সুনানে ইবনে মাজাহ > বিত্রের সালাত এক রাকআত।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১১৭৭
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة، عن ابن أبي ذئب، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، قالت كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يسلم في كل ثنتين ويوتر بواحدة .
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতি দু’ রাকআতে সালাম ফিরাতেন এবং বিতর এক রাকআত পড়তেন। [১১৭৭]
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতি দু’ রাকআতে সালাম ফিরাতেন এবং বিতর এক রাকআত পড়তেন। [১১৭৭]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شبابة، عن ابن أبي ذئب، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، قالت كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يسلم في كل ثنتين ويوتر بواحدة .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১১৭৫
حدثنا محمد بن عبد الملك بن أبي الشوارب، حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا عاصم، عن أبي مجلز، عن ابن عمر، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " صلاة الليل مثنى مثنى والوتر ركعة " قلت أرأيت إن غلبتني عيني أرأيت إن نمت قال اجعل أرأيت عند ذلك النجم . فرفعت رأسي فإذا السماك ثم أعاد فقال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " صلاة الليل مثنى مثنى والوتر ركعة قبل الصبح " .
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, রাতের সালাত দু’ দু’ রাকআত করে এবং বিত্র সালাত এক রাকআত। (রাবী বলেন) আমি বললাম, আপনার কি মত, যদি আমার চোখকে (ঘুম) পরাভূত করে এবং আমি ঘুমিয়ে যাই? তিনি বলেন, তুমি এই তারকার দিকে লক্ষ্য করো। তখন আমি মাথা তুলে সিমাক (মৎস) তারকা দেখতে পেলাম। এরপর তিনি হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, রাতের সালাত দু’ দু’ রাকআত করে এবং সুবহে সাদিকের পূর্বে বিত্র সালাত এক রাকআত পড়বে। [১১৭৫]
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, রাতের সালাত দু’ দু’ রাকআত করে এবং বিত্র সালাত এক রাকআত। (রাবী বলেন) আমি বললাম, আপনার কি মত, যদি আমার চোখকে (ঘুম) পরাভূত করে এবং আমি ঘুমিয়ে যাই? তিনি বলেন, তুমি এই তারকার দিকে লক্ষ্য করো। তখন আমি মাথা তুলে সিমাক (মৎস) তারকা দেখতে পেলাম। এরপর তিনি হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, রাতের সালাত দু’ দু’ রাকআত করে এবং সুবহে সাদিকের পূর্বে বিত্র সালাত এক রাকআত পড়বে। [১১৭৫]
حدثنا محمد بن عبد الملك بن أبي الشوارب، حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا عاصم، عن أبي مجلز، عن ابن عمر، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " صلاة الليل مثنى مثنى والوتر ركعة " قلت أرأيت إن غلبتني عيني أرأيت إن نمت قال اجعل أرأيت عند ذلك النجم . فرفعت رأسي فإذا السماك ثم أعاد فقال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " صلاة الليل مثنى مثنى والوتر ركعة قبل الصبح " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১১৭৪
حدثنا أحمد بن عبدة، حدثنا حماد بن زيد، عن أنس بن سيرين، عن ابن عمر، قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يصلي من الليل مثنى مثنى ويوتر بركعة .
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতের সালাত দু’ দু’ রাকআত পড়তেন এবং এক রাকআত বিত্র পড়তেন। [১১৭৪]
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতের সালাত দু’ দু’ রাকআত পড়তেন এবং এক রাকআত বিত্র পড়তেন। [১১৭৪]
حدثنا أحمد بن عبدة، حدثنا حماد بن زيد، عن أنس بن سيرين، عن ابن عمر، قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يصلي من الليل مثنى مثنى ويوتر بركعة .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১১৭৬
حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم الدمشقي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، حدثنا المطلب بن عبد الله، قال سأل ابن عمر رجل فقال كيف أوتر قال أوتر بواحدة . قال إني أخشى أن يقول الناس البتيراء فقال سنة الله ورسوله . يريد هذه سنة الله ورسوله ـ صلى الله عليه وسلم ـ .
