সুনানে ইবনে মাজাহ > যে ব্যক্তি কোন উৎকৃষ্ট নীতি বা নিন্দনীয় নীতির প্রচলন করে।
সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৩
حدثنا محمد بن عبد الملك بن أبي الشوارب، حدثنا أبو عوانة، حدثنا عبد الملك بن عمير، عن المنذر بن جرير، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " من سن سنة حسنة فعمل بها كان له أجرها ومثل أجر من عمل بها لا ينقص من أجورهم شيئا ومن سن سنة سيئة فعمل بها كان عليه وزرها ووزر من عمل بها من بعده لا ينقص من أوزارهم شيئا " .
জারীর বিন আব্দুল্লাহ বিন জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন উত্তম পন্থার প্রচলন করলো এবং লোকে তদানুযায়ী কাজ করলো, তার জন্য তার নিজের পুরস্কার রয়েছে, উপরন্তু যারা তদানুযায়ী কাজ করেছে তাদের সমপরিমাণ পুরস্কারও সে পাবে, এতে তাদের পুরস্কার মোটেও হ্রাস পাবে না। আর যে ব্যক্তি কোন মন্দ প্রথার প্রচলন করলো এবং লোকেরা তদানুযায়ী কাজ করলো, তার জন্য তার নিজের পাপ তো আছেই, উপরন্তু যারা তদানুযায়ী কাজ করেছে, তাদের সমপরিমাণ পাপও সে পাবে, এতে তাদের পাপ থেকে মোটেও হ্রাস পাবে না। [২০১]
জারীর বিন আব্দুল্লাহ বিন জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন উত্তম পন্থার প্রচলন করলো এবং লোকে তদানুযায়ী কাজ করলো, তার জন্য তার নিজের পুরস্কার রয়েছে, উপরন্তু যারা তদানুযায়ী কাজ করেছে তাদের সমপরিমাণ পুরস্কারও সে পাবে, এতে তাদের পুরস্কার মোটেও হ্রাস পাবে না। আর যে ব্যক্তি কোন মন্দ প্রথার প্রচলন করলো এবং লোকেরা তদানুযায়ী কাজ করলো, তার জন্য তার নিজের পাপ তো আছেই, উপরন্তু যারা তদানুযায়ী কাজ করেছে, তাদের সমপরিমাণ পাপও সে পাবে, এতে তাদের পাপ থেকে মোটেও হ্রাস পাবে না। [২০১]
حدثنا محمد بن عبد الملك بن أبي الشوارب، حدثنا أبو عوانة، حدثنا عبد الملك بن عمير، عن المنذر بن جرير، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " من سن سنة حسنة فعمل بها كان له أجرها ومثل أجر من عمل بها لا ينقص من أجورهم شيئا ومن سن سنة سيئة فعمل بها كان عليه وزرها ووزر من عمل بها من بعده لا ينقص من أوزارهم شيئا " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৫
حدثنا عيسى بن حماد المصري، أنبأنا الليث بن سعد، عن يزيد بن أبي حبيب، عن سعد بن سنان، عن أنس بن مالك، عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ أنه قال " أيما داع دعا إلى ضلالة فاتبع فإن له مثل أوزار من اتبعه ولا ينقص من أوزارهم شيئا وأيما داع دعا إلى هدى فاتبع فإن له مثل أجور من اتبعه ولا ينقص من أجورهم شيئا " .
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে কোন আহবানকারী ভ্রষ্টতার দিকে আহবান করলে তার অনুসরণকারীদের সমপরিমাণ পাপ তার উপর বর্তাবে এবং তাতে তার অনুসরণকারীদের পাপের বোঝা মোটেও হালকা হবে না। আবার যে কোন ব্যক্তি সৎপথের দিকে আহবান করলে সে তার অনুসরণকারীদের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে এবং এতে তাদের সাওয়াব মোটেই হ্রাসপ্রাপ্ত হবে না। [২০৩]
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে কোন আহবানকারী ভ্রষ্টতার দিকে আহবান করলে তার অনুসরণকারীদের সমপরিমাণ পাপ তার উপর বর্তাবে এবং তাতে তার অনুসরণকারীদের পাপের বোঝা মোটেও হালকা হবে না। আবার যে কোন ব্যক্তি সৎপথের দিকে আহবান করলে সে তার অনুসরণকারীদের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে এবং এতে তাদের সাওয়াব মোটেই হ্রাসপ্রাপ্ত হবে না। [২০৩]
حدثنا عيسى بن حماد المصري، أنبأنا الليث بن سعد، عن يزيد بن أبي حبيب، عن سعد بن سنان، عن أنس بن مالك، عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ أنه قال " أيما داع دعا إلى ضلالة فاتبع فإن له مثل أوزار من اتبعه ولا ينقص من أوزارهم شيئا وأيما داع دعا إلى هدى فاتبع فإن له مثل أجور من اتبعه ولا ينقص من أجورهم شيئا " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৭
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا أبو نعيم، حدثنا أبو إسرائيل، عن الحكم، عن أبي جحيفة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " من سن سنة حسنة فعمل بها بعده كان له أجرها ومثل أجورهم من غير أن ينقص من أجورهم شيئا ومن سن سنة سيئة فعمل بها بعده كان عليه وزره ومثل أوزارهم من غير أن ينقص من أوزارهم شيئا " .
আবু জুহাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন ব্যক্তি কোন ভাল প্রথার প্রচলন করলে এবং তার পরে তদনুসারে কাজ করলে তার জন্য এ কাজের পুরস্কার রয়েছে, অধিকন্তু তার অনুসারীদের সমপরিমাণ পুরস্কারও রয়েছে। অবশ্য তাতে তাদের পুরস্কারে কোন ঘাটতি হবে না। পক্ষান্তরে কোন ব্যক্তি কোন মন্দ প্রথার প্রচলন করলে এবং তার পরে তদানুযায়ী কাজ করা হলে তার জন্য এ কাজের গুনাহ রয়েছে এবং যারা তদনুসারে কাজ করবে, তাদের গুনাহের সমপরিমাণ তার উপর বর্তাবে, এতে তাদের গুনাহের পরিমাণ কিছুই কমবে না। [২০৫]
আবু জুহাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন ব্যক্তি কোন ভাল প্রথার প্রচলন করলে এবং তার পরে তদনুসারে কাজ করলে তার জন্য এ কাজের পুরস্কার রয়েছে, অধিকন্তু তার অনুসারীদের সমপরিমাণ পুরস্কারও রয়েছে। অবশ্য তাতে তাদের পুরস্কারে কোন ঘাটতি হবে না। পক্ষান্তরে কোন ব্যক্তি কোন মন্দ প্রথার প্রচলন করলে এবং তার পরে তদানুযায়ী কাজ করা হলে তার জন্য এ কাজের গুনাহ রয়েছে এবং যারা তদনুসারে কাজ করবে, তাদের গুনাহের সমপরিমাণ তার উপর বর্তাবে, এতে তাদের গুনাহের পরিমাণ কিছুই কমবে না। [২০৫]
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا أبو نعيم، حدثنا أبو إسرائيل، عن الحكم، عن أبي جحيفة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " من سن سنة حسنة فعمل بها بعده كان له أجرها ومثل أجورهم من غير أن ينقص من أجورهم شيئا ومن سن سنة سيئة فعمل بها بعده كان عليه وزره ومثل أوزارهم من غير أن ينقص من أوزارهم شيئا " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৭
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا أبو نعيم، حدثنا أبو إسرائيل، عن الحكم، عن أبي جحيفة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " من سن سنة حسنة فعمل بها بعده كان له أجرها ومثل أجورهم من غير أن ينقص من أجورهم شيئا ومن سن سنة سيئة فعمل بها بعده كان عليه وزره ومثل أوزارهم من غير أن ينقص من أوزارهم شيئا " .
