সহিহ বুখারী > মানুষদের জন্য প্রতিনিধি হওয়া ।
সহিহ বুখারী ৭১৭৬
حدثنا إسماعيل بن أبي أويس حدثني إسماعيل بن إبراهيم عن عمه موسى بن عقبة قال ابن شهاب حدثني عروة بن الزبير أن مروان بن الحكم والمسور بن مخرمة أخبراه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال حين أذن لهم المسلمون في عتق سبي هوازن إني لا أدري من أذن منكم ممن لم يأذن فارجعوا حتى يرفع إلينا عرفاؤكم أمركم فرجع الناس فكلمهم عرفاؤهم فرجعوا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبروه أن الناس قد طيبوا وأذنوا.
উরওয়াহ ইব্নু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, মারওয়ান ইব্নু হাকাম ও মিসওয়ার ইব্নু মাখরামাহ (রাঃ) তার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, হাওয়াযেনের বন্দীদেরকে মুক্ত করার ব্যাপারে মুসলিমরা যখন এসে সর্বসম্মতভাবে অনুমতি দিলেন, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কে অনুমতি দিয়েছ, আর কে দাও নি, তা আমি বুঝতে পারি নি। কাজেই তোমরা ফিরে যাও, তোমাদের প্রতিনিধিরা তোমাদের মতামত জেনে আমার নিকট আসবে। লোকেরা ফিরে গেল এবং তাদের প্রতিনিধিরা তাদের সঙ্গে এ সম্পর্কে আলোচনা করল। পরে তারা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ফিরে এসে তাঁকে সংবাদ দিল যে, লোকেরা সন্তোষ সহকারে অনুমতি দিয়েছে। (১৭৮) (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৮৮)
উরওয়াহ ইব্নু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, মারওয়ান ইব্নু হাকাম ও মিসওয়ার ইব্নু মাখরামাহ (রাঃ) তার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, হাওয়াযেনের বন্দীদেরকে মুক্ত করার ব্যাপারে মুসলিমরা যখন এসে সর্বসম্মতভাবে অনুমতি দিলেন, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কে অনুমতি দিয়েছ, আর কে দাও নি, তা আমি বুঝতে পারি নি। কাজেই তোমরা ফিরে যাও, তোমাদের প্রতিনিধিরা তোমাদের মতামত জেনে আমার নিকট আসবে। লোকেরা ফিরে গেল এবং তাদের প্রতিনিধিরা তাদের সঙ্গে এ সম্পর্কে আলোচনা করল। পরে তারা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ফিরে এসে তাঁকে সংবাদ দিল যে, লোকেরা সন্তোষ সহকারে অনুমতি দিয়েছে। (১৭৮) (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৮৮)
حدثنا إسماعيل بن أبي أويس حدثني إسماعيل بن إبراهيم عن عمه موسى بن عقبة قال ابن شهاب حدثني عروة بن الزبير أن مروان بن الحكم والمسور بن مخرمة أخبراه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال حين أذن لهم المسلمون في عتق سبي هوازن إني لا أدري من أذن منكم ممن لم يأذن فارجعوا حتى يرفع إلينا عرفاؤكم أمركم فرجع الناس فكلمهم عرفاؤهم فرجعوا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبروه أن الناس قد طيبوا وأذنوا.
সহিহ বুখারী ৭১৭৭
حدثنا إسماعيل بن أبي أويس، حدثني إسماعيل بن إبراهيم، عن عمه، موسى بن عقبة قال ابن شهاب حدثني عروة بن الزبير، أن مروان بن الحكم، والمسور بن مخرمة، أخبراه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال حين أذن لهم المسلمون في عتق سبى هوازن " إني لا أدري من أذن منكم ممن لم يأذن، فارجعوا حتى يرفع إلينا عرفاؤكم أمركم ". فرجع الناس فكلمهم عرفاؤهم، فرجعوا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبروه أن الناس قد طيبوا وأذنوا.
