সহিহ বুখারী > নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সালাম) - এর বাণীঃ আমার উম্মাতের মধ্যে এক দল সর্বদাই হকের উপর বিজয়ী থাকবেন। আর তাঁরা হলেন (দ্বীনী) ইলমের অধিকারী।

সহিহ বুখারী ৭৩১২

حدثنا إسماعيل، حدثنا ابن وهب، عن يونس، عن ابن شهاب، أخبرني حميد، قال سمعت معاوية بن أبي سفيان، يخطب قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ من يرد الله به خيرا يفقهه في الدين، وإنما أنا قاسم ويعطي الله، ولن يزال أمر هذه الأمة مستقيما حتى تقوم الساعة، أو حتى يأتي أمر الله ‏"‏‏.‏

মু’আবিয়া ইব্‌নু আবূ সুফয়ান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সালাম) - কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ্‌ যার কল্যাণ চান, তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন। আমি (ইল্‌মের) বন্টনকারী মাত্র; আল্লাহ্‌ তা দান করে থাকেন। এ উম্মাতের কার্যকলাপ কেয়ামত অবধি কিংবা বলেছিলেন, মহান আল্লাহ্‌ তা’আলার হুকুম আসা পর্যন্ত (সত্যের উপর) সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৪)

মু’আবিয়া ইব্‌নু আবূ সুফয়ান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সালাম) - কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ্‌ যার কল্যাণ চান, তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন। আমি (ইল্‌মের) বন্টনকারী মাত্র; আল্লাহ্‌ তা দান করে থাকেন। এ উম্মাতের কার্যকলাপ কেয়ামত অবধি কিংবা বলেছিলেন, মহান আল্লাহ্‌ তা’আলার হুকুম আসা পর্যন্ত (সত্যের উপর) সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৪)

حدثنا إسماعيل، حدثنا ابن وهب، عن يونس، عن ابن شهاب، أخبرني حميد، قال سمعت معاوية بن أبي سفيان، يخطب قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ من يرد الله به خيرا يفقهه في الدين، وإنما أنا قاسم ويعطي الله، ولن يزال أمر هذه الأمة مستقيما حتى تقوم الساعة، أو حتى يأتي أمر الله ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৭৩১১

حدثنا عبيد الله بن موسى، عن إسماعيل، عن قيس، عن المغيرة بن شعبة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يزال طائفة من أمتي ظاهرين حتى يأتيهم أمر الله وهم ظاهرون ‏"‏‏.‏

মুগীরাহ ইব্‌নু শু’বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সালাম) বলেছেনঃ কেয়ামত আসা পর্যন্ত আমার উম্মাতের এক দল সর্বদাই বিজয়ী থাকবে। আর তাঁরা হলেন বিজয়ী। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৩)

মুগীরাহ ইব্‌নু শু’বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সালাম) বলেছেনঃ কেয়ামত আসা পর্যন্ত আমার উম্মাতের এক দল সর্বদাই বিজয়ী থাকবে। আর তাঁরা হলেন বিজয়ী। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৩)

حدثنا عبيد الله بن موسى، عن إسماعيل، عن قيس، عن المغيرة بن شعبة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يزال طائفة من أمتي ظاهرين حتى يأتيهم أمر الله وهم ظاهرون ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌র বাণীঃ অথবা তোমাদেরকে দলে দলে ভাগ করতে … । (সূরাহ আন’আম ৬/৬৫)

সহিহ বুখারী ৭৩১৩

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، قال عمرو سمعت جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ يقول لما نزل على رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏{‏قل هو القادر على أن يبعث عليكم عذابا من فوقكم‏}‏ قال ‏"‏ أعوذ بوجهك ‏"‏‏.‏ ‏{‏أو من تحت أرجلكم‏}‏ قال ‏"‏ أعوذ بوجهك ‏"‏‏.‏ فلما نزلت ‏{‏أو يلبسكم شيعا ويذيق بعضكم بأس بعض‏}‏ قال ‏"‏ هاتان أهون أو أيسر ‏"‏‏.‏

