সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌র তাওহীদের দিকে উম্মতের প্রতি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর আহ্বান।

সহিহ বুখারী ৭৩৭১

أبو عاصم حدثنا زكرياء بن إسحاق عن يحيى بن محمد بن عبد الله بن صيفي عن أبي معبد عن ابن عباس أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث معاذا إلى اليمن

ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মু’য়ায (রাঃ) -কে ইয়ামানে প্রেরণ করেছিলেন।

ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মু’য়ায (রাঃ) -কে ইয়ামানে প্রেরণ করেছিলেন।

أبو عاصم حدثنا زكرياء بن إسحاق عن يحيى بن محمد بن عبد الله بن صيفي عن أبي معبد عن ابن عباس أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث معاذا إلى اليمن


সহিহ বুখারী ৭৩৭২

و حدثني عبد الله بن أبي الأسود حدثنا الفضل بن العلاء حدثنا إسماعيل بن أمية عن يحيى بن محمد بن عبد الله بن صيفي أنه سمع أبا معبد مولى ابن عباس يقول سمعت ابن عباس يقول لما بعث النبي صلى الله عليه وسلم معاذ بن جبل إلى نحو أهل اليمن قال له إنك تقدم على قوم من أهل الكتاب فليكن أول ما تدعوهم إلى أن يوحدوا الله تعالى فإذا عرفوا ذ‘لك فأخبرهم أن الله قد فرض عليهم خمس صلوات في يومهم وليلتهم فإذا صلوا فأخبرهم أن الله افترض عليهم زكاة في أموالهم تؤخذ من غنيهم فترد على فقيرهم فإذا أقروا بذلك فخذ منهم وتوق كرائم أموال الناس

ইব্‌নু আব্বাসের মুক্ত গোলাম আবূ মা’বাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আব্দুল্লাহ্ ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মু’আয ইব্‌নু জাবাল (রাঃ) -কে ইয়ামান পাঠালেন, তখন তিনি তাঁকে বললেন, তুমি আহলে কিতাবদের একটি কাওমের কাছে যাচ্ছ। অতএব, তাদের প্রতি তোমার প্রথম আহ্বান হবে- তারা যেন আল্লাহ্‌র একত্ববাদ মেনে নেয়। তারা তা স্বীকার করার পর তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, আল্লাহ্ দিনে রাতে তাদের প্রতি পাঁচ বার সালাত ফরয করে দিয়েছেন। যখন তারা সালাত আদায় করবে, তখন তুমি তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, তাদের ধন-সম্পদে আল্লাহ তাদের প্রতি যাকাত ফরয করেছেন। তা তাদেরই ধনশালীদের থেকে গ্রহণ করা হবে। আবার তাদের ফকীরদেরকে তা দেয়া হবে। যখন তারা স্বীকার করে নেবে, তখন তাদের থেকে গ্রহণ কর। তবে লোকজনের ধন-সম্পদের উত্তম অংশ গ্রহণ করা থেকে বেঁচে থাক।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬৮)

ইব্‌নু আব্বাসের মুক্ত গোলাম আবূ মা’বাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আব্দুল্লাহ্ ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মু’আয ইব্‌নু জাবাল (রাঃ) -কে ইয়ামান পাঠালেন, তখন তিনি তাঁকে বললেন, তুমি আহলে কিতাবদের একটি কাওমের কাছে যাচ্ছ। অতএব, তাদের প্রতি তোমার প্রথম আহ্বান হবে- তারা যেন আল্লাহ্‌র একত্ববাদ মেনে নেয়। তারা তা স্বীকার করার পর তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, আল্লাহ্ দিনে রাতে তাদের প্রতি পাঁচ বার সালাত ফরয করে দিয়েছেন। যখন তারা সালাত আদায় করবে, তখন তুমি তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, তাদের ধন-সম্পদে আল্লাহ তাদের প্রতি যাকাত ফরয করেছেন। তা তাদেরই ধনশালীদের থেকে গ্রহণ করা হবে। আবার তাদের ফকীরদেরকে তা দেয়া হবে। যখন তারা স্বীকার করে নেবে, তখন তাদের থেকে গ্রহণ কর। তবে লোকজনের ধন-সম্পদের উত্তম অংশ গ্রহণ করা থেকে বেঁচে থাক।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬৮)

