সুনানে ইবনে মাজাহ > বিদ‘আত ও ঝগড়াঝাটি হতে বেঁচে থাকা

সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৯

حدثنا داود بن سليمان العسكري، حدثنا محمد بن علي أبو هاشم بن أبي خداش الموصلي، قال حدثنا محمد بن محصن، عن إبراهيم بن أبي عبلة، عن عبد الله بن الديلمي، عن حذيفة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ لا يقبل الله لصاحب بدعة صوما ولا صلاة ولا صدقة ولا حجا ولا عمرة ولا جهادا ولا صرفا ولا عدلا يخرج من الإسلام كما تخرج الشعرة من العجين ‏"‏ ‏.‏

হুযায়ফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্‌ বিদ‘আতী ব্যক্তির সওম, সলাত, যাকাত বা দান-খয়রাত, হাজ্জ, উমরাহ, জিহাদ, ফিদ্‌য়া, ন্যায়বিচার ইত্যাদি কিছুই কবূল করবেন না। সে ইসলাম থেকে এমনভাবে খারিজ হয়ে যায় যেভাবে আটা থেকে চুল টেনে বের করা হয়। [৪৯]

হুযায়ফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্‌ বিদ‘আতী ব্যক্তির সওম, সলাত, যাকাত বা দান-খয়রাত, হাজ্জ, উমরাহ, জিহাদ, ফিদ্‌য়া, ন্যায়বিচার ইত্যাদি কিছুই কবূল করবেন না। সে ইসলাম থেকে এমনভাবে খারিজ হয়ে যায় যেভাবে আটা থেকে চুল টেনে বের করা হয়। [৪৯]

حدثنا داود بن سليمان العسكري، حدثنا محمد بن علي أبو هاشم بن أبي خداش الموصلي، قال حدثنا محمد بن محصن، عن إبراهيم بن أبي عبلة، عن عبد الله بن الديلمي، عن حذيفة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ لا يقبل الله لصاحب بدعة صوما ولا صلاة ولا صدقة ولا حجا ولا عمرة ولا جهادا ولا صرفا ولا عدلا يخرج من الإسلام كما تخرج الشعرة من العجين ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৮

حدثنا علي بن المنذر، حدثنا محمد بن فضيل، ح وحدثنا حوثرة بن محمد، حدثنا محمد بن بشر، قالا حدثنا حجاج بن دينار، عن أبي غالب، عن أبي أمامة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ ما ضل قوم بعد هدى كانوا عليه إلا أوتوا الجدل ‏"‏ ‏.‏ ثم تلا هذه الآية {بل هم قوم خصمون}‏ ‏.

আবু উমামাহ (সাদী বিন আজলান) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমার পরে হিদায়াতপ্রাপ্ত লোক তখনই পথভ্রষ্ট হবে, যখন তারা ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হবে। অতঃপর তিনি এ আয়াত তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ): “বরং এরা তো এক বিতর্ককারী সম্প্রদায়।” (সূরাহ যুখরুফ ৪৩:৫৮) [৪৮]

আবু উমামাহ (সাদী বিন আজলান) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমার পরে হিদায়াতপ্রাপ্ত লোক তখনই পথভ্রষ্ট হবে, যখন তারা ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হবে। অতঃপর তিনি এ আয়াত তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ): “বরং এরা তো এক বিতর্ককারী সম্প্রদায়।” (সূরাহ যুখরুফ ৪৩:৫৮) [৪৮]

حدثنا علي بن المنذر، حدثنا محمد بن فضيل، ح وحدثنا حوثرة بن محمد، حدثنا محمد بن بشر، قالا حدثنا حجاج بن دينار، عن أبي غالب، عن أبي أمامة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ ما ضل قوم بعد هدى كانوا عليه إلا أوتوا الجدل ‏"‏ ‏.‏ ثم تلا هذه الآية {بل هم قوم خصمون}‏ ‏.


সুনানে ইবনে মাজাহ ৫০

حدثنا عبد الله بن سعيد، حدثنا بشر بن منصور الخياط، عن أبي زيد، عن أبي المغيرة، عن عبد الله بن عباس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أبى الله أن يقبل عمل صاحب بدعة حتى يدع بدعته ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্‌ তাআলা বিদ‘আতী ব্যক্তির নেক আমাল কবুল করবেন না, যতক্ষণ না সে তার বিদ‘আত পরিহার করে। [৫০]

আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্‌ তাআলা বিদ‘আতী ব্যক্তির নেক আমাল কবুল করবেন না, যতক্ষণ না সে তার বিদ‘আত পরিহার করে। [৫০]

حدثنا عبد الله بن سعيد، حدثنا بشر بن منصور الخياط، عن أبي زيد، عن أبي المغيرة، عن عبد الله بن عباس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أبى الله أن يقبل عمل صاحب بدعة حتى يدع بدعته ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৫

حدثنا سويد بن سعيد، وأحمد بن ثابت الجحدري، قالا حدثنا عبد الوهاب الثقفي، عن جعفر بن محمد، عن أبيه، عن جابر بن عبد الله، قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ إذا خطب احمرت عيناه وعلا صوته واشتد غضبه كأنه منذر جيش يقول ‏"‏ صبحكم مساكم ‏"‏ ‏.‏ ويقول ‏"‏ بعثت أنا والساعة كهاتين ‏"‏ ‏.‏ ويقرن بين إصبعيه السبابة والوسطى ثم يقول ‏"‏ أما بعد فإن خير الأمور كتاب الله وخير الهدى هدى محمد وشر الأمور محدثاتها وكل بدعة ضلالة ‏"‏ ‏.‏ وكان يقول ‏"‏ من ترك مالا فلأهله ومن ترك دينا أو ضياعا فعلى وإلى ‏"‏ ‏

জাবির বিন আব্দুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ভাষণ দিতেন তখন তাঁর চোখ দু’টি লাল হয়ে যেতো, কন্ঠস্বর জোরালো হতো, তাঁর ক্রোধ বৃদ্ধি পেতো, যেন তিনি কোন সেনাবাহিনীকে সতর্ক করছেন। তিনি বলতেনঃ তোমরা সকাল ও সন্ধ্যায় আক্রান্ত হতে পারো (অথবা তোমাদের সকাল-সন্ধ্যা কল্যাণময় হোক)। তিনি আরো বলতেনঃ আমার প্রেরণ ও কিয়ামাত এ দু’টি আঙ্গুলের অবস্থানের মত পরস্পর নিকটবর্তী। তিনি তাঁর তর্জনী ও মধ্যমা আঙ্গুল মিলিয়ে দেখান। অতঃপর তিনি বলেন, সবচেয়ে উত্তম নির্দেশ হলো আল্লাহ্‌র কিতাব এবং সর্বোত্তম পথ হলো মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রদর্শিত পথ। দ্বীনের মধ্যে নতুন কিছু উদ্ভাবন সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট কাজ। প্রতিটি বিদ‘আতই ভ্রষ্টতা। তিনি আরো বলেন, কোন ব্যক্তি ধন-সম্পদ রেখে (মারা) গেলে তা তার পরিবারবর্গের এবং কোন ব্যক্তি দেনা অথবা অসহায় সন্তান রেখে (মারা) গেলে তার ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব আমার এবং তার সন্তানের লালন-পালনের দায়িত্বভারও আমার যিম্মায়। [৪৫]

জাবির বিন আব্দুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ভাষণ দিতেন তখন তাঁর চোখ দু’টি লাল হয়ে যেতো, কন্ঠস্বর জোরালো হতো, তাঁর ক্রোধ বৃদ্ধি পেতো, যেন তিনি কোন সেনাবাহিনীকে সতর্ক করছেন। তিনি বলতেনঃ তোমরা সকাল ও সন্ধ্যায় আক্রান্ত হতে পারো (অথবা তোমাদের সকাল-সন্ধ্যা কল্যাণময় হোক)। তিনি আরো বলতেনঃ আমার প্রেরণ ও কিয়ামাত এ দু’টি আঙ্গুলের অবস্থানের মত পরস্পর নিকটবর্তী। তিনি তাঁর তর্জনী ও মধ্যমা আঙ্গুল মিলিয়ে দেখান। অতঃপর তিনি বলেন, সবচেয়ে উত্তম নির্দেশ হলো আল্লাহ্‌র কিতাব এবং সর্বোত্তম পথ হলো মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রদর্শিত পথ। দ্বীনের মধ্যে নতুন কিছু উদ্ভাবন সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট কাজ। প্রতিটি বিদ‘আতই ভ্রষ্টতা। তিনি আরো বলেন, কোন ব্যক্তি ধন-সম্পদ রেখে (মারা) গেলে তা তার পরিবারবর্গের এবং কোন ব্যক্তি দেনা অথবা অসহায় সন্তান রেখে (মারা) গেলে তার ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব আমার এবং তার সন্তানের লালন-পালনের দায়িত্বভারও আমার যিম্মায়। [৪৫]

حدثنا سويد بن سعيد، وأحمد بن ثابت الجحدري، قالا حدثنا عبد الوهاب الثقفي، عن جعفر بن محمد، عن أبيه، عن جابر بن عبد الله، قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ إذا خطب احمرت عيناه وعلا صوته واشتد غضبه كأنه منذر جيش يقول ‏"‏ صبحكم مساكم ‏"‏ ‏.‏ ويقول ‏"‏ بعثت أنا والساعة كهاتين ‏"‏ ‏.‏ ويقرن بين إصبعيه السبابة والوسطى ثم يقول ‏"‏ أما بعد فإن خير الأمور كتاب الله وخير الهدى هدى محمد وشر الأمور محدثاتها وكل بدعة ضلالة ‏"‏ ‏.‏ وكان يقول ‏"‏ من ترك مالا فلأهله ومن ترك دينا أو ضياعا فعلى وإلى ‏"‏ ‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৭

حدثنا محمد بن خالد بن خداش، حدثنا إسماعيل ابن علية، حدثنا أيوب، ح وحدثنا أحمد بن ثابت الجحدري، ويحيى بن حكيم، قالا حدثنا عبد الوهاب، حدثنا أيوب، عن عبد الله بن أبي مليكة، عن عائشة، قالت تلا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ هذه الآية {هو الذي أنزل عليك الكتاب منه آيات محكمات هن أم الكتاب وأخر متشابهات}‏ إلى قوله {‏وما يذكر إلا أولو الألباب‏}‏ ‏.‏ فقال ‏"‏ يا عائشة إذا رأيتم الذين يجادلون فيه فهم الذين عناهم الله فاحذروهم ‏"‏ ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াত তিলাওয়াত করলেন (অনুবাদ): “তিনি তোমার প্রতি এ কিতাব নাযিল করেছেন যার কতক আয়াত সুস্পষ্ট, দ্ব্যর্থহীন, এগুলো কিতাবের মূল অংশ, আর অন্যগুলো রূপক। যাদের অন্তরে সত্য লঙ্ঘন প্রবণতা আছে শুধু তারাই বিশৃঙ্খলা ও ভুল ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যে যা রূপক তার অনুসরণ করে। আল্লাহ্‌ ব্যতীত আর কেউ তার ব্যাখ্যা জানে না। আর যারা সুগভীর জ্ঞানের অধিকারী তারা বলে, আমরা এর প্রতি ঈমান আনলাম, সমস্তই আমার রবের নিকট থেকে আগত। বোধশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিগণ ব্যতীত অপর কেউ শিক্ষা গ্রহণ করে না”-(সূরাহ আলে-ইমরান ২:৭)। অতঃপর তিনি বলেন, হে আয়িশাহ! যখন তুমি তাদেরকে এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বাদানুবাদ করতে দেখবে, তখন মনে করবে যে, এরা সেই লোক যাদের আল্লাহ্‌ অপদস্থ করেন। তোমরা তাদের পরিহার করো। [৪৭]

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ আয়াত তিলাওয়াত করলেন (অনুবাদ): “তিনি তোমার প্রতি এ কিতাব নাযিল করেছেন যার কতক আয়াত সুস্পষ্ট, দ্ব্যর্থহীন, এগুলো কিতাবের মূল অংশ, আর অন্যগুলো রূপক। যাদের অন্তরে সত্য লঙ্ঘন প্রবণতা আছে শুধু তারাই বিশৃঙ্খলা ও ভুল ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যে যা রূপক তার অনুসরণ করে। আল্লাহ্‌ ব্যতীত আর কেউ তার ব্যাখ্যা জানে না। আর যারা সুগভীর জ্ঞানের অধিকারী তারা বলে, আমরা এর প্রতি ঈমান আনলাম, সমস্তই আমার রবের নিকট থেকে আগত। বোধশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিগণ ব্যতীত অপর কেউ শিক্ষা গ্রহণ করে না”-(সূরাহ আলে-ইমরান ২:৭)। অতঃপর তিনি বলেন, হে আয়িশাহ! যখন তুমি তাদেরকে এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বাদানুবাদ করতে দেখবে, তখন মনে করবে যে, এরা সেই লোক যাদের আল্লাহ্‌ অপদস্থ করেন। তোমরা তাদের পরিহার করো। [৪৭]

حدثنا محمد بن خالد بن خداش، حدثنا إسماعيل ابن علية، حدثنا أيوب، ح وحدثنا أحمد بن ثابت الجحدري، ويحيى بن حكيم، قالا حدثنا عبد الوهاب، حدثنا أيوب، عن عبد الله بن أبي مليكة، عن عائشة، قالت تلا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ هذه الآية {هو الذي أنزل عليك الكتاب منه آيات محكمات هن أم الكتاب وأخر متشابهات}‏ إلى قوله {‏وما يذكر إلا أولو الألباب‏}‏ ‏.‏ فقال ‏"‏ يا عائشة إذا رأيتم الذين يجادلون فيه فهم الذين عناهم الله فاحذروهم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৬

حدثنا محمد بن عبيد بن ميمون المدني أبو عبيد، حدثنا أبي، عن محمد بن جعفر بن أبي كثير، عن موسى بن عقبة، عن أبي إسحاق، عن أبي الأحوص، عن عبد الله بن مسعود، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ إنما هما اثنتان الكلام والهدى فأحسن الكلام كلام الله وأحسن الهدى هدى محمد ألا وإياكم ومحدثات الأمور فإن شر الأمور محدثاتها وكل محدثة بدعة وكل بدعة ضلالة ألا لا يطولن عليكم الأمد فتقسو قلوبكم ألا إن ما هو آت قريب وإنما البعيد ما ليس بآت ألا إن الشقي من شقي في بطن أمه والسعيد من وعظ بغيره ألا إن قتال المؤمن كفر وسبابه فسوق ولا يحل لمسلم أن يهجر أخاه فوق ثلاث ألا وإياكم والكذب فإن الكذب لا يصلح بالجد ولا بالهزل ولا يعد الرجل صبيه ثم لا يفي له فإن الكذب يهدي إلى الفجور وإن الفجور يهدي إلى النار وإن الصدق يهدي إلى البر وإن البر يهدي إلى الجنة وإنه يقال للصادق صدق وبر ‏.‏ ويقال للكاذب كذب وفجر ‏.‏ ألا وإن العبد يكذب حتى يكتب عند الله كذابا ‏"‏ ‏

আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, বস্তুত বিষয় দু’টিঃ কালাম ও হিদায়াত। অতএব সর্বোত্তম কালাম (কথা) হলো আল্লাহ্‌র কালাম এবং সর্বোত্তম হিদায়াত (পথ নির্দেশ) হলো মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হিদায়াত। শোন! তোমরা নতুনভাবে উদ্ভাবিত নিকৃষ্ট বিষয় সম্পর্কে সতর্ক থাকবে। কেননা নিকৃষ্ট কাজ হলো দ্বীনের মাঝে নতুন উদ্ভাবিত বিষয়। প্রতিটি নতুন নিকৃষ্ট উদ্ভাবন হচ্ছে বিদ‘আত এবং প্রতিটি বিদ‘আতই ভ্রষ্টতা। সাবধান! (শয়তান) যেন তোমাদের অন্তরে দীর্ঘায়ুর আকাঙ্খা সৃষ্টি করতে না পারে, অন্যথায় তা তোমাদের অন্তরাত্মাকে শক্ত করে দিবে। সাবধান! নিশ্চয় যা কিছু আসার তা নিকটবর্তী এবং যা দূরবর্তী তা আসার নয়। জেনে রাখো! অবশ্যই সেই ব্যক্তি দুর্ভাগা যে তার মায়ের পেট থেকেই দুর্ভাগা। খোশনসীব সেই ব্যক্তি যে অপরকে দেখে নাসীহাত গ্রহণ করে। সাবধান! ঈমানদার ব্যক্তিকে হত্যা করা (বা তার সাথে সশস্ত্র সংঘাত করা) কুফরী এবং তাকে গালমন্দ করা পাপ। কোন মুসলিমের পক্ষে তার মুসলিম ভাইকে তিন দিনের অধিক (কথা না বলে) ত্যাগ করা হালাল নয়। সাবধান! তোমরা মিথ্যাচারিতা থেকে দূরে থাকো। কেননা মিথ্যাচারিতা দ্বারা না সফলতা অর্জন করা যায়, না অর্থহীন অপলাপ থেকে বাঁচা যায়। নিজ সন্তানের সাথে ওয়াদা করে তা পূরণ না করা কোন লোকের জন্যই শোভনীয় নয়। কেননা মিথ্যা (মানুষকে) পাপাচারের দিকে চালিত করে এবং পাপাচার জাহান্নামের দিকে চালিত করে। পক্ষান্তরে সততা (মানুষকে) পুণ্যের পথে চালিত করে এবং পুণ্য জান্নাতের দিকে চালিত করে। সত্যবাদী সম্পর্কে বলা হয়, সে সত্য বলেছে ও পুণ্যের কাজ করেছে। আর মিথ্যাবাদী সম্পর্কে বলা হয়, সে মিথ্যা বলেছে ও পাপাচার করেছে। জেনে রাখো! কোন ব্যক্তি মিথ্যা বলতে বলতে অবশেষে আল্লাহ্‌র নিকট ডাহা মিথ্যাবাদী হিসাবে তালিকাভুক্ত হয়। [৪৬] - উক্ত হাদিসটি শাহিদ এর ভিত্তিতে সহিহ। তাহক্বীক্ব আলবানী: যঈফ। তাখরীজ আলবানী: জামি সগীর ২০৬৩ যঈফ, ফিলুল জান্নাহ ২৫। উক্ত হাদিসের রাবী ১. মুহাম্মাদ বিন উবায়দ বিন মায়মুন আল মাদানী আবু উবায়দ সম্পর্কে ইবনু হিব্বান তার সিকাহ হওয়া ব্যাপারে আলোচনা করলেও অন্যত্রে বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো ভুল করেন। ২. উবাইদ বিন মায়মুন সম্পর্কে আবূ হাতিম আর রাযী বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত।

আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, বস্তুত বিষয় দু’টিঃ কালাম ও হিদায়াত। অতএব সর্বোত্তম কালাম (কথা) হলো আল্লাহ্‌র কালাম এবং সর্বোত্তম হিদায়াত (পথ নির্দেশ) হলো মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হিদায়াত। শোন! তোমরা নতুনভাবে উদ্ভাবিত নিকৃষ্ট বিষয় সম্পর্কে সতর্ক থাকবে। কেননা নিকৃষ্ট কাজ হলো দ্বীনের মাঝে নতুন উদ্ভাবিত বিষয়। প্রতিটি নতুন নিকৃষ্ট উদ্ভাবন হচ্ছে বিদ‘আত এবং প্রতিটি বিদ‘আতই ভ্রষ্টতা। সাবধান! (শয়তান) যেন তোমাদের অন্তরে দীর্ঘায়ুর আকাঙ্খা সৃষ্টি করতে না পারে, অন্যথায় তা তোমাদের অন্তরাত্মাকে শক্ত করে দিবে। সাবধান! নিশ্চয় যা কিছু আসার তা নিকটবর্তী এবং যা দূরবর্তী তা আসার নয়। জেনে রাখো! অবশ্যই সেই ব্যক্তি দুর্ভাগা যে তার মায়ের পেট থেকেই দুর্ভাগা। খোশনসীব সেই ব্যক্তি যে অপরকে দেখে নাসীহাত গ্রহণ করে। সাবধান! ঈমানদার ব্যক্তিকে হত্যা করা (বা তার সাথে সশস্ত্র সংঘাত করা) কুফরী এবং তাকে গালমন্দ করা পাপ। কোন মুসলিমের পক্ষে তার মুসলিম ভাইকে তিন দিনের অধিক (কথা না বলে) ত্যাগ করা হালাল নয়। সাবধান! তোমরা মিথ্যাচারিতা থেকে দূরে থাকো। কেননা মিথ্যাচারিতা দ্বারা না সফলতা অর্জন করা যায়, না অর্থহীন অপলাপ থেকে বাঁচা যায়। নিজ সন্তানের সাথে ওয়াদা করে তা পূরণ না করা কোন লোকের জন্যই শোভনীয় নয়। কেননা মিথ্যা (মানুষকে) পাপাচারের দিকে চালিত করে এবং পাপাচার জাহান্নামের দিকে চালিত করে। পক্ষান্তরে সততা (মানুষকে) পুণ্যের পথে চালিত করে এবং পুণ্য জান্নাতের দিকে চালিত করে। সত্যবাদী সম্পর্কে বলা হয়, সে সত্য বলেছে ও পুণ্যের কাজ করেছে। আর মিথ্যাবাদী সম্পর্কে বলা হয়, সে মিথ্যা বলেছে ও পাপাচার করেছে। জেনে রাখো! কোন ব্যক্তি মিথ্যা বলতে বলতে অবশেষে আল্লাহ্‌র নিকট ডাহা মিথ্যাবাদী হিসাবে তালিকাভুক্ত হয়। [৪৬] - উক্ত হাদিসটি শাহিদ এর ভিত্তিতে সহিহ। তাহক্বীক্ব আলবানী: যঈফ। তাখরীজ আলবানী: জামি সগীর ২০৬৩ যঈফ, ফিলুল জান্নাহ ২৫। উক্ত হাদিসের রাবী ১. মুহাম্মাদ বিন উবায়দ বিন মায়মুন আল মাদানী আবু উবায়দ সম্পর্কে ইবনু হিব্বান তার সিকাহ হওয়া ব্যাপারে আলোচনা করলেও অন্যত্রে বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো ভুল করেন। ২. উবাইদ বিন মায়মুন সম্পর্কে আবূ হাতিম আর রাযী বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত।

حدثنا محمد بن عبيد بن ميمون المدني أبو عبيد، حدثنا أبي، عن محمد بن جعفر بن أبي كثير، عن موسى بن عقبة، عن أبي إسحاق، عن أبي الأحوص، عن عبد الله بن مسعود، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ إنما هما اثنتان الكلام والهدى فأحسن الكلام كلام الله وأحسن الهدى هدى محمد ألا وإياكم ومحدثات الأمور فإن شر الأمور محدثاتها وكل محدثة بدعة وكل بدعة ضلالة ألا لا يطولن عليكم الأمد فتقسو قلوبكم ألا إن ما هو آت قريب وإنما البعيد ما ليس بآت ألا إن الشقي من شقي في بطن أمه والسعيد من وعظ بغيره ألا إن قتال المؤمن كفر وسبابه فسوق ولا يحل لمسلم أن يهجر أخاه فوق ثلاث ألا وإياكم والكذب فإن الكذب لا يصلح بالجد ولا بالهزل ولا يعد الرجل صبيه ثم لا يفي له فإن الكذب يهدي إلى الفجور وإن الفجور يهدي إلى النار وإن الصدق يهدي إلى البر وإن البر يهدي إلى الجنة وإنه يقال للصادق صدق وبر ‏.‏ ويقال للكاذب كذب وفجر ‏.‏ ألا وإن العبد يكذب حتى يكتب عند الله كذابا ‏"‏ ‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৫১

حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم الدمشقي، وهارون بن إسحاق، قالا حدثنا ابن أبي فديك، عن سلمة بن وردان، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ من ترك الكذب وهو باطل بني له قصر في ربض الجنة ومن ترك المراء وهو محق بني له في وسطها ومن حسن خلقه بني له في أعلاها ‏"‏ ‏.‏

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি মিথ্যাকে বাতিল মনে করে পরিহার করলো তার জন্য জান্নাতের এক প্রান্তে একটি প্রাসাদ নির্মাণ করা হয়। যে ব্যক্তি সঙ্গত হওয়া সত্ত্বেও ঝগড়া ত্যাগ করলো তার জন্য জান্নাতের মধ্যখানে একটি প্রাসাদ নির্মাণ করা হয়। যে ব্যক্তি তার চরিত্র সুন্দর করলো তার জন্য জান্নাতের উচ্চতর স্থানে একটি প্রাসাদ নির্মাণ করা হয়। [৫১]

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি মিথ্যাকে বাতিল মনে করে পরিহার করলো তার জন্য জান্নাতের এক প্রান্তে একটি প্রাসাদ নির্মাণ করা হয়। যে ব্যক্তি সঙ্গত হওয়া সত্ত্বেও ঝগড়া ত্যাগ করলো তার জন্য জান্নাতের মধ্যখানে একটি প্রাসাদ নির্মাণ করা হয়। যে ব্যক্তি তার চরিত্র সুন্দর করলো তার জন্য জান্নাতের উচ্চতর স্থানে একটি প্রাসাদ নির্মাণ করা হয়। [৫১]

حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم الدمشقي، وهارون بن إسحاق، قالا حدثنا ابن أبي فديك، عن سلمة بن وردان، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ من ترك الكذب وهو باطل بني له قصر في ربض الجنة ومن ترك المراء وهو محق بني له في وسطها ومن حسن خلقه بني له في أعلاها ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > কিয়াস ও মনগড়া মতামত হতে বেঁচে থাকা।

সুনানে ইবনে মাজাহ ৫২

حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا عبد الله بن إدريس، وعبدة، وأبو معاوية وعبد الله بن نمير ومحمد بن بشر ح وحدثنا سويد بن سعيد، حدثنا علي بن مسهر، ومالك بن أنس، وحفص بن ميسرة، وشعيب بن إسحاق، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو بن العاص، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ إن الله لا يقبض العلم انتزاعا ينتزعه من الناس ولكن يقبض العلم بقبض العلماء فإذا لم يبق عالما اتخذ الناس رءوسا جهالا فسئلوا فأفتوا بغير علم فضلوا وأضلوا ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ বিন আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ্‌ তাআলা মানুষের অন্তর থেকে ইল্‌মকে বিলুপ্ত করার মাধ্যমে তা কেড়ে নিবেন না, বরং তিনি আলিমদেরকে (দুনিয়া থেকে) তুলে নেয়ার মাধ্যমে ইল্‌মকেও তুলে নিবেন। অতএব যখন কোন আলিম অবশিষ্ট থাকবে না তখন জনগণ অজ্ঞ ও মূর্খদেরকে নেতা হিসাবে গ্রহণ করবে এবং তাদের কাছে (দ্বীনী বিষয়ে) জিজ্ঞেস করা হলে তারা (সেই বিষয়ে) কোন ইল্‌ম না থাকা সত্ত্বেও সিদ্ধান্ত দিবে। ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে এবং জনগণকেও পথভ্রষ্ট করবে। [৫২]

আবদুল্লাহ বিন আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আল্লাহ্‌ তাআলা মানুষের অন্তর থেকে ইল্‌মকে বিলুপ্ত করার মাধ্যমে তা কেড়ে নিবেন না, বরং তিনি আলিমদেরকে (দুনিয়া থেকে) তুলে নেয়ার মাধ্যমে ইল্‌মকেও তুলে নিবেন। অতএব যখন কোন আলিম অবশিষ্ট থাকবে না তখন জনগণ অজ্ঞ ও মূর্খদেরকে নেতা হিসাবে গ্রহণ করবে এবং তাদের কাছে (দ্বীনী বিষয়ে) জিজ্ঞেস করা হলে তারা (সেই বিষয়ে) কোন ইল্‌ম না থাকা সত্ত্বেও সিদ্ধান্ত দিবে। ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে এবং জনগণকেও পথভ্রষ্ট করবে। [৫২]

حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء حدثنا عبد الله بن إدريس، وعبدة، وأبو معاوية وعبد الله بن نمير ومحمد بن بشر ح وحدثنا سويد بن سعيد، حدثنا علي بن مسهر، ومالك بن أنس، وحفص بن ميسرة، وشعيب بن إسحاق، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو بن العاص، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ إن الله لا يقبض العلم انتزاعا ينتزعه من الناس ولكن يقبض العلم بقبض العلماء فإذا لم يبق عالما اتخذ الناس رءوسا جهالا فسئلوا فأفتوا بغير علم فضلوا وأضلوا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৫৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن يزيد، عن سعيد بن أبي أيوب، حدثني أبو هانئ، حميد بن هانئ الخولاني عن أبي عثمان، مسلم بن يسار عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ من أفتي بفتيا غير ثبت فإنما إثمه على من أفتاه ‏"‏ ‏.‏

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, দলীল-প্রমাণ ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ব্যতীত কাউকে সিদ্ধান্ত (ফাতাওয়া) দেয়া হলে তার পাপের বোঝা ফাতাওয়া প্রদানকারীর উপর বর্তাবে। [৫৩]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, দলীল-প্রমাণ ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ব্যতীত কাউকে সিদ্ধান্ত (ফাতাওয়া) দেয়া হলে তার পাপের বোঝা ফাতাওয়া প্রদানকারীর উপর বর্তাবে। [৫৩]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن يزيد، عن سعيد بن أبي أيوب، حدثني أبو هانئ، حميد بن هانئ الخولاني عن أبي عثمان، مسلم بن يسار عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ من أفتي بفتيا غير ثبت فإنما إثمه على من أفتاه ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৫৪

حدثنا محمد بن العلاء الهمداني، حدثني رشدين بن سعد، وجعفر بن عون، عن ابن أنعم، - هو الإفريقي - عن عبد الرحمن بن رافع، عن عبد الله بن عمرو، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ العلم ثلاثة فما وراء ذلك فهو فضل آية محكمة أو سنة قائمة أو فريضة عادلة ‏"

আবদুল্লাহ বিন আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, অত্যাবশ্যকীয় ইল্‌ম (জ্ঞান) তিন প্রকার, এ ছাড়া অবশিষ্টগুলো অতিরিক্তঃ আল কুরআনের বিধান সম্পর্কিত (মুহকাম) আয়াতসমূহ অথবা প্রতিষ্ঠিত সুন্নাহ (হাদীস) অথবা ইনসাফভিত্তিক ফারায়েজের জ্ঞান (ওয়ারিসী স্বত্ব ন্যায়সঙ্গতভাবে বন্টনের জ্ঞান)। [৫৪]

আবদুল্লাহ বিন আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, অত্যাবশ্যকীয় ইল্‌ম (জ্ঞান) তিন প্রকার, এ ছাড়া অবশিষ্টগুলো অতিরিক্তঃ আল কুরআনের বিধান সম্পর্কিত (মুহকাম) আয়াতসমূহ অথবা প্রতিষ্ঠিত সুন্নাহ (হাদীস) অথবা ইনসাফভিত্তিক ফারায়েজের জ্ঞান (ওয়ারিসী স্বত্ব ন্যায়সঙ্গতভাবে বন্টনের জ্ঞান)। [৫৪]

حدثنا محمد بن العلاء الهمداني، حدثني رشدين بن سعد، وجعفر بن عون، عن ابن أنعم، - هو الإفريقي - عن عبد الرحمن بن رافع، عن عبد الله بن عمرو، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ العلم ثلاثة فما وراء ذلك فهو فضل آية محكمة أو سنة قائمة أو فريضة عادلة ‏"


সুনানে ইবনে মাজাহ ৫৬

حدثنا سويد بن سعيد، حدثنا ابن أبي الرجال، عن عبد الرحمن بن عمرو الأوزاعي، عن عبدة بن أبي لبابة، عن عبد الله بن عمرو بن العاص، قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏ "‏ لم يزل أمر بني إسرائيل معتدلا حتى نشأ فيهم المولدون أبناء سبايا الأمم فقالوا بالرأى فضلوا وأضلوا ‏"‏ ‏

আবদুল্লাহ্‌ বিন আম্‌র ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ বানী ইসরাঈলের যাবতীয় কাজকর্ম যথার্থভাবেই হচ্ছিল, যতক্ষণ তাদের মধ্যে যথার্থ সন্তান জন্মেছে। অতঃপর তাদের মধ্যে বিজাতীয় বা লুন্ঠনকৃত নারীর সন্তান যুক্ত হলে তারা নিজেদের মত অনুযায়ী রায় প্রদান করে নিজেরাও পথভ্রষ্ট হয় এবং অন্যদেরও পথভ্রষ্ট করে। [৫৬]

আবদুল্লাহ্‌ বিন আম্‌র ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ বানী ইসরাঈলের যাবতীয় কাজকর্ম যথার্থভাবেই হচ্ছিল, যতক্ষণ তাদের মধ্যে যথার্থ সন্তান জন্মেছে। অতঃপর তাদের মধ্যে বিজাতীয় বা লুন্ঠনকৃত নারীর সন্তান যুক্ত হলে তারা নিজেদের মত অনুযায়ী রায় প্রদান করে নিজেরাও পথভ্রষ্ট হয় এবং অন্যদেরও পথভ্রষ্ট করে। [৫৬]

حدثنا سويد بن سعيد، حدثنا ابن أبي الرجال، عن عبد الرحمن بن عمرو الأوزاعي، عن عبدة بن أبي لبابة، عن عبد الله بن عمرو بن العاص، قال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏ "‏ لم يزل أمر بني إسرائيل معتدلا حتى نشأ فيهم المولدون أبناء سبايا الأمم فقالوا بالرأى فضلوا وأضلوا ‏"‏ ‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৫৫

حدثنا الحسن بن حماد، سجادة حدثنا يحيى بن سعيد الأموي، عن محمد بن سعيد بن حسان، عن عبادة بن نسى، عن عبد الرحمن بن غنم، حدثنا معاذ بن جبل، قال لما بعثني رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ إلى اليمن قال ‏ "‏ لا تقضين ولا تفصلن إلا بما تعلم فإن أشكل عليك أمر فقف حتى تبينه أو تكتب إلى فيه ‏"‏ ‏.‏

মুআয বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ইয়ামানে পাঠানোর সময় বলেন, যে বিষয়ে তোমার জ্ঞান আছে কেবল সেই বিষয়ে তুমি সিদ্ধান্ত বা রায় প্রদান করবে। কোন বিষয় তোমার জন্য কঠিন হলে (অজ্ঞাত থাকলে) তুমি অপেক্ষা করবে, যতক্ষণ না তোমার নিকট স্পষ্ট হয় (বা তোমাকে বলে দেয়া হয়) অথবা তুমি লিখিতভাবে সে সম্পর্কে আমাকে জানাবে। [৫৫]

