সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌র বাণীঃ সুতরাং জেনে শুনে কাউকেও আল্লাহ্‌র সমকক্ষ দাঁড় করো না। (সূরা আল-বাক্বারাহ ২/২২)

সহিহ বুখারী ৭৫২০

قتيبة بن سعيد حدثنا جرير عن منصور عن أبي وائل عن عمرو بن شرحبيل عن عبد الله قال سألت النبي صلى الله عليه وسلم أي الذنب أعظم عند الله قال أن تجعل لله ندا وهو خلقك قلت إن ذلك لعظيم قلت ثم أي قال ثم أن تقتل ولدك تخاف أن يطعم معك قلت ثم أي قال ثم أن تزاني بحليلة جارك

আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহর কাছে কোন গুনাহ্টি সবচেয়ে বড়? তিনি বললেনঃ আল্লাহর সঙ্গে শারীক করা। অথচ তিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। আমি বললাম, এটি অবশ্যই বড় গুনাহ্। এরপর কোন্টি? তিনি বললেনঃ তোমার সন্তান তোমার সঙ্গে খাবে এ ভয়ে তাকে হত্যা করা। আমি বললাম, এরপর কোন্টি? তিনি বললেন, এরপর তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সঙ্গে যিনা করা। [৪৪৭৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৭০১২)

আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহর কাছে কোন গুনাহ্টি সবচেয়ে বড়? তিনি বললেনঃ আল্লাহর সঙ্গে শারীক করা। অথচ তিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। আমি বললাম, এটি অবশ্যই বড় গুনাহ্। এরপর কোন্টি? তিনি বললেনঃ তোমার সন্তান তোমার সঙ্গে খাবে এ ভয়ে তাকে হত্যা করা। আমি বললাম, এরপর কোন্টি? তিনি বললেন, এরপর তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সঙ্গে যিনা করা। [৪৪৭৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৭০১২)

قتيبة بن سعيد حدثنا جرير عن منصور عن أبي وائل عن عمرو بن شرحبيل عن عبد الله قال سألت النبي صلى الله عليه وسلم أي الذنب أعظم عند الله قال أن تجعل لله ندا وهو خلقك قلت إن ذلك لعظيم قلت ثم أي قال ثم أن تقتل ولدك تخاف أن يطعم معك قلت ثم أي قال ثم أن تزاني بحليلة جارك


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌র বাণীঃ (দুনিয়ায় নিজেদের শরীরের অংশগুলোকে তোমরা) এই ভেবে গোপন করতে না যে, না তোমাদের কান, না তোমাদের চোখ আর না তোমাদের চামড়া তোমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে। বরং তোমরা মনে করতে যে, তোমরা যা কর তার অধিকাংশই আল্লাহ জানেন না। (সূরা ফুস্‌সিলাত ৪১/২২)

সহিহ বুখারী ৭৫২১

الحميدي حدثنا سفيان حدثنا منصور عن مجاهد عن أبي معمر عن عبد الله قال اجتمع عند البيت ثقفيان وقرشي أو قرشيان وثقفي كثيرة شحم بطونهم قليلة فقه قلوبهم فقال أحدهم أترون أن الله يسمع ما نقول قال الآخر يسمع إن جهرنا ولا يسمع إن أخفينا وقال الآخر إن كان يسمع إذا جهرنا فإنه يسمع إذا أخفينا فأنزل الله تعالى وما كنتم تستترون أن يشهد عليكم سمعكم ولا أبصاركم ولا جلودكم الآية

