সহিহ বুখারী > আল্লাহ্র বাণীঃ আপনি বলে দিন, তিনি শক্তির অধিকারী। (সূরা আন’আম ৬/৬৫)
সহিহ বুখারী ৭৩৯০
إبراهيم بن المنذر حدثنا معن بن عيسى حدثني عبد الرحمن بن أبي الموالي قال سمعت محمد بن المنكدر يحدث عبد الله بن الحسن يقول أخبرني جابر بن عبد الله السلمي قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعلم أصحابه الاستخارة في الأمور كلها كما يعلمهم السورة من القرآن يقول إذا هم أحدكم بالأمر فليركع ركعتين من غير الفريضة ثم ليقل اللهم إني أستخيرك بعلمك وأستقدرك بقدرتك وأسألك من فضلك فإنك تقدر ولا أقدر وتعلم ولا أعلم وأنت علام الغيوب اللهم فإن كنت تعلم هذا الأمر ثم تسميه بعينه خيرا لي في عاجل أمري وآجله قال أو في ديني ومعاشي وعاقبة أمري فاقدره لي ويسره لي ثم بارك لي فيه اللهم وإن كنت تعلم أنه شر لي في ديني ومعاشي وعاقبة أمري أو قال في عاجل أمري وآجله فاصرفني عنه واقدر لي الخير حيث كان ثم رضني به
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ সালামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সহাবাগণকে সকল কাজে এভাবে ইস্তিখারা শিক্ষা দিতেন, যেভাবে তিনি তাদের কুরআনের সুরা শিক্ষা দিতেন। তিনি বলতেনঃ তোমাদের কেউ যখন কোন কাজ করার ইচ্ছা করে, তখন সে যেন দুই রাক’আত নফল সালাত আদায় করে নেয়। তারপর এ বলে দু’আ করে, হে আল্লাহ্! আমি আপনারই ইল্মের সাহায্যে মঙ্গল তলব করছি। আর আপনারই কুদরতের সাহায্যে আমি শক্তি অন্বেষণ করছি। আর আপনারই অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি। কেননা, আপনিই শক্তি রাখেন, আমি কোন শক্তি রাখিনা। আপনিই সব কিছু জানেন, আমি কিছু জানি না। গায়িবী বিষয়াদির বিশেষজ্ঞ একমাত্র আপনি। এরপর সালাত আদায়কারী মনে মনে স্বীয় উদ্দেশ্য উল্লেখ করে বলবে, হে আল্লাহ্! আপনি যদি জানেন যে, এ কাজটি আমার জন্য বর্তমানে ও ভবিষ্যতে মঙ্গলজনক- বর্ণনাকারী বলেন, কিংবা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ স্থানে বলেছেনঃ আমার দ্বীন-দুনিয়া ও পরিণামের ক্ষেত্রে কল্যাণকর, তাহলে আমার জন্য তা নির্ধারণ করে নিন এবং তা আমার জন্য সহজ করে দিন, আর আমার জন্য এতে বরকত দিন। হে আল্লাহ্! আর যদি আপনি জানেন যে, এটি আমার দ্বীন, দুনিয়া ও পরিণামের ক্ষেত্রে অথবা আমার বর্তমান ও ভবিষ্যতের ব্যাপারে অমঙ্গলজনক, তবে তা থেকে আমাকে বিরত রাখুন। আর আমার জন্যে কল্যাণ নির্ধারণ করুন যেখানেই হয় অতঃপর আমাকে সন্তুষ্ট রাখুন। [২০৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৮৬)
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ সালামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সহাবাগণকে সকল কাজে এভাবে ইস্তিখারা শিক্ষা দিতেন, যেভাবে তিনি তাদের কুরআনের সুরা শিক্ষা দিতেন। তিনি বলতেনঃ তোমাদের কেউ যখন কোন কাজ করার ইচ্ছা করে, তখন সে যেন দুই রাক’আত নফল সালাত আদায় করে নেয়। তারপর এ বলে দু’আ করে, হে আল্লাহ্! আমি আপনারই ইল্মের সাহায্যে মঙ্গল তলব করছি। আর আপনারই কুদরতের সাহায্যে আমি শক্তি অন্বেষণ করছি। আর আপনারই অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি। কেননা, আপনিই শক্তি রাখেন, আমি কোন শক্তি রাখিনা। আপনিই সব কিছু জানেন, আমি কিছু জানি না। গায়িবী বিষয়াদির বিশেষজ্ঞ একমাত্র আপনি। এরপর সালাত আদায়কারী মনে মনে স্বীয় উদ্দেশ্য উল্লেখ করে বলবে, হে আল্লাহ্! আপনি যদি জানেন যে, এ কাজটি আমার জন্য বর্তমানে ও ভবিষ্যতে মঙ্গলজনক- বর্ণনাকারী বলেন, কিংবা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ স্থানে বলেছেনঃ আমার দ্বীন-দুনিয়া ও পরিণামের ক্ষেত্রে কল্যাণকর, তাহলে আমার জন্য তা নির্ধারণ করে নিন এবং তা আমার জন্য সহজ করে দিন, আর আমার জন্য এতে বরকত দিন। হে আল্লাহ্! আর যদি আপনি জানেন যে, এটি আমার দ্বীন, দুনিয়া ও পরিণামের ক্ষেত্রে অথবা আমার বর্তমান ও ভবিষ্যতের ব্যাপারে অমঙ্গলজনক, তবে তা থেকে আমাকে বিরত রাখুন। আর আমার জন্যে কল্যাণ নির্ধারণ করুন যেখানেই হয় অতঃপর আমাকে সন্তুষ্ট রাখুন। [২০৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৮৬)
إبراهيم بن المنذر حدثنا معن بن عيسى حدثني عبد الرحمن بن أبي الموالي قال سمعت محمد بن المنكدر يحدث عبد الله بن الحسن يقول أخبرني جابر بن عبد الله السلمي قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعلم أصحابه الاستخارة في الأمور كلها كما يعلمهم السورة من القرآن يقول إذا هم أحدكم بالأمر فليركع ركعتين من غير الفريضة ثم ليقل اللهم إني أستخيرك بعلمك وأستقدرك بقدرتك وأسألك من فضلك فإنك تقدر ولا أقدر وتعلم ولا أعلم وأنت علام الغيوب اللهم فإن كنت تعلم هذا الأمر ثم تسميه بعينه خيرا لي في عاجل أمري وآجله قال أو في ديني ومعاشي وعاقبة أمري فاقدره لي ويسره لي ثم بارك لي فيه اللهم وإن كنت تعلم أنه شر لي في ديني ومعاشي وعاقبة أمري أو قال في عاجل أمري وآجله فاصرفني عنه واقدر لي الخير حيث كان ثم رضني به
সহিহ বুখারী > অন্তরসমূহ পরিবর্তনকারী।
সহিহ বুখারী ৭৩৯১
سعيد بن سليمان عن ابن المبارك عن موسى بن عقبة عن سالم عن عبد الله قال أكثر ما كان النبي صلى الله عليه وسلم يحلف لا ومقلب القلوب
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অধিকাংশ সময় কসম করতেন এ কথা বলে- না, তাঁর কসম, যিনি অন্তরসমূহ পরিবর্তন করে দেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৮৭)
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অধিকাংশ সময় কসম করতেন এ কথা বলে- না, তাঁর কসম, যিনি অন্তরসমূহ পরিবর্তন করে দেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৮৭)
سعيد بن سليمان عن ابن المبارك عن موسى بن عقبة عن سالم عن عبد الله قال أكثر ما كان النبي صلى الله عليه وسلم يحلف لا ومقلب القلوب
সহিহ বুখারী > আল্লাহ্র এক কম একশ’ নাম আছে।
সহিহ বুখারী ৭৩৯২
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، حدثنا أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن لله تسعة وتسعين اسما مائة إلا واحدا، من أحصاها دخل الجنة ". {أحصيناه} حفظناه.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলার নিরানববইটি এক কম একশ’টি নাম আছে।[১] যে ব্যক্তি এগুলো মুখস্থ করে রাখবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। أَحْصَيْنَاهُ -এর অর্থ حَفِظْنَاهُ অর্থাৎ আমরা একে মুখস্থ করলাম। [২৭৩৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৮৮)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলার নিরানববইটি এক কম একশ’টি নাম আছে।[১] যে ব্যক্তি এগুলো মুখস্থ করে রাখবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। أَحْصَيْنَاهُ -এর অর্থ حَفِظْنَاهُ অর্থাৎ আমরা একে মুখস্থ করলাম। [২৭৩৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৮৮)
حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، حدثنا أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إن لله تسعة وتسعين اسما مائة إلا واحدا، من أحصاها دخل الجنة ". {أحصيناه} حفظناه.
