সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌র বাণীঃ যাকে আমি নিজ হাতে সৃষ্টি করেছি। [২১১] (সূরা সোয়াদ ৩৮/৭৫)

সহিহ বুখারী ৭৪১৩

وقال عمر بن حمزة سمعت سالما سمعت ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا وقال أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري أخبرني أبو سلمة أن أبا هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبض الله الأرض

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ যমীনকে তাঁর মুঠোয় নিয়ে নেবেন। (আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯০৮)

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ যমীনকে তাঁর মুঠোয় নিয়ে নেবেন। (আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯০৮)

وقال عمر بن حمزة سمعت سالما سمعت ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا وقال أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري أخبرني أبو سلمة أن أبا هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبض الله الأرض


সহিহ বুখারী ৭৪১১

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، حدثنا أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ يد الله ملأى لا يغيضها نفقة، سحاء الليل والنهار ـ وقال ـ أرأيتم ما أنفق منذ خلق السموات والأرض، فإنه لم يغض ما في يده ـ وقال ـ عرشه على الماء وبيده الأخرى الميزان يخفض ويرفع ‏"‏‏.‏

আবু হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবু হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্‌র হাত পূর্ণ, রাতদিন খরচ করলেও তাতে কমতি আসে না। তিনি আরো বলেছেনঃ তোমরা কি দেখেছ? আসমান যমীন সৃষ্টি করার পর থেকে তিনি যে কত খরচ করেছেন, তা সত্ত্বেও তাঁর হাতে যা আছে, তাতে এতটুকু কমেনি। এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তখন তাঁর আরশ পানির উপর ছিল। তাঁর অন্য হাতে আছে দাঁড়িপাল্লা, যা কখনও তিনি নিচে নামান আবার কখনও উপরে উঠান। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯০৭)

আবু হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবু হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্‌র হাত পূর্ণ, রাতদিন খরচ করলেও তাতে কমতি আসে না। তিনি আরো বলেছেনঃ তোমরা কি দেখেছ? আসমান যমীন সৃষ্টি করার পর থেকে তিনি যে কত খরচ করেছেন, তা সত্ত্বেও তাঁর হাতে যা আছে, তাতে এতটুকু কমেনি। এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তখন তাঁর আরশ পানির উপর ছিল। তাঁর অন্য হাতে আছে দাঁড়িপাল্লা, যা কখনও তিনি নিচে নামান আবার কখনও উপরে উঠান। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯০৭)

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، حدثنا أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ يد الله ملأى لا يغيضها نفقة، سحاء الليل والنهار ـ وقال ـ أرأيتم ما أنفق منذ خلق السموات والأرض، فإنه لم يغض ما في يده ـ وقال ـ عرشه على الماء وبيده الأخرى الميزان يخفض ويرفع ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৭৪১২

مقدم بن محمد بن يحيى قال حدثني عمي القاسم بن يحيى عن عبيد الله عن نافع عن ابن عمر عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال إن الله يقبض يوم القيامة الأرض وتكون السمٰوات بيمينه ثم يقول أنا الملك رواه سعيد عن مالك

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ্ ক্বিয়ামাতের দিন পৃথিবীটা তাঁর মুঠোতে নিয়ে নেবেন। আসমানকে তাঁর ডান হাতে গুটিয়ে নিয়ে বলবেন; বাদশাহ্ একমাত্র আমিই। সা’ঈদ (রহঃ) মালিক (রহঃ) থেকে এ রকমই বর্ণনা করেছেন। ‘উমার ইব্‌নু হামযাহ (রহঃ) সালিম (রহঃ) -এর মাধ্যমে ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এরকম বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯০৮)

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ্ ক্বিয়ামাতের দিন পৃথিবীটা তাঁর মুঠোতে নিয়ে নেবেন। আসমানকে তাঁর ডান হাতে গুটিয়ে নিয়ে বলবেন; বাদশাহ্ একমাত্র আমিই। সা’ঈদ (রহঃ) মালিক (রহঃ) থেকে এ রকমই বর্ণনা করেছেন। ‘উমার ইব্‌নু হামযাহ (রহঃ) সালিম (রহঃ) -এর মাধ্যমে ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এরকম বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯০৮)

مقدم بن محمد بن يحيى قال حدثني عمي القاسم بن يحيى عن عبيد الله عن نافع عن ابن عمر عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال إن الله يقبض يوم القيامة الأرض وتكون السمٰوات بيمينه ثم يقول أنا الملك رواه سعيد عن مالك


