সুনানে ইবনে মাজাহ > বসা অবস্থায় পড়া সলাতের নেকী দাঁড়ানো অবস্থায় পড়া সলাতের অর্ধেক।

সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৩০

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا بشر بن عمر، حدثنا عبد الله بن جعفر، حدثني إسماعيل بن محمد بن سعد، عن أنس بن مالك، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ خرج فرأى أناسا يصلون قعودا فقال ‏ "‏ صلاة القاعد على النصف من صلاة القائم ‏"‏ ‏.‏

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হয়ে এসে কিছু সংখ্যক লোককে বসা অবস্থায় সালাত আদায় করতে দেখেন। তিনি বলেন, বসে সালাত আদায়কারির সলাতের নেকী দাঁড়িয়ে সালাত আদায়কারীর সলাতের অর্ধেক। [১২৩০]

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হয়ে এসে কিছু সংখ্যক লোককে বসা অবস্থায় সালাত আদায় করতে দেখেন। তিনি বলেন, বসে সালাত আদায়কারির সলাতের নেকী দাঁড়িয়ে সালাত আদায়কারীর সলাতের অর্ধেক। [১২৩০]

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا بشر بن عمر، حدثنا عبد الله بن جعفر، حدثني إسماعيل بن محمد بن سعد، عن أنس بن مالك، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ خرج فرأى أناسا يصلون قعودا فقال ‏ "‏ صلاة القاعد على النصف من صلاة القائم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৩১

حدثنا بشر بن هلال الصواف، حدثنا يزيد بن زريع، عن حسين المعلم، عن عبد الله بن بريدة، عن عمران بن حصين، أنه سأل رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ عن الرجل يصلي قاعدا قال ‏ "‏ من صلى قائما فهو أفضل ومن صلى قاعدا فله نصف أجر القائم ومن صلى نائما فله نصف أجر القاعد ‏"‏ ‏.‏

ইমরান বিন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে ব্যক্তি বসে সালাত পড়ে তার সম্পর্কে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাস করেন। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি দাঁড়িয়ে সালাত পড়ে সে অধিক উত্তম। আর যে ব্যক্তি বসে সালাত পড়ে তার নেকী দাঁড়িয়ে সালাত আদায়কারীর অর্ধেক। আর যে ব্যক্তি শোয়া অবস্থায় সালাত পড়ে তার নেকী বসা অবস্থায় সালাত আদায়কারীর অর্ধেক। [১২৩১]

ইমরান বিন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে ব্যক্তি বসে সালাত পড়ে তার সম্পর্কে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাস করেন। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি দাঁড়িয়ে সালাত পড়ে সে অধিক উত্তম। আর যে ব্যক্তি বসে সালাত পড়ে তার নেকী দাঁড়িয়ে সালাত আদায়কারীর অর্ধেক। আর যে ব্যক্তি শোয়া অবস্থায় সালাত পড়ে তার নেকী বসা অবস্থায় সালাত আদায়কারীর অর্ধেক। [১২৩১]

حدثنا بشر بن هلال الصواف، حدثنا يزيد بن زريع، عن حسين المعلم، عن عبد الله بن بريدة، عن عمران بن حصين، أنه سأل رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ عن الرجل يصلي قاعدا قال ‏ "‏ من صلى قائما فهو أفضل ومن صلى قاعدا فله نصف أجر القائم ومن صلى نائما فله نصف أجر القاعد ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১২২৯

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا قطبة، عن الأعمش، عن حبيب بن أبي ثابت، عن عبد الله بن باباه، عن عبد الله بن عمرو، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ مر به وهو يصلي جالسا فقال ‏ "‏ صلاة الجالس على النصف من صلاة القائم ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ বিন আম্‌র (ইবনুল আস) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে অতিক্রম করে যাওয়ার সময় তিনি বসা অবস্থায় সালাত পড়ছিলেন। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি বসে সালাত পড়ে তার নেকী, যে ব্যক্তি দাঁড়িয়ে সালাত পড়ে তার অর্ধেক। [১২২৯]

আবদুল্লাহ বিন আম্‌র (ইবনুল আস) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে অতিক্রম করে যাওয়ার সময় তিনি বসা অবস্থায় সালাত পড়ছিলেন। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি বসে সালাত পড়ে তার নেকী, যে ব্যক্তি দাঁড়িয়ে সালাত পড়ে তার অর্ধেক। [১২২৯]

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا قطبة، عن الأعمش، عن حبيب بن أبي ثابت، عن عبد الله بن باباه، عن عبد الله بن عمرو، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ مر به وهو يصلي جالسا فقال ‏ "‏ صلاة الجالس على النصف من صلاة القائم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > রোগাক্রান্ত অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সালাত।

সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৩২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، ووكيع، عن الأعمش، ح وحدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، قالت لما مرض رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ مرضه الذي مات فيه - وقال أبو معاوية لما ثقل - جاء بلال يؤذنه بالصلاة فقال ‏"‏ مروا أبا بكر فليصل بالناس ‏"‏ ‏.‏ قلنا يا رسول الله إن أبا بكر رجل أسيف - تعني رقيق - ومتى ما يقوم مقامك يبكي فلا يستطيع فلو أمرت عمر فصلى بالناس ‏.‏ فقال ‏"‏ مروا أبا بكر فليصل بالناس فإنكن صواحبات يوسف ‏"‏ ‏.‏ قالت فأرسلنا إلى أبي بكر فصلى بالناس فوجد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ من نفسه خفة فخرج إلى الصلاة يهادى بين رجلين ورجلاه تخطان في الأرض فلما أحس به أبو بكر ذهب ليتأخر فأومى إليه النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ أن مكانك ‏.‏ قال فجاء حتى أجلساه إلى جنب أبي بكر فكان أبو بكر يأتم بالنبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ والناس يأتمون بأبي بكر ‏.‏