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন বায়তুল্লাহ্‌র নিকট একত্রিত হলো দু‘জন সাকাফী ও একজন কুরাইশী অথবা দু‘জন কুরাইশী ও একজন সাকাফী। তাদের পেটে চর্বি ছিল বেশি, কিন্তু তাদের অন্তরে বুঝার ক্ষমতা ছিল কম। তাদের একজন বলল, তোমাদের অভিমত কী? আমরা যা বলছি আল্লাহ্ কি সবই শুনতে পান? দ্বিতীয় ব্যক্তি বলল, হ্যাঁ শোনেন, যদি আমরা উচ্চৈঃস্বরে বলি। আমরা চুপি চুপি বললে তিনি শোনেন না। তৃতীয় জন বলল, যদি তিনি উচ্চৈঃস্বরে বললে শোনেন, তবে নিচু স্বরে বললেও শুনবেন। এরই প্রক্ষিতে আল্লাহ্ নিম্মোক্ত আয়াত নাযিল করলেনঃ “(দুনিয়ায় নিজেদের শরীরের অংশগুলোকে তোমরা) এই ভেবে গোপন করতে না যে, না তোমাদের কান, না তোমাদের চোখ আর না তোমাদের চামড়া তোমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে....”(সূরাহ ফুস্সিলাত ৪১/২২)। [৪৮১৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৭০১৩)

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন বায়তুল্লাহ্‌র নিকট একত্রিত হলো দু‘জন সাকাফী ও একজন কুরাইশী অথবা দু‘জন কুরাইশী ও একজন সাকাফী। তাদের পেটে চর্বি ছিল বেশি, কিন্তু তাদের অন্তরে বুঝার ক্ষমতা ছিল কম। তাদের একজন বলল, তোমাদের অভিমত কী? আমরা যা বলছি আল্লাহ্ কি সবই শুনতে পান? দ্বিতীয় ব্যক্তি বলল, হ্যাঁ শোনেন, যদি আমরা উচ্চৈঃস্বরে বলি। আমরা চুপি চুপি বললে তিনি শোনেন না। তৃতীয় জন বলল, যদি তিনি উচ্চৈঃস্বরে বললে শোনেন, তবে নিচু স্বরে বললেও শুনবেন। এরই প্রক্ষিতে আল্লাহ্ নিম্মোক্ত আয়াত নাযিল করলেনঃ “(দুনিয়ায় নিজেদের শরীরের অংশগুলোকে তোমরা) এই ভেবে গোপন করতে না যে, না তোমাদের কান, না তোমাদের চোখ আর না তোমাদের চামড়া তোমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে....”(সূরাহ ফুস্সিলাত ৪১/২২)। [৪৮১৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৭০১৩)

الحميدي حدثنا سفيان حدثنا منصور عن مجاهد عن أبي معمر عن عبد الله قال اجتمع عند البيت ثقفيان وقرشي أو قرشيان وثقفي كثيرة شحم بطونهم قليلة فقه قلوبهم فقال أحدهم أترون أن الله يسمع ما نقول قال الآخر يسمع إن جهرنا ولا يسمع إن أخفينا وقال الآخر إن كان يسمع إذا جهرنا فإنه يسمع إذا أخفينا فأنزل الله تعالى وما كنتم تستترون أن يشهد عليكم سمعكم ولا أبصاركم ولا جلودكم الآية


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌র বাণীঃ তিনি সর্বক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত- (সূরা আর রহমান ৫৫/২৯)।

সহিহ বুখারী ৭৫২২

علي بن عبد الله حدثنا حاتم بن وردان حدثنا أيوب عن عكرمة عن ابن عباس قال كيف تسألون أهل الكتاب عن كتبهم وعندكم كتاب الله أقرب الكتب عهدا بالله تقرءونه محضا لم يشب

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তোমরা আহ্‌লে কিতাবদেরকে তাদের কিতাব সম্পর্কে কেমন করে প্রশ্ন করতে পার? অথচ তোমাদের কাছে আল্লাহ্‌র কিতাব আছে যা অন্যান্য আসমানী কিতাবের তুলনায় আল্লাহ্‌র নিকট অগ্রগণ্য, যা তোমরা (হর-হামেশা) পাঠ করছ, যা পরিপূর্ণ খাঁটি, যাতে ভেজালের লেশ মাত্র নেই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৭০০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৭০১৪)

