সহিহ বুখারী > শাসনকর্তা (কর্তৃক) কর্মচারীদের জবাবদিহি নেয়া।

সহিহ বুখারী ৭১৯৭

محمد أخبرنا عبدة حدثنا هشام بن عروة عن أبيه عن أبي حميد الساعدي أن النبي صلى الله عليه وسلم استعمل ابن الأتبية على صدقات بني سليم فلما جاء إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وحاسبه قال هذا الذي لكم وهذه هدية أهديت لي فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم فهلا جلست في بيت أبيك وبيت أمك حتى تأتيك هديتك إن كنت صادقا ثم قام رسول الله صلى الله عليه وسلم فخطب الناس وحمد الله وأثنى عليه ثم قال أما بعد فإني أستعمل رجالا منكم على أمور مما ولاني الله فيأتي أحدكم فيقول هذا لكم وهذه هدية أهديت لي فهلا جلس في بيت أبيه وبيت أمه حتى تأتيه هديته إن كان صادقا فوالله لا يأخذ أحدكم منها شيئا قال هشام بغير حقه إلا جاء الله يحمله يوم القيامة ألا فلأعرفن ما جاء الله رجل ببعير له رغاء أو ببقرة لها خوار أو شاة تيعر ثم رفع يديه حتى رأيت بياض إبطيه ألا هل بلغت.

আবূ হুমায়দ সা’ঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইবনু লুতাবিয়্যাকে বানী সুলায়ম-এর সদাকাহ সংগ্রহের জন্য নিযুক্ত করলেন। যখন সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ফিরে আসল এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কাছে হিসেব চাইলেন, তখন সে বলল, এগুলো আপনাদের আর এগুলো হাদিয়া যা আমাকে হাদিয়া দেয়া হয়েছে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি সত্যবাদী হলে তোমার হাদিয়া তোমার কাছে না আসা পর্যন্ত তুমি তোমার বাবার ঘরে ও মায়ের ঘরে বসে থাকলে না কেন, এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে দাঁড়ালেন এবং লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। তিনি আল্লাহ্‌র প্রশংসা ও গুণগান করলেন। তারপর বললেনঃ অতঃপর আল্লাহ্‌ তা’আলা আমার উপর যেসব দায়িত্ব ন্যস্ত করেছেন তা থেকে কিছু কাজের জন্য তোমাদের কতক লোককে নিযুক্ত করে থাকি। তাদের কেউ এসে বলে এগুলো আপনাদের, আর এগুলো হাদিয়া যা আমাকে হাদিয়া দেয়া হয়েছে। সে সত্যবাদী হলে সে তার বাবার ঘরে ও মায়ের ঘরে কেন বসে থাকল না, যাতে তার হাদিয়া তার নিকট আসে? আল্লাহ্‌র শপথ! তোমাদের কেউ যেন তা থেকে অন্যায়ভাবে কিছু গ্রহণ না করে। তা না হলে সে ক্বিয়ামাতের দিন তা বহন করে আল্লাহ্‌র নিকট আসবে। সাবধান! আমি অবশ্যই চিনতে পারব যা নিয়ে আল্লাহ্‌র নিকট হাজির হবে। এক ব্যক্তি উট নিয়ে আসবে যা চেঁচাতে থাকবে অথবা গরু নিয়ে আসবে যে গরুটি হাম্বা হাম্বা করতে থাকবে, অথবা বক্‌রী নিয়ে আসবে, যে বক্‌রী ভ্যা ভ্যা করতে থাকবে। অতঃপর তিনি হাত দু’খানা উপরের দিকে এতটুকু উঠালেন যে, আমি তার বগলের শুভ্র উজ্জ্বলতা দেখতে পেলাম। এবং বললেন, শোন! আমি কি (আল্লাহ্‌র বিধান তোমাদের নিকট) পৌঁছিয়েছি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭০৫)

