সুনানে ইবনে মাজাহ > ইহরাম অবস্থায় কোন ব্যক্তির বিবাহ করা ।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৬৪
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا يحيى بن آدم حدثنا جرير بن حازم حدثنا أبو فزارة عن يزيد بن الأصم حدثتني ميمونة بنت الحارث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم تزوجها وهو حلال قال وكانت خالتي وخالة ابن عباس
মায়মূনাহ বিনতুল হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে হালাল (ইহরামমুক্ত) অবস্থায় বিবাহ করেন। রাবী ইয়াযীদ বিন আসাম্ম বলেন, মায়মূনাহ (রাঃ) ছিলেন আমার ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) -এর খালা। [১৯৬৪]
মায়মূনাহ বিনতুল হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে হালাল (ইহরামমুক্ত) অবস্থায় বিবাহ করেন। রাবী ইয়াযীদ বিন আসাম্ম বলেন, মায়মূনাহ (রাঃ) ছিলেন আমার ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) -এর খালা। [১৯৬৪]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا يحيى بن آدم حدثنا جرير بن حازم حدثنا أبو فزارة عن يزيد بن الأصم حدثتني ميمونة بنت الحارث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم تزوجها وهو حلال قال وكانت خالتي وخالة ابن عباس
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৬৫
حدثنا أبو بكر بن خلاد الباهلي حدثنا سفيان بن عيينة عن عمرو بن دينار عن جابر بن زيد عن ابن عباس أن أبي صلى الله عليه وسلم نكح وهو محرم
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় বিবাহ করেন। [১৯৬৫]
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় বিবাহ করেন। [১৯৬৫]
حدثنا أبو بكر بن خلاد الباهلي حدثنا سفيان بن عيينة عن عمرو بن دينار عن جابر بن زيد عن ابن عباس أن أبي صلى الله عليه وسلم نكح وهو محرم
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৬৬
حدثنا محمد بن الصباح حدثنا عبد الله بن رجاء المكي عن مالك بن أنس عن نافع عن نبيه بن وهب عن أبان بن عثمان بن عفان عن أبيه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم المحرم لا ينكح ولا ينكح ولا يخطب
উসমান বিন আফফান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ইহরাম অবস্থায় কোন ব্যক্তি নিজে বিবাহ করবে না, অন্যকেও বিবাহ করাবে না এবং বিবাহের প্রস্তাবও দিবে না। [১৯৬৬]
উসমান বিন আফফান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ইহরাম অবস্থায় কোন ব্যক্তি নিজে বিবাহ করবে না, অন্যকেও বিবাহ করাবে না এবং বিবাহের প্রস্তাবও দিবে না। [১৯৬৬]
حدثنا محمد بن الصباح حدثنا عبد الله بن رجاء المكي عن مالك بن أنس عن نافع عن نبيه بن وهب عن أبان بن عثمان بن عفان عن أبيه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم المحرم لا ينكح ولا ينكح ولا يخطب
সুনানে ইবনে মাজাহ > বিবাহের বর ও কনের সমতা (কুফু) ।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৬৮
حدثنا عبد الله بن سعيد حدثنا الحارث بن عمران الجعفري عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم تخيروا لنطفكم وانكحوا الأكفاء وأنكحوا إليهم
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা ভবিষ্যত বংশধরদের স্বার্থে উত্তম মহিলা গ্রহণ করো এবং সমতা (কুফু) বিবেচনায় বিবাহ করো, আর বিবাহ দিতেও সমতার প্রতি লক্ষ্য রাখো। [১৯৬৮]
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা ভবিষ্যত বংশধরদের স্বার্থে উত্তম মহিলা গ্রহণ করো এবং সমতা (কুফু) বিবেচনায় বিবাহ করো, আর বিবাহ দিতেও সমতার প্রতি লক্ষ্য রাখো। [১৯৬৮]
حدثنا عبد الله بن سعيد حدثنا الحارث بن عمران الجعفري عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم تخيروا لنطفكم وانكحوا الأكفاء وأنكحوا إليهم
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৬৭