মুত্তালিব বিন আবদুল্লাহ্ (তিনি সত্যবাদী কিন্তু হাদীস বর্ণনায় অধিক তাদলীস ও ইরসাল করেছেন) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি ইবনু উমার (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলো, আমি কিভাবে বিত্র পড়বো? তিনি বললেন, তুমি এক রাকআত বিতর পড়বে। সে বলল, আমি আশংকা করি যে লোকেরা আমাকে শিকড় কাটা বলবে। তিনি বলেন, আল্লাহর সুন্নাত ও তাঁর রাসূলেরও। তিনি মনে করেন, এটাই আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সুন্নাত। [১১৭৬]
মুত্তালিব বিন আবদুল্লাহ্ (তিনি সত্যবাদী কিন্তু হাদীস বর্ণনায় অধিক তাদলীস ও ইরসাল করেছেন) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি ইবনু উমার (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলো, আমি কিভাবে বিত্র পড়বো? তিনি বললেন, তুমি এক রাকআত বিতর পড়বে। সে বলল, আমি আশংকা করি যে লোকেরা আমাকে শিকড় কাটা বলবে। তিনি বলেন, আল্লাহর সুন্নাত ও তাঁর রাসূলেরও। তিনি মনে করেন, এটাই আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সুন্নাত। [১১৭৬]
حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم الدمشقي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، حدثنا المطلب بن عبد الله، قال سأل ابن عمر رجل فقال كيف أوتر قال أوتر بواحدة . قال إني أخشى أن يقول الناس البتيراء فقال سنة الله ورسوله . يريد هذه سنة الله ورسوله ـ صلى الله عليه وسلم ـ .
সুনানে ইবনে মাজাহ > বিত্র সলাতে দুআ’ কুনূত।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১১৭৯
حدثنا أبو عمر، حفص بن عمرو حدثنا بهز بن أسد، حدثنا حماد بن سلمة، حدثني هشام بن عمرو الفزاري، عن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام المخزومي، عن علي بن أبي طالب، . أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان يقول في آخر وتره " اللهم إني أعوذ برضاك من سخطك وأعوذ بمعافاتك من عقوبتك وأعوذ بك منك لا أحصي ثناء عليك أنت كما أثنيت على نفسك " .
আলী বিন আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিত্রের সলাতের শেষে বলতেন : (আরবী) (আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযুবি রিদাকা মিন সুখতিক, ওয়া আউযুবি মুআফাতিকা মিন উকূবাতিক, ওয়া আউযুবিকা মিনকা লা উহসী সানাআ আলায়ক, আনতা কামা আসনায়তা আলা নাফসিক) অর্থ্যাৎ “হে আল্লাহ! আমি আপনার সন্তুষ্টির উসীলায় আপনার অসন্তুষ্টি থেকে আশ্রয় চাই, আপনার ক্ষমার উসীলায় আপনার শাস্তি থেকে আশ্রয় চাই, আপনার সৌন্দর্যময় গুনাবলীর উসীলায় আপনার মহিমময় গুণাবলী থেকে আশ্রয় পাই, আমি আপনার প্রশংসা গণনা করে শেষ করতে পারি না, আপনি আপনার প্রশংসারই অনুরূপ”। [১১৭৯]
আলী বিন আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিত্রের সলাতের শেষে বলতেন : (আরবী) (আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযুবি রিদাকা মিন সুখতিক, ওয়া আউযুবি মুআফাতিকা মিন উকূবাতিক, ওয়া আউযুবিকা মিনকা লা উহসী সানাআ আলায়ক, আনতা কামা আসনায়তা আলা নাফসিক) অর্থ্যাৎ “হে আল্লাহ! আমি আপনার সন্তুষ্টির উসীলায় আপনার অসন্তুষ্টি থেকে আশ্রয় চাই, আপনার ক্ষমার উসীলায় আপনার শাস্তি থেকে আশ্রয় চাই, আপনার সৌন্দর্যময় গুনাবলীর উসীলায় আপনার মহিমময় গুণাবলী থেকে আশ্রয় পাই, আমি আপনার প্রশংসা গণনা করে শেষ করতে পারি না, আপনি আপনার প্রশংসারই অনুরূপ”। [১১৭৯]
