সুনানে ইবনে মাজাহ > যাকাত আদায়কারী কম বয়সী অথবা বেশি বয়সী পশু গ্রহণ করলে। [আবূ বাক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)-এর পত্র]।

সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮০০

حدثنا محمد بن بشار ومحمد بن يحيى ومحمد بن مرزوق قالوا حدثنا محمد بن عبد الله بن المثنى حدثني أبي عن ثمامة حدثني أنس بن مالك «أن أبا بكر الصديق كتب له بسم الله الرحمن الرحيم هذه فريضة الصدقة التي فرض رسول الله صلى الله عليه وسلم على المسلمين التي أمر الله عز وجل بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فإن من أسنان الإبل في فرائض الغنم من بلغت عنده من الإبل صدقة الجذعة وليس عنده جذعة وعنده حقة فإنها تقبل منه الحقة ويجعل مكانها شاتين إن استيسرتا أو عشرين درهما ومن بلغت عنده صدقة الحقة وليست عنده إلا بنت لبون فإنها تقبل منه بنت لبون ويعطي معها شاتين أو عشرين درهما ومن بلغت صدقته بنت لبون وليست عنده وعنده حقة فإنها تقبل منه الحقة ويعطيه المصدق عشرين درهما أو شاتين ومن بلغت صدقته بنت لبون وليست عنده وعنده بنت مخاض فإنها تقبل منه ابنة مخاض ويعطي معها عشرين درهما أو شاتين ومن بلغت صدقته بنت مخاض وليست عنده وعنده ابنة لبون فإنها تقبل منه بنت لبون ويعطيه المصدق عشرين درهما أو شاتين فمن لم يكن عنده ابنة مخاض على وجهها وعنده ابن لبون ذكر فإنه يقبل منه وليس معه شيء».

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বকর (রাঃ) তাকে লিখে পাঠানঃ বিসমিল্লাহির রহ্‌মানির রাহীম। এটি যাকাতের বিধান, যা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্‌র নির্দেশে মুসলমানদের জন্য ফরয করেছেন। উটের যত সংখ্যকে (যাকাত বাবদ) বকরী প্রদান করতে হয়, তারপর থেকে তার নিকট একটি জাযাআহ যাকাত বাবদ প্রদানের সম-সংখ্যক উট আছে, কিন্তু জাযাআহ নাই, তবে হিক্কাহ্‌ আছে, তার নিকট থেকে হিক্কাহ্‌ গ্রহণ করা হবে, উপরন্তু সহজলভ্য্ হলে তার থেকে দু’টি বকরী অথবা বিশ দিরহাম নেয়া হবে। যার উটের সংখ্যা একটি হিক্কাহ্‌ প্রদানের পর্যায়ে পৌঁছেছে, কিন্তু তার নিকট হিক্কাহ্‌ নাই, তবে বিনতু লাবূন আছে, তার নিকট থেকে (যাকাত স্বরূপ) বিনতু লাবূন গ্রহণ করা হবে, উপরন্তু তার থেকে সহজলভ্য হলে দু’টি বকরী অথবা বিশ দিরহাম আদায় করা হবে। যার উটের সংখ্যা একটি বিনতু লাবূন প্রদানের পর্যায়ে পৌঁছেছে, কিন্তু তার নিকট বিনতু লাবূন নাই, তবে হিক্কাহ্‌ আছে, তার নিকট থেকে হিক্কাহ্‌ গ্রহণ করা হবে এবং যাকাত উসূলকারী তাকে দু’টি বকরী অথবা বিশ দিরহাম প্রদান করবে। যার যাকাত বিনতু লাবূন প্রদানের পর্যায়ে পৌঁছেছে কিন্তু তার নিকট বিনতু লাবূন নাই, তবে বিনতু মাখাদ আছে, তার থেকে বিনতু মাখাদ গ্রহণ করা হবে, উপরন্তু তার থেকে দু’টি বকরী অথবা বিশ দিরহাম উসূল করা হবে। যার যাকাত বিনতু মাখাদ প্রদানের পর্যায়ে পৌঁছেছে, কিন্তু তার নিকট বিনতু মাখাদ নাই, তবে বিনতু লাবূন আছে, তার থেকে বিনতু লাবূন গ্রহণ করা হবে এবং যাকাত উসূলকারী তাকে দু’টি বকরী অথবা বিশ দিরহাম ফেরত দিবে। বিনতু মাখাদ ফরয হওয়ার ক্ষেত্রে তা না থাকলে এবং বিনতু লাবূন থাকলে তাই গ্রহণ করা হবে এবং যাকাতদাতাকে অতিরিক্ত কিছু দিতে হবে না। [১৮০০]