আবু জুহাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন ব্যক্তি কোন ভাল প্রথার প্রচলন করলে এবং তার পরে তদনুসারে কাজ করলে তার জন্য এ কাজের পুরস্কার রয়েছে, অধিকন্তু তার অনুসারীদের সমপরিমাণ পুরস্কারও রয়েছে। অবশ্য তাতে তাদের পুরস্কারে কোন ঘাটতি হবে না। পক্ষান্তরে কোন ব্যক্তি কোন মন্দ প্রথার প্রচলন করলে এবং তার পরে তদানুযায়ী কাজ করা হলে তার জন্য এ কাজের গুনাহ রয়েছে এবং যারা তদনুসারে কাজ করবে, তাদের গুনাহের সমপরিমাণ তার উপর বর্তাবে, এতে তাদের গুনাহের পরিমাণ কিছুই কমবে না। [২০৫]
আবু জুহাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন ব্যক্তি কোন ভাল প্রথার প্রচলন করলে এবং তার পরে তদনুসারে কাজ করলে তার জন্য এ কাজের পুরস্কার রয়েছে, অধিকন্তু তার অনুসারীদের সমপরিমাণ পুরস্কারও রয়েছে। অবশ্য তাতে তাদের পুরস্কারে কোন ঘাটতি হবে না। পক্ষান্তরে কোন ব্যক্তি কোন মন্দ প্রথার প্রচলন করলে এবং তার পরে তদানুযায়ী কাজ করা হলে তার জন্য এ কাজের গুনাহ রয়েছে এবং যারা তদনুসারে কাজ করবে, তাদের গুনাহের সমপরিমাণ তার উপর বর্তাবে, এতে তাদের গুনাহের পরিমাণ কিছুই কমবে না। [২০৫]
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا أبو نعيم، حدثنا أبو إسرائيل، عن الحكم، عن أبي جحيفة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " من سن سنة حسنة فعمل بها بعده كان له أجرها ومثل أجورهم من غير أن ينقص من أجورهم شيئا ومن سن سنة سيئة فعمل بها بعده كان عليه وزره ومثل أوزارهم من غير أن ينقص من أوزارهم شيئا " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৭
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا أبو نعيم، حدثنا أبو إسرائيل، عن الحكم، عن أبي جحيفة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " من سن سنة حسنة فعمل بها بعده كان له أجرها ومثل أجورهم من غير أن ينقص من أجورهم شيئا ومن سن سنة سيئة فعمل بها بعده كان عليه وزره ومثل أوزارهم من غير أن ينقص من أوزارهم شيئا " .
আবু জুহাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন ব্যক্তি কোন ভাল প্রথার প্রচলন করলে এবং তার পরে তদনুসারে কাজ করলে তার জন্য এ কাজের পুরস্কার রয়েছে, অধিকন্তু তার অনুসারীদের সমপরিমাণ পুরস্কারও রয়েছে। অবশ্য তাতে তাদের পুরস্কারে কোন ঘাটতি হবে না। পক্ষান্তরে কোন ব্যক্তি কোন মন্দ প্রথার প্রচলন করলে এবং তার পরে তদানুযায়ী কাজ করা হলে তার জন্য এ কাজের গুনাহ রয়েছে এবং যারা তদনুসারে কাজ করবে, তাদের গুনাহের সমপরিমাণ তার উপর বর্তাবে, এতে তাদের গুনাহের পরিমাণ কিছুই কমবে না। [২০৫]
আবু জুহাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন ব্যক্তি কোন ভাল প্রথার প্রচলন করলে এবং তার পরে তদনুসারে কাজ করলে তার জন্য এ কাজের পুরস্কার রয়েছে, অধিকন্তু তার অনুসারীদের সমপরিমাণ পুরস্কারও রয়েছে। অবশ্য তাতে তাদের পুরস্কারে কোন ঘাটতি হবে না। পক্ষান্তরে কোন ব্যক্তি কোন মন্দ প্রথার প্রচলন করলে এবং তার পরে তদানুযায়ী কাজ করা হলে তার জন্য এ কাজের গুনাহ রয়েছে এবং যারা তদনুসারে কাজ করবে, তাদের গুনাহের সমপরিমাণ তার উপর বর্তাবে, এতে তাদের গুনাহের পরিমাণ কিছুই কমবে না। [২০৫]
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا أبو نعيم، حدثنا أبو إسرائيل، عن الحكم، عن أبي جحيفة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " من سن سنة حسنة فعمل بها بعده كان له أجرها ومثل أجورهم من غير أن ينقص من أجورهم شيئا ومن سن سنة سيئة فعمل بها بعده كان عليه وزره ومثل أوزارهم من غير أن ينقص من أوزارهم شيئا " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৮
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن ليث، عن بشير بن نهيك، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " ما من داع يدعو إلى شىء إلا وقف يوم القيامة لازما لدعوته ما دعا إليه وإن دعا رجل رجلا " .
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন ব্যক্তি কোন জিনিসের (মতবাদের) দিকে আহবান করলে কিয়ামাতের দিন তাকে সেই আহবানসহ দাঁড় করানো হবে, সে মাত্র এক ব্যক্তিকে আহবান করে থাকলেও। [২০৬]
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন ব্যক্তি কোন জিনিসের (মতবাদের) দিকে আহবান করলে কিয়ামাতের দিন তাকে সেই আহবানসহ দাঁড় করানো হবে, সে মাত্র এক ব্যক্তিকে আহবান করে থাকলেও। [২০৬]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن ليث، عن بشير بن نهيك، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " ما من داع يدعو إلى شىء إلا وقف يوم القيامة لازما لدعوته ما دعا إليه وإن دعا رجل رجلا " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৬
حدثنا أبو مروان، محمد بن عثمان العثماني حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال " من دعا إلى هدى كان له من الأجر مثل أجور من اتبعه لا ينقص ذلك من أجورهم شيئا ومن دعا إلى ضلالة فعليه من الإثم مثل آثام من اتبعه لا ينقص ذلك من آثامهم شيئا " .
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে ব্যক্তি হিদায়াতের দিকে ডাকে, সে তার অনুসারীদের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে এবং তাতে তার অনুসারীদের পুরস্কারে কোনরূপ ঘাটতি হবে না। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি ভ্রষ্টতার দিকে আহবান করে, তার জন্য তার অনুসারীদের সমপরিমাণ গুনাহ হয় এবং এতে তার অনুসারীদের পাপের বোঝা কিছুমাত্র কমবে না। [২০৪]
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে ব্যক্তি হিদায়াতের দিকে ডাকে, সে তার অনুসারীদের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে এবং তাতে তার অনুসারীদের পুরস্কারে কোনরূপ ঘাটতি হবে না। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি ভ্রষ্টতার দিকে আহবান করে, তার জন্য তার অনুসারীদের সমপরিমাণ গুনাহ হয় এবং এতে তার অনুসারীদের পাপের বোঝা কিছুমাত্র কমবে না। [২০৪]
حدثنا أبو مروان، محمد بن عثمان العثماني حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال " من دعا إلى هدى كان له من الأجر مثل أجور من اتبعه لا ينقص ذلك من أجورهم شيئا ومن دعا إلى ضلالة فعليه من الإثم مثل آثام من اتبعه لا ينقص ذلك من آثامهم شيئا " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৪
حدثنا عبد الوارث بن عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثني أبي، حدثني أبي، عن أيوب، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة، قال جاء رجل إلى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فحث عليه فقال رجل عندي كذا وكذا . قال فما بقي في المجلس رجل إلا تصدق عليه بما قل أو كثر فقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " من استن خيرا فاستن به كان له أجره كاملا ومن أجور من استن به ولا ينقص من أجورهم شيئا ومن استن سنة سيئة فاستن به فعليه وزره كاملا ومن أوزار الذين استن به ولا ينقص من أوزارهم شيئا " .
