সুনানে ইবনে মাজাহ > আনসারদের ফাদীলাত

সুনানে ইবনে মাজাহ ১৬৩

حدثنا علي بن محمد، وعمرو بن عبد الله، قالا حدثنا وكيع، عن شعبة، عن عدي بن ثابت، عن البراء بن عازب، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ من أحب الأنصار أحبه الله ومن أبغض الأنصار أبغضه الله ‏"‏ ‏.‏ قال شعبة قلت لعدي أسمعته من البراء بن عازب قال إياى حدث ‏.‏

আল-বারা’ বিন আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি আনসারদের ভালোবাসে, আল্লাহ্‌ তাকে ভালোবাসেন এবং যে ব্যক্তি আনসারদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে, আল্লাহ্‌ তাআলা তার প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করেন। শু‘বাহ (রহঃ) বলেন, আমি আদী (রহঃ)-কে বললাম, আপনি কি এটি বারা’ বিন আযিব (রাঃ)-এর নিকট শুনেছেন? তিনি বলেন, অবশ্যই তিনি বর্ণনা করেছেন। [১৬১]

আল-বারা’ বিন আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি আনসারদের ভালোবাসে, আল্লাহ্‌ তাকে ভালোবাসেন এবং যে ব্যক্তি আনসারদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে, আল্লাহ্‌ তাআলা তার প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করেন। শু‘বাহ (রহঃ) বলেন, আমি আদী (রহঃ)-কে বললাম, আপনি কি এটি বারা’ বিন আযিব (রাঃ)-এর নিকট শুনেছেন? তিনি বলেন, অবশ্যই তিনি বর্ণনা করেছেন। [১৬১]

حدثنا علي بن محمد، وعمرو بن عبد الله، قالا حدثنا وكيع، عن شعبة، عن عدي بن ثابت، عن البراء بن عازب، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ من أحب الأنصار أحبه الله ومن أبغض الأنصار أبغضه الله ‏"‏ ‏.‏ قال شعبة قلت لعدي أسمعته من البراء بن عازب قال إياى حدث ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৬৪

حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم، حدثنا ابن أبي فديك، عن عبد المهيمن بن عباس بن سهل بن سعد، عن أبيه، عن جده، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ الأنصار شعار والناس دثار ولو أن الناس استقبلوا واديا - أو شعبا - واستقبلت الأنصار واديا لسلكت وادي الأنصار ولولا الهجرة لكنت امرأ من الأنصار ‏"‏ ‏.‏

সাহল বিন সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আনসারগণ যেন দেহের আভরণ এবং অন্যরা তার উপরিভাগের (শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন) আভরণ। আনসারগণ যদি কোন গিরি সংকটে বা গিরিখাদে প্রবেশ করে এবং অন্য লোকেরা অন্য গিরিখাদে বা গিরি সংকটে প্রবেশ করে, তবে আমি আনসারদের গিরি সংকটেই যাবো। হিজরতের ঘটনা না ঘটলে আমি আনসারদের অন্তর্ভুক্ত হতাম। [১৬২]

সাহল বিন সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আনসারগণ যেন দেহের আভরণ এবং অন্যরা তার উপরিভাগের (শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন) আভরণ। আনসারগণ যদি কোন গিরি সংকটে বা গিরিখাদে প্রবেশ করে এবং অন্য লোকেরা অন্য গিরিখাদে বা গিরি সংকটে প্রবেশ করে, তবে আমি আনসারদের গিরি সংকটেই যাবো। হিজরতের ঘটনা না ঘটলে আমি আনসারদের অন্তর্ভুক্ত হতাম। [১৬২]

حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم، حدثنا ابن أبي فديك، عن عبد المهيمن بن عباس بن سهل بن سعد، عن أبيه، عن جده، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ الأنصار شعار والناس دثار ولو أن الناس استقبلوا واديا - أو شعبا - واستقبلت الأنصار واديا لسلكت وادي الأنصار ولولا الهجرة لكنت امرأ من الأنصار ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৬৫

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا خالد بن مخلد، حدثني كثير بن عبد الله بن عمرو بن عوف، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ رحم الله الأنصار وأبناء الأنصار وأبناء أبناء الأنصار ‏"‏ ‏.‏

আম্‌র বিন আওফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্‌ তাআলা আনসারদের প্রতি দয়াপরবশ হোন, তাদের সন্তানদের প্রতি দয়াপরবশ হোন, তাদের সন্তানদের প্রতি দয়াপরবশ হোন এবং তাদের সন্তানদের সন্তানগণের প্রতিও দয়াপরবশ হোন। [১৬৩] তাহকীক আলবানীঃ হাদীসের শব্দগুলো খুব দুর্বল। সহীহ শব্দে আছে (আরবী)

আম্‌র বিন আওফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্‌ তাআলা আনসারদের প্রতি দয়াপরবশ হোন, তাদের সন্তানদের প্রতি দয়াপরবশ হোন, তাদের সন্তানদের প্রতি দয়াপরবশ হোন এবং তাদের সন্তানদের সন্তানগণের প্রতিও দয়াপরবশ হোন। [১৬৩] তাহকীক আলবানীঃ হাদীসের শব্দগুলো খুব দুর্বল। সহীহ শব্দে আছে (আরবী)

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا خالد بن مخلد، حدثني كثير بن عبد الله بن عمرو بن عوف، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ رحم الله الأنصار وأبناء الأنصار وأبناء أبناء الأنصار ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > ইবনু আব্বাস (রাঃ) –এর সম্মান

সুনানে ইবনে মাজাহ ১৬৬

حدثنا محمد بن المثنى، وأبو بكر بن خلاد الباهلي قالا حدثنا عبد الوهاب، حدثنا خالد الحذاء، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال ضمني رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ إليه وقال ‏ "‏ اللهم علمه الحكمة وتأويل الكتاب ‏"‏ ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তাঁর বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে বললেনঃ হে আল্লাহ্‌! তাকে প্রজ্ঞা ও কুরআনের তাৎপর্য জ্ঞান দান করুন। [১৬৪]

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তাঁর বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে বললেনঃ হে আল্লাহ্‌! তাকে প্রজ্ঞা ও কুরআনের তাৎপর্য জ্ঞান দান করুন। [১৬৪]

حدثنا محمد بن المثنى، وأبو بكر بن خلاد الباهلي قالا حدثنا عبد الوهاب، حدثنا خالد الحذاء، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال ضمني رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ إليه وقال ‏ "‏ اللهم علمه الحكمة وتأويل الكتاب ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > খারিজীর আলোচনা

সুনানে ইবনে মাজাহ ১৬৭

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا إسماعيل ابن علية، عن أيوب، عن محمد بن سيرين، عن عبيدة، عن علي بن أبي طالب، قال وذكر الخوارج فقال فيهم رجل مخدج اليد أو مودن اليد أو مثدن اليد ولولا أن تبطروا لحدثتكم بما وعد الله الذين يقتلونهم على لسان محمد ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏ قلت أنت سمعته من محمد ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال إي ورب الكعبة ‏.‏ ثلاث مرات ‏.‏

আলী বিন আবু তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি খারিজীদের উল্লেখ করে বলেন, তাদের মাঝে খাটো হাতবিশিষ্ট এক ব্যক্তির উদ্ভব হবে। যদি তোমরা স্বেচ্ছায় সৎকাজ ছেড়ে না দিতে, তবে আমি তোমাদের নিকট সেই হাদীস বর্ণনা করতাম যাতে আল্লাহ্‌ তাআলা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যবানিতে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধকারীদের সম্পর্কে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। অধস্তন রাবী উবায়দুল্লাহ্‌ (রহঃ) বলেন, আমি বললাম, আপনি কি এ কথা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট শুনেছেন? তিনি বলেন, হ্যাঁ, কাবার প্রভুর শপথ! তিনি তিনবার এ কথা বলেন। [১৬৫]

আলী বিন আবু তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি খারিজীদের উল্লেখ করে বলেন, তাদের মাঝে খাটো হাতবিশিষ্ট এক ব্যক্তির উদ্ভব হবে। যদি তোমরা স্বেচ্ছায় সৎকাজ ছেড়ে না দিতে, তবে আমি তোমাদের নিকট সেই হাদীস বর্ণনা করতাম যাতে আল্লাহ্‌ তাআলা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যবানিতে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধকারীদের সম্পর্কে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। অধস্তন রাবী উবায়দুল্লাহ্‌ (রহঃ) বলেন, আমি বললাম, আপনি কি এ কথা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট শুনেছেন? তিনি বলেন, হ্যাঁ, কাবার প্রভুর শপথ! তিনি তিনবার এ কথা বলেন। [১৬৫]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا إسماعيل ابن علية، عن أيوب، عن محمد بن سيرين، عن عبيدة، عن علي بن أبي طالب، قال وذكر الخوارج فقال فيهم رجل مخدج اليد أو مودن اليد أو مثدن اليد ولولا أن تبطروا لحدثتكم بما وعد الله الذين يقتلونهم على لسان محمد ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏ قلت أنت سمعته من محمد ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال إي ورب الكعبة ‏.‏ ثلاث مرات ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৬৮

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعبد الله بن عامر بن زرارة، قالا حدثنا أبو بكر بن عياش، عن عاصم، عن زر، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ يخرج في آخر الزمان قوم أحداث الأسنان سفهاء الأحلام يقولون من خير قول الناس يقرءون القرآن لا يجاوز تراقيهم يمرقون من الإسلام كما يمرق السهم من الرمية فمن لقيهم فليقتلهم فإن قتلهم أجر عند الله لمن قتلهم ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, শেষ যমানায় ক্ষুদ্র দাঁতবিশিষ্ট ও স্থুলবুদ্ধিসম্পন্ন এক সম্প্রদায়ের উদ্ভব হবে। তারা মানুষকে ভালো ভালো কথা বলবে, কুরআন পাঠ করবে কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা ইসলাম থেকে এত দ্রুত বেগে খারিজ হয়ে যাবে, যেমন ধনুক থেকে তীর দ্রুত বেগে শিকারের দিকে ছুটে যায়। অতএব যে ব্যক্তি তাদের সাক্ষাৎ পাবে সে যেন তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। যারা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, আল্লাহ্‌র নিকট তাদের জন্য তার বিনিময় রয়েছে। [১৬৬]

আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, শেষ যমানায় ক্ষুদ্র দাঁতবিশিষ্ট ও স্থুলবুদ্ধিসম্পন্ন এক সম্প্রদায়ের উদ্ভব হবে। তারা মানুষকে ভালো ভালো কথা বলবে, কুরআন পাঠ করবে কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা ইসলাম থেকে এত দ্রুত বেগে খারিজ হয়ে যাবে, যেমন ধনুক থেকে তীর দ্রুত বেগে শিকারের দিকে ছুটে যায়। অতএব যে ব্যক্তি তাদের সাক্ষাৎ পাবে সে যেন তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। যারা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, আল্লাহ্‌র নিকট তাদের জন্য তার বিনিময় রয়েছে। [১৬৬]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعبد الله بن عامر بن زرارة، قالا حدثنا أبو بكر بن عياش، عن عاصم، عن زر، عن عبد الله بن مسعود، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ يخرج في آخر الزمان قوم أحداث الأسنان سفهاء الأحلام يقولون من خير قول الناس يقرءون القرآن لا يجاوز تراقيهم يمرقون من الإسلام كما يمرق السهم من الرمية فمن لقيهم فليقتلهم فإن قتلهم أجر عند الله لمن قتلهم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৭১

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وسويد بن سعيد، قالا حدثنا أبو الأحوص، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ ليقرأن القرآن ناس من أمتي يمرقون من الإسلام كما يمرق السهم من الرمية ‏"‏ ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, অবশ্যই আমার উম্মাতের একটি দল কুরআন পড়বে, কিন্তু তারা ইসলাম থেকে দ্রুত বিচ্যুত হয়ে যাবে, যেমন তীর ধনুক থেকে দ্রুত শিকারের দিকে বেরিয়ে যায়। [১৬৯]

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, অবশ্যই আমার উম্মাতের একটি দল কুরআন পড়বে, কিন্তু তারা ইসলাম থেকে দ্রুত বিচ্যুত হয়ে যাবে, যেমন তীর ধনুক থেকে দ্রুত শিকারের দিকে বেরিয়ে যায়। [১৬৯]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وسويد بن سعيد، قالا حدثنا أبو الأحوص، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ ليقرأن القرآن ناس من أمتي يمرقون من الإسلام كما يمرق السهم من الرمية ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৭০

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن سليمان بن المغيرة، عن حميد بن هلال، عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إن بعدي من أمتي - أو سيكون بعدي من أمتي - قوما يقرءون القرآن لا يجاوز حلوقهم يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية ثم لا يعودون فيه هم شرار الخلق والخليقة ‏"‏ ‏.‏ قال عبد الله بن الصامت فذكرت ذلك لرافع بن عمرو أخي الحكم بن عمرو الغفاري فقال وأنا أيضا قد سمعته من رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏

আবু যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমার পরে আমার উম্মাতের মধ্যে অচিরেই একটি দলের উদ্ভব হবে, যারা কুরআন পড়বে কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা এত দ্রুতবেগে ধর্মচ্যুত হবে, যেমন তীর ধনুক থেকে শিকারের দিকে দ্রুত ছুটে যায়, অতঃপর তারা দ্বীনের পথে ফিরে আসবে না। এরা হলো সৃষ্টিকুলের মধ্যে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট। আবদুল্লাহ ইবনুস-সামিত (রহঃ) বলেন, আমি বিষয়টি হাকাম বিন আম্‌র আল-গিফারীর ভাই রাফি‘ বিন আম্‌র (রাঃ)-এর নিকট উল্লেখ করলাম। তিনি বলেন, আমিও হাদীসটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট শুনেছি। [১৬৮]

আবু যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমার পরে আমার উম্মাতের মধ্যে অচিরেই একটি দলের উদ্ভব হবে, যারা কুরআন পড়বে কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা এত দ্রুতবেগে ধর্মচ্যুত হবে, যেমন তীর ধনুক থেকে শিকারের দিকে দ্রুত ছুটে যায়, অতঃপর তারা দ্বীনের পথে ফিরে আসবে না। এরা হলো সৃষ্টিকুলের মধ্যে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট। আবদুল্লাহ ইবনুস-সামিত (রহঃ) বলেন, আমি বিষয়টি হাকাম বিন আম্‌র আল-গিফারীর ভাই রাফি‘ বিন আম্‌র (রাঃ)-এর নিকট উল্লেখ করলাম। তিনি বলেন, আমিও হাদীসটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট শুনেছি। [১৬৮]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو أسامة، عن سليمان بن المغيرة، عن حميد بن هلال، عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إن بعدي من أمتي - أو سيكون بعدي من أمتي - قوما يقرءون القرآن لا يجاوز حلوقهم يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية ثم لا يعودون فيه هم شرار الخلق والخليقة ‏"‏ ‏.‏ قال عبد الله بن الصامت فذكرت ذلك لرافع بن عمرو أخي الحكم بن عمرو الغفاري فقال وأنا أيضا قد سمعته من رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৭২

حدثنا محمد بن الصباح، أنبأنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بالجعرانة وهو يقسم التبر والغنائم وهو في حجر بلال فقال رجل اعدل يا محمد فإنك لم تعدل ‏.‏ فقال ‏"‏ ويلك ومن يعدل بعدي إذا لم أعدل ‏"‏ ‏.‏ فقال عمر دعني يا رسول الله حتى أضرب عنق هذا المنافق ‏.‏ فقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ إن هذا في أصحاب - أو أصيحاب - له يقرءون القرآن لا يجاوز تراقيهم يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية ‏"‏ ‏.‏

জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জি‘রানাহ নামক স্থানে গনীমাতের মাল ও সোনারূপা বণ্টন করছিলেন। এগুলো বিলাল (রাঃ)-এর কোলে ছিল। এক ব্যক্তি বললো, হে মুহাম্মাদ! ইনসাফ করুন। কেননা, আপনি ইনসাফ করছেন না। তিনি বলেন, তোমার জন্য দুঃখ হয়, আমিই যদি ইনসাফ না করি, তবে আমার পরে কে ইনসাফ করবে? উমার (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাকে ছেড়ে দিন, আমি এই মুনাফিকের ঘাড় উড়িয়ে দেই। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তার সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি দলের উদ্ভব হবে, যারা কুরআন পড়বে, কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা এমনভাবে ধর্মচ্যুত হবে, যেমন ধনুক থেকে তীর শিকারের দিকে দ্রুত ছুটে যায়। [১৭০]

জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জি‘রানাহ নামক স্থানে গনীমাতের মাল ও সোনারূপা বণ্টন করছিলেন। এগুলো বিলাল (রাঃ)-এর কোলে ছিল। এক ব্যক্তি বললো, হে মুহাম্মাদ! ইনসাফ করুন। কেননা, আপনি ইনসাফ করছেন না। তিনি বলেন, তোমার জন্য দুঃখ হয়, আমিই যদি ইনসাফ না করি, তবে আমার পরে কে ইনসাফ করবে? উমার (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাকে ছেড়ে দিন, আমি এই মুনাফিকের ঘাড় উড়িয়ে দেই। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তার সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি দলের উদ্ভব হবে, যারা কুরআন পড়বে, কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা এমনভাবে ধর্মচ্যুত হবে, যেমন ধনুক থেকে তীর শিকারের দিকে দ্রুত ছুটে যায়। [১৭০]

حدثنا محمد بن الصباح، أنبأنا سفيان بن عيينة، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بالجعرانة وهو يقسم التبر والغنائم وهو في حجر بلال فقال رجل اعدل يا محمد فإنك لم تعدل ‏.‏ فقال ‏"‏ ويلك ومن يعدل بعدي إذا لم أعدل ‏"‏ ‏.‏ فقال عمر دعني يا رسول الله حتى أضرب عنق هذا المنافق ‏.‏ فقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ إن هذا في أصحاب - أو أصيحاب - له يقرءون القرآن لا يجاوز تراقيهم يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৬৯

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، قال قلت لأبي سعيد الخدري هل سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يذكر في الحرورية شيئا فقال سمعته يذكر قوما يتعبدون ‏"‏ يحقر أحدكم صلاته مع صلاتهم وصومه مع صومهم يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية ‏"‏ ‏.‏ أخذ سهمه فنظر في نصله فلم ير شيئا فنظر في رصافه فلم ير شيئا فنظر في قدحه فلم ير شيئا فنظر في القذذ فتمارى هل يرى شيئا أم لا ‏"‏ ‏.‏

আবু সালামাহ (আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান বিন আওফ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ)-কে বললাম, আপনি কি (খারীজী) হারূরিয়াদের সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কিছু বলতে শুনেছেন? তিনি বলেন, আমি তাঁকে একটি সম্প্রদায়ের কথা আলোচনা করতে শুনেছি যারা হবে অত্যধিক ইবাদাতকারী এবং তাদের সলাত-সওমের তুলনায় তোমাদের নিকট তোমাদের সলাত-সওম খুবই নগণ্য মনে হবে। তারা দ্বীন থেকে দ্রুত গতিতে বের হয়ে যাবে, যেমন ধনুক থেকে তীর শিকারের দিকে দ্রুত গতিতে চলে যায়। সে তার তীর তুলে নিয়ে তার ফলার অগ্রভাগ পরখ করবে কিন্তু কিছুই দেখতে পাবে না, অতঃপর তার তীরের (ফলা সংলগ্ন) কাঠ পরখ করবে তাতেও কোন চিহ্ন দেখতে পাবে না। অতঃপর তীরের ফলা পরখ করে তাতেও কিছু দেখতে পাবে না, অতঃপর তীরের পালক পরখ করে তার সন্দেহ হবে যে, সে কিছু চিহ্ন দেখতে পাচ্ছে কিনা। [১৬৭]

আবু সালামাহ (আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান বিন আওফ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ)-কে বললাম, আপনি কি (খারীজী) হারূরিয়াদের সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কিছু বলতে শুনেছেন? তিনি বলেন, আমি তাঁকে একটি সম্প্রদায়ের কথা আলোচনা করতে শুনেছি যারা হবে অত্যধিক ইবাদাতকারী এবং তাদের সলাত-সওমের তুলনায় তোমাদের নিকট তোমাদের সলাত-সওম খুবই নগণ্য মনে হবে। তারা দ্বীন থেকে দ্রুত গতিতে বের হয়ে যাবে, যেমন ধনুক থেকে তীর শিকারের দিকে দ্রুত গতিতে চলে যায়। সে তার তীর তুলে নিয়ে তার ফলার অগ্রভাগ পরখ করবে কিন্তু কিছুই দেখতে পাবে না, অতঃপর তার তীরের (ফলা সংলগ্ন) কাঠ পরখ করবে তাতেও কোন চিহ্ন দেখতে পাবে না। অতঃপর তীরের ফলা পরখ করে তাতেও কিছু দেখতে পাবে না, অতঃপর তীরের পালক পরখ করে তার সন্দেহ হবে যে, সে কিছু চিহ্ন দেখতে পাচ্ছে কিনা। [১৬৭]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، قال قلت لأبي سعيد الخدري هل سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يذكر في الحرورية شيئا فقال سمعته يذكر قوما يتعبدون ‏"‏ يحقر أحدكم صلاته مع صلاتهم وصومه مع صومهم يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية ‏"‏ ‏.‏ أخذ سهمه فنظر في نصله فلم ير شيئا فنظر في رصافه فلم ير شيئا فنظر في قدحه فلم ير شيئا فنظر في القذذ فتمارى هل يرى شيئا أم لا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৭৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا إسحاق الأزرق، عن الأعمش، عن ابن أبي أوفى، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ الخوارج كلاب النار ‏"‏ ‏.‏

ইবনু আবু আওফা (রাঃ) বলেন থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, খারিজীরা হলো জাহান্নামের কুকুর। [১৭১]

ইবনু আবু আওফা (রাঃ) বলেন থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, খারিজীরা হলো জাহান্নামের কুকুর। [১৭১]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا إسحاق الأزرق، عن الأعمش، عن ابن أبي أوفى، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ الخوارج كلاب النار ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৭৪

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا يحيى بن حمزة، حدثنا الأوزاعي، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏"‏ ينشأ نشء يقرءون القرآن لا يجاوز تراقيهم كلما خرج قرن قطع ‏"‏ ‏.‏ قال ابن عمر سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏"‏ كلما خرج قرن قطع ‏"‏ ‏.‏ أكثر من عشرين مرة ‏"‏ حتى يخرج في عراضهم الدجال ‏"‏ ‏.‏

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, একটি দল আবির্ভূত হবে, যারা কুরআন পড়বে, কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। যখনই তারা আবির্ভূত হবে, তখনই তাদের হত্যা করা হবে। ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যখনই এক দল আবির্ভূত হবে তখনই তাদের ধ্বংস করা হবে। এভাবে বিশের অধিক বার তা ঘটবে, অতঃপর তাদের মধ্য থেকে দাজ্জাল আবির্ভূত হবে। [১৭২]

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, একটি দল আবির্ভূত হবে, যারা কুরআন পড়বে, কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। যখনই তারা আবির্ভূত হবে, তখনই তাদের হত্যা করা হবে। ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যখনই এক দল আবির্ভূত হবে তখনই তাদের ধ্বংস করা হবে। এভাবে বিশের অধিক বার তা ঘটবে, অতঃপর তাদের মধ্য থেকে দাজ্জাল আবির্ভূত হবে। [১৭২]

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا يحيى بن حمزة، حدثنا الأوزاعي، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏"‏ ينشأ نشء يقرءون القرآن لا يجاوز تراقيهم كلما خرج قرن قطع ‏"‏ ‏.‏ قال ابن عمر سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏"‏ كلما خرج قرن قطع ‏"‏ ‏.‏ أكثر من عشرين مرة ‏"‏ حتى يخرج في عراضهم الدجال ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৭৫

حدثنا بكر بن خلف أبو بشر، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن قتادة، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ يخرج قوم في آخر الزمان - أو في هذه الأمة - يقرءون القرآن لا يجاوز تراقيهم - أو حلقومهم سيماهم التحليق إذا رأيتموهم - أو إذا لقيتموهم - فاقتلوهم ‏"‏ ‏.‏

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, শেষ যমানায় এ উম্মাতের মধ্যে একটি সম্প্রদায় আবির্ভূত হবে, যারা কুরআন পড়বে কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালীর নিচে যাবে না। তাদের চিহ্ন হবে মুণ্ডিত মাথা। তোমরা তাদের দেখতে পেলেই কিংবা তাদের সাক্ষাৎ পেলেই তাদের হত্যা করবে। [১৭৩]

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, শেষ যমানায় এ উম্মাতের মধ্যে একটি সম্প্রদায় আবির্ভূত হবে, যারা কুরআন পড়বে কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালীর নিচে যাবে না। তাদের চিহ্ন হবে মুণ্ডিত মাথা। তোমরা তাদের দেখতে পেলেই কিংবা তাদের সাক্ষাৎ পেলেই তাদের হত্যা করবে। [১৭৩]

حدثنا بكر بن خلف أبو بشر، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن قتادة، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ يخرج قوم في آخر الزمان - أو في هذه الأمة - يقرءون القرآن لا يجاوز تراقيهم - أو حلقومهم سيماهم التحليق إذا رأيتموهم - أو إذا لقيتموهم - فاقتلوهم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৭৬

حدثنا سهل بن أبي سهل، حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي غالب، عن أبي أمامة، يقول شر قتلى قتلوا تحت أديم السماء وخير قتلى من قتلوا كلاب أهل النار قد كان هؤلاء مسلمين فصاروا كفارا ‏.‏ قلت يا أبا أمامة هذا شىء تقوله قال بل سمعته من رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.