আবূ হুমায়দ সা’ঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইবনু লুতাবিয়্যাকে বানী সুলায়ম-এর সদাকাহ সংগ্রহের জন্য নিযুক্ত করলেন। যখন সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে ফিরে আসল এবং রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কাছে হিসেব চাইলেন, তখন সে বলল, এগুলো আপনাদের আর এগুলো হাদিয়া যা আমাকে হাদিয়া দেয়া হয়েছে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি সত্যবাদী হলে তোমার হাদিয়া তোমার কাছে না আসা পর্যন্ত তুমি তোমার বাবার ঘরে ও মায়ের ঘরে বসে থাকলে না কেন, এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে দাঁড়ালেন এবং লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। তিনি আল্লাহ্‌র প্রশংসা ও গুণগান করলেন। তারপর বললেনঃ অতঃপর আল্লাহ্‌ তা’আলা আমার উপর যেসব দায়িত্ব ন্যস্ত করেছেন তা থেকে কিছু কাজের জন্য তোমাদের কতক লোককে নিযুক্ত করে থাকি। তাদের কেউ এসে বলে এগুলো আপনাদের, আর এগুলো হাদিয়া যা আমাকে হাদিয়া দেয়া হয়েছে। সে সত্যবাদী হলে সে তার বাবার ঘরে ও মায়ের ঘরে কেন বসে থাকল না, যাতে তার হাদিয়া তার নিকট আসে? আল্লাহ্‌র শপথ! তোমাদের কেউ যেন তা থেকে অন্যায়ভাবে কিছু গ্রহণ না করে। তা না হলে সে ক্বিয়ামাতের দিন তা বহন করে আল্লাহ্‌র নিকট আসবে। সাবধান! আমি অবশ্যই চিনতে পারব যা নিয়ে আল্লাহ্‌র নিকট হাজির হবে। এক ব্যক্তি উট নিয়ে আসবে যা চেঁচাতে থাকবে অথবা গরু নিয়ে আসবে যে গরুটি হাম্বা হাম্বা করতে থাকবে, অথবা বক্‌রী নিয়ে আসবে, যে বক্‌রী ভ্যা ভ্যা করতে থাকবে। অতঃপর তিনি হাত দু’খানা উপরের দিকে এতটুকু উঠালেন যে, আমি তার বগলের শুভ্র উজ্জ্বলতা দেখতে পেলাম। এবং বললেন, শোন! আমি কি (আল্লাহ্‌র বিধান তোমাদের নিকট) পৌঁছিয়েছি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭০৫)

محمد أخبرنا عبدة حدثنا هشام بن عروة عن أبيه عن أبي حميد الساعدي أن النبي صلى الله عليه وسلم استعمل ابن الأتبية على صدقات بني سليم فلما جاء إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وحاسبه قال هذا الذي لكم وهذه هدية أهديت لي فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم فهلا جلست في بيت أبيك وبيت أمك حتى تأتيك هديتك إن كنت صادقا ثم قام رسول الله صلى الله عليه وسلم فخطب الناس وحمد الله وأثنى عليه ثم قال أما بعد فإني أستعمل رجالا منكم على أمور مما ولاني الله فيأتي أحدكم فيقول هذا لكم وهذه هدية أهديت لي فهلا جلس في بيت أبيه وبيت أمه حتى تأتيه هديته إن كان صادقا فوالله لا يأخذ أحدكم منها شيئا قال هشام بغير حقه إلا جاء الله يحمله يوم القيامة ألا فلأعرفن ما جاء الله رجل ببعير له رغاء أو ببقرة لها خوار أو شاة تيعر ثم رفع يديه حتى رأيت بياض إبطيه ألا هل بلغت.


সহিহ বুখারী > রাষ্ট্র শাসকের অতি ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি ও পরামর্শদাতা।

সহিহ বুখারী ৭১৯৮

أصبغ أخبرنا ابن وهب أخبرني يونس عن ابن شهاب عن أبي سلمة عن أبي سعيد الخدري عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ما بعث الله من نبي ولا استخلف من خليفة إلا كانت له بطانتان بطانة تأمره بالمعروف وتحضه عليه وبطانة تأمره بالشر وتحضه عليه فالمعصوم من عصم الله تعالى وقال سليمان عن يحيى أخبرني ابن شهاب بهذا وعن ابن أبي عتيق وموسى عن ابن شهاب مثله وقال شعيب عن الزهري حدثني أبو سلمة عن أبي سعيد قوله وقال الأوزاعي ومعاوية بن سلام حدثني الزهري حدثني أبو سلمة عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم وقال ابن أبي حسين وسعيد بن زياد عن أبي سلمة عن أبي سعيد قوله وقال عبيد الله بن أبي جعفر حدثني صفوان عن أبي سلمة عن أبي أيوب قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم.

আবূ সা’ঈদ খুদ্‌রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ সা’ঈদ খুদ্‌রী (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আল্লাহ্‌ যাকেই নবী হিসাবে পাঠান এবং যাকেই খলীফা নিযুক্ত করেন, তার জন্য দু’জন করে ঘনিষ্ঠ জন থাকে। এক ঘনিষ্ঠ জন তাকে ভাল কাজের আদেশ দেয় এবং তাকে তার প্রতি উৎসাহিত করে। আর এক ঘনিষ্ঠ জন তাকে মন্দ কাজের আদেশ দেয় এবং তার প্রতি উৎসাহিত করে। কাজেই নিষ্পাপ ঐ ব্যক্তিই যাকে আল্লাহ্‌ তা’আলা রক্ষা করেন। সুলায়মান ইব্‌নু শিহাব থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেন এবং ইব্‌নু আবূ আতীক ও মূসার সূত্রে ইব্‌নু শিহাব থেকে এরকমই একটি হাদীস বর্ণনা করেন। তাছাড়া শু’আয়ব (রহঃ) ও আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেন। আওযায়ী ও মু’আবিয়াহ ইব্‌নু সাল্লাম (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেন। ইব্‌নু আবূ হুসাইন ও সা’ঈদ ইব্‌নু যিয়াদ (রহঃ)-ও আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ‘উবাইদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আবূ জা’ফর (রহঃ) সূত্রে আইউব (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন যে, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শুনেছি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭০৬)

