সহিহ বুখারী > কোন বিষয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃক অস্বীকৃতি প্রকাশ না করাই তা বৈধ হবার দলীল, অন্য কারো অস্বীকৃতি বৈধতার দলীল নয়।
সহিহ বুখারী ৭৩৫৫
حدثنا حماد بن حميد، حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، عن محمد بن المنكدر، قال رأيت جابر بن عبد الله يحلف بالله أن ابن الصائد الدجال، قلت تحلف بالله. قال إني سمعت عمر يحلف على ذلك عند النبي صلى الله عليه وسلم فلم ينكره النبي صلى الله عليه وسلم.
মুহাম্মাদ ইব্নু মুন্কাদির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জাবির ইব্নু আব্দুল্লাহ (রাঃ) - কে আল্লাহ্র কসম খেয়ে বলতে শুনেছি যে, ইব্নু সাইয়্যাদ একটা দাজ্জাল। আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলামঃ আল্লাহ্র শপথ করে বলছেন? তিনি উত্তরে বললেন, আমি ‘উমর (রাঃ) - কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট শপথ করে এ কথা বলতে শুনেছি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কথা অস্বীকার করেননি।[মুসলিম ৫২/১৯, হাঃ ২৯৬৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৫৩)
মুহাম্মাদ ইব্নু মুন্কাদির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জাবির ইব্নু আব্দুল্লাহ (রাঃ) - কে আল্লাহ্র কসম খেয়ে বলতে শুনেছি যে, ইব্নু সাইয়্যাদ একটা দাজ্জাল। আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলামঃ আল্লাহ্র শপথ করে বলছেন? তিনি উত্তরে বললেন, আমি ‘উমর (রাঃ) - কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট শপথ করে এ কথা বলতে শুনেছি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ কথা অস্বীকার করেননি।[মুসলিম ৫২/১৯, হাঃ ২৯৬৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৫৩)
حدثنا حماد بن حميد، حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، عن محمد بن المنكدر، قال رأيت جابر بن عبد الله يحلف بالله أن ابن الصائد الدجال، قلت تحلف بالله. قال إني سمعت عمر يحلف على ذلك عند النبي صلى الله عليه وسلم فلم ينكره النبي صلى الله عليه وسلم.
সহিহ বুখারী > প্রমানাদির সাহায্যে যেসব বিধিবিধান সম্পর্কে জানা যায়।
সহিহ বুখারী ৭৩৫৭
يحيى حدثنا ابن عيينة عن منصور بن صفية عن أمه عن عائشة أن امرأة سألت النبي صلى الله عليه وسلم ح و حدثنا محمد هو ابن عقبة حدثنا الفضيل بن سليمان النميري البصري حدثنا منصور بن عبد الرحمن ابن شيبة حدثتني أمي عن عائشة أن امرأة سألت النبي صلى الله عليه وسلم عن الحيض كيف تغتسل منه قال تأخذين فرصة ممسكة فتوضئين بها قالت كيف أتوضأ بها يا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال النبي صلى الله عليه وسلم توضئي قالت كيف أتوضأ بها يا رسول الله قال النبي صلى الله عليه وسلم توضئين بها قالت عائشة فعرفت الذي يريد رسول الله صلى الله عليه وسلم فجذبتها إلي فعلمتها
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক স্ত্রীলোক রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে জিজ্ঞেস করল, হায়েয থেকে গোসল কিভাবে করতে হয়? তিনি বললেনঃ তুমি সুগন্ধিযুক্ত এক টুকরা কাপড় নেবে। এবং এর দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করবে। স্ত্রীলোকটি বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি এর দ্বারা কিভাবে পবিত্রতা অর্জন করব? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)ঃ তুমি এর দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করবে। মহিলা আবার বলল, এর দ্বারা কিভাবে পবিত্রতা লাভ করবে? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি এর দ্বারা পবিত্রতা লাভ করবে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি বুঝতে পারলাম রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দ্বারা কী বোঝাতে চাচ্ছেন? অতঃপর আমি স্ত্রীলোকটিকে আমার দিকে টেনে নিলাম এবং বিষয়টি তাকে জানিয়ে দিলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৫৫)
