সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর বাণীঃ আমি ‘জাওয়ামিউল কালিম’ (ব্যাপক অর্থবহ সংক্ষিপ্ত কথা) সহ প্রেরিত হয়েছি।

সহিহ বুখারী ৭২৭৩

حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا إبراهيم بن سعد، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ بعثت بجوامع الكلم، ونصرت بالرعب، وبينا أنا نائم رأيتني أتيت بمفاتيح خزائن الأرض، فوضعت في يدي ‏"‏‏.‏ قال أبو هريرة فقد ذهب رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنتم تلغثونها أو ترغثونها، أو كلمة تشبهها‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি ‘জাওয়ামিউল কালিম[১৯০] (ব্যাপক অর্থবহ সংক্ষিপ্ত কথা) সহ প্রেরিত হয়েছি এবং আমাকে প্রভাব দিয়ে সাহায্য করা হয়েছে। একবার আমি ঘুমের অবস্থায় দেখলাম, পৃথিবীর ভান্ডারগুলোর চাবি আমাকে দেয়া হয়েছে এবং তা আমার হাতে রেখে দেয়া হয়েছে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তিকাল করে গেছেন। আর তোমরা তা ব্যবহার করছ কিংবা বলেছিলেন তোমরা তা থেকে উপকার লাভ করছ কিংবা তিনি এরকমই কোন কথা বলেছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৭৭)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি ‘জাওয়ামিউল কালিম[১৯০] (ব্যাপক অর্থবহ সংক্ষিপ্ত কথা) সহ প্রেরিত হয়েছি এবং আমাকে প্রভাব দিয়ে সাহায্য করা হয়েছে। একবার আমি ঘুমের অবস্থায় দেখলাম, পৃথিবীর ভান্ডারগুলোর চাবি আমাকে দেয়া হয়েছে এবং তা আমার হাতে রেখে দেয়া হয়েছে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তিকাল করে গেছেন। আর তোমরা তা ব্যবহার করছ কিংবা বলেছিলেন তোমরা তা থেকে উপকার লাভ করছ কিংবা তিনি এরকমই কোন কথা বলেছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৭৭)

حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا إبراهيم بن سعد، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة ـ رضى الله عنه ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ بعثت بجوامع الكلم، ونصرت بالرعب، وبينا أنا نائم رأيتني أتيت بمفاتيح خزائن الأرض، فوضعت في يدي ‏"‏‏.‏ قال أبو هريرة فقد ذهب رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنتم تلغثونها أو ترغثونها، أو كلمة تشبهها‏.‏


সহিহ বুখারী ৭২৭৪

حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا الليث، عن سعيد، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ما من الأنبياء نبي إلا أعطي من الآيات ما مثله أومن ـ أو آمن ـ عليه البشر، وإنما كان الذي أوتيت وحيا أوحاه الله إلى، فأرجو أني أكثرهم تابعا يوم القيامة ‏"‏‏.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ প্রত্যেক নবীকেই কোন-না-কোন অতুলনীয় নিদর্শন দেয়া হয়েছে যার উপর ঈমান আনা হয়েছে, কিংবা লোকেরা তাঁর উপর ঈমান এনেছে। আর আমাকে দেয়া হয়েছে ওয়াহী, যা আল্লাহ্‌ আমার উপর অবতীর্ণ করেছেন। সুতরাং আমি আশা করি যে, কেয়ামতের দিন আমার অনুসারীর সংখ্যা তাদের সবার চেয়ে বেশি হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৭৮)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ প্রত্যেক নবীকেই কোন-না-কোন অতুলনীয় নিদর্শন দেয়া হয়েছে যার উপর ঈমান আনা হয়েছে, কিংবা লোকেরা তাঁর উপর ঈমান এনেছে। আর আমাকে দেয়া হয়েছে ওয়াহী, যা আল্লাহ্‌ আমার উপর অবতীর্ণ করেছেন। সুতরাং আমি আশা করি যে, কেয়ামতের দিন আমার অনুসারীর সংখ্যা তাদের সবার চেয়ে বেশি হবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৭৮)

حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا الليث، عن سعيد، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ما من الأنبياء نبي إلا أعطي من الآيات ما مثله أومن ـ أو آمن ـ عليه البشر، وإنما كان الذي أوتيت وحيا أوحاه الله إلى، فأرجو أني أكثرهم تابعا يوم القيامة ‏"‏‏.


সহিহ বুখারী > রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সুন্নাতের অনুসরণ।

সহিহ বুখারী ৭২৭৬

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، قال سألت الأعمش فقال عن زيد بن وهب، سمعت حذيفة، يقول حدثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أن الأمانة نزلت من السماء في جذر قلوب الرجال، ونزل القرآن فقرءوا القرآن وعلموا من السنة ‏"‏‏.‏

হুযাইফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, আমানাত আসমান হতে মানুষের অন্তরের অন্তঃস্থলে অবতীর্ণ হয়েছে, তারপর কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে এবং মানুষ কুরআন পাঠ করেছে এবং সুন্নাত শিক্ষা করেছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮০)

হুযাইফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, আমানাত আসমান হতে মানুষের অন্তরের অন্তঃস্থলে অবতীর্ণ হয়েছে, তারপর কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে এবং মানুষ কুরআন পাঠ করেছে এবং সুন্নাত শিক্ষা করেছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮০)

حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، قال سألت الأعمش فقال عن زيد بن وهب، سمعت حذيفة، يقول حدثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أن الأمانة نزلت من السماء في جذر قلوب الرجال، ونزل القرآن فقرءوا القرآن وعلموا من السنة ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৭২৭৯

حدثنا مسدد، حدثنا سفيان، حدثنا الزهري، عن عبيد الله، عن أبي هريرة، وزيد بن خالد، قالا كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ لأقضين بينكما بكتاب الله ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) ও যায়দ ইব্‌নু খালিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। (এ সময়) তিনি বললেনঃ আমি অবশ্য অবশ্যই মহান আল্লাহ্ তা’আলার কিতাব অনুযায়ী তোমাদের মাঝে ফায়সালা করব।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮২)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) ও যায়দ ইব্‌নু খালিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। (এ সময়) তিনি বললেনঃ আমি অবশ্য অবশ্যই মহান আল্লাহ্ তা’আলার কিতাব অনুযায়ী তোমাদের মাঝে ফায়সালা করব।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮২)

حدثنا مسدد، حدثنا سفيان، حدثنا الزهري، عن عبيد الله، عن أبي هريرة، وزيد بن خالد، قالا كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ لأقضين بينكما بكتاب الله ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৭২৭৮

حدثنا مسدد، حدثنا سفيان، حدثنا الزهري، عن عبيد الله، عن أبي هريرة، وزيد بن خالد، قالا كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ لأقضين بينكما بكتاب الله ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) ও যায়দ ইব্‌নু খালিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। (এ সময়) তিনি বললেনঃ আমি অবশ্য অবশ্যই মহান আল্লাহ্ তা’আলার কিতাব অনুযায়ী তোমাদের মাঝে ফায়সালা করব। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮২)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) ও যায়দ ইব্‌নু খালিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। (এ সময়) তিনি বললেনঃ আমি অবশ্য অবশ্যই মহান আল্লাহ্ তা’আলার কিতাব অনুযায়ী তোমাদের মাঝে ফায়সালা করব। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮২)

حدثنا مسدد، حدثنا سفيان، حدثنا الزهري، عن عبيد الله، عن أبي هريرة، وزيد بن خالد، قالا كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ لأقضين بينكما بكتاب الله ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৭২৮০

حدثنا محمد بن سنان، حدثنا فليح، حدثنا هلال بن علي، عن عطاء بن يسار، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ كل أمتي يدخلون الجنة، إلا من أبى ‏"‏‏.‏ قالوا يا رسول الله ومن يأبى قال ‏"‏ من أطاعني دخل الجنة، ومن عصاني فقد أبى ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার সকল উম্মতই জান্নাতে প্রবেশ করবে, কিন্তু যে অস্বীকার করে। তারা বললেনঃ কে অস্বীকার করবে। তিনি বললেনঃ যারা আমার অনুসরণ করবে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে, আর যে আমার অবাধ্য হবে সে-ই অস্বীকার করবে। [১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮৩)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার সকল উম্মতই জান্নাতে প্রবেশ করবে, কিন্তু যে অস্বীকার করে। তারা বললেনঃ কে অস্বীকার করবে। তিনি বললেনঃ যারা আমার অনুসরণ করবে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে, আর যে আমার অবাধ্য হবে সে-ই অস্বীকার করবে। [১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮৩)

حدثنا محمد بن سنان، حدثنا فليح، حدثنا هلال بن علي، عن عطاء بن يسار، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ كل أمتي يدخلون الجنة، إلا من أبى ‏"‏‏.‏ قالوا يا رسول الله ومن يأبى قال ‏"‏ من أطاعني دخل الجنة، ومن عصاني فقد أبى ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৭২৭৭

حدثنا آدم بن أبي إياس، حدثنا شعبة، أخبرنا عمرو بن مرة، سمعت مرة الهمداني، يقول قال عبد الله إن أحسن الحديث كتاب الله، وأحسن الهدى هدى محمد صلى الله عليه وسلم، وشر الأمور محدثاتها، وإن ما توعدون لآت، وما أنتم بمعجزين‏.‏

আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সর্বোত্তম কালাম হল আল্লাহ্‌র কিতাব, আর সর্বোত্তম পথ নির্দেশনা হল মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর পথ নির্দেশনা। আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিষয় হল নতুনভাবে উদ্ভাবিত পন্থাসমূহ। “তোমাদের কাছে যার ও’য়াদা দেয়া হচ্ছে তা ঘটবেই, তোমরা ব্যর্থ করতে পারবে না” (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮১)

আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সর্বোত্তম কালাম হল আল্লাহ্‌র কিতাব, আর সর্বোত্তম পথ নির্দেশনা হল মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর পথ নির্দেশনা। আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিষয় হল নতুনভাবে উদ্ভাবিত পন্থাসমূহ। “তোমাদের কাছে যার ও’য়াদা দেয়া হচ্ছে তা ঘটবেই, তোমরা ব্যর্থ করতে পারবে না” (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮১)

حدثنا آدم بن أبي إياس، حدثنا شعبة، أخبرنا عمرو بن مرة، سمعت مرة الهمداني، يقول قال عبد الله إن أحسن الحديث كتاب الله، وأحسن الهدى هدى محمد صلى الله عليه وسلم، وشر الأمور محدثاتها، وإن ما توعدون لآت، وما أنتم بمعجزين‏.‏


