সহিহ বুখারী > এমন ব্যক্তির বায়’আত গ্রহণ করা যে একমাত্র দুনিয়ার স্বার্থে বায়’আত নেয়।

সহিহ বুখারী ৭২১২

عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن أبي صالح عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاثة لا يكلمهم الله يوم القيامة ولا يزكيهم ولهم عذاب أليم رجل على فضل ماء بالطريق يمنع منه ابن السبيل ورجل بايع إماما لا يبايعه إلا لدنياه إن أعطاه ما يريد وفى له وإلا لم يف له ورجل يبايع رجلا بسلعة بعد العصر فحلف بالله لقد أعطي بها كذا وكذا فصدقه فأخذها ولم يعط بها.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিন রকম লোকের সঙ্গে ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ্‌ তা’আলা কথা বলবেন না এবং তাদেরকে পবিত্রও করবে না, আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শান্তি। (এক) ঐ ব্যক্তি, যে পথের পাশে অতিরিক্ত পানির মালিক কিন্তু মুসাফিরকে তা থেকে পান করতে দেয় না। (দুই) ঐ ব্যক্তি যে একমাত্র দুনিয়ার স্বার্থে ইমামের বায়’আত গ্রহণ করে। (বাদশাহ্‌) ঐ লোকের মনের বাসনা পূর্ণ করলে সে তার বায়’আত পূর্ণ করে। আর যদি তা না হয়, তাহলে বায়’আত ভঙ্গ করে। (তিন) সে ব্যক্তি যে ‘আসরের পর অন্য লোকের নিকট দ্রব্য সামগ্রী বিক্রয় করতে গিয়ে এমন কসম খায়ে যে, আল্লাহ্‌র শপথ! এটার এত দাম হয়েছে। ক্রেতা সেটাকে সত্য বলে বিশ্বাশ করে সে জিনিস কিনে নেয়। অথচ সে জিনিসের এত দাম হয়নি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭১৯)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিন রকম লোকের সঙ্গে ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ্‌ তা’আলা কথা বলবেন না এবং তাদেরকে পবিত্রও করবে না, আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শান্তি। (এক) ঐ ব্যক্তি, যে পথের পাশে অতিরিক্ত পানির মালিক কিন্তু মুসাফিরকে তা থেকে পান করতে দেয় না। (দুই) ঐ ব্যক্তি যে একমাত্র দুনিয়ার স্বার্থে ইমামের বায়’আত গ্রহণ করে। (বাদশাহ্‌) ঐ লোকের মনের বাসনা পূর্ণ করলে সে তার বায়’আত পূর্ণ করে। আর যদি তা না হয়, তাহলে বায়’আত ভঙ্গ করে। (তিন) সে ব্যক্তি যে ‘আসরের পর অন্য লোকের নিকট দ্রব্য সামগ্রী বিক্রয় করতে গিয়ে এমন কসম খায়ে যে, আল্লাহ্‌র শপথ! এটার এত দাম হয়েছে। ক্রেতা সেটাকে সত্য বলে বিশ্বাশ করে সে জিনিস কিনে নেয়। অথচ সে জিনিসের এত দাম হয়নি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭১৯)

عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن أبي صالح عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاثة لا يكلمهم الله يوم القيامة ولا يزكيهم ولهم عذاب أليم رجل على فضل ماء بالطريق يمنع منه ابن السبيل ورجل بايع إماما لا يبايعه إلا لدنياه إن أعطاه ما يريد وفى له وإلا لم يف له ورجل يبايع رجلا بسلعة بعد العصر فحلف بالله لقد أعطي بها كذا وكذا فصدقه فأخذها ولم يعط بها.


সহিহ বুখারী > মহিলাদের বায়’আত গ্রহণ।

সহিহ বুখারী ৭২১৪

محمود حدثنا عبد الرزاق أخبرنا معمر عن الزهري عن عروة عن عائشة قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يبايع النساء بالكلام بهذه الآية {لا يشركن بالله شيئا} قالت وما مست يد رسول الله صلى الله عليه وسلم يد امرأة إلا امرأة يملكها.

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “তারা আল্লাহ্‌র সঙ্গে কোন কিছুকে শরীক করবে না”- এ আয়াত পাঠ করে স্ত্রীলোকদের নিকট হতে বায়’আত নিতেন। তিনি আরও বলেন, যাদের হাতে হাত দেয়া বৈধ এমন মহিলা ব্যতীত রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাত অন্য কোন মহিলার হাত স্পর্শ করেনি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২১)

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “তারা আল্লাহ্‌র সঙ্গে কোন কিছুকে শরীক করবে না”- এ আয়াত পাঠ করে স্ত্রীলোকদের নিকট হতে বায়’আত নিতেন। তিনি আরও বলেন, যাদের হাতে হাত দেয়া বৈধ এমন মহিলা ব্যতীত রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাত অন্য কোন মহিলার হাত স্পর্শ করেনি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২১)

محمود حدثنا عبد الرزاق أخبرنا معمر عن الزهري عن عروة عن عائشة قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يبايع النساء بالكلام بهذه الآية {لا يشركن بالله شيئا} قالت وما مست يد رسول الله صلى الله عليه وسلم يد امرأة إلا امرأة يملكها.


সহিহ বুখারী ৭২১৩

أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري ح وقال الليث حدثني يونس عن ابن شهاب أخبرني أبو إدريس الخولاني أنه سمع عبادة بن الصامت يقول قال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن في مجلس تبايعوني على أن لا تشركوا بالله شيئا ولا تسرقوا ولا تزنوا ولا تقتلوا أولادكم ولا تأتوا ببهتان تفترونه بين أيديكم وأرجلكم ولا تعصوا في معروف فمن وفى منكم فأجره على الله ومن أصاب من ذلك شيئا فعوقب في الدنيا فهو كفارة له ومن أصاب من ذلك شيئا فستره الله فأمره إلى الله إن شاء عاقبه وإن شاء عفا عنه فبايعناه على ذلك.

উবাদাহ ইব্‌নু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা এক মজলিসে ছিলাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বললেনঃ তোমরা আমার নিকট বায়’আত কর যে, আল্লাহ্‌র সঙ্গে কাউকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, যিনা করবে না; তোমাদের সন্তানদের হত্যা করবে না এবং কোন ব্যক্তিকে এমন মিথ্যা অপবাদ দেবে না যা তোমাদেই গড়া আর ন্যায় সঙ্গত কাজে নাফরমানী করবে না। তোমাদের যারা এ অঙ্গীকার পূর্ণ করবে, তার প্রতিদান আল্লাহ্‌র কাছে। আর যে এর কোন একটি করবে দুনিয়ায় এ কারণে তাকে শাস্তি দেয়া হবে, তাহলে এটা তার কাফ্‌ফারা (পাপ মোচন) হয়ে যাবে। আর যদি কেউ এর কোন একটি অপরাধ করে ফেলে আর আল্লাহ্‌ তা গোপন রাখেন, তাহলে তার বিষয়টি আল্লাহ্‌র উপর ন্যস্ত। তিনি ইচ্ছে করলে তাকে শাস্তি দিবেন আর ইচ্ছে করলে তাকে ক্ষমা করে দিবেন। অতঃপর আমরা এর উপর বায়’আত করলাম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২০)

উবাদাহ ইব্‌নু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা এক মজলিসে ছিলাম। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বললেনঃ তোমরা আমার নিকট বায়’আত কর যে, আল্লাহ্‌র সঙ্গে কাউকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, যিনা করবে না; তোমাদের সন্তানদের হত্যা করবে না এবং কোন ব্যক্তিকে এমন মিথ্যা অপবাদ দেবে না যা তোমাদেই গড়া আর ন্যায় সঙ্গত কাজে নাফরমানী করবে না। তোমাদের যারা এ অঙ্গীকার পূর্ণ করবে, তার প্রতিদান আল্লাহ্‌র কাছে। আর যে এর কোন একটি করবে দুনিয়ায় এ কারণে তাকে শাস্তি দেয়া হবে, তাহলে এটা তার কাফ্‌ফারা (পাপ মোচন) হয়ে যাবে। আর যদি কেউ এর কোন একটি অপরাধ করে ফেলে আর আল্লাহ্‌ তা গোপন রাখেন, তাহলে তার বিষয়টি আল্লাহ্‌র উপর ন্যস্ত। তিনি ইচ্ছে করলে তাকে শাস্তি দিবেন আর ইচ্ছে করলে তাকে ক্ষমা করে দিবেন। অতঃপর আমরা এর উপর বায়’আত করলাম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২০)