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক স্ত্রীলোক রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে জিজ্ঞেস করল, হায়েয থেকে গোসল কিভাবে করতে হয়? তিনি বললেনঃ তুমি সুগন্ধিযুক্ত এক টুকরা কাপড় নেবে। এবং এর দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করবে। স্ত্রীলোকটি বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি এর দ্বারা কিভাবে পবিত্রতা অর্জন করব? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)ঃ তুমি এর দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করবে। মহিলা আবার বলল, এর দ্বারা কিভাবে পবিত্রতা লাভ করবে? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি এর দ্বারা পবিত্রতা লাভ করবে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি বুঝতে পারলাম রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দ্বারা কী বোঝাতে চাচ্ছেন? অতঃপর আমি স্ত্রীলোকটিকে আমার দিকে টেনে নিলাম এবং বিষয়টি তাকে জানিয়ে দিলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৫৫)
يحيى حدثنا ابن عيينة عن منصور بن صفية عن أمه عن عائشة أن امرأة سألت النبي صلى الله عليه وسلم ح و حدثنا محمد هو ابن عقبة حدثنا الفضيل بن سليمان النميري البصري حدثنا منصور بن عبد الرحمن ابن شيبة حدثتني أمي عن عائشة أن امرأة سألت النبي صلى الله عليه وسلم عن الحيض كيف تغتسل منه قال تأخذين فرصة ممسكة فتوضئين بها قالت كيف أتوضأ بها يا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال النبي صلى الله عليه وسلم توضئي قالت كيف أتوضأ بها يا رسول الله قال النبي صلى الله عليه وسلم توضئين بها قالت عائشة فعرفت الذي يريد رسول الله صلى الله عليه وسلم فجذبتها إلي فعلمتها
সহিহ বুখারী ৭৩৫৯
جابر بن عبد الله قال قال النبي صلى الله عليه وسلم من أكل ثوما أو بصلا فليعتزلنا أو ليعتزل مسجدنا وليقعد في بيته وإنه أتي ببدر قال ابن وهب يعني طبقا فيه خضرات من بقول فوجد لها ريحا فسأل عنها فأخبر بما فيها من البقول فقال قربوها فقربوها إلى بعض أصحابه كان معه فلما رآه كره أكلها قال كل فإني أناجي من لا تناجي وقال ابن عفير عن ابن وهب بقدر فيه خضرات ولم يذكر الليث وأبو صفوان عن يونس قصة القدر فلا أدري هو من قول الزهري أو في الحديث
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি কাঁচা রসুন কিংবা পেঁয়াজ খায়, সে যেন আমাদের থেকে কিংবা আমাদের মাসজিদ থেকে আলাদা থাকে। আর সে যেন তার ঘরে বসে থাকে। এরপর তাঁর কাছে একটি পাত্র আনা হল। বর্ণনাকারী ইবনু ওয়াহ্ব (রাঃ) বলেন, অর্থাৎ শাক-সব্জির একটি বড় পাত্র। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই পাত্রে এক প্রকার গন্ধ পাওয়ায় সে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। তাঁকে পাত্রের মধ্যকার শাক-সব্জি সম্পর্কে জানানো হল। তিনি তা এক সহাবীকে খেতে দিতে বললেন যিনি তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। এরপর তিনি যখন দেখলেন, সে তা খেতে অপছন্দ করছে তখন তিনি বললেনঃ খাও, কারণ আমি যাঁর সঙ্গে গোপনে কথোপকথন করি, তুমি তাঁর সঙ্গে তা কর না। ইবনু ‘উফায়র (রহ.).....ইবনু ওয়াহ্ব (রহ.) থেকে طَبَقًا فِيْهِ خَضِرَاتٌ -এর জায়গায় بِقِدْرٍ فِيْهِ خَضِرَاتٌ (শাক-সব্জির একটি হাঁড়ি) বর্ণনা করেছেন। অন্যদিকে লায়স ও আবূ সাফওয়ান (রহ.) ইউনুস (রহ.) থেকে হাঁড়ির ঘটনা উল্লেখ করেননি। এটি কি হাদীসে বর্ণিত না যুহরী (রাঃ)-এর উক্তি তা আমার জানা নেই। [৮৫৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৫৭)