و حدثني عبد الله بن أبي الأسود حدثنا الفضل بن العلاء حدثنا إسماعيل بن أمية عن يحيى بن محمد بن عبد الله بن صيفي أنه سمع أبا معبد مولى ابن عباس يقول سمعت ابن عباس يقول لما بعث النبي صلى الله عليه وسلم معاذ بن جبل إلى نحو أهل اليمن قال له إنك تقدم على قوم من أهل الكتاب فليكن أول ما تدعوهم إلى أن يوحدوا الله تعالى فإذا عرفوا ذ‘لك فأخبرهم أن الله قد فرض عليهم خمس صلوات في يومهم وليلتهم فإذا صلوا فأخبرهم أن الله افترض عليهم زكاة في أموالهم تؤخذ من غنيهم فترد على فقيرهم فإذا أقروا بذلك فخذ منهم وتوق كرائم أموال الناس


সহিহ বুখারী ৭৩৭৩

محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن أبي حصين والأشعث بن سليم سمعا الأسود بن هلال عن معاذ بن جبل قال قال النبي صلى الله عليه وسلم يا معاذ أتدري ما حق الله على العباد قال الله ورسوله أعلم قال أن يعبدوه ولا يشركوا به شيئا أتدري ما حقهم عليه قال الله ورسوله أعلم قال أن لا يعذبهم

মু’আয ইব্‌নু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে মু’আয! তোমার কি জানা আছে, বান্দার উপর আল্লাহ্‌র হক কী? তিনি বললেন, আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলই ভাল জানেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ বান্দা আল্লাহ্‌র ‘ইবাদাত করবে, তাঁর সঙ্গে কাউকে শরীক করবে না। (আবার তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন) আল্লাহ্‌র উপর বান্দার হক কী তা কি তুমি জান? তিনি বললেনঃ আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলই ভাল জানেন। তিনি [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] বললেনঃ তা হল বান্দাদেরকে শাস্তি না দেয়া। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬৯)

মু’আয ইব্‌নু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে মু’আয! তোমার কি জানা আছে, বান্দার উপর আল্লাহ্‌র হক কী? তিনি বললেন, আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলই ভাল জানেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ বান্দা আল্লাহ্‌র ‘ইবাদাত করবে, তাঁর সঙ্গে কাউকে শরীক করবে না। (আবার তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন) আল্লাহ্‌র উপর বান্দার হক কী তা কি তুমি জান? তিনি বললেনঃ আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলই ভাল জানেন। তিনি [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] বললেনঃ তা হল বান্দাদেরকে শাস্তি না দেয়া। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬৯)

محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة عن أبي حصين والأشعث بن سليم سمعا الأسود بن هلال عن معاذ بن جبل قال قال النبي صلى الله عليه وسلم يا معاذ أتدري ما حق الله على العباد قال الله ورسوله أعلم قال أن يعبدوه ولا يشركوا به شيئا أتدري ما حقهم عليه قال الله ورسوله أعلم قال أن لا يعذبهم


সহিহ বুখারী ৭৩৭৪

إسماعيل حدثني مالك عن عبد الرحمٰن بن عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي صعصعة عن أبيه عن أبي سعيد الخدري أن رجلا سمع رجلا يقرأ {قل هو الله أحد} يرددها فلما أصبح جاء إلى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر له ذلك وكأن الرجل يتقالها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم والذي نفسي بيده إنها لتعدل ثلث القرآن زاد إسماعيل بن جعفر عن مالك عن عبد الرحمن عن أبيه عن أبي سعيد أخبرني أخي قتادة بن النعمان عن النبي صلى الله عليه وسلم

আবূ সা’ঈদ খুদ্রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক লোক অন্য এক লোককে বারবার ‘ইখলাস’ সূরা তিলাওয়াত করতে শুনল। সকাল বেলা লোকটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে উপস্থিত হয়ে তাঁর নিকট এ বিষয়টি উল্লেখ করল; লোকটি যেন সূরা ইখ্‌লাসের গুরুত্বকে কম করছিল। এই প্রেক্ষিতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে সত্তার হাতে আমার জীবন, তাঁর কসম করে বলছি! এ সূরাটি অবশ্যই কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ। ইস্মাঈল ইব্‌নু জা’ফর ক্বাতাদাহ ইব্‌নু আল-নুমান (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে (কিছুটা) বৃদ্ধি সহ বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৭০৭)

