সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌র বাণী :

সহিহ বুখারী ৭৪৮২

يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن عن أبي هريرة أنه كان يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما أذن الله لشيء ما أذن للنبي صلى الله عليه وسلم يتغنى بالقرآن وقال صاحب له يريد أن يجهر به

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তাঁর কোন এক নাবী থেকে (মধুর সুরে) যেভাবে কুরআন শুনেছেন, সেভাবে আর কিছুই তিনি শোনেননি। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-এর এক সঙ্গী বলেছেন,يَتَغَنَّى بِالْقُرْآنِ -এর অর্থ আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) উচ্চৈঃস্বরে কুরআন পড়া বোঝাতেন। [৫০২৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৪)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তাঁর কোন এক নাবী থেকে (মধুর সুরে) যেভাবে কুরআন শুনেছেন, সেভাবে আর কিছুই তিনি শোনেননি। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-এর এক সঙ্গী বলেছেন,يَتَغَنَّى بِالْقُرْآنِ -এর অর্থ আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) উচ্চৈঃস্বরে কুরআন পড়া বোঝাতেন। [৫০২৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৪)

يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن عن أبي هريرة أنه كان يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما أذن الله لشيء ما أذن للنبي صلى الله عليه وسلم يتغنى بالقرآن وقال صاحب له يريد أن يجهر به


সহিহ বুখারী ৭৪৮৩

عمر بن حفص بن غياث حدثنا أبي حدثنا الأعمش حدثنا أبو صالح عن أبي سعيد الخدري قال قال النبي صلى الله عليه وسلم يقول الله يا آدم فيقول لبيك وسعديك فينادى بصوت إن الله يأمرك أن تخرج من ذريتك بعثا إلى النار

আবূ সা‘ঈদ খুদরি (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা আদামকে বলবেন, হে আদাম ! আদাম (আঃ) জবাবে বলবেন, হে আল্লাহ্! তোমাদের নিকটে আমি হাযির, তোমার প্রতি আমি বহু ধন্যবাদ জানাচ্ছি। অতঃপর আল্লাহ্ তাকে এ শব্দে ডাকবেন, আল্লাহ্ তোমাকে নির্দেশ করেছেন, তোমার সন্তানদের মধ্য থেকে জাহান্নামে পাঠানোর জন্য একটি দলকে তুমি বের কর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৫)

আবূ সা‘ঈদ খুদরি (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা আদামকে বলবেন, হে আদাম ! আদাম (আঃ) জবাবে বলবেন, হে আল্লাহ্! তোমাদের নিকটে আমি হাযির, তোমার প্রতি আমি বহু ধন্যবাদ জানাচ্ছি। অতঃপর আল্লাহ্ তাকে এ শব্দে ডাকবেন, আল্লাহ্ তোমাকে নির্দেশ করেছেন, তোমার সন্তানদের মধ্য থেকে জাহান্নামে পাঠানোর জন্য একটি দলকে তুমি বের কর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৫)

عمر بن حفص بن غياث حدثنا أبي حدثنا الأعمش حدثنا أبو صالح عن أبي سعيد الخدري قال قال النبي صلى الله عليه وسلم يقول الله يا آدم فيقول لبيك وسعديك فينادى بصوت إن الله يأمرك أن تخرج من ذريتك بعثا إلى النار


সহিহ বুখারী ৭৪৮৪

عبيد بن إسماعيل حدثنا أبو أسامة عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة قالت ما غرت على امرأة ما غرت على خديجة ولقد أمره ربه أن يبشرها ببيت في الجنة

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন নারীর ব্যাপারে আমি এত হিংসা করিনি, যতটা খাদিজাহ (রাঃ) –এর ব্যাপারে করেছি। আর তার কারণ এই যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর রব্ব তাঁকে আদেশ দিয়েছেন যে, খাদিজাহ (রাঃ) –কে জান্নাতের একটি ঘরের খোশ খবর পৌঁছে দিন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৬)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কোন নারীর ব্যাপারে আমি এত হিংসা করিনি, যতটা খাদিজাহ (রাঃ) –এর ব্যাপারে করেছি। আর তার কারণ এই যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর রব্ব তাঁকে আদেশ দিয়েছেন যে, খাদিজাহ (রাঃ) –কে জান্নাতের একটি ঘরের খোশ খবর পৌঁছে দিন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৬)

عبيد بن إسماعيل حدثنا أبو أسامة عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة قالت ما غرت على امرأة ما غرت على خديجة ولقد أمره ربه أن يبشرها ببيت في الجنة


সহিহ বুখারী ৭৪৮১

علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن عمرو عن عكرمة عن أبي هريرة يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا قضى الله الأمر في السماء ضربت الملائكة بأجنحتها خضعانا لقوله كأنه سلسلة على صفوان قال علي وقال غيره صفوان ينفذهم ذلك فإذا فزع عن قلوبهم قالوا ماذا قال ربكم قالوا الحق وهو العلي الكبير قال علي وحدثنا سفيان حدثنا عمرو عن عكرمة عن أبي هريرة بهذا قال سفيان قال عمرو سمعت عكرمة حدثنا أبو هريرة قال علي قلت لسفيان قال سمعت عكرمة قال سمعت أبا هريرة قال نعم قلت لسفيان إن إنسانا روى عن عمرو عن عكرمة عن أبي هريرة يرفعه أنه قرأ فرغ قال سفيان هكذا قرأ عمرو فلا أدري سمعه هكذا أم لا قال سفيان وهي قراءتنا

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা যখন আসমানে কোন নির্দেশ জারি করেন, ফেরেশ্তারা তাঁর নির্দেশের প্রতি বিনয় ও আনুগত্য প্রকাশের জন্য স্বীয় পাখাসমূহ হেলাতে থাকেন। তাদের পাখা হেলানোর শব্দটি যেন পাথরের উপর শিকলের ঝনঝনির ধ্বনি। বর্ণনাকারী বলেন, আলী এ ক্ষেত্রে শব্দটিকে সাফাওয়ান এবং অন্যরা সাফওয়ান পড়েছেন। এরপর ফেরেশ্তাদের অন্তর থেকে যখন ভীতি দূর করা হয় তখন তারা একে অপরকে বলতে থাকে, তোমাদের প্রতিপালক কী হুকুম জারি করেছেন? তাঁরা বলেন, তিনি বলেছেন, সত্য। তিনি মহান ও সর্বোচ্চ। বর্ণনাকারী ‘আলী.....আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে এরকমই বর্ণনা করেছেন। তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম فُزِّعَপড়েছেন। বর্ণনাকারী সুফ্ইয়ান (রহ.) বলেছেন যে, আমর (রহ.)-ও এভাবেই পড়েছেন। তিনি বলছেন, আমার জানা নেই, বর্ণনাকারী এরকম শুনেছেন কি না? তবে আমাদের কিরাআত এরকমই। [৪৭০১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৩)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা যখন আসমানে কোন নির্দেশ জারি করেন, ফেরেশ্তারা তাঁর নির্দেশের প্রতি বিনয় ও আনুগত্য প্রকাশের জন্য স্বীয় পাখাসমূহ হেলাতে থাকেন। তাদের পাখা হেলানোর শব্দটি যেন পাথরের উপর শিকলের ঝনঝনির ধ্বনি। বর্ণনাকারী বলেন, আলী এ ক্ষেত্রে শব্দটিকে সাফাওয়ান এবং অন্যরা সাফওয়ান পড়েছেন। এরপর ফেরেশ্তাদের অন্তর থেকে যখন ভীতি দূর করা হয় তখন তারা একে অপরকে বলতে থাকে, তোমাদের প্রতিপালক কী হুকুম জারি করেছেন? তাঁরা বলেন, তিনি বলেছেন, সত্য। তিনি মহান ও সর্বোচ্চ। বর্ণনাকারী ‘আলী.....আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে এরকমই বর্ণনা করেছেন। তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম فُزِّعَপড়েছেন। বর্ণনাকারী সুফ্ইয়ান (রহ.) বলেছেন যে, আমর (রহ.)-ও এভাবেই পড়েছেন। তিনি বলছেন, আমার জানা নেই, বর্ণনাকারী এরকম শুনেছেন কি না? তবে আমাদের কিরাআত এরকমই। [৪৭০১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৩)

علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن عمرو عن عكرمة عن أبي هريرة يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا قضى الله الأمر في السماء ضربت الملائكة بأجنحتها خضعانا لقوله كأنه سلسلة على صفوان قال علي وقال غيره صفوان ينفذهم ذلك فإذا فزع عن قلوبهم قالوا ماذا قال ربكم قالوا الحق وهو العلي الكبير قال علي وحدثنا سفيان حدثنا عمرو عن عكرمة عن أبي هريرة بهذا قال سفيان قال عمرو سمعت عكرمة حدثنا أبو هريرة قال علي قلت لسفيان قال سمعت عكرمة قال سمعت أبا هريرة قال نعم قلت لسفيان إن إنسانا روى عن عمرو عن عكرمة عن أبي هريرة يرفعه أنه قرأ فرغ قال سفيان هكذا قرأ عمرو فلا أدري سمعه هكذا أم لا قال سفيان وهي قراءتنا


