সুনানে ইবনে মাজাহ > বাইতুল মাকদিস মাসজিদে সালাত পড়ার ফাযীলাত।

সুনানে ইবনে মাজাহ ১৪০৮

حدثنا عبيد الله بن الجهم الأنماطي، حدثنا أيوب بن سويد، عن أبي زرعة السيباني، يحيى بن أبي عمرو حدثنا عبد الله بن الديلمي، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏"‏ لما فرغ سليمان بن داود من بناء بيت المقدس سأل الله ثلاثا حكما يصادف حكمه وملكا لا ينبغي لأحد من بعده وألا يأتي هذا المسجد أحد لا يريد إلا الصلاة فيه إلا خرج من ذنوبه كيوم ولدته أمه ‏"‏ ‏.‏ فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ أما اثنتان فقد أعطيهما وأرجو أن يكون قد أعطي الثالثة ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ বিন আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সুলায়মান বিন দাঊদ (আঃ) বায়তুল মাকদিসের নির্মাণ কাজ শেষ করে আল্লাহর কাছে তিনটি বিষয় প্রার্থনা করেন, আল্লাহ্‌র হুকুমমত সুবিচার, এমন রাজত্ব যা তার পরে আর কাউকে দেয়া হবে না এবং যে ব্যক্তি বাইতুল মাকদিসে কেবলমাত্র সালাত পড়ার জন্য আসবে, তার গুনাহ যেন তার থেকে বের হয়ে যায় তার মা তাকে প্রসব করার দিনের মত। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, প্রথম দু’টি তাঁকে দান করা হয়েছে, এবং আমি আশা করি তৃতীয়টিও তাঁকে দান করা হবে। [১৪০৮]

আবদুল্লাহ বিন আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সুলায়মান বিন দাঊদ (আঃ) বায়তুল মাকদিসের নির্মাণ কাজ শেষ করে আল্লাহর কাছে তিনটি বিষয় প্রার্থনা করেন, আল্লাহ্‌র হুকুমমত সুবিচার, এমন রাজত্ব যা তার পরে আর কাউকে দেয়া হবে না এবং যে ব্যক্তি বাইতুল মাকদিসে কেবলমাত্র সালাত পড়ার জন্য আসবে, তার গুনাহ যেন তার থেকে বের হয়ে যায় তার মা তাকে প্রসব করার দিনের মত। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, প্রথম দু’টি তাঁকে দান করা হয়েছে, এবং আমি আশা করি তৃতীয়টিও তাঁকে দান করা হবে। [১৪০৮]

حدثنا عبيد الله بن الجهم الأنماطي، حدثنا أيوب بن سويد، عن أبي زرعة السيباني، يحيى بن أبي عمرو حدثنا عبد الله بن الديلمي، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏"‏ لما فرغ سليمان بن داود من بناء بيت المقدس سأل الله ثلاثا حكما يصادف حكمه وملكا لا ينبغي لأحد من بعده وألا يأتي هذا المسجد أحد لا يريد إلا الصلاة فيه إلا خرج من ذنوبه كيوم ولدته أمه ‏"‏ ‏.‏ فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ أما اثنتان فقد أعطيهما وأرجو أن يكون قد أعطي الثالثة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৪০৯

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الأعلى، عن معمر، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ لا تشد الرحال إلا إلى ثلاثة مساجد مسجد الحرام ومسجدي هذا والمسجد الأقصى ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, (আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে) তিনটি মাসজিদ ব্যতীত আর কোথাও সফর করা যাবে না : মাসজিদুল হারাম, আমার এই মাসজিদ এবং মাসজিদুল আক্‌সা। [১৪০৯]

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, (আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে) তিনটি মাসজিদ ব্যতীত আর কোথাও সফর করা যাবে না : মাসজিদুল হারাম, আমার এই মাসজিদ এবং মাসজিদুল আক্‌সা। [১৪০৯]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الأعلى، عن معمر، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ لا تشد الرحال إلا إلى ثلاثة مساجد مسجد الحرام ومسجدي هذا والمسجد الأقصى ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৪০৭

