সহিহ বুখারী > আল্লাহ্র বাণীঃ
সহিহ বুখারী ৭৪৬৩
عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال تكفل الله لمن جاهد في سبيله لا يخرجه من بيته إلا الجهاد في سبيله وتصديق كلمته أن يدخله الجنة أو يرده إلى مسكنه بما نال من أجر أو غنيمة
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্র পথে জিহাদের নিয়্যত নিয়ে যে লোক বের হবে এবং আল্লাহ্র পথে জিহাদ এবং তাঁর কলেমার প্রতি বিশ্বাস ব্যতীত অন্য কিছু তাকে তার ঘর থেকে বের করেনি, তবে এমন লোকের জন্য আল্লাহ্ যামিন হয়ে যান। হয়তো তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেবেন, নইলে সে যে সওয়াব ও গনীমাত হাসিল করেছে, তা সহ তাকে তার বাসস্থানে ফিরিয়ে আনবেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৫৫)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্র পথে জিহাদের নিয়্যত নিয়ে যে লোক বের হবে এবং আল্লাহ্র পথে জিহাদ এবং তাঁর কলেমার প্রতি বিশ্বাস ব্যতীত অন্য কিছু তাকে তার ঘর থেকে বের করেনি, তবে এমন লোকের জন্য আল্লাহ্ যামিন হয়ে যান। হয়তো তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেবেন, নইলে সে যে সওয়াব ও গনীমাত হাসিল করেছে, তা সহ তাকে তার বাসস্থানে ফিরিয়ে আনবেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৫৫)
عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال تكفل الله لمن جاهد في سبيله لا يخرجه من بيته إلا الجهاد في سبيله وتصديق كلمته أن يدخله الجنة أو يرده إلى مسكنه بما نال من أجر أو غنيمة
সহিহ বুখারী > আল্লাহ্র ইচ্ছা ও চাওয়া।
সহিহ বুখারী ৭৪৬৪
مسدد حدثنا عبد الوارث عن عبد العزيز عن أنس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا دعوتم الله فاعزموا في الدعاء ولا يقولن أحدكم إن شئت فأعطني فإن الله لا مستكره له
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তোমরা আল্লাহ্র কাছে দু’আ করবে, তখন দু‘আয় দৃঢ়সংকল্প থাকবে। তোমাদের কেউই এমন কথা বলবে না, তুমি যদি চাও, তাহলে আমাকে দাও। কারণ, আল্লাহ্কে বাধ্যকারী কেউ নেই। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৫৬)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তোমরা আল্লাহ্র কাছে দু’আ করবে, তখন দু‘আয় দৃঢ়সংকল্প থাকবে। তোমাদের কেউই এমন কথা বলবে না, তুমি যদি চাও, তাহলে আমাকে দাও। কারণ, আল্লাহ্কে বাধ্যকারী কেউ নেই। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৫৬)
مسدد حدثنا عبد الوارث عن عبد العزيز عن أنس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا دعوتم الله فاعزموا في الدعاء ولا يقولن أحدكم إن شئت فأعطني فإن الله لا مستكره له
সহিহ বুখারী ৭৪৬৫
أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري ح و حدثنا إسماعيل حدثني أخي عبد الحميد عن سليمان عن محمد بن أبي عتيق عن ابن شهاب عن علي بن حسين أن حسين بن علي عليهما السلام أخبره أن علي بن أبي طالب أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم طرقه وفاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة فقال لهم ألا تصلون قال علي فقلت يا رسول الله إنما أنفسنا بيد الله فإذا شاء أن يبعثنا بعثنا فانصرف رسول الله صلى الله عليه وسلم حين قلت ذلك ولم يرجع إلي شيئا ثم سمعته وهو مدبر يضرب فخذه ويقول {وكان الإنسان أكثر شيء جدلا}
আলী ইব্নু আবূ ত্বলিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ও রসূল-কন্যা ফাতিমার কাছে রাতে আসলেন। তিনি তাদেরকে বললেনঃ তোমরা সালাত আদায় করছ না? ‘আলী বলেন, তখন আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাদের জীবন তো আল্লাহ্র হাতে। তিনি যখন আমাদেরকে ঘুম থেকে জাগাতে চান জাগিয়ে দেন। আমি এ কথা বলার পর, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফিরে গেলেন। কথার কোন উত্তর দিলেন না। যাওয়ার সময় তাঁকে উরুর ওপর হাত মেরে বলতে শুনেছি, মানুষ অধিকাংশ বিষয়েই বিতর্ক প্রিয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৫৭)
আলী ইব্নু আবূ ত্বলিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ও রসূল-কন্যা ফাতিমার কাছে রাতে আসলেন। তিনি তাদেরকে বললেনঃ তোমরা সালাত আদায় করছ না? ‘আলী বলেন, তখন আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাদের জীবন তো আল্লাহ্র হাতে। তিনি যখন আমাদেরকে ঘুম থেকে জাগাতে চান জাগিয়ে দেন। আমি এ কথা বলার পর, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফিরে গেলেন। কথার কোন উত্তর দিলেন না। যাওয়ার সময় তাঁকে উরুর ওপর হাত মেরে বলতে শুনেছি, মানুষ অধিকাংশ বিষয়েই বিতর্ক প্রিয়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৫৭)
أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري ح و حدثنا إسماعيل حدثني أخي عبد الحميد عن سليمان عن محمد بن أبي عتيق عن ابن شهاب عن علي بن حسين أن حسين بن علي عليهما السلام أخبره أن علي بن أبي طالب أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم طرقه وفاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة فقال لهم ألا تصلون قال علي فقلت يا رسول الله إنما أنفسنا بيد الله فإذا شاء أن يبعثنا بعثنا فانصرف رسول الله صلى الله عليه وسلم حين قلت ذلك ولم يرجع إلي شيئا ثم سمعته وهو مدبر يضرب فخذه ويقول {وكان الإنسان أكثر شيء جدلا}
সহিহ বুখারী ৭৪৬৬
محمد بن سنان حدثنا فليح حدثنا هلال بن علي عن عطاء بن يسار عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال مثل المؤمن كمثل خامة الزرع يفيء ورقه من حيث أتتها الريح تكفئها فإذا سكنت اعتدلت وكذلك المؤمن يكفأ بالبلاء ومثل الكافر كمثل الأرزة صماء معتدلة حتى يقصمها الله إذا شاء
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ঈমানদার শস্যক্ষেতের নরম ডগার মত। জোরে বাতাস বইলেই তার পাতা ঝুঁকে পড়ে। বাতাস শান্ত হলে, আবার সোজা হয়ে যায়। ঈমানদারদেরকে বালা-মুসিবত দিয়ে এভাবেই ঝুঁকিয়ে রাখা হয়। আর কাফেরের দৃষ্টান্ত দেবদারু গাছ, যা একেবারেই কঠিন ও সোজা হয়। ফলে আল্লাহ্ যখন চান সেটিকে মূলসহ উপড়ে ফেলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৫৮)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ঈমানদার শস্যক্ষেতের নরম ডগার মত। জোরে বাতাস বইলেই তার পাতা ঝুঁকে পড়ে। বাতাস শান্ত হলে, আবার সোজা হয়ে যায়। ঈমানদারদেরকে বালা-মুসিবত দিয়ে এভাবেই ঝুঁকিয়ে রাখা হয়। আর কাফেরের দৃষ্টান্ত দেবদারু গাছ, যা একেবারেই কঠিন ও সোজা হয়। ফলে আল্লাহ্ যখন চান সেটিকে মূলসহ উপড়ে ফেলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৫৮)