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বকর (রাঃ) তাকে লিখে পাঠানঃ বিসমিল্লাহির রহ্‌মানির রাহীম। এটি যাকাতের বিধান, যা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্‌র নির্দেশে মুসলমানদের জন্য ফরয করেছেন। উটের যত সংখ্যকে (যাকাত বাবদ) বকরী প্রদান করতে হয়, তারপর থেকে তার নিকট একটি জাযাআহ যাকাত বাবদ প্রদানের সম-সংখ্যক উট আছে, কিন্তু জাযাআহ নাই, তবে হিক্কাহ্‌ আছে, তার নিকট থেকে হিক্কাহ্‌ গ্রহণ করা হবে, উপরন্তু সহজলভ্য্ হলে তার থেকে দু’টি বকরী অথবা বিশ দিরহাম নেয়া হবে। যার উটের সংখ্যা একটি হিক্কাহ্‌ প্রদানের পর্যায়ে পৌঁছেছে, কিন্তু তার নিকট হিক্কাহ্‌ নাই, তবে বিনতু লাবূন আছে, তার নিকট থেকে (যাকাত স্বরূপ) বিনতু লাবূন গ্রহণ করা হবে, উপরন্তু তার থেকে সহজলভ্য হলে দু’টি বকরী অথবা বিশ দিরহাম আদায় করা হবে। যার উটের সংখ্যা একটি বিনতু লাবূন প্রদানের পর্যায়ে পৌঁছেছে, কিন্তু তার নিকট বিনতু লাবূন নাই, তবে হিক্কাহ্‌ আছে, তার নিকট থেকে হিক্কাহ্‌ গ্রহণ করা হবে এবং যাকাত উসূলকারী তাকে দু’টি বকরী অথবা বিশ দিরহাম প্রদান করবে। যার যাকাত বিনতু লাবূন প্রদানের পর্যায়ে পৌঁছেছে কিন্তু তার নিকট বিনতু লাবূন নাই, তবে বিনতু মাখাদ আছে, তার থেকে বিনতু মাখাদ গ্রহণ করা হবে, উপরন্তু তার থেকে দু’টি বকরী অথবা বিশ দিরহাম উসূল করা হবে। যার যাকাত বিনতু মাখাদ প্রদানের পর্যায়ে পৌঁছেছে, কিন্তু তার নিকট বিনতু মাখাদ নাই, তবে বিনতু লাবূন আছে, তার থেকে বিনতু লাবূন গ্রহণ করা হবে এবং যাকাত উসূলকারী তাকে দু’টি বকরী অথবা বিশ দিরহাম ফেরত দিবে। বিনতু মাখাদ ফরয হওয়ার ক্ষেত্রে তা না থাকলে এবং বিনতু লাবূন থাকলে তাই গ্রহণ করা হবে এবং যাকাতদাতাকে অতিরিক্ত কিছু দিতে হবে না। [১৮০০]

حدثنا محمد بن بشار ومحمد بن يحيى ومحمد بن مرزوق قالوا حدثنا محمد بن عبد الله بن المثنى حدثني أبي عن ثمامة حدثني أنس بن مالك «أن أبا بكر الصديق كتب له بسم الله الرحمن الرحيم هذه فريضة الصدقة التي فرض رسول الله صلى الله عليه وسلم على المسلمين التي أمر الله عز وجل بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فإن من أسنان الإبل في فرائض الغنم من بلغت عنده من الإبل صدقة الجذعة وليس عنده جذعة وعنده حقة فإنها تقبل منه الحقة ويجعل مكانها شاتين إن استيسرتا أو عشرين درهما ومن بلغت عنده صدقة الحقة وليست عنده إلا بنت لبون فإنها تقبل منه بنت لبون ويعطي معها شاتين أو عشرين درهما ومن بلغت صدقته بنت لبون وليست عنده وعنده حقة فإنها تقبل منه الحقة ويعطيه المصدق عشرين درهما أو شاتين ومن بلغت صدقته بنت لبون وليست عنده وعنده بنت مخاض فإنها تقبل منه ابنة مخاض ويعطي معها عشرين درهما أو شاتين ومن بلغت صدقته بنت مخاض وليست عنده وعنده ابنة لبون فإنها تقبل منه بنت لبون ويعطيه المصدق عشرين درهما أو شاتين فمن لم يكن عنده ابنة مخاض على وجهها وعنده ابن لبون ذكر فإنه يقبل منه وليس معه شيء».