حدثنا إسماعيل بن عبد الله الرقي، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا ثور بن يزيد، عن زياد بن أبي سودة، عن أخيه، عثمان بن أبي سودة عن ميمونة، مولاة النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قالت قلت يا رسول الله أفتنا في بيت المقدس ‏.‏ قال ‏"‏ أرض المحشر والمنشر ائتوه فصلوا فيه فإن صلاة فيه كألف صلاة في غيره ‏"‏ ‏.‏ قلت أرأيت إن لم أستطع أن أتحمل إليه قال ‏"‏ فتهدي له زيتا يسرج فيه فمن فعل ذلك فهو كمن أتاه ‏"‏ ‏.‏

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুক্তদাসী মায়মূনাহ (বিনতু সা‘দ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! বাইতুল মাকদিস সম্পর্কে আমাকে ফাতওয়া দিন। তিনি বলেন, এটা হাশরের মাঠ এবং সকলের একত্র হওয়ার ময়দান। তোমরা তাতে সালাত পড়ো। কেননা সেখানে এক ওয়াক্ত সালাত পড়া অন্যান্য স্থানের তুলনায় এক হাজার গুণ উত্তম। আমি বললাম, আপনি কি মনে করেন, যদি আমি সেখানে যেতে সমর্থ না হই? তিনি বলেন, তুমি তাতে বাতি জ্বালানোর জন্য যায়তুন তৈল হাদিয়া পাঠাও। যে ব্যক্তি তা করলো, সে যেন সেখানে উপস্থিত হলো। [১৪০৭] তাহকীক আলবানী : মুনকার।

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুক্তদাসী মায়মূনাহ (বিনতু সা‘দ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! বাইতুল মাকদিস সম্পর্কে আমাকে ফাতওয়া দিন। তিনি বলেন, এটা হাশরের মাঠ এবং সকলের একত্র হওয়ার ময়দান। তোমরা তাতে সালাত পড়ো। কেননা সেখানে এক ওয়াক্ত সালাত পড়া অন্যান্য স্থানের তুলনায় এক হাজার গুণ উত্তম। আমি বললাম, আপনি কি মনে করেন, যদি আমি সেখানে যেতে সমর্থ না হই? তিনি বলেন, তুমি তাতে বাতি জ্বালানোর জন্য যায়তুন তৈল হাদিয়া পাঠাও। যে ব্যক্তি তা করলো, সে যেন সেখানে উপস্থিত হলো। [১৪০৭] তাহকীক আলবানী : মুনকার।

حدثنا إسماعيل بن عبد الله الرقي، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا ثور بن يزيد، عن زياد بن أبي سودة، عن أخيه، عثمان بن أبي سودة عن ميمونة، مولاة النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قالت قلت يا رسول الله أفتنا في بيت المقدس ‏.‏ قال ‏"‏ أرض المحشر والمنشر ائتوه فصلوا فيه فإن صلاة فيه كألف صلاة في غيره ‏"‏ ‏.‏ قلت أرأيت إن لم أستطع أن أتحمل إليه قال ‏"‏ فتهدي له زيتا يسرج فيه فمن فعل ذلك فهو كمن أتاه ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৪১০

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا محمد بن شعيب، حدثنا يزيد بن أبي مريم، عن قزعة، عن أبي سعيد، وعبد الله بن عمرو بن العاص، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ لا تشد الرحال إلا إلى ثلاثة مساجد إلى المسجد الحرام وإلى المسجد الأقصى وإلى مسجدي هذا ‏"‏ ‏.‏

আবূ সাঈদ ও আবদুল্লাহ বিন আম্‌র ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তিনটি মাসজিদ ব্যতীত আর কোথাও (আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায়) সফর করা যাবে না। মাসজিদুল হারাম, মাসজিদুল আক্‌সা এবং আমার এই মাসজিদের দিকে। [১৪১০]

আবূ সাঈদ ও আবদুল্লাহ বিন আম্‌র ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তিনটি মাসজিদ ব্যতীত আর কোথাও (আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায়) সফর করা যাবে না। মাসজিদুল হারাম, মাসজিদুল আক্‌সা এবং আমার এই মাসজিদের দিকে। [১৪১০]