আবূ সা’ঈদ খুদ্‌রী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ সা’ঈদ খুদ্‌রী (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আল্লাহ্‌ যাকেই নবী হিসাবে পাঠান এবং যাকেই খলীফা নিযুক্ত করেন, তার জন্য দু’জন করে ঘনিষ্ঠ জন থাকে। এক ঘনিষ্ঠ জন তাকে ভাল কাজের আদেশ দেয় এবং তাকে তার প্রতি উৎসাহিত করে। আর এক ঘনিষ্ঠ জন তাকে মন্দ কাজের আদেশ দেয় এবং তার প্রতি উৎসাহিত করে। কাজেই নিষ্পাপ ঐ ব্যক্তিই যাকে আল্লাহ্‌ তা’আলা রক্ষা করেন। সুলায়মান ইব্‌নু শিহাব থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেন এবং ইব্‌নু আবূ আতীক ও মূসার সূত্রে ইব্‌নু শিহাব থেকে এরকমই একটি হাদীস বর্ণনা করেন। তাছাড়া শু’আয়ব (রহঃ) ও আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেন। আওযায়ী ও মু’আবিয়াহ ইব্‌নু সাল্লাম (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেন। ইব্‌নু আবূ হুসাইন ও সা’ঈদ ইব্‌নু যিয়াদ (রহঃ)-ও আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ‘উবাইদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু আবূ জা’ফর (রহঃ) সূত্রে আইউব (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন যে, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শুনেছি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭০৬)

أصبغ أخبرنا ابن وهب أخبرني يونس عن ابن شهاب عن أبي سلمة عن أبي سعيد الخدري عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ما بعث الله من نبي ولا استخلف من خليفة إلا كانت له بطانتان بطانة تأمره بالمعروف وتحضه عليه وبطانة تأمره بالشر وتحضه عليه فالمعصوم من عصم الله تعالى وقال سليمان عن يحيى أخبرني ابن شهاب بهذا وعن ابن أبي عتيق وموسى عن ابن شهاب مثله وقال شعيب عن الزهري حدثني أبو سلمة عن أبي سعيد قوله وقال الأوزاعي ومعاوية بن سلام حدثني الزهري حدثني أبو سلمة عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم وقال ابن أبي حسين وسعيد بن زياد عن أبي سلمة عن أبي سعيد قوله وقال عبيد الله بن أبي جعفر حدثني صفوان عن أبي سلمة عن أبي أيوب قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم.


সহিহ বুখারী > রাষ্ট্রের প্রধান কিভাবে জনগণের নিকট হতে বায়’আত গ্রহণ করবেন।

সহিহ বুখারী ৭১৯৯

إسماعيل حدثني مالك عن يحيى بن سعيد قال أخبرني عبادة بن الوليد أخبرني أبي عن عبادة بن الصامت قال بايعنا رسول الله صلى الله عليه وسلم على السمع والطاعة في المنشط والمكره.

উবাদাহ ইব্‌নু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ মর্মে বায়’আত করলাম যে, সুখে দুঃখে আমরা তাঁর কথা শুনব ও তাকে মেনে চলব। দায়িত্বশীলদের নির্দেশের ক্ষেত্রে মতভেদে লিপ্ত হব না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭০৭ )

উবাদাহ ইব্‌নু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ মর্মে বায়’আত করলাম যে, সুখে দুঃখে আমরা তাঁর কথা শুনব ও তাকে মেনে চলব। দায়িত্বশীলদের নির্দেশের ক্ষেত্রে মতভেদে লিপ্ত হব না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭০৭ )

إسماعيل حدثني مالك عن يحيى بن سعيد قال أخبرني عبادة بن الوليد أخبرني أبي عن عبادة بن الصامت قال بايعنا رسول الله صلى الله عليه وسلم على السمع والطاعة في المنشط والمكره.


সহিহ বুখারী ৭২০০

وأن لا ننازع الأمر أهله وأن نقوم أو نقول بالحق حيثما كنا لا نخاف في الله لومة لائم.