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি (সাহায্যের জন্য) নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এলে তিনি তাকে সাহায্য করার জন্য (লোকেদের) উৎসাহিত করলেন। এক ব্যক্তি বললো, আমার পক্ষ থেকে এই এই পরিমাণ। রাবী বলেন, উক্ত মজলিসে এমন কেউ অবশিষ্ট রইল না, যে কম বেশি কিছু ঐ ব্যক্তিকে দান করেনি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কোন ব্যক্তি কোন উত্তম পন্থার প্রচলন করলে এবং তদানুযায়ী কাজ করা হলে সে তার পূর্ণ প্রতিদান পাবে এবং যারা সেই পন্থা অনুসরণ করে তাদের সমপরিমাণ পুরস্কারও ঐ ব্যক্তি পাবে, এতে তাদের প্রতিদানে কোন ঘাটতি হবে না। পক্ষান্তরে কোন ব্যক্তি কোন মন্দ পন্থার প্রচলন করলে এবং তদানুযায়ী কাজ করা হলে পূর্ণ পাপের বোঝা তার উপর বর্তাবে এবং যারা উক্ত পন্থার অনুসরণ করবে তাদের সমপরিমাণ পাপও ঐ ব্যক্তির উপর বর্তাবে, এতে তাদের পাপের বোঝা মোটেও হালকা হবে না। [২০২]
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি (সাহায্যের জন্য) নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এলে তিনি তাকে সাহায্য করার জন্য (লোকেদের) উৎসাহিত করলেন। এক ব্যক্তি বললো, আমার পক্ষ থেকে এই এই পরিমাণ। রাবী বলেন, উক্ত মজলিসে এমন কেউ অবশিষ্ট রইল না, যে কম বেশি কিছু ঐ ব্যক্তিকে দান করেনি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কোন ব্যক্তি কোন উত্তম পন্থার প্রচলন করলে এবং তদানুযায়ী কাজ করা হলে সে তার পূর্ণ প্রতিদান পাবে এবং যারা সেই পন্থা অনুসরণ করে তাদের সমপরিমাণ পুরস্কারও ঐ ব্যক্তি পাবে, এতে তাদের প্রতিদানে কোন ঘাটতি হবে না। পক্ষান্তরে কোন ব্যক্তি কোন মন্দ পন্থার প্রচলন করলে এবং তদানুযায়ী কাজ করা হলে পূর্ণ পাপের বোঝা তার উপর বর্তাবে এবং যারা উক্ত পন্থার অনুসরণ করবে তাদের সমপরিমাণ পাপও ঐ ব্যক্তির উপর বর্তাবে, এতে তাদের পাপের বোঝা মোটেও হালকা হবে না। [২০২]
حدثنا عبد الوارث بن عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثني أبي، حدثني أبي، عن أيوب، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة، قال جاء رجل إلى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فحث عليه فقال رجل عندي كذا وكذا . قال فما بقي في المجلس رجل إلا تصدق عليه بما قل أو كثر فقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " من استن خيرا فاستن به كان له أجره كاملا ومن أجور من استن به ولا ينقص من أجورهم شيئا ومن استن سنة سيئة فاستن به فعليه وزره كاملا ومن أوزار الذين استن به ولا ينقص من أوزارهم شيئا " .
সুনানে ইবনে মাজাহ > যে ব্যক্তি কোন বিলুপ্ত সুন্নাতকে পুনর্জীবিত করে তার বিনিময় যা পাবে
সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৯
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا زيد بن الحباب، حدثنا كثير بن عبد الله بن عمرو بن عوف المزني، حدثني أبي، عن جدي، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال " من أحيا سنة من سنتي فعمل بها الناس كان له مثل أجر من عمل بها لا ينقص من أجورهم شيئا ومن ابتدع بدعة فعمل بها كان عليه أوزار من عمل بها لا ينقص من أوزار من عمل بها شيئا "
আম্র বিন আওফ আয-মুযানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে ব্যক্তি আমার একটি (মৃত) সুন্নাত জীবিত করলো এবং লোকেরা তদানুযায়ী আমাল করলো, সেও আমালকারীদের সমপরিমাণ পুরস্কার পাবে এবং তাতে আমালকারীদের পুরস্কার আদৌ হ্রাস পাবে না। পক্ষান্তরে কোন ব্যক্তি বিদ‘আতের প্রচলন করলে এবং তদানুযায়ী আমাল করা হলে তার উপর আমালকারীদের সমপরিমাণ পাপ বর্তাবে এবং তাতে আমালকারীদের পাপের বোঝা আদৌ হালকা হবে না। [২০৭]
আম্র বিন আওফ আয-মুযানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে ব্যক্তি আমার একটি (মৃত) সুন্নাত জীবিত করলো এবং লোকেরা তদানুযায়ী আমাল করলো, সেও আমালকারীদের সমপরিমাণ পুরস্কার পাবে এবং তাতে আমালকারীদের পুরস্কার আদৌ হ্রাস পাবে না। পক্ষান্তরে কোন ব্যক্তি বিদ‘আতের প্রচলন করলে এবং তদানুযায়ী আমাল করা হলে তার উপর আমালকারীদের সমপরিমাণ পাপ বর্তাবে এবং তাতে আমালকারীদের পাপের বোঝা আদৌ হালকা হবে না। [২০৭]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا زيد بن الحباب، حدثنا كثير بن عبد الله بن عمرو بن عوف المزني، حدثني أبي، عن جدي، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال " من أحيا سنة من سنتي فعمل بها الناس كان له مثل أجر من عمل بها لا ينقص من أجورهم شيئا ومن ابتدع بدعة فعمل بها كان عليه أوزار من عمل بها لا ينقص من أوزار من عمل بها شيئا "
সুনানে ইবনে মাজাহ ২১০
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا إسماعيل بن أبي أويس، حدثني كثير بن عبد الله، عن أبيه، عن جده، قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " من أحيا سنة من سنتي قد أميتت بعدي فإن له من الأجر مثل أجر من عمل بها من الناس لا ينقص من أجور الناس شيئا ومن ابتدع بدعة لا يرضاها الله ورسوله فإن عليه مثل إثم من عمل بها من الناس لا ينقص من آثام الناس شيئا " .
আমর বিন আওফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আমার (মৃত্যুর) পরে বিলুপ্ত হওয়া আমার কোন সুন্নাত জীবিত করলো, সে তদানুযায়ী আমালকারীদের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে এবং তাতে আমালকারীদের সামান্যও হ্রাস পাবে না। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি এমন কোন বিদ‘আতের প্রচলন করলো, যার প্রতি আল্লাহ্ ও তাঁর রসূল সন্তুষ্ট নন, তার উপর বিদ‘আত অনুসরণকারীদের সমপরিমাণ গুনাহ বর্তাবে এবং তাতে অনুসরণকারীদের পাপের পরিমান কিছুই হ্রাস পাবে না। [২০৮]
আমর বিন আওফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আমার (মৃত্যুর) পরে বিলুপ্ত হওয়া আমার কোন সুন্নাত জীবিত করলো, সে তদানুযায়ী আমালকারীদের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে এবং তাতে আমালকারীদের সামান্যও হ্রাস পাবে না। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি এমন কোন বিদ‘আতের প্রচলন করলো, যার প্রতি আল্লাহ্ ও তাঁর রসূল সন্তুষ্ট নন, তার উপর বিদ‘আত অনুসরণকারীদের সমপরিমাণ গুনাহ বর্তাবে এবং তাতে অনুসরণকারীদের পাপের পরিমান কিছুই হ্রাস পাবে না। [২০৮]
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا إسماعيل بن أبي أويس، حدثني كثير بن عبد الله، عن أبيه، عن جده، قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " من أحيا سنة من سنتي قد أميتت بعدي فإن له من الأجر مثل أجر من عمل بها من الناس لا ينقص من أجور الناس شيئا ومن ابتدع بدعة لا يرضاها الله ورسوله فإن عليه مثل إثم من عمل بها من الناس لا ينقص من آثام الناس شيئا " .
সুনানে ইবনে মাজাহ > যে ব্যক্তি কুরআন মাজীদ শিক্ষা করে এবং তা শিক্ষা দেয় তার সম্মান
সুনানে ইবনে মাজাহ ২১১
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد القطان، حدثنا شعبة، وسفيان، عن علقمة بن مرثد، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن عثمان بن عفان، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال شعبة " خيركم " . وقال سفيان " أفضلكم من تعلم القرآن وعلمه " .
উসমান বিন আফ্ফান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজে কুরআন শিক্ষা করে এবং অপরকে তা শিক্ষা দেয়, তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বোত্তম ও অধিক মর্যাদাবান। [২০৯]
উসমান বিন আফ্ফান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজে কুরআন শিক্ষা করে এবং অপরকে তা শিক্ষা দেয়, তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বোত্তম ও অধিক মর্যাদাবান। [২০৯]
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد القطان، حدثنا شعبة، وسفيان، عن علقمة بن مرثد، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن عثمان بن عفان، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال شعبة " خيركم " . وقال سفيان " أفضلكم من تعلم القرآن وعلمه " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২১২
حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن عثمان بن عفان، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " أفضلكم من تعلم القرآن وعلمه " .