সুনানে ইবনে মাজাহ > যাকাত আদায়কারী যে ধরনের উট গ্রহণ করবে।

সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮০২

حدثنا علي بن محمد حدثنا وكيع عن إسرائيل عن جابر عن عامر عن جرير بن عبد الله قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يرجع المصدق إلا عن رضا

জারীর বিন আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যাকাত আদায়কারী যেন সন্তুষ্ট চিত্তে ফিরে আসে। [১৮০২]

জারীর বিন আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যাকাত আদায়কারী যেন সন্তুষ্ট চিত্তে ফিরে আসে। [১৮০২]

حدثنا علي بن محمد حدثنا وكيع عن إسرائيل عن جابر عن عامر عن جرير بن عبد الله قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يرجع المصدق إلا عن رضا


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮০১

حدثنا علي بن محمد حدثنا وكيع حدثنا شريك عن عثمان الثقفي عن أبي ليلى الكندي عن سويد بن غفلة قال جاءنا مصدق النبي صلى الله عليه وسلم فأخذت بيده وقرأت في عهده لا يجمع بين متفرق ولا يفرق بين مجتمع خشية الصدقة فأتاه رجل بناقة عظيمة ململمة فأبى أن يأخذها فأتاه بأخرى دونها فأخذها وقال أي أرض تقلني وأي سماء تظلني إذا أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد أخذت خيار إبل رجل مسلم

ইসমু মুবহাম বা নাম অজ্ঞাত থেকে বর্নিতঃ

যাকাত আদায়কারী কর্মচারী আমাদের নিকট আসলে আমি তার হাত ধরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এই নির্দেশ পাঠ করে শুনালামঃ “যাকাতের ভয়ে বিচ্ছিন্ন মালকে একত্র করা এবং একত্রিত মালকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না”। ইতোমধ্যে এক ব্যক্তি তার একটি বিরাট ও মোটাতাজা উষ্ট্রী নিয়ে আসলে তিনি তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। এরপর লোকটি আগেরটির চাইতে কম হৃষ্টপুষ্ট উট নিয়ে আসলে তিনি তা গ্রহণ করেন এবং বলেন, কোন্‌ মাটি আমাকে বহন করবে এবং কোন্‌ আকাশ আমাকে ছায়া দান করবে, যখন আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কোন মুসলিম ব্যক্তির উৎকৃষ্ট উট নিয়ে হাজির হবো। [১৮০১]

ইসমু মুবহাম বা নাম অজ্ঞাত থেকে বর্নিতঃ

যাকাত আদায়কারী কর্মচারী আমাদের নিকট আসলে আমি তার হাত ধরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এই নির্দেশ পাঠ করে শুনালামঃ “যাকাতের ভয়ে বিচ্ছিন্ন মালকে একত্র করা এবং একত্রিত মালকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না”। ইতোমধ্যে এক ব্যক্তি তার একটি বিরাট ও মোটাতাজা উষ্ট্রী নিয়ে আসলে তিনি তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। এরপর লোকটি আগেরটির চাইতে কম হৃষ্টপুষ্ট উট নিয়ে আসলে তিনি তা গ্রহণ করেন এবং বলেন, কোন্‌ মাটি আমাকে বহন করবে এবং কোন্‌ আকাশ আমাকে ছায়া দান করবে, যখন আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কোন মুসলিম ব্যক্তির উৎকৃষ্ট উট নিয়ে হাজির হবো। [১৮০১]

حدثنا علي بن محمد حدثنا وكيع حدثنا شريك عن عثمان الثقفي عن أبي ليلى الكندي عن سويد بن غفلة قال جاءنا مصدق النبي صلى الله عليه وسلم فأخذت بيده وقرأت في عهده لا يجمع بين متفرق ولا يفرق بين مجتمع خشية الصدقة فأتاه رجل بناقة عظيمة ململمة فأبى أن يأخذها فأتاه بأخرى دونها فأخذها وقال أي أرض تقلني وأي سماء تظلني إذا أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد أخذت خيار إبل رجل مسلم


