সুনানে ইবনে মাজাহ > আত্মমর্যাদাবোধ।

সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৯৮

حدثنا عيسى بن حماد المصري حدثنا الليث بن سعد عن عبد الله بن أبي مليكة عن المسور بن مخرمة قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو على المنبر يقول إن بني هشام بن المغيرة استأذنوني أن ينكحوا ابنتهم علي بن أبي طالب فلا آذن لهم ثم لا آذن لهم ثم لا آذن لهم إلا أن يريد علي بن أبي طالب أن يطلق ابنتي وينكح ابنتهم فإنما هي بضعة مني يريبني ما رابها ويؤذيني ما آذاها

মিসওয়ার বিন মাখরামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছিঃ বনূ হিশাম ইবনুল মুগীরাহ তাদের কন্যাকে আলী বিন আবূ তালিবের নিকট বিবাহ দিতে আমার নিকট অনুমতি চেয়েছে। আমি তাদেরকে অনুমতি দিবো না, আমি তাদেরকে অনুমতি দিবো না, আমি অনুমতি দিবো না, আমি তাদেরকে অনুমতি দিবো না। তবে আলী বিন আবূ তালিব আমার কন্যাকে তালাক দিলে তা করতে পারে। কেননা ফাতিমা অবশ্যি আমার দেহের একটি টুকরা। যা তার মনঃকষ্টের কারণ হয় তা আমারও মনঃকষ্টের কারণ হয় এবং যা তাকে কষ্ট দেয় তা আমাকেও কষ্ট দেয়। [১৯৯৮]

মিসওয়ার বিন মাখরামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছিঃ বনূ হিশাম ইবনুল মুগীরাহ তাদের কন্যাকে আলী বিন আবূ তালিবের নিকট বিবাহ দিতে আমার নিকট অনুমতি চেয়েছে। আমি তাদেরকে অনুমতি দিবো না, আমি তাদেরকে অনুমতি দিবো না, আমি অনুমতি দিবো না, আমি তাদেরকে অনুমতি দিবো না। তবে আলী বিন আবূ তালিব আমার কন্যাকে তালাক দিলে তা করতে পারে। কেননা ফাতিমা অবশ্যি আমার দেহের একটি টুকরা। যা তার মনঃকষ্টের কারণ হয় তা আমারও মনঃকষ্টের কারণ হয় এবং যা তাকে কষ্ট দেয় তা আমাকেও কষ্ট দেয়। [১৯৯৮]

حدثنا عيسى بن حماد المصري حدثنا الليث بن سعد عن عبد الله بن أبي مليكة عن المسور بن مخرمة قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو على المنبر يقول إن بني هشام بن المغيرة استأذنوني أن ينكحوا ابنتهم علي بن أبي طالب فلا آذن لهم ثم لا آذن لهم ثم لا آذن لهم إلا أن يريد علي بن أبي طالب أن يطلق ابنتي وينكح ابنتهم فإنما هي بضعة مني يريبني ما رابها ويؤذيني ما آذاها


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৯৬

- حدثنا محمد بن إسمعيل حدثنا وكيع عن شيبان أبي معاوية عن يحيى بن أبي كثير عن أبي سهم عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من الغيرة ما يحب الله ومنها ما يكره الله فأما ما يحب فالغيرة في الريبة وأما ما يكره فالغيرة في غير ريبة

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ আত্মমর্যাদাবোধ পছন্দ করেন এবং অপছন্দও করেন। যা থেকে বিপর্যয় সৃষ্টির আশংকা থাকে তা ত্যাগ করার আত্মমর্যাদাবোধ আল্লাহ্ পছন্দ করেন এবং যাতে বিপর্যয় সৃষ্টির আশংকা নেই তা ত্যাগের আত্মমর্যাদাবোধ আল্লাহ্ অপছন্দ করেন। [১৯৯৬]

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ আত্মমর্যাদাবোধ পছন্দ করেন এবং অপছন্দও করেন। যা থেকে বিপর্যয় সৃষ্টির আশংকা থাকে তা ত্যাগ করার আত্মমর্যাদাবোধ আল্লাহ্ পছন্দ করেন এবং যাতে বিপর্যয় সৃষ্টির আশংকা নেই তা ত্যাগের আত্মমর্যাদাবোধ আল্লাহ্ অপছন্দ করেন। [১৯৯৬]

