সুনানে ইবনে মাজাহ > সালাতকে পুর্নাঙ্গ করা।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৬০
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، عن عبيد الله بن عمر، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبي هريرة، أن رجلا، دخل المسجد فصلى ورسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في ناحية من المسجد فجاء فسلم فقال " وعليك فارجع فصل فإنك لم تصل " . فرجع فصلى ثم جاء فسلم على النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال " وعليك فارجع فصل فإنك لم تصل بعد " . قال في الثالثة فعلمني يا رسول الله . قال " إذا قمت إلى الصلاة فأسبغ الوضوء ثم استقبل القبلة وكبر ثم اقرأ ما تيسر معك من القرآن ثم اركع حتى تطمئن راكعا ثم ارفع حتى تطمئن قائما ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا ثم ارفع رأسك حتى تستوي قاعدا ثم افعل ذلك في صلاتك كلها " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি মাসজিদে প্রবেশ করে সালাত পড়লো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন মাসজিদের এক পাশে অবস্থান করছিলেন। সে এসে তাঁকে সালাম দিল। তিনি বলেন, তোমার প্রতিও, তুমি ফিরে যাও, আবার সালাত পড়ো। কেননা তুমি সালাত পড়োনি। সে ফিরে যেয়ে সালাত পড়লো, তারপর এসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে সালাম দিল। তিনি বললেন তোমার প্রতিও, ফিরে যাও এবং সালাত পড়ো। কেননা তুমি সালাত পড়োনি। তৃতীয়বারে সে বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাকে শিখিয়ে দিন। তিনি বলেন, তুমি সালাত পড়ার ইচ্ছা করলে উত্তমরূপে উযু করো, তারপর কিবলামুখী হয়ে তাকবীর (তাহরীমা) বলো, এরপর কুরআনের যে অংশ তোমার কাছে সহজ সেখান থেকে কিরাআত পাঠ করো, তারপর ধীরস্থিরভাবে রুকূ’ করো, অতঃপর রুকূ’ থেকে দাঁড়িয়ে সোজা হও, তারপর ধীরস্থিরভাবে সিজদা করো, অতঃপর মাথা তুলে সোজা হয়ে বসো। তুমি তোমার গোটা সালাত এভাবে পড়ো। [১০৬০]
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি মাসজিদে প্রবেশ করে সালাত পড়লো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন মাসজিদের এক পাশে অবস্থান করছিলেন। সে এসে তাঁকে সালাম দিল। তিনি বলেন, তোমার প্রতিও, তুমি ফিরে যাও, আবার সালাত পড়ো। কেননা তুমি সালাত পড়োনি। সে ফিরে যেয়ে সালাত পড়লো, তারপর এসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে সালাম দিল। তিনি বললেন তোমার প্রতিও, ফিরে যাও এবং সালাত পড়ো। কেননা তুমি সালাত পড়োনি। তৃতীয়বারে সে বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাকে শিখিয়ে দিন। তিনি বলেন, তুমি সালাত পড়ার ইচ্ছা করলে উত্তমরূপে উযু করো, তারপর কিবলামুখী হয়ে তাকবীর (তাহরীমা) বলো, এরপর কুরআনের যে অংশ তোমার কাছে সহজ সেখান থেকে কিরাআত পাঠ করো, তারপর ধীরস্থিরভাবে রুকূ’ করো, অতঃপর রুকূ’ থেকে দাঁড়িয়ে সোজা হও, তারপর ধীরস্থিরভাবে সিজদা করো, অতঃপর মাথা তুলে সোজা হয়ে বসো। তুমি তোমার গোটা সালাত এভাবে পড়ো। [১০৬০]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، عن عبيد الله بن عمر، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبي هريرة، أن رجلا، دخل المسجد فصلى ورسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في ناحية من المسجد فجاء فسلم فقال " وعليك فارجع فصل فإنك لم تصل " . فرجع فصلى ثم جاء فسلم على النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال " وعليك فارجع فصل فإنك لم تصل بعد " . قال في الثالثة فعلمني يا رسول الله . قال " إذا قمت إلى الصلاة فأسبغ الوضوء ثم استقبل القبلة وكبر ثم اقرأ ما تيسر معك من القرآن ثم اركع حتى تطمئن راكعا ثم ارفع حتى تطمئن قائما ثم اسجد حتى تطمئن ساجدا ثم ارفع رأسك حتى تستوي قاعدا ثم افعل ذلك في صلاتك كلها " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৬১
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو عاصم، حدثنا عبد الحميد بن جعفر، حدثنا محمد بن عمرو بن عطاء، قال سمعت أبا حميد الساعدي، في عشرة من أصحاب رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فيهم أبو قتادة فقال أبو حميد أنا أعلمكم بصلاة رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ . قالوا لم فوالله ما كنت بأكثرنا له تبعة ولا أقدمنا له صحبة . قال بلى . قالوا فاعرض . قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ إذا قام إلى الصلاة كبر ثم رفع يديه حتى يحاذي بهما منكبيه ويقر كل عضو منه في موضعه ثم يقرأ ثم يكبر ويرفع يديه حتى يحاذي بهما منكبيه ثم يركع ويضع راحتيه على ركبتيه معتمدا لا يصب رأسه ولا يقنع معتدلا ثم يقول " سمع الله لمن حمده " . ويرفع يديه حتى يحاذي بهما منكبيه حتى يقر كل عظم إلى موضعه ثم يهوي إلى الأرض ويجافي يديه عن جنبيه ثم يرفع رأسه ويثني رجله اليسرى فيقعد عليها ويفتخ أصابع رجليه إذا سجد ثم يسجد ثم يكبر ويجلس على رجله اليسرى حتى يرجع كل عظم منه إلى موضعه ثم يقوم فيصنع في الركعة الأخرى مثل ذلك ثم إذا قام من الركعتين رفع يديه حتى يحاذي بهما منكبيه كما صنع عند افتتاح الصلاة ثم يصلي بقية صلاته هكذا حتى إذا كانت السجدة التي ينقضي فيها التسليم أخر إحدى رجليه وجلس على شقه الأيسر متوركا . قالوا صدقت هكذا كان يصلي رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ .
হারিস বিন রিবঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দশ জন সাহাবীর উপস্থিতিতে বলতে শুনেছি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সলাতের ব্যপারে আমি তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক জ্ঞাত। তারা বলেন, তা কিভাবে? আল্লাহ্র শপথ! আপনি আমাদের চেয়ে অধিক কাল তাঁর অনুসারণকারী নন এবং তাঁর সাহচর্য লাভের দিক থেকেও আমাদের অগ্রগামী নন। তিনি বলেন, হ্যাঁ। তারা বলেন, তাহলে আপনার বক্তব্য পেশ করুন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতে দাঁড়িয়ে তাকবীর (তাহরীমা) বলতেন, তারপর তাঁর উভয় হাত তাঁর দু’ কাঁধ বরাবর উঠাতেন এবং তাঁর প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্ব স্ব স্থানে স্থির থাকতো। অতঃপর তিনি কিরাআত পড়তেন, অতঃপর তাকবীর বলে তাঁর উভয় কাঁধ বরাবর তাঁর উভয় হাত উঠাতেন। তারপর তিনি রুকূ’ করতেন এবং রুকূ’তে তাঁর উভয় হাত যথাযথভাবে দু’ হাঁটুর উপর রাখতেন, তাঁর মাথা অধিক উঁচু বা নিচু না করে সমানভাবে রাখতেন। অতঃপর তিনি ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলে উভয় হাত উভয় কাঁধ বরাবর উঠাতেন, এমনকি তাঁর প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্ব স্ব স্থানে স্থির হয়ে যেত। অতঃপর তিনি যমীনের দিকে (সিজদায়) ঝুঁকে যেতেন এবং পার্শ্বদেশ থেকে উভয় হাত আলাদা রাখতেন, অতঃপর মাথা উঠিয়ে বাম পা বিছিয়ে তার উপর বসতেন এবং সিজদার সময় উভয় পায়ের আঙ্গুলগুলো ভাঁজ করে খাড়া রাখতেন, তারপর সিজদা করতেন, অতঃপর তাকবীর বলে (সিজদা থেকে উঠে) বাম পায়ের উপর বসতেন, এমনকি তাঁর প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্বস্থানে স্থির হয়ে যেত। অতঃপর তিনি সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় রাকাআতেও প্রথম রাকাআতের অনুরূপ করতেন। তিনি দ্বিতীয় রাকাআত থেকে দাঁড়ানোর সময় তাঁর উভয় হাত তাঁর কাঁধ বরাবর উঠাতেন, যেমন উঠাতেন সালাত শুরু করার সময়। তিনি অবশিষ্ট সালাত এভাবে পড়তেন। শেষ সিজদা করে তিনি সালাম ফিরিয়ে এক পা আগে-পিছে করে, বাম দিকের পাছার উপর ভর করে বসতেন। তারা বলেন, আপনি যথার্থই বলেছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এভাবেই সালাত আদায় করতেন। [১০৬১]
হারিস বিন রিবঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দশ জন সাহাবীর উপস্থিতিতে বলতে শুনেছি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সলাতের ব্যপারে আমি তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক জ্ঞাত। তারা বলেন, তা কিভাবে? আল্লাহ্র শপথ! আপনি আমাদের চেয়ে অধিক কাল তাঁর অনুসারণকারী নন এবং তাঁর সাহচর্য লাভের দিক থেকেও আমাদের অগ্রগামী নন। তিনি বলেন, হ্যাঁ। তারা বলেন, তাহলে আপনার বক্তব্য পেশ করুন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতে দাঁড়িয়ে তাকবীর (তাহরীমা) বলতেন, তারপর তাঁর উভয় হাত তাঁর দু’ কাঁধ বরাবর উঠাতেন এবং তাঁর প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্ব স্ব স্থানে স্থির থাকতো। অতঃপর তিনি কিরাআত পড়তেন, অতঃপর তাকবীর বলে তাঁর উভয় কাঁধ বরাবর তাঁর উভয় হাত উঠাতেন। তারপর তিনি রুকূ’ করতেন এবং রুকূ’তে তাঁর উভয় হাত যথাযথভাবে দু’ হাঁটুর উপর রাখতেন, তাঁর মাথা অধিক উঁচু বা নিচু না করে সমানভাবে রাখতেন। অতঃপর তিনি ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলে উভয় হাত উভয় কাঁধ বরাবর উঠাতেন, এমনকি তাঁর প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্ব স্ব স্থানে স্থির হয়ে যেত। অতঃপর তিনি যমীনের দিকে (সিজদায়) ঝুঁকে যেতেন এবং পার্শ্বদেশ থেকে উভয় হাত আলাদা রাখতেন, অতঃপর মাথা উঠিয়ে বাম পা বিছিয়ে তার উপর বসতেন এবং সিজদার সময় উভয় পায়ের আঙ্গুলগুলো ভাঁজ করে খাড়া রাখতেন, তারপর সিজদা করতেন, অতঃপর তাকবীর বলে (সিজদা থেকে উঠে) বাম পায়ের উপর বসতেন, এমনকি তাঁর প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্বস্থানে স্থির হয়ে যেত। অতঃপর তিনি সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় রাকাআতেও প্রথম রাকাআতের অনুরূপ করতেন। তিনি দ্বিতীয় রাকাআত থেকে দাঁড়ানোর সময় তাঁর উভয় হাত তাঁর কাঁধ বরাবর উঠাতেন, যেমন উঠাতেন সালাত শুরু করার সময়। তিনি অবশিষ্ট সালাত এভাবে পড়তেন। শেষ সিজদা করে তিনি সালাম ফিরিয়ে এক পা আগে-পিছে করে, বাম দিকের পাছার উপর ভর করে বসতেন। তারা বলেন, আপনি যথার্থই বলেছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এভাবেই সালাত আদায় করতেন। [১০৬১]
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو عاصم، حدثنا عبد الحميد بن جعفر، حدثنا محمد بن عمرو بن عطاء، قال سمعت أبا حميد الساعدي، في عشرة من أصحاب رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فيهم أبو قتادة فقال أبو حميد أنا أعلمكم بصلاة رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ . قالوا لم فوالله ما كنت بأكثرنا له تبعة ولا أقدمنا له صحبة . قال بلى . قالوا فاعرض . قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ إذا قام إلى الصلاة كبر ثم رفع يديه حتى يحاذي بهما منكبيه ويقر كل عضو منه في موضعه ثم يقرأ ثم يكبر ويرفع يديه حتى يحاذي بهما منكبيه ثم يركع ويضع راحتيه على ركبتيه معتمدا لا يصب رأسه ولا يقنع معتدلا ثم يقول " سمع الله لمن حمده " . ويرفع يديه حتى يحاذي بهما منكبيه حتى يقر كل عظم إلى موضعه ثم يهوي إلى الأرض ويجافي يديه عن جنبيه ثم يرفع رأسه ويثني رجله اليسرى فيقعد عليها ويفتخ أصابع رجليه إذا سجد ثم يسجد ثم يكبر ويجلس على رجله اليسرى حتى يرجع كل عظم منه إلى موضعه ثم يقوم فيصنع في الركعة الأخرى مثل ذلك ثم إذا قام من الركعتين رفع يديه حتى يحاذي بهما منكبيه كما صنع عند افتتاح الصلاة ثم يصلي بقية صلاته هكذا حتى إذا كانت السجدة التي ينقضي فيها التسليم أخر إحدى رجليه وجلس على شقه الأيسر متوركا . قالوا صدقت هكذا كان يصلي رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৬২
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، عن حارثة بن أبي الرجال، عن عمرة، قالت سألت عائشة كيف كانت صلاة رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قالت كان النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ إذا توضأ فوضع يديه في الإناء سمى الله ويسبغ الوضوء ثم يقوم فيستقبل القبلة فيكبر ويرفع يديه حذاء منكبيه ثم يركع فيضع يديه على ركبتيه ويجافي بعضديه ثم يرفع رأسه فيقيم صلبه ويقوم قياما هو أطول من قيامكم قليلا ثم يسجد فيضع يديه تجاه القبلة ويجافي بعضديه ما استطاع فيما رأيت ثم يرفع رأسه فيجلس على قدمه اليسرى وينصب اليمنى ويكره أن يسقط على شقه الأيسر .