সহিহ বুখারী ৭২৮১

حدثنا محمد بن عبادة، أخبرنا يزيد، حدثنا سليم بن حيان ـ وأثنى عليه ـ حدثنا سعيد بن ميناء، حدثنا أو، سمعت جابر بن عبد الله، يقول جاءت ملائكة إلى النبي صلى الله عليه وسلم وهو نائم فقال بعضهم إنه نائم‏.‏ وقال بعضهم إن العين نائمة والقلب يقظان‏.‏ فقالوا إن لصاحبكم هذا مثلا فاضربوا له مثلا‏.‏ فقال بعضهم إنه نائم‏.‏ وقال بعضهم إن العين نائمة والقلب يقظان‏.‏ فقالوا مثله كمثل رجل بنى دارا، وجعل فيها مأدبة وبعث داعيا، فمن أجاب الداعي دخل الدار وأكل من المأدبة، ومن لم يجب الداعي لم يدخل الدار ولم يأكل من المأدبة‏.‏ فقالوا أولوها له يفقهها فقال بعضهم إنه نائم‏.‏ وقال بعضهم إن العين نائمة والقلب يقظان‏.‏ فقالوا فالدار الجنة، والداعي محمد صلى الله عليه وسلم فمن أطاع محمدا صلى الله عليه وسلم فقد أطاع الله، ومن عصى محمدا صلى الله عليه وسلم فقد عصى الله، ومحمد صلى الله عليه وسلم فرق بين الناس‏.‏ تابعه قتيبة عن ليث، عن خالد، عن سعيد بن أبي هلال، عن جابر، خرج علينا النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদল ফেরেশ্তা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট আসলেন। তিনি তখন ঘুমিয়ে ছিলেন। একজন ফেরেশ্তা বললেন, তিনি [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] ঘুমিয়ে আছেন। অন্য একজন বললেন, চক্ষু ঘুমিয়ে বটে, কিন্তু অন্তর জেগে আছে। তখন তারা বললেন, তোমাদের এ সাথীর একটি উদাহরণ আছে। সুতরাং তাঁর উদাহরণ তোমরা বর্ননা কর। তখন তাদের কেউ বলল- তিনি তো ঘুমন্ত, আর কেউ বলল, চক্ষু ঘুমন্ত তবে অন্তর জাগ্রত। তখন তারা বলল, তাঁর উদাহরণ হল সেই লোকের মত, যে একটি বাড়ী তৈরি করল। তারপর সেখানে খানার আয়োজন আহবানকারীকে করল এবং একজন (লোকদের ডাকতে) পাঠাল। যারা আহবানকারীর ডাকে সাড়া দিল, তারা ঘরে প্রবেশ করে খানা খাওয়ার সূযোগ পেল। আর যারা আহবানকারীর ডাকে সাড়া দিল না, তারা ঘরেও প্রবেশ করতে পারল না এবং খানাও খেতে পারল না। তখন তারা বললেন, উদাহরণটি ব্যাখ্যা করুন, যাতে তিনি বুঝতে পারেন। তখন কেউ বলল, তিনি তো ঘুমন্ত, আর কেউ বলল, চক্ষু ঘুমন্ত, তবে অন্তর জাগ্রত। তখন তারা বললেন, ঘরটি হল জান্নাত, আহবানকারী হলেন মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। যারা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর অনুসরণ করল, তারা আল্লাহ্‌র আনুগত্য করল। আর যারা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অবাধ্যতা করল, তারা আসলে আল্লাহরই অবাধ্যতা করল। মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হলেন মানুষের মাঝে পার্থক্যের মাপকাঠি। কুতাইবাহ জাবির (রাঃ) থেকে এরকম হাদীস বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি “নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে বের হয়ে আসলেন”, এই কথাটি বলছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮৪)

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদল ফেরেশ্তা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর নিকট আসলেন। তিনি তখন ঘুমিয়ে ছিলেন। একজন ফেরেশ্তা বললেন, তিনি [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] ঘুমিয়ে আছেন। অন্য একজন বললেন, চক্ষু ঘুমিয়ে বটে, কিন্তু অন্তর জেগে আছে। তখন তারা বললেন, তোমাদের এ সাথীর একটি উদাহরণ আছে। সুতরাং তাঁর উদাহরণ তোমরা বর্ননা কর। তখন তাদের কেউ বলল- তিনি তো ঘুমন্ত, আর কেউ বলল, চক্ষু ঘুমন্ত তবে অন্তর জাগ্রত। তখন তারা বলল, তাঁর উদাহরণ হল সেই লোকের মত, যে একটি বাড়ী তৈরি করল। তারপর সেখানে খানার আয়োজন আহবানকারীকে করল এবং একজন (লোকদের ডাকতে) পাঠাল। যারা আহবানকারীর ডাকে সাড়া দিল, তারা ঘরে প্রবেশ করে খানা খাওয়ার সূযোগ পেল। আর যারা আহবানকারীর ডাকে সাড়া দিল না, তারা ঘরেও প্রবেশ করতে পারল না এবং খানাও খেতে পারল না। তখন তারা বললেন, উদাহরণটি ব্যাখ্যা করুন, যাতে তিনি বুঝতে পারেন। তখন কেউ বলল, তিনি তো ঘুমন্ত, আর কেউ বলল, চক্ষু ঘুমন্ত, তবে অন্তর জাগ্রত। তখন তারা বললেন, ঘরটি হল জান্নাত, আহবানকারী হলেন মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। যারা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর অনুসরণ করল, তারা আল্লাহ্‌র আনুগত্য করল। আর যারা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অবাধ্যতা করল, তারা আসলে আল্লাহরই অবাধ্যতা করল। মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হলেন মানুষের মাঝে পার্থক্যের মাপকাঠি। কুতাইবাহ জাবির (রাঃ) থেকে এরকম হাদীস বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি “নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে বের হয়ে আসলেন”, এই কথাটি বলছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮৪)

حدثنا محمد بن عبادة، أخبرنا يزيد، حدثنا سليم بن حيان ـ وأثنى عليه ـ حدثنا سعيد بن ميناء، حدثنا أو، سمعت جابر بن عبد الله، يقول جاءت ملائكة إلى النبي صلى الله عليه وسلم وهو نائم فقال بعضهم إنه نائم‏.‏ وقال بعضهم إن العين نائمة والقلب يقظان‏.‏ فقالوا إن لصاحبكم هذا مثلا فاضربوا له مثلا‏.‏ فقال بعضهم إنه نائم‏.‏ وقال بعضهم إن العين نائمة والقلب يقظان‏.‏ فقالوا مثله كمثل رجل بنى دارا، وجعل فيها مأدبة وبعث داعيا، فمن أجاب الداعي دخل الدار وأكل من المأدبة، ومن لم يجب الداعي لم يدخل الدار ولم يأكل من المأدبة‏.‏ فقالوا أولوها له يفقهها فقال بعضهم إنه نائم‏.‏ وقال بعضهم إن العين نائمة والقلب يقظان‏.‏ فقالوا فالدار الجنة، والداعي محمد صلى الله عليه وسلم فمن أطاع محمدا صلى الله عليه وسلم فقد أطاع الله، ومن عصى محمدا صلى الله عليه وسلم فقد عصى الله، ومحمد صلى الله عليه وسلم فرق بين الناس‏.‏ تابعه قتيبة عن ليث، عن خالد، عن سعيد بن أبي هلال، عن جابر، خرج علينا النبي صلى الله عليه وسلم‏.‏


সহিহ বুখারী ৭২৮৩

حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، عن بريد، عن أبي بردة، عن أبي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إنما مثلي ومثل ما بعثني الله به كمثل رجل أتى قوما فقال يا قوم إني رأيت الجيش بعينى، وإني أنا النذير العريان فالنجاء‏.‏ فأطاعه طائفة من قومه فأدلجوا، فانطلقوا على مهلهم فنجوا، وكذبت طائفة منهم فأصبحوا مكانهم، فصبحهم الجيش، فأهلكهم واجتاحهم، فذلك مثل من أطاعني، فاتبع ما جئت به، ومثل من عصاني وكذب بما جئت به من الحق ‏"‏‏.‏

আবূ মুসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার ও আমাকে আল্লাহ্‌ যা কিছু দিয়ে পাঠিয়েছেন তার উদাহরণ হল এমন যে, এক লোক কোন এক কাওমের নিকট এসে বলল, হে কাওম! আমি নিজের চোখে সেনাবাহিনীকে দেখে এসেছি। আমি সুস্পষ্ট সতর্ককারী। কাজেই তোমরা আত্নরক্ষার চেষ্টা কর। কাওমের কিছু লোক তার কথা মেনে নিল, সূতরাং রাতের প্রথম প্রহরে তারা সে জায়গা ছেড়ে রওনা হল এবং একটি নিরাপদ জায়গায় গিয়ে পৌছল। ফলে তারা রক্ষা পেল। তাদের মধ্যেকার আর একদল লোক তার কথা মিথ্যা জানল, ফলে তারা নিজেদের জায়গাতেই রয়ে গেল। সকাল বেলায় শক্রবাহিনী তাদের উপর আক্রমণ চালাল, তাদেরকে ধ্বংস করে দিল এবং তাদেরকে উৎপাটিত করে দিল। এই হল তাদের উদাহরণ, যারা আমার আনুগত্য করে এবং আমি যা নিয়ে এসেছি তার অনুসরন করে। আর যারা আমার কথা অমান্য করে তাদের দৃষ্টান্ত হল আমি যে সত্য নিয়ে এসেছি তাকে নিথ্যা প্রতিপন্ন করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮৬)

আবূ মুসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার ও আমাকে আল্লাহ্‌ যা কিছু দিয়ে পাঠিয়েছেন তার উদাহরণ হল এমন যে, এক লোক কোন এক কাওমের নিকট এসে বলল, হে কাওম! আমি নিজের চোখে সেনাবাহিনীকে দেখে এসেছি। আমি সুস্পষ্ট সতর্ককারী। কাজেই তোমরা আত্নরক্ষার চেষ্টা কর। কাওমের কিছু লোক তার কথা মেনে নিল, সূতরাং রাতের প্রথম প্রহরে তারা সে জায়গা ছেড়ে রওনা হল এবং একটি নিরাপদ জায়গায় গিয়ে পৌছল। ফলে তারা রক্ষা পেল। তাদের মধ্যেকার আর একদল লোক তার কথা মিথ্যা জানল, ফলে তারা নিজেদের জায়গাতেই রয়ে গেল। সকাল বেলায় শক্রবাহিনী তাদের উপর আক্রমণ চালাল, তাদেরকে ধ্বংস করে দিল এবং তাদেরকে উৎপাটিত করে দিল। এই হল তাদের উদাহরণ, যারা আমার আনুগত্য করে এবং আমি যা নিয়ে এসেছি তার অনুসরন করে। আর যারা আমার কথা অমান্য করে তাদের দৃষ্টান্ত হল আমি যে সত্য নিয়ে এসেছি তাকে নিথ্যা প্রতিপন্ন করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮৬)

حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، عن بريد، عن أبي بردة، عن أبي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إنما مثلي ومثل ما بعثني الله به كمثل رجل أتى قوما فقال يا قوم إني رأيت الجيش بعينى، وإني أنا النذير العريان فالنجاء‏.‏ فأطاعه طائفة من قومه فأدلجوا، فانطلقوا على مهلهم فنجوا، وكذبت طائفة منهم فأصبحوا مكانهم، فصبحهم الجيش، فأهلكهم واجتاحهم، فذلك مثل من أطاعني، فاتبع ما جئت به، ومثل من عصاني وكذب بما جئت به من الحق ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৭২৮৬

حدثني إسماعيل، حدثني ابن وهب، عن يونس، عن ابن شهاب، حدثني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، أن عبد الله بن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال قدم عيينة بن حصن بن حذيفة بن بدر فنزل على ابن أخيه الحر بن قيس بن حصن، وكان من النفر الذين يدنيهم عمر، وكان القراء أصحاب مجلس عمر ومشاورته كهولا كانوا أو شبانا فقال عيينة لابن أخيه يا ابن أخي هل لك وجه عند هذا الأمير فتستأذن لي عليه قال سأستأذن لك عليه‏.‏ قال ابن عباس فاستأذن لعيينة فلما دخل قال يا ابن الخطاب والله ما تعطينا الجزل، وما تحكم بيننا بالعدل‏.‏ فغضب عمر حتى هم بأن يقع به فقال الحر يا أمير المؤمنين إن الله تعالى قال لنبيه صلى الله عليه وسلم ‏{‏خذ العفو وأمر بالعرف وأعرض عن الجاهلين‏}‏ وإن هذا من الجاهلين‏.‏ فوالله ما جاوزها عمر حين تلاها عليه، وكان وقافا عند كتاب الله‏.‏

আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উয়াইনাহ ইব্‌নু হিস্ন ইব্‌নু হুযাইফাহ ইব্‌নু বাদ্র (রহঃ) তাঁর ভাতিজা হুর ইব্‌নু কায়স ইব্‌নু হিস্ন-এর কাছে আসলেন। ‘উমর (রাঃ) যাদের নিজে সন্নিকটে রাখতেন, হুর ইব্‌নু কায়স (রহঃ) ছিলেন তাদেরই একজন। যুবক হোক কিংবা বৃদ্ধ ক্বারী (আলিম) ব্যাক্তিরাই ‘উমর (রাঃ) - এর মজলিসের সদস্য ও পরামর্শদাতা ছিলেন। উয়ায়না তার ভাতিজাকে বললেন, হে ভাতিজা! তোমার কি আমীরের নিকট এভটুকু প্রভাব আছে যে আমার জন্য সাক্ষাতের অনুমতি গ্রহণ করতে পারবে? সে বলল, আমি আপনার ব্যাপারে তাঁর কাছে অনুমতি চাইব। ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন তিনি (হুর) ‘উয়াইনাহ্র জন্য অনুমতি চাইলেন। তারপর যখন ‘উয়াইনাহ (রাঃ) ‘উমর (রাঃ) - এর নিকট গেলেন, তখন সে বলল, হে ইব্‌নু খাত্তাব! আল্লাহ্‌র কসম! আপনি আমাদের মাল দিচ্ছেন না, আবার ইনসাফের ভিত্তিতে আমাদের মাঝে ফায়সালাও করছেন না। তখন ‘উমর (রাঃ) রেগে গেলেন, এমন কি তিনি তাকে মারতে উদ্যত হলেন। তখন হুর বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন। আল্লাহ্ তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলেছেনঃ “তুমি ক্ষমা অবলম্বন কর, সৎকাজের আদেশ দাও, আর নির্বোধদের উপেক্ষা কর”। - (সূরাহ আল-আ’রাফ ৭/১৯৯)। এ লোকটি একজন মূর্খ। আল্লাহ্‌র শপথ! ‘উমর (রাঃ) - এর সামনে এ আয়াতটি পাঠ করা হলে তিনি তা এতটুকু লংঘন করলেন না। বস্তুত তিনি মহান আল্লাহ তা’আলার কিতাবের বড়ই অনুগত ছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮৮)

আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উয়াইনাহ ইব্‌নু হিস্ন ইব্‌নু হুযাইফাহ ইব্‌নু বাদ্র (রহঃ) তাঁর ভাতিজা হুর ইব্‌নু কায়স ইব্‌নু হিস্ন-এর কাছে আসলেন। ‘উমর (রাঃ) যাদের নিজে সন্নিকটে রাখতেন, হুর ইব্‌নু কায়স (রহঃ) ছিলেন তাদেরই একজন। যুবক হোক কিংবা বৃদ্ধ ক্বারী (আলিম) ব্যাক্তিরাই ‘উমর (রাঃ) - এর মজলিসের সদস্য ও পরামর্শদাতা ছিলেন। উয়ায়না তার ভাতিজাকে বললেন, হে ভাতিজা! তোমার কি আমীরের নিকট এভটুকু প্রভাব আছে যে আমার জন্য সাক্ষাতের অনুমতি গ্রহণ করতে পারবে? সে বলল, আমি আপনার ব্যাপারে তাঁর কাছে অনুমতি চাইব। ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন তিনি (হুর) ‘উয়াইনাহ্র জন্য অনুমতি চাইলেন। তারপর যখন ‘উয়াইনাহ (রাঃ) ‘উমর (রাঃ) - এর নিকট গেলেন, তখন সে বলল, হে ইব্‌নু খাত্তাব! আল্লাহ্‌র কসম! আপনি আমাদের মাল দিচ্ছেন না, আবার ইনসাফের ভিত্তিতে আমাদের মাঝে ফায়সালাও করছেন না। তখন ‘উমর (রাঃ) রেগে গেলেন, এমন কি তিনি তাকে মারতে উদ্যত হলেন। তখন হুর বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন। আল্লাহ্ তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে বলেছেনঃ “তুমি ক্ষমা অবলম্বন কর, সৎকাজের আদেশ দাও, আর নির্বোধদের উপেক্ষা কর”। - (সূরাহ আল-আ’রাফ ৭/১৯৯)। এ লোকটি একজন মূর্খ। আল্লাহ্‌র শপথ! ‘উমর (রাঃ) - এর সামনে এ আয়াতটি পাঠ করা হলে তিনি তা এতটুকু লংঘন করলেন না। বস্তুত তিনি মহান আল্লাহ তা’আলার কিতাবের বড়ই অনুগত ছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮৮)

حدثني إسماعيل، حدثني ابن وهب، عن يونس، عن ابن شهاب، حدثني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، أن عبد الله بن عباس ـ رضى الله عنهما ـ قال قدم عيينة بن حصن بن حذيفة بن بدر فنزل على ابن أخيه الحر بن قيس بن حصن، وكان من النفر الذين يدنيهم عمر، وكان القراء أصحاب مجلس عمر ومشاورته كهولا كانوا أو شبانا فقال عيينة لابن أخيه يا ابن أخي هل لك وجه عند هذا الأمير فتستأذن لي عليه قال سأستأذن لك عليه‏.‏ قال ابن عباس فاستأذن لعيينة فلما دخل قال يا ابن الخطاب والله ما تعطينا الجزل، وما تحكم بيننا بالعدل‏.‏ فغضب عمر حتى هم بأن يقع به فقال الحر يا أمير المؤمنين إن الله تعالى قال لنبيه صلى الله عليه وسلم ‏{‏خذ العفو وأمر بالعرف وأعرض عن الجاهلين‏}‏ وإن هذا من الجاهلين‏.‏ فوالله ما جاوزها عمر حين تلاها عليه، وكان وقافا عند كتاب الله‏.‏


সহিহ বুখারী ৭২৭৫

حدثنا عمرو بن عباس، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن واصل، عن أبي وائل، قال جلست إلى شيبة في هذا المسجد قال جلس إلى عمر في مجلسك هذا فقال هممت أن لا أدع فيها صفراء ولا بيضاء إلا قسمتها بين المسلمين‏.‏ قلت ما أنت بفاعل‏.‏ قال لم‏.‏ قلت لم يفعله صاحباك قال هما المرآن يقتدى بهما‏.‏

আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এই মসজিদে শায়বাহ্‌র (রহঃ) কাছে বসেছিলাম। তিনি বললেন, তুমি যেমন বসে আছ, ‘উমর (রাঃ) তেমনি এ জায়গা বসা ছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন, আমি ইচ্ছা করছি যে, এতে সোনা ও রূপার কোন অবশিষ্ট রাখব না বরং সবকিছু মুসলিমদের মাঝে বন্টন করে দেব। আমি বললাম, আপনি তা করবেন না। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কেন? আমি বললাম, আপনার সঙ্গীদ্বয় এমনটা করেননি। তিনি বললেন, তাঁরা দু’জন অনুসরণ করার মত লোকই ছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৭৯)

আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এই মসজিদে শায়বাহ্‌র (রহঃ) কাছে বসেছিলাম। তিনি বললেন, তুমি যেমন বসে আছ, ‘উমর (রাঃ) তেমনি এ জায়গা বসা ছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন, আমি ইচ্ছা করছি যে, এতে সোনা ও রূপার কোন অবশিষ্ট রাখব না বরং সবকিছু মুসলিমদের মাঝে বন্টন করে দেব। আমি বললাম, আপনি তা করবেন না। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কেন? আমি বললাম, আপনার সঙ্গীদ্বয় এমনটা করেননি। তিনি বললেন, তাঁরা দু’জন অনুসরণ করার মত লোকই ছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৭৯)

حدثنا عمرو بن عباس، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن واصل، عن أبي وائل، قال جلست إلى شيبة في هذا المسجد قال جلس إلى عمر في مجلسك هذا فقال هممت أن لا أدع فيها صفراء ولا بيضاء إلا قسمتها بين المسلمين‏.‏ قلت ما أنت بفاعل‏.‏ قال لم‏.‏ قلت لم يفعله صاحباك قال هما المرآن يقتدى بهما‏.‏


সহিহ বুখারী ৭২৮২

حدثنا أبو نعيم، حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن همام، عن حذيفة، قال يا معشر القراء استقيموا فقد سبقتم سبقا بعيدا فإن أخذتم يمينا وشمالا، لقد ضللتم ضلالا بعيدا‏.‏

হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হে কুরআন পাঠকারী সমাজ! তোমরা (কুরআন ও সুন্নাহর উপর) সুদৃঢ় থাক। নিশ্চয়ই তোমরা অনেক পশ্চাতে পড়ে আছ। আর যদি তোমরা ডানদিকের কিংবা বামদিকের পথ অনুসরণ কর তাহলে তোমরা সঠিকপথ (হেদায়েত থেকে) অনেক দুরে সরে পড়বে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮৫)

হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হে কুরআন পাঠকারী সমাজ! তোমরা (কুরআন ও সুন্নাহর উপর) সুদৃঢ় থাক। নিশ্চয়ই তোমরা অনেক পশ্চাতে পড়ে আছ। আর যদি তোমরা ডানদিকের কিংবা বামদিকের পথ অনুসরণ কর তাহলে তোমরা সঠিকপথ (হেদায়েত থেকে) অনেক দুরে সরে পড়বে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮৫)

حدثنا أبو نعيم، حدثنا سفيان، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن همام، عن حذيفة، قال يا معشر القراء استقيموا فقد سبقتم سبقا بعيدا فإن أخذتم يمينا وشمالا، لقد ضللتم ضلالا بعيدا‏.‏


সহিহ বুখারী ৭২৮৪

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن عقيل، عن الزهري، أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن أبي هريرة، قال لما توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم واستخلف أبو بكر بعده، وكفر من كفر من العرب قال عمر لأبي بكر كيف تقاتل الناس، وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أمرت أن أقاتل الناس حتى يقولوا لا إله إلا الله‏.‏ فمن قال لا إله إلا الله‏.‏ عصم مني ماله ونفسه، إلا بحقه، وحسابه على الله ‏"‏‏.‏ فقال والله لأقاتلن من فرق بين الصلاة والزكاة، فإن الزكاة حق المال، والله لو منعوني عقالا كانوا يؤدونه إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم لقاتلتهم على منعه‏.‏ فقال عمر فوالله ما هو إلا أن رأيت الله قد شرح صدر أبي بكر للقتال فعرفت أنه الحق‏.‏ قال ابن بكير وعبد الله عن الليث عناقا‏.‏ وهو أصح‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করলেন আর তাঁর পরে আবূ বকর (রাঃ)-কে খালীফা করা হলো এবং আরবের যারা কাফির হবার তারা কাফির হয়ে গিয়েছিল, তখন ‘উমার (রাঃ) আবূ বকর (রাঃ)-কে বললেন, আপনি কী করে লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন, অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি মানুষের সঙ্গে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ বলার পূর্ব পর্যন্ত যুদ্ধ করার জন্য নির্দেশপ্রাপ্ত। অতএব যে ব্যক্তি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ বলল, সে তার জান ও মালকে আমার থেকে নিরাপদ করে নিল। তবে ইসলামী বিধানের আওতায় পড়লে আলাদা। তাদের প্রকৃত হিসাব আল্লাহর কাছে হবে। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, যারা সালাত ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করে, আমি অবশ্য অবশ্যই তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করব। কেননা, যাকাত হল মালের হক। আল্লাহর শপথ! যদি তারা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট যা আদায় করত, এখন তা (সেভাবে) দিতে অস্বীকার করে, তাহলেও আমি অবশ্যই তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করব। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমি দেখছিলাম যে, যুদ্ধ করার জন্য আল্লাহ্ তা‘আলা আবূ বকরের সিনা খুলে দিয়েছেন। সুতরাং আমি বুঝতে পারলাম এ সিদ্ধান্ত সঠিক। [ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন] ইবনু বুকায়র ও ‘আবদুল্লাহ্ (রহ.) লায়স-এর সূত্রে উকায়ল থেকে বর্ণনা করতে গিয়ে। لو منعونى كذا (যদি তারা এ পরিমাণ দিতে অস্বীকার করে)-এর স্থলে لو منعونى عناقا (যদি তারা একটা ছোট উটের বাচ্চাও দিতে অস্বীকার করে) উল্লেখ করেছেন। আর এটিই সবচেয়ে শুদ্ধ। আর এটিকে লোকেরাعَنَاقًا বর্ণনা করেছেন। عزوجل বস্তুত এ স্থানে عقالا পড়াটা জায়েয নয়। আর عقالا শব্দটি শা‘বী-এর হাদীসে মুরসাল সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। সে রকম কুতাইবাহ (রহ.)ও عقالا বলেছেন।[১] [১৩৯৯, ১৪০০) (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮৭)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করলেন আর তাঁর পরে আবূ বকর (রাঃ)-কে খালীফা করা হলো এবং আরবের যারা কাফির হবার তারা কাফির হয়ে গিয়েছিল, তখন ‘উমার (রাঃ) আবূ বকর (রাঃ)-কে বললেন, আপনি কী করে লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন, অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি মানুষের সঙ্গে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ বলার পূর্ব পর্যন্ত যুদ্ধ করার জন্য নির্দেশপ্রাপ্ত। অতএব যে ব্যক্তি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ বলল, সে তার জান ও মালকে আমার থেকে নিরাপদ করে নিল। তবে ইসলামী বিধানের আওতায় পড়লে আলাদা। তাদের প্রকৃত হিসাব আল্লাহর কাছে হবে। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, যারা সালাত ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করে, আমি অবশ্য অবশ্যই তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করব। কেননা, যাকাত হল মালের হক। আল্লাহর শপথ! যদি তারা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট যা আদায় করত, এখন তা (সেভাবে) দিতে অস্বীকার করে, তাহলেও আমি অবশ্যই তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করব। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমি দেখছিলাম যে, যুদ্ধ করার জন্য আল্লাহ্ তা‘আলা আবূ বকরের সিনা খুলে দিয়েছেন। সুতরাং আমি বুঝতে পারলাম এ সিদ্ধান্ত সঠিক। [ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন] ইবনু বুকায়র ও ‘আবদুল্লাহ্ (রহ.) লায়স-এর সূত্রে উকায়ল থেকে বর্ণনা করতে গিয়ে। لو منعونى كذا (যদি তারা এ পরিমাণ দিতে অস্বীকার করে)-এর স্থলে لو منعونى عناقا (যদি তারা একটা ছোট উটের বাচ্চাও দিতে অস্বীকার করে) উল্লেখ করেছেন। আর এটিই সবচেয়ে শুদ্ধ। আর এটিকে লোকেরাعَنَاقًا বর্ণনা করেছেন। عزوجل বস্তুত এ স্থানে عقالا পড়াটা জায়েয নয়। আর عقالا শব্দটি শা‘বী-এর হাদীসে মুরসাল সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। সে রকম কুতাইবাহ (রহ.)ও عقالا বলেছেন।[১] [১৩৯৯, ১৪০০) (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮৭)

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن عقيل، عن الزهري، أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن أبي هريرة، قال لما توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم واستخلف أبو بكر بعده، وكفر من كفر من العرب قال عمر لأبي بكر كيف تقاتل الناس، وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أمرت أن أقاتل الناس حتى يقولوا لا إله إلا الله‏.‏ فمن قال لا إله إلا الله‏.‏ عصم مني ماله ونفسه، إلا بحقه، وحسابه على الله ‏"‏‏.‏ فقال والله لأقاتلن من فرق بين الصلاة والزكاة، فإن الزكاة حق المال، والله لو منعوني عقالا كانوا يؤدونه إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم لقاتلتهم على منعه‏.‏ فقال عمر فوالله ما هو إلا أن رأيت الله قد شرح صدر أبي بكر للقتال فعرفت أنه الحق‏.‏ قال ابن بكير وعبد الله عن الليث عناقا‏.‏ وهو أصح‏.‏


সহিহ বুখারী ৭২৮৫

قتيبة بن سعيد حدثنا ليث عن عقيل عن الزهري أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة عن أبي هريرة قال لما توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم واستخلف أبو بكر بعده وكفر من كفر من العرب قال عمر لأبي بكر كيف تقاتل الناس وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أمرت أن أقاتل الناس حتى يقولوا لا إله إلا الله فمن قال لا إله إلا الله عصم مني ماله ونفسه إلا بحقه وحسابه على الله فقال والله لأ×قاتلن من فرق بين الصلاة والزكاة فإن الزكاة حق المال والله لو منعوني عقالا كانوا يؤدونه إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم لقاتلتهم على منعه فقال عمر فوالله ما هو إلا أن رأيت الله قد شرح صدر أبي بكر للقتال فعرفت أنه الحق قال ابن بكير وعبد الله عن الليث عناقا وهو أصح

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করলেন আর তাঁর পরে আবূ বকর (রাঃ)-কে খালীফা করা হলো এবং আরবের যারা কাফির হবার তারা কাফির হয়ে গিয়েছিল, তখন ‘উমার (রাঃ) আবূ বকর (রাঃ)-কে বললেন, আপনি কী করে লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন, অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি মানুষের সঙ্গে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ বলার পূর্ব পর্যন্ত যুদ্ধ করার জন্য নির্দেশপ্রাপ্ত। অতএব যে ব্যক্তি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ বলল, সে তার জান ও মালকে আমার থেকে নিরাপদ করে নিল। তবে ইসলামী বিধানের আওতায় পড়লে আলাদা। তাদের প্রকৃত হিসাব আল্লাহর কাছে হবে। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, যারা সালাত ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করে, আমি অবশ্য অবশ্যই তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করব। কেননা, যাকাত হল মালের হক। আল্লাহর শপথ! যদি তারা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট যা আদায় করত, এখন তা (সেভাবে) দিতে অস্বীকার করে, তাহলেও আমি অবশ্যই তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করব। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমি দেখছিলাম যে, যুদ্ধ করার জন্য আল্লাহ্ তা‘আলা আবূ বকরের সিনা খুলে দিয়েছেন। সুতরাং আমি বুঝতে পারলাম এ সিদ্ধান্ত সঠিক। [ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন] ইবনু বুকায়র ও ‘আবদুল্লাহ্ (রহ.) লায়স-এর সূত্রে উকায়ল থেকে বর্ণনা করতে গিয়ে। لو منعونى كذا (যদি তারা এ পরিমাণ দিতে অস্বীকার করে)-এর স্থলে لو منعونى عناقا (যদি তারা একটা ছোট উটের বাচ্চাও দিতে অস্বীকার করে) উল্লেখ করেছেন। আর এটিই সবচেয়ে শুদ্ধ। আর এটিকে লোকেরাعَنَاقًا বর্ণনা করেছেন। عزوجل বস্তুত এ স্থানে عقالا পড়াটা জায়েয নয়। আর عقالا শব্দটি শা‘বী-এর হাদীসে মুরসাল সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। সে রকম কুতাইবাহ (রহ.)ও عقالا বলেছেন।[১] [১৩৯৯, ১৪০০) (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮৭)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করলেন আর তাঁর পরে আবূ বকর (রাঃ)-কে খালীফা করা হলো এবং আরবের যারা কাফির হবার তারা কাফির হয়ে গিয়েছিল, তখন ‘উমার (রাঃ) আবূ বকর (রাঃ)-কে বললেন, আপনি কী করে লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন, অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি মানুষের সঙ্গে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ বলার পূর্ব পর্যন্ত যুদ্ধ করার জন্য নির্দেশপ্রাপ্ত। অতএব যে ব্যক্তি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ বলল, সে তার জান ও মালকে আমার থেকে নিরাপদ করে নিল। তবে ইসলামী বিধানের আওতায় পড়লে আলাদা। তাদের প্রকৃত হিসাব আল্লাহর কাছে হবে। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, যারা সালাত ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করে, আমি অবশ্য অবশ্যই তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করব। কেননা, যাকাত হল মালের হক। আল্লাহর শপথ! যদি তারা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট যা আদায় করত, এখন তা (সেভাবে) দিতে অস্বীকার করে, তাহলেও আমি অবশ্যই তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করব। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমি দেখছিলাম যে, যুদ্ধ করার জন্য আল্লাহ্ তা‘আলা আবূ বকরের সিনা খুলে দিয়েছেন। সুতরাং আমি বুঝতে পারলাম এ সিদ্ধান্ত সঠিক। [ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন] ইবনু বুকায়র ও ‘আবদুল্লাহ্ (রহ.) লায়স-এর সূত্রে উকায়ল থেকে বর্ণনা করতে গিয়ে। لو منعونى كذا (যদি তারা এ পরিমাণ দিতে অস্বীকার করে)-এর স্থলে لو منعونى عناقا (যদি তারা একটা ছোট উটের বাচ্চাও দিতে অস্বীকার করে) উল্লেখ করেছেন। আর এটিই সবচেয়ে শুদ্ধ। আর এটিকে লোকেরাعَنَاقًا বর্ণনা করেছেন। عزوجل বস্তুত এ স্থানে عقالا পড়াটা জায়েয নয়। আর عقالا শব্দটি শা‘বী-এর হাদীসে মুরসাল সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। সে রকম কুতাইবাহ (রহ.)ও عقالا বলেছেন।[১] [১৩৯৯, ১৪০০) (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮৭)

