সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)’র নিষেধাজ্ঞা দ্বারা হারাম সাব্যস্ত হয়।
সহিহ বুখারী ৭৩৬৮
أبو معمر حدثنا عبد الوارث عن الحسين عن ابن بريدة حدثني عبد الله المزني عن النبي صلى الله عليه وسلم قال صلوا قبل صلاة المغرب قال في الثالثة لمن شاء كراهية أن يتخذها الناس سنة
আবদুল্লাহ মুযানী (রা:) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ মাগরিবের সালাতের আগে তোমরা সালাত আদায় করবে। তবে তৃতীয়বারে তিনি বললেনঃ লোকেরা এটাকে সুন্নাত হিসেবে গ্রহণ করুক-এটা অপছন্দ করার কারণে তিনি তৃতীয়বারে বললেন- যার ইচ্ছে সে আদায় করবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬২)
আবদুল্লাহ মুযানী (রা:) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ মাগরিবের সালাতের আগে তোমরা সালাত আদায় করবে। তবে তৃতীয়বারে তিনি বললেনঃ লোকেরা এটাকে সুন্নাত হিসেবে গ্রহণ করুক-এটা অপছন্দ করার কারণে তিনি তৃতীয়বারে বললেন- যার ইচ্ছে সে আদায় করবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬২)
أبو معمر حدثنا عبد الوارث عن الحسين عن ابن بريدة حدثني عبد الله المزني عن النبي صلى الله عليه وسلم قال صلوا قبل صلاة المغرب قال في الثالثة لمن شاء كراهية أن يتخذها الناس سنة
সহিহ বুখারী ৭৩৬৭
المكي بن إبراهيم عن ابن جريج قال عطاء قال جابر قال أبو عبد الله وقال محمد بن بكر البرساني حدثنا ابن جريج قال أخبرني عطاء سمعت جابر بن عبد الله في أناس معه قال أهللنا أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم في الحج خالصا ليس معه عمرة قال عطاء قال جابر فقدم النبي صلى الله عليه وسلم صبح رابعة مضت من ذي الحجة فلما قدمنا أمرنا النبي صلى الله عليه وسلم أن نحل وقال أحلوا وأصيبوا من النساء قال عطاء قال جابر ولم يعزم عليهم ولكن أحلهن لهم فبلغه أنا نقول لما لم يكن بيننا وبين عرفة إلا خمس أمرنا أن نحل إلى نسائنا فنأتي عرفة تقطر مذاكيرنا المذي قال ويقول جابر بيده هكذا وحركها فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال قد علمتم أني أتقاكم لله وأصدقكم وأبركم ولولا هديي لحللت كما تحلون فحلوا فلو استقبلت من أمري ما استدبرت ما أهديت فحللنا وسمعنا وأطعنا
আতা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জাবির ইব্ন আবদুল্লাহকে এ কথা বলতে শুনেছি যে, তাঁর সাথে আরো কিছু লোক ছিল। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সাহাবীগণ কেবল হজ্জের নিয়তে ইহরাম বেঁধেছিলাম। এর সাথে উমরার নিয়ত ছিল না। বর্ণনাকারী আতা (রহঃ) বলেন, জাবির (রাঃ) বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যিলহজ্জ মাসের চার তারিখ সকাল বেলায় (মক্কায়) আসলেন। এরপর আমরাও যখন আসলাম, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের ইহরাম খুলে ফেলার হুকুম করলেন। তিনি বললেনঃ তোমরা ইহরাম খুলে ফেল এবং স্ত্রীদের সাথে মিলিত হও। (রাবী) আতা (রহঃ) বর্ণনা করেন, জাবির (রাঃ) বলেছেন, (স্ত্রী সহবাস) তিনি তাদের উপর বাধ্যতামূলক করেননি বরং বৈধ করেছেন। এরপর তিনি জানতে পারেন যে, আমরা বলাবলি করছি আমাদের ও আরাফার দিনের কেবল পাঁচদিন বাকী। তিনি আমাদেরকে আদেশ করেছেন যে, আমরা ইহরাম খুলে স্ত্রীদের সঙ্গে মিলিত হই। তখন আমরা আরাফায় পৌঁছব আর আমাদের পুরুষাঙ্গ থেকে মযী বের হতে থাকবে। আতা বলেন, জাবির (রাঃ) এ কথা বোঝানোর জন্য হাত দ্বারা ইশারা করেছিলেন কিংবা হাত নেড়েছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ালেন এবং বললেনঃ তোমরা জান, আমি তোমাদের মধ্যে আল্লাহকে বেশী ভয় করি, তোমাদের চেয়ে আমি বেশী সত্যবাদী ও নিষ্ঠাবান। আমার সাথে যদি কুরবানীর পশু না থাকত, আমিও তোমাদের মত ইহরাম খুলে ফেলতাম। সুতরাং ইহরাম খুলে ফেল। আমি যদি আমার কাজের পরিণাম আগে জানতাম যা পরে জেনেছি তবে আমি কুরবানীর পশু সঙ্গে আনতাম না। কাজেই আমরা ইহরাম খুলে ফেললাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর [মুসলিম ১৫/১৭, হাঃ ১২১৬, আহমাদ ১৪২৪২] (আধুনিক প্রকাশনী- ০০০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬১) আদেশ শোনলাম এবং তাঁর আনুগত্য করলাম।