- حدثنا محمد بن إسمعيل حدثنا وكيع عن شيبان أبي معاوية عن يحيى بن أبي كثير عن أبي سهم عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من الغيرة ما يحب الله ومنها ما يكره الله فأما ما يحب فالغيرة في الريبة وأما ما يكره فالغيرة في غير ريبة


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৯৭

حدثنا هارون بن إسحق حدثنا عبدة بن سليمان عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة قالت ما غرت على امرأة قط ما غرت على خديجة مما رأيت من ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم لها ولقد أمره ربه أن يبشرها ببيت في الجنة من قصب يعني من ذهب قاله ابن ماجة.

আ'য়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি খাদিজা (রাঃ) -এর ক্ষেত্রে যে আত্মমর্যাদাবোধ উপলব্ধি করতাম, তদ্রূপ অপর কোন নারীর ক্ষেত্রে অনুভব করতাম না। কেননা আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রায়ই তার কথা উল্লেখ করতে দেখেছি। আল্লাহ্ তাআলা তার রসূলকে খাদীজা (রাঃ) -এর জন্য জান্নাতে স্বর্ণ নির্মিত একটি প্রাসাদের সুসংবাদ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ইবনু মাজাহ (রঃ) তা বলেছেন (অর্থাৎ কাসাব-এর অর্থ সোনা বলেছেন)। [১৯৯৭]

আ'য়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি খাদিজা (রাঃ) -এর ক্ষেত্রে যে আত্মমর্যাদাবোধ উপলব্ধি করতাম, তদ্রূপ অপর কোন নারীর ক্ষেত্রে অনুভব করতাম না। কেননা আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রায়ই তার কথা উল্লেখ করতে দেখেছি। আল্লাহ্ তাআলা তার রসূলকে খাদীজা (রাঃ) -এর জন্য জান্নাতে স্বর্ণ নির্মিত একটি প্রাসাদের সুসংবাদ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ইবনু মাজাহ (রঃ) তা বলেছেন (অর্থাৎ কাসাব-এর অর্থ সোনা বলেছেন)। [১৯৯৭]

حدثنا هارون بن إسحق حدثنا عبدة بن سليمان عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة قالت ما غرت على امرأة قط ما غرت على خديجة مما رأيت من ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم لها ولقد أمره ربه أن يبشرها ببيت في الجنة من قصب يعني من ذهب قاله ابن ماجة.


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৯৯

حدثنا محمد بن يحيى حدثنا أبو اليمان أنبأنا شعيب عن الزهري أخبرني علي بن الحسين أن المسور بن مخرمة أخبره أن علي بن أبي طالب خطب بنت أبي جهل وعنده فاطمة بنت النبي صلى الله عليه وسلم فلما سمعت بذلك فاطمة أتت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت إن قومك يتحدثون أنك لا تغضب لبناتك وهذا علي ناكحا ابنة أبي جهل قال المسور فقام النبي صلى الله عليه وسلم فسمعته حين تشهد ثم قال أما بعد فإني قد أنكحت أبا العاص بن الربيع فحدثني فصدقني وإن فاطمة بنت محمد بضعة مني وأنا أكره أن تفتنوها وإنها والله لا تجتمع بنت رسول الله وبنت عدو الله عند رجل واحد أبدا قال فنزل علي عن الخطبة

মিসওয়ার বিন মাখরামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আলী বিন আবূ তালিব (রাঃ) আবূ জাহলের কন্যাকে বিবাহ করার প্রস্তাব দেন। অথচ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কন্যা ফাতিমাহ (রাঃ) তাঁর বিবাহাধীন ছিলেন। ফাতিমাহ (রাঃ) তা শুনতে পেয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বলেন, আপনার সম্প্রদায়ের লোক বলাবলি করছে যে, আপনি আপনার কন্যাদের ব্যাপারে কোন কথায় রাগান্বিত হন না। এই আলী আবূ জাহলের কন্যাকে বিবাহ করতে যাচ্ছে। মিসওয়ার (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ালেন, আমি তাঁকে কালিমা শাহাদাত পাঠ করার পর বলতে শুনলামঃ আমি আবূল আস ইবনুল রাবী' এর নিকট আমার এক কন্যার (যায়নব) বিবাহ দিয়েছিলাম। সে আমাকে যে কথা দিয়েছিল তা রক্ষা করেছে। নিশ্চয় ফাতিমাহ বিনতু মুহাম্মাদ আমার দেহের একটি অংশ। তোমরা তাকে গুনাহে নিক্ষেপ করবে তা আমি পছন্দ করি না। আল্লাহ্‌র শপথ! আল্লাহ্‌র রসূলের কন্যা এবং আল্লাহ্‌র দুশমনের কন্যা এক ব্যক্তির অধীন কখনো একত্র হতে পারে না। [১৯৯৯]