আমরাহ (বিনতু আবদুর রাহমান) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আয়িশা (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সালাত কিরূপ ছিল? তিনি বলেন, তিনি উযু করার সময় বিসমিল্লাহ বলে পাত্রে তাঁর দু’হাত রেখে পূর্ণরূপে উযু করতেন, অতঃপর কিবলামুখী হয়ে দাঁড়িয়ে তাকবীর বলতেন এবং তাঁর উভয় হাত তাঁর উভয় কাঁধ পর্যন্ত উত্তোলন করতেন, অতঃপর কিবলামুখী হয়ে দাঁড়িয়ে তাকবীর বলতেন এবং তাঁর উভয় হাত উভয় কাঁধ পর্যন্ত উত্তোলন করতেন অতঃপর (কিরাআত শেষে) রুকূ’ করতেন এবং তাঁর উভয় হাত উভয় হাঁটুতে রাখতেন এবং হাত দুটোকে পৃথক করে রাখতেন। তারপর মাথা উত্তোলন করে মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়িয়ে যেতেন এবং তোমাদের চাইতে সামান্য বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন। অতঃপর তিনি সিজদা করতেন এবং তাঁর হাত দু’টি কিবলামুখী করে রাখতেন। আমি যতটা দেখেছি, তিনি যথাসাধ্য তাঁর হাত দুটি (পাঁজর থেকে) পৃথক রাখতেন। অতঃপর তিনি তাঁর মাথা তুলে তাঁর বা পায়ের উপর বসতেন এবং ডান পায়ের পাতা খাড়া রাখতেন। তিনি বাঁদিকে ঝুঁকে বসতে অপছন্দ করতেন। [১০৬২] তাহকীক আলবানী : দঈফ জিদ্দান।
আমরাহ (বিনতু আবদুর রাহমান) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আয়িশা (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সালাত কিরূপ ছিল? তিনি বলেন, তিনি উযু করার সময় বিসমিল্লাহ বলে পাত্রে তাঁর দু’হাত রেখে পূর্ণরূপে উযু করতেন, অতঃপর কিবলামুখী হয়ে দাঁড়িয়ে তাকবীর বলতেন এবং তাঁর উভয় হাত তাঁর উভয় কাঁধ পর্যন্ত উত্তোলন করতেন, অতঃপর কিবলামুখী হয়ে দাঁড়িয়ে তাকবীর বলতেন এবং তাঁর উভয় হাত উভয় কাঁধ পর্যন্ত উত্তোলন করতেন অতঃপর (কিরাআত শেষে) রুকূ’ করতেন এবং তাঁর উভয় হাত উভয় হাঁটুতে রাখতেন এবং হাত দুটোকে পৃথক করে রাখতেন। তারপর মাথা উত্তোলন করে মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়িয়ে যেতেন এবং তোমাদের চাইতে সামান্য বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন। অতঃপর তিনি সিজদা করতেন এবং তাঁর হাত দু’টি কিবলামুখী করে রাখতেন। আমি যতটা দেখেছি, তিনি যথাসাধ্য তাঁর হাত দুটি (পাঁজর থেকে) পৃথক রাখতেন। অতঃপর তিনি তাঁর মাথা তুলে তাঁর বা পায়ের উপর বসতেন এবং ডান পায়ের পাতা খাড়া রাখতেন। তিনি বাঁদিকে ঝুঁকে বসতে অপছন্দ করতেন। [১০৬২] তাহকীক আলবানী : দঈফ জিদ্দান।
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، عن حارثة بن أبي الرجال، عن عمرة، قالت سألت عائشة كيف كانت صلاة رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قالت كان النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ إذا توضأ فوضع يديه في الإناء سمى الله ويسبغ الوضوء ثم يقوم فيستقبل القبلة فيكبر ويرفع يديه حذاء منكبيه ثم يركع فيضع يديه على ركبتيه ويجافي بعضديه ثم يرفع رأسه فيقيم صلبه ويقوم قياما هو أطول من قيامكم قليلا ثم يسجد فيضع يديه تجاه القبلة ويجافي بعضديه ما استطاع فيما رأيت ثم يرفع رأسه فيجلس على قدمه اليسرى وينصب اليمنى ويكره أن يسقط على شقه الأيسر .
সুনানে ইবনে মাজাহ > সফরে সালাত কসর (হ্রাস) করা।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৬৭
حدثنا أحمد بن عبدة، أنبأنا حماد بن زيد، عن بشر بن حرب، عن ابن عمر، قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ إذا خرج من هذه المدينة لم يزد على ركعتين حتى يرجع إليها .
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ মাদীনাহ শহর থেকে কোথাও রওয়ানা হয়ে গেলে, এখানে ফিরে না আসা পর্যন্ত দু’ রাকাআতের অধিক সালাত আদায় করতেন না। [১০৬৭]
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ মাদীনাহ শহর থেকে কোথাও রওয়ানা হয়ে গেলে, এখানে ফিরে না আসা পর্যন্ত দু’ রাকাআতের অধিক সালাত আদায় করতেন না। [১০৬৭]
حدثنا أحمد بن عبدة، أنبأنا حماد بن زيد، عن بشر بن حرب، عن ابن عمر، قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ إذا خرج من هذه المدينة لم يزد على ركعتين حتى يرجع إليها .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৬৭
حدثنا أحمد بن عبدة، أنبأنا حماد بن زيد، عن بشر بن حرب، عن ابن عمر، قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ إذا خرج من هذه المدينة لم يزد على ركعتين حتى يرجع إليها .