সহিহ বুখারী > আল্লাহ্ তা’আলার নামগুলোর সাহায্যে প্রার্থনা করা ও আশ্রয় চাওয়া।
সহিহ বুখারী ৭৩৯৪
مسلم حدثنا شعبة عن عبد الملك عن ربعي عن حذيفة قال كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا أوى إلى فراشه قال اللهم باسمك أحيا وأموت وإذا أصبح قال الحمد لله الذي أحيانا بعد ما أماتنا وإليه النشور
হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন আপন বিছানায় যেতেন, তখন বলতেন- হে আল্লাহ্! আমি তোমারই নামে মৃত্যুবরণ করি, আবার তোমারই নামে জীবিত হই। আবার ভোর হলে বলতেনঃ সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহ্র যিনি আমাদের কে মৃত্যুর (ঘুমের) পর জীবিত করেছেন এবং তাঁরই কাছে সমবেত হতে হবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯০)
হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন আপন বিছানায় যেতেন, তখন বলতেন- হে আল্লাহ্! আমি তোমারই নামে মৃত্যুবরণ করি, আবার তোমারই নামে জীবিত হই। আবার ভোর হলে বলতেনঃ সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহ্র যিনি আমাদের কে মৃত্যুর (ঘুমের) পর জীবিত করেছেন এবং তাঁরই কাছে সমবেত হতে হবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯০)
مسلم حدثنا شعبة عن عبد الملك عن ربعي عن حذيفة قال كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا أوى إلى فراشه قال اللهم باسمك أحيا وأموت وإذا أصبح قال الحمد لله الذي أحيانا بعد ما أماتنا وإليه النشور
সহিহ বুখারী ৭৩৯৫
سعد بن حفص حدثنا شيبان عن منصور عن ربعي بن حراش عن خرشة بن الحر عن أبي ذر قال كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا أخذ مضجعه من الليل قال باسمك نموت ونحيا فإذا استيقظ قال الحمد لله الذي أحيانا بعد ما أماتنا وإليه النشور
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রাতে তাঁর বিছানায় যেতেন তখন বলতেনঃ আমরা তোমারই নামে মৃত্যুবরণ করি ও জীবিত হই এবং তিনি যখন জাগতেন তখন বলতেনঃ সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহ্র, যিনি মৃত্যুর পর আমাদের জীবিত করেন এবং তাঁরই কাছে সমবেত হতে হবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯১)
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রাতে তাঁর বিছানায় যেতেন তখন বলতেনঃ আমরা তোমারই নামে মৃত্যুবরণ করি ও জীবিত হই এবং তিনি যখন জাগতেন তখন বলতেনঃ সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহ্র, যিনি মৃত্যুর পর আমাদের জীবিত করেন এবং তাঁরই কাছে সমবেত হতে হবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯১)
سعد بن حفص حدثنا شيبان عن منصور عن ربعي بن حراش عن خرشة بن الحر عن أبي ذر قال كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا أخذ مضجعه من الليل قال باسمك نموت ونحيا فإذا استيقظ قال الحمد لله الذي أحيانا بعد ما أماتنا وإليه النشور
সহিহ বুখারী ৭৩৯৭
عبد الله بن مسلمة حدثنا فضيل عن منصور عن إبراهيم عن همام عن عدي بن حاتم قال سألت النبي صلى الله عليه وسلم قلت أرسل كلابي المعلمة قال إذا أرسلت كلابك المعلمة وذكرت اسم الله فأمسكن فكل وإذا رميت بالمعراض فخزق فكل
আদী ইনবু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞেস করলাম- আমি আমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর ছেড়ে দেই। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যখন তুমি আল্লাহ্র নাম উচ্চারণ করে তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরগুলো ছেড়ে দাও এবং যদি সে কোন শিকার ধরে আনে, তাহলে তা খাও। আর যদি তীক্ষ্ণ তীর নিক্ষেপ কর এবং এতে যদি শিকার দেহ ফেড়ে দেয়, তবে তা খাও। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯৩)