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মৃত্যুব্যাধিতে আক্রান্ত অবস্থায় বিলাল (রাঃ) এসে তাঁকে সলাতের কথা অবহিত করেন। তিনি বলেন, তোমরা আবূ বাক্‌রকে নির্দেশ দাও তিনি যেন লোকদের সালাত পড়ান। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আবূ বাকর (রাঃ) নরম দিলের লোক। যখনই তিনি আপনার স্থানে দাঁড়াবেন তখনই কেঁদে ফেলবেন এবং (সালাত পড়াতে) সক্ষম হবেন না। অতএব আপনি যদি উমার (রাঃ)-কে নির্দেশ দিতেন তাহলে তিনি লোকেদের সালাত পড়াতেন। তিনি বলেন, তোমরা আবূ বাক্‌রকে নির্দেশ দাও তিনি যেন লোকেদের সালাত পড়ান। তোমরা (মু’মিন জননীগণ) যেন ইউসুফ (আঃ)-এর সঙ্গিনীগনের অনুরূপ। আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমরা আবূ বকর (রাঃ)-এর নিকট লোক পাঠালে তিনি লোকেদের নিয়ে সালাত পড়া শুরু করেন। ইত্যবসরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজেকে একটু হালকা (সুস্থ) বোধ করলে দু’ ব্যক্তির কাঁধে ভর করে মাটিতে তাঁর পদদ্বয় হেঁচড়াতে হেঁচড়াতে সালাত আদায় করতে রওয়ানা হন। আবূ বকর (রাঃ) তাঁর আগমন টের পেয়ে পেছনে সরে যেতে উদ্যোগী হন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশারা করে তাকে স্বস্থানে স্থির থাকতে বলেন। রাবী বলেন, তিনি (মাসজিদে) এসে পৌঁছলে সাহায্যকারীদ্বয় তাঁকে আবূ বাকর (রাঃ) এর পাশে বসিয়ে দেন। আবূ বকর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইকতিদা করলেন এবং লোকেরা আবূ বকর (রাঃ)-এর ইকতিদা করে। [১২৩২]

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মৃত্যুব্যাধিতে আক্রান্ত অবস্থায় বিলাল (রাঃ) এসে তাঁকে সলাতের কথা অবহিত করেন। তিনি বলেন, তোমরা আবূ বাক্‌রকে নির্দেশ দাও তিনি যেন লোকদের সালাত পড়ান। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আবূ বাকর (রাঃ) নরম দিলের লোক। যখনই তিনি আপনার স্থানে দাঁড়াবেন তখনই কেঁদে ফেলবেন এবং (সালাত পড়াতে) সক্ষম হবেন না। অতএব আপনি যদি উমার (রাঃ)-কে নির্দেশ দিতেন তাহলে তিনি লোকেদের সালাত পড়াতেন। তিনি বলেন, তোমরা আবূ বাক্‌রকে নির্দেশ দাও তিনি যেন লোকেদের সালাত পড়ান। তোমরা (মু’মিন জননীগণ) যেন ইউসুফ (আঃ)-এর সঙ্গিনীগনের অনুরূপ। আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমরা আবূ বকর (রাঃ)-এর নিকট লোক পাঠালে তিনি লোকেদের নিয়ে সালাত পড়া শুরু করেন। ইত্যবসরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজেকে একটু হালকা (সুস্থ) বোধ করলে দু’ ব্যক্তির কাঁধে ভর করে মাটিতে তাঁর পদদ্বয় হেঁচড়াতে হেঁচড়াতে সালাত আদায় করতে রওয়ানা হন। আবূ বকর (রাঃ) তাঁর আগমন টের পেয়ে পেছনে সরে যেতে উদ্যোগী হন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশারা করে তাকে স্বস্থানে স্থির থাকতে বলেন। রাবী বলেন, তিনি (মাসজিদে) এসে পৌঁছলে সাহায্যকারীদ্বয় তাঁকে আবূ বাকর (রাঃ) এর পাশে বসিয়ে দেন। আবূ বকর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইকতিদা করলেন এবং লোকেরা আবূ বকর (রাঃ)-এর ইকতিদা করে। [১২৩২]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، ووكيع، عن الأعمش، ح وحدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، قالت لما مرض رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ مرضه الذي مات فيه - وقال أبو معاوية لما ثقل - جاء بلال يؤذنه بالصلاة فقال ‏"‏ مروا أبا بكر فليصل بالناس ‏"‏ ‏.‏ قلنا يا رسول الله إن أبا بكر رجل أسيف - تعني رقيق - ومتى ما يقوم مقامك يبكي فلا يستطيع فلو أمرت عمر فصلى بالناس ‏.‏ فقال ‏"‏ مروا أبا بكر فليصل بالناس فإنكن صواحبات يوسف ‏"‏ ‏.‏ قالت فأرسلنا إلى أبي بكر فصلى بالناس فوجد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ من نفسه خفة فخرج إلى الصلاة يهادى بين رجلين ورجلاه تخطان في الأرض فلما أحس به أبو بكر ذهب ليتأخر فأومى إليه النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ أن مكانك ‏.‏ قال فجاء حتى أجلساه إلى جنب أبي بكر فكان أبو بكر يأتم بالنبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ والناس يأتمون بأبي بكر ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৩৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت أمر رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ أبا بكر أن يصلي بالناس في مرضه فكان يصلي بهم فوجد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ خفة فخرج وإذا أبو بكر يؤم الناس فلما رآه أبو بكر استأخر فأشار إليه رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ أى كما أنت فجلس رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ حذاء أبي بكر إلى جنبه فكان أبو بكر يصلي بصلاة رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ والناس يصلون بصلاة أبي بكر ‏.‏

