সহিহ বুখারী > কোন এক ব্যক্তির উক্তিঃ আল্লাহ্ না করলে আমরা কেউ হিদায়াত পেতাম না।
সহিহ বুখারী ৭২৩৬
عبدان أخبرني أبي عن شعبة حدثنا أبو إسحاق عن البراء بن عازب قال كان النبي صلى الله عليه وسلم ينقل معنا التراب يوم الأحزاب ولقد رأيته وارى التراب بياض بطنه يقول : لولا أنت مـا اهـتـدينــا نحـن ولا تـصدقـنا ولا صـليـنا فأنـزلـن سكينـة علينــا إن الألى وربما قال الملا قد بغوا علينا إذا أرادوا فـتنـة أبـيـنـا أبـــيـــنــــــــا يرفع بها صوته.
বারাআ ইব্নু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খন্দকের যুদ্ধে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সঙ্গে মাটি উঠাচ্ছিলেন। আমি তাঁকে দেখতে পেলাম, মাটি তাঁর পেটের শুভ্রতাকে ঢেকে ফেলেছে। তিনি বলেছিলেনঃ (হে আল্লাহ!) যদি আপনি না করতেন তাহলে আমরা হিদায়াত পেতাম না এবং আমরা দান-সদকা করতাম না, আর আমরা সালাত ও পড়তাম না। অতএব আপনি আমাদের উপর শান্তি নাযিল করুন।--- প্রথম দলটি, কখনো বলতেন, একদল লোক আমাদের উপর যুল্ম করেছে।--- যখন তারা ফিত্নার ইচ্ছে করে আমরা তা প্রত্যখ্যান করি। ‘প্রত্যাখ্যান করি’- উচ্চৈঃস্বরে বলতেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৪২)
বারাআ ইব্নু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খন্দকের যুদ্ধে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সঙ্গে মাটি উঠাচ্ছিলেন। আমি তাঁকে দেখতে পেলাম, মাটি তাঁর পেটের শুভ্রতাকে ঢেকে ফেলেছে। তিনি বলেছিলেনঃ (হে আল্লাহ!) যদি আপনি না করতেন তাহলে আমরা হিদায়াত পেতাম না এবং আমরা দান-সদকা করতাম না, আর আমরা সালাত ও পড়তাম না। অতএব আপনি আমাদের উপর শান্তি নাযিল করুন।--- প্রথম দলটি, কখনো বলতেন, একদল লোক আমাদের উপর যুল্ম করেছে।--- যখন তারা ফিত্নার ইচ্ছে করে আমরা তা প্রত্যখ্যান করি। ‘প্রত্যাখ্যান করি’- উচ্চৈঃস্বরে বলতেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৪২)
عبدان أخبرني أبي عن شعبة حدثنا أبو إسحاق عن البراء بن عازب قال كان النبي صلى الله عليه وسلم ينقل معنا التراب يوم الأحزاب ولقد رأيته وارى التراب بياض بطنه يقول : لولا أنت مـا اهـتـدينــا نحـن ولا تـصدقـنا ولا صـليـنا فأنـزلـن سكينـة علينــا إن الألى وربما قال الملا قد بغوا علينا إذا أرادوا فـتنـة أبـيـنـا أبـــيـــنــــــــا يرفع بها صوته.
সহিহ বুখারী > শত্রুর মুখোমুখী হবার কামনা নিষিদ্ধ।
সহিহ বুখারী ৭২৩৭
عبد الله بن محمد حدثنا معاوية بن عمرو حدثنا أبو إسحاق عن موسى بن عقبة عن سالم أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله وكان كاتبا له قال كتب إليه عبد الله بن أبي أوفى فقرأته فإذا فيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا تتمنوا لقاء العدو وسلوا الله العافية.