মিসওয়ার বিন মাখরামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আলী বিন আবূ তালিব (রাঃ) আবূ জাহলের কন্যাকে বিবাহ করার প্রস্তাব দেন। অথচ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কন্যা ফাতিমাহ (রাঃ) তাঁর বিবাহাধীন ছিলেন। ফাতিমাহ (রাঃ) তা শুনতে পেয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বলেন, আপনার সম্প্রদায়ের লোক বলাবলি করছে যে, আপনি আপনার কন্যাদের ব্যাপারে কোন কথায় রাগান্বিত হন না। এই আলী আবূ জাহলের কন্যাকে বিবাহ করতে যাচ্ছে। মিসওয়ার (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ালেন, আমি তাঁকে কালিমা শাহাদাত পাঠ করার পর বলতে শুনলামঃ আমি আবূল আস ইবনুল রাবী' এর নিকট আমার এক কন্যার (যায়নব) বিবাহ দিয়েছিলাম। সে আমাকে যে কথা দিয়েছিল তা রক্ষা করেছে। নিশ্চয় ফাতিমাহ বিনতু মুহাম্মাদ আমার দেহের একটি অংশ। তোমরা তাকে গুনাহে নিক্ষেপ করবে তা আমি পছন্দ করি না। আল্লাহ্‌র শপথ! আল্লাহ্‌র রসূলের কন্যা এবং আল্লাহ্‌র দুশমনের কন্যা এক ব্যক্তির অধীন কখনো একত্র হতে পারে না। [১৯৯৯]

حدثنا محمد بن يحيى حدثنا أبو اليمان أنبأنا شعيب عن الزهري أخبرني علي بن الحسين أن المسور بن مخرمة أخبره أن علي بن أبي طالب خطب بنت أبي جهل وعنده فاطمة بنت النبي صلى الله عليه وسلم فلما سمعت بذلك فاطمة أتت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت إن قومك يتحدثون أنك لا تغضب لبناتك وهذا علي ناكحا ابنة أبي جهل قال المسور فقام النبي صلى الله عليه وسلم فسمعته حين تشهد ثم قال أما بعد فإني قد أنكحت أبا العاص بن الربيع فحدثني فصدقني وإن فاطمة بنت محمد بضعة مني وأنا أكره أن تفتنوها وإنها والله لا تجتمع بنت رسول الله وبنت عدو الله عند رجل واحد أبدا قال فنزل علي عن الخطبة


সুনানে ইবনে মাজাহ > যে মহিলা নিজেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য হেবা করে।

সুনানে ইবনে মাজাহ ২০০০

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا عبدة بن سليمان عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أنها كانت تقول أما تستحي المرأة أن تهب نفسها للنبي صلى الله عليه وسلم حتى أنزل الله {ترجي من تشاء منهن وتؤوي إليك من تشاء} قالت فقلت إن ربك ليسارع في هواك

আ'য়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলতেন, যে নারী নিজেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য পেশ করে তার কি লজ্জা হয় না? অবশেষে এ আয়াত নাযিল হয়ঃ (অর্থানুবাদ) : "তুমি তাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা তোমার নিকট থেকে দূরে রাখতে পারো এবং যাকে ইচ্ছা তোমার নিকট স্থান দিতে পারো" (সূরা আহযাবঃ ৫১)। আ'য়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, তখন আমি বললাম, আপনার প্রভু তো আপনার ইচ্ছা পূরণে আপনার চেয়েও অগ্রগামী। [২০০০]

