সুনানে ইবনে মাজাহ > গোসলের সময় আড়ালের ব্যবস্থা করা

সুনানে ইবনে মাজাহ ৬১৩

حدثنا العباس بن عبد العظيم العنبري، وأبو حفص عمرو بن علي الفلاس ومجاهد بن موسى قالوا حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا يحيى بن الوليد، أخبرني محل بن خليفة، حدثني أبو السمح، قال كنت أخدم النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فكان إذا أراد أن يغتسل قال ‏ "‏ ولني ‏"‏ ‏.‏ فأوليه قفاى وأنشر الثوب فأستره به ‏.‏

আবূস সাম্‌হ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খেদমত করতাম। তিনি গোসলের ইচ্ছা করলে বলতেনঃ আমার দিকে পিঠ ফিরিয়ে দাঁড়াও। আমি তাঁর দিকে আমার পিঠ ফিরিয়ে দাঁড়াতাম এবং কাপড় লম্বা করে তা দিয়ে তাকে আড়াল করতাম। [৬১০]

আবূস সাম্‌হ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খেদমত করতাম। তিনি গোসলের ইচ্ছা করলে বলতেনঃ আমার দিকে পিঠ ফিরিয়ে দাঁড়াও। আমি তাঁর দিকে আমার পিঠ ফিরিয়ে দাঁড়াতাম এবং কাপড় লম্বা করে তা দিয়ে তাকে আড়াল করতাম। [৬১০]

حدثنا العباس بن عبد العظيم العنبري، وأبو حفص عمرو بن علي الفلاس ومجاهد بن موسى قالوا حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا يحيى بن الوليد، أخبرني محل بن خليفة، حدثني أبو السمح، قال كنت أخدم النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فكان إذا أراد أن يغتسل قال ‏ "‏ ولني ‏"‏ ‏.‏ فأوليه قفاى وأنشر الثوب فأستره به ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৬১৪

حدثنا محمد بن رمح المصري، أنبأنا الليث بن سعد، عن ابن شهاب، عن عبد الله بن عبد الله بن نوفل، أنه قال سألت فلم أجد أحدا يخبرني أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ سبح في سفر حتى أخبرتني أم هانئ بنت أبي طالب أنه قدم عام الفتح فأمر بستر فستر عليه فاغتسل ثم سبح ثماني ركعات ‏.‏

আবদুল্লাহ্ বিন আবদুল্লাহ্ বিন নাওফাল থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি অনেকের কাছে জিজ্ঞেস করেছি যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি সফররত অবস্থায় চাশতের সলাত আদায় করতেন? আমাকে অবহিত করার মত কাউকে আমি পেলাম না। অবশেষে উম্মু হানী বিনতে আবূ তালিব (রাঃ) আমাকে অবহিত করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের বছর সেখানে আসেন। তিনি আড়াল করার জন্য নির্দেশ দেন। সে মতে তাঁর জন্য আড়ালের ব্যবস্থা করা হয়। তিনি গোসল করেন, অতঃপর আট রাকআত (চাশতের) সলাত পড়েন। [৬১১]

আবদুল্লাহ্ বিন আবদুল্লাহ্ বিন নাওফাল থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি অনেকের কাছে জিজ্ঞেস করেছি যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি সফররত অবস্থায় চাশতের সলাত আদায় করতেন? আমাকে অবহিত করার মত কাউকে আমি পেলাম না। অবশেষে উম্মু হানী বিনতে আবূ তালিব (রাঃ) আমাকে অবহিত করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের বছর সেখানে আসেন। তিনি আড়াল করার জন্য নির্দেশ দেন। সে মতে তাঁর জন্য আড়ালের ব্যবস্থা করা হয়। তিনি গোসল করেন, অতঃপর আট রাকআত (চাশতের) সলাত পড়েন। [৬১১]