সুনানে ইবনে মাজাহ > গরু-মহিষের যাকাত।

সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮০৩

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير حدثنا يحيى بن عيسى الرملي حدثنا الأعمش عن شقيق عن مسروق عن معاذ بن جبل قال بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى اليمن وأمرني أن آخذ من البقر من كل أربعين مسنة ومن كل ثلاثين تبيعا أو تبيعة

মুআয বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ইয়ামন পাঠালেন এবং আমাকে নির্দেশ দেন যে, আমি যেন প্রতি চল্লিশ গরুতে পূর্ণ দু’ বছর বয়সের একটি মাদী বাছুর এবং প্রতি ত্রিশ গরুতে একটি নর বা মাদী বাছুর গ্রহণ করি। [১৮০৩]

মুআয বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ইয়ামন পাঠালেন এবং আমাকে নির্দেশ দেন যে, আমি যেন প্রতি চল্লিশ গরুতে পূর্ণ দু’ বছর বয়সের একটি মাদী বাছুর এবং প্রতি ত্রিশ গরুতে একটি নর বা মাদী বাছুর গ্রহণ করি। [১৮০৩]

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير حدثنا يحيى بن عيسى الرملي حدثنا الأعمش عن شقيق عن مسروق عن معاذ بن جبل قال بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى اليمن وأمرني أن آخذ من البقر من كل أربعين مسنة ومن كل ثلاثين تبيعا أو تبيعة


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮০৪

حدثنا سفيان بن وكيع حدثنا عبد السلام بن حرب عن خصيف عن أبي عبيدة عن عبد الله أن النبي صلى الله عليه وسلم قال في ثلاثين من البقر تبيع أو تبيعة وفي أربعين مسنة

আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, প্রতি ত্রিশ গরুতে পূর্ণ এক বছর বয়সের একটি নর বা মাদী এবং প্রতি চল্লিশটিতে পূর্ণ দু’ বছর বয়সের একটি মাদী বাছুর (যাকাত বাবদ আদায় করতে হবে)। [১৮০৪]

আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, প্রতি ত্রিশ গরুতে পূর্ণ এক বছর বয়সের একটি নর বা মাদী এবং প্রতি চল্লিশটিতে পূর্ণ দু’ বছর বয়সের একটি মাদী বাছুর (যাকাত বাবদ আদায় করতে হবে)। [১৮০৪]

حدثنا سفيان بن وكيع حدثنا عبد السلام بن حرب عن خصيف عن أبي عبيدة عن عبد الله أن النبي صلى الله عليه وسلم قال في ثلاثين من البقر تبيع أو تبيعة وفي أربعين مسنة


সুনানে ইবনে মাজাহ > ছাগল-ভেড়ার যাকাত।

সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮০৬

حدثنا أبو بدر عباد بن الوليد حدثنا محمد بن الفضل حدثنا ابن المبارك عن أسامة بن زيد عن أبيه عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم تؤخذ صدقات المسلمين على مياههم

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলমানদের পশুর যাকাত তাদের পানি পানের স্থান থেকে গ্রহণ করতে হবে। [১৮০৬]

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলমানদের পশুর যাকাত তাদের পানি পানের স্থান থেকে গ্রহণ করতে হবে। [১৮০৬]

حدثنا أبو بدر عباد بن الوليد حدثنا محمد بن الفضل حدثنا ابن المبارك عن أسامة بن زيد عن أبيه عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم تؤخذ صدقات المسلمين على مياههم


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮০৬

حدثنا أبو بدر عباد بن الوليد حدثنا محمد بن الفضل حدثنا ابن المبارك عن أسامة بن زيد عن أبيه عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم تؤخذ صدقات المسلمين على مياههم

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলমানদের পশুর যাকাত তাদের পানি পানের স্থান থেকে গ্রহণ করতে হবে। [১৮০৬]

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলমানদের পশুর যাকাত তাদের পানি পানের স্থান থেকে গ্রহণ করতে হবে। [১৮০৬]