আতা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জাবির ইব্ন আবদুল্লাহকে এ কথা বলতে শুনেছি যে, তাঁর সাথে আরো কিছু লোক ছিল। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সাহাবীগণ কেবল হজ্জের নিয়তে ইহরাম বেঁধেছিলাম। এর সাথে উমরার নিয়ত ছিল না। বর্ণনাকারী আতা (রহঃ) বলেন, জাবির (রাঃ) বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যিলহজ্জ মাসের চার তারিখ সকাল বেলায় (মক্কায়) আসলেন। এরপর আমরাও যখন আসলাম, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের ইহরাম খুলে ফেলার হুকুম করলেন। তিনি বললেনঃ তোমরা ইহরাম খুলে ফেল এবং স্ত্রীদের সাথে মিলিত হও। (রাবী) আতা (রহঃ) বর্ণনা করেন, জাবির (রাঃ) বলেছেন, (স্ত্রী সহবাস) তিনি তাদের উপর বাধ্যতামূলক করেননি বরং বৈধ করেছেন। এরপর তিনি জানতে পারেন যে, আমরা বলাবলি করছি আমাদের ও আরাফার দিনের কেবল পাঁচদিন বাকী। তিনি আমাদেরকে আদেশ করেছেন যে, আমরা ইহরাম খুলে স্ত্রীদের সঙ্গে মিলিত হই। তখন আমরা আরাফায় পৌঁছব আর আমাদের পুরুষাঙ্গ থেকে মযী বের হতে থাকবে। আতা বলেন, জাবির (রাঃ) এ কথা বোঝানোর জন্য হাত দ্বারা ইশারা করেছিলেন কিংবা হাত নেড়েছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ালেন এবং বললেনঃ তোমরা জান, আমি তোমাদের মধ্যে আল্লাহকে বেশী ভয় করি, তোমাদের চেয়ে আমি বেশী সত্যবাদী ও নিষ্ঠাবান। আমার সাথে যদি কুরবানীর পশু না থাকত, আমিও তোমাদের মত ইহরাম খুলে ফেলতাম। সুতরাং ইহরাম খুলে ফেল। আমি যদি আমার কাজের পরিণাম আগে জানতাম যা পরে জেনেছি তবে আমি কুরবানীর পশু সঙ্গে আনতাম না। কাজেই আমরা ইহরাম খুলে ফেললাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর [মুসলিম ১৫/১৭, হাঃ ১২১৬, আহমাদ ১৪২৪২] (আধুনিক প্রকাশনী- ০০০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬১) আদেশ শোনলাম এবং তাঁর আনুগত্য করলাম।
المكي بن إبراهيم عن ابن جريج قال عطاء قال جابر قال أبو عبد الله وقال محمد بن بكر البرساني حدثنا ابن جريج قال أخبرني عطاء سمعت جابر بن عبد الله في أناس معه قال أهللنا أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم في الحج خالصا ليس معه عمرة قال عطاء قال جابر فقدم النبي صلى الله عليه وسلم صبح رابعة مضت من ذي الحجة فلما قدمنا أمرنا النبي صلى الله عليه وسلم أن نحل وقال أحلوا وأصيبوا من النساء قال عطاء قال جابر ولم يعزم عليهم ولكن أحلهن لهم فبلغه أنا نقول لما لم يكن بيننا وبين عرفة إلا خمس أمرنا أن نحل إلى نسائنا فنأتي عرفة تقطر مذاكيرنا المذي قال ويقول جابر بيده هكذا وحركها فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال قد علمتم أني أتقاكم لله وأصدقكم وأبركم ولولا هديي لحللت كما تحلون فحلوا فلو استقبلت من أمري ما استدبرت ما أهديت فحللنا وسمعنا وأطعنا
সহিহ বুখারী > মহান আল্লাহ্র বাণীঃ তারা নিজেদের মাঝে পরামর্শের ভিত্তিতে নিজেদের কর্ম সম্পাদন করে। (সূরাহ আশ-শূরা ৪২/৩৮)
সহিহ বুখারী ৭৩৭০
وقال أبو أسامة عن هشام. محمد بن حرب حدثنا يحيى بن أبي زكرياء الغساني عن هشام عن عروة عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خطب الناس فحمد الله وأثنى عليه وقال ما تشيرون علي في قوم يسبون أهلي ما علمت عليهم من سوء قط وعن عروة قال لما أخبرت عائشة بالأمر قالت يا رسول الله أتأذن لي أن أنطلق إلى أهلي فأذن لها وأرسل معها الغلام وقال رجل من الأنصار سبحانك ما يكون لنا أن نتكلم بهذا سبحانك هذا بهتان عظيم