حدثنا محمد بن رمح المصري، أنبأنا الليث بن سعد، عن ابن شهاب، عن عبد الله بن عبد الله بن نوفل، أنه قال سألت فلم أجد أحدا يخبرني أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ سبح في سفر حتى أخبرتني أم هانئ بنت أبي طالب أنه قدم عام الفتح فأمر بستر فستر عليه فاغتسل ثم سبح ثماني ركعات ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৬১৫

حدثنا محمد بن عبيد بن ثعلبة الحماني، حدثنا عبد الحميد أبو يحيى الحماني، حدثنا الحسن بن عمارة، عن المنهال بن عمرو، عن أبي عبيدة، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ لا يغتسلن أحدكم بأرض فلاة ولا فوق سطح لا يواريه فإن لم يكن يرى فإنه يرى ‏"‏ ‏.

আবদুল্লাহ্ বিন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন আড়ালের ব্যবস্থা না করে উন্মুক্ত ময়দানে কিংবা ছাদের উপরে গোসল না করে। কারণ সে তাঁকে না দেখলেও তিনি (আল্লাহ) তাকে দেখেন। [৬১২]

আবদুল্লাহ্ বিন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন আড়ালের ব্যবস্থা না করে উন্মুক্ত ময়দানে কিংবা ছাদের উপরে গোসল না করে। কারণ সে তাঁকে না দেখলেও তিনি (আল্লাহ) তাকে দেখেন। [৬১২]

حدثنا محمد بن عبيد بن ثعلبة الحماني، حدثنا عبد الحميد أبو يحيى الحماني، حدثنا الحسن بن عمارة، عن المنهال بن عمرو، عن أبي عبيدة، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ لا يغتسلن أحدكم بأرض فلاة ولا فوق سطح لا يواريه فإن لم يكن يرى فإنه يرى ‏"‏ ‏.


সুনানে ইবনে মাজাহ > পেশাব-পায়খানার বেগ চেপে রেখে সলাত পড়া নিষেধ

সুনানে ইবনে মাজাহ ৬১৯

حدثنا محمد بن المصفى الحمصي، حدثنا بقية، عن حبيب بن صالح، عن أبي حى المؤذن، عن ثوبان، عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ أنه قال ‏ "‏ لا يقوم أحد من المسلمين وهو حاقن حتى يتخفف ‏"‏ ‏.‏

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন মুসলিমের পেশাব-পায়খানার বেগ হলে সে যেন তা থেকে হালকা না হয়ে সলাতে না দাঁড়ায়। [৬১৬]

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন মুসলিমের পেশাব-পায়খানার বেগ হলে সে যেন তা থেকে হালকা না হয়ে সলাতে না দাঁড়ায়। [৬১৬]

حدثنا محمد بن المصفى الحمصي، حدثنا بقية، عن حبيب بن صالح، عن أبي حى المؤذن، عن ثوبان، عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ أنه قال ‏ "‏ لا يقوم أحد من المسلمين وهو حاقن حتى يتخفف ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৬১৮

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن إدريس الأودي، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ لا يقوم أحدكم إلى الصلاة وبه أذى ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন পেশাব-পায়খানার বেগ নিয়ে সলাতে না দাঁড়ায়। [৬১৫]

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন পেশাব-পায়খানার বেগ নিয়ে সলাতে না দাঁড়ায়। [৬১৫]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن إدريس الأودي، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ لا يقوم أحدكم إلى الصلاة وبه أذى ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৬১৭

حدثنا بشر بن آدم، حدثنا زيد بن الحباب، حدثنا معاوية بن صالح، عن السفر بن نسير، عن يزيد بن شريح، عن أبي أمامة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ نهى أن يصلي الرجل وهو حاقن ‏.‏

আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে কোন ব্যক্তিকে পেশাব-পায়খানার বেগ চেপে রেখে সলাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। [৬১৪]

আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে কোন ব্যক্তিকে পেশাব-পায়খানার বেগ চেপে রেখে সলাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। [৬১৪]

حدثنا بشر بن آدم، حدثنا زيد بن الحباب، حدثنا معاوية بن صالح، عن السفر بن نسير، عن يزيد بن شريح، عن أبي أمامة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ نهى أن يصلي الرجل وهو حاقن ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৬১৬

