সুনানে ইবনে মাজাহ > তাকদীর (রাঃ) ভাগ্যলিপির বর্ণনা

সুনানে ইবনে মাজাহ ৭৯

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد الطنافسي، قالا حدثنا عبد الله بن إدريس، عن ربيعة بن عثمان، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ المؤمن القوي خير وأحب إلى الله من المؤمن الضعيف وفي كل خير احرص على ما ينفعك واستعن بالله ولا تعجز فإن أصابك شىء فلا تقل لو أني فعلت كذا وكذا ‏.‏ ولكن قل قدر الله وما شاء فعل فإن ‏"‏ لو ‏"‏ تفتح عمل الشيطان ‏"‏ ‏.‏

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, শক্তিশালী মু’মিন দুর্বল মু’মিনের চাইতে উত্তম এবং আল্লাহ্‌র নিকট অধিক প্রিয়। অবশ্য উভয়ের মধ্যেই কল্যাণ রয়েছে। তুমি তোমার জন্য উপকারী জিনিসের আকাঙ্ক্ষা করো এবং আল্লাহ্‌র সাহায্য চাও এবং কখনো অক্ষমতা প্রকাশ করো না। তোমার কোন ক্ষতি হলে বলো না, যদি আমি এভাবে করতাম, বরং তুমি বল, আল্লাহ্‌ যা নির্ধারণ করেছেন এবং তিনি যা চান তাই করেন। কেননা “লাও” (যদি) শব্দটি শয়তানের তৎপরতার দ্বার খুলে দেয়। [৭৭]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, শক্তিশালী মু’মিন দুর্বল মু’মিনের চাইতে উত্তম এবং আল্লাহ্‌র নিকট অধিক প্রিয়। অবশ্য উভয়ের মধ্যেই কল্যাণ রয়েছে। তুমি তোমার জন্য উপকারী জিনিসের আকাঙ্ক্ষা করো এবং আল্লাহ্‌র সাহায্য চাও এবং কখনো অক্ষমতা প্রকাশ করো না। তোমার কোন ক্ষতি হলে বলো না, যদি আমি এভাবে করতাম, বরং তুমি বল, আল্লাহ্‌ যা নির্ধারণ করেছেন এবং তিনি যা চান তাই করেন। কেননা “লাও” (যদি) শব্দটি শয়তানের তৎপরতার দ্বার খুলে দেয়। [৭৭]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد الطنافسي، قالا حدثنا عبد الله بن إدريس، عن ربيعة بن عثمان، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ المؤمن القوي خير وأحب إلى الله من المؤمن الضعيف وفي كل خير احرص على ما ينفعك واستعن بالله ولا تعجز فإن أصابك شىء فلا تقل لو أني فعلت كذا وكذا ‏.‏ ولكن قل قدر الله وما شاء فعل فإن ‏"‏ لو ‏"‏ تفتح عمل الشيطان ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৮১

حدثنا عبد الله بن عامر بن زرارة، حدثنا شريك، عن منصور، عن ربعي، عن علي، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ لا يؤمن عبد حتى يؤمن بأربع بالله وحده لا شريك له وأني رسول الله وبالبعث بعد الموت والقدر ‏"‏ ‏.

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন বান্দাহ চারটি বিষয়ের উপর ঈমান না আনা পর্যন্ত মু’মিন হবে না। একমাত্র আল্লাহ্‌র উপর ঈমান আনবে, যাঁর কোন শরীক নেই, নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ্‌র রসূল, মৃত্যুর পর পুনরুত্থান এবং তাকদীরের ভালমন্দে। [৭৯]

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন বান্দাহ চারটি বিষয়ের উপর ঈমান না আনা পর্যন্ত মু’মিন হবে না। একমাত্র আল্লাহ্‌র উপর ঈমান আনবে, যাঁর কোন শরীক নেই, নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ্‌র রসূল, মৃত্যুর পর পুনরুত্থান এবং তাকদীরের ভালমন্দে। [৭৯]

حدثنا عبد الله بن عامر بن زرارة، حدثنا شريك، عن منصور، عن ربعي، عن علي، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ لا يؤمن عبد حتى يؤمن بأربع بالله وحده لا شريك له وأني رسول الله وبالبعث بعد الموت والقدر ‏"‏ ‏.


সুনানে ইবনে মাজাহ ৮২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا وكيع، حدثنا طلحة بن يحيى بن طلحة بن عبيد الله، عن عمته، عائشة بنت طلحة عن عائشة أم المؤمنين، قالت دعي رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ إلى جنازة غلام من الأنصار فقلت يا رسول الله طوبى لهذا عصفور من عصافير الجنة لم يعمل السوء ولم يدركه ‏.‏ قال ‏ "‏ أو غير ذلك يا عائشة إن الله خلق للجنة أهلا خلقهم لها وهم في أصلاب آبائهم وخلق للنار أهلا خلقهم لها وهم في أصلاب آبائهم ‏"‏ ‏.‏

উম্মুল মু’মিনীন আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আনসার সম্প্রদায়ের এক বালকের জানাযাহ পড়ার জন্য ডাকা হলো। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তার জন্য সুসংবাদ, সে জান্নাতের চড়ুই পাখিদের মধ্যে এক চড়ুই যে পাপ কাজ করেনি এবং তা তাকে স্পর্শও করেনি। তিনি বলেন, হে আয়িশাহ! এর ব্যতিক্রমও কি হতে পারে? নিশ্চয় আল্লাহ্‌ তা’আলা একদল লোককে জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। তারা তাদের পিতাদের মেরুদন্ডে অবচেতন থাকতেই তিনি তাদেরকে জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। তিনি জাহান্নামের জন্যও একদল সৃষ্টি করেছেন। তারা তাদের পিতাদের মেরুদন্ডে অবচেতন থাকতেই তিনি তাদের জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছেন। [৮০]

উম্মুল মু’মিনীন আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আনসার সম্প্রদায়ের এক বালকের জানাযাহ পড়ার জন্য ডাকা হলো। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তার জন্য সুসংবাদ, সে জান্নাতের চড়ুই পাখিদের মধ্যে এক চড়ুই যে পাপ কাজ করেনি এবং তা তাকে স্পর্শও করেনি। তিনি বলেন, হে আয়িশাহ! এর ব্যতিক্রমও কি হতে পারে? নিশ্চয় আল্লাহ্‌ তা’আলা একদল লোককে জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। তারা তাদের পিতাদের মেরুদন্ডে অবচেতন থাকতেই তিনি তাদেরকে জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। তিনি জাহান্নামের জন্যও একদল সৃষ্টি করেছেন। তারা তাদের পিতাদের মেরুদন্ডে অবচেতন থাকতেই তিনি তাদের জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছেন। [৮০]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا وكيع، حدثنا طلحة بن يحيى بن طلحة بن عبيد الله، عن عمته، عائشة بنت طلحة عن عائشة أم المؤمنين، قالت دعي رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ إلى جنازة غلام من الأنصار فقلت يا رسول الله طوبى لهذا عصفور من عصافير الجنة لم يعمل السوء ولم يدركه ‏.‏ قال ‏ "‏ أو غير ذلك يا عائشة إن الله خلق للجنة أهلا خلقهم لها وهم في أصلاب آبائهم وخلق للنار أهلا خلقهم لها وهم في أصلاب آبائهم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৭৬

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، ومحمد بن فضيل، وأبو معاوية ح وحدثنا علي بن ميمون الرقي، حدثنا أبو معاوية، ومحمد بن عبيد، عن الأعمش، عن زيد بن وهب، قال قال عبد الله بن مسعود حدثنا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وهو الصادق المصدوق قال ‏ "‏ يجمع خلق أحدكم في بطن أمه أربعين يوما ثم يكون علقة مثل ذلك ثم يكون مضغة مثل ذلك ثم يبعث الله إليه الملك فيؤمر بأربع كلمات فيقول اكتب عمله وأجله ورزقه وشقي أم سعيد ‏.‏ فوالذي نفسي بيده إن أحدكم ليعمل بعمل أهل الجنة حتى ما يكون بينه وبينها إلا ذراع فيسبق عليه الكتاب فيعمل بعمل أهل النار فيدخلها وإن أحدكم ليعمل بعمل أهل النار حتى ما يكون بينه وبينها إلا ذراع فيسبق عليه الكتاب فيعمل بعمل أهل الجنة فيدخلها ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আর তিনি ছিলেন সত্যবাদী ও সত্যবাদী বলে সমর্থিতঃ তোমাদের প্রত্যেকের সৃষ্টি কার্যক্রম এভাবে অগ্রসর হয় যে, তার মাতৃগর্ভে চল্লিশ দিন পর্যন্ত (শুক্ররূপে) জমা রাখা হয়, তারপর অনুরূপ সময়ে তা জমাট রক্ত পিন্ডের রূপ ধারণ করে, তারপর অনুরূপ সময়ে তা মাংসপিন্ডের রূপ ধারণ করে, তারপর আল্লাহ্‌ তাআলা তার নিকট একজন ফেরেশ্‌তা পাঠান। তাকে চারটি বিষয় লিপিবদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়। অতএব তিনি (আল্লাহ্‌) বলেন, তার কার্যকলাপ, আয়ুষ্কাল, তার রিয্‌ক এবং সে দুর্ভাগা না ভাগ্যবান তা লিখে দাও। সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ! নিশ্চয় তোমাদের কেউ অবশ্যই জান্নাতীদের কাজ করতে থাকে, এমনকি তার ও জান্নাতের মাঝে মাত্র এক হাত পরিমাণ দূরত্ব থাকে, তখন তার দিকে তার তাকদীরের লেখা অগ্রসর হয় এবং সে জাহান্নামীদের কাজ করে, ফলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করে। আবার তোমাদের কেউ অবশ্যই জাহান্নামীদের কাজ করতে থাকে, এমনকি তার ও জাহান্নামের মাঝে মাত্র এক হাত দূরত্ব থাকে, তখন তার দিকে তার তাকদীরের লেখা অগ্রসর হয় এবং সে জান্নাতীদের কাজ করে, ফলে সে জান্নাতে প্রবেশ করে। [৭৪]

আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আর তিনি ছিলেন সত্যবাদী ও সত্যবাদী বলে সমর্থিতঃ তোমাদের প্রত্যেকের সৃষ্টি কার্যক্রম এভাবে অগ্রসর হয় যে, তার মাতৃগর্ভে চল্লিশ দিন পর্যন্ত (শুক্ররূপে) জমা রাখা হয়, তারপর অনুরূপ সময়ে তা জমাট রক্ত পিন্ডের রূপ ধারণ করে, তারপর অনুরূপ সময়ে তা মাংসপিন্ডের রূপ ধারণ করে, তারপর আল্লাহ্‌ তাআলা তার নিকট একজন ফেরেশ্‌তা পাঠান। তাকে চারটি বিষয় লিপিবদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়। অতএব তিনি (আল্লাহ্‌) বলেন, তার কার্যকলাপ, আয়ুষ্কাল, তার রিয্‌ক এবং সে দুর্ভাগা না ভাগ্যবান তা লিখে দাও। সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ! নিশ্চয় তোমাদের কেউ অবশ্যই জান্নাতীদের কাজ করতে থাকে, এমনকি তার ও জান্নাতের মাঝে মাত্র এক হাত পরিমাণ দূরত্ব থাকে, তখন তার দিকে তার তাকদীরের লেখা অগ্রসর হয় এবং সে জাহান্নামীদের কাজ করে, ফলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করে। আবার তোমাদের কেউ অবশ্যই জাহান্নামীদের কাজ করতে থাকে, এমনকি তার ও জাহান্নামের মাঝে মাত্র এক হাত দূরত্ব থাকে, তখন তার দিকে তার তাকদীরের লেখা অগ্রসর হয় এবং সে জান্নাতীদের কাজ করে, ফলে সে জান্নাতে প্রবেশ করে। [৭৪]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، ومحمد بن فضيل، وأبو معاوية ح وحدثنا علي بن ميمون الرقي، حدثنا أبو معاوية، ومحمد بن عبيد، عن الأعمش، عن زيد بن وهب، قال قال عبد الله بن مسعود حدثنا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وهو الصادق المصدوق قال ‏ "‏ يجمع خلق أحدكم في بطن أمه أربعين يوما ثم يكون علقة مثل ذلك ثم يكون مضغة مثل ذلك ثم يبعث الله إليه الملك فيؤمر بأربع كلمات فيقول اكتب عمله وأجله ورزقه وشقي أم سعيد ‏.‏ فوالذي نفسي بيده إن أحدكم ليعمل بعمل أهل الجنة حتى ما يكون بينه وبينها إلا ذراع فيسبق عليه الكتاب فيعمل بعمل أهل النار فيدخلها وإن أحدكم ليعمل بعمل أهل النار حتى ما يكون بينه وبينها إلا ذراع فيسبق عليه الكتاب فيعمل بعمل أهل الجنة فيدخلها ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৭৮

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو معاوية، ووكيع، عن الأعمش، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن علي، قال كنا جلوسا عند النبي صلى الله عليه وسلم ـ صلى الله عليه وسلم ـ وبيده عود فنكت في الأرض ثم رفع رأسه فقال ‏"‏ ما منكم من أحد إلا وقد كتب مقعده من الجنة ومقعده من النار ‏"‏ ‏.‏ قيل يا رسول الله أفلا نتكل قال ‏"‏ لا اعملوا ولا تتكلوا فكل ميسر لما خلق له ‏"‏ ‏.‏ ثم قرأ {فأما من أعطى واتقى * وصدق بالحسنى * فسنيسره لليسرى * وأما من بخل واستغنى * وكذب بالحسنى * فسنيسره للعسرى}‏ ‏.‏

আলী বিন আবু তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বসা ছিলাম। তাঁর হাতে ছিল এক টুকরা কাঠ। তা দিয়ে তিনি মাটির উপর রেখা টানলেন, অতঃপর মাথা তুলে বলেন, তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার জান্নাতে তার একটি আসন অথবা জাহান্নামে তার নিকট আসন নির্ধারিত করা হয়নি। বলা হলো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তাহলে আমরা কি ভরসা করব না? তিনি বলেন, না, তোমরা সৎ কাজ করতে থাকো এবং (এর উপর) ভরসা করো না। কারণ যাকে যার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে তা তার জন্য সহজসাধ্য করা হয়েছে। অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ): “সুতরাং কেউ দান করলে, মুত্তাকী হলে এবং যা উত্তম তা গ্রহণ করলে, আমি তার জন্য সুগম করে দিব সহজ পথ। আর কেউ কার্পণ্য করলে, নিজেকে অমুখাপেক্ষী মনে করলে আমি তার জন্য সুগম করে দিব কঠোর পথ।”(সূরাহ লায়ল ৯২ : ৫-১০)। [৭৬]

আলী বিন আবু তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বসা ছিলাম। তাঁর হাতে ছিল এক টুকরা কাঠ। তা দিয়ে তিনি মাটির উপর রেখা টানলেন, অতঃপর মাথা তুলে বলেন, তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার জান্নাতে তার একটি আসন অথবা জাহান্নামে তার নিকট আসন নির্ধারিত করা হয়নি। বলা হলো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তাহলে আমরা কি ভরসা করব না? তিনি বলেন, না, তোমরা সৎ কাজ করতে থাকো এবং (এর উপর) ভরসা করো না। কারণ যাকে যার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে তা তার জন্য সহজসাধ্য করা হয়েছে। অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ): “সুতরাং কেউ দান করলে, মুত্তাকী হলে এবং যা উত্তম তা গ্রহণ করলে, আমি তার জন্য সুগম করে দিব সহজ পথ। আর কেউ কার্পণ্য করলে, নিজেকে অমুখাপেক্ষী মনে করলে আমি তার জন্য সুগম করে দিব কঠোর পথ।”(সূরাহ লায়ল ৯২ : ৫-১০)। [৭৬]

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو معاوية، ووكيع، عن الأعمش، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن علي، قال كنا جلوسا عند النبي صلى الله عليه وسلم ـ صلى الله عليه وسلم ـ وبيده عود فنكت في الأرض ثم رفع رأسه فقال ‏"‏ ما منكم من أحد إلا وقد كتب مقعده من الجنة ومقعده من النار ‏"‏ ‏.‏ قيل يا رسول الله أفلا نتكل قال ‏"‏ لا اعملوا ولا تتكلوا فكل ميسر لما خلق له ‏"‏ ‏.‏ ثم قرأ {فأما من أعطى واتقى * وصدق بالحسنى * فسنيسره لليسرى * وأما من بخل واستغنى * وكذب بالحسنى * فسنيسره للعسرى}‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৮০

حدثنا هشام بن عمار، ويعقوب بن حميد بن كاسب، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، سمع طاوسا، يقول سمعت أبا هريرة، يخبر عن النبي صلى الله عليه وسلم ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ احتج آدم وموسى فقال له موسى يا آدم أنت أبونا خيبتنا وأخرجتنا من الجنة بذنبك ‏.‏ فقال له آدم يا موسى اصطفاك الله بكلامه وخط لك التوراة بيده أتلومني على أمر قدره الله على قبل أن يخلقني بأربعين سنة فحج آدم موسى فحج آدم موسى فحج آدم موسى ‏"‏ ‏.‏ ثلاثا ‏.‏

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আদম (আঃ) মূসা (আঃ)-এর সাথে (আত্মার জগতে) বিতর্ক করেন। মূসা (আঃ) তাঁকে বলেন, হে আদম! আপনি আমাদের পিতা। আপনি আমাদের হতাশ করেছেন এবং আপনার ভুলের মাশুল স্বরূপ আমাদেরকে জান্নাত থেকে বহিষ্কার করেছেন। আদম (আঃ) তাঁকে বলেন, হে মূসা! আল্লাহ্‌ তোমাকে তাঁর প্রত্যক্ষ কালামের জন্য মনোনীত করেছেন এবং স্বহস্তে তোমাকে তাওরাত কিতাব লিখে দিয়েছেন। তুমি কি আমাকে এমন একটি ব্যাপারে দোষারোপ করছো, যা আল্লাহ্‌ তা’আলা আমাকে সৃষ্টি করার চল্লিশ বছর পূর্বে আমার জন্য নির্ধারিত করেন? অতএব আদম (আঃ) বিতর্কে মূসা (আঃ)-এর উপর বিজয়ী হন, আদম (আঃ) মূসা (আঃ)-এর সাথে বিতর্কে বিজয়ী হন, আদম (আঃ) মূসা (আঃ)-এর সাথে বিতর্কে বিজয়ী হন। কথাটি তিনি তিনবার বলেন। [৭৮]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আদম (আঃ) মূসা (আঃ)-এর সাথে (আত্মার জগতে) বিতর্ক করেন। মূসা (আঃ) তাঁকে বলেন, হে আদম! আপনি আমাদের পিতা। আপনি আমাদের হতাশ করেছেন এবং আপনার ভুলের মাশুল স্বরূপ আমাদেরকে জান্নাত থেকে বহিষ্কার করেছেন। আদম (আঃ) তাঁকে বলেন, হে মূসা! আল্লাহ্‌ তোমাকে তাঁর প্রত্যক্ষ কালামের জন্য মনোনীত করেছেন এবং স্বহস্তে তোমাকে তাওরাত কিতাব লিখে দিয়েছেন। তুমি কি আমাকে এমন একটি ব্যাপারে দোষারোপ করছো, যা আল্লাহ্‌ তা’আলা আমাকে সৃষ্টি করার চল্লিশ বছর পূর্বে আমার জন্য নির্ধারিত করেন? অতএব আদম (আঃ) বিতর্কে মূসা (আঃ)-এর উপর বিজয়ী হন, আদম (আঃ) মূসা (আঃ)-এর সাথে বিতর্কে বিজয়ী হন, আদম (আঃ) মূসা (আঃ)-এর সাথে বিতর্কে বিজয়ী হন। কথাটি তিনি তিনবার বলেন। [৭৮]

حدثنا هشام بن عمار، ويعقوب بن حميد بن كاسب، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، سمع طاوسا، يقول سمعت أبا هريرة، يخبر عن النبي صلى الله عليه وسلم ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ احتج آدم وموسى فقال له موسى يا آدم أنت أبونا خيبتنا وأخرجتنا من الجنة بذنبك ‏.‏ فقال له آدم يا موسى اصطفاك الله بكلامه وخط لك التوراة بيده أتلومني على أمر قدره الله على قبل أن يخلقني بأربعين سنة فحج آدم موسى فحج آدم موسى فحج آدم موسى ‏"‏ ‏.‏ ثلاثا ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৮৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا وكيع، حدثنا سفيان الثوري، عن زياد بن إسماعيل المخزومي، عن محمد بن عباد بن جعفر، عن أبي هريرة، قال جاء مشركو قريش يخاصمون النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ في القدر فنزلت هذه الآية {يوم يسحبون في النار على وجوههم ذوقوا مس سقر * إنا كل شىء خلقناه بقدر ‏}‏ ‏.‏

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কুরায়শ মুশরিকরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে তাকদীরের ব্যাপারে ঝগড়া করার উদ্দেশ্যে উপস্থিত হয়। তখন এ আয়াত নাযিল হয় (অনুবাদ): “যেদিন তাদেরকে উপুড় করে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে জাহান্নামের দিকে, (সেদিন বলা হবে) জাহান্নামের যন্ত্রণা আস্বাদন করো। আমি সবকিছু সৃষ্টি করেছি নির্ধারিত পরিমাপে।” (সূরা আল ক্বামার ৫৪ : ৪৮, ৪৯) [৮১]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কুরায়শ মুশরিকরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে তাকদীরের ব্যাপারে ঝগড়া করার উদ্দেশ্যে উপস্থিত হয়। তখন এ আয়াত নাযিল হয় (অনুবাদ): “যেদিন তাদেরকে উপুড় করে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে জাহান্নামের দিকে, (সেদিন বলা হবে) জাহান্নামের যন্ত্রণা আস্বাদন করো। আমি সবকিছু সৃষ্টি করেছি নির্ধারিত পরিমাপে।” (সূরা আল ক্বামার ৫৪ : ৪৮, ৪৯) [৮১]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا وكيع، حدثنا سفيان الثوري، عن زياد بن إسماعيل المخزومي، عن محمد بن عباد بن جعفر، عن أبي هريرة، قال جاء مشركو قريش يخاصمون النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ في القدر فنزلت هذه الآية {يوم يسحبون في النار على وجوههم ذوقوا مس سقر * إنا كل شىء خلقناه بقدر ‏}‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৮৪

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، قال حدثنا مالك بن إسماعيل، حدثنا يحيى بن عثمان، مولى أبي بكر حدثنا يحيى بن عبد الله بن أبي مليكة، عن أبيه، أنه دخل على عائشة فذكر لها شيئا من القدر فقالت سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏ "‏ من تكلم في شىء من القدر سئل عنه يوم القيامة ومن لم يتكلم فيه لم يسأل عنه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو الحسن القطان حدثناه خازم بن يحيى، حدثنا عبد الملك بن شيبان، حدثنا يحيى بن عثمان، فذكر نحوه ‏.‏

