সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কথাঃ কোন কাজ সম্পর্কে যদি আগে জানতে পারতাম যা পরে জানতে পেরেছি।

সহিহ বুখারী ৭২২৯

يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب حدثني عروة أن عائشة قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لو استقبلت من أمري ما استدبرت ما سقت الهدي ولحللت مع الناس حين حلوا.

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার কর্তব্য সম্পর্কে যদি আমি আগে জানতাম যা পরে জানতে পেরেছি, তাহলে আমি হাদী (অর্থাৎ কুরবানীর পশু) সঙ্গে নিয়ে আসতাম না এবং লোকেরা যখন (ইহরাম ছেড়ে) হালাল হয়েছে, তখন আমিও হালাল হয়ে যেতাম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩৫)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার কর্তব্য সম্পর্কে যদি আমি আগে জানতাম যা পরে জানতে পেরেছি, তাহলে আমি হাদী (অর্থাৎ কুরবানীর পশু) সঙ্গে নিয়ে আসতাম না এবং লোকেরা যখন (ইহরাম ছেড়ে) হালাল হয়েছে, তখন আমিও হালাল হয়ে যেতাম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩৫)

يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب حدثني عروة أن عائشة قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لو استقبلت من أمري ما استدبرت ما سقت الهدي ولحللت مع الناس حين حلوا.


সহিহ বুখারী ৭২৩০

الحسن بن عمر حدثنا يزيد عن حبيب عن عطاء عن جابر بن عبد الله قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلبينا بالحج وقدمنا مكة لأربع خلون من ذي الحجة فأمرنا النبي صلى الله عليه وسلم أن نطوف بالبيت وبالصفا والمروة وأن نجعلها عمرة ونحل إلا من كان معه هدي قال ولم يكن مع أحد منا هدي غير النبي صلى الله عليه وسلم وطلحة وجاء علي من اليمن معه الهدي فقال أهللت بما أهل به رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا ننطلق إلى منى وذكر أحدنا يقطر قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إني لو استقبلت من أمري ما استدبرت ما أهديت ولولا أن معي الهدي لحللت قال ولقيه سراقة وهو يرمي جمرة العقبة فقال يا رسول الله ألنا هذه خاصة قال لا بل لأبد قال وكانت عائشة قدمت معه مكة وهي حائض فأمرها النبي صلى الله عليه وسلم أن تنسك المناسك كلها غير أنها لا تطوف ولا تصلي حتى تطهر فلما نزلوا البطحاء قالت عائشة يا رسول الله أتنطلقون بحجة وعمرة وأنطلق بحجة قال ثم أمر عبد الرحمن بن أبي بكر الصديق أن ينطلق معها إلى التنعيم فاعتمرت عمرة في ذي الحجة بعد أيام الحج.

