সুনানে ইবনে মাজাহ > বিবাহের শর্তাবলী পূরণ করতে হবে ।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৫৪
حدثنا عمرو بن عبد الله ومحمد بن إسمعيل قالا حدثنا أبو أسامة عن عبد الحميد بن جعفر عن يزيد بن أبي حبيب عن مرثد بن عبد الله عن عقبة بن عامر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال «إن أحق الشرط أن يوفى به ما استحللتم به الفروج».
উকবা বিন আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে শর্ত পূরণ করা অধিক সংগত তা হলো, যার বিনিময়ে তোমরা (নারীর) লজ্জাস্থান হালাল করেছো। [১৯৫৪]
উকবা বিন আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে শর্ত পূরণ করা অধিক সংগত তা হলো, যার বিনিময়ে তোমরা (নারীর) লজ্জাস্থান হালাল করেছো। [১৯৫৪]
حدثنا عمرو بن عبد الله ومحمد بن إسمعيل قالا حدثنا أبو أسامة عن عبد الحميد بن جعفر عن يزيد بن أبي حبيب عن مرثد بن عبد الله عن عقبة بن عامر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال «إن أحق الشرط أن يوفى به ما استحللتم به الفروج».
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৫৫
حدثنا أبو كريب حدثنا أبو خالد عن ابن جريج عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما كان من صداق أو حباء أو هبة قبل عصمة النكاح فهو لها وما كان بعد عصمة النكاح فهو لمن أعطيه أو حبي وأحق ما يكرم الرجل به ابنته أو أخته
আমর ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, অনুষ্ঠানের পূর্বে যে উপঢৌকন, হাদিয়া (উপহার) ইত্যাদি দেয়া হয় তা নারীর প্রাপ্য এবং বিবাহের পর দেয় বস্তুসমূহ সেই পাবে, যাকে তা দান করা হয় বা যার জন্য তা আনা হয়। কোন ব্যক্তির সর্বাধিক অনুগ্রহ পাওয়ার অধিকারী হলো তার বোন অথবা তার কন্যা। [১৯৫৫]
আমর ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, অনুষ্ঠানের পূর্বে যে উপঢৌকন, হাদিয়া (উপহার) ইত্যাদি দেয়া হয় তা নারীর প্রাপ্য এবং বিবাহের পর দেয় বস্তুসমূহ সেই পাবে, যাকে তা দান করা হয় বা যার জন্য তা আনা হয়। কোন ব্যক্তির সর্বাধিক অনুগ্রহ পাওয়ার অধিকারী হলো তার বোন অথবা তার কন্যা। [১৯৫৫]
حدثنا أبو كريب حدثنا أبو خالد عن ابن جريج عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما كان من صداق أو حباء أو هبة قبل عصمة النكاح فهو لها وما كان بعد عصمة النكاح فهو لمن أعطيه أو حبي وأحق ما يكرم الرجل به ابنته أو أخته
সুনানে ইবনে মাজাহ > যে ব্যক্তি নিজের দাসীকে আযাদ করার পর বিবাহ করে ।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৫৭
حدثنا أحمد بن عبدة حدثنا حماد بن زيد حدثنا ثابت وعبد العزيز عن أنس قال صارت صفية لدحية الكلبي ثم صارت لرسول الله صلى الله عليه وسلم بعد فتزوجها وجعل عتقها صداقها قال حماد فقال عبد العزيز لثابت يا أبا محمد أنت سألت أنسا ما أمهرها قال أمهرها نفسها
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সাফিয়্যা (রাঃ) প্রথমে দিহ্য়া আল-কালবী (রাঃ) -এর ভাগে পড়েছিলেন। পরে তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর অধীনে আসেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বিবাহ করেন এবং তাকে দাসত্বমুক্ত করাকে তার মাহর গণ্য করেন। অধস্তন রাবী হাম্মাদ বলেন, আবদুল আযীয (রাঃ) ছাবিত (রাঃ)-কে বললেন, হে আবূ মুহাম্মাদ! আপনি কি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফিয়্যা (রাঃ)-কে কী মাহর দিয়েছিলেন? আনাস (রাঃ) বলেন, তার দাসত্ব মুক্তিই ছিল তার মাহর। [১৯৫৭]