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের (সামনে) খুত্বাহ দিলেন। আল্লাহ্র প্রশংসা ও গুণগান করলেন। এরপর তিনি বললেনঃ যারা আমার স্ত্রীর অপবাদ রটিয়ে বেড়াচ্ছে, তাদের সম্পর্কে তোমরা আমাকে কী পরামর্শ দাও। আমি আমার পরিবারের কারো মধ্যে কক্ষনো খারাপ কিছু দেখি নি। ‘উরওয়াহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আয়িশাকে সেই অপবাদ সম্পর্কে জানানো হলে তিনি বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাকে আমার পরিজনের (বাবা-মার) কাছে যাবার অনুমতি দিবেন কি? তখন রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুমতি দিলেন এবং তাঁর সঙ্গে একজন গোলামও পাঠালেন। এক আনসারী বললেন, তুমিই পবিত্র, হে আল্লাহ্! এ ধরনের কথা বলা আমাদের উচিত নয়। এটা তো এক বিরাট অপবাদ, তোমারই পবিত্রতা হে আল্লাহ! (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬৭)
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের (সামনে) খুত্বাহ দিলেন। আল্লাহ্র প্রশংসা ও গুণগান করলেন। এরপর তিনি বললেনঃ যারা আমার স্ত্রীর অপবাদ রটিয়ে বেড়াচ্ছে, তাদের সম্পর্কে তোমরা আমাকে কী পরামর্শ দাও। আমি আমার পরিবারের কারো মধ্যে কক্ষনো খারাপ কিছু দেখি নি। ‘উরওয়াহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আয়িশাকে সেই অপবাদ সম্পর্কে জানানো হলে তিনি বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! আমাকে আমার পরিজনের (বাবা-মার) কাছে যাবার অনুমতি দিবেন কি? তখন রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুমতি দিলেন এবং তাঁর সঙ্গে একজন গোলামও পাঠালেন। এক আনসারী বললেন, তুমিই পবিত্র, হে আল্লাহ্! এ ধরনের কথা বলা আমাদের উচিত নয়। এটা তো এক বিরাট অপবাদ, তোমারই পবিত্রতা হে আল্লাহ! (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬৭)
وقال أبو أسامة عن هشام. محمد بن حرب حدثنا يحيى بن أبي زكرياء الغساني عن هشام عن عروة عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خطب الناس فحمد الله وأثنى عليه وقال ما تشيرون علي في قوم يسبون أهلي ما علمت عليهم من سوء قط وعن عروة قال لما أخبرت عائشة بالأمر قالت يا رسول الله أتأذن لي أن أنطلق إلى أهلي فأذن لها وأرسل معها الغلام وقال رجل من الأنصار سبحانك ما يكون لنا أن نتكلم بهذا سبحانك هذا بهتان عظيم
সহিহ বুখারী ৭৩৬৯
الأويسي عبد العزيز بن عبد الله حدثنا إبراهيم بن سعد عن صالح عن ابن شهاب حدثني عروة وابن المسيب وعلقمة بن وقاص وعبيد الله عن عائشة حين قال لها أهل الإفك ما قالوا قالت ودعا رسول الله صلى الله عليه وسلم علي بن أبي طالب وأسامة بن زيد حين استلبث الوحي يسألهما وهو يستشيرهما في فراق أهله فأما أسامة فأشار بالذي يعلم من براءة أهله وأما علي فقال لم يضيق الله عليك والنساء سواها كثير وسل الجارية تصدقك فقال هل رأيت من شيء يريبك قالت ما رأيت أمرا أكثر من أنها جارية حديثة السن تنام عن عجين أهلها فتأتي الداجن فتأكله فقام على المنبر فقال يا معشر المسلمين من يعذرني من رجل بلغني أذاه في أهلي والله ما علمت على أهلي إلا خيرا فذكر براءة عائشة