মুআয বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ইয়ামানে পাঠানোর সময় বলেন, যে বিষয়ে তোমার জ্ঞান আছে কেবল সেই বিষয়ে তুমি সিদ্ধান্ত বা রায় প্রদান করবে। কোন বিষয় তোমার জন্য কঠিন হলে (অজ্ঞাত থাকলে) তুমি অপেক্ষা করবে, যতক্ষণ না তোমার নিকট স্পষ্ট হয় (বা তোমাকে বলে দেয়া হয়) অথবা তুমি লিখিতভাবে সে সম্পর্কে আমাকে জানাবে। [৫৫]

حدثنا الحسن بن حماد، سجادة حدثنا يحيى بن سعيد الأموي، عن محمد بن سعيد بن حسان، عن عبادة بن نسى، عن عبد الرحمن بن غنم، حدثنا معاذ بن جبل، قال لما بعثني رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ إلى اليمن قال ‏ "‏ لا تقضين ولا تفصلن إلا بما تعلم فإن أشكل عليك أمر فقف حتى تبينه أو تكتب إلى فيه ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ > ঈমানের বিবরণ

সুনানে ইবনে মাজাহ ৫৭

حدثنا علي بن محمد الطنافسي، حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، عن سهيل بن أبي صالح، عن عبد الله بن دينار، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ الإيمان بضع وستون أو سبعون بابا أدناها إماطة الأذى عن الطريق وأرفعها قول لا إله إلا الله والحياء شعبة من الإيمان ‏"‏ ‏.‏ حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو خالد الأحمر، عن ابن عجلان، ح وحدثنا عمرو بن رافع، حدثنا جرير، عن سهيل، جميعا عن عبد الله بن دينار، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ نحوه ‏.‏

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ঈমানের ষাট বা সত্তরের অধিক স্তর আছে। তার সাধারন বা নিম্নতর স্তর হলো রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করা। সর্বোচ্চ স্তর হলো কালিমা “লা ইলাহা ইল্লাল্লা-হু (আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন ইলাহ নাই) বলা এবং লজ্জাশীলতাও ঈমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। [৫৭]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ঈমানের ষাট বা সত্তরের অধিক স্তর আছে। তার সাধারন বা নিম্নতর স্তর হলো রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করা। সর্বোচ্চ স্তর হলো কালিমা “লা ইলাহা ইল্লাল্লা-হু (আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন ইলাহ নাই) বলা এবং লজ্জাশীলতাও ঈমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। [৫৭]

حدثنا علي بن محمد الطنافسي، حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، عن سهيل بن أبي صالح، عن عبد الله بن دينار، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ الإيمان بضع وستون أو سبعون بابا أدناها إماطة الأذى عن الطريق وأرفعها قول لا إله إلا الله والحياء شعبة من الإيمان ‏"‏ ‏.‏ حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو خالد الأحمر، عن ابن عجلان، ح وحدثنا عمرو بن رافع، حدثنا جرير، عن سهيل، جميعا عن عبد الله بن دينار، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ نحوه ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৫৯

حدثنا سويد بن سعيد، حدثنا علي بن مسهر، عن الأعمش، ح وحدثنا علي بن ميمون الرقي، حدثنا سعيد بن مسلمة، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ لا يدخل الجنة من كان في قلبه مثقال حبة من خردل من كبر ولا يدخل النار من كان في قلبه مثقال حبة من خردل من إيمان ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ (বিন মাসঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যার অন্তরে সরিষার দানা (সামান্যতম) পরিমানও অহংকার আছে, সে (প্রথম পর্যায়েই) জান্নাতে প্রবেশ করবে না এবং যার অন্তরে সরিষার দানা (সামান্যতম) পরিমাণ ঈমান আছে সে জাহান্নামে (স্থায়ীভাবে) প্রবেশ করবে না। [৫৯]

আবদুল্লাহ (বিন মাসঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যার অন্তরে সরিষার দানা (সামান্যতম) পরিমানও অহংকার আছে, সে (প্রথম পর্যায়েই) জান্নাতে প্রবেশ করবে না এবং যার অন্তরে সরিষার দানা (সামান্যতম) পরিমাণ ঈমান আছে সে জাহান্নামে (স্থায়ীভাবে) প্রবেশ করবে না। [৫৯]

حدثنا سويد بن سعيد، حدثنا علي بن مسهر، عن الأعمش، ح وحدثنا علي بن ميمون الرقي، حدثنا سعيد بن مسلمة، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ لا يدخل الجنة من كان في قلبه مثقال حبة من خردل من كبر ولا يدخل النار من كان في قلبه مثقال حبة من خردل من إيمان ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৫৮

حدثنا سهل بن أبي سهل، ومحمد بن عبد الله بن يزيد، قالا حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، قال سمع النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ رجلا يعظ أخاه في الحياء فقال ‏ "‏ إن الحياء شعبة من الإيمان ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে লজ্জাশীলতা সম্পর্কে তার ভাইকে নাসীহাত (তিরস্কার) করতে শুনলেন। তখন তিনি বলেন, নিশ্চয় লজ্জাশীলতা ঈমানের একটি শাখা। [৫৮]

আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে লজ্জাশীলতা সম্পর্কে তার ভাইকে নাসীহাত (তিরস্কার) করতে শুনলেন। তখন তিনি বলেন, নিশ্চয় লজ্জাশীলতা ঈমানের একটি শাখা। [৫৮]

حدثنا سهل بن أبي سهل، ومحمد بن عبد الله بن يزيد، قالا حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، قال سمع النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ رجلا يعظ أخاه في الحياء فقال ‏ "‏ إن الحياء شعبة من الإيمان ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৬১

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا حماد بن نجيح، - وكان ثقة - عن أبي عمران الجوني، عن جندب بن عبد الله، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم ـ صلى الله عليه وسلم ـ ونحن فتيان حزاورة فتعلمنا الإيمان قبل أن نتعلم القرآن ثم تعلمنا القرآن فازددنا به إيمانا ‏"‏ ‏.‏

জুনদুব বিন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে ছিলাম। আমরা ছিলাম শক্তিশালী এবং সক্ষম যুবক। আমরা কুরআন শেখার পূর্বে ঈমান শিখেছি, অতঃপর কুরআন শিখেছি এবং তার দ্বারা আমাদের ঈমান বেড়ে যায়। [৬১]

জুনদুব বিন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে ছিলাম। আমরা ছিলাম শক্তিশালী এবং সক্ষম যুবক। আমরা কুরআন শেখার পূর্বে ঈমান শিখেছি, অতঃপর কুরআন শিখেছি এবং তার দ্বারা আমাদের ঈমান বেড়ে যায়। [৬১]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، حدثنا حماد بن نجيح، - وكان ثقة - عن أبي عمران الجوني، عن جندب بن عبد الله، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم ـ صلى الله عليه وسلم ـ ونحن فتيان حزاورة فتعلمنا الإيمان قبل أن نتعلم القرآن ثم تعلمنا القرآن فازددنا به إيمانا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৬২

حدثنا علي بن محمد، حدثنا محمد بن فضيل، حدثنا علي بن نزار، عن أبيه، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ صنفان من هذه الأمة ليس لهما في الإسلام نصيب المرجئة والقدرية ‏"‏ ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এ উম্মাতের দু’টি শ্রেণীর জন্য ইসলামে কোন অংশ নেই- মুরজিয়া ও কাদারিয়া সম্প্রদায়। [৬২]

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এ উম্মাতের দু’টি শ্রেণীর জন্য ইসলামে কোন অংশ নেই- মুরজিয়া ও কাদারিয়া সম্প্রদায়। [৬২]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا محمد بن فضيل، حدثنا علي بن نزار، عن أبيه، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ صنفان من هذه الأمة ليس لهما في الإسلام نصيب المرجئة والقدرية ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৬০

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا عبد الرزاق، أنبأنا معمر، عن زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، عن أبي سعيد الخدري، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ إذا خلص الله المؤمنين من النار وأمنوا فما مجادلة أحدكم لصاحبه في الحق يكون له في الدنيا أشد مجادلة من المؤمنين لربهم في إخوانهم الذين أدخلوا النار ‏.‏ قال يقولون ربنا إخواننا كانوا يصلون معنا ويصومون معنا ويحجون معنا فأدخلتهم النار ‏.‏ فيقول اذهبوا فأخرجوا من عرفتم منهم فيأتونهم فيعرفونهم بصورهم لا تأكل النار صورهم فمنهم من أخذته النار إلى أنصاف ساقيه ومنهم من أخذته إلى كعبيه فيخرجونهم فيقولون ربنا أخرجنا من قد أمرتنا ‏.‏ ثم يقول أخرجوا من كان في قلبه وزن دينار من الإيمان ثم من كان في قلبه وزن نصف دينار ثم من كان في قلبه مثقال حبة من خردل ‏"‏ ‏.‏ قال أبو سعيد فمن لم يصدق هذا فليقرأ {إن الله لا يظلم مثقال ذرة وإن تك حسنة يضاعفها ويؤت من لدنه أجرا عظيما}‏ ‏.‏

আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন আল্লাহ্‌ তাআলা (কিয়ামাতের দিন) মু’মিনদেরকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিবেন এবং তারা নিরাপদ হয়ে যাবে, তখন ঈমানদারগণ তাদের জাহান্নামী ভাইদের ব্যাপারে তাদের প্রতিপালকের সাথে এত প্রচন্ড তর্ক-বিতর্কে লিপ্ত হবে যে, তারা দুনিয়াতে অবস্থানকালে তাদের কেউ তার বন্ধুর পক্ষে ততটা প্রচন্ড বিতর্কে লিপ্ত হয়নি। তারা বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের এ ভাইয়েরা তো আমাদের সাথে সলাত আদায় করতো, সওম রাখতো এবং হাজ্জ করতো। অথচ আপনি তাদেরকে জাহান্নামে দাখিল করেছেন। তখন আল্লাহ্‌ তাআলা বলবেনঃ তোমরা যাও এবং তাদের মধ্যে যাদেরকে তোমরা চিনতে পারো, তাদেরকে বের করে নিয়ে এসো। অতএব তারা তাদের কাছে যাবে এবং তাদের আকৃতি দেখে তাদের চিনতে পারবে। জাহান্নামের আগুন তাদের দৈহিক গঠনাকৃতি ভক্ষন (নষ্ট) করবে না। আগুন তাদের কারো পদদ্বয়ের জংঘার অর্ধাংশ পর্যন্ত এবং কারো পদদ্বয়ের গোছা পর্যন্ত স্পর্শ করবে। তারা তাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করে এনে বলবে, হে আমাদের প্রভু! আপনি আমাদেরকে যাদের বের করে আনার নির্দেশ দিয়েছেন আমরা তাদের বের করে এনেছি। অতঃপর আল্লাহ্‌ বলবেনঃ যাদের অন্তরে এক দীনার পরিমাণ ঈমান আছে, অতঃপর যাদের অন্তরে অর্ধ দীনার পরিমাণ ঈমান আছে, অতঃপর যাদের অন্তরে সরিষার দানা পরিমাণও ঈমান আছে, তোমরা তাদেরকেও বের করে নিয়ে এসো। আবু সাঈদ (রাঃ) বলেন, যার এ কথা বিশ্বাস না হয় সে যেন তিলাওয়াত করে (অনুবাদ): “আল্লাহ্‌ অণু পরিমাণও যুল্‌ম করেন না। কোন উত্তম কাজ হলে আল্লাহ্‌ তা দ্বিগুন করেন এবং আল্লাহ্‌ তাঁর পক্ষ থেকে মহা পুরস্কার প্রদান করেন”- (সূরাহ নিসা’ ৪-৪০)। [৬০]

আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন আল্লাহ্‌ তাআলা (কিয়ামাতের দিন) মু’মিনদেরকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিবেন এবং তারা নিরাপদ হয়ে যাবে, তখন ঈমানদারগণ তাদের জাহান্নামী ভাইদের ব্যাপারে তাদের প্রতিপালকের সাথে এত প্রচন্ড তর্ক-বিতর্কে লিপ্ত হবে যে, তারা দুনিয়াতে অবস্থানকালে তাদের কেউ তার বন্ধুর পক্ষে ততটা প্রচন্ড বিতর্কে লিপ্ত হয়নি। তারা বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের এ ভাইয়েরা তো আমাদের সাথে সলাত আদায় করতো, সওম রাখতো এবং হাজ্জ করতো। অথচ আপনি তাদেরকে জাহান্নামে দাখিল করেছেন। তখন আল্লাহ্‌ তাআলা বলবেনঃ তোমরা যাও এবং তাদের মধ্যে যাদেরকে তোমরা চিনতে পারো, তাদেরকে বের করে নিয়ে এসো। অতএব তারা তাদের কাছে যাবে এবং তাদের আকৃতি দেখে তাদের চিনতে পারবে। জাহান্নামের আগুন তাদের দৈহিক গঠনাকৃতি ভক্ষন (নষ্ট) করবে না। আগুন তাদের কারো পদদ্বয়ের জংঘার অর্ধাংশ পর্যন্ত এবং কারো পদদ্বয়ের গোছা পর্যন্ত স্পর্শ করবে। তারা তাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করে এনে বলবে, হে আমাদের প্রভু! আপনি আমাদেরকে যাদের বের করে আনার নির্দেশ দিয়েছেন আমরা তাদের বের করে এনেছি। অতঃপর আল্লাহ্‌ বলবেনঃ যাদের অন্তরে এক দীনার পরিমাণ ঈমান আছে, অতঃপর যাদের অন্তরে অর্ধ দীনার পরিমাণ ঈমান আছে, অতঃপর যাদের অন্তরে সরিষার দানা পরিমাণও ঈমান আছে, তোমরা তাদেরকেও বের করে নিয়ে এসো। আবু সাঈদ (রাঃ) বলেন, যার এ কথা বিশ্বাস না হয় সে যেন তিলাওয়াত করে (অনুবাদ): “আল্লাহ্‌ অণু পরিমাণও যুল্‌ম করেন না। কোন উত্তম কাজ হলে আল্লাহ্‌ তা দ্বিগুন করেন এবং আল্লাহ্‌ তাঁর পক্ষ থেকে মহা পুরস্কার প্রদান করেন”- (সূরাহ নিসা’ ৪-৪০)। [৬০]

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا عبد الرزاق، أنبأنا معمر، عن زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، عن أبي سعيد الخدري، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ إذا خلص الله المؤمنين من النار وأمنوا فما مجادلة أحدكم لصاحبه في الحق يكون له في الدنيا أشد مجادلة من المؤمنين لربهم في إخوانهم الذين أدخلوا النار ‏.‏ قال يقولون ربنا إخواننا كانوا يصلون معنا ويصومون معنا ويحجون معنا فأدخلتهم النار ‏.‏ فيقول اذهبوا فأخرجوا من عرفتم منهم فيأتونهم فيعرفونهم بصورهم لا تأكل النار صورهم فمنهم من أخذته النار إلى أنصاف ساقيه ومنهم من أخذته إلى كعبيه فيخرجونهم فيقولون ربنا أخرجنا من قد أمرتنا ‏.‏ ثم يقول أخرجوا من كان في قلبه وزن دينار من الإيمان ثم من كان في قلبه وزن نصف دينار ثم من كان في قلبه مثقال حبة من خردل ‏"‏ ‏.‏ قال أبو سعيد فمن لم يصدق هذا فليقرأ {إن الله لا يظلم مثقال ذرة وإن تك حسنة يضاعفها ويؤت من لدنه أجرا عظيما}‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৬৩

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن كهمس بن الحسن، عن عبد الله بن بريدة، عن يحيى بن يعمر، عن ابن عمر، عن عمر، قال كنا جلوسا عند النبي صلى الله عليه وسلم ـ صلى الله عليه وسلم ـ فجاء رجل شديد بياض الثياب شديد سواد شعر الرأس لا يرى عليه أثر السفر ولا يعرفه منا أحد ‏.‏ قال فجلس إلى النبي صلى الله عليه وسلم ـ صلى الله عليه وسلم ـ فأسند ركبته إلى ركبته ووضع يديه على فخذيه ‏.‏ ثم قال يا محمد ما الإسلام قال ‏"‏ شهادة أن لا إله إلا الله وأني رسول الله وإقام الصلاة وإيتاء الزكاة وصوم رمضان وحج البيت ‏"‏ ‏.‏ قال صدقت ‏.‏ فعجبنا منه يسأله ويصدقه ‏.‏ ثم قال يا محمد ما الإيمان قال ‏"‏ أن تؤمن بالله وملائكته ورسله وكتبه واليوم الآخر والقدر خيره وشره ‏"‏ ‏.‏ قال صدقت ‏.‏ فعجبنا منه يسأله ويصدقه ‏.‏ ثم قال يا محمد ما الإحسان قال ‏"‏ أن تعبد الله كأنك تراه فإنك إن لا تراه فإنه يراك ‏"‏ ‏.‏ قال فمتى الساعة قال ‏"‏ ما المسئول عنها بأعلم من السائل ‏"‏ ‏.‏ قال فما أمارتها قال ‏"‏ أن تلد الأمة ربتها ‏"‏ ‏.‏ قال وكيع يعني تلد العجم العرب ‏"‏ وأن ترى الحفاة العراة العالة رعاء الشاء يتطاولون في البناء ‏"‏ ‏.‏ قال ثم قال فلقيني النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ بعد ثلاث فقال ‏"‏ أتدري من الرجل ‏"‏ ‏.‏ قلت الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏"‏ ذاك جبريل أتاكم يعلمكم معالم دينكم ‏"‏ ‏