সহিহ বুখারী ৭৪১০

حدثني معاذ بن فضالة، حدثنا هشام، عن قتادة، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ يجمع الله المؤمنين يوم القيامة كذلك فيقولون لو استشفعنا إلى ربنا حتى يريحنا من مكاننا هذا‏.‏ فيأتون آدم فيقولون يا آدم أما ترى الناس خلقك الله بيده وأسجد لك ملائكته وعلمك أسماء كل شىء، شفع لنا إلى ربنا حتى يريحنا من مكاننا هذا‏.‏ فيقول لست هناك ـ ويذكر لهم خطيئته التي أصاب ـ ولكن ائتوا نوحا، فإنه أول رسول بعثه الله إلى أهل الأرض‏.‏ فيأتون نوحا فيقول لست هناكم ـ ويذكر خطيئته التي أصاب ـ ولكن ائتوا إبراهيم خليل الرحمن‏.‏ فيأتون إبراهيم فيقول لست هناكم ـ ويذكر لهم خطاياه التي أصابها ـ ولكن ائتوا موسى عبدا أتاه الله التوراة وكلمه تكليما ـ فيأتون موسى فيقول لست هناكم ـ ويذكر لهم خطيئته التي أصاب ـ ولكن ائتوا عيسى عبد الله ورسوله وكلمته وروحه‏.‏ فيأتون عيسى فيقول لست هناكم ولكن ائتوا محمدا صلى الله عليه وسلم عبدا غفر له ما تقدم من ذنبه وما تأخر‏.‏ فيأتوني فأنطلق فأستأذن على ربي فيؤذن لي عليه، فإذا رأيت ربي وقعت له ساجدا فيدعني ما شاء الله أن يدعني ثم يقال لي ارفع محمد، وقل يسمع، وسل تعطه، واشفع تشفع‏.‏ فأحمد ربي بمحامد علمنيها، ثم أشفع فيحد لي حدا فأدخلهم الجنة، ثم أرجع فإذا رأيت ربي وقعت ساجدا، فيدعني ما شاء الله أن يدعني ثم يقال ارفع محمد، وقل يسمع، وسل تعطه، واشفع تشفع، فأحمد ربي بمحامد علمنيها ربي ثم أشفع فيحد لي حدا فأدخلهم الجنة، ثم أرجع فإذا رأيت ربي وقعت ساجدا، فيدعني ما شاء الله أن يدعني ثم يقال ارفع محمد، قل يسمع، وسل تعطه، واشفع تشفع، فأحمد ربي بمحامد علمنيها، ثم أشفع فيحد لي حدا فأدخلهم الجنة، ثم أرجع فأقول يا رب ما بقي في النار إلا من حبسه القرآن ووجب عليه الخلود ‏"‏‏.‏ قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يخرج من النار من قال لا إله إلا الله‏.‏ وكان في قلبه من الخير ما يزن شعيرة، ثم يخرج من النار من قال لا إله إلا الله‏.‏ وكان في قلبه من الخير ما يزن برة، ثم يخرج من النار من قال لا إله إلا الله‏.‏ وكان في قلبه ما يزن من الخير ذرة ‏"‏‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ্ তা’আলা ঈমানদারদেরকে একত্রিত করবেন, তখন তারা বলবে, আমরা আমাদের প্রতিপালকের কাছে কোন সুপারিশ যদি নিয়ে যেতাম তাহলে তিনি আমাদেরকে এ স্থান থেকে বের করে শান্তি প্রদান করতেন। এরপর তারা আদাম (আঃ) -এর কাছে গিয়ে বলবে, হে আদাম (আঃ)! আপনি কি মানুষের অবস্থা দেখছেন না? অথচ আল্লাহ্ আপনাকে নিজ হাতে সৃষ্টি করেছেন। আপনাকে তিনি তাঁর ফেরেশ্‌তাগণ দিয়ে সাজদাহ্‌ করিয়েছেন। আর আপনাকে সব জিনিসের নাম শিখিয়েছেন। কাজেই আপনি আমাদের রব্বের কাছে সুপারিশ করুন, যেন এ স্থান থেকে আমাদেরকে তিনি স্বস্তি দেন। আদাম (আঃ) তখন বলবেন, এ কাজের জন্য আমি উপযুক্ত নই। এবং আদাম (আঃ) তাদের কাছে নিজের ভুলের কথা স্মরণ করবেন এবং বলবেন, তোমরা বরং নূহ (আঃ) -এর কাছে যাও। যেহেতু তিনিই আল্লাহ্‌র প্রথম রসূল। যাঁকে তিনি যমীনবাসীর কাছে পাঠিয়েছিলেন। তারা নূহ (আঃ) -এর কাছে আসবে। তিনিও বলবেন, আমি তোমাদের এ কাজের উপযুক্ত নই। তিনি তাঁর কৃত ভুলের কথা মনে করে বলবেন, তোমরা বরং আল্লাহ্‌র খলীল ইব্‌রাহীম (আঃ) -এর কাছে যাও। তখন তারা ইব্‌রাহীম (আঃ) -এর কাছে আসবে। তিনিও তাদের কাছে স্বীয় ভুলের কথা উল্লেখ করে বলবেন, আমি তোমাদের এ কাজের উপযুক্ত নই। তোমরা বরং মূসা (আঃ) -এর কাছে যাও। তিনি এমন এক বান্দা যাঁকে আল্লাহ্ তাওরাত দিয়েছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে তিনি সরাসরি কথা বলেছিলেন। তারা তখন মূসা (আঃ) -এর কাছে আসবে। মূসা (আঃ) -ও বলবেন, আমি তোমাদের এ কাজের যোগ্য নই। তাদের কাছে তিনি নিজের ভুলের কথা উল্লেখ করে বলবেন, তোমরা বরং ‘ঈসা (আঃ) -এর কাছে যাও। যিনি আল্লাহ্‌র বান্দা, তাঁর রসূল, কালেমা ও রূহ। তখন তারা ‘ঈসা (আঃ) -এর কাছে আসবে। তখন ‘ঈসা (আঃ) বলবেন, আমি তোমাদের এ কাজের উপযুক্ত নই। তোমরা বরং মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে যাও। তিনি এমন এক বান্দা, যাঁর আগের ও পরের সব গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়েছে। তারা সবাই আমার কাছে আসবে। আমি তখন আমার রব্বের কাছে অনুমতি চাইব। আমাকে এর অনুমতি দেয়া হবে। আমি আমার রব্বকে যখন দেখতে পাব, তখনই আমি তাঁর সামনে সাজদায় পড়বো। আল্লাহ্ তাঁর মরজী অনুসারে যতক্ষণ আমাকে সেভাবে রাখার রেখে দেবেন। তারপর আমাকে বলা হবে, হে মুহাম্মদ! মাথা উঠান। বলুন, শোনা হবে। চান, দেয়া হবে। সুপারিশ করুন, গ্রহণ করা হবে। তখন আমার রব্বের শিখিয়ে দেয়া প্রশংসার দ্বারা আমি তাঁর প্রশংসা করব। তারপর আমি শাফা’আত করব। আমার জন্য একটা সীমা নির্দিষ্ট করে দেয়া হবে। এরপর আমি তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেব। তারপর আমি ফিরে আসব। যখন আমি আমার প্রতিপালককে দেখতে পাব তখন তাঁর জন্য সেজদায় পড়ে যাব। আল্লাহ্‌র মরজী মোতাবেক যতক্ষণ আমাকে এভাবে রাখতে চাইবেন রেখে দেবেন। তারপর আমাকে বলা হবে, হে মুহাম্মদ! মাথা উঠান। বলুন, শোনা হবে। চান, দেয়া হবে। সুপারিশ করুন, গ্রহণ করা হবে। তখন আমার রব্বের শিখিয়ে দেয়া প্রশংসার দ্বারা আমি তাঁর প্রশংসা করব এবং সুপারিশ করব। তখনো আমার জন্য একটা সীমা নির্দিষ্ট করা হবে। আমি তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেব। তারপর আমি আবার ফিরে আসব। আমি এবারও আমার প্রতিপালককে দেখামাত্র সাজদাহ্‌য় পড়ে যাব। আল্লাহ্‌ তা’আলা তাঁর মরজী মোতাবেক যতক্ষণ ইচ্ছা আমাকে ঐ অবস্থায় রাখবেন। তারপর বলা হবে, হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠান। বলুন, শোনা হবে। চান, দেয়া হবে। সুপারিশ করুন, কবুল করা হবে। তখন আমার রব্বের শেখানো প্রশংশার দ্বারা প্রশংসা করে শাফাআত করব। তখনও আমার জন্য একটা সীমা নির্দিষ্ট করা থাকবে। আমি তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেব। অতঃপর আমি তাঁর কাছে ফিরে গিয়ে বলব, হে আমার রব্ব! এখন একমাত্র তারাই জাহান্নামে বাকী আছে, যাদেরকে কুরআন আটক করে রেখে দিয়েছে। এবং যাদের উপর স্থায়ীভাবে জাহান্নাম অবধারিত হয়ে গিয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ পড়েছে, আর তার দিলে একটি যবের ওজন পরিমাণ ঈমান আছে, তাকেও জাহান্নাম থেকে বের করা হবে। তারপর বের করা হবে জাহান্নাম থেকে তাদেরকেও, যারা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ পড়েছে এবং তার দিলে একটি গমের ওযন পরিমাণ ঈমান আছে। জাহান্নাম থেকে (সর্বশেষ) তাকে বের করা হবে, যে ব্যক্তি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌’ পড়েছে এবং তার দিলে অণু পরিমাণ মাত্র ঈমান আছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯০৬)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ্ তা’আলা ঈমানদারদেরকে একত্রিত করবেন, তখন তারা বলবে, আমরা আমাদের প্রতিপালকের কাছে কোন সুপারিশ যদি নিয়ে যেতাম তাহলে তিনি আমাদেরকে এ স্থান থেকে বের করে শান্তি প্রদান করতেন। এরপর তারা আদাম (আঃ) -এর কাছে গিয়ে বলবে, হে আদাম (আঃ)! আপনি কি মানুষের অবস্থা দেখছেন না? অথচ আল্লাহ্ আপনাকে নিজ হাতে সৃষ্টি করেছেন। আপনাকে তিনি তাঁর ফেরেশ্‌তাগণ দিয়ে সাজদাহ্‌ করিয়েছেন। আর আপনাকে সব জিনিসের নাম শিখিয়েছেন। কাজেই আপনি আমাদের রব্বের কাছে সুপারিশ করুন, যেন এ স্থান থেকে আমাদেরকে তিনি স্বস্তি দেন। আদাম (আঃ) তখন বলবেন, এ কাজের জন্য আমি উপযুক্ত নই। এবং আদাম (আঃ) তাদের কাছে নিজের ভুলের কথা স্মরণ করবেন এবং বলবেন, তোমরা বরং নূহ (আঃ) -এর কাছে যাও। যেহেতু তিনিই আল্লাহ্‌র প্রথম রসূল। যাঁকে তিনি যমীনবাসীর কাছে পাঠিয়েছিলেন। তারা নূহ (আঃ) -এর কাছে আসবে। তিনিও বলবেন, আমি তোমাদের এ কাজের উপযুক্ত নই। তিনি তাঁর কৃত ভুলের কথা মনে করে বলবেন, তোমরা বরং আল্লাহ্‌র খলীল ইব্‌রাহীম (আঃ) -এর কাছে যাও। তখন তারা ইব্‌রাহীম (আঃ) -এর কাছে আসবে। তিনিও তাদের কাছে স্বীয় ভুলের কথা উল্লেখ করে বলবেন, আমি তোমাদের এ কাজের উপযুক্ত নই। তোমরা বরং মূসা (আঃ) -এর কাছে যাও। তিনি এমন এক বান্দা যাঁকে আল্লাহ্ তাওরাত দিয়েছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে তিনি সরাসরি কথা বলেছিলেন। তারা তখন মূসা (আঃ) -এর কাছে আসবে। মূসা (আঃ) -ও বলবেন, আমি তোমাদের এ কাজের যোগ্য নই। তাদের কাছে তিনি নিজের ভুলের কথা উল্লেখ করে বলবেন, তোমরা বরং ‘ঈসা (আঃ) -এর কাছে যাও। যিনি আল্লাহ্‌র বান্দা, তাঁর রসূল, কালেমা ও রূহ। তখন তারা ‘ঈসা (আঃ) -এর কাছে আসবে। তখন ‘ঈসা (আঃ) বলবেন, আমি তোমাদের এ কাজের উপযুক্ত নই। তোমরা বরং মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে যাও। তিনি এমন এক বান্দা, যাঁর আগের ও পরের সব গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়েছে। তারা সবাই আমার কাছে আসবে। আমি তখন আমার রব্বের কাছে অনুমতি চাইব। আমাকে এর অনুমতি দেয়া হবে। আমি আমার রব্বকে যখন দেখতে পাব, তখনই আমি তাঁর সামনে সাজদায় পড়বো। আল্লাহ্ তাঁর মরজী অনুসারে যতক্ষণ আমাকে সেভাবে রাখার রেখে দেবেন। তারপর আমাকে বলা হবে, হে মুহাম্মদ! মাথা উঠান। বলুন, শোনা হবে। চান, দেয়া হবে। সুপারিশ করুন, গ্রহণ করা হবে। তখন আমার রব্বের শিখিয়ে দেয়া প্রশংসার দ্বারা আমি তাঁর প্রশংসা করব। তারপর আমি শাফা’আত করব। আমার জন্য একটা সীমা নির্দিষ্ট করে দেয়া হবে। এরপর আমি তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেব। তারপর আমি ফিরে আসব। যখন আমি আমার প্রতিপালককে দেখতে পাব তখন তাঁর জন্য সেজদায় পড়ে যাব। আল্লাহ্‌র মরজী মোতাবেক যতক্ষণ আমাকে এভাবে রাখতে চাইবেন রেখে দেবেন। তারপর আমাকে বলা হবে, হে মুহাম্মদ! মাথা উঠান। বলুন, শোনা হবে। চান, দেয়া হবে। সুপারিশ করুন, গ্রহণ করা হবে। তখন আমার রব্বের শিখিয়ে দেয়া প্রশংসার দ্বারা আমি তাঁর প্রশংসা করব এবং সুপারিশ করব। তখনো আমার জন্য একটা সীমা নির্দিষ্ট করা হবে। আমি তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেব। তারপর আমি আবার ফিরে আসব। আমি এবারও আমার প্রতিপালককে দেখামাত্র সাজদাহ্‌য় পড়ে যাব। আল্লাহ্‌ তা’আলা তাঁর মরজী মোতাবেক যতক্ষণ ইচ্ছা আমাকে ঐ অবস্থায় রাখবেন। তারপর বলা হবে, হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠান। বলুন, শোনা হবে। চান, দেয়া হবে। সুপারিশ করুন, কবুল করা হবে। তখন আমার রব্বের শেখানো প্রশংশার দ্বারা প্রশংসা করে শাফাআত করব। তখনও আমার জন্য একটা সীমা নির্দিষ্ট করা থাকবে। আমি তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেব। অতঃপর আমি তাঁর কাছে ফিরে গিয়ে বলব, হে আমার রব্ব! এখন একমাত্র তারাই জাহান্নামে বাকী আছে, যাদেরকে কুরআন আটক করে রেখে দিয়েছে। এবং যাদের উপর স্থায়ীভাবে জাহান্নাম অবধারিত হয়ে গিয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ পড়েছে, আর তার দিলে একটি যবের ওজন পরিমাণ ঈমান আছে, তাকেও জাহান্নাম থেকে বের করা হবে। তারপর বের করা হবে জাহান্নাম থেকে তাদেরকেও, যারা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ পড়েছে এবং তার দিলে একটি গমের ওযন পরিমাণ ঈমান আছে। জাহান্নাম থেকে (সর্বশেষ) তাকে বের করা হবে, যে ব্যক্তি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌’ পড়েছে এবং তার দিলে অণু পরিমাণ মাত্র ঈমান আছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯০৬)