محمد بن سنان حدثنا فليح حدثنا هلال بن علي عن عطاء بن يسار عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال مثل المؤمن كمثل خامة الزرع يفيء ورقه من حيث أتتها الريح تكفئها فإذا سكنت اعتدلت وكذلك المؤمن يكفأ بالبلاء ومثل الكافر كمثل الأرزة صماء معتدلة حتى يقصمها الله إذا شاء
সহিহ বুখারী ৭৪৬৮
عبد الله المسندي حدثنا هشام أخبرنا معمر عن الزهري عن أبي إدريس عن عبادة بن الصامت قال بايعت رسول الله صلى الله عليه وسلم في رهط فقال أبايعكم على أن لا تشركوا بالله شيئا ولا تسرقوا ولا تزنوا ولا تقتلوا أولادكم ولا تأتوا ببهتان تفترونه بين أيديكم وأرجلكم ولا تعصوني في معروف فمن وفى منكم فأجره على الله ومن أصاب من ذلك شيئا فأخذ به في الدنيا فهو له كفارة وطهور ومن ستره الله فذلك إلى الله إن شاء عذبه وإن شاء غفر له
উবাদাহ ইব্নু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি একদল লোকের সঙ্গে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে বায়'আত করেছি। তিনি বললেনঃ আমি তোমাদের বায়'আত এ শর্তে কবূল করছি যে, তোমরা আল্লাহ্র সঙ্গে কোন কিছুকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, তোমাদের সন্তানদের হত্যা করবে না, তোমাদের হাত ও পায়ের মধ্যবর্তী লজ্জাস্থানের ব্যাপারে কোন অপবাদ রটনা করবে না, কোন ন্যয়সঙ্গত কাজে আমার অবাধ্য হবে না। তোমাদের যারা এ সব পূর্ণ করবে, আল্লাহ্র কাছে তার প্রতিদান আছে। আর কেউ এ সব জিনিসের কোনটায় জড়িয়ে পড়লে তাকে যদি সে জন্য দুনিয়ায় শাস্তি দেয়া হয়, তাহলে তা হবে তার জন্য কাফ্ফারা এবং পবিত্রতা। আর যাদের দোষ আল্লাহ্ ঢেকে রাখেন সেটি আল্লাহ্র ইচ্ছাধীন। ইচ্ছা করলে শাস্তি দিবেন, ইচ্ছা করলে ক্ষমা করবেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬০)
উবাদাহ ইব্নু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি একদল লোকের সঙ্গে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে বায়'আত করেছি। তিনি বললেনঃ আমি তোমাদের বায়'আত এ শর্তে কবূল করছি যে, তোমরা আল্লাহ্র সঙ্গে কোন কিছুকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, তোমাদের সন্তানদের হত্যা করবে না, তোমাদের হাত ও পায়ের মধ্যবর্তী লজ্জাস্থানের ব্যাপারে কোন অপবাদ রটনা করবে না, কোন ন্যয়সঙ্গত কাজে আমার অবাধ্য হবে না। তোমাদের যারা এ সব পূর্ণ করবে, আল্লাহ্র কাছে তার প্রতিদান আছে। আর কেউ এ সব জিনিসের কোনটায় জড়িয়ে পড়লে তাকে যদি সে জন্য দুনিয়ায় শাস্তি দেয়া হয়, তাহলে তা হবে তার জন্য কাফ্ফারা এবং পবিত্রতা। আর যাদের দোষ আল্লাহ্ ঢেকে রাখেন সেটি আল্লাহ্র ইচ্ছাধীন। ইচ্ছা করলে শাস্তি দিবেন, ইচ্ছা করলে ক্ষমা করবেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬০)
عبد الله المسندي حدثنا هشام أخبرنا معمر عن الزهري عن أبي إدريس عن عبادة بن الصامت قال بايعت رسول الله صلى الله عليه وسلم في رهط فقال أبايعكم على أن لا تشركوا بالله شيئا ولا تسرقوا ولا تزنوا ولا تقتلوا أولادكم ولا تأتوا ببهتان تفترونه بين أيديكم وأرجلكم ولا تعصوني في معروف فمن وفى منكم فأجره على الله ومن أصاب من ذلك شيئا فأخذ به في الدنيا فهو له كفارة وطهور ومن ستره الله فذلك إلى الله إن شاء عذبه وإن شاء غفر له
সহিহ বুখারী ৭৪৬৯
معلى بن أسد حدثنا وهيب عن أيوب عن محمد عن أبي هريرة أن نبي الله سليمان عليه السلام كان له ستون امرأة فقال لأطوفن الليلة على نسائي فلتحملن كل امرأة ولتلدن فارسا يقاتل في سبيل الله فطاف على نسائه فما ولدت منهن إلا امرأة ولدت شق غلام قال نبي الله صلى الله عليه وسلم لو كان سليمان استثنى لحملت كل امرأة منهن فولدت فارسا يقاتل في سبيل الله
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ্র নবী সুলাইমানের ষাটজন স্ত্রী ছিল। একদা সুলাইমান (আঃ) বললেন, আজ রাতে আমি অবশ্য অবশ্যই আমার সব স্ত্রীর কাছে যাব। যার ফলে স্ত্রীরা সবাই গর্ভবতী হয়ে এক একজন অশ্বারোহী প্রসব করবে যারা আল্লাহ্র পথে জিহাদ করবে। অতএব সুলাইমান (আঃ) তাঁর সব স্ত্রীর কাছে গেলেন, তবে তাদের একজন স্ত্রী ব্যতীত আর কেউ গর্ভবতী হলো না। সেও প্রসব করলো একটি অপূর্ণাঙ্গ সন্তান। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি সুলাইমান (আঃ) ইনশা-আল্লাহ্ বলতেন, তাহলে অবশ্যই স্ত্রীরা সবাই গর্ভবতী হত এবং এমন সন্তান প্রসব করতো যারা অশ্বারোহী হয়ে আল্লাহ্র রাস্তায় জিহাদ করত। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬১)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ্র নবী সুলাইমানের ষাটজন স্ত্রী ছিল। একদা সুলাইমান (আঃ) বললেন, আজ রাতে আমি অবশ্য অবশ্যই আমার সব স্ত্রীর কাছে যাব। যার ফলে স্ত্রীরা সবাই গর্ভবতী হয়ে এক একজন অশ্বারোহী প্রসব করবে যারা আল্লাহ্র পথে জিহাদ করবে। অতএব সুলাইমান (আঃ) তাঁর সব স্ত্রীর কাছে গেলেন, তবে তাদের একজন স্ত্রী ব্যতীত আর কেউ গর্ভবতী হলো না। সেও প্রসব করলো একটি অপূর্ণাঙ্গ সন্তান। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি সুলাইমান (আঃ) ইনশা-আল্লাহ্ বলতেন, তাহলে অবশ্যই স্ত্রীরা সবাই গর্ভবতী হত এবং এমন সন্তান প্রসব করতো যারা অশ্বারোহী হয়ে আল্লাহ্র রাস্তায় জিহাদ করত। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬১)
معلى بن أسد حدثنا وهيب عن أيوب عن محمد عن أبي هريرة أن نبي الله سليمان عليه السلام كان له ستون امرأة فقال لأطوفن الليلة على نسائي فلتحملن كل امرأة ولتلدن فارسا يقاتل في سبيل الله فطاف على نسائه فما ولدت منهن إلا امرأة ولدت شق غلام قال نبي الله صلى الله عليه وسلم لو كان سليمان استثنى لحملت كل امرأة منهن فولدت فارسا يقاتل في سبيل الله
সহিহ বুখারী ৭৪৬৭