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সালাম) - এর উপর এ আয়াতঃ বল, তিনি সক্ষম তোমাদের উর্ধ্বদেশ থেকে শাস্তি প্রেরণ করতে… অবর্তীণ হল, তখন তিনি বললেনঃ (হে আল্লাহ্‌!) আমি আপনার কাছে (এমন আযাব থেকে) আশ্রয় প্রার্থনা করি (তারপর যখন অবতীর্ণ হল) অথবা তোমাদের পায়ের নিচে থেকে। তখন তিনি বললেনঃ (হে আল্লাহ্‌!) আমি আপনার নিকট (এমন আযাব থেকে) আশ্রয় প্রার্থনা করি। এরপর যখন নাযিল হলঃ অথবা তোমাদেরকে দলে দলে ভাগ করতে এবং একদলকে অপর দলের সংঘর্ষের স্বাদ আস্বাদন করাতে তখন তিনি বললেনঃ এ দুটি অপেক্ষাকৃত নরম অথবা বলেছেনঃ অপেক্ষাকৃত সহজ।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৫

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সালাম) - এর উপর এ আয়াতঃ বল, তিনি সক্ষম তোমাদের উর্ধ্বদেশ থেকে শাস্তি প্রেরণ করতে… অবর্তীণ হল, তখন তিনি বললেনঃ (হে আল্লাহ্‌!) আমি আপনার কাছে (এমন আযাব থেকে) আশ্রয় প্রার্থনা করি (তারপর যখন অবতীর্ণ হল) অথবা তোমাদের পায়ের নিচে থেকে। তখন তিনি বললেনঃ (হে আল্লাহ্‌!) আমি আপনার নিকট (এমন আযাব থেকে) আশ্রয় প্রার্থনা করি। এরপর যখন নাযিল হলঃ অথবা তোমাদেরকে দলে দলে ভাগ করতে এবং একদলকে অপর দলের সংঘর্ষের স্বাদ আস্বাদন করাতে তখন তিনি বললেনঃ এ দুটি অপেক্ষাকৃত নরম অথবা বলেছেনঃ অপেক্ষাকৃত সহজ।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৫

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، قال عمرو سمعت جابر بن عبد الله ـ رضى الله عنهما ـ يقول لما نزل على رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏{‏قل هو القادر على أن يبعث عليكم عذابا من فوقكم‏}‏ قال ‏"‏ أعوذ بوجهك ‏"‏‏.‏ ‏{‏أو من تحت أرجلكم‏}‏ قال ‏"‏ أعوذ بوجهك ‏"‏‏.‏ فلما نزلت ‏{‏أو يلبسكم شيعا ويذيق بعضكم بأس بعض‏}‏ قال ‏"‏ هاتان أهون أو أيسر ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > কোন বিষয়ে প্রশ্নকারীকে স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দেয়ার উদ্দেশে সুস্পষ্ট হুকুম বর্ণিত আছে এরূপ কোন বিষয়ের সঙ্গে আরেকটি বিষয়ের নিয়ম মোতাবেক তুলনা করা।