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রোগগ্রস্ত অবস্থায় আবূ বকর (রাঃ)-কে নির্দেশ দেন যে, তিনি যেন লোকেদের সালাত পড়ান। অতএব তিনি তাদের সালাত পড়াচ্ছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছুটা হালকা (সুস্থতা) বোধ করলেন। অতএব তিনি বের হলেন, তখন আবূ বকর (রাঃ) লোকেদের ইমামতি করছিলেন। তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখে পেছনে হটতে উদ্যোগী হন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ইশারা করে স্বস্থানে থাকতে বলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ বকর (রাঃ)-এর ঠিক বামে বসলেন। আবূ বকর (রাঃ) তাঁর ইমামতিতে সালাত পড়েন এবং লোকেরা আবূ বকর (রাঃ)-এর ইমামতিতে সালাত পড়ে। [১২৩৩]

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রোগগ্রস্ত অবস্থায় আবূ বকর (রাঃ)-কে নির্দেশ দেন যে, তিনি যেন লোকেদের সালাত পড়ান। অতএব তিনি তাদের সালাত পড়াচ্ছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছুটা হালকা (সুস্থতা) বোধ করলেন। অতএব তিনি বের হলেন, তখন আবূ বকর (রাঃ) লোকেদের ইমামতি করছিলেন। তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখে পেছনে হটতে উদ্যোগী হন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ইশারা করে স্বস্থানে থাকতে বলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ বকর (রাঃ)-এর ঠিক বামে বসলেন। আবূ বকর (রাঃ) তাঁর ইমামতিতে সালাত পড়েন এবং লোকেরা আবূ বকর (রাঃ)-এর ইমামতিতে সালাত পড়ে। [১২৩৩]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت أمر رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ أبا بكر أن يصلي بالناس في مرضه فكان يصلي بهم فوجد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ خفة فخرج وإذا أبو بكر يؤم الناس فلما رآه أبو بكر استأخر فأشار إليه رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ أى كما أنت فجلس رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ حذاء أبي بكر إلى جنبه فكان أبو بكر يصلي بصلاة رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ والناس يصلون بصلاة أبي بكر ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৩৪

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، أنبأنا عبد الله بن داود، من كتابه في بيته قال سلمة بن نبيط أنبأنا عن نعيم بن أبي هند عن نبيط بن شريط عن سالم بن عبيد قال أغمي على رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في مرضه ثم أفاق فقال ‏"‏ أحضرت الصلاة ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم ‏.‏ قال ‏"‏ مروا بلالا فليؤذن ومروا أبا بكر فليصل بالناس - أو للناس - ‏"‏ ‏.‏ ثم أغمي عليه فأفاق فقال ‏"‏ أحضرت الصلاة ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم ‏.‏ قال ‏"‏ مروا بلالا فليؤذن ومروا أبا بكر فليصل بالناس ‏"‏ ‏.‏ ثم أغمي عليه فأفاق فقال ‏"‏ أحضرت الصلاة ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم ‏.‏ قال ‏"‏ مروا بلالا فليؤذن ومروا أبا بكر فليصل بالناس ‏"‏ ‏.‏ فقالت عائشة إن أبي رجل أسيف فإذا قام ذلك المقام يبكي لا يستطيع فلو أمرت غيره ‏.‏ ثم أغمي عليه فأفاق فقال ‏"‏ مروا بلالا فليؤذن ومروا أبا بكر فليصل بالناس فإنكن صواحب يوسف أو صواحبات يوسف ‏"‏ ‏.‏ قال فأمر بلال فأذن وأمر أبو بكر فصلى بالناس ثم إن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وجد خفة فقال ‏"‏ انظروا لي من أتكئ عليه ‏"‏ ‏.‏ فجاءت بريرة ورجل آخر فاتكأ عليهما فلما رآه أبو بكر ذهب لينكص فأومأ إليه أن اثبت مكانك ثم جاء رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ حتى جلس إلى جنب أبي بكر حتى قضى أبو بكر صلاته ثم إن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قبض ‏.‏ قال أبو عبد الله هذا حديث غريب لم يحدث به غير نصر بن علي ‏.‏

সালিম বিন উবায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর অসুস্থ অবস্থায় বেহুঁশ হয়ে পড়লেন, অতঃপর হুঁশ ফিরে পেলে তিনি জিজ্ঞেস করেন : সলাতের ওয়াক্ত হয়েছে কি? তারা বললেন, হাঁ। তিনি বলেন, বিলালকে আযান দিতে নির্দেশ দাও এবং আবূ বাক্‌রকে লোকেদের নিয়ে সালাত আদায় করতে নির্দেশ দাও। তিনি আবার সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন, অতঃপর সংজ্ঞা ফিরে পেলে তিনি জিজ্ঞেস করেন : সলাতের ওয়াক্ত হয়েছে কি? লোকেরা বললো, হাঁ। তিনি বলেন, বিলালকে আযান দিতে এবং আবূ বাক্‌রকে লোকেদের নিয়ে সালাত আদায় করতে নির্দেশ দাও। তিনি পুনরায় সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন। তিনি সংজ্ঞা ফিরে পেলে জিজ্ঞেস করেন : সলাতের ওয়াক্ত হয়েছে কি? লোকেরা বললো, হাঁ। তিনি বলেন, বিলালকে আযান দিতে এবং আবূ বাক্‌রকে লোকেদের নিয়ে সালাত আদায় করতে নির্দেশ দাও। আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমার পিতা নরম দিলের মানুষ। তিনি যখন ঐ স্থানে দাঁড়াবেন তখন কেঁদে দিবেন এবং (কিরাআত পড়তে) সক্ষম হবেন না। অতএব আপনি যদি অপর কাউকে নির্দেশ দিতেন। তিনি পুনরায় সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন। অতঃপর সংজ্ঞা ফিরে পেলে তিনি বলেন, বিলালকে আযান দিতে এবং আবূ বাক্‌রকে লোকেদের নিয়ে সালাত আদায় করতে নির্দেশ দাও। তোমরা হলে ইউসুফ (আঃ)-এর সঙ্গী বা সঙ্গিনী। রাবী বলেন, বিলাল (রাঃ)-কে নির্দেশ দেয়া হলে তিনি আযান দেন এবং আবূ বাকর (রাঃ)-কে নির্দেশ দেয়া হলে তিনি লোকেদের নিয়ে সালাত পড়েন। ইত্যবসরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছুটা হালকা বোধ করলে বলেন, দেখো তো আমার ভর দিয়ে যাওয়ার মত কাউকে পাওয়া যায় কিনা। বারীরা (রাঃ) ও অপর এক ব্যক্তি এলে তিনি তাদের উপর ভর করে (মাসজিদে যান)। আবূ বকর (রাঃ) তাঁকে দেখতে পেয়ে পিছনে সরতে যাচ্ছিলেন। তিনি তাঁকে ইশারায় স্বস্থানে স্থির থাকতে বলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে আবূ বকর (রাঃ)-এর পাশে বসেন। আবূ বাকর (রাঃ) তার সালাত শেষ করেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইনতিকাল করেন। আবূ আবদুল্লাহ্‌ (ইমাম ইবনু মাজাহ) বলেন, এ হাদীসটি গরীব। নাস্‌র বিন আলী ব্যতীত আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি।