আবু উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আসমা’নের নিচে সর্বাধিক নিকৃষ্ট নিহত ব্যক্তি তারা, যারা জাহান্নামের কুকুর (খারিজীরা) এবং সর্বোত্তম নিহত তারা যারা তাদের হত্যা করতে গিয়ে নিহত হয়েছে। এরা (খারিজীরা) ছিল মুসলিম, পরে কাফির হয়ে যায়। (আবু গালিব বলেন) আমি বললাম, হে আবু উমামাহ! এটা কি আপনার মন্তব্য? তিনি বলেন, বরং আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে তা বলতে শুনেছি। [১৭৪]

আবু উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আসমা’নের নিচে সর্বাধিক নিকৃষ্ট নিহত ব্যক্তি তারা, যারা জাহান্নামের কুকুর (খারিজীরা) এবং সর্বোত্তম নিহত তারা যারা তাদের হত্যা করতে গিয়ে নিহত হয়েছে। এরা (খারিজীরা) ছিল মুসলিম, পরে কাফির হয়ে যায়। (আবু গালিব বলেন) আমি বললাম, হে আবু উমামাহ! এটা কি আপনার মন্তব্য? তিনি বলেন, বরং আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে তা বলতে শুনেছি। [১৭৪]

حدثنا سهل بن أبي سهل، حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي غالب، عن أبي أمامة، يقول شر قتلى قتلوا تحت أديم السماء وخير قتلى من قتلوا كلاب أهل النار قد كان هؤلاء مسلمين فصاروا كفارا ‏.‏ قلت يا أبا أمامة هذا شىء تقوله قال بل سمعته من رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.


সুনানে ইবনে মাজাহ > জাহমিয়াহ্ সম্প্রদায় যা অমান্য করে

সুনানে ইবনে মাজাহ ১৭৭

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي ووكيع، ح وحدثنا علي بن محمد، حدثنا خالي، يعلى ووكيع وأبو معاوية قالوا حدثنا إسماعيل بن أبي خالد، عن قيس بن أبي حازم، عن جرير بن عبد الله، قال كنا جلوسا عند رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فنظر إلى القمر ليلة البدر فقال ‏"‏ إنكم سترون ربكم كما ترون هذا القمر لا تضامون في رؤيته فإن استطعتم أن لا تغلبوا على صلاة قبل طلوع الشمس وقبل غروبها فافعلوا ‏"‏ ‏.‏ ثم قرأ ‏{وسبح بحمد ربك قبل طلوع الشمس وقبل الغروب}‏ ‏.‏

জারীর বিন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট বসা ছিলাম। তিনি পূর্ণিমার রাতে চাঁদের দিকে তাকিয়ে বলেন, অচিরেই তোমরা তোমাদের প্রভুকে দেখতে পাবে, যেমন তোমরা এই চাঁদ দেখতে পাচ্ছো। তাঁকে দেখতে তোমাদের কোন অসুবিধা হবে না। ফাজ্‌র ও আসরের সলাতে তোমরা পরাভূত না হয়ে সামর্থ্যবান হলে তাই করো (সলাত কাযা করো না)। অতঃপর তিনি এ আয়াত তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ): “এবং তোমার প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করো সূর্যোদয়ের পূর্বে ও সূর্যাস্তের পূর্বে”-(সূরাহ কাফ ৫০ : ৩৯)। [১৭৫]

জারীর বিন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট বসা ছিলাম। তিনি পূর্ণিমার রাতে চাঁদের দিকে তাকিয়ে বলেন, অচিরেই তোমরা তোমাদের প্রভুকে দেখতে পাবে, যেমন তোমরা এই চাঁদ দেখতে পাচ্ছো। তাঁকে দেখতে তোমাদের কোন অসুবিধা হবে না। ফাজ্‌র ও আসরের সলাতে তোমরা পরাভূত না হয়ে সামর্থ্যবান হলে তাই করো (সলাত কাযা করো না)। অতঃপর তিনি এ আয়াত তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ): “এবং তোমার প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করো সূর্যোদয়ের পূর্বে ও সূর্যাস্তের পূর্বে”-(সূরাহ কাফ ৫০ : ৩৯)। [১৭৫]

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أبي ووكيع، ح وحدثنا علي بن محمد، حدثنا خالي، يعلى ووكيع وأبو معاوية قالوا حدثنا إسماعيل بن أبي خالد، عن قيس بن أبي حازم، عن جرير بن عبد الله، قال كنا جلوسا عند رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فنظر إلى القمر ليلة البدر فقال ‏"‏ إنكم سترون ربكم كما ترون هذا القمر لا تضامون في رؤيته فإن استطعتم أن لا تغلبوا على صلاة قبل طلوع الشمس وقبل غروبها فافعلوا ‏"‏ ‏.‏ ثم قرأ ‏{وسبح بحمد ربك قبل طلوع الشمس وقبل الغروب}‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৭৮

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا يحيى بن عيسى الرملي، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ تضامون في رؤية القمر ليلة البدر ‏"‏ ‏.‏ قالوا لا ‏.‏ قال ‏"‏ فكذلك لا تضامون في رؤية ربكم يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, পূর্ণিমার রাতের চাঁদ দেখতে তোমাদের কি কোন অসুবিধা হয়? তারা বলেন, না। তিনি বলেন, তদ্রূপ কিয়ামাতের দিন তোমাদের প্রভুর দর্শন লাভে তোমাদের কোন অসুবিধা হবে না। [১৭৬]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, পূর্ণিমার রাতের চাঁদ দেখতে তোমাদের কি কোন অসুবিধা হয়? তারা বলেন, না। তিনি বলেন, তদ্রূপ কিয়ামাতের দিন তোমাদের প্রভুর দর্শন লাভে তোমাদের কোন অসুবিধা হবে না। [১৭৬]

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا يحيى بن عيسى الرملي، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ تضامون في رؤية القمر ليلة البدر ‏"‏ ‏.‏ قالوا لا ‏.‏ قال ‏"‏ فكذلك لا تضامون في رؤية ربكم يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৭৯

حدثنا محمد بن العلاء الهمداني، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن الأعمش، عن أبي صالح السمان، عن أبي سعيد، قال قلنا يا رسول الله أنرى ربنا قال ‏"‏ تضامون في رؤية الشمس في الظهيرة في غير سحاب ‏"‏ ‏.‏ قلنا لا ‏.‏ قال ‏"‏ فتضارون في رؤية القمر ليلة البدر في غير سحاب ‏"‏ ‏.‏ قالوا لا ‏.‏ قال ‏"‏ إنكم لا تضارون في رؤيته إلا كما تضارون في رؤيتهما ‏"‏ ‏.‏

আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমারা কি আমাদের রবকে দেখতে পাবো? তিনি বলেন, তোমরা কি ঠিক দুপুরে মেঘমুক্ত আকাশে সূর্য দেখতে বাধাগ্রস্ত হও? আমরা বললাম, না। তিনি আবার বললেন, পূর্ণিমার রাতে মেঘমুক্ত আকাশে তোমাদের চাঁদ দেখতে কি অসুবিধা হয়? তারা বলেন, না। তিনি বলেন, ঐ দু’টি দেখতে তোমাদের যেমন কষ্ট হয় না, তদ্রূপ তাঁর দর্শন লাভেও তোমাদের কোন কষ্ট হবে না। [১৭৭]

আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমারা কি আমাদের রবকে দেখতে পাবো? তিনি বলেন, তোমরা কি ঠিক দুপুরে মেঘমুক্ত আকাশে সূর্য দেখতে বাধাগ্রস্ত হও? আমরা বললাম, না। তিনি আবার বললেন, পূর্ণিমার রাতে মেঘমুক্ত আকাশে তোমাদের চাঁদ দেখতে কি অসুবিধা হয়? তারা বলেন, না। তিনি বলেন, ঐ দু’টি দেখতে তোমাদের যেমন কষ্ট হয় না, তদ্রূপ তাঁর দর্শন লাভেও তোমাদের কোন কষ্ট হবে না। [১৭৭]

حدثنا محمد بن العلاء الهمداني، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن الأعمش، عن أبي صالح السمان، عن أبي سعيد، قال قلنا يا رسول الله أنرى ربنا قال ‏"‏ تضامون في رؤية الشمس في الظهيرة في غير سحاب ‏"‏ ‏.‏ قلنا لا ‏.‏ قال ‏"‏ فتضارون في رؤية القمر ليلة البدر في غير سحاب ‏"‏ ‏.‏ قالوا لا ‏.‏ قال ‏"‏ إنكم لا تضارون في رؤيته إلا كما تضارون في رؤيتهما ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮০

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا حماد بن سلمة، عن يعلى بن عطاء، عن وكيع بن حدس، عن عمه أبي رزين، قال قلت يا رسول الله أكلنا يرى الله يوم القيامة وما آية ذلك في خلقه قال ‏"‏ يا أبا رزين أليس كلكم يرى القمر مخليا به ‏"‏ ‏.‏ قال قلت بلى ‏.‏ قال ‏"‏ فالله أعظم وذلك آيته في خلقه ‏"‏ ‏.‏

আবু রযীন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা কি কিয়ামাতের দিন আল্লাহ্‌কে দেখতে পাবো এবং তাঁর সৃষ্টির মাঝে এর নিদর্শন কী? তিনি বললেন, হে আবু রযীন! তোমাদের প্রত্যেকে কি চাঁদকে পৃথকভাবে দেখতে পায় না? তিনি বলেন, আমি বললাম, হাঁ। তিনি বলেন, আল্লাহ্‌ অতীব মহান এবং এটাই হলো তাঁর সৃষ্টির মাঝে (তাঁর) নিদর্শন। [১৭৮]

আবু রযীন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা কি কিয়ামাতের দিন আল্লাহ্‌কে দেখতে পাবো এবং তাঁর সৃষ্টির মাঝে এর নিদর্শন কী? তিনি বললেন, হে আবু রযীন! তোমাদের প্রত্যেকে কি চাঁদকে পৃথকভাবে দেখতে পায় না? তিনি বলেন, আমি বললাম, হাঁ। তিনি বলেন, আল্লাহ্‌ অতীব মহান এবং এটাই হলো তাঁর সৃষ্টির মাঝে (তাঁর) নিদর্শন। [১৭৮]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا حماد بن سلمة، عن يعلى بن عطاء، عن وكيع بن حدس، عن عمه أبي رزين، قال قلت يا رسول الله أكلنا يرى الله يوم القيامة وما آية ذلك في خلقه قال ‏"‏ يا أبا رزين أليس كلكم يرى القمر مخليا به ‏"‏ ‏.‏ قال قلت بلى ‏.‏ قال ‏"‏ فالله أعظم وذلك آيته في خلقه ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮১

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا حماد بن سلمة، عن يعلى بن عطاء، عن وكيع بن حدس، عن عمه أبي رزين، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ ضحك ربنا من قنوط عباده وقرب غيره ‏"‏ ‏.‏ قال قلت يا رسول الله أو يضحك الرب قال ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قلت لن نعدم من رب يضحك خيرا ‏.‏

আবু রযীন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন আল্লাহ্‌র বান্দারা (সামান্য বিপদেই) হতাশ হয় এবং (বিপদ কেটে উঠার জন্য) আল্লাহ্‌ ভিন্ন অপরের নৈকট্য অন্বেষী হয়, তখন আমাদের প্রভু তার এ আচরণে হাসেন। রাবী বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! মহান প্রভু কি হাসেন? তিনি বলেন, হাঁ। আমি বললাম, আমরা কখনো পুণ্যের কাজ ত্যাগ করবো না, যাতে আমাদের প্রভু হাসেন। [১৭৯]

আবু রযীন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন আল্লাহ্‌র বান্দারা (সামান্য বিপদেই) হতাশ হয় এবং (বিপদ কেটে উঠার জন্য) আল্লাহ্‌ ভিন্ন অপরের নৈকট্য অন্বেষী হয়, তখন আমাদের প্রভু তার এ আচরণে হাসেন। রাবী বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! মহান প্রভু কি হাসেন? তিনি বলেন, হাঁ। আমি বললাম, আমরা কখনো পুণ্যের কাজ ত্যাগ করবো না, যাতে আমাদের প্রভু হাসেন। [১৭৯]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا حماد بن سلمة، عن يعلى بن عطاء، عن وكيع بن حدس، عن عمه أبي رزين، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ ضحك ربنا من قنوط عباده وقرب غيره ‏"‏ ‏.‏ قال قلت يا رسول الله أو يضحك الرب قال ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قلت لن نعدم من رب يضحك خيرا ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن الصباح، قالا حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا حماد بن سلمة، عن يعلى بن عطاء، عن وكيع بن حدس، عن عمه أبي رزين، قال قلت يا رسول الله أين كان ربنا قبل أن يخلق خلقه قال ‏ "‏ كان في عماء ما تحته هواء وما فوقه هواء ثم خلق العرش على الماء ‏"‏ ‏.‏