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি কাঁচা রসুন কিংবা পেঁয়াজ খায়, সে যেন আমাদের থেকে কিংবা আমাদের মাসজিদ থেকে আলাদা থাকে। আর সে যেন তার ঘরে বসে থাকে। এরপর তাঁর কাছে একটি পাত্র আনা হল। বর্ণনাকারী ইবনু ওয়াহ্ব (রাঃ) বলেন, অর্থাৎ শাক-সব্জির একটি বড় পাত্র। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই পাত্রে এক প্রকার গন্ধ পাওয়ায় সে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। তাঁকে পাত্রের মধ্যকার শাক-সব্জি সম্পর্কে জানানো হল। তিনি তা এক সহাবীকে খেতে দিতে বললেন যিনি তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। এরপর তিনি যখন দেখলেন, সে তা খেতে অপছন্দ করছে তখন তিনি বললেনঃ খাও, কারণ আমি যাঁর সঙ্গে গোপনে কথোপকথন করি, তুমি তাঁর সঙ্গে তা কর না। ইবনু ‘উফায়র (রহ.).....ইবনু ওয়াহ্ব (রহ.) থেকে طَبَقًا فِيْهِ خَضِرَاتٌ -এর জায়গায় بِقِدْرٍ فِيْهِ خَضِرَاتٌ (শাক-সব্জির একটি হাঁড়ি) বর্ণনা করেছেন। অন্যদিকে লায়স ও আবূ সাফওয়ান (রহ.) ইউনুস (রহ.) থেকে হাঁড়ির ঘটনা উল্লেখ করেননি। এটি কি হাদীসে বর্ণিত না যুহরী (রাঃ)-এর উক্তি তা আমার জানা নেই। [৮৫৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৫৭)
جابر بن عبد الله قال قال النبي صلى الله عليه وسلم من أكل ثوما أو بصلا فليعتزلنا أو ليعتزل مسجدنا وليقعد في بيته وإنه أتي ببدر قال ابن وهب يعني طبقا فيه خضرات من بقول فوجد لها ريحا فسأل عنها فأخبر بما فيها من البقول فقال قربوها فقربوها إلى بعض أصحابه كان معه فلما رآه كره أكلها قال كل فإني أناجي من لا تناجي وقال ابن عفير عن ابن وهب بقدر فيه خضرات ولم يذكر الليث وأبو صفوان عن يونس قصة القدر فلا أدري هو من قول الزهري أو في الحديث
সহিহ বুখারী ৭৩৬০
عبيد الله بن سعد بن إبراهيم حدثنا أبي وعمي قالا حدثنا أبي عن أبيه أخبرني محمد بن جبير أن أباه جبير بن مطعم أخبره أن امرأة أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم فكلمته في شيء فأمرها بأمر فقالت أرأيت يا رسول الله إن لم أجدك قال إن لم تجديني فأتي أبا بكر زاد لنا الحميدي عن إبراهيم بن سعد كأنها تعني الموت
জুবায়র ইব্নু মুত্ঈম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক স্ত্রীলোক রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট হাযির হল এবং তাঁর সঙ্গে কোন ব্যাপারে কথাবার্তা বলল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে কোন বিষয়ে নির্দেশ দিলেন। এরপর স্ত্রীলোকটি বলল, হে আল্লাহ্র রসূল। আপনাকে যদি না পাই? তিনি বললেনঃ যখন আমাকে পাবে না, তখন আসবে আবূ বকর (রাঃ) - এর কাছে। আবূ ‘আবদুল্লাহ্ [(ইমাম বুখারী (রহঃ)] বলেন, বর্ণনাকারী হুমায়দী (রহঃ) ইবরাহীম ইব্নু সা‘দ (রহঃ) থেকে আরো অতিরিক্ত বলেছেন, স্ত্রীলোকটি সম্ভবত তার কথা দ্বারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর মৃত্যুর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৫৮)
জুবায়র ইব্নু মুত্ঈম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক স্ত্রীলোক রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট হাযির হল এবং তাঁর সঙ্গে কোন ব্যাপারে কথাবার্তা বলল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে কোন বিষয়ে নির্দেশ দিলেন। এরপর স্ত্রীলোকটি বলল, হে আল্লাহ্র রসূল। আপনাকে যদি না পাই? তিনি বললেনঃ যখন আমাকে পাবে না, তখন আসবে আবূ বকর (রাঃ) - এর কাছে। আবূ ‘আবদুল্লাহ্ [(ইমাম বুখারী (রহঃ)] বলেন, বর্ণনাকারী হুমায়দী (রহঃ) ইবরাহীম ইব্নু সা‘দ (রহঃ) থেকে আরো অতিরিক্ত বলেছেন, স্ত্রীলোকটি সম্ভবত তার কথা দ্বারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর মৃত্যুর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৫৮)
عبيد الله بن سعد بن إبراهيم حدثنا أبي وعمي قالا حدثنا أبي عن أبيه أخبرني محمد بن جبير أن أباه جبير بن مطعم أخبره أن امرأة أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم فكلمته في شيء فأمرها بأمر فقالت أرأيت يا رسول الله إن لم أجدك قال إن لم تجديني فأتي أبا بكر زاد لنا الحميدي عن إبراهيم بن سعد كأنها تعني الموت
সহিহ বুখারী ৭৩৫৬
إسماعيل حدثني مالك عن زيد بن أسلم عن أبي صالح السمان عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الخيل لثلاثة لرجل أجر ولرجل ستر وعلى رجل وزر فأما الذي له أجر فرجل ربطها في سبيل الله فأطال لها في مرج أو روضة فما أصابت في طيلها ذلك من المرج أو الروضة كان له حسنات ولو أنها قطعت طيلها فاستنت شرفا أو شرفين كانت آثارها وأرواثها حسنات له ولو أنها مرت بنهر فشربت منه ولم يرد أن يسقي به كان ذلك حسنات له وهي لذلك الرجل أجر ورجل ربطها تغنيا وتعففا ولم ينس حق الله في رقابها ولا ظهورها فهي له ستر ورجل ربطها فخرا ورياء فهي على ذلك وزر وسئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الحمر قال ما أنزل الله علي فيها إلا هذه الآية الفاذة الجامعة {فمن يعمل مثقال ذرة خيرا يره ومن يعمل مثقال ذرة شرا يره}