উসমান বিন আফ্ফান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজে কুরআন শিক্ষা করে এবং তা অপরকে শিক্ষা দেয়, সেই তোমাদের মধ্যে অধিক মর্যাদাবান। [২১০]
উসমান বিন আফ্ফান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজে কুরআন শিক্ষা করে এবং তা অপরকে শিক্ষা দেয়, সেই তোমাদের মধ্যে অধিক মর্যাদাবান। [২১০]
حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن عثمان بن عفان، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " أفضلكم من تعلم القرآن وعلمه " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২১৩
حدثنا أزهر بن مروان، حدثنا الحارث بن نبهان، حدثنا عاصم بن بهدلة، عن مصعب بن سعد، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " خياركم من تعلم القرآن وعلمه " . قال وأخذ بيدي فأقعدني مقعدي هذا أقرئ .
সা‘দ বিন আবু ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজে কুরআন শিক্ষা করে এবং তা অপরকে শিক্ষা দেয়, সেই তোমাদের মধ্যে উত্তম। রাবী বলেন, তিনি আমার হাত ধরে আমাকে এই স্থানে বসালেন এবং বললেন, ইনি সর্বাপেক্ষা বড় কারী। [২১১]
সা‘দ বিন আবু ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজে কুরআন শিক্ষা করে এবং তা অপরকে শিক্ষা দেয়, সেই তোমাদের মধ্যে উত্তম। রাবী বলেন, তিনি আমার হাত ধরে আমাকে এই স্থানে বসালেন এবং বললেন, ইনি সর্বাপেক্ষা বড় কারী। [২১১]
حدثنا أزهر بن مروان، حدثنا الحارث بن نبهان، حدثنا عاصم بن بهدلة، عن مصعب بن سعد، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " خياركم من تعلم القرآن وعلمه " . قال وأخذ بيدي فأقعدني مقعدي هذا أقرئ .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২১৩
حدثنا أزهر بن مروان، حدثنا الحارث بن نبهان، حدثنا عاصم بن بهدلة، عن مصعب بن سعد، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " خياركم من تعلم القرآن وعلمه " . قال وأخذ بيدي فأقعدني مقعدي هذا أقرئ .
সা‘দ বিন আবু ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজে কুরআন শিক্ষা করে এবং তা অপরকে শিক্ষা দেয়, সেই তোমাদের মধ্যে উত্তম। রাবী বলেন, তিনি আমার হাত ধরে আমাকে এই স্থানে বসালেন এবং বললেন, ইনি সর্বাপেক্ষা বড় কারী। [২১১]
সা‘দ বিন আবু ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজে কুরআন শিক্ষা করে এবং তা অপরকে শিক্ষা দেয়, সেই তোমাদের মধ্যে উত্তম। রাবী বলেন, তিনি আমার হাত ধরে আমাকে এই স্থানে বসালেন এবং বললেন, ইনি সর্বাপেক্ষা বড় কারী। [২১১]
حدثنا أزهر بن مروان، حدثنا الحارث بن نبهان، حدثنا عاصم بن بهدلة، عن مصعب بن سعد، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " خياركم من تعلم القرآن وعلمه " . قال وأخذ بيدي فأقعدني مقعدي هذا أقرئ .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২১৩
حدثنا أزهر بن مروان، حدثنا الحارث بن نبهان، حدثنا عاصم بن بهدلة، عن مصعب بن سعد، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " خياركم من تعلم القرآن وعلمه " . قال وأخذ بيدي فأقعدني مقعدي هذا أقرئ .
সা‘দ বিন আবু ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজে কুরআন শিক্ষা করে এবং তা অপরকে শিক্ষা দেয়, সেই তোমাদের মধ্যে উত্তম। রাবী বলেন, তিনি আমার হাত ধরে আমাকে এই স্থানে বসালেন এবং বললেন, ইনি সর্বাপেক্ষা বড় কারী। [২১১]
সা‘দ বিন আবু ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজে কুরআন শিক্ষা করে এবং তা অপরকে শিক্ষা দেয়, সেই তোমাদের মধ্যে উত্তম। রাবী বলেন, তিনি আমার হাত ধরে আমাকে এই স্থানে বসালেন এবং বললেন, ইনি সর্বাপেক্ষা বড় কারী। [২১১]
حدثنا أزهر بن مروان، حدثنا الحارث بن نبهان، حدثنا عاصم بن بهدلة، عن مصعب بن سعد، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " خياركم من تعلم القرآن وعلمه " . قال وأخذ بيدي فأقعدني مقعدي هذا أقرئ .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২১৪
حدثنا محمد بن بشار، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا يحيى بن سعيد، عن شعبة، عن قتادة، عن أنس بن مالك، عن أبي موسى الأشعري، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال " مثل المؤمن الذي يقرأ القرآن كمثل الأترجة طعمها طيب وريحها طيب ومثل المؤمن الذي لا يقرأ القرآن كمثل التمرة طعمها طيب ولا ريح لها ومثل المنافق الذي يقرأ القرآن كمثل الريحانة ريحها طيب وطعمها مر ومثل المنافق الذي لا يقرأ القرآن كمثل الحنظلة طعمها مر ولا ريح لها " .
আবু মূসা আল-আশআরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কুরআন তিলাওয়াতকারী মু’মিন ব্যক্তি কমলালেবু তুল্য, যা খেতে সুস্বাদু ও সুগন্ধিযুক্ত। যে মু’মিন ব্যক্তি কুরআন তিলাওয়াত করে না, সে খেজুর তুল্য, যা খেতে সুস্বাদু কিন্তু সুগন্ধিবিহীন। কুরআন তিলাওয়াতকারী মুনাফিক ব্যক্তি সুগন্ধি গুল্মের সাথে তুলনীয়; যা খুব সুগন্ধিযুক্ত কিন্তু খেতে তিক্ত। যে মুনাফিক ব্যক্তি কুরআন তিলাওয়াত করে না, সে মাকাল ফল তুল্য, যা খেতেও বিস্বাদ এবং যার কোন সুগন্ধিও নেই। [২১২]
আবু মূসা আল-আশআরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কুরআন তিলাওয়াতকারী মু’মিন ব্যক্তি কমলালেবু তুল্য, যা খেতে সুস্বাদু ও সুগন্ধিযুক্ত। যে মু’মিন ব্যক্তি কুরআন তিলাওয়াত করে না, সে খেজুর তুল্য, যা খেতে সুস্বাদু কিন্তু সুগন্ধিবিহীন। কুরআন তিলাওয়াতকারী মুনাফিক ব্যক্তি সুগন্ধি গুল্মের সাথে তুলনীয়; যা খুব সুগন্ধিযুক্ত কিন্তু খেতে তিক্ত। যে মুনাফিক ব্যক্তি কুরআন তিলাওয়াত করে না, সে মাকাল ফল তুল্য, যা খেতেও বিস্বাদ এবং যার কোন সুগন্ধিও নেই। [২১২]
حدثنا محمد بن بشار، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا يحيى بن سعيد، عن شعبة، عن قتادة، عن أنس بن مالك، عن أبي موسى الأشعري، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال " مثل المؤمن الذي يقرأ القرآن كمثل الأترجة طعمها طيب وريحها طيب ومثل المؤمن الذي لا يقرأ القرآن كمثل التمرة طعمها طيب ولا ريح لها ومثل المنافق الذي يقرأ القرآن كمثل الريحانة ريحها طيب وطعمها مر ومثل المنافق الذي لا يقرأ القرآن كمثل الحنظلة طعمها مر ولا ريح لها " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২১৫
حدثنا بكر بن خلف أبو بشر، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا عبد الرحمن بن بديل، عن أبيه، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إن لله أهلين من الناس " . قالوا يا رسول الله من هم قال " هم أهل القرآن أهل الله وخاصته " .
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কতক লোক আল্লাহ্র পরিজন। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ্র রসূল! তারা কারা? তিনি বলেন, কুরআন তিলাওয়াতকারীগণ আল্লাহ্র পরিজন এবং তাঁর বিশেষ বান্দা। [২১৩]
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কতক লোক আল্লাহ্র পরিজন। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ্র রসূল! তারা কারা? তিনি বলেন, কুরআন তিলাওয়াতকারীগণ আল্লাহ্র পরিজন এবং তাঁর বিশেষ বান্দা। [২১৩]
حدثنا بكر بن خلف أبو بشر، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا عبد الرحمن بن بديل، عن أبيه، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إن لله أهلين من الناس " . قالوا يا رسول الله من هم قال " هم أهل القرآن أهل الله وخاصته " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২১৬
حدثنا عمرو بن عثمان بن سعيد بن كثير بن دينار الحمصي، حدثنا محمد بن حرب، عن أبي عمر، عن كثير بن زاذان، عن عاصم بن ضمرة، عن علي بن أبي طالب، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " من قرأ القرآن وحفظه أدخله الله الجنة وشفعه في عشرة من أهل بيته كلهم قد استوجبوا النار " .