উবাদাহ ইব্‌নু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যেখানেই থাকি না কেন সত্যের উপর দৃঢ় থাকব কিংবা বলেছিলেন, সত্য কথা বলব এবং আল্লাহ্‌র কাজে কোন নিন্দুকের নিন্দার ভয় করব না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭০৭ )

উবাদাহ ইব্‌নু সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যেখানেই থাকি না কেন সত্যের উপর দৃঢ় থাকব কিংবা বলেছিলেন, সত্য কথা বলব এবং আল্লাহ্‌র কাজে কোন নিন্দুকের নিন্দার ভয় করব না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭০৭ )

وأن لا ننازع الأمر أهله وأن نقوم أو نقول بالحق حيثما كنا لا نخاف في الله لومة لائم.


সহিহ বুখারী ৭২০১

عمرو بن علي حدثنا خالد بن الحارث حدثنا حميد عن أنس خرج النبي صلى الله عليه وسلم في غداة باردة والمهاجرون والأنصار يحفرون الخندق فقال : اللهم إن الخير خير الآخره فاغفر للأنصار والمهاجره فأجابوا نحن الذين بايعوا محمدا على الجهاد ما بقينا أبدا.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শীতের এক সকালে বের হলেন। মুহাজির ও আনসাররা তখন খন্দক খনন করছিল। তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ্‌! আখিরাতের কল্যাণই সত্যিকারের কল্যাণ, অতএব তুমি আনসার ও মুহাজিরদের ক্ষমা করে দাও। এর জবাবে তারা বলল, আমরা তারাই যারা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হাতে বায়’আত করেছে মৃত্যু অবধি জিহাদ করার জন্য।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭০৮)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শীতের এক সকালে বের হলেন। মুহাজির ও আনসাররা তখন খন্দক খনন করছিল। তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ্‌! আখিরাতের কল্যাণই সত্যিকারের কল্যাণ, অতএব তুমি আনসার ও মুহাজিরদের ক্ষমা করে দাও। এর জবাবে তারা বলল, আমরা তারাই যারা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হাতে বায়’আত করেছে মৃত্যু অবধি জিহাদ করার জন্য।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭০৮)

عمرو بن علي حدثنا خالد بن الحارث حدثنا حميد عن أنس خرج النبي صلى الله عليه وسلم في غداة باردة والمهاجرون والأنصار يحفرون الخندق فقال : اللهم إن الخير خير الآخره فاغفر للأنصار والمهاجره فأجابوا نحن الذين بايعوا محمدا على الجهاد ما بقينا أبدا.


সহিহ বুখারী ৭২০২

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر قال كنا إذا بايعنا رسول الله صلى الله عليه وسلم على السمع والطاعة يقول لنا فيما استطعتم

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে তাঁর কথা শোনার ও তাঁকে মান্য করার জন্য বায়’আত নিতাম তখন তিনি আমাদের বলতেনঃ যতটা তোমরা করতে সক্ষম হও।[মুসলিম ৩৩/২২, হাঃ ১৮৬৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭০৯)

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে তাঁর কথা শোনার ও তাঁকে মান্য করার জন্য বায়’আত নিতাম তখন তিনি আমাদের বলতেনঃ যতটা তোমরা করতে সক্ষম হও।[মুসলিম ৩৩/২২, হাঃ ১৮৬৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭০৯)

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر قال كنا إذا بايعنا رسول الله صلى الله عليه وسلم على السمع والطاعة يقول لنا فيما استطعتم


সহিহ বুখারী ৭২০৩

مسدد حدثنا يحيى عن سفيان حدثنا عبد الله بن دينار قال شهدت ابن عمر حيث اجتمع الناس على عبد الملك قال كتب إني أقر بالسمع والطاعة لعبد الله عبد الملك أمير المؤمنين على سنة الله وسنة رسوله ما استطعت وإن بني قد أقروا بمثل ذلك.

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু দীনার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, লোকেরা যখন ‘আবদুল মালিকের খিলাফাতের বিষয়ে একমত হল, তখন আমি ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) এর কাছে হাজির ছিলাম। তিনি পত্র লিখলেন যে, আমি আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সুন্নাত অনুসারে আল্লাহ্‌র বান্দা, আমীরুল মু’মিনীন ‘আবদুল মালিকের কথা যথাসাধ্য শোনার ও মেনে চলার অঙ্গীকার করছি। আমার ছেলেরাও তেমনি অঙ্গীকার করছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭১০)

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু দীনার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, লোকেরা যখন ‘আবদুল মালিকের খিলাফাতের বিষয়ে একমত হল, তখন আমি ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) এর কাছে হাজির ছিলাম। তিনি পত্র লিখলেন যে, আমি আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সুন্নাত অনুসারে আল্লাহ্‌র বান্দা, আমীরুল মু’মিনীন ‘আবদুল মালিকের কথা যথাসাধ্য শোনার ও মেনে চলার অঙ্গীকার করছি। আমার ছেলেরাও তেমনি অঙ্গীকার করছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭১০)

مسدد حدثنا يحيى عن سفيان حدثنا عبد الله بن دينار قال شهدت ابن عمر حيث اجتمع الناس على عبد الملك قال كتب إني أقر بالسمع والطاعة لعبد الله عبد الملك أمير المؤمنين على سنة الله وسنة رسوله ما استطعت وإن بني قد أقروا بمثل ذلك.