قتيبة بن سعيد حدثنا ليث عن عقيل عن الزهري أخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة عن أبي هريرة قال لما توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم واستخلف أبو بكر بعده وكفر من كفر من العرب قال عمر لأبي بكر كيف تقاتل الناس وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أمرت أن أقاتل الناس حتى يقولوا لا إله إلا الله فمن قال لا إله إلا الله عصم مني ماله ونفسه إلا بحقه وحسابه على الله فقال والله لأ×قاتلن من فرق بين الصلاة والزكاة فإن الزكاة حق المال والله لو منعوني عقالا كانوا يؤدونه إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم لقاتلتهم على منعه فقال عمر فوالله ما هو إلا أن رأيت الله قد شرح صدر أبي بكر للقتال فعرفت أنه الحق قال ابن بكير وعبد الله عن الليث عناقا وهو أصح


সহিহ বুখারী ৭২৮৭

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن هشام بن عروة، عن فاطمة بنت المنذر، عن أسماء ابنة أبي بكر ـ رضى الله عنهما ـ أنها قالت أتيت عائشة حين خسفت الشمس، والناس قيام وهى قائمة تصلي فقلت ما للناس فأشارت بيدها نحو السماء فقالت سبحان الله‏.‏ فقلت آية‏.‏ قالت برأسها أن نعم‏.‏ فلما انصرف رسول الله صلى الله عليه وسلم حمد الله وأثنى عليه ثم قال ‏ "‏ ما من شىء لم أره إلا وقد رأيته في مقامي، حتى الجنة والنار، وأوحي إلى أنكم تفتنون في القبور قريبا من فتنة الدجال، فأما المؤمن ـ أو المسلم لا أدري أى ذلك قالت أسماء ـ فيقول محمد جاءنا بالبينات فأجبنا وآمنا‏.‏ فيقال نم صالحا علمنا أنك موقن‏.‏ وأما المنافق ـ أو المرتاب لا أدري أى ذلك قالت أسماء ـ فيقول لا أدري سمعت الناس يقولون شيئا فقلته ‏"‏‏.‏

আসমা বিন্‌ত আবূ বক্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার সুর্যগ্রহণের সময় আমি ‘আইশাহ (রাঃ) - এর কাছে এলাম। লোকেরা তখন (সালাতে) দাঁড়িয়েছিল এবং তিনিও দাঁড়িয়ে সালাত পড়ছিলেন। আমি জিজ্ঞাসাঃ করলাম, লোকদের কি হল? তিনি হাত দিয়ে আকাশের দিকে ইঙ্গিত করলেন এবং বললেন, সুবহানাল্লাহ! আমি বললাম, এটা কি কোন নিদর্শন? তখন তিনি মাথা নেড়ে হাঁ বললেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সালাত পড়া শেষ করলেন, তখন তিনি আল্লাহর প্রশংসা করলেন ও ছানা পড়লেন। তারপর বললেন, আমি যা দেখিনি তার সবকিছুই আজকের আমার এ জায়গায় দেখলাম। এমন কি জান্নাত ও জাহান্নামও দেখলাম। আর আমার কাছে ওয়াহী করা হয়েছে যে, কবরে তোমাদের পরীক্ষা করা হবে, প্রায় দাজ্জালের পরীক্ষার মতই। তবে যারা মু’মিন হবে, অথবা (বলেছিলেন) মুসলিম হবে। বর্ননাকারী বলেন, আসমা (রাঃ) ‘মু’মিন’- বলেছিলেন, না ‘মুসলিম’- বলেছিলেন তা আমার স্বরণ নেই। তারা বলবে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে স্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে এসেছিলেন, আমরা তার ডাকে সাড়া দিয়েছি এবং ঈমান এনেছি। তখন তাকে বলা হবে, তুমি শান্তিতে ঘুমোও, আমরা জানি তুমি দৃঢ় বিশ্বাসী ছিলে। আর যারা মুনাফিক হবে অথবা (বলেছিলেন) সন্দেহকারী হবে, বর্ণনাকারী বলেন, আসমা ‘মুনাফিক’- বলেছিলেন না ‘সন্দেহকারী’ বলেছিলেন তা আমার মনে নেই- তারা বলবে, আমি কিছুই জানি না, আমি মানুষকে কথা বলতে শুনেছি, আর তাই বলেছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮৯)

আসমা বিন্‌ত আবূ বক্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার সুর্যগ্রহণের সময় আমি ‘আইশাহ (রাঃ) - এর কাছে এলাম। লোকেরা তখন (সালাতে) দাঁড়িয়েছিল এবং তিনিও দাঁড়িয়ে সালাত পড়ছিলেন। আমি জিজ্ঞাসাঃ করলাম, লোকদের কি হল? তিনি হাত দিয়ে আকাশের দিকে ইঙ্গিত করলেন এবং বললেন, সুবহানাল্লাহ! আমি বললাম, এটা কি কোন নিদর্শন? তখন তিনি মাথা নেড়ে হাঁ বললেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সালাত পড়া শেষ করলেন, তখন তিনি আল্লাহর প্রশংসা করলেন ও ছানা পড়লেন। তারপর বললেন, আমি যা দেখিনি তার সবকিছুই আজকের আমার এ জায়গায় দেখলাম। এমন কি জান্নাত ও জাহান্নামও দেখলাম। আর আমার কাছে ওয়াহী করা হয়েছে যে, কবরে তোমাদের পরীক্ষা করা হবে, প্রায় দাজ্জালের পরীক্ষার মতই। তবে যারা মু’মিন হবে, অথবা (বলেছিলেন) মুসলিম হবে। বর্ননাকারী বলেন, আসমা (রাঃ) ‘মু’মিন’- বলেছিলেন, না ‘মুসলিম’- বলেছিলেন তা আমার স্বরণ নেই। তারা বলবে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে স্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে এসেছিলেন, আমরা তার ডাকে সাড়া দিয়েছি এবং ঈমান এনেছি। তখন তাকে বলা হবে, তুমি শান্তিতে ঘুমোও, আমরা জানি তুমি দৃঢ় বিশ্বাসী ছিলে। আর যারা মুনাফিক হবে অথবা (বলেছিলেন) সন্দেহকারী হবে, বর্ণনাকারী বলেন, আসমা ‘মুনাফিক’- বলেছিলেন না ‘সন্দেহকারী’ বলেছিলেন তা আমার মনে নেই- তারা বলবে, আমি কিছুই জানি না, আমি মানুষকে কথা বলতে শুনেছি, আর তাই বলেছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮৯)

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن هشام بن عروة، عن فاطمة بنت المنذر، عن أسماء ابنة أبي بكر ـ رضى الله عنهما ـ أنها قالت أتيت عائشة حين خسفت الشمس، والناس قيام وهى قائمة تصلي فقلت ما للناس فأشارت بيدها نحو السماء فقالت سبحان الله‏.‏ فقلت آية‏.‏ قالت برأسها أن نعم‏.‏ فلما انصرف رسول الله صلى الله عليه وسلم حمد الله وأثنى عليه ثم قال ‏ "‏ ما من شىء لم أره إلا وقد رأيته في مقامي، حتى الجنة والنار، وأوحي إلى أنكم تفتنون في القبور قريبا من فتنة الدجال، فأما المؤمن ـ أو المسلم لا أدري أى ذلك قالت أسماء ـ فيقول محمد جاءنا بالبينات فأجبنا وآمنا‏.‏ فيقال نم صالحا علمنا أنك موقن‏.‏ وأما المنافق ـ أو المرتاب لا أدري أى ذلك قالت أسماء ـ فيقول لا أدري سمعت الناس يقولون شيئا فقلته ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৭২৮৮

حدثنا إسماعيل، حدثني مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ دعوني ما تركتكم، إنما هلك من كان قبلكم بسؤالهم واختلافهم على أنبيائهم، فإذا نهيتكم عن شىء فاجتنبوه، وإذا أمرتكم بأمر فأتوا منه ما استطعتم ‏"‏‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেনঃ তোমরা আমাকে প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাক, যে পর্যন্ত না আমি তোমাদের কিছু বলি। কেননা, তোমাদের আগে যারা ছিল, তারা তাদের নবীদেরকে অধিক অধিক প্রশ্ন করা ও নবীদের সঙ্গে মতভেদের জন্যই ধ্বংস হয়েছে। তাই আমি যখন তোমাদেরকে কোন ব্যাপারে নিষেধ করি, তখন তা থেকে বেঁচে থাক। আর যদি কোন বিষয়ে আদেশ করি তাহলে সাধ্য অনুসারে মেনে চল।[মুসলিম ১৫/৭৩, হাঃ ১৩৩৭, আহমাদ ৯৭৮৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৯০)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেনঃ তোমরা আমাকে প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাক, যে পর্যন্ত না আমি তোমাদের কিছু বলি। কেননা, তোমাদের আগে যারা ছিল, তারা তাদের নবীদেরকে অধিক অধিক প্রশ্ন করা ও নবীদের সঙ্গে মতভেদের জন্যই ধ্বংস হয়েছে। তাই আমি যখন তোমাদেরকে কোন ব্যাপারে নিষেধ করি, তখন তা থেকে বেঁচে থাক। আর যদি কোন বিষয়ে আদেশ করি তাহলে সাধ্য অনুসারে মেনে চল।[মুসলিম ১৫/৭৩, হাঃ ১৩৩৭, আহমাদ ৯৭৮৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৯০)