আবদুল্লাহ বিন উবায়দুল্লাহ থেকে বর্নিতঃ

তিনি আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তার সঙ্গে তাকদীর সম্পর্কে কিছু আলোচনা করেন। আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি তাকদীর সম্পর্কে কিছু বলবে, কিয়ামতের দিন তাকে ঐ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে। আর যে ব্যক্তি এ বিষয়ে কিছু বলবে না তাকে সে সম্পর্কে জিজ্ঞেসও করা হবে না। [৮২]

আবদুল্লাহ বিন উবায়দুল্লাহ থেকে বর্নিতঃ

তিনি আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তার সঙ্গে তাকদীর সম্পর্কে কিছু আলোচনা করেন। আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি তাকদীর সম্পর্কে কিছু বলবে, কিয়ামতের দিন তাকে ঐ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে। আর যে ব্যক্তি এ বিষয়ে কিছু বলবে না তাকে সে সম্পর্কে জিজ্ঞেসও করা হবে না। [৮২]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، قال حدثنا مالك بن إسماعيل، حدثنا يحيى بن عثمان، مولى أبي بكر حدثنا يحيى بن عبد الله بن أبي مليكة، عن أبيه، أنه دخل على عائشة فذكر لها شيئا من القدر فقالت سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏ "‏ من تكلم في شىء من القدر سئل عنه يوم القيامة ومن لم يتكلم فيه لم يسأل عنه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو الحسن القطان حدثناه خازم بن يحيى، حدثنا عبد الملك بن شيبان، حدثنا يحيى بن عثمان، فذكر نحوه ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৮৫

حدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو معاوية، حدثنا داود بن أبي هند، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، قال خرج رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ على أصحابه وهم يختصمون في القدر فكأنما يفقأ في وجهه حب الرمان من الغضب فقال ‏ "‏ بهذا أمرتم أو لهذا خلقتم تضربون القرآن بعضه ببعض ‏.‏ بهذا هلكت الأمم قبلكم ‏"‏ ‏.‏ قال فقال عبد الله بن عمرو ما غبطت نفسي بمجلس تخلفت فيه عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ما غبطت نفسي بذلك المجلس وتخلفي عنه.‏

আবদুল্লাহ বিন আম্‌র ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সহাবীদের নিকট বের হয়ে এলেন। তখন তারা তাকদীর সম্পর্কে বাদানুবাদ করছিল। ফলে রাগে তাঁর চেহারা লাল বর্ণ ধারণ করে, যেন ডালিমের দানা তাঁর মুখমন্ডলে ছিটিয়ে দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, তোমাদের কি এ কাজের নির্দেশ দেয়া হয়েছে অথবা এর জন্য কি তোমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে? তোমরাও কুরআনের কতকাংশকে কতকাংশের বিরুদ্ধে পেশ করছো। এ কারণেই তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মাতগণ ধ্বংস হয়েছে। রাবী বলেন, আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) বললেন, আমি এই মজলিসে উপস্থিত না থাকায় যে লজ্জা পেলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আর কোন মজলিসে আমি উপস্থিত না হওয়ায় এতটা লজ্জা পাইনি। [৮৩]

আবদুল্লাহ বিন আম্‌র ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সহাবীদের নিকট বের হয়ে এলেন। তখন তারা তাকদীর সম্পর্কে বাদানুবাদ করছিল। ফলে রাগে তাঁর চেহারা লাল বর্ণ ধারণ করে, যেন ডালিমের দানা তাঁর মুখমন্ডলে ছিটিয়ে দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, তোমাদের কি এ কাজের নির্দেশ দেয়া হয়েছে অথবা এর জন্য কি তোমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে? তোমরাও কুরআনের কতকাংশকে কতকাংশের বিরুদ্ধে পেশ করছো। এ কারণেই তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মাতগণ ধ্বংস হয়েছে। রাবী বলেন, আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) বললেন, আমি এই মজলিসে উপস্থিত না থাকায় যে লজ্জা পেলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আর কোন মজলিসে আমি উপস্থিত না হওয়ায় এতটা লজ্জা পাইনি। [৮৩]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو معاوية، حدثنا داود بن أبي هند، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، قال خرج رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ على أصحابه وهم يختصمون في القدر فكأنما يفقأ في وجهه حب الرمان من الغضب فقال ‏ "‏ بهذا أمرتم أو لهذا خلقتم تضربون القرآن بعضه ببعض ‏.‏ بهذا هلكت الأمم قبلكم ‏"‏ ‏.‏ قال فقال عبد الله بن عمرو ما غبطت نفسي بمجلس تخلفت فيه عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ما غبطت نفسي بذلك المجلس وتخلفي عنه.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৮৭

حدثنا علي بن محمد، حدثنا يحيى بن عيسى الجرار، عن عبد الأعلى بن أبي المساور، عن الشعبي، قال لما قدم عدي بن حاتم الكوفة أتيناه في نفر من فقهاء أهل الكوفة ‏.‏ فقلنا له حدثنا ما سمعت من رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏ فقال أتيت النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال ‏"‏ يا عدي بن حاتم أسلم تسلم ‏"‏ ‏.‏ قلت وما الإسلام فقال ‏"‏ تشهد أن لا إله إلا الله وأني رسول الله وتؤمن بالأقدار كلها خيرها وشرها حلوها ومرها ‏"‏ ‏.‏

শা’বী (আমির বিন শুরাহীল) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আদী বিন হাতিম (রাঃ) কূফায় এলে আমরা কূফার একদল ফকীহ তাঁর সাথে সাক্ষাত করি। আমরা তাকে বললাম, আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট যা শুনেছেন, তা আমাদের কাছে বর্ণনা করুন। তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এলে তিনি বলেন, হে আদী বিন হাতিম! তুমি ইসলাম গ্রহণ করো, শান্তি পাবে। আমি বললাম, ইসলাম কী? তিনি বলেন, তুমি সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ্‌ ছাড়া সত্যিকার কোন ইলাহ নেই, আমি আল্লাহ্‌র রসূল এবং তুমি তাকদীরের ভাল-মন্দ, স্বাদ-তিক্ততা সবকিছুর উপর ঈমান আনবে। [৮৫]

শা’বী (আমির বিন শুরাহীল) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আদী বিন হাতিম (রাঃ) কূফায় এলে আমরা কূফার একদল ফকীহ তাঁর সাথে সাক্ষাত করি। আমরা তাকে বললাম, আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট যা শুনেছেন, তা আমাদের কাছে বর্ণনা করুন। তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এলে তিনি বলেন, হে আদী বিন হাতিম! তুমি ইসলাম গ্রহণ করো, শান্তি পাবে। আমি বললাম, ইসলাম কী? তিনি বলেন, তুমি সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ্‌ ছাড়া সত্যিকার কোন ইলাহ নেই, আমি আল্লাহ্‌র রসূল এবং তুমি তাকদীরের ভাল-মন্দ, স্বাদ-তিক্ততা সবকিছুর উপর ঈমান আনবে। [৮৫]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا يحيى بن عيسى الجرار، عن عبد الأعلى بن أبي المساور، عن الشعبي، قال لما قدم عدي بن حاتم الكوفة أتيناه في نفر من فقهاء أهل الكوفة ‏.‏ فقلنا له حدثنا ما سمعت من رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏ فقال أتيت النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال ‏"‏ يا عدي بن حاتم أسلم تسلم ‏"‏ ‏.‏ قلت وما الإسلام فقال ‏"‏ تشهد أن لا إله إلا الله وأني رسول الله وتؤمن بالأقدار كلها خيرها وشرها حلوها ومرها ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৮৮

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أسباط بن محمد، حدثنا الأعمش، عن يزيد الرقاشي، عن غنيم بن قيس، عن أبي موسى الأشعري، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ مثل القلب مثل الريشة تقلبها الرياح بفلاة ‏"‏ ‏.‏

আবু মূসা আল-আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, অন্তর হলো পালকতুল্য, উন্মুক্ত মাঠে বাতাস তাকে যেদিকে ইচ্ছা উল্টাতে-পাল্টাতে থাকে। [৮৬]

আবু মূসা আল-আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, অন্তর হলো পালকতুল্য, উন্মুক্ত মাঠে বাতাস তাকে যেদিকে ইচ্ছা উল্টাতে-পাল্টাতে থাকে। [৮৬]

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أسباط بن محمد، حدثنا الأعمش، عن يزيد الرقاشي، عن غنيم بن قيس، عن أبي موسى الأشعري، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ مثل القلب مثل الريشة تقلبها الرياح بفلاة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৮৯

حدثنا علي بن محمد، حدثنا خالي، يعلى عن الأعمش، عن سالم بن أبي الجعد، عن جابر، قال جاء رجل من الأنصار إلى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال يا رسول الله إن لي جارية أعزل عنها قال ‏"‏ سيأتيها ما قدر لها ‏"‏ ‏.‏ فأتاه بعد ذلك فقال قد حملت الجارية ‏.‏ فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ ما قدر لنفس شىء إلا هي كائنة ‏"‏ ‏.‏

জাবির (বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আনসার সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার একটি দাসী আছে। আমি কি তার সাথে (সঙ্গমকালে) আযল করতে পারি? তিনি বলেন, তার জন্য যা নির্ধারণ করা হয়েছে তা অবশ্যই সে লাভ করবে। পরে আবার সেই আনসারই তাঁর নিকট এসে বলেন, দাসীটি গর্ভধারণ করেছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যার জন্য যা নির্ধারিত হয়েছে তা অবশ্যই ঘটবে। [৮৭]

জাবির (বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আনসার সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার একটি দাসী আছে। আমি কি তার সাথে (সঙ্গমকালে) আযল করতে পারি? তিনি বলেন, তার জন্য যা নির্ধারণ করা হয়েছে তা অবশ্যই সে লাভ করবে। পরে আবার সেই আনসারই তাঁর নিকট এসে বলেন, দাসীটি গর্ভধারণ করেছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যার জন্য যা নির্ধারিত হয়েছে তা অবশ্যই ঘটবে। [৮৭]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا خالي، يعلى عن الأعمش، عن سالم بن أبي الجعد، عن جابر، قال جاء رجل من الأنصار إلى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال يا رسول الله إن لي جارية أعزل عنها قال ‏"‏ سيأتيها ما قدر لها ‏"‏ ‏.‏ فأتاه بعد ذلك فقال قد حملت الجارية ‏.‏ فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ ما قدر لنفس شىء إلا هي كائنة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৯১

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا عطاء بن مسلم الخفاف، حدثنا الأعمش، عن مجاهد، عن سراقة بن جعشم، قال قلت يا رسول الله العمل فيما جف به القلم وجرت به المقادير أو في أمر مستقبل قال ‏ "‏ بل فيما جف به القلم وجرت به المقادير وكل ميسر لما خلق له ‏"‏ ‏.‏

সুরাকাহ বিন জু’শুম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! কার্যকলাপ কি তাই যা পূর্বেই লিপিবদ্ধ করা হয়েছে এবং তদানুযায়ী তাকদীরে নির্ধারিত হয়েছে, না ভবিষ্যতে যা করা হবে তা? তিনি বলেন, বরং তাই যা পূর্বেই লিপিবদ্ধ হয়ে গেছে এবং তদানুযায়ী তাকদীর নির্দিষ্ট হয়েছে। যাকে যে জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে তার জন্য তা সহজসাধ্য করা হয়েছে।