আদী ইনবু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞেস করলাম- আমি আমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর ছেড়ে দেই। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যখন তুমি আল্লাহ্র নাম উচ্চারণ করে তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরগুলো ছেড়ে দাও এবং যদি সে কোন শিকার ধরে আনে, তাহলে তা খাও। আর যদি তীক্ষ্ণ তীর নিক্ষেপ কর এবং এতে যদি শিকার দেহ ফেড়ে দেয়, তবে তা খাও। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯৩)
عبد الله بن مسلمة حدثنا فضيل عن منصور عن إبراهيم عن همام عن عدي بن حاتم قال سألت النبي صلى الله عليه وسلم قلت أرسل كلابي المعلمة قال إذا أرسلت كلابك المعلمة وذكرت اسم الله فأمسكن فكل وإذا رميت بالمعراض فخزق فكل
সহিহ বুখারী ৭৩৯৮
يوسف بن موسى حدثنا أبو خالد الأحمر قال سمعت هشام بن عروة يحدث عن أبيه عن عائشة قالت قالوا يا رسول الله إن ها هنا أقواما حديث عهدهم بشرك يأتونا بلحمان لا ندري يذكرون اسم الله عليها أم لا قال اذكروا أنتم اسم الله وكلوا تابعه محمد بن عبد الرحمن والدراوردي وأسامة بن حفص
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এখানে এমন কতকগুলো সম্প্রদায় আছে, যারা সবে মাত্র শিরক ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করেছে। তারা আমাদের জন্য গোশত নিয়ে আসে। সেগুলো যবাই করার কালে তারা আল্লাহর নাম নেয় কিনা তা আমরা জানি না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে নেবে এবং তা খাবে। এ হাদীস বর্ণনায় আবূ খালিদ (রহঃ) -এর অনুসরণ করেছেন মুহাম্মাদ ইবনু আবদুর রহমান, দায়াওয়ার্দী এবং উসামাহ ইবনু হাফস। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯৪)
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এখানে এমন কতকগুলো সম্প্রদায় আছে, যারা সবে মাত্র শিরক ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করেছে। তারা আমাদের জন্য গোশত নিয়ে আসে। সেগুলো যবাই করার কালে তারা আল্লাহর নাম নেয় কিনা তা আমরা জানি না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে নেবে এবং তা খাবে। এ হাদীস বর্ণনায় আবূ খালিদ (রহঃ) -এর অনুসরণ করেছেন মুহাম্মাদ ইবনু আবদুর রহমান, দায়াওয়ার্দী এবং উসামাহ ইবনু হাফস। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯৪)
يوسف بن موسى حدثنا أبو خالد الأحمر قال سمعت هشام بن عروة يحدث عن أبيه عن عائشة قالت قالوا يا رسول الله إن ها هنا أقواما حديث عهدهم بشرك يأتونا بلحمان لا ندري يذكرون اسم الله عليها أم لا قال اذكروا أنتم اسم الله وكلوا تابعه محمد بن عبد الرحمن والدراوردي وأسامة بن حفص
সহিহ বুখারী ৭৩৯৩
عبد العزيز بن عبد الله حدثني مالك عن سعيد بن أبي سعيد المقبري عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا جاء أحدكم فراشه فلينفضه بصنفة ثوبه ثلاث مرات وليقل باسمك رب وضعت جنبي وبك أرفعه إن أمسكت نفسي فاغفر لها وإن أرسلتها فاحفظها بما تحفظ به عبادك الصالحين تابعه يحيى وبشر بن المفضل عن عبيد الله عن سعيد عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم وزاد زهير وأبو ضمرة وإسماعيل بن زكرياء عن عبيد الله عن سعيد عن