আ'য়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলতেন, যে নারী নিজেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর জন্য পেশ করে তার কি লজ্জা হয় না? অবশেষে এ আয়াত নাযিল হয়ঃ (অর্থানুবাদ) : "তুমি তাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা তোমার নিকট থেকে দূরে রাখতে পারো এবং যাকে ইচ্ছা তোমার নিকট স্থান দিতে পারো" (সূরা আহযাবঃ ৫১)। আ'য়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, তখন আমি বললাম, আপনার প্রভু তো আপনার ইচ্ছা পূরণে আপনার চেয়েও অগ্রগামী। [২০০০]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا عبدة بن سليمان عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أنها كانت تقول أما تستحي المرأة أن تهب نفسها للنبي صلى الله عليه وسلم حتى أنزل الله {ترجي من تشاء منهن وتؤوي إليك من تشاء} قالت فقلت إن ربك ليسارع في هواك


সুনানে ইবনে মাজাহ ২০০১

حدثنا أبو بشر بكر بن خلف ومحمد بن بشار قالا حدثنا مرحوم بن عبد العزيز حدثنا ثابت قال كنا جلوسا مع أنس بن مالك وعنده ابنة له فقال أنس جاءت امرأة إلى النبي صلى الله عليه وسلم فعرضت نفسها عليه فقالت يا رسول الله هل لك في حاجة فقالت ابنته ما أقل حياءها قال هي خير منك رغبت في رسول الله صلى الله عليه وسلم فعرضت نفسها عليه

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(সাবিত) বলেন, আমরা আনাস বিন মা'লিক (রাঃ) -এর সাথে উপবিষ্ট ছিলাম। তার সাথে তার এক কন্যাও ছিলো। আনাস (রাঃ) বলেন, এক মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে নিজেকে তাঁর জন্য পেশ করে। সে বলে, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনার কি আমাকে প্রয়োজন আছে? (এ হাদীস শুনে) আনাস (রাঃ) -এর মেয়ে বললো, মহিলাটি কত নির্লজ্জ! আনাস (রাঃ) বলেন, সে তোমার চেয়ে অনেক উত্তম। সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর প্রতি অনুরক্ত হওয়ার কারণেই নিজেকে তাঁর জন্য পেশ করেছে। [২০০১]

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(সাবিত) বলেন, আমরা আনাস বিন মা'লিক (রাঃ) -এর সাথে উপবিষ্ট ছিলাম। তার সাথে তার এক কন্যাও ছিলো। আনাস (রাঃ) বলেন, এক মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে নিজেকে তাঁর জন্য পেশ করে। সে বলে, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনার কি আমাকে প্রয়োজন আছে? (এ হাদীস শুনে) আনাস (রাঃ) -এর মেয়ে বললো, মহিলাটি কত নির্লজ্জ! আনাস (রাঃ) বলেন, সে তোমার চেয়ে অনেক উত্তম। সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর প্রতি অনুরক্ত হওয়ার কারণেই নিজেকে তাঁর জন্য পেশ করেছে। [২০০১]

حدثنا أبو بشر بكر بن خلف ومحمد بن بشار قالا حدثنا مرحوم بن عبد العزيز حدثنا ثابت قال كنا جلوسا مع أنس بن مالك وعنده ابنة له فقال أنس جاءت امرأة إلى النبي صلى الله عليه وسلم فعرضت نفسها عليه فقالت يا رسول الله هل لك في حاجة فقالت ابنته ما أقل حياءها قال هي خير منك رغبت في رسول الله صلى الله عليه وسلم فعرضت نفسها عليه


সুনানে ইবনে মাজাহ > যে ব্যক্তি তার সন্তান সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করে।

সুনানে ইবনে মাজাহ ২০০৩

حدثنا أبو كريب قال حدثنا عبادة بن كليب الليثي أبو غسان عن جويرية بن أسماء عن نافع عن ابن عمر أن رجلا من أهل البادية أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إن امرأتي ولدت على فراشي غلاما أسود وإنا أهل بيت لم يكن فينا أسود قط قال هل لك من إبل قال نعم قال فما ألوانها قال حمر قال هل فيها أسود قال لا قال فيها أورق قال نعم قال فأنى كان ذلك قال عسى أن يكون نزعه عرق قال فلعل ابنك هذا نزعه عرق