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا محمد بن شعيب، حدثنا يزيد بن أبي مريم، عن قزعة، عن أبي سعيد، وعبد الله بن عمرو بن العاص، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ لا تشد الرحال إلا إلى ثلاثة مساجد إلى المسجد الحرام وإلى المسجد الأقصى وإلى مسجدي هذا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > কুবা মাসজিদে সালাত পড়ার ফাযীলাত।

সুনানে ইবনে মাজাহ ১৪১১

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن عبد الحميد بن جعفر، حدثنا أبو الأبرد، مولى بني خطمة أنه سمع أسيد بن ظهير الأنصاري، وكان، من أصحاب النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يحدث عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ أنه قال ‏ "‏ صلاة في مسجد قباء كعمرة ‏"‏ ‏.‏

উসাইদ বিন যুহায়র আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহাবী ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বলেন, কুবা মাসজিদে এক ওয়াক্ত সালাত পড়া একটি উমরার সমতুল্য। [১৪১১]

উসাইদ বিন যুহায়র আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহাবী ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বলেন, কুবা মাসজিদে এক ওয়াক্ত সালাত পড়া একটি উমরার সমতুল্য। [১৪১১]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن عبد الحميد بن جعفر، حدثنا أبو الأبرد، مولى بني خطمة أنه سمع أسيد بن ظهير الأنصاري، وكان، من أصحاب النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يحدث عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ أنه قال ‏ "‏ صلاة في مسجد قباء كعمرة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৪১২

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا حاتم بن إسماعيل، وعيسى بن يونس، قالا حدثنا محمد بن سليمان الكرماني، قال سمعت أبا أمامة بن سهل بن حنيف، يقول قال سهل بن حنيف قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ من تطهر في بيته ثم أتى مسجد قباء فصلى فيه صلاة كان له كأجر عمرة ‏"‏ ‏.

সাহ্‌ল বিন হুনাইফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে ব্যক্তি নিজের ঘরে পবিত্রতা অর্জন করলো, অতঃপর কুবা মাসজিদে এসে এক ওয়াক্ত সালাত পড়লো, তার জন্য একটি উমরাহ্‌র সমান সাওয়াব রয়েছে। [১৪১২]

সাহ্‌ল বিন হুনাইফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে ব্যক্তি নিজের ঘরে পবিত্রতা অর্জন করলো, অতঃপর কুবা মাসজিদে এসে এক ওয়াক্ত সালাত পড়লো, তার জন্য একটি উমরাহ্‌র সমান সাওয়াব রয়েছে। [১৪১২]

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا حاتم بن إسماعيل، وعيسى بن يونس، قالا حدثنا محمد بن سليمان الكرماني، قال سمعت أبا أمامة بن سهل بن حنيف، يقول قال سهل بن حنيف قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ من تطهر في بيته ثم أتى مسجد قباء فصلى فيه صلاة كان له كأجر عمرة ‏"‏ ‏.


সুনানে ইবনে মাজাহ > জামে মাসজিদে সালাত পড়ার ফাদীলাত।

সুনানে ইবনে মাজাহ ১৪১৩

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا أبو الخطاب الدمشقي، حدثنا رزيق أبو عبد الله الألهاني، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ صلاة الرجل في بيته بصلاة وصلاته في مسجد القبائل بخمس وعشرين صلاة وصلاته في المسجد الذي يجمع فيه بخمسمائة صلاة وصلاة في المسجد الأقصى بخمسين ألف صلاة وصلاة في مسجدي بخمسين ألف صلاة وصلاة في المسجد الحرام بمائة ألف صلاة ‏"‏ ‏.‏

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন ব্যক্তির নিজ ঘরে এক ওয়াক্ত সালাত পড়ার নেকী এক ওয়াক্ত সলাতেরই সমান, তার পাড়ার বা গোত্রের মাসজিদে তার এক সালাত পঁচিশ সলাতের সমতুল্য, জুমুআহ মাসজিদে তার এক সালাত পাঁচ শত সলাতের সমান। মাসজিদুল আকসায় তার এক সালাত পঞ্চাশ হাজার সলাতের সমতুল্য, আমার মাসজিদে তার এক সালাত পঞ্চাশ হাজার সলাতের সমতুল্য এবং মাসজিদুল হারামে তার এক সালাত এক লাখ সলাতের সমতুল্য। [১৪১৩]

