সুনানে ইবনে মাজাহ > সলাতুল হাজাত (প্রয়োজন পূরণের সালাত)।

সুনানে ইবনে মাজাহ ১৩৮৫

حدثنا أحمد بن منصور بن سيار، حدثنا عثمان بن عمر، حدثنا شعبة، عن أبي جعفر المدني، عن عمارة بن خزيمة بن ثابت، عن عثمان بن حنيف، أن رجلا، ضرير البصر أتى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال ادع الله لي أن يعافيني ‏.‏ فقال ‏"‏ إن شئت أخرت لك وهو خير وإن شئت دعوت ‏"‏ ‏.‏ فقال ادعه ‏.‏ فأمره أن يتوضأ فيحسن وضوءه ويصلي ركعتين ويدعو بهذا الدعاء ‏"‏ اللهم إني أسألك وأتوجه إليك بمحمد نبي الرحمة يا محمد إني قد توجهت بك إلى ربي في حاجتي هذه لتقضى اللهم فشفعه في ‏"‏ ‏.‏ قال أبو إسحق هذا حديث صحيح

উসমান বিন হুনায়ফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক অন্ধ লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললো, আপনি আল্লাহ্‌র কাছে আমার জন্য দুআ’ করুন। তিনি যেন আমাকে রোগমুক্তি দান করেন। তিনি বলেন, তুমি চাইলে আমি তোমার জন্য দুআ’ করতে বিলম্ব করবো, আর তা হবে কল্যাণকর। আর তুমি চাইলে আমি দুআ’ করবো। সে বললো, তাঁর নিকট দুআ’ করুন। তিনি তাকে উত্তমরূপে উযু করার পর দু’ রাকআত সালাত পড়ে এ দুআ’ করতে বলেন, “হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট প্রার্থনা করছি, রহমতের নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উসীলা দিয়ে, আমি তোমার প্রতি নিবিষ্ট হলাম। হে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমার চাহিদা পুরণের জন্য আমি আপনার উসীলা দিয়ে আমার রবের প্রতি মনোযোগী হলাম, যাতে আমার প্রয়োজন মিটে। হে আল্লাহ! আমার জন্য তাঁর সুপারিশ কবূল করো”। [১৩৮৫]

উসমান বিন হুনায়ফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক অন্ধ লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললো, আপনি আল্লাহ্‌র কাছে আমার জন্য দুআ’ করুন। তিনি যেন আমাকে রোগমুক্তি দান করেন। তিনি বলেন, তুমি চাইলে আমি তোমার জন্য দুআ’ করতে বিলম্ব করবো, আর তা হবে কল্যাণকর। আর তুমি চাইলে আমি দুআ’ করবো। সে বললো, তাঁর নিকট দুআ’ করুন। তিনি তাকে উত্তমরূপে উযু করার পর দু’ রাকআত সালাত পড়ে এ দুআ’ করতে বলেন, “হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট প্রার্থনা করছি, রহমতের নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উসীলা দিয়ে, আমি তোমার প্রতি নিবিষ্ট হলাম। হে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমার চাহিদা পুরণের জন্য আমি আপনার উসীলা দিয়ে আমার রবের প্রতি মনোযোগী হলাম, যাতে আমার প্রয়োজন মিটে। হে আল্লাহ! আমার জন্য তাঁর সুপারিশ কবূল করো”। [১৩৮৫]

حدثنا أحمد بن منصور بن سيار، حدثنا عثمان بن عمر، حدثنا شعبة، عن أبي جعفر المدني، عن عمارة بن خزيمة بن ثابت، عن عثمان بن حنيف، أن رجلا، ضرير البصر أتى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال ادع الله لي أن يعافيني ‏.‏ فقال ‏"‏ إن شئت أخرت لك وهو خير وإن شئت دعوت ‏"‏ ‏.‏ فقال ادعه ‏.‏ فأمره أن يتوضأ فيحسن وضوءه ويصلي ركعتين ويدعو بهذا الدعاء ‏"‏ اللهم إني أسألك وأتوجه إليك بمحمد نبي الرحمة يا محمد إني قد توجهت بك إلى ربي في حاجتي هذه لتقضى اللهم فشفعه في ‏"‏ ‏.‏ قال أبو إسحق هذا حديث صحيح