আবু রাযীন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাদের প্রতিপালক তাঁর সৃষ্টিকুলকে সৃষ্টি করার পূর্বে কোথায় ছিলেন? তিনি বলেন, মেঘমালার মধ্যে, যার নিচেও বায়ু ছিল না এবং উপরেও বায়ু পানি ছিল না। অতঃপর পানির উপর তিনি তাঁর আরশ সৃষ্টি করেন। [১৮০]

আবু রাযীন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমাদের প্রতিপালক তাঁর সৃষ্টিকুলকে সৃষ্টি করার পূর্বে কোথায় ছিলেন? তিনি বলেন, মেঘমালার মধ্যে, যার নিচেও বায়ু ছিল না এবং উপরেও বায়ু পানি ছিল না। অতঃপর পানির উপর তিনি তাঁর আরশ সৃষ্টি করেন। [১৮০]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، ومحمد بن الصباح، قالا حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا حماد بن سلمة، عن يعلى بن عطاء، عن وكيع بن حدس، عن عمه أبي رزين، قال قلت يا رسول الله أين كان ربنا قبل أن يخلق خلقه قال ‏ "‏ كان في عماء ما تحته هواء وما فوقه هواء ثم خلق العرش على الماء ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮৩

حدثنا حميد بن مسعدة، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن صفوان بن محرز المازني، قال بينما نحن مع عبد الله بن عمر وهو يطوف بالبيت إذ عرض له رجل فقال يا ابن عمر كيف سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يذكر في النجوى قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏"‏ يدنى المؤمن من ربه يوم القيامة حتى يضع عليه كنفه ثم يقرره بذنوبه فيقول هل تعرف فيقول يا رب أعرف ‏.‏ حتى إذا بلغ منه ما شاء الله أن يبلغ قال إني سترتها عليك في الدنيا وأنا أغفرها لك اليوم ‏.‏ قال ثم يعطى صحيفة حسناته أو كتابه بيمينه ‏.‏ قال وأما الكافر أو المنافق فينادى على رءوس الأشهاد ‏"‏ ‏.‏ قال خالد في ‏"‏ الأشهاد ‏"‏ ‏.‏ شىء من انقطاع ‏.‏ ‏{هؤلاء الذين كذبوا على ربهم ألا لعنة الله على الظالمين}‏ ‏.‏

সফওয়ান বিন মুহ্রিয আল-মাযিনী থেকে বর্নিতঃ

একদা আমরা আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম। তিনি বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করছিলেন। তখন এক ব্যক্তি তার কাছে এসে বলেন, হে ইবনু উমার! আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একান্তে কথা বলা সম্পর্কে কিভাবে বলতে শুনেছেন? তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : কিয়ামাতের দিন ঈমানদার ব্যক্তিকে তার প্রতিপালক প্রভুর খুব নিকটবর্তী করা হবে, এমনকি তিনি তার থেকে পর্দা সরিয়ে নিবেন, অতঃপর তার থেকে তার গুণাহসমূহের স্বীকারোক্তি আদায় করবেন। তিনি বলবেন : তুমি কি চিনতে পেরেছ? সে বলবে, হে প্রভু! হ্যাঁ, আমি চিনতে পেরেছি, এমনকি আল্লাহ্‌র মর্জিমাফিক সে স্বীকার করতে থাকবে। তিনি বলবেন, আমি তোমার এ গুণাহসমূহ দুনিয়াতে লুকিয়ে রেখেছি এবং আজ তোমার সেই গুণাহ ক্ষমা করে দিলাম। অতঃপর তার ডানহাতে তার সৎকাজের হিসাব সম্বলিত একটি পুস্তিকা প্রদান করা হবে। অপরদিকে কাফের ও মুনাফিকদের উপস্থিত সকলের সামনে ডাক দিয়ে বলা হবে, “এরাই তাদের প্রতিপালক প্রভুর প্রতি মিথ্যারোপ করেছে। সাবধান! জালিমদের প্রতি আল্লাহ্‌র অভিসম্পাত” – (সূরাহ হূদ ১১:১৮)। [১৮১]

সফওয়ান বিন মুহ্রিয আল-মাযিনী থেকে বর্নিতঃ

একদা আমরা আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম। তিনি বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করছিলেন। তখন এক ব্যক্তি তার কাছে এসে বলেন, হে ইবনু উমার! আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একান্তে কথা বলা সম্পর্কে কিভাবে বলতে শুনেছেন? তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : কিয়ামাতের দিন ঈমানদার ব্যক্তিকে তার প্রতিপালক প্রভুর খুব নিকটবর্তী করা হবে, এমনকি তিনি তার থেকে পর্দা সরিয়ে নিবেন, অতঃপর তার থেকে তার গুণাহসমূহের স্বীকারোক্তি আদায় করবেন। তিনি বলবেন : তুমি কি চিনতে পেরেছ? সে বলবে, হে প্রভু! হ্যাঁ, আমি চিনতে পেরেছি, এমনকি আল্লাহ্‌র মর্জিমাফিক সে স্বীকার করতে থাকবে। তিনি বলবেন, আমি তোমার এ গুণাহসমূহ দুনিয়াতে লুকিয়ে রেখেছি এবং আজ তোমার সেই গুণাহ ক্ষমা করে দিলাম। অতঃপর তার ডানহাতে তার সৎকাজের হিসাব সম্বলিত একটি পুস্তিকা প্রদান করা হবে। অপরদিকে কাফের ও মুনাফিকদের উপস্থিত সকলের সামনে ডাক দিয়ে বলা হবে, “এরাই তাদের প্রতিপালক প্রভুর প্রতি মিথ্যারোপ করেছে। সাবধান! জালিমদের প্রতি আল্লাহ্‌র অভিসম্পাত” – (সূরাহ হূদ ১১:১৮)। [১৮১]

حدثنا حميد بن مسعدة، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن صفوان بن محرز المازني، قال بينما نحن مع عبد الله بن عمر وهو يطوف بالبيت إذ عرض له رجل فقال يا ابن عمر كيف سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يذكر في النجوى قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏"‏ يدنى المؤمن من ربه يوم القيامة حتى يضع عليه كنفه ثم يقرره بذنوبه فيقول هل تعرف فيقول يا رب أعرف ‏.‏ حتى إذا بلغ منه ما شاء الله أن يبلغ قال إني سترتها عليك في الدنيا وأنا أغفرها لك اليوم ‏.‏ قال ثم يعطى صحيفة حسناته أو كتابه بيمينه ‏.‏ قال وأما الكافر أو المنافق فينادى على رءوس الأشهاد ‏"‏ ‏.‏ قال خالد في ‏"‏ الأشهاد ‏"‏ ‏.‏ شىء من انقطاع ‏.‏ ‏{هؤلاء الذين كذبوا على ربهم ألا لعنة الله على الظالمين}‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮৪

حدثنا محمد بن عبد الملك بن أبي الشوارب، حدثنا أبو عاصم العباداني، حدثنا الفضل الرقاشي، عن محمد بن المنكدر، عن جابر بن عبد الله، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ بينا أهل الجنة في نعيمهم إذ سطع لهم نور فرفعوا رءوسهم فإذا الرب قد أشرف عليهم من فوقهم فقال السلام عليكم يا أهل الجنة ‏.‏ قال وذلك قول الله ‏{سلام قولا من رب رحيم}‏ قال فينظر إليهم وينظرون إليه فلا يلتفتون إلى شىء من النعيم ما داموا ينظرون إليه حتى يحتجب عنهم ويبقى نوره وبركته عليهم في ديارهم ‏"‏ ‏.‏

জাবির বিন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, জান্নাতবাসীরা তাদের ভোগ-বিলাসে মশগুল থাকবে, এমতাবস্থায় তাদের সামনে একটি নূরের আলোকচ্ছটা বিচ্ছুরিত হবে। তারা তাদের মাথা তুলে দেখতে পাবে যে, তাদের মহান প্রভু তাদের উপর দিক থেকে উদ্ভাসিত হয়েছেন। তিনি বলবেন, হে জান্নাতবাসীগণ! আস্‌সালাম আলাইকুম (তোমাদের উপর অনন্ত শান্তি বর্যিত হোক)। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এটাই হলো আল্লাহ্‌র বাণীর প্রমাণ (অনুবাদ) : "সালাম (অনন্ত শান্তি) পরম দয়ালু প্রভুর পক্ষ থেকে সম্ভাষণ"-(সূরাহ ইয়াসিন ৩৬ : ৫৮)। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ্‌ তাআলা তাদের প্রতি তাকাবেন এবং তারাও তাঁর প্রতি অপলক নেত্রে তাকাবে। জান্নাতীরা যতক্ষণ আল্লাহ্‌র দীদারে মশগুল থাকবে ততক্ষণ তারা অন্য কোন ভোগ-বিলাসের প্রতি ফিরেও তাকাবে না। অবশেষে তিনি তার দৃষ্টি থেকে অন্তর্হিত হবেন এবং তাঁর নূর ও বারাকাত তাদের জন্য তাদের আবাসে অবারিত থাকবে। [১৮২]

জাবির বিন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, জান্নাতবাসীরা তাদের ভোগ-বিলাসে মশগুল থাকবে, এমতাবস্থায় তাদের সামনে একটি নূরের আলোকচ্ছটা বিচ্ছুরিত হবে। তারা তাদের মাথা তুলে দেখতে পাবে যে, তাদের মহান প্রভু তাদের উপর দিক থেকে উদ্ভাসিত হয়েছেন। তিনি বলবেন, হে জান্নাতবাসীগণ! আস্‌সালাম আলাইকুম (তোমাদের উপর অনন্ত শান্তি বর্যিত হোক)। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এটাই হলো আল্লাহ্‌র বাণীর প্রমাণ (অনুবাদ) : "সালাম (অনন্ত শান্তি) পরম দয়ালু প্রভুর পক্ষ থেকে সম্ভাষণ"-(সূরাহ ইয়াসিন ৩৬ : ৫৮)। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ্‌ তাআলা তাদের প্রতি তাকাবেন এবং তারাও তাঁর প্রতি অপলক নেত্রে তাকাবে। জান্নাতীরা যতক্ষণ আল্লাহ্‌র দীদারে মশগুল থাকবে ততক্ষণ তারা অন্য কোন ভোগ-বিলাসের প্রতি ফিরেও তাকাবে না। অবশেষে তিনি তার দৃষ্টি থেকে অন্তর্হিত হবেন এবং তাঁর নূর ও বারাকাত তাদের জন্য তাদের আবাসে অবারিত থাকবে। [১৮২]

حدثنا محمد بن عبد الملك بن أبي الشوارب، حدثنا أبو عاصم العباداني، حدثنا الفضل الرقاشي، عن محمد بن المنكدر، عن جابر بن عبد الله، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ بينا أهل الجنة في نعيمهم إذ سطع لهم نور فرفعوا رءوسهم فإذا الرب قد أشرف عليهم من فوقهم فقال السلام عليكم يا أهل الجنة ‏.‏ قال وذلك قول الله ‏{سلام قولا من رب رحيم}‏ قال فينظر إليهم وينظرون إليه فلا يلتفتون إلى شىء من النعيم ما داموا ينظرون إليه حتى يحتجب عنهم ويبقى نوره وبركته عليهم في ديارهم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮৫

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن الأعمش، عن خيثمة، عن عدي بن حاتم، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ ما منكم من أحد إلا سيكلمه ربه ليس بينه وبينه ترجمان فينظر عن أيمن منه فلا يرى إلا شيئا قدمه ثم ينظر عن أيسر منه فلا يرى إلا شيئا قدمه ثم ينظر أمامه فتستقبله النار فمن استطاع منكم أن يتقي النار ولو بشق تمرة فليفعل ‏"‏ ‏.‏

আদী বিন হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের প্রত্যেকের সাথেই তার মহান প্রভু কথা বলবেন এবং তার ও প্রভুর মধ্যখানে কোন দোভাষী থাকবে না। সে তার ডান দিকে তাকালে তার কৃতকর্ম ব্যতীত কিছুই দেখবে না। সে তার বাম দিকে তাকালে তার কৃতকর্ম ব্যতীত কিছুই দেখবে না। সে তার সামনের দিকে তাকালে জাহান্নাম তাকে অভ্যর্থনা জানাবে। অতএব কারো জাহান্নামের আগুন থেকে আত্নরক্ষা করার সামর্থ্য থাকলে সে যেন এক টুকরা খেজুর দান করে হলেও তাই করে। [১৮৩]