حدثنا محمد بن الصباح، أنبأنا سفيان بن عيينة، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عبد الله بن أرقم، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إذا أراد أحدكم الغائط وأقيمت الصلاة فليبدأ به ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ্ বিন আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ পায়খানায় যাওয়ার মনস্থ করলে এবং সলাতের ইকামাতও হতে থাকলে সে যেন প্রথমে পায়খানা সেরে নেয়। [৬১৩]

আবদুল্লাহ্ বিন আরকাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ পায়খানায় যাওয়ার মনস্থ করলে এবং সলাতের ইকামাতও হতে থাকলে সে যেন প্রথমে পায়খানা সেরে নেয়। [৬১৩]

حدثنا محمد بن الصباح، أنبأنا سفيان بن عيينة، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عبد الله بن أرقم، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إذا أراد أحدكم الغائط وأقيمت الصلاة فليبدأ به ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > ঋতুবতী নারীর হায়িদের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পর রক্ত নির্গত হলে

সুনানে ইবনে মাজাহ ৬২০

حدثنا محمد بن رمح، أنبأنا الليث بن سعد، عن يزيد بن أبي حبيب، عن بكير بن عبد الله، عن المنذر بن المغيرة، عن عروة بن الزبير، أن فاطمة بنت أبي حبيش، حدثته أنها، أتت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فشكت إليه الدم فقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إنما ذلك عرق فانظري إذا أتى قرؤك فلا تصلي فإذا مر القرء فتطهري ثم صلي ما بين القرء إلى القرء ‏"‏ ‏.‏

ফাতিমাহ বিনতু আবূ হুবায়শ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁর কাছে ঋতুস্রাব সম্পর্কে অভিযোগ করেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তা এক প্রকার শিরাজনিত রোগ। সুতরাং তুমি লক্ষ্য রাখবে যে, তোমার হায়িদ শুরু হলে সলাত পড়বে না। হায়িদকাল উত্তীর্ণ হলে পর তুমি পবিত্রতা অর্জন করবে, অতঃপর দু’হায়িদের মধ্যবর্তীকাল সলাত পড়বে। [৬১৭]

ফাতিমাহ বিনতু আবূ হুবায়শ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁর কাছে ঋতুস্রাব সম্পর্কে অভিযোগ করেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তা এক প্রকার শিরাজনিত রোগ। সুতরাং তুমি লক্ষ্য রাখবে যে, তোমার হায়িদ শুরু হলে সলাত পড়বে না। হায়িদকাল উত্তীর্ণ হলে পর তুমি পবিত্রতা অর্জন করবে, অতঃপর দু’হায়িদের মধ্যবর্তীকাল সলাত পড়বে। [৬১৭]

حدثنا محمد بن رمح، أنبأنا الليث بن سعد، عن يزيد بن أبي حبيب، عن بكير بن عبد الله، عن المنذر بن المغيرة، عن عروة بن الزبير، أن فاطمة بنت أبي حبيش، حدثته أنها، أتت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فشكت إليه الدم فقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إنما ذلك عرق فانظري إذا أتى قرؤك فلا تصلي فإذا مر القرء فتطهري ثم صلي ما بين القرء إلى القرء ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৬২১

حدثنا عبد الله بن الجراح، حدثنا حماد بن زيد، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا وكيع، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت جاءت فاطمة بنت أبي حبيش إلى رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقالت يا رسول الله إني امرأة أستحاض فلا أطهر أفأدع الصلاة قال ‏ "‏ لا إنما ذلك عرق وليس بالحيضة فإذا أقبلت الحيضة فدعي الصلاة وإذا أدبرت فاغسلي عنك الدم وصلي ‏"‏ ‏.‏ هذا حديث وكيع ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ফাতিমাহ বিনতে আবূ হুবায়শ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার অনবরত রক্তস্রাব হতেই থাকে এবং আমি পবিত্র হতে পারি না। আমি কি সলাত ছেড়ে দিবো? তিনি বলেন, না, বরং এটি হচ্ছে একটি শিরাজনিত রোগ এবং এটা হায়িদের রক্ত নয়। অতএব তোমার ঋতুস্রাব দেখা দিলে তুমি সলাত ছেড়ে দিবে। অতঃপর ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে গেলে তুমি রক্ত ধুয়ে ফেলে সলাত পড়বে। [৬১৮]

