সুনানে ইবনে মাজাহ > সলাতুল খাওফ বা (শংকাকালীন) সালাত।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৫৮
حدثنا محمد بن الصباح، أنبأنا جرير، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في صلاة الخوف " أن يكون الإمام يصلي بطائفة معه فيسجدون سجدة واحدة وتكون طائفة منهم بينهم وبين العدو ثم ينصرف الذين سجدوا السجدة مع أميرهم ثم يكونون مكان الذين لم يصلوا ويتقدم الذين لم يصلوا فيصلوا مع أميرهم سجدة واحدة ثم ينصرف أميرهم وقد صلى صلاته ويصلي كل واحدة من الطائفتين بصلاته سجدة لنفسه فإن كان خوف أشد من ذلك فرجالا أو ركبانا " . قال يعني بالسجدة الركعة .
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাওফ (শংকাকালীন সালাত) সম্পর্কে বলেছেন, ইমাম তার সাথের একদল লোকসহ সালাত পড়বে, তারা (তার সাথে) এক রাকআত সালাত পড়বে এবং অপর দল তাদের ও তাদের শত্রুদের মধ্যে প্রতিরোধ বজায় রাখবে। অতঃপর আমীরের সাথে এক রাকআত পড়া দলটি (প্রতিরক্ষা ব্যূহে) চলে যাবে এবং যে দলটি সালাত পড়েনি তাদের স্থানে অবস্থান নিবে এবং সালাত না পড়া দলটি অগ্রসর হয়ে তাদের আমীরের সাথে এক রাকআত সালাত পড়বে। অতঃপর তাদের আমীর তার সালাত পূর্ণ করে চলে যাবে এবং পূর্বোক্ত দু’টি দল পৃথক পৃথকভাবে আরো এক রাকআত সালাত পড়ে নিবে। যদি অধিক সন্ত্রস্ত অবস্থা বিরাজ করে তবে পদাতিক অবস্থায় বা অশ্বারোহী অবস্থায় (যেভাবে সম্ভব) সালাত পড়ে নিবে। রাবী বলেন, এখানে সাজদাহ দ্বারা রাকআত বুঝানো হয়েছে। [১২৫৮]
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাওফ (শংকাকালীন সালাত) সম্পর্কে বলেছেন, ইমাম তার সাথের একদল লোকসহ সালাত পড়বে, তারা (তার সাথে) এক রাকআত সালাত পড়বে এবং অপর দল তাদের ও তাদের শত্রুদের মধ্যে প্রতিরোধ বজায় রাখবে। অতঃপর আমীরের সাথে এক রাকআত পড়া দলটি (প্রতিরক্ষা ব্যূহে) চলে যাবে এবং যে দলটি সালাত পড়েনি তাদের স্থানে অবস্থান নিবে এবং সালাত না পড়া দলটি অগ্রসর হয়ে তাদের আমীরের সাথে এক রাকআত সালাত পড়বে। অতঃপর তাদের আমীর তার সালাত পূর্ণ করে চলে যাবে এবং পূর্বোক্ত দু’টি দল পৃথক পৃথকভাবে আরো এক রাকআত সালাত পড়ে নিবে। যদি অধিক সন্ত্রস্ত অবস্থা বিরাজ করে তবে পদাতিক অবস্থায় বা অশ্বারোহী অবস্থায় (যেভাবে সম্ভব) সালাত পড়ে নিবে। রাবী বলেন, এখানে সাজদাহ দ্বারা রাকআত বুঝানো হয়েছে। [১২৫৮]
حدثنا محمد بن الصباح، أنبأنا جرير، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في صلاة الخوف " أن يكون الإمام يصلي بطائفة معه فيسجدون سجدة واحدة وتكون طائفة منهم بينهم وبين العدو ثم ينصرف الذين سجدوا السجدة مع أميرهم ثم يكونون مكان الذين لم يصلوا ويتقدم الذين لم يصلوا فيصلوا مع أميرهم سجدة واحدة ثم ينصرف أميرهم وقد صلى صلاته ويصلي كل واحدة من الطائفتين بصلاته سجدة لنفسه فإن كان خوف أشد من ذلك فرجالا أو ركبانا " . قال يعني بالسجدة الركعة .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৬০
حدثنا أحمد بن عبدة، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، حدثنا أيوب، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ صلى بأصحابه صلاة الخوف فركع بهم جميعا ثم سجد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ والصف الذين يلونه والآخرون قيام حتى إذا نهض سجد أولئك بأنفسهم سجدتين ثم تأخر الصف المقدم حتى قاموا مقام أولئك وتخلل أولئك حتى قاموا مقام الصف المقدم فركع بهم النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ جميعا ثم سجد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ والصف الذي يلونه فلما رفعوا رءوسهم سجد أولئك سجدتين فكلهم قد ركع مع النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ وسجدت طائفة بأنفسهم سجدتين وكان العدو مما يلي القبلة .
জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবীগণকে নিয়ে সলাতুল খাওফ আদায় করেন। তিনি তাঁর নিকটস্থ সকলকে নিয়ে রুকূ‘ করেন এবং অন্যরা দাঁড়িয়ে থাকে। প্রথম দল সাজদাহ করে অবসর হলে দ্বিতীয় দল স্বতন্ত্রভাবে দু’ টি সাজদাহ করে। অতঃপর প্রথম দল পিছনে সরে গিয়ে পূর্বোক্ত দলের স্থানে অবস্থান নেয় এবং শেষোক্ত দল সামনে অগ্রসর হয়ে (জামাআতে) প্রথম দলের স্থানে এসে দাঁড়ায়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের নিকটস্থ সকলকে নিয়ে রুকূ‘ করেন এবং সাজদাহ করেন। তারা সাজদাহ থেকে অবসর হলে দ্বিতীয় দল দু’টি সাজদাহ করে। তাদের প্রতিটি দল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে এক রাকআত সালাত পড়ে এবং পৃথকভাবে এক রাকআত পড়ে, তখন শত্রুবাহিনী তাদের সম্মুখভাগে ছিল। [১২৬০]
জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবীগণকে নিয়ে সলাতুল খাওফ আদায় করেন। তিনি তাঁর নিকটস্থ সকলকে নিয়ে রুকূ‘ করেন এবং অন্যরা দাঁড়িয়ে থাকে। প্রথম দল সাজদাহ করে অবসর হলে দ্বিতীয় দল স্বতন্ত্রভাবে দু’ টি সাজদাহ করে। অতঃপর প্রথম দল পিছনে সরে গিয়ে পূর্বোক্ত দলের স্থানে অবস্থান নেয় এবং শেষোক্ত দল সামনে অগ্রসর হয়ে (জামাআতে) প্রথম দলের স্থানে এসে দাঁড়ায়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের নিকটস্থ সকলকে নিয়ে রুকূ‘ করেন এবং সাজদাহ করেন। তারা সাজদাহ থেকে অবসর হলে দ্বিতীয় দল দু’টি সাজদাহ করে। তাদের প্রতিটি দল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে এক রাকআত সালাত পড়ে এবং পৃথকভাবে এক রাকআত পড়ে, তখন শত্রুবাহিনী তাদের সম্মুখভাগে ছিল। [১২৬০]
حدثنا أحمد بن عبدة، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، حدثنا أيوب، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ صلى بأصحابه صلاة الخوف فركع بهم جميعا ثم سجد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ والصف الذين يلونه والآخرون قيام حتى إذا نهض سجد أولئك بأنفسهم سجدتين ثم تأخر الصف المقدم حتى قاموا مقام أولئك وتخلل أولئك حتى قاموا مقام الصف المقدم فركع بهم النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ جميعا ثم سجد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ والصف الذي يلونه فلما رفعوا رءوسهم سجد أولئك سجدتين فكلهم قد ركع مع النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ وسجدت طائفة بأنفسهم سجدتين وكان العدو مما يلي القبلة .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৫৯
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد القطان، حدثني يحيى بن سعيد الأنصاري، عن القاسم بن محمد، عن صالح بن خوات، عن سهل بن أبي حثمة، أنه قال في صلاة الخوف قال يقوم الإمام مستقبل القبلة وتقوم طائفة منهم معه وطائفة من قبل العدو ووجوههم إلى الصف فيركع بهم ركعة ويركعون لأنفسهم ويسجدون لأنفسهم سجدتين في مكانهم ثم يذهبون إلى مقام أولئك ويجيء أولئك فيركع بهم ركعة ويسجد بهم سجدتين فهي له ثنتان ولهم واحدة ثم يركعون ركعة واحدة ويسجدون سجدتين . قال محمد بن بشار فسألت يحيى بن سعيد القطان عن هذا الحديث فحدثني عن شعبة عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن صالح بن خوات عن سهل بن أبي حثمة عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ بمثل حديث يحيى بن سعيد . قال قال لي يحيى اكتبه إلى جنبه ولست أحفظ الحديث ولكن مثل حديث يحيى .
সাহল বিন আবূ হাসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি সলাতুল খাওফ সম্পর্কে বলেন, ইমাম কিবলামুখী হয়ে দাঁড়াবেন, তাদের একদলও তার সাথে (সলাতে) দাঁড়াবে এবং অপর দল শত্রুর প্রতিরোধে থাকবে এবং তাদের দৃষ্টি থাকবে কাতারের দিকে। তিনি তাদেরকে নিয়ে এক রাকআত পড়বেন, অতঃপর তারা স্বতন্ত্রভাবে দু’ সাজদাহয় এক রাকআত পড়বেন তাদের স্থানে। অতঃপর তারা পূর্বোক্ত দলের স্থানে ফিরে যাবে এবং তারা এসে গেলে তিনি তাদেরকে নিয়ে দু’ সাজদাহয় আরো এক রাকআত পড়বেন। এতে তার হবে দু’ রাকআত আর লোকেদের হবে এক রাকআত। অতঃপর তারা দু’ সাজদাহয় এক রাকআত পড়বেন। ২/১২৫৯ (১). সাহল বিন আবূ হাসমা (রাঃ), নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে ইয়াহইয়া বিন সা‘ঈদের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। রাবী (মুহাম্মাদ বিন বাশ্শার) বলেন, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আমাকে বললেন, এ হাদীস ও এক কোণায় লিখে নাও। আমি হাদীসটি মুখস্ত রাখতে পারিনি কিন্তু তা ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-আনসারীর হাদীসের অনুরূপ। [১২৫৯] তাহকীক আলবানী : সহীহ।
সাহল বিন আবূ হাসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি সলাতুল খাওফ সম্পর্কে বলেন, ইমাম কিবলামুখী হয়ে দাঁড়াবেন, তাদের একদলও তার সাথে (সলাতে) দাঁড়াবে এবং অপর দল শত্রুর প্রতিরোধে থাকবে এবং তাদের দৃষ্টি থাকবে কাতারের দিকে। তিনি তাদেরকে নিয়ে এক রাকআত পড়বেন, অতঃপর তারা স্বতন্ত্রভাবে দু’ সাজদাহয় এক রাকআত পড়বেন তাদের স্থানে। অতঃপর তারা পূর্বোক্ত দলের স্থানে ফিরে যাবে এবং তারা এসে গেলে তিনি তাদেরকে নিয়ে দু’ সাজদাহয় আরো এক রাকআত পড়বেন। এতে তার হবে দু’ রাকআত আর লোকেদের হবে এক রাকআত। অতঃপর তারা দু’ সাজদাহয় এক রাকআত পড়বেন। ২/১২৫৯ (১). সাহল বিন আবূ হাসমা (রাঃ), নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে ইয়াহইয়া বিন সা‘ঈদের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। রাবী (মুহাম্মাদ বিন বাশ্শার) বলেন, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আমাকে বললেন, এ হাদীস ও এক কোণায় লিখে নাও। আমি হাদীসটি মুখস্ত রাখতে পারিনি কিন্তু তা ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-আনসারীর হাদীসের অনুরূপ। [১২৫৯] তাহকীক আলবানী : সহীহ।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد القطان، حدثني يحيى بن سعيد الأنصاري، عن القاسم بن محمد، عن صالح بن خوات، عن سهل بن أبي حثمة، أنه قال في صلاة الخوف قال يقوم الإمام مستقبل القبلة وتقوم طائفة منهم معه وطائفة من قبل العدو ووجوههم إلى الصف فيركع بهم ركعة ويركعون لأنفسهم ويسجدون لأنفسهم سجدتين في مكانهم ثم يذهبون إلى مقام أولئك ويجيء أولئك فيركع بهم ركعة ويسجد بهم سجدتين فهي له ثنتان ولهم واحدة ثم يركعون ركعة واحدة ويسجدون سجدتين . قال محمد بن بشار فسألت يحيى بن سعيد القطان عن هذا الحديث فحدثني عن شعبة عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن صالح بن خوات عن سهل بن أبي حثمة عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ بمثل حديث يحيى بن سعيد . قال قال لي يحيى اكتبه إلى جنبه ولست أحفظ الحديث ولكن مثل حديث يحيى .