حدثنا محمد بن سابور الرقي حدثنا عبد الحميد بن سليمان الأنصاري أخو فليح عن محمد بن عجلان عن ابن وثيمة النصري عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أتاكم من ترضون خلقه ودينه فزوجوه إلا تفعلوا تكن فتنة في الأرض وفساد عريض
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের নিকট এমন কোন ব্যক্তি বিবাহের প্রস্তাব নিয়ে এলের চরিত্র ও ধর্মানুরাগ সম্পর্কে তোমরা সন্তুষ্ট,তার সাথে (তোমাদের মেয়েদের) বিবাহ দাও। তোমরা যদি তা না করো, তাহলে পৃথিবীতে বিপর্যয় ও ব্যাপক বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়বে। [১৯৬৭]
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের নিকট এমন কোন ব্যক্তি বিবাহের প্রস্তাব নিয়ে এলের চরিত্র ও ধর্মানুরাগ সম্পর্কে তোমরা সন্তুষ্ট,তার সাথে (তোমাদের মেয়েদের) বিবাহ দাও। তোমরা যদি তা না করো, তাহলে পৃথিবীতে বিপর্যয় ও ব্যাপক বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়বে। [১৯৬৭]
حدثنا محمد بن سابور الرقي حدثنا عبد الحميد بن سليمان الأنصاري أخو فليح عن محمد بن عجلان عن ابن وثيمة النصري عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أتاكم من ترضون خلقه ودينه فزوجوه إلا تفعلوا تكن فتنة في الأرض وفساد عريض
সুনানে ইবনে মাজাহ > স্ত্রীদের সাথে সম আচরণ এবং পালা বণ্টন।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৭০
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا يحيى بن يمان عن معمر عن الزهري عن عروة عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا سافر أقرع بين نسائه
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরে রওয়ানা হলে তাঁর স্ত্রীদের মধ্যে (কে তাঁর সাথে যাবেন তা নির্ধারণের জন্য) লটারির ব্যবস্থা করতেন। [১৯৭০]
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরে রওয়ানা হলে তাঁর স্ত্রীদের মধ্যে (কে তাঁর সাথে যাবেন তা নির্ধারণের জন্য) লটারির ব্যবস্থা করতেন। [১৯৭০]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا يحيى بن يمان عن معمر عن الزهري عن عروة عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا سافر أقرع بين نسائه
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৬৯
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا وكيع عن همام عن قتادة عن النضر بن أنس عن بشير بن نهيك عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من كانت له امرأتان يميل مع إحداهما على الأخرى جاء يوم القيامة وأحد شقيه ساقط
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যার দু’জন স্ত্রী আছে, আর সে তাদের একজনের চেয়ে অপরজনের প্রতি বেশী ঝুঁকে পড়ে, সে কিয়ামাতের দিন তার (দেহের) এক পার্শ্ব পতিত অবস্থায় উপস্থিত হবে। [১৯৬৯]
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যার দু’জন স্ত্রী আছে, আর সে তাদের একজনের চেয়ে অপরজনের প্রতি বেশী ঝুঁকে পড়ে, সে কিয়ামাতের দিন তার (দেহের) এক পার্শ্ব পতিত অবস্থায় উপস্থিত হবে। [১৯৬৯]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا وكيع عن همام عن قتادة عن النضر بن أنس عن بشير بن نهيك عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من كانت له امرأتان يميل مع إحداهما على الأخرى جاء يوم القيامة وأحد شقيه ساقط
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৭১
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة ومحمد بن يحيى قالا حدثنا يزيد بن هارون أنبأنا حماد بن سلمة عن أيوب عن أبي قلابة عن عبد الله بن يزيد عن عائشة قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقسم بين نسائه فيعدل ثم يقول اللٰهم هذا فعلي فيما أملك فلا تلمني فيما تملك ولا أملك
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপন স্ত্রীদের মধ্যে ইনসাফের সাথে (সব কিছু) সমানভাবে বণ্টন করতেন, অতঃপর বলতেনঃ হে আল্লাহ! এ হলো আমার সামর্থ্য অনুযায়ী আমার কাজ। যে বিষয়ে তোমার ক্ষমতা আছে, আমার সামর্থ্য নাই, সে বিষয়ে আমাকে তিরস্কার করো না। [১৯৭১] তাহকীক আলবানীঃ দঈফ তবে প্রথম অংশটি হাসান।