الحكم بن نافع أخبرنا شعيب عن الزهري أخبرني سالم بن عبد الله أن عبد الله بن عمر قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو قائم على المنبر يقول إنما بقاؤكم فيما سلف قبلكم من الأمم كما بين صلاة العصر إلى غروب الشمس أعطي أهل التوراة التوراة فعملوا بها حتى انتصف النهار ثم عجزوا فأعطوا قيراطا قيراطا ثم أعطي أهل الإنجيل الإنجيل فعملوا به حتى صلاة العصر ثم عجزوا فأعطوا قيراطا قيراطا ثم أعطيتم القرآن فعملتم به حتى غروب الشمس فأعطيتم قيراطين قيراطين قال أهل التوراة ربنا هؤلاء أقل عملا وأكثر أجرا قال هل ظلمتكم من أجركم من شيء قالوا لا فقال فذلك فضلي أوتيه من أشاء
আব্দুল্লাহ্ ইব্নু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, যখন তিনি মিম্বরে উপবিষ্ট ছিলেন। তিনি বললেনঃ তোমাদের আগের উম্মাতদের তুলনায় তোমাদের অবস্থানের সময়কাল 'আসরের সালাত ও সূর্যাস্তের মধ্যবর্তী সময়। তাওরাতের ধারকদেরকে তাওরাত দেয়া হলে তারা সে মোতাবেক 'আমাল করল, তবে দুপুর হলে তারা অপারগ হয়ে গেল। এ জন্য তাদেরকে এক এক কীরাত করে পারিশ্রমিক দেয়া হলো। অতঃপর ইনজীলের ধারকদেরকে ইনজীল দেয়া হলো, তারা সে মোতাবেক 'আমাল করল 'আসরের সালাত পর্যন্ত, তারপর তারা অক্ষম হয়ে পড়লে তাদেরকে দেয়া হলো এক কীরাত এক কীরাত করে। অতঃপর তোমাদেরকে কুরআন দেয়া হলো। ফলে এ কুরআন মোতাবেক তোমরা আসর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত 'আমাল করেছ। এ জন্য তোমাদেরকে দু'কীরাত দু'কীরাত করে পারিশ্রমিক দেয়া হয়েছে। তাওরাতের ধারকরা বললো, হে আমাদের প্রতিপালক! তারাতো আমলে সবচেয়ে কম আবার পারিশ্রমিকে সবচেয়ে অধিক। আল্লাহ্ তখন বললেনঃ তোমাদের পারিশ্রমিকে তোমাদের উপর কোন যুল্ম করা হয়েছে কি? তারা বলল, না। তখন আল্লাহ্ বললেন, সেটি হচ্ছে আমার অনুগ্রহ, আমি যাকে চাই তাকে দিই। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৫৯)
আব্দুল্লাহ্ ইব্নু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, যখন তিনি মিম্বরে উপবিষ্ট ছিলেন। তিনি বললেনঃ তোমাদের আগের উম্মাতদের তুলনায় তোমাদের অবস্থানের সময়কাল 'আসরের সালাত ও সূর্যাস্তের মধ্যবর্তী সময়। তাওরাতের ধারকদেরকে তাওরাত দেয়া হলে তারা সে মোতাবেক 'আমাল করল, তবে দুপুর হলে তারা অপারগ হয়ে গেল। এ জন্য তাদেরকে এক এক কীরাত করে পারিশ্রমিক দেয়া হলো। অতঃপর ইনজীলের ধারকদেরকে ইনজীল দেয়া হলো, তারা সে মোতাবেক 'আমাল করল 'আসরের সালাত পর্যন্ত, তারপর তারা অক্ষম হয়ে পড়লে তাদেরকে দেয়া হলো এক কীরাত এক কীরাত করে। অতঃপর তোমাদেরকে কুরআন দেয়া হলো। ফলে এ কুরআন মোতাবেক তোমরা আসর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত 'আমাল করেছ। এ জন্য তোমাদেরকে দু'কীরাত দু'কীরাত করে পারিশ্রমিক দেয়া হয়েছে। তাওরাতের ধারকরা বললো, হে আমাদের প্রতিপালক! তারাতো আমলে সবচেয়ে কম আবার পারিশ্রমিকে সবচেয়ে অধিক। আল্লাহ্ তখন বললেনঃ তোমাদের পারিশ্রমিকে তোমাদের উপর কোন যুল্ম করা হয়েছে কি? তারা বলল, না। তখন আল্লাহ্ বললেন, সেটি হচ্ছে আমার অনুগ্রহ, আমি যাকে চাই তাকে দিই। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৫৯)
الحكم بن نافع أخبرنا شعيب عن الزهري أخبرني سالم بن عبد الله أن عبد الله بن عمر قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو قائم على المنبر يقول إنما بقاؤكم فيما سلف قبلكم من الأمم كما بين صلاة العصر إلى غروب الشمس أعطي أهل التوراة التوراة فعملوا بها حتى انتصف النهار ثم عجزوا فأعطوا قيراطا قيراطا ثم أعطي أهل الإنجيل الإنجيل فعملوا به حتى صلاة العصر ثم عجزوا فأعطوا قيراطا قيراطا ثم أعطيتم القرآن فعملتم به حتى غروب الشمس فأعطيتم قيراطين قيراطين قال أهل التوراة ربنا هؤلاء أقل عملا وأكثر أجرا قال هل ظلمتكم من أجركم من شيء قالوا لا فقال فذلك فضلي أوتيه من أشاء
সহিহ বুখারী ৭৪৭০
محمد حدثنا عبد الوهاب الثقفي حدثنا خالد الحذاء عن عكرمة عن ابن عباس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل على أعرابي يعوده فقال لا بأس عليك طهور إن شاء الله قال قال الأعرابي طهور بل هي حمى تفور على شيخ كبير تزيره القبور قال النبي صلى الله عليه وسلم فنعم إذا
ইব্নু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক বেদুঈনের কাছে প্রবেশ করলেন তার রোগের খোঁজখবর নিতে। তিনি বললেনঃ তোমার চিন্তার কোন কারণ নেই। ইনশা'আল্লাহ তুমি সুস্থ হয়ে যাবে। বেদুঈন বলল সুস্থতা? না, বরং এটি এমন জ্বর যা একজন বেশি বুড়োকে সিদ্ধ করছে, ফলে তাকে কবরে নিয়ে ছাড়বে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হ্যাঁ, তবে তাই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬২)
ইব্নু 'আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক বেদুঈনের কাছে প্রবেশ করলেন তার রোগের খোঁজখবর নিতে। তিনি বললেনঃ তোমার চিন্তার কোন কারণ নেই। ইনশা'আল্লাহ তুমি সুস্থ হয়ে যাবে। বেদুঈন বলল সুস্থতা? না, বরং এটি এমন জ্বর যা একজন বেশি বুড়োকে সিদ্ধ করছে, ফলে তাকে কবরে নিয়ে ছাড়বে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হ্যাঁ, তবে তাই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬২)
محمد حدثنا عبد الوهاب الثقفي حدثنا خالد الحذاء عن عكرمة عن ابن عباس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل على أعرابي يعوده فقال لا بأس عليك طهور إن شاء الله قال قال الأعرابي طهور بل هي حمى تفور على شيخ كبير تزيره القبور قال النبي صلى الله عليه وسلم فنعم إذا
সহিহ বুখারী ৭৪৭১
ابن سلام أخبرنا هشيم عن حصين عن عبد الله بن أبي قتادة عن أبيه حين ناموا عن الصلاة قال النبي صلى الله عليه وسلم إن الله قبض أرواحكم حين شاء وردها حين شاء فقضوا حوائجهم وتوضئوا إلى أن طلعت الشمس وابيضت فقام فصلى
আবূ ক্বাতাদাহ তাঁর পিতা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন তাঁরা সালাত থেকে ঘুমিয়ে ছিলেন তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেনঃ আল্লাহ্ যখন ইচ্ছা করেন তোমাদের রূহ্কে নিয়ে নেন, আর যখন ইচ্ছা ফিরিয়ে দেন। এরপর তারা তাদের প্রয়োজন সারলেন এবং ওযূ করলেন। এতে সূর্য উঠে সাদা রং হয়ে গেল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠলেন, সালাত আদায় করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬৩)