সহিহ বুখারী ৭২০৪

يعقوب بن إبراهيم حدثنا هشيم أخبرنا سيار عن الشعبي عن جرير بن عبد الله قال بايعت النبي صلى الله عليه وسلم على السمع والطاعة فلقنني فيما استطعت والنصح لكل مسلم.

জারীর ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তাঁর কথা শোনার, তাঁকে মান্য করার ও সকল মুসলিমের জন্য কল্যাণ কামনার বিষয়ে বায়’য়াত করলাম। তিনি আমাকে এ কথা বলতে শিখিয়ে দিলেন যে, যতটা করতে আমি সক্ষম হই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭১১)

জারীর ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট তাঁর কথা শোনার, তাঁকে মান্য করার ও সকল মুসলিমের জন্য কল্যাণ কামনার বিষয়ে বায়’য়াত করলাম। তিনি আমাকে এ কথা বলতে শিখিয়ে দিলেন যে, যতটা করতে আমি সক্ষম হই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭১১)

يعقوب بن إبراهيم حدثنا هشيم أخبرنا سيار عن الشعبي عن جرير بن عبد الله قال بايعت النبي صلى الله عليه وسلم على السمع والطاعة فلقنني فيما استطعت والنصح لكل مسلم.


সহিহ বুখারী ৭২০৫

عمرو بن علي حدثنا يحيى عن سفيان قال حدثني عبد الله بن دينار قال لما بايع الناس عبد الملك كتب إليه عبد الله بن عمر إلى عبد الله عبد الملك أمير المؤمنين إني أقر بالسمع والطاعة لعبد الله عبد الملك أمير المؤمنين على سنة الله وسنة رسوله فيما استطعت وإن بني قد أقروا بذلك.

আবদুল্লাহ ইব্‌নু দীনার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন লোকেরা ‘আবদুল মালিকের নিকট বায়’আত নিল, তখন ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) তার কাছে চিঠি লিখলেন- আল্লাহ্‌র বান্দা, মু’মিনদের নেতা আবদুল মালিকের প্রতি, আমি আমার সাধ্য মোতাবেক আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সুন্নাত অনুযায়ী তাঁর কথা শোনা ও তাকে মেনে চলার অঙ্গীকার করছি আর আমার ছেলেরাও তেমনি অঙ্গীকার করছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭১২)

আবদুল্লাহ ইব্‌নু দীনার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন লোকেরা ‘আবদুল মালিকের নিকট বায়’আত নিল, তখন ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) তার কাছে চিঠি লিখলেন- আল্লাহ্‌র বান্দা, মু’মিনদের নেতা আবদুল মালিকের প্রতি, আমি আমার সাধ্য মোতাবেক আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সুন্নাত অনুযায়ী তাঁর কথা শোনা ও তাকে মেনে চলার অঙ্গীকার করছি আর আমার ছেলেরাও তেমনি অঙ্গীকার করছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭১২)

عمرو بن علي حدثنا يحيى عن سفيان قال حدثني عبد الله بن دينار قال لما بايع الناس عبد الملك كتب إليه عبد الله بن عمر إلى عبد الله عبد الملك أمير المؤمنين إني أقر بالسمع والطاعة لعبد الله عبد الملك أمير المؤمنين على سنة الله وسنة رسوله فيما استطعت وإن بني قد أقروا بذلك.


সহিহ বুখারী ৭২০৬

عبد الله بن مسلمة حدثنا حاتم عن يزيد بن أبي عبيد قال قلت لسلمة على أي شيء بايعتم النبي صلى الله عليه وسلم يوم الحديبية قال على الموت.

ইয়াযীদ ইব্‌নু আবূ ‘উবায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সালামাকে জিজ্ঞেস করলাম, হুদাইবিয়াহ্‌র দিন আপনারা কোন বিষয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে বায়’আত করেছিলেন? তিনি বললেন, মৃত্যুর উপর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭১৩)

ইয়াযীদ ইব্‌নু আবূ ‘উবায়দ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সালামাকে জিজ্ঞেস করলাম, হুদাইবিয়াহ্‌র দিন আপনারা কোন বিষয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে বায়’আত করেছিলেন? তিনি বললেন, মৃত্যুর উপর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭১৩)

عبد الله بن مسلمة حدثنا حاتم عن يزيد بن أبي عبيد قال قلت لسلمة على أي شيء بايعتم النبي صلى الله عليه وسلم يوم الحديبية قال على الموت.