حدثنا إسماعيل، حدثني مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ دعوني ما تركتكم، إنما هلك من كان قبلكم بسؤالهم واختلافهم على أنبيائهم، فإذا نهيتكم عن شىء فاجتنبوه، وإذا أمرتكم بأمر فأتوا منه ما استطعتم ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > অধিক অধিক প্রশ্ন করা এবং অকারণে কষ্ট করা নিন্দনীয়।

সহিহ বুখারী ৭২৮৯

حدثنا عبد الله بن يزيد المقرئ، حدثنا سعيد، حدثني عقيل، عن ابن شهاب، عن عامر بن سعد بن أبي وقاص، عن أبيه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن أعظم المسلمين جرما من سأل عن شىء لم يحرم، فحرم من أجل مسألته ‏"‏‏.‏

আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলিমদের সর্বাপেক্ষা বড় অপরাধী ঐ লোক যে এমন বিষয়ে প্রশ্ন করে যা আগে হারাম ছিল না, কিন্তু তার প্রশ্ন করার কারণে তা হারাম করা হয়েছে।[মুসলিম ৪৩/৩৭, হাঃ ২৩৫৮, আহমাদ ১৫৪৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৯১)

আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলিমদের সর্বাপেক্ষা বড় অপরাধী ঐ লোক যে এমন বিষয়ে প্রশ্ন করে যা আগে হারাম ছিল না, কিন্তু তার প্রশ্ন করার কারণে তা হারাম করা হয়েছে।[মুসলিম ৪৩/৩৭, হাঃ ২৩৫৮, আহমাদ ১৫৪৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৯১)

حدثنا عبد الله بن يزيد المقرئ، حدثنا سعيد، حدثني عقيل، عن ابن شهاب، عن عامر بن سعد بن أبي وقاص، عن أبيه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن أعظم المسلمين جرما من سأل عن شىء لم يحرم، فحرم من أجل مسألته ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৭২৯০

حدثنا إسحاق، أخبرنا عفان، حدثنا وهيب، حدثنا موسى بن عقبة، سمعت أبا النضر، يحدث عن بسر بن سعيد، عن زيد بن ثابت، أن النبي صلى الله عليه وسلم اتخذ حجرة في المسجد من حصير، فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها ليالي، حتى اجتمع إليه ناس، ثم فقدوا صوته ليلة فظنوا أنه قد نام، فجعل بعضهم يتنحنح ليخرج إليهم فقال ‏ "‏ ما زال بكم الذي رأيت من صنيعكم، حتى خشيت أن يكتب عليكم، ولو كتب عليكم ما قمتم به فصلوا أيها الناس في بيوتكم، فإن أفضل صلاة المرء في بيته، إلا الصلاة المكتوبة ‏"‏‏.‏

যায়দ ইব্‌নু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চাটাই দিয়ে মসজিদে একটি হুজরা বানিয়ছিলেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার ভিতর কয়েক রাত সালাত পড়লেন। এতে লোকেরা তার সঙ্গে একত্রিত হত। তারপর এক রাতে তারা তাঁর আওয়ায শুনতে পেল না এবং তারা ভাবল, তিনি ঘুমিয়ে পড়েছেন। তাদের কেউ কেউ গলা খাকার দিতে লাগল, যাতে তিনি তাদের নিকট বেরিয়ে আসেন। তখন তিনি [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] বললেনঃ তোমাদের এ ক’ দিনের কর্মকান্ড আমি দেখেছি, এতে আমার আশঙ্কা হচ্ছে, তোমাদের উপর তা ফরয করে দেওয়া থেকে পারে। কিন্তু যদি তোমাদের উপর ফরয করে দেওয়া হয় তাহলে তোমরা তা প্রতিষ্ঠিত করবে না। কাজেই ওহে লোকেরা! তোমরা নিজ নিজ ঘরে সালাত পড়। কারন, মানুষের সবচেয়ে উত্তম সালাত হল যা সে তার ঘরে আদায় করে ফরয সালাত ছাড়া।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৯২)

যায়দ ইব্‌নু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চাটাই দিয়ে মসজিদে একটি হুজরা বানিয়ছিলেন। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার ভিতর কয়েক রাত সালাত পড়লেন। এতে লোকেরা তার সঙ্গে একত্রিত হত। তারপর এক রাতে তারা তাঁর আওয়ায শুনতে পেল না এবং তারা ভাবল, তিনি ঘুমিয়ে পড়েছেন। তাদের কেউ কেউ গলা খাকার দিতে লাগল, যাতে তিনি তাদের নিকট বেরিয়ে আসেন। তখন তিনি [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] বললেনঃ তোমাদের এ ক’ দিনের কর্মকান্ড আমি দেখেছি, এতে আমার আশঙ্কা হচ্ছে, তোমাদের উপর তা ফরয করে দেওয়া থেকে পারে। কিন্তু যদি তোমাদের উপর ফরয করে দেওয়া হয় তাহলে তোমরা তা প্রতিষ্ঠিত করবে না। কাজেই ওহে লোকেরা! তোমরা নিজ নিজ ঘরে সালাত পড়। কারন, মানুষের সবচেয়ে উত্তম সালাত হল যা সে তার ঘরে আদায় করে ফরয সালাত ছাড়া।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৯২)

حدثنا إسحاق، أخبرنا عفان، حدثنا وهيب، حدثنا موسى بن عقبة، سمعت أبا النضر، يحدث عن بسر بن سعيد، عن زيد بن ثابت، أن النبي صلى الله عليه وسلم اتخذ حجرة في المسجد من حصير، فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها ليالي، حتى اجتمع إليه ناس، ثم فقدوا صوته ليلة فظنوا أنه قد نام، فجعل بعضهم يتنحنح ليخرج إليهم فقال ‏ "‏ ما زال بكم الذي رأيت من صنيعكم، حتى خشيت أن يكتب عليكم، ولو كتب عليكم ما قمتم به فصلوا أيها الناس في بيوتكم، فإن أفضل صلاة المرء في بيته، إلا الصلاة المكتوبة ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৭২৯৫

حدثنا محمد بن عبد الرحيم، أخبرنا روح بن عبادة، حدثنا شعبة، أخبرني موسى بن أنس، قال سمعت أنس بن مالك، قال قال رجل يا نبي الله من أبي قال ‏"‏ أبوك فلان ‏"‏‏.‏ ونزلت ‏{‏يا أيها الذين آمنوا لا تسألوا عن أشياء‏}‏ الآية‏.‏

আনাস‏ ‏ইব্‌নু‏ ‏মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‏ ‏তিনি‏ ‏বলেন,‎‏ ‏এক‏ ‏লোক‏ ‏জিজ্ঞাসা ‎‏ ‏করল, হে‏ ‏আল্লাহর‏ ‏নবী! কে‏ ‏আমার‏ ‏পিতা? তিনি‏ ‏বললেনঃ‏ ‏তোমার‏ ‏পিতা‏ ‏অমুক।‏ ‏তারপর‏ ‏এ‏ ‏আয়াত‏ ‏নাযিল‏ ‏হলঃ‏ ‏‎“হে‏ ‏মু’মিনরা! তোমরা‏ ‏এমন‏ ‏বিষয়ে‏ ‏প্রশ্ন‏ ‏কর‏ ‏না, যা‏ ‏প্রকাশিত‏ ‏হলে‏ ‏তোমরা‏ ‏দুঃখিত‏ ‏হবে‏.‏‎...’’(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৯৭)

আনাস‏ ‏ইব্‌নু‏ ‏মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‏ ‏তিনি‏ ‏বলেন,‎‏ ‏এক‏ ‏লোক‏ ‏জিজ্ঞাসা ‎‏ ‏করল, হে‏ ‏আল্লাহর‏ ‏নবী! কে‏ ‏আমার‏ ‏পিতা? তিনি‏ ‏বললেনঃ‏ ‏তোমার‏ ‏পিতা‏ ‏অমুক।‏ ‏তারপর‏ ‏এ‏ ‏আয়াত‏ ‏নাযিল‏ ‏হলঃ‏ ‏‎“হে‏ ‏মু’মিনরা! তোমরা‏ ‏এমন‏ ‏বিষয়ে‏ ‏প্রশ্ন‏ ‏কর‏ ‏না, যা‏ ‏প্রকাশিত‏ ‏হলে‏ ‏তোমরা‏ ‏দুঃখিত‏ ‏হবে‏.‏‎...’’(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৯৭)

حدثنا محمد بن عبد الرحيم، أخبرنا روح بن عبادة، حدثنا شعبة، أخبرني موسى بن أنس، قال سمعت أنس بن مالك، قال قال رجل يا نبي الله من أبي قال ‏"‏ أبوك فلان ‏"‏‏.‏ ونزلت ‏{‏يا أيها الذين آمنوا لا تسألوا عن أشياء‏}‏ الآية‏.‏


সহিহ বুখারী ৭২৯১

حدثنا يوسف بن موسى، حدثنا أبو أسامة، عن بريد بن أبي بردة، عن أبي بردة، عن أبي موسى الأشعري، قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أشياء كرهها، فلما أكثروا عليه المسألة غضب وقال ‏"‏ سلوني ‏"‏‏.‏ فقام رجل فقال يا رسول الله من أبي قال ‏"‏ أبوك حذافة ‏"‏‏.‏ ثم قام آخر فقال يا رسول الله من أبي فقال ‏"‏ أبوك سالم مولى شيبة ‏"‏‏.‏ فلما رأى عمر ما بوجه رسول الله صلى الله عليه وسلم من الغضب قال إنا نتوب إلى الله عز وجل‏.‏

আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে কতকগুলো বিষয়ে প্রশ্ন করা হল যা তিনি অপছন্দ করলেন। লোকেরা যখন তাঁকে অধিক অধিক প্রশ্ন করতে লাগল, তিনি রাগাম্বিত হলেন এবং বললেনঃ আমাকে প্রশ্ন কর। তখন এক লোক দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার পিতা কে? তিনি বললেনঃ তোমার পিতা হল হুযাফা। এরপর আরেকজন দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার পিতা কে? তিনি বললেনঃ তোমার পিতা শায়বাহ্‌র আযাদকৃত গোলাম সালিম। ‘উমর (রাঃ) রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর চেহারায় রাগের আলামত দেখে বললেন, আমরা আল্লাহর কাছে তওবা করছি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৯৩)

আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে কতকগুলো বিষয়ে প্রশ্ন করা হল যা তিনি অপছন্দ করলেন। লোকেরা যখন তাঁকে অধিক অধিক প্রশ্ন করতে লাগল, তিনি রাগাম্বিত হলেন এবং বললেনঃ আমাকে প্রশ্ন কর। তখন এক লোক দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার পিতা কে? তিনি বললেনঃ তোমার পিতা হল হুযাফা। এরপর আরেকজন দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার পিতা কে? তিনি বললেনঃ তোমার পিতা শায়বাহ্‌র আযাদকৃত গোলাম সালিম। ‘উমর (রাঃ) রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর চেহারায় রাগের আলামত দেখে বললেন, আমরা আল্লাহর কাছে তওবা করছি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৯৩)

حدثنا يوسف بن موسى، حدثنا أبو أسامة، عن بريد بن أبي بردة، عن أبي بردة، عن أبي موسى الأشعري، قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أشياء كرهها، فلما أكثروا عليه المسألة غضب وقال ‏"‏ سلوني ‏"‏‏.‏ فقام رجل فقال يا رسول الله من أبي قال ‏"‏ أبوك حذافة ‏"‏‏.‏ ثم قام آخر فقال يا رسول الله من أبي فقال ‏"‏ أبوك سالم مولى شيبة ‏"‏‏.‏ فلما رأى عمر ما بوجه رسول الله صلى الله عليه وسلم من الغضب قال إنا نتوب إلى الله عز وجل‏.‏


সহিহ বুখারী ৭২৯২

حدثنا موسى، حدثنا أبو عوانة، حدثنا عبد الملك، عن وراد، كاتب المغيرة قال كتب معاوية إلى المغيرة اكتب إلى ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏ فكتب إليه إن نبي الله صلى الله عليه وسلم كان يقول في دبر كل صلاة ‏ "‏ لا إله إلا الله، وحده لا شريك له، له الملك وله الحمد، وهو على كل شىء قدير، اللهم لا مانع لما أعطيت، ولا معطي لما منعت، ولا ينفع ذا الجد منك الجد ‏"‏‏.‏ وكتب إليه إنه كان ينهى عن قيل وقال، وكثرة السؤال، وإضاعة المال، وكان ينهى عن عقوق الأمهات ووأد البنات ومنع وهات‏.‏

মুগীরাহ ইব্‌নু শু’বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মু’আবিয়া (রাঃ) মুগীরাহ (রাঃ) এর কাছে লিখে পাঠালেন যে, তুমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যা কিছু শুনেছ তা আমার কাছে লিখে পাঠাও। তিনি বলেন, তিনি তাকে লিখলেন যে, আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতি সালাতের পর বলতেনঃ আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ্‌ নেই। তিনি একক! তাঁর কোন শারীক নেই, সম্রাজ্য কেবলমাত্র তাঁরই, আর সকল প্রশংসা তাঁরই জন্য, তিনি সকল বিষয়ের উপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ! তুমি যা দান করবে তাকে আটকানোর কেউ নেই, আর তুমি আটকাবে তা দেওয়ার মত কেউ নেই। ধন সম্পদ তোমার দরবারে সম্পদশালীদের কোন উপকার করবে না। তিনি আরো লিখেছিলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তর্কে লিপ্ত হওয়া, বেশি বেশি প্রশ্ন করা ও সস্পদ বিনষ্ট করা থেকে নিষেধ করতেন। আর তিনি মায়েদের অবাধ্য হতে, কন্যা সন্তানদের জীবন্ত কবর দিতে ও প্রাপকের পাওনা দেওয়া থেকে হাত গুটাতে আর নেয়ার ব্যাপারে হাত বাড়িয়ে দিতে নিষেধ করতেন। আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ [বুখারী(রহঃ)] বলেন, তারা (কাফির) জাহিলীয়্যাতের যুগে স্বীয় কন্যাদেরকে হত্যা করতেন। অতঃপর আল্লাহ তা হারাম করে দেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৯৪)

মুগীরাহ ইব্‌নু শু’বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মু’আবিয়া (রাঃ) মুগীরাহ (রাঃ) এর কাছে লিখে পাঠালেন যে, তুমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যা কিছু শুনেছ তা আমার কাছে লিখে পাঠাও। তিনি বলেন, তিনি তাকে লিখলেন যে, আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতি সালাতের পর বলতেনঃ আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ্‌ নেই। তিনি একক! তাঁর কোন শারীক নেই, সম্রাজ্য কেবলমাত্র তাঁরই, আর সকল প্রশংসা তাঁরই জন্য, তিনি সকল বিষয়ের উপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ! তুমি যা দান করবে তাকে আটকানোর কেউ নেই, আর তুমি আটকাবে তা দেওয়ার মত কেউ নেই। ধন সম্পদ তোমার দরবারে সম্পদশালীদের কোন উপকার করবে না। তিনি আরো লিখেছিলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তর্কে লিপ্ত হওয়া, বেশি বেশি প্রশ্ন করা ও সস্পদ বিনষ্ট করা থেকে নিষেধ করতেন। আর তিনি মায়েদের অবাধ্য হতে, কন্যা সন্তানদের জীবন্ত কবর দিতে ও প্রাপকের পাওনা দেওয়া থেকে হাত গুটাতে আর নেয়ার ব্যাপারে হাত বাড়িয়ে দিতে নিষেধ করতেন। আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ [বুখারী(রহঃ)] বলেন, তারা (কাফির) জাহিলীয়্যাতের যুগে স্বীয় কন্যাদেরকে হত্যা করতেন। অতঃপর আল্লাহ তা হারাম করে দেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৯৪)

حدثنا موسى، حدثنا أبو عوانة، حدثنا عبد الملك، عن وراد، كاتب المغيرة قال كتب معاوية إلى المغيرة اكتب إلى ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏ فكتب إليه إن نبي الله صلى الله عليه وسلم كان يقول في دبر كل صلاة ‏ "‏ لا إله إلا الله، وحده لا شريك له، له الملك وله الحمد، وهو على كل شىء قدير، اللهم لا مانع لما أعطيت، ولا معطي لما منعت، ولا ينفع ذا الجد منك الجد ‏"‏‏.‏ وكتب إليه إنه كان ينهى عن قيل وقال، وكثرة السؤال، وإضاعة المال، وكان ينهى عن عقوق الأمهات ووأد البنات ومنع وهات‏.‏


সহিহ বুখারী ৭২৯৩

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن زيد، عن ثابت، عن أنس، قال كنا عند عمر فقال نهينا عن التكلف‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা ‘উমর (রাঃ) - এর কাছে ছিলাম। তখন তিনি বললেনঃ (যাবতীয়) কৃত্রিমতা হতে আমাদের নিষেধ করা হয়েছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৯৫)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা ‘উমর (রাঃ) - এর কাছে ছিলাম। তখন তিনি বললেনঃ (যাবতীয়) কৃত্রিমতা হতে আমাদের নিষেধ করা হয়েছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৯৫)

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن زيد، عن ثابت، عن أنس، قال كنا عند عمر فقال نهينا عن التكلف‏.‏


সহিহ বুখারী ৭২৯৪

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري،‏.‏ وحدثني محمود، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، أخبرني أنس بن مالك ـ رضى الله عنه‏.‏ أن النبي صلى الله عليه وسلم خرج حين زاغت الشمس فصلى الظهر فلما سلم قام على المنبر فذكر الساعة، وذكر أن بين يديها أمورا عظاما ثم قال ‏"‏ من أحب أن يسأل عن شىء فليسأل عنه، فوالله لا تسألوني عن شىء إلا أخبرتكم به، ما دمت في مقامي هذا ‏"‏‏.‏ قال أنس فأكثر الناس البكاء، وأكثر رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يقول ‏"‏ سلوني ‏"‏‏.‏ فقال أنس فقام إليه رجل فقال أين مدخلي يا رسول الله قال ‏"‏ النار ‏"‏‏.‏ فقام عبد الله بن حذافة فقال من أبي يا رسول الله قال ‏"‏ أبوك حذافة ‏"‏‏.‏ قال ثم أكثر أن يقول ‏"‏ سلوني سلوني ‏"‏‏.‏ فبرك عمر على ركبتيه فقال رضينا بالله ربا، وبالإسلام دينا، وبمحمد صلى الله عليه وسلم رسولا‏.‏ قال فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم حين قال عمر ذلك، ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ والذي نفسي بيده لقد عرضت على الجنة والنار آنفا في عرض هذا الحائط وأنا أصلي، فلم أر كاليوم في الخير والشر ‏"‏‏.‏

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

দুপুরের পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বেরিয়ে আসলেন এবং যুহরের সালাত পড়লেন। সালাম ফিরানোর পর তিনি মিম্বরে দাঁড়ালেন এবং কেয়ামত সম্পর্কে আলোচনা করলেন। তিনি উল্লেখ করলেন যে, কেয়ামতের আগে অনেক বড় বড় ঘটনা ঘটবে। তারপর তিনি বললেনঃ কেউ যদি আমাকে কোন বিষয়ে জিজ্ঞেস করা পছন্দ করে, তাহলে সে তা করতে পাররে। আল্লাহর শপথ! আমি এখানে অবস্হান করা পর্যন্ত তোমরা আমাকে যে বিষয়েই প্রশ্ন করবে, আমি তা তোমাদের জানাব। আনাস (রাঃ) বলেন, এতে লোকেরা খুব বেশি কাঁদল। আর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বেশি বেশি বলতে থাকলেন তোমরা আমার কাছে প্রশ্ন কর। আনাস (রাঃ) বলেন, তখন এক লোক দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার আশ্রয়ের জায়গা কোথায়? তিনি বললেন, জাহান্নাম। তারপর ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু হুযাফা (রাঃ) দাড়িয়ে বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার পিতা কে? তিনি বললেনঃ তোমার পিতা হুযাফা। আনাস (রাঃ) বলেন, তারপর তিনি বার বার বলতে লাগলেনঃ তোমরা আমার কাছে প্রশ্ন কর, আমার কাছে প্রশ্ন কর। এতে ‘উমর (রাঃ) হাঁটু গেড়ে বসে গেলেন এবং বললেন, আমরা আল্লাহ্‌কে রব হিসাবে মেনে ইসলামকে দ্বীন হিসাবে গ্রহণ করে এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে রসূল হিসাবে বিশ্বাস করে সন্তুষ্ট আছি। আনাস (রাঃ) বলেন, ‘উমর (রাঃ) যখন এ কথা বললেন, তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চুপ করলেন। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ উত্তম! যে সত্তার হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ করে বলছি, এই মুহূর্তে আমি যখন সালাতে ছিলাম তখন এ দেয়ালের প্রস্থে জান্নাত ও জাহান্নাম আমার সামনে পেশ করা হয়েছিল। আজকের মত এমন ভাল আর মন্দ আমি আর দেখিনি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৯৬)