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৩৮৪

حدثنا سويد بن سعيد، حدثنا أبو عاصم العباداني، عن فائد بن عبد الرحمن، عن عبد الله بن أبي أوفى الأسلمي، قال خرج علينا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال ‏ "‏ من كانت له حاجة إلى الله أو إلى أحد من خلقه فليتوضأ وليصل ركعتين ثم ليقل لا إله إلا الله الحليم الكريم سبحان الله رب العرش العظيم الحمد لله رب العالمين اللهم إني أسألك موجبات رحمتك وعزائم مغفرتك والغنيمة من كل بر والسلامة من كل إثم أسألك ألا تدع لي ذنبا إلا غفرته ولا هما إلا فرجته ولا حاجة هي لك رضا إلا قضيتها لي ثم يسأل الله من أمر الدنيا والآخرة ما شاء فإنه يقدر ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ বিন আবূ আওফা আল-আসলামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট বের হয়ে এসে বলেন, আল্লাহ্‌র নিকট অথবা তাঁর কোন মাখলুকের নিকট কারো কোন প্রয়োজন থাকলে, সে যেন উযু করে দু’ রাকআত সালাত পড়ে, অতঃপর বলে : “পরম সহনশীল ও দয়ালু আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। মহান আরশের রব আল্লাহ অতীব পবিত্র। সমগ্র বিশ্বের প্রতিপালক আল্লাহ্‌র জন্যই যাবতীয় প্রশংসা। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট অবধারিত রহমাত, তোমার অফুরন্ত ক্ষমা, সকল সদাচারের ভান্ডার এবং প্রতিটি পাপাচার থেকে নিরাপত্তা প্রার্থনা করি। আমি তোমার নিকট আরো প্রার্থনা করি যে, তুমি আমার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দাও, আমার দুশ্চিন্তা দূর করে দাও, তোমার সন্তুষ্টিমূলক প্রতিটি প্রয়োজন পূরণ করে দাও।” অতঃপর সে দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য যা চাওয়ার আছে তা প্রার্থনা করবে। কারণ তা আল্লাহ্‌ই নির্ধারিত করেন। [১৩৮৪] তাহকীক আলবানী : দঈফ জিদ্দান।

আবদুল্লাহ বিন আবূ আওফা আল-আসলামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট বের হয়ে এসে বলেন, আল্লাহ্‌র নিকট অথবা তাঁর কোন মাখলুকের নিকট কারো কোন প্রয়োজন থাকলে, সে যেন উযু করে দু’ রাকআত সালাত পড়ে, অতঃপর বলে : “পরম সহনশীল ও দয়ালু আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। মহান আরশের রব আল্লাহ অতীব পবিত্র। সমগ্র বিশ্বের প্রতিপালক আল্লাহ্‌র জন্যই যাবতীয় প্রশংসা। হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট অবধারিত রহমাত, তোমার অফুরন্ত ক্ষমা, সকল সদাচারের ভান্ডার এবং প্রতিটি পাপাচার থেকে নিরাপত্তা প্রার্থনা করি। আমি তোমার নিকট আরো প্রার্থনা করি যে, তুমি আমার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দাও, আমার দুশ্চিন্তা দূর করে দাও, তোমার সন্তুষ্টিমূলক প্রতিটি প্রয়োজন পূরণ করে দাও।” অতঃপর সে দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য যা চাওয়ার আছে তা প্রার্থনা করবে। কারণ তা আল্লাহ্‌ই নির্ধারিত করেন। [১৩৮৪] তাহকীক আলবানী : দঈফ জিদ্দান।

حدثنا سويد بن سعيد، حدثنا أبو عاصم العباداني، عن فائد بن عبد الرحمن، عن عبد الله بن أبي أوفى الأسلمي، قال خرج علينا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال ‏ "‏ من كانت له حاجة إلى الله أو إلى أحد من خلقه فليتوضأ وليصل ركعتين ثم ليقل لا إله إلا الله الحليم الكريم سبحان الله رب العرش العظيم الحمد لله رب العالمين اللهم إني أسألك موجبات رحمتك وعزائم مغفرتك والغنيمة من كل بر والسلامة من كل إثم أسألك ألا تدع لي ذنبا إلا غفرته ولا هما إلا فرجته ولا حاجة هي لك رضا إلا قضيتها لي ثم يسأل الله من أمر الدنيا والآخرة ما شاء فإنه يقدر ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > সলাতুত তাসবীহ