উমার (ইবনুল খাত্তাব) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উপবিষ্ট থাকা অবস্থায় ধবধবে সাদা পোশাক পরিহিত ও মাথায় গাড় কালো চুলবিশিষ্ট এক ব্যক্তি এসে হাজির হন। তার চেহারায় সফরের কোন ছাপ দেখা যাচ্ছিল না এবং আমাদের কেউই তাকে চিনে না। রাবী বলেন, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে বসলেন, তার হাঁটুদ্বয় মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাঁটুদ্বয়ের সাথে সাথে লাগিয়ে এবং তার দু’হাত তাঁর দু’ উরুর উপর রেখে, তারপর জিজ্ঞেস করেন, হে মুহাম্মাদ! ইসলাম কী? তিনি বলেন, এই সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, আমি আল্লাহ্‌র রসূল, সলাত আদায় করা, যাকাত দেয়া, রমাযানের সওম পালন করা এবং আল্লাহ্‌র ঘরের হাজ্জ করা। তিনি (আগন্তুক) বলেন, আপনি সত্য কথা বলেছেন। আমরা তার এ কথায় অবাক হলাম যে, তিনিই জিজ্ঞেস করলেন এবং তিনিই তা সত্যায়ন করলেন। অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করেন, হে মুহাম্মাদ! ঈমান কী? তিনি বলেন, তুমি ঈমান আনবে আল্লাহ্‌র উপর, তাঁর মালায়িকার, তাঁর রসূলগণের, তাঁর কিতাবসমূহে, আখিরাতের দিনে এবং তাকদীরে ও তার ভালো-মন্দে। আগন্তুক বলেন, আপনি সত্য কথা বলেছেন। আমরা এবারও তার কথায় অবাক হলাম যে, তিনিই প্রশ্ন করছেন এবং তিনিই তা সত্যায়ন করছেন। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করেন, হে মুহাম্মাদ! ইহসান কী? তিনি বলেন, তুমি এমনভাবে আল্লাহ্‌র ইবাদাত করো যেন তুমি তাঁকে দেখছো, যদি তুমি তাঁকে না দেখো নিশ্চয় তিনি তোমাকে দেখছেন। তিনি বলেন, মুহূর্তটি (কিয়ামাত) কখন আসবে? তিনি বলেন, এ সম্পর্কে উত্তরদাতা প্রশ্নকর্তার চেয়ে অধিক কিছু জানে না। তিনি বলেন, তাহলে এর আলামত কী? তিনি বলেন, ক্রীতদাসী তার মনিবকে প্রসব করবে। ওয়াকী‘ (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ অনারবদের ঔরসে আরবরা জন্মগ্রহণ করবে। তুমি দেখতে পাবে নগ্নদেহ, নগ্নপদ ও অভাবগ্রস্থ মেষ চারকরা সুউচ্চ ইমারতের মালিক হয়ে অহংকারে ফেটে পড়বে। উমার (রাঃ) বলেন, এ ঘটনার তিন দিন পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার সাথে সাক্ষাৎ করে বলেন, লোকটি কে, তুমি কি তা জানো? আমি বললাম, আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূলই অধিক জ্ঞাত। তিনি বলেন, ইনি হলেন জিবরীল (আঃ), দ্বীনের বিষয়াদি শিক্ষা দেয়ার জন্য তোমাদের নিকট এসেছেন। [৬৩]

উমার (ইবনুল খাত্তাব) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উপবিষ্ট থাকা অবস্থায় ধবধবে সাদা পোশাক পরিহিত ও মাথায় গাড় কালো চুলবিশিষ্ট এক ব্যক্তি এসে হাজির হন। তার চেহারায় সফরের কোন ছাপ দেখা যাচ্ছিল না এবং আমাদের কেউই তাকে চিনে না। রাবী বলেন, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে বসলেন, তার হাঁটুদ্বয় মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাঁটুদ্বয়ের সাথে সাথে লাগিয়ে এবং তার দু’হাত তাঁর দু’ উরুর উপর রেখে, তারপর জিজ্ঞেস করেন, হে মুহাম্মাদ! ইসলাম কী? তিনি বলেন, এই সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, আমি আল্লাহ্‌র রসূল, সলাত আদায় করা, যাকাত দেয়া, রমাযানের সওম পালন করা এবং আল্লাহ্‌র ঘরের হাজ্জ করা। তিনি (আগন্তুক) বলেন, আপনি সত্য কথা বলেছেন। আমরা তার এ কথায় অবাক হলাম যে, তিনিই জিজ্ঞেস করলেন এবং তিনিই তা সত্যায়ন করলেন। অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করেন, হে মুহাম্মাদ! ঈমান কী? তিনি বলেন, তুমি ঈমান আনবে আল্লাহ্‌র উপর, তাঁর মালায়িকার, তাঁর রসূলগণের, তাঁর কিতাবসমূহে, আখিরাতের দিনে এবং তাকদীরে ও তার ভালো-মন্দে। আগন্তুক বলেন, আপনি সত্য কথা বলেছেন। আমরা এবারও তার কথায় অবাক হলাম যে, তিনিই প্রশ্ন করছেন এবং তিনিই তা সত্যায়ন করছেন। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করেন, হে মুহাম্মাদ! ইহসান কী? তিনি বলেন, তুমি এমনভাবে আল্লাহ্‌র ইবাদাত করো যেন তুমি তাঁকে দেখছো, যদি তুমি তাঁকে না দেখো নিশ্চয় তিনি তোমাকে দেখছেন। তিনি বলেন, মুহূর্তটি (কিয়ামাত) কখন আসবে? তিনি বলেন, এ সম্পর্কে উত্তরদাতা প্রশ্নকর্তার চেয়ে অধিক কিছু জানে না। তিনি বলেন, তাহলে এর আলামত কী? তিনি বলেন, ক্রীতদাসী তার মনিবকে প্রসব করবে। ওয়াকী‘ (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ অনারবদের ঔরসে আরবরা জন্মগ্রহণ করবে। তুমি দেখতে পাবে নগ্নদেহ, নগ্নপদ ও অভাবগ্রস্থ মেষ চারকরা সুউচ্চ ইমারতের মালিক হয়ে অহংকারে ফেটে পড়বে। উমার (রাঃ) বলেন, এ ঘটনার তিন দিন পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার সাথে সাক্ষাৎ করে বলেন, লোকটি কে, তুমি কি তা জানো? আমি বললাম, আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূলই অধিক জ্ঞাত। তিনি বলেন, ইনি হলেন জিবরীল (আঃ), দ্বীনের বিষয়াদি শিক্ষা দেয়ার জন্য তোমাদের নিকট এসেছেন। [৬৩]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن كهمس بن الحسن، عن عبد الله بن بريدة، عن يحيى بن يعمر، عن ابن عمر، عن عمر، قال كنا جلوسا عند النبي صلى الله عليه وسلم ـ صلى الله عليه وسلم ـ فجاء رجل شديد بياض الثياب شديد سواد شعر الرأس لا يرى عليه أثر السفر ولا يعرفه منا أحد ‏.‏ قال فجلس إلى النبي صلى الله عليه وسلم ـ صلى الله عليه وسلم ـ فأسند ركبته إلى ركبته ووضع يديه على فخذيه ‏.‏ ثم قال يا محمد ما الإسلام قال ‏"‏ شهادة أن لا إله إلا الله وأني رسول الله وإقام الصلاة وإيتاء الزكاة وصوم رمضان وحج البيت ‏"‏ ‏.‏ قال صدقت ‏.‏ فعجبنا منه يسأله ويصدقه ‏.‏ ثم قال يا محمد ما الإيمان قال ‏"‏ أن تؤمن بالله وملائكته ورسله وكتبه واليوم الآخر والقدر خيره وشره ‏"‏ ‏.‏ قال صدقت ‏.‏ فعجبنا منه يسأله ويصدقه ‏.‏ ثم قال يا محمد ما الإحسان قال ‏"‏ أن تعبد الله كأنك تراه فإنك إن لا تراه فإنه يراك ‏"‏ ‏.‏ قال فمتى الساعة قال ‏"‏ ما المسئول عنها بأعلم من السائل ‏"‏ ‏.‏ قال فما أمارتها قال ‏"‏ أن تلد الأمة ربتها ‏"‏ ‏.‏ قال وكيع يعني تلد العجم العرب ‏"‏ وأن ترى الحفاة العراة العالة رعاء الشاء يتطاولون في البناء ‏"‏ ‏.‏ قال ثم قال فلقيني النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ بعد ثلاث فقال ‏"‏ أتدري من الرجل ‏"‏ ‏.‏ قلت الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏"‏ ذاك جبريل أتاكم يعلمكم معالم دينكم ‏"‏ ‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৬৫

حدثنا سهل بن أبي سهل، ومحمد بن إسماعيل، قالا حدثنا عبد السلام بن صالح أبو الصلت الهروي، حدثنا علي بن موسى الرضا، عن أبيه، عن جعفر بن محمد، عن أبيه، عن علي بن الحسين، عن أبيه، عن علي بن أبي طالب، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ الإيمان معرفة بالقلب وقول باللسان وعمل بالأركان ‏"‏ ‏.‏ قال أبو الصلت لو قرئ هذا الإسناد على مجنون لبرأ ‏.‏

আলী বিন আবু তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ঈমান হলো অন্তরের বিশ্বাস, মৌখিক স্বীকারোক্তি এবং দ্বীনের রোকনসমূহের (অপরিহার্য বিধানসমূহ) বাস্তবায়ন। আবুস-সালত (রহঃ) বলেন, এ সানাদ কোন পাগলের নিকট পাঠ করা হলে সেও নিরাময় লাভ করবে। [৬৫]

আলী বিন আবু তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ঈমান হলো অন্তরের বিশ্বাস, মৌখিক স্বীকারোক্তি এবং দ্বীনের রোকনসমূহের (অপরিহার্য বিধানসমূহ) বাস্তবায়ন। আবুস-সালত (রহঃ) বলেন, এ সানাদ কোন পাগলের নিকট পাঠ করা হলে সেও নিরাময় লাভ করবে। [৬৫]

حدثنا سهل بن أبي سهل، ومحمد بن إسماعيل، قالا حدثنا عبد السلام بن صالح أبو الصلت الهروي، حدثنا علي بن موسى الرضا، عن أبيه، عن جعفر بن محمد، عن أبيه، عن علي بن الحسين، عن أبيه، عن علي بن أبي طالب، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ الإيمان معرفة بالقلب وقول باللسان وعمل بالأركان ‏"‏ ‏.‏ قال أبو الصلت لو قرئ هذا الإسناد على مجنون لبرأ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৬৪

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا إسماعيل ابن علية، عن أبي حيان، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يوما بارزا للناس ‏.‏ فأتاه رجل فقال يا رسول الله ما الإيمان قال ‏"‏ أن تؤمن بالله وملائكته وكتبه ورسله ولقائه وتؤمن بالبعث الآخر ‏"‏ ‏.‏ قال يا رسول الله ما الإسلام قال ‏"‏ أن تعبد الله ولا تشرك به شيئا وتقيم الصلاة المكتوبة وتؤتي الزكاة المفروضة وتصوم رمضان ‏"‏ ‏.‏ قال يا رسول الله ما الإحسان قال ‏"‏ أن تعبد الله كأنك تراه فإنك إن لا تراه فإنه يراك ‏"‏ ‏.‏ قال يا رسول الله متى الساعة قال ‏"‏ ما المسئول عنها بأعلم من السائل ولكن سأحدثك عن أشراطها إذا ولدت الأمة ربتها فذلك من أشراطها وإذا تطاول رعاء الغنم في البنيان فذلك من أشراطها في خمس لا يعلمهن إلا الله ‏"‏ ‏.‏ فتلا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ {إن الله عنده علم الساعة وينزل الغيث ويعلم ما في الأرحام وما تدري نفس ماذا تكسب غدا وما تدري نفس بأى أرض تموت إن الله عليم خبير‏}‏ ‏.

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকবেষ্টিত থাকা অবস্থায় এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! ঈমান কী? তিনি বলেন, তুমি ঈমান আনবে আল্লাহ্‌র উপর, তাঁর মালায়িকাহ, তাঁর কিতাবসমূহে, তাঁর রসূলগণের, তাঁর সাথে সাক্ষাতে এবং তুমি আরো ঈমান আনবে পুনরুত্থান দিবসে। সে বললো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! ইসলাম কী? তিনি বলেন, তুমি আল্লাহ্‌র ইবাদাত করবে, তাঁর সাথে কোন কিছু শারীক করবে না, ফার্‌দ সলাত আদায় করবে, ফার্‌দ যাকাত প্রদান করবে এবং রমাদানের সওম পালন করবে। সে বললো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! ইহসান কী? তিনি বলেন, তুমি এমনভাবে আল্লাহ্‌র ইবাদাত করো যেন তুমি তাঁকে দেখছো। যদি তুমি তাঁকে দেখতে সক্ষম না হও, তবে তিনি নিশ্চয় তোমাকে দেখছেন। সে বললো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তিনি বলেন, মুহূর্তটি (কিয়ামাত) কখন আসবে? তিনি বলেন, এ বিষয়ে উত্তরদাতা প্রশ্নকারীর চাইতে অধিক কিছু জানে না। তবে আমি তোমাকে তার কতিপয় শর্ত (আলামত) সম্পর্কে বলছি। ক্রীতদাসী যখন তার মনিবকে প্রসব করবে। সেটা কিয়ামাতের শর্তাবলীর অন্তর্ভুক্ত। যখন মেষ চারকরা সুউচ্চ দালান-কোঠার (মালিক হয়ে) অহংকারে ফেটে পড়বে এটাও তার শর্তাবলীর অন্তর্ভুক্ত। পাঁচটি বিষয় সম্পর্কে আল্লাহ্‌ ব্যতীত কেউ জানে না। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ): “কিয়ামাতের জ্ঞান কেবল আল্লাহ্‌র নিকট রয়েছে, তিনি বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং তিনি জানেন যা জরায়ুতে আছে। কেউ জানে না আগামীকাল (বা ভবিষ্যতে) সে কী উপার্জন করবে এবং কেউ জানে না কোন স্থানে সে মরবে। নিশ্চয় আল্লাহ্‌ সর্বজ্ঞ, সর্ববিষয়ে অবহিত”-(সূরাহ লোকমানঃ ৩৪)। [৬৪]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকবেষ্টিত থাকা অবস্থায় এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! ঈমান কী? তিনি বলেন, তুমি ঈমান আনবে আল্লাহ্‌র উপর, তাঁর মালায়িকাহ, তাঁর কিতাবসমূহে, তাঁর রসূলগণের, তাঁর সাথে সাক্ষাতে এবং তুমি আরো ঈমান আনবে পুনরুত্থান দিবসে। সে বললো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! ইসলাম কী? তিনি বলেন, তুমি আল্লাহ্‌র ইবাদাত করবে, তাঁর সাথে কোন কিছু শারীক করবে না, ফার্‌দ সলাত আদায় করবে, ফার্‌দ যাকাত প্রদান করবে এবং রমাদানের সওম পালন করবে। সে বললো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! ইহসান কী? তিনি বলেন, তুমি এমনভাবে আল্লাহ্‌র ইবাদাত করো যেন তুমি তাঁকে দেখছো। যদি তুমি তাঁকে দেখতে সক্ষম না হও, তবে তিনি নিশ্চয় তোমাকে দেখছেন। সে বললো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তিনি বলেন, মুহূর্তটি (কিয়ামাত) কখন আসবে? তিনি বলেন, এ বিষয়ে উত্তরদাতা প্রশ্নকারীর চাইতে অধিক কিছু জানে না। তবে আমি তোমাকে তার কতিপয় শর্ত (আলামত) সম্পর্কে বলছি। ক্রীতদাসী যখন তার মনিবকে প্রসব করবে। সেটা কিয়ামাতের শর্তাবলীর অন্তর্ভুক্ত। যখন মেষ চারকরা সুউচ্চ দালান-কোঠার (মালিক হয়ে) অহংকারে ফেটে পড়বে এটাও তার শর্তাবলীর অন্তর্ভুক্ত। পাঁচটি বিষয় সম্পর্কে আল্লাহ্‌ ব্যতীত কেউ জানে না। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ): “কিয়ামাতের জ্ঞান কেবল আল্লাহ্‌র নিকট রয়েছে, তিনি বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং তিনি জানেন যা জরায়ুতে আছে। কেউ জানে না আগামীকাল (বা ভবিষ্যতে) সে কী উপার্জন করবে এবং কেউ জানে না কোন স্থানে সে মরবে। নিশ্চয় আল্লাহ্‌ সর্বজ্ঞ, সর্ববিষয়ে অবহিত”-(সূরাহ লোকমানঃ ৩৪)। [৬৪]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا إسماعيل ابن علية، عن أبي حيان، عن أبي زرعة، عن أبي هريرة، قال كان رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يوما بارزا للناس ‏.‏ فأتاه رجل فقال يا رسول الله ما الإيمان قال ‏"‏ أن تؤمن بالله وملائكته وكتبه ورسله ولقائه وتؤمن بالبعث الآخر ‏"‏ ‏.‏ قال يا رسول الله ما الإسلام قال ‏"‏ أن تعبد الله ولا تشرك به شيئا وتقيم الصلاة المكتوبة وتؤتي الزكاة المفروضة وتصوم رمضان ‏"‏ ‏.‏ قال يا رسول الله ما الإحسان قال ‏"‏ أن تعبد الله كأنك تراه فإنك إن لا تراه فإنه يراك ‏"‏ ‏.‏ قال يا رسول الله متى الساعة قال ‏"‏ ما المسئول عنها بأعلم من السائل ولكن سأحدثك عن أشراطها إذا ولدت الأمة ربتها فذلك من أشراطها وإذا تطاول رعاء الغنم في البنيان فذلك من أشراطها في خمس لا يعلمهن إلا الله ‏"‏ ‏.‏ فتلا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ {إن الله عنده علم الساعة وينزل الغيث ويعلم ما في الأرحام وما تدري نفس ماذا تكسب غدا وما تدري نفس بأى أرض تموت إن الله عليم خبير‏}‏ ‏.