সহিহ বুখারী ৭৩১৪

حدثنا أصبغ بن الفرج، حدثني ابن وهب، عن يونس، عن ابن شهاب، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، أن أعرابيا، أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إن امرأتي ولدت غلاما أسود، وإني أنكرته‏.‏ فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هل لك من إبل ‏"‏‏.‏ قال نعم‏.‏ قال ‏"‏ فما ألوانها ‏"‏‏.‏ قال حمر‏.‏ قال ‏"‏ هل فيها من أورق ‏"‏‏.‏ قال إن فيها لورقا‏.‏ قال ‏"‏ فأنى ترى ذلك جاءها ‏"‏‏.‏ قال يا رسول الله عرق نزعها‏.‏ قال ‏"‏ ولعل هذا عرق نزعه ‏"‏‏.‏ ولم يرخص له في الانتفاء منه‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক বেদুঈন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সালাম) - এর নিকট এসে বলল, আমার স্ত্রী একটি কালো সন্তান জন্ম দিয়েছে। আর আমি তাকে (আমার সন্তান হিসাবে) অস্বীকার করছি। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার কি উট আছে? সে বলল, হ্যাঁ আছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, সেগুলোর কী রঙ? সে বলল, লাল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, সেগুলোর মাঝে সাদা কালো মিশ্রিত রঙের কোন উট আছে কি? সে বলল, হ্যাঁ, সাদা কালো মেশানো রঙের অনেকগুলো আছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন এ রং কিভাবে এল বলে তুমি মনে কর? সে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! বংশ সূত্রের প্রভাবে এমন হয়েছে। তিনি বললেনঃ সম্ভবত তোমার সন্তানও বংশ সূত্রের প্রভাবে (পূর্বপুরুষের কেউ কালো ছিল বলে) এমন হয়েছে। এবং তিনি এ সন্তানটিকে অস্বীকার করার অনুমতি লোকটিকে দিলেন না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৬)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক বেদুঈন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সালাম) - এর নিকট এসে বলল, আমার স্ত্রী একটি কালো সন্তান জন্ম দিয়েছে। আর আমি তাকে (আমার সন্তান হিসাবে) অস্বীকার করছি। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার কি উট আছে? সে বলল, হ্যাঁ আছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, সেগুলোর কী রঙ? সে বলল, লাল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, সেগুলোর মাঝে সাদা কালো মিশ্রিত রঙের কোন উট আছে কি? সে বলল, হ্যাঁ, সাদা কালো মেশানো রঙের অনেকগুলো আছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন এ রং কিভাবে এল বলে তুমি মনে কর? সে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! বংশ সূত্রের প্রভাবে এমন হয়েছে। তিনি বললেনঃ সম্ভবত তোমার সন্তানও বংশ সূত্রের প্রভাবে (পূর্বপুরুষের কেউ কালো ছিল বলে) এমন হয়েছে। এবং তিনি এ সন্তানটিকে অস্বীকার করার অনুমতি লোকটিকে দিলেন না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৬)

حدثنا أصبغ بن الفرج، حدثني ابن وهب، عن يونس، عن ابن شهاب، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن أبي هريرة، أن أعرابيا، أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إن امرأتي ولدت غلاما أسود، وإني أنكرته‏.‏ فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هل لك من إبل ‏"‏‏.‏ قال نعم‏.‏ قال ‏"‏ فما ألوانها ‏"‏‏.‏ قال حمر‏.‏ قال ‏"‏ هل فيها من أورق ‏"‏‏.‏ قال إن فيها لورقا‏.‏ قال ‏"‏ فأنى ترى ذلك جاءها ‏"‏‏.‏ قال يا رسول الله عرق نزعها‏.‏ قال ‏"‏ ولعل هذا عرق نزعه ‏"‏‏.‏ ولم يرخص له في الانتفاء منه‏.‏


সহিহ বুখারী ৭৩১৫

حدثنا مسدد، حدثنا أبو عوانة، عن أبي بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، أن امرأة، جاءت إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقالت إن أمي نذرت أن تحج فماتت قبل أن تحج أفأحج عنها قال ‏"‏ نعم حجي عنها، أرأيت لو كان على أمك دين أكنت قاضيته ‏"‏‏.‏ قالت نعم‏.‏ فقال ‏"‏ فاقضوا الذي له، فإن الله أحق بالوفاء ‏"‏‏.‏