সুরাকাহ বিন জু’শুম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! কার্যকলাপ কি তাই যা পূর্বেই লিপিবদ্ধ করা হয়েছে এবং তদানুযায়ী তাকদীরে নির্ধারিত হয়েছে, না ভবিষ্যতে যা করা হবে তা? তিনি বলেন, বরং তাই যা পূর্বেই লিপিবদ্ধ হয়ে গেছে এবং তদানুযায়ী তাকদীর নির্দিষ্ট হয়েছে। যাকে যে জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে তার জন্য তা সহজসাধ্য করা হয়েছে।

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا عطاء بن مسلم الخفاف، حدثنا الأعمش، عن مجاهد، عن سراقة بن جعشم، قال قلت يا رسول الله العمل فيما جف به القلم وجرت به المقادير أو في أمر مستقبل قال ‏ "‏ بل فيما جف به القلم وجرت به المقادير وكل ميسر لما خلق له ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৭৭

حدثنا علي بن محمد، حدثنا إسحاق بن سليمان، قال سمعت أبا سنان، عن وهب بن خالد الحمصي، عن ابن الديلمي، قال وقع في نفسي شىء من هذا القدر خشيت أن يفسد على ديني وأمري فأتيت أبى بن كعب فقلت أبا المنذر إنه قد وقع في قلبي شىء من هذا القدر فخشيت على ديني وأمري فحدثني من ذلك بشىء لعل الله أن ينفعني به ‏.‏ فقال لو أن الله عذب أهل سمواته وأهل أرضه لعذبهم وهو غير ظالم لهم ولو رحمهم لكانت رحمته خيرا لهم من أعمالهم ‏.‏ ولو كان لك مثل جبل أحد ذهبا أو مثل جبل أحد تنفقه في سبيل الله ما قبل منك حتى تؤمن بالقدر ‏.‏ فتعلم أن ما أصابك لم يكن ليخطئك وأن ما أخطأك لم يكن ليصيبك ‏.‏ وأنك إن مت على غير هذا دخلت النار ولا عليك أن تأتي أخي عبد الله بن مسعود فتسأله ‏.‏ فأتيت عبد الله فسألته فذكر مثل ما قال أبى وقال لي ولا عليك أن تأتي حذيفة ‏.‏ فأتيت حذيفة فسألته فقال مثل ما قالا وقال ائت زيد بن ثابت فاسأله ‏.‏ فأتيت زيد بن ثابت فسألته فقال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏ "‏ لو أن الله عذب أهل سمواته وأهل أرضه لعذبهم وهو غير ظالم لهم ولو رحمهم لكانت رحمته خيرا لهم من أعمالهم ولو كان لك مثل أحد ذهبا أو مثل جبل أحد ذهبا تنفقه في سبيل الله ما قبله منك حتى تؤمن بالقدر كله فتعلم أن ما أصابك لم يكن ليخطئك وما أخطأك لم يكن ليصيبك وأنك إن مت على غير هذا دخلت النار ‏"‏ ‏.‏

উবাই বিন কা’ব, আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ, হুযায়ফাহ ও যায়দ বিন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(ইবনুল দায়লামী) বলেন, আমার মনে এই তাকদীর সম্পর্কে কিছুটা সন্দেহ দানা বাঁধে। তাই আমি এই ভেবে শংকিত হই যে, তা আমার দ্বীন ও অন্যান্য কার্যক্রম নষ্ট করে দেয় কিনা। তাই আমি উবাই বিন কা’ব (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, হে আবুল মুনযির! আমার মনে এই তাকদীর সম্পর্কে কিছুটা সন্দেহ দানা বেঁধেছে, তাই আমি এই ভেবে শংকিত হই যে, তা আমার দ্বীন ও অন্যান্য কার্যক্রমকে নষ্ট করে দেয় কিনা। অতএব এ সম্পর্কে আমাকে কিছু বলুন। আশা করি আল্লাহ্‌ তা দ্বারা আমার উপকার করবেন। তিনি বলেন, আল্লাহ্‌ তা’আলা ঊর্ধলোকের ও ইহলোকের সকলকে শাস্তি দিতে চাইলে তিনি অবশ্যই তাদের শাস্তি দিতে পারেন। তথাপি তিনি তাদের প্রতি যুলমকারী নন। আর তিনি তাদেরকে দয়া করতে চাইলে তাঁর দয়া তাদের জন্য তাদের কাজকর্মের চেয়ে কল্যাণময়। যদি তোমাদের নিকট উহূদ পাহাড় পরিমাণ বা উহূদ পাহাড়ের মত সোনা থাকতো এবং তুমি তা আল্লাহ্‌র রাস্তায় খরচ করতে থাকো, তবে তোমার সেই দান কবুল হবে না, যাবত না তুমি তাকদীরের উপর ঈমান আনো। অতএব তুমি জেনে রাখো! যা কিছু তোমার উপর আপতিত হয়েছে তা তোমার উপর আপতিত হতে কখনো ভুল হতো না এবং যা তোমার উপর আপতিত হওয়ার ছিল না তা ভুলেও কখনো তোমার উপর আপতিত হবে না। তুমি যদি এর বিপরীত বিশ্বাস নিয়ে মারা যাও তবে তুমি জাহান্নামে যাবে। আমি মনে করি তুমি আমার ভাই আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলে তোমার কোন ক্ষতি হবেনা। (ইবনুদ দাইলামী বলেন), অতঃপর আমি আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ)-এর নিকট এসে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনিও উবাই (রাঃ)-এর অনুরূপ বললেন। তিনি আরো বললেন, তুমি হুযাইফাহ (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে জিজ্ঞেস করলে তোমার ক্ষতি নেই। অতঃপর আমি হুযাইফাহ (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনিও তাদের দু’জনের অনুরূপ বলেন। তিনি আরও বলেন, তুমি যায়দ বিন সাবিত (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে তাকেও জিজ্ঞেস করো। অতএব আমি যায়দ বিন সাবিত (রাঃ)-এর নিকট এসে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা ঊর্ধলোক ও ইহলোকের সকল অধিবাসীকে শাস্তি দিতে চাইলে অবশ্যই তাদের শাস্তি দিতে পারবেন এবং তিনি তাদের প্রতি যুলমকারী নন। আর তিনি তাদের প্রতি দয়া করতে চাইলে তাঁর দয়া তাদের সমস্ত সৎ কাজের চাইতেও তাদের জন্য অধিক কল্যাণকর। তোমার নিকট উহূদ পাহাড় পরিমাণ সোনা থাকলেও এবং তুমি তা আল্লাহ্‌র পথে ব্যয় করলেও তিনি তা কবূল করবেন না, যাবত না তুমি সম্পূর্ণরূপে তাকদীরের উপর ঈমান আনো। অতএব তুমি জেনে রাখো! তোমার উপর যা কিছু আপতিত হওয়ার আছে তা তোমার উপর আপতিত হয়েছে, তা কখনো ভুলেও এড়িয়ে যেত না এবং যা তোমার উপর আপতিত হওয়ার ছিল না, তা তোমার উপর ভুলেও কখনো আপতিত হত না। তুমি যদি এর বিপরীত বিশ্বাস নিয়ে মারা যাও তাহলে তুমি জাহান্নামে যাবে। [৭৫]

উবাই বিন কা’ব, আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ, হুযায়ফাহ ও যায়দ বিন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(ইবনুল দায়লামী) বলেন, আমার মনে এই তাকদীর সম্পর্কে কিছুটা সন্দেহ দানা বাঁধে। তাই আমি এই ভেবে শংকিত হই যে, তা আমার দ্বীন ও অন্যান্য কার্যক্রম নষ্ট করে দেয় কিনা। তাই আমি উবাই বিন কা’ব (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, হে আবুল মুনযির! আমার মনে এই তাকদীর সম্পর্কে কিছুটা সন্দেহ দানা বেঁধেছে, তাই আমি এই ভেবে শংকিত হই যে, তা আমার দ্বীন ও অন্যান্য কার্যক্রমকে নষ্ট করে দেয় কিনা। অতএব এ সম্পর্কে আমাকে কিছু বলুন। আশা করি আল্লাহ্‌ তা দ্বারা আমার উপকার করবেন। তিনি বলেন, আল্লাহ্‌ তা’আলা ঊর্ধলোকের ও ইহলোকের সকলকে শাস্তি দিতে চাইলে তিনি অবশ্যই তাদের শাস্তি দিতে পারেন। তথাপি তিনি তাদের প্রতি যুলমকারী নন। আর তিনি তাদেরকে দয়া করতে চাইলে তাঁর দয়া তাদের জন্য তাদের কাজকর্মের চেয়ে কল্যাণময়। যদি তোমাদের নিকট উহূদ পাহাড় পরিমাণ বা উহূদ পাহাড়ের মত সোনা থাকতো এবং তুমি তা আল্লাহ্‌র রাস্তায় খরচ করতে থাকো, তবে তোমার সেই দান কবুল হবে না, যাবত না তুমি তাকদীরের উপর ঈমান আনো। অতএব তুমি জেনে রাখো! যা কিছু তোমার উপর আপতিত হয়েছে তা তোমার উপর আপতিত হতে কখনো ভুল হতো না এবং যা তোমার উপর আপতিত হওয়ার ছিল না তা ভুলেও কখনো তোমার উপর আপতিত হবে না। তুমি যদি এর বিপরীত বিশ্বাস নিয়ে মারা যাও তবে তুমি জাহান্নামে যাবে। আমি মনে করি তুমি আমার ভাই আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলে তোমার কোন ক্ষতি হবেনা। (ইবনুদ দাইলামী বলেন), অতঃপর আমি আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ)-এর নিকট এসে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনিও উবাই (রাঃ)-এর অনুরূপ বললেন। তিনি আরো বললেন, তুমি হুযাইফাহ (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে জিজ্ঞেস করলে তোমার ক্ষতি নেই। অতঃপর আমি হুযাইফাহ (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনিও তাদের দু’জনের অনুরূপ বলেন। তিনি আরও বলেন, তুমি যায়দ বিন সাবিত (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে তাকেও জিজ্ঞেস করো। অতএব আমি যায়দ বিন সাবিত (রাঃ)-এর নিকট এসে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা ঊর্ধলোক ও ইহলোকের সকল অধিবাসীকে শাস্তি দিতে চাইলে অবশ্যই তাদের শাস্তি দিতে পারবেন এবং তিনি তাদের প্রতি যুলমকারী নন। আর তিনি তাদের প্রতি দয়া করতে চাইলে তাঁর দয়া তাদের সমস্ত সৎ কাজের চাইতেও তাদের জন্য অধিক কল্যাণকর। তোমার নিকট উহূদ পাহাড় পরিমাণ সোনা থাকলেও এবং তুমি তা আল্লাহ্‌র পথে ব্যয় করলেও তিনি তা কবূল করবেন না, যাবত না তুমি সম্পূর্ণরূপে তাকদীরের উপর ঈমান আনো। অতএব তুমি জেনে রাখো! তোমার উপর যা কিছু আপতিত হওয়ার আছে তা তোমার উপর আপতিত হয়েছে, তা কখনো ভুলেও এড়িয়ে যেত না এবং যা তোমার উপর আপতিত হওয়ার ছিল না, তা তোমার উপর ভুলেও কখনো আপতিত হত না। তুমি যদি এর বিপরীত বিশ্বাস নিয়ে মারা যাও তাহলে তুমি জাহান্নামে যাবে। [৭৫]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا إسحاق بن سليمان، قال سمعت أبا سنان، عن وهب بن خالد الحمصي، عن ابن الديلمي، قال وقع في نفسي شىء من هذا القدر خشيت أن يفسد على ديني وأمري فأتيت أبى بن كعب فقلت أبا المنذر إنه قد وقع في قلبي شىء من هذا القدر فخشيت على ديني وأمري فحدثني من ذلك بشىء لعل الله أن ينفعني به ‏.‏ فقال لو أن الله عذب أهل سمواته وأهل أرضه لعذبهم وهو غير ظالم لهم ولو رحمهم لكانت رحمته خيرا لهم من أعمالهم ‏.‏ ولو كان لك مثل جبل أحد ذهبا أو مثل جبل أحد تنفقه في سبيل الله ما قبل منك حتى تؤمن بالقدر ‏.‏ فتعلم أن ما أصابك لم يكن ليخطئك وأن ما أخطأك لم يكن ليصيبك ‏.‏ وأنك إن مت على غير هذا دخلت النار ولا عليك أن تأتي أخي عبد الله بن مسعود فتسأله ‏.‏ فأتيت عبد الله فسألته فذكر مثل ما قال أبى وقال لي ولا عليك أن تأتي حذيفة ‏.‏ فأتيت حذيفة فسألته فقال مثل ما قالا وقال ائت زيد بن ثابت فاسأله ‏.‏ فأتيت زيد بن ثابت فسألته فقال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏ "‏ لو أن الله عذب أهل سمواته وأهل أرضه لعذبهم وهو غير ظالم لهم ولو رحمهم لكانت رحمته خيرا لهم من أعمالهم ولو كان لك مثل أحد ذهبا أو مثل جبل أحد ذهبا تنفقه في سبيل الله ما قبله منك حتى تؤمن بالقدر كله فتعلم أن ما أصابك لم يكن ليخطئك وما أخطأك لم يكن ليصيبك وأنك إن مت على غير هذا دخلت النار ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৮৬