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তোমরা আহ্‌লে কিতাবদেরকে তাদের কিতাব সম্পর্কে কেমন করে প্রশ্ন করতে পার? অথচ তোমাদের কাছে আল্লাহ্‌র কিতাব আছে যা অন্যান্য আসমানী কিতাবের তুলনায় আল্লাহ্‌র নিকট অগ্রগণ্য, যা তোমরা (হর-হামেশা) পাঠ করছ, যা পরিপূর্ণ খাঁটি, যাতে ভেজালের লেশ মাত্র নেই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৭০০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৭০১৪)

علي بن عبد الله حدثنا حاتم بن وردان حدثنا أيوب عن عكرمة عن ابن عباس قال كيف تسألون أهل الكتاب عن كتبهم وعندكم كتاب الله أقرب الكتب عهدا بالله تقرءونه محضا لم يشب


সহিহ বুখারী ৭৫২৩

أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري أخبرني عبيد الله بن عبد الله أن عبد الله بن عباس قال يا معشر المسلمين كيف تسألون أهل الكتاب عن شيء وكتابكم الذي أنزل الله على نبيكم صلى الله عليه وسلم أحدث الأخبار بالله محضا لم يشب وقد حدثكم الله أن أهل الكتاب قد بدلوا من كتب الله وغيروا فكتبوا بأيديهم الكتب قالوا هو من عند الله ليشتروا بذلك ثمنا قليلا أولا ينهاكم ما جاءكم من العلم عن مسألتهم فلا والله ما رأينا رجلا منهم يسألكم عن الذي أنزل عليكم

আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হে মুসলিম সমাজ! তোমরা কী করে আহলে কিতাবদেরকে কোন বিষয়ে জিজ্ঞেস কর? অথচ তোমাদের যে কিতাব যেটি আল্লাহ্ তোমাদের নবীর ওপর নাযিল করেছেন, তা আল্লাহ্‌র কিতাবগুলোর মধ্যে সর্বাপেক্ষা উপযোগী। যা সনাতন ও নির্ভেজাল। অথচ আল্লাহ্ তোমাদেরকে বলে দিয়েছেন, আহলে কিতাবগণ আল্লাহ্‌র কিতাবগুলোকে বদলে ফেলেছে, পাল্টে দিয়েছে এবং এরা নিজ হাতে লিখে দাবি করছে এগুলো আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে অবতীর্ণ। এর দ্বারা তারা তুচ্ছ সুবিধা লুটতে চায়। তোমাদের কাছে যে ইল্‌ম আছে, তা কি তোমাদেরকে তাদের কাছে কিছু জিজ্ঞেস করা থেকে বাধা দিচ্ছে না? আল্লাহ্‌র শপথ! তাদের কাউকে তোমাদের ওপর নাযিলকৃত বিষয় সম্পর্কে কখনো জিজ্ঞেস করতে আমি দেখি না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৭০১৫)

আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হে মুসলিম সমাজ! তোমরা কী করে আহলে কিতাবদেরকে কোন বিষয়ে জিজ্ঞেস কর? অথচ তোমাদের যে কিতাব যেটি আল্লাহ্ তোমাদের নবীর ওপর নাযিল করেছেন, তা আল্লাহ্‌র কিতাবগুলোর মধ্যে সর্বাপেক্ষা উপযোগী। যা সনাতন ও নির্ভেজাল। অথচ আল্লাহ্ তোমাদেরকে বলে দিয়েছেন, আহলে কিতাবগণ আল্লাহ্‌র কিতাবগুলোকে বদলে ফেলেছে, পাল্টে দিয়েছে এবং এরা নিজ হাতে লিখে দাবি করছে এগুলো আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে অবতীর্ণ। এর দ্বারা তারা তুচ্ছ সুবিধা লুটতে চায়। তোমাদের কাছে যে ইল্‌ম আছে, তা কি তোমাদেরকে তাদের কাছে কিছু জিজ্ঞেস করা থেকে বাধা দিচ্ছে না? আল্লাহ্‌র শপথ! তাদের কাউকে তোমাদের ওপর নাযিলকৃত বিষয় সম্পর্কে কখনো জিজ্ঞেস করতে আমি দেখি না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৭০১৫)

أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري أخبرني عبيد الله بن عبد الله أن عبد الله بن عباس قال يا معشر المسلمين كيف تسألون أهل الكتاب عن شيء وكتابكم الذي أنزل الله على نبيكم صلى الله عليه وسلم أحدث الأخبار بالله محضا لم يشب وقد حدثكم الله أن أهل الكتاب قد بدلوا من كتب الله وغيروا فكتبوا بأيديهم الكتب قالوا هو من عند الله ليشتروا بذلك ثمنا قليلا أولا ينهاكم ما جاءكم من العلم عن مسألتهم فلا والله ما رأينا رجلا منهم يسألكم عن الذي أنزل عليكم


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌র বাণীঃ তাড়াতাড়ি ওয়াহী আয়ত্ত করার উদ্দেশ্যে তুমি তোমার জিহ্বা দ্রুততার সঙ্গে সঞ্চালন করো না- (সূরা আল-ক্বিয়ামাহ ৭৫/১৬)।

সহিহ বুখারী ৭৫২৪

قتيبة بن سعيد حدثنا أبو عوانة عن موسى بن أبي عائشة عن سعيد بن جبير عن ابن عباس في قوله تعالى {لا تحرك به لسانك} قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يعالج من التنزيل شدة وكان يحرك شفتيه فقال لي ابن عباس فأنا أحركهما لك كما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يحركهما فقال سعيد أنا أحركهما كما كان ابن عباس يحركهما فحرك شفتيه فأنزل الله عز وجل {لا تحرك به لسانك لتعجل به إن علينا جمعه وقرآنه} قال جمعه في صدرك ثم تقرؤه فإذا قرأناه فاتبع قرآنه قال فاستمع له وأنصت {ثم إن علينا} أن تقرأه قال فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أتاه جبريل عليه السلام استمع فإذا انطلق جبريل قرأه النبي صلى الله عليه وسلم كما أقرأه

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর বাণীঃ ‘‘কুরআনের কারণে আপনার জিহবা নাড়াচাড়া করবেন না’, এ আয়াত প্রসঙ্গে বলেন, ওয়াহী নাযিল হওয়া শুরু হলে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুবই কষ্টের অবস্থার সম্মুখীন হতেন, যে কারণে তিনি তার ঠোঁট দুটি নাড়াতেন। বর্ণনাকারী বলেন, ইবনু ‘আববাস (রাঃ) আমাকে বললেন, আমি তোমাকে বোঝানোর জন্য ঠোঁট দু’টি সেভাবে নাড়ছি, যেভাবে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে দু’টো নেড়েছিলেন। এরপর বর্ণনাকারী সা‘ঈদ (রহ.) বললেন, আমিও ঠোঁট দু’টি তেমনি নেড়ে দেখাচ্ছি, যেমনি ইবনু ‘আববাস (রাঃ) নেড়ে আমাকে দেখিয়েছিলেন। তিনি তাঁর ঠোঁট দু’টি নাড়লেন। এ অবস্থায় আল্লাহ্ নাযিল করলেনঃ ‘‘তাড়াতাড়ি ওয়াহী আয়ত্ত করার জন্য তুমি তোমার জিহবা দ্রুততার সঙ্গে চালিত করো না, এর সংরক্ষণ ও পাঠ করাবার দায়িত্ব আমারই’’- (সূরাহ আল-ক্বিয়ামহ ৭৫/১৬-১৭)। তিনি বলেন, جَمْعُهُ -এর অর্থ আপনার বুকে এভাবে সংরক্ষণ করা, যেন পরে তা পড়তে সক্ষম হন। সুতরাং আমি যখন তা পাঠ করি, তুমি সে পাঠের অনুসরণ কর- (সূরাহ আল-ক্বিয়ামাহ ৭৫/১৮)। এর অর্থ হচ্ছে আপনি তা শুনুন এবং চুপ থাকুন। এরপর আপনি কুরআন পাঠ করবেন সে দায়িত্ব আমাদের উপর। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে জিব্রীল (আঃ) যখন আসতেন, তিনি তখন মনোযোগ সহকারে তা শুনতেন। জিব্রীল (আঃ) চলে গেলে তিনি ঠিক তেমনি পাঠ করতেন, যেমনি তাঁকে পাঠ করানো হয়েছিল। [৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৭০১৬)