حدثني معاذ بن فضالة، حدثنا هشام، عن قتادة، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ يجمع الله المؤمنين يوم القيامة كذلك فيقولون لو استشفعنا إلى ربنا حتى يريحنا من مكاننا هذا‏.‏ فيأتون آدم فيقولون يا آدم أما ترى الناس خلقك الله بيده وأسجد لك ملائكته وعلمك أسماء كل شىء، شفع لنا إلى ربنا حتى يريحنا من مكاننا هذا‏.‏ فيقول لست هناك ـ ويذكر لهم خطيئته التي أصاب ـ ولكن ائتوا نوحا، فإنه أول رسول بعثه الله إلى أهل الأرض‏.‏ فيأتون نوحا فيقول لست هناكم ـ ويذكر خطيئته التي أصاب ـ ولكن ائتوا إبراهيم خليل الرحمن‏.‏ فيأتون إبراهيم فيقول لست هناكم ـ ويذكر لهم خطاياه التي أصابها ـ ولكن ائتوا موسى عبدا أتاه الله التوراة وكلمه تكليما ـ فيأتون موسى فيقول لست هناكم ـ ويذكر لهم خطيئته التي أصاب ـ ولكن ائتوا عيسى عبد الله ورسوله وكلمته وروحه‏.‏ فيأتون عيسى فيقول لست هناكم ولكن ائتوا محمدا صلى الله عليه وسلم عبدا غفر له ما تقدم من ذنبه وما تأخر‏.‏ فيأتوني فأنطلق فأستأذن على ربي فيؤذن لي عليه، فإذا رأيت ربي وقعت له ساجدا فيدعني ما شاء الله أن يدعني ثم يقال لي ارفع محمد، وقل يسمع، وسل تعطه، واشفع تشفع‏.‏ فأحمد ربي بمحامد علمنيها، ثم أشفع فيحد لي حدا فأدخلهم الجنة، ثم أرجع فإذا رأيت ربي وقعت ساجدا، فيدعني ما شاء الله أن يدعني ثم يقال ارفع محمد، وقل يسمع، وسل تعطه، واشفع تشفع، فأحمد ربي بمحامد علمنيها ربي ثم أشفع فيحد لي حدا فأدخلهم الجنة، ثم أرجع فإذا رأيت ربي وقعت ساجدا، فيدعني ما شاء الله أن يدعني ثم يقال ارفع محمد، قل يسمع، وسل تعطه، واشفع تشفع، فأحمد ربي بمحامد علمنيها، ثم أشفع فيحد لي حدا فأدخلهم الجنة، ثم أرجع فأقول يا رب ما بقي في النار إلا من حبسه القرآن ووجب عليه الخلود ‏"‏‏.‏ قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يخرج من النار من قال لا إله إلا الله‏.‏ وكان في قلبه من الخير ما يزن شعيرة، ثم يخرج من النار من قال لا إله إلا الله‏.‏ وكان في قلبه من الخير ما يزن برة، ثم يخرج من النار من قال لا إله إلا الله‏.‏ وكان في قلبه ما يزن من الخير ذرة ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৭৪১৪