حدثنا أبو بدر عباد بن الوليد حدثنا محمد بن الفضل حدثنا ابن المبارك عن أسامة بن زيد عن أبيه عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم تؤخذ صدقات المسلمين على مياههم


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮০৬

حدثنا أبو بدر عباد بن الوليد حدثنا محمد بن الفضل حدثنا ابن المبارك عن أسامة بن زيد عن أبيه عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم تؤخذ صدقات المسلمين على مياههم

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলমানদের পশুর যাকাত তাদের পানি পানের স্থান থেকে গ্রহণ করতে হবে। [১৮০৬]

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলমানদের পশুর যাকাত তাদের পানি পানের স্থান থেকে গ্রহণ করতে হবে। [১৮০৬]

حدثنا أبو بدر عباد بن الوليد حدثنا محمد بن الفضل حدثنا ابن المبارك عن أسامة بن زيد عن أبيه عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم تؤخذ صدقات المسلمين على مياههم


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮০৫

حدثنا بكر بن خلف حدثنا عبد الرحمن بن مهدي حدثنا سليمان بن كثير حدثنا ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن أبيه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أقرأني سالم كتابا كتبه رسول الله صلى الله عليه وسلم في الصدقات قبل أن يتوفاه الله عز وجل فوجدت فيه في أربعين شاة شاة إلى عشرين ومائة فإذا زادت واحدة ففيها شاتان إلى مائتين فإن زادت واحدة ففيها ثلاث شياه إلى ثلاث مائة فإذا كثرت ففي كل مائة شاة ووجدت فيه لا يجمع بين متفرق ولا يفرق بين مجتمع ووجدت فيه لا يؤخذ في الصدقة تيس ولا هرمة ولا ذات عوار

আবদুল্লাহ্‌ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

অধস্তন রাবী ইবনু শিহাব বলেন, সালিম (রহঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃক তাঁর ইন্তিকালের আগে যাকাত সম্পর্কে লিখিত পত্র আমাকে পড়ে শুনান। এতে আমি দেখতে পেলাম যে, চল্লিশ থেকে এক শত বিশ পর্যন্ত বকরীর যাকাত একটি বকরী। এক শত একুশ থেকে দু’ শত পর্যন্ত বকরীর যাকাত দু’টি বকরী। দু’ শত এক থেকে তিন শত পর্যন্ত বকরীর যাকাত তিনটি বকরী। বকরীর সংখ্যা এর চেয়ে অধিক হলে প্রতি এক শত বকরীতে একটি বকরী। আমি উক্ত পত্রে আরো দেখতে পেলাম যে, বিচ্ছিন্নকে একত্র এবং একত্রকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। আমি এতে আরও দেখতে পেলাম যে, পাঁঠা, অতি বৃদ্ধ ও ক্রুটিযুক্ত পশু যাকাত বাবদ গ্রহণ করা যাবে না। [১৮০৫]

আবদুল্লাহ্‌ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

অধস্তন রাবী ইবনু শিহাব বলেন, সালিম (রহঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃক তাঁর ইন্তিকালের আগে যাকাত সম্পর্কে লিখিত পত্র আমাকে পড়ে শুনান। এতে আমি দেখতে পেলাম যে, চল্লিশ থেকে এক শত বিশ পর্যন্ত বকরীর যাকাত একটি বকরী। এক শত একুশ থেকে দু’ শত পর্যন্ত বকরীর যাকাত দু’টি বকরী। দু’ শত এক থেকে তিন শত পর্যন্ত বকরীর যাকাত তিনটি বকরী। বকরীর সংখ্যা এর চেয়ে অধিক হলে প্রতি এক শত বকরীতে একটি বকরী। আমি উক্ত পত্রে আরো দেখতে পেলাম যে, বিচ্ছিন্নকে একত্র এবং একত্রকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। আমি এতে আরও দেখতে পেলাম যে, পাঁঠা, অতি বৃদ্ধ ও ক্রুটিযুক্ত পশু যাকাত বাবদ গ্রহণ করা যাবে না। [১৮০৫]