আলী বিন আবু তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি কুরআন তিলাওয়াত করে এবং তা কন্ঠস্থ করে, আল্লাহ্ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং তাকে তার পরিবারের এমন দশজন লোকের জন্য সুপারিশ করার অনুমতি দিবেন যাদের সকলের জন্য জাহান্নাম অবধারিত হয়ে গেছে। [২১৪]
আলী বিন আবু তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি কুরআন তিলাওয়াত করে এবং তা কন্ঠস্থ করে, আল্লাহ্ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং তাকে তার পরিবারের এমন দশজন লোকের জন্য সুপারিশ করার অনুমতি দিবেন যাদের সকলের জন্য জাহান্নাম অবধারিত হয়ে গেছে। [২১৪]
حدثنا عمرو بن عثمان بن سعيد بن كثير بن دينار الحمصي، حدثنا محمد بن حرب، عن أبي عمر، عن كثير بن زاذان، عن عاصم بن ضمرة، عن علي بن أبي طالب، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " من قرأ القرآن وحفظه أدخله الله الجنة وشفعه في عشرة من أهل بيته كلهم قد استوجبوا النار " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২১৭
حدثنا عمرو بن عبد الله الأودي، حدثنا أبو أسامة، عن عبد الحميد بن جعفر، عن المقبري، عن عطاء، مولى أبي أحمد عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " تعلموا القرآن واقرءوه وارقدوا فإن مثل القرآن ومن تعلمه فقام به كمثل جراب محشو مسكا يفوح ريحه كل مكان ومثل من تعلمه فرقد وهو في جوفه كمثل جراب أوكي على مسك " .
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা কুরআন শিক্ষা করো, তা তিলাওয়াত করো এবং তা নিয়ে রাত জাগো। কেননা কুরআন এবং যে ব্যক্তি কুরআন শিক্ষা করে তার উপর প্রতিষ্ঠিত থাকে, সে হলো (মুখ খোলা) মৃগনাভিপূর্ণ থলেবৎ, যার সুবাস চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে। আর যে ব্যক্তি কুরআন শিক্ষা করে তা পেটে ভর্তি করে ঘুমিয়ে রাত কাটায়, সে হলো মুখ বাঁধা মৃগনাভিপূর্ণ থলের মত। [২১৫]
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা কুরআন শিক্ষা করো, তা তিলাওয়াত করো এবং তা নিয়ে রাত জাগো। কেননা কুরআন এবং যে ব্যক্তি কুরআন শিক্ষা করে তার উপর প্রতিষ্ঠিত থাকে, সে হলো (মুখ খোলা) মৃগনাভিপূর্ণ থলেবৎ, যার সুবাস চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে। আর যে ব্যক্তি কুরআন শিক্ষা করে তা পেটে ভর্তি করে ঘুমিয়ে রাত কাটায়, সে হলো মুখ বাঁধা মৃগনাভিপূর্ণ থলের মত। [২১৫]
حدثنا عمرو بن عبد الله الأودي، حدثنا أبو أسامة، عن عبد الحميد بن جعفر، عن المقبري، عن عطاء، مولى أبي أحمد عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " تعلموا القرآن واقرءوه وارقدوا فإن مثل القرآن ومن تعلمه فقام به كمثل جراب محشو مسكا يفوح ريحه كل مكان ومثل من تعلمه فرقد وهو في جوفه كمثل جراب أوكي على مسك " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২১৮
حدثنا أبو مروان، محمد بن عثمان العثماني حدثنا إبراهيم بن سعد، عن ابن شهاب، عن عامر بن واثلة أبي الطفيل، أن نافع بن عبد الحارث، لقي عمر بن الخطاب بعسفان - وكان عمر استعمله على مكة - فقال عمر من استخلفت على أهل الوادي قال استخلفت عليهم ابن أبزى . قال ومن ابن أبزى قال رجل من موالينا . قال عمر فاستخلفت عليهم مولى قال إنه قارئ لكتاب الله تعالى عالم بالفرائض قاض . قال عمر أما إن نبيكم ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال " إن الله يرفع بهذا الكتاب أقواما ويضع به آخرين " .
উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাফি’ বিন আবদুল হারিস, তিনি উস্ফান নামক স্থানে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এর সাথে সাক্ষাৎ করেন। উমার (রাঃ) তাকে মক্কার গভর্নর নিয়োগ করেছিলেন। উমার (রাঃ) বলেন, গ্রামবাসী বেদুঈনদের জন্য তুমি কাকে প্রশাসক নিয়োগ করেছ? তিনি বলেন, আমি বিন আবযা (রাঃ)-কে তাদের প্রশাসক নিয়োগ করেছি। উমার (রাঃ) বলেন, বিন আবযা কে? তিনি বলেন, সে আমাদের একজন মুক্তদাস। উমার (রাঃ) বলেন, তুমি একজন মুক্তদাসকে কেন জনগণের প্রশাসক নিয়োগ করলে? তিনি বলেন, সে তো মহান আল্লাহ্র কিতাবের বিশেষজ্ঞ আলিম, ফারায়িয সম্পর্কে অভিজ্ঞ এবং উত্তম ফয়সালাকারী। উমার (রাঃ) বলেন, শোন! তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ্ তাআলা এই কিতাবের দ্বারা কতক লোককে উচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেন এবং কতককে অবনমিত করেন। [২১৬]
উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাফি’ বিন আবদুল হারিস, তিনি উস্ফান নামক স্থানে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এর সাথে সাক্ষাৎ করেন। উমার (রাঃ) তাকে মক্কার গভর্নর নিয়োগ করেছিলেন। উমার (রাঃ) বলেন, গ্রামবাসী বেদুঈনদের জন্য তুমি কাকে প্রশাসক নিয়োগ করেছ? তিনি বলেন, আমি বিন আবযা (রাঃ)-কে তাদের প্রশাসক নিয়োগ করেছি। উমার (রাঃ) বলেন, বিন আবযা কে? তিনি বলেন, সে আমাদের একজন মুক্তদাস। উমার (রাঃ) বলেন, তুমি একজন মুক্তদাসকে কেন জনগণের প্রশাসক নিয়োগ করলে? তিনি বলেন, সে তো মহান আল্লাহ্র কিতাবের বিশেষজ্ঞ আলিম, ফারায়িয সম্পর্কে অভিজ্ঞ এবং উত্তম ফয়সালাকারী। উমার (রাঃ) বলেন, শোন! তোমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ্ তাআলা এই কিতাবের দ্বারা কতক লোককে উচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেন এবং কতককে অবনমিত করেন। [২১৬]
حدثنا أبو مروان، محمد بن عثمان العثماني حدثنا إبراهيم بن سعد، عن ابن شهاب، عن عامر بن واثلة أبي الطفيل، أن نافع بن عبد الحارث، لقي عمر بن الخطاب بعسفان - وكان عمر استعمله على مكة - فقال عمر من استخلفت على أهل الوادي قال استخلفت عليهم ابن أبزى . قال ومن ابن أبزى قال رجل من موالينا . قال عمر فاستخلفت عليهم مولى قال إنه قارئ لكتاب الله تعالى عالم بالفرائض قاض . قال عمر أما إن نبيكم ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال " إن الله يرفع بهذا الكتاب أقواما ويضع به آخرين " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২১৯
حدثنا العباس بن عبد الله الواسطي، حدثنا عبد الله بن غالب العباداني، عن عبد الله بن زياد البحراني، عن علي بن زيد، عن سعيد بن المسيب، عن أبي ذر، قال قال لي رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " يا أبا ذر لأن تغدو فتعلم آية من كتاب الله خير لك من أن تصلي مائة ركعة ولأن تغدو فتعلم بابا من العلم عمل به أو لم يعمل خير لك من أن تصلي ألف ركعة " .