সহিহ বুখারী > জিবরাইলের সঙ্গে রবের কথাবার্তা , ফেরেশ্‌তাদের প্রতি আল্লাহ্‌র আহ্বান।

সহিহ বুখারী ৭৪৮৫

إسحاق حدثنا عبد الصمد حدثنا عبد الرحمن هو ابن عبد الله بن دينار عن أبيه عن أبي صالح عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله تبارك وتعالى إذا أحب عبدا نادى جبريل إن الله قد أحب فلانا فأحبه فيحبه جبريل ثم ينادي جبريل في السماء إن الله قد أحب فلانا فأحبوه فيحبه أهل السماء ويوضع له القبول في أهل الأرض

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ যখন কোন বান্দাকে ভালবাসেন, তখন তিনি জিব্রীলকে ডেকে বলেন, আল্লাহ্ অমুক বান্দাকে ভালবাসেন, তাই তুমিও তাকে ভালবাস। কাজেই জিব্রীল (আঃ) তাকে ভালবাসেন। অতঃপর জিব্রীল (আঃ) আসমানে এ ঘোষণা করে দেন যে, আল্লাহ্ অমুক বান্দাকে ভালবাসেন, তোমরাও তাকে ভালবাস। তখন তাকে আসমানবাসীরা ভালবাসে এবং পৃথিবীবাসীদের মধ্যেও তাকে গ্রহণীয় করা হয়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৭)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ যখন কোন বান্দাকে ভালবাসেন, তখন তিনি জিব্রীলকে ডেকে বলেন, আল্লাহ্ অমুক বান্দাকে ভালবাসেন, তাই তুমিও তাকে ভালবাস। কাজেই জিব্রীল (আঃ) তাকে ভালবাসেন। অতঃপর জিব্রীল (আঃ) আসমানে এ ঘোষণা করে দেন যে, আল্লাহ্ অমুক বান্দাকে ভালবাসেন, তোমরাও তাকে ভালবাস। তখন তাকে আসমানবাসীরা ভালবাসে এবং পৃথিবীবাসীদের মধ্যেও তাকে গ্রহণীয় করা হয়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৭)

إسحاق حدثنا عبد الصمد حدثنا عبد الرحمن هو ابن عبد الله بن دينار عن أبيه عن أبي صالح عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله تبارك وتعالى إذا أحب عبدا نادى جبريل إن الله قد أحب فلانا فأحبه فيحبه جبريل ثم ينادي جبريل في السماء إن الله قد أحب فلانا فأحبوه فيحبه أهل السماء ويوضع له القبول في أهل الأرض


সহিহ বুখারী ৭৪৮৬

قتيبة بن سعيد عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يتعاقبون فيكم ملائكة بالليل وملائكة بالنهار ويجتمعون في صلاة العصر وصلاة الفجر ثم يعرج الذين باتوا فيكم فيسألهم وهو أعلم بهم كيف تركتم عبادي فيقولون تركناهم وهم يصلون وأتيناهم وهم يصلون

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের মধ্যে ফেরেশ্তাগণ আসেন, একদল রাতে আর একদল দিনে। তাঁরা আবার একত্রিত হন ‘আসরের সলাতে ও ফজরের সলাতে। তারপর তোমাদের মাঝে যাঁরা রাতে ছিলেন তাঁরা উপরের জগতে চলে যান। তখন আল্লাহ্ তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, অথচ তিনি সবচেয়ে অধিক জানেন, তোমরা আমার বান্দাদেরকে কী অবস্থায় রেখে এসেছ? তখন তাঁরা বলেন, আমরা তাদেরকে সালাতরত অবস্থায় ছেড়ে এসেছি আর যখন আমরা তাদের কাছে গিয়েছিলাম, তখনও তারা সলাতের হালাতেই ছিল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৮)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের মধ্যে ফেরেশ্তাগণ আসেন, একদল রাতে আর একদল দিনে। তাঁরা আবার একত্রিত হন ‘আসরের সলাতে ও ফজরের সলাতে। তারপর তোমাদের মাঝে যাঁরা রাতে ছিলেন তাঁরা উপরের জগতে চলে যান। তখন আল্লাহ্ তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, অথচ তিনি সবচেয়ে অধিক জানেন, তোমরা আমার বান্দাদেরকে কী অবস্থায় রেখে এসেছ? তখন তাঁরা বলেন, আমরা তাদেরকে সালাতরত অবস্থায় ছেড়ে এসেছি আর যখন আমরা তাদের কাছে গিয়েছিলাম, তখনও তারা সলাতের হালাতেই ছিল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৮)

قتيبة بن سعيد عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يتعاقبون فيكم ملائكة بالليل وملائكة بالنهار ويجتمعون في صلاة العصر وصلاة الفجر ثم يعرج الذين باتوا فيكم فيسألهم وهو أعلم بهم كيف تركتم عبادي فيقولون تركناهم وهم يصلون وأتيناهم وهم يصلون


সহিহ বুখারী ৭৪৮৭

محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن واصل عن المعرور قال سمعت أبا ذر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال أتاني جبريل فبشرني أنه من مات لا يشرك بالله شيئا دخل الجنة قلت وإن سرق وإن زنى قال وإن سرق وإن زنى

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার কাছে জিব্‌রীল (আঃ) এসে এ খোশখবর দিল যে, আল্লাহ্‌র সঙ্গে শরীক না করে কেউ মারা গেলে, তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমি বললাম, যদি সে চুরি ও যিনা করে তবুও কি! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদিও সে চুরি করে ও যিনা করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৯)

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার কাছে জিব্‌রীল (আঃ) এসে এ খোশখবর দিল যে, আল্লাহ্‌র সঙ্গে শরীক না করে কেউ মারা গেলে, তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমি বললাম, যদি সে চুরি ও যিনা করে তবুও কি! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদিও সে চুরি করে ও যিনা করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৯)

محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن واصل عن المعرور قال سمعت أبا ذر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال أتاني جبريل فبشرني أنه من مات لا يشرك بالله شيئا دخل الجنة قلت وإن سرق وإن زنى قال وإن سرق وإن زنى


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌র বানীঃ তা তিনি জেনে শুনে নাযিল করেছেন। আর ফেরেশ্‌তারা এর সাক্ষী। (সূরা আন-নিসা ৪/১৬৬)

সহিহ বুখারী ৭৪৮৮

مسدد حدثنا أبو الأحوص حدثنا أبو إسحاق الهمداني عن البراء بن عازب قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يا فلان إذا أويت إلى فراشك فقل اللهم أسلمت نفسي إليك ووجهت وجهي إليك وفوضت أمري إليك وألجأت ظهري إليك رغبة ورهبة إليك لا ملجأ ولا منجا منك إلا إليك آمنت بكتابك الذي أنزلت وبنبيك الذي أرسلت فإنك إن مت في ليلتك مت على الفطرة وإن أصبحت أصبت أجرا

বারাআ ইব্‌নু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার বলেছেনঃ হে অমুক! যখন তুমি তোমার বিছানায় যাবে তখন বলবে, হে আল্লাহ! আমি আমার নিজেকে তোমারই কাছে সোর্পদ করছি। আমার চেহারাকে তোমার দিকে ফিরাচ্ছি! আমার কর্ম তোমার কাছে সোপর্দ করছি। আমার নির্ভরতা তোমারই প্রতি আশা ও ভয় উভয় হালাতেই। তোমার নিকট ব্যতীত আর কোথাও আশ্রয় ও মুক্তির জায়গা নেই। আমি ঈমান এনেছি তোমার কিতাবের প্রতি যা তুমি নাযিল করেছ এবং তোমার নবীর প্রতি যাঁকে তুমি পাঠিয়েছ। অতঃপর এ রাতে যদি তোমার মওত হয়, তাহলে ফিত্‌রাতের ওপর তোমার মওত হবে। আর যদি (জীবিত থেকে) তোমার ভোর হয়, তুমি প্রতিদান পাবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮০)

বারাআ ইব্‌নু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার বলেছেনঃ হে অমুক! যখন তুমি তোমার বিছানায় যাবে তখন বলবে, হে আল্লাহ! আমি আমার নিজেকে তোমারই কাছে সোর্পদ করছি। আমার চেহারাকে তোমার দিকে ফিরাচ্ছি! আমার কর্ম তোমার কাছে সোপর্দ করছি। আমার নির্ভরতা তোমারই প্রতি আশা ও ভয় উভয় হালাতেই। তোমার নিকট ব্যতীত আর কোথাও আশ্রয় ও মুক্তির জায়গা নেই। আমি ঈমান এনেছি তোমার কিতাবের প্রতি যা তুমি নাযিল করেছ এবং তোমার নবীর প্রতি যাঁকে তুমি পাঠিয়েছ। অতঃপর এ রাতে যদি তোমার মওত হয়, তাহলে ফিত্‌রাতের ওপর তোমার মওত হবে। আর যদি (জীবিত থেকে) তোমার ভোর হয়, তুমি প্রতিদান পাবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮০)

مسدد حدثنا أبو الأحوص حدثنا أبو إسحاق الهمداني عن البراء بن عازب قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يا فلان إذا أويت إلى فراشك فقل اللهم أسلمت نفسي إليك ووجهت وجهي إليك وفوضت أمري إليك وألجأت ظهري إليك رغبة ورهبة إليك لا ملجأ ولا منجا منك إلا إليك آمنت بكتابك الذي أنزلت وبنبيك الذي أرسلت فإنك إن مت في ليلتك مت على الفطرة وإن أصبحت أصبت أجرا