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম এবং আমরা হজ্জের তালবিয়া পড়লাম। তারপর যিলহজ্জ মাসের চারদিন অতিক্রান্ত হবার পর আমরা মক্কায় এসে পৌঁছলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বাইতুল্লাহ্ তাওয়াফ করতে এবং সাফা ও মারওয়ার সায়ী করতে নির্দেশ দিলেন এবং এটাকে ‘উমরায় পরিণত করে ইহ্‌রাম খুলে হালাল হওয়ার জন্য বললেন। যাদের সঙ্গে হাদী (কুরবানীর পশু) ছিল তাদের ছাড়া। জাবির (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তালহা (রাঃ) ব্যতীত আমাদের আর কারো সঙ্গে হাদী ছিল না। এসময় ‘আলী (রাঃ) ইয়ামান হতে আসলেন। তাঁর সঙ্গে হাদী ছিল। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেরূপ ইহরাম বেঁধেছেন, আমিও তেমন ইহরাম বেঁধেছি। সাহাবীগণ (রাঃ) বললেন, আমরা মিনার দিকে যাচ্ছি। অথচ আমাদের কারো কারো পুরুষাঙ্গ (স্ত্রী সহবাসের জন্য) উত্তেজিত হচ্ছে। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ আমি আমার এ কাজে যদি আগে জানতাম যা আমি পরে জানতে পারলাম, তাহলে আমি হাদি সঙ্গে আনতাম না। আর আমার সঙ্গে যদি হাদি না থাকত তাহলে আমি অবশ্যই হালাল হয়ে যেতাম। রাবী বলেন, এমন সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে সুরাকা ইব্‌নু মালিক (রাঃ) সাক্ষাত করলেন যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জামরা-ই আকাবাতে কঙ্গর নিক্ষেপ করছিলেন। তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! এটা কি কেবল আমাদের জন্যই? তিনি বললেনঃ না, বরং এটা চিরদিনের জন্য। জাবির (রাঃ) বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) ঋতুবতী হয়ে মক্কায় পৌঁছেছিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে নির্দেশ করলেন, হজ্জের যাবতীয় কার্য যথারীতি আদায় কর, তবে পবিত্র হবার পূর্ব পর্যন্ত বাইতুল্লাহ্‌ তাওয়াফ করো না এবং সালাত আদায় করো না। তারা যখন বাতহা নামক স্থানে নামলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনারা একটি হজ্জ ও একটি ‘উমরা নিয়ে ফিরলেন। আর আমি কেবল একটি হজ্জ নিয়ে ফিরছি? জাবির (রাঃ) বলেন, তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবদুর রহমান ইব্‌নু আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রাঃ) কে তাঁকে তানঈমে নিয়ে যাবার হুকুম করলেন। পরে ‘আয়িশা (রাঃ) যিলহজ্জ মাসে হজ্জের দিনগুলোর পরে একটি ‘উমরা আদায় করেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩৬)

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম এবং আমরা হজ্জের তালবিয়া পড়লাম। তারপর যিলহজ্জ মাসের চারদিন অতিক্রান্ত হবার পর আমরা মক্কায় এসে পৌঁছলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বাইতুল্লাহ্ তাওয়াফ করতে এবং সাফা ও মারওয়ার সায়ী করতে নির্দেশ দিলেন এবং এটাকে ‘উমরায় পরিণত করে ইহ্‌রাম খুলে হালাল হওয়ার জন্য বললেন। যাদের সঙ্গে হাদী (কুরবানীর পশু) ছিল তাদের ছাড়া। জাবির (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তালহা (রাঃ) ব্যতীত আমাদের আর কারো সঙ্গে হাদী ছিল না। এসময় ‘আলী (রাঃ) ইয়ামান হতে আসলেন। তাঁর সঙ্গে হাদী ছিল। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেরূপ ইহরাম বেঁধেছেন, আমিও তেমন ইহরাম বেঁধেছি। সাহাবীগণ (রাঃ) বললেন, আমরা মিনার দিকে যাচ্ছি। অথচ আমাদের কারো কারো পুরুষাঙ্গ (স্ত্রী সহবাসের জন্য) উত্তেজিত হচ্ছে। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ আমি আমার এ কাজে যদি আগে জানতাম যা আমি পরে জানতে পারলাম, তাহলে আমি হাদি সঙ্গে আনতাম না। আর আমার সঙ্গে যদি হাদি না থাকত তাহলে আমি অবশ্যই হালাল হয়ে যেতাম। রাবী বলেন, এমন সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে সুরাকা ইব্‌নু মালিক (রাঃ) সাক্ষাত করলেন যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জামরা-ই আকাবাতে কঙ্গর নিক্ষেপ করছিলেন। তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! এটা কি কেবল আমাদের জন্যই? তিনি বললেনঃ না, বরং এটা চিরদিনের জন্য। জাবির (রাঃ) বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) ঋতুবতী হয়ে মক্কায় পৌঁছেছিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে নির্দেশ করলেন, হজ্জের যাবতীয় কার্য যথারীতি আদায় কর, তবে পবিত্র হবার পূর্ব পর্যন্ত বাইতুল্লাহ্‌ তাওয়াফ করো না এবং সালাত আদায় করো না। তারা যখন বাতহা নামক স্থানে নামলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনারা একটি হজ্জ ও একটি ‘উমরা নিয়ে ফিরলেন। আর আমি কেবল একটি হজ্জ নিয়ে ফিরছি? জাবির (রাঃ) বলেন, তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবদুর রহমান ইব্‌নু আবূ বক্‌র সিদ্দীক (রাঃ) কে তাঁকে তানঈমে নিয়ে যাবার হুকুম করলেন। পরে ‘আয়িশা (রাঃ) যিলহজ্জ মাসে হজ্জের দিনগুলোর পরে একটি ‘উমরা আদায় করেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩৬)