আবূ নাযর সালিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ নাযর সালিম (রাঃ) ‘উমর ইব্নু ‘উবাইদুল্লাহ্র আযাদ করা গোলাম এবং তার কাতিব (সচিব) ছিলেন, বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, তার কাছে ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু আবূ আওফা (রাঃ) চিঠি লিখলেন, আমি তা পড়লাম। তাতে লেখা ছিল, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শত্রুর মুখোমুখী হওয়ার কামনা করো না বরং আল্লাহ্ তা’আলার কাছে নিরাপত্তা কামনা কর। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৪৩)
আবূ নাযর সালিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ নাযর সালিম (রাঃ) ‘উমর ইব্নু ‘উবাইদুল্লাহ্র আযাদ করা গোলাম এবং তার কাতিব (সচিব) ছিলেন, বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, তার কাছে ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু আবূ আওফা (রাঃ) চিঠি লিখলেন, আমি তা পড়লাম। তাতে লেখা ছিল, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শত্রুর মুখোমুখী হওয়ার কামনা করো না বরং আল্লাহ্ তা’আলার কাছে নিরাপত্তা কামনা কর। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৪৩)
عبد الله بن محمد حدثنا معاوية بن عمرو حدثنا أبو إسحاق عن موسى بن عقبة عن سالم أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله وكان كاتبا له قال كتب إليه عبد الله بن أبي أوفى فقرأته فإذا فيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا تتمنوا لقاء العدو وسلوا الله العافية.
সহিহ বুখারী > (আরবি) ‘যদি’ শব্দটি কতটা বৈধ।
সহিহ বুখারী ৭২৪০
يحيى بن بكير حدثنا الليث عن جعفر بن ربيعة عن عبد الرحمن سمعت أبا هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لولا أن أشق على أمتي لأمرتهم بالسواك
আবূ হুরায়য়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের উপর যদি কষ্টকর মনে না করতাম, তাহলে আমি তাদেরকে মিস্ওয়াক করার হুকুম করতাম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৪৬)
আবূ হুরায়য়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের উপর যদি কষ্টকর মনে না করতাম, তাহলে আমি তাদেরকে মিস্ওয়াক করার হুকুম করতাম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৪৬)
يحيى بن بكير حدثنا الليث عن جعفر بن ربيعة عن عبد الرحمن سمعت أبا هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لولا أن أشق على أمتي لأمرتهم بالسواك
সহিহ বুখারী ৭২৩৮
علي بن عبد الله حدثنا سفيان حدثنا أبو الزناد عن القاسم بن محمد قال ذكر ابن عباس المتلاعنين فقال عبد الله بن شداد أهي التي قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لو كنت راجما امرأة من غير بينة قال لا تلك امرأة أعلنت
কাসিম ইব্নু মুহাম্মদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) দু’জন লি’আনকারীর বিষয়ে বর্ণনা করলেন। তখন ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু শাদ্দাদ বললেন, এটা কি সেই স্ত্রীলোক যার সম্পর্কে রসূলল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন, বিনা প্রমাণে যদি কোন মহিলাকে রজম (প্রস্তরাঘাতে মৃত্যুদণ্ড দান) করতাম? তিনি বললেন, না, সে মহিলাটি প্রকাশ্যে অশ্লীল কাজ করেছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৪৪)
কাসিম ইব্নু মুহাম্মদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) দু’জন লি’আনকারীর বিষয়ে বর্ণনা করলেন। তখন ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু শাদ্দাদ বললেন, এটা কি সেই স্ত্রীলোক যার সম্পর্কে রসূলল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন, বিনা প্রমাণে যদি কোন মহিলাকে রজম (প্রস্তরাঘাতে মৃত্যুদণ্ড দান) করতাম? তিনি বললেন, না, সে মহিলাটি প্রকাশ্যে অশ্লীল কাজ করেছিল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৪৪)
علي بن عبد الله حدثنا سفيان حدثنا أبو الزناد عن القاسم بن محمد قال ذكر ابن عباس المتلاعنين فقال عبد الله بن شداد أهي التي قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لو كنت راجما امرأة من غير بينة قال لا تلك امرأة أعلنت
সহিহ বুখারী ৭২৪১
عياش بن الوليد حدثنا عبد الأعلى حدثنا حميد عن ثابت عن أنس قال واصل النبي صلى الله عليه وسلم آخر الشهر وواصل أناس من الناس فبلغ النبي صلى الله عليه وسلم فقال لو مد بي الشهر لواصلت وصالا يدع المتعمقون تعمقهم إني لست مثلكم إني أظل يطعمني ربي ويسقين تابعه سليمان بن مغيرة عن ثابت عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم.