আবূ ক্বাতাদাহ তাঁর পিতা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন তাঁরা সালাত থেকে ঘুমিয়ে ছিলেন তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেনঃ আল্লাহ্ যখন ইচ্ছা করেন তোমাদের রূহ্কে নিয়ে নেন, আর যখন ইচ্ছা ফিরিয়ে দেন। এরপর তারা তাদের প্রয়োজন সারলেন এবং ওযূ করলেন। এতে সূর্য উঠে সাদা রং হয়ে গেল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠলেন, সালাত আদায় করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬৩)
ابن سلام أخبرنا هشيم عن حصين عن عبد الله بن أبي قتادة عن أبيه حين ناموا عن الصلاة قال النبي صلى الله عليه وسلم إن الله قبض أرواحكم حين شاء وردها حين شاء فقضوا حوائجهم وتوضئوا إلى أن طلعت الشمس وابيضت فقام فصلى
সহিহ বুখারী ৭৪৭৩
إسحاق بن أبي عيسى أخبرنا يزيد بن هارون أخبرنا شعبة عن قتادة عن أنس بن مالك قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة يأتيها الدجال فيجد الملائكة يحرسونها فلا يقربها الدجال ولا الطاعون إن شاء الله
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দাজ্জাল মদীনার দিকে আসবে, তখন সে দেখতে পাবে ফেরেশতাগণ মাদীনাহকে পাহারা দিয়ে রেখেছে। কাজেই দাজ্জাল ও প্লেগ মদীনার নিকটেও আসতে পারবে না ইন্শাআল্লাহ্। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬৫)
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দাজ্জাল মদীনার দিকে আসবে, তখন সে দেখতে পাবে ফেরেশতাগণ মাদীনাহকে পাহারা দিয়ে রেখেছে। কাজেই দাজ্জাল ও প্লেগ মদীনার নিকটেও আসতে পারবে না ইন্শাআল্লাহ্। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬৫)
إسحاق بن أبي عيسى أخبرنا يزيد بن هارون أخبرنا شعبة عن قتادة عن أنس بن مالك قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة يأتيها الدجال فيجد الملائكة يحرسونها فلا يقربها الدجال ولا الطاعون إن شاء الله
সহিহ বুখারী ৭৪৭২
يحيى بن قزعة حدثنا إبراهيم عن ابن شهاب عن أبي سلمة والأعرج ح و حدثنا إسماعيل حدثني أخي عن سليمان عن محمد بن أبي عتيق عن ابن شهاب عن أبي سلمة بن عبد الرحمن وسعيد بن المسيب أن أبا هريرة قال استب رجل من المسلمين ورجل من اليهود فقال المسلم والذي اصطفى محمدا على العالمين في قسم يقسم به فقال اليهودي والذي اصطفى موسى على العالمين فرفع المسلم يده عند ذلك فلطم اليهودي فذهب اليهودي إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبره بالذي كان من أمره وأمر المسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم لا تخيروني على موسى فإن الناس يصعقون يوم القيامة فأكون أول من يفيق فإذا موسى باطش بجانب العرش فلا أدري أكان فيمن صعق فأفاق قبلي أو كان ممن استثنى الله
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার একজন মুসলিম ও একজন ইয়াহূদী পরস্পর গালাগালি করল। মুসলিম লোকটি বলল, সে মহান সত্তার কসম ! যিনি জগতসমূহের ওপর মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে মনোনীত করেছেন। এরপর ইয়াহূদীটিও বলল, সে মহান সত্তার কসম ! যিনি জগতসমূহের ওপর মূসা (আঃ) কে মনোনীত করেছেন। এরপরই মুসলিম লোকটি হাত উঠিয়ে ইয়াহূদীকে চড় মারল। তখন ইয়াহূদী রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে গেল এবং তার ও মুসলিম লোকটির মধ্যে যা ঘটেছে তা জানাল। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা আামাকে মূসার উপর প্রাধান্য দিও না। কেননা, সব মানুষ (শিঙ্গায় ফুৎকারে) অজ্ঞান হয়ে যাবে। তখন সর্বপ্রথম আমি জ্ঞান ফিরে পাব। পেয়েই দেখব, মূসা (আঃ) আরশের একপাশ ধরে আছেন। অতএব আমি জানি না, তিনি কি অজ্ঞান হয়ে আমার আগেই জ্ঞান ফিরে পেয়ে গেলেন, নাকি তিনি তাঁদের অন্তর্ভুক্ত, যাদেরকে আল্লাহ্ অজ্ঞান হওয়া থেকে মুক্ত রেখেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬৪)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার একজন মুসলিম ও একজন ইয়াহূদী পরস্পর গালাগালি করল। মুসলিম লোকটি বলল, সে মহান সত্তার কসম ! যিনি জগতসমূহের ওপর মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে মনোনীত করেছেন। এরপর ইয়াহূদীটিও বলল, সে মহান সত্তার কসম ! যিনি জগতসমূহের ওপর মূসা (আঃ) কে মনোনীত করেছেন। এরপরই মুসলিম লোকটি হাত উঠিয়ে ইয়াহূদীকে চড় মারল। তখন ইয়াহূদী রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে গেল এবং তার ও মুসলিম লোকটির মধ্যে যা ঘটেছে তা জানাল। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা আামাকে মূসার উপর প্রাধান্য দিও না। কেননা, সব মানুষ (শিঙ্গায় ফুৎকারে) অজ্ঞান হয়ে যাবে। তখন সর্বপ্রথম আমি জ্ঞান ফিরে পাব। পেয়েই দেখব, মূসা (আঃ) আরশের একপাশ ধরে আছেন। অতএব আমি জানি না, তিনি কি অজ্ঞান হয়ে আমার আগেই জ্ঞান ফিরে পেয়ে গেলেন, নাকি তিনি তাঁদের অন্তর্ভুক্ত, যাদেরকে আল্লাহ্ অজ্ঞান হওয়া থেকে মুক্ত রেখেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬৪)
يحيى بن قزعة حدثنا إبراهيم عن ابن شهاب عن أبي سلمة والأعرج ح و حدثنا إسماعيل حدثني أخي عن سليمان عن محمد بن أبي عتيق عن ابن شهاب عن أبي سلمة بن عبد الرحمن وسعيد بن المسيب أن أبا هريرة قال استب رجل من المسلمين ورجل من اليهود فقال المسلم والذي اصطفى محمدا على العالمين في قسم يقسم به فقال اليهودي والذي اصطفى موسى على العالمين فرفع المسلم يده عند ذلك فلطم اليهودي فذهب اليهودي إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبره بالذي كان من أمره وأمر المسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم لا تخيروني على موسى فإن الناس يصعقون يوم القيامة فأكون أول من يفيق فإذا موسى باطش بجانب العرش فلا أدري أكان فيمن صعق فأفاق قبلي أو كان ممن استثنى الله
সহিহ বুখারী ৭৪৭৪
أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن أن أبا هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لكل نبي دعوة فأريد إن شاء الله أن أختبي دعوتي شفاعة لأمتي يوم القيامة
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক নবীর জন্য একটি (খাস) দু'আ আছে। আমার সে দু'আটি ক্বিয়ামাতের দিন আমার উম্মাতের শাফাআতের জন্য লুকিয়ে রাখার ইচ্ছা করছি ইন্শাআল্লাহ্। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬৬)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক নবীর জন্য একটি (খাস) দু'আ আছে। আমার সে দু'আটি ক্বিয়ামাতের দিন আমার উম্মাতের শাফাআতের জন্য লুকিয়ে রাখার ইচ্ছা করছি ইন্শাআল্লাহ্। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬৬)
أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن أن أبا هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لكل نبي دعوة فأريد إن شاء الله أن أختبي دعوتي شفاعة لأمتي يوم القيامة
সহিহ বুখারী ৭৪৭৫
يسرة بن صفوان بن جميل اللخمي حدثنا إبراهيم بن سعد عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بينا أنا نائم رأيتني على قليب فنزعت ما شاء الله أن أنزع ثم أخذها ابن أبي قحافة فنزع ذنوبا أو ذنوبين وفي نزعه ضعف والله يغفر له ثم أخذها عمر فاستحالت غربا فلم أر عبقريا من الناس يفري فريه حتى ضرب الناس حوله بعطن
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একবার আমি ঘুমিয়ে ছিলাম এমন অবস্থায় আমাকে একটি কূপের কাছে দেখতে পেলাম। অতঃপর আমি সে কূপ থেকে আল্লাহ্র ইচ্ছায় পানি উঠালাম। তারপর আবূ কুহাফার পুত্র (আবূ বক্র) তা নিলেন এবং তিনি এক বা দু' বালতি উঠালেন। তার উঠানোতে দুর্বলতা ছিল। আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন। তারপর 'উমার তা নিলেন। তখন তা বিরাট একটি বালতিতে রূপ ধারণ করল। আমি লোকের মধ্যে কোন বাহাদুরকে তার মত পানি তুলতে আর দেখিনি। এমনকি লোকেরা কূপের চারপাশ একেবারে ভিজিয়ে ফেলল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬৭)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একবার আমি ঘুমিয়ে ছিলাম এমন অবস্থায় আমাকে একটি কূপের কাছে দেখতে পেলাম। অতঃপর আমি সে কূপ থেকে আল্লাহ্র ইচ্ছায় পানি উঠালাম। তারপর আবূ কুহাফার পুত্র (আবূ বক্র) তা নিলেন এবং তিনি এক বা দু' বালতি উঠালেন। তার উঠানোতে দুর্বলতা ছিল। আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন। তারপর 'উমার তা নিলেন। তখন তা বিরাট একটি বালতিতে রূপ ধারণ করল। আমি লোকের মধ্যে কোন বাহাদুরকে তার মত পানি তুলতে আর দেখিনি। এমনকি লোকেরা কূপের চারপাশ একেবারে ভিজিয়ে ফেলল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬৭)
يسرة بن صفوان بن جميل اللخمي حدثنا إبراهيم بن سعد عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بينا أنا نائم رأيتني على قليب فنزعت ما شاء الله أن أنزع ثم أخذها ابن أبي قحافة فنزع ذنوبا أو ذنوبين وفي نزعه ضعف والله يغفر له ثم أخذها عمر فاستحالت غربا فلم أر عبقريا من الناس يفري فريه حتى ضرب الناس حوله بعطن
সহিহ বুখারী ৭৪৭৬
محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة عن بريد عن أبي بردة عن أبي موسى قال كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا أتاه السائل وربما قال جاءه السائل أو صاحب الحاجة قال اشفعوا فلتؤجروا ويقضي الله على لسان رسوله ما شاء
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর অভ্যাস ছিল, তাঁর কাছে কোন যাচ্ঞাকারী কিংবা অভাবী লোক এলে তিনি সাহাবীদের বলতেন, তোমরা তার জন্য সুপারিশ কর, এর প্রতিদান পাবে। আর আল্লাহ্ তাঁর রাসূলের মুখ দিয়ে তাই প্রকাশ করেন, যা তিনি চান। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬৮)
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর অভ্যাস ছিল, তাঁর কাছে কোন যাচ্ঞাকারী কিংবা অভাবী লোক এলে তিনি সাহাবীদের বলতেন, তোমরা তার জন্য সুপারিশ কর, এর প্রতিদান পাবে। আর আল্লাহ্ তাঁর রাসূলের মুখ দিয়ে তাই প্রকাশ করেন, যা তিনি চান। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬৮)
محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة عن بريد عن أبي بردة عن أبي موسى قال كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا أتاه السائل وربما قال جاءه السائل أو صاحب الحاجة قال اشفعوا فلتؤجروا ويقضي الله على لسان رسوله ما شاء
সহিহ বুখারী ৭৪৭৭
يحيى حدثنا عبد الرزاق عن معمر عن همام سمع أبا هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا يقل أحدكم اللهم اغفر لي إن شئت ارحمني إن شئت ارزقني إن شئت وليعزم مسألته إنه يفعل ما يشاء لا مكره له
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের কেউ এভাবে দু’আ করো না, হে আল্লাহ্! তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করে দাও। তুমি চাইলে আমার প্রতি রহম কর। তুমি চাইলে আমাকে রিয্ক দাও। বরং দু’আ প্রার্থী খুবই দৃঢ়তার সঙ্গে দু’আ করবে কেননা, তিনি যা চান তাই করেন। তাকে বাধ্য করার কেউ নেই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬৯)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের কেউ এভাবে দু’আ করো না, হে আল্লাহ্! তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করে দাও। তুমি চাইলে আমার প্রতি রহম কর। তুমি চাইলে আমাকে রিয্ক দাও। বরং দু’আ প্রার্থী খুবই দৃঢ়তার সঙ্গে দু’আ করবে কেননা, তিনি যা চান তাই করেন। তাকে বাধ্য করার কেউ নেই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬৯)
يحيى حدثنا عبد الرزاق عن معمر عن همام سمع أبا هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا يقل أحدكم اللهم اغفر لي إن شئت ارحمني إن شئت ارزقني إن شئت وليعزم مسألته إنه يفعل ما يشاء لا مكره له
সহিহ বুখারী ৭৪৭৮
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا أبو حفص، عمرو حدثنا الأوزاعي، حدثني ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ أنه تمارى هو والحر بن قيس بن حصن الفزاري في صاحب موسى أهو خضر، فمر بهما أبى بن كعب الأنصاري، فدعاه ابن عباس فقال إني تماريت أنا وصاحبي هذا في صاحب موسى الذي سأل السبيل إلى لقيه، هل سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكر شأنه قال نعم إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " بينا موسى في ملإ بني إسرائيل إذ جاءه رجل فقال هل تعلم أحدا أعلم منك فقال موسى لا. فأوحي إلى موسى بلى عبدنا خضر. فسأل موسى السبيل إلى لقيه، فجعل الله له الحوت آية وقيل له إذا فقدت الحوت فارجع فإنك ستلقاه. فكان موسى يتبع أثر الحوت في البحر فقال فتى موسى لموسى أرأيت إذ أوينا إلى الصخرة فإني نسيت الحوت وما أنسانيه إلا الشيطان أن أذكره، قال موسى ذلك ما كنا نبغي، فارتدا على آثارهما قصصا فوجدا خضرا، وكان من شأنهما ما قص الله ".