الحسن بن عمر حدثنا يزيد عن حبيب عن عطاء عن جابر بن عبد الله قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلبينا بالحج وقدمنا مكة لأربع خلون من ذي الحجة فأمرنا النبي صلى الله عليه وسلم أن نطوف بالبيت وبالصفا والمروة وأن نجعلها عمرة ونحل إلا من كان معه هدي قال ولم يكن مع أحد منا هدي غير النبي صلى الله عليه وسلم وطلحة وجاء علي من اليمن معه الهدي فقال أهللت بما أهل به رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا ننطلق إلى منى وذكر أحدنا يقطر قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إني لو استقبلت من أمري ما استدبرت ما أهديت ولولا أن معي الهدي لحللت قال ولقيه سراقة وهو يرمي جمرة العقبة فقال يا رسول الله ألنا هذه خاصة قال لا بل لأبد قال وكانت عائشة قدمت معه مكة وهي حائض فأمرها النبي صلى الله عليه وسلم أن تنسك المناسك كلها غير أنها لا تطوف ولا تصلي حتى تطهر فلما نزلوا البطحاء قالت عائشة يا رسول الله أتنطلقون بحجة وعمرة وأنطلق بحجة قال ثم أمر عبد الرحمن بن أبي بكر الصديق أن ينطلق معها إلى التنعيم فاعتمرت عمرة في ذي الحجة بعد أيام الحج.


সহিহ বুখারী > [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)]-এর কথাঃ যদি এমন এমন হত।

সহিহ বুখারী ৭২৩১

خالد بن مخلد حدثنا سليمان بن بلال حدثني يحيى بن سعيد سمعت عبد الله بن عامر بن ربيعة قال قالت عائشة أرق النبي صلى الله عليه وسلم ذات ليلة فقال ليت رجلا صالحا من أصحابي يحرسني الليلة إذ سمعنا صوت السلاح قال من هذا قال سعد يا رسول الله جئت أحرسك فنام النبي صلى الله عليه وسلم حتى سمعنا غطيطه قال أبو عبد الله وقالت عائشة قال بلال ألا ليت شعري هل أبيتن ليلة بواد وحولي إذخر وجليل فأخبرت النبي صلى الله عليه وسلم.

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জেগে রইলেন। পরে তিনি বললেনঃ যদি আমার সাহাবীদের কোন নেককার লোক আজ রাতে আমার পাহারা দিত। হঠাৎ আমরা অস্ত্রের শব্দ শুনলাম। তখন তিনি বললেনঃ এ কে? বলা হল, এ হচ্ছে সা’দ, হে আল্লাহর রসূল! আপনাকে পাহারা দিতে এসেছি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘুমালেন, এমন কি আমরা তাঁর নাক ডাকার আওয়াজ শুনতে পেলাম। [১৮৪] ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, বিলাল (রাঃ) আওড়াচ্ছিলেন- হায়! আমার উপলব্ধি, আমি কি উপত্যকায় রাত কাটাতে পারব, যখন আমার পাশে থাকবে জালীর ও ইয্‌খির (ঘাস)। পরে আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এ খবর পৌঁছিয়ে দিলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩৭)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জেগে রইলেন। পরে তিনি বললেনঃ যদি আমার সাহাবীদের কোন নেককার লোক আজ রাতে আমার পাহারা দিত। হঠাৎ আমরা অস্ত্রের শব্দ শুনলাম। তখন তিনি বললেনঃ এ কে? বলা হল, এ হচ্ছে সা’দ, হে আল্লাহর রসূল! আপনাকে পাহারা দিতে এসেছি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘুমালেন, এমন কি আমরা তাঁর নাক ডাকার আওয়াজ শুনতে পেলাম। [১৮৪] ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, বিলাল (রাঃ) আওড়াচ্ছিলেন- হায়! আমার উপলব্ধি, আমি কি উপত্যকায় রাত কাটাতে পারব, যখন আমার পাশে থাকবে জালীর ও ইয্‌খির (ঘাস)। পরে আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এ খবর পৌঁছিয়ে দিলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩৭)