সুনানে ইবনে মাজাহ ১৩৮৬

حدثنا موسى بن عبد الرحمن أبو عيسى المسروقي، حدثنا زيد بن الحباب، حدثنا موسى بن عبيدة، حدثني سعيد بن أبي سعيد، مولى أبي بكر بن عمرو بن حزم عن أبي رافع، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ للعباس ‏"‏ يا عم ألا أحبوك ألا أنفعك ألا أصلك ‏"‏ قال بلى يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ تصلي أربع ركعات تقرأ في كل ركعة بفاتحة الكتاب وسورة فإذا انقضت القراءة فقل سبحان الله والحمد لله ولا إله إلا الله والله أكبر خمس عشرة مرة قبل أن تركع ثم اركع فقلها عشرا ثم ارفع رأسك فقلها عشرا ثم اسجد فقلها عشرا ثم ارفع رأسك فقلها عشرا ثم اسجد فقلها عشرا ثم ارفع رأسك فقلها عشرا قبل أن تقوم فتلك خمس وسبعون في كل ركعة وهي ثلاثمائة في أربع ركعات فلو كانت ذنوبك مثل رمل عالج غفرها الله لك ‏"‏ ‏.‏ قال يا رسول الله ومن لم يستطع يقولها في يوم قال ‏"‏ قلها في جمعة فإن لم تستطع فقلها في شهر ‏"‏ ‏.‏ حتى قال ‏"‏ فقلها في سنة ‏"‏ ‏.‏

আবূ রাফি’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আব্বাস (রাঃ)-কে বললেনঃ হে চাচাজান! আমি কি আপনার অবাধ্য হতে বিরত থাকব না, আমি কি আপনার উপকার করবো না, আমি কি আপনার সাথে আত্নীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখবো না? তিনি বলেন, হাঁ, হে আল্লাহর রসূল! তিনি বলেন, তাহলে আপনি চার রাকআত সালাত পড়ুন। আপনি প্রতি রাকআতে সূরাহ ফাতিহার সাথে অন্য একটি সূরাও পড়ুন। আপনি কিরাআত পাঠ শেষ করে রুকূ‘ করার আগে পনের বার বলুন : "আল্লাহ পুতঃ পবিত্র, সকল প্রসংসা আল্লাহর জন্য। আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই, আল্লাহ মহান"। আতঃপর রুকূ‘তে গিয়ে ঐ দুআ’ দশবার পড়ুন, অতঃপর রুকূ‘ থেকে আপনার মাথা তুলে ঐ দুআ’ দশবার পড়ুন, অতঃপর সাজদাহয় গিয়ে ঐ দুআ’ দশবার পড়ুন, অতঃপর আপনার মাথা তুলে দশবার ঐ দুআ’ পড়ুন, পুনরায় সাজদাহয় গিয়ে তা দশবার পড়ুন, পুনরায় সাজদাহ থেকে আপনার মাথা তুলে উঠে দাঁড়ানোর আগে তা দশবার পড়ুন। এভাবে প্রতি রাকআতে তা পঁচাত্তর বার এবং চার রাকআতে তিনশত বার হবে। আপনার পাপরাশি বালুর স্তুপের সমপরিমান হলেও আল্লাহ তা মাফ করবেন। আব্বাস (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রসূল! প্রতিদিন এ সালাত পড়ার সামর্থ কার আছে? তিনি বলেন, তাহলে প্রতি জুমুআর দিন তা পড়ুন। তাতেও সমর্থ না হলে প্রতি মাসে একবার পড়ুন। অবশেষে তিনি বলেন, তাহলে অন্তত বছরে একবার তা পড়ুন। [১৩৮৬]

আবূ রাফি’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আব্বাস (রাঃ)-কে বললেনঃ হে চাচাজান! আমি কি আপনার অবাধ্য হতে বিরত থাকব না, আমি কি আপনার উপকার করবো না, আমি কি আপনার সাথে আত্নীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখবো না? তিনি বলেন, হাঁ, হে আল্লাহর রসূল! তিনি বলেন, তাহলে আপনি চার রাকআত সালাত পড়ুন। আপনি প্রতি রাকআতে সূরাহ ফাতিহার সাথে অন্য একটি সূরাও পড়ুন। আপনি কিরাআত পাঠ শেষ করে রুকূ‘ করার আগে পনের বার বলুন : "আল্লাহ পুতঃ পবিত্র, সকল প্রসংসা আল্লাহর জন্য। আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই, আল্লাহ মহান"। আতঃপর রুকূ‘তে গিয়ে ঐ দুআ’ দশবার পড়ুন, অতঃপর রুকূ‘ থেকে আপনার মাথা তুলে ঐ দুআ’ দশবার পড়ুন, অতঃপর সাজদাহয় গিয়ে ঐ দুআ’ দশবার পড়ুন, অতঃপর আপনার মাথা তুলে দশবার ঐ দুআ’ পড়ুন, পুনরায় সাজদাহয় গিয়ে তা দশবার পড়ুন, পুনরায় সাজদাহ থেকে আপনার মাথা তুলে উঠে দাঁড়ানোর আগে তা দশবার পড়ুন। এভাবে প্রতি রাকআতে তা পঁচাত্তর বার এবং চার রাকআতে তিনশত বার হবে। আপনার পাপরাশি বালুর স্তুপের সমপরিমান হলেও আল্লাহ তা মাফ করবেন। আব্বাস (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রসূল! প্রতিদিন এ সালাত পড়ার সামর্থ কার আছে? তিনি বলেন, তাহলে প্রতি জুমুআর দিন তা পড়ুন। তাতেও সমর্থ না হলে প্রতি মাসে একবার পড়ুন। অবশেষে তিনি বলেন, তাহলে অন্তত বছরে একবার তা পড়ুন। [১৩৮৬]