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ঘোড়া ব্যবহারের দিক দিয়ে মানুষ তিন রকম। এক রকম লোকের জন্য ঘোড়া সওয়ারের মাধ্যম, আর এক রকম লোকের জন্য তা পাপ থেকে বাঁচার অবলম্বন এবং আর এক রকম লোকের জন্য তা শাস্তির কারণ। তার জন্য ঘোড়া সওয়ারের মাধ্যম, যে ঘোড়াকে আল্লাহ্র রাস্তায় ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখে এবং চারণভূমি বা বাগানে প্রশস্ত রশিতে বেঁধে বিচরণ করতে দেয়। এই রশি যত লম্বা এবং যত দূরত্বে ঘোড়া চরতে পারে, সে তত বেশি সওয়াব পায়। যদি ঘোড়া এ দড়ি ছিঁড়ে এক চক্কর বা দু’চক্কর লাগায় তবে ঐ ঘোড়ার প্রতিটি পদক্ষেপ এবং মালের বিনিময়ে তাকে সওয়াব দেয়া হয়। ঘোড়া যদি কোন নদী বা নালায় গিয়ে পানি খেয়ে ফেলে অথচ মালিক পানি খাওয়ারনোর নিয়ত করেনি, এগুলো খুবই নেক কাজ। এর জন্য এ লোকের সওয়াব আছে। আর যে লোক ঘোড়া পালন করে একমাত্র অমুখাপেক্ষিতা এবং স্বনির্ভরতা বজায় রাখার জন্য; এর সঙ্গে সঙ্গে ঘোড়ার ঘাড়ে ও পিঠে যে আল্লাহ্র হক আছে তা আদায় করতেও সে ভুলে যায় না। এ ঘোড়া তার জন্য শাস্তি থেকে পর্দা হবে। আর যে ব্যক্তি অহংকার ও বশ্যতঃ ও লোক দেখানোর জন্য ঘোড়া পোষে, তার জন্য এই ঘোড়া (পাপের) বোঝা হবে। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে গাধা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল। তখন তিনি বললেনঃ এ সম্পর্কে আমার উপর ব্যাপক অর্থবোধক একটি আয়াত ব্যতীত আল্লাহ্ অন্য কিছু অবতীর্ণ করেন নিঃ “অতএব কেউ অণু পরিমাণও সৎ কাজ করলে সে তা দেখবে, আর কেউ অণু পরিমাণও অসৎ কাজ করলে সে তা দেখবে।”- (সূরাহ যিলযালা ৯৯/৭-৮)। [২৩৭১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৫৪)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ঘোড়া ব্যবহারের দিক দিয়ে মানুষ তিন রকম। এক রকম লোকের জন্য ঘোড়া সওয়ারের মাধ্যম, আর এক রকম লোকের জন্য তা পাপ থেকে বাঁচার অবলম্বন এবং আর এক রকম লোকের জন্য তা শাস্তির কারণ। তার জন্য ঘোড়া সওয়ারের মাধ্যম, যে ঘোড়াকে আল্লাহ্র রাস্তায় ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখে এবং চারণভূমি বা বাগানে প্রশস্ত রশিতে বেঁধে বিচরণ করতে দেয়। এই রশি যত লম্বা এবং যত দূরত্বে ঘোড়া চরতে পারে, সে তত বেশি সওয়াব পায়। যদি ঘোড়া এ দড়ি ছিঁড়ে এক চক্কর বা দু’চক্কর লাগায় তবে ঐ ঘোড়ার প্রতিটি পদক্ষেপ এবং মালের বিনিময়ে তাকে সওয়াব দেয়া হয়। ঘোড়া যদি কোন নদী বা নালায় গিয়ে পানি খেয়ে ফেলে অথচ মালিক পানি খাওয়ারনোর নিয়ত করেনি, এগুলো খুবই নেক কাজ। এর জন্য এ লোকের সওয়াব আছে। আর যে লোক ঘোড়া পালন করে একমাত্র অমুখাপেক্ষিতা এবং স্বনির্ভরতা বজায় রাখার জন্য; এর সঙ্গে সঙ্গে ঘোড়ার ঘাড়ে ও পিঠে যে আল্লাহ্র হক আছে তা আদায় করতেও সে ভুলে যায় না। এ ঘোড়া তার জন্য শাস্তি থেকে পর্দা হবে। আর যে ব্যক্তি অহংকার ও বশ্যতঃ ও লোক দেখানোর জন্য ঘোড়া পোষে, তার জন্য এই ঘোড়া (পাপের) বোঝা হবে। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে গাধা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল। তখন তিনি বললেনঃ এ সম্পর্কে আমার উপর ব্যাপক অর্থবোধক একটি আয়াত ব্যতীত আল্লাহ্ অন্য কিছু অবতীর্ণ করেন নিঃ “অতএব কেউ অণু পরিমাণও সৎ কাজ করলে সে তা দেখবে, আর কেউ অণু পরিমাণও অসৎ কাজ করলে সে তা দেখবে।”- (সূরাহ যিলযালা ৯৯/৭-৮)। [২৩৭১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৫৪)