আবু যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেনঃ হে আবু যার! সকালবেলা কুরআনের একটি আয়াত শিক্ষা করা তোমার জন্য একশত রাকআত (নফল) সলাত আদায়ের চেয়ে উত্তম। সকালবেলা জ্ঞানের কিছু অংশ শিক্ষা করা তোমার জন্য এক হাজার রাকআত সলাত আদায়ের চেয়ে উত্তম, তদানুযায়ী কাজ করা হোক বা না হোক। [২১৭]
আবু যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেনঃ হে আবু যার! সকালবেলা কুরআনের একটি আয়াত শিক্ষা করা তোমার জন্য একশত রাকআত (নফল) সলাত আদায়ের চেয়ে উত্তম। সকালবেলা জ্ঞানের কিছু অংশ শিক্ষা করা তোমার জন্য এক হাজার রাকআত সলাত আদায়ের চেয়ে উত্তম, তদানুযায়ী কাজ করা হোক বা না হোক। [২১৭]
حدثنا العباس بن عبد الله الواسطي، حدثنا عبد الله بن غالب العباداني، عن عبد الله بن زياد البحراني، عن علي بن زيد، عن سعيد بن المسيب، عن أبي ذر، قال قال لي رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " يا أبا ذر لأن تغدو فتعلم آية من كتاب الله خير لك من أن تصلي مائة ركعة ولأن تغدو فتعلم بابا من العلم عمل به أو لم يعمل خير لك من أن تصلي ألف ركعة " .
সুনানে ইবনে মাজাহ > আলিমদের মর্যাদা এবং জ্ঞানার্জনে উৎসাহিত করা ।
সুনানে ইবনে মাজাহ ২২১
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا مروان بن جناح، عن يونس بن ميسرة بن حلبس، أنه حدثه قال سمعت معاوية بن أبي سفيان، يحدث عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ أنه قال " الخير عادة والشر لجاجة ومن يرد الله به خيرا يفقهه في الدين " .
মুআবিয়াহ বিন আবু সুফ্য়ান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ‘কল্যান’ হলো সুস্বভাব এবং ‘মন্দ’ হলো প্রবৃত্তির তাড়না থেকে উদ্ভূত। আল্লাহ্ যার কল্যাণ সাধন করতে চান, তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন। [২১৯]
মুআবিয়াহ বিন আবু সুফ্য়ান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ‘কল্যান’ হলো সুস্বভাব এবং ‘মন্দ’ হলো প্রবৃত্তির তাড়না থেকে উদ্ভূত। আল্লাহ্ যার কল্যাণ সাধন করতে চান, তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন। [২১৯]
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا مروان بن جناح، عن يونس بن ميسرة بن حلبس، أنه حدثه قال سمعت معاوية بن أبي سفيان، يحدث عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ أنه قال " الخير عادة والشر لجاجة ومن يرد الله به خيرا يفقهه في الدين " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২২২
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا روح بن جناح أبو سعد، عن مجاهد، عن ابن عباس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " فقيه واحد أشد على الشيطان من ألف عابد " .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, একজন ফকীহ (শারীআতের বিধানে অভিজ্ঞ ব্যক্তি) শয়তানের জন্য এক হাজার ইবাদাতকারীর চেয়ে অধিক শক্ত। [২২০]
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, একজন ফকীহ (শারীআতের বিধানে অভিজ্ঞ ব্যক্তি) শয়তানের জন্য এক হাজার ইবাদাতকারীর চেয়ে অধিক শক্ত। [২২০]
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا روح بن جناح أبو سعد، عن مجاهد، عن ابن عباس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " فقيه واحد أشد على الشيطان من ألف عابد " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২২৭
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حاتم بن إسماعيل، عن حميد بن صخر، عن المقبري، عن أبي هريرة، قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " من جاء مسجدي هذا لم يأته إلا لخير يتعلمه أو يعلمه فهو بمنزلة المجاهد في سبيل الله ومن جاء لغير ذلك فهو بمنزلة الرجل ينظر إلى متاع غيره " .
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আমার এই মাসজিদে কোন উত্তম বিষয় শিক্ষা দানের জন্য বা শিক্ষা লাভের জন্য আসে, সে আল্লাহ্র রাস্তায় জিহাদরত ব্যক্তির মর্যাদাসম্পন্ন স্থানীয়। আর যে ব্যক্তি ভিন্নতর উদ্দেশ্যে আসে, সে অপরের সম্পদের প্রতি লোলুপ দৃষ্টি নিক্ষেপকারীর তুল্য। [২২৫]
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আমার এই মাসজিদে কোন উত্তম বিষয় শিক্ষা দানের জন্য বা শিক্ষা লাভের জন্য আসে, সে আল্লাহ্র রাস্তায় জিহাদরত ব্যক্তির মর্যাদাসম্পন্ন স্থানীয়। আর যে ব্যক্তি ভিন্নতর উদ্দেশ্যে আসে, সে অপরের সম্পদের প্রতি লোলুপ দৃষ্টি নিক্ষেপকারীর তুল্য। [২২৫]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا حاتم بن إسماعيل، عن حميد بن صخر، عن المقبري، عن أبي هريرة، قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " من جاء مسجدي هذا لم يأته إلا لخير يتعلمه أو يعلمه فهو بمنزلة المجاهد في سبيل الله ومن جاء لغير ذلك فهو بمنزلة الرجل ينظر إلى متاع غيره " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২২৬
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا عبد الرزاق، أنبأنا معمر، عن عاصم بن أبي النجود، عن زر بن حبيش، قال أتيت صفوان بن عسال المرادي فقال ما جاء بك قلت أنبط العلم . قال فإني سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " ما من خارج خرج من بيته في طلب العلم إلا وضعت له الملائكة أجنحتها رضا بما يصنع " .
যির বিন হুবায়শ থেকে বর্নিতঃ
আমি সাফওয়ান বিন আসসাল আল-মুরাদী (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি বলেন, তোমাকে কিসে নিয়ে এসেছে? আমি বললাম, জ্ঞানার্জনের জন্য। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তিই জ্ঞানার্জনের জন্য তার ঘর থেকে রওনা হয়, তার এই মহৎ উদ্যোগের জন্য মালায়িকাহ তাদের পাখা বিস্তার করেন। [২২৪]
যির বিন হুবায়শ থেকে বর্নিতঃ
আমি সাফওয়ান বিন আসসাল আল-মুরাদী (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি বলেন, তোমাকে কিসে নিয়ে এসেছে? আমি বললাম, জ্ঞানার্জনের জন্য। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তিই জ্ঞানার্জনের জন্য তার ঘর থেকে রওনা হয়, তার এই মহৎ উদ্যোগের জন্য মালায়িকাহ তাদের পাখা বিস্তার করেন। [২২৪]
حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا عبد الرزاق، أنبأنا معمر، عن عاصم بن أبي النجود، عن زر بن حبيش، قال أتيت صفوان بن عسال المرادي فقال ما جاء بك قلت أنبط العلم . قال فإني سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " ما من خارج خرج من بيته في طلب العلم إلا وضعت له الملائكة أجنحتها رضا بما يصنع " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২২৩
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا عبد الله بن داود، عن عاصم بن رجاء بن حيوة، عن داود بن جميل، عن كثير بن قيس، قال كنت جالسا عند أبي الدرداء في مسجد دمشق فأتاه رجل فقال يا أبا الدرداء أتيتك من المدينة مدينة رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ لحديث بلغني أنك تحدث به عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ . قال فما جاء بك تجارة قال لا . قال ولا جاء بك غيره قال لا . قال فإني سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " من سلك طريقا يلتمس فيه علما سهل الله له طريقا إلى الجنة وإن الملائكة لتضع أجنحتها رضا لطالب العلم وإن طالب العلم يستغفر له من في السماء والأرض حتى الحيتان في الماء وإن فضل العالم على العابد كفضل القمر على سائر الكواكب إن العلماء هم ورثة الأنبياء إن الأنبياء لم يورثوا دينارا ولا درهما إنما ورثوا العلم فمن أخذه أخذ بحظ وافر " .