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ফাতিমাহ বিনতে আবূ হুবায়শ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার অনবরত রক্তস্রাব হতেই থাকে এবং আমি পবিত্র হতে পারি না। আমি কি সলাত ছেড়ে দিবো? তিনি বলেন, না, বরং এটি হচ্ছে একটি শিরাজনিত রোগ এবং এটা হায়িদের রক্ত নয়। অতএব তোমার ঋতুস্রাব দেখা দিলে তুমি সলাত ছেড়ে দিবে। অতঃপর ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে গেলে তুমি রক্ত ধুয়ে ফেলে সলাত পড়বে। [৬১৮]

حدثنا عبد الله بن الجراح، حدثنا حماد بن زيد، ح وحدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا وكيع، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت جاءت فاطمة بنت أبي حبيش إلى رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقالت يا رسول الله إني امرأة أستحاض فلا أطهر أفأدع الصلاة قال ‏ "‏ لا إنما ذلك عرق وليس بالحيضة فإذا أقبلت الحيضة فدعي الصلاة وإذا أدبرت فاغسلي عنك الدم وصلي ‏"‏ ‏.‏ هذا حديث وكيع ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৬২৫

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسماعيل بن موسى، قالا حدثنا شريك، عن أبي اليقظان، عن عدي بن ثابت، عن أبيه، عن جده، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ المستحاضة تدع الصلاة أيام أقرائها ثم تغتسل وتتوضأ لكل صلاة وتصوم وتصلي ‏"‏ ‏.‏

উবায়দ বিন আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ইস্তিহাদায় (রক্তপ্রদরে) আক্রান্ত নারী তার হায়িযের মেয়াদকাল সলাত ত্যাগ করবে। এরপর সে গোসল করবে এবং প্রতি ওয়াক্ত সলাতের জন্য উযু করবে এবং সলাত-সাওম করবে। [৬২২]

উবায়দ বিন আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ইস্তিহাদায় (রক্তপ্রদরে) আক্রান্ত নারী তার হায়িযের মেয়াদকাল সলাত ত্যাগ করবে। এরপর সে গোসল করবে এবং প্রতি ওয়াক্ত সলাতের জন্য উযু করবে এবং সলাত-সাওম করবে। [৬২২]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وإسماعيل بن موسى، قالا حدثنا شريك، عن أبي اليقظان، عن عدي بن ثابت، عن أبيه، عن جده، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ المستحاضة تدع الصلاة أيام أقرائها ثم تغتسل وتتوضأ لكل صلاة وتصوم وتصلي ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৬২৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا أبو أسامة، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن سليمان بن يسار، عن أم سلمة، قالت سألت امرأة النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قالت إني أستحاض فلا أطهر أفأدع الصلاة قال ‏"‏ لا ولكن دعي قدر الأيام والليالي التي كنت تحيضين ‏"‏ ‏.‏ قال أبو بكر في حديثه ‏"‏ وقدرهن من الشهر ثم اغتسلي واستثفري بثوب وصلي ‏"‏ ‏.‏

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট সমাধান জানতে চেয়ে বলেন, আমার অনবরত রক্তস্রাব হয়, আমি কখনো পবিত্র হই না। আমি কি সলাত ছেড়ে দিবো? তিনি বলেন, না, বরং তুমি তোমার হায়িদের মেয়াদে সলাত ত্যাগ করো। আবূ বকর (রাঃ)-এর রিওয়ায়াতে আছেঃ প্রতি মাসে হায়িদের সমপরিমাণ মেয়াদ নির্ধারণ করো, অতঃপর গোসল করে কাপড়ের পট্টি বেঁধে সলাত পড়ো। [৬২০]