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন ব্যক্তির নিজ ঘরে এক ওয়াক্ত সালাত পড়ার নেকী এক ওয়াক্ত সলাতেরই সমান, তার পাড়ার বা গোত্রের মাসজিদে তার এক সালাত পঁচিশ সলাতের সমতুল্য, জুমুআহ মাসজিদে তার এক সালাত পাঁচ শত সলাতের সমান। মাসজিদুল আকসায় তার এক সালাত পঞ্চাশ হাজার সলাতের সমতুল্য, আমার মাসজিদে তার এক সালাত পঞ্চাশ হাজার সলাতের সমতুল্য এবং মাসজিদুল হারামে তার এক সালাত এক লাখ সলাতের সমতুল্য। [১৪১৩]

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا أبو الخطاب الدمشقي، حدثنا رزيق أبو عبد الله الألهاني، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ صلاة الرجل في بيته بصلاة وصلاته في مسجد القبائل بخمس وعشرين صلاة وصلاته في المسجد الذي يجمع فيه بخمسمائة صلاة وصلاة في المسجد الأقصى بخمسين ألف صلاة وصلاة في مسجدي بخمسين ألف صلاة وصلاة في المسجد الحرام بمائة ألف صلاة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মিম্বারের সূচনা।

সুনানে ইবনে মাজাহ ১৪১৫

حدثنا أبو بكر بن خلاد الباهلي، حدثنا بهز بن أسد، حدثنا حماد بن سلمة، عن عمار بن أبي عمار، عن ابن عباس، ‏.‏ وعن ثابت، عن أنس، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان يخطب إلى جذع فلما اتخذ المنبر ذهب إلى المنبر فحن الجذع فأتاه فاحتضنه فسكن ‏.‏ فقال ‏ "‏ لو لم أحتضنه لحن إلى يوم القيامة ‏"‏ ‏.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খেজুর গাছের একটি শুকনো খুঁটি ঘেঁষে খুতবাহ দিতেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারের ব্যবস্থা করলে, তিনি (খুতবাহ দেয়ার জন্য) মিম্বারে গিয়ে উঠলে খেজুর গাছের খুঁটিটি কেঁদে উঠে। তিনি তার কাছে এসে তার গায়ে হাত বুলিয়ে দেন এবং তা শান্ত হয়। অতঃপর তিনি বলেন, আমি তার গায়ে হাত না বুলালে তা কিয়ামত পর্যন্ত রোনাজারি করতো। [১৪১৫]

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খেজুর গাছের একটি শুকনো খুঁটি ঘেঁষে খুতবাহ দিতেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারের ব্যবস্থা করলে, তিনি (খুতবাহ দেয়ার জন্য) মিম্বারে গিয়ে উঠলে খেজুর গাছের খুঁটিটি কেঁদে উঠে। তিনি তার কাছে এসে তার গায়ে হাত বুলিয়ে দেন এবং তা শান্ত হয়। অতঃপর তিনি বলেন, আমি তার গায়ে হাত না বুলালে তা কিয়ামত পর্যন্ত রোনাজারি করতো। [১৪১৫]

حدثنا أبو بكر بن خلاد الباهلي، حدثنا بهز بن أسد، حدثنا حماد بن سلمة، عن عمار بن أبي عمار، عن ابن عباس، ‏.‏ وعن ثابت، عن أنس، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان يخطب إلى جذع فلما اتخذ المنبر ذهب إلى المنبر فحن الجذع فأتاه فاحتضنه فسكن ‏.‏ فقال ‏ "‏ لو لم أحتضنه لحن إلى يوم القيامة ‏"‏ ‏.