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি এবং হুর ইব্নু কায়স ইব্নু হিস্ন ফাযারী (রাঃ) মূসা (আঃ) -এর সঙ্গীর ব্যাপারে দ্বিমত করছিলেন যে, তিনি কি খাযির ছিলেন? এমন সময় তাদের পাশ দিয়ে উবায় ইব্নু কা’ব আনসারী (রাঃ) যাচ্ছিলেন। ‘আব্দুল্লাহ্ ইব্নু ‘আব্বাস(রাঃ) তাঁকে ডেকে বললেন, আমি এবং আমার এ বন্ধু মূসা (আঃ) -এর সঙ্গী সম্পর্কে বিতর্ক করেছি মূসা (আঃ) যার সঙ্গে সাক্ষাতের পথের সন্ধান চেয়েছিলেন। আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে তাঁর সম্পর্কে কিছু বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। অবশ্যই আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে তার ব্যাপারে উল্লেখ করে বলতে শুনেছি যে, এক সময় মূসা (আঃ) বানী ইসরাঈলের একদল লোকের মাঝে ছিলেন। এমন সময় এক লোক তাঁর কাছে এসে জিজ্ঞেস করলো, মূসা! আপনি কি জানেন, আপনার চেয়ে বেশি জ্ঞানী কেউ আছেন? মূসা (আঃ) বললেন, না। তারপর মূসা (আঃ) -এর কাছে ওয়াহী নাযিল হল যে, হ্যাঁ আছেন, আমার বান্দা খাযির। তখন মূসা (আঃ)তাঁর সঙ্গে দেখা করার পথ সম্পর্কে জানতে চাইলেন। সুতরাং আল্লাহ্ সেজন্য একটি মাছকে নির্দেশ হিসেবে ঠিক করলেন এবং তাকে বলা হল, মাছটিকে যখন হারিয়ে ফেলবে, তখন সেদিকে ফিরে যাবে, তবে তুমি তাঁর দেখা পাবে। এরই প্রেক্ষাপটে মূসা (আঃ) সাগরে মাছের চিহ্ন ধরে খোঁজ করতে থাকলে মূসার সঙ্গীটি বলল, ‘আপনি কি লক্ষ্য করেছেন, আমরা যখন শিলাখণ্ডে (বসে) ছিলাম তখন আমি মাছের কথা ভুলে গিয়েছিলাম। সেটার কথা আপনাকে বলতে শয়তানই আমাকে ভুলিয়ে দিয়েছিল- (সুরাহ কাহাফ ১৮/৬৩)। মূসা বলল, ‘এটাই তো সে জায়গা যেটা আমরা খুঁজছি।’ কাজেই তারা তাদের পায়ের চিহ্ন ধরে ফিরে গেল। তখন তারা পেল- (সুরাহ কাহাফ ১৮/৬৪-৬৫)। তাদের এ দু’জনের ঘটনা যা ঘটেছিল, আল্লাহ্ তারই বর্ণনা দিয়েছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭০)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি এবং হুর ইব্নু কায়স ইব্নু হিস্ন ফাযারী (রাঃ) মূসা (আঃ) -এর সঙ্গীর ব্যাপারে দ্বিমত করছিলেন যে, তিনি কি খাযির ছিলেন? এমন সময় তাদের পাশ দিয়ে উবায় ইব্নু কা’ব আনসারী (রাঃ) যাচ্ছিলেন। ‘আব্দুল্লাহ্ ইব্নু ‘আব্বাস(রাঃ) তাঁকে ডেকে বললেন, আমি এবং আমার এ বন্ধু মূসা (আঃ) -এর সঙ্গী সম্পর্কে বিতর্ক করেছি মূসা (আঃ) যার সঙ্গে সাক্ষাতের পথের সন্ধান চেয়েছিলেন। আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে তাঁর সম্পর্কে কিছু বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। অবশ্যই আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে তার ব্যাপারে উল্লেখ করে বলতে শুনেছি যে, এক সময় মূসা (আঃ) বানী ইসরাঈলের একদল লোকের মাঝে ছিলেন। এমন সময় এক লোক তাঁর কাছে এসে জিজ্ঞেস করলো, মূসা! আপনি কি জানেন, আপনার চেয়ে বেশি জ্ঞানী কেউ আছেন? মূসা (আঃ) বললেন, না। তারপর মূসা (আঃ) -এর কাছে ওয়াহী নাযিল হল যে, হ্যাঁ আছেন, আমার বান্দা খাযির। তখন মূসা (আঃ)তাঁর সঙ্গে দেখা করার পথ সম্পর্কে জানতে চাইলেন। সুতরাং আল্লাহ্ সেজন্য একটি মাছকে নির্দেশ হিসেবে ঠিক করলেন এবং তাকে বলা হল, মাছটিকে যখন হারিয়ে ফেলবে, তখন সেদিকে ফিরে যাবে, তবে তুমি তাঁর দেখা পাবে। এরই প্রেক্ষাপটে মূসা (আঃ) সাগরে মাছের চিহ্ন ধরে খোঁজ করতে থাকলে মূসার সঙ্গীটি বলল, ‘আপনি কি লক্ষ্য করেছেন, আমরা যখন শিলাখণ্ডে (বসে) ছিলাম তখন আমি মাছের কথা ভুলে গিয়েছিলাম। সেটার কথা আপনাকে বলতে শয়তানই আমাকে ভুলিয়ে দিয়েছিল- (সুরাহ কাহাফ ১৮/৬৩)। মূসা বলল, ‘এটাই তো সে জায়গা যেটা আমরা খুঁজছি।’ কাজেই তারা তাদের পায়ের চিহ্ন ধরে ফিরে গেল। তখন তারা পেল- (সুরাহ কাহাফ ১৮/৬৪-৬৫)। তাদের এ দু’জনের ঘটনা যা ঘটেছিল, আল্লাহ্ তারই বর্ণনা দিয়েছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭০)
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا أبو حفص، عمرو حدثنا الأوزاعي، حدثني ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ أنه تمارى هو والحر بن قيس بن حصن الفزاري في صاحب موسى أهو خضر، فمر بهما أبى بن كعب الأنصاري، فدعاه ابن عباس فقال إني تماريت أنا وصاحبي هذا في صاحب موسى الذي سأل السبيل إلى لقيه، هل سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكر شأنه قال نعم إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " بينا موسى في ملإ بني إسرائيل إذ جاءه رجل فقال هل تعلم أحدا أعلم منك فقال موسى لا. فأوحي إلى موسى بلى عبدنا خضر. فسأل موسى السبيل إلى لقيه، فجعل الله له الحوت آية وقيل له إذا فقدت الحوت فارجع فإنك ستلقاه. فكان موسى يتبع أثر الحوت في البحر فقال فتى موسى لموسى أرأيت إذ أوينا إلى الصخرة فإني نسيت الحوت وما أنسانيه إلا الشيطان أن أذكره، قال موسى ذلك ما كنا نبغي، فارتدا على آثارهما قصصا فوجدا خضرا، وكان من شأنهما ما قص الله ".
সহিহ বুখারী ৭৪৭৯
أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري وقال أحمد بن صالح حدثنا ابن وهب أخبرني يونس عن ابن شهاب عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن أبي هريرة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ننزل غدا إن شاء الله بخيف بني كنانة حيث تقاسموا على الكفر يريد المحصب
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আমারা আগামীকল্য বানী কিনানা উপত্যকায় অবস্থান করব ইন্শা-আল্লাহ্, যেখানে কাফিররা কুফরির উপর দৃঢ় থাকার শপথ নিয়েছিল। তিনি (এ কথার দ্বারা) মুহাস্সাবকে উদ্দেশ্য করছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭১)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আমারা আগামীকল্য বানী কিনানা উপত্যকায় অবস্থান করব ইন্শা-আল্লাহ্, যেখানে কাফিররা কুফরির উপর দৃঢ় থাকার শপথ নিয়েছিল। তিনি (এ কথার দ্বারা) মুহাস্সাবকে উদ্দেশ্য করছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭১)
أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري وقال أحمد بن صالح حدثنا ابن وهب أخبرني يونس عن ابن شهاب عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن أبي هريرة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ننزل غدا إن شاء الله بخيف بني كنانة حيث تقاسموا على الكفر يريد المحصب
সহিহ বুখারী ৭৪৮০
عبد الله بن محمد حدثنا ابن عيينة عن عمرو عن أبي العباس عن عبد الله بن عمر قال حاصر النبي صلى الله عليه وسلم أهل الطائف فلم يفتحها فقال إنا قافلون غدا إن شاء الله فقال المسلمون نقفل ولم نفتح قال فاغدوا على القتال فغدوا فأصابتهم جراحات قال النبي صلى الله عليه وسلم إنا قافلون غدا إن شاء الله فكأن ذلك أعجبهم فتبسم رسول الله صلى الله عليه وسلم
আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তায়েফবাসীদেরকে অবরোধ করলেন। তবে তা জয় করতে পারলেন না। তখন তিনি বললেনঃআমরা ইন্শা-আল্লাহ্ ফিরে যাব। মুসলিমগণ বলে উঠল, “আমরা ফিরে যাবো? কিন্তু জয় তো হলো না।” নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃআগামীকাল সকালে লড়াই কর। পরদিন তারা লড়াই করল। অনেক লোক আহত হল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবার বললেনঃআমরা ইন্শা আল্লাহ্ আগামীকাল সকালে ফিরে যাব। এবার কথাটি যেন মুসলিমদেরকে আনন্দ দিল। ফলে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুচকি হাসলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭২)
আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তায়েফবাসীদেরকে অবরোধ করলেন। তবে তা জয় করতে পারলেন না। তখন তিনি বললেনঃআমরা ইন্শা-আল্লাহ্ ফিরে যাব। মুসলিমগণ বলে উঠল, “আমরা ফিরে যাবো? কিন্তু জয় তো হলো না।” নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃআগামীকাল সকালে লড়াই কর। পরদিন তারা লড়াই করল। অনেক লোক আহত হল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবার বললেনঃআমরা ইন্শা আল্লাহ্ আগামীকাল সকালে ফিরে যাব। এবার কথাটি যেন মুসলিমদেরকে আনন্দ দিল। ফলে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুচকি হাসলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭২)
عبد الله بن محمد حدثنا ابن عيينة عن عمرو عن أبي العباس عن عبد الله بن عمر قال حاصر النبي صلى الله عليه وسلم أهل الطائف فلم يفتحها فقال إنا قافلون غدا إن شاء الله فقال المسلمون نقفل ولم نفتح قال فاغدوا على القتال فغدوا فأصابتهم جراحات قال النبي صلى الله عليه وسلم إنا قافلون غدا إن شاء الله فكأن ذلك أعجبهم فتبسم رسول الله صلى الله عليه وسلم
সহিহ বুখারী > আল্লাহ্র বাণী :
সহিহ বুখারী ৭৪৮২
يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن عن أبي هريرة أنه كان يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما أذن الله لشيء ما أذن للنبي صلى الله عليه وسلم يتغنى بالقرآن وقال صاحب له يريد أن يجهر به
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তাঁর কোন এক নাবী থেকে (মধুর সুরে) যেভাবে কুরআন শুনেছেন, সেভাবে আর কিছুই তিনি শোনেননি। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-এর এক সঙ্গী বলেছেন,يَتَغَنَّى بِالْقُرْآنِ -এর অর্থ আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) উচ্চৈঃস্বরে কুরআন পড়া বোঝাতেন। [৫০২৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৪)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তাঁর কোন এক নাবী থেকে (মধুর সুরে) যেভাবে কুরআন শুনেছেন, সেভাবে আর কিছুই তিনি শোনেননি। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-এর এক সঙ্গী বলেছেন,يَتَغَنَّى بِالْقُرْآنِ -এর অর্থ আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) উচ্চৈঃস্বরে কুরআন পড়া বোঝাতেন। [৫০২৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৪)
يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن عن أبي هريرة أنه كان يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما أذن الله لشيء ما أذن للنبي صلى الله عليه وسلم يتغنى بالقرآن وقال صاحب له يريد أن يجهر به
সহিহ বুখারী ৭৪৮৩
عمر بن حفص بن غياث حدثنا أبي حدثنا الأعمش حدثنا أبو صالح عن أبي سعيد الخدري قال قال النبي صلى الله عليه وسلم يقول الله يا آدم فيقول لبيك وسعديك فينادى بصوت إن الله يأمرك أن تخرج من ذريتك بعثا إلى النار
আবূ সা‘ঈদ খুদরি (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা আদামকে বলবেন, হে আদাম ! আদাম (আঃ) জবাবে বলবেন, হে আল্লাহ্! তোমাদের নিকটে আমি হাযির, তোমার প্রতি আমি বহু ধন্যবাদ জানাচ্ছি। অতঃপর আল্লাহ্ তাকে এ শব্দে ডাকবেন, আল্লাহ্ তোমাকে নির্দেশ করেছেন, তোমার সন্তানদের মধ্য থেকে জাহান্নামে পাঠানোর জন্য একটি দলকে তুমি বের কর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৫)
আবূ সা‘ঈদ খুদরি (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা আদামকে বলবেন, হে আদাম ! আদাম (আঃ) জবাবে বলবেন, হে আল্লাহ্! তোমাদের নিকটে আমি হাযির, তোমার প্রতি আমি বহু ধন্যবাদ জানাচ্ছি। অতঃপর আল্লাহ্ তাকে এ শব্দে ডাকবেন, আল্লাহ্ তোমাকে নির্দেশ করেছেন, তোমার সন্তানদের মধ্য থেকে জাহান্নামে পাঠানোর জন্য একটি দলকে তুমি বের কর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৫)
عمر بن حفص بن غياث حدثنا أبي حدثنا الأعمش حدثنا أبو صالح عن أبي سعيد الخدري قال قال النبي صلى الله عليه وسلم يقول الله يا آدم فيقول لبيك وسعديك فينادى بصوت إن الله يأمرك أن تخرج من ذريتك بعثا إلى النار
সহিহ বুখারী ৭৪৮৪
عبيد بن إسماعيل حدثنا أبو أسامة عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة قالت ما غرت على امرأة ما غرت على خديجة ولقد أمره ربه أن يبشرها ببيت في الجنة
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কোন নারীর ব্যাপারে আমি এত হিংসা করিনি, যতটা খাদিজাহ (রাঃ) –এর ব্যাপারে করেছি। আর তার কারণ এই যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর রব্ব তাঁকে আদেশ দিয়েছেন যে, খাদিজাহ (রাঃ) –কে জান্নাতের একটি ঘরের খোশ খবর পৌঁছে দিন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৬)
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কোন নারীর ব্যাপারে আমি এত হিংসা করিনি, যতটা খাদিজাহ (রাঃ) –এর ব্যাপারে করেছি। আর তার কারণ এই যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর রব্ব তাঁকে আদেশ দিয়েছেন যে, খাদিজাহ (রাঃ) –কে জান্নাতের একটি ঘরের খোশ খবর পৌঁছে দিন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৬)
عبيد بن إسماعيل حدثنا أبو أسامة عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة قالت ما غرت على امرأة ما غرت على خديجة ولقد أمره ربه أن يبشرها ببيت في الجنة
সহিহ বুখারী ৭৪৮১
علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن عمرو عن عكرمة عن أبي هريرة يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا قضى الله الأمر في السماء ضربت الملائكة بأجنحتها خضعانا لقوله كأنه سلسلة على صفوان قال علي وقال غيره صفوان ينفذهم ذلك فإذا فزع عن قلوبهم قالوا ماذا قال ربكم قالوا الحق وهو العلي الكبير قال علي وحدثنا سفيان حدثنا عمرو عن عكرمة عن أبي هريرة بهذا قال سفيان قال عمرو سمعت عكرمة حدثنا أبو هريرة قال علي قلت لسفيان قال سمعت عكرمة قال سمعت أبا هريرة قال نعم قلت لسفيان إن إنسانا روى عن عمرو عن عكرمة عن أبي هريرة يرفعه أنه قرأ فرغ قال سفيان هكذا قرأ عمرو فلا أدري سمعه هكذا أم لا قال سفيان وهي قراءتنا