خالد بن مخلد حدثنا سليمان بن بلال حدثني يحيى بن سعيد سمعت عبد الله بن عامر بن ربيعة قال قالت عائشة أرق النبي صلى الله عليه وسلم ذات ليلة فقال ليت رجلا صالحا من أصحابي يحرسني الليلة إذ سمعنا صوت السلاح قال من هذا قال سعد يا رسول الله جئت أحرسك فنام النبي صلى الله عليه وسلم حتى سمعنا غطيطه قال أبو عبد الله وقالت عائشة قال بلال ألا ليت شعري هل أبيتن ليلة بواد وحولي إذخر وجليل فأخبرت النبي صلى الله عليه وسلم.


সহিহ বুখারী > কুরআন (পাঠ) ও ইল্ম অর্জনের কামনা।

সহিহ বুখারী ৭২৩২

عثمان بن أبي شيبة حدثنا جرير عن الأعمش عن أبي صالح عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تحاسد إلا في اثنتين رجل آتاه الله القرآن فهو يتلوه آناء الليل والنهار يقول لو أوتيت مثل ما أوتي هذا لفعلت كما يفعل ورجل آتاه الله مالا ينفقه في حقه فيقول لو أوتيت مثل ما أوتي لفعلت كما يفعل حدثنا قتيبة حدثنا جرير بهذا.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’টি বিষয় ব্যতীত হিংসা করা যাবে না। এক ব্যক্তি, যাকে আল্লাহ্‌ কুরআন দান করেছেন সে দিন রাত তিলাওয়াত করে। কেউ বলল, একে যা দেয়া হয়েছে, যদি আমাকেও তা দেয়া হত, তবে সে যেমন করছে, আমিও তেমন করতাম। আর এক ব্যক্তি যাকে আল্লাহ মাল দিয়েছেন, সে তা যথোচিতভাবে খরচ করে। কেউ বলল, তাকে যা দেয়া হয়েছে তা যদি আমাকে দেয়া হত, তাহলে আমি অবশ্যই তাই করতাম, সে যা করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩৮)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’টি বিষয় ব্যতীত হিংসা করা যাবে না। এক ব্যক্তি, যাকে আল্লাহ্‌ কুরআন দান করেছেন সে দিন রাত তিলাওয়াত করে। কেউ বলল, একে যা দেয়া হয়েছে, যদি আমাকেও তা দেয়া হত, তবে সে যেমন করছে, আমিও তেমন করতাম। আর এক ব্যক্তি যাকে আল্লাহ মাল দিয়েছেন, সে তা যথোচিতভাবে খরচ করে। কেউ বলল, তাকে যা দেয়া হয়েছে তা যদি আমাকে দেয়া হত, তাহলে আমি অবশ্যই তাই করতাম, সে যা করে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩৮)

عثمان بن أبي شيبة حدثنا جرير عن الأعمش عن أبي صالح عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تحاسد إلا في اثنتين رجل آتاه الله القرآن فهو يتلوه آناء الليل والنهار يقول لو أوتيت مثل ما أوتي هذا لفعلت كما يفعل ورجل آتاه الله مالا ينفقه في حقه فيقول لو أوتيت مثل ما أوتي لفعلت كما يفعل حدثنا قتيبة حدثنا جرير بهذا.


সহিহ বুখারী > যা কামনা করা নিষিদ্ধ।

সহিহ বুখারী ৭২৩৩

حسن بن الربيع حدثنا أبو الأحوص عن عاصم عن النضر بن أنس قال قال أنس لولا أني سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول لا تتمنوا الموت لتمنيت.