আদী বিন হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের প্রত্যেকের সাথেই তার মহান প্রভু কথা বলবেন এবং তার ও প্রভুর মধ্যখানে কোন দোভাষী থাকবে না। সে তার ডান দিকে তাকালে তার কৃতকর্ম ব্যতীত কিছুই দেখবে না। সে তার বাম দিকে তাকালে তার কৃতকর্ম ব্যতীত কিছুই দেখবে না। সে তার সামনের দিকে তাকালে জাহান্নাম তাকে অভ্যর্থনা জানাবে। অতএব কারো জাহান্নামের আগুন থেকে আত্নরক্ষা করার সামর্থ্য থাকলে সে যেন এক টুকরা খেজুর দান করে হলেও তাই করে। [১৮৩]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن الأعمش، عن خيثمة، عن عدي بن حاتم، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ ما منكم من أحد إلا سيكلمه ربه ليس بينه وبينه ترجمان فينظر عن أيمن منه فلا يرى إلا شيئا قدمه ثم ينظر عن أيسر منه فلا يرى إلا شيئا قدمه ثم ينظر أمامه فتستقبله النار فمن استطاع منكم أن يتقي النار ولو بشق تمرة فليفعل ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮৬

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو عبد الصمد عبد العزيز بن عبد الصمد، حدثنا أبو عمران الجوني، عن أبي بكر بن عبد الله بن قيس الأشعري، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ جنتان من فضة آنيتهما وما فيهما وجنتان من ذهب آنيتهما وما فيهما وما بين القوم وبين أن ينظروا إلى ربهم تبارك وتعالى إلا رداء الكبرياء على وجهه في جنة عدن ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ্ বিন কায়স আল-আশআরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, দু'টি জান্নাত এবং তার পাত্রসমূহ ও অন্যান্য সব কিছুই হবে রূপার তৈরি। আরও দু'টি জান্নাত এবং তার পাত্রসমূহ ও অন্যান্য সব কিছুই হবে সোনার তৈরি। আদন নামক জান্নাতে জান্নাতীগণ ও তাদের বারাকাতময় মহান প্রভুর দীদার লাভের মাঝখানে তাঁর চেহারার উপর তাঁর গৌরবের চাদর ব্যতীত আর কোন প্রতিবন্ধক থাকবে না। [১৮৪]

আবদুল্লাহ্ বিন কায়স আল-আশআরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, দু'টি জান্নাত এবং তার পাত্রসমূহ ও অন্যান্য সব কিছুই হবে রূপার তৈরি। আরও দু'টি জান্নাত এবং তার পাত্রসমূহ ও অন্যান্য সব কিছুই হবে সোনার তৈরি। আদন নামক জান্নাতে জান্নাতীগণ ও তাদের বারাকাতময় মহান প্রভুর দীদার লাভের মাঝখানে তাঁর চেহারার উপর তাঁর গৌরবের চাদর ব্যতীত আর কোন প্রতিবন্ধক থাকবে না। [১৮৪]

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو عبد الصمد عبد العزيز بن عبد الصمد، حدثنا أبو عمران الجوني، عن أبي بكر بن عبد الله بن قيس الأشعري، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ جنتان من فضة آنيتهما وما فيهما وجنتان من ذهب آنيتهما وما فيهما وما بين القوم وبين أن ينظروا إلى ربهم تبارك وتعالى إلا رداء الكبرياء على وجهه في جنة عدن ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮৭

حدثنا عبد القدوس بن محمد، حدثنا حجاج، حدثنا حماد، عن ثابت البناني، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن صهيب، قال تلا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ هذه الآية ‏{للذين أحسنوا الحسنى وزيادة}‏ وقال ‏"‏ إذا دخل أهل الجنة الجنة وأهل النار النار نادى مناد يا أهل الجنة إن لكم عند الله موعدا يريد أن ينجزكموه ‏.‏ فيقولون وما هو ألم يثقل الله موازيننا ويبيض وجوهنا ويدخلنا الجنة وينجنا من النار قال فيكشف الحجاب فينظرون إليه فوالله ما أعطاهم الله شيئا أحب إليهم من النظر إليه ولا أقر لأعينهم ‏"‏ ‏.‏

সুহায়ব (বিন সিনান) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াত তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ) : "যারা কল্যাণকর কাজ করে, তাদের জন্য রয়েছে কল্যাণ ও আরো অধিক" - (সূরাহ য়ূনুস ১০ : ২৬)। অতঃপর তিনি বলেন, জান্নাতীরা জান্নাতে এবং জাহান্নামীরা জাহান্নামে প্রবেশ করার পর এক ঘোষণাকারী ডেকে বলবে : জান্নাতবাসীগণ! নিশ্চয় তোমাদের জন্য আল্লাহ্‌ তাআলার একটি প্রতিশ্রুতি রয়েছে যা তিনি এখন পূর্ণ করবেন। তারা বলবে, তা কী? আল্লাহ্‌ তাআলা কি আমাদের (সৎ কর্মের) পাল্লা ভারী করেননি, আমাদের চেহারাগুলো আলোকিত করেননি, আমাদেরকে জান্নাতে দাখিল করেননি এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেননি? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তখন আল্লাহ্‌ তাআলা আবরণ উন্মুক্ত করবেন এবং তারা তাঁর দিকে তাকাবে। আল্লাহ্‌র শপথ! আল্লাহ্‌ তাদেরকে তাঁর দীদারের চাইতে অধিক প্রিয় ও অধিক নয়নপ্রীতিকর আর কিছু দান করেননি। [১৮৫]

সুহায়ব (বিন সিনান) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াত তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ) : "যারা কল্যাণকর কাজ করে, তাদের জন্য রয়েছে কল্যাণ ও আরো অধিক" - (সূরাহ য়ূনুস ১০ : ২৬)। অতঃপর তিনি বলেন, জান্নাতীরা জান্নাতে এবং জাহান্নামীরা জাহান্নামে প্রবেশ করার পর এক ঘোষণাকারী ডেকে বলবে : জান্নাতবাসীগণ! নিশ্চয় তোমাদের জন্য আল্লাহ্‌ তাআলার একটি প্রতিশ্রুতি রয়েছে যা তিনি এখন পূর্ণ করবেন। তারা বলবে, তা কী? আল্লাহ্‌ তাআলা কি আমাদের (সৎ কর্মের) পাল্লা ভারী করেননি, আমাদের চেহারাগুলো আলোকিত করেননি, আমাদেরকে জান্নাতে দাখিল করেননি এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেননি? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তখন আল্লাহ্‌ তাআলা আবরণ উন্মুক্ত করবেন এবং তারা তাঁর দিকে তাকাবে। আল্লাহ্‌র শপথ! আল্লাহ্‌ তাদেরকে তাঁর দীদারের চাইতে অধিক প্রিয় ও অধিক নয়নপ্রীতিকর আর কিছু দান করেননি। [১৮৫]

حدثنا عبد القدوس بن محمد، حدثنا حجاج، حدثنا حماد، عن ثابت البناني، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن صهيب، قال تلا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ هذه الآية ‏{للذين أحسنوا الحسنى وزيادة}‏ وقال ‏"‏ إذا دخل أهل الجنة الجنة وأهل النار النار نادى مناد يا أهل الجنة إن لكم عند الله موعدا يريد أن ينجزكموه ‏.‏ فيقولون وما هو ألم يثقل الله موازيننا ويبيض وجوهنا ويدخلنا الجنة وينجنا من النار قال فيكشف الحجاب فينظرون إليه فوالله ما أعطاهم الله شيئا أحب إليهم من النظر إليه ولا أقر لأعينهم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮৮

حدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن تميم بن سلمة، عن عروة بن الزبير، عن عائشة، قالت الحمد لله الذي وسع سمعه الأصوات، لقد جاءت المجادلة إلى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ وأنا في ناحية البيت تشكو زوجها وما أسمع ما تقول فأنزل الله ‏{قد سمع الله قول التي تجادلك في زوجها}‏ ‏.

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য যিনি সব রকমের ডাক শুনেন। এক মহিলা তার অভিযোগ নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসে। তখন আমি ঘরের এক কোণে অবস্থানরত ছিলাম। সে তার স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে, কিন্তু আমি তার বক্তব্য শুনতে পাইনি। তখন আল্লাহ্‌ তাআলা এ আয়াত নাযিল করেন (অনুবাদ) : "আল্লাহ্‌ অবশ্যই সেই নারীর কথা শুনেছেন, যে তার স্বামীর বিষয়ে আপনার সাথে বাদানুবাদ করছে ... " -(সূরাহ মুজাদালা ৫৮ : ১)। [১৮৬]

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য যিনি সব রকমের ডাক শুনেন। এক মহিলা তার অভিযোগ নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসে। তখন আমি ঘরের এক কোণে অবস্থানরত ছিলাম। সে তার স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে, কিন্তু আমি তার বক্তব্য শুনতে পাইনি। তখন আল্লাহ্‌ তাআলা এ আয়াত নাযিল করেন (অনুবাদ) : "আল্লাহ্‌ অবশ্যই সেই নারীর কথা শুনেছেন, যে তার স্বামীর বিষয়ে আপনার সাথে বাদানুবাদ করছে ... " -(সূরাহ মুজাদালা ৫৮ : ১)। [১৮৬]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن تميم بن سلمة، عن عروة بن الزبير، عن عائشة، قالت الحمد لله الذي وسع سمعه الأصوات، لقد جاءت المجادلة إلى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ وأنا في ناحية البيت تشكو زوجها وما أسمع ما تقول فأنزل الله ‏{قد سمع الله قول التي تجادلك في زوجها}‏ ‏.


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮৯

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا صفوان بن عيسى، عن ابن عجلان، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ كتب ربكم على نفسه بيده قبل أن يخلق الخلق رحمتي سبقت غضبي ‏"‏ ‏.‏

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের প্রতিপালক সৃষ্টিকুলকে সৃষ্টির পূর্বেই তাঁর হাতে তাঁর নিজের ব্যাপারে লিপিবদ্ধ করেন : আমার দয়া আমার ক্রোধের উপর অগ্রবর্তী হয়েছে। [১৮৭]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের প্রতিপালক সৃষ্টিকুলকে সৃষ্টির পূর্বেই তাঁর হাতে তাঁর নিজের ব্যাপারে লিপিবদ্ধ করেন : আমার দয়া আমার ক্রোধের উপর অগ্রবর্তী হয়েছে। [১৮৭]

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا صفوان بن عيسى، عن ابن عجلان، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ كتب ربكم على نفسه بيده قبل أن يخلق الخلق رحمتي سبقت غضبي ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮৯

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا صفوان بن عيسى، عن ابن عجلان، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ كتب ربكم على نفسه بيده قبل أن يخلق الخلق رحمتي سبقت غضبي ‏"‏ ‏.‏

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের প্রতিপালক সৃষ্টিকুলকে সৃষ্টির পূর্বেই তাঁর হাতে তাঁর নিজের ব্যাপারে লিপিবদ্ধ করেন : আমার দয়া আমার ক্রোধের উপর অগ্রবর্তী হয়েছে। [১৮৭]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের প্রতিপালক সৃষ্টিকুলকে সৃষ্টির পূর্বেই তাঁর হাতে তাঁর নিজের ব্যাপারে লিপিবদ্ধ করেন : আমার দয়া আমার ক্রোধের উপর অগ্রবর্তী হয়েছে। [১৮৭]

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا صفوان بن عيسى، عن ابن عجلان، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ كتب ربكم على نفسه بيده قبل أن يخلق الخلق رحمتي سبقت غضبي ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৮৯

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا صفوان بن عيسى، عن ابن عجلان، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ كتب ربكم على نفسه بيده قبل أن يخلق الخلق رحمتي سبقت غضبي ‏"‏ ‏.‏

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের প্রতিপালক সৃষ্টিকুলকে সৃষ্টির পূর্বেই তাঁর হাতে তাঁর নিজের ব্যাপারে লিপিবদ্ধ করেন : আমার দয়া আমার ক্রোধের উপর অগ্রবর্তী হয়েছে। [১৮৭]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের প্রতিপালক সৃষ্টিকুলকে সৃষ্টির পূর্বেই তাঁর হাতে তাঁর নিজের ব্যাপারে লিপিবদ্ধ করেন : আমার দয়া আমার ক্রোধের উপর অগ্রবর্তী হয়েছে। [১৮৭]

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا صفوان بن عيسى، عن ابن عجلان، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ كتب ربكم على نفسه بيده قبل أن يخلق الخلق رحمتي سبقت غضبي ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯০

