সুনানে ইবনে মাজাহ > সফরে নফল সালাত।

সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৭২

حدثنا أبو بكر بن خلاد، حدثنا وكيع، حدثنا أسامة بن زيد، قال سألت طاوسا عن السبحة، في السفر - والحسن بن مسلم بن يناق جالس عنده - فقال حدثني طاوس، أنه سمع ابن عباس، يقول فرض رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ صلاة الحضر وصلاة السفر فكنا نصلي في الحضر قبلها وبعدها وكنا نصلي في السفر قبلها وبعدها ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(উসামাহ) বলেন, আমি তাঊসকে সফরে নফল সালাত পড়ার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম। তখন হাসান বিন মুসলিম বিন ইয়ানাকও তার নিকট বসা ছিল। তিনি বলেন, তাঊস (রহ:) আমাকে বললেন যে, তিনি ইবনু আব্বাস (রাঃ) -কে বলতে শুনেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুকীম অবস্থার ও সফরকালের সালাত নির্ধারণ করে দিয়েছেন। অতএব আমরা মুকীম ও মুসাফির অবস্থায় ফার্‌দ সলাতের আগে-পরে নফল সালাত পড়তাম। [১০৭২]

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(উসামাহ) বলেন, আমি তাঊসকে সফরে নফল সালাত পড়ার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম। তখন হাসান বিন মুসলিম বিন ইয়ানাকও তার নিকট বসা ছিল। তিনি বলেন, তাঊস (রহ:) আমাকে বললেন যে, তিনি ইবনু আব্বাস (রাঃ) -কে বলতে শুনেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুকীম অবস্থার ও সফরকালের সালাত নির্ধারণ করে দিয়েছেন। অতএব আমরা মুকীম ও মুসাফির অবস্থায় ফার্‌দ সলাতের আগে-পরে নফল সালাত পড়তাম। [১০৭২]

حدثنا أبو بكر بن خلاد، حدثنا وكيع، حدثنا أسامة بن زيد، قال سألت طاوسا عن السبحة، في السفر - والحسن بن مسلم بن يناق جالس عنده - فقال حدثني طاوس، أنه سمع ابن عباس، يقول فرض رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ صلاة الحضر وصلاة السفر فكنا نصلي في الحضر قبلها وبعدها وكنا نصلي في السفر قبلها وبعدها ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৭১

حدثنا أبو بكر بن خلاد الباهلي، حدثنا أبو عامر، عن عيسى بن حفص بن عاصم بن عمر بن الخطاب، حدثني أبي قال، كنا مع ابن عمر في سفر فصلى بنا ثم انصرفنا معه وانصرف ‏.‏ قال فالتفت فرأى أناسا يصلون فقال ما يصنع هؤلاء قلت يسبحون ‏.‏ قال لو كنت مسبحا لأتممت صلاتي يا ابن أخي إني صحبت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فلم يزد على ركعتين في السفر حتى قبضه الله ثم صحبت أبا بكر فلم يزد على ركعتين ثم صحبت عمر فلم يزد على ركعتين ثم صحبت عثمان فلم يزد على ركعتين حتى قبضهم الله والله يقول ‏{لقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة ‏}‏ ‏.‏

হাফস বিন আসিম থেকে বর্নিতঃ

হাফস বিন আসিম বলেন আমরা এক সফরে ইবনু উমার (রাঃ) -এর সাথে ছিলাম। তিনি আমাদের নিয়ে সালাত পড়েন। অতঃপর আমরা সেখান থেকে তার সাথে ফিরে আসি। রাবী বলেন, তিনি একদল লোককে সালাত আদায় করতে দেখে বলেন, ঐ সকল লোক কি করছে? আমি বললাম, তারা নফল সালাত পড়ছে। তিনি বলেন, সফরে নফল সালাত পড়া জরুরী মনে করলে, আমি আমার ফার্‌দ সালাত পুরটাই পড়তাম। হে ভাতিজা, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সফরসঙ্গী ছিলাম। তিনি তাঁর ইন্তিকাল পর্যন্ত সফরে দু’ রাকআতের অধিক সালাত পড়েননি। তারপর আমি আবূ বকর (রাঃ) -এর সফরসঙ্গী ছিলাম, তিনিও দু’ রাকআতের অধিক সালাত পড়েননি। এরপর আমি উমার (রাঃ) -এর সফরসঙ্গী ছিলাম এবং তিনিও দু’ রাকআতের অধিক সালাত পড়েননি। অতঃপর আমি উসমান (রাঃ) -এর সফরসঙ্গী ছিলাম, তিনিও দু’ রাকআতের অধিক সালাত পড়েননি। এই অবস্থায় তারা ইন্তিকাল করেন। আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেন, “রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মধ্যে অবশ্যি তোমাদের জন্য রয়েছে উত্তম আদর্শ” (সূরা আহ্‌যাব : ২১)। [১০৭১]