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপন স্ত্রীদের মধ্যে ইনসাফের সাথে (সব কিছু) সমানভাবে বণ্টন করতেন, অতঃপর বলতেনঃ হে আল্লাহ! এ হলো আমার সামর্থ্য অনুযায়ী আমার কাজ। যে বিষয়ে তোমার ক্ষমতা আছে, আমার সামর্থ্য নাই, সে বিষয়ে আমাকে তিরস্কার করো না। [১৯৭১] তাহকীক আলবানীঃ দঈফ তবে প্রথম অংশটি হাসান।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة ومحمد بن يحيى قالا حدثنا يزيد بن هارون أنبأنا حماد بن سلمة عن أيوب عن أبي قلابة عن عبد الله بن يزيد عن عائشة قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقسم بين نسائه فيعدل ثم يقول اللٰهم هذا فعلي فيما أملك فلا تلمني فيما تملك ولا أملك
সুনানে ইবনে মাজাহ > যে মহিলা তার পালার দিনটি তার সতীনকে দান করে।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৭২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا عقبة بن خالد ح و حدثنا محمد بن الصباح أنبأنا عبد العزيز بن محمد جميعا عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة قالت لما كبرت سودة بنت زمعة وهبت يومها لعائشة فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم «يقسم لعائشة بيوم سودة
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সাওদা বিনতু যামআহ (রাঃ) বার্ধক্যগ্রস্ত হয়ে পড়লে তিনি তার নির্ধারিত পালার দিনটি আয়িশা (রাঃ)-কে হেবা করেন। অতএব রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাওদা (রাঃ) -এর দিনটি আয়িশা (রাঃ) এর ভাগে ফেলতেন। [১৯৭২]
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সাওদা বিনতু যামআহ (রাঃ) বার্ধক্যগ্রস্ত হয়ে পড়লে তিনি তার নির্ধারিত পালার দিনটি আয়িশা (রাঃ)-কে হেবা করেন। অতএব রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাওদা (রাঃ) -এর দিনটি আয়িশা (রাঃ) এর ভাগে ফেলতেন। [১৯৭২]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا عقبة بن خالد ح و حدثنا محمد بن الصباح أنبأنا عبد العزيز بن محمد جميعا عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة قالت لما كبرت سودة بنت زمعة وهبت يومها لعائشة فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم «يقسم لعائشة بيوم سودة
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৭৪
حدثنا حفص بن عمرو حدثنا عمرو بن علي عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أنها قالت نزلت هذه الآية {والصلح خير} في رجل كانت تحته امرأة قد طالت صحبتها وولدت منه أولادا فأراد أن يستبدل بها فراضته على أن تقيم عنده ولا يقسم لها.
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, “আপোষ-নিষ্পত্তিই উত্তম” (৪:১২৮) ) আয়াত এমন এক ব্যাক্তি সম্পর্কে নাযিল হয়, যার বিবাহধীনে এক মহিলা দীর্ঘদিন যাবত ছিল এবং সে তার স্বামীর ঔরসে কয়েকটি সন্তানও প্রসব করেছিল। স্বামী তাঁকে তালাক দিয়ে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করতে চাইলে মহিলাটি এ শর্তে স্বামীকে সম্মত করলো যে, সে তার বিবাহ বন্ধনে থাকবে এবং তাকে কোন পালার দিন দিবে না। [১৯৭৪]
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, “আপোষ-নিষ্পত্তিই উত্তম” (৪:১২৮) ) আয়াত এমন এক ব্যাক্তি সম্পর্কে নাযিল হয়, যার বিবাহধীনে এক মহিলা দীর্ঘদিন যাবত ছিল এবং সে তার স্বামীর ঔরসে কয়েকটি সন্তানও প্রসব করেছিল। স্বামী তাঁকে তালাক দিয়ে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করতে চাইলে মহিলাটি এ শর্তে স্বামীকে সম্মত করলো যে, সে তার বিবাহ বন্ধনে থাকবে এবং তাকে কোন পালার দিন দিবে না। [১৯৭৪]
حدثنا حفص بن عمرو حدثنا عمرو بن علي عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أنها قالت نزلت هذه الآية {والصلح خير} في رجل كانت تحته امرأة قد طالت صحبتها وولدت منه أولادا فأراد أن يستبدل بها فراضته على أن تقيم عنده ولا يقسم لها.