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সাফিয়্যা (রাঃ) প্রথমে দিহ্য়া আল-কালবী (রাঃ) -এর ভাগে পড়েছিলেন। পরে তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর অধীনে আসেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বিবাহ করেন এবং তাকে দাসত্বমুক্ত করাকে তার মাহর গণ্য করেন। অধস্তন রাবী হাম্মাদ বলেন, আবদুল আযীয (রাঃ) ছাবিত (রাঃ)-কে বললেন, হে আবূ মুহাম্মাদ! আপনি কি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফিয়্যা (রাঃ)-কে কী মাহর দিয়েছিলেন? আনাস (রাঃ) বলেন, তার দাসত্ব মুক্তিই ছিল তার মাহর। [১৯৫৭]
حدثنا أحمد بن عبدة حدثنا حماد بن زيد حدثنا ثابت وعبد العزيز عن أنس قال صارت صفية لدحية الكلبي ثم صارت لرسول الله صلى الله عليه وسلم بعد فتزوجها وجعل عتقها صداقها قال حماد فقال عبد العزيز لثابت يا أبا محمد أنت سألت أنسا ما أمهرها قال أمهرها نفسها
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৫৮
حدثنا حبيش بن مبشر حدثنا يونس بن محمد حدثنا حماد بن زيد عن أيوب عن عكرمة عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أعتق صفية وجعل عتقها صداقها وتزوجها
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফিয়্যা (রাঃ)-কে আযাদ করেন এবং তাঁর দাসত্বমুক্তকে তার মাহর নির্ধারণ করে তাকে বিবাহ করেন। [১৯৫৮]
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফিয়্যা (রাঃ)-কে আযাদ করেন এবং তাঁর দাসত্বমুক্তকে তার মাহর নির্ধারণ করে তাকে বিবাহ করেন। [১৯৫৮]
حدثنا حبيش بن مبشر حدثنا يونس بن محمد حدثنا حماد بن زيد عن أيوب عن عكرمة عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أعتق صفية وجعل عتقها صداقها وتزوجها
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৫৬
حدثنا عبد الله بن سعيد أبو سعيد الأشج حدثنا عبدة بن سليمان عن صالح بن صالح بن حي عن الشعبي عن أبي بردة عن أبي موسى قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم «من كانت له جارية فأدبها فأحسن أدبها وعلمها فأحسن تعليمها ثم أعتقها وتزوجها فله أجران وأيما رجل من أهل الكتاب آمن بنبيه وآمن بمحمد فله أجران وأيما عبد مملوك أدى حق الله عليه وحق مواليه فله أجران قال صالح قال الشعبي قد أعطيتكها بغير شيء إن كان الراكب ليركب فيما دونها إلى المدينة
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যার একটি দাসী আছে, সে তাকে উত্তমরূপে আদব-কায়দা শেখায় এবং শিক্ষা-দীক্ষা দান করে, অতঃপর আযাদ করে বিবাহ করে, তার জন্য রয়েছে দু’টি পুরস্কার। আর আহলে কিতাবের কোন ব্যক্তি তার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর ঈমান আনার পর মুহাম্মাদ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উপর ঈমান আনলে, তার জন্যও রয়েছে দু’টি পুরস্কার। তদ্রুপ কোন ক্রীতদাস তার উপর ধার্য আল্লাহর হক ও তার মনিবের হক আদায় করলে, তার জন্যও রয়েছে দু’টি পুরস্কার। অধস্তন রাবী সালেহ (রঃ) বলেন, শাবী (রঃ) বলেছেন, আমি কোন বিনিময় ছাড়াই তোমাকে এ হাদীসটি জানিয়ে দিলাম। অথচ এর চেয়ে ক্ষুদ্র একটি হাদীসের জন্য অনেকেই মাদীনাহ পর্যন্ত সফর করতো। [১৯৫৬]
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যার একটি দাসী আছে, সে তাকে উত্তমরূপে আদব-কায়দা শেখায় এবং শিক্ষা-দীক্ষা দান করে, অতঃপর আযাদ করে বিবাহ করে, তার জন্য রয়েছে দু’টি পুরস্কার। আর আহলে কিতাবের কোন ব্যক্তি তার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর ঈমান আনার পর মুহাম্মাদ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উপর ঈমান আনলে, তার জন্যও রয়েছে দু’টি পুরস্কার। তদ্রুপ কোন ক্রীতদাস তার উপর ধার্য আল্লাহর হক ও তার মনিবের হক আদায় করলে, তার জন্যও রয়েছে দু’টি পুরস্কার। অধস্তন রাবী সালেহ (রঃ) বলেন, শাবী (রঃ) বলেছেন, আমি কোন বিনিময় ছাড়াই তোমাকে এ হাদীসটি জানিয়ে দিলাম। অথচ এর চেয়ে ক্ষুদ্র একটি হাদীসের জন্য অনেকেই মাদীনাহ পর্যন্ত সফর করতো। [১৯৫৬]