হাফস বিন আসিম থেকে বর্নিতঃ

হাফস বিন আসিম বলেন আমরা এক সফরে ইবনু উমার (রাঃ) -এর সাথে ছিলাম। তিনি আমাদের নিয়ে সালাত পড়েন। অতঃপর আমরা সেখান থেকে তার সাথে ফিরে আসি। রাবী বলেন, তিনি একদল লোককে সালাত আদায় করতে দেখে বলেন, ঐ সকল লোক কি করছে? আমি বললাম, তারা নফল সালাত পড়ছে। তিনি বলেন, সফরে নফল সালাত পড়া জরুরী মনে করলে, আমি আমার ফার্‌দ সালাত পুরটাই পড়তাম। হে ভাতিজা, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সফরসঙ্গী ছিলাম। তিনি তাঁর ইন্তিকাল পর্যন্ত সফরে দু’ রাকআতের অধিক সালাত পড়েননি। তারপর আমি আবূ বকর (রাঃ) -এর সফরসঙ্গী ছিলাম, তিনিও দু’ রাকআতের অধিক সালাত পড়েননি। এরপর আমি উমার (রাঃ) -এর সফরসঙ্গী ছিলাম এবং তিনিও দু’ রাকআতের অধিক সালাত পড়েননি। অতঃপর আমি উসমান (রাঃ) -এর সফরসঙ্গী ছিলাম, তিনিও দু’ রাকআতের অধিক সালাত পড়েননি। এই অবস্থায় তারা ইন্তিকাল করেন। আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেন, “রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মধ্যে অবশ্যি তোমাদের জন্য রয়েছে উত্তম আদর্শ” (সূরা আহ্‌যাব : ২১)। [১০৭১]

حدثنا أبو بكر بن خلاد الباهلي، حدثنا أبو عامر، عن عيسى بن حفص بن عاصم بن عمر بن الخطاب، حدثني أبي قال، كنا مع ابن عمر في سفر فصلى بنا ثم انصرفنا معه وانصرف ‏.‏ قال فالتفت فرأى أناسا يصلون فقال ما يصنع هؤلاء قلت يسبحون ‏.‏ قال لو كنت مسبحا لأتممت صلاتي يا ابن أخي إني صحبت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فلم يزد على ركعتين في السفر حتى قبضه الله ثم صحبت أبا بكر فلم يزد على ركعتين ثم صحبت عمر فلم يزد على ركعتين ثم صحبت عثمان فلم يزد على ركعتين حتى قبضهم الله والله يقول ‏{لقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة ‏}‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > মুসাফির কোন জনপদে অবস্থান করলে কত দিন সালাত কসর করবে?

সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৭৭

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا يزيد بن زريع، وعبد الأعلى، قالا حدثنا يحيى بن أبي إسحاق، عن أنس، قال خرجنا مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ من المدينة إلى مكة فصلى ركعتين ركعتين حتى رجعنا ‏.‏ قلت كم أقام بمكة قال عشرا ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে মাদীনাহ থেকে মাক্কাহয় রওয়ানা হলাম। আমরা ফিরে না আসা পর্যন্ত দু’ রাকআত করে (ফার্‌দ) সালাত আদায় করেছি। রাবী বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, তিনি কত দিন মক্কায় অবস্থান করেন? আনাস (রাঃ) বলেন, দশ দিন। [১০৭৭]

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে মাদীনাহ থেকে মাক্কাহয় রওয়ানা হলাম। আমরা ফিরে না আসা পর্যন্ত দু’ রাকআত করে (ফার্‌দ) সালাত আদায় করেছি। রাবী বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, তিনি কত দিন মক্কায় অবস্থান করেন? আনাস (রাঃ) বলেন, দশ দিন। [১০৭৭]

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا يزيد بن زريع، وعبد الأعلى، قالا حدثنا يحيى بن أبي إسحاق، عن أنس، قال خرجنا مع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ من المدينة إلى مكة فصلى ركعتين ركعتين حتى رجعنا ‏.‏ قلت كم أقام بمكة قال عشرا ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৭৪