সালিম বিন উবায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর অসুস্থ অবস্থায় বেহুঁশ হয়ে পড়লেন, অতঃপর হুঁশ ফিরে পেলে তিনি জিজ্ঞেস করেন : সলাতের ওয়াক্ত হয়েছে কি? তারা বললেন, হাঁ। তিনি বলেন, বিলালকে আযান দিতে নির্দেশ দাও এবং আবূ বাক্‌রকে লোকেদের নিয়ে সালাত আদায় করতে নির্দেশ দাও। তিনি আবার সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন, অতঃপর সংজ্ঞা ফিরে পেলে তিনি জিজ্ঞেস করেন : সলাতের ওয়াক্ত হয়েছে কি? লোকেরা বললো, হাঁ। তিনি বলেন, বিলালকে আযান দিতে এবং আবূ বাক্‌রকে লোকেদের নিয়ে সালাত আদায় করতে নির্দেশ দাও। তিনি পুনরায় সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন। তিনি সংজ্ঞা ফিরে পেলে জিজ্ঞেস করেন : সলাতের ওয়াক্ত হয়েছে কি? লোকেরা বললো, হাঁ। তিনি বলেন, বিলালকে আযান দিতে এবং আবূ বাক্‌রকে লোকেদের নিয়ে সালাত আদায় করতে নির্দেশ দাও। আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমার পিতা নরম দিলের মানুষ। তিনি যখন ঐ স্থানে দাঁড়াবেন তখন কেঁদে দিবেন এবং (কিরাআত পড়তে) সক্ষম হবেন না। অতএব আপনি যদি অপর কাউকে নির্দেশ দিতেন। তিনি পুনরায় সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন। অতঃপর সংজ্ঞা ফিরে পেলে তিনি বলেন, বিলালকে আযান দিতে এবং আবূ বাক্‌রকে লোকেদের নিয়ে সালাত আদায় করতে নির্দেশ দাও। তোমরা হলে ইউসুফ (আঃ)-এর সঙ্গী বা সঙ্গিনী। রাবী বলেন, বিলাল (রাঃ)-কে নির্দেশ দেয়া হলে তিনি আযান দেন এবং আবূ বাকর (রাঃ)-কে নির্দেশ দেয়া হলে তিনি লোকেদের নিয়ে সালাত পড়েন। ইত্যবসরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছুটা হালকা বোধ করলে বলেন, দেখো তো আমার ভর দিয়ে যাওয়ার মত কাউকে পাওয়া যায় কিনা। বারীরা (রাঃ) ও অপর এক ব্যক্তি এলে তিনি তাদের উপর ভর করে (মাসজিদে যান)। আবূ বকর (রাঃ) তাঁকে দেখতে পেয়ে পিছনে সরতে যাচ্ছিলেন। তিনি তাঁকে ইশারায় স্বস্থানে স্থির থাকতে বলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে আবূ বকর (রাঃ)-এর পাশে বসেন। আবূ বাকর (রাঃ) তার সালাত শেষ করেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইনতিকাল করেন। আবূ আবদুল্লাহ্‌ (ইমাম ইবনু মাজাহ) বলেন, এ হাদীসটি গরীব। নাস্‌র বিন আলী ব্যতীত আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি।

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، أنبأنا عبد الله بن داود، من كتابه في بيته قال سلمة بن نبيط أنبأنا عن نعيم بن أبي هند عن نبيط بن شريط عن سالم بن عبيد قال أغمي على رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في مرضه ثم أفاق فقال ‏"‏ أحضرت الصلاة ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم ‏.‏ قال ‏"‏ مروا بلالا فليؤذن ومروا أبا بكر فليصل بالناس - أو للناس - ‏"‏ ‏.‏ ثم أغمي عليه فأفاق فقال ‏"‏ أحضرت الصلاة ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم ‏.‏ قال ‏"‏ مروا بلالا فليؤذن ومروا أبا بكر فليصل بالناس ‏"‏ ‏.‏ ثم أغمي عليه فأفاق فقال ‏"‏ أحضرت الصلاة ‏"‏ ‏.‏ قالوا نعم ‏.‏ قال ‏"‏ مروا بلالا فليؤذن ومروا أبا بكر فليصل بالناس ‏"‏ ‏.‏ فقالت عائشة إن أبي رجل أسيف فإذا قام ذلك المقام يبكي لا يستطيع فلو أمرت غيره ‏.‏ ثم أغمي عليه فأفاق فقال ‏"‏ مروا بلالا فليؤذن ومروا أبا بكر فليصل بالناس فإنكن صواحب يوسف أو صواحبات يوسف ‏"‏ ‏.‏ قال فأمر بلال فأذن وأمر أبو بكر فصلى بالناس ثم إن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وجد خفة فقال ‏"‏ انظروا لي من أتكئ عليه ‏"‏ ‏.‏ فجاءت بريرة ورجل آخر فاتكأ عليهما فلما رآه أبو بكر ذهب لينكص فأومأ إليه أن اثبت مكانك ثم جاء رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ حتى جلس إلى جنب أبي بكر حتى قضى أبو بكر صلاته ثم إن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قبض ‏.‏ قال أبو عبد الله هذا حديث غريب لم يحدث به غير نصر بن علي ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৩৫