আবূ সা’ঈদ খুদ্রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক লোক অন্য এক লোককে বারবার ‘ইখলাস’ সূরা তিলাওয়াত করতে শুনল। সকাল বেলা লোকটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে উপস্থিত হয়ে তাঁর নিকট এ বিষয়টি উল্লেখ করল; লোকটি যেন সূরা ইখ্‌লাসের গুরুত্বকে কম করছিল। এই প্রেক্ষিতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে সত্তার হাতে আমার জীবন, তাঁর কসম করে বলছি! এ সূরাটি অবশ্যই কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ। ইস্মাঈল ইব্‌নু জা’ফর ক্বাতাদাহ ইব্‌নু আল-নুমান (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে (কিছুটা) বৃদ্ধি সহ বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৭০৭)

إسماعيل حدثني مالك عن عبد الرحمٰن بن عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي صعصعة عن أبيه عن أبي سعيد الخدري أن رجلا سمع رجلا يقرأ {قل هو الله أحد} يرددها فلما أصبح جاء إلى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر له ذلك وكأن الرجل يتقالها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم والذي نفسي بيده إنها لتعدل ثلث القرآن زاد إسماعيل بن جعفر عن مالك عن عبد الرحمن عن أبيه عن أبي سعيد أخبرني أخي قتادة بن النعمان عن النبي صلى الله عليه وسلم


সহিহ বুখারী ৭৩৭৫

أحمد بن صالح حدثنا ابن وهب حدثنا عمرو عن ابن أبي هلال أن أبا الرجال محمد بن عبد الرحمن حدثه عن أمه عمرة بنت عبد الرحمن وكانت في حجر عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم عن عائشة أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث رجلا على سرية وكان يقرأ لأ÷صحابه في صلاتهم فيختم ب قل هو الله أحد فلما رجعوا ذكروا ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال سلوه لأي شيء يصنع ذلك فسألوه فقال لأ÷نها صفة الرحمن وأنا أحب أن أقرأ بها فقال النبي صلى الله عليه وسلم أخبروه أن الله يحبه

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক সহাবীকে একটি মুজাহিদ দলের প্রধান করে অভিযানে পাঠালেন। সলাতে তিনি যখন তাঁর সাথীদের নিয়ে ইমামত করতেন, তখন ইখ্‌লাস সূরাটি দিয়ে সালাত শেষ করতেন। তারা যখন অভিযান থেকে ফিরে আসল তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খেদমতে ব্যাপারটি আলোচনা করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাঁকেই জিজ্ঞেস ক’রো কেন সে এ কাজটি করেছে? এরপর তারা তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি উত্তর দিলেন, এ সূরাটির আল্লাহ্ তা’আলার গুণাবলী রয়েছে। এ জন্য সূরাটি পড়তে আমি ভালোবাসি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে জানিয়ে দাও, আল্লাহ তাঁকে ভালবাসেন। [মুসলিম ৬/৪৫, হাঃ ৮১৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৭১)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক সহাবীকে একটি মুজাহিদ দলের প্রধান করে অভিযানে পাঠালেন। সলাতে তিনি যখন তাঁর সাথীদের নিয়ে ইমামত করতেন, তখন ইখ্‌লাস সূরাটি দিয়ে সালাত শেষ করতেন। তারা যখন অভিযান থেকে ফিরে আসল তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর খেদমতে ব্যাপারটি আলোচনা করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাঁকেই জিজ্ঞেস ক’রো কেন সে এ কাজটি করেছে? এরপর তারা তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি উত্তর দিলেন, এ সূরাটির আল্লাহ্ তা’আলার গুণাবলী রয়েছে। এ জন্য সূরাটি পড়তে আমি ভালোবাসি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে জানিয়ে দাও, আল্লাহ তাঁকে ভালবাসেন। [মুসলিম ৬/৪৫, হাঃ ৮১৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৭১)

أحمد بن صالح حدثنا ابن وهب حدثنا عمرو عن ابن أبي هلال أن أبا الرجال محمد بن عبد الرحمن حدثه عن أمه عمرة بنت عبد الرحمن وكانت في حجر عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم عن عائشة أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث رجلا على سرية وكان يقرأ لأ÷صحابه في صلاتهم فيختم ب قل هو الله أحد فلما رجعوا ذكروا ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال سلوه لأي شيء يصنع ذلك فسألوه فقال لأ÷نها صفة الرحمن وأنا أحب أن أقرأ بها فقال النبي صلى الله عليه وسلم أخبروه أن الله يحبه