উরওয়াহ ইব্নু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, মারওয়ান ইব্নু হাকাম ও মিসওয়ার ইব্নু মাখরামাহ (রাঃ) তার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, হাওয়াযেনের বন্দীদেরকে মুক্ত করার ব্যাপারে মুসলিমরা যখন এসে সর্বসম্মতভাবে অনুমতি দিলেন, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কে অনুমতি দিয়েছ, আর কে দাও নি, তা আমি বুঝতে পারি নি। কাজেই তোমরা ফিরে যাও, তোমাদের প্রতিনিধিরা তোমাদের মতামত জেনে আমার নিকট আসবে। লোকেরা ফিরে গেল এবং তাদের প্রতিনিধিরা তাদের সঙ্গে এ সম্পর্কে আলোচনা করল। পরে তারা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ফিরে এসে তাঁকে সংবাদ দিল যে, লোকেরা সন্তোষ সহকারে অনুমতি দিয়েছে। (১৭৮) (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৮৮)
উরওয়াহ ইব্নু যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, মারওয়ান ইব্নু হাকাম ও মিসওয়ার ইব্নু মাখরামাহ (রাঃ) তার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, হাওয়াযেনের বন্দীদেরকে মুক্ত করার ব্যাপারে মুসলিমরা যখন এসে সর্বসম্মতভাবে অনুমতি দিলেন, তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কে অনুমতি দিয়েছ, আর কে দাও নি, তা আমি বুঝতে পারি নি। কাজেই তোমরা ফিরে যাও, তোমাদের প্রতিনিধিরা তোমাদের মতামত জেনে আমার নিকট আসবে। লোকেরা ফিরে গেল এবং তাদের প্রতিনিধিরা তাদের সঙ্গে এ সম্পর্কে আলোচনা করল। পরে তারা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ফিরে এসে তাঁকে সংবাদ দিল যে, লোকেরা সন্তোষ সহকারে অনুমতি দিয়েছে। (১৭৮) (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৮৮)
حدثنا إسماعيل بن أبي أويس، حدثني إسماعيل بن إبراهيم، عن عمه، موسى بن عقبة قال ابن شهاب حدثني عروة بن الزبير، أن مروان بن الحكم، والمسور بن مخرمة، أخبراه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال حين أذن لهم المسلمون في عتق سبى هوازن " إني لا أدري من أذن منكم ممن لم يأذن، فارجعوا حتى يرفع إلينا عرفاؤكم أمركم ". فرجع الناس فكلمهم عرفاؤهم، فرجعوا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبروه أن الناس قد طيبوا وأذنوا.
সহিহ বুখারী > শাসকের প্রশংসা করা এবং বাইরে এসে তার উল্টা বলা অপছন্দনীয়।
সহিহ বুখারী ৭১৭৮
أبو نعيم حدثنا عاصم بن محمد بن زيد بن عبد الله بن عمر عن أبيه قال أناس لابن عمر إنا ندخل على سلطاننا فنقول لهم خلاف ما نتكلم إذا خرجنا من عندهم قال كنا نعدها نفاقا.
মুহাম্মাদ ইব্নু যায়েদ ইব্নু 'আবদুল্লাহ্ ইব্নু 'উমার তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কয়েকজন লোক ইব্নু 'উমার (রাঃ) -কে বলল, আমরা আমাদের শাসকের কাছে গিয়ে তার এমন কথা বলি, তার দরবার থেকে বাইরে আসার পর সে কথার উল্টো বলি। তিনি বললেন, আমরা এটাকেই নিফাক বলে গণ্য করতাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৮৯)
মুহাম্মাদ ইব্নু যায়েদ ইব্নু 'আবদুল্লাহ্ ইব্নু 'উমার তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কয়েকজন লোক ইব্নু 'উমার (রাঃ) -কে বলল, আমরা আমাদের শাসকের কাছে গিয়ে তার এমন কথা বলি, তার দরবার থেকে বাইরে আসার পর সে কথার উল্টো বলি। তিনি বললেন, আমরা এটাকেই নিফাক বলে গণ্য করতাম।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৮৯)
أبو نعيم حدثنا عاصم بن محمد بن زيد بن عبد الله بن عمر عن أبيه قال أناس لابن عمر إنا ندخل على سلطاننا فنقول لهم خلاف ما نتكلم إذا خرجنا من عندهم قال كنا نعدها نفاقا.