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট সমাধান জানতে চেয়ে বলেন, আমার অনবরত রক্তস্রাব হয়, আমি কখনো পবিত্র হই না। আমি কি সলাত ছেড়ে দিবো? তিনি বলেন, না, বরং তুমি তোমার হায়িদের মেয়াদে সলাত ত্যাগ করো। আবূ বকর (রাঃ)-এর রিওয়ায়াতে আছেঃ প্রতি মাসে হায়িদের সমপরিমাণ মেয়াদ নির্ধারণ করো, অতঃপর গোসল করে কাপড়ের পট্টি বেঁধে সলাত পড়ো। [৬২০]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا أبو أسامة، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن سليمان بن يسار، عن أم سلمة، قالت سألت امرأة النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قالت إني أستحاض فلا أطهر أفأدع الصلاة قال ‏"‏ لا ولكن دعي قدر الأيام والليالي التي كنت تحيضين ‏"‏ ‏.‏ قال أبو بكر في حديثه ‏"‏ وقدرهن من الشهر ثم اغتسلي واستثفري بثوب وصلي ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৬২২

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا عبد الرزاق، - إملاء على من كتابه وكان السائل غيري - أنبأنا ابن جريج عن عبد الله بن محمد بن عقيل عن إبراهيم بن محمد بن طلحة عن عمر بن طلحة عن أم حبيبة بنت جحش قالت كنت أستحاض حيضة كثيرة طويلة ‏.‏ قالت فجئت إلى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ أستفتيه وأخبره ‏.‏ قالت فوجدته عند أختي زينب ‏.‏ قالت قلت يا رسول الله إن لي إليك حاجة ‏.‏ قال ‏"‏ وما هي أى هنتاه ‏"‏ ‏.‏ قلت إني أستحاض حيضة طويلة كبيرة وقد منعتني الصلاة والصوم فما تأمرني فيها قال ‏"‏ أنعت لك الكرسف فإنه يذهب الدم ‏"‏ ‏.‏ قلت هو أكثر ‏.‏ فذكر نحو حديث شريك ‏.‏

উম্মু হাবীবাহ বিনতে জাহ্‌শ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার ইস্তিহাদার রক্ত খুব বেশি দিন ধরে নির্গত হতো। আমি এ ব্যাপারে সমাধান জানতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলাম এবং তাঁকে বিষয়টি অবহিত করলাম। রাবী বলেন, আমি তাঁকে আমার বোন যয়নবের নিকট পেলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনার সাথে আমার একটি বিশেষ প্রয়োজন আছে। তিনি বলেন, তা কী, হে শ্যালিকা? আমি বললাম, আমার খুব বেশি পরিমাণে দীর্ঘ সময় ধরে ইস্তিহাদার রক্ত আসে, যা আমাকে সলাত-সাওম থেকে বিরত রাখে। এ ব্যপারে আপনি আমাকে কী হুকুম করেন? তিনি বলেন, আমি তোমাকে তুলার পট্টি ব্যবহারের নির্দেশ দিচ্ছি। কেননা তা রক্ত প্রতিরোধক। আমি বললাম, তা পরিমাণে আরো বেশি। ...... পরবর্তী বর্ণনা শারীকের হাদীসের অনুরূপ। [৬১৯]

উম্মু হাবীবাহ বিনতে জাহ্‌শ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার ইস্তিহাদার রক্ত খুব বেশি দিন ধরে নির্গত হতো। আমি এ ব্যাপারে সমাধান জানতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এলাম এবং তাঁকে বিষয়টি অবহিত করলাম। রাবী বলেন, আমি তাঁকে আমার বোন যয়নবের নিকট পেলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনার সাথে আমার একটি বিশেষ প্রয়োজন আছে। তিনি বলেন, তা কী, হে শ্যালিকা? আমি বললাম, আমার খুব বেশি পরিমাণে দীর্ঘ সময় ধরে ইস্তিহাদার রক্ত আসে, যা আমাকে সলাত-সাওম থেকে বিরত রাখে। এ ব্যপারে আপনি আমাকে কী হুকুম করেন? তিনি বলেন, আমি তোমাকে তুলার পট্টি ব্যবহারের নির্দেশ দিচ্ছি। কেননা তা রক্ত প্রতিরোধক। আমি বললাম, তা পরিমাণে আরো বেশি। ...... পরবর্তী বর্ণনা শারীকের হাদীসের অনুরূপ। [৬১৯]