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৪১৪

حدثنا إسماعيل بن عبد الله الرقي، حدثنا عبيد الله بن عمرو الرقي، عن عبد الله بن محمد بن عقيل، عن الطفيل بن أبى بن كعب، عن أبيه، قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يصلي إلى جذع إذ كان المسجد عريشا وكان يخطب إلى ذلك الجذع فقال رجل من أصحابه هل لك أن نجعل لك شيئا تقوم عليه يوم الجمعة حتى يراك الناس وتسمعهم خطبتك قال ‏ "‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ فصنع له ثلاث درجات فهي التي على المنبر فلما وضع المنبر وضعوه في موضعه الذي هو فيه فلما أراد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ أن يقوم إلى المنبر مر إلى الجذع الذي كان يخطب إليه فلما جاوز الجذع خار حتى تصدع وانشق فنزل رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ لما سمع صوت الجذع فمسحه بيده حتى سكن ثم رجع إلى المنبر فكان إذا صلى صلى إليه فلما هدم المسجد وغير أخذ ذلك الجذع أبى بن كعب وكان عنده في بيته حتى بلي فأكلته الأرضة وعاد رفاتا ‏.

উবাই বিন কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছাপড়ার মাসজিদে থাকা অবস্থায় একটি খেজুর গাছের খুঁটির পাশে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতেন। তিনি ঐ খেজুর গাছের খুঁটি ঘেঁষে খুতবাহ দিতেন। তাঁর সহাবীদের একজন বলেন, আমরা কি আপনার জন্য এমন একটি জিনিসের ব্যবস্থা করবো, যার উপর আপনি জুমুআর দিন দাঁড়াবেন। যাতে লোকেরা আপনাকে দেখতে পায় এবং আপনার খুতবাহ তাদের শুনাতে পারেন। তিনি বলেন, হাঁ। তখন ঐ ব্যক্তি তাঁর জন্য তিন ধাপবিশিষ্ট একটি মিম্বার তৈরি করেন। এটি ছিল সবচাইতে উঁচু মিম্বার। মিম্বারটি বানানো হলে তারা তা যথাস্থানে স্থাপন করেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারে উঠে খুতবাহ দেয়ার ইচ্ছা করলেন। তিনি ঐ খুঁটির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তা চিৎকার দিয়ে কেঁদে উঠে। ফলে তা ফেটে যায়। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শুকনো খেজুর গাছের কান্নার শব্দ শুনে নেমে আসেন এবং তাতে নিজ হাত বুলিয়ে দেন। ফলে তা শান্ত হয়ে যায়। তারপর তিনি মিম্বারে ফিরে যান। এরপর যখন তিনি সালাত আদায় করতেন তখন ঐ খুঁটির দিকে রোখ করে সালাত আদায় করতেন। অতঃপর মাসজিদ যখন (সংস্কারের জন্য) ভাঙ্গা হলো, তখন উবাই বিন কা’ব (রাঃ) খুঁটিটি নিয়ে তার ঘরে রাখেন। অবশেষে উইপোকা তা খেয়ে ফেলে এবং ফলে তা ধ্বংসাবশেষে পরিণত হয়। [১৪১৪]

উবাই বিন কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছাপড়ার মাসজিদে থাকা অবস্থায় একটি খেজুর গাছের খুঁটির পাশে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতেন। তিনি ঐ খেজুর গাছের খুঁটি ঘেঁষে খুতবাহ দিতেন। তাঁর সহাবীদের একজন বলেন, আমরা কি আপনার জন্য এমন একটি জিনিসের ব্যবস্থা করবো, যার উপর আপনি জুমুআর দিন দাঁড়াবেন। যাতে লোকেরা আপনাকে দেখতে পায় এবং আপনার খুতবাহ তাদের শুনাতে পারেন। তিনি বলেন, হাঁ। তখন ঐ ব্যক্তি তাঁর জন্য তিন ধাপবিশিষ্ট একটি মিম্বার তৈরি করেন। এটি ছিল সবচাইতে উঁচু মিম্বার। মিম্বারটি বানানো হলে তারা তা যথাস্থানে স্থাপন করেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারে উঠে খুতবাহ দেয়ার ইচ্ছা করলেন। তিনি ঐ খুঁটির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তা চিৎকার দিয়ে কেঁদে উঠে। ফলে তা ফেটে যায়। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শুকনো খেজুর গাছের কান্নার শব্দ শুনে নেমে আসেন এবং তাতে নিজ হাত বুলিয়ে দেন। ফলে তা শান্ত হয়ে যায়। তারপর তিনি মিম্বারে ফিরে যান। এরপর যখন তিনি সালাত আদায় করতেন তখন ঐ খুঁটির দিকে রোখ করে সালাত আদায় করতেন। অতঃপর মাসজিদ যখন (সংস্কারের জন্য) ভাঙ্গা হলো, তখন উবাই বিন কা’ব (রাঃ) খুঁটিটি নিয়ে তার ঘরে রাখেন। অবশেষে উইপোকা তা খেয়ে ফেলে এবং ফলে তা ধ্বংসাবশেষে পরিণত হয়। [১৪১৪]