إسماعيل حدثني مالك عن زيد بن أسلم عن أبي صالح السمان عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الخيل لثلاثة لرجل أجر ولرجل ستر وعلى رجل وزر فأما الذي له أجر فرجل ربطها في سبيل الله فأطال لها في مرج أو روضة فما أصابت في طيلها ذلك من المرج أو الروضة كان له حسنات ولو أنها قطعت طيلها فاستنت شرفا أو شرفين كانت آثارها وأرواثها حسنات له ولو أنها مرت بنهر فشربت منه ولم يرد أن يسقي به كان ذلك حسنات له وهي لذلك الرجل أجر ورجل ربطها تغنيا وتعففا ولم ينس حق الله في رقابها ولا ظهورها فهي له ستر ورجل ربطها فخرا ورياء فهي على ذلك وزر وسئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الحمر قال ما أنزل الله علي فيها إلا هذه الآية الفاذة الجامعة {فمن يعمل مثقال ذرة خيرا يره ومن يعمل مثقال ذرة شرا يره}
সহিহ বুখারী ৭৩৫৮
موسى بن إسماعيل حدثنا أبو عوانة عن أبي بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس أن أم حفيد بنت الحارث بن حزن أهدت إلى النبي صلى الله عليه وسلم سمنا وأقطا وأضبا فدعا بهن النبي صلى الله عليه وسلم فأكلن على مائدته فتركهن النبي صلى الله عليه وسلم كالمتقذر لهن ولو كن حراما ما أكلن على مائدته ولا أمر بأكلهن
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হারিস ইব্নু হাযনের মেয়ে উম্মু হুফায়দ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর জন্য ঘি, পনির এবং কতগুলো দব্ব হাদিয়া পাঠালেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওগুলো চেয়ে নিলেন এবং এগুলো তাঁর দস্তরখানে খাওয়া হল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘৃণার কারনে খেতে অপছন্দ করলেন। ওগুলো হারাম হলে, তাঁর দস্তরখানে তা খাওয়া হত না এবং তিনিও ওগুলো খেতে অনুমতি দিতেন না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৫৬)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হারিস ইব্নু হাযনের মেয়ে উম্মু হুফায়দ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর জন্য ঘি, পনির এবং কতগুলো দব্ব হাদিয়া পাঠালেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওগুলো চেয়ে নিলেন এবং এগুলো তাঁর দস্তরখানে খাওয়া হল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘৃণার কারনে খেতে অপছন্দ করলেন। ওগুলো হারাম হলে, তাঁর দস্তরখানে তা খাওয়া হত না এবং তিনিও ওগুলো খেতে অনুমতি দিতেন না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৫৬)
موسى بن إسماعيل حدثنا أبو عوانة عن أبي بشر عن سعيد بن جبير عن ابن عباس أن أم حفيد بنت الحارث بن حزن أهدت إلى النبي صلى الله عليه وسلم سمنا وأقطا وأضبا فدعا بهن النبي صلى الله عليه وسلم فأكلن على مائدته فتركهن النبي صلى الله عليه وسلم كالمتقذر لهن ولو كن حراما ما أكلن على مائدته ولا أمر بأكلهن
সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর বাণীঃ আহলে কিতাবদের কাছে কোন বিষয়ে জিজ্ঞেস করো না ।
সহিহ বুখারী ৭৩৬১
وقال أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري أخبرني حميد بن عبد الرحمن سمع معاوية يحدث رهطا من قريش بالمدينة وذكر كعب الأحبار فقال إن كان من أصدق هؤلاء المحدثين الذين يحدثون عن أهل الكتاب وإن كنا مع ذلك لنبلو عليه الكذب
আবুল ইয়ামান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
শু‘আয়ব (রহঃ), ইমাম যুহরী (রহঃ) হুমায়দ ইব্নু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি মু‘আবীয়াহ (রাঃ) - কে মদিনায় কুরায়শ বংশের কতকগুলো লোকের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করতে শুনেছেন। তখন কা‘ব আহবারের কথা আলোচনা হয়। মু‘আবীয়াহ (রাঃ) বললেন, যারা আগেকার কিতাব সম্পর্কে আলোচনা করেন, তাদের মধ্যে তিনি অধিক সত্যবাদী, যদিও বর্ণিত বিষয়গুলোর ভিত্তি মিথ্যের উপর রচিত।(আধুনিক প্রকাশনী- অনুচ্ছেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- অনুচ্ছেদ)
আবুল ইয়ামান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
শু‘আয়ব (রহঃ), ইমাম যুহরী (রহঃ) হুমায়দ ইব্নু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি মু‘আবীয়াহ (রাঃ) - কে মদিনায় কুরায়শ বংশের কতকগুলো লোকের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করতে শুনেছেন। তখন কা‘ব আহবারের কথা আলোচনা হয়। মু‘আবীয়াহ (রাঃ) বললেন, যারা আগেকার কিতাব সম্পর্কে আলোচনা করেন, তাদের মধ্যে তিনি অধিক সত্যবাদী, যদিও বর্ণিত বিষয়গুলোর ভিত্তি মিথ্যের উপর রচিত।(আধুনিক প্রকাশনী- অনুচ্ছেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- অনুচ্ছেদ)