حدثنا إبراهيم بن المنذر الحزامي، ويحيى بن حبيب بن عربي، قالا حدثنا موسى بن إبراهيم بن كثير الأنصاري الحرامي، قال سمعت طلحة بن خراش، قال سمعت جابر بن عبد الله، يقول لما قتل عبد الله بن عمرو بن حرام يوم أحد لقيني رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال ‏"‏ يا جابر ألا أخبرك ما قال الله لأبيك ‏"‏ ‏.‏ وقال يحيى في حديثه فقال ‏"‏ يا جابر مالي أراك منكسرا ‏"‏ ‏.‏ قال قلت يا رسول الله استشهد أبي وترك عيالا ودينا ‏.‏ قال ‏"‏ أفلا أبشرك بما لقي الله به أباك ‏"‏ ‏.‏ قال بلى يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ ما كلم الله أحدا قط إلا من وراء حجاب وكلم أباك كفاحا ‏.‏ فقال يا عبدي تمن على أعطك ‏.‏ قال يا رب تحييني فأقتل فيك ثانية ‏.‏ فقال الرب سبحانه إنه سبق مني أنهم إليها لا يرجعون ‏.‏ قال يا رب فأبلغ من ورائي ‏.‏ قال فأنزل الله تعالى ‏{ولا تحسبن الذين قتلوا في سبيل الله أمواتا بل أحياء عند ربهم يرزقون}‏ ‏"‏ ‏.‏

তালহাহহ্ বিন খিরাস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি জাবির বিন আবদুল্লাহ্ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি: উহূদের যুদ্ধের দিন আবদুল্লাহ্ বিন আম্‌র বিন হারাম (রাঃ) শহীদ হলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং বলেন, হে জাবির! আল্লাহ্‌ তাআলা তোমার পিতা সম্পর্কে যা বলেছেন, আমি কি তোমাকে তা অবহিত করবো না? ইয়াহইয়া (রহঃ)-এর বর্ণনায় আছে : রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, হে জাবির! আমার কী হলো, আমি তোমাকে ভগ্ন হৃদয় দেখছি কেন? জাবির (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার পিতা শহীদ হয়েছেন এবং তিনি অনেক সন্তান ও ঋণের বোঝা রেখে গেছেন। তিনি বলেন, আমি কি তোমাকে সুসংবাদ দিবো না যে, আল্লাহ্‌ তাআলা তোমার পিতার সাথে কিভাবে সাক্ষাৎ করেছেন? তিনি বলেন, অবশ্যই, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তিনি বলেন, আল্লাহ্‌ তাআলা কখনো অন্তরাল ছাড়া কারো সাথে কথা বলেননি, কিন্তু তোমার পিতার সাথে অন্তরাল ছাড়াই কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, কে আমার বান্দা! আমার কাছে কামনা করো, আমি তোমাকে দান করবো। তোমার পিতা বললো, হে প্রভু! আমাকে জীবন দান করুন, যাতে আমি আপনার রাস্তায় পুনরায় শহীদ হতে পারি। মহান ও পবিত্র প্রতিপালক আল্লাহ্‌ বলেন, আমি তো আগেই লিপিবদ্ধ করে দিয়েছি যে, লোকেরা (মৃত্যুর পর) (পৃথিবীতে) ফিরে যাবে না। তোমার পিতা বললো, হে প্রভু! তাহলে আমার পশ্চাতবর্তীদের কাছে (আমার সৌভাগ্যের) এ খবর পৌঁছে দিন। তিনি বলেন, তখন আল্লাহ্‌ তাআলা এ আয়াত নাযিল করেন (অনুবাদ): "যারা আল্লাহ্‌র পথে নিহত হয়েছে, তোমরা তাদের কখনো মৃত মনে করো না, বরং তারা জীবিত এবং তারা তাদের প্রভুর নিকট থেকে জীবিকাপ্রাপ্ত"-(সূরাহ আল ইমরান: ৩ :১৬৯)। [১৮৮]

তালহাহহ্ বিন খিরাস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি জাবির বিন আবদুল্লাহ্ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি: উহূদের যুদ্ধের দিন আবদুল্লাহ্ বিন আম্‌র বিন হারাম (রাঃ) শহীদ হলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং বলেন, হে জাবির! আল্লাহ্‌ তাআলা তোমার পিতা সম্পর্কে যা বলেছেন, আমি কি তোমাকে তা অবহিত করবো না? ইয়াহইয়া (রহঃ)-এর বর্ণনায় আছে : রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, হে জাবির! আমার কী হলো, আমি তোমাকে ভগ্ন হৃদয় দেখছি কেন? জাবির (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার পিতা শহীদ হয়েছেন এবং তিনি অনেক সন্তান ও ঋণের বোঝা রেখে গেছেন। তিনি বলেন, আমি কি তোমাকে সুসংবাদ দিবো না যে, আল্লাহ্‌ তাআলা তোমার পিতার সাথে কিভাবে সাক্ষাৎ করেছেন? তিনি বলেন, অবশ্যই, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তিনি বলেন, আল্লাহ্‌ তাআলা কখনো অন্তরাল ছাড়া কারো সাথে কথা বলেননি, কিন্তু তোমার পিতার সাথে অন্তরাল ছাড়াই কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, কে আমার বান্দা! আমার কাছে কামনা করো, আমি তোমাকে দান করবো। তোমার পিতা বললো, হে প্রভু! আমাকে জীবন দান করুন, যাতে আমি আপনার রাস্তায় পুনরায় শহীদ হতে পারি। মহান ও পবিত্র প্রতিপালক আল্লাহ্‌ বলেন, আমি তো আগেই লিপিবদ্ধ করে দিয়েছি যে, লোকেরা (মৃত্যুর পর) (পৃথিবীতে) ফিরে যাবে না। তোমার পিতা বললো, হে প্রভু! তাহলে আমার পশ্চাতবর্তীদের কাছে (আমার সৌভাগ্যের) এ খবর পৌঁছে দিন। তিনি বলেন, তখন আল্লাহ্‌ তাআলা এ আয়াত নাযিল করেন (অনুবাদ): "যারা আল্লাহ্‌র পথে নিহত হয়েছে, তোমরা তাদের কখনো মৃত মনে করো না, বরং তারা জীবিত এবং তারা তাদের প্রভুর নিকট থেকে জীবিকাপ্রাপ্ত"-(সূরাহ আল ইমরান: ৩ :১৬৯)। [১৮৮]

حدثنا إبراهيم بن المنذر الحزامي، ويحيى بن حبيب بن عربي، قالا حدثنا موسى بن إبراهيم بن كثير الأنصاري الحرامي، قال سمعت طلحة بن خراش، قال سمعت جابر بن عبد الله، يقول لما قتل عبد الله بن عمرو بن حرام يوم أحد لقيني رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال ‏"‏ يا جابر ألا أخبرك ما قال الله لأبيك ‏"‏ ‏.‏ وقال يحيى في حديثه فقال ‏"‏ يا جابر مالي أراك منكسرا ‏"‏ ‏.‏ قال قلت يا رسول الله استشهد أبي وترك عيالا ودينا ‏.‏ قال ‏"‏ أفلا أبشرك بما لقي الله به أباك ‏"‏ ‏.‏ قال بلى يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ ما كلم الله أحدا قط إلا من وراء حجاب وكلم أباك كفاحا ‏.‏ فقال يا عبدي تمن على أعطك ‏.‏ قال يا رب تحييني فأقتل فيك ثانية ‏.‏ فقال الرب سبحانه إنه سبق مني أنهم إليها لا يرجعون ‏.‏ قال يا رب فأبلغ من ورائي ‏.‏ قال فأنزل الله تعالى ‏{ولا تحسبن الذين قتلوا في سبيل الله أمواتا بل أحياء عند ربهم يرزقون}‏ ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯১

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إن الله يضحك إلى رجلين يقتل أحدهما الآخر كلاهما دخل الجنة يقاتل هذا في سبيل الله فيستشهد ثم يتوب الله على قاتله فيسلم فيقاتل في سبيل الله فيستشهد ‏"‏ ‏.‏

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ্‌ তাআলা দু' ব্যক্তিকে দেখে হাসবেন, যাদের একজন অপরজনকে হত্যা করার পর দু'জনই জান্নাতবাসী হবে। তাদের একজন আল্লাহ্‌র রাস্তায় জিহাদ করে শহীদ হবে। অতঃপর আল্লাহ্‌ তাআলা হত্যাকারীর তাওবাহ কবূল করবেন, ফলে সে ইসলাম গ্রহণ করে আল্লাহ্‌র রাস্তায় জিহাদ করে শহীদ হবে। [১৮৯]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ্‌ তাআলা দু' ব্যক্তিকে দেখে হাসবেন, যাদের একজন অপরজনকে হত্যা করার পর দু'জনই জান্নাতবাসী হবে। তাদের একজন আল্লাহ্‌র রাস্তায় জিহাদ করে শহীদ হবে। অতঃপর আল্লাহ্‌ তাআলা হত্যাকারীর তাওবাহ কবূল করবেন, ফলে সে ইসলাম গ্রহণ করে আল্লাহ্‌র রাস্তায় জিহাদ করে শহীদ হবে। [১৮৯]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إن الله يضحك إلى رجلين يقتل أحدهما الآخر كلاهما دخل الجنة يقاتل هذا في سبيل الله فيستشهد ثم يتوب الله على قاتله فيسلم فيقاتل في سبيل الله فيستشهد ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯২

حدثنا حرملة بن يحيى، ويونس بن عبد الأعلى، قالا حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، حدثني سعيد بن المسيب، أن أبا هريرة، كان يقول قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ يقبض الله الأرض يوم القيامة ويطوي السماء بيمينه ثم يقول أنا الملك أين ملوك الأرض ‏"‏ ‏.‏

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্‌ তাআলা কিয়ামাতের দিন যমীন ও আসমানকে গুটিয়ে তাঁর ডান হাতে মুষ্টিবদ্ধ করে বলবেন : আমিই রাজাধিরাজ, পৃথিবীর রাজা-বাদশারা (আজ) কোথায়? [১৯০]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্‌ তাআলা কিয়ামাতের দিন যমীন ও আসমানকে গুটিয়ে তাঁর ডান হাতে মুষ্টিবদ্ধ করে বলবেন : আমিই রাজাধিরাজ, পৃথিবীর রাজা-বাদশারা (আজ) কোথায়? [১৯০]

حدثنا حرملة بن يحيى، ويونس بن عبد الأعلى، قالا حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، حدثني سعيد بن المسيب، أن أبا هريرة، كان يقول قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ يقبض الله الأرض يوم القيامة ويطوي السماء بيمينه ثم يقول أنا الملك أين ملوك الأرض ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৩

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا محمد بن الصباح، حدثنا الوليد بن أبي ثور الهمداني، عن سماك، عن عبد الله بن عميرة، عن الأحنف بن قيس، عن العباس بن عبد المطلب، قال كنت بالبطحاء في عصابة وفيهم رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فمرت به سحابة فنظر إليها فقال ‏"‏ ما تسمون هذه ‏"‏ ‏.‏ قالوا السحاب ‏.‏ قال ‏"‏ والمزن ‏"‏ ‏.‏ قالوا والمزن ‏.‏ قال ‏"‏ والعنان ‏"‏ ‏.‏ قال أبو بكر قالوا والعنان ‏.‏ قال ‏"‏ كم ترون بينكم وبين السماء ‏"‏ ‏.‏ قالوا لا ندري ‏.‏ قال ‏"‏ فإن بينكم وبينها إما واحدا أو اثنين أو ثلاثا وسبعين سنة والسماء فوقها كذلك ‏"‏ ‏.‏ حتى عد سبع سماوات ‏"‏ ثم فوق السماء السابعة بحر بين أعلاه وأسفله كما بين سماء إلى سماء ثم فوق ذلك ثمانية أوعال بين أظلافهن وركبهن كما بين سماء إلى سماء ثم على ظهورهن العرش بين أعلاه وأسفله كما بين سماء إلى سماء ثم الله فوق ذلك تبارك وتعالى ‏"‏ ‏.