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا عبد الرزاق، - إملاء على من كتابه وكان السائل غيري - أنبأنا ابن جريج عن عبد الله بن محمد بن عقيل عن إبراهيم بن محمد بن طلحة عن عمر بن طلحة عن أم حبيبة بنت جحش قالت كنت أستحاض حيضة كثيرة طويلة ‏.‏ قالت فجئت إلى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ أستفتيه وأخبره ‏.‏ قالت فوجدته عند أختي زينب ‏.‏ قالت قلت يا رسول الله إن لي إليك حاجة ‏.‏ قال ‏"‏ وما هي أى هنتاه ‏"‏ ‏.‏ قلت إني أستحاض حيضة طويلة كبيرة وقد منعتني الصلاة والصوم فما تأمرني فيها قال ‏"‏ أنعت لك الكرسف فإنه يذهب الدم ‏"‏ ‏.‏ قلت هو أكثر ‏.‏ فذكر نحو حديث شريك ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৬২৪

حدثنا علي بن محمد، وأبو بكر بن أبي شيبة قالا حدثنا وكيع، عن الأعمش، عن حبيب بن أبي ثابت، عن عروة بن الزبير، عن عائشة، قالت جاءت فاطمة بنت أبي حبيش إلى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقالت يا رسول الله إني امرأة أستحاض فلا أطهر أفأدع الصلاة قال ‏ "‏ لا إنما ذلك عرق وليس بالحيضة اجتنبي الصلاة أيام محيضك ثم اغتسلي وتوضئي لكل صلاة وإن قطر الدم على الحصير ‏"‏ ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ফাতিমাহ বিনতে আবূ হুবায়শ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার রক্তস্রাব হতেই থাকে এবং আমি কখনো পবিত্র হতে পারি না। আমি কি সলাত ছেড়ে দিবো? তিনি বলেন, না, এটা এক প্রকার শিরাজনিত রোগ, এটা হায়িযের রক্ত নয়। তুমি তোমার হায়িযের মেয়াদকাল সলাত থেকে বিরত থাকো, অতঃপর গোসল করো এবং প্রতি ওয়াক্ত সলাতের জন্য উযু করে সলাত পড়ো, যদিও সলাতের পাটিতে রক্ত পড়ে। [৬২১] তাহকীক আলবানীঃ পাটিতে রক্ত পড়ার কথা ব্যতীত সহীহ।

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ফাতিমাহ বিনতে আবূ হুবায়শ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার রক্তস্রাব হতেই থাকে এবং আমি কখনো পবিত্র হতে পারি না। আমি কি সলাত ছেড়ে দিবো? তিনি বলেন, না, এটা এক প্রকার শিরাজনিত রোগ, এটা হায়িযের রক্ত নয়। তুমি তোমার হায়িযের মেয়াদকাল সলাত থেকে বিরত থাকো, অতঃপর গোসল করো এবং প্রতি ওয়াক্ত সলাতের জন্য উযু করে সলাত পড়ো, যদিও সলাতের পাটিতে রক্ত পড়ে। [৬২১] তাহকীক আলবানীঃ পাটিতে রক্ত পড়ার কথা ব্যতীত সহীহ।

