সুনানে ইবনে মাজাহ > দুধপানের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরের দুধপান সম্পর্কে।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৪৭
حدثنا محمد بن رمح المصري حدثنا عبد الله بن لهيعة عن يزيد بن أبي حبيب وعقيل عن ابن شهاب أخبرني أبو عبيدة بن عبد الله بن زمعة عن أمه زينب بنت أبي سلمة أنها أخبرته أن أزواج النبي صلى الله عليه وسلم كلهن خالفن عائشة وأبين أن يدخل عليهن أحد بمثل رضاعة سالم مولى أبي حذيفة وقلن وما يدرينا لعل ذلك كانت رخصة لسالم وحده.
যায়নাব বিনতু আবূ সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সকল স্ত্রী আয়িশা (রাঃ) -এর সাথে এ বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেন এবং তার মত প্রত্যাখান করেন যে, সালেমের মত বয়স্ক পুরুষ দুধপান করলে তাতে দুধপানজনিত নিষিদ্ধতা প্রতিষ্টিত হবে এবং সে তাদের নিকট প্রবেশ করতে পারবে (তাদের মতে তা কর্যকর হবে না)। তারা আরও বলেন, এটা হয়তো কেবল সালেমের একার জন্য প্রযোজ্য (খাস) ছিলো। [১৯৪৭]
যায়নাব বিনতু আবূ সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সকল স্ত্রী আয়িশা (রাঃ) -এর সাথে এ বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেন এবং তার মত প্রত্যাখান করেন যে, সালেমের মত বয়স্ক পুরুষ দুধপান করলে তাতে দুধপানজনিত নিষিদ্ধতা প্রতিষ্টিত হবে এবং সে তাদের নিকট প্রবেশ করতে পারবে (তাদের মতে তা কর্যকর হবে না)। তারা আরও বলেন, এটা হয়তো কেবল সালেমের একার জন্য প্রযোজ্য (খাস) ছিলো। [১৯৪৭]
حدثنا محمد بن رمح المصري حدثنا عبد الله بن لهيعة عن يزيد بن أبي حبيب وعقيل عن ابن شهاب أخبرني أبو عبيدة بن عبد الله بن زمعة عن أمه زينب بنت أبي سلمة أنها أخبرته أن أزواج النبي صلى الله عليه وسلم كلهن خالفن عائشة وأبين أن يدخل عليهن أحد بمثل رضاعة سالم مولى أبي حذيفة وقلن وما يدرينا لعل ذلك كانت رخصة لسالم وحده.
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৪৫
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا وكيع عن سفيان عن أشعث بن أبي الشعثاء عن أبيه عن مسروق عن عائشة أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل عليها وعندها رجل فقال من هذا قالت هذا أخي قال انظروا من تدخلن عليكن فإن الرضاعة من المجاعة
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার ঘরে প্রবেশ করেন, তখন তার নিকট এক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলো। তিনি জিজ্ঞেস করেনঃ এ ব্যক্তি কে? আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমার ভাই। তিনি বলেনঃ তোমরা লক্ষ্য রাখবে যে, কাকে তোমরা অন্দর মহলে প্রবেশ করাচ্ছো। কেননা সেই দুধপানই ধর্তব্য যা ক্ষুধা নিবারণ করে (অর্থাৎ দুগ্ধপোষ্য শিশুর দুধপানই ধর্তব্য)। [১৯৪৫]
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার ঘরে প্রবেশ করেন, তখন তার নিকট এক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলো। তিনি জিজ্ঞেস করেনঃ এ ব্যক্তি কে? আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমার ভাই। তিনি বলেনঃ তোমরা লক্ষ্য রাখবে যে, কাকে তোমরা অন্দর মহলে প্রবেশ করাচ্ছো। কেননা সেই দুধপানই ধর্তব্য যা ক্ষুধা নিবারণ করে (অর্থাৎ দুগ্ধপোষ্য শিশুর দুধপানই ধর্তব্য)। [১৯৪৫]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا وكيع عن سفيان عن أشعث بن أبي الشعثاء عن أبيه عن مسروق عن عائشة أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل عليها وعندها رجل فقال من هذا قالت هذا أخي قال انظروا من تدخلن عليكن فإن الرضاعة من المجاعة
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৪৬
حدثنا حرملة بن يحيى حدثنا عبد الله بن وهب أخبرني ابن لهيعة عن أبي الأسود عن عروة عن عبد الله بن الزبير أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال «لا رضاع إلا ما فتق الأمعاء».