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا أبو عاصم، وقرأته، عليه أنبأنا ابن جريج، أخبرني عطاء، حدثني جابر بن عبد الله، في أناس معي قال قدم النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ مكة صبح رابعة مضت من شهر ذي الحجة ‏.‏

জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যিলহাজ্জ মাসের চার তারিখ ভোরে মক্কায় উপনীত হন। [১০৭৪]

জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যিলহাজ্জ মাসের চার তারিখ ভোরে মক্কায় উপনীত হন। [১০৭৪]

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا أبو عاصم، وقرأته، عليه أنبأنا ابن جريج، أخبرني عطاء، حدثني جابر بن عبد الله، في أناس معي قال قدم النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ مكة صبح رابعة مضت من شهر ذي الحجة ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৭৫

حدثنا محمد بن عبد الملك بن أبي الشوارب، حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا عاصم الأحول، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال أقام رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ تسعة عشر يوما يصلي ركعتين ركعتين فنحن إذا أقمنا تسعة عشر يوما نصلي ركعتين ركعتين فإذا أقمنا أكثر من ذلك صلينا أربعا ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মক্কায়) ঊনিশ দিন অবস্থান করেন এবং দু’ রাকআত করে (ফার্‌দ) সালাত পড়েন। অতএব আমরা যখন ঊনিশ দিন অবস্থান করতাম, তখন দু’ রাকআত করে (ফার্‌দ) সালাত পড়তাম এবং তার অধিক দিন অবস্থান করলে পূর্ণ চার রাকআতই পড়তাম। [১০৭৫]

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মক্কায়) ঊনিশ দিন অবস্থান করেন এবং দু’ রাকআত করে (ফার্‌দ) সালাত পড়েন। অতএব আমরা যখন ঊনিশ দিন অবস্থান করতাম, তখন দু’ রাকআত করে (ফার্‌দ) সালাত পড়তাম এবং তার অধিক দিন অবস্থান করলে পূর্ণ চার রাকআতই পড়তাম। [১০৭৫]

حدثنا محمد بن عبد الملك بن أبي الشوارب، حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا عاصم الأحول، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال أقام رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ تسعة عشر يوما يصلي ركعتين ركعتين فنحن إذا أقمنا تسعة عشر يوما نصلي ركعتين ركعتين فإذا أقمنا أكثر من ذلك صلينا أربعا ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৭৬

حدثنا أبو يوسف الصيدلاني، محمد بن أحمد الرقي حدثنا محمد بن سلمة، عن محمد بن إسحاق، عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عباس، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ أقام بمكة عام الفتح خمس عشرة ليلة يقصر الصلاة ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের বছর তথায় পনেরো দিন অবস্থান করেন এবং সালাত কসর করেন। [১০৭৬]

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের বছর তথায় পনেরো দিন অবস্থান করেন এবং সালাত কসর করেন। [১০৭৬]

حدثنا أبو يوسف الصيدلاني، محمد بن أحمد الرقي حدثنا محمد بن سلمة، عن محمد بن إسحاق، عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عباس، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ أقام بمكة عام الفتح خمس عشرة ليلة يقصر الصلاة ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৭৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حاتم بن إسماعيل، عن عبد الرحمن بن حميد الزهري، قال سألت السائب بن يزيد ماذا سمعت في، سكنى مكة قال سمعت العلاء بن الحضرمي، يقول قال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ ثلاثا للمهاجر بعد الصدر ‏"‏ ‏.‏

সায়িব বিন ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সায়িব বিন ইয়াযীদ (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করলাম, মক্কায় অবস্থানকারীর সম্পর্কে আপনি কি শুনেছেন? তিনি বলেন আমি আলা’ ইবনুল হাদরামি (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তাওয়াফে সদরের পর মুহাজির তিন দিন সালাত কসর করবে। [১০৭৩]

সায়িব বিন ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সায়িব বিন ইয়াযীদ (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করলাম, মক্কায় অবস্থানকারীর সম্পর্কে আপনি কি শুনেছেন? তিনি বলেন আমি আলা’ ইবনুল হাদরামি (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তাওয়াফে সদরের পর মুহাজির তিন দিন সালাত কসর করবে। [১০৭৩]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حاتم بن إسماعيل، عن عبد الرحمن بن حميد الزهري، قال سألت السائب بن يزيد ماذا سمعت في، سكنى مكة قال سمعت العلاء بن الحضرمي، يقول قال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ ثلاثا للمهاجر بعد الصدر ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > সালাত ত্যাগকারীর বিধান।

সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৭৯

حدثنا إسماعيل بن إبراهيم البالسي، حدثنا علي بن الحسن بن شقيق، حدثنا حسين بن واقد، حدثنا عبد الله بن بريدة، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ العهد الذي بيننا وبينهم الصلاة فمن تركها فقد كفر ‏"‏ ‏.‏

বুরায়দাহ (ইবনুল হুসায়ব বিন আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস) (রাঃ থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমাদের ও তাদের (কাফেরদের) মধ্যে যে অংগীকার রয়েছে তা হলো সালাত। অতএব যে ব্যক্তি সালাত ত্যাগ করলো, সে কুফরী করলো। [১০৭৯]

বুরায়দাহ (ইবনুল হুসায়ব বিন আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস) (রাঃ থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমাদের ও তাদের (কাফেরদের) মধ্যে যে অংগীকার রয়েছে তা হলো সালাত। অতএব যে ব্যক্তি সালাত ত্যাগ করলো, সে কুফরী করলো। [১০৭৯]

حدثنا إسماعيل بن إبراهيم البالسي، حدثنا علي بن الحسن بن شقيق، حدثنا حسين بن واقد، حدثنا عبد الله بن بريدة، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ العهد الذي بيننا وبينهم الصلاة فمن تركها فقد كفر ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৮০

حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم الدمشقي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، عن عمرو بن سعد، عن يزيد الرقاشي، عن أنس بن مالك، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ ليس بين العبد والشرك إلا ترك الصلاة فإذا تركها فقد أشرك ‏"‏ ‏.‏

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, মু’মিন বান্দা ও শিরক-এর মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সালাত বর্জন করা। অতএব যে ব্যক্তি সালাত ত্যাগ করলো, সে অবশ্যই শিরক করলো। [১০৮০]

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, মু’মিন বান্দা ও শিরক-এর মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সালাত বর্জন করা। অতএব যে ব্যক্তি সালাত ত্যাগ করলো, সে অবশ্যই শিরক করলো। [১০৮০]

حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم الدمشقي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، عن عمرو بن سعد، عن يزيد الرقاشي، عن أنس بن مالك، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ ليس بين العبد والشرك إلا ترك الصلاة فإذا تركها فقد أشرك ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৭৮

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ بين العبد وبين الكفر ترك الصلاة ‏"‏ ‏.‏

জাবির বিন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, বান্দা ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হলো সালাত বর্জন। [১০৭৮]

জাবির বিন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, বান্দা ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হলো সালাত বর্জন। [১০৭৮]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ بين العبد وبين الكفر ترك الصلاة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > জুমাআহ্‌র সালাত ফার্‌দ।

সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৮৩

حدثنا علي بن المنذر، حدثنا ابن فضيل، حدثنا أبو مالك الأشجعي، عن ربعي بن حراش، عن حذيفة، وعن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أضل الله عن الجمعة من كان قبلنا كان لليهود يوم السبت والأحد للنصارى فهم لنا تبع إلى يوم القيامة نحن الآخرون من أهل الدنيا والأولون المقضي لهم قبل الخلائق ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, জুমুআহ্‌র সলাতের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা আমাদের পূর্ববর্তীদের পথভ্রষ্ট করেছেন। ইহূদীদের জন্য ছিল শনিবার এবং খ্রিস্টানদের জন্য রবিবার। কিয়ামাতের দিন পর্যন্ত তারা হবে আমাদের পশ্চাদগামী। আমরা পৃথিবীর অধিবাসীদের মধ্যে সর্বশেষ আগমনকারী, কিন্তু সৃষ্টিকুলের বিচার অনুষ্ঠানের দিক থেকে হবো সর্বপ্রথম। [১৯৮৩]

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, জুমুআহ্‌র সলাতের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা আমাদের পূর্ববর্তীদের পথভ্রষ্ট করেছেন। ইহূদীদের জন্য ছিল শনিবার এবং খ্রিস্টানদের জন্য রবিবার। কিয়ামাতের দিন পর্যন্ত তারা হবে আমাদের পশ্চাদগামী। আমরা পৃথিবীর অধিবাসীদের মধ্যে সর্বশেষ আগমনকারী, কিন্তু সৃষ্টিকুলের বিচার অনুষ্ঠানের দিক থেকে হবো সর্বপ্রথম। [১৯৮৩]