حدثنا علي بن محمد، وأبو بكر بن أبي شيبة قالا حدثنا وكيع، عن الأعمش، عن حبيب بن أبي ثابت، عن عروة بن الزبير، عن عائشة، قالت جاءت فاطمة بنت أبي حبيش إلى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقالت يا رسول الله إني امرأة أستحاض فلا أطهر أفأدع الصلاة قال ‏ "‏ لا إنما ذلك عرق وليس بالحيضة اجتنبي الصلاة أيام محيضك ثم اغتسلي وتوضئي لكل صلاة وإن قطر الدم على الحصير ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > কোন নারীর ইস্তিহাদা ও হায়িদের রক্ত গোলমাল হয়ে গেলে হায়িদের মেয়াদের উপর নির্ভর করা যাবে না

সুনানে ইবনে মাজাহ ৬২৬

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا أبو المغيرة، حدثنا الأوزاعي، عن الزهري، عن عروة بن الزبير، وعمرة بنت عبد الرحمن، أن عائشة، زوج النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قالت استحيضت أم حبيبة بنت جحش وهي تحت عبد الرحمن بن عوف سبع سنين فشكت ذلك للنبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إن هذه ليست بالحيضة وإنما هو عرق فإذا أقبلت الحيضة فدعي الصلاة وإذا أدبرت فاغتسلي وصلي ‏"‏ ‏.‏ قالت عائشة فكانت تغتسل لكل صلاة ثم تصلي وكانت تقعد في مركن لأختها زينب بنت جحش حتى إن حمرة الدم لتعلو الماء ‏.

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান বিন আওফ (রাঃ)-এর স্ত্রী উম্মু হাবীবা বিনতে জাহ্‌শ (রাঃ)-এর ইস্তিহাদা (রক্তপ্রদর) হলো। তিনি সাত বছর তার স্ত্রীত্বে ছিলেন। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে অভিযোগ করলে তিনি বলেন, এটা হায়িদের রক্ত নয়, বরং তা একটি শিরাজনিত রোগ। তোমার হায়িদ শুরু হলে তুমি সলাত ছেড়ে দিবে এবং হায়িদের রক্ত বন্ধ হয়ে গেলে তুমি গোসল করে সলাত পড়বে। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, এরপর তিনি প্রতি ওয়াক্ত সলাতের জন্য গোসল করে সলাত আদায় করতেন। তিনি তার বোন যয়নব বিনতে জাহ্‌শ (রাঃ)-এর পানির পাত্রে বসতেন, এমনকি রক্তের লাল রংয়ে পানি রঞ্জিত হয়ে যেত। [৬২৩]

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান বিন আওফ (রাঃ)-এর স্ত্রী উম্মু হাবীবা বিনতে জাহ্‌শ (রাঃ)-এর ইস্তিহাদা (রক্তপ্রদর) হলো। তিনি সাত বছর তার স্ত্রীত্বে ছিলেন। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে অভিযোগ করলে তিনি বলেন, এটা হায়িদের রক্ত নয়, বরং তা একটি শিরাজনিত রোগ। তোমার হায়িদ শুরু হলে তুমি সলাত ছেড়ে দিবে এবং হায়িদের রক্ত বন্ধ হয়ে গেলে তুমি গোসল করে সলাত পড়বে। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, এরপর তিনি প্রতি ওয়াক্ত সলাতের জন্য গোসল করে সলাত আদায় করতেন। তিনি তার বোন যয়নব বিনতে জাহ্‌শ (রাঃ)-এর পানির পাত্রে বসতেন, এমনকি রক্তের লাল রংয়ে পানি রঞ্জিত হয়ে যেত। [৬২৩]

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا أبو المغيرة، حدثنا الأوزاعي، عن الزهري، عن عروة بن الزبير، وعمرة بنت عبد الرحمن، أن عائشة، زوج النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قالت استحيضت أم حبيبة بنت جحش وهي تحت عبد الرحمن بن عوف سبع سنين فشكت ذلك للنبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إن هذه ليست بالحيضة وإنما هو عرق فإذا أقبلت الحيضة فدعي الصلاة وإذا أدبرت فاغتسلي وصلي ‏"‏ ‏.‏ قالت عائشة فكانت تغتسل لكل صلاة ثم تصلي وكانت تقعد في مركن لأختها زينب بنت جحش حتى إن حمرة الدم لتعلو الماء ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00