সহিহ বুখারী ৭১৭৯
قتيبة حدثنا الليث عن يزيد بن أبي حبيب عن عراك عن أبي هريرة أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إن شر الناس ذو الوجهين الذي يأتي هؤلاء بوجه وهؤلاء بوجه
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছেন- দু’মুখো লোকেরা সবচেয়ে খারাপ যারা এদের কাছে এক চেহারা নিয়ে আসে আবার ওদের কাছে আর এক চেহারা নিয়ে আসে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৯০)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছেন- দু’মুখো লোকেরা সবচেয়ে খারাপ যারা এদের কাছে এক চেহারা নিয়ে আসে আবার ওদের কাছে আর এক চেহারা নিয়ে আসে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৯০)
قتيبة حدثنا الليث عن يزيد بن أبي حبيب عن عراك عن أبي هريرة أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إن شر الناس ذو الوجهين الذي يأتي هؤلاء بوجه وهؤلاء بوجه
সহিহ বুখারী > অনুপস্থিত ব্যক্তির বিচার
সহিহ বুখারী ৭১৮০
محمد بن كثير أخبرنا سفيان عن هشام عن أبيه عن عائشة أن هندا قالت للنبي صلى الله عليه وسلم إن أبا سفيان رجل شحيح فأحتاج أن آخذ من ماله قال خذي ما يكفيك وولدك بالمعروف.
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, হিন্দা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে বলল, আবূ সুফ্ইয়ান (রাঃ) বড় কৃপণ লোক। কাজেই তার সম্পদ থেকে কিছু নিতে আমি বাধ্য হয়ে পড়ি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার ও সন্তানের জন্য যতটা প্রয়োজন ন্যায়সঙ্গতভাবে ততটা নিতে পার। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৯১)
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, হিন্দা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে বলল, আবূ সুফ্ইয়ান (রাঃ) বড় কৃপণ লোক। কাজেই তার সম্পদ থেকে কিছু নিতে আমি বাধ্য হয়ে পড়ি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার ও সন্তানের জন্য যতটা প্রয়োজন ন্যায়সঙ্গতভাবে ততটা নিতে পার। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৯১)
محمد بن كثير أخبرنا سفيان عن هشام عن أبيه عن عائشة أن هندا قالت للنبي صلى الله عليه وسلم إن أبا سفيان رجل شحيح فأحتاج أن آخذ من ماله قال خذي ما يكفيك وولدك بالمعروف.
সহিহ বুখারী > বিচারক যাকে তার ভাই-এর হক প্রদান করে, সে যেন তা না নেয়, কারণ বিচারকের ফায়সালা হারামকে হালাল এবং হালালকে হারাম করতে পারে না।
সহিহ বুখারী ৭১৮১
عبد العزيز بن عبد الله حدثنا إبراهيم بن سعد عن صالح عن ابن شهاب قال أخبرني عروة بن الزبير أن زينب بنت أبي سلمة أخبرته أن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أخبرتها عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه سمع خصومة بباب حجرته فخرج إليهم فقال إنما أنا بشر وإنه يأتيني الخصم فلعل بعضكم أن يكون أبلغ من بعض فأحسب أنه صادق فأقضي له بذلك فمن قضيت له بحق مسلم فإنما هي قطعة من النار فليأخذها أو ليتركها.