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ মাদীনাহ শহর থেকে কোথাও রওয়ানা হয়ে গেলে, এখানে ফিরে না আসা পর্যন্ত দু’ রাকাআতের অধিক সালাত আদায় করতেন না। [১০৬৭]
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ মাদীনাহ শহর থেকে কোথাও রওয়ানা হয়ে গেলে, এখানে ফিরে না আসা পর্যন্ত দু’ রাকাআতের অধিক সালাত আদায় করতেন না। [১০৬৭]
حدثنا أحمد بن عبدة، أنبأنا حماد بن زيد، عن بشر بن حرب، عن ابن عمر، قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ إذا خرج من هذه المدينة لم يزد على ركعتين حتى يرجع إليها .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৬৭
حدثنا أحمد بن عبدة، أنبأنا حماد بن زيد، عن بشر بن حرب، عن ابن عمر، قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ إذا خرج من هذه المدينة لم يزد على ركعتين حتى يرجع إليها .
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ মাদীনাহ শহর থেকে কোথাও রওয়ানা হয়ে গেলে, এখানে ফিরে না আসা পর্যন্ত দু’ রাকাআতের অধিক সালাত আদায় করতেন না। [১০৬৭]
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ মাদীনাহ শহর থেকে কোথাও রওয়ানা হয়ে গেলে, এখানে ফিরে না আসা পর্যন্ত দু’ রাকাআতের অধিক সালাত আদায় করতেন না। [১০৬৭]
حدثنا أحمد بن عبدة، أنبأنا حماد بن زيد، عن بشر بن حرب، عن ابن عمر، قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ إذا خرج من هذه المدينة لم يزد على ركعتين حتى يرجع إليها .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৬৪
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا محمد بن بشر، أنبأنا يزيد بن زياد بن أبي الجعد، عن زبيد، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن كعب بن عجرة، عن عمر، قال صلاة السفر ركعتان وصلاة الجمعة ركعتان والفطر والأضحى ركعتان تمام غير قصر على لسان محمد ـ صلى الله عليه وسلم ـ .
উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যবানীতে সফরের সালাত দু’ রাকাআত, জুমুআহ্র সালাত দু’ রাকাআত, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার সালাত দু’ রাকাআত করে, এগুল কসর ব্যতীত পূর্ণ সালাত। [১০৬৪]
উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যবানীতে সফরের সালাত দু’ রাকাআত, জুমুআহ্র সালাত দু’ রাকাআত, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার সালাত দু’ রাকাআত করে, এগুল কসর ব্যতীত পূর্ণ সালাত। [১০৬৪]
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا محمد بن بشر، أنبأنا يزيد بن زياد بن أبي الجعد، عن زبيد، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن كعب بن عجرة، عن عمر، قال صلاة السفر ركعتان وصلاة الجمعة ركعتان والفطر والأضحى ركعتان تمام غير قصر على لسان محمد ـ صلى الله عليه وسلم ـ .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৬৩
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شريك، عن زبيد، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن عمر، قال صلاة السفر ركعتان والجمعة ركعتان والعيد ركعتان تمام غير قصر على لسان محمد ـ صلى الله عليه وسلم ـ .
উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যবানীতে সফরের সালাত দু’ রাকাআত, জুমুআহ্র সালাত দু’ রাকাআত এবং ঈদের সালাত দু’ রাকাআত। এগুল পূর্ণ সালাত, এগুলোর কসর নাই। [১০৬৩]
উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যবানীতে সফরের সালাত দু’ রাকাআত, জুমুআহ্র সালাত দু’ রাকাআত এবং ঈদের সালাত দু’ রাকাআত। এগুল পূর্ণ সালাত, এগুলোর কসর নাই। [১০৬৩]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا شريك، عن زبيد، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن عمر، قال صلاة السفر ركعتان والجمعة ركعتان والعيد ركعتان تمام غير قصر على لسان محمد ـ صلى الله عليه وسلم ـ .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৬৮
حدثنا محمد بن عبد الملك بن أبي الشوارب، وجبارة بن المغلس، قالا حدثنا أبو عوانة، عن بكير بن الأخنس، عن مجاهد، عن ابن عباس، قال افترض الله الصلاة على لسان نبيكم ـ صلى الله عليه وسلم ـ في الحضر أربعا وفي السفر ركعتين .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ্ তায়ালা তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যবনীতে (তাঁর বান্দাদের উপর) মুকীম অবস্থায় চার রাকাআত এবং মুসাফির অবস্থায় দু’ রাকাআত সালাত ফার্দ করেছেন। [১০৬৮]
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ্ তায়ালা তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যবনীতে (তাঁর বান্দাদের উপর) মুকীম অবস্থায় চার রাকাআত এবং মুসাফির অবস্থায় দু’ রাকাআত সালাত ফার্দ করেছেন। [১০৬৮]
حدثنا محمد بن عبد الملك بن أبي الشوارب، وجبارة بن المغلس، قالا حدثنا أبو عوانة، عن بكير بن الأخنس، عن مجاهد، عن ابن عباس، قال افترض الله الصلاة على لسان نبيكم ـ صلى الله عليه وسلم ـ في الحضر أربعا وفي السفر ركعتين .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৬৫
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن ابن جريج، عن ابن أبي عمار، عن عبد الله بن بابيه، عن يعلى بن أمية، قال سألت عمر بن الخطاب قلت ليس عليكم جناح أن تقصروا من الصلاة إن خفتم أن يفتنكم الذين كفروا وقد أمن الناس فقال عجبت مما عجبت منه فسألت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ عن ذلك فقال " صدقة تصدق الله بها عليكم فاقبلوا صدقته " .