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا وكيع، حدثنا يحيى بن أبي حية أبو جناب الكلبي، عن أبيه، عن ابن عمر، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ لا عدوى ولا طيرة ولا هامة ‏"‏ ‏.‏ فقام إليه رجل أعرابي فقال يا رسول الله أرأيت البعير يكون به الجرب فيجرب الإبل كلها قال ‏"‏ ذلكم القدر فمن أجرب الأول ‏"‏ ‏.‏

(আবদুল্লাহ) বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ছোঁয়াচে বলতে কোন রোগ নেই, অশুভ লক্ষণ বলতে কিছুই নেই এবং হামাহ (পেঁচার ডাক) বলতে কিছুই নেই। তখন তার সামনে এক বেদুঈন দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনার কী মত যে, চর্মরোগে আক্রান্ত একটি উট সুস্থ উটের সংস্পর্শে এসে সকল উটকে আক্রান্ত করে? তিনি বলেন, এটাই তোমাদের তাকদীর। আচ্ছা প্রথম উটটিকে কে সংক্রামিত করেছিল? [৮৪] তাহকীকঃ এটাই তোমাদের তাকদীর এ ব্যতীত সহীহ।

(আবদুল্লাহ) বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ছোঁয়াচে বলতে কোন রোগ নেই, অশুভ লক্ষণ বলতে কিছুই নেই এবং হামাহ (পেঁচার ডাক) বলতে কিছুই নেই। তখন তার সামনে এক বেদুঈন দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনার কী মত যে, চর্মরোগে আক্রান্ত একটি উট সুস্থ উটের সংস্পর্শে এসে সকল উটকে আক্রান্ত করে? তিনি বলেন, এটাই তোমাদের তাকদীর। আচ্ছা প্রথম উটটিকে কে সংক্রামিত করেছিল? [৮৪] তাহকীকঃ এটাই তোমাদের তাকদীর এ ব্যতীত সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا وكيع، حدثنا يحيى بن أبي حية أبو جناب الكلبي، عن أبيه، عن ابن عمر، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ لا عدوى ولا طيرة ولا هامة ‏"‏ ‏.‏ فقام إليه رجل أعرابي فقال يا رسول الله أرأيت البعير يكون به الجرب فيجرب الإبل كلها قال ‏"‏ ذلكم القدر فمن أجرب الأول ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৯২

حدثنا محمد بن المصفى الحمصي، حدثنا بقية بن الوليد، عن الأوزاعي، عن ابن جريج، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إن مجوس هذه الأمة المكذبون بأقدار الله إن مرضوا فلا تعودوهم وإن ماتوا فلا تشهدوهم وإن لقيتموهم فلا تسلموا عليهم ‏"‏ ‏.‏

জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এ উম্মাতের তারা মাজুসী (অগ্নিপূজক) যারা আল্লাহ্‌র নির্ধারিত তাকদীরকে অস্বীকার করে। এরা রোগাক্রান্ত হলে তোমরা তাদের দেখতে যেও না। তারা মারা গেলে তোমরা তাদের জানাযাহয় হাজির হয়ো না। এদের সাথে তোমাদের সাক্ষাত হলে তোমরা এদের সালাম দিওনা। তাহকীকঃ সালাম অংশ কথাটি ছাড়া হাসান।

জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এ উম্মাতের তারা মাজুসী (অগ্নিপূজক) যারা আল্লাহ্‌র নির্ধারিত তাকদীরকে অস্বীকার করে। এরা রোগাক্রান্ত হলে তোমরা তাদের দেখতে যেও না। তারা মারা গেলে তোমরা তাদের জানাযাহয় হাজির হয়ো না। এদের সাথে তোমাদের সাক্ষাত হলে তোমরা এদের সালাম দিওনা। তাহকীকঃ সালাম অংশ কথাটি ছাড়া হাসান।

حدثنا محمد بن المصفى الحمصي، حدثنا بقية بن الوليد، عن الأوزاعي، عن ابن جريج، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إن مجوس هذه الأمة المكذبون بأقدار الله إن مرضوا فلا تعودوهم وإن ماتوا فلا تشهدوهم وإن لقيتموهم فلا تسلموا عليهم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৯০

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن عبد الله بن عيسى، عن عبد الله بن أبي الجعد، عن ثوبان، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ لا يزيد في العمر إلا البر ولا يرد القدر إلا الدعاء وإن الرجل ليحرم الرزق للخطيئة يعملها ‏"‏ ‏.‏

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কেবল সৎ কর্মই আয়ু বৃদ্ধি করে এবং দু’আ ব্যতীত অন্য কিছুতে তাকদীর রদ হয় না। মানুষের অসৎ কর্মই তাকে রিয্‌ক বঞ্চিত করে। [৮৮] তাহকীক আলবানীঃ (আরবী) কথাটি ছাড়া হাসান।

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কেবল সৎ কর্মই আয়ু বৃদ্ধি করে এবং দু’আ ব্যতীত অন্য কিছুতে তাকদীর রদ হয় না। মানুষের অসৎ কর্মই তাকে রিয্‌ক বঞ্চিত করে। [৮৮] তাহকীক আলবানীঃ (আরবী) কথাটি ছাড়া হাসান।

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن عبد الله بن عيسى، عن عبد الله بن أبي الجعد، عن ثوبان، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ لا يزيد في العمر إلا البر ولا يرد القدر إلا الدعاء وإن الرجل ليحرم الرزق للخطيئة يعملها ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > আবু বাক্‌র সিদ্দীক (রাঃ)- এর সম্মান

সুনানে ইবনে মাজাহ ৯৩

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن أبي الأحوص، عن عبد الله، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ ألا إني أبرأ إلى كل خليل من خلته ولو كنت متخذا خليلا لاتخذت أبا بكر خليلا إن صاحبكم خليل الله ‏"‏ ‏.‏ قال وكيع يعني نفسه ‏.‏

আবদুল্লাহ্‌ (বিন মাসঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, জেনে রাখো! আমি প্রত্যেক বন্ধুর বন্ধুত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছি। যদি আমি কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করতাম তবে আবু বাক্‌রকেই অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম। নিশ্চয় তোমাদের এই সাথী আল্লাহ্‌র অন্তরঙ্গ বন্ধু। ওয়াকী' (রাঃ) বলেন, অর্থাৎ তিনি নিজে। [৯১]

আবদুল্লাহ্‌ (বিন মাসঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, জেনে রাখো! আমি প্রত্যেক বন্ধুর বন্ধুত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছি। যদি আমি কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করতাম তবে আবু বাক্‌রকেই অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম। নিশ্চয় তোমাদের এই সাথী আল্লাহ্‌র অন্তরঙ্গ বন্ধু। ওয়াকী' (রাঃ) বলেন, অর্থাৎ তিনি নিজে। [৯১]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن أبي الأحوص، عن عبد الله، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ ألا إني أبرأ إلى كل خليل من خلته ولو كنت متخذا خليلا لاتخذت أبا بكر خليلا إن صاحبكم خليل الله ‏"‏ ‏.‏ قال وكيع يعني نفسه ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৯৪

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ ما نفعني مال قط ما نفعني مال أبي بكر ‏"‏ ‏.‏ قال فبكى أبو بكر وقال هل أنا ومالي إلا لك يا رسول الله

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আবু বাক্‌রের ধন-সম্পদ আমার যতটুকু উপকারে এসেছে অন্য কারো ধন-সম্পদ আমার তত উপকারে আসেনি। রাবী বলেন, এ কথায় আবু বাক্‌র (রাঃ) কেঁদে ফেলেন এবং বলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি ও আমার ধন-সম্পদ আপনারই। [৯২]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আবু বাক্‌রের ধন-সম্পদ আমার যতটুকু উপকারে এসেছে অন্য কারো ধন-সম্পদ আমার তত উপকারে আসেনি। রাবী বলেন, এ কথায় আবু বাক্‌র (রাঃ) কেঁদে ফেলেন এবং বলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি ও আমার ধন-সম্পদ আপনারই। [৯২]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ ما نفعني مال قط ما نفعني مال أبي بكر ‏"‏ ‏.‏ قال فبكى أبو بكر وقال هل أنا ومالي إلا لك يا رسول الله


সুনানে ইবনে মাজাহ ৯৫

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا سفيان، عن الحسن بن عمارة، عن فراس، عن الشعبي، عن الحارث، عن علي، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أبو بكر وعمر سيدا كهول أهل الجنة من الأولين والآخرين إلا النبيين والمرسلين لا تخبرهما يا علي ما داما حيين ‏"‏ ‏.‏

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আবু বাকর ও উমার নবী-রসূলগণ ব্যতীত পূর্বাপর (সর্বকালের) সকল বয়স্ক জান্নাতীর নেতা হবে। হে আলী! তাদের জীবদ্দশায় তুমি তা তাদেরকে অবহিত করো না। [৯৩]

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আবু বাকর ও উমার নবী-রসূলগণ ব্যতীত পূর্বাপর (সর্বকালের) সকল বয়স্ক জান্নাতীর নেতা হবে। হে আলী! তাদের জীবদ্দশায় তুমি তা তাদেরকে অবহিত করো না। [৯৩]

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا سفيان، عن الحسن بن عمارة، عن فراس، عن الشعبي، عن الحارث، عن علي، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أبو بكر وعمر سيدا كهول أهل الجنة من الأولين والآخرين إلا النبيين والمرسلين لا تخبرهما يا علي ما داما حيين ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৯৬