সুনানে ইবনে মাজাহ > সলাতুল কুসূফ (সূর্যগ্রহণের সালাত)
সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৬১
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا إسماعيل بن أبي خالد، عن قيس بن أبي حازم، عن أبي مسعود، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إن الشمس والقمر لا ينكسفان لموت أحد من الناس فإذا رأيتموه فقوموا فصلوا " .
আবূ মাসউদ (উকবাহ বিন আমর বিন সা’লাবাহ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মানবজাতির মধ্যে কারো মৃত্যুর কারণে সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ হয় না। অতএব তোমরা তা দেখলে সলাতে দাঁড়িয়ে যাও। [১২৬১]
আবূ মাসউদ (উকবাহ বিন আমর বিন সা’লাবাহ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মানবজাতির মধ্যে কারো মৃত্যুর কারণে সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ হয় না। অতএব তোমরা তা দেখলে সলাতে দাঁড়িয়ে যাও। [১২৬১]
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي، حدثنا إسماعيل بن أبي خالد، عن قيس بن أبي حازم، عن أبي مسعود، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إن الشمس والقمر لا ينكسفان لموت أحد من الناس فإذا رأيتموه فقوموا فصلوا " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৬২
حدثنا محمد بن المثنى، وأحمد بن ثابت، وجميل بن الحسن، قالوا حدثنا عبد الوهاب، حدثنا خالد الحذاء، عن أبي قلابة، عن النعمان بن بشير، قال انكسفت الشمس على عهد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فخرج فزعا يجر ثوبه حتى أتى المسجد فلم يزل يصلي حتى انجلت ثم قال " إن أناسا يزعمون أن الشمس والقمر لا ينكسفان إلا لموت عظيم من العظماء وليس كذلك إن الشمس والقمر لا ينكسفان لموت أحد ولا لحياته فإذا تجلى الله لشىء من خلقه خشع له " .
নু’মান বিন বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে সূর্যগ্রহণ হয়। তিনি ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় তাঁর পরিধেয় বস্ত্র হেঁচড়াতে হেঁচড়াতে মাসজিদে এসে পৌঁছেন। গ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি সলাতে রত থাকেন অতঃপর তিনি বলেন, এক দল লোক ধারণা করে যে, কোন মহান নেতার মৃত্যুর কারণে সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ হয়ে থাকে। আসলে তা নয়। কারো মৃত্যু অথবা জীবিত থাকার কারণে সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ হয় না। আল্লাহ তাআলা যখন তাঁর কোন সৃষ্টির উপর তাজাল্লী বিস্তার করেন তখন তা তাঁর ভয়ে ভীত হয়। [১২৬২]
নু’মান বিন বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে সূর্যগ্রহণ হয়। তিনি ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় তাঁর পরিধেয় বস্ত্র হেঁচড়াতে হেঁচড়াতে মাসজিদে এসে পৌঁছেন। গ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি সলাতে রত থাকেন অতঃপর তিনি বলেন, এক দল লোক ধারণা করে যে, কোন মহান নেতার মৃত্যুর কারণে সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ হয়ে থাকে। আসলে তা নয়। কারো মৃত্যু অথবা জীবিত থাকার কারণে সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ হয় না। আল্লাহ তাআলা যখন তাঁর কোন সৃষ্টির উপর তাজাল্লী বিস্তার করেন তখন তা তাঁর ভয়ে ভীত হয়। [১২৬২]
حدثنا محمد بن المثنى، وأحمد بن ثابت، وجميل بن الحسن، قالوا حدثنا عبد الوهاب، حدثنا خالد الحذاء، عن أبي قلابة، عن النعمان بن بشير، قال انكسفت الشمس على عهد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فخرج فزعا يجر ثوبه حتى أتى المسجد فلم يزل يصلي حتى انجلت ثم قال " إن أناسا يزعمون أن الشمس والقمر لا ينكسفان إلا لموت عظيم من العظماء وليس كذلك إن الشمس والقمر لا ينكسفان لموت أحد ولا لحياته فإذا تجلى الله لشىء من خلقه خشع له " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৬৩
حدثنا أحمد بن عمرو بن السرح المصري، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني عروة بن الزبير، عن عائشة، قالت كسفت الشمس في حياة رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فخرج رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ إلى المسجد فقام فكبر فصف الناس وراءه فقرأ رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قراءة طويلة ثم كبر فركع ركوعا طويلا ثم رفع رأسه فقال " سمع الله لمن حمده ربنا ولك الحمد " . ثم قام فقرأ قراءة طويلة هي أدنى من القراءة الأولى ثم كبر فركع ركوعا طويلا هو أدنى من الركوع الأول ثم قال " سمع الله لمن حمده ربنا ولك الحمد " . ثم فعل في الركعة الأخرى مثل ذلك فاستكمل أربع ركعات وأربع سجدات وانجلت الشمس قبل أن ينصرف ثم قام فخطب الناس فأثنى على الله بما هو أهله ثم قال " إن الشمس والقمر آيتان من آيات الله لا ينكسفان لموت أحد ولا لحياته فإذا رأيتموهما فافزعوا إلى الصلاة " .