সহিহ বুখারী ৭২০৭

عبد الله بن محمد بن أسماء حدثنا جويرية عن مالك عن الزهري أن حميد بن عبد الرحمن أخبره أن المسور بن مخرمة أخبره أن الرهط الذين ولاهم عمر اجتمعوا فتشاوروا فقال لهم عبد الرحمن لست بالذي أنافسكم على هذا الأمر ولكنكم إن شئتم اخترت لكم منكم فجعلوا ذلك إلى عبد الرحمن فلما ولوا عبد الرحمن أمرهم فمال الناس على عبد الرحمن حتى ما أرى أحدا من الناس يتبع أولئك الرهط ولا يطأ عقبه ومال الناس على عبد الرحمن يشاورونه تلك الليالي حتى إذا كانت الليلة التي أصبحنا منها فبايعنا عثمان قال المسور طرقني عبد الرحمن بعد هجع من الليل فضرب الباب حتى استيقظت فقال أراك نائما فوالله ما اكتحلت هذه الليلة بكبير نوم انطلق فادع الزبير وسعدا فدعوتهما له فشاورهما ثم دعاني فقال ادع لي عليا فدعوته فناجاه حتى ابهار الليل ثم قام علي من عنده وهو على طمع وقد كان عبد الرحمن يخشى من علي شيئا ثم قال ادع لي عثمان فدعوته فناجاه حتى فرق بينهما المؤذن بالصبح فلما صلى للناس الصبح واجتمع أولئك الرهط عند المنبر فأرسل إلى من كان حاضرا من المهاجرين والأنصار وأرسل إلى أمراء الأجناد وكانوا وافوا تلك الحجة مع عمر فلما اجتمعوا تشهد عبد الرحمن ثم قال أما بعد يا علي إني قد نظرت في أمر الناس فلم أرهم يعدلون بعثمان فلا تجعلن على نفسك سبيلا فقال أبايعك على سنة الله ورسوله والخليفتين من بعده فبايعه عبد الرحمن وبايعه الناس المهاجرون والأنصار وأمراء الأجناد والمسلمون.

মিসওয়ার ইব্‌নু মাখরামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমর (রাঃ) যে দলটিকে খলীফা নির্বাচনের দায়িত্ব দিয়েছিলেন, তাঁরা সমবেত হয়ে নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করলেন। ‘আবদুর রহমান (রাঃ) তাঁদেরকে বললেন, আমি তো এমন লোক নই যে এ ব্যাপারে (নির্বাচিত হওয়ার) আশা করব। কিন্তু আপনারা যদি ইচ্ছে করেন তবে আপনাদের থেকে একজনকে আমি নির্বাচিত করে দিতে পারি। তাঁরা একমত হয়ে ‘আবদুর রহমানের উপর দায়িত্ব দিলেন। যখন তাঁরা ‘আবদুর রহমানের উপর দায়িত্ব দিলেন, তখন সকল লোক ‘আবদুর রহমানের প্রতি ঝুঁকে পড়ল। এমনকি আমি একজনকেও সেই দলের অনুসরণ করতে কিংবা তাঁদের পিছনে যেতে দেখলাম না। লোকেরা ‘আবদুর রহমানের প্রতিই ঝুঁকে পড়ল এবং কয়েক রাত তাঁর সঙ্গে পরামর্শ করতে থাকল। শেষে সেই রাত এল, যে রাতের শেষে আমরা ‘উসমান (রাঃ)-এর হাতে বায়’আত করলাম। মিসওয়ার (রাঃ) বলেন, রাতের একাংশ অতিবাহিত হবার পর ‘আরদুর রহমান (রাঃ) আমার কাছে আসলেন এবং দরজায় খটখট করলেন। ফলে আমি জেগে গেলাম। তিনি বললেন, তোমাকে ঘুমন্ত দেখছি। আল্লাহ্‌র কসম! আমি এ তিন রাতের মাঝে বেশি ঘুমাতে পারিনি। যাও, যুবায়র ও সাদকে ডেকে আন। আমি তাঁদেরকে তার কাছে ডেকে আনলাম। তিনি তাঁদের দু’জনের সঙ্গে পরামর্শ করলেন। তারপর আমাকে আবার ডেকে বললেন, ‘আলীকে আমার কাছে ডেকে আন। আমি তাঁকে ডেকে আনলাম। তিনি তাঁর সঙ্গে অর্ধরাত্রি পর্যন্ত গোপন পরামর্শ করলেন। তারপর ‘আলী (রাঃ) তাঁর নিকট হতে উঠে গেলেন। তবে তিনি আশায় ছিলেন। আর ‘আবদুর রহমান (রাঃ) ‘আলী (রাঃ) থেকে কিছু (বিরোধিতার) আশঙ্কা করছিলেন। তারপর তিনি বললেন, ‘উসমানকে আমার কাছে ডেকে আন। তিনি তাঁর সঙ্গে গোপনে পরামর্শ করলেন। ফজরের সময় মুআযযিন (এর আযান) তাদের দু’জনকে পৃথক করল। লোকেরা যখন ফজরের সালাত পড়ল এবং সেই দলটি মিম্বরের নিকট জমায়েত হলো তখন তিনি মুহাজির ও আনসারদের যারা হাজির ছিলেন তাঁদেরকে ডেকে আনতে পাঠালেন এবং সেনা প্রধানদেরকেও ডেকে আনতে পাঠালেন এবং এরা সবাই উমরের সঙ্গে গত হাজ্জে অংশগ্রহণ করেছিলেন। যখন সকলে এসে জমায়েত হন, তখন ‘আবদুর রহমান (রাঃ) ভাষণ আরম্ভ করলেন। তারপর বলেন, হে ‘আলী! আমি জনমত যাচাই করেছি, তারা ‘উসমানের সমকক্ষ কাউকে মনে করে না। কাজেই তুমি অবশ্যই অন্য পথ ধরো না। তখন তিনি [‘উসমান (রাঃ) -কে সম্বোধন করে] বললেন, আমি আল্লাহ্‌র, তাঁর রসূলের ও তাঁর পরবর্তী উভয় খালীফার আদেশ অনুযায়ী আপনার নিকট বায়’আত করছি। অতঃপর ‘আবদুর রহমান (রাঃ) তাঁর কাছে বায়’আত করলেন। অতঃপর মুহাজির, আনসার, সেনাপ্রধান এবং সাধারণ মুসলিম তাঁর কাছে বায়’আত করলে। (১৮১) (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭১৪)