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, (কোন এক) মাসের শেষভাগে নবী বিরতিহীন সওম রাখলেন এবং আরো কতিপয় লোকও বিরতিহীনভাবে সওম রাখল। এ সংবাদ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে পৌঁছলে তিনি বললেনঃ যদি আমার এ মাস প্রলম্বিত হত, তবুও আমি এভাবে বিরতিহীন সওম করতাম। যাতে অধিক কষ্টকারীরা তাদের কষ্ট করা ত্যাগ করে। আমি তো তোমাদের মত নই, আমার প্রতিপালক আমাকে আহার করান এবং পান করান। সুলায়মান ইব্নু মুগীরা আনাস (রাঃ)- এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে হুমায়দ-এর অনুসরণ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৪৭)
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, (কোন এক) মাসের শেষভাগে নবী বিরতিহীন সওম রাখলেন এবং আরো কতিপয় লোকও বিরতিহীনভাবে সওম রাখল। এ সংবাদ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে পৌঁছলে তিনি বললেনঃ যদি আমার এ মাস প্রলম্বিত হত, তবুও আমি এভাবে বিরতিহীন সওম করতাম। যাতে অধিক কষ্টকারীরা তাদের কষ্ট করা ত্যাগ করে। আমি তো তোমাদের মত নই, আমার প্রতিপালক আমাকে আহার করান এবং পান করান। সুলায়মান ইব্নু মুগীরা আনাস (রাঃ)- এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে হুমায়দ-এর অনুসরণ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৪৭)
عياش بن الوليد حدثنا عبد الأعلى حدثنا حميد عن ثابت عن أنس قال واصل النبي صلى الله عليه وسلم آخر الشهر وواصل أناس من الناس فبلغ النبي صلى الله عليه وسلم فقال لو مد بي الشهر لواصلت وصالا يدع المتعمقون تعمقهم إني لست مثلكم إني أظل يطعمني ربي ويسقين تابعه سليمان بن مغيرة عن ثابت عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم.
সহিহ বুখারী ৭২৪২
أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري وقال الليث حدثني عبد الرحمن بن خالد عن ابن شهاب أن سعيد بن المسيب أخبره أن أبا هريرة قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الوصال قالوا فإنك تواصل قال أيكم مثلي إني أبيت يطعمني ربي ويسقين فلما أبوا أن ينتهوا واصل بهم يوما ثم يوما ثم رأوا الهلال فقال لو تأخر لزدتكم كالمنكل لهم.
আবূ হুরায়য়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিরতিহীন সওম পালন করতে নিষেধ করলেন। সাহাবীগণ বললেন, আপনি বিরতিহীন সওম পালন করছেন? তিনি বললেনঃ তোমাদের কে আছ আমার মতো? আমি তো রাত কাটাই যাতে আমার প্রতিপালক আমাকে খাওয়ান ও পান করান। কিন্তু তারা যখন বিরতি থাকতে অস্বীকৃতি জানাল, তখন তিনি তাদেরসহ একদিন, তারপর আর একদিন সওম পালন করলেন। তারপর তারা নতুন চাঁদ দেখতে পেলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি চাঁদ আরো (কয়দিন) পরে উদিত হত, তাহলে আমি অবশ্যি তোমাদের (সওম) বাড়াতাম। তিনি যেন তাদেরকে শাসন করছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৪৮)
আবূ হুরায়য়া (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিরতিহীন সওম পালন করতে নিষেধ করলেন। সাহাবীগণ বললেন, আপনি বিরতিহীন সওম পালন করছেন? তিনি বললেনঃ তোমাদের কে আছ আমার মতো? আমি তো রাত কাটাই যাতে আমার প্রতিপালক আমাকে খাওয়ান ও পান করান। কিন্তু তারা যখন বিরতি থাকতে অস্বীকৃতি জানাল, তখন তিনি তাদেরসহ একদিন, তারপর আর একদিন সওম পালন করলেন। তারপর তারা নতুন চাঁদ দেখতে পেলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি চাঁদ আরো (কয়দিন) পরে উদিত হত, তাহলে আমি অবশ্যি তোমাদের (সওম) বাড়াতাম। তিনি যেন তাদেরকে শাসন করছিলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৪৮)
أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري وقال الليث حدثني عبد الرحمن بن خالد عن ابن شهاب أن سعيد بن المسيب أخبره أن أبا هريرة قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الوصال قالوا فإنك تواصل قال أيكم مثلي إني أبيت يطعمني ربي ويسقين فلما أبوا أن ينتهوا واصل بهم يوما ثم يوما ثم رأوا الهلال فقال لو تأخر لزدتكم كالمنكل لهم.