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবদ্দশায় সূর্যগ্রহণ হলে তিনি বের হয়ে মাসজিদে চলে যান। তিনি দাঁড়িয়ে তাকবীরে তাহরীমা বলেন এবং লোকজন তাঁর পিছনে কাতারবন্দী হয়ে দাঁড়ায়। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দীর্ঘ কিরাআত পড়েন, অতঃপর তাকবীর বলে দীর্ঘ রুকূ‘ করেন, অতঃপর মাথা তুলে “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ রব্বানা ওয়ালাকাল হাম্দ” বলেন। অতঃপর দাঁড়িয়ে দীর্ঘ কিরাআত পড়েন, তবে তা ছিল পূর্বের কিরাআতের তুলনায় কম দীর্ঘ। অতঃপর তাকবীর বলে রুকূ‘তে গিয়ে দীর্ঘ রুকূ‘ করেন, তবে তা পূর্বের রুকূ‘র চেয়ে কম দীর্ঘ ছিল। অতঃপর “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ রব্বানা ওয়ালাকাল হাম্দ” বলেন। তিনি দ্বিতীয় রাকআতেও তাই করেন। তিনি মোট চার রাকআত সালাত পড়েন এবং তাঁর সালাত শেষ করার পূর্বেই সূর্যগ্রহণ সমাপ্ত হয়। অতঃপর তিনি দাঁড়িয়ে লোকেদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। তিনি আল্লাহ তাআলার যথোপযুক্ত প্রশংসা করার পর বলেন, সূর্য ও চন্দ্র আল্লাহর নির্দেশসমূহের অন্তর্ভূক্ত দু’টি নিদর্শন। কারো জীবন-মৃত্যুতে সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ হয় না। তোমরা তা দেখলে ভীত-সম্ভস্ত হয়ে সলাতে রত হও। [১২৬৩]
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবদ্দশায় সূর্যগ্রহণ হলে তিনি বের হয়ে মাসজিদে চলে যান। তিনি দাঁড়িয়ে তাকবীরে তাহরীমা বলেন এবং লোকজন তাঁর পিছনে কাতারবন্দী হয়ে দাঁড়ায়। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দীর্ঘ কিরাআত পড়েন, অতঃপর তাকবীর বলে দীর্ঘ রুকূ‘ করেন, অতঃপর মাথা তুলে “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ রব্বানা ওয়ালাকাল হাম্দ” বলেন। অতঃপর দাঁড়িয়ে দীর্ঘ কিরাআত পড়েন, তবে তা ছিল পূর্বের কিরাআতের তুলনায় কম দীর্ঘ। অতঃপর তাকবীর বলে রুকূ‘তে গিয়ে দীর্ঘ রুকূ‘ করেন, তবে তা পূর্বের রুকূ‘র চেয়ে কম দীর্ঘ ছিল। অতঃপর “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ রব্বানা ওয়ালাকাল হাম্দ” বলেন। তিনি দ্বিতীয় রাকআতেও তাই করেন। তিনি মোট চার রাকআত সালাত পড়েন এবং তাঁর সালাত শেষ করার পূর্বেই সূর্যগ্রহণ সমাপ্ত হয়। অতঃপর তিনি দাঁড়িয়ে লোকেদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। তিনি আল্লাহ তাআলার যথোপযুক্ত প্রশংসা করার পর বলেন, সূর্য ও চন্দ্র আল্লাহর নির্দেশসমূহের অন্তর্ভূক্ত দু’টি নিদর্শন। কারো জীবন-মৃত্যুতে সূর্যগ্রহণ বা চন্দ্রগ্রহণ হয় না। তোমরা তা দেখলে ভীত-সম্ভস্ত হয়ে সলাতে রত হও। [১২৬৩]
حدثنا أحمد بن عمرو بن السرح المصري، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني عروة بن الزبير، عن عائشة، قالت كسفت الشمس في حياة رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فخرج رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ إلى المسجد فقام فكبر فصف الناس وراءه فقرأ رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قراءة طويلة ثم كبر فركع ركوعا طويلا ثم رفع رأسه فقال " سمع الله لمن حمده ربنا ولك الحمد " . ثم قام فقرأ قراءة طويلة هي أدنى من القراءة الأولى ثم كبر فركع ركوعا طويلا هو أدنى من الركوع الأول ثم قال " سمع الله لمن حمده ربنا ولك الحمد " . ثم فعل في الركعة الأخرى مثل ذلك فاستكمل أربع ركعات وأربع سجدات وانجلت الشمس قبل أن ينصرف ثم قام فخطب الناس فأثنى على الله بما هو أهله ثم قال " إن الشمس والقمر آيتان من آيات الله لا ينكسفان لموت أحد ولا لحياته فإذا رأيتموهما فافزعوا إلى الصلاة " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৬৪
حدثنا علي بن محمد، ومحمد بن إسماعيل، قالا حدثنا وكيع، عن سفيان، عن الأسود بن قيس، عن ثعلبة بن عباد، عن سمرة بن جندب، قال صلى بنا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في الكسوف فلا نسمع له صوتا .
সামুরাহ বিন জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাথে নিয়ে সূর্যগ্রহণের সালাত পড়লেন। আমরা তাঁর (কিরাআতের) কোন শব্দ শুনতে পাইনি। [১২৬৪]
সামুরাহ বিন জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাথে নিয়ে সূর্যগ্রহণের সালাত পড়লেন। আমরা তাঁর (কিরাআতের) কোন শব্দ শুনতে পাইনি। [১২৬৪]
حدثنا علي بن محمد، ومحمد بن إسماعيل، قالا حدثنا وكيع، عن سفيان، عن الأسود بن قيس، عن ثعلبة بن عباد، عن سمرة بن جندب، قال صلى بنا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في الكسوف فلا نسمع له صوتا .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৬৫
حدثنا محرز بن سلمة العدني، حدثنا نافع بن عمر الجمحي، عن ابن أبي مليكة، عن أسماء بنت أبي بكر، قالت صلى رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ صلاة الكسوف فقام فأطال القيام ثم ركع فأطال الركوع ثم رفع فقام فأطال القيام ثم ركع فأطال الركوع ثم رفع ثم سجد فأطال السجود ثم رفع ثم سجد فأطال السجود ثم رفع فقام فأطال القيام ثم ركع فأطال الركوع ثم رفع فقام فأطال القيام ثم ركع فأطال الركوع ثم رفع ثم سجد فأطال السجود ثم رفع ثم سجد فأطال السجود ثم انصرف فقال " لقد دنت مني الجنة حتى لو اجترأت عليها لجئتكم بقطاف من قطافها ودنت مني النار حتى قلت أى رب وأنا فيهم " . قال نافع حسبت أنه قال " ورأيت امرأة تخدشها هرة لها فقلت ما شأن هذه قالوا حبستها حتى ماتت جوعا لا هي أطعمتها ولا هي أرسلتها تأكل من خشاش الأرض " .