মিসওয়ার ইব্‌নু মাখরামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উমর (রাঃ) যে দলটিকে খলীফা নির্বাচনের দায়িত্ব দিয়েছিলেন, তাঁরা সমবেত হয়ে নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করলেন। ‘আবদুর রহমান (রাঃ) তাঁদেরকে বললেন, আমি তো এমন লোক নই যে এ ব্যাপারে (নির্বাচিত হওয়ার) আশা করব। কিন্তু আপনারা যদি ইচ্ছে করেন তবে আপনাদের থেকে একজনকে আমি নির্বাচিত করে দিতে পারি। তাঁরা একমত হয়ে ‘আবদুর রহমানের উপর দায়িত্ব দিলেন। যখন তাঁরা ‘আবদুর রহমানের উপর দায়িত্ব দিলেন, তখন সকল লোক ‘আবদুর রহমানের প্রতি ঝুঁকে পড়ল। এমনকি আমি একজনকেও সেই দলের অনুসরণ করতে কিংবা তাঁদের পিছনে যেতে দেখলাম না। লোকেরা ‘আবদুর রহমানের প্রতিই ঝুঁকে পড়ল এবং কয়েক রাত তাঁর সঙ্গে পরামর্শ করতে থাকল। শেষে সেই রাত এল, যে রাতের শেষে আমরা ‘উসমান (রাঃ)-এর হাতে বায়’আত করলাম। মিসওয়ার (রাঃ) বলেন, রাতের একাংশ অতিবাহিত হবার পর ‘আরদুর রহমান (রাঃ) আমার কাছে আসলেন এবং দরজায় খটখট করলেন। ফলে আমি জেগে গেলাম। তিনি বললেন, তোমাকে ঘুমন্ত দেখছি। আল্লাহ্‌র কসম! আমি এ তিন রাতের মাঝে বেশি ঘুমাতে পারিনি। যাও, যুবায়র ও সাদকে ডেকে আন। আমি তাঁদেরকে তার কাছে ডেকে আনলাম। তিনি তাঁদের দু’জনের সঙ্গে পরামর্শ করলেন। তারপর আমাকে আবার ডেকে বললেন, ‘আলীকে আমার কাছে ডেকে আন। আমি তাঁকে ডেকে আনলাম। তিনি তাঁর সঙ্গে অর্ধরাত্রি পর্যন্ত গোপন পরামর্শ করলেন। তারপর ‘আলী (রাঃ) তাঁর নিকট হতে উঠে গেলেন। তবে তিনি আশায় ছিলেন। আর ‘আবদুর রহমান (রাঃ) ‘আলী (রাঃ) থেকে কিছু (বিরোধিতার) আশঙ্কা করছিলেন। তারপর তিনি বললেন, ‘উসমানকে আমার কাছে ডেকে আন। তিনি তাঁর সঙ্গে গোপনে পরামর্শ করলেন। ফজরের সময় মুআযযিন (এর আযান) তাদের দু’জনকে পৃথক করল। লোকেরা যখন ফজরের সালাত পড়ল এবং সেই দলটি মিম্বরের নিকট জমায়েত হলো তখন তিনি মুহাজির ও আনসারদের যারা হাজির ছিলেন তাঁদেরকে ডেকে আনতে পাঠালেন এবং সেনা প্রধানদেরকেও ডেকে আনতে পাঠালেন এবং এরা সবাই উমরের সঙ্গে গত হাজ্জে অংশগ্রহণ করেছিলেন। যখন সকলে এসে জমায়েত হন, তখন ‘আবদুর রহমান (রাঃ) ভাষণ আরম্ভ করলেন। তারপর বলেন, হে ‘আলী! আমি জনমত যাচাই করেছি, তারা ‘উসমানের সমকক্ষ কাউকে মনে করে না। কাজেই তুমি অবশ্যই অন্য পথ ধরো না। তখন তিনি [‘উসমান (রাঃ) -কে সম্বোধন করে] বললেন, আমি আল্লাহ্‌র, তাঁর রসূলের ও তাঁর পরবর্তী উভয় খালীফার আদেশ অনুযায়ী আপনার নিকট বায়’আত করছি। অতঃপর ‘আবদুর রহমান (রাঃ) তাঁর কাছে বায়’আত করলেন। অতঃপর মুহাজির, আনসার, সেনাপ্রধান এবং সাধারণ মুসলিম তাঁর কাছে বায়’আত করলে। (১৮১) (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭১৪)