সহিহ বুখারী > তুমি বলে দাও, তোমরা আল্লাহ্‌ নামে ডাকো বা রহমান নামে ডাকো। তোমরা যে নামেই ডাকো সকল সুন্দর নামই তাঁর। [২০৬] (সূরা ইসরা ১৭/১১০)

সহিহ বুখারী ৭৩৭৬

حدثنا محمد بن سلام حدثنا أبو معاوية عن الأعمش عن زيد بن وهب وأبي ظبيان عن جرير بن عبد الله قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يرحم الله من لا يرحم الناس.

জারীর ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তার প্রতি রহম করেন না, যে মানুষের প্রতি রহম করে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৭২)

জারীর ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তার প্রতি রহম করেন না, যে মানুষের প্রতি রহম করে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৭২)

حدثنا محمد بن سلام حدثنا أبو معاوية عن الأعمش عن زيد بن وهب وأبي ظبيان عن جرير بن عبد الله قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يرحم الله من لا يرحم الناس.


সহিহ বুখারী ৭৩৭৭

أبو النعمان حدثنا حماد بن زيد عن عاصم الأحول عن أبي عثمان النهدي عن أسامة بن زيد قال كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم إذ جاءه رسول إحدى بناته يدعوه إلى ابنها في الموت فقال النبي صلى الله عليه وسلم ارجع إليها فأخبرها أن لله ما أخذ وله ما أعطى وكل شيء عنده بأجل مسمى فمرها فلتصبر ولتحتسب فأعادت الرسول أنها قد أقسمت لتأتينها فقام النبي صلى الله عليه وسلم وقام معه سعد بن عبادة ومعاذ بن جبل فدفع الصبي إليه ونفسه تقعقع كأنها في شن ففاضت عيناه فقال له سعد يا رسول الله ما هذا قال هذه رحمة جعلها الله في قلوب عباده وإنما يرحم الله من عباده الرحماء

উসামাহ ইব্‌নু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক সময় আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট ছিলাম। এমন সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কোন এক কন্যার পক্ষ থেকে একজন সংবাদবাহক এসে তাঁকে জানাল যে, তাঁর মেয়ের পুত্রের মৃত্যু যন্ত্রণা শুরু হয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সংবাদবাহককে বলে দিলেন, তুমি ফিরে যাও এবং তাকে জানিয়ে দাও, আল্লাহ্ যা নিয়ে নিয়েছেন এবং তিনি যা দিয়ে রেখেছেন সবেরই তিনি মালিক। তাঁর কাছে প্রতিটি জিনিসের মেয়াদ সুনির্দিষ্ট। কাজেই তাকে গিয়ে ধৈর্য ধরতে এবং প্রতিফল পাওয়ার আশা করতে বল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মেয়ে আবার সংবাদ বাহককে পাঠালেন। সে এসে বলল, আপনাকে তাঁর কাছে যাবার জন্য তিনি কসম দিয়ে বলেছেন। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাওয়ার জন্য দাঁড়ালেন, তাঁর সঙ্গে সা’দ ইব্‌নু ‘উবাদাহ (রাঃ), মু’আয ইব্‌নু জাবাল (রাঃ) -ও দাঁড়ালেন। এরপর শিশুটিকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট দেয়া হল। তখন শিশুটির শ্বাস এভাবে দুর্বল হয়ে আসছিল, যেন তা একটি মশ্কে আছে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর চোখ ভিজে গেল। সা’দ ইব্‌নু ‘উবাদাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল (এটা কী?) তিনি বললেনঃ এটিই রহম-দয়ামায়া, যা আল্লাহ্ তাঁর বান্দাদের অন্তরে সৃষ্টি করে দিয়েছেন। আল্লাহ্ তাঁর রহম-দিল বান্দাদের উপরই দয়া করে থাকেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৭৩)