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক মহিলা নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট এসে বলল, আমার মা হজ্জ করার মানৎ করেছিলেন। এরপর তিনি হজ্জ করার আগেই মারা গেছেন। এখন আমি কি তার পক্ষ থেকে হজ্জ করব? উত্তরে তিনি বললেন, হ্যাঁ, তার পক্ষ থেকে হজ্জ কর। মনে কর যদি তার উপর ঋণ থাকত তাহলে কি তুমি তা আদায় করতে? সে বলল, অবশ্যই। তিনি বললেনঃ কাজেই তার উপর যে মানত আছে তা তুমি আদায় কর। আল্লাহ্‌ অধিক হক্‌দার, যে তাঁর জন্য কৃত মানত মানুষেরা পূর্ণ করবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৭)

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক মহিলা নবী করীম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট এসে বলল, আমার মা হজ্জ করার মানৎ করেছিলেন। এরপর তিনি হজ্জ করার আগেই মারা গেছেন। এখন আমি কি তার পক্ষ থেকে হজ্জ করব? উত্তরে তিনি বললেন, হ্যাঁ, তার পক্ষ থেকে হজ্জ কর। মনে কর যদি তার উপর ঋণ থাকত তাহলে কি তুমি তা আদায় করতে? সে বলল, অবশ্যই। তিনি বললেনঃ কাজেই তার উপর যে মানত আছে তা তুমি আদায় কর। আল্লাহ্‌ অধিক হক্‌দার, যে তাঁর জন্য কৃত মানত মানুষেরা পূর্ণ করবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৭)

حدثنا مسدد، حدثنا أبو عوانة، عن أبي بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، أن امرأة، جاءت إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقالت إن أمي نذرت أن تحج فماتت قبل أن تحج أفأحج عنها قال ‏"‏ نعم حجي عنها، أرأيت لو كان على أمك دين أكنت قاضيته ‏"‏‏.‏ قالت نعم‏.‏ فقال ‏"‏ فاقضوا الذي له، فإن الله أحق بالوفاء ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্‌ যা নাযিল করেছেন, তার ভিত্তিতে ফায়সালার মধ্যে ইজ্‌তিহাদ করা।

সহিহ বুখারী ৭৩১৭

محمد أخبرنا أبو معاوية حدثنا هشام عن أبيه عن المغيرة بن شعبة قال سأل عمر بن الخطاب عن إملاص المرأة هي التي يضربـ بطنها فتلقي جنينا فقال أيكم سمع من النبي صلى الله عليه وسلم فيه شيئا فقلت أنا فقال ما هو قلت سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول فيه غرة عبد أو أمة فقال لا تبرح حتى تجيئني بالمخرج فيما قلت

মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ) মহিলাদের গর্ভপাত সংক্রান্ত বিষয়ে জিজ্ঞেস করলেন, অর্থাৎ তার পেটে আঘাত করা হয়, যার ফলে সন্তানের গর্ভপাত ঘটে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যে কে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ সম্পর্কে কিছু শুনেছ? আমি বললাম, আমি শুনেছি। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কী শুনেছ? আমি বললাম, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ সম্পর্কে আমি বলতে শুনেছি যে, এ কারণে গুর্রা অর্থাৎ একটি দাস কিংবা দাসী দান করতে হবে। এ শুনে তিনি বললেন, তুমি যে হাদীস বর্ণনা করেছ এর প্রমাণ হাজির না করা পর্যন্ত তুমি এখান থেকে যেও না। [৬৯০৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০৭ প্রথমাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৯)

মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ) মহিলাদের গর্ভপাত সংক্রান্ত বিষয়ে জিজ্ঞেস করলেন, অর্থাৎ তার পেটে আঘাত করা হয়, যার ফলে সন্তানের গর্ভপাত ঘটে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যে কে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ সম্পর্কে কিছু শুনেছ? আমি বললাম, আমি শুনেছি। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কী শুনেছ? আমি বললাম, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ সম্পর্কে আমি বলতে শুনেছি যে, এ কারণে গুর্রা অর্থাৎ একটি দাস কিংবা দাসী দান করতে হবে। এ শুনে তিনি বললেন, তুমি যে হাদীস বর্ণনা করেছ এর প্রমাণ হাজির না করা পর্যন্ত তুমি এখান থেকে যেও না। [৬৯০৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০৭ প্রথমাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৯)