حدثنا موسى بن عبد الرحمن أبو عيسى المسروقي، حدثنا زيد بن الحباب، حدثنا موسى بن عبيدة، حدثني سعيد بن أبي سعيد، مولى أبي بكر بن عمرو بن حزم عن أبي رافع، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ للعباس ‏"‏ يا عم ألا أحبوك ألا أنفعك ألا أصلك ‏"‏ قال بلى يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ تصلي أربع ركعات تقرأ في كل ركعة بفاتحة الكتاب وسورة فإذا انقضت القراءة فقل سبحان الله والحمد لله ولا إله إلا الله والله أكبر خمس عشرة مرة قبل أن تركع ثم اركع فقلها عشرا ثم ارفع رأسك فقلها عشرا ثم اسجد فقلها عشرا ثم ارفع رأسك فقلها عشرا ثم اسجد فقلها عشرا ثم ارفع رأسك فقلها عشرا قبل أن تقوم فتلك خمس وسبعون في كل ركعة وهي ثلاثمائة في أربع ركعات فلو كانت ذنوبك مثل رمل عالج غفرها الله لك ‏"‏ ‏.‏ قال يا رسول الله ومن لم يستطع يقولها في يوم قال ‏"‏ قلها في جمعة فإن لم تستطع فقلها في شهر ‏"‏ ‏.‏ حتى قال ‏"‏ فقلها في سنة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৩৮৭

حدثنا عبد الرحمن بن بشر بن الحكم النيسابوري، حدثنا موسى بن عبد العزيز، حدثنا الحكم بن أبان، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ للعباس بن عبد المطلب ‏ "‏ يا عباس يا عماه ألا أعطيك ألا أمنحك ألا أحبوك ألا أفعل لك عشر خصال إذا أنت فعلت ذلك غفر الله لك ذنبك أوله وآخره وقديمه وحديثه وخطأه وعمده وصغيره وكبيره وسره وعلانيته عشر خصال أن تصلي أربع ركعات تقرأ في كل ركعة بفاتحة الكتاب وسورة فإذا فرغت من القراءة في أول ركعة قلت وأنت قائم سبحان الله والحمد لله ولا إله إلا الله والله أكبر خمس عشرة مرة ثم تركع فتقول وأنت راكع عشرا ثم ترفع رأسك من الركوع فتقولها عشرا ثم تهوي ساجدا فتقولها وأنت ساجد عشرا ثم ترفع رأسك من السجود فتقولها عشرا ثم تسجد فتقولها عشرا ثم ترفع رأسك من السجود فتقولها عشرا فذلك خمسة وسبعون في كل ركعة تفعل في أربع ركعات إن استطعت أن تصليها في كل يوم مرة فافعل فإن لم تستطع ففي كل جمعة مرة فإن لم تفعل ففي كل شهر مرة فإن لم تفعل ففي عمرك مرة ‏"‏ ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আব্বাস বিন আবদুল মুত্তালিব (রাঃ)-কে বললেনঃ হে আব্বাস! হে প্রিয় চাচাজান! আমি কি আপনাকে কিছু দান করবো না, আমি কি আপনার সাথে আত্নীয় সম্পর্ক বজায় রাখবো না, আমি কি আপনার অবাধ্য হতে বিরত থাকবো না, আমি কি আপনাকে এমন কলেমা বলে দিব না, যা পড়লে আল্লাহ আপনার আগের-পরের, নতুন-পুরান, ভুলক্রমে, স্বেচ্ছায়, ছোট-বড়, গোপন-প্রকাশ্য সব ধরনের গুনাহ মাফ করে দিবেন? সেই দশটি কলেমা হলো : আপনি চার রাকআত সালাত পড়ুন এবং প্রতি রাকআতে সূরা ফাতিহার সাথে অন্য একটি সূরাহ পড়ুন। প্রথম রাকআতের কিরাআত পাঠ শেষ হলে দাঁড়ানো অবস্থায় আপনি পনের বার বলুন : "আল্লাহ পবিত্র, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। আল্লাহ মহান"। অতঃপর আপনি রুকূ‘ করুন এবং রুকূ‘ অবস্থায় তা দশবার বলুন, অতঃপর রুকূ‘ থেকে আপনার মাথা তুলে তা দশবার বলুন। অতঃপর আপনি সাজদাহয় যান এবং সাজদাহবনত অবস্থায় তা দশবার বলুন, অতঃপর সাজদাহ থেকে আপনার মাথা তুলে তা দশবার বলুন, অতঃপর সাজদাহয় গিয়ে আবার তা দশবার বলুন, অতঃপর সাজদাহ থেকে আপনার মাথা তুলে তা দশবার বলুন। এভাবে তা প্রতি রাকআতে পঁচাত্তর বার হল। এ নিয়মে আপনি চার রাকআত সালাত পড়ুন। আপনি প্রতিদিন একবার এ সালাত আদায় করতে সক্ষম হলে তাই করুন। আপনি তাতে সক্ষম না হলে প্রতি সপ্তাহে তা একবার পড়ুন। আপনি তাতেও সক্ষম না হলে প্রতি মাসে তা একবার পড়ুন। আপনি তাতেও সক্ষম না হলে অন্তত জীবনে তা একবার পড়ুন। [১৩৮৭]