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক গ্রাম্য বেদুইন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার স্ত্রী আমার ঘরে একটি কালো রং-এর পুত্র সন্তান প্রসব করেছে, অথচ আমাদের পরিবারে কালো রং-এর কেউ কখনো ছিলো না। তিনি বলেনঃ তোমার কি উট আছে? সে বললো, হাঁ। তিনি বলেনঃ এগুলোর রং কী? সে বললো, লাল। তিনি বলেনঃ এগুলোর মধ্যে কি কালো বর্ণের উট আছে? সে বললো, না। তিনি বললেনঃ ছাই বর্ণের আছে কি? সে বললো, হাঁ। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন এটা কিরূপে হলো? সে বললো, হয়ত পূর্বপুরুষের রক্ত ধারায় এমনটি হয়ে থাকবে। তিনি বলেনঃ হয়তো তোমার পুত্রের বেলায়ও এমনটি হয়ে থাকবে। [২০০৩]

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক গ্রাম্য বেদুইন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার স্ত্রী আমার ঘরে একটি কালো রং-এর পুত্র সন্তান প্রসব করেছে, অথচ আমাদের পরিবারে কালো রং-এর কেউ কখনো ছিলো না। তিনি বলেনঃ তোমার কি উট আছে? সে বললো, হাঁ। তিনি বলেনঃ এগুলোর রং কী? সে বললো, লাল। তিনি বলেনঃ এগুলোর মধ্যে কি কালো বর্ণের উট আছে? সে বললো, না। তিনি বললেনঃ ছাই বর্ণের আছে কি? সে বললো, হাঁ। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন এটা কিরূপে হলো? সে বললো, হয়ত পূর্বপুরুষের রক্ত ধারায় এমনটি হয়ে থাকবে। তিনি বলেনঃ হয়তো তোমার পুত্রের বেলায়ও এমনটি হয়ে থাকবে। [২০০৩]

حدثنا أبو كريب قال حدثنا عبادة بن كليب الليثي أبو غسان عن جويرية بن أسماء عن نافع عن ابن عمر أن رجلا من أهل البادية أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إن امرأتي ولدت على فراشي غلاما أسود وإنا أهل بيت لم يكن فينا أسود قط قال هل لك من إبل قال نعم قال فما ألوانها قال حمر قال هل فيها أسود قال لا قال فيها أورق قال نعم قال فأنى كان ذلك قال عسى أن يكون نزعه عرق قال فلعل ابنك هذا نزعه عرق


সুনানে ইবনে মাজাহ ২০০৩

حدثنا أبو كريب قال حدثنا عبادة بن كليب الليثي أبو غسان عن جويرية بن أسماء عن نافع عن ابن عمر أن رجلا من أهل البادية أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إن امرأتي ولدت على فراشي غلاما أسود وإنا أهل بيت لم يكن فينا أسود قط قال هل لك من إبل قال نعم قال فما ألوانها قال حمر قال هل فيها أسود قال لا قال فيها أورق قال نعم قال فأنى كان ذلك قال عسى أن يكون نزعه عرق قال فلعل ابنك هذا نزعه عرق

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক গ্রাম্য বেদুইন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার স্ত্রী আমার ঘরে একটি কালো রং-এর পুত্র সন্তান প্রসব করেছে, অথচ আমাদের পরিবারে কালো রং-এর কেউ কখনো ছিলো না। তিনি বলেনঃ তোমার কি উট আছে? সে বললো, হাঁ। তিনি বলেনঃ এগুলোর রং কী? সে বললো, লাল। তিনি বলেনঃ এগুলোর মধ্যে কি কালো বর্ণের উট আছে? সে বললো, না। তিনি বললেনঃ ছাই বর্ণের আছে কি? সে বললো, হাঁ। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন এটা কিরূপে হলো? সে বললো, হয়ত পূর্বপুরুষের রক্ত ধারায় এমনটি হয়ে থাকবে। তিনি বলেনঃ হয়তো তোমার পুত্রের বেলায়ও এমনটি হয়ে থাকবে। [২০০৩]