حدثنا إسماعيل بن عبد الله الرقي، حدثنا عبيد الله بن عمرو الرقي، عن عبد الله بن محمد بن عقيل، عن الطفيل بن أبى بن كعب، عن أبيه، قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يصلي إلى جذع إذ كان المسجد عريشا وكان يخطب إلى ذلك الجذع فقال رجل من أصحابه هل لك أن نجعل لك شيئا تقوم عليه يوم الجمعة حتى يراك الناس وتسمعهم خطبتك قال ‏ "‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ فصنع له ثلاث درجات فهي التي على المنبر فلما وضع المنبر وضعوه في موضعه الذي هو فيه فلما أراد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ أن يقوم إلى المنبر مر إلى الجذع الذي كان يخطب إليه فلما جاوز الجذع خار حتى تصدع وانشق فنزل رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ لما سمع صوت الجذع فمسحه بيده حتى سكن ثم رجع إلى المنبر فكان إذا صلى صلى إليه فلما هدم المسجد وغير أخذ ذلك الجذع أبى بن كعب وكان عنده في بيته حتى بلي فأكلته الأرضة وعاد رفاتا ‏.


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৪১৬

حدثنا أحمد بن ثابت الجحدري، حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي حازم، قال اختلف الناس في منبر رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ من أى شىء هو فأتوا سهل بن سعد فسألوه فقال ما بقي أحد من الناس أعلم به مني هو من أثل الغابة عمله فلان مولى فلانة نجار فجاء به فقام عليه حين وضع فاستقبل القبلة وقام الناس خلفه فقرأ ثم ركع ثم رفع رأسه فرجع القهقرى حتى سجد بالأرض ثم عاد إلى المنبر فقرأ ثم ركع فقام ثم رجع القهقرى حتى سجد بالأرض ‏.

আবূ হাযিম থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মিম্বার কিসের দ্বারা নির্মিত ছিল সে বিষয়ে লোকেরা মতভেদ করে। তারা সাহল বিন সা‘দ (রাঃ)-এর নিকট এসে তাঁকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার চেয়ে অধিক জ্ঞাত আর কেউ বেঁচে নেই। এটি ছিল আল-গাবা বনভূমির আছল নামীয় গাছের তৈরি। অমুক মহিলার মুক্তদাস কাঠমিস্ত্রী তা তৈরি করেছিল। সেটি এনে স্থাপন করা হলে মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উপর দাঁড়ান। অতঃপর তিনি কিবলামুখী হয়ে দাঁড়ালে লোকেরাও তাঁর পিছনে দাঁড়ায়, অতঃপর তিনি কিরাআত পড়েন, তারপর রুকূ‘ করেন, অতঃপর মাথা উঠান, অতঃপর কিবলামুখী অবস্থায় পেছনে সরে এসে যমীনে সাজদাহ করেন, অতঃপর আবার মিম্বারের দিকে এগিয়ে গিয়ে কিরাআত পড়েন, তারপর রুকূ‘ করে দাঁড়িয়ে যান, অতঃপর আগের মত পেছনে সরে এসে মাটিতে সাজদাহ করেন। [১৪১৬]