محمد أخبرنا أبو معاوية حدثنا هشام عن أبيه عن المغيرة بن شعبة قال سأل عمر بن الخطاب عن إملاص المرأة هي التي يضربـ بطنها فتلقي جنينا فقال أيكم سمع من النبي صلى الله عليه وسلم فيه شيئا فقلت أنا فقال ما هو قلت سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول فيه غرة عبد أو أمة فقال لا تبرح حتى تجيئني بالمخرج فيما قلت


সহিহ বুখারী ৭৩১৮

فخرجت فوجدت محمد بن مسلمة فجئت به فشهد معي أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول فيه غرة عبد أو أمة تابعه ابن أبي الزناد عن أبيه عن عروة عن المغيرة

মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারপর আমি বের হলাম এবং মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রাঃ)-কে পেলাম। আমি তাকে নিয়ে হাজির হলাম, সে আমার পক্ষে সাক্ষ্য দিল, তিনিও নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন যে, এতে গুর্রা অর্থাৎ একটি দাস কিংবা দাসী দান করতে হবে। ইবনু আবূ যিনাদ......মুগীরাহ (রাঃ) থেকে একরম একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। [৬৯০৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০৭ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৯)

মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারপর আমি বের হলাম এবং মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রাঃ)-কে পেলাম। আমি তাকে নিয়ে হাজির হলাম, সে আমার পক্ষে সাক্ষ্য দিল, তিনিও নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন যে, এতে গুর্রা অর্থাৎ একটি দাস কিংবা দাসী দান করতে হবে। ইবনু আবূ যিনাদ......মুগীরাহ (রাঃ) থেকে একরম একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। [৬৯০৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০৭ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৯)

فخرجت فوجدت محمد بن مسلمة فجئت به فشهد معي أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول فيه غرة عبد أو أمة تابعه ابن أبي الزناد عن أبيه عن عروة عن المغيرة


সহিহ বুখারী ৭৩১৬

حدثنا شهاب بن عباد، حدثنا إبراهيم بن حميد، عن إسماعيل، عن قيس، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا حسد إلا في اثنتين رجل آتاه الله مالا فسلط على هلكته في الحق، وآخر آتاه الله حكمة فهو يقضي بها ويعلمها ‏"‏‏.‏

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’রকম লোক ব্যতীত কারো উপর হিংসা করা যাবে না। (এক) যাকে আল্লাহ্‌ সম্পদ দিয়েছেন এবং হকপথে খরচ করার ক্ষমতা দান করেছেন। (দুই) যাকে আল্লাহ্‌ হিক্‌মাত (দ্বীনের বিষয়ে তীক্ষ্ন বুদ্ধি) দান করেছেন, আর সে এর আলোকে বিচার করে এবং তা অন্যকে শিখায়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৮)

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’রকম লোক ব্যতীত কারো উপর হিংসা করা যাবে না। (এক) যাকে আল্লাহ্‌ সম্পদ দিয়েছেন এবং হকপথে খরচ করার ক্ষমতা দান করেছেন। (দুই) যাকে আল্লাহ্‌ হিক্‌মাত (দ্বীনের বিষয়ে তীক্ষ্ন বুদ্ধি) দান করেছেন, আর সে এর আলোকে বিচার করে এবং তা অন্যকে শিখায়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮১৮)

حدثنا شهاب بن عباد، حدثنا إبراهيم بن حميد، عن إسماعيل، عن قيس، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا حسد إلا في اثنتين رجل آتاه الله مالا فسلط على هلكته في الحق، وآخر آتاه الله حكمة فهو يقضي بها ويعلمها ‏"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00