আসমা’ বিনতু আবূ বাক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্যগ্রহণের সালাত পড়েন। তাতে তিনি দীর্ঘ কিয়াম করেন, দীর্ঘ রুকূ‘ করেন, রুকূ‘ থেকে উঠেও দীর্ঘ কিয়াম করেন, পুনরায় দীর্ঘ রুকূ‘ করেন, অতঃপর মাথা তোলেন, অতঃপর সাজদাহয় গিয়ে দীর্ঘ সাজদাহ করেন, অতঃপর মাথা তোলেন, আবার দীর্ঘ সাজদাহ করেন, অতঃপর উঠে দীর্ঘ কিয়াম করেন, অতঃপর রুকূ‘তে গিয়েও দীর্ঘক্ষণ রুকূ‘তে থাকেন, অতঃপর মাথা তুলে পুনরায় সাজদাহ্য় গিয়ে দীর্ঘক্ষণ সাজদাহ্য় থাকেন। অতঃপর সালাত শেষ করে বলেন, জান্নাত আমার নিকটবর্তী হলো, এমনকি আমি ইচ্ছা করলে হাত বাড়িয়ে তার ফলগুচ্ছ আহরণ করে তোমাদের জন্য নিয়ে আসতে পারতাম। অনুরূপভাবে জাহান্নাম আমার নিকটবর্তী হলো, এমনকি আমি বললাম, হে প্রভু! আমি তাদের মধ্যে থাকতেও (কি তাদের শাস্তি দেয়া হবে)? নাফি‘ (রাঃ) বলেন, আমার মনে হয় তিনি একথাও বলেছেন, আমি এক নারীকে দেখলাম যে, তার একটি বিড়াল তাকে নখর দ্বার আঁচড় কাটছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, তার এ অবস্থা কেন? ফেরেশতারা বলেন, সে একে আটক করে রেখেছিল, অবশেষে অনাহারে এটি মারা যায়। সে একে আহারও দেয়নি এবং ছেড়েও দেয়নি, যাতে জমিনের কীট-পত্যঙ্গ খেতে পারতো। [১২৬৫]
আসমা’ বিনতু আবূ বাক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্যগ্রহণের সালাত পড়েন। তাতে তিনি দীর্ঘ কিয়াম করেন, দীর্ঘ রুকূ‘ করেন, রুকূ‘ থেকে উঠেও দীর্ঘ কিয়াম করেন, পুনরায় দীর্ঘ রুকূ‘ করেন, অতঃপর মাথা তোলেন, অতঃপর সাজদাহয় গিয়ে দীর্ঘ সাজদাহ করেন, অতঃপর মাথা তোলেন, আবার দীর্ঘ সাজদাহ করেন, অতঃপর উঠে দীর্ঘ কিয়াম করেন, অতঃপর রুকূ‘তে গিয়েও দীর্ঘক্ষণ রুকূ‘তে থাকেন, অতঃপর মাথা তুলে পুনরায় সাজদাহ্য় গিয়ে দীর্ঘক্ষণ সাজদাহ্য় থাকেন। অতঃপর সালাত শেষ করে বলেন, জান্নাত আমার নিকটবর্তী হলো, এমনকি আমি ইচ্ছা করলে হাত বাড়িয়ে তার ফলগুচ্ছ আহরণ করে তোমাদের জন্য নিয়ে আসতে পারতাম। অনুরূপভাবে জাহান্নাম আমার নিকটবর্তী হলো, এমনকি আমি বললাম, হে প্রভু! আমি তাদের মধ্যে থাকতেও (কি তাদের শাস্তি দেয়া হবে)? নাফি‘ (রাঃ) বলেন, আমার মনে হয় তিনি একথাও বলেছেন, আমি এক নারীকে দেখলাম যে, তার একটি বিড়াল তাকে নখর দ্বার আঁচড় কাটছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, তার এ অবস্থা কেন? ফেরেশতারা বলেন, সে একে আটক করে রেখেছিল, অবশেষে অনাহারে এটি মারা যায়। সে একে আহারও দেয়নি এবং ছেড়েও দেয়নি, যাতে জমিনের কীট-পত্যঙ্গ খেতে পারতো। [১২৬৫]
حدثنا محرز بن سلمة العدني، حدثنا نافع بن عمر الجمحي، عن ابن أبي مليكة، عن أسماء بنت أبي بكر، قالت صلى رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ صلاة الكسوف فقام فأطال القيام ثم ركع فأطال الركوع ثم رفع فقام فأطال القيام ثم ركع فأطال الركوع ثم رفع ثم سجد فأطال السجود ثم رفع ثم سجد فأطال السجود ثم رفع فقام فأطال القيام ثم ركع فأطال الركوع ثم رفع فقام فأطال القيام ثم ركع فأطال الركوع ثم رفع ثم سجد فأطال السجود ثم رفع ثم سجد فأطال السجود ثم انصرف فقال " لقد دنت مني الجنة حتى لو اجترأت عليها لجئتكم بقطاف من قطافها ودنت مني النار حتى قلت أى رب وأنا فيهم " . قال نافع حسبت أنه قال " ورأيت امرأة تخدشها هرة لها فقلت ما شأن هذه قالوا حبستها حتى ماتت جوعا لا هي أطعمتها ولا هي أرسلتها تأكل من خشاش الأرض " .