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর বাণীঃ ‘‘কুরআনের কারণে আপনার জিহবা নাড়াচাড়া করবেন না’, এ আয়াত প্রসঙ্গে বলেন, ওয়াহী নাযিল হওয়া শুরু হলে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুবই কষ্টের অবস্থার সম্মুখীন হতেন, যে কারণে তিনি তার ঠোঁট দুটি নাড়াতেন। বর্ণনাকারী বলেন, ইবনু ‘আববাস (রাঃ) আমাকে বললেন, আমি তোমাকে বোঝানোর জন্য ঠোঁট দু’টি সেভাবে নাড়ছি, যেভাবে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে দু’টো নেড়েছিলেন। এরপর বর্ণনাকারী সা‘ঈদ (রহ.) বললেন, আমিও ঠোঁট দু’টি তেমনি নেড়ে দেখাচ্ছি, যেমনি ইবনু ‘আববাস (রাঃ) নেড়ে আমাকে দেখিয়েছিলেন। তিনি তাঁর ঠোঁট দু’টি নাড়লেন। এ অবস্থায় আল্লাহ্ নাযিল করলেনঃ ‘‘তাড়াতাড়ি ওয়াহী আয়ত্ত করার জন্য তুমি তোমার জিহবা দ্রুততার সঙ্গে চালিত করো না, এর সংরক্ষণ ও পাঠ করাবার দায়িত্ব আমারই’’- (সূরাহ আল-ক্বিয়ামহ ৭৫/১৬-১৭)। তিনি বলেন, جَمْعُهُ -এর অর্থ আপনার বুকে এভাবে সংরক্ষণ করা, যেন পরে তা পড়তে সক্ষম হন। সুতরাং আমি যখন তা পাঠ করি, তুমি সে পাঠের অনুসরণ কর- (সূরাহ আল-ক্বিয়ামাহ ৭৫/১৮)। এর অর্থ হচ্ছে আপনি তা শুনুন এবং চুপ থাকুন। এরপর আপনি কুরআন পাঠ করবেন সে দায়িত্ব আমাদের উপর। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে জিব্রীল (আঃ) যখন আসতেন, তিনি তখন মনোযোগ সহকারে তা শুনতেন। জিব্রীল (আঃ) চলে গেলে তিনি ঠিক তেমনি পাঠ করতেন, যেমনি তাঁকে পাঠ করানো হয়েছিল। [৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৭০০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৭০১৬)

قتيبة بن سعيد حدثنا أبو عوانة عن موسى بن أبي عائشة عن سعيد بن جبير عن ابن عباس في قوله تعالى {لا تحرك به لسانك} قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يعالج من التنزيل شدة وكان يحرك شفتيه فقال لي ابن عباس فأنا أحركهما لك كما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يحركهما فقال سعيد أنا أحركهما كما كان ابن عباس يحركهما فحرك شفتيه فأنزل الله عز وجل {لا تحرك به لسانك لتعجل به إن علينا جمعه وقرآنه} قال جمعه في صدرك ثم تقرؤه فإذا قرأناه فاتبع قرآنه قال فاستمع له وأنصت {ثم إن علينا} أن تقرأه قال فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أتاه جبريل عليه السلام استمع فإذا انطلق جبريل قرأه النبي صلى الله عليه وسلم كما أقرأه


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00