حدثنا علي بن المنذر، حدثنا ابن فضيل، حدثنا أبو مالك الأشجعي، عن ربعي بن حراش، عن حذيفة، وعن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أضل الله عن الجمعة من كان قبلنا كان لليهود يوم السبت والأحد للنصارى فهم لنا تبع إلى يوم القيامة نحن الآخرون من أهل الدنيا والأولون المقضي لهم قبل الخلائق ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৮৩

حدثنا علي بن المنذر، حدثنا ابن فضيل، حدثنا أبو مالك الأشجعي، عن ربعي بن حراش، عن حذيفة، وعن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أضل الله عن الجمعة من كان قبلنا كان لليهود يوم السبت والأحد للنصارى فهم لنا تبع إلى يوم القيامة نحن الآخرون من أهل الدنيا والأولون المقضي لهم قبل الخلائق ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, জুমুআহ্‌র সলাতের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা আমাদের পূর্ববর্তীদের পথভ্রষ্ট করেছেন। ইহূদীদের জন্য ছিল শনিবার এবং খ্রিস্টানদের জন্য রবিবার। কিয়ামাতের দিন পর্যন্ত তারা হবে আমাদের পশ্চাদগামী। আমরা পৃথিবীর অধিবাসীদের মধ্যে সর্বশেষ আগমনকারী, কিন্তু সৃষ্টিকুলের বিচার অনুষ্ঠানের দিক থেকে হবো সর্বপ্রথম। [১৯৮৩]

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, জুমুআহ্‌র সলাতের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা আমাদের পূর্ববর্তীদের পথভ্রষ্ট করেছেন। ইহূদীদের জন্য ছিল শনিবার এবং খ্রিস্টানদের জন্য রবিবার। কিয়ামাতের দিন পর্যন্ত তারা হবে আমাদের পশ্চাদগামী। আমরা পৃথিবীর অধিবাসীদের মধ্যে সর্বশেষ আগমনকারী, কিন্তু সৃষ্টিকুলের বিচার অনুষ্ঠানের দিক থেকে হবো সর্বপ্রথম। [১৯৮৩]

حدثنا علي بن المنذر، حدثنا ابن فضيل، حدثنا أبو مالك الأشجعي، عن ربعي بن حراش، عن حذيفة، وعن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أضل الله عن الجمعة من كان قبلنا كان لليهود يوم السبت والأحد للنصارى فهم لنا تبع إلى يوم القيامة نحن الآخرون من أهل الدنيا والأولون المقضي لهم قبل الخلائق ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৮৩

حدثنا علي بن المنذر، حدثنا ابن فضيل، حدثنا أبو مالك الأشجعي، عن ربعي بن حراش، عن حذيفة، وعن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أضل الله عن الجمعة من كان قبلنا كان لليهود يوم السبت والأحد للنصارى فهم لنا تبع إلى يوم القيامة نحن الآخرون من أهل الدنيا والأولون المقضي لهم قبل الخلائق ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, জুমুআহ্‌র সলাতের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা আমাদের পূর্ববর্তীদের পথভ্রষ্ট করেছেন। ইহূদীদের জন্য ছিল শনিবার এবং খ্রিস্টানদের জন্য রবিবার। কিয়ামাতের দিন পর্যন্ত তারা হবে আমাদের পশ্চাদগামী। আমরা পৃথিবীর অধিবাসীদের মধ্যে সর্বশেষ আগমনকারী, কিন্তু সৃষ্টিকুলের বিচার অনুষ্ঠানের দিক থেকে হবো সর্বপ্রথম। [১৯৮৩]

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, জুমুআহ্‌র সলাতের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা আমাদের পূর্ববর্তীদের পথভ্রষ্ট করেছেন। ইহূদীদের জন্য ছিল শনিবার এবং খ্রিস্টানদের জন্য রবিবার। কিয়ামাতের দিন পর্যন্ত তারা হবে আমাদের পশ্চাদগামী। আমরা পৃথিবীর অধিবাসীদের মধ্যে সর্বশেষ আগমনকারী, কিন্তু সৃষ্টিকুলের বিচার অনুষ্ঠানের দিক থেকে হবো সর্বপ্রথম। [১৯৮৩]

حدثنا علي بن المنذر، حدثنا ابن فضيل، حدثنا أبو مالك الأشجعي، عن ربعي بن حراش، عن حذيفة، وعن أبي حازم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أضل الله عن الجمعة من كان قبلنا كان لليهود يوم السبت والأحد للنصارى فهم لنا تبع إلى يوم القيامة نحن الآخرون من أهل الدنيا والأولون المقضي لهم قبل الخلائق ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৮১