وقال أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري أخبرني حميد بن عبد الرحمن سمع معاوية يحدث رهطا من قريش بالمدينة وذكر كعب الأحبار فقال إن كان من أصدق هؤلاء المحدثين الذين يحدثون عن أهل الكتاب وإن كنا مع ذلك لنبلو عليه الكذب
সহিহ বুখারী ৭৩৬২
محمد بن بشار حدثنا عثمان بن عمر أخبرنا علي بن المبارك عن يحيى بن أبي كثير عن أبي سلمة عن أبي هريرة قال كان أهل الكتاب يقرءون التوراة بالعبرانية ويفسرونها بالعربية لأهل الإسلام فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تصدقوا أهل الكتاب ولا تكذبوهم و{قولوا ٰمنا بالله وما أنزل إلينا وما أنزل إليكم} الآية
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আহ্লে কিতাব হিব্রু ভাষায় তাওরাত পড়ে মুসলিমদের কাছে তা আরবী ভাষায় ব্যাখ্যা করত। (এ সম্পর্কে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আহলে কিতাবকে তোমরা সত্যবাদী ভেবো না এবং তাদেরকে মিথ্যাবাদীও ভেবো না। তোমরা বলে দাও আমরা ঈমান এনেছি আল্লাহ্র প্রতি এবং আমাদের উপর যা নাযিল হয়েছে তার প্রতি......(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৫৯)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আহ্লে কিতাব হিব্রু ভাষায় তাওরাত পড়ে মুসলিমদের কাছে তা আরবী ভাষায় ব্যাখ্যা করত। (এ সম্পর্কে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আহলে কিতাবকে তোমরা সত্যবাদী ভেবো না এবং তাদেরকে মিথ্যাবাদীও ভেবো না। তোমরা বলে দাও আমরা ঈমান এনেছি আল্লাহ্র প্রতি এবং আমাদের উপর যা নাযিল হয়েছে তার প্রতি......(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৫৯)
محمد بن بشار حدثنا عثمان بن عمر أخبرنا علي بن المبارك عن يحيى بن أبي كثير عن أبي سلمة عن أبي هريرة قال كان أهل الكتاب يقرءون التوراة بالعبرانية ويفسرونها بالعربية لأهل الإسلام فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تصدقوا أهل الكتاب ولا تكذبوهم و{قولوا ٰمنا بالله وما أنزل إلينا وما أنزل إليكم} الآية
সহিহ বুখারী ৭৩৬৩
موسى بن إسماعيل حدثنا إبراهيم أخبرنا ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله أن ابن عباس قال كيف تسألون أهل الكتاب عن شيء وكتابكم الذي أنزل على رسول الله صلى الله عليه وسلم أحدث تقرءونه محضا لم يشب وقد حدثكم أن أهل الكتاب بدلوا كتاب الله وغيروه وكتبوا بأيديهم الكتاب وقالوا هو من عند الله ليشتروا به ثمنا قليلا ألا ينهاكم ما جاءكم من العلم عن مسألتهم لا والله ما رأينا منهم رجلا يسألكم عن الذي أنزل عليكم
উবাইদুল্লাহ্ ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, তোমরা কিভাবে আহলে কিতাবদেরকে কোন বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞেস কর? অথচ তোমাদের কিতাব (আল-কুরআন) তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর উপর এখন অবতীর্ণ হয়েছে, তা তোমরা পড়ছ যা পূত-পবিত্র ও নির্ভেজাল। এ কিতাব তোমাদেরকে জানিয়ে দিচ্ছে, আহলে কিতাবরা আল্লাহ্র কিতাবকে পরিবর্তিত ও বিকৃত করে দিয়েছে। তারা নিজ হাতে কিতাব লিখে তা আল্লাহ্র কিতাব বলে ঘোষণা দিয়েছে, যাতে এর দ্বারা সামান্য সুবিধা লাভ করতে পারে। তোমাদের কাছে যে ইল্ম আছে তা কি তোমাদেরকে তাদের কাছে কোন মাসআলা জিজ্ঞেস করতে নিষেধ করছে না? আল্লাহ্র কসম! আমরা তো তাদের কাউকে দেখিনি কখনো তোমাদের উপর নাযিল করা কিতাব সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞেস করতে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬০)