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৭৪
حدثنا حفص بن عمرو حدثنا عمرو بن علي عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أنها قالت نزلت هذه الآية {والصلح خير} في رجل كانت تحته امرأة قد طالت صحبتها وولدت منه أولادا فأراد أن يستبدل بها فراضته على أن تقيم عنده ولا يقسم لها.
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, “আপোষ-নিষ্পত্তিই উত্তম” (৪:১২৮) ) আয়াত এমন এক ব্যাক্তি সম্পর্কে নাযিল হয়, যার বিবাহধীনে এক মহিলা দীর্ঘদিন যাবত ছিল এবং সে তার স্বামীর ঔরসে কয়েকটি সন্তানও প্রসব করেছিল। স্বামী তাঁকে তালাক দিয়ে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করতে চাইলে মহিলাটি এ শর্তে স্বামীকে সম্মত করলো যে, সে তার বিবাহ বন্ধনে থাকবে এবং তাকে কোন পালার দিন দিবে না। [১৯৭৪]
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, “আপোষ-নিষ্পত্তিই উত্তম” (৪:১২৮) ) আয়াত এমন এক ব্যাক্তি সম্পর্কে নাযিল হয়, যার বিবাহধীনে এক মহিলা দীর্ঘদিন যাবত ছিল এবং সে তার স্বামীর ঔরসে কয়েকটি সন্তানও প্রসব করেছিল। স্বামী তাঁকে তালাক দিয়ে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করতে চাইলে মহিলাটি এ শর্তে স্বামীকে সম্মত করলো যে, সে তার বিবাহ বন্ধনে থাকবে এবং তাকে কোন পালার দিন দিবে না। [১৯৭৪]
حدثنا حفص بن عمرو حدثنا عمرو بن علي عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أنها قالت نزلت هذه الآية {والصلح خير} في رجل كانت تحته امرأة قد طالت صحبتها وولدت منه أولادا فأراد أن يستبدل بها فراضته على أن تقيم عنده ولا يقسم لها.
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৭৪
حدثنا حفص بن عمرو حدثنا عمرو بن علي عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أنها قالت نزلت هذه الآية {والصلح خير} في رجل كانت تحته امرأة قد طالت صحبتها وولدت منه أولادا فأراد أن يستبدل بها فراضته على أن تقيم عنده ولا يقسم لها.
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, “আপোষ-নিষ্পত্তিই উত্তম” (৪:১২৮) ) আয়াত এমন এক ব্যাক্তি সম্পর্কে নাযিল হয়, যার বিবাহধীনে এক মহিলা দীর্ঘদিন যাবত ছিল এবং সে তার স্বামীর ঔরসে কয়েকটি সন্তানও প্রসব করেছিল। স্বামী তাঁকে তালাক দিয়ে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করতে চাইলে মহিলাটি এ শর্তে স্বামীকে সম্মত করলো যে, সে তার বিবাহ বন্ধনে থাকবে এবং তাকে কোন পালার দিন দিবে না। [১৯৭৪]
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, “আপোষ-নিষ্পত্তিই উত্তম” (৪:১২৮) ) আয়াত এমন এক ব্যাক্তি সম্পর্কে নাযিল হয়, যার বিবাহধীনে এক মহিলা দীর্ঘদিন যাবত ছিল এবং সে তার স্বামীর ঔরসে কয়েকটি সন্তানও প্রসব করেছিল। স্বামী তাঁকে তালাক দিয়ে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করতে চাইলে মহিলাটি এ শর্তে স্বামীকে সম্মত করলো যে, সে তার বিবাহ বন্ধনে থাকবে এবং তাকে কোন পালার দিন দিবে না। [১৯৭৪]
حدثنا حفص بن عمرو حدثنا عمرو بن علي عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أنها قالت نزلت هذه الآية {والصلح خير} في رجل كانت تحته امرأة قد طالت صحبتها وولدت منه أولادا فأراد أن يستبدل بها فراضته على أن تقيم عنده ولا يقسم لها.