حدثنا مسدد، سمع يحيى بن سعيد، عن سفيان، حدثني منصور، وسليمان، عن إبراهيم، عن عبيدة، عن عبد الله، أن يهوديا، جاء إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا محمد إن الله يمسك السموات على إصبع والأرضين على إصبع، والجبال على إصبع، والشجر على إصبع، والخلائق على إصبع، ثم يقول أنا الملك‏.‏ فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى بدت نواجذه ثم قرأ ‏{‏وما قدروا الله حق قدره‏}‏‏.‏ قال يحيى بن سعيد وزاد فيه فضيل بن عياض عن منصور عن إبراهيم عن عبيدة عن عبد الله فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم تعجبا وتصديقا له‏.‏

আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, এক ইয়াহূদী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে এসে বলল, হে মুহাম্মদ! আল্লাহ্ ক্বিয়ামাতের দিনে আসমানগুলোকে এক আঙ্গুলের ওপর, যমীনগুলোকে এক আঙ্গুলের ওপর, পর্বতগুলোকে এক আঙ্গুলের ওপর, গাছগুলোকে এক আঙ্গুলের ওপর এবং বাকী সৃষ্টিকে এক আঙ্গুলের ওপর তুলে বলবেন, বাদশাহ্ একমাত্র আমিই। এতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেসে দিলেন। এমনকি তাঁর মাড়ির দাঁত পর্যন্ত প্রকাশিত হল। তারপর তিনি তিলাওয়াত করলেনঃ তারা আল্লাহ্ তা’আলার যথোচিত মর্যাদা উপলব্ধি দেয়নি। ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা’ঈদ বলেন, এ বর্ণনায় একটু যোগ করেছেন ফুদায়ল ইব্‌নু আয়ায... আবিদাহ (রহঃ) সূত্রে ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে যে, এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিস্মিত হয়ে তার সমর্থনে হেসে দিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯০৯)

আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, এক ইয়াহূদী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে এসে বলল, হে মুহাম্মদ! আল্লাহ্ ক্বিয়ামাতের দিনে আসমানগুলোকে এক আঙ্গুলের ওপর, যমীনগুলোকে এক আঙ্গুলের ওপর, পর্বতগুলোকে এক আঙ্গুলের ওপর, গাছগুলোকে এক আঙ্গুলের ওপর এবং বাকী সৃষ্টিকে এক আঙ্গুলের ওপর তুলে বলবেন, বাদশাহ্ একমাত্র আমিই। এতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেসে দিলেন। এমনকি তাঁর মাড়ির দাঁত পর্যন্ত প্রকাশিত হল। তারপর তিনি তিলাওয়াত করলেনঃ তারা আল্লাহ্ তা’আলার যথোচিত মর্যাদা উপলব্ধি দেয়নি। ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা’ঈদ বলেন, এ বর্ণনায় একটু যোগ করেছেন ফুদায়ল ইব্‌নু আয়ায... আবিদাহ (রহঃ) সূত্রে ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে যে, এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিস্মিত হয়ে তার সমর্থনে হেসে দিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯০৯)

حدثنا مسدد، سمع يحيى بن سعيد، عن سفيان، حدثني منصور، وسليمان، عن إبراهيم، عن عبيدة، عن عبد الله، أن يهوديا، جاء إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا محمد إن الله يمسك السموات على إصبع والأرضين على إصبع، والجبال على إصبع، والشجر على إصبع، والخلائق على إصبع، ثم يقول أنا الملك‏.‏ فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى بدت نواجذه ثم قرأ ‏{‏وما قدروا الله حق قدره‏}‏‏.‏ قال يحيى بن سعيد وزاد فيه فضيل بن عياض عن منصور عن إبراهيم عن عبيدة عن عبد الله فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم تعجبا وتصديقا له‏.‏


সহিহ বুখারী ৭৪১৫

عمر بن حفص بن غياث حدثنا أبي حدثنا الأعمش سمعت إبراهيم قال سمعت علقمة يقول قال عبد الله جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم من أهل الكتاب فقال يا أبا القاسم إن الله يمسك السموات على إصبع والأرضين على إصبع والشجر والثرى على إصبع والخلائق على إصبع ثم يقول أنا الملك أنا الملك فرأيت النبي صلى الله عليه وسلم ضحك حتى بدت نواجذه ثم قرأ وما قدروا الله حق قدره

আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আহ্‌লে কিতাবদের এক লোক নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এসে বলল, হে আবুল কাসিম! (ক্বিয়ামাতের দিন) আল্লাহ্ আসমানগুলোকে এক আঙ্গুলের ওপর, যমীনগুলোকে এক আঙ্গুলের ওপর, বৃক্ষ ও কাদামাটিকে এক আঙ্গুলের ওপর এবং বাকি সৃষ্টিকে এক আঙ্গুলের ওপর তুলে বলবেন, বাদশাহ্ একমাত্র আমিই, বাদশাহ্ একমাত্র আমিই। বর্ণনাকারী বলেন, আমি দেখতে পেলাম নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেসে ফেললেন। এমনকি তাঁর মাড়ির দাঁতগুলো প্রকাশিত হয়ে পড়ল। তারপর তিনি তিলাওয়াত করলেনঃ আর তারা আল্লাহ্ তা’আলার যথাযোগ্য মর্যাদা উপলব্ধি করতে পারে নি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১০)

আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আহ্‌লে কিতাবদের এক লোক নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এসে বলল, হে আবুল কাসিম! (ক্বিয়ামাতের দিন) আল্লাহ্ আসমানগুলোকে এক আঙ্গুলের ওপর, যমীনগুলোকে এক আঙ্গুলের ওপর, বৃক্ষ ও কাদামাটিকে এক আঙ্গুলের ওপর এবং বাকি সৃষ্টিকে এক আঙ্গুলের ওপর তুলে বলবেন, বাদশাহ্ একমাত্র আমিই, বাদশাহ্ একমাত্র আমিই। বর্ণনাকারী বলেন, আমি দেখতে পেলাম নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেসে ফেললেন। এমনকি তাঁর মাড়ির দাঁতগুলো প্রকাশিত হয়ে পড়ল। তারপর তিনি তিলাওয়াত করলেনঃ আর তারা আল্লাহ্ তা’আলার যথাযোগ্য মর্যাদা উপলব্ধি করতে পারে নি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১০)

عمر بن حفص بن غياث حدثنا أبي حدثنا الأعمش سمعت إبراهيم قال سمعت علقمة يقول قال عبد الله جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم من أهل الكتاب فقال يا أبا القاسم إن الله يمسك السموات على إصبع والأرضين على إصبع والشجر والثرى على إصبع والخلائق على إصبع ثم يقول أنا الملك أنا الملك فرأيت النبي صلى الله عليه وسلم ضحك حتى بدت نواجذه ثم قرأ وما قدروا الله حق قدره


সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর বাণীঃ আল্লাহ্‌র চেয়ে অধিক মর্যাদাসম্পন্ন কেউই নয়

সহিহ বুখারী ৭৪১৬

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا أبو عوانة، حدثنا عبد الملك، عن وراد، كاتب المغيرة عن المغيرة، قال قال سعد بن عبادة لو رأيت رجلا مع امرأتي لضربته بالسيف غير مصفح‏.‏ فبلغ ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ تعجبون من غيرة سعد، والله لأنا أغير منه، والله أغير مني، ومن أجل غيرة الله حرم الفواحش ما ظهر منها وما بطن، ولا أحد أحب إليه العذر من الله، ومن أجل ذلك بعث المبشرين والمنذرين ولا أحد أحب إليه المدحة من الله ومن أجل ذلك وعد الله الجنة ‏"‏‏.‏ وقال عبيد الله بن عمرو عن عبد الملك ‏"‏ لا شخص أغير من الله ‏"‏‏.‏

মুগীরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, সা’দ ইব্‌নু ‘উবাদাহ (রাঃ) বললেন, আমি আমার স্ত্রীর সঙ্গে অন্য কোন পুরুষকে যদি দেখি, তাকে সরাসরি তরবারি দিয়ে হত্যা করব। এ কথা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে পৌঁছলে তিনি বললেনঃ তোমরা কি সাদের আত্মমর্যাদাবোধ দেখে বিস্মিত হচ্ছ? আল্লাহ্‌র শপথ! আমি তার চেয়েও অধিক আত্মমর্যাদাসম্পন্ন। আর আল্লাহ্ আমার চেয়েও অধিক আত্মমর্যাদাসম্পন্ন। আল্লাহ্ আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন হবার কারণে প্রকাশ্য ও গোপনীয় (যাবতীয়) অশ্লীলতাকে হারাম করে দিয়েছেন। অক্ষমতা প্রকাশকে আল্লাহ্‌র চেয়ে অধিক পছন্দ করেন এমন কেউই নেই। আর এজন্য তিনি ভীতি প্রদর্শনকারী ও সুসংবাদদাতাদেরকে পাঠিয়েছেন। আত্মপ্রশংসা আল্লাহ্‌র চেয়ে অধিক কারো কাছে প্রিয় নয়। তাই তিনি জান্নাতের ওয়াদা দিয়েছেন। [৬৮৪৬; মুসলিম পর্ব ১৯/হাঃ ১৪৯৯, আহমাদ ১৮১৯২১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১১)

মুগীরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, সা’দ ইব্‌নু ‘উবাদাহ (রাঃ) বললেন, আমি আমার স্ত্রীর সঙ্গে অন্য কোন পুরুষকে যদি দেখি, তাকে সরাসরি তরবারি দিয়ে হত্যা করব। এ কথা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে পৌঁছলে তিনি বললেনঃ তোমরা কি সাদের আত্মমর্যাদাবোধ দেখে বিস্মিত হচ্ছ? আল্লাহ্‌র শপথ! আমি তার চেয়েও অধিক আত্মমর্যাদাসম্পন্ন। আর আল্লাহ্ আমার চেয়েও অধিক আত্মমর্যাদাসম্পন্ন। আল্লাহ্ আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন হবার কারণে প্রকাশ্য ও গোপনীয় (যাবতীয়) অশ্লীলতাকে হারাম করে দিয়েছেন। অক্ষমতা প্রকাশকে আল্লাহ্‌র চেয়ে অধিক পছন্দ করেন এমন কেউই নেই। আর এজন্য তিনি ভীতি প্রদর্শনকারী ও সুসংবাদদাতাদেরকে পাঠিয়েছেন। আত্মপ্রশংসা আল্লাহ্‌র চেয়ে অধিক কারো কাছে প্রিয় নয়। তাই তিনি জান্নাতের ওয়াদা দিয়েছেন। [৬৮৪৬; মুসলিম পর্ব ১৯/হাঃ ১৪৯৯, আহমাদ ১৮১৯২১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১১)

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا أبو عوانة، حدثنا عبد الملك، عن وراد، كاتب المغيرة عن المغيرة، قال قال سعد بن عبادة لو رأيت رجلا مع امرأتي لضربته بالسيف غير مصفح‏.‏ فبلغ ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ تعجبون من غيرة سعد، والله لأنا أغير منه، والله أغير مني، ومن أجل غيرة الله حرم الفواحش ما ظهر منها وما بطن، ولا أحد أحب إليه العذر من الله، ومن أجل ذلك بعث المبشرين والمنذرين ولا أحد أحب إليه المدحة من الله ومن أجل ذلك وعد الله الجنة ‏"‏‏.‏ وقال عبيد الله بن عمرو عن عبد الملك ‏"‏ لا شخص أغير من الله ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ বল, সাক্ষ্য প্রদানে সর্বশ্রেষ্ঠ কী? বল, আল্লাহ্‌-(সূরা আন’আম ৬/১৯)।

সহিহ বুখারী ৭৪১৭

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن أبي حازم عن سهل بن سعد قال النبي صلى الله عليه وسلم لرجل أمعك من القرآن شيء قال نعم سورة كذا وسورة كذا لسور سماها

সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একজনকে বললেন, তোমার কাছে কুরআনের কোন বস্তু আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, অমুক সূরা অমুক সূরা। তিনি সূরাহ্গুলোর নাম বলেছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১২)

সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একজনকে বললেন, তোমার কাছে কুরআনের কোন বস্তু আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, অমুক সূরা অমুক সূরা। তিনি সূরাহ্গুলোর নাম বলেছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১২)

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن أبي حازم عن سهل بن سعد قال النبي صلى الله عليه وسلم لرجل أمعك من القرآن شيء قال نعم سورة كذا وسورة كذا لسور سماها


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌র বাণীঃ তখন তাঁর আরশ পানির ওপর ছিল- (সূরা হূদ ১১/৭)। তিনি আরশে ‘আযীমের প্রতিপালক- (সূরা আত্‌-তাওবাহ ৯/১২৯)।

সহিহ বুখারী ৭৪১৯

علي بن عبد الله حدثنا عبد الرزاق أخبرنا معمر عن همام حدثنا أبو هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إن يمين الله ملأى لا يغيضها نفقة سحاء الليل والنهار أرأيتم ما أنفق منذ خلق السموات والأرض فإنه لم ينقص ما في يمينه وعرشه على الماء وبيده الأخرى الفيض أو القبض يرفع ويخفض

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ্‌র ডান হাত পূর্ণ, রাত দিনের খরচেও তা কমে না। তোমরা ভেবে দেখেছ কি? আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টির সূচনা থেকে তিনি কত খরচ করে যাচ্ছেন, তবুও তাঁর ডান হাতের কিছুই কমেনি। তাঁর আরশ পানির ওপর আছে। তাঁর অন্য হাতে আছে দেয়া আর নেয়া। তা তিনি উঠান ও নামান। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১৪)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ্‌র ডান হাত পূর্ণ, রাত দিনের খরচেও তা কমে না। তোমরা ভেবে দেখেছ কি? আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টির সূচনা থেকে তিনি কত খরচ করে যাচ্ছেন, তবুও তাঁর ডান হাতের কিছুই কমেনি। তাঁর আরশ পানির ওপর আছে। তাঁর অন্য হাতে আছে দেয়া আর নেয়া। তা তিনি উঠান ও নামান। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১৪)

علي بن عبد الله حدثنا عبد الرزاق أخبرنا معمر عن همام حدثنا أبو هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إن يمين الله ملأى لا يغيضها نفقة سحاء الليل والنهار أرأيتم ما أنفق منذ خلق السموات والأرض فإنه لم ينقص ما في يمينه وعرشه على الماء وبيده الأخرى الفيض أو القبض يرفع ويخفض


সহিহ বুখারী ৭৪২১

خلاد بن يحيى حدثنا عيسى بن طهمان قال سمعت أنس بن مالك يقول نزلت آية الحجاب في زينب بنت جحش وأطعم عليها يومئذ خبزا ولحما وكانت تفخر على نساء النبي صلى الله عليه وسلم وكانت تقول إن الله أنكحني في السماء

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, যাইনাব বিন্ত জাহাশ (রাঃ) -কে উপলক্ষ করে পর্দার আয়াত অবতীর্ণ হয়। নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়নাবের সঙ্গে তাঁর বিবাহ উপলক্ষে ওয়ালিমা হিসেবে সেদিন রুটি ও গোশ্ত খাইয়েছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রীদের উপর যাইনাব (রাঃ) গর্ব করে বলতেন, আল্লাহ্ তো আসমানে আমার বিয়ের সিদ্ধান্ত করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১৬)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, যাইনাব বিন্ত জাহাশ (রাঃ) -কে উপলক্ষ করে পর্দার আয়াত অবতীর্ণ হয়। নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়নাবের সঙ্গে তাঁর বিবাহ উপলক্ষে ওয়ালিমা হিসেবে সেদিন রুটি ও গোশ্ত খাইয়েছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রীদের উপর যাইনাব (রাঃ) গর্ব করে বলতেন, আল্লাহ্ তো আসমানে আমার বিয়ের সিদ্ধান্ত করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১৬)