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট এই আয়াত উল্লেখপূর্বক (অনুবাদ) : “যদি তোমাদের আশঙ্কা হয় যে, কাফেররা তোমাদের জন্য ফিতনা সৃষ্টি করবে, তবে সালাত সংক্ষিপ্ত করলে এতে তোমাদের কোন দোষ নেই” জিজ্ঞেস করলাম যে, মানুষ তো এখন নিরাপদে আছে? তিনি বলেন, তুমি যে বিষয়ে বিস্ময় বোধ করছো, আমিও সে বিষয়ে বিস্ময় বোধ করেছিলাম। এ বিষয়ে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, এতো একটি দানবিশেষ, যা আল্লাহ্ তায়ালা তোমাদের দিয়েছেন। কাজেই তোমরা তাঁর দান গ্রহন করো। [১০৬৫]
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট এই আয়াত উল্লেখপূর্বক (অনুবাদ) : “যদি তোমাদের আশঙ্কা হয় যে, কাফেররা তোমাদের জন্য ফিতনা সৃষ্টি করবে, তবে সালাত সংক্ষিপ্ত করলে এতে তোমাদের কোন দোষ নেই” জিজ্ঞেস করলাম যে, মানুষ তো এখন নিরাপদে আছে? তিনি বলেন, তুমি যে বিষয়ে বিস্ময় বোধ করছো, আমিও সে বিষয়ে বিস্ময় বোধ করেছিলাম। এ বিষয়ে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, এতো একটি দানবিশেষ, যা আল্লাহ্ তায়ালা তোমাদের দিয়েছেন। কাজেই তোমরা তাঁর দান গ্রহন করো। [১০৬৫]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن ابن جريج، عن ابن أبي عمار، عن عبد الله بن بابيه، عن يعلى بن أمية، قال سألت عمر بن الخطاب قلت ليس عليكم جناح أن تقصروا من الصلاة إن خفتم أن يفتنكم الذين كفروا وقد أمن الناس فقال عجبت مما عجبت منه فسألت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ عن ذلك فقال " صدقة تصدق الله بها عليكم فاقبلوا صدقته " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৬৬
حدثنا محمد بن رمح، أنبأنا الليث بن سعد، عن ابن شهاب، عن عبد الله بن أبي بكر بن عبد الرحمن، عن أمية بن عبد الله بن خالد، أنه قال لعبد الله بن عمر إنا نجد صلاة الحضر وصلاة الخوف في القرآن ولا نجد صلاة السفر فقال له عبد الله إن الله بعث إلينا محمدا ـ صلى الله عليه وسلم ـ ولا نعلم شيئا فإنما نفعل كما رأينا محمدا ـ صلى الله عليه وسلم ـ يفعل .
উমাইয়্যাহ বিন আবদুল্লাহ বিন খালিদ থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) কে বলেন, আমরা কুরআনুল কারীমে মুকীম ব্যক্তির সালাত ও ভীতির সালাত (সলাতুল খাউফ) সম্পর্কে বর্ণনা পাই, অথচ মুসাফিরের সলাতের বর্ণনা পাই না। আবদুল্লাহ (রাঃ) তাকে বলেন, আল্লাহ্ তায়ালা আমাদের নিকট মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে প্রেরণ করেছেন এবং আমরা কিছুই জানতাম না। আমরা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে যেরূপ করতে দেখেছি, আমরাও অবশ্যি তদ্রূপ করি। [১০৬৬]
উমাইয়্যাহ বিন আবদুল্লাহ বিন খালিদ থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) কে বলেন, আমরা কুরআনুল কারীমে মুকীম ব্যক্তির সালাত ও ভীতির সালাত (সলাতুল খাউফ) সম্পর্কে বর্ণনা পাই, অথচ মুসাফিরের সলাতের বর্ণনা পাই না। আবদুল্লাহ (রাঃ) তাকে বলেন, আল্লাহ্ তায়ালা আমাদের নিকট মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে প্রেরণ করেছেন এবং আমরা কিছুই জানতাম না। আমরা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে যেরূপ করতে দেখেছি, আমরাও অবশ্যি তদ্রূপ করি। [১০৬৬]
حدثنا محمد بن رمح، أنبأنا الليث بن سعد، عن ابن شهاب، عن عبد الله بن أبي بكر بن عبد الرحمن، عن أمية بن عبد الله بن خالد، أنه قال لعبد الله بن عمر إنا نجد صلاة الحضر وصلاة الخوف في القرآن ولا نجد صلاة السفر فقال له عبد الله إن الله بعث إلينا محمدا ـ صلى الله عليه وسلم ـ ولا نعلم شيئا فإنما نفعل كما رأينا محمدا ـ صلى الله عليه وسلم ـ يفعل .