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن الأرقم بن شرحبيل، عن ابن عباس، قال لما مرض رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ مرضه الذي مات فيه كان في بيت عائشة ‏.‏ فقال ‏"‏ ادعوا لي عليا ‏"‏ ‏.‏ قالت عائشة يا رسول الله ندعو لك أبا بكر قال ‏"‏ ادعوه ‏"‏ ‏.‏ قالت حفصة يا رسول الله ندعو لك عمر قال ‏"‏ ادعوه ‏"‏ ‏.‏ قالت أم الفضل يا رسول الله ندعو لك العباس قال ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ فلما اجتمعوا رفع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ رأسه فنظر فسكت فقال عمر قوموا عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏ ثم جاء بلال يؤذنه بالصلاة فقال ‏"‏ مروا أبا بكر فليصل بالناس ‏"‏ ‏.‏ فقالت عائشة يا رسول الله إن أبا بكر رجل رقيق حصر ومتى لا يراك يبكي والناس يبكون فلو أمرت عمر يصلي بالناس ‏.‏ فخرج أبو بكر فصلى بالناس فوجد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ من نفسه خفة فخرج يهادى بين رجلين ورجلاه تخطان في الأرض فلما رآه الناس سبحوا بأبي بكر فذهب ليستأخر فأومأ إليه النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ أى مكانك فجاء رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فجلس عن يمينه وقام أبو بكر فكان أبو بكر يأتم بالنبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ والناس يأتمون بأبي بكر ‏.‏ قال ابن عباس فأخذ رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ من القراءة من حيث كان بلغ أبو بكر ‏.‏ قال وكيع وكذا السنة ‏.‏ قال فمات رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في مرضه ذلك ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মরণ ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার পর আয়িশা (রাঃ)-এর ঘরে ছিলেন। তিনি বলেন, তোমরা আলীকে আমার নিকট ডেকে আনো। আয়িশা (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা আবূ বাক্‌রকেও আপনার নিকট ডেকে আনি? তিনি বলেন, তাকেও ডেকে আনো। হাফসা (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা উমারকেও আপনার নিকট ডেকে আনি? তিনি বলেন, তাকেও ডাকো। উম্মুল ফাদল (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রসূল! আব্বাস (রাঃ)-কেও আপনার নিকট ডেকে আনি? তিনি বলেন, হাঁ। তারা একত্র হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাথা উত্তোলন করে তাকান এবং নিশ্চুপ থাকেন উমার (রাঃ) বলেন, তোমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট থেকে উঠে যাও। অতঃপর বিলাল (রাঃ) এসে তাঁকে সালাত সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি বলেন, আবূ বাক্‌রকে নির্দেশ দাও তিনি যেন লোকদের নিয়ে সালাত পড়েন। আয়িশা (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রসূল! আবূ বকর (রাঃ) নরম দিলের লোক, তিনি কিরাআত পড়তে সক্ষম হবেন না, তিনি আপনাকে দেখতে না পেলেই কেঁদে ফেলবেন এবং লোকেরাও কেঁদে ফেলবে। অতএব আপনি যদি উমার (রাঃ)-কে লোকেদের সালাত পড়াবার নির্দেশ দিতেন! আবূ বকর (রাঃ) বেরিয়ে এসে লোকেদের সাথে নিয়ে সালাত শুরু করলেন। ইত্যবসরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হালকা বোধ করলেন এবং দু’জন লোকের উপর ভর করে তাঁর দু’ পা মাটিতে হেঁচড়াতে হেঁচড়াতে বের হলেন। লোকেরা তাকে দেখতে পেয়ে সুবহানাল্লাহ বলে আবূ বকর (রাঃ)-কে সতর্ক করলো। তিনি পেছনে সরে যেতে উদ্যোগী হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ইশারা করে স্বস্থানে থাকতে বলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে তার ডান পাশে বসলেন এবং আবূ বকর (রাঃ) দাঁড়ালেন। আবূ বাকর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইকতিদা করলেন এবং লোকেরা আবূ বাকর (রাঃ)-এর ইকতিদা করলো। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, আবূ বকর (রাঃ) যে পর্যন্ত কিরাআত পড়েছিলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তারপর থেকে কিরাআত শুরু করেন। ওয়াকী‘ (রাঃ) বলেন, এটাই সুন্নাত। রাবী বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর এই রোগেই ইনতিকাল করেন। [১২৩৫]