সুনানে ইবনে মাজাহ > ইস্তিস্কার (বৃষ্টি প্রার্থনার) সালাত
সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৬৬
حدثنا علي بن محمد، ومحمد بن إسماعيل، قالا حدثنا وكيع، عن سفيان، عن هشام بن إسحاق بن عبد الله بن كنانة، عن أبيه، قال أرسلني أمير من الأمراء إلى ابن عباس أسأله عن الصلاة، في الاستسقاء فقال ابن عباس ما منعه أن يسألني، قال خرج رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ متواضعا متبذلا متخشعا مترسلا متضرعا فصلى ركعتين كما يصلي في العيد ولم يخطب خطبتكم هذه .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(ইসহাক) বলেন, কোন এক শাসক ইসতিসকার সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য আমাকে ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট পাঠান। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, সরাসরি আমার নিকট জিজ্ঞেস করতে তাকে কিসে বাধা দিলো। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিনয়ী ও নম্রভাবে, সাধারণ পোশাক পরে ভীত বিহাল হয়ে রওয়ানা করে ধীর পদে (মাঠে) পৌঁছে দু’ রাকআত সালাত পড়লনে, যে ভাবে তিনি ঈদের সালাত পড়েন। কিন্তু তিনি তোমাদের এই খুতবাহ্র ন্যায় খুতবাহ দেননি। [১২৬৬]
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(ইসহাক) বলেন, কোন এক শাসক ইসতিসকার সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য আমাকে ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট পাঠান। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, সরাসরি আমার নিকট জিজ্ঞেস করতে তাকে কিসে বাধা দিলো। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিনয়ী ও নম্রভাবে, সাধারণ পোশাক পরে ভীত বিহাল হয়ে রওয়ানা করে ধীর পদে (মাঠে) পৌঁছে দু’ রাকআত সালাত পড়লনে, যে ভাবে তিনি ঈদের সালাত পড়েন। কিন্তু তিনি তোমাদের এই খুতবাহ্র ন্যায় খুতবাহ দেননি। [১২৬৬]
حدثنا علي بن محمد، ومحمد بن إسماعيل، قالا حدثنا وكيع، عن سفيان، عن هشام بن إسحاق بن عبد الله بن كنانة، عن أبيه، قال أرسلني أمير من الأمراء إلى ابن عباس أسأله عن الصلاة، في الاستسقاء فقال ابن عباس ما منعه أن يسألني، قال خرج رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ متواضعا متبذلا متخشعا مترسلا متضرعا فصلى ركعتين كما يصلي في العيد ولم يخطب خطبتكم هذه .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৬৮
حدثنا أحمد بن الأزهر، والحسن بن أبي الربيع، قالا حدثنا وهب بن جرير، حدثنا أبي قال، سمعت النعمان، يحدث عن الزهري، عن حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، قال خرج رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يوما يستسقي فصلى بنا ركعتين بلا أذان ولا إقامة ثم خطبنا ودعا الله وحول وجهه نحو القبلة رافعا يديه ثم قلب رداءه فجعل الأيمن على الأيسر والأيسر على الأيمن .
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক দিন বৃষ্টি প্রার্থনার জন্য রওয়ানা হলেন। তিনি আমাদেরকে সাথে নিয়ে আযান ও ইকামাত ব্যতীত দু’ রাকআত সালাত পড়েন, অতঃপর আমাদের উদ্দেশ্যে খুতবাহ দিলেন, তাঁর মুখমণ্ডল কিবলামুখী করে তাঁর উভয় হাত উপরে তুলে আল্লাহর নিকট দুআ’ করেন এবং তাঁর চাদর উলোটপালট করে পরেন, চাদরের ডান দিক বামে এবং বাম দিন ডানে আনেন। [১২৬৮]
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক দিন বৃষ্টি প্রার্থনার জন্য রওয়ানা হলেন। তিনি আমাদেরকে সাথে নিয়ে আযান ও ইকামাত ব্যতীত দু’ রাকআত সালাত পড়েন, অতঃপর আমাদের উদ্দেশ্যে খুতবাহ দিলেন, তাঁর মুখমণ্ডল কিবলামুখী করে তাঁর উভয় হাত উপরে তুলে আল্লাহর নিকট দুআ’ করেন এবং তাঁর চাদর উলোটপালট করে পরেন, চাদরের ডান দিক বামে এবং বাম দিন ডানে আনেন। [১২৬৮]
حدثنا أحمد بن الأزهر، والحسن بن أبي الربيع، قالا حدثنا وهب بن جرير، حدثنا أبي قال، سمعت النعمان، يحدث عن الزهري، عن حميد بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، قال خرج رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يوما يستسقي فصلى بنا ركعتين بلا أذان ولا إقامة ثم خطبنا ودعا الله وحول وجهه نحو القبلة رافعا يديه ثم قلب رداءه فجعل الأيمن على الأيسر والأيسر على الأيمن .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৬৭
حدثنا محمد بن الصباح، حدثنا سفيان، عن عبد الله بن أبي بكر، قال سمعت عباد بن تميم، يحدث أبي عن عمه، أنه شهد النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ خرج إلى المصلى ليستسقي فاستقبل القبلة وقلب رداءه وصلى ركعتين . حدثنا محمد بن الصباح، أنبأنا سفيان، عن يحيى بن سعيد، عن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم، عن عباد بن تميم، عن عمه، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ بمثله . قال سفيان عن المسعودي قال سألت أبا بكر بن محمد بن عمرو أجعل أعلاه أسفله أو اليمين على الشمال قال لا بل اليمين على الشمال .
আবদুল্লাহ বিন যায়দ বিন আসিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সম্পর্কে সাক্ষ্য দেন যে, তিনি ইসতিসকার সালাত পড়ার জন্য মাঠে রওয়ানা হলেন। তিনি (মাঠে পৌঁছে) কিবলামুখী হন, তাঁর চাদর উল্টিয়ে পরেন এবং দু’ রাকআত সালাত পড়েন। ২/১২৬৭ (১). আবদুল্লাহ বিন যায়দ বিন আসিম (রাঃ), নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। সুফ্ইয়ান মাসঊদী (রাঃ) বলেন, আমি আবূ বাক্র বিন মুহাম্মাদকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি কি তাঁর পোশাকের উপরিভাগ নিচে করেছিলেন, না ডান দিক বাঁ দিকে করেছিলেন? তিনি বলেন, না, বরং ডান দিক বাঁ দিকে করেছিলেন। [১২৬৭] তাহকীক আলবানী : মাসঊদীর (আরবী) কথা ব্যতীত সহীহ।
আবদুল্লাহ বিন যায়দ বিন আসিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সম্পর্কে সাক্ষ্য দেন যে, তিনি ইসতিসকার সালাত পড়ার জন্য মাঠে রওয়ানা হলেন। তিনি (মাঠে পৌঁছে) কিবলামুখী হন, তাঁর চাদর উল্টিয়ে পরেন এবং দু’ রাকআত সালাত পড়েন। ২/১২৬৭ (১). আবদুল্লাহ বিন যায়দ বিন আসিম (রাঃ), নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। সুফ্ইয়ান মাসঊদী (রাঃ) বলেন, আমি আবূ বাক্র বিন মুহাম্মাদকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি কি তাঁর পোশাকের উপরিভাগ নিচে করেছিলেন, না ডান দিক বাঁ দিকে করেছিলেন? তিনি বলেন, না, বরং ডান দিক বাঁ দিকে করেছিলেন। [১২৬৭] তাহকীক আলবানী : মাসঊদীর (আরবী) কথা ব্যতীত সহীহ।
حدثنا محمد بن الصباح، حدثنا سفيان، عن عبد الله بن أبي بكر، قال سمعت عباد بن تميم، يحدث أبي عن عمه، أنه شهد النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ خرج إلى المصلى ليستسقي فاستقبل القبلة وقلب رداءه وصلى ركعتين . حدثنا محمد بن الصباح، أنبأنا سفيان، عن يحيى بن سعيد، عن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم، عن عباد بن تميم، عن عمه، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ بمثله . قال سفيان عن المسعودي قال سألت أبا بكر بن محمد بن عمرو أجعل أعلاه أسفله أو اليمين على الشمال قال لا بل اليمين على الشمال .