حدثنا أبو عمر، حفص بن عمرو حدثنا بهز بن أسد، حدثنا حماد بن سلمة، حدثني هشام بن عمرو الفزاري، عن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام المخزومي، عن علي بن أبي طالب، . أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان يقول في آخر وتره " اللهم إني أعوذ برضاك من سخطك وأعوذ بمعافاتك من عقوبتك وأعوذ بك منك لا أحصي ثناء عليك أنت كما أثنيت على نفسك " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১১৭৮
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شريك، عن أبي إسحاق، عن بريد بن أبي مريم، عن أبي الحوراء، عن الحسن بن علي، قال علمني جدي رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ كلمات أقولهن في قنوت الوتر " اللهم عافني فيمن عافيت وتولني فيمن توليت واهدني فيمن هديت وقني شر ما قضيت وبارك لي فيما أعطيت إنك تقضي ولا يقضى عليك إنه لا يذل من واليت سبحانك ربنا تباركت وتعاليت " .
হাসান বিন আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার নানা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বিত্র সলাতের কুনূত পড়ার জন্য কতগুলো বাক্য শিক্ষা দিয়েছে : (আরবী) (আল্লাহুম্মা আফিনী ফীমান আফায়ত ওয়াতাওল্লানী ফীমান তাওয়াল্লায়ত, ওয়াহদীনী ফীমান হাদায়ত, ওয়াকীনী শাররা মা কদায়ত, ওয়া বারিকলী ফীমান আ’তায়ত, ইন্নাকা লা তাকদী আলায়ক, ইন্নাহু লা ইয়াযিল্লু মাওঁ ওয়ালায়ত, সুবহানাকা রব্বানা তাবারাকতা ওয়া তাআলায়ত।) অর্থ্যাৎ “হে আল্লাহ! যাদের প্রতি তোমার উদারতা প্রদর্শন করেছো, তাদের সাথে আমাকেও উদারতা প্রদর্শন করো, যাদের তুমি অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেছো, তাদের সাথে আমার অভিভাবকত্ব গ্রহণ করো, যাদের তুমি হিদায়াত দান করেছো তাদের সাথে আমাকেও হিদায়াত দান করো। তোমার নির্ধারিত অকল্যাণ থেকে আমাকে রক্ষা করো। তুমি আমাকে যা দান করেছো তাতে বরকত দাও। কেবল তুমিই নির্দেশ দিতে পারো, তোমার উপর কারো নির্দেশ চলে না। তুমি যার পৃষ্ঠপোষকতা দাও, সে কখনও অপমানিত হয় না। হে আমাদের রব! তুমি পবিত্র ,কল্যাণময় ও সুউচ্চ”। [১১৭৮]
হাসান বিন আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার নানা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বিত্র সলাতের কুনূত পড়ার জন্য কতগুলো বাক্য শিক্ষা দিয়েছে : (আরবী) (আল্লাহুম্মা আফিনী ফীমান আফায়ত ওয়াতাওল্লানী ফীমান তাওয়াল্লায়ত, ওয়াহদীনী ফীমান হাদায়ত, ওয়াকীনী শাররা মা কদায়ত, ওয়া বারিকলী ফীমান আ’তায়ত, ইন্নাকা লা তাকদী আলায়ক, ইন্নাহু লা ইয়াযিল্লু মাওঁ ওয়ালায়ত, সুবহানাকা রব্বানা তাবারাকতা ওয়া তাআলায়ত।) অর্থ্যাৎ “হে আল্লাহ! যাদের প্রতি তোমার উদারতা প্রদর্শন করেছো, তাদের সাথে আমাকেও উদারতা প্রদর্শন করো, যাদের তুমি অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেছো, তাদের সাথে আমার অভিভাবকত্ব গ্রহণ করো, যাদের তুমি হিদায়াত দান করেছো তাদের সাথে আমাকেও হিদায়াত দান করো। তোমার নির্ধারিত অকল্যাণ থেকে আমাকে রক্ষা করো। তুমি আমাকে যা দান করেছো তাতে বরকত দাও। কেবল তুমিই নির্দেশ দিতে পারো, তোমার উপর কারো নির্দেশ চলে না। তুমি যার পৃষ্ঠপোষকতা দাও, সে কখনও অপমানিত হয় না। হে আমাদের রব! তুমি পবিত্র ,কল্যাণময় ও সুউচ্চ”। [১১৭৮]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شريك، عن أبي إسحاق، عن بريد بن أبي مريم، عن أبي الحوراء، عن الحسن بن علي، قال علمني جدي رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ كلمات أقولهن في قنوت الوتر " اللهم عافني فيمن عافيت وتولني فيمن توليت واهدني فيمن هديت وقني شر ما قضيت وبارك لي فيما أعطيت إنك تقضي ولا يقضى عليك إنه لا يذل من واليت سبحانك ربنا تباركت وتعاليت " .