উসামাহ ইব্‌নু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক সময় আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট ছিলাম। এমন সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কোন এক কন্যার পক্ষ থেকে একজন সংবাদবাহক এসে তাঁকে জানাল যে, তাঁর মেয়ের পুত্রের মৃত্যু যন্ত্রণা শুরু হয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সংবাদবাহককে বলে দিলেন, তুমি ফিরে যাও এবং তাকে জানিয়ে দাও, আল্লাহ্ যা নিয়ে নিয়েছেন এবং তিনি যা দিয়ে রেখেছেন সবেরই তিনি মালিক। তাঁর কাছে প্রতিটি জিনিসের মেয়াদ সুনির্দিষ্ট। কাজেই তাকে গিয়ে ধৈর্য ধরতে এবং প্রতিফল পাওয়ার আশা করতে বল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মেয়ে আবার সংবাদ বাহককে পাঠালেন। সে এসে বলল, আপনাকে তাঁর কাছে যাবার জন্য তিনি কসম দিয়ে বলেছেন। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাওয়ার জন্য দাঁড়ালেন, তাঁর সঙ্গে সা’দ ইব্‌নু ‘উবাদাহ (রাঃ), মু’আয ইব্‌নু জাবাল (রাঃ) -ও দাঁড়ালেন। এরপর শিশুটিকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট দেয়া হল। তখন শিশুটির শ্বাস এভাবে দুর্বল হয়ে আসছিল, যেন তা একটি মশ্কে আছে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর চোখ ভিজে গেল। সা’দ ইব্‌নু ‘উবাদাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল (এটা কী?) তিনি বললেনঃ এটিই রহম-দয়ামায়া, যা আল্লাহ্ তাঁর বান্দাদের অন্তরে সৃষ্টি করে দিয়েছেন। আল্লাহ্ তাঁর রহম-দিল বান্দাদের উপরই দয়া করে থাকেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৭৩)

أبو النعمان حدثنا حماد بن زيد عن عاصم الأحول عن أبي عثمان النهدي عن أسامة بن زيد قال كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم إذ جاءه رسول إحدى بناته يدعوه إلى ابنها في الموت فقال النبي صلى الله عليه وسلم ارجع إليها فأخبرها أن لله ما أخذ وله ما أعطى وكل شيء عنده بأجل مسمى فمرها فلتصبر ولتحتسب فأعادت الرسول أنها قد أقسمت لتأتينها فقام النبي صلى الله عليه وسلم وقام معه سعد بن عبادة ومعاذ بن جبل فدفع الصبي إليه ونفسه تقعقع كأنها في شن ففاضت عيناه فقال له سعد يا رسول الله ما هذا قال هذه رحمة جعلها الله في قلوب عباده وإنما يرحم الله من عباده الرحماء


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌র বাণীঃ নিশ্চয়ই আমি তো রিযিক দাতা প্রবল, পরাক্রান্ত। (সূরা আয্‌ যারিয়াত ৫১/৫৮)

সহিহ বুখারী ৭৩৭৮

عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن سعيد بن جبير عن أبي عبد الرحمن السلمي عن أبي موسى الأشعري قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ما أحد أصبر على أذى سمعه من الله يدعون له الولد ثم يعافيهم ويرزقهم.

আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এমন কেউই নাই যে দুঃখ কষ্টদায়ক কিছু শোনার পর, সে ব্যাপারে আল্লাহ্‌র চেয়ে বেশি সবর করতে পারে। লোকেরা আল্লাহ্‌র সন্তান আছে বলে দাবী করে, কিন্তু এর পরেও তিনি তাদেরকে শান্তিতে রাখেন এবং রিজিক দেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৭৪)

আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এমন কেউই নাই যে দুঃখ কষ্টদায়ক কিছু শোনার পর, সে ব্যাপারে আল্লাহ্‌র চেয়ে বেশি সবর করতে পারে। লোকেরা আল্লাহ্‌র সন্তান আছে বলে দাবী করে, কিন্তু এর পরেও তিনি তাদেরকে শান্তিতে রাখেন এবং রিজিক দেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৭৪)

عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن سعيد بن جبير عن أبي عبد الرحمن السلمي عن أبي موسى الأشعري قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ما أحد أصبر على أذى سمعه من الله يدعون له الولد ثم يعافيهم ويرزقهم.