সহিহ বুখারী ৭২৪৩
مسدد حدثنا أبو الأحوص حدثنا أشعث عن الأسود بن يزيد عن عائشة قالت سألت النبي صلى الله عليه وسلم عن الجدر أمن البيت هو قال نعم قلت فما لهم لم يدخلوه في البيت قال إن قومك قصرت بهم النفقة قلت فما شأن بابه مرتفعا قال فعل ذاك قومك ليدخلوا من شاءوا ويمنعوا من شاءوا ولولا أن قومك حديث عهدهم بالجاهلية فأخاف أن تنكر قلوبهم أن أدخل الجدر في البيت وأن ألصق بابه في الأرض.
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কা’বার বাইরের দেয়াল (হাতীম) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যে, সেটা কি কা’বা ঘরের অংশ? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। আমি বললাম, তাহলে তারা এ অংশকে ঘরে শামিল করল না কেন? তিনি বললেনঃ তোমার গোত্রের খরচে কমতি দেখা দিয়েছিল। আমি বললামঃ এর দরজাটা এত উঁচুতে বানানো হল কেন? তিনি বললেনঃ এটা তোমার কওম এ জন্য করেছিল, যাতে তারা যাকে ইচ্ছে ঢুকতে দেবে এবং যাকে ইচ্ছে বাধা দেবে। তোমার কওম যদি সবে জাহিলীয়্যাত মুক্ত না হত, অতঃপর তাদের অন্তর বিগড়ে যাবার আশঙ্কা না করতাম তাহলে দেয়ালটিকে ঘরের মাঝে শামিল করে দিতাম এবং এর দরজাকে ভূমি বরাবর করে দিতাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৪৯)
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কা’বার বাইরের দেয়াল (হাতীম) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যে, সেটা কি কা’বা ঘরের অংশ? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। আমি বললাম, তাহলে তারা এ অংশকে ঘরে শামিল করল না কেন? তিনি বললেনঃ তোমার গোত্রের খরচে কমতি দেখা দিয়েছিল। আমি বললামঃ এর দরজাটা এত উঁচুতে বানানো হল কেন? তিনি বললেনঃ এটা তোমার কওম এ জন্য করেছিল, যাতে তারা যাকে ইচ্ছে ঢুকতে দেবে এবং যাকে ইচ্ছে বাধা দেবে। তোমার কওম যদি সবে জাহিলীয়্যাত মুক্ত না হত, অতঃপর তাদের অন্তর বিগড়ে যাবার আশঙ্কা না করতাম তাহলে দেয়ালটিকে ঘরের মাঝে শামিল করে দিতাম এবং এর দরজাকে ভূমি বরাবর করে দিতাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৪৯)
مسدد حدثنا أبو الأحوص حدثنا أشعث عن الأسود بن يزيد عن عائشة قالت سألت النبي صلى الله عليه وسلم عن الجدر أمن البيت هو قال نعم قلت فما لهم لم يدخلوه في البيت قال إن قومك قصرت بهم النفقة قلت فما شأن بابه مرتفعا قال فعل ذاك قومك ليدخلوا من شاءوا ويمنعوا من شاءوا ولولا أن قومك حديث عهدهم بالجاهلية فأخاف أن تنكر قلوبهم أن أدخل الجدر في البيت وأن ألصق بابه في الأرض.
সহিহ বুখারী ৭২৩৯
علي حدثنا سفيان قال عمرو حدثنا عطاء قال أعتم النبي صلى الله عليه وسلمبالعشاء فخرج عمر فقال الصلاة يا رسول الله رقد النساء والصبيان فخرج ورأسه يقطر يقول لولا أن أشق على أمتي أو على الناس وقال سفيان أيضا على أمتي لأمرتهم بالصلاة هذه الساعة قال ابن جريج عن عطاء عن ابن عباس أخر النبي صلى الله عليه وسلم هذه الصلاة فجاء عمر فقال يا رسول الله صلى الله عليه وسلم رقد النساء والولدان فخرج وهو يمسح الماء عن شقه يقول إنه للوقت لولا أن أشق على أمتي وقال عمرو حدثنا عطاء ليس فيه ابن عباس أما عمرو فقال رأسه يقطر وقال ابن جريج يمسح الماء عن شقه وقال عمرو لولا أن أشق على أمتي وقال ابن جريج إنه للوقت لولا أن أشق على أمتي وقال إبراهيم بن المنذر حدثنا معن حدثني محمد بن مسلم عن عمرو عن عطاء عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم.
