উদ্দ্যেশ্যে বের হতে কঠোরভাবে নিষেধ করে। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আসলে তিনি বলেন, হ্যাঁ তুমি তোমার বাগানের খেজুর সংগ্রহ করো। হয়তো তুমি দান-খয়রাত করবে অথবা অন্য কোন সৎকাজ করবে। [২০৩৪]
حدثنا سفيان بن وكيع حدثنا روح ح و حدثنا أحمد بن منصور حدثنا حجاج بن محمد جميعا عن ابن جريج أخبرني أبو الزبير عن جابر بن عبد الله قال طلقت خالتي فأرادت أن تجد نخلها فزجرها رجل أن تخرج إليه فأتت النبي صلى الله عليه وسلم فقال بلى فجدي نخلك فإنك عسى أن تصدقي أو تفعلي معروفا
সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৩২
حدثنا محمد بن يحيى حدثنا عبد العزيز بن عبد الله حدثنا ابن أبي الزناد عن هشام بن عروة عن أبيه قال دخلت على مروان فقلت له امرأة من أهلك طلقت فمررت عليها وهي تنتقل فقالت أمرتنا فاطمة بنت قيس وأخبرتنا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمرها أن تنتقل فقال مروان هي أمرتهم بذلك قال عروة فقلت أما والله لقد عابت ذلك عائشة وقالت إن فاطمة كانت في مسكن وحش فخيف عليها فلذلك أرخص لها رسول الله صلى الله عليه وسلم
ফাতিমাহ (বিনতু কায়স) ও আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উরওয়াহ বলেন, আমি মারওয়ানের নিকট প্রবেশ করে তাকে বললাম, আপনার পরিবারের এক মহিলাকে তালাক দেওয়া হয়েছে। আমি তার ওখান দিয়ে যাওয়ার সময় দেখলাম যে, সে বাড়ি ছেড়ে যাচ্ছে। সে বললো, ফাতিমাহ বিনতু কায়স (রাঃ) আমাদের এরূপ নির্দেশ দিয়েছেন এবং তিনি আমাদের বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে (ইদ্দাত পালনকালে) স্থানান্তর এর অনুমতি দিয়েছেন। মারওয়ান বলেন, ফাতিমাহ বিনতু কায়স (রাঃ) তাদের এরূপ নির্দেশ দিয়েছেন। উরওয়া (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আল্লাহর শপথ! আয়িশা (রাঃ) তা আপত্তিকর বলেছেন। আয়িশা (রাঃ) বলেন, ফাতিমাহ হিংশ্র পশুর উৎপাতের এলাকায় বাস করতেন বলে তার জানমালের ক্ষতির আশংকা ছিলো। আর এ কারণেই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার বেলায় এরূপ অনুমতি দিয়েছিলেন। [২০৩২]
ফাতিমাহ (বিনতু কায়স) ও আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উরওয়াহ বলেন, আমি মারওয়ানের নিকট প্রবেশ করে তাকে বললাম, আপনার পরিবারের এক মহিলাকে তালাক দেওয়া হয়েছে। আমি তার ওখান দিয়ে যাওয়ার সময় দেখলাম যে, সে বাড়ি ছেড়ে যাচ্ছে। সে বললো, ফাতিমাহ বিনতু কায়স (রাঃ) আমাদের এরূপ নির্দেশ দিয়েছেন এবং তিনি আমাদের বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে (ইদ্দাত পালনকালে) স্থানান্তর এর অনুমতি দিয়েছেন। মারওয়ান বলেন, ফাতিমাহ বিনতু কায়স (রাঃ) তাদের এরূপ নির্দেশ দিয়েছেন। উরওয়া (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আল্লাহর শপথ! আয়িশা (রাঃ) তা আপত্তিকর বলেছেন। আয়িশা (রাঃ) বলেন, ফাতিমাহ হিংশ্র পশুর উৎপাতের এলাকায় বাস করতেন বলে তার জানমালের ক্ষতির আশংকা ছিলো। আর এ কারণেই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার বেলায় এরূপ অনুমতি দিয়েছিলেন। [২০৩২]
حدثنا محمد بن يحيى حدثنا عبد العزيز بن عبد الله حدثنا ابن أبي الزناد عن هشام بن عروة عن أبيه قال دخلت على مروان فقلت له امرأة من أهلك طلقت فمررت عليها وهي تنتقل فقالت أمرتنا فاطمة بنت قيس وأخبرتنا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمرها أن تنتقل فقال مروان هي أمرتهم بذلك قال عروة فقلت أما والله لقد عابت ذلك عائشة وقالت إن فاطمة كانت في مسكن وحش فخيف عليها فلذلك أرخص لها رسول الله صلى الله عليه وسلم
সুনানে ইবনে মাজাহ > তিন তালাকপ্রাপ্তা নারী কি বাসস্থান ও খোরপোষ পাবে?
সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৩৫
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة وعلي بن محمد قالا حدثنا وكيع حدثنا سفيان عن أبي بكر بن أبي الجهم بن صخير العدوي قال سمعت فاطمة بنت قيس تقول إن زوجها طلقها ثلاثا فلم يجعل لها رسول الله صلى الله عليه وسلم سكنى ولا نفقة
ফাতিমা বিনতু কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(আবূ বকর) বলেন, আমি ফাতিমা বিনতু কায়স (রাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, তার স্বামী তাকে তিন তালাক দিলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার জন্যে বাসস্থান ও খোরপোষের নির্দেশ দেন নি। [২০৩৫]
ফাতিমা বিনতু কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(আবূ বকর) বলেন, আমি ফাতিমা বিনতু কায়স (রাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, তার স্বামী তাকে তিন তালাক দিলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার জন্যে বাসস্থান ও খোরপোষের নির্দেশ দেন নি। [২০৩৫]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة وعلي بن محمد قالا حدثنا وكيع حدثنا سفيان عن أبي بكر بن أبي الجهم بن صخير العدوي قال سمعت فاطمة بنت قيس تقول إن زوجها طلقها ثلاثا فلم يجعل لها رسول الله صلى الله عليه وسلم سكنى ولا نفقة
সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৩৬
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا جرير عن مغيرة عن الشعبي قال قالت فاطمة بنت قيس طلقني زوجي على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاثا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا سكنى لك ولا نفقة
ফাতিমাহ বিনতু কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সময় আমার স্বামী আমাকে তিন তালাক দেয়। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমার জন্য বাসস্থান ও খোরপোষ নাই। [২০৩৬]
ফাতিমাহ বিনতু কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সময় আমার স্বামী আমাকে তিন তালাক দেয়। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমার জন্য বাসস্থান ও খোরপোষ নাই। [২০৩৬]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا جرير عن مغيرة عن الشعبي قال قالت فاطمة بنت قيس طلقني زوجي على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاثا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا سكنى لك ولا نفقة
সুনানে ইবনে মাজাহ > তালাকের উপঢৌকন (মুতআ)।
সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৩৭
حدثنا أحمد بن المقدام أبو الأشعث العجلي حدثنا عبيد بن القاسم حدثنا هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أن عمرة بنت الجون تعوذت من رسول الله صلى الله عليه وسلم حين أدخلت عليه فقال لقد عذت بمعاذ فطلقها وأمر أسامة أو أنسا فمتعها بثلاثة أثواب رازقية
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জাওন কন্যা আমরাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট পেশ করা হলে সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে (আল্লাহর) আশ্রয় প্রার্থনা করে। তিনি বলেনঃ তুমি এক মহান সত্তার নিকটই আশ্রয় প্রার্থনা করেছো। অতঃপর তিনি তাকে তিন তালাক দিলেন এবং উসামাহ অথবা আনাস (রাঃ) কে নির্দেশ দিলে তদুনযায়ী তিনি তাকে (উপঢৌকনস্বরূপ) তিনখানা সাদা লম্বা কাপড় দেন। [২০৩৭] তাহকীক আলবানীঃ আবূ উসাইদ নির্দেশ দেওয়ার শব্দে সহীহ এবং উসামাহ ও আনাস উল্লেখের সাথে মুনকার।
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জাওন কন্যা আমরাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট পেশ করা হলে সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে (আল্লাহর) আশ্রয় প্রার্থনা করে। তিনি বলেনঃ তুমি এক মহান সত্তার নিকটই আশ্রয় প্রার্থনা করেছো। অতঃপর তিনি তাকে তিন তালাক দিলেন এবং উসামাহ অথবা আনাস (রাঃ) কে নির্দেশ দিলে তদুনযায়ী তিনি তাকে (উপঢৌকনস্বরূপ) তিনখানা সাদা লম্বা কাপড় দেন। [২০৩৭] তাহকীক আলবানীঃ আবূ উসাইদ নির্দেশ দেওয়ার শব্দে সহীহ এবং উসামাহ ও আনাস উল্লেখের সাথে মুনকার।
حدثنا أحمد بن المقدام أبو الأشعث العجلي حدثنا عبيد بن القاسم حدثنا هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أن عمرة بنت الجون تعوذت من رسول الله صلى الله عليه وسلم حين أدخلت عليه فقال لقد عذت بمعاذ فطلقها وأمر أسامة أو أنسا فمتعها بثلاثة أثواب رازقية