আবূ হাযিম থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মিম্বার কিসের দ্বারা নির্মিত ছিল সে বিষয়ে লোকেরা মতভেদ করে। তারা সাহল বিন সা‘দ (রাঃ)-এর নিকট এসে তাঁকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার চেয়ে অধিক জ্ঞাত আর কেউ বেঁচে নেই। এটি ছিল আল-গাবা বনভূমির আছল নামীয় গাছের তৈরি। অমুক মহিলার মুক্তদাস কাঠমিস্ত্রী তা তৈরি করেছিল। সেটি এনে স্থাপন করা হলে মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উপর দাঁড়ান। অতঃপর তিনি কিবলামুখী হয়ে দাঁড়ালে লোকেরাও তাঁর পিছনে দাঁড়ায়, অতঃপর তিনি কিরাআত পড়েন, তারপর রুকূ‘ করেন, অতঃপর মাথা উঠান, অতঃপর কিবলামুখী অবস্থায় পেছনে সরে এসে যমীনে সাজদাহ করেন, অতঃপর আবার মিম্বারের দিকে এগিয়ে গিয়ে কিরাআত পড়েন, তারপর রুকূ‘ করে দাঁড়িয়ে যান, অতঃপর আগের মত পেছনে সরে এসে মাটিতে সাজদাহ করেন। [১৪১৬]

حدثنا أحمد بن ثابت الجحدري، حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي حازم، قال اختلف الناس في منبر رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ من أى شىء هو فأتوا سهل بن سعد فسألوه فقال ما بقي أحد من الناس أعلم به مني هو من أثل الغابة عمله فلان مولى فلانة نجار فجاء به فقام عليه حين وضع فاستقبل القبلة وقام الناس خلفه فقرأ ثم ركع ثم رفع رأسه فرجع القهقرى حتى سجد بالأرض ثم عاد إلى المنبر فقرأ ثم ركع فقام ثم رجع القهقرى حتى سجد بالأرض ‏.


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৪১৭

حدثنا أبو بشر، بكر بن خلف حدثنا ابن أبي عدي، عن سليمان التيمي، عن أبي نضرة، عن جابر بن عبد الله، قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقوم في أصل شجرة - أو قال إلى جذع - ثم اتخذ منبرا ‏.‏ قال فحن الجذع - قال جابر - حتى سمعه أهل المسجد حتى أتاه رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فمسحه فسكن ‏.‏ فقال بعضهم لو لم يأته لحن إلى يوم القيامة ‏.

জাবির বিন আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি গাছের মূলে অথবা খেজুর গাছের কাণ্ডে ঠেস দিয়ে দাড়াতেন। অতঃপর তিনি একটি মিম্বার গ্রহণ করেন। রাবী বলেন, খেজুর কাণ্ডটি কেঁদে দিলো। জাবির (রাঃ) বলেন, এমনকি মাসজিদের লোকেরা এর কান্না শুনতে পায়। অবশেষে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গাছের নিকট এসে তাতে হাত বুলান, ফলে তা শান্ত হয়। তাদের কতক বললেন, তিনি এর কাছে না এলে এটা কিয়ামাত পর্যন্ত কাঁদতো। [১৪১৭]

জাবির বিন আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি গাছের মূলে অথবা খেজুর গাছের কাণ্ডে ঠেস দিয়ে দাড়াতেন। অতঃপর তিনি একটি মিম্বার গ্রহণ করেন। রাবী বলেন, খেজুর কাণ্ডটি কেঁদে দিলো। জাবির (রাঃ) বলেন, এমনকি মাসজিদের লোকেরা এর কান্না শুনতে পায়। অবশেষে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গাছের নিকট এসে তাতে হাত বুলান, ফলে তা শান্ত হয়। তাদের কতক বললেন, তিনি এর কাছে না এলে এটা কিয়ামাত পর্যন্ত কাঁদতো। [১৪১৭]

حدثنا أبو بشر، بكر بن خلف حدثنا ابن أبي عدي، عن سليمان التيمي، عن أبي نضرة، عن جابر بن عبد الله، قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقوم في أصل شجرة - أو قال إلى جذع - ثم اتخذ منبرا ‏.‏ قال فحن الجذع - قال جابر - حتى سمعه أهل المسجد حتى أتاه رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فمسحه فسكن ‏.‏ فقال بعضهم لو لم يأته لحن إلى يوم القيامة ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00