কাসীর বিন কায়স (দঈফ) থেকে বর্নিতঃ
আমি দামিশকের মাসজিদে আবুদ দারদা’ (রাঃ)-এর কাছে বসা ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি তার নিকট উপস্থিত হয়ে বললো, হে আবুদ-দারদা’! আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর শহর মাদীনাহ থেকে আপনার নিকট একটি হাদীস শোনার জন্য এসেছি। আমি জানতে পেরেছি যে, আপনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে তা বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, তুমি কোন ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে আসোনি তো? সে বললো, না। তিনি বলেন, অন্য কোন উদ্দেশ্যেও তুমি আসোনি? সে বললো, না। তিনি বলেন, আমি অবশ্যই রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি জ্ঞানার্জনের কোন পথ অবলম্বন করে, আল্লাহ্ তার জন্য জান্নাতের দিকে একটি পথ সুগম করে দেন। ফেরেশ্তাগন জ্ঞান অন্বেষীর সন্তুষ্টির জন্য তাদের পাখাসমুহ অবনমিত করেন। আর জ্ঞান অন্বেষীর জন্য আসমান ও যমীনবাসী আল্লাহ্র নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে, এমনকি পানির মধ্যের মাছও। নিশ্চয় ইবাদাতকারীর উপর আলিমের মর্যাদা তারকারাজির উপর চাঁদের মর্যাদার সমতুল্য। আলিমগণ নবীগণের ওয়ারিস। আর নবীগণ দীনার ও দিরহাম (নগদ অর্থ) ওয়ারিসী স্বত্ব হিসাবে রেখে যাননি, বরং তাঁরা ওয়ারিসী স্বত্বরূপে রেখে গেছেন ইলম (জ্ঞান)। যে ব্যক্তি তা গ্রহণ করলো, সে যেন একটি পূর্ণ অংশ লাভ করলো। [২২১]
কাসীর বিন কায়স (দঈফ) থেকে বর্নিতঃ
আমি দামিশকের মাসজিদে আবুদ দারদা’ (রাঃ)-এর কাছে বসা ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি তার নিকট উপস্থিত হয়ে বললো, হে আবুদ-দারদা’! আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর শহর মাদীনাহ থেকে আপনার নিকট একটি হাদীস শোনার জন্য এসেছি। আমি জানতে পেরেছি যে, আপনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে তা বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, তুমি কোন ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে আসোনি তো? সে বললো, না। তিনি বলেন, অন্য কোন উদ্দেশ্যেও তুমি আসোনি? সে বললো, না। তিনি বলেন, আমি অবশ্যই রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি জ্ঞানার্জনের কোন পথ অবলম্বন করে, আল্লাহ্ তার জন্য জান্নাতের দিকে একটি পথ সুগম করে দেন। ফেরেশ্তাগন জ্ঞান অন্বেষীর সন্তুষ্টির জন্য তাদের পাখাসমুহ অবনমিত করেন। আর জ্ঞান অন্বেষীর জন্য আসমান ও যমীনবাসী আল্লাহ্র নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে, এমনকি পানির মধ্যের মাছও। নিশ্চয় ইবাদাতকারীর উপর আলিমের মর্যাদা তারকারাজির উপর চাঁদের মর্যাদার সমতুল্য। আলিমগণ নবীগণের ওয়ারিস। আর নবীগণ দীনার ও দিরহাম (নগদ অর্থ) ওয়ারিসী স্বত্ব হিসাবে রেখে যাননি, বরং তাঁরা ওয়ারিসী স্বত্বরূপে রেখে গেছেন ইলম (জ্ঞান)। যে ব্যক্তি তা গ্রহণ করলো, সে যেন একটি পূর্ণ অংশ লাভ করলো। [২২১]
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا عبد الله بن داود، عن عاصم بن رجاء بن حيوة، عن داود بن جميل، عن كثير بن قيس، قال كنت جالسا عند أبي الدرداء في مسجد دمشق فأتاه رجل فقال يا أبا الدرداء أتيتك من المدينة مدينة رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ لحديث بلغني أنك تحدث به عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ . قال فما جاء بك تجارة قال لا . قال ولا جاء بك غيره قال لا . قال فإني سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول " من سلك طريقا يلتمس فيه علما سهل الله له طريقا إلى الجنة وإن الملائكة لتضع أجنحتها رضا لطالب العلم وإن طالب العلم يستغفر له من في السماء والأرض حتى الحيتان في الماء وإن فضل العالم على العابد كفضل القمر على سائر الكواكب إن العلماء هم ورثة الأنبياء إن الأنبياء لم يورثوا دينارا ولا درهما إنما ورثوا العلم فمن أخذه أخذ بحظ وافر " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২২৫
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " من نفس عن مؤمن كربة من كرب الدنيا نفس الله عنه كربة من كرب يوم القيامة ومن ستر مسلما ستره الله في الدنيا والآخرة ومن يسر على معسر يسر الله عليه في الدنيا والآخرة والله في عون العبد ما كان العبد في عون أخيه ومن سلك طريقا يلتمس فيه علما سهل الله له به طريقا إلى الجنة وما اجتمع قوم في بيت من بيوت الله يتلون كتاب الله ويتدارسونه بينهم إلا حفتهم الملائكة ونزلت عليهم السكينة وغشيتهم الرحمة وذكرهم الله فيمن عنده ومن أبطأ به عمله لم يسرع به نسبه " .
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের পার্থিব বিপদসমূহ থেকে একটি বিপদ দূর করলো, আল্লাহ্ কিয়ামাতের দিন তার পারলৌকিক বিপদসমূহ থেকে একটি বিপদ দূর করবেন। কোন ব্যক্তি অপর মুসলিমের দোষ গোপন রাখলে, আল্লাহ্ দুনিয়া ও আখিরাতে তার দোষ গোপন রাখবেন। যে ব্যক্তি অপর ব্যক্তির কষ্ট-কাঠিন্য সহজ করে দেয়, আল্লাহ্ দুনিয়া ও আখিরাতে তার কষ্ট সহজ করে দিবেন। বান্দা যতক্ষণ তার ভাইয়ের সাহায্য-সহযোগিতায় রত থাকে, আল্লাহ্ ততক্ষণ তার সাহায্য-সহায়তায় রত থাকেন। কোন ব্যক্তি জ্ঞানার্জনের জন্য কোন পথ অবলম্বন করলে, আল্লাহ্ এই উসীলায় তার জন্য জান্নাতের একটি পথ সুগম করে দেন। যখন কোন লোকসমষ্টি আল্লাহ্র ঘরসমূহের মধ্যকার কোন ঘরে সমবেত হয়ে আল্লাহ্র কিতাব তিলাওয়াত করে এবং পরস্পর তা শিক্ষা করে, তখন মালায়িকাহ তাদেরকে পরিবেষ্টন করে রাখেন, তাদের উপর প্রশান্তি নাযিল হয়, দয়া ও অনুগ্রহ তাদের আবৃত করে নেয় এবং আল্লাহ্ তাঁর নিকটে অবস্থানকারীদের (মালায়িকাহ্র) সাথে তাদের বিষয়ে আলোচনা করেন। (পৃথিবীতে) যার সৎকর্ম কম হবে (আখিরাতে) তার বংশমর্যাদা কোন উপকারে আসবে না। [২২৩]
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের পার্থিব বিপদসমূহ থেকে একটি বিপদ দূর করলো, আল্লাহ্ কিয়ামাতের দিন তার পারলৌকিক বিপদসমূহ থেকে একটি বিপদ দূর করবেন। কোন ব্যক্তি অপর মুসলিমের দোষ গোপন রাখলে, আল্লাহ্ দুনিয়া ও আখিরাতে তার দোষ গোপন রাখবেন। যে ব্যক্তি অপর ব্যক্তির কষ্ট-কাঠিন্য সহজ করে দেয়, আল্লাহ্ দুনিয়া ও আখিরাতে তার কষ্ট সহজ করে দিবেন। বান্দা যতক্ষণ তার ভাইয়ের সাহায্য-সহযোগিতায় রত থাকে, আল্লাহ্ ততক্ষণ তার সাহায্য-সহায়তায় রত থাকেন। কোন ব্যক্তি জ্ঞানার্জনের জন্য কোন পথ অবলম্বন করলে, আল্লাহ্ এই উসীলায় তার জন্য জান্নাতের একটি পথ সুগম করে দেন। যখন কোন লোকসমষ্টি আল্লাহ্র ঘরসমূহের মধ্যকার কোন ঘরে সমবেত হয়ে আল্লাহ্র কিতাব তিলাওয়াত করে এবং পরস্পর তা শিক্ষা করে, তখন মালায়িকাহ তাদেরকে পরিবেষ্টন করে রাখেন, তাদের উপর প্রশান্তি নাযিল হয়, দয়া ও অনুগ্রহ তাদের আবৃত করে নেয় এবং আল্লাহ্ তাঁর নিকটে অবস্থানকারীদের (মালায়িকাহ্র) সাথে তাদের বিষয়ে আলোচনা করেন। (পৃথিবীতে) যার সৎকর্ম কম হবে (আখিরাতে) তার বংশমর্যাদা কোন উপকারে আসবে না। [২২৩]
حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " من نفس عن مؤمن كربة من كرب الدنيا نفس الله عنه كربة من كرب يوم القيامة ومن ستر مسلما ستره الله في الدنيا والآخرة ومن يسر على معسر يسر الله عليه في الدنيا والآخرة والله في عون العبد ما كان العبد في عون أخيه ومن سلك طريقا يلتمس فيه علما سهل الله له به طريقا إلى الجنة وما اجتمع قوم في بيت من بيوت الله يتلون كتاب الله ويتدارسونه بينهم إلا حفتهم الملائكة ونزلت عليهم السكينة وغشيتهم الرحمة وذكرهم الله فيمن عنده ومن أبطأ به عمله لم يسرع به نسبه " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২২৮
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا صدقة بن خالد، حدثنا عثمان بن أبي عاتكة، عن علي بن يزيد، عن القاسم، عن أبي أمامة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " عليكم بهذا العلم قبل أن يقبض وقبضه أن يرفع " . وجمع بين إصبعيه الوسطى والتي تلي الإبهام هكذا ثم قال " العالم والمتعلم شريكان في الأجر ولا خير في سائر الناس " .