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন মিথ্যা অপবাদকারীরা ‘আয়িশার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অপবাদ রটিয়েছিল। তিনি বলেন, ওয়াহী আসতে বিলম্ব হচ্ছিল, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আলী ইব্নু আবূ ত্বলিব ও উসামা ইব্নু যায়িদের কাছে কিছু পরামর্শ করার জন্য তাদের ডাকলেন। এবং তাঁর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ) - কে পৃথক করে দেয়া সম্পর্কে পরামর্শ চাইলেন। উসামা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর পরিবারের পবিত্রতার ব্যাপারে তাঁর যা জানা ছিল তা উল্লেখ করলেন। আর ‘আলী (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্ আপনার জন্য তো কোন সীমাবদ্ধতা রাখেন নি। স্ত্রীলোক তিনি ছাড়া আরও অনেক আছেন। আপনি বাঁদীটির কাছে জিজ্ঞেস করুন, সে আপনাকে সত্য যা, তাই বলবে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারীরাকে ডাকলেন। তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি সন্দেহের কিছু দেখেছ? তিনি বললেন, আমি এছাড়া আর অধিক কিছু জানিনা যে, ‘আয়িশা (রাঃ) হচ্ছে অল্পবয়স্কা মেয়ে। তিনি নিজের ঘরের আটা পিষে ঘুমিয়ে পড়েন, এই অবস্থায় বক্রী এসে তা খেয়ে ফেলে। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বরে দাঁড়িয়ে বললেনঃ হে মুসলিমগণ। যে ব্যক্তি আমার পরিবারের অপবাদ রটিয়ে আমাকে কষ্ট দিয়েছে তার প্রতিকার করতে আমাকে সাহায্য করার মত কেউ আছ কি? আল্লাহ্র শপথ! আমি আমার পরিবারের ব্যাপারে ভালো ব্যতীত মন্দ কিছুই জানি না এবং তিনি ‘আয়িশা (রাঃ) - এর পবিত্রতার কথা উল্লেখ করলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬৬)
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন মিথ্যা অপবাদকারীরা ‘আয়িশার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অপবাদ রটিয়েছিল। তিনি বলেন, ওয়াহী আসতে বিলম্ব হচ্ছিল, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আলী ইব্নু আবূ ত্বলিব ও উসামা ইব্নু যায়িদের কাছে কিছু পরামর্শ করার জন্য তাদের ডাকলেন। এবং তাঁর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ) - কে পৃথক করে দেয়া সম্পর্কে পরামর্শ চাইলেন। উসামা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর পরিবারের পবিত্রতার ব্যাপারে তাঁর যা জানা ছিল তা উল্লেখ করলেন। আর ‘আলী (রাঃ) বললেন, আল্লাহ্ আপনার জন্য তো কোন সীমাবদ্ধতা রাখেন নি। স্ত্রীলোক তিনি ছাড়া আরও অনেক আছেন। আপনি বাঁদীটির কাছে জিজ্ঞেস করুন, সে আপনাকে সত্য যা, তাই বলবে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বারীরাকে ডাকলেন। তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি সন্দেহের কিছু দেখেছ? তিনি বললেন, আমি এছাড়া আর অধিক কিছু জানিনা যে, ‘আয়িশা (রাঃ) হচ্ছে অল্পবয়স্কা মেয়ে। তিনি নিজের ঘরের আটা পিষে ঘুমিয়ে পড়েন, এই অবস্থায় বক্রী এসে তা খেয়ে ফেলে। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বরে দাঁড়িয়ে বললেনঃ হে মুসলিমগণ। যে ব্যক্তি আমার পরিবারের অপবাদ রটিয়ে আমাকে কষ্ট দিয়েছে তার প্রতিকার করতে আমাকে সাহায্য করার মত কেউ আছ কি? আল্লাহ্র শপথ! আমি আমার পরিবারের ব্যাপারে ভালো ব্যতীত মন্দ কিছুই জানি না এবং তিনি ‘আয়িশা (রাঃ) - এর পবিত্রতার কথা উল্লেখ করলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬৬)
الأويسي عبد العزيز بن عبد الله حدثنا إبراهيم بن سعد عن صالح عن ابن شهاب حدثني عروة وابن المسيب وعلقمة بن وقاص وعبيد الله عن عائشة حين قال لها أهل الإفك ما قالوا قالت ودعا رسول الله صلى الله عليه وسلم علي بن أبي طالب وأسامة بن زيد حين استلبث الوحي يسألهما وهو يستشيرهما في فراق أهله فأما أسامة فأشار بالذي يعلم من براءة أهله وأما علي فقال لم يضيق الله عليك والنساء سواها كثير وسل الجارية تصدقك فقال هل رأيت من شيء يريبك قالت ما رأيت أمرا أكثر من أنها جارية حديثة السن تنام عن عجين أهلها فتأتي الداجن فتأكله فقام على المنبر فقال يا معشر المسلمين من يعذرني من رجل بلغني أذاه في أهلي والله ما علمت على أهلي إلا خيرا فذكر براءة عائشة