حدثنا علي بن محمد، وعمرو بن عبد الله، قالا حدثنا وكيع، حدثنا الأعمش، عن عطية بن سعد، عن أبي سعيد الخدري، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إن أهل الدرجات العلى يراهم من أسفل منهم كما يرى الكوكب الطالع في الأفق من آفاق السماء وإن أبا بكر وعمر منهم وأنعما ‏"‏ ‏.‏

আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, (জান্নাতে) উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদেরকে, তাদের তুলনায় নিম্ন মর্যাদার লোকেরা দেখতে পাবে, যেমন আকাশের দিগন্তে আলোকোজ্জ্বল তারকারাজি দেখা যায়। আবু বাক্‌র ও উমার (রাঃ) তাদের অন্তর্ভুক্ত, বরং তাদের মাঝে অধিক মর্যাদাবান। [৯৪]

আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, (জান্নাতে) উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদেরকে, তাদের তুলনায় নিম্ন মর্যাদার লোকেরা দেখতে পাবে, যেমন আকাশের দিগন্তে আলোকোজ্জ্বল তারকারাজি দেখা যায়। আবু বাক্‌র ও উমার (রাঃ) তাদের অন্তর্ভুক্ত, বরং তাদের মাঝে অধিক মর্যাদাবান। [৯৪]

حدثنا علي بن محمد، وعمرو بن عبد الله، قالا حدثنا وكيع، حدثنا الأعمش، عن عطية بن سعد، عن أبي سعيد الخدري، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إن أهل الدرجات العلى يراهم من أسفل منهم كما يرى الكوكب الطالع في الأفق من آفاق السماء وإن أبا بكر وعمر منهم وأنعما ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৯৭

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، ح وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا مؤمل، قالا حدثنا سفيان، عن عبد الملك بن عمير، عن مولى، لربعي بن حراش عن ربعي بن حراش، عن حذيفة بن اليمان، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إني لا أدري قدر بقائي فيكم فاقتدوا باللذين من بعدي ‏"‏ ‏.‏ وأشار إلى أبي بكر وعمر ‏.‏

হুযাইফাহ ইবনুল ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি জানি না আমি তোমাদের মাঝে আর কতকাল জীবিত থাকবো। অতএব আমার অবর্তমানে তোমরা আমরা পরে অবশিষ্ট লোকের অনুসরণ করবে এবং (এ কথা বলে) তিনি আবু বাক্‌র ও উমার (রাঃ)-এর প্রতি ইঙ্গিত করেন। [৯৫]

হুযাইফাহ ইবনুল ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি জানি না আমি তোমাদের মাঝে আর কতকাল জীবিত থাকবো। অতএব আমার অবর্তমানে তোমরা আমরা পরে অবশিষ্ট লোকের অনুসরণ করবে এবং (এ কথা বলে) তিনি আবু বাক্‌র ও উমার (রাঃ)-এর প্রতি ইঙ্গিত করেন। [৯৫]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، ح وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا مؤمل، قالا حدثنا سفيان، عن عبد الملك بن عمير، عن مولى، لربعي بن حراش عن ربعي بن حراش، عن حذيفة بن اليمان، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إني لا أدري قدر بقائي فيكم فاقتدوا باللذين من بعدي ‏"‏ ‏.‏ وأشار إلى أبي بكر وعمر ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৯৮

حدثنا علي بن محمد، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا ابن المبارك، عن عمر بن سعيد بن أبي حسين، عن ابن أبي مليكة، قال سمعت ابن عباس، يقول لما وضع عمر على سريره اكتنفه الناس يدعون ويصلون - أو قال يثنون ويصلون - عليه قبل أن يرفع وأنا فيهم فلم يرعني إلا رجل قد زحمني وأخذ بمنكبي فالتفت فإذا علي بن أبي طالب فترحم على عمر ثم قال ما خلفت أحدا أحب إلى أن ألقى الله بمثل عمله منك وايم الله إن كنت لأظن ليجعلنك الله عز وجل مع صاحبيك وذلك أني كنت أكثر أن أسمع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏ "‏ ذهبت أنا وأبو بكر وعمر ودخلت أنا وأبو بكر وعمر وخرجت أنا وأبو بكر وعمر ‏"‏ ‏.‏ فكنت أظن ليجعلنك الله مع صاحبيك ‏.‏

(আবদুল্লাহ বিন উবায়দুল্লাহ) বিন আবু মুলায়কাহ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ উমার (রাঃ)-এর লাশ জানাযাহর খাটিয়ায় রাখা হলে উপস্থিত লোকজন, তার চারপাশে ভীড় করে দু’আ-কালাম ও সলাত শুরু করে দেয়, তখনো সলাত আদায়ের জন্য লাশ উঠানো হয়নি। আমিও তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। তখন এক ব্যক্তির সাথে আমার ধাক্কা লাগলো এবং তিনি আমার কাঁধ ধরলেন। আমি তাকিয়ে দেখি যে, তিনি আলী বিন আবু তালিব (রাঃ)। তিনি উমার (রাঃ)-এর প্রতি করুণা প্রকাশ করে আফসোস করলেন, অতঃপর বলেন, আমার নিকট আপনার চেয়ে অধিক প্রিয় আর কেউ নেই, আপনি যে নেক আমালসহ আল্লাহ্‌র নৈকট্য লাভ করেছেন তার তুলনা নেই। আল্লাহ্‌র শপথ! অবশ্যই আমি বিশ্বাস করি যে, আল্লাহ্‌ তাআলা আপনাকে আপনার দু’জন সাথীর সাথে মিলিত করবেন। কেননা আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রায়ই বলতে শুনতামঃ আমি, আবু বাকর ও উমার গিয়েছিলাম। আমি আবু বাকর ও উমার প্রবেশ করলাম। আমি, আবু বাকর ও উমার বের হলাম। তাই আমি বিশ্বাস করি যে, আল্লাহ্‌ আপনাকে আপনার দু’ মহান বন্ধুর সাথে একত্র করবেন। [৯৬]

(আবদুল্লাহ বিন উবায়দুল্লাহ) বিন আবু মুলায়কাহ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ উমার (রাঃ)-এর লাশ জানাযাহর খাটিয়ায় রাখা হলে উপস্থিত লোকজন, তার চারপাশে ভীড় করে দু’আ-কালাম ও সলাত শুরু করে দেয়, তখনো সলাত আদায়ের জন্য লাশ উঠানো হয়নি। আমিও তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। তখন এক ব্যক্তির সাথে আমার ধাক্কা লাগলো এবং তিনি আমার কাঁধ ধরলেন। আমি তাকিয়ে দেখি যে, তিনি আলী বিন আবু তালিব (রাঃ)। তিনি উমার (রাঃ)-এর প্রতি করুণা প্রকাশ করে আফসোস করলেন, অতঃপর বলেন, আমার নিকট আপনার চেয়ে অধিক প্রিয় আর কেউ নেই, আপনি যে নেক আমালসহ আল্লাহ্‌র নৈকট্য লাভ করেছেন তার তুলনা নেই। আল্লাহ্‌র শপথ! অবশ্যই আমি বিশ্বাস করি যে, আল্লাহ্‌ তাআলা আপনাকে আপনার দু’জন সাথীর সাথে মিলিত করবেন। কেননা আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রায়ই বলতে শুনতামঃ আমি, আবু বাকর ও উমার গিয়েছিলাম। আমি আবু বাকর ও উমার প্রবেশ করলাম। আমি, আবু বাকর ও উমার বের হলাম। তাই আমি বিশ্বাস করি যে, আল্লাহ্‌ আপনাকে আপনার দু’ মহান বন্ধুর সাথে একত্র করবেন। [৯৬]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا ابن المبارك، عن عمر بن سعيد بن أبي حسين، عن ابن أبي مليكة، قال سمعت ابن عباس، يقول لما وضع عمر على سريره اكتنفه الناس يدعون ويصلون - أو قال يثنون ويصلون - عليه قبل أن يرفع وأنا فيهم فلم يرعني إلا رجل قد زحمني وأخذ بمنكبي فالتفت فإذا علي بن أبي طالب فترحم على عمر ثم قال ما خلفت أحدا أحب إلى أن ألقى الله بمثل عمله منك وايم الله إن كنت لأظن ليجعلنك الله عز وجل مع صاحبيك وذلك أني كنت أكثر أن أسمع رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏ "‏ ذهبت أنا وأبو بكر وعمر ودخلت أنا وأبو بكر وعمر وخرجت أنا وأبو بكر وعمر ‏"‏ ‏.‏ فكنت أظن ليجعلنك الله مع صاحبيك ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৯৯

حدثنا علي بن ميمون الرقي، حدثنا سعيد بن مسلمة، عن إسماعيل بن أمية، عن نافع، عن ابن عمر، قال خرج رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بين أبي بكر وعمر فقال ‏ "‏ هكذا نبعث ‏"‏ ‏.‏

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবু বাকর ও উমার (রাঃ)-এর মাঝখান দিয়ে বের হয়ে চললেন, অতঃপর বললেনঃ এভাবেই আমরা (কিয়ামাতের দিন) উত্থিত হবো। [৯৭]

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবু বাকর ও উমার (রাঃ)-এর মাঝখান দিয়ে বের হয়ে চললেন, অতঃপর বললেনঃ এভাবেই আমরা (কিয়ামাতের দিন) উত্থিত হবো। [৯৭]

حدثنا علي بن ميمون الرقي، حدثنا سعيد بن مسلمة، عن إسماعيل بن أمية، عن نافع، عن ابن عمر، قال خرج رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ بين أبي بكر وعمر فقال ‏ "‏ هكذا نبعث ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১০০

حدثنا أبو شعيب، صالح بن الهيثم الواسطي حدثنا عبد القدوس بن بكر بن خنيس، حدثنا مالك بن مغول، عن عون بن أبي جحيفة، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أبو بكر وعمر سيدا كهول أهل الجنة من الأولين والآخرين إلا النبيين والمرسلين ‏"‏ ‏.‏

আবু জুহাইফাহ (ওয়াহব বিন আবদুল্লাহ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আবু বাক্‌র ও উমার নবী-রসূলগণ ব্যতীত পূর্বাপর সকল যুগের বয়স্ক জান্নাতীদের নেতা হবে। [৯৮]

আবু জুহাইফাহ (ওয়াহব বিন আবদুল্লাহ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আবু বাক্‌র ও উমার নবী-রসূলগণ ব্যতীত পূর্বাপর সকল যুগের বয়স্ক জান্নাতীদের নেতা হবে। [৯৮]

حدثنا أبو شعيب، صالح بن الهيثم الواسطي حدثنا عبد القدوس بن بكر بن خنيس، حدثنا مالك بن مغول، عن عون بن أبي جحيفة، عن أبيه، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أبو بكر وعمر سيدا كهول أهل الجنة من الأولين والآخرين إلا النبيين والمرسلين ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১০১

حدثنا أحمد بن عبدة، والحسين بن الحسن المروزي، قالا حدثنا المعتمر بن سليمان، عن حميد، عن أنس، قال قيل يا رسول الله أى الناس أحب إليك قال ‏"‏ عائشة ‏"‏ ‏.‏ قيل من الرجال قال ‏"‏ أبوها ‏"‏ ‏.‏

আনাস (বিন মালিক) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বলা হলো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! কোন ব্যক্তি আপনার নিকট অধিক প্রিয়? তিনি বলেন, আয়িশাহ। আবার বলা হলো, পুরুষদের মধ্যে? তিনি বলেন, তার পিতা। [৯৯]