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৭৩
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة ومحمد بن يحيى قالا حدثنا عفان حدثنا حماد بن سلمة عن ثابت عن سمية عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم وجد على صفية بنت حيي في شيء فقالت صفية يا عائشة هل لك أن ترضي رسول الله صلى الله عليه وسلم عني ولك يومي قالت نعم فأخذت خمارا لها مصبوغا بزعفران فرشته بالماء ليفوح ريحه ثم قعدت إلى جنب رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم يا عائشة إليك عني إنه ليس يومك فقالت ذلك فضل الله يؤتيه من يشاء فأخبرته بالأمر فرضي عنها
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
কোন কারণে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফিয়্যা বিনতু হুয়াই (রাঃ) এর উপর অসন্তুষ্ট হলে তিনি (সাফিয়্যা) বলেন, হে আয়িশা! তুমি কি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে আমার প্রতি সন্তুষ্ট করে দিবে? আমি আমার পালার দিনটি তোমাকে দিবো। আয়িশা (রাঃ) বলেন, হ্যাঁ। এরপর তিনি যাফরান রংয়ে রঞ্জিত তার একটি ওড়না নিলেন এবং তাতে পানি ছিটিয়ে দিলেন, যাতে এর ঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়ে। অতঃপর তিনি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পাশে বসলে তিনি বলেনঃ হে আয়িশা! তুমি আমার নিকট থেকে সরে যাও। এটা তোমার পালার দিন নয়। আয়িশা (রাঃ) বলেন, এটি হচ্ছে আল্লাহর অনুগ্রহ যাকে ইচ্ছা তিনি দান করেন। তিনি তাঁকে ব্যাপারটি খুলে বলেন। তাতে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফিয়্যা (রাঃ) এর প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে যান। [১৯৭৩]
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
কোন কারণে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফিয়্যা বিনতু হুয়াই (রাঃ) এর উপর অসন্তুষ্ট হলে তিনি (সাফিয়্যা) বলেন, হে আয়িশা! তুমি কি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে আমার প্রতি সন্তুষ্ট করে দিবে? আমি আমার পালার দিনটি তোমাকে দিবো। আয়িশা (রাঃ) বলেন, হ্যাঁ। এরপর তিনি যাফরান রংয়ে রঞ্জিত তার একটি ওড়না নিলেন এবং তাতে পানি ছিটিয়ে দিলেন, যাতে এর ঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়ে। অতঃপর তিনি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পাশে বসলে তিনি বলেনঃ হে আয়িশা! তুমি আমার নিকট থেকে সরে যাও। এটা তোমার পালার দিন নয়। আয়িশা (রাঃ) বলেন, এটি হচ্ছে আল্লাহর অনুগ্রহ যাকে ইচ্ছা তিনি দান করেন। তিনি তাঁকে ব্যাপারটি খুলে বলেন। তাতে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফিয়্যা (রাঃ) এর প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে যান। [১৯৭৩]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة ومحمد بن يحيى قالا حدثنا عفان حدثنا حماد بن سلمة عن ثابت عن سمية عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم وجد على صفية بنت حيي في شيء فقالت صفية يا عائشة هل لك أن ترضي رسول الله صلى الله عليه وسلم عني ولك يومي قالت نعم فأخذت خمارا لها مصبوغا بزعفران فرشته بالماء ليفوح ريحه ثم قعدت إلى جنب رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم يا عائشة إليك عني إنه ليس يومك فقالت ذلك فضل الله يؤتيه من يشاء فأخبرته بالأمر فرضي عنها