সুনানে ইবনে মাজাহ > সফরে দু’ ওয়াক্তের সালাত একত্রে পড়া।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৬৯
حدثنا محرز بن سلمة العدني، حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن إبراهيم بن إسماعيل، عن عبد الكريم، عن مجاهد، وسعيد بن جبير، وعطاء بن أبي رباح، وطاوس، أخبروه عن ابن عباس، أنه أخبرهم أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان يجمع بين المغرب والعشاء في السفر من غير أن يعجله شىء ولا يطلبه عدو ولا يخاف شيئا .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি অবহিত করেন যে, ব্যতিব্যস্ততা, শত্রুর আক্রমণাশঙ্কা এবং অন্য কিছুর ভয়ভীতিমুক্ত অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরে মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রে পড়তেন। [১০৬৯]
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি অবহিত করেন যে, ব্যতিব্যস্ততা, শত্রুর আক্রমণাশঙ্কা এবং অন্য কিছুর ভয়ভীতিমুক্ত অবস্থায় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরে মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রে পড়তেন। [১০৬৯]
حدثنا محرز بن سلمة العدني، حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن إبراهيم بن إسماعيل، عن عبد الكريم، عن مجاهد، وسعيد بن جبير، وعطاء بن أبي رباح، وطاوس، أخبروه عن ابن عباس، أنه أخبرهم أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ كان يجمع بين المغرب والعشاء في السفر من غير أن يعجله شىء ولا يطلبه عدو ولا يخاف شيئا .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৭০
حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن أبي الزبير، عن أبي الطفيل، عن معاذ بن جبل، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ جمع بين الظهر والعصر والمغرب والعشاء في غزوة تبوك في السفر .
মু’আয বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাবূক যুদ্ধের সফরে যোহর ও আসর এবং মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রে আদায় করেন। [১০৭০]
মু’আয বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাবূক যুদ্ধের সফরে যোহর ও আসর এবং মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রে আদায় করেন। [১০৭০]
حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن أبي الزبير، عن أبي الطفيل، عن معاذ بن جبل، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ جمع بين الظهر والعصر والمغرب والعشاء في غزوة تبوك في السفر .
সুনানে ইবনে মাজাহ > সফরে নফল সালাত।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৭২
حدثنا أبو بكر بن خلاد، حدثنا وكيع، حدثنا أسامة بن زيد، قال سألت طاوسا عن السبحة، في السفر - والحسن بن مسلم بن يناق جالس عنده - فقال حدثني طاوس، أنه سمع ابن عباس، يقول فرض رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ صلاة الحضر وصلاة السفر فكنا نصلي في الحضر قبلها وبعدها وكنا نصلي في السفر قبلها وبعدها .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(উসামাহ) বলেন, আমি তাঊসকে সফরে নফল সালাত পড়ার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম। তখন হাসান বিন মুসলিম বিন ইয়ানাকও তার নিকট বসা ছিল। তিনি বলেন, তাঊস (রহ:) আমাকে বললেন যে, তিনি ইবনু আব্বাস (রাঃ) -কে বলতে শুনেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুকীম অবস্থার ও সফরকালের সালাত নির্ধারণ করে দিয়েছেন। অতএব আমরা মুকীম ও মুসাফির অবস্থায় ফার্দ সলাতের আগে-পরে নফল সালাত পড়তাম। [১০৭২]
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(উসামাহ) বলেন, আমি তাঊসকে সফরে নফল সালাত পড়ার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম। তখন হাসান বিন মুসলিম বিন ইয়ানাকও তার নিকট বসা ছিল। তিনি বলেন, তাঊস (রহ:) আমাকে বললেন যে, তিনি ইবনু আব্বাস (রাঃ) -কে বলতে শুনেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুকীম অবস্থার ও সফরকালের সালাত নির্ধারণ করে দিয়েছেন। অতএব আমরা মুকীম ও মুসাফির অবস্থায় ফার্দ সলাতের আগে-পরে নফল সালাত পড়তাম। [১০৭২]
حدثنا أبو بكر بن خلاد، حدثنا وكيع، حدثنا أسامة بن زيد، قال سألت طاوسا عن السبحة، في السفر - والحسن بن مسلم بن يناق جالس عنده - فقال حدثني طاوس، أنه سمع ابن عباس، يقول فرض رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ صلاة الحضر وصلاة السفر فكنا نصلي في الحضر قبلها وبعدها وكنا نصلي في السفر قبلها وبعدها .
সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৭১
حدثنا أبو بكر بن خلاد الباهلي، حدثنا أبو عامر، عن عيسى بن حفص بن عاصم بن عمر بن الخطاب، حدثني أبي قال، كنا مع ابن عمر في سفر فصلى بنا ثم انصرفنا معه وانصرف . قال فالتفت فرأى أناسا يصلون فقال ما يصنع هؤلاء قلت يسبحون . قال لو كنت مسبحا لأتممت صلاتي يا ابن أخي إني صحبت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فلم يزد على ركعتين في السفر حتى قبضه الله ثم صحبت أبا بكر فلم يزد على ركعتين ثم صحبت عمر فلم يزد على ركعتين ثم صحبت عثمان فلم يزد على ركعتين حتى قبضهم الله والله يقول {لقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة } .
হাফস বিন আসিম থেকে বর্নিতঃ
হাফস বিন আসিম বলেন আমরা এক সফরে ইবনু উমার (রাঃ) -এর সাথে ছিলাম। তিনি আমাদের নিয়ে সালাত পড়েন। অতঃপর আমরা সেখান থেকে তার সাথে ফিরে আসি। রাবী বলেন, তিনি একদল লোককে সালাত আদায় করতে দেখে বলেন, ঐ সকল লোক কি করছে? আমি বললাম, তারা নফল সালাত পড়ছে। তিনি বলেন, সফরে নফল সালাত পড়া জরুরী মনে করলে, আমি আমার ফার্দ সালাত পুরটাই পড়তাম। হে ভাতিজা, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সফরসঙ্গী ছিলাম। তিনি তাঁর ইন্তিকাল পর্যন্ত সফরে দু’ রাকআতের অধিক সালাত পড়েননি। তারপর আমি আবূ বকর (রাঃ) -এর সফরসঙ্গী ছিলাম, তিনিও দু’ রাকআতের অধিক সালাত পড়েননি। এরপর আমি উমার (রাঃ) -এর সফরসঙ্গী ছিলাম এবং তিনিও দু’ রাকআতের অধিক সালাত পড়েননি। অতঃপর আমি উসমান (রাঃ) -এর সফরসঙ্গী ছিলাম, তিনিও দু’ রাকআতের অধিক সালাত পড়েননি। এই অবস্থায় তারা ইন্তিকাল করেন। আল্লাহ্ তায়ালা বলেন, “রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মধ্যে অবশ্যি তোমাদের জন্য রয়েছে উত্তম আদর্শ” (সূরা আহ্যাব : ২১)। [১০৭১]
হাফস বিন আসিম থেকে বর্নিতঃ
হাফস বিন আসিম বলেন আমরা এক সফরে ইবনু উমার (রাঃ) -এর সাথে ছিলাম। তিনি আমাদের নিয়ে সালাত পড়েন। অতঃপর আমরা সেখান থেকে তার সাথে ফিরে আসি। রাবী বলেন, তিনি একদল লোককে সালাত আদায় করতে দেখে বলেন, ঐ সকল লোক কি করছে? আমি বললাম, তারা নফল সালাত পড়ছে। তিনি বলেন, সফরে নফল সালাত পড়া জরুরী মনে করলে, আমি আমার ফার্দ সালাত পুরটাই পড়তাম। হে ভাতিজা, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সফরসঙ্গী ছিলাম। তিনি তাঁর ইন্তিকাল পর্যন্ত সফরে দু’ রাকআতের অধিক সালাত পড়েননি। তারপর আমি আবূ বকর (রাঃ) -এর সফরসঙ্গী ছিলাম, তিনিও দু’ রাকআতের অধিক সালাত পড়েননি। এরপর আমি উমার (রাঃ) -এর সফরসঙ্গী ছিলাম এবং তিনিও দু’ রাকআতের অধিক সালাত পড়েননি। অতঃপর আমি উসমান (রাঃ) -এর সফরসঙ্গী ছিলাম, তিনিও দু’ রাকআতের অধিক সালাত পড়েননি। এই অবস্থায় তারা ইন্তিকাল করেন। আল্লাহ্ তায়ালা বলেন, “রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মধ্যে অবশ্যি তোমাদের জন্য রয়েছে উত্তম আদর্শ” (সূরা আহ্যাব : ২১)। [১০৭১]
حدثنا أبو بكر بن خلاد الباهلي، حدثنا أبو عامر، عن عيسى بن حفص بن عاصم بن عمر بن الخطاب، حدثني أبي قال، كنا مع ابن عمر في سفر فصلى بنا ثم انصرفنا معه وانصرف . قال فالتفت فرأى أناسا يصلون فقال ما يصنع هؤلاء قلت يسبحون . قال لو كنت مسبحا لأتممت صلاتي يا ابن أخي إني صحبت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فلم يزد على ركعتين في السفر حتى قبضه الله ثم صحبت أبا بكر فلم يزد على ركعتين ثم صحبت عمر فلم يزد على ركعتين ثم صحبت عثمان فلم يزد على ركعتين حتى قبضهم الله والله يقول {لقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة } .