সহিহ বুখারী > কামনা করা এবং যিনি শাহাদাত কামনা করেন।
সহিহ বুখারী ৭২২৬
سعيد بن عفير حدثني الليث حدثني عبد الرحمن بن خالد عن ابن شهاب عن أبي سلمة وسعيد بن المسيب أن أبا هريرة قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول والذي نفسي بيده لولا أن رجالا يكرهون أن يتخلفوا بعدي ولا أجد ما أحملهم ما تخلفت لوددت أني أقتل في سبيل الله ثم أحيا ثم أقتل ثم أحيا ثم أقتل ثم أحيا ثم أقتل.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! যদি কিছু লোক আমার শরীক না হয়ে পিছনে থেকে যাওয়াটা অপছন্দ না করত, আর সকলকে (যুদ্ধে যাওয়ার) বাহন দিতে আমি অক্ষম না হতাম, তাহলে আমি কোন যুদ্ধ থেকেই পিছনে থাকতাম না। আমি অবশ্যই কামনা করি যে, আমাকে আল্লাহ্র পথে শহীদ করা হয়, আবার জীবিত করা হয়। আবার শহীদ করা হয় আবার জীবিত করা হয়। আবার শহীদ করা হয় আবার জীবিত করা হয়। আবার শহীদ করা হয়। [১৮৩](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩২)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! যদি কিছু লোক আমার শরীক না হয়ে পিছনে থেকে যাওয়াটা অপছন্দ না করত, আর সকলকে (যুদ্ধে যাওয়ার) বাহন দিতে আমি অক্ষম না হতাম, তাহলে আমি কোন যুদ্ধ থেকেই পিছনে থাকতাম না। আমি অবশ্যই কামনা করি যে, আমাকে আল্লাহ্র পথে শহীদ করা হয়, আবার জীবিত করা হয়। আবার শহীদ করা হয় আবার জীবিত করা হয়। আবার শহীদ করা হয় আবার জীবিত করা হয়। আবার শহীদ করা হয়। [১৮৩](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩২)
سعيد بن عفير حدثني الليث حدثني عبد الرحمن بن خالد عن ابن شهاب عن أبي سلمة وسعيد بن المسيب أن أبا هريرة قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول والذي نفسي بيده لولا أن رجالا يكرهون أن يتخلفوا بعدي ولا أجد ما أحملهم ما تخلفت لوددت أني أقتل في سبيل الله ثم أحيا ثم أقتل ثم أحيا ثم أقتل ثم أحيا ثم أقتل.
সহিহ বুখারী ৭২২৭
عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال والذي نفسي بيده وددت أني أقاتل في سبيل الله فأقتل ثم أحيا ثم أقتل ثم أحيا ثم أقتل فكان أبو هريرة يقولهن ثلاثا أشهد بالله.
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে সত্তার হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ! আমি কামনা করি যেন আমি অবশ্যই আল্লাহ্র পথে যুদ্ধ করি। এতে আমাকে শহীদ করা হয়। আবার জীবিত করা হয়, আবার শহীদ করা হয়। আবার জীবিত করা হয়, আবার শহীদ করা হয়। আবু হুরায়রা (রাঃ) বললেন, কথাটি তিনি তিনবার বলেছেন। এ সম্পর্কে আমি আল্লাহ্র নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩৩)
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে সত্তার হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ! আমি কামনা করি যেন আমি অবশ্যই আল্লাহ্র পথে যুদ্ধ করি। এতে আমাকে শহীদ করা হয়। আবার জীবিত করা হয়, আবার শহীদ করা হয়। আবার জীবিত করা হয়, আবার শহীদ করা হয়। আবু হুরায়রা (রাঃ) বললেন, কথাটি তিনি তিনবার বলেছেন। এ সম্পর্কে আমি আল্লাহ্র নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩৩)
عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال والذي نفسي بيده وددت أني أقاتل في سبيل الله فأقتل ثم أحيا ثم أقتل ثم أحيا ثم أقتل فكان أبو هريرة يقولهن ثلاثا أشهد بالله.
সহিহ বুখারী > কল্যাণ কামনা করা।
সহিহ বুখারী ৭২২৮
إسحاق بن نصر حدثنا عبد الرزاق عن معمر عن همام سمع أبا هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لو كان عندي أحد ذهبا لأحببت أن لا يأتي علي ثلاث وعندي منه دينار ليس شيء أرصده في دين علي أجد من يقبله.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, যদি ওহুদ (পাহাড়) পরিমাণ সোনা আমার কাছে থাকত, তাহলে আমি অবশ্যই পছন্দ করতাম যে, তিন রাতও এ অবস্থায় অতিবাহিত না হোক যে ঋণ আদায় করার জন্য ছাড়া একটি দীনারও আমার কাছে থাকুক যা গ্রহণ করার মত লোক নেই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩৪)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, যদি ওহুদ (পাহাড়) পরিমাণ সোনা আমার কাছে থাকত, তাহলে আমি অবশ্যই পছন্দ করতাম যে, তিন রাতও এ অবস্থায় অতিবাহিত না হোক যে ঋণ আদায় করার জন্য ছাড়া একটি দীনারও আমার কাছে থাকুক যা গ্রহণ করার মত লোক নেই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩৪)
إسحاق بن نصر حدثنا عبد الرزاق عن معمر عن همام سمع أبا هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لو كان عندي أحد ذهبا لأحببت أن لا يأتي علي ثلاث وعندي منه دينار ليس شيء أرصده في دين علي أجد من يقبله.
সহিহ বুখারী > নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কথাঃ কোন কাজ সম্পর্কে যদি আগে জানতে পারতাম যা পরে জানতে পেরেছি।
সহিহ বুখারী ৭২২৯
يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب حدثني عروة أن عائشة قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لو استقبلت من أمري ما استدبرت ما سقت الهدي ولحللت مع الناس حين حلوا.
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার কর্তব্য সম্পর্কে যদি আমি আগে জানতাম যা পরে জানতে পেরেছি, তাহলে আমি হাদী (অর্থাৎ কুরবানীর পশু) সঙ্গে নিয়ে আসতাম না এবং লোকেরা যখন (ইহরাম ছেড়ে) হালাল হয়েছে, তখন আমিও হালাল হয়ে যেতাম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩৫)
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার কর্তব্য সম্পর্কে যদি আমি আগে জানতাম যা পরে জানতে পেরেছি, তাহলে আমি হাদী (অর্থাৎ কুরবানীর পশু) সঙ্গে নিয়ে আসতাম না এবং লোকেরা যখন (ইহরাম ছেড়ে) হালাল হয়েছে, তখন আমিও হালাল হয়ে যেতাম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩৫)
يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب حدثني عروة أن عائشة قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لو استقبلت من أمري ما استدبرت ما سقت الهدي ولحللت مع الناس حين حلوا.
সহিহ বুখারী ৭২৩০
الحسن بن عمر حدثنا يزيد عن حبيب عن عطاء عن جابر بن عبد الله قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلبينا بالحج وقدمنا مكة لأربع خلون من ذي الحجة فأمرنا النبي صلى الله عليه وسلم أن نطوف بالبيت وبالصفا والمروة وأن نجعلها عمرة ونحل إلا من كان معه هدي قال ولم يكن مع أحد منا هدي غير النبي صلى الله عليه وسلم وطلحة وجاء علي من اليمن معه الهدي فقال أهللت بما أهل به رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا ننطلق إلى منى وذكر أحدنا يقطر قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إني لو استقبلت من أمري ما استدبرت ما أهديت ولولا أن معي الهدي لحللت قال ولقيه سراقة وهو يرمي جمرة العقبة فقال يا رسول الله ألنا هذه خاصة قال لا بل لأبد قال وكانت عائشة قدمت معه مكة وهي حائض فأمرها النبي صلى الله عليه وسلم أن تنسك المناسك كلها غير أنها لا تطوف ولا تصلي حتى تطهر فلما نزلوا البطحاء قالت عائشة يا رسول الله أتنطلقون بحجة وعمرة وأنطلق بحجة قال ثم أمر عبد الرحمن بن أبي بكر الصديق أن ينطلق معها إلى التنعيم فاعتمرت عمرة في ذي الحجة بعد أيام الحج.
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম এবং আমরা হজ্জের তালবিয়া পড়লাম। তারপর যিলহজ্জ মাসের চারদিন অতিক্রান্ত হবার পর আমরা মক্কায় এসে পৌঁছলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বাইতুল্লাহ্ তাওয়াফ করতে এবং সাফা ও মারওয়ার সায়ী করতে নির্দেশ দিলেন এবং এটাকে ‘উমরায় পরিণত করে ইহ্রাম খুলে হালাল হওয়ার জন্য বললেন। যাদের সঙ্গে হাদী (কুরবানীর পশু) ছিল তাদের ছাড়া। জাবির (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তালহা (রাঃ) ব্যতীত আমাদের আর কারো সঙ্গে হাদী ছিল না। এসময় ‘আলী (রাঃ) ইয়ামান হতে আসলেন। তাঁর সঙ্গে হাদী ছিল। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেরূপ ইহরাম বেঁধেছেন, আমিও তেমন ইহরাম বেঁধেছি। সাহাবীগণ (রাঃ) বললেন, আমরা মিনার দিকে যাচ্ছি। অথচ আমাদের কারো কারো পুরুষাঙ্গ (স্ত্রী সহবাসের জন্য) উত্তেজিত হচ্ছে। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ আমি আমার এ কাজে যদি আগে জানতাম যা আমি পরে জানতে পারলাম, তাহলে আমি হাদি সঙ্গে আনতাম না। আর আমার সঙ্গে যদি হাদি না থাকত তাহলে আমি অবশ্যই হালাল হয়ে যেতাম। রাবী বলেন, এমন সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে সুরাকা ইব্নু মালিক (রাঃ) সাক্ষাত করলেন যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জামরা-ই আকাবাতে কঙ্গর নিক্ষেপ করছিলেন। তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! এটা কি কেবল আমাদের জন্যই? তিনি বললেনঃ না, বরং এটা চিরদিনের জন্য। জাবির (রাঃ) বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) ঋতুবতী হয়ে মক্কায় পৌঁছেছিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে নির্দেশ করলেন, হজ্জের যাবতীয় কার্য যথারীতি আদায় কর, তবে পবিত্র হবার পূর্ব পর্যন্ত বাইতুল্লাহ্ তাওয়াফ করো না এবং সালাত আদায় করো না। তারা যখন বাতহা নামক স্থানে নামলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনারা একটি হজ্জ ও একটি ‘উমরা নিয়ে ফিরলেন। আর আমি কেবল একটি হজ্জ নিয়ে ফিরছি? জাবির (রাঃ) বলেন, তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবদুর রহমান ইব্নু আবূ বক্র সিদ্দীক (রাঃ) কে তাঁকে তানঈমে নিয়ে যাবার হুকুম করলেন। পরে ‘আয়িশা (রাঃ) যিলহজ্জ মাসে হজ্জের দিনগুলোর পরে একটি ‘উমরা আদায় করেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩৬)
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম এবং আমরা হজ্জের তালবিয়া পড়লাম। তারপর যিলহজ্জ মাসের চারদিন অতিক্রান্ত হবার পর আমরা মক্কায় এসে পৌঁছলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বাইতুল্লাহ্ তাওয়াফ করতে এবং সাফা ও মারওয়ার সায়ী করতে নির্দেশ দিলেন এবং এটাকে ‘উমরায় পরিণত করে ইহ্রাম খুলে হালাল হওয়ার জন্য বললেন। যাদের সঙ্গে হাদী (কুরবানীর পশু) ছিল তাদের ছাড়া। জাবির (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তালহা (রাঃ) ব্যতীত আমাদের আর কারো সঙ্গে হাদী ছিল না। এসময় ‘আলী (রাঃ) ইয়ামান হতে আসলেন। তাঁর সঙ্গে হাদী ছিল। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেরূপ ইহরাম বেঁধেছেন, আমিও তেমন ইহরাম বেঁধেছি। সাহাবীগণ (রাঃ) বললেন, আমরা মিনার দিকে যাচ্ছি। অথচ আমাদের কারো কারো পুরুষাঙ্গ (স্ত্রী সহবাসের জন্য) উত্তেজিত হচ্ছে। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ আমি আমার এ কাজে যদি আগে জানতাম যা আমি পরে জানতে পারলাম, তাহলে আমি হাদি সঙ্গে আনতাম না। আর আমার সঙ্গে যদি হাদি না থাকত তাহলে আমি অবশ্যই হালাল হয়ে যেতাম। রাবী বলেন, এমন সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে সুরাকা ইব্নু মালিক (রাঃ) সাক্ষাত করলেন যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জামরা-ই আকাবাতে কঙ্গর নিক্ষেপ করছিলেন। তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! এটা কি কেবল আমাদের জন্যই? তিনি বললেনঃ না, বরং এটা চিরদিনের জন্য। জাবির (রাঃ) বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) ঋতুবতী হয়ে মক্কায় পৌঁছেছিলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে নির্দেশ করলেন, হজ্জের যাবতীয় কার্য যথারীতি আদায় কর, তবে পবিত্র হবার পূর্ব পর্যন্ত বাইতুল্লাহ্ তাওয়াফ করো না এবং সালাত আদায় করো না। তারা যখন বাতহা নামক স্থানে নামলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনারা একটি হজ্জ ও একটি ‘উমরা নিয়ে ফিরলেন। আর আমি কেবল একটি হজ্জ নিয়ে ফিরছি? জাবির (রাঃ) বলেন, তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবদুর রহমান ইব্নু আবূ বক্র সিদ্দীক (রাঃ) কে তাঁকে তানঈমে নিয়ে যাবার হুকুম করলেন। পরে ‘আয়িশা (রাঃ) যিলহজ্জ মাসে হজ্জের দিনগুলোর পরে একটি ‘উমরা আদায় করেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩৬)
الحسن بن عمر حدثنا يزيد عن حبيب عن عطاء عن جابر بن عبد الله قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلبينا بالحج وقدمنا مكة لأربع خلون من ذي الحجة فأمرنا النبي صلى الله عليه وسلم أن نطوف بالبيت وبالصفا والمروة وأن نجعلها عمرة ونحل إلا من كان معه هدي قال ولم يكن مع أحد منا هدي غير النبي صلى الله عليه وسلم وطلحة وجاء علي من اليمن معه الهدي فقال أهللت بما أهل به رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا ننطلق إلى منى وذكر أحدنا يقطر قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إني لو استقبلت من أمري ما استدبرت ما أهديت ولولا أن معي الهدي لحللت قال ولقيه سراقة وهو يرمي جمرة العقبة فقال يا رسول الله ألنا هذه خاصة قال لا بل لأبد قال وكانت عائشة قدمت معه مكة وهي حائض فأمرها النبي صلى الله عليه وسلم أن تنسك المناسك كلها غير أنها لا تطوف ولا تصلي حتى تطهر فلما نزلوا البطحاء قالت عائشة يا رسول الله أتنطلقون بحجة وعمرة وأنطلق بحجة قال ثم أمر عبد الرحمن بن أبي بكر الصديق أن ينطلق معها إلى التنعيم فاعتمرت عمرة في ذي الحجة بعد أيام الحج.
সহিহ বুখারী > [নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)]-এর কথাঃ যদি এমন এমন হত।
সহিহ বুখারী ৭২৩১
خالد بن مخلد حدثنا سليمان بن بلال حدثني يحيى بن سعيد سمعت عبد الله بن عامر بن ربيعة قال قالت عائشة أرق النبي صلى الله عليه وسلم ذات ليلة فقال ليت رجلا صالحا من أصحابي يحرسني الليلة إذ سمعنا صوت السلاح قال من هذا قال سعد يا رسول الله جئت أحرسك فنام النبي صلى الله عليه وسلم حتى سمعنا غطيطه قال أبو عبد الله وقالت عائشة قال بلال ألا ليت شعري هل أبيتن ليلة بواد وحولي إذخر وجليل فأخبرت النبي صلى الله عليه وسلم.
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জেগে রইলেন। পরে তিনি বললেনঃ যদি আমার সাহাবীদের কোন নেককার লোক আজ রাতে আমার পাহারা দিত। হঠাৎ আমরা অস্ত্রের শব্দ শুনলাম। তখন তিনি বললেনঃ এ কে? বলা হল, এ হচ্ছে সা’দ, হে আল্লাহর রসূল! আপনাকে পাহারা দিতে এসেছি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘুমালেন, এমন কি আমরা তাঁর নাক ডাকার আওয়াজ শুনতে পেলাম। [১৮৪] ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, বিলাল (রাঃ) আওড়াচ্ছিলেন- হায়! আমার উপলব্ধি, আমি কি উপত্যকায় রাত কাটাতে পারব, যখন আমার পাশে থাকবে জালীর ও ইয্খির (ঘাস)। পরে আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এ খবর পৌঁছিয়ে দিলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩৭)
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জেগে রইলেন। পরে তিনি বললেনঃ যদি আমার সাহাবীদের কোন নেককার লোক আজ রাতে আমার পাহারা দিত। হঠাৎ আমরা অস্ত্রের শব্দ শুনলাম। তখন তিনি বললেনঃ এ কে? বলা হল, এ হচ্ছে সা’দ, হে আল্লাহর রসূল! আপনাকে পাহারা দিতে এসেছি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘুমালেন, এমন কি আমরা তাঁর নাক ডাকার আওয়াজ শুনতে পেলাম। [১৮৪] ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, বিলাল (রাঃ) আওড়াচ্ছিলেন- হায়! আমার উপলব্ধি, আমি কি উপত্যকায় রাত কাটাতে পারব, যখন আমার পাশে থাকবে জালীর ও ইয্খির (ঘাস)। পরে আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এ খবর পৌঁছিয়ে দিলাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৩৭)
خالد بن مخلد حدثنا سليمان بن بلال حدثني يحيى بن سعيد سمعت عبد الله بن عامر بن ربيعة قال قالت عائشة أرق النبي صلى الله عليه وسلم ذات ليلة فقال ليت رجلا صالحا من أصحابي يحرسني الليلة إذ سمعنا صوت السلاح قال من هذا قال سعد يا رسول الله جئت أحرسك فنام النبي صلى الله عليه وسلم حتى سمعنا غطيطه قال أبو عبد الله وقالت عائشة قال بلال ألا ليت شعري هل أبيتن ليلة بواد وحولي إذخر وجليل فأخبرت النبي صلى الله عليه وسلم.