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا الوليد بن بكير أبو خباب، حدثني عبد الله بن محمد العدوي، عن علي بن زيد، عن سعيد بن المسيب، عن جابر بن عبد الله، قال خطبنا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال ‏ "‏ يا أيها الناس توبوا إلى الله قبل أن تموتوا وبادروا بالأعمال الصالحة قبل أن تشغلوا وصلوا الذي بينكم وبين ربكم بكثرة ذكركم له وكثرة الصدقة في السر والعلانية ترزقوا وتنصروا وتجبروا واعلموا أن الله قد افترض عليكم الجمعة في مقامي هذا في يومي هذا في شهري هذا من عامي هذا إلى يوم القيامة فمن تركها في حياتي أو بعدي وله إمام عادل أو جائر استخفافا بها أو جحودا بها فلا جمع الله له شمله ولا بارك له في أمره ألا ولا صلاة له ولا زكاة له ولا حج له ولا صوم له ولا بر له حتى يتوب فمن تاب تاب الله عليه ألا لا تؤمن امرأة رجلا ولا يؤمن أعرابي مهاجرا ولا يؤم فاجر مؤمنا إلا أن يقهره بسلطان يخاف سيفه وسوطه ‏"‏ ‏.‏

জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের উদ্দেশে ভাষণ দেন। তিনি বলেন, হে মানবমন্ডলী! তোমরা মরার পূর্বেই আল্লাহ নিকট তওবা করো এবং কর্মব্যস্ত হয়ে পড়ার পূর্বেই সৎ কাজের দিকে দ্রুত ধাবিত হও। তাঁর অধিক যিক্‌রের মাধ্যেমে তোমাদের রবের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করো এবং গোপনে ও প্রকাশ্যে অধিক পরিমাণে দান-খয়রাত করো, এজন্য তোমাদের রিযিক বাড়িয়ে দেয়া হবে, সাহায্য করা হবে এবং তোমাদের অবস্থার সংশোধন করা হবে। তোমরা জেনে রাখো, নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা আমার এই স্থানে আমার এই দিনে, আমার এই মাসে এবং আমার এই বছরে তোমাদের উপর কিয়ামতের দিন পর্যন্ত জুমুআহ্‌র সালাত ফার্দ করেছেন। অতএব যে ব্যক্তি আমার জীবদ্দশায় বা আমার ইনতিকালের পরে, ন্যায়পরায়ণ অথবা যালেম শাসক থাকা সত্ত্বেও জুমুআহ্‌র সালাত তুচ্ছ মনে করে বা অস্বীকার করে তা বর্জন করবে, আল্লাহ তার বিক্ষিপ্ত বিষয়কে একত্রে গুছিয়ে দিবেন না এবং তার কাজে বরকত দান করবেন না। সাবধান! তা সালাত, যাকাত, হাজ্জ, সওম এবং অন্য কোন নেক আমার গ্রহণ করা হবে না যতক্ষণ না সে তওবা করে। যে ব্যক্তি তওবা করে আল্লাহর তাআলা তার তওবা কবুল করেন। সাবধান! নবী পুরুষের, বেদুইন মুহাজিরের এবং পাপাচারী মু’মিন ব্যক্তির ইমামতি করবে না। তবে স্বৈরাচারী শাসক তাকে বাধ্য করলে এবং তার তরবারি ও চাবুকের ভয় থাকলে স্বতন্ত্র কথা। [১০৮১]

জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের উদ্দেশে ভাষণ দেন। তিনি বলেন, হে মানবমন্ডলী! তোমরা মরার পূর্বেই আল্লাহ নিকট তওবা করো এবং কর্মব্যস্ত হয়ে পড়ার পূর্বেই সৎ কাজের দিকে দ্রুত ধাবিত হও। তাঁর অধিক যিক্‌রের মাধ্যেমে তোমাদের রবের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করো এবং গোপনে ও প্রকাশ্যে অধিক পরিমাণে দান-খয়রাত করো, এজন্য তোমাদের রিযিক বাড়িয়ে দেয়া হবে, সাহায্য করা হবে এবং তোমাদের অবস্থার সংশোধন করা হবে। তোমরা জেনে রাখো, নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা আমার এই স্থানে আমার এই দিনে, আমার এই মাসে এবং আমার এই বছরে তোমাদের উপর কিয়ামতের দিন পর্যন্ত জুমুআহ্‌র সালাত ফার্দ করেছেন। অতএব যে ব্যক্তি আমার জীবদ্দশায় বা আমার ইনতিকালের পরে, ন্যায়পরায়ণ অথবা যালেম শাসক থাকা সত্ত্বেও জুমুআহ্‌র সালাত তুচ্ছ মনে করে বা অস্বীকার করে তা বর্জন করবে, আল্লাহ তার বিক্ষিপ্ত বিষয়কে একত্রে গুছিয়ে দিবেন না এবং তার কাজে বরকত দান করবেন না। সাবধান! তা সালাত, যাকাত, হাজ্জ, সওম এবং অন্য কোন নেক আমার গ্রহণ করা হবে না যতক্ষণ না সে তওবা করে। যে ব্যক্তি তওবা করে আল্লাহর তাআলা তার তওবা কবুল করেন। সাবধান! নবী পুরুষের, বেদুইন মুহাজিরের এবং পাপাচারী মু’মিন ব্যক্তির ইমামতি করবে না। তবে স্বৈরাচারী শাসক তাকে বাধ্য করলে এবং তার তরবারি ও চাবুকের ভয় থাকলে স্বতন্ত্র কথা। [১০৮১]

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا الوليد بن بكير أبو خباب، حدثني عبد الله بن محمد العدوي، عن علي بن زيد، عن سعيد بن المسيب، عن جابر بن عبد الله، قال خطبنا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال ‏ "‏ يا أيها الناس توبوا إلى الله قبل أن تموتوا وبادروا بالأعمال الصالحة قبل أن تشغلوا وصلوا الذي بينكم وبين ربكم بكثرة ذكركم له وكثرة الصدقة في السر والعلانية ترزقوا وتنصروا وتجبروا واعلموا أن الله قد افترض عليكم الجمعة في مقامي هذا في يومي هذا في شهري هذا من عامي هذا إلى يوم القيامة فمن تركها في حياتي أو بعدي وله إمام عادل أو جائر استخفافا بها أو جحودا بها فلا جمع الله له شمله ولا بارك له في أمره ألا ولا صلاة له ولا زكاة له ولا حج له ولا صوم له ولا بر له حتى يتوب فمن تاب تاب الله عليه ألا لا تؤمن امرأة رجلا ولا يؤمن أعرابي مهاجرا ولا يؤم فاجر مؤمنا إلا أن يقهره بسلطان يخاف سيفه وسوطه ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৮২

حدثنا يحيى بن خلف أبو سلمة، حدثنا عبد الأعلى، عن محمد بن إسحاق، عن محمد بن أبي أمامة بن سهل بن حنيف، عن أبيه أبي أمامة، عن عبد الرحمن بن كعب بن مالك، قال كنت قائد أبي حين ذهب بصره وكنت إذا خرجت به إلى الجمعة فسمع الأذان استغفر لأبي أمامة أسعد بن زرارة ودعا له فمكثت حينا أسمع ذلك منه ثم قلت في نفسي والله إن ذا لعجز إني أسمعه كلما سمع أذان الجمعة يستغفر لأبي أمامة ويصلي عليه ولا أسأله عن ذلك لم هو فخرجت به كما كنت أخرج به إلى الجمعة فلما سمع الأذان استغفر كما كان يفعل فقلت له يا أبتاه أرأيتك صلاتك على أسعد بن زرارة كلما سمعت النداء بالجمعة لم هو قال أى بنى كان أول من صلى بنا صلاة الجمعة قبل مقدم رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ من مكة في نقيع الخضمات في هزم من حرة بني بياضة ‏.‏ قلت كم كنتم يومئذ قال أربعين رجلا ‏.‏