সহিহ বুখারী ৭৪৮৯

قتيبة بن سعيد حدثنا سفيان عن إسماعيل بن أبي خالد عن عبد الله بن أبي أوفى قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الأحزاب اللهم منزل الكتاب سريع الحساب اهزم الأحزاب وزلزل بهم زاد الحميدي حدثنا سفيان حدثنا ابن أبي خالد سمعت عبد الله سمعت النبي صلى الله عليه وسلم

আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আহযাবের দিনে বলেছেনঃ কিতাব নাযিলকারী, দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী আল্লাহ্ তুমি দলগুলোকে পরাজিত কর এবং তাদেরকে প্রকম্পিত কর। হুমায়দী (রহঃ) এর বর্ণনায় অতিরিক্ত আছে.....‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি .........। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮১)

আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আহযাবের দিনে বলেছেনঃ কিতাব নাযিলকারী, দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী আল্লাহ্ তুমি দলগুলোকে পরাজিত কর এবং তাদেরকে প্রকম্পিত কর। হুমায়দী (রহঃ) এর বর্ণনায় অতিরিক্ত আছে.....‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি .........। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮১)

قتيبة بن سعيد حدثنا سفيان عن إسماعيل بن أبي خالد عن عبد الله بن أبي أوفى قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الأحزاب اللهم منزل الكتاب سريع الحساب اهزم الأحزاب وزلزل بهم زاد الحميدي حدثنا سفيان حدثنا ابن أبي خالد سمعت عبد الله سمعت النبي صلى الله عليه وسلم


সহিহ বুখারী ৭৪৯০

مسدد عن هشيم عن أبي بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس {ولا تجهر بصلاتك ولا تخافت بها} قال أنزلت ورسول الله صلى الله عليه وسلم متوار بمكة فكان إذا رفع صوته سمع المشركون فسبوا القرآن ومن أنزله ومن جاء به فقال الله تعالى {ولا تجهر بصلاتك ولا تخافت بها} لا تجهر بصلاتك حتى يسمع المشركون ولا تخافت بها عن أصحابك فلا تسمعهم {وابتغ بين ذلك سبيلاظ} أسمعهم ولا تجهر حتى يأخذوا عنك القرآن

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি কুরআনের আয়াতঃ “তুমি সলাতে স্বর উঁচু করবে না এবং অতিশয় ক্ষীণও করবে না ...” (সূরা ইসরা ১৭/১১০)- এর তাফসীরে তিনি বলেন, এ আয়াতটি তখন নাযিল হয়, যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহয় লুকিয়ে ছিলেন। সুতরাং যখন তিনি তাঁর স্বর উচু করতেন তাতে মুশরিক্‌রা শুনে গালমন্দ করত কুরআনকে, কুরআন নাযিলকারীকে এবং যাঁর প্রতি কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে তাঁকে। এ প্রেক্ষাপটে আল্লাহ বললেনঃ (হে নবী) তুমি সলাতে তোমার স্বর উঁচু করবে না, যাতে মুশরিক্‌রা শুনতে পায়। আর তা অতিশয় ক্ষীণও করবে না যাতে তোমার সঙ্গীরাও শুনতে না পায়। এই দু’য়ের মধ্যপথ গ্রহণ কর। তুমি স্বর উঁচু করবে না, তারা শুনে এভাবে পাঠ করবে যেন তারা তোমা হতে কুরআন শিখতে পারে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮২)

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি কুরআনের আয়াতঃ “তুমি সলাতে স্বর উঁচু করবে না এবং অতিশয় ক্ষীণও করবে না ...” (সূরা ইসরা ১৭/১১০)- এর তাফসীরে তিনি বলেন, এ আয়াতটি তখন নাযিল হয়, যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহয় লুকিয়ে ছিলেন। সুতরাং যখন তিনি তাঁর স্বর উচু করতেন তাতে মুশরিক্‌রা শুনে গালমন্দ করত কুরআনকে, কুরআন নাযিলকারীকে এবং যাঁর প্রতি কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে তাঁকে। এ প্রেক্ষাপটে আল্লাহ বললেনঃ (হে নবী) তুমি সলাতে তোমার স্বর উঁচু করবে না, যাতে মুশরিক্‌রা শুনতে পায়। আর তা অতিশয় ক্ষীণও করবে না যাতে তোমার সঙ্গীরাও শুনতে না পায়। এই দু’য়ের মধ্যপথ গ্রহণ কর। তুমি স্বর উঁচু করবে না, তারা শুনে এভাবে পাঠ করবে যেন তারা তোমা হতে কুরআন শিখতে পারে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮২)

مسدد عن هشيم عن أبي بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس {ولا تجهر بصلاتك ولا تخافت بها} قال أنزلت ورسول الله صلى الله عليه وسلم متوار بمكة فكان إذا رفع صوته سمع المشركون فسبوا القرآن ومن أنزله ومن جاء به فقال الله تعالى {ولا تجهر بصلاتك ولا تخافت بها} لا تجهر بصلاتك حتى يسمع المشركون ولا تخافت بها عن أصحابك فلا تسمعهم {وابتغ بين ذلك سبيلاظ} أسمعهم ولا تجهر حتى يأخذوا عنك القرآن


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌র বাণীঃ তারা আল্লাহ্‌র ও’য়াদাকে বদলে দিতে চায়। (সূরা আল-ফাত্‌হ ৪৮/১৫)

সহিহ বুখারী ৭৪৯৫

أبو اليمان أخبرنا شعيب حدثنا أبو الزناد أن الأعرج حدثه أنه سمع أبا هريرة أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول نحن الآخرون السابقون يوم القيامة

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছেন। আমরা (পৃথিবীতে) সর্বশেষে আগমনকারী, তবে ক্বিয়ামাতের দিন অগ্রগামী। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭৭ প্রথমাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮৭ প্রথমাংশ)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছেন। আমরা (পৃথিবীতে) সর্বশেষে আগমনকারী, তবে ক্বিয়ামাতের দিন অগ্রগামী। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭৭ প্রথমাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮৭ প্রথমাংশ)

أبو اليمان أخبرنا شعيب حدثنا أبو الزناد أن الأعرج حدثه أنه سمع أبا هريرة أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول نحن الآخرون السابقون يوم القيامة


সহিহ বুখারী ৭৪৯১

الحميدي حدثنا سفيان حدثنا الزهري عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم قال الله تعالى يؤذيني ابن آدم يسب الدهر وأنا الدهر بيدي الأمر أقلب الليل والنهار

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আমাকে আদম সন্তান কষ্ট দেয়। কারণ তারা সময়কে গালি দেয়। পক্ষান্তরে আমিই দাহর বা কাল। কেননা আমার হাতেই সকল বিষয়। আমিই রাত ও দিনের বিবর্তন ঘটাই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮৩)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আমাকে আদম সন্তান কষ্ট দেয়। কারণ তারা সময়কে গালি দেয়। পক্ষান্তরে আমিই দাহর বা কাল। কেননা আমার হাতেই সকল বিষয়। আমিই রাত ও দিনের বিবর্তন ঘটাই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮৩)

الحميدي حدثنا سفيان حدثنا الزهري عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم قال الله تعالى يؤذيني ابن آدم يسب الدهر وأنا الدهر بيدي الأمر أقلب الليل والنهار


সহিহ বুখারী ৭৪৯২

أبو نعيم حدثنا الأعمش عن أبي صالح عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال يقول الله عز وجل الصوم لي وأنا أجزي به يدع شهوته وأكله وشربه من أجلي والصوم جنة وللصائم فرحتان فرحة حين يفطر وفرحة حين يلقى ربه ولخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ ঘোষণা করেন যে, সওম আমার জন্যই, আর আমিই এর প্রতিদান দেব। যেহেতু সে আমারই সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য তার প্রবৃত্তি, তার আহার ও তার পান ত্যাগ করেছে। আর সওম হল ঢাল। সওম পালনকারীর জন্য আছে দু’টি আনন্দ। এক আনন্দ হলো যখন সে ইফ্‌তার করে, আর এক আনন্দ হলো, যখন সে তার রব্বের সঙ্গে মিলিত হবে। আল্লাহ্‌র কাছে সওমকারীর মুখের গন্ধ মিস্কের সুগন্ধি হতেও উত্তম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮৪)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ ঘোষণা করেন যে, সওম আমার জন্যই, আর আমিই এর প্রতিদান দেব। যেহেতু সে আমারই সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য তার প্রবৃত্তি, তার আহার ও তার পান ত্যাগ করেছে। আর সওম হল ঢাল। সওম পালনকারীর জন্য আছে দু’টি আনন্দ। এক আনন্দ হলো যখন সে ইফ্‌তার করে, আর এক আনন্দ হলো, যখন সে তার রব্বের সঙ্গে মিলিত হবে। আল্লাহ্‌র কাছে সওমকারীর মুখের গন্ধ মিস্কের সুগন্ধি হতেও উত্তম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮৪)