عبد الله بن محمد بن أسماء حدثنا جويرية عن مالك عن الزهري أن حميد بن عبد الرحمن أخبره أن المسور بن مخرمة أخبره أن الرهط الذين ولاهم عمر اجتمعوا فتشاوروا فقال لهم عبد الرحمن لست بالذي أنافسكم على هذا الأمر ولكنكم إن شئتم اخترت لكم منكم فجعلوا ذلك إلى عبد الرحمن فلما ولوا عبد الرحمن أمرهم فمال الناس على عبد الرحمن حتى ما أرى أحدا من الناس يتبع أولئك الرهط ولا يطأ عقبه ومال الناس على عبد الرحمن يشاورونه تلك الليالي حتى إذا كانت الليلة التي أصبحنا منها فبايعنا عثمان قال المسور طرقني عبد الرحمن بعد هجع من الليل فضرب الباب حتى استيقظت فقال أراك نائما فوالله ما اكتحلت هذه الليلة بكبير نوم انطلق فادع الزبير وسعدا فدعوتهما له فشاورهما ثم دعاني فقال ادع لي عليا فدعوته فناجاه حتى ابهار الليل ثم قام علي من عنده وهو على طمع وقد كان عبد الرحمن يخشى من علي شيئا ثم قال ادع لي عثمان فدعوته فناجاه حتى فرق بينهما المؤذن بالصبح فلما صلى للناس الصبح واجتمع أولئك الرهط عند المنبر فأرسل إلى من كان حاضرا من المهاجرين والأنصار وأرسل إلى أمراء الأجناد وكانوا وافوا تلك الحجة مع عمر فلما اجتمعوا تشهد عبد الرحمن ثم قال أما بعد يا علي إني قد نظرت في أمر الناس فلم أرهم يعدلون بعثمان فلا تجعلن على نفسك سبيلا فقال أبايعك على سنة الله ورسوله والخليفتين من بعده فبايعه عبد الرحمن وبايعه الناس المهاجرون والأنصار وأمراء الأجناد والمسلمون.


সহিহ বুখারী > যে দু’বার বাই’আত করে।

সহিহ বুখারী ৭২০৮

أبو عاصم عن يزيد بن أبي عبيد عن سلمة قال بايعنا النبي صلى الله عليه وسلم تحت الشجرة فقال لي يا سلمة ألا تبايع قلت يا رسول الله قد بايعت في الأول قال وفي الثاني.

সালমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন,আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর কাছে বৃক্ষের নীচে বায়’আত (বায়’আতে রিদওয়ান) গ্রহন করেছিলাম। পরে তিনি আমাকে বললেনঃ হে সালমা! তুমি বায়’আত গ্রহন করবে না? আমি বললাম , ইয়া রাসূলুল্লাহ্ ! আমি তো প্রথমবার বায়’আত গ্রহন করেছি। তিনি বললেনঃ দ্বিতীয়বারও গ্রহন কর। [২৯৬০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭১৫)

সালমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন,আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর কাছে বৃক্ষের নীচে বায়’আত (বায়’আতে রিদওয়ান) গ্রহন করেছিলাম। পরে তিনি আমাকে বললেনঃ হে সালমা! তুমি বায়’আত গ্রহন করবে না? আমি বললাম , ইয়া রাসূলুল্লাহ্ ! আমি তো প্রথমবার বায়’আত গ্রহন করেছি। তিনি বললেনঃ দ্বিতীয়বারও গ্রহন কর। [২৯৬০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭১৫)

أبو عاصم عن يزيد بن أبي عبيد عن سلمة قال بايعنا النبي صلى الله عليه وسلم تحت الشجرة فقال لي يا سلمة ألا تبايع قلت يا رسول الله قد بايعت في الأول قال وفي الثاني.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00