حدثنا عبد الله بن سعيد أبو سعيد الأشج حدثنا عبدة بن سليمان عن صالح بن صالح بن حي عن الشعبي عن أبي بردة عن أبي موسى قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم «من كانت له جارية فأدبها فأحسن أدبها وعلمها فأحسن تعليمها ثم أعتقها وتزوجها فله أجران وأيما رجل من أهل الكتاب آمن بنبيه وآمن بمحمد فله أجران وأيما عبد مملوك أدى حق الله عليه وحق مواليه فله أجران قال صالح قال الشعبي قد أعطيتكها بغير شيء إن كان الراكب ليركب فيما دونها إلى المدينة
সুনানে ইবনে মাজাহ > মনিবের অনুমতি ব্যতীত গোলামের বিবাহ করা ।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৫৯
حدثنا أزهر بن مروان حدثنا عبد الوارث بن سعيد حدثنا القاسم بن عبد الواحد عن عبد الله بن محمد بن عقيل عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا تزوج العبد بغير إذن سيده كان عاهرا
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, গোলাম তাঁর মনিবের অনুমতি ছাড়া বিবাহ করলে সে ব্যভিচারী। [১৯৫৯]
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, গোলাম তাঁর মনিবের অনুমতি ছাড়া বিবাহ করলে সে ব্যভিচারী। [১৯৫৯]
حدثنا أزهر بن مروان حدثنا عبد الوارث بن سعيد حدثنا القاسم بن عبد الواحد عن عبد الله بن محمد بن عقيل عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا تزوج العبد بغير إذن سيده كان عاهرا
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৬০
حدثنا محمد بن يحيى وصالح بن محمد بن يحيى بن سعيد قالا حدثنا أبو غسان مالك بن إسمعيل حدثنا مندل عن ابن جريج عن موسى بن عقبة عن نافع عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أيما عبد تزوج بغير إذن مواليه فهو زان
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে গোলামই তাঁর মনিবদের অনুমতি ছাড়া বিবাহ করে, সে যেনাকারী। [১৯৬০]
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে গোলামই তাঁর মনিবদের অনুমতি ছাড়া বিবাহ করে, সে যেনাকারী। [১৯৬০]
حدثنا محمد بن يحيى وصالح بن محمد بن يحيى بن سعيد قالا حدثنا أبو غسان مالك بن إسمعيل حدثنا مندل عن ابن جريج عن موسى بن عقبة عن نافع عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أيما عبد تزوج بغير إذن مواليه فهو زان
সুনানে ইবনে মাজাহ > মুতআ বিবাহ নিষিদ্ধ ।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৬১
حدثنا محمد بن يحيى حدثنا بشر بن عمر حدثنا مالك بن أنس عن ابن شهاب عن عبد الله والحسن ابني محمد بن علي عن أبيهما عن علي بن أبي طالب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن متعة النساء يوم خيبر وعن لحوم الحمر الإنسية
আলী বিন আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বার এলাকা বিজয়ের দিন মহিলাদের সাথে মুতআ (বিবাহ) করতে এবং গৃহপালিত গাধার গোসত খেতে নিষেধ করেছেন। [১৯৬১]
আলী বিন আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বার এলাকা বিজয়ের দিন মহিলাদের সাথে মুতআ (বিবাহ) করতে এবং গৃহপালিত গাধার গোসত খেতে নিষেধ করেছেন। [১৯৬১]