আনাস (বিন মালিক) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বলা হলো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! কোন ব্যক্তি আপনার নিকট অধিক প্রিয়? তিনি বলেন, আয়িশাহ। আবার বলা হলো, পুরুষদের মধ্যে? তিনি বলেন, তার পিতা। [৯৯]

حدثنا أحمد بن عبدة، والحسين بن الحسن المروزي، قالا حدثنا المعتمر بن سليمان، عن حميد، عن أنس، قال قيل يا رسول الله أى الناس أحب إليك قال ‏"‏ عائشة ‏"‏ ‏.‏ قيل من الرجال قال ‏"‏ أبوها ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > উমার (রাঃ)-এর সম্মান

সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৪

حدثنا إسماعيل بن محمد الطلحي، أنبأنا داود بن عطاء المديني، عن صالح بن كيسان، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبى بن كعب، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أول من يصافحه الحق عمر وأول من يسلم عليه وأول من يأخذ بيده فيدخله الجنة ‏"‏ ‏.‏

উবাই বিন কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মহাসত্যবাদী সত্তা (আল্লাহ্‌) সর্বপ্রথম উমারের সাথে মুসাফাহা করবেন, তাকে সর্বপ্রথম সালাম করবেন এবং তার হাত ধরে সর্বপ্রথম তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। [১০২]

উবাই বিন কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মহাসত্যবাদী সত্তা (আল্লাহ্‌) সর্বপ্রথম উমারের সাথে মুসাফাহা করবেন, তাকে সর্বপ্রথম সালাম করবেন এবং তার হাত ধরে সর্বপ্রথম তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। [১০২]

حدثنا إسماعيل بن محمد الطلحي، أنبأنا داود بن عطاء المديني، عن صالح بن كيسان، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبى بن كعب، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أول من يصافحه الحق عمر وأول من يسلم عليه وأول من يأخذ بيده فيدخله الجنة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৩

حدثنا إسماعيل بن محمد الطلحي، حدثنا عبد الله بن خراش الحوشبي، عن العوام بن حوشب، عن مجاهد، عن ابن عباس، قال لما أسلم عمر نزل جبريل فقال يا محمد لقد استبشر أهل السماء بإسلام عمر ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রাঃ) ইসলাম গ্রহণ করলে জিবরীল (আঃ) অবতরণ করে বলেন, হে মুহাম্মাদ! 'উমারের ইসলাম কবূল করার সুসংবাদে ঊর্ধ্ব জগতের বাসিন্দারা আনন্দিত হয়েছে। [১০১]

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রাঃ) ইসলাম গ্রহণ করলে জিবরীল (আঃ) অবতরণ করে বলেন, হে মুহাম্মাদ! 'উমারের ইসলাম কবূল করার সুসংবাদে ঊর্ধ্ব জগতের বাসিন্দারা আনন্দিত হয়েছে। [১০১]

حدثنا إسماعيل بن محمد الطلحي، حدثنا عبد الله بن خراش الحوشبي، عن العوام بن حوشب، عن مجاهد، عن ابن عباس، قال لما أسلم عمر نزل جبريل فقال يا محمد لقد استبشر أهل السماء بإسلام عمر ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১০২

حدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو أسامة، أخبرني الجريري، عن عبد الله بن شقيق، قال قلت لعائشة أى أصحابه كان أحب إليه قالت أبو بكر ‏.‏ قلت ثم أيهم قالت عمر ‏.‏ قلت ثم أيهم قالت أبو عبيدة ‏.‏

আবদুল্লাহ বিন শাকীক থেকে বর্নিতঃ

আমি আয়িশাহ (রাঃ)-কে বললাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তাঁর কোন সাহাবী সর্বাধিক প্রিয় ছিলেন? তিনি বলেন, আবু বাকর (রাঃ)। আমি আবার বললাম, তারপর তাদের মধ্যে কে? তিনি বললেন, উমার (রাঃ)। আমি আবার বললাম, অতঃপর তাদের মধ্যে কে? তিনি বলেন, আবু উবায়দাহ (রাঃ)। [১০০]

আবদুল্লাহ বিন শাকীক থেকে বর্নিতঃ

আমি আয়িশাহ (রাঃ)-কে বললাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তাঁর কোন সাহাবী সর্বাধিক প্রিয় ছিলেন? তিনি বলেন, আবু বাকর (রাঃ)। আমি আবার বললাম, তারপর তাদের মধ্যে কে? তিনি বললেন, উমার (রাঃ)। আমি আবার বললাম, অতঃপর তাদের মধ্যে কে? তিনি বলেন, আবু উবায়দাহ (রাঃ)। [১০০]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو أسامة، أخبرني الجريري، عن عبد الله بن شقيق، قال قلت لعائشة أى أصحابه كان أحب إليه قالت أبو بكر ‏.‏ قلت ثم أيهم قالت عمر ‏.‏ قلت ثم أيهم قالت أبو عبيدة ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৬

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، عن عبد الله بن سلمة، قال سمعت عليا، يقول خير الناس بعد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ أبو بكر وخير الناس بعد أبي بكر عمر ‏.‏

আবদুল্লাহ বিন সালামাহ (তিনি সত্যবাদী কিন্তু শেষ বয়সে স্মৃতি শক্তি পরিবর্তন হয়ে গিয়েছিল) থেকে বর্নিতঃ

আমি আলী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরে সর্বোৎকৃষ্ট মানুষ হলেন আবু বাক্‌র (রাঃ) এবং আবু বাকর (রাঃ)-এর পরে উত্তম লোক হলেন উমার (রাঃ)। [১০৪]

আবদুল্লাহ বিন সালামাহ (তিনি সত্যবাদী কিন্তু শেষ বয়সে স্মৃতি শক্তি পরিবর্তন হয়ে গিয়েছিল) থেকে বর্নিতঃ

আমি আলী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরে সর্বোৎকৃষ্ট মানুষ হলেন আবু বাক্‌র (রাঃ) এবং আবু বাকর (রাঃ)-এর পরে উত্তম লোক হলেন উমার (রাঃ)। [১০৪]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، عن عبد الله بن سلمة، قال سمعت عليا، يقول خير الناس بعد رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ أبو بكر وخير الناس بعد أبي بكر عمر ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৮

حدثنا أبو سلمة، يحيى بن خلف حدثنا عبد الأعلى، عن محمد بن إسحاق، عن مكحول، عن غضيف بن الحارث، عن أبي ذر، قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏ "‏ إن الله وضع الحق على لسان عمر يقول به ‏"‏ ‏.‏

আবু যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ তা’আলা 'উমারের মুখে সত্যকে স্থাপন করেছেন এবং সেই সত্যের সাহায্যে সে কথা বলে। [১০৬]

আবু যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ তা’আলা 'উমারের মুখে সত্যকে স্থাপন করেছেন এবং সেই সত্যের সাহায্যে সে কথা বলে। [১০৬]

حدثنا أبو سلمة، يحيى بن خلف حدثنا عبد الأعلى، عن محمد بن إسحاق، عن مكحول، عن غضيف بن الحارث، عن أبي ذر، قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏ "‏ إن الله وضع الحق على لسان عمر يقول به ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৭

حدثنا محمد بن الحارث المصري، أنبأنا الليث بن سعد، حدثني عقيل، عن ابن شهاب، أخبرني سعيد بن المسيب، أن أبا هريرة، قال كنا جلوسا عند النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ بينا أنا نائم رأيتني في الجنة فإذا أنا بامرأة تتوضأ إلى جانب قصر فقلت لمن هذا القصر فقالت لعمر ‏.‏ فذكرت غيرته فوليت مدبرا ‏"‏ ‏.‏ قال أبو هريرة فبكى عمر فقال أعليك بأبي وأمي يا رسول الله أغار

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে বসা ছিলাম। তিনি বলেন, একদা আমি স্বপ্নে নিজেকে জান্নাতের মধ্যে দেখলাম। আমি লক্ষ্য করলাম, এক মহিলা একটি প্রাসাদের নিকট বসে উদূ করছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, প্রাসাদটি কার? মহিলা বললো, উমার (রাঃ)-এর। তখন উমারের আত্মমর্যাদাবোধের কথা আমার স্মরণ হলো এবং আমি সেখান থেকে পেছনে ফিরে এলাম। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, (এ কথা শুনে) উমার (রাঃ) কেঁদে দিলেন এবং বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কুরবান হোক, আমি আপনার উপর কিভাবে আত্মমর্যাদাবোধ প্রকাশ করতে পারি। [১০৫]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে বসা ছিলাম। তিনি বলেন, একদা আমি স্বপ্নে নিজেকে জান্নাতের মধ্যে দেখলাম। আমি লক্ষ্য করলাম, এক মহিলা একটি প্রাসাদের নিকট বসে উদূ করছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, প্রাসাদটি কার? মহিলা বললো, উমার (রাঃ)-এর। তখন উমারের আত্মমর্যাদাবোধের কথা আমার স্মরণ হলো এবং আমি সেখান থেকে পেছনে ফিরে এলাম। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, (এ কথা শুনে) উমার (রাঃ) কেঁদে দিলেন এবং বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কুরবান হোক, আমি আপনার উপর কিভাবে আত্মমর্যাদাবোধ প্রকাশ করতে পারি। [১০৫]

حدثنا محمد بن الحارث المصري، أنبأنا الليث بن سعد، حدثني عقيل، عن ابن شهاب، أخبرني سعيد بن المسيب، أن أبا هريرة، قال كنا جلوسا عند النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ بينا أنا نائم رأيتني في الجنة فإذا أنا بامرأة تتوضأ إلى جانب قصر فقلت لمن هذا القصر فقالت لعمر ‏.‏ فذكرت غيرته فوليت مدبرا ‏"‏ ‏.‏ قال أبو هريرة فبكى عمر فقال أعليك بأبي وأمي يا رسول الله أغار


সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৫

حدثنا محمد بن عبيد أبو عبيد المديني، حدثنا عبد الملك بن الماجشون، حدثني الزنجي بن خالد، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ اللهم أعز الإسلام بعمر بن الخطاب خاصة ‏"‏ ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, হে আল্লাহ্‌ বিশেষভাবে উমার ইবনুল খাত্তাবের দ্বারা ইসলামকে সম্মানিত করেন। [১০৩] তাহকীকঃ খাসসাহ শব্দটি ছাড়া সহীহ।

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, হে আল্লাহ্‌ বিশেষভাবে উমার ইবনুল খাত্তাবের দ্বারা ইসলামকে সম্মানিত করেন। [১০৩] তাহকীকঃ খাসসাহ শব্দটি ছাড়া সহীহ।

حدثنا محمد بن عبيد أبو عبيد المديني، حدثنا عبد الملك بن الماجشون، حدثني الزنجي بن خالد، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ اللهم أعز الإسلام بعمر بن الخطاب خاصة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > উসমান (রাঃ)-এর সম্মান

সুনানে ইবনে মাজাহ ১০৯

‏حدثنا أبو مروان، محمد بن عثمان العثماني حدثنا أبي عثمان بن خالد، عن عبد الرحمن بن أبي الزناد، عن أبيه، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ لكل نبي رفيق في الجنة ورفيقي فيها عثمان بن عفان ‏"‏ ‏.‏

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, জান্নাতে প্রত্যেক নবীর একজন অন্তরঙ্গ বন্ধু থাকবে। সেখানে আমার অন্তরঙ্গ বন্ধু হবে উসমান বিন আফফান। [১০৭]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, জান্নাতে প্রত্যেক নবীর একজন অন্তরঙ্গ বন্ধু থাকবে। সেখানে আমার অন্তরঙ্গ বন্ধু হবে উসমান বিন আফফান। [১০৭]