أبو اليمان أخبرنا شعيب عن الزهري ح وقال الليث حدثني يونس عن ابن شهاب أخبرني أبو إدريس الخولاني أنه سمع عبادة بن الصامت يقول قال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن في مجلس تبايعوني على أن لا تشركوا بالله شيئا ولا تسرقوا ولا تزنوا ولا تقتلوا أولادكم ولا تأتوا ببهتان تفترونه بين أيديكم وأرجلكم ولا تعصوا في معروف فمن وفى منكم فأجره على الله ومن أصاب من ذلك شيئا فعوقب في الدنيا فهو كفارة له ومن أصاب من ذلك شيئا فستره الله فأمره إلى الله إن شاء عاقبه وإن شاء عفا عنه فبايعناه على ذلك.


সহিহ বুখারী ৭২১৫

مسدد حدثنا عبد الوارث عن أيوب عن حفصة عن أم عطية قالت بايعنا النبي صلى الله عليه وسلم فقرأ علينا {أن لا يشركن بالله شيئا} ونهانا عن النياحة فقبضت امرأة منا يدها فقالت فلانة أسعدتني وأنا أريد أن أجزيها فلم يقل شيئا فذهبت ثم رجعت فما وفت امرأة إلا أم سليم وأم العلاء وابنة أبي سبرة امرأة معاذ أو ابنة أبي سبرة وامرأة معاذ.

উম্মু আতীয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট বায়’আত নিলাম। তিনি আমার সামনে পাঠ করলেনঃ মহিলারা যেন আল্লাহ্‌র সঙ্গে কাউকে শরীক না করে এবং তিনি আমাদেরকে বিলাপ করতে নিষেধ করলেন। এ অবস্থায় আমাদের মধ্য থেকে একজন স্ত্রীলোক তার হাত গুটিয়ে নিল এবং বলল, অমুক স্ত্রীলোক একবার আমার সঙ্গে বিলাপে সহযোগিতা করেছে। কাজেই আমি তার প্রতিদান দিতে চাই। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছু বললেন না। স্ত্রীলোকটি চলে গেল এবং পরে এসে বায়’আত গ্রহণ করল। তবে তাদের মধ্যে উম্মু সুলায়ম, উম্মুল আলা, আর মুআয (রাঃ)-এর স্ত্রী আবূ সাবরা-এর মেয়ে, কিংবা বলেছিলেন, আবূ সাবরা-এর মেয়ে ও মু’আয-এর স্ত্রী ছাড়া অন্য কোন মহিলা এ অঙ্গীকার পূর্ণ করে নি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২২)

উম্মু আতীয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট বায়’আত নিলাম। তিনি আমার সামনে পাঠ করলেনঃ মহিলারা যেন আল্লাহ্‌র সঙ্গে কাউকে শরীক না করে এবং তিনি আমাদেরকে বিলাপ করতে নিষেধ করলেন। এ অবস্থায় আমাদের মধ্য থেকে একজন স্ত্রীলোক তার হাত গুটিয়ে নিল এবং বলল, অমুক স্ত্রীলোক একবার আমার সঙ্গে বিলাপে সহযোগিতা করেছে। কাজেই আমি তার প্রতিদান দিতে চাই। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছু বললেন না। স্ত্রীলোকটি চলে গেল এবং পরে এসে বায়’আত গ্রহণ করল। তবে তাদের মধ্যে উম্মু সুলায়ম, উম্মুল আলা, আর মুআয (রাঃ)-এর স্ত্রী আবূ সাবরা-এর মেয়ে, কিংবা বলেছিলেন, আবূ সাবরা-এর মেয়ে ও মু’আয-এর স্ত্রী ছাড়া অন্য কোন মহিলা এ অঙ্গীকার পূর্ণ করে নি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২২)

مسدد حدثنا عبد الوارث عن أيوب عن حفصة عن أم عطية قالت بايعنا النبي صلى الله عليه وسلم فقرأ علينا {أن لا يشركن بالله شيئا} ونهانا عن النياحة فقبضت امرأة منا يدها فقالت فلانة أسعدتني وأنا أريد أن أجزيها فلم يقل شيئا فذهبت ثم رجعت فما وفت امرأة إلا أم سليم وأم العلاء وابنة أبي سبرة امرأة معاذ أو ابنة أبي سبرة وامرأة معاذ.


সহিহ বুখারী > যে লোক বাই’আত ভঙ্গ করে।

সহিহ বুখারী ৭২১৬

أبو نعيم حدثنا سفيان عن محمد بن المنكدر سمعت جابرا قال جاء أعرابي إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال بايعني على الإسلام فبايعه على الإسلام ثم جاء الغد محموما فقال أقلني فأبى فلما ولى قال المدينة كالكير تنفي خبثها وينصع طيبها.

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, এক বেদুঈন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, ইসলামের উপর আমার বায়’আত নিন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইসলামের উপর তার বায়’আত নিলেন। পর দিবস সে জ্বরে আক্রান্ত অবস্থায় এসে বলল, আমার বায়’আত ফিরিয়ে দিন। তিনি অস্বীকার করলেন। যখন সে চলে গেল, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মাদীনা হাপরের মত, সে তার আবর্জনাকে দূর করে দেয় এবং ভালটুকু ধরে রাখে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২৩)

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, এক বেদুঈন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল, ইসলামের উপর আমার বায়’আত নিন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইসলামের উপর তার বায়’আত নিলেন। পর দিবস সে জ্বরে আক্রান্ত অবস্থায় এসে বলল, আমার বায়’আত ফিরিয়ে দিন। তিনি অস্বীকার করলেন। যখন সে চলে গেল, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মাদীনা হাপরের মত, সে তার আবর্জনাকে দূর করে দেয় এবং ভালটুকু ধরে রাখে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২৩)

أبو نعيم حدثنا سفيان عن محمد بن المنكدر سمعت جابرا قال جاء أعرابي إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال بايعني على الإسلام فبايعه على الإسلام ثم جاء الغد محموما فقال أقلني فأبى فلما ولى قال المدينة كالكير تنفي خبثها وينصع طيبها.


সহিহ বুখারী > খলিফা নিয়োগ করা।

সহিহ বুখারী ৭২২০

عبد العزيز بن عبد الله حدثنا إبراهيم بن سعد عن أبيه عن محمد بن جبير بن مطعم عن أبيه قال أتت النبي صلى الله عليه وسلم امرأة فكلمته في شيء فأمرها أن ترجع إليه قالت يا رسول الله أرأيت إن جئت ولم أجدك كأنها تريد الموت قال إن لم تجديني فأتي أبا بكر.

যুবায়র ইব্‌নু মুত’ঈম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক স্ত্রীলোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এল এবং কোন ব্যাপারে তাঁর সঙ্গে কথা বলল। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে আবার আসার আদেশ দিলেন। স্ত্রীলোকটি বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি আবার এসে যদি আপনাকে না পাই? স্ত্রী লোকটি এ কথা বলে (রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর) মৃত্যুর কথা বোঝাতে চাচ্ছিল। তিনি বললেনঃ যদি আমাকে না পাও, তাহলে আবূ বাক্‌রের কাছে আসবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২৭)

যুবায়র ইব্‌নু মুত’ঈম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক স্ত্রীলোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এল এবং কোন ব্যাপারে তাঁর সঙ্গে কথা বলল। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে আবার আসার আদেশ দিলেন। স্ত্রীলোকটি বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি আবার এসে যদি আপনাকে না পাই? স্ত্রী লোকটি এ কথা বলে (রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর) মৃত্যুর কথা বোঝাতে চাচ্ছিল। তিনি বললেনঃ যদি আমাকে না পাও, তাহলে আবূ বাক্‌রের কাছে আসবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২৭)

عبد العزيز بن عبد الله حدثنا إبراهيم بن سعد عن أبيه عن محمد بن جبير بن مطعم عن أبيه قال أتت النبي صلى الله عليه وسلم امرأة فكلمته في شيء فأمرها أن ترجع إليه قالت يا رسول الله أرأيت إن جئت ولم أجدك كأنها تريد الموت قال إن لم تجديني فأتي أبا بكر.


সহিহ বুখারী ৭২২১

مسدد حدثنا يحيى عن سفيان حدثني قيس بن مسلم عن طارق بن شهاب عن أبي بكر قال لوفد بزاخة تتبعون أذناب الإبل حتى يري الله خليفة نبيه صلى الله عليه وسلم والمهاجرين أمرا يعذرونكم به.

আবূ বক্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বুযাখা প্রতিনিধিদলকে বলেছিলেন, যদ্দিন না আল্লাহ্‌ তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খলীফা ও মুহাজিরীনদের এমন একটা পথ দেখিয়ে দেন যাতে তারা তোমাদের ওযর গ্রহণ করেন, তদ্দিন পর্যন্ত তোমরা উটের লেজের পেছনেই লেগে থাকবে (অর্থাৎ যাযাবর জীবন যাপন করবে)। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২৮)

আবূ বক্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বুযাখা প্রতিনিধিদলকে বলেছিলেন, যদ্দিন না আল্লাহ্‌ তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খলীফা ও মুহাজিরীনদের এমন একটা পথ দেখিয়ে দেন যাতে তারা তোমাদের ওযর গ্রহণ করেন, তদ্দিন পর্যন্ত তোমরা উটের লেজের পেছনেই লেগে থাকবে (অর্থাৎ যাযাবর জীবন যাপন করবে)। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২৮)

مسدد حدثنا يحيى عن سفيان حدثني قيس بن مسلم عن طارق بن شهاب عن أبي بكر قال لوفد بزاخة تتبعون أذناب الإبل حتى يري الله خليفة نبيه صلى الله عليه وسلم والمهاجرين أمرا يعذرونكم به.


সহিহ বুখারী ৭২১৭

يحيى بن يحيى أخبرنا سليمان بن بلال عن يحيى بن سعيد سمعت القاسم بن محمد قال قالت عائشة وارأساه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ذاك لو كان وأنا حي فأستغفر لك وأدعو لك فقالت عائشة وا ثكلياه والله إني لأظنك تحب موتي ولو كان ذاك لظللت آخر يومك معرسا ببعض أزواجك فقال النبي صلى الله عليه وسلم بل أنا وارأساه لقد هممت أو أردت أن أرسل إلى أبي بكر وابنه فأعهد أن يقول القائلون أو يتمنى المتمنون ثم قلت يأبى الله ويدفع المؤمنون أو يدفع الله ويأبى المؤمنون.

কাসিম ইব্‌নু মুহাম্মদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) একদিন বললেন, হায়! আমার মাথা। (তা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি জীবিত থাকতে তা যদি ঘটে, তাহলে আমি তোমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করব এবং তোমার জন্য দু’আ করব। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, হায় সর্বনাশ! আল্লাহ্‌র শপথ! আমার মনে হয় আপনি আমার মৃত্যু পছন্দ করছেন। হ্যাঁ, যদি এমনটি হয়, তাহলে আপনি সেদিনের শেষে অন্য কোন স্ত্রীর সঙ্গে বাসর করবেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি বলছি আক্ষেপ আমার মাথা ব্যথা। অথচ আমি সংকল্প করছি কিংবা রাবী বলেছেন, ইচ্ছা করেছি যে, আবূ বক্‌র ও তাঁর পুত্রের নিকট লোক পাঠাব এবং (তাঁর খিলাফাতের) অসীয়্যাত করে যাব; যাতে এ ব্যাপারে কেউ কিছু বলতে না পারে। অথবা কোন আশা পোষণকারী এ ব্যাপারে কোনরূপ আশা করতে না পারে। পরে বললাম (আবূ বাক্‌রের বদলে অন্য কারো খলীফা হবার ব্যাপারটি) আল্লাহ্‌ অস্বীকার করবেন এবং মু’মিনরাও তা প্রত্যাখ্যান করবে। কিংবা বলেছিলেন, আল্লাহ্‌ প্রত্যাখ্যান করবেন এবং মু’মিনরা তা অস্বীকার করবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২৪)

কাসিম ইব্‌নু মুহাম্মদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আয়িশা (রাঃ) একদিন বললেন, হায়! আমার মাথা। (তা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি জীবিত থাকতে তা যদি ঘটে, তাহলে আমি তোমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করব এবং তোমার জন্য দু’আ করব। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, হায় সর্বনাশ! আল্লাহ্‌র শপথ! আমার মনে হয় আপনি আমার মৃত্যু পছন্দ করছেন। হ্যাঁ, যদি এমনটি হয়, তাহলে আপনি সেদিনের শেষে অন্য কোন স্ত্রীর সঙ্গে বাসর করবেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি বলছি আক্ষেপ আমার মাথা ব্যথা। অথচ আমি সংকল্প করছি কিংবা রাবী বলেছেন, ইচ্ছা করেছি যে, আবূ বক্‌র ও তাঁর পুত্রের নিকট লোক পাঠাব এবং (তাঁর খিলাফাতের) অসীয়্যাত করে যাব; যাতে এ ব্যাপারে কেউ কিছু বলতে না পারে। অথবা কোন আশা পোষণকারী এ ব্যাপারে কোনরূপ আশা করতে না পারে। পরে বললাম (আবূ বাক্‌রের বদলে অন্য কারো খলীফা হবার ব্যাপারটি) আল্লাহ্‌ অস্বীকার করবেন এবং মু’মিনরাও তা প্রত্যাখ্যান করবে। কিংবা বলেছিলেন, আল্লাহ্‌ প্রত্যাখ্যান করবেন এবং মু’মিনরা তা অস্বীকার করবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২৪)

يحيى بن يحيى أخبرنا سليمان بن بلال عن يحيى بن سعيد سمعت القاسم بن محمد قال قالت عائشة وارأساه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ذاك لو كان وأنا حي فأستغفر لك وأدعو لك فقالت عائشة وا ثكلياه والله إني لأظنك تحب موتي ولو كان ذاك لظللت آخر يومك معرسا ببعض أزواجك فقال النبي صلى الله عليه وسلم بل أنا وارأساه لقد هممت أو أردت أن أرسل إلى أبي بكر وابنه فأعهد أن يقول القائلون أو يتمنى المتمنون ثم قلت يأبى الله ويدفع المؤمنون أو يدفع الله ويأبى المؤمنون.


সহিহ বুখারী ৭২১৮

محمد بن يوسف أخبرنا سفيان عن هشام بن عروة عن أبيه عن عبد الله بن عمر قال قيل لعمر ألا تستخلف قال إن أستخلف فقد استخلف من هو خير مني أبو بكر وإن أترك فقد ترك من هو خير مني رسول الله صلى الله عليه وسلم فأثنوا عليه فقال راغب راهب وددت أني نجوت منها كفافا لا لي ولا علي لا أتحملها حيا ولا ميتا.

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমর (রাঃ) -কে বলা হল, আপনি কি (আপনার পরবর্তী) খলীফা মনোনীত করে যাবেন না? তিনি বললেনঃ যদি আমি খলীফা মনোনীত করি, তাহলে আমার চেয়ে যিনি শ্রেষ্ঠ ছিলেন তিনি খলীফা মনোনীত করে গিয়েছিলেন, অর্থাৎ আবূ বক্‌র। আর যদি মনোনীত না করি, তাহলে আমার চেয়ে যিনি শ্রেষ্ঠ ছিলেন তিনি খলীফা মনোনীত করে যাননি অর্থাৎ রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। এতে লোকেরা তাঁর প্রশংসা করল। তারপর তিনি বললেন, কেউ (এর) ব্যাপারে আকাঙ্ক্ষী আর কেউ ভীত। আর আমি পছন্দ করি আমি যেন এটা থেকে মুক্তি পাই সামনে সমান, আমার জন্য পুরস্কারও নাই, শাস্তিও নাই। আমি বেঁচে থাকতে কিংবা মৃত্যুর পরে এর (শাস্তির) বোঝা বহন করতে পারব না। [মুসলিম ৩৩/২, হাঃ ১৮২৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২৫)

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমর (রাঃ) -কে বলা হল, আপনি কি (আপনার পরবর্তী) খলীফা মনোনীত করে যাবেন না? তিনি বললেনঃ যদি আমি খলীফা মনোনীত করি, তাহলে আমার চেয়ে যিনি শ্রেষ্ঠ ছিলেন তিনি খলীফা মনোনীত করে গিয়েছিলেন, অর্থাৎ আবূ বক্‌র। আর যদি মনোনীত না করি, তাহলে আমার চেয়ে যিনি শ্রেষ্ঠ ছিলেন তিনি খলীফা মনোনীত করে যাননি অর্থাৎ রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। এতে লোকেরা তাঁর প্রশংসা করল। তারপর তিনি বললেন, কেউ (এর) ব্যাপারে আকাঙ্ক্ষী আর কেউ ভীত। আর আমি পছন্দ করি আমি যেন এটা থেকে মুক্তি পাই সামনে সমান, আমার জন্য পুরস্কারও নাই, শাস্তিও নাই। আমি বেঁচে থাকতে কিংবা মৃত্যুর পরে এর (শাস্তির) বোঝা বহন করতে পারব না। [মুসলিম ৩৩/২, হাঃ ১৮২৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২৫)

محمد بن يوسف أخبرنا سفيان عن هشام بن عروة عن أبيه عن عبد الله بن عمر قال قيل لعمر ألا تستخلف قال إن أستخلف فقد استخلف من هو خير مني أبو بكر وإن أترك فقد ترك من هو خير مني رسول الله صلى الله عليه وسلم فأثنوا عليه فقال راغب راهب وددت أني نجوت منها كفافا لا لي ولا علي لا أتحملها حيا ولا ميتا.


সহিহ বুখারী ৭২১৯

إبراهيم بن موسى أخبرنا هشام عن معمر عن الزهري أخبرني أنس بن مالك أنه سمع خطبة عمر الآخرة حين جلس على المنبر وذلك الغد من يوم توفي النبي صلى الله عليه وسلم فتشهد وأبو بكر صامت لا يتكلم قال كنت أرجو أن يعيش رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى يدبرنا يريد بذلك أن يكون آخرهم فإن يك محمد صلى الله عليه وسلم قد مات فإن الله تعالى قد جعل بين أظهركم نورا تهتدون به هدى الله محمدا صلى الله عليه وسلم وإن أبا بكر صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم ثاني اثنين فإنه أولى المسلمين بأموركم فقوموا فبايعوه وكانت طائفة منهم قد بايعوه قبل ذلك في سقيفة بني ساعدة وكانت بيعة العامة على المنبر قال الزهري عن أنس بن مالك سمعت عمر يقول لأبي بكر يومئذ اصعد المنبر فلم يزل به حتى صعد المنبر فبايعه الناس عامة.

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘উমর (রাঃ)-এর দ্বিতীয় ভাষণটি শুনেছেন- যা তিনি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকালের পরদিন মিম্বারে বসে দিয়েছিলেন। তিনি ভাষণ দিলেন, আর আবূ বকর (রাঃ) চুপ করে থাকলেন, কোন কথা বললেন না। তিনি বললেন, আমি আশা করছিলাম, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মধ্যে বেঁচে থাকবেন এবং আমাদের পিছনে যাবেন। এ থেকে তাঁর উদ্দেশ্য ছিল যে, তিনি সবার শেষে ইন্তিকাল করবেন। তবে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যদিও ইন্তিকাল করেছেন, তবে আল্লাহ্‌ তোমাদের মাঝে এমন এক নূর রেখেছেন, যা দ্বারা তোমরা হিদায়াত পাবে। আল্লাহ্‌ তা’আলা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে (এ নূর দিয়ে) হিদায়াত করেছিলেন। আর আবূ বকর (রাঃ) তাঁর সঙ্গী এবং দু’জনের দ্বিতীয় জন। তোমাদের এ দায়িত্ব বহন করার জন্য মুসলিমদের মধ্যে তিনিই সর্বোত্তম। সুতারাং তোমরা উঠ এবং তাঁর হাতে বায়’আত গ্রহণ কর। অবশ্য এক জামা’আত ইতোপূর্বে বনী সা‘ঈদা গোত্রের ছত্রছায়ায় তাঁর হাতে বায়’আত গ্রহণ করেছিল। আর সাধারণ বায়’আত হয়েছিল মিম্বারের উপর। যুহরী (রহঃ) আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, আমি সেদিন ‘উমর (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি যে, তিনি আবূ বকর (রাঃ) -কে বলছেন, মিম্বরে উঠুন। তিনি বারবার একথা বলতে থাকলে অবশেষে আবূ বকর (রাঃ) মিম্বরে উঠলেন। অতঃপর তাঁর কাছে সাধারণ লোকেরা সাধারণ বায়’আত নিল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২৬)

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘উমর (রাঃ)-এর দ্বিতীয় ভাষণটি শুনেছেন- যা তিনি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তিকালের পরদিন মিম্বারে বসে দিয়েছিলেন। তিনি ভাষণ দিলেন, আর আবূ বকর (রাঃ) চুপ করে থাকলেন, কোন কথা বললেন না। তিনি বললেন, আমি আশা করছিলাম, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মধ্যে বেঁচে থাকবেন এবং আমাদের পিছনে যাবেন। এ থেকে তাঁর উদ্দেশ্য ছিল যে, তিনি সবার শেষে ইন্তিকাল করবেন। তবে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যদিও ইন্তিকাল করেছেন, তবে আল্লাহ্‌ তোমাদের মাঝে এমন এক নূর রেখেছেন, যা দ্বারা তোমরা হিদায়াত পাবে। আল্লাহ্‌ তা’আলা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে (এ নূর দিয়ে) হিদায়াত করেছিলেন। আর আবূ বকর (রাঃ) তাঁর সঙ্গী এবং দু’জনের দ্বিতীয় জন। তোমাদের এ দায়িত্ব বহন করার জন্য মুসলিমদের মধ্যে তিনিই সর্বোত্তম। সুতারাং তোমরা উঠ এবং তাঁর হাতে বায়’আত গ্রহণ কর। অবশ্য এক জামা’আত ইতোপূর্বে বনী সা‘ঈদা গোত্রের ছত্রছায়ায় তাঁর হাতে বায়’আত গ্রহণ করেছিল। আর সাধারণ বায়’আত হয়েছিল মিম্বারের উপর। যুহরী (রহঃ) আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, আমি সেদিন ‘উমর (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি যে, তিনি আবূ বকর (রাঃ) -কে বলছেন, মিম্বরে উঠুন। তিনি বারবার একথা বলতে থাকলে অবশেষে আবূ বকর (রাঃ) মিম্বরে উঠলেন। অতঃপর তাঁর কাছে সাধারণ লোকেরা সাধারণ বায়’আত নিল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭২৬)

إبراهيم بن موسى أخبرنا هشام عن معمر عن الزهري أخبرني أنس بن مالك أنه سمع خطبة عمر الآخرة حين جلس على المنبر وذلك الغد من يوم توفي النبي صلى الله عليه وسلم فتشهد وأبو بكر صامت لا يتكلم قال كنت أرجو أن يعيش رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى يدبرنا يريد بذلك أن يكون آخرهم فإن يك محمد صلى الله عليه وسلم قد مات فإن الله تعالى قد جعل بين أظهركم نورا تهتدون به هدى الله محمدا صلى الله عليه وسلم وإن أبا بكر صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم ثاني اثنين فإنه أولى المسلمين بأموركم فقوموا فبايعوه وكانت طائفة منهم قد بايعوه قبل ذلك في سقيفة بني ساعدة وكانت بيعة العامة على المنبر قال الزهري عن أنس بن مالك سمعت عمر يقول لأبي بكر يومئذ اصعد المنبر فلم يزل به حتى صعد المنبر فبايعه الناس عامة.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00