আবদুল্লাহ ইবনুয যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, দুধপান সেটাই গ্রহণযোগ্য (যা খাদ্যনালী ভেদ করে) পাকস্থলী পূর্ণ করে (অর্থাৎ শিশুর দুধপানই ধর্তব্য)। [১৯৪৬]
আবদুল্লাহ ইবনুয যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, দুধপান সেটাই গ্রহণযোগ্য (যা খাদ্যনালী ভেদ করে) পাকস্থলী পূর্ণ করে (অর্থাৎ শিশুর দুধপানই ধর্তব্য)। [১৯৪৬]
حدثنا حرملة بن يحيى حدثنا عبد الله بن وهب أخبرني ابن لهيعة عن أبي الأسود عن عروة عن عبد الله بن الزبير أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال «لا رضاع إلا ما فتق الأمعاء».
সুনানে ইবনে মাজাহ > পুরুষের দুধ ।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৪৯
- حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا عبد الله بن نمير عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة قالت جاء عمي من الرضاعة يستأذن علي فأبيت أن آذن له فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم فليلج عليك عمك فقلت إنما أرضعتني المرأة ولم يرضعني الرجل قال إنه عمك فليلج عليك
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার দুধ সম্পর্কীয় চাচা আমার ভেতর বাড়িতে আসার অনুমতি চাইলেন, কিন্তু আমি তাকে অনুমতি দিতে অস্বীকার করলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমার চাচাকে তোমার নিকট আসার অনুমতি দাও। আমি বললাম, আমাকে তো স্ত্রীলোকটি দুধপান করিয়েছে, পুরুষ লোকটি তো দুধপান করায়নি! তিনি আবার বললেনঃ তাকে তোমার নিকট আসার অনুমতি দাও। [১৯৪৯]
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার দুধ সম্পর্কীয় চাচা আমার ভেতর বাড়িতে আসার অনুমতি চাইলেন, কিন্তু আমি তাকে অনুমতি দিতে অস্বীকার করলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমার চাচাকে তোমার নিকট আসার অনুমতি দাও। আমি বললাম, আমাকে তো স্ত্রীলোকটি দুধপান করিয়েছে, পুরুষ লোকটি তো দুধপান করায়নি! তিনি আবার বললেনঃ তাকে তোমার নিকট আসার অনুমতি দাও। [১৯৪৯]
- حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا عبد الله بن نمير عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة قالت جاء عمي من الرضاعة يستأذن علي فأبيت أن آذن له فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم فليلج عليك عمك فقلت إنما أرضعتني المرأة ولم يرضعني الرجل قال إنه عمك فليلج عليك
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৪৮
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا سفيان بن عيينة عن الزهري عن عروة عن عائشة قالت أتاني عمي من الرضاعة أفلح بن أبي قعيس يستأذن علي بعد ما ضرب الحجاب فأبيت أن آذن له حتى دخل علي النبي صلى الله عليه وسلم فقال إنه عمك فأذني له فقلت إنما أرضعتني المرأة ولم يرضعني الرجل قال تربت يداك أو يمينك
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার দুধ সম্পর্কীয় চাচা আফ্লাহ বিন আবূ কুআয়স পর্দার বিধান নাযিল হওয়ার পর ভেতর বাড়িতে আমার কাছে আসতে অনুমতি চাইলেন। কিন্তু আমি তাকে অনুমতি দিতে অস্বীকার করলাম। ইত্যবসরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এসে বলেনঃ সে তোমার চাচা তাকে আসতে অনুমতি দাও। আমি বললাম, আমাকে তো স্ত্রীলোকটি দুধপান করিয়েছে, পুরুষ লোকটি তো দুধপান করায়নি! তিনি বলেনঃ তোমার উভয় হাত বা তোমার ডান হাত ধুলি ধুসরিত হোক। [১৯৪৮]
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার দুধ সম্পর্কীয় চাচা আফ্লাহ বিন আবূ কুআয়স পর্দার বিধান নাযিল হওয়ার পর ভেতর বাড়িতে আমার কাছে আসতে অনুমতি চাইলেন। কিন্তু আমি তাকে অনুমতি দিতে অস্বীকার করলাম। ইত্যবসরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এসে বলেনঃ সে তোমার চাচা তাকে আসতে অনুমতি দাও। আমি বললাম, আমাকে তো স্ত্রীলোকটি দুধপান করিয়েছে, পুরুষ লোকটি তো দুধপান করায়নি! তিনি বলেনঃ তোমার উভয় হাত বা তোমার ডান হাত ধুলি ধুসরিত হোক। [১৯৪৮]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا سفيان بن عيينة عن الزهري عن عروة عن عائشة قالت أتاني عمي من الرضاعة أفلح بن أبي قعيس يستأذن علي بعد ما ضرب الحجاب فأبيت أن آذن له حتى دخل علي النبي صلى الله عليه وسلم فقال إنه عمك فأذني له فقلت إنما أرضعتني المرأة ولم يرضعني الرجل قال تربت يداك أو يمينك