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আব্বাস বিন আবদুল মুত্তালিব (রাঃ)-কে বললেনঃ হে আব্বাস! হে প্রিয় চাচাজান! আমি কি আপনাকে কিছু দান করবো না, আমি কি আপনার সাথে আত্নীয় সম্পর্ক বজায় রাখবো না, আমি কি আপনার অবাধ্য হতে বিরত থাকবো না, আমি কি আপনাকে এমন কলেমা বলে দিব না, যা পড়লে আল্লাহ আপনার আগের-পরের, নতুন-পুরান, ভুলক্রমে, স্বেচ্ছায়, ছোট-বড়, গোপন-প্রকাশ্য সব ধরনের গুনাহ মাফ করে দিবেন? সেই দশটি কলেমা হলো : আপনি চার রাকআত সালাত পড়ুন এবং প্রতি রাকআতে সূরা ফাতিহার সাথে অন্য একটি সূরাহ পড়ুন। প্রথম রাকআতের কিরাআত পাঠ শেষ হলে দাঁড়ানো অবস্থায় আপনি পনের বার বলুন : "আল্লাহ পবিত্র, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। আল্লাহ মহান"। অতঃপর আপনি রুকূ‘ করুন এবং রুকূ‘ অবস্থায় তা দশবার বলুন, অতঃপর রুকূ‘ থেকে আপনার মাথা তুলে তা দশবার বলুন। অতঃপর আপনি সাজদাহয় যান এবং সাজদাহবনত অবস্থায় তা দশবার বলুন, অতঃপর সাজদাহ থেকে আপনার মাথা তুলে তা দশবার বলুন, অতঃপর সাজদাহয় গিয়ে আবার তা দশবার বলুন, অতঃপর সাজদাহ থেকে আপনার মাথা তুলে তা দশবার বলুন। এভাবে তা প্রতি রাকআতে পঁচাত্তর বার হল। এ নিয়মে আপনি চার রাকআত সালাত পড়ুন। আপনি প্রতিদিন একবার এ সালাত আদায় করতে সক্ষম হলে তাই করুন। আপনি তাতে সক্ষম না হলে প্রতি সপ্তাহে তা একবার পড়ুন। আপনি তাতেও সক্ষম না হলে প্রতি মাসে তা একবার পড়ুন। আপনি তাতেও সক্ষম না হলে অন্তত জীবনে তা একবার পড়ুন। [১৩৮৭]