خلاد بن يحيى حدثنا عيسى بن طهمان قال سمعت أنس بن مالك يقول نزلت آية الحجاب في زينب بنت جحش وأطعم عليها يومئذ خبزا ولحما وكانت تفخر على نساء النبي صلى الله عليه وسلم وكانت تقول إن الله أنكحني في السماء


সহিহ বুখারী ৭৪২২

أبو اليمان أخبرنا شعيب حدثنا أبو الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إن الله لما قضى الخلق كتب عنده فوق عرشه إن رحمتي سبقت غضبي

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ্ যখন সকল মাখলূক সৃষ্টি করার কাজ শেষ করলেন, তখন তাঁর আরশের ওপর তাঁরই কাছে লিখে রাখলেন, “আমার রহমত আমার গযব থেকে এগিয়ে গেছে।”(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১৭)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ্ যখন সকল মাখলূক সৃষ্টি করার কাজ শেষ করলেন, তখন তাঁর আরশের ওপর তাঁরই কাছে লিখে রাখলেন, “আমার রহমত আমার গযব থেকে এগিয়ে গেছে।”(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১৭)

أبو اليمان أخبرنا شعيب حدثنا أبو الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إن الله لما قضى الخلق كتب عنده فوق عرشه إن رحمتي سبقت غضبي


সহিহ বুখারী ৭৪১৮

عبدان قال أخبرنا أبو حمزة عن الأعمش عن جامع بن شداد عن صفوان بن محرز عن عمران بن حصين قال إني عند النبي صلى الله عليه وسلم إذ جاءه قوم من بني تميم فقال اقبلوا البشرى يا بني تميم قالوا بشرتنا فأعطنا فدخل ناس من أهل اليمن فقال اقبلوا البشرى يا أهل اليمن إذ لم يقبلها بنو تميم قالوا قبلنا جئناك لنتفقه في الدين ولنسألك عن أول هذا الأمر ما كان قال كان الله ولم يكن شيء قبله وكان عرشه على الماء ثم خلق السموات والأرض وكتب في الذكر كل شيء ثم أتاني رجل فقال يا عمران أدرك ناقتك فقد ذهبت فانطلقت أطلبها فإذا السراب ينقطع دونها وايم الله لوددت أنها قد ذهبت ولم أقم

ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে ছিলাম। এমন সময় তাঁর কাছে বনূ তামীম-এর গোত্রটি আসল, নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে লক্ষ্য করে বললেনঃ হে বনূ তামীম। তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ কর। উত্তরে তারা বলল, আপনি আমাদেরকে শুভ সংবাদ যখন দিচ্ছেন, তাহলে কিছু দান করুন। এ সময় ইয়ামানবাসী কতিপয় লোক নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সেখানে উপস্থিত হল। নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বললেনঃ হে ইয়ামানবাসী! তোমাদের জন্য সুসংবাদ। বনূ তামীম তা গ্রহণ করল না। তারা বলল, আমরা গ্রহণ করলাম শুভ সংবাদ। যেহেতু আমরা আপনার কাছে এসেছি দীনী জ্ঞান লাভের উদ্দেশ্যে এবং জিজ্ঞেস করার জন্য এসেছি যে, এ দুনিয়া সৃষ্টির আগে কী ছিল? নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্ তখন ছিলেন, তাঁর আগে আর কিছুই ছিল না। তাঁর আরশ তখন পানির ওপর ছিল। অতঃপর তিনি আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করলেন। এবং লাওহে মাহফুযে সব বস্তু সম্পর্কে লিখে রাখলেন। রাবী বলেন, এরপর আমার কাছে এক লোক এসে বলল, হে ‘ইমরান! তোমার উটনী পালিয়ে গিয়েছে, তার খবর লও। আমি উটনীর খোঁজে চললাম। দেখলাম, উটনী মরীচিকার আড়ালে আছে। আলি আল্লাহ্‌র কসম খেয়ে বলছি! আমার মন চাচ্ছিল উটনী চলে যাক তবুও আমি মজলিস ছেড়ে যেন না উঠি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১৩)

ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে ছিলাম। এমন সময় তাঁর কাছে বনূ তামীম-এর গোত্রটি আসল, নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে লক্ষ্য করে বললেনঃ হে বনূ তামীম। তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ কর। উত্তরে তারা বলল, আপনি আমাদেরকে শুভ সংবাদ যখন দিচ্ছেন, তাহলে কিছু দান করুন। এ সময় ইয়ামানবাসী কতিপয় লোক নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সেখানে উপস্থিত হল। নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বললেনঃ হে ইয়ামানবাসী! তোমাদের জন্য সুসংবাদ। বনূ তামীম তা গ্রহণ করল না। তারা বলল, আমরা গ্রহণ করলাম শুভ সংবাদ। যেহেতু আমরা আপনার কাছে এসেছি দীনী জ্ঞান লাভের উদ্দেশ্যে এবং জিজ্ঞেস করার জন্য এসেছি যে, এ দুনিয়া সৃষ্টির আগে কী ছিল? নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্ তখন ছিলেন, তাঁর আগে আর কিছুই ছিল না। তাঁর আরশ তখন পানির ওপর ছিল। অতঃপর তিনি আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করলেন। এবং লাওহে মাহফুযে সব বস্তু সম্পর্কে লিখে রাখলেন। রাবী বলেন, এরপর আমার কাছে এক লোক এসে বলল, হে ‘ইমরান! তোমার উটনী পালিয়ে গিয়েছে, তার খবর লও। আমি উটনীর খোঁজে চললাম। দেখলাম, উটনী মরীচিকার আড়ালে আছে। আলি আল্লাহ্‌র কসম খেয়ে বলছি! আমার মন চাচ্ছিল উটনী চলে যাক তবুও আমি মজলিস ছেড়ে যেন না উঠি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১৩)

عبدان قال أخبرنا أبو حمزة عن الأعمش عن جامع بن شداد عن صفوان بن محرز عن عمران بن حصين قال إني عند النبي صلى الله عليه وسلم إذ جاءه قوم من بني تميم فقال اقبلوا البشرى يا بني تميم قالوا بشرتنا فأعطنا فدخل ناس من أهل اليمن فقال اقبلوا البشرى يا أهل اليمن إذ لم يقبلها بنو تميم قالوا قبلنا جئناك لنتفقه في الدين ولنسألك عن أول هذا الأمر ما كان قال كان الله ولم يكن شيء قبله وكان عرشه على الماء ثم خلق السموات والأرض وكتب في الذكر كل شيء ثم أتاني رجل فقال يا عمران أدرك ناقتك فقد ذهبت فانطلقت أطلبها فإذا السراب ينقطع دونها وايم الله لوددت أنها قد ذهبت ولم أقم


সহিহ বুখারী ৭৪২০

أحمد حدثنا محمد بن أبي بكر المقدمي حدثنا حماد بن زيد عن ثابت عن أنس قال جاء زيد بن حارثة يشكو فجعل النبي صلى الله عليه وسلم يقول اتق الله وأمسك عليك زوجك قال أنس لو كان رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم كاتما شيئا لكتم هذه قال فكانت زينب تفخر على أزواج النبي صلى الله عليه وسلم تقول زوجكن أهاليكن وزوجني الله تعالى من فوق سبع سموات وعن ثابت وتخفي في نفسك ما الله مبديه وتخشى الناس نزلت في شأن زينب وزيد بن حارثة

আনাস (রা:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যায়দ ইব্‌নু হারিসা (রাঃ) অভিযোগ নিয়ে আসলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বলতে লাগলেন, তুমি আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছে রেখে দাও। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যদি কোন জিনিস গোপন করতেন, তাহলে এ আয়াতটি অবশ্যই গোপন করতেন। বর্ণনাকারী বলেন, (যাইনাব রাঃ) অপরাপর নবী অন্যান্য কাছে এ বলে গর্ব করতেন যে, তোমাদেরকে বিয়ে দিয়েছে তোমাদের পরিবার-পরিজন, আমার আমাকে স্বয়ং আল্লাহ্ তা‘আলা সাত আসমানের ওপরে বিয়ে দিয়েছেন। বর্ণনাকারী সাবিত (রাঃ) বলেছেন, আল্লাহ্‌র বাণীঃ (হে নবী) আপনি আপনার অন্তরে যা গোপন করতেন আল্লাহ্ তা প্রকাশ করে দিচ্ছেন, আপনি লোকদের ভয় করছিলেন। এ আয়াতটি যাইনাব ও যায়দ ইব্‌নু হারিসাহ (রাঃ) সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছিল।[২১২](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১৫)