أبو نعيم حدثنا الأعمش عن أبي صالح عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال يقول الله عز وجل الصوم لي وأنا أجزي به يدع شهوته وأكله وشربه من أجلي والصوم جنة وللصائم فرحتان فرحة حين يفطر وفرحة حين يلقى ربه ولخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك


সহিহ বুখারী ৭৪৯৩

عبد الله بن محمد حدثنا عبد الرزاق أخبرنا معمر عن همام عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال بينما أيوب يغتسل عريانا خر عليه رجل جراد من ذهب فجعل يحثي في ثوبه فنادى ربه يا أيوب ألم أكن أغنيتك عما ترى قال بلى يا رب ولكن لا غنى بي عن بركتك

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একদা আইউব (আঃ) বস্ত্রহীন অবস্হায় গোসল করছিলেন। তখন সোনার একদল পঙ্গপাল তার ওপর পড়লে তিনি তা তাঁর কাপড়ে ভরতে থাকেন। তখন তার রব্ব ডেকে বললেনঃ হে আইউব! তুমি যা দেখছ, তা থেকে তোমাকে কি আমি অভাবহীন করি নি? আইউব (আঃ) বললেন, হ্যাঁ হে আমার রব! তবে তোমার বরকত থেকে আমি অভাবহীন নই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮৫)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একদা আইউব (আঃ) বস্ত্রহীন অবস্হায় গোসল করছিলেন। তখন সোনার একদল পঙ্গপাল তার ওপর পড়লে তিনি তা তাঁর কাপড়ে ভরতে থাকেন। তখন তার রব্ব ডেকে বললেনঃ হে আইউব! তুমি যা দেখছ, তা থেকে তোমাকে কি আমি অভাবহীন করি নি? আইউব (আঃ) বললেন, হ্যাঁ হে আমার রব! তবে তোমার বরকত থেকে আমি অভাবহীন নই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮৫)

عبد الله بن محمد حدثنا عبد الرزاق أخبرنا معمر عن همام عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال بينما أيوب يغتسل عريانا خر عليه رجل جراد من ذهب فجعل يحثي في ثوبه فنادى ربه يا أيوب ألم أكن أغنيتك عما ترى قال بلى يا رب ولكن لا غنى بي عن بركتك


সহিহ বুখারী ৭৪৯৪

إسماعيل حدثني مالك عن ابن شهاب عن أبي عبد الله الأغر عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ينزل ربنا تبارك وتعالى كل ليلة إلى السماء الدنيا حين يبقى ثلث الليل الآخر فيقول من يدعوني فأستجيب له من يسألني فأعطيه من يستغفرني فأغفر له

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাদের রব্ব প্রত্যেক রাতে যখন রাতের শেষ তৃতীয়াংশ বাকী থাকে তখন পৃথিবীর আসমানে নেমে আসেন এবং বলেন, আমার কাছে যে দু’য়া করবে, আমি তার দু’য়া কবুল করব। আমার কাছে যে চাইবে, আমি তাকে দেব। আমার কাছে যে ক্ষমা প্রার্থনা করবে, তাকে আমি ক্ষমা করে দেব।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮৬)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাদের রব্ব প্রত্যেক রাতে যখন রাতের শেষ তৃতীয়াংশ বাকী থাকে তখন পৃথিবীর আসমানে নেমে আসেন এবং বলেন, আমার কাছে যে দু’য়া করবে, আমি তার দু’য়া কবুল করব। আমার কাছে যে চাইবে, আমি তাকে দেব। আমার কাছে যে ক্ষমা প্রার্থনা করবে, তাকে আমি ক্ষমা করে দেব।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮৬)

إسماعيل حدثني مالك عن ابن شهاب عن أبي عبد الله الأغر عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ينزل ربنا تبارك وتعالى كل ليلة إلى السماء الدنيا حين يبقى ثلث الليل الآخر فيقول من يدعوني فأستجيب له من يسألني فأعطيه من يستغفرني فأغفر له


সহিহ বুখারী ৭৪৯৭

زهير بن حرب حدثنا ابن فضيل عن عمارة عن أبي زرعة عن أبي هريرة فقال هذه خديجة أتتك بإناء فيه طعام أو إناء فيه شراب فأقرئها من ربها السلام وبشرها ببيت من قصب لا صخب فيه ولا نصب

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জিব্‌রীল (আঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বললেন, এই তো খাদীজাহ আপনার জন্য একটি পাত্রে খাবার নিয়ে এসেছেন। বর্ণনাকারী সন্দেহে বলেছেন, অথবা পাত্র নিয়ে এসেছেন, অথবা পানীয় নিয়ে এসেছেন। আপনি তাঁকে তাঁর রবের পক্ষ থেকে সালাম বলুন। আর তাঁকে এমন একটি মোতির তৈরি প্রাসাদের খোশখবর দিন, যেখানে চেঁচামেচি বা কষ্ট থাকবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮৮)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জিব্‌রীল (আঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বললেন, এই তো খাদীজাহ আপনার জন্য একটি পাত্রে খাবার নিয়ে এসেছেন। বর্ণনাকারী সন্দেহে বলেছেন, অথবা পাত্র নিয়ে এসেছেন, অথবা পানীয় নিয়ে এসেছেন। আপনি তাঁকে তাঁর রবের পক্ষ থেকে সালাম বলুন। আর তাঁকে এমন একটি মোতির তৈরি প্রাসাদের খোশখবর দিন, যেখানে চেঁচামেচি বা কষ্ট থাকবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮৮)

زهير بن حرب حدثنا ابن فضيل عن عمارة عن أبي زرعة عن أبي هريرة فقال هذه خديجة أتتك بإناء فيه طعام أو إناء فيه شراب فأقرئها من ربها السلام وبشرها ببيت من قصب لا صخب فيه ولا نصب


সহিহ বুখারী ৭৪৯৮

معاذ بن أسد أخبرنا عبد الله أخبرنا معمر عن همام بن منبه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال قال الله أعددت لعبادي الصالحين ما لا عين رأت ولا أذن سمعت ولا خطر على قلب بشر

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ ঘোষণা করলেন, আমি আমার নেক্‌কার বান্দাদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছি, যা কোন চোখ দেখেনি, কোন কান শোনেনি, কোন মানুষেরর কল্পনায়ও আসেনি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮৯)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ ঘোষণা করলেন, আমি আমার নেক্‌কার বান্দাদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছি, যা কোন চোখ দেখেনি, কোন কান শোনেনি, কোন মানুষেরর কল্পনায়ও আসেনি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮৯)

معاذ بن أسد أخبرنا عبد الله أخبرنا معمر عن همام بن منبه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال قال الله أعددت لعبادي الصالحين ما لا عين رأت ولا أذن سمعت ولا خطر على قلب بشر


সহিহ বুখারী ৭৪৯৯

محمود حدثنا عبد الرزاق أخبرنا ابن جريج أخبرني سليمان الأحول أن طاوسا أخبره أنه سمع ابن عباس يقول كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا تهجد من الليل قال اللهم لك الحمد أنت نور السموات والأرض ولك الحمد أنت قيم السموات والأرض ولك الحمد أنت رب السموات والأرض ومن فيهن أنت الحق ووعدك الحق وقولك الحق ولقاؤك الحق والجنة حق والنار حق والنبيون حق والساعة حق اللهم لك أسلمت وبك آمنت وعليك توكلت وإليك أنبت وبك خاصمت وإليك حاكمت فاغفر لي ما قدمت وما أخرت وما أسررت وما أعلنت أنت إلهي لا إله إلا أنت

ইব্‌নু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে যখন তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করতেন তখন এ দু'আ করতেনঃ হে আল্লাহ্! সব প্রশংসা একমাত্র তোমারই, তুমিই আসমান ও যমীনের জ্যোতি। তোমারই সমস্ত প্রশংসা, তুমিই আসমান ও যমীনের একমাত্র পরিচালক। তোমারই সব প্রশংসা, তুমিই আসমান ও যমীন এবং এ দু'য়ের মধ্যে যা আছে সব কিছুর রব। তুমি মহাসত্য। তোমার প্রতিশ্রুতি সত্য। তোমার বাণী সত্য। তোমার সাক্ষাৎ সত্য। জান্নাত সত্য। জাহান্নাম সত্য। নবীগণ সত্য। ক্বিয়ামাত সত্য। হে আল্লাহ্! তোমারই জন্য আনুগত্য স্বীকার করি। তোমারই প্রতি ঈমান আনি। তোমারই উপর ভরসা করি এবং তোমারই দিকে ফিরি। তোমারই জন্য বিতর্ক করি। তোমার কাছেই আমি সিদ্ধান্ত চাই। কাজেই আমার আগের ও পরের গোপনীয় ও প্রকাশ্য যাবতীয় গুনাহ্‌ ক্ষমা করে দাও। তুমিই আমার একমাত্র মাবূদ। তুমি ছাড়া কোন ইলাহ্ নেই। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৯০)