আত্বা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এশার সালাত দেরি হল। তখন ‘উমর (রাঃ) বের হয়ে বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! সালাত, মহিলা ও শিশুরা ঘুমিয়ে যাচ্ছেন। তখন তিনি বের হয়ে এলেন, তাঁর মাথা থেকে পানি টপ টপ করে পড়ছে। তিনি বলেছিলেন, যদি আমার উম্মাতের জন্য কিংবা বলেছিলেন, লোকেদের জন্য, সুফিয়ানও বলেছেন, আমার উম্মাতের জন্য কষ্টকর মনে না করতাম, তাহলে অবশ্যই তাদেরকে এ সময়ে সালাত পড়ার হুকুম দিতাম। ইব্নু জুরায়জ ‘আত্বার সূত্রে ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ সালাত বিলম্ব করলেন। ফলে ‘উমর (রাঃ) এসে বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! মহিলা ও শিশুরা ঘুমিয়ে যাচ্ছে। তখন তিনি তাঁর মাথার পাশ থেকে পানি মুছতে মুছতে বের হয়ে এসে বললেনঃ আসলে এটাই সময়। এরপর বললেনঃ যদি আমি আমার উম্মাতের উপর কষ্টকর মনে না করতাম .....। ‘আম্র এ হাদীসটি ‘আত্বা থেকে বর্ণনা করেন, সে সূত্রে ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর নাম নেই। তবে ‘আম্র বলেছেন যে, তাঁর মাথা থেকে পানি টপ টপ করে পড়ছিল। আর ইব্নু জুরায়জ বলেন, তিনি তাঁর মাথার এক পাশ থেকে পানি মুছছিলেন। আবার ‘আম্রের বরাতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি আমি আমার উম্মাতের উপর কষ্টকর মনে না করতাম। আর ইব্নু জুরায়জ বলেন, এটাই সময়। যদি আমি আমার উম্মাতের উপর কষ্টকর মনে না করতাম ......। তবে ইব্রাহীম ইব্নু মুনযির ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে হাদীসটি বর্ণনা আছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৪৫)
আত্বা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এশার সালাত দেরি হল। তখন ‘উমর (রাঃ) বের হয়ে বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! সালাত, মহিলা ও শিশুরা ঘুমিয়ে যাচ্ছেন। তখন তিনি বের হয়ে এলেন, তাঁর মাথা থেকে পানি টপ টপ করে পড়ছে। তিনি বলেছিলেন, যদি আমার উম্মাতের জন্য কিংবা বলেছিলেন, লোকেদের জন্য, সুফিয়ানও বলেছেন, আমার উম্মাতের জন্য কষ্টকর মনে না করতাম, তাহলে অবশ্যই তাদেরকে এ সময়ে সালাত পড়ার হুকুম দিতাম। ইব্নু জুরায়জ ‘আত্বার সূত্রে ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ সালাত বিলম্ব করলেন। ফলে ‘উমর (রাঃ) এসে বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! মহিলা ও শিশুরা ঘুমিয়ে যাচ্ছে। তখন তিনি তাঁর মাথার পাশ থেকে পানি মুছতে মুছতে বের হয়ে এসে বললেনঃ আসলে এটাই সময়। এরপর বললেনঃ যদি আমি আমার উম্মাতের উপর কষ্টকর মনে না করতাম .....। ‘আম্র এ হাদীসটি ‘আত্বা থেকে বর্ণনা করেন, সে সূত্রে ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর নাম নেই। তবে ‘আম্র বলেছেন যে, তাঁর মাথা থেকে পানি টপ টপ করে পড়ছিল। আর ইব্নু জুরায়জ বলেন, তিনি তাঁর মাথার এক পাশ থেকে পানি মুছছিলেন। আবার ‘আম্রের বরাতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি আমি আমার উম্মাতের উপর কষ্টকর মনে না করতাম। আর ইব্নু জুরায়জ বলেন, এটাই সময়। যদি আমি আমার উম্মাতের উপর কষ্টকর মনে না করতাম ......। তবে ইব্রাহীম ইব্নু মুনযির ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে হাদীসটি বর্ণনা আছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৪৫)
علي حدثنا سفيان قال عمرو حدثنا عطاء قال أعتم النبي صلى الله عليه وسلمبالعشاء فخرج عمر فقال الصلاة يا رسول الله رقد النساء والصبيان فخرج ورأسه يقطر يقول لولا أن أشق على أمتي أو على الناس وقال سفيان أيضا على أمتي لأمرتهم بالصلاة هذه الساعة قال ابن جريج عن عطاء عن ابن عباس أخر النبي صلى الله عليه وسلم هذه الصلاة فجاء عمر فقال يا رسول الله صلى الله عليه وسلم رقد النساء والولدان فخرج وهو يمسح الماء عن شقه يقول إنه للوقت لولا أن أشق على أمتي وقال عمرو حدثنا عطاء ليس فيه ابن عباس أما عمرو فقال رأسه يقطر وقال ابن جريج يمسح الماء عن شقه وقال عمرو لولا أن أشق على أمتي وقال ابن جريج إنه للوقت لولا أن أشق على أمتي وقال إبراهيم بن المنذر حدثنا معن حدثني محمد بن مسلم عن عمرو عن عطاء عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم.