যাইনাব বিন্ত আবূ সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী উম্মু সালামাহ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে তার কাছে বর্ণনা করছেন যে, একবার তিনি তাঁর কক্ষের দরজায় ঝগড়া বিবাদের শব্দ শুনতে পেলেন। এরপর তিনি তাদের কাছে এসে বললেন, আমি তো একজন মানুষ। আমার নিকট বাদী-বিবাদীরা আসে। হয়ত তোমাদের মাঝে কেউ অন্যের তুলনায় কথায় পটু। আমি মনে করি যে সে সত্যবাদী। ফলে আমি তার পক্ষে ফায়সালা করি। কিন্তু আমি যদি কোন মুসলিমের হক অন্য কারো জন্য ফায়সালা করি, তাহলে সেটা এক খন্ড আগুন ব্যতীত আর কিছু নয়। কাজেই সে চাইলে তা গ্রহণ করুক অথবা তা ত্যাগ করুক। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৯২)
যাইনাব বিন্ত আবূ সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী উম্মু সালামাহ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে তার কাছে বর্ণনা করছেন যে, একবার তিনি তাঁর কক্ষের দরজায় ঝগড়া বিবাদের শব্দ শুনতে পেলেন। এরপর তিনি তাদের কাছে এসে বললেন, আমি তো একজন মানুষ। আমার নিকট বাদী-বিবাদীরা আসে। হয়ত তোমাদের মাঝে কেউ অন্যের তুলনায় কথায় পটু। আমি মনে করি যে সে সত্যবাদী। ফলে আমি তার পক্ষে ফায়সালা করি। কিন্তু আমি যদি কোন মুসলিমের হক অন্য কারো জন্য ফায়সালা করি, তাহলে সেটা এক খন্ড আগুন ব্যতীত আর কিছু নয়। কাজেই সে চাইলে তা গ্রহণ করুক অথবা তা ত্যাগ করুক। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৯২)
عبد العزيز بن عبد الله حدثنا إبراهيم بن سعد عن صالح عن ابن شهاب قال أخبرني عروة بن الزبير أن زينب بنت أبي سلمة أخبرته أن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أخبرتها عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه سمع خصومة بباب حجرته فخرج إليهم فقال إنما أنا بشر وإنه يأتيني الخصم فلعل بعضكم أن يكون أبلغ من بعض فأحسب أنه صادق فأقضي له بذلك فمن قضيت له بحق مسلم فإنما هي قطعة من النار فليأخذها أو ليتركها.
সহিহ বুখারী ৭১৮২
إسماعيل قال حدثني مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت كان عتبة بن أبي وقاص عهد إلى أخيه سعد بن أبي وقاص أن ابن وليدة زمعة مني فاقبضه إليك فلما كان عام الفتح أخذه سعد فقال ابن أخي قد كان عهد إلي فيه فقام إليه عبد بن زمعة فقال أخي وابن وليدة أبي ولد على فراشه فتساوقا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال سعد يا رسول الله ابن أخي كان عهد إلي فيه وقال عبد بن زمعة أخي وابن وليدة أبي ولد على فراشه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم هو لك يا عبد بن زمعة ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الولد للفراش وللعاهر الحجر ثم قال لسودة بنت زمعة احتجبي منه لما رأى من شبهه بعتبة فما رآها حتى لقي الله تعالى.