আনাস (রা:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যায়দ ইব্‌নু হারিসা (রাঃ) অভিযোগ নিয়ে আসলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বলতে লাগলেন, তুমি আল্লাহ্‌কে ভয় কর এবং তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছে রেখে দাও। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যদি কোন জিনিস গোপন করতেন, তাহলে এ আয়াতটি অবশ্যই গোপন করতেন। বর্ণনাকারী বলেন, (যাইনাব রাঃ) অপরাপর নবী অন্যান্য কাছে এ বলে গর্ব করতেন যে, তোমাদেরকে বিয়ে দিয়েছে তোমাদের পরিবার-পরিজন, আমার আমাকে স্বয়ং আল্লাহ্ তা‘আলা সাত আসমানের ওপরে বিয়ে দিয়েছেন। বর্ণনাকারী সাবিত (রাঃ) বলেছেন, আল্লাহ্‌র বাণীঃ (হে নবী) আপনি আপনার অন্তরে যা গোপন করতেন আল্লাহ্ তা প্রকাশ করে দিচ্ছেন, আপনি লোকদের ভয় করছিলেন। এ আয়াতটি যাইনাব ও যায়দ ইব্‌নু হারিসাহ (রাঃ) সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছিল।[২১২](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১৫)

أحمد حدثنا محمد بن أبي بكر المقدمي حدثنا حماد بن زيد عن ثابت عن أنس قال جاء زيد بن حارثة يشكو فجعل النبي صلى الله عليه وسلم يقول اتق الله وأمسك عليك زوجك قال أنس لو كان رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم كاتما شيئا لكتم هذه قال فكانت زينب تفخر على أزواج النبي صلى الله عليه وسلم تقول زوجكن أهاليكن وزوجني الله تعالى من فوق سبع سموات وعن ثابت وتخفي في نفسك ما الله مبديه وتخشى الناس نزلت في شأن زينب وزيد بن حارثة


সহিহ বুখারী ৭৪২৩

إبراهيم بن المنذر حدثني محمد بن فليح قال حدثني أبي حدثني هلال عن عطاء بن يسار عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من آمن بالله ورسوله وأقام الصلاة وصام رمضان كان حقا على الله أن يدخله الجنة هاجر في سبيل الله أو جلس في أرضه التي ولد فيها قالوا يا رسول الله صلى الله عليه وسلم أفلا ننبئ الناس بذلك قال إن في الجنة مائة درجة أعدها الله للمجاهدين في سبيله كل درجتين ما بينهما كما بين السماء والأرض فإذا سألتم الله فسلوه الفردوس فإنه أوسط الجنة وأعلى الجنة وفوقه عرش الرحمن ومنه تفجر أنهار الجنة

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ যে লোক আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ইমান আনে, সালাত কায়িম করে, রমযান মাসের সওম পালন করে, আল্লাহ্ তাঁর সম্পর্কে এ দায়িত্ব নিয়েছেন যে, তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। সে আল্লাহ্‌র রাস্তায় হিজরাত করুক কিংবা তাঁর জন্মভূমিতে অবস্থান করুক। সাহাবীগণ বলে উঠলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! এই বিষয়টি আমরা লোকদের জানিয়ে দেব না? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ অবশ্যই, জান্নাতের একশ’টি (মর্যাদার) স্তর রয়েছে। এগুলো আল্লাহ্ তাঁর রাস্তায় জিহাদকারীদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছেন। প্রতি দু’টি স্তরের মাঝে আসমান ও যমীনের দূরত্ব বিদ্যমান। কাজেই যখন তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে চাইবে, তখন ফিরদাওস জান্নাত চাইবে। কারণ, সেটি হচ্ছে সবচেয়ে প্রশস্ত ও সবচেয়ে উচ্চ জান্নাত। আর দয়ালু (আল্লাহ্‌র) আরশটি এরই ওপর অবস্থিত। এই ফিরদাওস থেকেই জান্নাতের ঝর্ণাগুলো প্রবাহিত।[২১৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১৮)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ যে লোক আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ইমান আনে, সালাত কায়িম করে, রমযান মাসের সওম পালন করে, আল্লাহ্ তাঁর সম্পর্কে এ দায়িত্ব নিয়েছেন যে, তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। সে আল্লাহ্‌র রাস্তায় হিজরাত করুক কিংবা তাঁর জন্মভূমিতে অবস্থান করুক। সাহাবীগণ বলে উঠলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! এই বিষয়টি আমরা লোকদের জানিয়ে দেব না? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ অবশ্যই, জান্নাতের একশ’টি (মর্যাদার) স্তর রয়েছে। এগুলো আল্লাহ্ তাঁর রাস্তায় জিহাদকারীদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছেন। প্রতি দু’টি স্তরের মাঝে আসমান ও যমীনের দূরত্ব বিদ্যমান। কাজেই যখন তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে চাইবে, তখন ফিরদাওস জান্নাত চাইবে। কারণ, সেটি হচ্ছে সবচেয়ে প্রশস্ত ও সবচেয়ে উচ্চ জান্নাত। আর দয়ালু (আল্লাহ্‌র) আরশটি এরই ওপর অবস্থিত। এই ফিরদাওস থেকেই জান্নাতের ঝর্ণাগুলো প্রবাহিত।[২১৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১৮)

إبراهيم بن المنذر حدثني محمد بن فليح قال حدثني أبي حدثني هلال عن عطاء بن يسار عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من آمن بالله ورسوله وأقام الصلاة وصام رمضان كان حقا على الله أن يدخله الجنة هاجر في سبيل الله أو جلس في أرضه التي ولد فيها قالوا يا رسول الله صلى الله عليه وسلم أفلا ننبئ الناس بذلك قال إن في الجنة مائة درجة أعدها الله للمجاهدين في سبيله كل درجتين ما بينهما كما بين السماء والأرض فإذا سألتم الله فسلوه الفردوس فإنه أوسط الجنة وأعلى الجنة وفوقه عرش الرحمن ومنه تفجر أنهار الجنة


সহিহ বুখারী ৭৪২৪

يحيى بن جعفر حدثنا أبو معاوية عن الأعمش عن إبراهيم هو التيمي عن أبيه عن أبي ذر قال دخلت المسجد ورسول الله صلى الله عليه وسلم جالس فلما غربت الشمس قال يا أبا ذر هل تدري أين تذهب هذه قال قلت الله ورسوله أعلم قال فإنها تذهب تستأذن في السجود فيؤذن لها وكأنها قد قيل لها ارجعي من حيث جئت فتطلع من مغربها ثم قرأ {ذٰلك مستقر لها} في قراءة عبد الله

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মাসজিদে নাবাবীতে প্রবেশ করলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সূর্য অস্ত গেল। তিনি বললেনঃ হে আবূ যার! তোমার কি জানা আছে, এ সূর্য কোথায় যাচ্ছে? আবূ যার (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলই সবচেয়ে অধিক জানেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ সূর্য যাচ্ছে এবং অনুমতি চাচ্ছে সাজদাহ করার জন্য। তারপর সাজদাহ্র জন্য তাকে অনুমতি দেয়া হয়। একদিন তাকে নির্দেশ দেওয়া হবে, যেখান থেকে এসেছ সেখানে ফিরে যাও। তখন সে তার অস্তের জায়গা থেকে উদিত হবে। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিলাওয়াত করলেন, “এটিই তার থাকার জায়গা” ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) -এর কিরাআত অনুসারে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১৯)