ইব্‌নু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে যখন তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করতেন তখন এ দু'আ করতেনঃ হে আল্লাহ্! সব প্রশংসা একমাত্র তোমারই, তুমিই আসমান ও যমীনের জ্যোতি। তোমারই সমস্ত প্রশংসা, তুমিই আসমান ও যমীনের একমাত্র পরিচালক। তোমারই সব প্রশংসা, তুমিই আসমান ও যমীন এবং এ দু'য়ের মধ্যে যা আছে সব কিছুর রব। তুমি মহাসত্য। তোমার প্রতিশ্রুতি সত্য। তোমার বাণী সত্য। তোমার সাক্ষাৎ সত্য। জান্নাত সত্য। জাহান্নাম সত্য। নবীগণ সত্য। ক্বিয়ামাত সত্য। হে আল্লাহ্! তোমারই জন্য আনুগত্য স্বীকার করি। তোমারই প্রতি ঈমান আনি। তোমারই উপর ভরসা করি এবং তোমারই দিকে ফিরি। তোমারই জন্য বিতর্ক করি। তোমার কাছেই আমি সিদ্ধান্ত চাই। কাজেই আমার আগের ও পরের গোপনীয় ও প্রকাশ্য যাবতীয় গুনাহ্‌ ক্ষমা করে দাও। তুমিই আমার একমাত্র মাবূদ। তুমি ছাড়া কোন ইলাহ্ নেই। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৯০)

محمود حدثنا عبد الرزاق أخبرنا ابن جريج أخبرني سليمان الأحول أن طاوسا أخبره أنه سمع ابن عباس يقول كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا تهجد من الليل قال اللهم لك الحمد أنت نور السموات والأرض ولك الحمد أنت قيم السموات والأرض ولك الحمد أنت رب السموات والأرض ومن فيهن أنت الحق ووعدك الحق وقولك الحق ولقاؤك الحق والجنة حق والنار حق والنبيون حق والساعة حق اللهم لك أسلمت وبك آمنت وعليك توكلت وإليك أنبت وبك خاصمت وإليك حاكمت فاغفر لي ما قدمت وما أخرت وما أسررت وما أعلنت أنت إلهي لا إله إلا أنت


সহিহ বুখারী ৭৪৯৬

وبهذا الإسناد قال الله أنفق أنفق عليك

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হাদীসটির এ সনদে আরো আছে যে, আল্লাহ বলেনঃ তুমি খরচ কর, তাহলে আমিও তোমার ওপর খরচ করব। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭৭ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮৭ শেষাংশ)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হাদীসটির এ সনদে আরো আছে যে, আল্লাহ বলেনঃ তুমি খরচ কর, তাহলে আমিও তোমার ওপর খরচ করব। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭৭ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮৭ শেষাংশ)

وبهذا الإسناد قال الله أنفق أنفق عليك


সহিহ বুখারী ৭৫০০

حجاج بن منهال حدثنا عبد الله بن عمر النميري حدثنا يونس بن يزيد الأيلي قال سمعت الزهري قال سمعت عروة بن الزبير وسعيد بن المسيب وعلقمة بن وقاص وعبيد الله بن عبد الله عن حديث عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم حين قال لها أهل الإفك ما قالوا فبرأها الله مما قالوا وكل حدثني طائفة من الحديث الذي حدثني عن عائشة قالت ولكني والله ما كنت أظن أن الله ينزل في براءتي وحيا يتلى ولشأني في نفسي كان أحقر من أن يتكلم الله في بأمر يتلى ولكني كنت أرجو أن يرى رسول الله صلى الله عليه وسلم في النوم رؤيا يبرئني الله بها فأنزل الله تعالى إن الذين جاءوا بالإفك العشر الآيات

উরওয়াহ ইব্‌নু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ

'উরওয়াহ ইব্‌নু যুবায়র, সা'ঈদ ইব্‌নু মুসাইয়্যাব, ‘আলক্বামাহ ইব্‌নু ওয়াক্কাস ও 'উবাইদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু 'আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রী 'আয়িশাহ (রাঃ) -এর ঘটনার ব্যাপারে বর্ণনা করেন। যখন অপবাদ রটনাকারীরা তাঁর ব্যাপারে যা বলার তা বলল, তখন আল্লাহ্ তাদের অপবাদ থেকে তাঁকে পবিত্র বলে ঘোষণা দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, 'আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণনাকারীদের প্রত্যেকে হাদীসটির কিছু কিছু অংশ আমাকে বর্ণনা করেছেন। 'আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, কিন্তু আল্লাহ্‌র কসম! আমি ধারণা করিনি যে, আল্লাহ্ আমার পবিত্রতার পক্ষে এমন ওয়াহী নাযিল করবেন যা তিলাওয়াত করা হবে। আমার মান-সম্মান আমার কাছে এর চেয়ে কম ছিল যে, আল্লাহ্ আমার ব্যাপারে এমন কালাম করবেন যা তিলাওয়াত করা হবে। তবে আমি আশা করতাম যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বপ্নে এমন কিছু দেখবেন, যদ্‌দ্বারা আল্লাহ্ আমার পবিত্রতা ঘোষণা করবেন। কিন্তু আল্লাহ্ নাযিল করলেনঃ যারা অপবাদ রটনা করেছে...... থেকে দশটি আয়াত(সূরাহ আন্-নূর ১০/২১)। [২৫৯৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৯১)

উরওয়াহ ইব্‌নু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ

'উরওয়াহ ইব্‌নু যুবায়র, সা'ঈদ ইব্‌নু মুসাইয়্যাব, ‘আলক্বামাহ ইব্‌নু ওয়াক্কাস ও 'উবাইদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু 'আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রী 'আয়িশাহ (রাঃ) -এর ঘটনার ব্যাপারে বর্ণনা করেন। যখন অপবাদ রটনাকারীরা তাঁর ব্যাপারে যা বলার তা বলল, তখন আল্লাহ্ তাদের অপবাদ থেকে তাঁকে পবিত্র বলে ঘোষণা দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, 'আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণনাকারীদের প্রত্যেকে হাদীসটির কিছু কিছু অংশ আমাকে বর্ণনা করেছেন। 'আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, কিন্তু আল্লাহ্‌র কসম! আমি ধারণা করিনি যে, আল্লাহ্ আমার পবিত্রতার পক্ষে এমন ওয়াহী নাযিল করবেন যা তিলাওয়াত করা হবে। আমার মান-সম্মান আমার কাছে এর চেয়ে কম ছিল যে, আল্লাহ্ আমার ব্যাপারে এমন কালাম করবেন যা তিলাওয়াত করা হবে। তবে আমি আশা করতাম যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বপ্নে এমন কিছু দেখবেন, যদ্‌দ্বারা আল্লাহ্ আমার পবিত্রতা ঘোষণা করবেন। কিন্তু আল্লাহ্ নাযিল করলেনঃ যারা অপবাদ রটনা করেছে...... থেকে দশটি আয়াত(সূরাহ আন্-নূর ১০/২১)। [২৫৯৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৯১)

حجاج بن منهال حدثنا عبد الله بن عمر النميري حدثنا يونس بن يزيد الأيلي قال سمعت الزهري قال سمعت عروة بن الزبير وسعيد بن المسيب وعلقمة بن وقاص وعبيد الله بن عبد الله عن حديث عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم حين قال لها أهل الإفك ما قالوا فبرأها الله مما قالوا وكل حدثني طائفة من الحديث الذي حدثني عن عائشة قالت ولكني والله ما كنت أظن أن الله ينزل في براءتي وحيا يتلى ولشأني في نفسي كان أحقر من أن يتكلم الله في بأمر يتلى ولكني كنت أرجو أن يرى رسول الله صلى الله عليه وسلم في النوم رؤيا يبرئني الله بها فأنزل الله تعالى إن الذين جاءوا بالإفك العشر الآيات


সহিহ বুখারী ৭৫০১

قتيبة بن سعيد حدثنا المغيرة بن عبد الرحمن عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يقول الله إذا أراد عبدي أن يعمل سيئة فلا تكتبوها عليه حتى يعملها فإن عملها فاكتبوها بمثلها وإن تركها من أجلي فاكتبوها له حسنة وإذا أراد أن يعمل حسنة فلم يعملها فاكتبوها له حسنة فإن عملها فاكتبوها له بعشر أمثالها إلى سبع مائة ضعف

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ বলেন, আমার বান্দা কোন গুনাহ্‌র কাজ করতে চাইলে তা না করা পর্যন্ত তার গুনাহ্ লেখো না। আর যদি তা করেই ফেলে, তাহলে তা সমপরিমাণ লেখো। আর যদি আমার (মাহাত্ন্যের) কারণে তা ত্যাগ করে, তাহলে তার পক্ষে একটি নেকী লেখো এবং যদি বান্দা কোন ভাল কাজের ইচ্ছা করল কিন্তু তা না করে, তবুও তোমরা তার জন্য একটি নেকী লেখো। তারপর যদি তা করে, তবে তোমরা তার জন্য কাজটির দশ গুণ থেকে সাত'শ গুণ পর্যন্ত লেখো।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৯২)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ বলেন, আমার বান্দা কোন গুনাহ্‌র কাজ করতে চাইলে তা না করা পর্যন্ত তার গুনাহ্ লেখো না। আর যদি তা করেই ফেলে, তাহলে তা সমপরিমাণ লেখো। আর যদি আমার (মাহাত্ন্যের) কারণে তা ত্যাগ করে, তাহলে তার পক্ষে একটি নেকী লেখো এবং যদি বান্দা কোন ভাল কাজের ইচ্ছা করল কিন্তু তা না করে, তবুও তোমরা তার জন্য একটি নেকী লেখো। তারপর যদি তা করে, তবে তোমরা তার জন্য কাজটির দশ গুণ থেকে সাত'শ গুণ পর্যন্ত লেখো।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৯২)