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, উত্বাহ ইব্নু আবূ ওয়াক্কাস তাঁর ভাই সা’দ ইব্নু আবূ ওয়াক্কাস-কে ওসিয়ত করেন যে, যাম্আ-এর বাঁদীর গর্ভজাত সন্তানটি আমার ঔরস থেকে জন্মেছে। কাজেই তুমি তাকে তোমার হেফাজতে নিয়ে এসো। মক্কা বিজয়ের বছর সা’দ (রাঃ) তাকে ধরলেন এবং বললেন, আমার ভাই এ ছেলের সম্পর্কে আমাকে ওসিয়ত করেছিলেন। তখন আবদ ইব্নু যাম'’আহ দাঁড়াল এবং বলল, এ আমার ভাই, আমার পিতার বাঁদীর পেটের সন্তান। আমার পিতার ঔরসে তার জন্ম। তারপর তারা দু’জনেই বিষয়টি নিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বিচার প্রার্থী হলেন। সা’দ বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! এ আমার ভাইয়ের ছেলে। আমার ভাই এর ব্যাপারে আমাকে ওসিয়ত করে গেছেন। আবদ ইব্নু যাম’আহ বলল, এ হচ্ছে আমার ভাই, আমার পিতার বাঁদীর পেটের সন্তান। আমার পিতার ঔরসেই তার জন্ম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে আব্দ ইব্নু যাম’আহ! সে তোমারই। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সন্তান হল বিছানার মালিকেরই আর ব্যভিচারীর জন্য পাথর। পরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উত্বাহর সঙ্গে এ ছেলেটির চেহারার মিল দেখে, সাওদা বিনত যাম’আহ (রাঃ) -কে বললেন, এর থেকে পর্দা কর। সে জন্য মৃত্যুর আগে পর্যন্ত ছেলেটি সাওদা (রাঃ) -কে দেখতে পাইনি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৯৩)
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, উত্বাহ ইব্নু আবূ ওয়াক্কাস তাঁর ভাই সা’দ ইব্নু আবূ ওয়াক্কাস-কে ওসিয়ত করেন যে, যাম্আ-এর বাঁদীর গর্ভজাত সন্তানটি আমার ঔরস থেকে জন্মেছে। কাজেই তুমি তাকে তোমার হেফাজতে নিয়ে এসো। মক্কা বিজয়ের বছর সা’দ (রাঃ) তাকে ধরলেন এবং বললেন, আমার ভাই এ ছেলের সম্পর্কে আমাকে ওসিয়ত করেছিলেন। তখন আবদ ইব্নু যাম'’আহ দাঁড়াল এবং বলল, এ আমার ভাই, আমার পিতার বাঁদীর পেটের সন্তান। আমার পিতার ঔরসে তার জন্ম। তারপর তারা দু’জনেই বিষয়টি নিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে বিচার প্রার্থী হলেন। সা’দ বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! এ আমার ভাইয়ের ছেলে। আমার ভাই এর ব্যাপারে আমাকে ওসিয়ত করে গেছেন। আবদ ইব্নু যাম’আহ বলল, এ হচ্ছে আমার ভাই, আমার পিতার বাঁদীর পেটের সন্তান। আমার পিতার ঔরসেই তার জন্ম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে আব্দ ইব্নু যাম’আহ! সে তোমারই। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সন্তান হল বিছানার মালিকেরই আর ব্যভিচারীর জন্য পাথর। পরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উত্বাহর সঙ্গে এ ছেলেটির চেহারার মিল দেখে, সাওদা বিনত যাম’আহ (রাঃ) -কে বললেন, এর থেকে পর্দা কর। সে জন্য মৃত্যুর আগে পর্যন্ত ছেলেটি সাওদা (রাঃ) -কে দেখতে পাইনি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৯৩)
إسماعيل قال حدثني مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت كان عتبة بن أبي وقاص عهد إلى أخيه سعد بن أبي وقاص أن ابن وليدة زمعة مني فاقبضه إليك فلما كان عام الفتح أخذه سعد فقال ابن أخي قد كان عهد إلي فيه فقام إليه عبد بن زمعة فقال أخي وابن وليدة أبي ولد على فراشه فتساوقا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال سعد يا رسول الله ابن أخي كان عهد إلي فيه وقال عبد بن زمعة أخي وابن وليدة أبي ولد على فراشه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم هو لك يا عبد بن زمعة ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الولد للفراش وللعاهر الحجر ثم قال لسودة بنت زمعة احتجبي منه لما رأى من شبهه بعتبة فما رآها حتى لقي الله تعالى.