আব্বাস বিন আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি বাতহা নামক স্থানে একদল লোকের সাথে ছিলাম এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)ও তাদের সাথে ছিলেন। তখন একখণ্ড মেঘ তাকে অতিক্রম করে। তিনি মেঘখণ্ডের দিকে তাকিয়ে বলেন, তোমরা এটাকে কী নামে অভিহিত করো? তারা বলেন, মেঘ। তিনি বলেন, এবং মুয্‌ন। তারা বলেন, মুয্‌নও বটে। তিনি বলেন, আনানও। আবু বাক্‌র (রাঃ) বলেন, তারা সবাই বললেন, আনানও বটে। তিনি বলেন, তোমাদের ও আস'মানের মাঝে তোমরা কত দূরত্ব মনে করো? তারা বলেন, আমরা অবগত নই। তিনি বলেন, তোমাদের ও আসমা'নের মাঝে ৭১ বা ৭২ বা ৭৩ বছরের দূরত্ব রয়েছে। এক আসমান থেকে তার ঊর্ধ্বের আস'মানের দূরত্বও তদ্রূপ। এভাবে তিনি সাত আস'মানের সংখ্যা গণনা করেন। অতঃপর সপ্তম আকাশের উপর একটি সমুদ্র আছে যার শীর্ষভাগ ও নিম্নভাগের মধ্যকার ব্যবধান (গভীরতা) দু' আস'মানের মধ্যকার দুরত্বের সমান। তার উপর রয়েছেন আটজন ফেরেশ্‌তা, যাদের পায়ের পাতা ও হাঁটুর মধ্যকার ব্যবধান দু' আসমা'নের মধ্যকার দুরত্বের সমান। তাদের পিঠের উপরে আল্লাহ্‌র আরশ অবস্থিত, যার উপর ও নিচের ব্যবধান (উচ্চতা) দু' আসমা'নের মধ্যকার দুরত্বের সমান। তার উপরে রয়েছেন বরকতময় মহান আল্লাহ্। [১৯১]

আব্বাস বিন আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি বাতহা নামক স্থানে একদল লোকের সাথে ছিলাম এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)ও তাদের সাথে ছিলেন। তখন একখণ্ড মেঘ তাকে অতিক্রম করে। তিনি মেঘখণ্ডের দিকে তাকিয়ে বলেন, তোমরা এটাকে কী নামে অভিহিত করো? তারা বলেন, মেঘ। তিনি বলেন, এবং মুয্‌ন। তারা বলেন, মুয্‌নও বটে। তিনি বলেন, আনানও। আবু বাক্‌র (রাঃ) বলেন, তারা সবাই বললেন, আনানও বটে। তিনি বলেন, তোমাদের ও আস'মানের মাঝে তোমরা কত দূরত্ব মনে করো? তারা বলেন, আমরা অবগত নই। তিনি বলেন, তোমাদের ও আসমা'নের মাঝে ৭১ বা ৭২ বা ৭৩ বছরের দূরত্ব রয়েছে। এক আসমান থেকে তার ঊর্ধ্বের আস'মানের দূরত্বও তদ্রূপ। এভাবে তিনি সাত আস'মানের সংখ্যা গণনা করেন। অতঃপর সপ্তম আকাশের উপর একটি সমুদ্র আছে যার শীর্ষভাগ ও নিম্নভাগের মধ্যকার ব্যবধান (গভীরতা) দু' আস'মানের মধ্যকার দুরত্বের সমান। তার উপর রয়েছেন আটজন ফেরেশ্‌তা, যাদের পায়ের পাতা ও হাঁটুর মধ্যকার ব্যবধান দু' আসমা'নের মধ্যকার দুরত্বের সমান। তাদের পিঠের উপরে আল্লাহ্‌র আরশ অবস্থিত, যার উপর ও নিচের ব্যবধান (উচ্চতা) দু' আসমা'নের মধ্যকার দুরত্বের সমান। তার উপরে রয়েছেন বরকতময় মহান আল্লাহ্। [১৯১]

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا محمد بن الصباح، حدثنا الوليد بن أبي ثور الهمداني، عن سماك، عن عبد الله بن عميرة، عن الأحنف بن قيس، عن العباس بن عبد المطلب، قال كنت بالبطحاء في عصابة وفيهم رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فمرت به سحابة فنظر إليها فقال ‏"‏ ما تسمون هذه ‏"‏ ‏.‏ قالوا السحاب ‏.‏ قال ‏"‏ والمزن ‏"‏ ‏.‏ قالوا والمزن ‏.‏ قال ‏"‏ والعنان ‏"‏ ‏.‏ قال أبو بكر قالوا والعنان ‏.‏ قال ‏"‏ كم ترون بينكم وبين السماء ‏"‏ ‏.‏ قالوا لا ندري ‏.‏ قال ‏"‏ فإن بينكم وبينها إما واحدا أو اثنين أو ثلاثا وسبعين سنة والسماء فوقها كذلك ‏"‏ ‏.‏ حتى عد سبع سماوات ‏"‏ ثم فوق السماء السابعة بحر بين أعلاه وأسفله كما بين سماء إلى سماء ثم فوق ذلك ثمانية أوعال بين أظلافهن وركبهن كما بين سماء إلى سماء ثم على ظهورهن العرش بين أعلاه وأسفله كما بين سماء إلى سماء ثم الله فوق ذلك تبارك وتعالى ‏"‏ ‏.


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৪

حدثنا يعقوب بن حميد بن كاسب، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، عن عكرمة، عن أبي هريرة، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ إذا قضى الله أمرا في السماء ضربت الملائكة أجنحتها خضعانا لقوله كأنه سلسلة على صفوان فإذا فزع عن قلوبهم قالوا ماذا قال ربكم قالوا الحق وهو العلي الكبير قال فيسمعها مسترقو السمع بعضهم فوق بعض فيسمع الكلمة فيلقيها إلى من تحته فربما أدركه الشهاب قبل أن يلقيها إلى الذي تحته فيلقيها على لسان الكاهن أو الساحر فربما لم يدرك حتى يلقيها فيكذب معها مائة كذبة فتصدق تلك الكلمة التي سمعت من السماء ‏"‏ ‏.‏

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ্‌ তাআলা আসমা'নে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা জারী করলে মালায়িকাহ বিনয়াবনত হয়ে তাদের পাখাসমূহ দোলাতে থাকেন। ফলে তা থেকে মসৃণ পাথরের উপর জিঞ্জিরের আঘাতের আওয়াজের অনুরূপ আওয়াজ হতে থাকে। "অতঃপর তাদের অন্তরের ভীতিকর অবস্থা দূরীভূত হলে তারা পরস্পর জিজ্ঞেস করেন, তোমাদের রব কী বলেছেন? তারা বলেন, তিনি সত্যই বলেছেন। তিনি সমুচ্চ মহান" - (সূরাহ সাবা ৩৪ : ২৩)। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তাদের পারস্পারিক আলোচনা শয়তান ওৎ পেতে শোনে এবং ভূপৃষ্ঠে অবস্থানকারী তাদের সাঙ্গপাঙ্গদের কাছে তা পৌঁছে দেয়। কখনো তা নিম্নে অবস্থানকারীদের কাছে পৌঁছানোর পূর্বে তাদের প্রতি উল্কাপিণ্ড নিক্ষেপ করা হয়। শ্রুত কথা তারা পৃথিবীতে এসে গণক বা যাদুকরের মুখে ঢেলে দেয়। আবার কখনো তারা কিছুই শুনতে পায় না, বরং (নিজেদের পক্ষ থেকে) তা গণক ও যাদুকরের মুখে তাদের কথার সাথে শত মিথ্যা যোগ করে ঢেলে দেয়। তাই কেবল সত্য সেটিই হয় যা তারা আসমান থেকে শোনে। [১৯২]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ্‌ তাআলা আসমা'নে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা জারী করলে মালায়িকাহ বিনয়াবনত হয়ে তাদের পাখাসমূহ দোলাতে থাকেন। ফলে তা থেকে মসৃণ পাথরের উপর জিঞ্জিরের আঘাতের আওয়াজের অনুরূপ আওয়াজ হতে থাকে। "অতঃপর তাদের অন্তরের ভীতিকর অবস্থা দূরীভূত হলে তারা পরস্পর জিজ্ঞেস করেন, তোমাদের রব কী বলেছেন? তারা বলেন, তিনি সত্যই বলেছেন। তিনি সমুচ্চ মহান" - (সূরাহ সাবা ৩৪ : ২৩)। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তাদের পারস্পারিক আলোচনা শয়তান ওৎ পেতে শোনে এবং ভূপৃষ্ঠে অবস্থানকারী তাদের সাঙ্গপাঙ্গদের কাছে তা পৌঁছে দেয়। কখনো তা নিম্নে অবস্থানকারীদের কাছে পৌঁছানোর পূর্বে তাদের প্রতি উল্কাপিণ্ড নিক্ষেপ করা হয়। শ্রুত কথা তারা পৃথিবীতে এসে গণক বা যাদুকরের মুখে ঢেলে দেয়। আবার কখনো তারা কিছুই শুনতে পায় না, বরং (নিজেদের পক্ষ থেকে) তা গণক ও যাদুকরের মুখে তাদের কথার সাথে শত মিথ্যা যোগ করে ঢেলে দেয়। তাই কেবল সত্য সেটিই হয় যা তারা আসমান থেকে শোনে। [১৯২]

حدثنا يعقوب بن حميد بن كاسب، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، عن عكرمة، عن أبي هريرة، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ إذا قضى الله أمرا في السماء ضربت الملائكة أجنحتها خضعانا لقوله كأنه سلسلة على صفوان فإذا فزع عن قلوبهم قالوا ماذا قال ربكم قالوا الحق وهو العلي الكبير قال فيسمعها مسترقو السمع بعضهم فوق بعض فيسمع الكلمة فيلقيها إلى من تحته فربما أدركه الشهاب قبل أن يلقيها إلى الذي تحته فيلقيها على لسان الكاهن أو الساحر فربما لم يدرك حتى يلقيها فيكذب معها مائة كذبة فتصدق تلك الكلمة التي سمعت من السماء ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৫

حدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن أبي عبيدة، عن أبي موسى، قال قام فينا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بخمس كلمات فقال ‏ "‏ إن الله لا ينام ولا ينبغي له أن ينام يخفض القسط ويرفعه يرفع إليه عمل الليل قبل عمل النهار وعمل النهار قبل عمل الليل حجابه النور لو كشفه لأحرقت سبحات وجهه ما انتهى إليه بصره من خلقه ‏"‏ ‏.‏

আবু মুসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাঁচটি বিষয় নিয়ে আমাদের সামনে দাঁড়ালেন। তিনি বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ্‌ ঘুমান না এবং ঘুমানো তাঁর জন্য সঙ্গতও নয়। তিনি মীযান (তুলাদণ্ড) নীচু করেন এবং উঁচু করেন। রাতের কর্মকাণ্ড দিনের কর্মকাণ্ডের পূর্বেই এবং দিনের কর্মকাণ্ড রাতের কর্মকাণ্ডের পূর্বেই তাঁর নিকট পৌঁছানো হয়। তাঁর পর্দা হচ্ছে নূর (জ্যোতি)। তিনি তাঁর পর্দা তুলে নিলে তাঁর চেহারার জ্যোতি বা মহিমা তাঁর সৃষ্টির দৃষ্টির সীমা পর্যন্ত সব কিছু ভস্মীভূত করে দিত। [১৯৩]

আবু মুসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাঁচটি বিষয় নিয়ে আমাদের সামনে দাঁড়ালেন। তিনি বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ্‌ ঘুমান না এবং ঘুমানো তাঁর জন্য সঙ্গতও নয়। তিনি মীযান (তুলাদণ্ড) নীচু করেন এবং উঁচু করেন। রাতের কর্মকাণ্ড দিনের কর্মকাণ্ডের পূর্বেই এবং দিনের কর্মকাণ্ড রাতের কর্মকাণ্ডের পূর্বেই তাঁর নিকট পৌঁছানো হয়। তাঁর পর্দা হচ্ছে নূর (জ্যোতি)। তিনি তাঁর পর্দা তুলে নিলে তাঁর চেহারার জ্যোতি বা মহিমা তাঁর সৃষ্টির দৃষ্টির সীমা পর্যন্ত সব কিছু ভস্মীভূত করে দিত। [১৯৩]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن أبي عبيدة، عن أبي موسى، قال قام فينا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بخمس كلمات فقال ‏ "‏ إن الله لا ينام ولا ينبغي له أن ينام يخفض القسط ويرفعه يرفع إليه عمل الليل قبل عمل النهار وعمل النهار قبل عمل الليل حجابه النور لو كشفه لأحرقت سبحات وجهه ما انتهى إليه بصره من خلقه ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৬

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا المسعودي، عن عمرو بن مرة، عن أبي عبيدة، عن أبي موسى، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ إن الله لا ينام ولا ينبغي له أن ينام يخفض القسط ويرفعه حجابه النور لو كشفها لأحرقت سبحات وجهه كل شىء أدركه بصره ‏"‏ ‏.‏ ثم قرأ أبو عبيدة ‏{أن بورك من في النار ومن حولها وسبحان الله رب العالمين}‏ ‏.‏

আবু মুসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ্‌ ঘুমান না এবং ঘুমানো তাঁর জন্য শোভাও পায় না। তিনি দাঁড়িপাল্লা উঠা-নামা করান। তাঁর পর্দা হলো নূর। তিনি তাঁর পর্দা তুলে নিলে তাঁর চেহারার জ্যোতি (বা মহিমা) মানুষের দৃষ্টিসীমার সব কিছুকে জ্বালিয়ে দিত। অধস্তন রাবী আবু উবায়দাহ (রহঃ) এ আয়াত তিলাওয়াত করেন : "ধন্য তারা যারা আছে এ আলোর মাঝে এবং যারা আছে তার চারপাশে। জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহ্‌ পবিত্র ও মহিমান্বিত" (সূরাহ নামল : ৮) [১৯৪]