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মাসজিদে নাবাবীতে প্রবেশ করলাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সূর্য অস্ত গেল। তিনি বললেনঃ হে আবূ যার! তোমার কি জানা আছে, এ সূর্য কোথায় যাচ্ছে? আবূ যার (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলই সবচেয়ে অধিক জানেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ সূর্য যাচ্ছে এবং অনুমতি চাচ্ছে সাজদাহ করার জন্য। তারপর সাজদাহ্র জন্য তাকে অনুমতি দেয়া হয়। একদিন তাকে নির্দেশ দেওয়া হবে, যেখান থেকে এসেছ সেখানে ফিরে যাও। তখন সে তার অস্তের জায়গা থেকে উদিত হবে। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিলাওয়াত করলেন, “এটিই তার থাকার জায়গা” ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) -এর কিরাআত অনুসারে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯১৯)

يحيى بن جعفر حدثنا أبو معاوية عن الأعمش عن إبراهيم هو التيمي عن أبيه عن أبي ذر قال دخلت المسجد ورسول الله صلى الله عليه وسلم جالس فلما غربت الشمس قال يا أبا ذر هل تدري أين تذهب هذه قال قلت الله ورسوله أعلم قال فإنها تذهب تستأذن في السجود فيؤذن لها وكأنها قد قيل لها ارجعي من حيث جئت فتطلع من مغربها ثم قرأ {ذٰلك مستقر لها} في قراءة عبد الله


সহিহ বুখারী ৭৪২৫

موسى عن إبراهيم حدثنا ابن شهاب عن عبيد بن السباق أن زيد بن ثابت وقال الليث حدثني عبد الرحمن بن خالد عن ابن شهاب عن ابن السباق أن زيد بن ثابت حدثه قال أرسل إلي أبو بكر فتتبعت القرآن حتى وجدت آخر سورة التوبة مع أبي خزيمة الأنصاري لم أجدها مع أحد غيره {لقد جاءكم رسول من أنفسكم} حتى خاتمة براءة حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث عن يونس بهذا وقال مع أبي خزيمة الأنصاري

যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) আমার কাছে লোক পাঠালেন। তাই আমি কুরআনের বিভিন্ন অংশ খোঁজ করতে লেগে গেলাম। শেষে সূরা তাওবার শেষের অংশ একমাত্র আবূ খুযাইমাহ আন্সারী (রাঃ) ছাড়া আর কারো কাছে পেলাম না। (আর তা হচ্ছে) لَقَدْ جَاءَكُمْ رَسُولٌ مِنْ أَنْفُسِكُمْ থেকে সূরা বারাআতের শেষ পর্যন্ত। [২৮০৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯২০) ইউনুস (রহ.) থেকে হাদীসটি এরকমই বর্ণনা করেছেন। আবূ খুযায়মা আনসারীর কাছে এ আয়াত পাওয়া গেছে বলে তিনিও বলেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯২১)

যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ বকর (রাঃ) আমার কাছে লোক পাঠালেন। তাই আমি কুরআনের বিভিন্ন অংশ খোঁজ করতে লেগে গেলাম। শেষে সূরা তাওবার শেষের অংশ একমাত্র আবূ খুযাইমাহ আন্সারী (রাঃ) ছাড়া আর কারো কাছে পেলাম না। (আর তা হচ্ছে) لَقَدْ جَاءَكُمْ رَسُولٌ مِنْ أَنْفُسِكُمْ থেকে সূরা বারাআতের শেষ পর্যন্ত। [২৮০৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯২০) ইউনুস (রহ.) থেকে হাদীসটি এরকমই বর্ণনা করেছেন। আবূ খুযায়মা আনসারীর কাছে এ আয়াত পাওয়া গেছে বলে তিনিও বলেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯২১)

موسى عن إبراهيم حدثنا ابن شهاب عن عبيد بن السباق أن زيد بن ثابت وقال الليث حدثني عبد الرحمن بن خالد عن ابن شهاب عن ابن السباق أن زيد بن ثابت حدثه قال أرسل إلي أبو بكر فتتبعت القرآن حتى وجدت آخر سورة التوبة مع أبي خزيمة الأنصاري لم أجدها مع أحد غيره {لقد جاءكم رسول من أنفسكم} حتى خاتمة براءة حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث عن يونس بهذا وقال مع أبي خزيمة الأنصاري


সহিহ বুখারী ৭৪২৬

معلى بن أسد حدثنا وهيب عن سعيد عن قتادة عن أبي العالية عن ابن عباس قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يقول عند الكرب لا إله إلا الله العليم الحليم لا إله إلا الله رب العرش العظيم لا إله إلا الله رب السموات ورب الأرض رب العرش الكريم

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, দুঃখ কষ্টের সময় নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু‘আ করতেন এ ব’লেঃ আল্লাহ্ ব্যতীত কোন মাবূদ নেই। তিনি সর্বজ্ঞ ও ধৈর্যশীল। তিনি ব্যতীত আর কোন মাবূদ নেই, তিনি মহান আরশের রব। তিনি ব্যতীত কোন মাবূদ নেই, তিনি আসমান-যমীনের রব এবং সম্মানিত আরশের রব।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯২২)

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, দুঃখ কষ্টের সময় নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু‘আ করতেন এ ব’লেঃ আল্লাহ্ ব্যতীত কোন মাবূদ নেই। তিনি সর্বজ্ঞ ও ধৈর্যশীল। তিনি ব্যতীত আর কোন মাবূদ নেই, তিনি মহান আরশের রব। তিনি ব্যতীত কোন মাবূদ নেই, তিনি আসমান-যমীনের রব এবং সম্মানিত আরশের রব।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯২২)

معلى بن أسد حدثنا وهيب عن سعيد عن قتادة عن أبي العالية عن ابن عباس قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يقول عند الكرب لا إله إلا الله العليم الحليم لا إله إلا الله رب العرش العظيم لا إله إلا الله رب السموات ورب الأرض رب العرش الكريم


সহিহ বুখারী ৭৪২৮

وقال الماجشون عن عبد الله بن الفضل عن أبي سلمة عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال فأكون أول من بعث فإذا موسى آخذ بالعرش

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণনাকারী মাজিশুন 'আব্দুল্লাহ্ ইব্‌নু ফাজল ও আবূ সালামাহ্র মাধ্যমে আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, আমি সবচেয়ে আগে পুনরায় উঠব। তখন দেখব, মূসা (আঃ) আরশ ধরে আছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯২৩)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণনাকারী মাজিশুন 'আব্দুল্লাহ্ ইব্‌নু ফাজল ও আবূ সালামাহ্র মাধ্যমে আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, আমি সবচেয়ে আগে পুনরায় উঠব। তখন দেখব, মূসা (আঃ) আরশ ধরে আছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯২৩)

وقال الماجشون عن عبد الله بن الفضل عن أبي سلمة عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال فأكون أول من بعث فإذا موسى آخذ بالعرش


সহিহ বুখারী ৭৪২৭

محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن عمرو بن يحيى عن أبيه عن أبي سعيد الخدري عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الناس يصعقون يوم القيامة فإذا أنا بموسى آخذ بقائمة من قوائم العرش

আবূ সা'ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ সা'ঈদ খুদরী (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ ক্বিয়ামতের দিন সব মানুষ বেহুঁশ হয়ে পড়বে। (আমার হুঁশ ফিরলে) তখন আমি মূসা (আঃ) -কে আরশের একটি পায়া ধরে দাঁড়ানো দেখতে পাব।

আবূ সা'ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ সা'ঈদ খুদরী (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ ক্বিয়ামতের দিন সব মানুষ বেহুঁশ হয়ে পড়বে। (আমার হুঁশ ফিরলে) তখন আমি মূসা (আঃ) -কে আরশের একটি পায়া ধরে দাঁড়ানো দেখতে পাব।

محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن عمرو بن يحيى عن أبيه عن أبي سعيد الخدري عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الناس يصعقون يوم القيامة فإذا أنا بموسى آخذ بقائمة من قوائم العرش


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00