সুনানে ইবনে মাজাহ > কারো বিবাহ বন্ধনে দু’ (সহোদর) বোন থাকা অবস্থায় সে ইসলাম গ্রহণ করলে।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৫০
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا عبد السلام بن حرب عن إسحق بن عبد الله بن أبي فروة عن أبي وهب الجيشاني عن أبي خراش الرعيني عن الديلمي قال قدمت على رسول الله صلى الله عليه وسلم وعندي أختان تزوجتهما في الجاهلية فقال إذا رجعت فطلق إحداهما
আদ-দায়লামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উপস্থিত হলাম। তখন আমার নিকট দু’ (সহোদর) বোন ছিলো, যাদেরকে আমি জাহিলী যুগে একত্রে বিবাহ করেছিলাম। তিনি বলেনঃ তুমি ফিরে গিয়ে তাদের একজনকে তালাক দিয়ে পৃথক করে দাও। [১৯৫০]
আদ-দায়লামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উপস্থিত হলাম। তখন আমার নিকট দু’ (সহোদর) বোন ছিলো, যাদেরকে আমি জাহিলী যুগে একত্রে বিবাহ করেছিলাম। তিনি বলেনঃ তুমি ফিরে গিয়ে তাদের একজনকে তালাক দিয়ে পৃথক করে দাও। [১৯৫০]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا عبد السلام بن حرب عن إسحق بن عبد الله بن أبي فروة عن أبي وهب الجيشاني عن أبي خراش الرعيني عن الديلمي قال قدمت على رسول الله صلى الله عليه وسلم وعندي أختان تزوجتهما في الجاهلية فقال إذا رجعت فطلق إحداهما
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৫১
حدثنا يونس بن عبد الأعلى حدثنا ابن وهب أخبرني ابن لهيعة عن أبي وهب الجيشاني حدثه أنه سمع الضحاك بن فيروز الديلمي يحدث عن أبيه قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله إني أسلمت وتحتي أختان قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لي طلق أيتهما شئت
ফায়রূয আদ-দায়লামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি ইসলাম গ্রহণ করেছি এবং আমার বিবাহে দু’ (সহোদর) বোন রয়েছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেনঃ তোমার ইচ্ছেমত এদের একজনকে তালাক দিয়ে পৃথক করে দাও। [১৯৫১]
ফায়রূয আদ-দায়লামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি ইসলাম গ্রহণ করেছি এবং আমার বিবাহে দু’ (সহোদর) বোন রয়েছে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেনঃ তোমার ইচ্ছেমত এদের একজনকে তালাক দিয়ে পৃথক করে দাও। [১৯৫১]
حدثنا يونس بن عبد الأعلى حدثنا ابن وهب أخبرني ابن لهيعة عن أبي وهب الجيشاني حدثه أنه سمع الضحاك بن فيروز الديلمي يحدث عن أبيه قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله إني أسلمت وتحتي أختان قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لي طلق أيتهما شئت
সুনানে ইবনে মাজাহ > চারের অধিক সংখ্যক স্ত্রী থাকা অবস্থায় কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে ।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৫২
حدثنا أحمد بن إبراهيم الدورقي حدثنا هشيم عن ابن أبي ليلى عن حميضة بنت الشمردل عن قيس بن الحارث قال أسلمت وعندي ثمان نسوة فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت ذلك له فقال اختر منهن أربعا
কায়স ইবনুল হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইসলাম গ্রহণ করলাম এবং তখন আমার আটজন স্ত্রী ছিল। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উপস্থিত হয়ে বিষয়টি তাঁকে জানালাম। তিনি বলেনঃ তাদের মধ্যে তোমার পছন্দমত চারজনকে রেখে দাও। [১৯৫২]