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌র বাণীঃ তিনি অদৃশ্য সম্পর্কে জ্ঞাত, তিনি তাঁর অদৃশ্যের জ্ঞান কারো কাছে প্রকাশ করেন না- (সূরা জ্বিন ৭২/২৬)। ক্বিয়ামাতের জ্ঞান কেবল আল্লাহ্‌র কাছে রয়েছে- (সূরা লুক্বমান ৩১/৩৪)। তা তিনি জেনে শুনে নাযিল করেছেন- (সূরা আন্‌-নিসা ৪/১৬৬)। তাঁর অবগতি ব্যতীত কোন নারী গর্ভ ধারণ করে না বা (তার বোঝা) হালকা করে না- (সূরা ফাতির ৩৫/১১)। ক্বিয়ামাতের জ্ঞান কেবল তাঁরই আছে- (সূরা ফুসসিলাত ৪১/৪৭)।

সহিহ বুখারী ৭৩৭৯

خالد بن مخلد حدثنا سليمان بن بلال حدثني عبد الله بن دينار عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال مفاتيح الغيب خمس لا يعلمها إلا الله لا يعلم ما تغيض الأرحام إلا الله ولا يعلم ما في غد إلا الله ولا يعلم متى يأتي المطر أحد إلا الله ولا تدري نفس بأي أرض تموت إلا الله ولا يعلم متى تقوم الساعة إلا الله

উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রাঃ) সূত্রে নবী সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ গায়িবের চাবি পাঁচটি, যা আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কেউ জানে না। (১) মায়ের পেটে কী লুকিয়ে আছে তা জানেন একমাত্র আল্লাহ্। (২) আগামীকাল কী ঘটবে তাও জানেন একমাত্র আল্লাহ্। (৩) বৃষ্টিপাত কখন হবে তাও আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কেউ জানে না। (৪) কে কোন্ ভূমিতে মারা যাবে তা আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কেউ জানে না। (৫) ক্বিয়ামাত কখন ঘটবে আল্লাহ্ ছাড়া কেউ জানে না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৭৫)

উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রাঃ) সূত্রে নবী সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ গায়িবের চাবি পাঁচটি, যা আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কেউ জানে না। (১) মায়ের পেটে কী লুকিয়ে আছে তা জানেন একমাত্র আল্লাহ্। (২) আগামীকাল কী ঘটবে তাও জানেন একমাত্র আল্লাহ্। (৩) বৃষ্টিপাত কখন হবে তাও আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কেউ জানে না। (৪) কে কোন্ ভূমিতে মারা যাবে তা আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কেউ জানে না। (৫) ক্বিয়ামাত কখন ঘটবে আল্লাহ্ ছাড়া কেউ জানে না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৭৫)

خالد بن مخلد حدثنا سليمان بن بلال حدثني عبد الله بن دينار عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال مفاتيح الغيب خمس لا يعلمها إلا الله لا يعلم ما تغيض الأرحام إلا الله ولا يعلم ما في غد إلا الله ولا يعلم متى يأتي المطر أحد إلا الله ولا تدري نفس بأي أرض تموت إلا الله ولا يعلم متى تقوم الساعة إلا الله


সহিহ বুখারী ৭৩৮০

محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن إسماعيل عن الشعبي عن مسروق عن عائشة قالت من حدثك أن محمدا صلى الله عليه وسلم رأى ربه فقد كذب وهو يقول {لا تدركه الأبصار} ومن حدثك أنه يعلم الغيب فقد كذب وهو يقول لا يعلم الغيب إلا الله

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে ব্যক্তি তোমাকে বলে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বীয় রবকে দেখেছেন, সে মিথ্যা বলল। কেননা আল্লাহ্ বলেছেন, চক্ষু তাঁকে দেখতে পায় না। আর যে ব্যক্তি তোমাকে বলে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গায়েব জানেন, সেও মিথ্যা বলল। কেননা আল্লাহ্ বলেন, গায়িব জানেন একমাত্র আল্লাহ্।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬৬)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে ব্যক্তি তোমাকে বলে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বীয় রবকে দেখেছেন, সে মিথ্যা বলল। কেননা আল্লাহ্ বলেছেন, চক্ষু তাঁকে দেখতে পায় না। আর যে ব্যক্তি তোমাকে বলে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গায়েব জানেন, সেও মিথ্যা বলল। কেননা আল্লাহ্ বলেন, গায়িব জানেন একমাত্র আল্লাহ্।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬৬)

محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن إسماعيل عن الشعبي عن مسروق عن عائشة قالت من حدثك أن محمدا صلى الله عليه وسلم رأى ربه فقد كذب وهو يقول {لا تدركه الأبصار} ومن حدثك أنه يعلم الغيب فقد كذب وهو يقول لا يعلم الغيب إلا الله


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00