حدثنا عبد الرحمن بن بشر بن الحكم النيسابوري، حدثنا موسى بن عبد العزيز، حدثنا الحكم بن أبان، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ للعباس بن عبد المطلب ‏ "‏ يا عباس يا عماه ألا أعطيك ألا أمنحك ألا أحبوك ألا أفعل لك عشر خصال إذا أنت فعلت ذلك غفر الله لك ذنبك أوله وآخره وقديمه وحديثه وخطأه وعمده وصغيره وكبيره وسره وعلانيته عشر خصال أن تصلي أربع ركعات تقرأ في كل ركعة بفاتحة الكتاب وسورة فإذا فرغت من القراءة في أول ركعة قلت وأنت قائم سبحان الله والحمد لله ولا إله إلا الله والله أكبر خمس عشرة مرة ثم تركع فتقول وأنت راكع عشرا ثم ترفع رأسك من الركوع فتقولها عشرا ثم تهوي ساجدا فتقولها وأنت ساجد عشرا ثم ترفع رأسك من السجود فتقولها عشرا ثم تسجد فتقولها عشرا ثم ترفع رأسك من السجود فتقولها عشرا فذلك خمسة وسبعون في كل ركعة تفعل في أربع ركعات إن استطعت أن تصليها في كل يوم مرة فافعل فإن لم تستطع ففي كل جمعة مرة فإن لم تفعل ففي كل شهر مرة فإن لم تفعل ففي عمرك مرة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > শা‘বান মাসের ১৫ তারিখের রাত সম্পর্কে

সুনানে ইবনে মাজাহ ১৩৮৯

حدثنا عبدة بن عبد الله الخزاعي، ومحمد بن عبد الملك أبو بكر، قالا حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا حجاج، عن يحيى بن أبي كثير، عن عروة، عن عائشة، قالت فقدت النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ذات ليلة فخرجت أطلبه فإذا هو بالبقيع رافع رأسه إلى السماء فقال ‏"‏ يا عائشة أكنت تخافين أن يحيف الله عليك ورسوله ‏"‏ ‏.‏ قالت قد قلت وما بي ذلك ولكني ظننت أنك أتيت بعض نسائك ‏.‏ فقال ‏"‏ إن الله تعالى ينزل ليلة النصف من شعبان إلى السماء الدنيا فيغفر لأكثر من عدد شعر غنم كلب ‏"‏ ‏.‏

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক রাতে আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে (বিছানায়) না পেয়ে তাঁর খোঁজে বের হলাম। আমি লক্ষ্য করলাম, তিনি জান্নাতুল বাকিতে, তাঁর মাথা আকাশের দিকে তুলে আছেন। তিনি বলেন, হে আয়িশা! তুমি কি আশঙ্কা করেছো যে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল তোমার প্রতি অবিচার করবেন? আয়িশা (রাঃ) বলেন, তা নয়, বরং আমি ভাবলাম যে, আপনি হয়তো আপনার কোন স্ত্রীর কাছে গেছেন। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ মধ্য শাবানের রাতে দুনিয়ার নিকটবর্তী আকাশে অবতরণ করেন এবং কালব গোত্রের মেষপালের পশমের চাইতেও অধিক সংখ্যক লোকের গুনাহ মাফ করেন। [১৩৮৯]

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক রাতে আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে (বিছানায়) না পেয়ে তাঁর খোঁজে বের হলাম। আমি লক্ষ্য করলাম, তিনি জান্নাতুল বাকিতে, তাঁর মাথা আকাশের দিকে তুলে আছেন। তিনি বলেন, হে আয়িশা! তুমি কি আশঙ্কা করেছো যে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল তোমার প্রতি অবিচার করবেন? আয়িশা (রাঃ) বলেন, তা নয়, বরং আমি ভাবলাম যে, আপনি হয়তো আপনার কোন স্ত্রীর কাছে গেছেন। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ মধ্য শাবানের রাতে দুনিয়ার নিকটবর্তী আকাশে অবতরণ করেন এবং কালব গোত্রের মেষপালের পশমের চাইতেও অধিক সংখ্যক লোকের গুনাহ মাফ করেন। [১৩৮৯]

حدثنا عبدة بن عبد الله الخزاعي، ومحمد بن عبد الملك أبو بكر، قالا حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا حجاج، عن يحيى بن أبي كثير، عن عروة، عن عائشة، قالت فقدت النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ذات ليلة فخرجت أطلبه فإذا هو بالبقيع رافع رأسه إلى السماء فقال ‏"‏ يا عائشة أكنت تخافين أن يحيف الله عليك ورسوله ‏"‏ ‏.‏ قالت قد قلت وما بي ذلك ولكني ظننت أنك أتيت بعض نسائك ‏.‏ فقال ‏"‏ إن الله تعالى ينزل ليلة النصف من شعبان إلى السماء الدنيا فيغفر لأكثر من عدد شعر غنم كلب ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৩৮৮

حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا عبد الرزاق، أنبأنا ابن أبي سبرة، عن إبراهيم بن محمد، عن معاوية بن عبد الله بن جعفر، عن أبيه، عن علي بن أبي طالب، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إذا كانت ليلة النصف من شعبان فقوموا ليلها وصوموا يومها ‏.‏ فإن الله ينزل فيها لغروب الشمس إلى سماء الدنيا فيقول ألا من مستغفر فأغفر له ألا مسترزق فأرزقه ألا مبتلى فأعافيه ألا كذا ألا كذا حتى يطلع الفجر ‏"‏ ‏.‏