আবু মুসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ্‌ ঘুমান না এবং ঘুমানো তাঁর জন্য শোভাও পায় না। তিনি দাঁড়িপাল্লা উঠা-নামা করান। তাঁর পর্দা হলো নূর। তিনি তাঁর পর্দা তুলে নিলে তাঁর চেহারার জ্যোতি (বা মহিমা) মানুষের দৃষ্টিসীমার সব কিছুকে জ্বালিয়ে দিত। অধস্তন রাবী আবু উবায়দাহ (রহঃ) এ আয়াত তিলাওয়াত করেন : "ধন্য তারা যারা আছে এ আলোর মাঝে এবং যারা আছে তার চারপাশে। জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহ্‌ পবিত্র ও মহিমান্বিত" (সূরাহ নামল : ৮) [১৯৪]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا المسعودي، عن عمرو بن مرة، عن أبي عبيدة، عن أبي موسى، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ إن الله لا ينام ولا ينبغي له أن ينام يخفض القسط ويرفعه حجابه النور لو كشفها لأحرقت سبحات وجهه كل شىء أدركه بصره ‏"‏ ‏.‏ ثم قرأ أبو عبيدة ‏{أن بورك من في النار ومن حولها وسبحان الله رب العالمين}‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৭

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا محمد بن إسحاق، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ يمين الله ملأى لا يغيضها شىء سحاء الليل والنهار وبيده الأخرى الميزان يرفع القسط ويخفضه قال أرأيت ما أنفق منذ خلق الله السموات والأرض فإنه لم ينقص مما في يديه شيئا ‏"‏ ‏.‏

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ্‌র ডান হাত পরিপূর্ণ, কোন কিছুই তার পূর্ণতাকে হ্রাস করতে পারে না। তিনি রাত-দিন অবধারিত দান করেন। তাঁর অপর হাতে রয়েছে তুলাদন্ড। তিনি তুলাদন্ড উঠানামা করান। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তুমি কি দেখো না যে, আল্লাহ্‌ আসমান-যমীন সৃষ্টির সূচনা থেকে অবাধে খরচ করছেন, তারপরও তাতে তাঁর হাতে যা আছে তার সামান্যও কমেনি। [১৯৫]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ্‌র ডান হাত পরিপূর্ণ, কোন কিছুই তার পূর্ণতাকে হ্রাস করতে পারে না। তিনি রাত-দিন অবধারিত দান করেন। তাঁর অপর হাতে রয়েছে তুলাদন্ড। তিনি তুলাদন্ড উঠানামা করান। নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তুমি কি দেখো না যে, আল্লাহ্‌ আসমান-যমীন সৃষ্টির সূচনা থেকে অবাধে খরচ করছেন, তারপরও তাতে তাঁর হাতে যা আছে তার সামান্যও কমেনি। [১৯৫]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أنبأنا محمد بن إسحاق، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ يمين الله ملأى لا يغيضها شىء سحاء الليل والنهار وبيده الأخرى الميزان يرفع القسط ويخفضه قال أرأيت ما أنفق منذ خلق الله السموات والأرض فإنه لم ينقص مما في يديه شيئا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৮

حدثنا هشام بن عمار، ومحمد بن الصباح، قالا حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، حدثني أبي، عن عبيد الله بن مقسم، عن عبد الله بن عمر، أنه قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وهو على المنبر يقول ‏ "‏ يأخذ الجبار سمواته وأرضه بيده - وقبض بيده فجعل يقبضها ويبسطها - ثم يقول أنا الجبار أين الجبارون أين المتكبرون ‏"‏ ‏.‏ قال ويتميل رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ عن يمينه وعن يساره حتى نظرت إلى المنبر يتحرك من أسفل شىء منه حتى إني أقول أساقط هو برسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ

আব্দুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছিঃ মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ্‌ (কিয়ামাতের দিন) আসমান ও যমীনসমূহকে ধরে তাঁর হাতে মুষ্টিবদ্ধ করে নিবেন। তিনি তাঁর হাত সংকুচিত করবেন এবং সম্প্রসারিত করবেন, অতঃপর বলবেনঃ "আমি মহাপ্রতাপশালী। দাম্ভিকরা কোথায়?" রাবী বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ডানদিক ও বামদিকে ঝুঁকতে থাকলেন, এমনকি আমি দেখলাম যে, মিম্বারটি নিচে থেকে আন্দোলিত হচ্ছে। আমি ভাবলাম, মিম্বারটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সমেত উল্টে পড়ে যাবে না তো! [১৯৬]

আব্দুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছিঃ মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ্‌ (কিয়ামাতের দিন) আসমান ও যমীনসমূহকে ধরে তাঁর হাতে মুষ্টিবদ্ধ করে নিবেন। তিনি তাঁর হাত সংকুচিত করবেন এবং সম্প্রসারিত করবেন, অতঃপর বলবেনঃ "আমি মহাপ্রতাপশালী। দাম্ভিকরা কোথায়?" রাবী বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ডানদিক ও বামদিকে ঝুঁকতে থাকলেন, এমনকি আমি দেখলাম যে, মিম্বারটি নিচে থেকে আন্দোলিত হচ্ছে। আমি ভাবলাম, মিম্বারটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সমেত উল্টে পড়ে যাবে না তো! [১৯৬]

حدثنا هشام بن عمار، ومحمد بن الصباح، قالا حدثنا عبد العزيز بن أبي حازم، حدثني أبي، عن عبيد الله بن مقسم، عن عبد الله بن عمر، أنه قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وهو على المنبر يقول ‏ "‏ يأخذ الجبار سمواته وأرضه بيده - وقبض بيده فجعل يقبضها ويبسطها - ثم يقول أنا الجبار أين الجبارون أين المتكبرون ‏"‏ ‏.‏ قال ويتميل رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ عن يمينه وعن يساره حتى نظرت إلى المنبر يتحرك من أسفل شىء منه حتى إني أقول أساقط هو برسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৯৯

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا صدقة بن خالد، حدثنا ابن جابر، قال سمعت بسر بن عبيد الله، يقول سمعت أبا إدريس الخولاني، يقول حدثني النواس بن سمعان الكلابي، قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏"‏ ما من قلب إلا بين إصبعين من أصابع الرحمن إن شاء أقامه وإن شاء أزاغه ‏"‏ ‏.‏ وكان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏"‏ يا مثبت القلوب ثبت قلوبنا على دينك ‏"‏ ‏.‏ قال ‏"‏ والميزان بيد الرحمن يرفع أقواما ويخفض آخرين إلى يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏

আন-নাওওয়াস বিন সামআন আল-কিলাবী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ প্রতিটি অন্তঃকরণ দয়াময় আল্লাহ্‌র দু' আঙ্গুলের মাঝখানে অবস্থিত। তিনি চাইলে তা সোজা পথে প্রতিষ্ঠিত রাখেন এবং তিনি চাইলে তা বক্র পথে চালিত করেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ ''হে অন্তরসমূহের স্থিরতাদানকারী! আমাদের অন্তরসমূহকে আপনার দ্বীনের উপর স্থির রাখুন।'' তিনি আরো বলেন, তুলাদন্ডও দয়াময় আল্লাহ্‌র হাতে। তিনি কিয়ামত পর্যন্ত কোন সম্প্রদায়কে উন্নত করবেন এবং কোন সম্প্রদায়কে অবনত করবেন। [১৯৭]

আন-নাওওয়াস বিন সামআন আল-কিলাবী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ প্রতিটি অন্তঃকরণ দয়াময় আল্লাহ্‌র দু' আঙ্গুলের মাঝখানে অবস্থিত। তিনি চাইলে তা সোজা পথে প্রতিষ্ঠিত রাখেন এবং তিনি চাইলে তা বক্র পথে চালিত করেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ ''হে অন্তরসমূহের স্থিরতাদানকারী! আমাদের অন্তরসমূহকে আপনার দ্বীনের উপর স্থির রাখুন।'' তিনি আরো বলেন, তুলাদন্ডও দয়াময় আল্লাহ্‌র হাতে। তিনি কিয়ামত পর্যন্ত কোন সম্প্রদায়কে উন্নত করবেন এবং কোন সম্প্রদায়কে অবনত করবেন। [১৯৭]

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا صدقة بن خالد، حدثنا ابن جابر، قال سمعت بسر بن عبيد الله، يقول سمعت أبا إدريس الخولاني، يقول حدثني النواس بن سمعان الكلابي، قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏"‏ ما من قلب إلا بين إصبعين من أصابع الرحمن إن شاء أقامه وإن شاء أزاغه ‏"‏ ‏.‏ وكان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏"‏ يا مثبت القلوب ثبت قلوبنا على دينك ‏"‏ ‏.‏ قال ‏"‏ والميزان بيد الرحمن يرفع أقواما ويخفض آخرين إلى يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২০০

حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا عبد الله بن إسماعيل، عن مجالد، عن أبي الوداك، عن أبي سعيد الخدري، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إن الله ليضحك إلى ثلاثة للصف في الصلاة وللرجل يصلي في جوف الليل وللرجل يقاتل - أراه قال - خلف الكتيبة ‏"‏ ‏.‏

আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ্‌ তিনটি বিষয়ে হাসেন (আনন্দিত হন)ঃ সলাতের কাতারের জন্য, যে ব্যক্তি গভীর রাতে সলাতরত থাকে এবং যে ব্যক্তি সৈন্যবাহিনীকে পিছু হটতে দেখেও জিহাদরত থাকে।' [১৯৮]

আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ্‌ তিনটি বিষয়ে হাসেন (আনন্দিত হন)ঃ সলাতের কাতারের জন্য, যে ব্যক্তি গভীর রাতে সলাতরত থাকে এবং যে ব্যক্তি সৈন্যবাহিনীকে পিছু হটতে দেখেও জিহাদরত থাকে।' [১৯৮]

حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا عبد الله بن إسماعيل، عن مجالد، عن أبي الوداك، عن أبي سعيد الخدري، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إن الله ليضحك إلى ثلاثة للصف في الصلاة وللرجل يصلي في جوف الليل وللرجل يقاتل - أراه قال - خلف الكتيبة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২০১

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا عبد الله بن رجاء، حدثنا إسرائيل، عن عثمان، - يعني ابن المغيرة الثقفي - عن سالم بن أبي الجعد، عن جابر بن عبد الله، قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يعرض نفسه على الناس في الموسم فيقول ‏ "‏ ألا رجل يحملني إلى قومه فإن قريشا قد منعوني أن أبلغ كلام ربي ‏"‏ ‏.‏

জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জের মৌসুমে নিজেকে লোকদের সামনে পেশ করতেন এবং বলতেনঃ কুরায়শরা আমাকে আমার প্রভুর কালাম প্রচারে বাধা দিচ্ছে। তোমাদের মাঝে এমন কে আছে যে আমাকে তার গোত্রের কাছে নিরাপদে নিয়ে যাবে? [১৯৯]

জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জের মৌসুমে নিজেকে লোকদের সামনে পেশ করতেন এবং বলতেনঃ কুরায়শরা আমাকে আমার প্রভুর কালাম প্রচারে বাধা দিচ্ছে। তোমাদের মাঝে এমন কে আছে যে আমাকে তার গোত্রের কাছে নিরাপদে নিয়ে যাবে? [১৯৯]

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا عبد الله بن رجاء، حدثنا إسرائيل، عن عثمان، - يعني ابن المغيرة الثقفي - عن سالم بن أبي الجعد، عن جابر بن عبد الله، قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يعرض نفسه على الناس في الموسم فيقول ‏ "‏ ألا رجل يحملني إلى قومه فإن قريشا قد منعوني أن أبلغ كلام ربي ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ২০২

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا الوزير بن صبيح، حدثنا يونس بن حلبس، عن أم الدرداء، عن أبي الدرداء، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ في قوله تعالى ‏{كل يوم هو في شأن}‏ ‏.‏ قال ‏"‏ من شأنه أن يغفر ذنبا ويفرج كربا ويرفع قوما ويخفض آخرين ‏"‏ ‏.‏

আবুদ-দারদা' (ঊওয়াইমির বিন মালিক) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্‌র বানীঃ "তিনি প্রতিদিন গুরুত্বপূর্ণ কাজে রত"-(সুরাহ আর-রহমান ৫৫ : ২৯) সম্পর্কে বলেন, আল্লাহ্‌র কাজের মধ্যে তিনি গুনাহ ক্ষমা করেন, বিপদাপদ দূর করেন, এক দলকে উন্নীত করেন এবং অপর দলকে অবনমিত করেন। [২০০]

আবুদ-দারদা' (ঊওয়াইমির বিন মালিক) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্‌র বানীঃ "তিনি প্রতিদিন গুরুত্বপূর্ণ কাজে রত"-(সুরাহ আর-রহমান ৫৫ : ২৯) সম্পর্কে বলেন, আল্লাহ্‌র কাজের মধ্যে তিনি গুনাহ ক্ষমা করেন, বিপদাপদ দূর করেন, এক দলকে উন্নীত করেন এবং অপর দলকে অবনমিত করেন। [২০০]

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا الوزير بن صبيح، حدثنا يونس بن حلبس، عن أم الدرداء، عن أبي الدرداء، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ في قوله تعالى ‏{كل يوم هو في شأن}‏ ‏.‏ قال ‏"‏ من شأنه أن يغفر ذنبا ويفرج كربا ويرفع قوما ويخفض آخرين ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00