قتيبة بن سعيد حدثنا المغيرة بن عبد الرحمن عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يقول الله إذا أراد عبدي أن يعمل سيئة فلا تكتبوها عليه حتى يعملها فإن عملها فاكتبوها بمثلها وإن تركها من أجلي فاكتبوها له حسنة وإذا أراد أن يعمل حسنة فلم يعملها فاكتبوها له حسنة فإن عملها فاكتبوها له بعشر أمثالها إلى سبع مائة ضعف


সহিহ বুখারী ৭৫০২

إسماعيل بن عبد الله حدثني سليمان بن بلال عن معاوية بن أبي مزرد عن سعيد بن يسار عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال خلق الله الخلق فلما فرغ منه قامت الرحم فقال مه قالت هذا مقام العائذ بك من القطيعة فقال ألا ترضين أن أصل من وصلك وأقطع من قطعك قالت بلى يا رب قال فذلك لك ثم قال أبو هريرة {فهل عسيتم إن توليتم أن تفسدوا في الأرض وتقطعوا أرحامكم}إسماعيل بن عبد الله حدثني سليمان بن بلال عن معاوية بن أبي مزرد عن سعيد بن يسار عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال خلق الله الخلق فلما فرغ منه قامت الرحم فقال مه قالت هذا مقام العائذ بك من القطيعة فقال ألا ترضين أن أصل من وصلك وأقطع من قطعك قالت بلى يا رب قال فذلك لك ثم قال أبو هريرة {فهل عسيتم إن توليتم أن تفسدوا في الأرض وتقطعوا أرحامكم}

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ সৃষ্টিকে পয়দা করলেন। তারপর যখন তিনি এর থেকে অবসর হলেন তখন ‘রাহীম’ (আত্মীয়তার বন্ধন) উঠে দাঁড়াল। আল্লাহ্ সেটিকে বললেন, তুমি থাম। ‘আত্মীয়তার বন্ধন’ তখন বলল, আমাকে ছিন্নকারী থেকে আশ্রয় চাওয়ার জায়গা এটা। এতে আল্লাহ্ ঘোষণা করলেন, তুমি কি এতে রাযী নও যে, লোক তোমার সঙ্গে সৎভাব রাখবে আমিও তার সঙ্গে সৎভাব রাখব আর যে তোমাকে ছিন্ন করবে, আমিও তাকে ছিন্ন করব? সে বলল, আমি এতে সন্তুষ্ট, হে আমার প্রতিপালক! আল্লাহ্ বললেনঃ তা-ই তোমার জন্য। তারপর আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) তিলাওয়াত করলেনঃ فَهَلْ عَسَيْتُمْ إِنْ تَوَلَّيْتُمْ الاية ক্ষমতা পেলে সম্ভবতঃ তোমরা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করবে আর আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করবে।’’ (সূরাহ মুহাম্মাদ ৪৭/২২)। [৪৮৩০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৯৩)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ সৃষ্টিকে পয়দা করলেন। তারপর যখন তিনি এর থেকে অবসর হলেন তখন ‘রাহীম’ (আত্মীয়তার বন্ধন) উঠে দাঁড়াল। আল্লাহ্ সেটিকে বললেন, তুমি থাম। ‘আত্মীয়তার বন্ধন’ তখন বলল, আমাকে ছিন্নকারী থেকে আশ্রয় চাওয়ার জায়গা এটা। এতে আল্লাহ্ ঘোষণা করলেন, তুমি কি এতে রাযী নও যে, লোক তোমার সঙ্গে সৎভাব রাখবে আমিও তার সঙ্গে সৎভাব রাখব আর যে তোমাকে ছিন্ন করবে, আমিও তাকে ছিন্ন করব? সে বলল, আমি এতে সন্তুষ্ট, হে আমার প্রতিপালক! আল্লাহ্ বললেনঃ তা-ই তোমার জন্য। তারপর আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) তিলাওয়াত করলেনঃ فَهَلْ عَسَيْتُمْ إِنْ تَوَلَّيْتُمْ الاية ক্ষমতা পেলে সম্ভবতঃ তোমরা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করবে আর আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করবে।’’ (সূরাহ মুহাম্মাদ ৪৭/২২)। [৪৮৩০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৯৩)

إسماعيل بن عبد الله حدثني سليمان بن بلال عن معاوية بن أبي مزرد عن سعيد بن يسار عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال خلق الله الخلق فلما فرغ منه قامت الرحم فقال مه قالت هذا مقام العائذ بك من القطيعة فقال ألا ترضين أن أصل من وصلك وأقطع من قطعك قالت بلى يا رب قال فذلك لك ثم قال أبو هريرة {فهل عسيتم إن توليتم أن تفسدوا في الأرض وتقطعوا أرحامكم}إسماعيل بن عبد الله حدثني سليمان بن بلال عن معاوية بن أبي مزرد عن سعيد بن يسار عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال خلق الله الخلق فلما فرغ منه قامت الرحم فقال مه قالت هذا مقام العائذ بك من القطيعة فقال ألا ترضين أن أصل من وصلك وأقطع من قطعك قالت بلى يا رب قال فذلك لك ثم قال أبو هريرة {فهل عسيتم إن توليتم أن تفسدوا في الأرض وتقطعوا أرحامكم}


সহিহ বুখারী ৭৫০৩

مسدد حدثنا سفيان عن صالح عن عبيد الله عن زيد بن خالد قال مطر النبي صلى الله عليه وسلم فقال قال الله أصبح من عبادي كافر بي ومؤمن بي

যায়দ ইব্‌নু খালিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সময় একবার বৃষ্টি হলো। তিনি বললেনঃ আল্লাহ্ বলছেন, (বৃষ্টি হওয়ার ব্যাপার নিয়ে) আমার বান্দাদের কতক আমার সঙ্গে কুফ্‌রী করছে, আর কতক ঈমান এনেছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৯৪)

যায়দ ইব্‌নু খালিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সময় একবার বৃষ্টি হলো। তিনি বললেনঃ আল্লাহ্ বলছেন, (বৃষ্টি হওয়ার ব্যাপার নিয়ে) আমার বান্দাদের কতক আমার সঙ্গে কুফ্‌রী করছে, আর কতক ঈমান এনেছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৯৪)

مسدد حدثنا سفيان عن صالح عن عبيد الله عن زيد بن خالد قال مطر النبي صلى الله عليه وسلم فقال قال الله أصبح من عبادي كافر بي ومؤمن بي


সহিহ বুখারী ৭৫০৪

إسماعيل حدثني مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قال الله إذا أحب عبدي لقائي أحببت لقاءه وإذا كره لقائي كرهت لقاءه

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ বলেন, আমার বান্দা আমার সাক্ষাত পছন্দ করলে আমিও তার সাক্ষাত পছন্দ করি। আর সে আমার সাক্ষাত অপছন্দ করলে, আমিও তার সাক্ষাত অপছন্দ করি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৯৫)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ বলেন, আমার বান্দা আমার সাক্ষাত পছন্দ করলে আমিও তার সাক্ষাত পছন্দ করি। আর সে আমার সাক্ষাত অপছন্দ করলে, আমিও তার সাক্ষাত অপছন্দ করি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৯৫)

إسماعيل حدثني مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قال الله إذا أحب عبدي لقائي أحببت لقاءه وإذا كره لقائي كرهت لقاءه


সহিহ বুখারী ৭৫০৫

أبو اليمان أخبرنا شعيب حدثنا أبو الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قال الله أنا عند ظن عبدي بي

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ বলেছেনঃ আল্লাহ্ বলেনঃ আমার সম্পর্কে আমার বান্দার ধারণার মতই ব্যবহার করে থাকি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৯৬)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ বলেছেনঃ আল্লাহ্ বলেনঃ আমার সম্পর্কে আমার বান্দার ধারণার মতই ব্যবহার করে থাকি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৯৬)

أبو اليمان أخبرنا شعيب حدثنا أبو الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قال الله أنا عند ظن عبدي بي


সহিহ বুখারী ৭৫০৬

إسماعيل حدثني مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قال رجل لم يعمل خيرا قط فإذا مات فحرقوه واذروا نصفه في البر ونصفه في البحر فوالله لئن قدر الله عليه ليعذبنه عذابا لا يعذبه أحدا من العالمين فأمر الله البحر فجمع ما فيه وأمر البر فجمع ما فيه ثم قال لم فعلت قال من خشيتك وأنت أعلم فغفر له