أبيه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم ورواه ابن عجلان عن سعيد عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ তোমাদের কেউ বিছানায় গেলে তখন সে যেন তার কাপড়ের আঁচল দিয়ে তা তিনবার ঝেড়ে নেয়। আর বলে, হে আমার প্রতিপালক! একমাত্র তোমারই নামে আমার শরীরের পার্শ্বদেশ বিছানায় রাখলাম এবং তোমারই সাহায্যে আবার তা উঠাব। তুমি যদি আমার জীবনকে আটকে রাখ, তাহলে তাকে ক্ষমা করে দিবে। আর যদি তা ফিরিয়ে দাও, তাহলে তোমার নেককার বান্দাদের যেভাবে হিফাযত কর, সেভাবে তার হিফাযাত করবে। ইয়াহ্ইয়া ও বিশ্র ইব্নু মুফাদ্দাল (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এই হাদীসেরই অনুকরণে বর্ণনা করেছেন। যুহায়র, আবূ যামরাহ, ইসমা’ঈল ইব্নু যাকারীয়্যা (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। ইব্নু আজলান (রাঃ).........আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৮৯)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ তোমাদের কেউ বিছানায় গেলে তখন সে যেন তার কাপড়ের আঁচল দিয়ে তা তিনবার ঝেড়ে নেয়। আর বলে, হে আমার প্রতিপালক! একমাত্র তোমারই নামে আমার শরীরের পার্শ্বদেশ বিছানায় রাখলাম এবং তোমারই সাহায্যে আবার তা উঠাব। তুমি যদি আমার জীবনকে আটকে রাখ, তাহলে তাকে ক্ষমা করে দিবে। আর যদি তা ফিরিয়ে দাও, তাহলে তোমার নেককার বান্দাদের যেভাবে হিফাযত কর, সেভাবে তার হিফাযাত করবে। ইয়াহ্ইয়া ও বিশ্র ইব্নু মুফাদ্দাল (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এই হাদীসেরই অনুকরণে বর্ণনা করেছেন। যুহায়র, আবূ যামরাহ, ইসমা’ঈল ইব্নু যাকারীয়্যা (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। ইব্নু আজলান (রাঃ).........আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৮৯)
عبد العزيز بن عبد الله حدثني مالك عن سعيد بن أبي سعيد المقبري عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا جاء أحدكم فراشه فلينفضه بصنفة ثوبه ثلاث مرات وليقل باسمك رب وضعت جنبي وبك أرفعه إن أمسكت نفسي فاغفر لها وإن أرسلتها فاحفظها بما تحفظ به عبادك الصالحين تابعه يحيى وبشر بن المفضل عن عبيد الله عن سعيد عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم وزاد زهير وأبو ضمرة وإسماعيل بن زكرياء عن عبيد الله عن سعيد عن أبيه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم ورواه ابن عجلان عن سعيد عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم
সহিহ বুখারী ৭৩৯৬
قتيبة بن سعيد حدثنا جرير عن منصور عن سالم عن كريب عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لو أن أحدكم إذا أراد أن يأتي أهله فقال باسم الله اللهم جنبنا الشيطان وجنب الشيطان ما رزقتنا فإنه إن يقدر بينهما ولد في ذلك لم يضره شيطان أبدا
ইনবু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন স্ত্রীর সাথে মিলিত হওয়ার ইচ্ছা করে এবং সে বলে আল্লাহ্র নামে শুরু করছি। হে আল্লাহ্! আমাদেরকে শয়তান থেকে দূরে রাখুন এবং আপনি আমাদের যে রিযিক দেন তা থেকে শয়তান কে দূরে রাখুন এবং উভয়ের মাধ্যমে যদি কোন সন্তান নির্ধারণ করা হয় তাহলে শয়তান কখনো তার ক্ষতি করতে পারে না। [২১০](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯২)
ইনবু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন স্ত্রীর সাথে মিলিত হওয়ার ইচ্ছা করে এবং সে বলে আল্লাহ্র নামে শুরু করছি। হে আল্লাহ্! আমাদেরকে শয়তান থেকে দূরে রাখুন এবং আপনি আমাদের যে রিযিক দেন তা থেকে শয়তান কে দূরে রাখুন এবং উভয়ের মাধ্যমে যদি কোন সন্তান নির্ধারণ করা হয় তাহলে শয়তান কখনো তার ক্ষতি করতে পারে না। [২১০](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯২)