সুনানে ইবনে মাজাহ ৬৬

حدثنا محمد بن بشار، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن أنس بن مالك، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ لا يؤمن أحدكم حتى يحب لأخيه - أو قال لجاره - ما يحب لنفسه ‏"‏ ‏.‏

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমাদের কেউ (পূর্ণ) মু’মিন হবে না, যাবত না সে তার ভাইয়ের জন্য (বা তার প্রতিবেশির জন্য) তাই পছন্দ করবে, যা সে তার নিজের জন্য পছন্দ করে। [৬৬]

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তোমাদের কেউ (পূর্ণ) মু’মিন হবে না, যাবত না সে তার ভাইয়ের জন্য (বা তার প্রতিবেশির জন্য) তাই পছন্দ করবে, যা সে তার নিজের জন্য পছন্দ করে। [৬৬]

حدثنا محمد بن بشار، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن أنس بن مالك، أن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ لا يؤمن أحدكم حتى يحب لأخيه - أو قال لجاره - ما يحب لنفسه ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৬৭

حدثنا محمد بن بشار، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ لا يؤمن أحدكم حتى أكون أحب إليه من ولده ووالده والناس أجمعين ‏"‏ ‏.‏

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি তোমাদের কারো কাছে তার সন্তান-সন্ততি, তার পিতা-মাতা ও সকল মানুষের চেয়ে অধিক প্রিয় না হওয়া পর্যন্ত সে (পূর্ণ) মু’মিন হতে পারবে না। [৬৭]

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি তোমাদের কারো কাছে তার সন্তান-সন্ততি, তার পিতা-মাতা ও সকল মানুষের চেয়ে অধিক প্রিয় না হওয়া পর্যন্ত সে (পূর্ণ) মু’মিন হতে পারবে না। [৬৭]

حدثنا محمد بن بشار، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ لا يؤمن أحدكم حتى أكون أحب إليه من ولده ووالده والناس أجمعين ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৬৮

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، وأبو معاوية عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ والذي نفسي بيده لا تدخلوا الجنة حتى تؤمنوا ولا تؤمنوا حتى تحابوا أولا أدلكم على شىء إذا فعلتموه تحاببتم أفشوا السلام بينكم ‏"‏ ‏.‏

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! তোমরা ঈমানদার না হওয়া পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না এবং তোমরা পরস্পরকে মহব্বত না করা পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না। আমি কি তোমাদের এমন একটি বিষয় নির্দেশ করবো না, যা করলে তোমরা পরস্পরকে মহব্বত করবে? তোমাদের মধ্যে সালামের প্রসার ঘটাও। [৬৮]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! তোমরা ঈমানদার না হওয়া পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না এবং তোমরা পরস্পরকে মহব্বত না করা পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না। আমি কি তোমাদের এমন একটি বিষয় নির্দেশ করবো না, যা করলে তোমরা পরস্পরকে মহব্বত করবে? তোমাদের মধ্যে সালামের প্রসার ঘটাও। [৬৮]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، وأبو معاوية عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ والذي نفسي بيده لا تدخلوا الجنة حتى تؤمنوا ولا تؤمنوا حتى تحابوا أولا أدلكم على شىء إذا فعلتموه تحاببتم أفشوا السلام بينكم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৬৯

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا عفان، حدثنا شعبة، عن الأعمش، ح وحدثنا هشام بن عمار، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا الأعمش، عن أبي وائل، عن عبد الله، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ سباب المسلم فسوق وقتاله كفر ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ (বিন মাসঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মুসলিমকে গালি দেয়া গর্হিত কাজ এবং তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা কুফরী। [৬৯]

আবদুল্লাহ (বিন মাসঊদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মুসলিমকে গালি দেয়া গর্হিত কাজ এবং তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা কুফরী। [৬৯]

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا عفان، حدثنا شعبة، عن الأعمش، ح وحدثنا هشام بن عمار، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا الأعمش، عن أبي وائل، عن عبد الله، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ سباب المسلم فسوق وقتاله كفر ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৭০

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا أبو أحمد، حدثنا أبو جعفر الرازي، عن الربيع بن أنس، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ من فارق الدنيا على الإخلاص لله وحده وعبادته لا شريك له وإقام الصلاة وإيتاء الزكاة مات والله عنه راض ‏"‏ ‏.‏ قال أنس وهو دين الله الذي جاءت به الرسل وبلغوه عن ربهم قبل هرج الأحاديث واختلاف الأهواء وتصديق ذلك في كتاب الله في آخر ما نزل يقول الله {فإن تابوا}‏ قال خلعوا الأوثان وعبادتها {وأقاموا الصلاة وآتوا الزكاة}‏ وقال في آية أخرى ‏{فإن تابوا وأقاموا الصلاة وآتوا الزكاة فإخوانكم في الدين}‏ حدثنا أبو حاتم، حدثنا عبيد الله بن موسى العبسي، حدثنا أبو جعفر الرازي، عن الربيع بن أنس، مثله ‏.‏

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যাক্তি এক আল্লাহ্‌র প্রতি নিষ্ঠাবান অবস্থায়, তাঁর ইবাদাতরত অবস্থায় যাঁর কোন শারীক নাই, সলাত আদায় করে এবং যাকাত প্রদান করে দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হলো, সে এমন অবস্থায় মারা গেল যে, আল্লাহ্‌ তার প্রতি সন্তুষ্ট। আনাস (রাঃ) বলেন, এটা হলো আল্লাহ্‌র সেই দ্বীন, যা নিয়ে রসূলগণ এসেছেন এবং তাদের প্রভুর পক্ষ থেকে তা মানুষের নিকট পৌঁছিয়েছেন ফিতনা-ফাসাদ এবং মনগড়া মতবিরোধ সৃষ্টির পূর্বেই। এর সমর্থন রয়েছে কুরআনের শেষের দিকে অবতীর্ণ আয়াতে, মহান আল্লাহ্‌ তাআলা বলেন, "যদি তারা তাওবাহ করে, সলাত আদায় করে এবং যাকাত দেয়"- (সূরাহ তাওবাহ ৯:৫)। আনাস (রাঃ) বলেন, তারা তাওবা করার পর মূর্তিগুলো ও সেগুলোর পূজা ত্যাগ করে। অন্য আয়াতে আল্লাহ্‌ বলেন, "যদি তারা তাওবাহ করে, সলাত আদায় করে এবং যাকাত দেয় তবে তারা তোমাদের দ্বীনী ভাই"- (সূরাহ তওবা ৯:১১)। [৭০]

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যাক্তি এক আল্লাহ্‌র প্রতি নিষ্ঠাবান অবস্থায়, তাঁর ইবাদাতরত অবস্থায় যাঁর কোন শারীক নাই, সলাত আদায় করে এবং যাকাত প্রদান করে দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হলো, সে এমন অবস্থায় মারা গেল যে, আল্লাহ্‌ তার প্রতি সন্তুষ্ট। আনাস (রাঃ) বলেন, এটা হলো আল্লাহ্‌র সেই দ্বীন, যা নিয়ে রসূলগণ এসেছেন এবং তাদের প্রভুর পক্ষ থেকে তা মানুষের নিকট পৌঁছিয়েছেন ফিতনা-ফাসাদ এবং মনগড়া মতবিরোধ সৃষ্টির পূর্বেই। এর সমর্থন রয়েছে কুরআনের শেষের দিকে অবতীর্ণ আয়াতে, মহান আল্লাহ্‌ তাআলা বলেন, "যদি তারা তাওবাহ করে, সলাত আদায় করে এবং যাকাত দেয়"- (সূরাহ তাওবাহ ৯:৫)। আনাস (রাঃ) বলেন, তারা তাওবা করার পর মূর্তিগুলো ও সেগুলোর পূজা ত্যাগ করে। অন্য আয়াতে আল্লাহ্‌ বলেন, "যদি তারা তাওবাহ করে, সলাত আদায় করে এবং যাকাত দেয় তবে তারা তোমাদের দ্বীনী ভাই"- (সূরাহ তওবা ৯:১১)। [৭০]

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا أبو أحمد، حدثنا أبو جعفر الرازي، عن الربيع بن أنس، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ من فارق الدنيا على الإخلاص لله وحده وعبادته لا شريك له وإقام الصلاة وإيتاء الزكاة مات والله عنه راض ‏"‏ ‏.‏ قال أنس وهو دين الله الذي جاءت به الرسل وبلغوه عن ربهم قبل هرج الأحاديث واختلاف الأهواء وتصديق ذلك في كتاب الله في آخر ما نزل يقول الله {فإن تابوا}‏ قال خلعوا الأوثان وعبادتها {وأقاموا الصلاة وآتوا الزكاة}‏ وقال في آية أخرى ‏{فإن تابوا وأقاموا الصلاة وآتوا الزكاة فإخوانكم في الدين}‏ حدثنا أبو حاتم، حدثنا عبيد الله بن موسى العبسي، حدثنا أبو جعفر الرازي، عن الربيع بن أنس، مثله ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৭১

حدثنا أحمد بن الأزهر، حدثنا أبو النضر، حدثنا أبو جعفر، عن يونس، عن الحسن، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أمرت أن أقاتل الناس حتى يشهدوا أن لا إله إلا الله وأني رسول الله ويقيموا الصلاة ويؤتوا الزكاة ‏"‏ ‏.‏

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি লোকেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য প্রদান করে যে, আল্লাহ্‌ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নাই, নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ্‌র রসূল এবং তারা সলাত আদায় করে এবং যাকাত দেয়। [৭১]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি লোকেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য প্রদান করে যে, আল্লাহ্‌ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নাই, নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ্‌র রসূল এবং তারা সলাত আদায় করে এবং যাকাত দেয়। [৭১]

حدثنا أحمد بن الأزهر، حدثنا أبو النضر، حدثنا أبو جعفر، عن يونس، عن الحسن، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أمرت أن أقاتل الناس حتى يشهدوا أن لا إله إلا الله وأني رسول الله ويقيموا الصلاة ويؤتوا الزكاة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৭১

حدثنا أحمد بن الأزهر، حدثنا أبو النضر، حدثنا أبو جعفر، عن يونس، عن الحسن، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أمرت أن أقاتل الناس حتى يشهدوا أن لا إله إلا الله وأني رسول الله ويقيموا الصلاة ويؤتوا الزكاة ‏"‏ ‏.‏

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি লোকেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য প্রদান করে যে, আল্লাহ্‌ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নাই, নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ্‌র রসূল এবং তারা সলাত আদায় করে এবং যাকাত দেয়। [৭১]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি লোকেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য প্রদান করে যে, আল্লাহ্‌ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নাই, নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ্‌র রসূল এবং তারা সলাত আদায় করে এবং যাকাত দেয়। [৭১]

حدثنا أحمد بن الأزهر، حدثنا أبو النضر، حدثنا أبو جعفر، عن يونس، عن الحسن، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أمرت أن أقاتل الناس حتى يشهدوا أن لا إله إلا الله وأني رسول الله ويقيموا الصلاة ويؤتوا الزكاة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৭২

حدثنا أحمد بن الأزهر، حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا عبد الحميد بن بهرام، عن شهر بن حوشب، عن عبد الرحمن بن غنم، عن معاذ بن جبل، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أمرت أن أقاتل الناس حتى يشهدوا أن لا إله إلا الله وأني رسول الله ويقيموا الصلاة ويؤتوا الزكاة ‏"‏ ‏.‏

মুআয বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমাকে মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ্‌ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, নিশ্চয় আমি আল্লাহ্‌র রসূল এবং তারা সলাত আদায় করে ও যাকাত দেয়। [৭২]

মুআয বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমাকে মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ্‌ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, নিশ্চয় আমি আল্লাহ্‌র রসূল এবং তারা সলাত আদায় করে ও যাকাত দেয়। [৭২]

حدثنا أحمد بن الأزهر، حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا عبد الحميد بن بهرام، عن شهر بن حوشب، عن عبد الرحمن بن غنم، عن معاذ بن جبل، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أمرت أن أقاتل الناس حتى يشهدوا أن لا إله إلا الله وأني رسول الله ويقيموا الصلاة ويؤتوا الزكاة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৭২

حدثنا أحمد بن الأزهر، حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا عبد الحميد بن بهرام، عن شهر بن حوشب، عن عبد الرحمن بن غنم، عن معاذ بن جبل، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أمرت أن أقاتل الناس حتى يشهدوا أن لا إله إلا الله وأني رسول الله ويقيموا الصلاة ويؤتوا الزكاة ‏"‏ ‏.‏

মুআয বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমাকে মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ্‌ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, নিশ্চয় আমি আল্লাহ্‌র রসূল এবং তারা সলাত আদায় করে ও যাকাত দেয়। [৭২]

মুআয বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমাকে মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ্‌ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, নিশ্চয় আমি আল্লাহ্‌র রসূল এবং তারা সলাত আদায় করে ও যাকাত দেয়। [৭২]

حدثنا أحمد بن الأزهر، حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا عبد الحميد بن بهرام، عن شهر بن حوشب، عن عبد الرحمن بن غنم، عن معاذ بن جبل، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أمرت أن أقاتل الناس حتى يشهدوا أن لا إله إلا الله وأني رسول الله ويقيموا الصلاة ويؤتوا الزكاة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৭৫

حدثنا أبو عثمان البخاري، حدثنا الهيثم، حدثنا إسماعيل، عن جرير بن عثمان، عن الحارث، - أظنه - عن مجاهد، عن أبي الدرداء، قال الإيمان يزداد وينقص ‏.‏

আবুদ-দারদা' (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ঈমান বাড়ে ও কমে। [৭৩]

আবুদ-দারদা' (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ঈমান বাড়ে ও কমে। [৭৩]

حدثنا أبو عثمان البخاري، حدثنا الهيثم، حدثنا إسماعيل، عن جرير بن عثمان، عن الحارث، - أظنه - عن مجاهد، عن أبي الدرداء، قال الإيمان يزداد وينقص ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৭৩

حدثنا محمد بن إسماعيل الرازي، أنبأنا يونس بن محمد، حدثنا عبد الله بن محمد الليثي، حدثنا نزار بن حيان، عن عكرمة، عن ابن عباس، وعن جابر بن عبد الله، قالا قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ صنفان من أمتي ليس لهما في الإسلام نصيب أهل الإرجاء وأهل القدر ‏"‏ ‏.

ইবনু আব্বাস ও জাবির বিন আহদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমার উম্মাতের দু’ শ্রেণীর লোকের ইসলামে কোন অংশ নেই- মুরজিয়া ও কাদারিয়া সম্প্রদায়।

ইবনু আব্বাস ও জাবির বিন আহদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমার উম্মাতের দু’ শ্রেণীর লোকের ইসলামে কোন অংশ নেই- মুরজিয়া ও কাদারিয়া সম্প্রদায়।

حدثنا محمد بن إسماعيل الرازي، أنبأنا يونس بن محمد، حدثنا عبد الله بن محمد الليثي، حدثنا نزار بن حيان، عن عكرمة، عن ابن عباس، وعن جابر بن عبد الله، قالا قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ صنفان من أمتي ليس لهما في الإسلام نصيب أهل الإرجاء وأهل القدر ‏"‏ ‏.