উবাইদুল্লাহ্ ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, তোমরা কিভাবে আহলে কিতাবদেরকে কোন বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞেস কর? অথচ তোমাদের কিতাব (আল-কুরআন) তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর উপর এখন অবতীর্ণ হয়েছে, তা তোমরা পড়ছ যা পূত-পবিত্র ও নির্ভেজাল। এ কিতাব তোমাদেরকে জানিয়ে দিচ্ছে, আহলে কিতাবরা আল্লাহ্র কিতাবকে পরিবর্তিত ও বিকৃত করে দিয়েছে। তারা নিজ হাতে কিতাব লিখে তা আল্লাহ্র কিতাব বলে ঘোষণা দিয়েছে, যাতে এর দ্বারা সামান্য সুবিধা লাভ করতে পারে। তোমাদের কাছে যে ইল্ম আছে তা কি তোমাদেরকে তাদের কাছে কোন মাসআলা জিজ্ঞেস করতে নিষেধ করছে না? আল্লাহ্র কসম! আমরা তো তাদের কাউকে দেখিনি কখনো তোমাদের উপর নাযিল করা কিতাব সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞেস করতে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬০)
موسى بن إسماعيل حدثنا إبراهيم أخبرنا ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله أن ابن عباس قال كيف تسألون أهل الكتاب عن شيء وكتابكم الذي أنزل على رسول الله صلى الله عليه وسلم أحدث تقرءونه محضا لم يشب وقد حدثكم أن أهل الكتاب بدلوا كتاب الله وغيروه وكتبوا بأيديهم الكتاب وقالوا هو من عند الله ليشتروا به ثمنا قليلا ألا ينهاكم ما جاءكم من العلم عن مسألتهم لا والله ما رأينا منهم رجلا يسألكم عن الذي أنزل عليكم
সহিহ বুখারী > মতবিরোধ অপছন্দনীয় ।
সহিহ বুখারী ৭৩৬৪
إسحاق أخبرنا عبد الرحمن بن مهدي عن سلام بن أبي مطيع عن أبي عمران الجوني عن جندب بن عبد الله البجلي قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اقرءوا القرآن ما ائتلفت قلوبكم فإذا اختلفتم فقوموا عنه قال أبو عبد الله سمع عبد الرحمن سلاما
জুনদাব ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কুরআন তিলাওয়াত করতে থাক, যতক্ষণ এর প্রতি তোমাদের হৃদয়ের আকর্ষণ অব্যাহত থাকে। আর যখন তোমাদের মনে বিকর্ষণ দেখা দেয় তখন তাথেকে উঠে যাও। আবূ আব্দুল্লাহ্ (বুখারী) (রহঃ) বলেন, ‘আবদুর রহমান (রহঃ) সাল্লাম থেকে (হাদীসটি) শুনেছেন (সূত্রে) বর্ণিত হয়েছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬৩)
জুনদাব ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কুরআন তিলাওয়াত করতে থাক, যতক্ষণ এর প্রতি তোমাদের হৃদয়ের আকর্ষণ অব্যাহত থাকে। আর যখন তোমাদের মনে বিকর্ষণ দেখা দেয় তখন তাথেকে উঠে যাও। আবূ আব্দুল্লাহ্ (বুখারী) (রহঃ) বলেন, ‘আবদুর রহমান (রহঃ) সাল্লাম থেকে (হাদীসটি) শুনেছেন (সূত্রে) বর্ণিত হয়েছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬৩)
إسحاق أخبرنا عبد الرحمن بن مهدي عن سلام بن أبي مطيع عن أبي عمران الجوني عن جندب بن عبد الله البجلي قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اقرءوا القرآن ما ائتلفت قلوبكم فإذا اختلفتم فقوموا عنه قال أبو عبد الله سمع عبد الرحمن سلاما
সহিহ বুখারী ৭৩৬৫
إسحاق أخبرنا عبد الصمد حدثنا همام حدثنا أبو عمران الجوني عن جندب بن عبد الله أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال اقرءوا القرآن ما ائتلفت عليه قلوبكم فإذا اختلفتم فقوموا عنه قال أبو عبد الله وقال يزيد بن هارون عن هارون الأعور حدثنا أبو عمران عن جندب عن النبي صلى الله عليه وسلم
জুনদাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা ততক্ষন কুরআন তিলাওয়াত করতে থাক, যে পর্যন্ত এর প্রতি তোমাদের অন্তরের আকর্ষণ থাকে। আর যখন মনে বিকর্ষণ অনুভব কর, তখন তা থেকে উঠে যাও। ইয়াযীদ ইব্নু হারুন (রহঃ) জুনদাব (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এরকমই বর্ণিত হয়েছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬৪)
জুনদাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা ততক্ষন কুরআন তিলাওয়াত করতে থাক, যে পর্যন্ত এর প্রতি তোমাদের অন্তরের আকর্ষণ থাকে। আর যখন মনে বিকর্ষণ অনুভব কর, তখন তা থেকে উঠে যাও। ইয়াযীদ ইব্নু হারুন (রহঃ) জুনদাব (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এরকমই বর্ণিত হয়েছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬৪)
إسحاق أخبرنا عبد الصمد حدثنا همام حدثنا أبو عمران الجوني عن جندب بن عبد الله أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال اقرءوا القرآن ما ائتلفت عليه قلوبكم فإذا اختلفتم فقوموا عنه قال أبو عبد الله وقال يزيد بن هارون عن هارون الأعور حدثنا أبو عمران عن جندب عن النبي صلى الله عليه وسلم