আলী বিন আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন মধ্য শাবানের রাত আসে তখন তোমরা এ রাতে দাঁড়িয়ে সালাত পড় এবং এর দিনে সওম রাখ। কেননা এ দিন সূর্য অস্তমিত হওয়ার পর আল্লাহ পৃথিবীর নিকটতম আকাশে নেমে আসেন এবং বলেন, কে আছো আমার নিকট ক্ষমাপ্রার্থী, আমি তাকে ক্ষমা করবো। কে আছো রিযিকপ্রার্থী আমি তাকে রিযিক দান করবো। কে আছো রোগমুক্তি প্রার্থনাকারী, আমি তাকে নিরাময় দান করবো। কে আছ এই প্রার্থনাকারী। ফজরের সময় হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত (তিনি এভাবে আহবান করেন)। [১৩৮৮] তাহকীক আলবানী : দঈফ জিদ্দান অথবা মাওযু।

আলী বিন আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন মধ্য শাবানের রাত আসে তখন তোমরা এ রাতে দাঁড়িয়ে সালাত পড় এবং এর দিনে সওম রাখ। কেননা এ দিন সূর্য অস্তমিত হওয়ার পর আল্লাহ পৃথিবীর নিকটতম আকাশে নেমে আসেন এবং বলেন, কে আছো আমার নিকট ক্ষমাপ্রার্থী, আমি তাকে ক্ষমা করবো। কে আছো রিযিকপ্রার্থী আমি তাকে রিযিক দান করবো। কে আছো রোগমুক্তি প্রার্থনাকারী, আমি তাকে নিরাময় দান করবো। কে আছ এই প্রার্থনাকারী। ফজরের সময় হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত (তিনি এভাবে আহবান করেন)। [১৩৮৮] তাহকীক আলবানী : দঈফ জিদ্দান অথবা মাওযু।

حدثنا الحسن بن علي الخلال، حدثنا عبد الرزاق، أنبأنا ابن أبي سبرة، عن إبراهيم بن محمد، عن معاوية بن عبد الله بن جعفر، عن أبيه، عن علي بن أبي طالب، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إذا كانت ليلة النصف من شعبان فقوموا ليلها وصوموا يومها ‏.‏ فإن الله ينزل فيها لغروب الشمس إلى سماء الدنيا فيقول ألا من مستغفر فأغفر له ألا مسترزق فأرزقه ألا مبتلى فأعافيه ألا كذا ألا كذا حتى يطلع الفجر ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৩৯০

حدثنا راشد بن سعيد بن راشد الرملي، حدثنا الوليد، عن ابن لهيعة، عن الضحاك بن أيمن، عن الضحاك بن عبد الرحمن بن عرزب، عن أبي موسى الأشعري، عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ إن الله ليطلع في ليلة النصف من شعبان فيغفر لجميع خلقه إلا لمشرك أو مشاحن ‏"‏ ‏.‏ حدثنا محمد بن إسحاق، حدثنا أبو الأسود النضر بن عبد الجبار، حدثنا ابن لهيعة، عن الزبير بن سليم، عن الضحاك بن عبد الرحمن، عن أبيه، قال سمعت أبا موسى، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ نحوه ‏.‏

আবূ মূসা আল-আশআরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ মধ্য শাবানের রাতে আত্নপ্রকাশ করেন এবং মুশরিক ও হিংসুক ব্যতীত তাঁর সৃষ্টির সকলকে ক্ষমা করেন। ৩/১৩৯০ (১). আবূ মূসা আশআরী (রাঃ), নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে। [১৩৯০] তাহকীক আলবানী : হাসান।

আবূ মূসা আল-আশআরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ মধ্য শাবানের রাতে আত্নপ্রকাশ করেন এবং মুশরিক ও হিংসুক ব্যতীত তাঁর সৃষ্টির সকলকে ক্ষমা করেন। ৩/১৩৯০ (১). আবূ মূসা আশআরী (রাঃ), নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে। [১৩৯০] তাহকীক আলবানী : হাসান।