قتيبة بن سعيد حدثنا جرير عن منصور عن سالم عن كريب عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لو أن أحدكم إذا أراد أن يأتي أهله فقال باسم الله اللهم جنبنا الشيطان وجنب الشيطان ما رزقتنا فإنه إن يقدر بينهما ولد في ذلك لم يضره شيطان أبدا
সহিহ বুখারী ৭৩৯৯
حفص بن عمر حدثنا هشام عن قتادة عن أنس قال ضحى النبي صلى الله عليه وسلم بكبشين يسمي ويكبر
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিস্মিল্লাহ্ পড়ে এবং তাকবীর বলে দু'টি ভেড়া কুরবানী করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯৫)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিস্মিল্লাহ্ পড়ে এবং তাকবীর বলে দু'টি ভেড়া কুরবানী করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯৫)
حفص بن عمر حدثنا هشام عن قتادة عن أنس قال ضحى النبي صلى الله عليه وسلم بكبشين يسمي ويكبر
সহিহ বুখারী ৭৪০১
أبو نعيم حدثنا ورقاء عن عبد الله بن دينار عن ابن عمر قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لا تحلفوا بآبائكم ومن كان حالفا فليحلف بالله
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের বাপ-দাদার নামে কসম করো না। যে ব্যক্তি কসমকারী হবে সে যেন আল্লাহর নামেই কসম করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯৭)
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের বাপ-দাদার নামে কসম করো না। যে ব্যক্তি কসমকারী হবে সে যেন আল্লাহর নামেই কসম করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯৭)
أبو نعيم حدثنا ورقاء عن عبد الله بن دينار عن ابن عمر قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لا تحلفوا بآبائكم ومن كان حالفا فليحلف بالله
সহিহ বুখারী ৭৪০০
حفص بن عمر حدثنا شعبة عن الأسود بن قيس عن جندب أنه شهد النبي صلى الله عليه وسلم يوم النحر صلى ثم خطب فقال من ذبح قبل أن يصلي فليذبح مكانها أخرى ومن لم يذبح فليذبح باسم الله
জুনদাব ইবনু আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন কুরবানীর দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) 'র কাছে উপস্থিত ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত পড়লেন। অতঃপর খুতবা দিলেন এবং বললেনঃ সালাত পড়ার আগে যে ব্যক্তি কুরবানীর পশু যবেহ করেছে, সে যেন তদস্থলে আরেকটি পশু যবেহ করে। আর যে ব্যক্তি (সলাতের আগে) যবেহ করেনি সে যেন আল্লাহর নামে যবেহ করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯৬)
জুনদাব ইবনু আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন কুরবানীর দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) 'র কাছে উপস্থিত ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত পড়লেন। অতঃপর খুতবা দিলেন এবং বললেনঃ সালাত পড়ার আগে যে ব্যক্তি কুরবানীর পশু যবেহ করেছে, সে যেন তদস্থলে আরেকটি পশু যবেহ করে। আর যে ব্যক্তি (সলাতের আগে) যবেহ করেনি সে যেন আল্লাহর নামে যবেহ করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৯৬)
حفص بن عمر حدثنا شعبة عن الأسود بن قيس عن جندب أنه شهد النبي صلى الله عليه وسلم يوم النحر صلى ثم خطب فقال من ذبح قبل أن يصلي فليذبح مكانها أخرى ومن لم يذبح فليذبح باسم الله