সুনানে ইবনে মাজাহ > ইসতিসকার সলাতের দুআ’।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৭১
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا معتمر، عن أبيه، عن بركة، عن بشير بن نهيك، عن أبي هريرة، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ استسقى حتى رأيت - أو رؤي - بياض إبطيه . قال معتمر أراه في الاستسقاء .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বৃষ্টিপাতের জন্য দুআ’ করলেন, এমনি আমি তাঁর বগলের শুভ্রতা (উপরে হাত তোলার কারণে) দেখতে পাই। অধস্তন রাবী মু’তামির (রাঃ) বলেন, আমার মতে তিনি ইসতিসকার সলাতে এভাবে দুআ’ করেন।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বৃষ্টিপাতের জন্য দুআ’ করলেন, এমনি আমি তাঁর বগলের শুভ্রতা (উপরে হাত তোলার কারণে) দেখতে পাই। অধস্তন রাবী মু’তামির (রাঃ) বলেন, আমার মতে তিনি ইসতিসকার সলাতে এভাবে দুআ’ করেন।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا معتمر، عن أبيه، عن بركة، عن بشير بن نهيك، عن أبي هريرة، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ استسقى حتى رأيت - أو رؤي - بياض إبطيه . قال معتمر أراه في الاستسقاء .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৭০
حدثنا محمد بن أبي القاسم أبو الأحوص، حدثنا الحسن بن الربيع، حدثنا عبد الله بن إدريس، حدثنا حصين، عن حبيب بن أبي ثابت، عن ابن عباس، قال جاء أعرابي إلى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال يا رسول الله لقد جئتك من عند قوم ما يتزود لهم راع ولا يخطر لهم فحل . فصعد المنبر فحمد الله ثم قال " اللهم اسقنا غيثا مغيثا مريئا طبقا مريعا غدقا عاجلا غير رائث " . ثم نزل فما يأتيه أحد من وجه من الوجوه إلا قالوا قد أحيينا .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক বেদুইন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললো, ইয়া রসূলাল্লাহ! আমি অবশ্যি এমন এক সম্প্রদায়ের নিকট থেকে আপনার নিকট উপস্থিত হয়েছি যাদের রাখালদের পর্যাপ্ত আহারের সংস্থান নেই, এমনকি তারা তাদের চতুস্পদ জন্তুর বেঁচে থাকার আশাও ত্যাগ করেছে। তিনি সালাত পড়লেন অতঃপর মিম্বারে উঠে আল্লাহ্র প্রশংসা করলেন, অতঃপর দুআ’ বললেনঃ “হে আল্লাহ! আমাদেরকে সাহায্যকারী বৃষ্টির পানি দান করুন যা সুপেয়, পর্যাপ্ত, ফসল উৎপাদক, প্রচুর, অবিলম্বে, বিলম্বে নয়”। অতঃপর তিনি মিম্বার থেকে নামলেন। অতঃপর যে সকল লোকই তাঁর নিকট এসেছে তারাই বলেছেন, আমাদের এখানে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে। [১২৭০]
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক বেদুইন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললো, ইয়া রসূলাল্লাহ! আমি অবশ্যি এমন এক সম্প্রদায়ের নিকট থেকে আপনার নিকট উপস্থিত হয়েছি যাদের রাখালদের পর্যাপ্ত আহারের সংস্থান নেই, এমনকি তারা তাদের চতুস্পদ জন্তুর বেঁচে থাকার আশাও ত্যাগ করেছে। তিনি সালাত পড়লেন অতঃপর মিম্বারে উঠে আল্লাহ্র প্রশংসা করলেন, অতঃপর দুআ’ বললেনঃ “হে আল্লাহ! আমাদেরকে সাহায্যকারী বৃষ্টির পানি দান করুন যা সুপেয়, পর্যাপ্ত, ফসল উৎপাদক, প্রচুর, অবিলম্বে, বিলম্বে নয়”। অতঃপর তিনি মিম্বার থেকে নামলেন। অতঃপর যে সকল লোকই তাঁর নিকট এসেছে তারাই বলেছেন, আমাদের এখানে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে। [১২৭০]
حدثنا محمد بن أبي القاسم أبو الأحوص، حدثنا الحسن بن الربيع، حدثنا عبد الله بن إدريس، حدثنا حصين، عن حبيب بن أبي ثابت، عن ابن عباس، قال جاء أعرابي إلى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال يا رسول الله لقد جئتك من عند قوم ما يتزود لهم راع ولا يخطر لهم فحل . فصعد المنبر فحمد الله ثم قال " اللهم اسقنا غيثا مغيثا مريئا طبقا مريعا غدقا عاجلا غير رائث " . ثم نزل فما يأتيه أحد من وجه من الوجوه إلا قالوا قد أحيينا .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৭২
حدثنا أحمد بن الأزهر، حدثنا أبو النضر، حدثنا أبو عقيل، عن عمر بن حمزة، حدثنا سالم، عن أبيه، قال ربما ذكرت قول الشاعر وأنا أنظر، إلى وجه رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ على المنبر فما نزل حتى جيش كل ميزاب بالمدينة فأذكر قول الشاعر وأبيض يستسقى الغمام بوجهه ثمال اليتامى عصمة للأرامل وهو قول أبي طالب .
আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কখনও কখনও আমার কবির কবিতা স্মরণ হতো এবং আমি মিম্বারের উপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চেহারা মোবারকের দিকে লক্ষ্য নিবদ্ধ করে রাখতাম। তিনি মিম্বার থেকে অবতরণ না করতেই মাদীনাহ্র বাড়িঘরের ছাদের পানিবাহী নল দিয়ে (বৃষ্টির) পানি পড়তে শুরু করে (পানি অপসারী নালা দিয়ে পানি বয়ে যেতে শুরু করতো)। তখন কবির কবিতা আমার মনে পড়ে যেতো : “কত সুন্দর সৌন্দর্যময় সত্তা, যাঁর উসীলায় বৃষ্টি বর্ষণের প্রার্থনা করা যায়, যিনি ইয়াতীম ও বিধবাদের আশ্রয়স্থল”। এটা আবূ তালিবের কবিতা। [১২৭২]
আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কখনও কখনও আমার কবির কবিতা স্মরণ হতো এবং আমি মিম্বারের উপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চেহারা মোবারকের দিকে লক্ষ্য নিবদ্ধ করে রাখতাম। তিনি মিম্বার থেকে অবতরণ না করতেই মাদীনাহ্র বাড়িঘরের ছাদের পানিবাহী নল দিয়ে (বৃষ্টির) পানি পড়তে শুরু করে (পানি অপসারী নালা দিয়ে পানি বয়ে যেতে শুরু করতো)। তখন কবির কবিতা আমার মনে পড়ে যেতো : “কত সুন্দর সৌন্দর্যময় সত্তা, যাঁর উসীলায় বৃষ্টি বর্ষণের প্রার্থনা করা যায়, যিনি ইয়াতীম ও বিধবাদের আশ্রয়স্থল”। এটা আবূ তালিবের কবিতা। [১২৭২]
حدثنا أحمد بن الأزهر، حدثنا أبو النضر، حدثنا أبو عقيل، عن عمر بن حمزة، حدثنا سالم، عن أبيه، قال ربما ذكرت قول الشاعر وأنا أنظر، إلى وجه رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ على المنبر فما نزل حتى جيش كل ميزاب بالمدينة فأذكر قول الشاعر وأبيض يستسقى الغمام بوجهه ثمال اليتامى عصمة للأرامل وهو قول أبي طالب .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৬৯
حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن سالم بن أبي الجعد، عن شرحبيل بن السمط، أنه قال لكعب يا كعب بن مرة حدثنا عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ واحذر . قال جاء رجل إلى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال يا رسول الله استسق الله فرفع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يديه فقال " اللهم اسقنا غيثا مريئا مريعا طبقا عاجلا غير رائث نافعا غير ضار " . قال فما جمعوا حتى أجيبوا . قال فأتوه فشكوا إليه المطر فقالوا يا رسول الله تهدمت البيوت . فقال " اللهم حوالينا ولا علينا " . قال فجعل السحاب ينقطع يمينا وشمالا .
শুরাহবীল ইবনুস সিমত থেকে বর্নিতঃ
তিনি কা‘ব বিন মুররাহ (রাঃ)-কে বলেন, হে কা‘ব বিন মুররাহ! আমাদের নিকট রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাদীস বর্ণনা করুন এবং সতর্কতা অবলম্বন করুন। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহ্র রসূল! আল্লাহ্র নিকট বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করুন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর দু’হাত তুলে দুআ’ করেন : “আল্লাহুম্মা আসকিনা গাইছান মারী’আন মারী’আন তবাকান আজিলান গাইরা রাইছিন নাফিআন গাইরা দাররিন” (হে আল্লাহ! আমাদেরকে এমন বৃষ্টির পানি দান করুন যা সুপেয়, ফসল উৎপাদক, পর্যাপ্ত, বিলম্ব নয়, অবিলম্বে, উপকারী এবং ক্ষতিকর নয়)। কা‘ব (রাঃ) বলেন, জুমুআর সালাত শেষ না হতেই বৃষ্টি হয়ে গেলো। পড়ে লোকেরা তাঁর নিকট এসে অতিবৃষ্টির অভিযোগ করলো এবং বললো, হে আল্লাহ্র রসূল! বাড়িঘর ধ্বসে যাচ্ছে। তিনি বলেন, হে আল্লাহ! আমাদের উপর নয়, আমাদের আশেপাশে বর্ষিত হোক। রাবী বলেন, তৎক্ষণাৎ মেঘমালা টুকরা টুকরা হয়ে ডানে-বামে সরে গেলো। [১২৬৯]
শুরাহবীল ইবনুস সিমত থেকে বর্নিতঃ
তিনি কা‘ব বিন মুররাহ (রাঃ)-কে বলেন, হে কা‘ব বিন মুররাহ! আমাদের নিকট রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাদীস বর্ণনা করুন এবং সতর্কতা অবলম্বন করুন। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহ্র রসূল! আল্লাহ্র নিকট বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করুন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর দু’হাত তুলে দুআ’ করেন : “আল্লাহুম্মা আসকিনা গাইছান মারী’আন মারী’আন তবাকান আজিলান গাইরা রাইছিন নাফিআন গাইরা দাররিন” (হে আল্লাহ! আমাদেরকে এমন বৃষ্টির পানি দান করুন যা সুপেয়, ফসল উৎপাদক, পর্যাপ্ত, বিলম্ব নয়, অবিলম্বে, উপকারী এবং ক্ষতিকর নয়)। কা‘ব (রাঃ) বলেন, জুমুআর সালাত শেষ না হতেই বৃষ্টি হয়ে গেলো। পড়ে লোকেরা তাঁর নিকট এসে অতিবৃষ্টির অভিযোগ করলো এবং বললো, হে আল্লাহ্র রসূল! বাড়িঘর ধ্বসে যাচ্ছে। তিনি বলেন, হে আল্লাহ! আমাদের উপর নয়, আমাদের আশেপাশে বর্ষিত হোক। রাবী বলেন, তৎক্ষণাৎ মেঘমালা টুকরা টুকরা হয়ে ডানে-বামে সরে গেলো। [১২৬৯]
حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن سالم بن أبي الجعد، عن شرحبيل بن السمط، أنه قال لكعب يا كعب بن مرة حدثنا عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ واحذر . قال جاء رجل إلى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال يا رسول الله استسق الله فرفع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يديه فقال " اللهم اسقنا غيثا مريئا مريعا طبقا عاجلا غير رائث نافعا غير ضار " . قال فما جمعوا حتى أجيبوا . قال فأتوه فشكوا إليه المطر فقالوا يا رسول الله تهدمت البيوت . فقال " اللهم حوالينا ولا علينا " . قال فجعل السحاب ينقطع يمينا وشمالا .