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

দুপুরের পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বেরিয়ে আসলেন এবং যুহরের সালাত পড়লেন। সালাম ফিরানোর পর তিনি মিম্বরে দাঁড়ালেন এবং কেয়ামত সম্পর্কে আলোচনা করলেন। তিনি উল্লেখ করলেন যে, কেয়ামতের আগে অনেক বড় বড় ঘটনা ঘটবে। তারপর তিনি বললেনঃ কেউ যদি আমাকে কোন বিষয়ে জিজ্ঞেস করা পছন্দ করে, তাহলে সে তা করতে পাররে। আল্লাহর শপথ! আমি এখানে অবস্হান করা পর্যন্ত তোমরা আমাকে যে বিষয়েই প্রশ্ন করবে, আমি তা তোমাদের জানাব। আনাস (রাঃ) বলেন, এতে লোকেরা খুব বেশি কাঁদল। আর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বেশি বেশি বলতে থাকলেন তোমরা আমার কাছে প্রশ্ন কর। আনাস (রাঃ) বলেন, তখন এক লোক দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার আশ্রয়ের জায়গা কোথায়? তিনি বললেন, জাহান্নাম। তারপর ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু হুযাফা (রাঃ) দাড়িয়ে বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমার পিতা কে? তিনি বললেনঃ তোমার পিতা হুযাফা। আনাস (রাঃ) বলেন, তারপর তিনি বার বার বলতে লাগলেনঃ তোমরা আমার কাছে প্রশ্ন কর, আমার কাছে প্রশ্ন কর। এতে ‘উমর (রাঃ) হাঁটু গেড়ে বসে গেলেন এবং বললেন, আমরা আল্লাহ্‌কে রব হিসাবে মেনে ইসলামকে দ্বীন হিসাবে গ্রহণ করে এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে রসূল হিসাবে বিশ্বাস করে সন্তুষ্ট আছি। আনাস (রাঃ) বলেন, ‘উমর (রাঃ) যখন এ কথা বললেন, তখন রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চুপ করলেন। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ উত্তম! যে সত্তার হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ করে বলছি, এই মুহূর্তে আমি যখন সালাতে ছিলাম তখন এ দেয়ালের প্রস্থে জান্নাত ও জাহান্নাম আমার সামনে পেশ করা হয়েছিল। আজকের মত এমন ভাল আর মন্দ আমি আর দেখিনি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৯৬)

حدثنا أبو اليمان، أخبرنا شعيب، عن الزهري،‏.‏ وحدثني محمود، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، أخبرني أنس بن مالك ـ رضى الله عنه‏.‏ أن النبي صلى الله عليه وسلم خرج حين زاغت الشمس فصلى الظهر فلما سلم قام على المنبر فذكر الساعة، وذكر أن بين يديها أمورا عظاما ثم قال ‏"‏ من أحب أن يسأل عن شىء فليسأل عنه، فوالله لا تسألوني عن شىء إلا أخبرتكم به، ما دمت في مقامي هذا ‏"‏‏.‏ قال أنس فأكثر الناس البكاء، وأكثر رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يقول ‏"‏ سلوني ‏"‏‏.‏ فقال أنس فقام إليه رجل فقال أين مدخلي يا رسول الله قال ‏"‏ النار ‏"‏‏.‏ فقام عبد الله بن حذافة فقال من أبي يا رسول الله قال ‏"‏ أبوك حذافة ‏"‏‏.‏ قال ثم أكثر أن يقول ‏"‏ سلوني سلوني ‏"‏‏.‏ فبرك عمر على ركبتيه فقال رضينا بالله ربا، وبالإسلام دينا، وبمحمد صلى الله عليه وسلم رسولا‏.‏ قال فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم حين قال عمر ذلك، ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ والذي نفسي بيده لقد عرضت على الجنة والنار آنفا في عرض هذا الحائط وأنا أصلي، فلم أر كاليوم في الخير والشر ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৭২৯৬

حدثنا الحسن بن صباح، حدثنا شبابة، حدثنا ورقاء، عن عبد الله بن عبد الرحمن، سمعت أنس بن مالك، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لن يبرح الناس يتساءلون حتى يقولوا هذا الله خالق كل شىء فمن خلق الله ‏"‏‏.‏

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ লোকেরা একে অপরকে প্রশ্ন করতে থাকবে যে, এ আল্লাহ সব কিছুরই স্রষ্টা, তবে আল্লাহকে কে সৃষ্টি করল?[মুসলিম ১/৬০, হাঃ ১৩৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৯৮)

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ লোকেরা একে অপরকে প্রশ্ন করতে থাকবে যে, এ আল্লাহ সব কিছুরই স্রষ্টা, তবে আল্লাহকে কে সৃষ্টি করল?[মুসলিম ১/৬০, হাঃ ১৩৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৯৮)

حدثنا الحسن بن صباح، حدثنا شبابة، حدثنا ورقاء، عن عبد الله بن عبد الرحمن، سمعت أنس بن مالك، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لن يبرح الناس يتساءلون حتى يقولوا هذا الله خالق كل شىء فمن خلق الله ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ৭২৯৭

حدثنا محمد بن عبيد بن ميمون، حدثنا عيسى بن يونس، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن ابن مسعود ـ رضى الله عنه ـ قال كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم في حرث بالمدينة، وهو يتوكأ على عسيب، فمر بنفر من اليهود فقال بعضهم سلوه عن الروح‏.‏ وقال بعضهم لا تسألوه لا يسمعكم ما تكرهون‏.‏ فقاموا إليه فقالوا يا أبا القاسم حدثنا عن الروح‏.‏ فقام ساعة ينظر فعرفت أنه يوحى إليه، فتأخرت عنه حتى صعد الوحى، ثم قال ‏{‏ويسألونك عن الروح قل الروح من أمر ربي‏}‏‏.‏

ইব্‌নু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সঙ্গে মদিনায় এক শস্য ক্ষেতে ছিলাম। তিনি একটি খেজুরের ডালে ভর দিয়ে ইয়াহূদীদের একটি দলের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাদের কেউ বলল, তাকে রূহ্‌ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা কর। আর কেউ বলল তাঁকে জিজ্ঞাসা করো না, এতে তোমাদেরকে এমন উত্তর শুনতে হতে পারে যা তোমরা অপছন্দ কর। অতঃপর তারা তাঁর কাছে উঠে গিয়ে বলল, হে আবুল কাসিম! আমাদেরকে রূহ্ সস্পর্কে জানান। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন। আমি বুঝলাম, তাঁর কাছে ওয়াহী অবতীর্ন হচ্ছে, আমি তার থেকে একটু পিছে সরে দাঁড়ালাম। ওয়াহী শেষ হল। তারপর তিনি বললেনঃ “তাঁরা তোমাকে রূহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বল, ‘রূহ আমার প্রতিপালকের আদেশ......’’(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৯৯)

ইব্‌নু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর সঙ্গে মদিনায় এক শস্য ক্ষেতে ছিলাম। তিনি একটি খেজুরের ডালে ভর দিয়ে ইয়াহূদীদের একটি দলের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাদের কেউ বলল, তাকে রূহ্‌ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা কর। আর কেউ বলল তাঁকে জিজ্ঞাসা করো না, এতে তোমাদেরকে এমন উত্তর শুনতে হতে পারে যা তোমরা অপছন্দ কর। অতঃপর তারা তাঁর কাছে উঠে গিয়ে বলল, হে আবুল কাসিম! আমাদেরকে রূহ্ সস্পর্কে জানান। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন। আমি বুঝলাম, তাঁর কাছে ওয়াহী অবতীর্ন হচ্ছে, আমি তার থেকে একটু পিছে সরে দাঁড়ালাম। ওয়াহী শেষ হল। তারপর তিনি বললেনঃ “তাঁরা তোমাকে রূহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বল, ‘রূহ আমার প্রতিপালকের আদেশ......’’(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৯৯)

حدثنا محمد بن عبيد بن ميمون، حدثنا عيسى بن يونس، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن علقمة، عن ابن مسعود ـ رضى الله عنه ـ قال كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم في حرث بالمدينة، وهو يتوكأ على عسيب، فمر بنفر من اليهود فقال بعضهم سلوه عن الروح‏.‏ وقال بعضهم لا تسألوه لا يسمعكم ما تكرهون‏.‏ فقاموا إليه فقالوا يا أبا القاسم حدثنا عن الروح‏.‏ فقام ساعة ينظر فعرفت أنه يوحى إليه، فتأخرت عنه حتى صعد الوحى، ثم قال ‏{‏ويسألونك عن الروح قل الروح من أمر ربي‏}‏‏.‏


সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)’র কাজকর্মের অনুসরণ ।

সহিহ বুখারী ৭২৯৮

حدثنا أبو نعيم، حدثنا سفيان، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال اتخذ النبي صلى الله عليه وسلم خاتما من ذهب فاتخذ الناس خواتيم من ذهب، فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إني اتخذت خاتما من ذهب ‏"‏‏.‏ فنبذه وقال ‏"‏ إني لن ألبسه أبدا ‏"‏ فنبذ الناس خواتيمهم‏.‏

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি সোনার আংটি পরতেন। তখন লোকেরাও সোনার আংটি পরতে লাগল। এরপর (একদিন) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি সোনার আংটি পরছিলাম - তারপর তিনি তা ছুঁড়ে ফেলে দিলেন এবং বললেনঃ আমি আর কোন দিনই তা পরিধান করব না। ফলে লোকেরাও তাদের আংটিগুলো ছুঁড়ে ফেলল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮০০)

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি সোনার আংটি পরতেন। তখন লোকেরাও সোনার আংটি পরতে লাগল। এরপর (একদিন) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি সোনার আংটি পরছিলাম - তারপর তিনি তা ছুঁড়ে ফেলে দিলেন এবং বললেনঃ আমি আর কোন দিনই তা পরিধান করব না। ফলে লোকেরাও তাদের আংটিগুলো ছুঁড়ে ফেলল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮০০)

حدثنا أبو نعيم، حدثنا سفيان، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر ـ رضى الله عنهما ـ قال اتخذ النبي صلى الله عليه وسلم خاتما من ذهب فاتخذ الناس خواتيم من ذهب، فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إني اتخذت خاتما من ذهب ‏"‏‏.‏ فنبذه وقال ‏"‏ إني لن ألبسه أبدا ‏"‏ فنبذ الناس خواتيمهم‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00