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মরণ ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার পর আয়িশা (রাঃ)-এর ঘরে ছিলেন। তিনি বলেন, তোমরা আলীকে আমার নিকট ডেকে আনো। আয়িশা (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা আবূ বাক্‌রকেও আপনার নিকট ডেকে আনি? তিনি বলেন, তাকেও ডেকে আনো। হাফসা (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা উমারকেও আপনার নিকট ডেকে আনি? তিনি বলেন, তাকেও ডাকো। উম্মুল ফাদল (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রসূল! আব্বাস (রাঃ)-কেও আপনার নিকট ডেকে আনি? তিনি বলেন, হাঁ। তারা একত্র হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাথা উত্তোলন করে তাকান এবং নিশ্চুপ থাকেন উমার (রাঃ) বলেন, তোমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট থেকে উঠে যাও। অতঃপর বিলাল (রাঃ) এসে তাঁকে সালাত সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি বলেন, আবূ বাক্‌রকে নির্দেশ দাও তিনি যেন লোকদের নিয়ে সালাত পড়েন। আয়িশা (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রসূল! আবূ বকর (রাঃ) নরম দিলের লোক, তিনি কিরাআত পড়তে সক্ষম হবেন না, তিনি আপনাকে দেখতে না পেলেই কেঁদে ফেলবেন এবং লোকেরাও কেঁদে ফেলবে। অতএব আপনি যদি উমার (রাঃ)-কে লোকেদের সালাত পড়াবার নির্দেশ দিতেন! আবূ বকর (রাঃ) বেরিয়ে এসে লোকেদের সাথে নিয়ে সালাত শুরু করলেন। ইত্যবসরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হালকা বোধ করলেন এবং দু’জন লোকের উপর ভর করে তাঁর দু’ পা মাটিতে হেঁচড়াতে হেঁচড়াতে বের হলেন। লোকেরা তাকে দেখতে পেয়ে সুবহানাল্লাহ বলে আবূ বকর (রাঃ)-কে সতর্ক করলো। তিনি পেছনে সরে যেতে উদ্যোগী হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ইশারা করে স্বস্থানে থাকতে বলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসে তার ডান পাশে বসলেন এবং আবূ বকর (রাঃ) দাঁড়ালেন। আবূ বাকর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইকতিদা করলেন এবং লোকেরা আবূ বাকর (রাঃ)-এর ইকতিদা করলো। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, আবূ বকর (রাঃ) যে পর্যন্ত কিরাআত পড়েছিলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তারপর থেকে কিরাআত শুরু করেন। ওয়াকী‘ (রাঃ) বলেন, এটাই সুন্নাত। রাবী বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর এই রোগেই ইনতিকাল করেন। [১২৩৫]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن الأرقم بن شرحبيل، عن ابن عباس، قال لما مرض رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ مرضه الذي مات فيه كان في بيت عائشة ‏.‏ فقال ‏"‏ ادعوا لي عليا ‏"‏ ‏.‏ قالت عائشة يا رسول الله ندعو لك أبا بكر قال ‏"‏ ادعوه ‏"‏ ‏.‏ قالت حفصة يا رسول الله ندعو لك عمر قال ‏"‏ ادعوه ‏"‏ ‏.‏ قالت أم الفضل يا رسول الله ندعو لك العباس قال ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ فلما اجتمعوا رفع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ رأسه فنظر فسكت فقال عمر قوموا عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏ ثم جاء بلال يؤذنه بالصلاة فقال ‏"‏ مروا أبا بكر فليصل بالناس ‏"‏ ‏.‏ فقالت عائشة يا رسول الله إن أبا بكر رجل رقيق حصر ومتى لا يراك يبكي والناس يبكون فلو أمرت عمر يصلي بالناس ‏.‏ فخرج أبو بكر فصلى بالناس فوجد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ من نفسه خفة فخرج يهادى بين رجلين ورجلاه تخطان في الأرض فلما رآه الناس سبحوا بأبي بكر فذهب ليستأخر فأومأ إليه النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ أى مكانك فجاء رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فجلس عن يمينه وقام أبو بكر فكان أبو بكر يأتم بالنبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ والناس يأتمون بأبي بكر ‏.‏ قال ابن عباس فأخذ رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ من القراءة من حيث كان بلغ أبو بكر ‏.‏ قال وكيع وكذا السنة ‏.‏ قال فمات رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في مرضه ذلك ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উম্মাতেরই একজনের পিছনে সালাত পড়েন।

সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৩৬

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن حميد، عن بكر بن عبد الله، عن حمزة بن المغيرة بن شعبة، عن أبيه، قال تخلف رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فانتهينا إلى القوم وقد صلى بهم عبد الرحمن بن عوف ركعة فلما أحس بالنبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ذهب يتأخر فأومأ إليه النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ أن يتم الصلاة قال ‏ "‏ وقد أحسنت كذلك فافعل ‏"‏ ‏.‏

মুগীরাহ বিন শু’বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুপস্থিত ছিলেন। আমরা সম্প্রদায়ের নিকট যখন পৌঁছলাম তখন আবদুর রহমান বিন আওফ (রাঃ) লোকেদের এক রাকআত পড়ানো শেষ করেছেন মাত্র। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপস্থিত অনুভব করে তিনি পেছনে সরে যেতে উদ্যোগী হলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে সালাত পড়ে শেষ করতে ইশারা করেন। (সালাত শেষে) তিনি বলেন, তুমি উত্তম কাজ করেছো। তুমি এমনটিই করবে। [১২৩৬]

মুগীরাহ বিন শু’বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুপস্থিত ছিলেন। আমরা সম্প্রদায়ের নিকট যখন পৌঁছলাম তখন আবদুর রহমান বিন আওফ (রাঃ) লোকেদের এক রাকআত পড়ানো শেষ করেছেন মাত্র। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপস্থিত অনুভব করে তিনি পেছনে সরে যেতে উদ্যোগী হলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে সালাত পড়ে শেষ করতে ইশারা করেন। (সালাত শেষে) তিনি বলেন, তুমি উত্তম কাজ করেছো। তুমি এমনটিই করবে। [১২৩৬]

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن حميد، عن بكر بن عبد الله، عن حمزة بن المغيرة بن شعبة، عن أبيه، قال تخلف رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فانتهينا إلى القوم وقد صلى بهم عبد الرحمن بن عوف ركعة فلما أحس بالنبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ذهب يتأخر فأومأ إليه النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ أن يتم الصلاة قال ‏ "‏ وقد أحسنت كذلك فافعل ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > ইমাম নিযুক্ত করা হয় তাকে অনুসরণ করার জন্য।

সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৩৭

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت اشتكى رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فدخل عليه ناس من أصحابه يعودونه فصلى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ جالسا فصلوا بصلاته قياما فأشار إليهم أن اجلسوا فلما انصرف قال ‏ "‏ إنما جعل الإمام ليؤتم به فإذا ركع فاركعوا وإذا رفع فارفعوا وإذا صلى جالسا فصلوا جلوسا ‏"‏ ‏.‏

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রোগাক্রান্ত হলে তাঁর কতক সহাবী তাঁকে দেখতে এলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসা অবস্থায় সালাত পড়লেন, কিন্তু তারা তাঁর সাথে দাঁড়িয়ে সালাত পড়লেন। তিনি তাদেরকে ইশারা করে বসতে বলেন। তিনি সালাত শেষে বলেন, ইমাম নিযুক্ত করা হয় তাকে অনুসরন করার জন্য। অতএব তিনি রুকূ‘তে গেলে তোমরাও রুকূ‘তে যাও, তিনি মাথা তুললে তোমরাও মাথা তোল এবং তিনি বসে সালাত পড়লে তোমরাও বসে সালাত পড়ো (বুখারী, নং ৩৫৪)। [১২৩৭]

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রোগাক্রান্ত হলে তাঁর কতক সহাবী তাঁকে দেখতে এলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসা অবস্থায় সালাত পড়লেন, কিন্তু তারা তাঁর সাথে দাঁড়িয়ে সালাত পড়লেন। তিনি তাদেরকে ইশারা করে বসতে বলেন। তিনি সালাত শেষে বলেন, ইমাম নিযুক্ত করা হয় তাকে অনুসরন করার জন্য। অতএব তিনি রুকূ‘তে গেলে তোমরাও রুকূ‘তে যাও, তিনি মাথা তুললে তোমরাও মাথা তোল এবং তিনি বসে সালাত পড়লে তোমরাও বসে সালাত পড়ো (বুখারী, নং ৩৫৪)। [১২৩৭]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت اشتكى رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فدخل عليه ناس من أصحابه يعودونه فصلى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ جالسا فصلوا بصلاته قياما فأشار إليهم أن اجلسوا فلما انصرف قال ‏ "‏ إنما جعل الإمام ليؤتم به فإذا ركع فاركعوا وإذا رفع فارفعوا وإذا صلى جالسا فصلوا جلوسا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৩৮

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن أنس بن مالك، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ صرع عن فرس فجحش شقه الأيمن فدخلنا نعوده وحضرت الصلاة فصلى بنا قاعدا وصلينا وراءه قعودا فلما قضى الصلاة قال ‏ "‏ إنما جعل الإمام ليؤتم به فإذا كبر فكبروا وإذا ركع فاركعوا وإذا قال سمع الله لمن حمده فقولوا ربنا ولك الحمد وإذا سجد فاسجدوا وإذا صلى قاعدا فصلوا قعودا أجمعين ‏"‏ ‏.‏

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়ার পিঠ থেকে নিক্ষিপ্ত হলে তাঁর ডান পার্শ্বদেশ আহত হয়। আমরা তাঁকে দেখতে গেলাম। সলাতের ওয়াক্ত হয়ে গেলে তিনি বসা অবস্থায় আমাদের সালাত পড়ান এবং আমরাও তাঁর পেছনে বসা অবস্থায় সালাত পড়ি। তিনি সালাত শেষ করে বলেন, ইমাম নিযুক্ত করা হয় তাকে অনুসরণ করার জন্য। তিনি যখন তাকবীর বলেন, তোমরাও তাকবীর বলো, তিনি যখন রুকূ‘ করেন, তোমরাও রুকূ‘ করো, তিনি যখন ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলেন, তোমরা বলো, ‘রাব্বানা ওয়া লাকাল হাম্‌দ’। তিনি যখন সাজদাহ করেন, তোমরাও সাজদাহ করো এবং তিনি যখন বসা অবস্থায় সালাত পড়েন, তোমরাও সকলে বসা অবস্থায় সালাত পড়ো। [১২৩৮]

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোড়ার পিঠ থেকে নিক্ষিপ্ত হলে তাঁর ডান পার্শ্বদেশ আহত হয়। আমরা তাঁকে দেখতে গেলাম। সলাতের ওয়াক্ত হয়ে গেলে তিনি বসা অবস্থায় আমাদের সালাত পড়ান এবং আমরাও তাঁর পেছনে বসা অবস্থায় সালাত পড়ি। তিনি সালাত শেষ করে বলেন, ইমাম নিযুক্ত করা হয় তাকে অনুসরণ করার জন্য। তিনি যখন তাকবীর বলেন, তোমরাও তাকবীর বলো, তিনি যখন রুকূ‘ করেন, তোমরাও রুকূ‘ করো, তিনি যখন ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলেন, তোমরা বলো, ‘রাব্বানা ওয়া লাকাল হাম্‌দ’। তিনি যখন সাজদাহ করেন, তোমরাও সাজদাহ করো এবং তিনি যখন বসা অবস্থায় সালাত পড়েন, তোমরাও সকলে বসা অবস্থায় সালাত পড়ো। [১২৩৮]

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن أنس بن مالك، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ صرع عن فرس فجحش شقه الأيمن فدخلنا نعوده وحضرت الصلاة فصلى بنا قاعدا وصلينا وراءه قعودا فلما قضى الصلاة قال ‏ "‏ إنما جعل الإمام ليؤتم به فإذا كبر فكبروا وإذا ركع فاركعوا وإذا قال سمع الله لمن حمده فقولوا ربنا ولك الحمد وإذا سجد فاسجدوا وإذا صلى قاعدا فصلوا قعودا أجمعين ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৩৯