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এক লোক কোন ভাল 'আমাল করেনি। মৃত্যুর সময় সে বলল, মারা যাওয়ার পর তোমরা তাকে পুড়িয়ে ফেল। আর অর্ধেক স্থলে আর অর্ধেক সাগরে ছড়িয়ে দাও। সে আরো বলল, আল্লাহ্‌র শপথ! আল্লাহ্ যদি তাকে পেয়ে যান তাহলে অবশ্য অবশ্যই তাকে এমন শাস্তি দেবেন, যা তামাম জগতের আর কাউকে দেবেন না। তারপর আল্লাহ্‌ সাগরকে হুকুম দিলে সাগর তাতে যা ছিল তা একত্রিত করল। স্থলকে হুকুম দিলে সেও তাতে যা ছিল তা একত্রিত করল। তারপর আল্লাহ্ বললেনঃ তুমি কেন এরকম করলে? সে উত্তর করল, তোমার ভয়ে। আর তুমি অধিক জান। এ কারণে আল্লাহ্ তাকে মাফ করে দিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৯৭)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এক লোক কোন ভাল 'আমাল করেনি। মৃত্যুর সময় সে বলল, মারা যাওয়ার পর তোমরা তাকে পুড়িয়ে ফেল। আর অর্ধেক স্থলে আর অর্ধেক সাগরে ছড়িয়ে দাও। সে আরো বলল, আল্লাহ্‌র শপথ! আল্লাহ্ যদি তাকে পেয়ে যান তাহলে অবশ্য অবশ্যই তাকে এমন শাস্তি দেবেন, যা তামাম জগতের আর কাউকে দেবেন না। তারপর আল্লাহ্‌ সাগরকে হুকুম দিলে সাগর তাতে যা ছিল তা একত্রিত করল। স্থলকে হুকুম দিলে সেও তাতে যা ছিল তা একত্রিত করল। তারপর আল্লাহ্ বললেনঃ তুমি কেন এরকম করলে? সে উত্তর করল, তোমার ভয়ে। আর তুমি অধিক জান। এ কারণে আল্লাহ্ তাকে মাফ করে দিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৯৭)

إسماعيل حدثني مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قال رجل لم يعمل خيرا قط فإذا مات فحرقوه واذروا نصفه في البر ونصفه في البحر فوالله لئن قدر الله عليه ليعذبنه عذابا لا يعذبه أحدا من العالمين فأمر الله البحر فجمع ما فيه وأمر البر فجمع ما فيه ثم قال لم فعلت قال من خشيتك وأنت أعلم فغفر له


সহিহ বুখারী ৭৫০৭

أحمد بن إسحاق حدثنا عمرو بن عاصم حدثنا همام حدثنا إسحاق بن عبد الله سمعت عبد الرحمن بن أبي عمرة قال سمعت أبا هريرة قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم قال إن عبدا أصاب ذنبا وربما قال أذنب ذنبا فقال رب أذنبت وربما قال أصبت فاغفر لي فقال ربه أعلم عبدي أن له ربا يغفر الذنب ويأخذ به غفرت لعبدي ثم مكث ما شاء الله ثم أصاب ذنبا أو أذنب ذنبا فقال رب أذنبت أو أصبت آخر فاغفره فقال أعلم عبدي أن له ربا يغفر الذنب ويأخذ به غفرت لعبدي ثم مكث ما شاء الله ثم أذنب ذنبا وربما قال أصاب ذنبا قال قال رب أصبت أو قال أذنبت آخر فاغفره لي فقال أعلم عبدي أن له ربا يغفر الذنب ويأخذ به غفرت لعبدي ثلاثا فليعمل ما شاء

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথা বলতে শুনেছি, এক বান্দা গুনাহ্ করল। বর্ণনাকারী أَصَابَ ذَنْبًا না বলে কখনো أَذْنَبَ ذَنْبًا বলেছেন। তারপর সে বলল, হে আমার রবব! আমি তো গুনাহ্ করে ফেলেছি। বর্ণনাকারী أَذْنَبْتُ -এর স্থলে কখনো أَصَبْتُ বলেছেন। তাই আমার গুনাহ্ ক্ষমা করে দাও। তার প্রতিপালক বললেনঃ আমার বান্দা কি একথা জেনেছে যে, তার রয়েছে একজন রবব যিনি গুনাহ্ ক্ষমা করেন এবং এর কারণে শাস্তিও দেন। আমার বান্দাকে আমি মাফ করে দিলাম। তারপর সে আল্লাহর ইচ্ছে অনুযায়ী কিছুকাল অবস্থান করল এবং সে আবার গুনাহ্তে জড়িয়ে গেল। বর্ণনাকারীর সন্দেহ أَصَابَ ذَنْبًا কিংবা أَذْنَبَ ذَنْبًا বলা হয়েছে। বান্দা আবার বলল, হে আমার প্রতিপালক! আমি তো আবার গুনাহ্ করে বসেছি। এখানে أَصَبْتُ কিংবা أَذْنَبْتُ বলা হয়েছে। আমার এ গুনাহ্ তুমি মাফ করে দাও। তখন আল্লাহ্ বললেনঃ আমার বান্দা কি জেনেছে যে, তার আছে একজন রবব যিনি গুনাহ্ ক্ষমা করেন এবং এর কারণে শাস্তিও দেন। এরপর সে বান্দা আল্লাহর ইচ্ছানুযায়ী কিছুকাল সে অবস্থায় থাকল। আবারও সে গুনাহ্তে জড়িয়ে গেল। এখানে أَصَابَ ذَنْبًا কিংবা أَذْنَبَ ذَنْبًا বলা হয়েছে। সে বলল, হে আমার রবব! আমি তো আরো একটি গুনাহ্ করে ফেলেছি। এখানে أَصَبْتُ কিংবা أَذْنَبْتُ বলা হয়েছে। আমার এ গুনাহ্ মাফ করে দাও। তখন আল্লাহ্ বললেনঃ আমার বান্দা কি জেনেছে যে, তার একজন রবব আছেন, যিনি গুনাহ্ মাফ করেন এবং এর কারণে শাস্তিও দেন। আমি আমার এ বান্দাকে মাফ করে দিলাম। এরকম তিনবার বললেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৯৮)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথা বলতে শুনেছি, এক বান্দা গুনাহ্ করল। বর্ণনাকারী أَصَابَ ذَنْبًا না বলে কখনো أَذْنَبَ ذَنْبًا বলেছেন। তারপর সে বলল, হে আমার রবব! আমি তো গুনাহ্ করে ফেলেছি। বর্ণনাকারী أَذْنَبْتُ -এর স্থলে কখনো أَصَبْتُ বলেছেন। তাই আমার গুনাহ্ ক্ষমা করে দাও। তার প্রতিপালক বললেনঃ আমার বান্দা কি একথা জেনেছে যে, তার রয়েছে একজন রবব যিনি গুনাহ্ ক্ষমা করেন এবং এর কারণে শাস্তিও দেন। আমার বান্দাকে আমি মাফ করে দিলাম। তারপর সে আল্লাহর ইচ্ছে অনুযায়ী কিছুকাল অবস্থান করল এবং সে আবার গুনাহ্তে জড়িয়ে গেল। বর্ণনাকারীর সন্দেহ أَصَابَ ذَنْبًا কিংবা أَذْنَبَ ذَنْبًا বলা হয়েছে। বান্দা আবার বলল, হে আমার প্রতিপালক! আমি তো আবার গুনাহ্ করে বসেছি। এখানে أَصَبْتُ কিংবা أَذْنَبْتُ বলা হয়েছে। আমার এ গুনাহ্ তুমি মাফ করে দাও। তখন আল্লাহ্ বললেনঃ আমার বান্দা কি জেনেছে যে, তার আছে একজন রবব যিনি গুনাহ্ ক্ষমা করেন এবং এর কারণে শাস্তিও দেন। এরপর সে বান্দা আল্লাহর ইচ্ছানুযায়ী কিছুকাল সে অবস্থায় থাকল। আবারও সে গুনাহ্তে জড়িয়ে গেল। এখানে أَصَابَ ذَنْبًا কিংবা أَذْنَبَ ذَنْبًا বলা হয়েছে। সে বলল, হে আমার রবব! আমি তো আরো একটি গুনাহ্ করে ফেলেছি। এখানে أَصَبْتُ কিংবা أَذْنَبْتُ বলা হয়েছে। আমার এ গুনাহ্ মাফ করে দাও। তখন আল্লাহ্ বললেনঃ আমার বান্দা কি জেনেছে যে, তার একজন রবব আছেন, যিনি গুনাহ্ মাফ করেন এবং এর কারণে শাস্তিও দেন। আমি আমার এ বান্দাকে মাফ করে দিলাম। এরকম তিনবার বললেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৯৮)

أحمد بن إسحاق حدثنا عمرو بن عاصم حدثنا همام حدثنا إسحاق بن عبد الله سمعت عبد الرحمن بن أبي عمرة قال سمعت أبا هريرة قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم قال إن عبدا أصاب ذنبا وربما قال أذنب ذنبا فقال رب أذنبت وربما قال أصبت فاغفر لي فقال ربه أعلم عبدي أن له ربا يغفر الذنب ويأخذ به غفرت لعبدي ثم مكث ما شاء الله ثم أصاب ذنبا أو أذنب ذنبا فقال رب أذنبت أو أصبت آخر فاغفره فقال أعلم عبدي أن له ربا يغفر الذنب ويأخذ به غفرت لعبدي ثم مكث ما شاء الله ثم أذنب ذنبا وربما قال أصاب ذنبا قال قال رب أصبت أو قال أذنبت آخر فاغفره لي فقال أعلم عبدي أن له ربا يغفر الذنب ويأخذ به غفرت لعبدي ثلاثا فليعمل ما شاء