সুনানে ইবনে মাজাহ > যে ব্যক্তি দুআ’ কুনুতে তার হস্তদ্বয় উঠায় না।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১১৮০
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن أنس بن مالك، أن نبي الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان لا يرفع يديه في شىء من دعائه إلا عند الاستسقاء فإنه كان يرفع يديه حتى يرى بياض إبطيه .
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইস্তিসকার সালাত ব্যতিত তাঁর অন্য কোন দুআয় তাঁর দু’হাত উঠাতেন না (হাত তুলে মোনাজাত করতেন না)। তিনি ইস্তিসকার সলাতে এতটা উপরে হাত উঠাতেন যে, তাঁর উভয় বগলের শুভ্রতা দৃষ্টিগোচর হতো। [১১৮০]
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইস্তিসকার সালাত ব্যতিত তাঁর অন্য কোন দুআয় তাঁর দু’হাত উঠাতেন না (হাত তুলে মোনাজাত করতেন না)। তিনি ইস্তিসকার সলাতে এতটা উপরে হাত উঠাতেন যে, তাঁর উভয় বগলের শুভ্রতা দৃষ্টিগোচর হতো। [১১৮০]
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن أنس بن مالك، أن نبي الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان لا يرفع يديه في شىء من دعائه إلا عند الاستسقاء فإنه كان يرفع يديه حتى يرى بياض إبطيه .
সুনানে ইবনে মাজাহ > যে ব্যক্তি দুআয় নিজের হাত উঠায় এবং তার মুখমন্ডলে মাসহ করে।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১১৮১
حدثنا أبو كريب، ومحمد بن الصباح، قالا حدثنا عائذ بن حبيب، عن صالح بن حسان الأنصاري، عن محمد بن كعب القرظي، عن ابن عباس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إذا دعوت الله فادع بباطن كفيك ولا تدع بظهورهما فإذا فرغت فامسح بهما وجهك " .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তুমি আল্লাহর নিকট দুআ’ করলে তোমার দু’ হাতের তালু উপরে তুলে দুআ’ করবে, তার পিঠ তুলে দুআ’ করবে না এবং দুআ’ শেষে উভয় হাত তোমার মুখমন্ডলে মাসহ করবে। [১১৮১]
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তুমি আল্লাহর নিকট দুআ’ করলে তোমার দু’ হাতের তালু উপরে তুলে দুআ’ করবে, তার পিঠ তুলে দুআ’ করবে না এবং দুআ’ শেষে উভয় হাত তোমার মুখমন্ডলে মাসহ করবে। [১১৮১]
حدثنا أبو كريب، ومحمد بن الصباح، قالا حدثنا عائذ بن حبيب، عن صالح بن حسان الأنصاري، عن محمد بن كعب القرظي، عن ابن عباس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إذا دعوت الله فادع بباطن كفيك ولا تدع بظهورهما فإذا فرغت فامسح بهما وجهك " .