সুনানে ইবনে মাজাহ ৭৪

حدثنا أبو عثمان البخاري، سعيد بن سعد قال حدثنا الهيثم بن خارجة، حدثنا إسماعيل، - يعني ابن عياش - عن عبد الوهاب بن مجاهد، عن مجاهد، عن أبي هريرة، وابن، عباس قالا الإيمان يزيد وينقص

আবু হুরায়রা ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা বলেন, ঈমান বাড়ে ও কমে।

আবু হুরায়রা ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা বলেন, ঈমান বাড়ে ও কমে।

حدثنا أبو عثمان البخاري، سعيد بن سعد قال حدثنا الهيثم بن خارجة، حدثنا إسماعيل، - يعني ابن عياش - عن عبد الوهاب بن مجاهد، عن مجاهد، عن أبي هريرة، وابن، عباس قالا الإيمان يزيد وينقص


সুনানে ইবনে মাজাহ > তাকদীর (রাঃ) ভাগ্যলিপির বর্ণনা

সুনানে ইবনে মাজাহ ৭৯

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد الطنافسي، قالا حدثنا عبد الله بن إدريس، عن ربيعة بن عثمان، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ المؤمن القوي خير وأحب إلى الله من المؤمن الضعيف وفي كل خير احرص على ما ينفعك واستعن بالله ولا تعجز فإن أصابك شىء فلا تقل لو أني فعلت كذا وكذا ‏.‏ ولكن قل قدر الله وما شاء فعل فإن ‏"‏ لو ‏"‏ تفتح عمل الشيطان ‏"‏ ‏.‏

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, শক্তিশালী মু’মিন দুর্বল মু’মিনের চাইতে উত্তম এবং আল্লাহ্‌র নিকট অধিক প্রিয়। অবশ্য উভয়ের মধ্যেই কল্যাণ রয়েছে। তুমি তোমার জন্য উপকারী জিনিসের আকাঙ্ক্ষা করো এবং আল্লাহ্‌র সাহায্য চাও এবং কখনো অক্ষমতা প্রকাশ করো না। তোমার কোন ক্ষতি হলে বলো না, যদি আমি এভাবে করতাম, বরং তুমি বল, আল্লাহ্‌ যা নির্ধারণ করেছেন এবং তিনি যা চান তাই করেন। কেননা “লাও” (যদি) শব্দটি শয়তানের তৎপরতার দ্বার খুলে দেয়। [৭৭]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, শক্তিশালী মু’মিন দুর্বল মু’মিনের চাইতে উত্তম এবং আল্লাহ্‌র নিকট অধিক প্রিয়। অবশ্য উভয়ের মধ্যেই কল্যাণ রয়েছে। তুমি তোমার জন্য উপকারী জিনিসের আকাঙ্ক্ষা করো এবং আল্লাহ্‌র সাহায্য চাও এবং কখনো অক্ষমতা প্রকাশ করো না। তোমার কোন ক্ষতি হলে বলো না, যদি আমি এভাবে করতাম, বরং তুমি বল, আল্লাহ্‌ যা নির্ধারণ করেছেন এবং তিনি যা চান তাই করেন। কেননা “লাও” (যদি) শব্দটি শয়তানের তৎপরতার দ্বার খুলে দেয়। [৭৭]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد الطنافسي، قالا حدثنا عبد الله بن إدريس، عن ربيعة بن عثمان، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ المؤمن القوي خير وأحب إلى الله من المؤمن الضعيف وفي كل خير احرص على ما ينفعك واستعن بالله ولا تعجز فإن أصابك شىء فلا تقل لو أني فعلت كذا وكذا ‏.‏ ولكن قل قدر الله وما شاء فعل فإن ‏"‏ لو ‏"‏ تفتح عمل الشيطان ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৮১

حدثنا عبد الله بن عامر بن زرارة، حدثنا شريك، عن منصور، عن ربعي، عن علي، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ لا يؤمن عبد حتى يؤمن بأربع بالله وحده لا شريك له وأني رسول الله وبالبعث بعد الموت والقدر ‏"‏ ‏.

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন বান্দাহ চারটি বিষয়ের উপর ঈমান না আনা পর্যন্ত মু’মিন হবে না। একমাত্র আল্লাহ্‌র উপর ঈমান আনবে, যাঁর কোন শরীক নেই, নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ্‌র রসূল, মৃত্যুর পর পুনরুত্থান এবং তাকদীরের ভালমন্দে। [৭৯]

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন বান্দাহ চারটি বিষয়ের উপর ঈমান না আনা পর্যন্ত মু’মিন হবে না। একমাত্র আল্লাহ্‌র উপর ঈমান আনবে, যাঁর কোন শরীক নেই, নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ্‌র রসূল, মৃত্যুর পর পুনরুত্থান এবং তাকদীরের ভালমন্দে। [৭৯]

حدثنا عبد الله بن عامر بن زرارة، حدثنا شريك، عن منصور، عن ربعي، عن علي، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ لا يؤمن عبد حتى يؤمن بأربع بالله وحده لا شريك له وأني رسول الله وبالبعث بعد الموت والقدر ‏"‏ ‏.


সুনানে ইবনে মাজাহ ৮২

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا وكيع، حدثنا طلحة بن يحيى بن طلحة بن عبيد الله، عن عمته، عائشة بنت طلحة عن عائشة أم المؤمنين، قالت دعي رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ إلى جنازة غلام من الأنصار فقلت يا رسول الله طوبى لهذا عصفور من عصافير الجنة لم يعمل السوء ولم يدركه ‏.‏ قال ‏ "‏ أو غير ذلك يا عائشة إن الله خلق للجنة أهلا خلقهم لها وهم في أصلاب آبائهم وخلق للنار أهلا خلقهم لها وهم في أصلاب آبائهم ‏"‏ ‏.‏

উম্মুল মু’মিনীন আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আনসার সম্প্রদায়ের এক বালকের জানাযাহ পড়ার জন্য ডাকা হলো। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তার জন্য সুসংবাদ, সে জান্নাতের চড়ুই পাখিদের মধ্যে এক চড়ুই যে পাপ কাজ করেনি এবং তা তাকে স্পর্শও করেনি। তিনি বলেন, হে আয়িশাহ! এর ব্যতিক্রমও কি হতে পারে? নিশ্চয় আল্লাহ্‌ তা’আলা একদল লোককে জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। তারা তাদের পিতাদের মেরুদন্ডে অবচেতন থাকতেই তিনি তাদেরকে জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। তিনি জাহান্নামের জন্যও একদল সৃষ্টি করেছেন। তারা তাদের পিতাদের মেরুদন্ডে অবচেতন থাকতেই তিনি তাদের জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছেন। [৮০]

উম্মুল মু’মিনীন আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আনসার সম্প্রদায়ের এক বালকের জানাযাহ পড়ার জন্য ডাকা হলো। আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তার জন্য সুসংবাদ, সে জান্নাতের চড়ুই পাখিদের মধ্যে এক চড়ুই যে পাপ কাজ করেনি এবং তা তাকে স্পর্শও করেনি। তিনি বলেন, হে আয়িশাহ! এর ব্যতিক্রমও কি হতে পারে? নিশ্চয় আল্লাহ্‌ তা’আলা একদল লোককে জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। তারা তাদের পিতাদের মেরুদন্ডে অবচেতন থাকতেই তিনি তাদেরকে জান্নাতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। তিনি জাহান্নামের জন্যও একদল সৃষ্টি করেছেন। তারা তাদের পিতাদের মেরুদন্ডে অবচেতন থাকতেই তিনি তাদের জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছেন। [৮০]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا وكيع، حدثنا طلحة بن يحيى بن طلحة بن عبيد الله، عن عمته، عائشة بنت طلحة عن عائشة أم المؤمنين، قالت دعي رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ إلى جنازة غلام من الأنصار فقلت يا رسول الله طوبى لهذا عصفور من عصافير الجنة لم يعمل السوء ولم يدركه ‏.‏ قال ‏ "‏ أو غير ذلك يا عائشة إن الله خلق للجنة أهلا خلقهم لها وهم في أصلاب آبائهم وخلق للنار أهلا خلقهم لها وهم في أصلاب آبائهم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৭৬

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، ومحمد بن فضيل، وأبو معاوية ح وحدثنا علي بن ميمون الرقي، حدثنا أبو معاوية، ومحمد بن عبيد، عن الأعمش، عن زيد بن وهب، قال قال عبد الله بن مسعود حدثنا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وهو الصادق المصدوق قال ‏ "‏ يجمع خلق أحدكم في بطن أمه أربعين يوما ثم يكون علقة مثل ذلك ثم يكون مضغة مثل ذلك ثم يبعث الله إليه الملك فيؤمر بأربع كلمات فيقول اكتب عمله وأجله ورزقه وشقي أم سعيد ‏.‏ فوالذي نفسي بيده إن أحدكم ليعمل بعمل أهل الجنة حتى ما يكون بينه وبينها إلا ذراع فيسبق عليه الكتاب فيعمل بعمل أهل النار فيدخلها وإن أحدكم ليعمل بعمل أهل النار حتى ما يكون بينه وبينها إلا ذراع فيسبق عليه الكتاب فيعمل بعمل أهل الجنة فيدخلها ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আর তিনি ছিলেন সত্যবাদী ও সত্যবাদী বলে সমর্থিতঃ তোমাদের প্রত্যেকের সৃষ্টি কার্যক্রম এভাবে অগ্রসর হয় যে, তার মাতৃগর্ভে চল্লিশ দিন পর্যন্ত (শুক্ররূপে) জমা রাখা হয়, তারপর অনুরূপ সময়ে তা জমাট রক্ত পিন্ডের রূপ ধারণ করে, তারপর অনুরূপ সময়ে তা মাংসপিন্ডের রূপ ধারণ করে, তারপর আল্লাহ্‌ তাআলা তার নিকট একজন ফেরেশ্‌তা পাঠান। তাকে চারটি বিষয় লিপিবদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়। অতএব তিনি (আল্লাহ্‌) বলেন, তার কার্যকলাপ, আয়ুষ্কাল, তার রিয্‌ক এবং সে দুর্ভাগা না ভাগ্যবান তা লিখে দাও। সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ! নিশ্চয় তোমাদের কেউ অবশ্যই জান্নাতীদের কাজ করতে থাকে, এমনকি তার ও জান্নাতের মাঝে মাত্র এক হাত পরিমাণ দূরত্ব থাকে, তখন তার দিকে তার তাকদীরের লেখা অগ্রসর হয় এবং সে জাহান্নামীদের কাজ করে, ফলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করে। আবার তোমাদের কেউ অবশ্যই জাহান্নামীদের কাজ করতে থাকে, এমনকি তার ও জাহান্নামের মাঝে মাত্র এক হাত দূরত্ব থাকে, তখন তার দিকে তার তাকদীরের লেখা অগ্রসর হয় এবং সে জান্নাতীদের কাজ করে, ফলে সে জান্নাতে প্রবেশ করে। [৭৪]

আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আর তিনি ছিলেন সত্যবাদী ও সত্যবাদী বলে সমর্থিতঃ তোমাদের প্রত্যেকের সৃষ্টি কার্যক্রম এভাবে অগ্রসর হয় যে, তার মাতৃগর্ভে চল্লিশ দিন পর্যন্ত (শুক্ররূপে) জমা রাখা হয়, তারপর অনুরূপ সময়ে তা জমাট রক্ত পিন্ডের রূপ ধারণ করে, তারপর অনুরূপ সময়ে তা মাংসপিন্ডের রূপ ধারণ করে, তারপর আল্লাহ্‌ তাআলা তার নিকট একজন ফেরেশ্‌তা পাঠান। তাকে চারটি বিষয় লিপিবদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়। অতএব তিনি (আল্লাহ্‌) বলেন, তার কার্যকলাপ, আয়ুষ্কাল, তার রিয্‌ক এবং সে দুর্ভাগা না ভাগ্যবান তা লিখে দাও। সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ! নিশ্চয় তোমাদের কেউ অবশ্যই জান্নাতীদের কাজ করতে থাকে, এমনকি তার ও জান্নাতের মাঝে মাত্র এক হাত পরিমাণ দূরত্ব থাকে, তখন তার দিকে তার তাকদীরের লেখা অগ্রসর হয় এবং সে জাহান্নামীদের কাজ করে, ফলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করে। আবার তোমাদের কেউ অবশ্যই জাহান্নামীদের কাজ করতে থাকে, এমনকি তার ও জাহান্নামের মাঝে মাত্র এক হাত দূরত্ব থাকে, তখন তার দিকে তার তাকদীরের লেখা অগ্রসর হয় এবং সে জান্নাতীদের কাজ করে, ফলে সে জান্নাতে প্রবেশ করে। [৭৪]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، ومحمد بن فضيل، وأبو معاوية ح وحدثنا علي بن ميمون الرقي، حدثنا أبو معاوية، ومحمد بن عبيد، عن الأعمش، عن زيد بن وهب، قال قال عبد الله بن مسعود حدثنا رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ وهو الصادق المصدوق قال ‏ "‏ يجمع خلق أحدكم في بطن أمه أربعين يوما ثم يكون علقة مثل ذلك ثم يكون مضغة مثل ذلك ثم يبعث الله إليه الملك فيؤمر بأربع كلمات فيقول اكتب عمله وأجله ورزقه وشقي أم سعيد ‏.‏ فوالذي نفسي بيده إن أحدكم ليعمل بعمل أهل الجنة حتى ما يكون بينه وبينها إلا ذراع فيسبق عليه الكتاب فيعمل بعمل أهل النار فيدخلها وإن أحدكم ليعمل بعمل أهل النار حتى ما يكون بينه وبينها إلا ذراع فيسبق عليه الكتاب فيعمل بعمل أهل الجنة فيدخلها ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৭৮

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو معاوية، ووكيع، عن الأعمش، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن علي، قال كنا جلوسا عند النبي صلى الله عليه وسلم ـ صلى الله عليه وسلم ـ وبيده عود فنكت في الأرض ثم رفع رأسه فقال ‏"‏ ما منكم من أحد إلا وقد كتب مقعده من الجنة ومقعده من النار ‏"‏ ‏.‏ قيل يا رسول الله أفلا نتكل قال ‏"‏ لا اعملوا ولا تتكلوا فكل ميسر لما خلق له ‏"‏ ‏.‏ ثم قرأ {فأما من أعطى واتقى * وصدق بالحسنى * فسنيسره لليسرى * وأما من بخل واستغنى * وكذب بالحسنى * فسنيسره للعسرى}‏ ‏.‏

আলী বিন আবু তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বসা ছিলাম। তাঁর হাতে ছিল এক টুকরা কাঠ। তা দিয়ে তিনি মাটির উপর রেখা টানলেন, অতঃপর মাথা তুলে বলেন, তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার জান্নাতে তার একটি আসন অথবা জাহান্নামে তার নিকট আসন নির্ধারিত করা হয়নি। বলা হলো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তাহলে আমরা কি ভরসা করব না? তিনি বলেন, না, তোমরা সৎ কাজ করতে থাকো এবং (এর উপর) ভরসা করো না। কারণ যাকে যার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে তা তার জন্য সহজসাধ্য করা হয়েছে। অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ): “সুতরাং কেউ দান করলে, মুত্তাকী হলে এবং যা উত্তম তা গ্রহণ করলে, আমি তার জন্য সুগম করে দিব সহজ পথ। আর কেউ কার্পণ্য করলে, নিজেকে অমুখাপেক্ষী মনে করলে আমি তার জন্য সুগম করে দিব কঠোর পথ।”(সূরাহ লায়ল ৯২ : ৫-১০)। [৭৬]

আলী বিন আবু তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বসা ছিলাম। তাঁর হাতে ছিল এক টুকরা কাঠ। তা দিয়ে তিনি মাটির উপর রেখা টানলেন, অতঃপর মাথা তুলে বলেন, তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার জান্নাতে তার একটি আসন অথবা জাহান্নামে তার নিকট আসন নির্ধারিত করা হয়নি। বলা হলো, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তাহলে আমরা কি ভরসা করব না? তিনি বলেন, না, তোমরা সৎ কাজ করতে থাকো এবং (এর উপর) ভরসা করো না। কারণ যাকে যার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে তা তার জন্য সহজসাধ্য করা হয়েছে। অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ): “সুতরাং কেউ দান করলে, মুত্তাকী হলে এবং যা উত্তম তা গ্রহণ করলে, আমি তার জন্য সুগম করে দিব সহজ পথ। আর কেউ কার্পণ্য করলে, নিজেকে অমুখাপেক্ষী মনে করলে আমি তার জন্য সুগম করে দিব কঠোর পথ।”(সূরাহ লায়ল ৯২ : ৫-১০)। [৭৬]

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو معاوية، ووكيع، عن الأعمش، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن السلمي، عن علي، قال كنا جلوسا عند النبي صلى الله عليه وسلم ـ صلى الله عليه وسلم ـ وبيده عود فنكت في الأرض ثم رفع رأسه فقال ‏"‏ ما منكم من أحد إلا وقد كتب مقعده من الجنة ومقعده من النار ‏"‏ ‏.‏ قيل يا رسول الله أفلا نتكل قال ‏"‏ لا اعملوا ولا تتكلوا فكل ميسر لما خلق له ‏"‏ ‏.‏ ثم قرأ {فأما من أعطى واتقى * وصدق بالحسنى * فسنيسره لليسرى * وأما من بخل واستغنى * وكذب بالحسنى * فسنيسره للعسرى}‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৮০

حدثنا هشام بن عمار، ويعقوب بن حميد بن كاسب، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، سمع طاوسا، يقول سمعت أبا هريرة، يخبر عن النبي صلى الله عليه وسلم ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ احتج آدم وموسى فقال له موسى يا آدم أنت أبونا خيبتنا وأخرجتنا من الجنة بذنبك ‏.‏ فقال له آدم يا موسى اصطفاك الله بكلامه وخط لك التوراة بيده أتلومني على أمر قدره الله على قبل أن يخلقني بأربعين سنة فحج آدم موسى فحج آدم موسى فحج آدم موسى ‏"‏ ‏.‏ ثلاثا ‏.‏