সহিহ বুখারী ৭৫০৮

عبد الله بن أبي الأسود حدثنا معتمر سمعت أبي حدثنا قتادة عن عقبة بن عبد الغافر عن أبي سعيد عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه ذكر رجلا فيمن سلف أو فيمن كان قبلكم قال كلمة يعني أعطاه الله مالا وولدا فلما حضرت الوفاة قال لبنيه أي أب كنت لكم قالوا خير أب قال فإنه لم يبتئر أو لم يبتئز عند الله خيرا وإن يقدر الله عليه يعذبه فانظروا إذا مت فأحرقوني حتى إذا صرت فحما فاسحقوني أو قال فاسحكوني فإذا كان يوم ريح عاصف فأذروني فيها فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم فأخذ مواثيقهم على ذلك وربي ففعلوا ثم أذروه في يوم عاصف فقال الله عز وجل كن فإذا هو رجل قائم قال الله أي عبدي ما حملك على أن فعلت ما فعلت قال مخافتك أو فرق منك قال فما تلافاه أن رحمه عندها وقال مرة أخرى فما تلافاه غيرها فحدثت به أبا عثمان فقال سمعت هذا من سلمان غير أنه زاد فيه أذروني في البحر أو كما حدث حدثنا موسى حدثنا معتمر وقال لم يبتئر وقال خليفة حدثنا معتمر وقال لم يبتئز فسره قتادة لم يدخر

আবূ সা‘ঈদ খুদ্‌রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আগের যুগের এক লোক সম্পর্কে আলোচনা করলেন। অথবা তিনি বলেছেন, তোমাদের আগে যারা ছিলেন তাদের এক লোক। তিনি তার ব্যাপারে বললেন, অর্থাৎ আল্লাহ্ তাকে সম্পদ ও সন্তান দান করলেন। যখন তার মৃত্যু হাজির হল তখন সে তার সন্তানদেরকে বলল, আমি তোমাদের জন্য কেমন পিতা ছিলাম? তারা বলল, উত্তম পিতা। তখন সে বলল, সে আল্লাহর কাছে কোন নেক ‘আমাল রেখে যেতে পারেনি। এখানে لَمْ يَبْتَئِرْ কিংবা لَمْ يَبْتَئِزْ বলা হয়েছে। অতএব, আল্লাহ্ (তার উপর) সমর্থ হলে, অবশ্যই তাকে আযাব দিবেন। অতএব তোমরা লক্ষ্য রাখবে, আমার মওত হলে তোমরা আমাকে আগুনে জ্বালিয়ে দেবে। এরপর যখন আমি কয়লা হয়ে যাব, তখন ছাই করে ফেলবে। বর্ণনাকারী এখানে فَاسْحَقُونِي কিংবা فاسْحَكُوْنِي বলেছেন। তারপর যেদিন প্রচন্ড বাতাসের দিন হবে সেদিন বাতাসে ছড়িয়ে দেবে। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ পিতা এ বিষয়ে ছেলেদের নিকট থেকে ও‘য়াদা নিল। আমার রবেবর শপথ! ছেলেরা তাই করল। এক প্রচন্ড বাতাসের দিনে তাকে ছড়িয়ে দিল। তারপর মহান আল্লাহ্ নির্দেশ দিলেন। তুমি অস্তিত্বে এসে যাও তক্ষুণি সে উঠে দাঁড়াল। মহান আল্লাহ্ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে আমার বান্দাহ্! তুমি যা করেছ তা কেন করলে? সে উত্তর দিল, তোমার ভয়ে। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এর বিনিময়ে তাকে ক্ষমা করে দিলেন। রাবী আবার অন্য বর্ণনায় বলেছেনঃ আল্লাহ্ ক্ষমা দ্বারাই এর বিনিময় দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি এ হাদীস আবূ উসমানের কাছে বর্ণনা করলে তিনি বললেন, আমি হাদীসটি সালমান (রাঃ) থেকে শুনেছি। তবে তিনি এটুকু যোগ করেছেন, اَذْرُونِي فِي الْبَحْر আমাকে সমুদ্রে ছড়িয়ে দাও। রাবী বলেন, কিংবা তিনি বলেছেন, অথবা যেমন তিনি বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৯৯) মুতামির (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি لَمْ يَبْتَئِرْ - বর্ণনা করেছেন। [৩৪৭৮] খালীফা (রহ.) মুতামির থেকে لَمْ يَبْتَئِزْ বর্ণনা করেছেন। ক্বাতাদাহ (রহ.) এ সবের বিশ্লেষণ করেছেন لَمْ يَدَّخِرْ অর্থাৎ ‘সঞ্চয় করেনি’ দ্বারা। (আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৭০০০)

আবূ সা‘ঈদ খুদ্‌রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আগের যুগের এক লোক সম্পর্কে আলোচনা করলেন। অথবা তিনি বলেছেন, তোমাদের আগে যারা ছিলেন তাদের এক লোক। তিনি তার ব্যাপারে বললেন, অর্থাৎ আল্লাহ্ তাকে সম্পদ ও সন্তান দান করলেন। যখন তার মৃত্যু হাজির হল তখন সে তার সন্তানদেরকে বলল, আমি তোমাদের জন্য কেমন পিতা ছিলাম? তারা বলল, উত্তম পিতা। তখন সে বলল, সে আল্লাহর কাছে কোন নেক ‘আমাল রেখে যেতে পারেনি। এখানে لَمْ يَبْتَئِرْ কিংবা لَمْ يَبْتَئِزْ বলা হয়েছে। অতএব, আল্লাহ্ (তার উপর) সমর্থ হলে, অবশ্যই তাকে আযাব দিবেন। অতএব তোমরা লক্ষ্য রাখবে, আমার মওত হলে তোমরা আমাকে আগুনে জ্বালিয়ে দেবে। এরপর যখন আমি কয়লা হয়ে যাব, তখন ছাই করে ফেলবে। বর্ণনাকারী এখানে فَاسْحَقُونِي কিংবা فاسْحَكُوْنِي বলেছেন। তারপর যেদিন প্রচন্ড বাতাসের দিন হবে সেদিন বাতাসে ছড়িয়ে দেবে। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ পিতা এ বিষয়ে ছেলেদের নিকট থেকে ও‘য়াদা নিল। আমার রবেবর শপথ! ছেলেরা তাই করল। এক প্রচন্ড বাতাসের দিনে তাকে ছড়িয়ে দিল। তারপর মহান আল্লাহ্ নির্দেশ দিলেন। তুমি অস্তিত্বে এসে যাও তক্ষুণি সে উঠে দাঁড়াল। মহান আল্লাহ্ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে আমার বান্দাহ্! তুমি যা করেছ তা কেন করলে? সে উত্তর দিল, তোমার ভয়ে। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এর বিনিময়ে তাকে ক্ষমা করে দিলেন। রাবী আবার অন্য বর্ণনায় বলেছেনঃ আল্লাহ্ ক্ষমা দ্বারাই এর বিনিময় দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি এ হাদীস আবূ উসমানের কাছে বর্ণনা করলে তিনি বললেন, আমি হাদীসটি সালমান (রাঃ) থেকে শুনেছি। তবে তিনি এটুকু যোগ করেছেন, اَذْرُونِي فِي الْبَحْر আমাকে সমুদ্রে ছড়িয়ে দাও। রাবী বলেন, কিংবা তিনি বলেছেন, অথবা যেমন তিনি বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৯৯) মুতামির (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি لَمْ يَبْتَئِرْ - বর্ণনা করেছেন। [৩৪৭৮] খালীফা (রহ.) মুতামির থেকে لَمْ يَبْتَئِزْ বর্ণনা করেছেন। ক্বাতাদাহ (রহ.) এ সবের বিশ্লেষণ করেছেন لَمْ يَدَّخِرْ অর্থাৎ ‘সঞ্চয় করেনি’ দ্বারা। (আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৭০০০)

عبد الله بن أبي الأسود حدثنا معتمر سمعت أبي حدثنا قتادة عن عقبة بن عبد الغافر عن أبي سعيد عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه ذكر رجلا فيمن سلف أو فيمن كان قبلكم قال كلمة يعني أعطاه الله مالا وولدا فلما حضرت الوفاة قال لبنيه أي أب كنت لكم قالوا خير أب قال فإنه لم يبتئر أو لم يبتئز عند الله خيرا وإن يقدر الله عليه يعذبه فانظروا إذا مت فأحرقوني حتى إذا صرت فحما فاسحقوني أو قال فاسحكوني فإذا كان يوم ريح عاصف فأذروني فيها فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم فأخذ مواثيقهم على ذلك وربي ففعلوا ثم أذروه في يوم عاصف فقال الله عز وجل كن فإذا هو رجل قائم قال الله أي عبدي ما حملك على أن فعلت ما فعلت قال مخافتك أو فرق منك قال فما تلافاه أن رحمه عندها وقال مرة أخرى فما تلافاه غيرها فحدثت به أبا عثمان فقال سمعت هذا من سلمان غير أنه زاد فيه أذروني في البحر أو كما حدث حدثنا موسى حدثنا معتمر وقال لم يبتئر وقال خليفة حدثنا معتمر وقال لم يبتئز فسره قتادة لم يدخر


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00