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا هشيم بن بشير، عن عمر بن أبي سلمة، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إنما جعل الإمام ليؤتم به فإذا كبر فكبروا وإذا ركع فاركعوا وإذا قال سمع الله لمن حمده فقولوا ربنا ولك الحمد وإن صلى قائما فصلوا قياما وإن صلى قاعدا فصلوا قعودا ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ইমাম নিযুক্ত করা হয় তাকে অনুসরণ করার জন্য। অতএব তিনি যখন তাকবীর বলেন, তোমরাও তাকবীর বলো, তিনি যখন রুকূ‘তে যান, তোমরাও রুকূ‘তে যাও, তিনি যখন সামিআল্লাহু লিমান হামিদা বলেন, তোমরা তখন ‘রাব্বানা ওয়ালাকাল হাম্‌দ’ বলো, তিনি দাঁড়ানো অবস্থায় সালাত পড়লে তোমরাও দাঁড়ানো অবস্থায় সালাত পড়ো এবং তিনি বসা অবস্থায় সালাত পড়লে তোমরাও বসা অবস্থায় সালাত পড়ো। [১২৩৯]

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ইমাম নিযুক্ত করা হয় তাকে অনুসরণ করার জন্য। অতএব তিনি যখন তাকবীর বলেন, তোমরাও তাকবীর বলো, তিনি যখন রুকূ‘তে যান, তোমরাও রুকূ‘তে যাও, তিনি যখন সামিআল্লাহু লিমান হামিদা বলেন, তোমরা তখন ‘রাব্বানা ওয়ালাকাল হাম্‌দ’ বলো, তিনি দাঁড়ানো অবস্থায় সালাত পড়লে তোমরাও দাঁড়ানো অবস্থায় সালাত পড়ো এবং তিনি বসা অবস্থায় সালাত পড়লে তোমরাও বসা অবস্থায় সালাত পড়ো। [১২৩৯]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا هشيم بن بشير، عن عمر بن أبي سلمة، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إنما جعل الإمام ليؤتم به فإذا كبر فكبروا وإذا ركع فاركعوا وإذا قال سمع الله لمن حمده فقولوا ربنا ولك الحمد وإن صلى قائما فصلوا قياما وإن صلى قاعدا فصلوا قعودا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১২৪০

حدثنا محمد بن رمح المصري، أنبأنا الليث بن سعد، عن أبي الزبير، عن جابر، قال اشتكى رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فصلينا وراءه وهو قاعد وأبو بكر يكبر يسمع الناس تكبيره فالتفت إلينا فرآنا قياما فأشار إلينا فقعدنا فصلينا بصلاته قعودا فلما سلم قال ‏ "‏ إن كدتم أن تفعلوا فعل فارس والروم يقومون على ملوكهم وهم قعود فلا تفعلوا ائتموا بأئمتكم إن صلى قائما فصلوا قياما وإن صلى قاعدا فصلوا قعودا ‏"‏ ‏.‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসুস্থ হয়ে পড়লেন। তিনি বসা অবস্থায় (ইমামতি করেন), আমরা তাঁর পিছনে সলাত পড়লাম, আবূ বকর (রাঃ) লোকদের শুনানোর জন্য উচ্চকন্ঠে তাঁর তাকবীরের পুনরাবৃত্তি করেন। তিনি আমাদের দিকে লক্ষ্য করে আমাদেরকে দাঁড়ানো অবস্থায় দেখলেন। তিনি ইশারা করলে আমরা বসে পড়লাম এবং বসা অবস্থায় তাঁর সাথে সলাত পড়লাম। তিনি সালাম ফিরিয়ে বললেনঃ তোমরা প্রায় পারস্য ও রোমবাসীদের মত কাজ করে ফেলেছিলে। তাদের নেতারা বসা থাকতো এবং তারা তাদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতো, কিন্তু তোমরা তা করো না। তোমরা তোমাদের ইমামদের অনুসরণ করো। তিনি দাঁড়িয়ে সলাত পড়লে তোমরাও দাঁড়িয়ে সলাত পড়ো এবং তিনি বসে সলাত পড়লে তোমরাও বসে সলাত পড়ো। [১২৪০]

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসুস্থ হয়ে পড়লেন। তিনি বসা অবস্থায় (ইমামতি করেন), আমরা তাঁর পিছনে সলাত পড়লাম, আবূ বকর (রাঃ) লোকদের শুনানোর জন্য উচ্চকন্ঠে তাঁর তাকবীরের পুনরাবৃত্তি করেন। তিনি আমাদের দিকে লক্ষ্য করে আমাদেরকে দাঁড়ানো অবস্থায় দেখলেন। তিনি ইশারা করলে আমরা বসে পড়লাম এবং বসা অবস্থায় তাঁর সাথে সলাত পড়লাম। তিনি সালাম ফিরিয়ে বললেনঃ তোমরা প্রায় পারস্য ও রোমবাসীদের মত কাজ করে ফেলেছিলে। তাদের নেতারা বসা থাকতো এবং তারা তাদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতো, কিন্তু তোমরা তা করো না। তোমরা তোমাদের ইমামদের অনুসরণ করো। তিনি দাঁড়িয়ে সলাত পড়লে তোমরাও দাঁড়িয়ে সলাত পড়ো এবং তিনি বসে সলাত পড়লে তোমরাও বসে সলাত পড়ো। [১২৪০]

حدثنا محمد بن رمح المصري، أنبأنا الليث بن سعد، عن أبي الزبير، عن جابر، قال اشتكى رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فصلينا وراءه وهو قاعد وأبو بكر يكبر يسمع الناس تكبيره فالتفت إلينا فرآنا قياما فأشار إلينا فقعدنا فصلينا بصلاته قعودا فلما سلم قال ‏ "‏ إن كدتم أن تفعلوا فعل فارس والروم يقومون على ملوكهم وهم قعود فلا تفعلوا ائتموا بأئمتكم إن صلى قائما فصلوا قياما وإن صلى قاعدا فصلوا قعودا ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00