‏حدثنا أبو مروان، محمد بن عثمان العثماني حدثنا أبي عثمان بن خالد، عن عبد الرحمن بن أبي الزناد، عن أبيه، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ لكل نبي رفيق في الجنة ورفيقي فيها عثمان بن عفان ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১১০

حدثنا أبو مروان، محمد بن عثمان العثماني حدثنا أبي عثمان بن خالد، عن عبد الرحمن بن أبي الزناد، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ لقي عثمان عند باب المسجد فقال ‏ "‏ يا عثمان هذا جبريل أخبرني أن الله قد زوجك أم كلثوم بمثل صداق رقية على مثل صحبتها ‏"‏ ‏.‏

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাসজিদের দরজায় উসমান (রাঃ)-এর সাক্ষাৎ পেয়ে বলেন, হে উসমান! এই যে, জিবরীল (আঃ)। তিনি আমাকে অবহিত করেন যে, আল্লাহ্‌ তা’আলা তোমার সাথে উম্মু কুলসুমের বিবাহ দিয়েছেন এবং তার মোহরও রুকাইয়ার মোহরের সমান। [১০৮]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাসজিদের দরজায় উসমান (রাঃ)-এর সাক্ষাৎ পেয়ে বলেন, হে উসমান! এই যে, জিবরীল (আঃ)। তিনি আমাকে অবহিত করেন যে, আল্লাহ্‌ তা’আলা তোমার সাথে উম্মু কুলসুমের বিবাহ দিয়েছেন এবং তার মোহরও রুকাইয়ার মোহরের সমান। [১০৮]

حدثنا أبو مروان، محمد بن عثمان العثماني حدثنا أبي عثمان بن خالد، عن عبد الرحمن بن أبي الزناد، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ لقي عثمان عند باب المسجد فقال ‏ "‏ يا عثمان هذا جبريل أخبرني أن الله قد زوجك أم كلثوم بمثل صداق رقية على مثل صحبتها ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১১১

حدثنا علي بن محمد، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن هشام بن حسان، عن محمد بن سيرين، عن كعب بن عجرة، قال ذكر رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فتنة فقربها فمر رجل مقنع رأسه فقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ هذا يومئذ على الهدى ‏"‏ ‏.‏ فوثبت فأخذت بضبعى عثمان ثم استقبلت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقلت هذا قال ‏"‏ هذا ‏"‏ ‏.‏

কা’ব বিন উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অচিরেই সংঘটিতব্য একটি বিপর্যয়ের উল্লেখ করেন। ইত্যবসরে এক ব্যক্তি মাথা নিচু করে চলে গেল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তখন এ ব্যক্তি সৎপথে প্রতিষ্ঠিত থাকবে। আমি দ্রুত হেঁটে গিয়ে তার দু কাঁধে হাত রাখতেই দেখলাম যে, তিনি উসমান (রাঃ)। অতঃপর আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ফিরে এসে বললাম, ইনি কি সেই ব্যক্তি? তিনি বলেন, ইনিই সেই ব্যক্তি। [১০৯]

কা’ব বিন উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অচিরেই সংঘটিতব্য একটি বিপর্যয়ের উল্লেখ করেন। ইত্যবসরে এক ব্যক্তি মাথা নিচু করে চলে গেল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তখন এ ব্যক্তি সৎপথে প্রতিষ্ঠিত থাকবে। আমি দ্রুত হেঁটে গিয়ে তার দু কাঁধে হাত রাখতেই দেখলাম যে, তিনি উসমান (রাঃ)। অতঃপর আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ফিরে এসে বললাম, ইনি কি সেই ব্যক্তি? তিনি বলেন, ইনিই সেই ব্যক্তি। [১০৯]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن هشام بن حسان، عن محمد بن سيرين، عن كعب بن عجرة، قال ذكر رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فتنة فقربها فمر رجل مقنع رأسه فقال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ هذا يومئذ على الهدى ‏"‏ ‏.‏ فوثبت فأخذت بضبعى عثمان ثم استقبلت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقلت هذا قال ‏"‏ هذا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১১২

حدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو معاوية، حدثنا الفرج بن فضالة، عن ربيعة بن يزيد الدمشقي، عن النعمان بن بشير، عن عائشة، قالت قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ يا عثمان إن ولاك الله هذا الأمر يوما فأرادك المنافقون أن تخلع قميصك الذي قمصك الله فلا تخلعه ‏"‏ ‏.‏ يقول ذلك ثلاث مرات ‏.‏ قال النعمان فقلت لعائشة ما منعك أن تعلمي الناس بهذا قالت أنسيته والله ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, হে উসমান! তোমাকে আল্লাহ্‌ তা’আলা একদিন এক কাজের (খিলাফতের) দায়িত্বশীল করবেন। মুনাফিকরা ষড়যন্ত্র করে আল্লাহ্‌ প্রদত্ত তোমার এই জামা (খিলাফতের দায়িত্ব) তোমার থেকে খুলে ফেলতে চাইবে। তুমি কখনও তা খুলবে না। তিনি এ কথা তিনবার বলেন। নুমান (রহঃ) বলেন, আমি আয়িশাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞাস করলাম, (বিদ্রোহ চলাকালে) জনসম্মুখে এ হাদীস বর্ণনা করতে আপনাকে কিসে বিরত রেখেছে? তিনি বলেন, আমি ভুলে গিয়েছিলাম। [১১০]

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, হে উসমান! তোমাকে আল্লাহ্‌ তা’আলা একদিন এক কাজের (খিলাফতের) দায়িত্বশীল করবেন। মুনাফিকরা ষড়যন্ত্র করে আল্লাহ্‌ প্রদত্ত তোমার এই জামা (খিলাফতের দায়িত্ব) তোমার থেকে খুলে ফেলতে চাইবে। তুমি কখনও তা খুলবে না। তিনি এ কথা তিনবার বলেন। নুমান (রহঃ) বলেন, আমি আয়িশাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞাস করলাম, (বিদ্রোহ চলাকালে) জনসম্মুখে এ হাদীস বর্ণনা করতে আপনাকে কিসে বিরত রেখেছে? তিনি বলেন, আমি ভুলে গিয়েছিলাম। [১১০]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو معاوية، حدثنا الفرج بن فضالة، عن ربيعة بن يزيد الدمشقي، عن النعمان بن بشير، عن عائشة، قالت قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ يا عثمان إن ولاك الله هذا الأمر يوما فأرادك المنافقون أن تخلع قميصك الذي قمصك الله فلا تخلعه ‏"‏ ‏.‏ يقول ذلك ثلاث مرات ‏.‏ قال النعمان فقلت لعائشة ما منعك أن تعلمي الناس بهذا قالت أنسيته والله ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ১১৩

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وعلي بن محمد، قالا حدثنا وكيع، حدثنا إسماعيل بن أبي خالد، عن قيس بن أبي حازم، عن عائشة، قالت قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في مرضه ‏"‏ وددت أن عندي بعض أصحابي ‏"‏ ‏.‏ قلنا يا رسول الله ألا ندعو لك أبا بكر فسكت قلنا ألا ندعو لك عمر فسكت قلنا ألا ندعو لك عثمان قال ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ فجاء عثمان فخلا به فجعل النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يكلمه ووجه عثمان يتغير ‏.‏ قال قيس فحدثني أبو سهلة مولى عثمان أن عثمان بن عفان قال يوم الدار إن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ عهد إلى عهدا وأنا صائر إليه ‏.‏ وقال علي في حديثه وأنا صابر عليه ‏.‏ قال قيس فكانوا يرونه ذلك اليوم ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রোগশয্যায় বললেনঃ আমি আশা করি যে, এ সময় আমার কোন সহাবী আমার নিকট উপস্থিত থাকুক। আমরা বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা কি আপনার কাছে আবু বাক্‌রকে ডেকে আনবো? তিনি নীরব থাকলেন। আমরা বললাম, আমরা কি আপনার কাছে উমারকে ডেকে আনবো? তিনি এবারও নীরব থাকলেন। আমরা বললাম, আমরা কি আপনার নিকট উসমানকে ডেকে আনবো? তিনি বলেন, হ্যাঁ। অতঃপর উসমান (রাঃ) এলেন। তিনি তার সাথে একান্তে আলাপ-আলোচনা করেন। উসমান (রাঃ)-এর চেহারায় পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেল। কায়স (রহঃ) বলেন, আমার নিকট উসমানের মুক্ত দাস আবু সাহলাহ (রহঃ) বর্ণনা করেন যে, উসমান বিন আফফান (রাঃ) নিজ বাড়িতে অবরুদ্ধ থাকাকালে বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার থেকে একটি অঙ্গীকার নিয়েছেন, আমি তাতে ধৈর্য ধারণ করবো। আলী বিন মুহাম্মাদ (রহঃ) তার বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন, উসমান (রাঃ) বলেছেন, আমি তাতে ধৈর্য ধারণ করবো। কায়স (রহঃ) বলেন, সহাবীদের মতে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে এটাই ছিল তাঁর একান্ত আলাপ। [১১১]

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রোগশয্যায় বললেনঃ আমি আশা করি যে, এ সময় আমার কোন সহাবী আমার নিকট উপস্থিত থাকুক। আমরা বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা কি আপনার কাছে আবু বাক্‌রকে ডেকে আনবো? তিনি নীরব থাকলেন। আমরা বললাম, আমরা কি আপনার কাছে উমারকে ডেকে আনবো? তিনি এবারও নীরব থাকলেন। আমরা বললাম, আমরা কি আপনার নিকট উসমানকে ডেকে আনবো? তিনি বলেন, হ্যাঁ। অতঃপর উসমান (রাঃ) এলেন। তিনি তার সাথে একান্তে আলাপ-আলোচনা করেন। উসমান (রাঃ)-এর চেহারায় পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেল। কায়স (রহঃ) বলেন, আমার নিকট উসমানের মুক্ত দাস আবু সাহলাহ (রহঃ) বর্ণনা করেন যে, উসমান বিন আফফান (রাঃ) নিজ বাড়িতে অবরুদ্ধ থাকাকালে বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার থেকে একটি অঙ্গীকার নিয়েছেন, আমি তাতে ধৈর্য ধারণ করবো। আলী বিন মুহাম্মাদ (রহঃ) তার বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন, উসমান (রাঃ) বলেছেন, আমি তাতে ধৈর্য ধারণ করবো। কায়স (রহঃ) বলেন, সহাবীদের মতে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে এটাই ছিল তাঁর একান্ত আলাপ। [১১১]

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وعلي بن محمد، قالا حدثنا وكيع، حدثنا إسماعيل بن أبي خالد، عن قيس بن أبي حازم، عن عائشة، قالت قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ في مرضه ‏"‏ وددت أن عندي بعض أصحابي ‏"‏ ‏.‏ قلنا يا رسول الله ألا ندعو لك أبا بكر فسكت قلنا ألا ندعو لك عمر فسكت قلنا ألا ندعو لك عثمان قال ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ فجاء عثمان فخلا به فجعل النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ يكلمه ووجه عثمان يتغير ‏.‏ قال قيس فحدثني أبو سهلة مولى عثمان أن عثمان بن عفان قال يوم الدار إن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ عهد إلى عهدا وأنا صائر إليه ‏.‏ وقال علي في حديثه وأنا صابر عليه ‏.‏ قال قيس فكانوا يرونه ذلك اليوم ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00