সহিহ বুখারী ৭২৪৪
أبو اليمان أخبرنا شعيب حدثنا أبو الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لولا الهجرة لكنت امرأ من الأنصار ولو سلك الناس واديا وسلكت الأنصار واديا أو شعبا لسلكت وادي الأنصار أو شعب الأنصار.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি হিজরত (মহান আল্লাহ্ কর্তৃক ঘোষিত একটি মর্যাদাপূর্ণ পন্থা) না হত, তাহলে আমি আনসারদের একজন হতাম। আর যদি লোকেরা এক উপত্যকা দিয়ে চলত আর আনসাররা অন্য উপত্যকা দিয়ে কিংবা গিরিপথ দিয়ে চলত, তাহলে আমি আনসারদের উপত্যকা বা গিরিপথ দিয়েই চলতাম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৫০)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি হিজরত (মহান আল্লাহ্ কর্তৃক ঘোষিত একটি মর্যাদাপূর্ণ পন্থা) না হত, তাহলে আমি আনসারদের একজন হতাম। আর যদি লোকেরা এক উপত্যকা দিয়ে চলত আর আনসাররা অন্য উপত্যকা দিয়ে কিংবা গিরিপথ দিয়ে চলত, তাহলে আমি আনসারদের উপত্যকা বা গিরিপথ দিয়েই চলতাম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৫০)
أبو اليمان أخبرنا شعيب حدثنا أبو الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لولا الهجرة لكنت امرأ من الأنصار ولو سلك الناس واديا وسلكت الأنصار واديا أو شعبا لسلكت وادي الأنصار أو شعب الأنصار.
সহিহ বুখারী ৭২৪৫
موسى حدثنا وهيب عن عمرو بن يحيى عن عباد بن تميم عن عبد الله بن زيد عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لولا الهجرة لكنت امرأ من الأنصار ولو سلك الناس واديا أو شعبا لسلكت وادي الأنصار وشعبها تابعه أبو التياح عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم في الشعب.
আবদুল্লাহ্ ইব্নু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইব্নু যায়দ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেনঃ যদি হিজরত না হত, তাহলে আমি আনসারদের একজন হতাম। আর লোকেরা যদি কোন এক উপত্যকা বা গিরিপথ দিয়ে চলত, তাহলে আমি আনসারদের উপত্যকা বা গিরিপথ দিয়েই চলতাম। আবূ তাইয়াহ্ (রহঃ) আনাস (রাঃ)-এর বরাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এরকম হাদীস ‘উপত্যকার’ কথা উল্লেখ করে ‘আব্বাস ইব্নু তামীম-এর অনুসরণ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৫১)
আবদুল্লাহ্ ইব্নু যায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইব্নু যায়দ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেনঃ যদি হিজরত না হত, তাহলে আমি আনসারদের একজন হতাম। আর লোকেরা যদি কোন এক উপত্যকা বা গিরিপথ দিয়ে চলত, তাহলে আমি আনসারদের উপত্যকা বা গিরিপথ দিয়েই চলতাম। আবূ তাইয়াহ্ (রহঃ) আনাস (রাঃ)-এর বরাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এরকম হাদীস ‘উপত্যকার’ কথা উল্লেখ করে ‘আব্বাস ইব্নু তামীম-এর অনুসরণ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৫১)
موسى حدثنا وهيب عن عمرو بن يحيى عن عباد بن تميم عن عبد الله بن زيد عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لولا الهجرة لكنت امرأ من الأنصار ولو سلك الناس واديا أو شعبا لسلكت وادي الأنصار وشعبها تابعه أبو التياح عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم في الشعب.