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যদি আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে একথা বলতে না শোনতাম যে, তোমরা মৃত্যু কামনা করো না, তাহলে অবশ্যই আমি কামনা করতাম। [৫৬৭১; মুসলিম ৪৮/৪, হাঃ ২৬৮০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩৯)

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যদি আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে একথা বলতে না শোনতাম যে, তোমরা মৃত্যু কামনা করো না, তাহলে অবশ্যই আমি কামনা করতাম। [৫৬৭১; মুসলিম ৪৮/৪, হাঃ ২৬৮০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩৯)

حسن بن الربيع حدثنا أبو الأحوص عن عاصم عن النضر بن أنس قال قال أنس لولا أني سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول لا تتمنوا الموت لتمنيت.


সহিহ বুখারী ৭২৩৪

محمد حدثنا عبدة عن ابن أبي خالد عن قيس قال أتينا خباب بن الأرت نعوده وقد اكتوى سبعا فقال لولا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهانا أن ندعو بالموت لدعوت به.

কায়স (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

করেন। তিনি বলেন, আমরা খাব্বাব ইব্‌নু আরাত্‌ (রাঃ) এর সেবা শুশ্রুষা করার জন্য এলাম। তিনি সাতটি দাগ লাগিয়েছিলেন। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যদি আমাদের মৃত্যুর জন্য দু’আ করতে নিষেধ না করতেন, তাহলে আমি অবশ্যই এজন্য দু’আ করতাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৪০)

কায়স (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

করেন। তিনি বলেন, আমরা খাব্বাব ইব্‌নু আরাত্‌ (রাঃ) এর সেবা শুশ্রুষা করার জন্য এলাম। তিনি সাতটি দাগ লাগিয়েছিলেন। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যদি আমাদের মৃত্যুর জন্য দু’আ করতে নিষেধ না করতেন, তাহলে আমি অবশ্যই এজন্য দু’আ করতাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৪০)

محمد حدثنا عبدة عن ابن أبي خالد عن قيس قال أتينا خباب بن الأرت نعوده وقد اكتوى سبعا فقال لولا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهانا أن ندعو بالموت لدعوت به.


সহিহ বুখারী ৭২৩৫

عبد الله بن محمد حدثنا هشام بن يوسف أخبرنا معمر عن الزهري عن أبي عبيد اسمه سعد بن عبيد مولى عبد الرحمن بن أزهر عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يتمنى أحدكم الموت إما محسنا فلعله يزداد وإما مسيئا فلعله يستعتب.

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন মৃত্যু কামনা না করে। কারণ সে যদি সৎ হয় তবে (বেঁচে থাকলে) হয়ত সে নেক কাজ বৃদ্ধি করবে। আর যদি পাপী হয়, তাহলে হয়ত সে তওবা করবে। আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ (বুখারী) (রহঃ) বলেন, আবু ‘উবায়দ-এর নাম হচ্ছে সা’দ ইব্‌নু ‘উবায়দ আব্‌দুর রহমান ইব্‌নু আয্‌হার এর আযাদকৃত গোলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৪১)

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন মৃত্যু কামনা না করে। কারণ সে যদি সৎ হয় তবে (বেঁচে থাকলে) হয়ত সে নেক কাজ বৃদ্ধি করবে। আর যদি পাপী হয়, তাহলে হয়ত সে তওবা করবে। আবূ ‘আবদুল্লাহ্‌ (বুখারী) (রহঃ) বলেন, আবু ‘উবায়দ-এর নাম হচ্ছে সা’দ ইব্‌নু ‘উবায়দ আব্‌দুর রহমান ইব্‌নু আয্‌হার এর আযাদকৃত গোলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৪১)

عبد الله بن محمد حدثنا هشام بن يوسف أخبرنا معمر عن الزهري عن أبي عبيد اسمه سعد بن عبيد مولى عبد الرحمن بن أزهر عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يتمنى أحدكم الموت إما محسنا فلعله يزداد وإما مسيئا فلعله يستعتب.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00