কায়স ইবনুল হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইসলাম গ্রহণ করলাম এবং তখন আমার আটজন স্ত্রী ছিল। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উপস্থিত হয়ে বিষয়টি তাঁকে জানালাম। তিনি বলেনঃ তাদের মধ্যে তোমার পছন্দমত চারজনকে রেখে দাও। [১৯৫২]
حدثنا أحمد بن إبراهيم الدورقي حدثنا هشيم عن ابن أبي ليلى عن حميضة بنت الشمردل عن قيس بن الحارث قال أسلمت وعندي ثمان نسوة فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت ذلك له فقال اختر منهن أربعا
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৫২
حدثنا أحمد بن إبراهيم الدورقي حدثنا هشيم عن ابن أبي ليلى عن حميضة بنت الشمردل عن قيس بن الحارث قال أسلمت وعندي ثمان نسوة فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت ذلك له فقال اختر منهن أربعا
কায়স ইবনুল হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইসলাম গ্রহণ করলাম এবং তখন আমার আটজন স্ত্রী ছিল। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উপস্থিত হয়ে বিষয়টি তাঁকে জানালাম। তিনি বলেনঃ তাদের মধ্যে তোমার পছন্দমত চারজনকে রেখে দাও। [১৯৫২]
কায়স ইবনুল হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইসলাম গ্রহণ করলাম এবং তখন আমার আটজন স্ত্রী ছিল। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উপস্থিত হয়ে বিষয়টি তাঁকে জানালাম। তিনি বলেনঃ তাদের মধ্যে তোমার পছন্দমত চারজনকে রেখে দাও। [১৯৫২]
حدثنا أحمد بن إبراهيم الدورقي حدثنا هشيم عن ابن أبي ليلى عن حميضة بنت الشمردل عن قيس بن الحارث قال أسلمت وعندي ثمان نسوة فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت ذلك له فقال اختر منهن أربعا
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৫২
حدثنا أحمد بن إبراهيم الدورقي حدثنا هشيم عن ابن أبي ليلى عن حميضة بنت الشمردل عن قيس بن الحارث قال أسلمت وعندي ثمان نسوة فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت ذلك له فقال اختر منهن أربعا
কায়স ইবনুল হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইসলাম গ্রহণ করলাম এবং তখন আমার আটজন স্ত্রী ছিল। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উপস্থিত হয়ে বিষয়টি তাঁকে জানালাম। তিনি বলেনঃ তাদের মধ্যে তোমার পছন্দমত চারজনকে রেখে দাও। [১৯৫২]
কায়স ইবনুল হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইসলাম গ্রহণ করলাম এবং তখন আমার আটজন স্ত্রী ছিল। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উপস্থিত হয়ে বিষয়টি তাঁকে জানালাম। তিনি বলেনঃ তাদের মধ্যে তোমার পছন্দমত চারজনকে রেখে দাও। [১৯৫২]
حدثنا أحمد بن إبراهيم الدورقي حدثنا هشيم عن ابن أبي ليلى عن حميضة بنت الشمردل عن قيس بن الحارث قال أسلمت وعندي ثمان نسوة فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت ذلك له فقال اختر منهن أربعا
সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৫৩
حدثنا يحيى بن حكيم حدثنا محمد بن جعفر حدثنا معمر عن الزهري عن سالم عن ابن عمر قال أسلم غيلان بن سلمة وتحته عشر نسوة فقال له النبي صلى الله عليه وسلم خذ منهن أربعا
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, গায়লান বিন সালামাহ যখন ইসলাম গ্রহণ করেন, তখন তার দশজন স্ত্রী ছিলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বলেনঃ তুমি তাদের মধ্যে চারজনকে রাখো। [১৯৫৩]
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, গায়লান বিন সালামাহ যখন ইসলাম গ্রহণ করেন, তখন তার দশজন স্ত্রী ছিলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বলেনঃ তুমি তাদের মধ্যে চারজনকে রাখো। [১৯৫৩]
حدثنا يحيى بن حكيم حدثنا محمد بن جعفر حدثنا معمر عن الزهري عن سالم عن ابن عمر قال أسلم غيلان بن سلمة وتحته عشر نسوة فقال له النبي صلى الله عليه وسلم خذ منهن أربعا