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা যখন আসমানে কোন নির্দেশ জারি করেন, ফেরেশ্তারা তাঁর নির্দেশের প্রতি বিনয় ও আনুগত্য প্রকাশের জন্য স্বীয় পাখাসমূহ হেলাতে থাকেন। তাদের পাখা হেলানোর শব্দটি যেন পাথরের উপর শিকলের ঝনঝনির ধ্বনি। বর্ণনাকারী বলেন, আলী এ ক্ষেত্রে শব্দটিকে সাফাওয়ান এবং অন্যরা সাফওয়ান পড়েছেন। এরপর ফেরেশ্তাদের অন্তর থেকে যখন ভীতি দূর করা হয় তখন তারা একে অপরকে বলতে থাকে, তোমাদের প্রতিপালক কী হুকুম জারি করেছেন? তাঁরা বলেন, তিনি বলেছেন, সত্য। তিনি মহান ও সর্বোচ্চ। বর্ণনাকারী ‘আলী.....আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে এরকমই বর্ণনা করেছেন। তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম فُزِّعَপড়েছেন। বর্ণনাকারী সুফ্ইয়ান (রহ.) বলেছেন যে, আমর (রহ.)-ও এভাবেই পড়েছেন। তিনি বলছেন, আমার জানা নেই, বর্ণনাকারী এরকম শুনেছেন কি না? তবে আমাদের কিরাআত এরকমই। [৪৭০১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৩)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা যখন আসমানে কোন নির্দেশ জারি করেন, ফেরেশ্তারা তাঁর নির্দেশের প্রতি বিনয় ও আনুগত্য প্রকাশের জন্য স্বীয় পাখাসমূহ হেলাতে থাকেন। তাদের পাখা হেলানোর শব্দটি যেন পাথরের উপর শিকলের ঝনঝনির ধ্বনি। বর্ণনাকারী বলেন, আলী এ ক্ষেত্রে শব্দটিকে সাফাওয়ান এবং অন্যরা সাফওয়ান পড়েছেন। এরপর ফেরেশ্তাদের অন্তর থেকে যখন ভীতি দূর করা হয় তখন তারা একে অপরকে বলতে থাকে, তোমাদের প্রতিপালক কী হুকুম জারি করেছেন? তাঁরা বলেন, তিনি বলেছেন, সত্য। তিনি মহান ও সর্বোচ্চ। বর্ণনাকারী ‘আলী.....আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে এরকমই বর্ণনা করেছেন। তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম فُزِّعَপড়েছেন। বর্ণনাকারী সুফ্ইয়ান (রহ.) বলেছেন যে, আমর (রহ.)-ও এভাবেই পড়েছেন। তিনি বলছেন, আমার জানা নেই, বর্ণনাকারী এরকম শুনেছেন কি না? তবে আমাদের কিরাআত এরকমই। [৪৭০১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৩)
علي بن عبد الله حدثنا سفيان عن عمرو عن عكرمة عن أبي هريرة يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا قضى الله الأمر في السماء ضربت الملائكة بأجنحتها خضعانا لقوله كأنه سلسلة على صفوان قال علي وقال غيره صفوان ينفذهم ذلك فإذا فزع عن قلوبهم قالوا ماذا قال ربكم قالوا الحق وهو العلي الكبير قال علي وحدثنا سفيان حدثنا عمرو عن عكرمة عن أبي هريرة بهذا قال سفيان قال عمرو سمعت عكرمة حدثنا أبو هريرة قال علي قلت لسفيان قال سمعت عكرمة قال سمعت أبا هريرة قال نعم قلت لسفيان إن إنسانا روى عن عمرو عن عكرمة عن أبي هريرة يرفعه أنه قرأ فرغ قال سفيان هكذا قرأ عمرو فلا أدري سمعه هكذا أم لا قال سفيان وهي قراءتنا
সহিহ বুখারী > জিবরাইলের সঙ্গে রবের কথাবার্তা , ফেরেশ্তাদের প্রতি আল্লাহ্র আহ্বান।
সহিহ বুখারী ৭৪৮৫
إسحاق حدثنا عبد الصمد حدثنا عبد الرحمن هو ابن عبد الله بن دينار عن أبيه عن أبي صالح عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله تبارك وتعالى إذا أحب عبدا نادى جبريل إن الله قد أحب فلانا فأحبه فيحبه جبريل ثم ينادي جبريل في السماء إن الله قد أحب فلانا فأحبوه فيحبه أهل السماء ويوضع له القبول في أهل الأرض
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ যখন কোন বান্দাকে ভালবাসেন, তখন তিনি জিব্রীলকে ডেকে বলেন, আল্লাহ্ অমুক বান্দাকে ভালবাসেন, তাই তুমিও তাকে ভালবাস। কাজেই জিব্রীল (আঃ) তাকে ভালবাসেন। অতঃপর জিব্রীল (আঃ) আসমানে এ ঘোষণা করে দেন যে, আল্লাহ্ অমুক বান্দাকে ভালবাসেন, তোমরাও তাকে ভালবাস। তখন তাকে আসমানবাসীরা ভালবাসে এবং পৃথিবীবাসীদের মধ্যেও তাকে গ্রহণীয় করা হয়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৭)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ যখন কোন বান্দাকে ভালবাসেন, তখন তিনি জিব্রীলকে ডেকে বলেন, আল্লাহ্ অমুক বান্দাকে ভালবাসেন, তাই তুমিও তাকে ভালবাস। কাজেই জিব্রীল (আঃ) তাকে ভালবাসেন। অতঃপর জিব্রীল (আঃ) আসমানে এ ঘোষণা করে দেন যে, আল্লাহ্ অমুক বান্দাকে ভালবাসেন, তোমরাও তাকে ভালবাস। তখন তাকে আসমানবাসীরা ভালবাসে এবং পৃথিবীবাসীদের মধ্যেও তাকে গ্রহণীয় করা হয়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৭)
إسحاق حدثنا عبد الصمد حدثنا عبد الرحمن هو ابن عبد الله بن دينار عن أبيه عن أبي صالح عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الله تبارك وتعالى إذا أحب عبدا نادى جبريل إن الله قد أحب فلانا فأحبه فيحبه جبريل ثم ينادي جبريل في السماء إن الله قد أحب فلانا فأحبوه فيحبه أهل السماء ويوضع له القبول في أهل الأرض
সহিহ বুখারী ৭৪৮৬
قتيبة بن سعيد عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يتعاقبون فيكم ملائكة بالليل وملائكة بالنهار ويجتمعون في صلاة العصر وصلاة الفجر ثم يعرج الذين باتوا فيكم فيسألهم وهو أعلم بهم كيف تركتم عبادي فيقولون تركناهم وهم يصلون وأتيناهم وهم يصلون
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের মধ্যে ফেরেশ্তাগণ আসেন, একদল রাতে আর একদল দিনে। তাঁরা আবার একত্রিত হন ‘আসরের সলাতে ও ফজরের সলাতে। তারপর তোমাদের মাঝে যাঁরা রাতে ছিলেন তাঁরা উপরের জগতে চলে যান। তখন আল্লাহ্ তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, অথচ তিনি সবচেয়ে অধিক জানেন, তোমরা আমার বান্দাদেরকে কী অবস্থায় রেখে এসেছ? তখন তাঁরা বলেন, আমরা তাদেরকে সালাতরত অবস্থায় ছেড়ে এসেছি আর যখন আমরা তাদের কাছে গিয়েছিলাম, তখনও তারা সলাতের হালাতেই ছিল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৮)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের মধ্যে ফেরেশ্তাগণ আসেন, একদল রাতে আর একদল দিনে। তাঁরা আবার একত্রিত হন ‘আসরের সলাতে ও ফজরের সলাতে। তারপর তোমাদের মাঝে যাঁরা রাতে ছিলেন তাঁরা উপরের জগতে চলে যান। তখন আল্লাহ্ তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, অথচ তিনি সবচেয়ে অধিক জানেন, তোমরা আমার বান্দাদেরকে কী অবস্থায় রেখে এসেছ? তখন তাঁরা বলেন, আমরা তাদেরকে সালাতরত অবস্থায় ছেড়ে এসেছি আর যখন আমরা তাদের কাছে গিয়েছিলাম, তখনও তারা সলাতের হালাতেই ছিল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৮)
قتيبة بن سعيد عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يتعاقبون فيكم ملائكة بالليل وملائكة بالنهار ويجتمعون في صلاة العصر وصلاة الفجر ثم يعرج الذين باتوا فيكم فيسألهم وهو أعلم بهم كيف تركتم عبادي فيقولون تركناهم وهم يصلون وأتيناهم وهم يصلون
সহিহ বুখারী ৭৪৮৭
محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن واصل عن المعرور قال سمعت أبا ذر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال أتاني جبريل فبشرني أنه من مات لا يشرك بالله شيئا دخل الجنة قلت وإن سرق وإن زنى قال وإن سرق وإن زنى
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার কাছে জিব্রীল (আঃ) এসে এ খোশখবর দিল যে, আল্লাহ্র সঙ্গে শরীক না করে কেউ মারা গেলে, তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমি বললাম, যদি সে চুরি ও যিনা করে তবুও কি! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদিও সে চুরি করে ও যিনা করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৯)
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার কাছে জিব্রীল (আঃ) এসে এ খোশখবর দিল যে, আল্লাহ্র সঙ্গে শরীক না করে কেউ মারা গেলে, তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমি বললাম, যদি সে চুরি ও যিনা করে তবুও কি! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদিও সে চুরি করে ও যিনা করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭৯)
محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن واصل عن المعرور قال سمعت أبا ذر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال أتاني جبريل فبشرني أنه من مات لا يشرك بالله شيئا دخل الجنة قلت وإن سرق وإن زنى قال وإن سرق وإن زنى