حدثنا راشد بن سعيد بن راشد الرملي، حدثنا الوليد، عن ابن لهيعة، عن الضحاك بن أيمن، عن الضحاك بن عبد الرحمن بن عرزب، عن أبي موسى الأشعري، عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ إن الله ليطلع في ليلة النصف من شعبان فيغفر لجميع خلقه إلا لمشرك أو مشاحن ‏"‏ ‏.‏ حدثنا محمد بن إسحاق، حدثنا أبو الأسود النضر بن عبد الجبار، حدثنا ابن لهيعة، عن الزبير بن سليم، عن الضحاك بن عبد الرحمن، عن أبيه، قال سمعت أبا موسى، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ نحوه ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > কৃতজ্ঞতাসূচক সালাত ও সাজদাহ

সুনানে ইবনে মাজাহ ১৩৯১

حدثنا أبو بشر، بكر بن خلف حدثنا سلمة بن رجاء، حدثتني شعثاء، عن عبد الله بن أبي أوفى، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ صلى يوم بشر برأس أبي جهل ركعتين ‏.‏

আবদুল্লাহ বিন আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ জাহলের শিরচ্ছেদের সুসংবাদ প্রাপ্তি দিবসে দু’ রাকআত শোকরানা সালাত পড়েন। [১৩৯১]

আবদুল্লাহ বিন আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ জাহলের শিরচ্ছেদের সুসংবাদ প্রাপ্তি দিবসে দু’ রাকআত শোকরানা সালাত পড়েন। [১৩৯১]

حدثنا أبو بشر، بكر بن خلف حدثنا سلمة بن رجاء، حدثتني شعثاء، عن عبد الله بن أبي أوفى، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ صلى يوم بشر برأس أبي جهل ركعتين ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৩৯২

حدثنا يحيى بن عثمان بن صالح المصري، أنبأنا أبي، أنبأنا ابن لهيعة، عن يزيد بن أبي حبيب، عن عمرو بن الوليد بن عبدة السهمي، عن أنس بن مالك، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ بشر بحاجة فخر ساجدا ‏.

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কোন প্রয়োজন বা কাজ পূর্ণ হওয়ার সুসংবাদ দেওয়া হলে তিনি (কৃতজ্ঞতার) সাজদাহয় লুটিয়ে পড়েন। [১৩৯২]

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কোন প্রয়োজন বা কাজ পূর্ণ হওয়ার সুসংবাদ দেওয়া হলে তিনি (কৃতজ্ঞতার) সাজদাহয় লুটিয়ে পড়েন। [১৩৯২]

حدثنا يحيى بن عثمان بن صالح المصري، أنبأنا أبي، أنبأنا ابن لهيعة، عن يزيد بن أبي حبيب، عن عمرو بن الوليد بن عبدة السهمي، عن أنس بن مالك، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ بشر بحاجة فخر ساجدا ‏.


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৩৯৪

حدثنا عبدة بن عبد الله الخزاعي، وأحمد بن يوسف السلمي، قالا حدثنا أبو عاصم، عن بكار بن عبد العزيز بن عبد الله بن أبي بكرة، عن أبيه، عن أبي بكرة، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان إذا أتاه أمر يسره أو يسر به خر ساجدا شكرا لله تبارك وتعالى ‏.‏

আবূ বাক্‌রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কোন খুশির খবর আসলে তিনি মহামহিম আল্লাহর সমীপে কৃতজ্ঞতার সাজদাহ্‌য় লুটিয়ে পড়তেন। [১৩৯৪]

আবূ বাক্‌রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কোন খুশির খবর আসলে তিনি মহামহিম আল্লাহর সমীপে কৃতজ্ঞতার সাজদাহ্‌য় লুটিয়ে পড়তেন। [১৩৯৪]

حدثنا عبدة بن عبد الله الخزاعي، وأحمد بن يوسف السلمي، قالا حدثنا أبو عاصم، عن بكار بن عبد العزيز بن عبد الله بن أبي بكرة، عن أبيه، عن أبي بكرة، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان إذا أتاه أمر يسره أو يسر به خر ساجدا شكرا لله تبارك وتعالى ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৩৯৩

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن الزهري، عن عبد الرحمن بن كعب بن مالك، عن أبيه، قال لما تاب الله عليه خر ساجدا ‏.‏

কা’ব বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ যখন তার তাওবা কবুল করেন তখন, তিনি (কৃতজ্ঞতার) সাজদাহয় লুটিয়ে পড়েন। [১৩৯৩]

কা’ব বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ যখন তার তাওবা কবুল করেন তখন, তিনি (কৃতজ্ঞতার) সাজদাহয় লুটিয়ে পড়েন। [১৩৯৩]

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن الزهري، عن عبد الرحمن بن كعب بن مالك، عن أبيه، قال لما تاب الله عليه خر ساجدا ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00