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আদম (আঃ) মূসা (আঃ)-এর সাথে (আত্মার জগতে) বিতর্ক করেন। মূসা (আঃ) তাঁকে বলেন, হে আদম! আপনি আমাদের পিতা। আপনি আমাদের হতাশ করেছেন এবং আপনার ভুলের মাশুল স্বরূপ আমাদেরকে জান্নাত থেকে বহিষ্কার করেছেন। আদম (আঃ) তাঁকে বলেন, হে মূসা! আল্লাহ্‌ তোমাকে তাঁর প্রত্যক্ষ কালামের জন্য মনোনীত করেছেন এবং স্বহস্তে তোমাকে তাওরাত কিতাব লিখে দিয়েছেন। তুমি কি আমাকে এমন একটি ব্যাপারে দোষারোপ করছো, যা আল্লাহ্‌ তা’আলা আমাকে সৃষ্টি করার চল্লিশ বছর পূর্বে আমার জন্য নির্ধারিত করেন? অতএব আদম (আঃ) বিতর্কে মূসা (আঃ)-এর উপর বিজয়ী হন, আদম (আঃ) মূসা (আঃ)-এর সাথে বিতর্কে বিজয়ী হন, আদম (আঃ) মূসা (আঃ)-এর সাথে বিতর্কে বিজয়ী হন। কথাটি তিনি তিনবার বলেন। [৭৮]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আদম (আঃ) মূসা (আঃ)-এর সাথে (আত্মার জগতে) বিতর্ক করেন। মূসা (আঃ) তাঁকে বলেন, হে আদম! আপনি আমাদের পিতা। আপনি আমাদের হতাশ করেছেন এবং আপনার ভুলের মাশুল স্বরূপ আমাদেরকে জান্নাত থেকে বহিষ্কার করেছেন। আদম (আঃ) তাঁকে বলেন, হে মূসা! আল্লাহ্‌ তোমাকে তাঁর প্রত্যক্ষ কালামের জন্য মনোনীত করেছেন এবং স্বহস্তে তোমাকে তাওরাত কিতাব লিখে দিয়েছেন। তুমি কি আমাকে এমন একটি ব্যাপারে দোষারোপ করছো, যা আল্লাহ্‌ তা’আলা আমাকে সৃষ্টি করার চল্লিশ বছর পূর্বে আমার জন্য নির্ধারিত করেন? অতএব আদম (আঃ) বিতর্কে মূসা (আঃ)-এর উপর বিজয়ী হন, আদম (আঃ) মূসা (আঃ)-এর সাথে বিতর্কে বিজয়ী হন, আদম (আঃ) মূসা (আঃ)-এর সাথে বিতর্কে বিজয়ী হন। কথাটি তিনি তিনবার বলেন। [৭৮]

حدثنا هشام بن عمار، ويعقوب بن حميد بن كاسب، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، سمع طاوسا، يقول سمعت أبا هريرة، يخبر عن النبي صلى الله عليه وسلم ـ صلى الله عليه وسلم ـ قال ‏ "‏ احتج آدم وموسى فقال له موسى يا آدم أنت أبونا خيبتنا وأخرجتنا من الجنة بذنبك ‏.‏ فقال له آدم يا موسى اصطفاك الله بكلامه وخط لك التوراة بيده أتلومني على أمر قدره الله على قبل أن يخلقني بأربعين سنة فحج آدم موسى فحج آدم موسى فحج آدم موسى ‏"‏ ‏.‏ ثلاثا ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৮৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا وكيع، حدثنا سفيان الثوري، عن زياد بن إسماعيل المخزومي، عن محمد بن عباد بن جعفر، عن أبي هريرة، قال جاء مشركو قريش يخاصمون النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ في القدر فنزلت هذه الآية {يوم يسحبون في النار على وجوههم ذوقوا مس سقر * إنا كل شىء خلقناه بقدر ‏}‏ ‏.‏

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কুরায়শ মুশরিকরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে তাকদীরের ব্যাপারে ঝগড়া করার উদ্দেশ্যে উপস্থিত হয়। তখন এ আয়াত নাযিল হয় (অনুবাদ): “যেদিন তাদেরকে উপুড় করে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে জাহান্নামের দিকে, (সেদিন বলা হবে) জাহান্নামের যন্ত্রণা আস্বাদন করো। আমি সবকিছু সৃষ্টি করেছি নির্ধারিত পরিমাপে।” (সূরা আল ক্বামার ৫৪ : ৪৮, ৪৯) [৮১]

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কুরায়শ মুশরিকরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে তাকদীরের ব্যাপারে ঝগড়া করার উদ্দেশ্যে উপস্থিত হয়। তখন এ আয়াত নাযিল হয় (অনুবাদ): “যেদিন তাদেরকে উপুড় করে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে জাহান্নামের দিকে, (সেদিন বলা হবে) জাহান্নামের যন্ত্রণা আস্বাদন করো। আমি সবকিছু সৃষ্টি করেছি নির্ধারিত পরিমাপে।” (সূরা আল ক্বামার ৫৪ : ৪৮, ৪৯) [৮১]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا وكيع، حدثنا سفيان الثوري، عن زياد بن إسماعيل المخزومي، عن محمد بن عباد بن جعفر، عن أبي هريرة، قال جاء مشركو قريش يخاصمون النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ في القدر فنزلت هذه الآية {يوم يسحبون في النار على وجوههم ذوقوا مس سقر * إنا كل شىء خلقناه بقدر ‏}‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৮৪

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، قال حدثنا مالك بن إسماعيل، حدثنا يحيى بن عثمان، مولى أبي بكر حدثنا يحيى بن عبد الله بن أبي مليكة، عن أبيه، أنه دخل على عائشة فذكر لها شيئا من القدر فقالت سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏ "‏ من تكلم في شىء من القدر سئل عنه يوم القيامة ومن لم يتكلم فيه لم يسأل عنه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو الحسن القطان حدثناه خازم بن يحيى، حدثنا عبد الملك بن شيبان، حدثنا يحيى بن عثمان، فذكر نحوه ‏.‏

আবদুল্লাহ বিন উবায়দুল্লাহ থেকে বর্নিতঃ

তিনি আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তার সঙ্গে তাকদীর সম্পর্কে কিছু আলোচনা করেন। আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি তাকদীর সম্পর্কে কিছু বলবে, কিয়ামতের দিন তাকে ঐ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে। আর যে ব্যক্তি এ বিষয়ে কিছু বলবে না তাকে সে সম্পর্কে জিজ্ঞেসও করা হবে না। [৮২]

আবদুল্লাহ বিন উবায়দুল্লাহ থেকে বর্নিতঃ

তিনি আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তার সঙ্গে তাকদীর সম্পর্কে কিছু আলোচনা করেন। আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি তাকদীর সম্পর্কে কিছু বলবে, কিয়ামতের দিন তাকে ঐ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে। আর যে ব্যক্তি এ বিষয়ে কিছু বলবে না তাকে সে সম্পর্কে জিজ্ঞেসও করা হবে না। [৮২]

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، قال حدثنا مالك بن إسماعيل، حدثنا يحيى بن عثمان، مولى أبي بكر حدثنا يحيى بن عبد الله بن أبي مليكة، عن أبيه، أنه دخل على عائشة فذكر لها شيئا من القدر فقالت سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏ "‏ من تكلم في شىء من القدر سئل عنه يوم القيامة ومن لم يتكلم فيه لم يسأل عنه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو الحسن القطان حدثناه خازم بن يحيى، حدثنا عبد الملك بن شيبان، حدثنا يحيى بن عثمان، فذكر نحوه ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৮৫

حدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو معاوية، حدثنا داود بن أبي هند، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، قال خرج رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ على أصحابه وهم يختصمون في القدر فكأنما يفقأ في وجهه حب الرمان من الغضب فقال ‏ "‏ بهذا أمرتم أو لهذا خلقتم تضربون القرآن بعضه ببعض ‏.‏ بهذا هلكت الأمم قبلكم ‏"‏ ‏.‏ قال فقال عبد الله بن عمرو ما غبطت نفسي بمجلس تخلفت فيه عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ما غبطت نفسي بذلك المجلس وتخلفي عنه.‏

আবদুল্লাহ বিন আম্‌র ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সহাবীদের নিকট বের হয়ে এলেন। তখন তারা তাকদীর সম্পর্কে বাদানুবাদ করছিল। ফলে রাগে তাঁর চেহারা লাল বর্ণ ধারণ করে, যেন ডালিমের দানা তাঁর মুখমন্ডলে ছিটিয়ে দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, তোমাদের কি এ কাজের নির্দেশ দেয়া হয়েছে অথবা এর জন্য কি তোমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে? তোমরাও কুরআনের কতকাংশকে কতকাংশের বিরুদ্ধে পেশ করছো। এ কারণেই তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মাতগণ ধ্বংস হয়েছে। রাবী বলেন, আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) বললেন, আমি এই মজলিসে উপস্থিত না থাকায় যে লজ্জা পেলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আর কোন মজলিসে আমি উপস্থিত না হওয়ায় এতটা লজ্জা পাইনি। [৮৩]

আবদুল্লাহ বিন আম্‌র ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সহাবীদের নিকট বের হয়ে এলেন। তখন তারা তাকদীর সম্পর্কে বাদানুবাদ করছিল। ফলে রাগে তাঁর চেহারা লাল বর্ণ ধারণ করে, যেন ডালিমের দানা তাঁর মুখমন্ডলে ছিটিয়ে দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, তোমাদের কি এ কাজের নির্দেশ দেয়া হয়েছে অথবা এর জন্য কি তোমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে? তোমরাও কুরআনের কতকাংশকে কতকাংশের বিরুদ্ধে পেশ করছো। এ কারণেই তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মাতগণ ধ্বংস হয়েছে। রাবী বলেন, আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) বললেন, আমি এই মজলিসে উপস্থিত না থাকায় যে লজ্জা পেলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আর কোন মজলিসে আমি উপস্থিত না হওয়ায় এতটা লজ্জা পাইনি। [৮৩]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا أبو معاوية، حدثنا داود بن أبي هند، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، قال خرج رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ على أصحابه وهم يختصمون في القدر فكأنما يفقأ في وجهه حب الرمان من الغضب فقال ‏ "‏ بهذا أمرتم أو لهذا خلقتم تضربون القرآن بعضه ببعض ‏.‏ بهذا هلكت الأمم قبلكم ‏"‏ ‏.‏ قال فقال عبد الله بن عمرو ما غبطت نفسي بمجلس تخلفت فيه عن رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ما غبطت نفسي بذلك المجلس وتخلفي عنه.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৮৭

حدثنا علي بن محمد، حدثنا يحيى بن عيسى الجرار، عن عبد الأعلى بن أبي المساور، عن الشعبي، قال لما قدم عدي بن حاتم الكوفة أتيناه في نفر من فقهاء أهل الكوفة ‏.‏ فقلنا له حدثنا ما سمعت من رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏ فقال أتيت النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال ‏"‏ يا عدي بن حاتم أسلم تسلم ‏"‏ ‏.‏ قلت وما الإسلام فقال ‏"‏ تشهد أن لا إله إلا الله وأني رسول الله وتؤمن بالأقدار كلها خيرها وشرها حلوها ومرها ‏"‏ ‏.‏

শা’বী (আমির বিন শুরাহীল) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আদী বিন হাতিম (রাঃ) কূফায় এলে আমরা কূফার একদল ফকীহ তাঁর সাথে সাক্ষাত করি। আমরা তাকে বললাম, আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট যা শুনেছেন, তা আমাদের কাছে বর্ণনা করুন। তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এলে তিনি বলেন, হে আদী বিন হাতিম! তুমি ইসলাম গ্রহণ করো, শান্তি পাবে। আমি বললাম, ইসলাম কী? তিনি বলেন, তুমি সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ্‌ ছাড়া সত্যিকার কোন ইলাহ নেই, আমি আল্লাহ্‌র রসূল এবং তুমি তাকদীরের ভাল-মন্দ, স্বাদ-তিক্ততা সবকিছুর উপর ঈমান আনবে। [৮৫]

শা’বী (আমির বিন শুরাহীল) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আদী বিন হাতিম (রাঃ) কূফায় এলে আমরা কূফার একদল ফকীহ তাঁর সাথে সাক্ষাত করি। আমরা তাকে বললাম, আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট যা শুনেছেন, তা আমাদের কাছে বর্ণনা করুন। তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এলে তিনি বলেন, হে আদী বিন হাতিম! তুমি ইসলাম গ্রহণ করো, শান্তি পাবে। আমি বললাম, ইসলাম কী? তিনি বলেন, তুমি সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ্‌ ছাড়া সত্যিকার কোন ইলাহ নেই, আমি আল্লাহ্‌র রসূল এবং তুমি তাকদীরের ভাল-মন্দ, স্বাদ-তিক্ততা সবকিছুর উপর ঈমান আনবে। [৮৫]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا يحيى بن عيسى الجرار، عن عبد الأعلى بن أبي المساور، عن الشعبي، قال لما قدم عدي بن حاتم الكوفة أتيناه في نفر من فقهاء أهل الكوفة ‏.‏ فقلنا له حدثنا ما سمعت من رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏ فقال أتيت النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال ‏"‏ يا عدي بن حاتم أسلم تسلم ‏"‏ ‏.‏ قلت وما الإسلام فقال ‏"‏ تشهد أن لا إله إلا الله وأني رسول الله وتؤمن بالأقدار كلها خيرها وشرها حلوها ومرها ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৮৮

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أسباط بن محمد، حدثنا الأعمش، عن يزيد الرقاشي، عن غنيم بن قيس، عن أبي موسى الأشعري، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ مثل القلب مثل الريشة تقلبها الرياح بفلاة ‏"‏ ‏.‏

আবু মূসা আল-আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, অন্তর হলো পালকতুল্য, উন্মুক্ত মাঠে বাতাস তাকে যেদিকে ইচ্ছা উল্টাতে-পাল্টাতে থাকে। [৮৬]

আবু মূসা আল-আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, অন্তর হলো পালকতুল্য, উন্মুক্ত মাঠে বাতাস তাকে যেদিকে ইচ্ছা উল্টাতে-পাল্টাতে থাকে। [৮৬]

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا أسباط بن محمد، حدثنا الأعمش، عن يزيد الرقاشي، عن غنيم بن قيس، عن أبي موسى الأشعري، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ مثل القلب مثل الريشة تقلبها الرياح بفلاة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৮৯

حدثنا علي بن محمد، حدثنا خالي، يعلى عن الأعمش، عن سالم بن أبي الجعد، عن جابر، قال جاء رجل من الأنصار إلى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال يا رسول الله إن لي جارية أعزل عنها قال ‏"‏ سيأتيها ما قدر لها ‏"‏ ‏.‏ فأتاه بعد ذلك فقال قد حملت الجارية ‏.‏ فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ ما قدر لنفس شىء إلا هي كائنة ‏"‏ ‏.‏

জাবির (বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আনসার সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার একটি দাসী আছে। আমি কি তার সাথে (সঙ্গমকালে) আযল করতে পারি? তিনি বলেন, তার জন্য যা নির্ধারণ করা হয়েছে তা অবশ্যই সে লাভ করবে। পরে আবার সেই আনসারই তাঁর নিকট এসে বলেন, দাসীটি গর্ভধারণ করেছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যার জন্য যা নির্ধারিত হয়েছে তা অবশ্যই ঘটবে। [৮৭]

জাবির (বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আনসার সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার একটি দাসী আছে। আমি কি তার সাথে (সঙ্গমকালে) আযল করতে পারি? তিনি বলেন, তার জন্য যা নির্ধারণ করা হয়েছে তা অবশ্যই সে লাভ করবে। পরে আবার সেই আনসারই তাঁর নিকট এসে বলেন, দাসীটি গর্ভধারণ করেছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যার জন্য যা নির্ধারিত হয়েছে তা অবশ্যই ঘটবে। [৮৭]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا خالي، يعلى عن الأعمش، عن سالم بن أبي الجعد، عن جابر، قال جاء رجل من الأنصار إلى النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ فقال يا رسول الله إن لي جارية أعزل عنها قال ‏"‏ سيأتيها ما قدر لها ‏"‏ ‏.‏ فأتاه بعد ذلك فقال قد حملت الجارية ‏.‏ فقال النبي ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ ما قدر لنفس شىء إلا هي كائنة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৯১

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا عطاء بن مسلم الخفاف، حدثنا الأعمش، عن مجاهد، عن سراقة بن جعشم، قال قلت يا رسول الله العمل فيما جف به القلم وجرت به المقادير أو في أمر مستقبل قال ‏ "‏ بل فيما جف به القلم وجرت به المقادير وكل ميسر لما خلق له ‏"‏ ‏.‏

সুরাকাহ বিন জু’শুম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! কার্যকলাপ কি তাই যা পূর্বেই লিপিবদ্ধ করা হয়েছে এবং তদানুযায়ী তাকদীরে নির্ধারিত হয়েছে, না ভবিষ্যতে যা করা হবে তা? তিনি বলেন, বরং তাই যা পূর্বেই লিপিবদ্ধ হয়ে গেছে এবং তদানুযায়ী তাকদীর নির্দিষ্ট হয়েছে। যাকে যে জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে তার জন্য তা সহজসাধ্য করা হয়েছে।

সুরাকাহ বিন জু’শুম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! কার্যকলাপ কি তাই যা পূর্বেই লিপিবদ্ধ করা হয়েছে এবং তদানুযায়ী তাকদীরে নির্ধারিত হয়েছে, না ভবিষ্যতে যা করা হবে তা? তিনি বলেন, বরং তাই যা পূর্বেই লিপিবদ্ধ হয়ে গেছে এবং তদানুযায়ী তাকদীর নির্দিষ্ট হয়েছে। যাকে যে জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে তার জন্য তা সহজসাধ্য করা হয়েছে।

حدثنا هشام بن عمار، حدثنا عطاء بن مسلم الخفاف، حدثنا الأعمش، عن مجاهد، عن سراقة بن جعشم، قال قلت يا رسول الله العمل فيما جف به القلم وجرت به المقادير أو في أمر مستقبل قال ‏ "‏ بل فيما جف به القلم وجرت به المقادير وكل ميسر لما خلق له ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৭৭