আবদুর রহমান বিন কা‘ব বিন মালিক থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার পিতা (কা‘ব বিন মালিক) (রাঃ) অন্ধ হয়ে গেলে আমি ছিলাম তার পরিচালক। আমি তাকে নিয়ে যখন জুমুআহ্‌র সালাত আদায় করতে বের হতাম, তিনি আযান শুনলেই আবূ উমামাহ আসআদ বিন যুরারাহ্ (রাঃ) এর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতেন এবং দুআ’ করতেন। আমি তাকে ক্ষমা প্রার্থনা ও দুআ’ করতে শুনে কিছুক্ষণ থামলাম, অতঃপর মনে মনে বললাম, আল্লাহর শপথ! কি বোকামী! তিনি জুমুআহ্‌র আযান শুনলেই আমি তাকে আবূ উমামাহ (রাঃ) -এর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা ও দুআ’ করতে শুনি, অথচ আমি তাকে তার কারণ জিজ্ঞেস করিনি? আমি তাকে নিয়ে যেমন বের হতাম, তদ্রুপ একদিন তাঁকে নিয়ে জুমুআহ্‌র উদ্দেশে বের হলাম। তিনি যখন আযান শুনলেন তখন তা অভ্যাস মাফিক ক্ষমা প্রার্থনা করলেন। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, হে পিতা! জুমুআহ্‌র আযান শুনলেই আমি কি আপনাকে দেখি না যে, আপনি আসআদ বিন যুরারাহ্ (রাঃ) এর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন, তা কেন? তিনি বলেন, প্রিয় বৎস! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মাক্কাহ থেকে (মাদীনাহয়) আসার পূর্বে তিনিই সর্বপ্রথম বনূ বাইয়াদার প্রস্তরম সমতল ভূমিতে অবস্থিত নাকীউল খাযামাত-এ আমাদের নিয়ে জুমুআহ্‌র সালাত পড়েন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনারা তখন কতজন ছিলেন? তিনি বলেন, চল্লিশজন পুরুষ। [১০৮২]

আবদুর রহমান বিন কা‘ব বিন মালিক থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার পিতা (কা‘ব বিন মালিক) (রাঃ) অন্ধ হয়ে গেলে আমি ছিলাম তার পরিচালক। আমি তাকে নিয়ে যখন জুমুআহ্‌র সালাত আদায় করতে বের হতাম, তিনি আযান শুনলেই আবূ উমামাহ আসআদ বিন যুরারাহ্ (রাঃ) এর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতেন এবং দুআ’ করতেন। আমি তাকে ক্ষমা প্রার্থনা ও দুআ’ করতে শুনে কিছুক্ষণ থামলাম, অতঃপর মনে মনে বললাম, আল্লাহর শপথ! কি বোকামী! তিনি জুমুআহ্‌র আযান শুনলেই আমি তাকে আবূ উমামাহ (রাঃ) -এর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা ও দুআ’ করতে শুনি, অথচ আমি তাকে তার কারণ জিজ্ঞেস করিনি? আমি তাকে নিয়ে যেমন বের হতাম, তদ্রুপ একদিন তাঁকে নিয়ে জুমুআহ্‌র উদ্দেশে বের হলাম। তিনি যখন আযান শুনলেন তখন তা অভ্যাস মাফিক ক্ষমা প্রার্থনা করলেন। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, হে পিতা! জুমুআহ্‌র আযান শুনলেই আমি কি আপনাকে দেখি না যে, আপনি আসআদ বিন যুরারাহ্ (রাঃ) এর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন, তা কেন? তিনি বলেন, প্রিয় বৎস! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মাক্কাহ থেকে (মাদীনাহয়) আসার পূর্বে তিনিই সর্বপ্রথম বনূ বাইয়াদার প্রস্তরম সমতল ভূমিতে অবস্থিত নাকীউল খাযামাত-এ আমাদের নিয়ে জুমুআহ্‌র সালাত পড়েন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনারা তখন কতজন ছিলেন? তিনি বলেন, চল্লিশজন পুরুষ। [১০৮২]

حدثنا يحيى بن خلف أبو سلمة، حدثنا عبد الأعلى، عن محمد بن إسحاق، عن محمد بن أبي أمامة بن سهل بن حنيف، عن أبيه أبي أمامة، عن عبد الرحمن بن كعب بن مالك، قال كنت قائد أبي حين ذهب بصره وكنت إذا خرجت به إلى الجمعة فسمع الأذان استغفر لأبي أمامة أسعد بن زرارة ودعا له فمكثت حينا أسمع ذلك منه ثم قلت في نفسي والله إن ذا لعجز إني أسمعه كلما سمع أذان الجمعة يستغفر لأبي أمامة ويصلي عليه ولا أسأله عن ذلك لم هو فخرجت به كما كنت أخرج به إلى الجمعة فلما سمع الأذان استغفر كما كان يفعل فقلت له يا أبتاه أرأيتك صلاتك على أسعد بن زرارة كلما سمعت النداء بالجمعة لم هو قال أى بنى كان أول من صلى بنا صلاة الجمعة قبل مقدم رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ من مكة في نقيع الخضمات في هزم من حرة بني بياضة ‏.‏ قلت كم كنتم يومئذ قال أربعين رجلا ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00