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক গ্রাম্য বেদুইন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার স্ত্রী আমার ঘরে একটি কালো রং-এর পুত্র সন্তান প্রসব করেছে, অথচ আমাদের পরিবারে কালো রং-এর কেউ কখনো ছিলো না। তিনি বলেনঃ তোমার কি উট আছে? সে বললো, হাঁ। তিনি বলেনঃ এগুলোর রং কী? সে বললো, লাল। তিনি বলেনঃ এগুলোর মধ্যে কি কালো বর্ণের উট আছে? সে বললো, না। তিনি বললেনঃ ছাই বর্ণের আছে কি? সে বললো, হাঁ। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন এটা কিরূপে হলো? সে বললো, হয়ত পূর্বপুরুষের রক্ত ধারায় এমনটি হয়ে থাকবে। তিনি বলেনঃ হয়তো তোমার পুত্রের বেলায়ও এমনটি হয়ে থাকবে। [২০০৩]

حدثنا أبو كريب قال حدثنا عبادة بن كليب الليثي أبو غسان عن جويرية بن أسماء عن نافع عن ابن عمر أن رجلا من أهل البادية أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إن امرأتي ولدت على فراشي غلاما أسود وإنا أهل بيت لم يكن فينا أسود قط قال هل لك من إبل قال نعم قال فما ألوانها قال حمر قال هل فيها أسود قال لا قال فيها أورق قال نعم قال فأنى كان ذلك قال عسى أن يكون نزعه عرق قال فلعل ابنك هذا نزعه عرق


সুনানে ইবনে মাজাহ ২০০৩

حدثنا أبو كريب قال حدثنا عبادة بن كليب الليثي أبو غسان عن جويرية بن أسماء عن نافع عن ابن عمر أن رجلا من أهل البادية أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إن امرأتي ولدت على فراشي غلاما أسود وإنا أهل بيت لم يكن فينا أسود قط قال هل لك من إبل قال نعم قال فما ألوانها قال حمر قال هل فيها أسود قال لا قال فيها أورق قال نعم قال فأنى كان ذلك قال عسى أن يكون نزعه عرق قال فلعل ابنك هذا نزعه عرق

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক গ্রাম্য বেদুইন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার স্ত্রী আমার ঘরে একটি কালো রং-এর পুত্র সন্তান প্রসব করেছে, অথচ আমাদের পরিবারে কালো রং-এর কেউ কখনো ছিলো না। তিনি বলেনঃ তোমার কি উট আছে? সে বললো, হাঁ। তিনি বলেনঃ এগুলোর রং কী? সে বললো, লাল। তিনি বলেনঃ এগুলোর মধ্যে কি কালো বর্ণের উট আছে? সে বললো, না। তিনি বললেনঃ ছাই বর্ণের আছে কি? সে বললো, হাঁ। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন এটা কিরূপে হলো? সে বললো, হয়ত পূর্বপুরুষের রক্ত ধারায় এমনটি হয়ে থাকবে। তিনি বলেনঃ হয়তো তোমার পুত্রের বেলায়ও এমনটি হয়ে থাকবে। [২০০৩]

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক গ্রাম্য বেদুইন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার স্ত্রী আমার ঘরে একটি কালো রং-এর পুত্র সন্তান প্রসব করেছে, অথচ আমাদের পরিবারে কালো রং-এর কেউ কখনো ছিলো না। তিনি বলেনঃ তোমার কি উট আছে? সে বললো, হাঁ। তিনি বলেনঃ এগুলোর রং কী? সে বললো, লাল। তিনি বলেনঃ এগুলোর মধ্যে কি কালো বর্ণের উট আছে? সে বললো, না। তিনি বললেনঃ ছাই বর্ণের আছে কি? সে বললো, হাঁ। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন এটা কিরূপে হলো? সে বললো, হয়ত পূর্বপুরুষের রক্ত ধারায় এমনটি হয়ে থাকবে। তিনি বলেনঃ হয়তো তোমার পুত্রের বেলায়ও এমনটি হয়ে থাকবে। [২০০৩]

حدثنا أبو كريب قال حدثنا عبادة بن كليب الليثي أبو غسان عن جويرية بن أسماء عن نافع عن ابن عمر أن رجلا من أهل البادية أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إن امرأتي ولدت على فراشي غلاما أسود وإنا أهل بيت لم يكن فينا أسود قط قال هل لك من إبل قال نعم قال فما ألوانها قال حمر قال هل فيها أسود قال لا قال فيها أورق قال نعم قال فأنى كان ذلك قال عسى أن يكون نزعه عرق قال فلعل ابنك هذا نزعه عرق