حدثنا علي بن محمد، حدثنا إسحاق بن سليمان، قال سمعت أبا سنان، عن وهب بن خالد الحمصي، عن ابن الديلمي، قال وقع في نفسي شىء من هذا القدر خشيت أن يفسد على ديني وأمري فأتيت أبى بن كعب فقلت أبا المنذر إنه قد وقع في قلبي شىء من هذا القدر فخشيت على ديني وأمري فحدثني من ذلك بشىء لعل الله أن ينفعني به ‏.‏ فقال لو أن الله عذب أهل سمواته وأهل أرضه لعذبهم وهو غير ظالم لهم ولو رحمهم لكانت رحمته خيرا لهم من أعمالهم ‏.‏ ولو كان لك مثل جبل أحد ذهبا أو مثل جبل أحد تنفقه في سبيل الله ما قبل منك حتى تؤمن بالقدر ‏.‏ فتعلم أن ما أصابك لم يكن ليخطئك وأن ما أخطأك لم يكن ليصيبك ‏.‏ وأنك إن مت على غير هذا دخلت النار ولا عليك أن تأتي أخي عبد الله بن مسعود فتسأله ‏.‏ فأتيت عبد الله فسألته فذكر مثل ما قال أبى وقال لي ولا عليك أن تأتي حذيفة ‏.‏ فأتيت حذيفة فسألته فقال مثل ما قالا وقال ائت زيد بن ثابت فاسأله ‏.‏ فأتيت زيد بن ثابت فسألته فقال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏ "‏ لو أن الله عذب أهل سمواته وأهل أرضه لعذبهم وهو غير ظالم لهم ولو رحمهم لكانت رحمته خيرا لهم من أعمالهم ولو كان لك مثل أحد ذهبا أو مثل جبل أحد ذهبا تنفقه في سبيل الله ما قبله منك حتى تؤمن بالقدر كله فتعلم أن ما أصابك لم يكن ليخطئك وما أخطأك لم يكن ليصيبك وأنك إن مت على غير هذا دخلت النار ‏"‏ ‏.‏

উবাই বিন কা’ব, আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ, হুযায়ফাহ ও যায়দ বিন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(ইবনুল দায়লামী) বলেন, আমার মনে এই তাকদীর সম্পর্কে কিছুটা সন্দেহ দানা বাঁধে। তাই আমি এই ভেবে শংকিত হই যে, তা আমার দ্বীন ও অন্যান্য কার্যক্রম নষ্ট করে দেয় কিনা। তাই আমি উবাই বিন কা’ব (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, হে আবুল মুনযির! আমার মনে এই তাকদীর সম্পর্কে কিছুটা সন্দেহ দানা বেঁধেছে, তাই আমি এই ভেবে শংকিত হই যে, তা আমার দ্বীন ও অন্যান্য কার্যক্রমকে নষ্ট করে দেয় কিনা। অতএব এ সম্পর্কে আমাকে কিছু বলুন। আশা করি আল্লাহ্‌ তা দ্বারা আমার উপকার করবেন। তিনি বলেন, আল্লাহ্‌ তা’আলা ঊর্ধলোকের ও ইহলোকের সকলকে শাস্তি দিতে চাইলে তিনি অবশ্যই তাদের শাস্তি দিতে পারেন। তথাপি তিনি তাদের প্রতি যুলমকারী নন। আর তিনি তাদেরকে দয়া করতে চাইলে তাঁর দয়া তাদের জন্য তাদের কাজকর্মের চেয়ে কল্যাণময়। যদি তোমাদের নিকট উহূদ পাহাড় পরিমাণ বা উহূদ পাহাড়ের মত সোনা থাকতো এবং তুমি তা আল্লাহ্‌র রাস্তায় খরচ করতে থাকো, তবে তোমার সেই দান কবুল হবে না, যাবত না তুমি তাকদীরের উপর ঈমান আনো। অতএব তুমি জেনে রাখো! যা কিছু তোমার উপর আপতিত হয়েছে তা তোমার উপর আপতিত হতে কখনো ভুল হতো না এবং যা তোমার উপর আপতিত হওয়ার ছিল না তা ভুলেও কখনো তোমার উপর আপতিত হবে না। তুমি যদি এর বিপরীত বিশ্বাস নিয়ে মারা যাও তবে তুমি জাহান্নামে যাবে। আমি মনে করি তুমি আমার ভাই আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলে তোমার কোন ক্ষতি হবেনা। (ইবনুদ দাইলামী বলেন), অতঃপর আমি আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ)-এর নিকট এসে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনিও উবাই (রাঃ)-এর অনুরূপ বললেন। তিনি আরো বললেন, তুমি হুযাইফাহ (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে জিজ্ঞেস করলে তোমার ক্ষতি নেই। অতঃপর আমি হুযাইফাহ (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনিও তাদের দু’জনের অনুরূপ বলেন। তিনি আরও বলেন, তুমি যায়দ বিন সাবিত (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে তাকেও জিজ্ঞেস করো। অতএব আমি যায়দ বিন সাবিত (রাঃ)-এর নিকট এসে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা ঊর্ধলোক ও ইহলোকের সকল অধিবাসীকে শাস্তি দিতে চাইলে অবশ্যই তাদের শাস্তি দিতে পারবেন এবং তিনি তাদের প্রতি যুলমকারী নন। আর তিনি তাদের প্রতি দয়া করতে চাইলে তাঁর দয়া তাদের সমস্ত সৎ কাজের চাইতেও তাদের জন্য অধিক কল্যাণকর। তোমার নিকট উহূদ পাহাড় পরিমাণ সোনা থাকলেও এবং তুমি তা আল্লাহ্‌র পথে ব্যয় করলেও তিনি তা কবূল করবেন না, যাবত না তুমি সম্পূর্ণরূপে তাকদীরের উপর ঈমান আনো। অতএব তুমি জেনে রাখো! তোমার উপর যা কিছু আপতিত হওয়ার আছে তা তোমার উপর আপতিত হয়েছে, তা কখনো ভুলেও এড়িয়ে যেত না এবং যা তোমার উপর আপতিত হওয়ার ছিল না, তা তোমার উপর ভুলেও কখনো আপতিত হত না। তুমি যদি এর বিপরীত বিশ্বাস নিয়ে মারা যাও তাহলে তুমি জাহান্নামে যাবে। [৭৫]

উবাই বিন কা’ব, আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ, হুযায়ফাহ ও যায়দ বিন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(ইবনুল দায়লামী) বলেন, আমার মনে এই তাকদীর সম্পর্কে কিছুটা সন্দেহ দানা বাঁধে। তাই আমি এই ভেবে শংকিত হই যে, তা আমার দ্বীন ও অন্যান্য কার্যক্রম নষ্ট করে দেয় কিনা। তাই আমি উবাই বিন কা’ব (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, হে আবুল মুনযির! আমার মনে এই তাকদীর সম্পর্কে কিছুটা সন্দেহ দানা বেঁধেছে, তাই আমি এই ভেবে শংকিত হই যে, তা আমার দ্বীন ও অন্যান্য কার্যক্রমকে নষ্ট করে দেয় কিনা। অতএব এ সম্পর্কে আমাকে কিছু বলুন। আশা করি আল্লাহ্‌ তা দ্বারা আমার উপকার করবেন। তিনি বলেন, আল্লাহ্‌ তা’আলা ঊর্ধলোকের ও ইহলোকের সকলকে শাস্তি দিতে চাইলে তিনি অবশ্যই তাদের শাস্তি দিতে পারেন। তথাপি তিনি তাদের প্রতি যুলমকারী নন। আর তিনি তাদেরকে দয়া করতে চাইলে তাঁর দয়া তাদের জন্য তাদের কাজকর্মের চেয়ে কল্যাণময়। যদি তোমাদের নিকট উহূদ পাহাড় পরিমাণ বা উহূদ পাহাড়ের মত সোনা থাকতো এবং তুমি তা আল্লাহ্‌র রাস্তায় খরচ করতে থাকো, তবে তোমার সেই দান কবুল হবে না, যাবত না তুমি তাকদীরের উপর ঈমান আনো। অতএব তুমি জেনে রাখো! যা কিছু তোমার উপর আপতিত হয়েছে তা তোমার উপর আপতিত হতে কখনো ভুল হতো না এবং যা তোমার উপর আপতিত হওয়ার ছিল না তা ভুলেও কখনো তোমার উপর আপতিত হবে না। তুমি যদি এর বিপরীত বিশ্বাস নিয়ে মারা যাও তবে তুমি জাহান্নামে যাবে। আমি মনে করি তুমি আমার ভাই আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলে তোমার কোন ক্ষতি হবেনা। (ইবনুদ দাইলামী বলেন), অতঃপর আমি আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ)-এর নিকট এসে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনিও উবাই (রাঃ)-এর অনুরূপ বললেন। তিনি আরো বললেন, তুমি হুযাইফাহ (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে জিজ্ঞেস করলে তোমার ক্ষতি নেই। অতঃপর আমি হুযাইফাহ (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনিও তাদের দু’জনের অনুরূপ বলেন। তিনি আরও বলেন, তুমি যায়দ বিন সাবিত (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে তাকেও জিজ্ঞেস করো। অতএব আমি যায়দ বিন সাবিত (রাঃ)-এর নিকট এসে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা ঊর্ধলোক ও ইহলোকের সকল অধিবাসীকে শাস্তি দিতে চাইলে অবশ্যই তাদের শাস্তি দিতে পারবেন এবং তিনি তাদের প্রতি যুলমকারী নন। আর তিনি তাদের প্রতি দয়া করতে চাইলে তাঁর দয়া তাদের সমস্ত সৎ কাজের চাইতেও তাদের জন্য অধিক কল্যাণকর। তোমার নিকট উহূদ পাহাড় পরিমাণ সোনা থাকলেও এবং তুমি তা আল্লাহ্‌র পথে ব্যয় করলেও তিনি তা কবূল করবেন না, যাবত না তুমি সম্পূর্ণরূপে তাকদীরের উপর ঈমান আনো। অতএব তুমি জেনে রাখো! তোমার উপর যা কিছু আপতিত হওয়ার আছে তা তোমার উপর আপতিত হয়েছে, তা কখনো ভুলেও এড়িয়ে যেত না এবং যা তোমার উপর আপতিত হওয়ার ছিল না, তা তোমার উপর ভুলেও কখনো আপতিত হত না। তুমি যদি এর বিপরীত বিশ্বাস নিয়ে মারা যাও তাহলে তুমি জাহান্নামে যাবে। [৭৫]

حدثنا علي بن محمد، حدثنا إسحاق بن سليمان، قال سمعت أبا سنان، عن وهب بن خالد الحمصي، عن ابن الديلمي، قال وقع في نفسي شىء من هذا القدر خشيت أن يفسد على ديني وأمري فأتيت أبى بن كعب فقلت أبا المنذر إنه قد وقع في قلبي شىء من هذا القدر فخشيت على ديني وأمري فحدثني من ذلك بشىء لعل الله أن ينفعني به ‏.‏ فقال لو أن الله عذب أهل سمواته وأهل أرضه لعذبهم وهو غير ظالم لهم ولو رحمهم لكانت رحمته خيرا لهم من أعمالهم ‏.‏ ولو كان لك مثل جبل أحد ذهبا أو مثل جبل أحد تنفقه في سبيل الله ما قبل منك حتى تؤمن بالقدر ‏.‏ فتعلم أن ما أصابك لم يكن ليخطئك وأن ما أخطأك لم يكن ليصيبك ‏.‏ وأنك إن مت على غير هذا دخلت النار ولا عليك أن تأتي أخي عبد الله بن مسعود فتسأله ‏.‏ فأتيت عبد الله فسألته فذكر مثل ما قال أبى وقال لي ولا عليك أن تأتي حذيفة ‏.‏ فأتيت حذيفة فسألته فقال مثل ما قالا وقال ائت زيد بن ثابت فاسأله ‏.‏ فأتيت زيد بن ثابت فسألته فقال سمعت رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ يقول ‏ "‏ لو أن الله عذب أهل سمواته وأهل أرضه لعذبهم وهو غير ظالم لهم ولو رحمهم لكانت رحمته خيرا لهم من أعمالهم ولو كان لك مثل أحد ذهبا أو مثل جبل أحد ذهبا تنفقه في سبيل الله ما قبله منك حتى تؤمن بالقدر كله فتعلم أن ما أصابك لم يكن ليخطئك وما أخطأك لم يكن ليصيبك وأنك إن مت على غير هذا دخلت النار ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৮৬

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا وكيع، حدثنا يحيى بن أبي حية أبو جناب الكلبي، عن أبيه، عن ابن عمر، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ لا عدوى ولا طيرة ولا هامة ‏"‏ ‏.‏ فقام إليه رجل أعرابي فقال يا رسول الله أرأيت البعير يكون به الجرب فيجرب الإبل كلها قال ‏"‏ ذلكم القدر فمن أجرب الأول ‏"‏ ‏.‏

(আবদুল্লাহ) বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ছোঁয়াচে বলতে কোন রোগ নেই, অশুভ লক্ষণ বলতে কিছুই নেই এবং হামাহ (পেঁচার ডাক) বলতে কিছুই নেই। তখন তার সামনে এক বেদুঈন দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনার কী মত যে, চর্মরোগে আক্রান্ত একটি উট সুস্থ উটের সংস্পর্শে এসে সকল উটকে আক্রান্ত করে? তিনি বলেন, এটাই তোমাদের তাকদীর। আচ্ছা প্রথম উটটিকে কে সংক্রামিত করেছিল? [৮৪] তাহকীকঃ এটাই তোমাদের তাকদীর এ ব্যতীত সহীহ।

(আবদুল্লাহ) বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ছোঁয়াচে বলতে কোন রোগ নেই, অশুভ লক্ষণ বলতে কিছুই নেই এবং হামাহ (পেঁচার ডাক) বলতে কিছুই নেই। তখন তার সামনে এক বেদুঈন দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনার কী মত যে, চর্মরোগে আক্রান্ত একটি উট সুস্থ উটের সংস্পর্শে এসে সকল উটকে আক্রান্ত করে? তিনি বলেন, এটাই তোমাদের তাকদীর। আচ্ছা প্রথম উটটিকে কে সংক্রামিত করেছিল? [৮৪] তাহকীকঃ এটাই তোমাদের তাকদীর এ ব্যতীত সহীহ।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، وعلي بن محمد، قالا حدثنا وكيع، حدثنا يحيى بن أبي حية أبو جناب الكلبي، عن أبيه، عن ابن عمر، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ لا عدوى ولا طيرة ولا هامة ‏"‏ ‏.‏ فقام إليه رجل أعرابي فقال يا رسول الله أرأيت البعير يكون به الجرب فيجرب الإبل كلها قال ‏"‏ ذلكم القدر فمن أجرب الأول ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৯২

حدثنا محمد بن المصفى الحمصي، حدثنا بقية بن الوليد، عن الأوزاعي، عن ابن جريج، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إن مجوس هذه الأمة المكذبون بأقدار الله إن مرضوا فلا تعودوهم وإن ماتوا فلا تشهدوهم وإن لقيتموهم فلا تسلموا عليهم ‏"‏ ‏.‏

জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এ উম্মাতের তারা মাজুসী (অগ্নিপূজক) যারা আল্লাহ্‌র নির্ধারিত তাকদীরকে অস্বীকার করে। এরা রোগাক্রান্ত হলে তোমরা তাদের দেখতে যেও না। তারা মারা গেলে তোমরা তাদের জানাযাহয় হাজির হয়ো না। এদের সাথে তোমাদের সাক্ষাত হলে তোমরা এদের সালাম দিওনা। তাহকীকঃ সালাম অংশ কথাটি ছাড়া হাসান।

জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এ উম্মাতের তারা মাজুসী (অগ্নিপূজক) যারা আল্লাহ্‌র নির্ধারিত তাকদীরকে অস্বীকার করে। এরা রোগাক্রান্ত হলে তোমরা তাদের দেখতে যেও না। তারা মারা গেলে তোমরা তাদের জানাযাহয় হাজির হয়ো না। এদের সাথে তোমাদের সাক্ষাত হলে তোমরা এদের সালাম দিওনা। তাহকীকঃ সালাম অংশ কথাটি ছাড়া হাসান।

حدثنا محمد بن المصفى الحمصي، حدثنا بقية بن الوليد، عن الأوزاعي، عن ابن جريج، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إن مجوس هذه الأمة المكذبون بأقدار الله إن مرضوا فلا تعودوهم وإن ماتوا فلا تشهدوهم وإن لقيتموهم فلا تسلموا عليهم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে ইবনে মাজাহ ৯০

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن عبد الله بن عيسى، عن عبد الله بن أبي الجعد، عن ثوبان، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ لا يزيد في العمر إلا البر ولا يرد القدر إلا الدعاء وإن الرجل ليحرم الرزق للخطيئة يعملها ‏"‏ ‏.‏

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কেবল সৎ কর্মই আয়ু বৃদ্ধি করে এবং দু’আ ব্যতীত অন্য কিছুতে তাকদীর রদ হয় না। মানুষের অসৎ কর্মই তাকে রিয্‌ক বঞ্চিত করে। [৮৮] তাহকীক আলবানীঃ (আরবী) কথাটি ছাড়া হাসান।

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কেবল সৎ কর্মই আয়ু বৃদ্ধি করে এবং দু’আ ব্যতীত অন্য কিছুতে তাকদীর রদ হয় না। মানুষের অসৎ কর্মই তাকে রিয্‌ক বঞ্চিত করে। [৮৮] তাহকীক আলবানীঃ (আরবী) কথাটি ছাড়া হাসান।

حدثنا علي بن محمد، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن عبد الله بن عيسى، عن عبد الله بن أبي الجعد، عن ثوبان، قال قال رسول الله ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ لا يزيد في العمر إلا البر ولا يرد القدر إلا الدعاء وإن الرجل ليحرم الرزق للخطيئة يعملها ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00