আবু উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এই জ্ঞান জব্দ করে নেয়ার পূর্বেই তোমরা তা ধারণ করো। তা জব্দ করার অর্থ তুলে নেয়া। অতঃপর তিনি তাঁর শাহাদাত ও মধ্যমা আঙ্গুল একত্র করে বললেন, এভাবে। অতঃপর তিনি বলেন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী প্রতিদানে সমান অংশীদার। অবশিষ্ট লোকের মধ্যে কোন সৌন্দর্য ও কল্যাণ নেই। [২২৬]
আবু উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এই জ্ঞান জব্দ করে নেয়ার পূর্বেই তোমরা তা ধারণ করো। তা জব্দ করার অর্থ তুলে নেয়া। অতঃপর তিনি তাঁর শাহাদাত ও মধ্যমা আঙ্গুল একত্র করে বললেন, এভাবে। অতঃপর তিনি বলেন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী প্রতিদানে সমান অংশীদার। অবশিষ্ট লোকের মধ্যে কোন সৌন্দর্য ও কল্যাণ নেই। [২২৬]
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا صدقة بن خالد، حدثنا عثمان بن أبي عاتكة، عن علي بن يزيد، عن القاسم، عن أبي أمامة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " عليكم بهذا العلم قبل أن يقبض وقبضه أن يرفع " . وجمع بين إصبعيه الوسطى والتي تلي الإبهام هكذا ثم قال " العالم والمتعلم شريكان في الأجر ولا خير في سائر الناس " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২২৯
حدثنا بشر بن هلال الصواف، حدثنا داود بن الزبرقان، عن بكر بن خنيس، عن عبد الرحمن بن زياد، عن عبد الله بن يزيد، عن عبد الله بن عمرو، قال خرج رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ذات يوم من بعض حجره فدخل المسجد فإذا هو بحلقتين إحداهما يقرءون القرآن ويدعون الله والأخرى يتعلمون ويعلمون فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ " كل على خير هؤلاء يقرءون القرآن ويدعون الله فإن شاء أعطاهم وإن شاء منعهم وهؤلاء يتعلمون ويعلمون وإنما بعثت معلما " . فجلس معهم .
আবদুল্লাহ্ বিন আমর ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কোন এক হুজরা থেকে বের হয়ে এসে মাসজিদে প্রবেশ করেন। তখন সেখানে দু’টি সমাবেশ চলছিল। একটি সমাবেশে লোকজন কুরআন তিলাওয়াত ও আল্লাহ্র যিকরে মশগুল ছিল এবং অপর সমাবেশে লোকজন শিক্ষাগ্রহণ ও শিক্ষাদানে রত ছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সকলেই কল্যাণকর তৎপরতায় রত আছে। এই সমাবেশের লোকজন কুরআন তিলাওয়াত করছে এবং আল্লাহ্র নিকট দুআ’ করছে। তিনি চাইলে তাদের দান করতেও পারেন আবার চাইলে নাও দিতে পারেন। অন্যদিকে এই সমাবেশের লোকেরা শিক্ষাগ্রহণ এবং শিক্ষাদানে রত আছে। আর আমি শিক্ষক হিসাবেই প্রেরিত হয়েছি। অতঃপর তিনি এদের সমাবেশে বসলেন। [২২৭]
আবদুল্লাহ্ বিন আমর ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কোন এক হুজরা থেকে বের হয়ে এসে মাসজিদে প্রবেশ করেন। তখন সেখানে দু’টি সমাবেশ চলছিল। একটি সমাবেশে লোকজন কুরআন তিলাওয়াত ও আল্লাহ্র যিকরে মশগুল ছিল এবং অপর সমাবেশে লোকজন শিক্ষাগ্রহণ ও শিক্ষাদানে রত ছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সকলেই কল্যাণকর তৎপরতায় রত আছে। এই সমাবেশের লোকজন কুরআন তিলাওয়াত করছে এবং আল্লাহ্র নিকট দুআ’ করছে। তিনি চাইলে তাদের দান করতেও পারেন আবার চাইলে নাও দিতে পারেন। অন্যদিকে এই সমাবেশের লোকেরা শিক্ষাগ্রহণ এবং শিক্ষাদানে রত আছে। আর আমি শিক্ষক হিসাবেই প্রেরিত হয়েছি। অতঃপর তিনি এদের সমাবেশে বসলেন। [২২৭]
حدثنا بشر بن هلال الصواف، حدثنا داود بن الزبرقان، عن بكر بن خنيس، عن عبد الرحمن بن زياد، عن عبد الله بن يزيد، عن عبد الله بن عمرو، قال خرج رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ذات يوم من بعض حجره فدخل المسجد فإذا هو بحلقتين إحداهما يقرءون القرآن ويدعون الله والأخرى يتعلمون ويعلمون فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ " كل على خير هؤلاء يقرءون القرآن ويدعون الله فإن شاء أعطاهم وإن شاء منعهم وهؤلاء يتعلمون ويعلمون وإنما بعثت معلما " . فجلس معهم .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২২০
حدثنا بكر بن خلف أبو بشر، حدثنا عبد الأعلى، عن معمر، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " من يرد الله به خيرا يفقهه في الدين " .
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্ তা'আলা যার কল্যাণ সাধন করতে চান, তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন। [২১৮]
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্ তা'আলা যার কল্যাণ সাধন করতে চান, তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন। [২১৮]
حدثنا بكر بن خلف أبو بشر، حدثنا عبد الأعلى، عن معمر، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " من يرد الله به خيرا يفقهه في الدين " .
সুনানে ইবনে মাজাহ ২২৪
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا حفص بن سليمان، حدثنا كثير بن شنظير، عن محمد بن سيرين، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " طلب العلم فريضة على كل مسلم وواضع العلم عند غير أهله كمقلد الخنازير الجوهر واللؤلؤ والذهب " .
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের উপর ফরয। অপাত্রে জ্ঞান দানকারী শুকরের গলায় মণিমুক্তা ও সোনার হার পরানো ব্যক্তির সমতুল্য। [২২২] তাহকীক আলবানীঃ (আরবি) কথাটি ছাড়া সহীহ, কেননা উক্ত কথাগুলো খুবই দুর্বল।
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের উপর ফরয। অপাত্রে জ্ঞান দানকারী শুকরের গলায় মণিমুক্তা ও সোনার হার পরানো ব্যক্তির সমতুল্য। [২২২] তাহকীক আলবানীঃ (আরবি) কথাটি ছাড়া সহীহ, কেননা উক্ত কথাগুলো খুবই দুর্বল।
حدثنا هشام بن عمار، حدثنا حفص بن سليمان، حدثنا كثير بن شنظير، عن محمد بن سيرين، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ " طلب العلم فريضة على كل مسلم وواضع العلم عند غير أهله كمقلد الخنازير الجوهر واللؤلؤ والذهب " .