সুনানে ইবনে মাজাহ ২০০২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة ومحمد بن الصباح قالا حدثنا سفيان بن عيينة عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة قال جاء رجل من بني فزارة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إن امرأتي ولدت غلاما أسود فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم هل لك من إبل قال نعم قال فما ألوانها قال حمر قال هل فيها من أورق قال إن فيها لورقا قال فأنى أتاها ذلك قال عسى عرق نزعها قال وهذا لعل عرقا نزعه واللفظ لابن الصباح.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ফাযা'রাহ গোত্রের এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার স্ত্রী কৃষ্ণ বর্ণের একটি পুত্র সন্তান প্রসব করেছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমার কি উট আছে? সে বললো, হাঁ। তিনি বলেনঃ এগুলো কী বর্ণের? সে বললো, লাল। তিনি বলেন এগুলোর মধ্যে ছাই বর্ণের উট আছে কি? সে বললো, হাঁ, এর মধ্যে অবশ্যই ছাই রং-এর উটও আছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এগুলো কোথা থেকে এলো? সে বললো, সম্ভবত এটি তার পূর্বপুরুষের কারো রং ধারণ করেছে। তিনি বলেনঃ এখানেও হয়ত পূর্বপুরুষের কালো রং ধারণ করে থাকবে। [২০০২]

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ফাযা'রাহ গোত্রের এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার স্ত্রী কৃষ্ণ বর্ণের একটি পুত্র সন্তান প্রসব করেছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমার কি উট আছে? সে বললো, হাঁ। তিনি বলেনঃ এগুলো কী বর্ণের? সে বললো, লাল। তিনি বলেন এগুলোর মধ্যে ছাই বর্ণের উট আছে কি? সে বললো, হাঁ, এর মধ্যে অবশ্যই ছাই রং-এর উটও আছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এগুলো কোথা থেকে এলো? সে বললো, সম্ভবত এটি তার পূর্বপুরুষের কারো রং ধারণ করেছে। তিনি বলেনঃ এখানেও হয়ত পূর্বপুরুষের কালো রং ধারণ করে থাকবে। [২০০২]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة ومحمد بن الصباح قالا حدثنا سفيان بن عيينة عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة قال جاء رجل من بني فزارة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إن امرأتي ولدت غلاما أسود فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم هل لك من إبل قال نعم قال فما ألوانها قال حمر قال هل فيها من أورق قال إن فيها لورقا قال فأنى أتاها ذلك قال عسى عرق نزعها قال وهذا لعل عرقا نزعه واللفظ لابن الصباح.


সুনানে ইবনে মাজাহ > সন্তান বিছানার মালিকের এবং ব্যভিচারির জন্য পাথর।

সুনানে ইবনে মাজাহ ২০০৭

حدثنا هشام بن عمار قال حدثنا إسمعيل بن عياش حدثنا شرحبيل بن مسلم قال سمعت أبا أمامة الباهلي يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول الولد للفراش وللعاهر الحجر

আবু উমামা আল বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি: সন্তান বৈধ শয্যাধারীর (স্বামীর) এবং ব্যভীচারীর জন্য রয়েছে পাথর। [২০০৭]

আবু উমামা আল বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি: সন্তান বৈধ শয্যাধারীর (স্বামীর) এবং ব্যভীচারীর জন্য রয়েছে পাথর। [২০০৭]

حدثنا هشام بن عمار قال حدثنا إسمعيل بن عياش حدثنا شرحبيل بن مسلم قال سمعت أبا أمامة الباهلي يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول الولد للفراش وللعاهر الحجر


সুনানে ইবনে মাজাহ ২০০৫

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا سفيان بن عيينة عن عبيد الله بن أبي يزيد عن أبيه عن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى بالولد للفراش

উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফয়সালা দিয়েছেন যে, সন্তান বৈধ শয্যাধারীর (স্বামীর)। [২০০৫]

উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফয়সালা দিয়েছেন যে, সন্তান বৈধ শয্যাধারীর (স্বামীর)। [২০০৫]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا سفيان بن عيينة عن عبيد الله بن أبي يزيد عن أبيه عن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى بالولد للفراش


সুনানে ইবনে মাজাহ ২০০৬

حدثنا هشام بن عمار قال حدثنا سفيان بن عيينة عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال الولد للفراش وللعاهر الحجر

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সন্তান বৈধ শয্যাধারীর (স্বামীর) এবং ব্যভিচারির জন্য রয়েছে পাথর। [২০০৬]

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সন্তান বৈধ শয্যাধারীর (স্বামীর) এবং ব্যভিচারির জন্য রয়েছে পাথর। [২০০৬]

حدثنا هشام بن عمار قال حدثنا سفيان بن عيينة عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال الولد للفراش وللعاهر الحجر


সুনানে ইবনে মাজাহ ২০০৪

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا سفيان بن عيينة عن الزهري عن عروة عن عائشة قالت إن عبد بن زمعة وسعدا اختصما إلى النبي صلى الله عليه وسلم في ابن أمة زمعة فقال سعد يا رسول الله أوصاني أخي إذا قدمت مكة أن أنظر إلى ابن أمة زمعة فأقبضه وقال عبد بن زمعة أخي وابن أمة أبي ولد على فراش أبي فرأى النبي صلى الله عليه وسلم شبهه بعتبة فقال «هو لك يا عبد بن زمعة الولد للفراش واحتجبي عنه يا سودة».

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু যামআহ ও সা'দ (রাঃ) যামআহ'র দাসী-পুত্রকে কেন্দ্র করে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট বিবাদে লিপ্ত হন। সা'দ (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার ভাই আমাকে বলেছেন যে, আমি মাক্কাহ্য় গেলে আমি যেন যাম্আর দাসী-পুত্রকে খুঁজে বের করি। আর আব্দ বিন যামআহ বললো, সে আমার ভাই, আমার পিতার দাসী-পুত্র, সে আমার পিতার শয্যায় জন্মগ্রহণ করে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছেলেটিকে উতবার সাথে (গঠনাকৃতিতে) সাদৃশ্যপূর্ণ লক্ষ্য করেন। তিনি বলেনঃ হে আব্দ বিন যামআহ! এটি তোমারই প্রাপ্য। সন্তান বিছানার মালিকের (স্বামীর) এবং ব্যভিচারির জন্য রয়েছে পাথর। আর হে সাওদা! তুমি তার থেকে পর্দা করবে। [২০০৪]

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু যামআহ ও সা'দ (রাঃ) যামআহ'র দাসী-পুত্রকে কেন্দ্র করে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট বিবাদে লিপ্ত হন। সা'দ (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার ভাই আমাকে বলেছেন যে, আমি মাক্কাহ্য় গেলে আমি যেন যাম্আর দাসী-পুত্রকে খুঁজে বের করি। আর আব্দ বিন যামআহ বললো, সে আমার ভাই, আমার পিতার দাসী-পুত্র, সে আমার পিতার শয্যায় জন্মগ্রহণ করে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছেলেটিকে উতবার সাথে (গঠনাকৃতিতে) সাদৃশ্যপূর্ণ লক্ষ্য করেন। তিনি বলেনঃ হে আব্দ বিন যামআহ! এটি তোমারই প্রাপ্য। সন্তান বিছানার মালিকের (স্বামীর) এবং ব্যভিচারির জন্য রয়েছে পাথর। আর হে সাওদা! তুমি তার থেকে পর্দা করবে। [২০০৪]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا سفيان بن عيينة عن الزهري عن عروة عن عائشة قالت إن عبد بن زمعة وسعدا اختصما إلى النبي صلى الله عليه وسلم في ابن أمة زمعة فقال سعد يا رسول الله أوصاني أخي إذا قدمت مكة أن أنظر إلى ابن أمة زمعة فأقبضه وقال عبد بن زمعة أخي وابن أمة أبي ولد على فراش أبي فرأى النبي صلى الله عليه وسلم شبهه بعتبة فقال «هو لك يا عبد بن زمعة الولد للفراش واحتجبي عنه يا سودة».


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00