حدثنا محمد بن يحيى حدثنا بشر بن عمر حدثنا مالك بن أنس عن ابن شهاب عن عبد الله والحسن ابني محمد بن علي عن أبيهما عن علي بن أبي طالب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن متعة النساء يوم خيبر وعن لحوم الحمر الإنسية
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৬৩
حدثنا محمد بن خلف العسقلاني حدثنا الفريابي عن أبان بن أبي حازم عن أبي بكر بن حفص عن ابن عمر قال لما ولي عمر بن الخطاب خطب الناس فقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم أذن لنا في المتعة ثلاثا ثم حرمها والله لا أعلم أحدا يتمتع وهو محصن إلا رجمته بالحجارة إلا أن يأتيني بأربعة يشهدون أن رسول الله أحلها بعد إذ حرمها
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) খলীফা নির্বাচিত হওয়ার পর লোকেদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে মাত্র তিন দিন মুতআ বিবাহের অনুমতি দিয়েছিলেন। এরপর তিনি তা হারাম ঘোষণা করেন। আল্লাহ্র শপথ! আমি যদি কোন বিবাহিত পুরুষের ব্যাপারে জানতে পারি যে সে মুতআ বিবাহ করে তবে আমি প্রস্তরাঘাতে তাকে মৃত্যুদণ্ড দিবো। তবে সে যদি আমার সামনে চারজন সাক্ষী উপস্থিত করতে পারে, যারা সাক্ষ্য দিবে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুতআ বিবাহ হারাম ঘোষণার পর তা আবার হালাল করেছেন। [১৯৬৩]
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) খলীফা নির্বাচিত হওয়ার পর লোকেদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে মাত্র তিন দিন মুতআ বিবাহের অনুমতি দিয়েছিলেন। এরপর তিনি তা হারাম ঘোষণা করেন। আল্লাহ্র শপথ! আমি যদি কোন বিবাহিত পুরুষের ব্যাপারে জানতে পারি যে সে মুতআ বিবাহ করে তবে আমি প্রস্তরাঘাতে তাকে মৃত্যুদণ্ড দিবো। তবে সে যদি আমার সামনে চারজন সাক্ষী উপস্থিত করতে পারে, যারা সাক্ষ্য দিবে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুতআ বিবাহ হারাম ঘোষণার পর তা আবার হালাল করেছেন। [১৯৬৩]
حدثنا محمد بن خلف العسقلاني حدثنا الفريابي عن أبان بن أبي حازم عن أبي بكر بن حفص عن ابن عمر قال لما ولي عمر بن الخطاب خطب الناس فقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم أذن لنا في المتعة ثلاثا ثم حرمها والله لا أعلم أحدا يتمتع وهو محصن إلا رجمته بالحجارة إلا أن يأتيني بأربعة يشهدون أن رسول الله أحلها بعد إذ حرمها
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৬২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا عبدة بن سليمان عن عبد العزيز بن عمر عن الربيع بن سبرة عن أبيه قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع فقالوا يا رسول الله إن العزبة قد اشتدت علينا قال فاستمتعوا من هذه النساء فأتيناهن فأبين أن ينكحننا إلا أن نجعل بيننا وبينهن أجلا فذكروا ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال اجعلوا بينكم وبينهن أجلا فخرجت أنا وابن عم لي معه برد ومعي برد وبرده أجود من بردي وأنا أشب منه فأتينا على امرأة فقالت برد كبرد فتزوجتها فمكثت عندها تلك الليلة ثم غدوت ورسول الله صلى الله عليه وسلم قائم بين الركن والباب وهو يقول أيها الناس إني قد كنت أذنت لكم في الاستمتاع ألا وإن الله قد حرمها إلى يوم القيامة فمن كان عنده منهن شيء فليخل سبيلها ولا تأخذوا مما آتيتموهن شيئا
সাবরাহ বিন মা’বাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! স্ত্রীহীন অবস্থায় থাকা আমাদের জন্য কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেনঃ তাহলে তোমরা এসব মহিলার সাথে মুতআ করো (সাময়িকভাবে উপকৃত হও)। অতএব আমরা তাদের সান্নিধ্যে পৌঁছলাম, কিন্তু তারা আমাদের এবং তাদের মাঝে নির্দিষ্ট মেয়াদ নির্ধারণ ব্যতিত আমাদের সঙ্গে বিবাহ বসতে অস্বীকার করলো। সাহাবীগণ বিষয়টি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উল্লেখ করলে তিনি বলেনঃ তাহলে তোমাদের ও তাদের মাঝে মেয়াদ নির্দিষ্ট করে নাও। অতএব আমি ও আমার এক চাচাত ভাই (এই উদ্দেশে) বের হলাম। তাঁর সাথে ছিল একটি চাদর এবং আমার সাথেও ছিল একটি চাদর। তার চাদরটি ছিল আমার চাদর থেকে বেশি সুন্দর। আর আমি ছিলাম তার চাইতে অধিক যুবক। আমরা দু’জন এক নারীর নিকট আসলাম। সে বললো, চাদর দু’টি তো একই মানের। অতঃপর আমি তাকে বিবাহ করলাম এবং তার কাছেই ঐ রাত কাটালাম। ভোরে আমি ফিরে এলাম, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কা’বা ঘরের দরজা ও রুকনের মাঝখানে দাঁড়িয়ে বলছিলেনঃ হে লোক সকল! আমি তোমাদের মুতআ বিবাহের অনুমতি দিয়েছিলাম। এখন তোমরা শুনে নাও যে, আল্লাহ্ কিয়ামাত পর্যন্ত এই প্রকার বিবাহ হারাম করেছেন। অতএব তোমাদের কারো কাছে এ ধরণের কোন নারী থাকলে সে যেন তাকে ছেড়ে দেয় এবং তোমরা তাদেরকে যা কিছু দিয়েছো তা থেকে কিছুই ফেরত নিও না। [১৯৬২] তাহকীক আলবানীঃ (আরবি) শব্দ ছাড়া সহীহ, তবে সঠিক হলোঃ (আরবি)।
সাবরাহ বিন মা’বাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! স্ত্রীহীন অবস্থায় থাকা আমাদের জন্য কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেনঃ তাহলে তোমরা এসব মহিলার সাথে মুতআ করো (সাময়িকভাবে উপকৃত হও)। অতএব আমরা তাদের সান্নিধ্যে পৌঁছলাম, কিন্তু তারা আমাদের এবং তাদের মাঝে নির্দিষ্ট মেয়াদ নির্ধারণ ব্যতিত আমাদের সঙ্গে বিবাহ বসতে অস্বীকার করলো। সাহাবীগণ বিষয়টি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উল্লেখ করলে তিনি বলেনঃ তাহলে তোমাদের ও তাদের মাঝে মেয়াদ নির্দিষ্ট করে নাও। অতএব আমি ও আমার এক চাচাত ভাই (এই উদ্দেশে) বের হলাম। তাঁর সাথে ছিল একটি চাদর এবং আমার সাথেও ছিল একটি চাদর। তার চাদরটি ছিল আমার চাদর থেকে বেশি সুন্দর। আর আমি ছিলাম তার চাইতে অধিক যুবক। আমরা দু’জন এক নারীর নিকট আসলাম। সে বললো, চাদর দু’টি তো একই মানের। অতঃপর আমি তাকে বিবাহ করলাম এবং তার কাছেই ঐ রাত কাটালাম। ভোরে আমি ফিরে এলাম, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কা’বা ঘরের দরজা ও রুকনের মাঝখানে দাঁড়িয়ে বলছিলেনঃ হে লোক সকল! আমি তোমাদের মুতআ বিবাহের অনুমতি দিয়েছিলাম। এখন তোমরা শুনে নাও যে, আল্লাহ্ কিয়ামাত পর্যন্ত এই প্রকার বিবাহ হারাম করেছেন। অতএব তোমাদের কারো কাছে এ ধরণের কোন নারী থাকলে সে যেন তাকে ছেড়ে দেয় এবং তোমরা তাদেরকে যা কিছু দিয়েছো তা থেকে কিছুই ফেরত নিও না। [১৯৬২] তাহকীক আলবানীঃ (আরবি) শব্দ ছাড়া সহীহ, তবে সঠিক হলোঃ (আরবি)।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا عبدة بن سليمان عن عبد العزيز بن عمر عن الربيع بن سبرة عن أبيه قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع فقالوا يا رسول الله إن العزبة قد اشتدت علينا قال فاستمتعوا من هذه النساء فأتيناهن فأبين أن ينكحننا إلا أن نجعل بيننا وبينهن أجلا فذكروا ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال اجعلوا بينكم وبينهن أجلا فخرجت أنا وابن عم لي معه برد ومعي برد وبرده أجود من بردي وأنا أشب منه فأتينا على امرأة فقالت برد كبرد فتزوجتها فمكثت عندها تلك الليلة ثم غدوت ورسول الله صلى الله عليه وسلم قائم بين الركن والباب وهو يقول أيها الناس إني قد كنت أذنت لكم في الاستمتاع ألا وإن الله قد حرمها إلى يوم القيامة فمن كان عنده منهن شيء فليخل سبيلها ولا تأخذوا مما آتيتموهن شيئا