حدثنا بكر بن خلف حدثنا عبد الرحمن بن مهدي حدثنا سليمان بن كثير حدثنا ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن أبيه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أقرأني سالم كتابا كتبه رسول الله صلى الله عليه وسلم في الصدقات قبل أن يتوفاه الله عز وجل فوجدت فيه في أربعين شاة شاة إلى عشرين ومائة فإذا زادت واحدة ففيها شاتان إلى مائتين فإن زادت واحدة ففيها ثلاث شياه إلى ثلاث مائة فإذا كثرت ففي كل مائة شاة ووجدت فيه لا يجمع بين متفرق ولا يفرق بين مجتمع ووجدت فيه لا يؤخذ في الصدقة تيس ولا هرمة ولا ذات عوار


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮০৭

حدثنا أحمد بن عثمان بن حكيم الأودي حدثنا أبو نعيم حدثنا عبد السلام بن حرب عن يزيد بن عبد الرحمن عن أبي هند عن نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم في أربعين شاة شاة إلى عشرين ومائة فإذا زادت واحدة ففيها شاتان إلى مائتين فإن زادت واحدة ففيها ثلاث شياه إلى ثلاث مائة فإن زادت ففي كل مائة شاة لا يفرق بين مجتمع ولا يجمع بين متفرق خشية الصدقة وكل خليطين يتراجعان بالسوية وليس للمصدق هرمة ولا ذات عوار ولا تيس إلا أن يشاء المصدق

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, চল্লিশ থেকে এক শত বিশ পর্যন্ত বকরীর যাকাত একটি বকরী। এক শত একুশ থেকে দু’ শত পর্যন্ত বকরীর যাকাত দু’ টি বকরী এবং দু’ শত এক থেকে তিন শত পর্যন্ত বকরীর যাকাত তিনটি বকরী। বকরীর সংখ্যা তার অধিক হলে প্রতি এক শত বকরীতে একটি বকরী যাকাত ধার্য হবে। যাকাত ফরয হওয়ার আশঙ্কায় একত্রকে বিচ্ছিন্ন এবং বিচ্ছিন্নকে একত্র করা যাবে না। শরীকানা মালের যাকাত আদায়ের বেলায় কারো অংশ থেকে অতিরিক্ত গ্রহণ করা হলে, সে অপর শরীকের অংশ থেকে তা ফেরত পাবে। যাকাত আদায়কারীকে অতি বৃদ্ধ, ত্রুটিযুক্ত বা অন্ধ ও নর পশু দেয়া যাবে না, তবে যাকাত আদায়কারী ইচ্ছা করলে তা গ্রহণ করতে পারে। [১৮০৭]

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, চল্লিশ থেকে এক শত বিশ পর্যন্ত বকরীর যাকাত একটি বকরী। এক শত একুশ থেকে দু’ শত পর্যন্ত বকরীর যাকাত দু’ টি বকরী এবং দু’ শত এক থেকে তিন শত পর্যন্ত বকরীর যাকাত তিনটি বকরী। বকরীর সংখ্যা তার অধিক হলে প্রতি এক শত বকরীতে একটি বকরী যাকাত ধার্য হবে। যাকাত ফরয হওয়ার আশঙ্কায় একত্রকে বিচ্ছিন্ন এবং বিচ্ছিন্নকে একত্র করা যাবে না। শরীকানা মালের যাকাত আদায়ের বেলায় কারো অংশ থেকে অতিরিক্ত গ্রহণ করা হলে, সে অপর শরীকের অংশ থেকে তা ফেরত পাবে। যাকাত আদায়কারীকে অতি বৃদ্ধ, ত্রুটিযুক্ত বা অন্ধ ও নর পশু দেয়া যাবে না, তবে যাকাত আদায়কারী ইচ্ছা করলে তা গ্রহণ করতে পারে। [১৮০৭]

حدثنا أحمد بن عثمان بن حكيم الأودي حدثنا أبو نعيم حدثنا عبد السلام بن حرب عن يزيد بن عبد الرحمن عن أبي هند عن نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم في أربعين شاة شاة إلى عشرين ومائة فإذا زادت واحدة ففيها شاتان إلى مائتين فإن زادت واحدة ففيها ثلاث شياه إلى ثلاث مائة فإن زادت ففي كل مائة شاة لا يفرق بين مجتمع ولا يجمع بين متفرق خشية الصدقة وكل خليطين يتراجعان بالسوية وليس للمصدق هرمة ولا ذات عوار ولا تيس إلا أن يشاء المصدق


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00