সহিহ বুখারী ৭৩৬৬
إبراهيم بن موسى أخبرنا هشام عن معمر عن الزهري عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس قال لما حضر النبي صلى الله عليه وسلم قال وفي البيت رجال فيهم عمر بن الخطاب قال هلم أكتب لكم كتابا لن تضلوا بعده قال عمر إن النبي صلى الله عليه وسلم غلبه الوجع وعندكم القرآن فحسبنا كتاب الله واختلف أهل البيت واختصموا فمنهم من يقول قربوا يكتب لكم رسول الله صلى الله عليه وسلم كتابا لن تضلوا بعده ومنهم من يقول ما قال عمر فلما أكثروا اللغط والاختلاف عند النبي صلى الله عليه وسلم قال قوموا عني قال عبيد الله فكان ابن عباس يقول إن الرزية كل الرزية ما حال بين رسول الله صلى الله عليه وسلم وبين أن يكتب لهم ذلك الكتاب من اختلافهم ولغطهم
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর মৃত্যুর সময় নিকটবর্তী হল। রাবী বলেন, ঘরের মধ্যে অনেক লোক ছিল। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ‘উমর ইব্নু খাত্তাব (রাঃ)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা এসো, আমি তোমাদের জন্য লিখে যাব যাতে তার পরে তোমরা কক্ষনো পথভ্রষ্ট হবে না। ‘উমর (রাঃ) মন্তব্য করলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুবই কষ্টে নিপতিত। তোমাদের কাছে কুরআন আছে, আল্লাহ্র এই কিতাবই আমাদের জন্য যথেষ্ট। এ সময় গৃহে অবস্থানকারীদের মধ্যে মতভেদ সৃষ্টি হল এবং তারা বিতর্কে লিপ্ত হল। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ বলল, তাঁর কাছে যাও, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাদের জন্য লিখে দেবেন যাতে তাঁর পরে তোমরা কক্ষনো পথহারা হবে না। আবার কেউ কেউ তাই বললেন যা ‘উমর (রাঃ) বলেছিলেন। যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সামনে তাদের কথা কাটাকাটি এবং মতপার্থক্য বেড়ে গেল, তখন তিনি বললেনঃ তোমরা আমার নিকট হতে উঠে যাও। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬৫)
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর মৃত্যুর সময় নিকটবর্তী হল। রাবী বলেন, ঘরের মধ্যে অনেক লোক ছিল। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ‘উমর ইব্নু খাত্তাব (রাঃ)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা এসো, আমি তোমাদের জন্য লিখে যাব যাতে তার পরে তোমরা কক্ষনো পথভ্রষ্ট হবে না। ‘উমর (রাঃ) মন্তব্য করলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খুবই কষ্টে নিপতিত। তোমাদের কাছে কুরআন আছে, আল্লাহ্র এই কিতাবই আমাদের জন্য যথেষ্ট। এ সময় গৃহে অবস্থানকারীদের মধ্যে মতভেদ সৃষ্টি হল এবং তারা বিতর্কে লিপ্ত হল। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ বলল, তাঁর কাছে যাও, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাদের জন্য লিখে দেবেন যাতে তাঁর পরে তোমরা কক্ষনো পথহারা হবে না। আবার কেউ কেউ তাই বললেন যা ‘উমর (রাঃ) বলেছিলেন। যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সামনে তাদের কথা কাটাকাটি এবং মতপার্থক্য বেড়ে গেল, তখন তিনি বললেনঃ তোমরা আমার নিকট হতে উঠে যাও। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৬৫)
إبراهيم بن موسى أخبرنا هشام عن معمر عن الزهري عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس قال لما حضر النبي صلى الله عليه وسلم قال وفي البيت رجال فيهم عمر بن الخطاب قال هلم أكتب لكم كتابا لن تضلوا بعده قال عمر إن النبي صلى الله عليه وسلم غلبه الوجع وعندكم القرآن فحسبنا كتاب الله واختلف أهل البيت واختصموا فمنهم من يقول قربوا يكتب لكم رسول الله صلى الله عليه وسلم كتابا لن تضلوا بعده ومنهم من يقول ما قال عمر فلما أكثروا اللغط والاختلاف عند النبي صلى الله عليه وسلم قال قوموا عني قال عبيد الله فكان ابن عباس يقول إن الرزية كل الرزية ما حال بين رسول الله صلى الله عليه وسلم وبين أن يكتب لهم ذلك الكتاب من اختلافهم ولغطهم